Tag: Bengali news

Bengali news

  • Indian Defence: ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানির উন্নতি, কৌশলগত বিকাশের বার্তা কেন্দ্রের

    Indian Defence: ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানির উন্নতি, কৌশলগত বিকাশের বার্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা রফতানি দু’টি দেশের মধ্যে সাধারণ কোনো বাণিজ্যিক লেনদেন (Indian Defence) নয়। এটি আসলে কৌশলগত সম্পর্কের এক বার্তা, যার মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থা, প্রযুক্তি ও রাজনৈতিক অভিপ্রায় প্রকাশ পায়। কোনও (Strategic Development) দেশ যখন সামরিক সরঞ্জাম কেনে, তখন প্রকৃতপক্ষে সে একটি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের সূচনা করে। এর মধ্যে প্রশিক্ষণ, সহায়তা ও কার্যকরী সমন্বয়ের বিষয়গুলিও অন্তর্ভুক্ত থাকে। প্রতিরক্ষা রফতানি একটি দেশের কৌশলগত পরিসরকেও নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে।

    ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি খাতে প্রবেশ (Indian Defence)

    এই প্রেক্ষাপটে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি খাতে প্রবেশ করা ছিল অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা বাজার নানা কারণে জটিল। নিষেধাজ্ঞা, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন, তার মধ্যে অন্যতম। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় স্লোগান ও বক্তব্যের চেয়ে স্থিতিশীলতা ও বাস্তব সক্ষমতাই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। ২০১৪ সালের পর ভারতীয় প্রতিরক্ষা পণ্যের রফতানিতে এই পরিবর্তন স্পষ্টভাবে দেখা যায়। অতিরিক্ত প্রচার বা আদর্শগত বক্তব্য ছাড়াই নরেন্দ্র মোদির সরকার ধীরে ধীরে নিজেকে একটি বিশ্বাসযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে শুরু করেছে। ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানির ক্রমবর্ধমান প্রবণতা মূলত বিশ্বাসযোগ্যতার শক্ত ভিত্তির ওপরেই ধাপে ধাপে গড়ে উঠছে। প্রতিরক্ষা ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রধান শক্তিধর দেশগুলির মধ্যে রয়েছে বিরাট ব্যবধান। বিশ্বজুড়ে সামরিক উপস্থিতির কারণে আমেরিকা ৯৬৮.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করে শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চিন। প্রতিরক্ষা খাতে এই দেশ ব্যয় করে ৩১৭.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি ভারতের ৮৩.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রতিরক্ষা ব্যয়ের প্রায় চার গুণ বেশি (Strategic Development)।

    ভারত বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ প্রতিরক্ষা ব্যয়কারী দেশের মধ্যে রয়েছে

    এই বিরাট পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও ভারত বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ প্রতিরক্ষা ব্যয়কারী দেশের মধ্যে রয়েছে। চিন বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক কম বাজেট নিয়ে কাজ করলেও, ভারত একটি অত্যন্ত কঠিন ও সংবেদনশীল ভূ-রাজনৈতিক অঞ্চলের মোকাবিলা করছে (Indian Defence)। এই প্রধান শক্তিগুলির মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের ব্যবধান জার্মানি দিয়ে শুরু হয়ে প্রথমে রাশিয়া এবং শেষে ভারতে এসে দাঁড়ায়। মাথাপিছু প্রতিরক্ষা ব্যয়ের ক্ষেত্রে চিত্রটি অবশ্য সম্পূর্ণ আলাদা। আমেরিকায় প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় হয় প্রায় ২,৯০০ মার্কিন ডলার, জার্মানি ও রাশিয়ায় এই ব্যয় প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই ১,০০০ ডলারের বেশি। বিপুল জনসংখ্যার কারণে চিনের মাথাপিছু প্রতিরক্ষা ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম, প্রায় ২২১ মার্কিন ডলার। ভারতের ক্ষেত্রে এই ব্যয় মাত্রই ৫৯.৬ মার্কিন ডলার, যা ওই সব দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন। তা সত্ত্বেও পরিসংখ্যান থেকে এটা স্পষ্ট যে, উন্নত দেশগুলির তুলনায় অনেক কম ব্যয় সত্ত্বেও ভারত কীভাবে তার প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি এবং প্রতিরোধমূলক সক্ষমতা বজায় রাখতে পারছে (Indian Defence)।

    জিডিপির শতকরা হার

    প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় সাধারণত জিডিপির শতকরা হারে পরিমাপ করা হয়। এই সূচকটি একটি দেশ তার সামগ্রিক সম্পদের তুলনায় জাতীয় নিরাপত্তাকে কতটা অগ্রাধিকার দেয় (Strategic Development), তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। রাশিয়া তার জিডিপির ১৮.৯ শতাংশ ব্যয় করে প্রতিরক্ষা খাতে। এর পরেই রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারা ব্যয় করে জিডিপির ৯ শতাংশেরও বেশি। আর প্রতিরক্ষা খাতে ভারত ব্যয় করে জিডিপির ৭.৬৩ শতাংশ। চিনের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৫.০৬ শতাংশ এবং জার্মানিতে ৩.৯৩ শতাংশ। মাথাপিছু প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম হওয়া সত্ত্বেও, কৌশলগত প্রয়োজন মেটাতে ভারত সরকার এই ক্ষেত্রে যে শক্তিশালী ও তুলনামূলকভাবে বেশি চেষ্টা করছে, তার প্রমাণ মেলে সরকারি পরিসংখ্যানেই।

    ধীরগতির পর্ব এখন অতীত

    এদিকে, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি ছিল প্রায় নগণ্য। এর প্রধান কারণ ছিল কঠোর নীতিনির্ধারণ ও এমন ক্রয়ব্যবস্থা, যা কেবলমাত্র অভ্যন্তরীণ বাজারকেন্দ্রিক ছিল। সেই ধীরগতির পর্ব এখন অতীত (Indian Defence)। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩,৬২২ কোটি টাকা। তবে এখানে সংখ্যার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি এখন আর অ্যাডহক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরিচালিত হয় না। অস্থায়ী ছাড়পত্র ব্যবস্থার পরিবর্তে চালু হয়েছে একটি সুসংহত ও শক্তিশালী রফতানি ব্যবস্থা। ইলেকট্রনিক লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে ছাড়পত্র প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে। এতে অনায়াস হয়েছে রফতানি প্রক্রিয়া।

    ৮০টি দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি ভারতের

    জানা গিয়েছে, ভারত এখন ৮০টি দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও যন্ত্রাংশ রফতানি করতে শুরু করেছে, যা ভৌগোলিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং এসব ব্যবস্থার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও প্রতিরক্ষা রফতানি ধারাবাহিক ও স্থিতিশীল হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা প্রমাণ করে যে (Strategic Development) এই বিক্রি কোনও চাপের ফলে নয়, বরং বাস্তব প্রয়োজন থেকেই চালিত হচ্ছে। এই সন্ধিক্ষণটি সেই মুহূর্তকে চিহ্নিত করে, যখন ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি প্রান্তিক অবস্থান থেকে মূলধারায় প্রবেশ করেছে (Indian Defence)।

  • Indian Railways: আবারও বাড়ছে রেলের ভাড়া, তবে লোকাল-মান্থলিতে ছাড়

    Indian Railways: আবারও বাড়ছে রেলের ভাড়া, তবে লোকাল-মান্থলিতে ছাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভাড়া বাড়াচ্ছে রেল (Indian Railways)। তবে তাতে আমজনতার কোনও ক্ষতি হবে না। কারণ লোকাল ট্রেনের ভাড়া (Train Fares) বাড়ছে না, মান্থলির ভাড়াও থাকছে অপরিবর্তিত। ভাড়া বাড়ছে কেবল দূরপাল্লার যাত্রিবাহী ট্রেনের। দূরপাল্লার যাত্রায় ভাড়ার নয়া কাঠামো প্রকাশ করে রেল জানিয়েছে, নতুন ভাড়া কার্যকর হবে বড়দিনের পরের দিন, ২৬ ডিসেম্বর থেকে।

    নয়া ভাড়া কাঠামো (Indian Railways)

    রেল সূত্রে খবর, ভাড়া বাড়ছে দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনের। এসি, নন-এসি এই দুই শ্রেণির সংরক্ষিত টিকিটের ভাড়া বাড়ছে। এটি নির্ধারিত হবে কিলোমিটারের ভিত্তিতে। অসংরক্ষিত টিকিটের ভাড়াও বাড়ছে, তবে সে ক্ষেত্রে থাকছে নির্দিষ্ট নিয়ম। জানা গিয়েছে, নতুন কাঠামো অনুযায়ী, দূরপাল্লার ট্রেনে সাধারণ শ্রেণিতে ২১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রা করলে অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে হবে না। তবে তার পর প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সা করে ভাড়া বৃদ্ধি করা হচ্ছে। দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেসে (নন-এসি) প্রতি কিলোমিটারে দু’পয়সা করে ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশোধিত ভাড়া অনুযায়ী, নন-এসিতে ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাতায়াতের জন্য যাত্রীদের অতিরিক্ত ১০ টাকা করে গুণতে হবে। এসির টিকিটের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে দু’পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে (Indian Railways)। রেল কর্তাদের আশা, চলতি বছরে নয়া ভাড়া কাঠামোয় রেল অতিরিক্ত প্রায় ৬০০ কোটি টাকা রোজগার করবে।

    ট্রেনের ভাড়া

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরে এই নিয়ে দু’বার দূরপাল্লার ট্রেনের ভাড়া বাড়াল রেল। গত জুলাইয়েও কিলোমিটার পিছু ভাড়া বেড়েছিল দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনের। সেবার অবশ্য দূরপাল্লার ট্রেনের নন-এসি দ্বিতীয় শ্রেণীর টিকিটের (অসংরক্ষিত টিকিট) ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে আধ পয়সা করে বাড়ানো হয়েছিল। একই সিদ্ধান্ত হয়েছিল স্লিপার এবং প্রথম শ্রেণির অসংরক্ষিত টিকিটের ক্ষেত্রেও। নন-এটি সংরক্ষিত টিকিটের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সা করে ভাড়া বাড়িয়েছিল রেল। আর এসির ক্ষেত্রে বাড়ানো (Train Fares) হয়েছিল কিলোমিটার পিছু দু’পয়সা করে। বড়দিনের পর থেকে ফের প্রায় সেই একই হারে বাড়ছে রেলের ভাড়া (Indian Railways)।

  • UGC: আবারও ৩ জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করল ইউজিসি

    UGC: আবারও ৩ জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে ক্রমেই বাড়ছে জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা (Fake Universities)। কেন্দ্র প্রতিবছরই তার তালিকা প্রকাশ করে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল আরও তিন ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। এই প্রতিষ্ঠানগুলি হল, দিল্লির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট সলিউশন, কর্নাটকের সর্বভারতীয় শিক্ষাপীঠ, এবং মহারাষ্ট্রের ন্যাশনাল ব্যাকওয়ার্ডস কৃষি বিদ্যাপীঠ। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) (UGC) জনগণের স্বার্থে এই তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে জারি করেছে সতর্কবার্তা। কমিশনের মতে, এই তিনটি প্রতিষ্ঠানই সরকারি কোনও অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।

    কী বলছে ইউজিসি (UGC)

    বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মতে, এই প্রতিষ্ঠানগুলি আইনগত ক্ষমতা ছাড়াই ডিগ্রি দিচ্ছে, যা আদতে লঙ্ঘন করছে ইউজিসি আইন, ১৯৫৬। কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই সংস্থাগুলির দেওয়া কোনও ডিগ্রি উচ্চশিক্ষা, সরকারি নিয়োগ বা বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বৈধ বলে গণ্য হবে না। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে ইউজিসি কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে যে, স্বীকৃতিহীন প্রতিষ্ঠান  থেকে পাওয়া ডিগ্রির কোনও আইনগত স্বীকৃতি নেই। এই ধরনের ডিগ্রিধারীরা দেশে কিংবা – উভয় ক্ষেত্রেই উচ্চশিক্ষা বা চাকরির জন্য আবেদন করেও প্রত্যাখ্যাত হতে পারেন। ভর্তি হওয়ার আগে যে কোনও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতির অবস্থা যাচাই করে নিতে শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC)। কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কোনও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতির অবস্থা যাচাই করে নেওয়া যেতে পারে। সরকারি এই ওয়েবসাইটে স্বীকৃত এবং ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের আপডেটেড তালিকা প্রকাশ করা হয়।

    জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা

    তিনটি জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকার একেবারে ওপরে রয়েছে দিল্লির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট সলিউশন। নামের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা শিক্ষার ইঙ্গিত দেওয়া হলেও, এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ইউজিসি আইন, ১৯৫৬-এর ধারা ২(এফ) বা ধারা ৩-এর অধীনে স্বীকৃত নয়। ইউজিসির মতে, এই প্রতিষ্ঠানের কোনও বিষয়েই ডিগ্রি দেওয়ার কোনও আইনগত ক্ষমতা নেই। তাই শিক্ষার্থীদের সেখানে ভর্তি না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে (Fake Universities)। কারণ এই প্রতিষ্ঠান থেকে ইস্যু করা যে কোনও ডিগ্রি অবৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে। শুধু তাই নয়, ওই ডিগ্রি অ্যাকাডেমিক বা পেশাগত স্বীকৃতির জন্য অযোগ্য বলেও বিবেচিত হবে (UGC)। ওই তালিকার দ্বিতীয় নম্বরে রয়েছে কর্নাটকের তুমকুরের সর্বভারতীয় শিক্ষাপীঠ।তুমকুর জেলার দেবানুর মেইন রোডে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টিও চলছে বেআইনিভাবে। ইউজিসি জেনেছে, এই প্রতিষ্ঠানটি কোনও বিধিবদ্ধ অনুমোদন ছাড়াই বেআইনিভাবে ডিগ্রি দিচ্ছে। এটি ইউজিসি আইন, ১৯৫৬ এর অধীনে স্বীকৃত নয়। সর্বভারতীয় কারিগরি শিক্ষা পরিষদ বা অন্য কোনও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনও এর নেই। তাই এই প্রতিষ্ঠানের দেওয়া সার্টিফিকেট এবং ডিগ্রি চাকরি কিংবা উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হবে না। ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকার তৃতীয় নম্বরে রয়েছে মহারাষ্ট্রের ন্যাশনাল ব্যাকওয়ার্ড কৃষি বিদ্যাপীঠ। এই প্রতিষ্ঠানটি মহারাষ্ট্রের সোলাপুর জেলার আক্কলকোট তালুকার তাদওয়াল গ্রামে অবস্থিত (UGC)।

    ইউজিসি আইন, ১৯৫৬

    ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, এই প্রতিষ্ঠানটি কোনও আইনি অনুমোদন ছাড়াই ডিগ্রি দিয়ে আসছে। এটি ইউজিসি আইনের ধারা ২(এফ) এবং ধারা ৩-এর আওতায় স্বীকৃত নয় এবং এআইসিটিই বা অন্য কোনও বিধিবদ্ধ সংস্থার সঙ্গেও এর কোনও সংযোগ নেই। তাই এই প্রতিষ্ঠানে যাঁরা পড়াশোনা করছেন, তাঁদের এই মর্মে সতর্ক করা হয়েছে যে কোনও বৈধ বিশ্ববিদ্যালয় বা নিয়োগকর্তা তাঁদের ডিগ্রিকে মান্যতা দেবে না (Fake Universities)। ইউজিসি আইন, ১৯৫৬ ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান আইন। এই আইন অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বীকৃতি দেওয়া, শিক্ষার মান নির্ধারণ করা এবং শিক্ষাদান ও গবেষণার গুণমান নিশ্চিত করার ক্ষমতা ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশনের হাতে ন্যস্ত। কেবলমাত্র ধারা ২(এফ)-এর অধীনে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান বা ধারা ৩ অনুযায়ী “ডিমড-টু-বি বিশ্ববিদ্যালয়” হিসেবে ঘোষিত প্রতিষ্ঠানই আইনত নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয় বলতে পারে এবং ডিগ্রি দিতে পারে। এই ধরনের স্বীকৃতি ছাড়া পরিচালিত যে কোনও প্রতিষ্ঠানকে অননুমোদিত বলে গণ্য করা হয়। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় ভুয়া বা অননুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে জনসমক্ষে সতর্কবার্তা জারি করা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতাও ইউজিসিকে দিয়েছে এই আইন (UGC)।

    রাজ্যভিত্তিক ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের আপডেটেড তালিকা

    প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ইউজিসি তাদের সরকারি ওয়েবসাইটে রাজ্যভিত্তিক ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের আপডেটেড তালিকা প্রকাশ করে। এই তালিকায় এমন সব প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলির আইনগত স্বীকৃতি না থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় শব্দটি ব্যবহার করে রীতিমতো ‘কারবার’ চালিয়ে যাচ্ছে। পরিদর্শন বা অভিযোগের মাধ্যমে নতুন তথ্য সামনে এলে কমিশন নিয়মিতভাবে এই তালিকা আপডেট করে। আর্থিক ও শিক্ষাগত ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে ভর্তি হওয়ার আগেই এই তালিকা দেখে (Fake Universities) নিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন ইউজিসি কর্তৃপক্ষ (UGC)।

  • Ramakrishna 539: “নয়ন-বাঁকা, বাঁকা-শিখিপাখা, রাধিকা-হৃদিরঞ্জন; গোবর্ধনধারণ, বনকুসুমভূষণ, দামোদর কংসদর্পহারী, শ্যাম রাসরসবিহারী”

    Ramakrishna 539: “নয়ন-বাঁকা, বাঁকা-শিখিপাখা, রাধিকা-হৃদিরঞ্জন; গোবর্ধনধারণ, বনকুসুমভূষণ, দামোদর কংসদর্পহারী, শ্যাম রাসরসবিহারী”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই

    গণুর মার বাড়িতে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ঠাকুর (Ramakrishna) বলিতেছেন, “এর উপরেই বস না। আই আমি লিচ্ছি।” এই বলিয়া আসন গুটাইয়া লইলেন। ছোকরারা গান গাহিতেছে:

    কেশব কুরু করুণাদীনে কুঞ্জকাননচারী
    মাধব মনোমোহন মোহন মুরলীধারী।
    (হরিবোল, হরিবোল, হরিবোল, মন আমার) ॥
    ব্রজকিশোর, কালীয়হর কাতরভয়ভঞ্জন,
    নয়ন-বাঁকা, বাঁকা-শিখিপাখা, রাধিকা-হৃদিরঞ্জন;
    গোবর্ধনধারণ, বনকুসুমভূষণ, দামোদর কংসদর্পহারী।
    শ্যাম রাসরসবিহারী।
    (হরিবোল, হরিবোল, হরিবোল, মন আমার) ॥

    গান—এস মা জীবন উমা—ইত্যাদি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)—আহা কি গান!—কেমন বেহালা!—কেমন বাজনা!

    একটি ছোকরা ফ্লুট বাজাইতেছিলেন। তাঁহার দিকে ও অপর আর আকটি ছোকরার দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ করিয়া বলিতেছেন। “ইনি ওঁর যেন জোড়।”

    এইবার কেবল কনসার্ট বাজনা হইতে লাগিল। বাজনার পর ঠাকুর আনন্দিত হইয়া বলিতেছেন, “বা! কি চমৎকার!”

    একটি ছোকরাকে নির্দেশ করিয়া বলিতেছেন, “এঁর সব (সবরকম বাজনা) জানা আছে।”

    মাস্টারকে বলিতেছেন,—এঁরা সব বেশ লোক।”

    ছোকরাদের (Ramakrishna) গান-বাজনার পর তাহারা ভক্তদের বলিতেছে—“আপনারা কিছু গান!” ব্রাহ্মণী দাঁড়াইয়া আছেন। তিনি দ্বারের কাছ থেকে বলিলেন, গান এরা কেউ জানে না, এক মহিমবাবু বুঝি জানেন, তা ওঁর সামনে উনি গাইবেন না।

    একজন ছোকরা — কেন? আমি বাবা সুমুখে গাইতে পারি।

    ছোট নরেন (উচ্চহাস্য করিয়া) — অতদূর উনি এগোননি!

    সকলে হাসিতেছেন। কিয়ৎক্ষণ পরে ব্রাহ্মণী আসিয়া বলিতেছেন,—“আপনি ভিতরে আসুন।” শ্রীরামকৃষ্ণ বলিতেছেন (Kathamrita), “কেন গো!”

    ব্রাহ্মণী—সেখানে জলখাবার দেওয়া হয়েছে; যাবেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এইখানেই এনে দাও না।

    ব্রাহ্মণী—গণুর মা বলেছে, ঘরটায় একবার পায়ের ধুলা দিন, তাহলে ঘর কাশী হয়ে থাকবে, — ঘরে মরে গেলে আর কোন গোল থাকবে না।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna), ব্রাহ্মণী ও বাড়ির ছেলেদের সঙ্গে অন্তঃপুরে গমন করিলেন। ভক্তেরা চাঁদের আলোতে বেড়াইতে লাগিলেন। মাস্টার ও বিনোদ বাড়ির দক্ষিণদিকে সদর রাস্তার উপর গল্প করিতে করিতে পাদচারণ করিতেছেন!

  • Maharashtr: মহারাষ্ট্রের পুরনির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক বাজিমাত, মোদি-দেবেন্দ্রের কৃতিত্বে ফের জয় জয়কার

    Maharashtr: মহারাষ্ট্রের পুরনির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক বাজিমাত, মোদি-দেবেন্দ্রের কৃতিত্বে ফের জয় জয়কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtr) পুরসভা নির্বাচনে (Local Body Election) ভারতীয় জনতা পার্টি আবারও বিরোধীদের ধরাশায়ী করে বাজিমাত করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র চবনের নেতৃত্বে, বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট রাজ্যজুড়ে নিজেদের জয়কে অব্যাহত রাখল। সম্প্রতি কেরলেও পুর নির্বাচনে বিজেপির বিরাট জয় রাজনীতির আঙ্গিনায় ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।

    ২১৪টি বেশি পুর সভাপতি পদে জয়

    মহারাষ্ট্রের (Maharashtr) ২৮৮টি পুর পরিষদের মধ্যে, মহাযুতি ২১৪টিরও বেশি পুর সভাপতি পদে জয়লাভ করেছে। রাজ্যের একক বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্ম প্রকাশ করেছে বিজেপি। পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ের বিধায়ক মহেশ লান্ডগে সমস্ত বিজয়ী (Local Body Election) প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই জনাদেশকে বিজেপির শাসন মডেল হিসেবে বিশেষ ভাবে উল্লেখও করেছেন। বিজেপি নেতা লান্ডগে বলেন, “উত্তর পুনে জেলা নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করার সময়, দলের সাংগঠনিক শক্তি, পদাধিকারী ও কর্মীদের মধ্যে ঐক্য জয়ের জন্য বিশেষ ভাবে কার্যকারী ছিল। সরকারের উন্নয়নমুখী পরিকল্পনার নানা বিষয়গুলিতে ভোট এবং ফলাফলে ব্যাপক প্রভাব ফলেছে। দলের প্রতিটি স্তরের সামগ্রিক প্রচেষ্টার কারণে নির্বাচনে জয়ের ধারা বজায় রাখতে সুবিধা হয়েছে।”

    ফলাফলের আরেকটি প্রধান আকর্ষণীয় দিক হল আলান্দি পুর নির্বাচনে বিজেপির নির্ণায়ক ফলাফল। এখানে ২১টি আসনের মধ্যে ১৫টি আসন জয়ী হয়েছে বিজেপি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পুরসভার সভাপতি হিসেবে প্রশান্ত পোপট কুড়হাদের জয়কে ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

    স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন জনগণ

    হিন্দুত্ব ও আদর্শের প্রতি বিজেপি সবসময় আনুগত্যশীল থাকে। ভোটারদের স্পষ্ট সমর্থন এবং বিজেপির নীতির প্রতি জনসাধারণের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন (Local Body Election) ঘটেছে এই নির্বাচনে। লান্ডগে আরও বলেন, “রাজ্য জুড়ে মানুষ উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন। এই রায় আমাদের আরও বেশি বেশি করে কাজ করার শক্তি দেবে। আলান্দি থেকে পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পর্যন্ত, আমরা সাধারণ নাগরিকদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে এবং উন্নয়ন মূলক শাসনব্যবস্থা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

  • Lagnajita Chakraborty: ‘জয় মা’ গান গেয়ে মুসলিম নেতার হাতে হেনস্তার শিকার লগ্নজিতা! চাপে গ্রফতার অবশেষে

    Lagnajita Chakraborty: ‘জয় মা’ গান গেয়ে মুসলিম নেতার হাতে হেনস্তার শিকার লগ্নজিতা! চাপে গ্রফতার অবশেষে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাতে পূর্ব মেদিনীপুরের (East Midnapore) ভগবানপুরের একটি বেসরকারি স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কলকাতার বিখ্যাত প্লেব্যাক গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তীকে (Lagnajita Chakraborty) ভক্তিমূলক গান পরিবেশনের জন্য হেনস্থা এবং শারীরিকভাবে হয়রানি করা হয়। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৃণমূলের সংখ্যালঘু নেতা। ওই মুসলিম নেতা লগ্নজিতাকে ভক্তিমূলক গান গাওয়ায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এই ঘটনাটি থেকে তীব্র ভাবে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভারতে যদি ভক্তিমূলক গান গাইতে না দেওয়া হয়, তাহলে আর কোথায় গাইতে পারবেন শিল্পীরা? এই প্রশ্নই এখন রাজনীতির আঙ্গিনায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

    অকথ্য ভাষায় আক্রমণ (Lagnajita Chakraborty)

    বাংলার সঙ্গীত মহলে এক জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী হলেন লগ্নজিতা চক্রবর্তী (Lagnajita Chakraborty)। একটি বেসরকারি স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানের পরিবেশনায় আমন্ত্রণ পেয়ে সঙ্গীতানুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু লগ্নজিতার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, অনুষ্ঠানমঞ্চে দেবী চৌধুরানী ছবির একটি জনপ্রিয় গান ‘জয় মা’ গাওয়া শুরু করলে সেখান থেকেই ঝামেলা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঞ্চে গান শুরু করলে স্কুলের মালিক এবং তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের নেতা মেহেবুব মল্লিক বাধা দেন। এরপর মেহবুব অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করেন। লগ্নজিতা বলেন, “যখন আমি ‘জয় মা’ গান শুরু করি তখন মালিক মেহবুব মল্লিক আমাকে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করেন। হুমকি দিয়ে বলেন, এতো কিছু হেয়েছে এবার ধর্ম নিরপেক্ষ গান করুন। তবে শুধু হট্টগোল নয়, আমাকে শারীরিক ভাবে হেনস্তাও করা হয়।”

    বিভাগীয় তদন্ত ওসির বিরুদ্ধে

    ঘটনার পরেই লগ্নজিতা (Lagnajita Chakraborty) এবং তাঁর বাদকেরা মঞ্চ থেকে নেমে পড়েন। এরপর ভগবানপুর থানায় (East Midnapore) সরাসরি অভিযোগ দায়ের করেন। তবে নির্যাতিতা গায়িকার অভিযোগ গ্রহণ না করে অনেক সময় ধরে থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ তুলেছেন। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগেও সরব হয়েছেন লগ্নজিতা। ইতিমধ্যে জেলা শাসক মিতুন কুমার দে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। সেই সঙ্গে স্থানীয় ওসি শাহেনশাহ হকের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশ ইতিমধ্যে অভিযযুক্ত মেহবুবকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গিয়েছে।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন! এই সপ্তাহে কোথায় কোথায় অত্যাচার?

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন! এই সপ্তাহে কোথায় কোথায় অত্যাচার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং ভারতের বাইরে বিদেশে হিন্দু ধর্মের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অবিরাম গতিতে হয়ে চলছে। আমাদের চোখের সামনেই বিশ্বের অনেক অঞ্চলে হিন্দু ধর্মের নিপীড়ন ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো প্রকাশ পাচ্ছে। কয়েক দশক ধরে আন্তর্জাতিক বিশ্ব এই ধারাবাহিক আক্রমণগুলিকে উপেক্ষা করে আসছে। হিন্দু-বিরোধী ধর্মান্ধতা (Hindu Dharma) এবং কট্টরপন্থীদের দৌরাত্ম্য ব্যাপক আকার রূপ নিয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণ্য বক্তব্য এবং যৌন হেনস্থার মতো নানা ঘটনা ঘটে চলছে। প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্যের মতো নানা ঘটনায় হিন্দুরা নিজেদের অস্তিত্বের উপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে ইসালাম বিরোধী গুজব রটিয়ে বাংলাদেশের এক হিন্দু যুবককে নির্মম ভাবে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে।

    চলতি মাসে ১৪ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সময়ের জন্য এই সাপ্তাহিক সারসংক্ষেপ এখানে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করব। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংকট কতটা ভয়াবহরূপ ধারণ করছে এই আলোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    দক্ষিণ ভারতে হিন্দু নির্যাতন (Hindus Under Attack)

    হাসান জেলার সাকলেশপুর তালুকের বেলাগোডু হোবলির চিক্কানায়াকানাহল্লি গ্রামে সরকারি ষড়যন্ত্রে জমি দখলের একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে। শেখ মোহাম্মদ জাল রেকর্ডের মাধ্যমে সিদ্দাম্মা নামে এক তফসিলি জাতির মহিলার সঙ্গে প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁকে জীবিত অবস্থায় মৃত ঘোষণা করে তাঁর জমি বেআইনিভাবে নিজের নামে হস্তান্তর করেছে দুর্বৃত্তরা।

    তিরুপতির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) লক্ষ্য করে খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে দুটি হাই-প্রোফাইল মামলা হয়েছে। তিরুমালা মন্দিরের কাছাকাছি সরকারি কলেজগুলিতে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী সদস্যদের দ্বারা ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। শ্রীভেঙ্কটেশ্বর সরকারি পলিটেকনিক কলেজের শিক্ষক প্রভাষক মাধবী এবং শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক চ চাঙ্গাইয়া যীশু খ্রিস্টের প্রচারের জন্য শ্রেণীকক্ষকে রীতিমতো ব্যবহার করার অভিযোগ ব্যাপক ভাবে শোরগোল ফেলেছে। হিন্দু ছাত্রদের ধর্মান্তরের (Hindu Dharma) কৌশল থেকে রক্ষা করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হিন্দু গোষ্ঠীগুলি ব্যাপক ভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

    মহারাষ্ট্রে হিন্দু নির্যাতন

    মহারাষ্ট্রের নান্দেরে একজন নিবেদিতপ্রাণ হিন্দু (Hindus Under Attack) কর্মী হর্ষ ঠাকুর বছরের পর বছর ধরে অবিরাম নির্যাতন সহ্য করেছেন। তিনি নিজে অনলাইনে ভয়াবহ বর্বর শারীরিক অত্যাচারের কথা তুলে ধরেছেন। আবার রূপেশ দুবে মুম্বাইয়ের মীরা-ভায়ন্দর এলাকার একজন সুপরিচিত ব্যক্তি। হিন্দু (Hindu Dharma) অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য তিনি এখন ভীম-মিম জোটের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন। একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে পুলিশের একটি অংশ ভীম-মিম জোটের পক্ষে কাজ করছে। ইচ্ছাকৃত ভাবে রূপেশের মতো সমাজকর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে।

    এই রাজ্যে বেআইনি ধর্মান্তরকরণ এবং ইসলামি কট্টর মৌলবাদী কর্তৃত্বের সংগঠিত আরেকটি মামলায় পুলিশ একজন জাহাদি ধর্মগুরু মৌলভীকে গ্রেফতার করেছে। তিনি গ্রামের এক মহিলাকে প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার মতো অভিযোগে অভিযুক্ত। পুলিশের তদন্তে জানা গিয়েছে, জব্বার ওরফে হাফিজ ওরফে মৌলভী কেবল ধর্মান্তরকরণ নয়, তার বাইরে গিয়ে সরাসরি অবৈধ বিবাহকে সহজ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ইতিমধ্যে তাঁর নামেও একটি মামলায় দায়ের করা হয়েছে।

    হরিয়ানা-কর্নাটকে আক্রমণ

    হরিয়ানার যমুনানগরে জাতীয় মহাসড়কের বাহাদুরপুর গ্রামের কাছে একটি জনপ্রিয় নার্সারিতে ২৫ বছর বয়সী এক হিন্দু মহিলার (Hindus Under Attack) মাথাবিহীন এবং অর্ধ-উলঙ্গ দেহ উদ্ধার হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড পুরো অঞ্চলকে হতবাক করে দিয়েছে। উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরের বাসিন্দা উমা নামে ওই মহিলা ১৩ বছর বয়সী এক ছেলের মাও ছিলেন। তবে নিজে খুনির সঙ্গে দুই বছরের লিভ-ইন সম্পর্কের মধ্যে ছিলেন। স্বামী এবং পরিবার অনেক আগেই ত্যাগ করেছিলেন। পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং অভিযুক্তের অন্য মহিলার সঙ্গে আসন্ন বিবাহের কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

    স্কুলছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে কর্ণাটকের হাভেরি জেলায় এক উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে। প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা ব্যবস্থা ব্যর্থ হলে শিশুদের সুরক্ষায় স্থানীয় মানুষের সচেতন ভূমিকা তুলে ধরার দৃষ্টান্ত পাওয়া গিয়েছে। একটি প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, সাভানুর শহরে, নাবালিকা মেয়েদের বারবার হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত একজন সরকারি উর্দু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ব্যাপক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। এলাকার সকল বাসিন্দারা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন, সাহস দেন। এরপর ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    পশ্চিমবঙ্গের কুলপি বিধানসভা কেন্দ্রের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় সিঙ্গির হাট মোড়ের কাছে বজরঙ্গবলী মন্দিরে শ্রী বজরঙ্গবলীর মূর্তির শিরোচ্ছেদ করার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই সঙ্গে আক্রমণ করে মন্দিরের আরতির সরঞ্জাম এবং সাউন্ড সিস্টেমও ভাঙচুর করা হয়।

    বাংলাদেশে নির্যাতন

    বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অব্যাহত। ধীরে ধীরে দেশ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নির্মূল করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকাত-এর এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগের পর হিন্দু নির্যাতন, নারীদের ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য হিন্দুদের ভয় দেখানোর মতো অজস্র ঘটনা ওই দেশে হিন্দুদের নির্মূল করার পক্ষে ঘটনা।

    ইসলাম ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় এক হিন্দু (Hindus Under Attack) যুবককে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এবং পরে তাঁর দেহকে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মন্তব্য ছিল ভুয়ো। পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করে জানিয়েছেন, হত্যার আগে যুবককে লাঠি ও রড দিয়ে নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে। আক্রমণকারীরা প্রমাণ মুছতে এবং ভয় সৃষ্টি করার জন্য দেহে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের আরও সূক্ষ্ম রূপ

    বেশিরভাগ ঘৃণামূলক অপরাধই ঘটে হিন্দু-বিরোধী (Hindu Dharma) গোঁড়ামির কারণে। কট্টর মৌলবাদীদের নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা এবং রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে লুকিয়ে আছে এই বিদ্বেষের বীজ। পার্শ্ববর্তী ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা স্পষ্ট। আবার ভারতের মতো আপাতদৃষ্টিতে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান এবং জনসাধারণের মধ্যেও হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের আরও সূক্ষ্ম রূপ রয়েছে। সরকারি ব্যবস্থার আড়ালে ঘৃণামূলক অপরাধের প্রবণতা অনেক বেশি। প্রচলিত আইন এবং অভিযোগকে সূক্ষ্ম ভাবে বিচার না করলে হামলার মানসিকতা বোঝা সম্ভব নয়।

    আমরা সকল পাঠকদের অনুরোধ করছি যে, এই সময়ে আমরা যেসব হিন্দু-বিরোধী ঘৃণামূলক অপরাধের ঘটনাগুলিক উল্লেখ করতে পারিনি তাঁরা আমাদের কমেন্ট সেকশেনে গিয়ে মতামত এবং ঘটনার কথা উল্লেখ করুন। হিন্দু মানবাধিকার রক্ষায় আমরা সকলেই এক।

  • Chhattisgarh: আদিবাসী ও ধর্মান্তরিত খ্রীস্টানদের সংঘর্ষে উত্তাল ছত্তিশগড়ের কাঙ্কের

    Chhattisgarh: আদিবাসী ও ধর্মান্তরিত খ্রীস্টানদের সংঘর্ষে উত্তাল ছত্তিশগড়ের কাঙ্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) কাঙ্কের জেলায় আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিতদের মধ্যে সমাধি প্রথা নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ এবং উত্তেজনা তীব্রতর রূপ নিয়েছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যরা একটি গির্জা ভাঙচুর (Vandalized Church) করে এবং এরপর খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের লোকজন জেলার একটি গ্রামের শীতলা মাতা মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ঘটায়। দুই পক্ষের সংঘর্ষে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

    প্রতিমার মঞ্চ, ধর্মীয় জিনিসপত্রে আগুন (Chhattisgarh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা প্রথমে মন্দিরে (Chhattisgarh) প্রবেশ করে এবং এরপর প্রতিমার মঞ্চ, ধর্মীয় জিনিসপত্রে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ ইতিমধ্যে একটি মামলা নথিভুক্ত করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। তবে যে গ্রামে অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে স্থানীয় ধর্মের লোকজন যে এই কাজের নেতৃত্ব দেননি এই বিষয়টিও স্পষ্ট হয়েছে। যারা হামলা করেছে তাদের মধ্যে খ্রিষ্টান এবং অন্য ধর্মান্তরিতদেরকেই সন্দেহ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দায়ের করা মামলায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

    গত ১৮ ডিসেম্বর, কাঁকের জেলার আমাবেদা (Chhattisgarh) এলাকার অন্তর্গত বাদেতেভদা গ্রামে আদিবাসী সম্প্রদায় এবং ধর্মান্তরিত খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে সমাধি প্রথাকে কেন্দ্র করে বিবাদ ব্যাপক হিংসাত্মক রূপ নিয়েছিল। উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ (Vandalized Church) হয়েছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চামরা রাম সালামের মৃত্যুর পর, পঞ্চায়েত প্রধান রাজমান সালাম, যিনি আবার খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন, তিনি উপজাতীয় রীতিনীতি উপেক্ষা করে তাঁর বাবাকে সকলের জন্য ব্যবহৃত জমিতে সমাহিত করেন। আর এখানেই বাধে বিরোধ। ভিন্ন ধর্মে ধর্মান্তিরতরা কেন আদিবাসীদের জায়গা দখল করবেন?

    প্রতিমার মঞ্চ, ধর্মীয় জিনিসপত্রে আগুন

    সমাধির খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এটিকে তাদের ঐতিহ্য এবং সামাজিক রীতিনীতির লঙ্ঘন বলে অভিহিত করা হয়। তারা প্রশাসনের কাছে মৃতদেহটি কবর থেকে তোলার দাবিও জানান। এই দাবিতে দুই দিন ধরে বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল, কিন্তু কোনও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না নেওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় এবং আন্দোলন ধীরে ধীরে হিংসাত্মক (Vandalized Church) হয়ে ওঠে।

    গ্রামের একটি গির্জায় (Chhattisgarh) আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যরা আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে আশেপাশের এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ আমাবেদায় জড়ো হন। আনুমানিক ৩,০০০ জনেরও বেশি লোক জড়ো হয়েছিল, যার পরে আমাবেদায় আরেকটি গির্জাও আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এই হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডে পুলিশ কর্মী সহ ২০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

  • AI Based Tolling System: স্যাটেলাইট-এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    AI Based Tolling System: স্যাটেলাইট-এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সড়কগুলিতে টোল ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে ভারত (AI Based Tolling System)। ২০২৬ সালের শেষাশেষি ন্যাশনাল হাইওয়েতে সম্পূর্ণ স্যাটেলাইট ও এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও হাইওয়ে মন্ত্রী নিতিন গডকরি। সরকারের এহেন উদ্যোগের ফলে টোল প্লাজায় অপেক্ষার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে (India) যাবে, সাশ্রয় হবে জ্বালানি, কমবে দূষণ এবং সামগ্রিকভাবে লজিস্টিকস ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়বে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের।

    মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো (AI Based Tolling System)

    এই নয়া ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো (MLFF) টোলিং সিস্টেমের মাধ্যমে। এটি একটি প্রযুক্তিনির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যার সাহায্যে যানবাহন টোল পয়েন্টে না থেমে বা গতি কমানো ছাড়াই চলাচল করতে পারবে। এই উন্নত এএমপিএম টোলিং সিস্টেমে ফাস্ট্যাগ, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রিডার, অটোমেটিক নম্বর প্লেট রিকগনিশন (ANPR) ক্যামেরা এবং এআই-ভিত্তিক বিশ্লেষণ একসঙ্গে ব্যবহার করা হবে। এর ফলে যানবাহনের নির্ভুল শনাক্তকরণ ও টোল আদায় নিশ্চিত হবে এবং টোল পয়েন্টে যান চলাচল অবাধ থাকবে।

    সড়ক পরিবহণ

    ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজ্যসভায় জমা দেওয়া একটি লিখিত সরকারি উত্তরের তথ্য অনুযায়ী, সড়ক পরিবহণ ও হাইওয়ে মন্ত্রক ইতিমধ্যেই ভারতের বিভিন্ন জায়গায় মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো পদ্ধতিতে টোল আদায়ের পাইলট প্রকল্প চালু করেছে (India)। এমএলএফএফ (MLFF) কাঠামোয় গ্যান্ট্রিতে স্থাপিত আরএফআইডি রিডার এবং এএনপিআর ক্যামেরা একসঙ্গে কাজ করে। ফলে একটি দ্বৈত সুরক্ষিত ও অত্যন্ত নির্ভুল টোল আদায় ব্যবস্থা নিশ্চিত হয়। ফাস্ট্যাগ ও নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে যানবাহন শনাক্ত করা হয় এবং কোনও শারীরিক বাধা বা টোল বুথ ছাড়াই ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট থেকে টোল ফি বাবদ ধার্য করা টাকা কেটে নেওয়া হয় (AI Based Tolling System)।

    বাড়বে গাড়ির গতি

    গডকরি জানিয়েছেন, একবার এই ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে যানবাহনগুলি টোল বুথ দিয়ে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার গতিতেও চলাচল করতে পারবে। এটি বর্তমান ব্যবস্থার থেকে বড় পরিবর্তন, যেখানে টোল বুথ পার হওয়ার সময় গাড়িকে থামতে ও আবার চালু করতে হয়।রাজ্যসভা রিপোর্টের সঙ্গে যুক্ত পরিশিষ্ট অনুযায়ী, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজায় ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। সেগুলির মধ্যে রয়েছে, গুজরাটের এনএইচ-৮-এর ভরুচ–সুরাট অংশে চোরিয়াসি, এনএইচ-৪৪-এর পানিপথ–জালন্ধর অংশে ঘারাউন্ডা, দিল্লি–জয়পুর করিডরে মনোহরপুরা, শাহজাহানপুর ও দৌলতপুরায় এবং দিল্লির আরবান এক্সটেনশন রোড–২ করিডরের  মুন্ডকায়।

    সরকার বাধাহীন টোল আদায় ব্যবস্থার বিপুল সুফলের ওপরও ভরসা করছে। মন্ত্রকের করা মূল্যায়ন অনুযায়ী টোল বুথে সারি দেওয়ার প্রয়োজন তুলে দিলে জ্বালানি ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য হ্রাস ঘটবে এবং একই সঙ্গে কমবে যানবাহন থেকে নির্গত দূষণের পরিমাণও (AI Based Tolling System)। গডকরির দাবি, জ্বালানি অপচয় কমানো এবং টোল ফাঁকি রোধের মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তিটি প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকা (India) সাশ্রয়ে সহায়ক হবে। পাশাপাশি, পণ্যের নির্বিঘ্ন চলাচল লজিস্টিকস দক্ষতা বাড়াবে, যার ফলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতাও বৃদ্ধি পাবে। টোল বুথ ও ব্যারিয়ার না থাকায় পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত খরচও কমবে বলেই আশা। সেক্ষেত্রে কর্মী নিয়োগ ও পরিকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণে আর অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে না (AI Based Tolling System)।

  • PM Modi:  “বিজেপিকে শুধু একবার সুযোগ দিন, দেখুন কত দ্রুত উন্নয়ন হয়”, বললেন মোদি

    PM Modi:  “বিজেপিকে শুধু একবার সুযোগ দিন, দেখুন কত দ্রুত উন্নয়ন হয়”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘন কুয়াশার জেরে শনিবার নদিয়ার তাহেরপুরের জনসভায় সশরীরে যোগ দিতে পারলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শেষমেশ কলকাতা থেকে ভার্চুয়ালি ওই জনসভায় ভাষণ দেন তিনি। এই ভাষণের মাধ্যমেই (BJP) প্রধানমন্ত্রী বাংলায় জঙ্গলরাজের মুক্তি ও ডাবল ইঞ্জিন সরকারের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখান। ছাব্বিশের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের স্লোগানের আগে প্রচারের সুরও বেঁধে দেন তিনি। বলেন, এবার “আমাদের স্লোগান হল বাঁচতে চাই, বিজেপি তাই।”

    ঘন কুয়াশার জের (PM Modi)

    এদিন, তাহেরপুরের আকাশে বেশ কয়েকবার চক্কর কেটেও নদিয়ার মাটিতে অবতরণ করতে পারেনি প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার। ঘন কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কম থাকায় কলকাতায় ফিরে যান প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই ভাষণ দেন অডিও মাধ্যমে। বেশ কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাসও করেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই জানিয়ে দেন, বাংলাকে নিয়ে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা। তিনি বলেন, “মোদি আপনাদের জন্য অনেক কিছু করতে চায়। পয়সা, ইচ্ছে আর যোজনা, কোনওটাই কমতি নেই। বিজেপিকে শুধু একবার সুযোগ দিয়ে দেখুন। দেখুন আমরা কত দ্রুত উন্নয়ন করি।”

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    ত্রিপুরার কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বামেরা ত্রিপুরাকে তিন দশক ধরে বরবাদ করে দিয়েছিল। কিন্তু ওখানকার মানুষ বিজেপিকে একবার সুযোগ দিতেই ছবিটা বদলে গিয়েছে। ডাবল ইঞ্জিনের সরকার সেখানে উন্নয়নের জোয়ার নিয়ে এসেছে।” তিনি বলেন, “বাংলায়ও বামেদের সরিয়ে মানুষ অনেক আশা নিয়ে তৃণমূলকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছিল। কিন্তু তাঁদের সেই আশা ভঙ্গ হয়েছে (BJP)।” প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, বামেরা যাওয়ার পর আশা ছিল ভালো কিছু হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য তৃণমূল কংগ্রেস বামেদের যাবতীয় খারাপ গুণগুলিকে আত্মস্থ করে নিয়েছে। ফলে অন্যায়-অবিচার আগের থেকেও কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। এবার তৃণমূলের সরকারকে সরিয়ে ডবল ইঞ্জিন সরকারকে সুযোগ দিলে দ্রুত গতিতে বাংলার বিকাশ হবে।

    বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ

    ত্রিপুরার পর বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গও টানেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বিজেপির বিপুল জয়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “গত মাসে বিহারে এনডিএ সরকার বিরাট জনাদেশ পেয়েছে। তার পরে বলেছিলাম, গঙ্গাজি বিহার থেকে প্রবাহিত হয়ে বাংলায় পৌঁছয়। গঙ্গা বাংলায়ও বিজেপির জয়ের রাস্তা তৈরি করেছে। বিহারে এক সময়ে জঙ্গলরাজ ছিল। বিজেপি তা উপড়ে দিয়েছে (PM Modi)। পশ্চিমবঙ্গে যে মহাজঙ্গলরাজ চলছে, তার থেকে আমাদের মুক্তি চাই। তাই পশ্চিমবঙ্গের সব গ্রাম, শহর, সব গলি ও পাড়া বলছে, বাঁচতে চাই, বিজেপি তাই (BJP)।”

    তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা

    অনুপ্রবেশকারী প্রশ্নে এদিন আরও একবার তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বাংলায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্যই এসআইআরের বিরোধিতা করছে। তাঁর কথায়, গো ব্যাক অনুপ্রবেশকারী বলা উচিত। কিন্তু ওরা গো ব্যাক মোদি বলে। অনুপ্রবেশকারীদের গো ব্যাক বলে না। ওদের ক্ষেত্রে চুপ করে থাকে।” তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। টেনে আনেন কাটমানির প্রসঙ্গও। বলেন, “রাজ্যকে সাহায্য করার সদিচ্ছা বা প্রয়োজনীয় অর্থের কোনও অভাব নেই কেন্দ্রের। কিন্তু রাজ্যে এমন এক সরকার চলছে, যারা ‘কাট’ আর ‘কমিশন’ ছাড়া এক পা-ও এগোতে চায় না। এই কমিশন-রাজ বা কাটমানি কালচারের জেরে কেন্দ্রের পাঠানো হাজার হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট ফাইলবন্দি হয়ে পড়ে রয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির কারণেই সাধারণ মানুষ উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি বলেন, “বাংলার প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন শুধু রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার আসবে। কেন্দ্র ও রাজ্যে একই সরকারের সমন্বয় থাকলেই রাজ্যের অগ্রগতি নিশ্চিত করা যাবে।” তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে একবার বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকার বানিয়ে দেখুন। অনুপ্রবেশকারীরা তৃণমূলের স্নেহধন্য। বহু অনুপ্রবেশকারীকে বাঁচাতেই পশ্চিমবঙ্গে (PM Modi) এসআইআরের (SIR) বিরোধিতা করছে তৃণমূল।”

    ‘বন্দে মাতরম’

    প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল ভাষণে স্বাভাবিকভাবেই উঠে এসেছে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গ। সে সম্পর্কে তিনি বলেন, সম্প্রতি বন্দেমাতরমের গুণগান করা হয়েছে সংসদে। এই বাংলায়ই জন্মেছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। যখন দেশ পরাধীন, বঙ্কিমবাবু তখন স্বাধীনতার মন্ত্র দিয়েছিলেন বন্দে মাতরম। আর এখন বিকশিত ভারতের মন্ত্রও হয়ে উঠেছে এই বন্দে মাতরম। উল্লেখ্য যে, এদিন তাহেরপুরে যেতে না পারার কারণে প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “জয় নিতাই, বড়রা প্রণাম নেবেন (BJP)। সকলকে শুভেচ্ছা। আবহাওয়া খারাপ থাকায় পৌঁছতে পারিনি। এজন্য ক্ষমাপ্রার্থী (PM Modi)।”

LinkedIn
Share