Tag: Bengali news

Bengali news

  • Demolition Of Hindu Deitys: এবার মূর্তি ভাঙার অভিযোগ কাম্বোডিয়ায়, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Demolition Of Hindu Deitys: এবার মূর্তি ভাঙার অভিযোগ কাম্বোডিয়ায়, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মূর্তি ভাঙার (Demolition Of Hindu Deitys) অভিযোগ কাম্বোডিয়ায় (Cambodia)। সেখানে একটি বিষ্ণুমূর্তি ভাঙা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা গিয়েছে একটি ব্যাকহো লোডার দিয়ে বিষ্ণু মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। মূর্তি ভাঙছে সে দেশের সেনাবাহিনী। বুধবার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, এই ধরনের অশ্রদ্ধাজনক কাজ বিশ্বজুড়ে অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত করে এবং এমন ঘটনা ঘটা উচিত নয়।

    কী বললেন রণধীর জয়সওয়াল?

    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা সম্প্রতি নির্মিত একটি হিন্দু ধর্মীয় দেবমূর্তি ভাঙচুর সংক্রান্ত খবর দেখেছি। এই মূর্তিটি ছিল বর্তমানে থাই–কম্বোডিয়া সীমান্ত বিরোধ প্রভাবিত একটি এলাকায়।” তিনি জানান, হিন্দু ও বৌদ্ধ দেবদেবীরা এই অঞ্চলের মানুষের কাছে পূজিত হন। এগুলি আমাদের সাধারণ সভ্যতাগত ঐতিহ্যের অংশ। প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি রোধ করতে ভারত দুই দেশকে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আলাপ-আলোচনা ও কূটনীতির পথ অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে। জুলাই মাসে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি হলেও, চলতি মাসে ফের শুরু হয়েছে সংঘাত।

    কাম্বোডিয়ার বক্তব্য

    প্রেহ ভিহেয়ারের (কাম্বোডিয়ার রাজধানী) মুখপাত্র লিম চ্যানপানহা জানান, মূর্তিটি কম্বোডিয়ার ভূখণ্ডের মধ্যেই আন সেস এলাকায় অবস্থিত ছিল (Cambodia)। তিনি বলেন, “২০১৪ সালে নির্মিত বিষ্ণু মূর্তিটি সোমবার ভেঙে ফেলা হয়। এটা থাইল্যান্ড সীমান্ত থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে অবস্থিত ছিল। বৌদ্ধ ও হিন্দুধর্ম অনুসারীদের দ্বারা পূজিত প্রাচীন মন্দির ও মূর্তিগুলির ধ্বংসের আমরা তীব্র নিন্দা করি (Demolition Of Hindu Deitys)।”

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সাফ কথা, আঞ্চলিক দাবি সত্ত্বেও, এই ধরনের অসন্মানজনক কাজ বিশ্বজুড়ে ভক্ত ও অনুগামীদের অনুভূতিতে আঘাত করে। তাই এই ধরনের কাজ করা উচিত নয়। আর কোনও প্রাণহানি, সম্পত্তি এবং ঐতিহ্যের ক্ষতি এড়াতে আমরা আবারও উভয় পক্ষকে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার এবং কূটনীতির ওপর ভরসা রাখার অনুরোধ করছি। শান্তি পুনরুদ্ধার করার আহ্বানও জানাচ্ছি (Demolition Of Hindu Deitys)।

  • New Airlines: ছাড়পত্র পেল আরও ৩ নয়া উড়ান সংস্থা, গতি বাড়ছে ভারতের!

    New Airlines: ছাড়পত্র পেল আরও ৩ নয়া উড়ান সংস্থা, গতি বাড়ছে ভারতের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহণ বাজারে নতুন করে প্রতিযোগিতা বাড়তে চলেছে। কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের কাছ (India Clears) থেকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি)  পেয়েছে দুটি নয়া বিমান সংস্থা। একটি হল আল হিন্দ এয়ার (Al Hind Air) এবং অন্যটি ফ্লাইএক্সপ্রেস (FlyExpress)। উত্তরপ্রদেশভিত্তিক আরও একটি সংস্থা শঙ্খ এয়ার (Shankh Air), যার কাছে ইতিমধ্যেই এনওসি রয়েছে (New Airlines), তারা ২০২৬ সালে বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে বর্তমানে হাতে গোণা কয়েকটি বড় সংস্থার দখলে থাকা এই খাতে প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে।

    অভ্যন্তরীণ বিমান পরিবহণ (New Airlines)

    এই অনুমোদনগুলি এমন একটা সময়ে এল, যখন সরকার বিশ্বের দ্রুততম হারে বেড়ে ওঠা অভ্যন্তরীণ বিমান পরিবহণ বাজারগুলির একটিতে অংশগ্রহণের পরিধি বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। বর্তমানে দেশে মাত্র ন’টি নির্ধারিত অভ্যন্তরীণ বিমান সংস্থা সক্রিয় রয়েছে। গত অক্টোবর মাসে আঞ্চলিক বিমান সংস্থা ফ্লাই বিগ (Fly Big) নির্ধারিত উড়ান স্থগিত করার পর সেই সংখ্যা আরও কমে যায়। আল হিন্দ এয়ারের উদ্যোক্তা কেরলভিত্তিক আলহিন্দ গ্রুপ, আর ফ্লাইএক্সপ্রেস যুক্ত হচ্ছে এমন একাধিক সম্ভাব্য নতুন সংস্থার তালিকায়, যারা এমন একটি বাজারে প্রবেশ করতে চাইছে যেখানে পরিসর (স্কেল) ও ভাড়ার নিয়ন্ত্রণ এখনও মূলত কয়েকটি সংস্থার হাতেই কেন্দ্রীভূত। ইতিমধ্যেই ছাড়পত্র পাওয়া শঙ্খ এয়ার আগামী বছর থেকেই বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু করতে পারে বলে অনুমান।

    দ্বৈত আধিপত্য

    এই শিল্পখাতে কার্যত দ্বৈত আধিপত্য গড়ে ওঠা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় নয়া সংস্থার প্রবেশের দাবি আরও জরুরি হয়ে উঠেছে। ইন্ডিগো এবং এয়ার ইন্ডিয়া গ্রুপ, যার মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসও অন্তর্ভুক্ত, এক সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ বিমানবাজারের ৯০ শতাংশেরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করছে। শুধু ইন্ডিগোই দখল করে রেখেছে ৬৫ শতাংশেরও বেশি বাজার। এই উদ্বেগগুলি চলতি মাসের শুরুতেই আরও তীব্র হয়ে ওঠে, যখন ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সে বড় ধরনের অপারেশনাল বিপর্যয় দেখা দেয়। এর প্রভাব গোটা নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত সম্প্রসারিত বাজারে একটিমাত্র এয়ারলাইনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার ঝুঁকি প্রকাশ্যে চলে আসে (New Airlines)।

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    সিভিল অ্যাভিয়েশন মন্ত্রী কে রামমোহন নায়ডু একটি পোস্টে অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে মন্ত্রক শঙ্খ এয়ার, আল হিন্দ এয়ার এবং ফ্লাইএক্সপ্রেসের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেছেন। উল্লেখ্য যে, যদিও শঙ্খ এয়ার ইতিমধ্যেই তাদের ছাড়পত্র পেয়েছে, অন্য দুটি ক্যারিয়ার এই সপ্তাহে তাদের এনওসি পেয়েছে। তিনি জানান, ভারতীয় বিমান চলাচল যে গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে তা বিবেচনা করে আরও বিমান সংস্থাকে উৎসাহিত করা আমাদের একটি ধারাবাহিক নীতি। তিনি ইউডিএএনের মতো সরকারি প্রকল্পের দিকে ইঙ্গিত করেছেন, যার লক্ষ্য আঞ্চলিক যোগাযোগ আরও উন্নত করা এবং একই সঙ্গে ছোট ক্যারিয়ারগুলিকে পা রাখতে সাহায্য করা। ইউডিএএন প্রকল্পের আওতায় স্টার এয়ার, ইন্ডিয়া ওয়ান এয়ার ও ফ্লাই৯১-এর মতো সংস্থাগুলি কম পরিষেবাপ্রাপ্ত রুটে তাদের পরিষেবা সম্প্রসারিত করেছে। এর মাধ্যমে ছোট শহরগুলিকে জাতীয় বিমান পরিবহণ নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মন্ত্রী বলেন, এই খাতে আরও বৃদ্ধির যথেষ্ট সম্ভাবনা এখনও রয়ে গিয়েছে (India Clears)।

    সর্বশেষ তথ্য

    ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ভারতের নির্ধারিত এয়ারলাইন্সগুলির মধ্যে রয়েছে ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়া, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, রাষ্ট্রায়ত্ত অ্যালায়েন্স এয়ার, আকাসা এয়ার, স্পাইসজেট, স্টার এয়ার, ফ্লাই৯১ এবং ইন্ডিয়া ওয়ান এয়ার (New Airlines)। তবে নতুন এয়ারলাইন্সের আগমন অতীতের ব্যর্থতার প্রেক্ষাপটেও ঘটছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে জেট এয়ারওয়েজ ও গো ফার্স্টের মতো সংস্থাগুলি ঋণের চাপ ও পরিচালনাগত সমস্যায় জর্জরিত হয়ে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে, যা এই খাতের অস্থিরতা স্পষ্টভাবে তফশিলিভুক্ত ক্যারিয়ারগুলির মধ্যে বর্তমানে ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়া, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, রাষ্ট্রায়ত্ত অ্যালায়েন্স এয়ার, আকাসা এয়ার, স্পাইসজেট, স্টার এয়ার, ফ্লাই৯১ এবং ইন্ডিয়াওয়ান এয়ার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    অতীতের ব্যর্থতার পটভূমিতেও (India Clears) নতুন বিমান সংস্থাগুলির আগমন ঘটে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, জেট এয়ারওয়েজ এবং গো ফার্স্টের মতো ক্যারিয়ারগুলি ঋণ এবং পরিচালনগত চ্যালেঞ্জের কারণে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়, যা এই খাতের অস্থিরতার বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরে (New Airlines)।

  • SIR: ভোটারের বাড়ি হিয়ারিংয়ের নোটিশ পৌঁছোচ্ছে তো? স্বচ্ছতা রাখতে বিএলও অ্যাপে নয়া অপশন

    SIR: ভোটারের বাড়ি হিয়ারিংয়ের নোটিশ পৌঁছোচ্ছে তো? স্বচ্ছতা রাখতে বিএলও অ্যাপে নয়া অপশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে রাজ্যে এসআইআরের খসড়া ভোটার তালিকা (SIR)। তালিকা প্রকাশ পেতেই দেখা গিয়েছে, রাজ্যে মোট আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩২ লাখ যাঁদের ২০০২-এর এসআইআরের সঙ্গে কোনও লিঙ্কই নেই (BLO APP)। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল জানান, প্রাথমিকভাবে এই ৩২ লাখ ভোটারের কাছেই হিয়ারিংয়ের নোটিশ পৌঁছনো শুরু হয়েছে। ২০ ডিসেম্বর থেকে হিয়ারিংয়ের নোটিশ নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন বিএলওরা। তবে, হিয়ারিংয়ের নোটিশ সঠিকভাবে বিএলওরা সংশ্লিষ্ট ভোটারের বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন কি না বা ভোটার সেটি গ্রহণ করছেন কি না, সে সংক্রান্ত বিষয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কমিশনের তরফে এ বার যোগ করা হল বিএলও অ্যাপে একটি নয়া অপশন।

    নয়া অপশন (SIR)

    সোমবার সকাল থেকেই বিএলও অ্যাপ খুললে দেখা যাচ্ছে এই নতুন অপশনটি। নতুন অপশনটির নাম ‘ডেলিভারি অফ শিডিউল হিয়ারিং নোটিশ’। কমিশন সূত্রে খবর, কোনও বিএলও যখন কোনও ভোটারের বাড়ি হিয়ারিংয়ের নোটিশ নিয়ে যাবেন, তখন তাঁকে একটি কমিশনের দেওয়া নির্দিষ্ট ফরম্যাটে থাকা ফর্মে ভোটারকে দিয়ে সই করাতে হবে এই মর্মে যে, সংশ্লিষ্ট ভোটার হিয়ারিংয়ের নোটিশটি গ্রহণ করেছেন। তবে, শুধু ভোটারই নন, ফর্মটিতে সই করতে হবে বিএলওকেও। তারপর নয়া অপশনে আপলোড করতে হবে ওই ফর্মটি। কোনও একজন বিএলও যে বুথের দায়িত্বে রয়েছেন, সেই বুথে কোন কোন ভোটারের ডাক পড়েছে হিয়ারিংয়ে, সেই তালিকা রয়েছে এই নয়া অপশনে। ফলে, ভোটারের ও বিএলওর সইয়ের পর, অপশনটিতে ক্লিক করলে যে ইন্টারফেসটি খুলবে, সেখানে ‘আপলোড রিসিপ্টে’ গিয়ে ওই ফর্মটিকে আপলোড করতে হবে এবং তারপরেই হিয়ারিং সংক্রান্ত সেই তথ্য সরাসরি পৌঁছে যাবে কমিশনের কাছে।

    ঐক্যমঞ্চের বক্তব্য

    ভোটকর্মী ও বিএলও ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল জানান, অনেক ক্ষেত্রে শাসকদল ঘনিষ্ট বিএলওরা নোটিশ না দিয়েই বলতে পারেন, তাঁরা ভোটারের কাছে নোটিশ  পৌঁছে দিয়েছেন। অথবা, এমনটাও হতে পারে কোনও ভোটার নোটিশ পেয়েছেন, অথচ তিনি বিষয়টি অস্বীকার করছেন। এসব সংক্রান্ত স্বচ্ছতা বজায় থাকবে নয়া এই অপশনের মাধ্যমে। তবে, প্রতিদিন যেভাবে নতুন নতুন অপশন যোগ করছে কমিশন, তাতে অস্বস্তিতে পড়ছেন বিএলওরা। তিনি বলেন, আমরা কী অবস্থায় রয়েছি, সেটা কমিশনের দেখা উচিত (BLO APP)। প্রসঙ্গত, শনিবার রাজ্যের সিইও জানিয়েছিলেন, ২৭ ডিসেম্বর থেকেই রাজ্যে শুরু হচ্ছে এসআইআরের হিয়ারিং পর্ব। ফলে, হিয়ারিংয়ে ডাক পড়া ভোটারের সংখ্যা কোথায় দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

    বাংলায় আসছেন ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল

    এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী-সহ ৩ সদস্যের (SIR) প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার আসছেন বাংলায়। বাংলায় এসআইআরের কাজ নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্যাপক গাফিলতি ধরা পড়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই নির্বাচন কমিশনের এই বিশেষ প্রতিনিধি দল আসতে চলেছে। এই দলের সদস্যরা একদিকে যেমন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখবেন খসড়া তালিকা, তেমনই তাঁরা আসন্ন চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজে যাতে আর কোনও গাফিলতি না হয়, তাও জানিয়ে দেবেন বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। বিশেষ এই টিমে থাকবেন প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এসবি জোশি ও ডেপুটি সেক্রেটারি অভিনব আগরওয়াল। ২৪শে ডিসেম্বর নজরুল মঞ্চে মাইক্রো অবজ়ারভারদের নিয়ে যে ট্রেনিং হবে, সেখানে উপস্থিত থাকবেন নির্বাচন কমিশনের এই পদস্থ আধিকারিকেরা, এমনটাই খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে। যাতে শেষ পর্যায়ে এসে আর কোনও ভুল না হয় সে কথা মনে করিয়ে দিতেই আসছেন তাঁরা (BLO APP)।

    প্রশিক্ষণ পর্ব

    অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদ,মালদা, জলপাইগুড়ি, দুই দিনাজপুর, দুই ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া, বীরভূম, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ কলকাতা, উত্তর কলকাতা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমানের দায়িত্বে থাকা মাইক্রো অবজারভারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে নজরুল মঞ্চে। দুটি পর্বে হবে এই প্রশিক্ষণ। প্রথম পর্ব, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। আর দ্বিতীয় পর্বের মেয়াদ বেলা আড়াইটে থেকে বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত (SIR)। জানা গিয়েছে, প্রায় (BLO APP) সাড়ে ৩ হাজার মাইক্রো অবজারভার অ্যাকটিভ রাখবে কমিশন। রিজার্ভ থাকছে আরও এক হাজার জন। সব মিলিয়ে থাকছেন সাড়ে ৪ হাজার মাইক্রো অবজারভার। মেট্রো রেল, দক্ষিণ পূর্ব রেল, জীবনবিমা নিগম,  কোল ইন্ডিয়া, ডিভিসি, শুল্ক দফতর-সহ কেন্দ্রীয় সরকারি নানা দফতর থেকে নেওয়া হচ্ছে এই আধিকারিকদের। ভোটার তালিকা ত্রুটি মুক্ত রাখতে প্রতিটি ধাপে নজরদারি চালাবেন অবজারভাররা। তাঁরা বিএলওদের ডিজিটাইজ করা এনুম্যারেশন ফর্মের যাবতীয় নথি যাচাই করবেন। হিয়ারিং প্রক্রিয়ায় থাকতে হবে মাইক্রো অবজারভারদের। হিয়ারিং প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ, নাম বাদ দেওয়ার ফর্ম, নাম তালিকাভুক্ত করার ফর্ম, নাম (BLO APP) সংশোধন করার ফর্মের নথিপত্র যাচাই করবেন তাঁরাই (SIR)।

  • Vishwa Sangh Shibir 2025: হায়দরাবাদে শুরু হচ্ছে বিশ্ব সংঘ শিবির, কারা থাকছেন অনুষ্ঠানে?

    Vishwa Sangh Shibir 2025: হায়দরাবাদে শুরু হচ্ছে বিশ্ব সংঘ শিবির, কারা থাকছেন অনুষ্ঠানে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ২৫ ডিসেম্বর। এদিন থেকেই হায়দরাবাদের (Hyderabad) কাছে কানহা শান্তি বনমে শুরু হচ্ছে বিশ্ব সংঘ শিবির ২০২৫ (Vishwa Sangh Shibir 2025)। চলবে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পাঁচ দিনের এই আন্তর্জাতিক সমাবেশে ৭৫টিরও বেশি দেশের প্রায় ২ হাজার প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    শেখার পরিবেশ (Vishwa Sangh Shibir 2025)

    এই শিবিরে হিন্দু স্বয়ংসেবক সংঘ, সনাতন ধর্ম স্বয়ংসেবক সংঘ, হিন্দু সেবা সংঘ, সেবা ইন্টারন্যাশনাল, সংস্কৃত ভারতী এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদ-সহ বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সদস্য ও তাঁদের পরিবারেরা একত্রিত হবেন। এই মঞ্চের উদ্দেশ্য হল বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রতিনিধিদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপন করা, আলাপ-আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি করা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং একে অপরের কাছ থেকে শেখার পরিবেশ গড়ে তোলা। খবরে বলা হয়েছে, এই সমস্ত সংগঠনই সংস্কার (মূল্যবোধ), সেবা (সমাজসেবা) ও সংগঠন (সমষ্টিগত কার্যক্রম)—এই অভিন্ন মূল্যবোধ থেকে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করে। বিভিন্ন দেশে এই সংগঠনগুলির সূচনা হয়েছে ভারত বা পূর্ব আফ্রিকা থেকে অভিবাসিত আরএসএস স্বয়ংসেবকদের মাধ্যমে, পাশাপাশি এমন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হিন্দুদের হাত ধরেও, যাঁরা বিশ্বাস করেন যে ব্যক্তিত্ব গঠনই সামাজিক পুনর্গঠনের ভিত্তি।

    শিবিরের আয়োজক সংস্থার বক্তব্য

    শিবিরের আয়োজক সংস্থা শ্রী বিশ্ব নিকেতনের সম্পাদক শ্যাম পারান্ডে জানান, অংশগ্রহণকারী প্রতিটি সংগঠনই স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে এবং তারা যেসব সম্প্রদায়ের সেবা (Hyderabad) করে, সেইসব সম্প্রদায়ের নির্দিষ্ট প্রয়োজন মেটানোর লক্ষ্যে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করে (Vishwa Sangh Shibir 2025)। প্রতি পাঁচ বছরে অন্তর আয়োজিত হয় বিশ্ব সংঘ শিবির। প্রথম শিবিরটি ১৯৯০ সালে বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর পর্যায়ক্রমে ভদোদরা, মুম্বাই, গান্ধীনগর, পুনে ও ইন্দোরে শিবির হয়েছে। আসন্ন সংস্করণটি সপ্তম শিবির।

    “ধর্মই সমস্ত কিছুর ভিত্তি”

    ভিএসএস ২০২৫-এর মূল ভাবনা হল “ধর্মে সর্বং প্রতিষ্ঠিতম”, যার অর্থ— “ধর্মই সমস্ত কিছুর ভিত্তি”। নিয়মিত অনলাইন সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি আন্তর্জাতিক আয়োজক দলের উদ্যোগে এই কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। শিশু, যুবক, প্রাপ্তবয়স্ক ও প্রবীণ—সব বয়সের মানুষের জন্য আলাদা আলাদা অধিবেশন ও কার্যক্রম সাজানো হয়েছে (Hyderabad)। অংশগ্রহণকারীদের ২৫ ডিসেম্বরের সকালেই উপস্থিত হওয়ার কথা। শিবিরটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ স্বামী গোবিন্দ দেব গিরির আশীর্বাদের মাধ্যমে। মূল ভাবনার ওপর প্রধান বক্তৃতা দেবেন আরএসএসের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। ‘হার্টফুলনেস মুভমেন্টে’র আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক দাজিরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে (Vishwa Sangh Shibir 2025)।

    মোহন ভাগবত

    শিবিরের সমাপনী অধিবেশনটি ২৮ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এই অধিবেশনে আরএসএসের সরসংঘচালক মোহন ভাগবত উপস্থিত থাকবেন এবং ভাষণ দেবেন। এই দিনেই দুপুর দেড়টা থেকে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তামিলনাড়ু ও পাঞ্জাবের প্রাক্তন রাজ্যপাল বানওয়ারিলাল পুরোহিত ভিএসএস ২০২৫-এর জন্য ক্যাম্প ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বিশ্ব সংঘ শিবির ২০২৫-এর আয়োজন (Hyderabad) করছে শ্রী বিশ্ব নিকেতন, নয়াদিল্লিভিত্তিক একটি নথিভুক্ত ট্রাস্ট। এই সংস্থাটি প্রবাসী ভারতীয়দের—বিশেষ করে অনাবাসী ভারতীয় এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের মধ্যে ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রসারে নিবেদিত (Vishwa Sangh Shibir 2025)।

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে ধর্মান্তরিত ব্যক্তির কবরকে ঘিরে বিতর্ক, পালিত হল বনধও

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে ধর্মান্তরিত ব্যক্তির কবরকে ঘিরে বিতর্ক, পালিত হল বনধও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) ধর্মান্তরণ এবং কাঁকর জেলায় ধর্মান্তরিত এক ব্যক্তির কবর দেওয়া(দাফন)-কে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের (Burial Dispute) প্রতিবাদে ২৪ ডিসেম্বর, বুধবার রাজ্যজুড়ে পালিত হল বনধ। দিনব্যাপী ডাকা এই বনধে সমর্থন জানিয়েছে ছত্তিশগড় চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং কনফেডারেশন অব অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স।

    বনধ পালিত (Chhattisgarh)

    বনধের জেরে রাজ্যের অধিকাংশ এলাকায় দোকানপাট বন্ধ ছিল। সবজি বাজারও বসেনি। বন্ধ ছিল যান চলাচলও। যাঁরা বনধ ডেকেছেন, তাঁরা কাঁকর জেলায় একটি মিছিলও করেন। প্রশাসনের কাছে জমা দেন স্মারকলিপি। কাঁকর জেলার আমাবেড়া এলাকায় এক সরপঞ্চের (গ্রামপ্রধান) বাবার দাফনকে ঘিরে বড়সড় বিতর্ক শুরু হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পর এই বনধের ডাক দেওয়া হয়। গত ১৬ ডিসেম্বর বাদে তেওদা গ্রামের সরপঞ্চ রাজমান সালাম গ্রামবাসীদের তীব্র আপত্তি উপেক্ষা করে গ্রামের সীমানার মধ্যেই তাঁরই একটি জমিতে তাঁর প্রয়াত বাবার দেহ দাফন দেন, যা থেকেই এই বিতর্কের সূত্রপাত।

    গ্রামের সীমানার মধ্যে ওই দাফনে বিতর্ক

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গ্রামের সীমানার মধ্যে ওই দাফন পঞ্চম তফসিলের অধীন নিয়মকানুন এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সংক্রান্ত প্রথাগত রীতিনীতির লঙ্ঘন। স্থানীয়রা সরপঞ্চের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। অভিযোগ, সরপঞ্চ গ্রামবাসীদের হুমকি দিয়েও দাফন সম্পন্ন করেন। গ্রামবাসীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন এবং দাফন করা দেহটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান। মৃতদেহ দাফনের পরের দিন সকালে কবরের ওপর ইটের গাঁথুনি দেখতে পাওয়ার পর গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। ব্যাপক উত্তেজনা দেখা যায় গ্রামে। শেষ পর্যন্ত শুরু হয় সংঘর্ষ, পাথর ছোড়া। স্থানীয় দু’টি গির্জায় ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। এই সংঘর্ষে একাধিক ব্যক্তি জখম হন (Chhattisgarh)। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশকর্মীও ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন শেষ পর্যন্ত ১৮ ডিসেম্বর মৃত ব্যক্তির দেহ কবর থেকে সরিয়ে নেয়।

    উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি

    ২১ ডিসেম্বর এক সাংবাদিক সম্মেলনে সর্ব সমাজের পদাধিকারীরা ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানান। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসনের পদক্ষেপ ছিল বৈষম্যমূলক। তাঁদের দাবি, প্রশাসন প্রথমে গ্রামবাসীদের আবেদন নিতে অস্বীকার করে এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়। এদিকে আদিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভকারীরা বলেন, বহিরাগতদের আক্রমণে স্থানীয় বাসিন্দারা জখম হয়েছেন। এতে প্রায় ২৪জন জখম হন।গ্রামসভার অনুমতি ছাড়াই ওই ব্যক্তির দাফন করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তাঁদের বক্তব্য, পঞ্চম তফসিলভুক্ত এলাকায় এই ধরনের অনুমতি বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি, অস্থায়ী গির্জাগুলির কার্যকলাপ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। সর্ব সমাজের সদস্যরা হুঁশিয়ারি দেন, প্রশাসন যদি সর্ব সমাজের অধিকার ও সংস্কৃতি রক্ষায় ব্যর্থ হয়, তবে সমাজকে রাস্তায় থেকে আদালত পর্যন্ত নিজের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে নামতে বাধ্য হতে হবে।

    এর আগে সর্ব সমাজের সদস্যরা ধর্মান্তর ও কাঁকেরের দাফন দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে একদিনের বন্‌ধের কথা ঘোষণা করেছিলেন। সদস্যরা জানান, এটি এই ধরনের একমাত্র ঘটনা নয়, রাজ্যের অন্যান্য জনজাতি অধ্যুষিত অঞ্চল থেকেও একই ধরনের ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসছে। তাঁদের অভিযোগ, খ্রিস্টান মিশনারিদের সঙ্গে যুক্ত ধর্মান্তরকারী গোষ্ঠীগুলি পরিকল্পিতভাবে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, যার ফলে সমাজে অশান্তি ও বিভাজন তৈরি হচ্ছে (Burial Dispute)। এদিকে, সোমবার সরকার কাঁকের জেলার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে অশোক কুমার রাখেচাকে। প্রাক্তন কাঁকের এসপি ইন্দিরা কল্যাণ এলেসেলারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি। ইন্দিরা কল্যাণ এলেসেলাকে ছত্তিশগঢ় সশস্ত্র পুলিশের সুরগুজা রেঞ্জের ডিআইজির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে (Chhattisgarh)।

  • Osman Hadi Killed: হাদি হত্যার রহস্যের পর্দা ফাঁস করলেন মৃতের ভাই ওমর

    Osman Hadi Killed: হাদি হত্যার রহস্যের পর্দা ফাঁস করলেন মৃতের ভাই ওমর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই ভরদুপুরে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রকাশ্যে গুলি করা হয় বাংলাদেশি ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদিকে (Osman Hadi Killed)। এর পর সিঙ্গাপুর হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর কয়েক দিন পর তাঁর ভাইয়ের অভিযোগ, মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরের একটি গোষ্ঠী আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিল (Yunus Regime)।

    হাদিকে খুব কাছ থেকে গুলি (Osman Hadi Killed)

    ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর গড়ে ওঠা সাংস্কৃতিক সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় তাঁর। হাদির হত্যাকাণ্ডের জেরে ফের হিংসা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বাংলাদেশে। উত্তেজিত জনতা একাধিক প্রথম শ্রেণির সংবাদপত্র ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলা চালায়। হাদির ভাই শরিফ ওমর হাদি ঢাকার শাহবাগে এক প্রতিবাদ সমাবেশে সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগেন। তিনি বলেন, “আপনারাই ওসমান হাদিকে হত্যা করেছেন। আর এখন এই ঘটনাকে ইস্যু করে নির্বাচন ভণ্ডুল করার চেষ্টা করছেন!”

    ওমরের অভিযোগ

    ওমর বলেন, “ওসমান চেয়েছিলেন ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং নির্বাচনী পরিবেশে কোনও ধরনের বিঘ্ন ঘটতে দেওয়া যাবে না।” তিনি বলেন, “খুনিদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করুন, যাতে নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সরকার এখনও পর্যন্ত কোনও চোখে পড়ার মতো অগ্রগতি তদন্তের ফল আমাদের সামনে তুলে ধরতে পারেনি। যদি ওসমান হাদির মৃত্যুর ন্যায়বিচার না হয়, তাহলে আপনাকেও (ইউনূসকে) একদিন বাংলাদেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হতে হবে।” ওমরের অভিযোগ, তাঁর ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। কারণ তিনি কোনও সংস্থা বা কোনও বিদেশি প্রভুর কাছে মাথা নত করেননি (Osman Hadi Killed)।

    ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের দাবি করেন, ওসমানের হত্যাকাণ্ড জুলাই অভ্যুত্থানের অর্জন এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ধ্বংসের লক্ষ্যে করা একটি ‘গভীর ষড়যন্ত্রে’র অংশ। তাঁর অভিযোগ, দেশের ভেতরে সক্রিয় আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং ‘ফ্যাসিস্ট সহযোগীরা’ এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। জাবের আরও দাবি করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের তদন্তের মাধ্যমে সরকার যেন খুনিদের জনসমক্ষে হাজির করে। অন্যথায়, তারা আন্দোলন আরও তীব্র করবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিক্ষোভকারীরা জানান, ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকবেন এবং আন্দোলন চালিয়ে যাবেন (Osman Hadi Killed)।

    ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা ২৫ ডিসেম্বর। তাঁরা কোনও কর্মসূচি পালন করবেন না। ওমরদের আশা, তারেক রহমান তাঁদের আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতি জানাবেন (Yunus Regime)।”

  • Andhra Pradesh: নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৪

    Andhra Pradesh: নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর তেরোর এক নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চারজনের বিরুদ্ধে। অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) গুন্টুর জেলার মঙ্গলগিরি শহর এলাকার ওই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে, দায়ের হয়েছে পকসো আইনে মামলাও (Gang Rape Case)।

    গণধর্ষিতা নাবালিকা (Andhra Pradesh)

    পুলিশ সূত্রে খবর, ১৮ ডিসেম্বর রাতে গুন্টুর অঞ্চলের মঙ্গলগিরি রেলস্টেশনের কাছে ঘটনাটি ঘটে। রাত ১০টা নাগাদ নাবালিকাটি তার বন্ধুদের সঙ্গে ছিল। সেই সময় অভিযুক্তরা তাকে প্রলোভন দেখিয়ে একটি অটো-রিকশায় তুলে নেয় এবং শহরের উপকণ্ঠের একাধিক নির্জন জায়গায় নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে কিশোরীটিকে বারংবার যৌন নিগ্রহ করা হয়। অভিযুক্তরা হল, তাড়েপল্লির কেএল রাও কলোনির বাসিন্দা শেখ খাদর বাশা (৫০), তার ছেলে কামাল সাহেব (২৫), বিজয়ওয়াড়ার প্রকাশ নগরের বাসিন্দা শেখ সেলিম (৪২) এবং অটো-রিকশাচালক শেখ রাব্বানি (৩৯)।

    নির্যাতিতার চিৎকার

    জানা গিয়েছে, ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে যখন অটো-রিকশায় করে নিয়ে যাওয়ার সময় নির্যাতিতা চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে আসেন। তারপরেই অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটি বাড়িতে ফিরে মাকে ভয়াবহ এই ঘটনার বিবরণ দেয়। অভিযোগ দায়ের করা হয় থানায় (Andhra Pradesh)। অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ আধিকারিক কে বীরস্বামী ও তাঁর দল অভিযানে নামেন। ২১ ডিসেম্বর বিকেলে ডন বসকো এলাকার কাছে চারজন সন্দেহভাজনকেই গ্রেফতার করা হয়। ডিএসপি নিশ্চিত করেছেন যে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে অভিযুক্তদের রাস্তায় প্যারেড করানো হয়। ডিএসপি মুরলীকৃষ্ণ সংবাদমাধ্যমে বলেন, “এই প্যারেড আমাদের এলাকায় নারী ও শিশুদের লক্ষ্য করে যারা অপরাধ করে, তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের বার্তা দেওয়া।”

    পুলিশ জানিয়েছে, চার অভিযুক্তকেই বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে (Gang Rape Case)। এই ঘটনাটি কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত কিনা, কিংবা অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখাতেই হচ্ছে তদন্ত (Andhra Pradesh)।

  • Ramakrishna 541: “তারে কেউ চিনলি না রে! ও সে পাগলের বেশে ফিরছে জীবের ঘরে ঘরে!”

    Ramakrishna 541: “তারে কেউ চিনলি না রে! ও সে পাগলের বেশে ফিরছে জীবের ঘরে ঘরে!”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    গুহ্যকথা—“তিনজনই এক”

    “তখন যীশু বললেন, তোমার দিদিই ধন্য, কেন না মানুষ জীবনের যা প্রয়োজন (অর্থাৎ ঈশ্বরকে ভালবাসা—প্রেম) তা ওঁর হয়েছে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আচ্ছা তোমার এ-সব দেখে কি বোধ হয়?

    মণি—আমার বোধ হয়, তিনজনেই এক বস্তু!—যীশুখ্রীষ্ট, চৈতন্যদেব আর আপনি—একব্যক্তি!

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এক এক! এক বইকি। তিনি (ঈশ্বর),—দেখছ (Kathamrita) না,—যেন এর উপর এমন করে রয়েছে!

    এই বলিয়া ঠাকুর নিজের শরীরের উপর অঙ্গুলি নির্দেশ করিলেন যেন বলছেন, ঈশ্বর তাঁরই শরীরধারণ করে অবতীর্ণ হয়েই রয়েছেন।

    মণি—সেদিন আপনি এই অবতীর্ণ হওয়ার ব্যাপারটি বেশ বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কি বল দেখি।

    মণি—যেন দিগ্‌দিগন্তব্যাপী মাঠ পড়ে রয়েছে! ধু-ধু করছে! সম্মুখে পাঁচিল রয়েছে বলে আমি দেখতে পাচ্ছি না;—সেই পাঁচিলে কেবল একটি ফাঁক!—সেই ফাঁক দিয়ে অনন্ত মাঠের খানিকটা দেখা যায়!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — বল দেখি সে ফাঁকটি কি?

    মণি—সে ফাঁকটি আপনি! আপনার ভিতর দিয়ে সব দেখা যায় (Kathamrita);—সেই দিগ্‌দিগন্তব্যাপী মাঠ দেখা যায়!

    শ্রীরামকৃষ্ণ অতিশয় সন্তুষ্ট, মণির গা চাপড়াতে লাগলেন। আর বললেন, “তুমি যে ওইটে বুঝে ফেলেছ।—বেশ হয়েছে।”

    মণি—ওইটি শক্ত কি না; পূর্ণব্রহ্ম হয়ে ওইটুকুর ভিতর কেমন করে থাকেন, ওইটা বুঝা যায় না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—‘তারে কেউ চিনলি না রে! ও সে পাগলের বেশে (দীনহীন কাঙালের বেশে) ফিরছে জীবের ঘরে ঘরে!’

    মণি—আর আপনি বলেছিলেন যীশুর কথা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কি, কি?

    মণি—যদু মল্লিকের বাগানে যীশুর ছবি দেখে ভাবসমাধি হয়েছিল। আপনি দেখেছিলেন যে যীশুর মূর্তি ছবি থেকে এসে আপনার ভিতর মিশে গেল।

    ঠাকুর কিয়ৎকাল চুপ করিয়া আছেন। তারপর আবার মণিকে বলিতেছেন, “এই যে গলায় এইটে হয়েছে, ওর হয়তো মানে আছে—সব লোকের কাছে পাছে হালকামি করি।—না হলে যেখানে সেখানে নাচা-গাওয়া তো হয়ে যেত।”

    ঠাকুর দ্বিজর কথা কহিতেছেন। বলিতেছেন(Kathamrita), “দ্বিজ এল না?”

    মণি—বলেছিলাম আসতে। আজ আসবার কথা ছিল; কিন্তু কেন এল না, বলতে পারি না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তার খুব অনুরাগ। আচ্ছা, ও এখানকার একটা কেউ হবে (অর্থাৎ সাঙ্গোপাঙ্গের মধ্যে একজন হবে), না?

    মণি—আজ্ঞা হাঁ, তাই হবে, তা না হলে এত অনুরাগ।

    মণি মশারির ভিতর গিয়া ঠাকুরকে বাতাস করিতেছেন।

  • Hindu Minorities: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন, কড়া প্রতিক্রিয়া আমেরিকা- রাশিয়া-কানাডার

    Hindu Minorities: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন, কড়া প্রতিক্রিয়া আমেরিকা- রাশিয়া-কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ক্রমেই বাড়ছে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের (Hindu Minorities) ওপর নৃশংস অপরাধের ঘটনা। বর্তমানে পদ্মাপারের এই দেশের রাশ অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে, যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন মহম্মদ ইউনূস (Bangladesh)। তাঁর জমানায় এই জাতীয় ঘটনা কার্যত নির্বিঘ্নে চলতে থাকায় আন্তর্জাতিক মহলে অমানবিক কার্যকলাপের অভিযোগে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ইউনূস প্রশাসন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার আইনপ্রণেতারা নিরপরাধ এক হিন্দু যুবককে গণপিটুনির ঘটনার কড়া নিন্দে করেছেন। ঢাকায় অবস্থিত রুশ দূতাবাস ইউনূস সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন মহলকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান থেকে অঞ্চলটি বিচ্ছিন্ন করে ‘বাংলাদেশ’ নামের নতুন রাষ্ট্র গঠনের জন্য ভারত ও রাশিয়া যে ত্যাগ স্বীকার করেছিল, তা ভোলার নয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এই কঠোর স্মরণবার্তাগুলি বাংলাদেশের পক্ষে এক সতর্কবার্তাস্বরূপ। দেশটি বর্তমানে রাজনৈতিক হিংসা, গণপিটুনি, লক্ষ্যভিত্তিক হামলা ও হত্যাকাণ্ড এবং উগ্র ইসলামপন্থী মতাদর্শে প্রভাবিত নানা চরমপন্থী নৃশংসতায় ক্রমাগত ডুবে যাচ্ছে।

    মার্কিন সাংসদের তোপ (Hindu Minorities)

    হিংসার এই ধারা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতা জেনিফার রাজকুমার। নিউইয়র্ক স্টেটের প্রতিনিধি ও নাগরিক অধিকার আইনজীবী জেনিফার বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে নির্মমভাবে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনা হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে দেশটিতে ঘটে চলা এক ভয়াবহ লাগাতার হিংসার ইঙ্গিত দেয়।” বিশ্ববাসীর কাছে তাঁর আহ্বান, মানবাধিকার, সংখ্যালঘুদের ন্যায়বিচার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় বিশ্ববাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে। জেনিফার বলেন, “বাংলাদেশের হিন্দু (Hindu Minorities) সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটে চলা হিংসার ঘটনায় আমি গভীরভাবে বিচলিত। সাম্প্রতিক সময়ে এর ভয়াবহ উদাহরণ হল বাংলাদেশি হিন্দু দীপু চন্দ্র দাসকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা। একটি জনতা তাঁকে মারধর করে, আগুনে পুড়িয়ে দেয় এবং তাঁর দেহ একটি হাইওয়েতে ফেলে রেখে গেল!” তিনি বলেন, “এই ঘটনা বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন (Bangladesh) ও লক্ষ্যভিত্তিক হিংসার এক উদ্বেগজনক ধারার অংশ। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের ওপর ২ হাজার ৪৪২টি হিংসা ঘটনা ঘটেছে এবং ১৫০টিরও বেশি মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে।” জেনিফার বলেন, “বিশ্বের উচিত বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। বাংলাদেশের হিন্দুদের যে ভয়, যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা আমাদেরও ভাগ করে নিতে হবে।”

    কানাডার নিশানায় বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার নৃশসংতার সমালোচনা করেছেন কানাডার কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদ শুভ মজুমদারও। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের হিন্দু সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে চালানো ‘পগরোম’ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।” বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে হিন্দুদের  (Hindu Minorities) বিরুদ্ধে সংঘটিত সব লক্ষ্যভিত্তিক হামলা ও জঘন্য অপরাধের জন্য জবাবদিহিও দাবি করেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে শুভ লেখেন, “এমন সময়ে আমাদের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান-সহ সব সংখ্যালঘুর বিরুদ্ধে পগরোম অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানাতে হবে এবং ইউনূস সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি বলেন, “মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতার পক্ষে আমাদের নিরলসভাবে কথা বলতেই হবে। এতে চরমপন্থাকে রাজনৈতিক পরিবর্তনের নামে যারা যুক্তি দেখায়, বাস্তবতা তুলে ধরতে ব্যর্থ গণমাধ্যমের কিছু অংশ এবং হিংসা ও ধর্মীয় চরমপন্থার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিতে না পেরে সমতুল্যতার মোহে আচ্ছন্ন রাষ্ট্রসংঘ যতই অস্বস্তিতে পড়ুক না কেন, তা আমাদের করতেই হবে।”

    বাংলাদেশে শেকড় গেড়েছে ধর্মীয় চরমপন্থা

    এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে (Bangladesh) যে ধর্মীয় চরমপন্থা শেকড় গেড়েছে, তাকেই কটাক্ষ করেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। তিনি বলেন, “২০২৪ সালের অগাস্টে রাজনৈতিক অস্থিরতার পর থেকে বাংলাদেশে হাজার হাজার হিংসার ঘটনা ঘটেছে, যার প্রধান লক্ষ্য ছিল হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়।” কানাডার সাংসদ বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার যখন একদিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনার নিন্দা করছে এবং গ্রেফতারির কথা ঘোষণা করছে, তখনও নিপীড়নের এই ধারাবাহিকতা থামেনি। স্থিতিশীল শাসনব্যবস্থার অনুপস্থিতিতে উগ্রপন্থী শক্তিগুলি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।” সংখ্যালঘুদের ওপর অপরাধ বন্ধে এবং তাঁদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কড়া সমালোচনাও(Hindu Minorities) করেন তিনি।

    সরব কানাডার আরও এক সাংসদও

    কানাডার আর এক সাংসদ মেলিসা ল্যান্টসম্যানও বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর সংঘটিত নৃশংসতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দুরা ক্রমবর্ধমান হিংসার শিকার হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে গণহামলা, যৌন নির্যাতন, মন্দির ধ্বংস এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি।” তিনি জানান, ২০২৪ সালেই বাংলাদেশে হিন্দুদের লক্ষ্য করে ২০০০-এরও বেশি সহিংস ও অমানবিক ঘটনা ঘটেছে। মেলিসা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “সময় থাকতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় হস্তক্ষেপ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।”

    রুশ হাই কমিশনের কড়া বার্তা

    বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত রুশ হাই কমিশনও ১৯৭১ সালের যুদ্ধে পাকিস্তানের হাত থেকে বাংলাদেশের মুক্তিতে ভারতের ভূমিকা ও গুরুত্বের কথা বাংলাদেশকে কড়া ভাষায় স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন বলেন, “১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতে ভারত ও রাশিয়ার ত্যাগের ফলেই বাংলাদেশের(Bangladesh) জন্ম হয়েছে। তাই ঢাকা যেন দেরি না করে নয়াদিল্লির সঙ্গে উত্তেজনা কমায় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভারত ও রাশিয়ার ভূমিকার কথা কখনও ভুলে না যায় (Hindu Minorities)।”

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মত

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে বাংলাদেশকে সতর্কবার্তা পাঠানোর মাধ্যমে রাশিয়া একদিকে যেমন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ভূমিকার স্বীকৃতি দিয়েছে, তেমনি অন্যদিকে এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে নয়াদিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে যে নিত্য হিংসার ঘটনা ঘটছে, তার যে বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে, এই প্রেক্ষাপটে রুশ রাষ্ট্রদূত আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশে জড়িয়ে পড়া উত্তেজনা দ্রুত কমানোর আহ্বান জানান। রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, “১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারত, বাংলাদেশ(Bangladesh) ও রাশিয়া কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছিল। সাম্প্রতিক উত্তেজনা যত দ্রুত সম্ভব কমাতে হবে। কারণ তা ভারত বা বাংলাদেশ, কোনও দেশেরই স্বার্থে নয় (Hindu Minorities)।”

  • Delhi: দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বাইরে বজরং দলের চরম বিক্ষোভ, আন্দোলনের চাপে ভাঙলো ব্যারিকেড

    Delhi: দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বাইরে বজরং দলের চরম বিক্ষোভ, আন্দোলনের চাপে ভাঙলো ব্যারিকেড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহে দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে গণপিটুনি দিয়ে প্রথমে খুন এবং এরপর গাছে ঝুলিয়ে আগুন দেওয়া হয়। নির্মম ভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটনার প্রতিবাদে এবার দিল্লিতে (Delhi) বাংলাদেশ হাইকমিশন অফিসের (Bangladesh High Commission) সামনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ভিএইচপি এবং বজরং দল সহ অন্যান্য হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা বিরাট বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। ক্ষুব্ধ জনতার একটাই প্রশ্ন, কেন মিথ্যা অপবাদ এবং গুজব রটিয়ে হিন্দুপরিবারের ছেলেকে খুন করা হল? তাই অবিলম্বে মহম্মদ ইউনূসকে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে আন্দোলনরত হিন্দু সংগঠনগুলি।

    দোষীদের চিহ্নিত করে চরম শাস্তির দাবি (Delhi)

    দিল্লিতে (Delhi) বিক্ষোভের আশঙ্কা অবশ্য আগে থেকেই ছিল। তাই আগের দিনই বাংলাদেশ হাইকমিশনের (Bangladesh High Commission) বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপক জোরদার করা হয়েছিল। ত্রি-স্তরের ব্যারিকেড দিয়ে এলাকাটি সুরক্ষিত করা হয়েছিল এবং অতিরিক্ত ১৫,০০০ পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। বিক্ষোভকারীদের এগিয়ে যেতে বাধা দেওয়ার জন্য ডিটিসি বাসগুলিকে রাস্তায় দাঁড় করানো হয়েছিল। একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, হাইকমিশন থেকে প্রায় ৮০০ মিটার দূরে বিক্ষোভকারীদের আটকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া নির্মম হত্যার ঘটনায় জনসাধারণের মনে ক্ষোভের আগুন ব্যাপক ভাবে প্রকাশিত হয়েছে এদিন। এক বিক্ষোভকারী বলেন, “একজন হিন্দু ব্যক্তিকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে তাঁকে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা আমাদের সরকারকে এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। আমরা দাবি জানাই যে বাংলাদেশ পুলিশকেও এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। দোষীদের চিহ্নিত করে চরম শাস্তি দিতে হবে।

    ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঝুলিয়ে রেখে আগুন

    গত ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মিথ্যা রটিয়ে ২৫ বছর বয়সী পোশাক কারখানার কর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে প্রথমে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। এরপর তাঁকে উত্তেজিত জনতার হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশের কাছে নিয়ে গেলেও পুলিশ পরে জনতার হাতে ছেড়ে দেয়। এরপর তাঁকে প্রথমে পিটিয়ে খুন করা হয় এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঝুলিয়ে রেখে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরিবারের বড় ছেলে ছিল দিপু।

    দিল্লি-ঢাকার সম্পর্কের অবনতি

    উল্লেখ্য কট্টর ভারত বিরোধী ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং রাজশাহীর ভারতীয় দূতাবাস এবং উপদূতাবাসে জামাত, এনসিপির নেতার হামলা করেছিল। এরপর বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক তলব করেছিল দিল্লিতে। বর্তমানে বাংলাদেশের সব ভিসা সেন্টারকে বন্ধ করে দিয়েছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। কট্টরপন্থীরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গৃহযুদ্ধ শুরু করেছে। ফলে হাসিনাকে হাতে পেতে বার বার ভারেতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যকে বিছিন্ন করার হুমকি দিয়ে চলেছে। একে হিন্দু যুবক হত্যা পরে ভারতে আক্রমণ করার হুমকিতে প্রত্যেক ভারতীয়দের মনেও ইউনূস বাহিনী চরম অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। দিল্লির পাশাপাশি কলকাতাতেও ইউনূসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ। উপহাইকমিশনারের (Bangladesh High Commission) অফিসের বাইরে পোড়ানো হয় মহম্মদ ইউনূসের কুশপুতুল। অপরদিকে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারপাশে সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বাংলাদেশি সেনাবাহিনীকে গেটের বাইরে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

LinkedIn
Share