Tag: Bengali news

Bengali news

  • India Brahmos Missile Deal: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি বাড়াতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ভারতের, জানুন বিশদে

    India Brahmos Missile Deal: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি বাড়াতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ভারতের, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি আরও প্রসারিত করার পথে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারত। প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং জানান, ভিয়েতনামের (Vietnam Indonesia Agreement) সঙ্গে ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের চুক্তি (India Brahmos Missile Deal) ইতিমধ্যেই স্বাক্ষরিত হয়েছে। একই রকম আরও একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে।

    সাংগ্রি-লা ডায়ালগ (India Brahmos Missile Deal)

    শনিবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত সাংগ্রি-লা ডায়ালগ (Shangri-La Dialogue)-এর ফাঁকে সাংবাদিক বৈঠকে রাজেশ জানান, হ্যানয় ইতিমধ্যেই ওই মিসাইল কেনা সংক্রান্ত চুক্তিটি সই করেছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ভিয়েতনামের এক প্রতিনিধির প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমার ধারণা, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনাম—উভয় দেশের ক্ষেত্রেই চুক্তিগুলি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যদিও এখনও প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হয়নি।” প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিয়েতনামের ক্ষেত্রে ব্রহ্মোস প্যাকেজের মূল্য প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকা। এতে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, প্রশিক্ষণ এবং লজিস্টিক সাহায্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অগ্রগতি ভারতের একটি বড় প্রতিরক্ষা রফতানিকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশের প্রচেষ্টা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

    প্রতিরক্ষা সচিবের বক্তব্য

    জানা গিয়েছে, ফিলিপিন্স ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম বিদেশি ক্রেতা। ২০২৪ সালে ম্যানিলা প্রথম ব্যাচের ক্ষেপণাস্ত্র কেনে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে দ্বিতীয় চালান পায়। এর মাধ্যমে বৃহৎ প্রতিরক্ষা রফতানি চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতের ক্ষমতা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে প্রতিরক্ষা সচিব জানান, ভারত আসিয়ান (ASEAN) দেশগুলির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তাদের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে দেখে। তিনি বলেন, “আমরা আপনাদের সবাইকে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচনা করি, যাদের সঙ্গে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ভাগ করে নেওয়া যায়।” তিনি জানান,  সাধারণত উন্নত সামরিক প্রযুক্তি কেবল সেইসব দেশের সঙ্গেই ভাগ করা হয় যাদের ওপর গভীর আস্থা এবং কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে (Vietnam Indonesia Agreement)।

    বৈশ্বিক পরিবেশে স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

    ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে উন্নত ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম কার্যকর সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলির একটি হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি কৌশলের অন্যতম প্রধান পণ্য হয়ে উঠেছে (India Brahmos Missile Deal)। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ও সামুদ্রিক প্রতিরোধক্ষমতা জোরদার করতে আগ্রহী বিভিন্ন দেশের মধ্যে ব্রহ্মোসের প্রতি আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে। সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজেশ বলেন, “ভারত এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অংশের অংশীদার দেশগুলির সঙ্গে স্থিতিশীল সরবরাহ শৃঙ্খল, নির্ভরযোগ্য প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব, নিরাপদ সামুদ্রিক পরিবেশ এবং উদ্ভাবনভিত্তিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে প্রস্তুত।” তিনি জানান, বর্তমান অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিবেশে স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্রয়োজনীয়তাগুলির একটি হয়ে উঠেছে (Vietnam Indonesia Agreement)।

    দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করায় জোর

    প্রতিরক্ষা সচিবের এই ঘোষণার আগে আগেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সম্প্রতি হ্যানয় সফর করে এসেছেন। সেখানে তিনি ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফান ভানন জিয়াংয়ের (Phan Van Giang) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন (India Brahmos Missile Deal)। শাংরি-লা ডায়ালগের পাশাপাশি রাজেশ অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নেদারল্যান্ডসের ঊর্ধ্বতন কর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন। এর মাধ্যমে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ইন্দো-প্যাসিফিক ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা কূটনীতি আরও জোরদার করছে।

    ইন্ডিয়া-অস্ট্রেলিয়া কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ

    অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা সচিব মেঘান কুইন (Meghan Quinn)-এর সঙ্গে আলোচনায় উভয়পক্ষই ইন্ডিয়া-অস্ট্রেলিয়া কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ (India-Australia Comprehensive Strategic Partnership)-এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করে। অনুসন্ধান করে নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রও। ভিয়েতনাম এবং ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য ব্রহ্মোস চুক্তিগুলি ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সরবরাহকারী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নয়াদিল্লির ক্রমবর্ধমান কৌশলগত প্রভাবের ইঙ্গিতও দিচ্ছে। মনে রাখতে হবে, এমন একটা সময়ে এই (Vietnam Indonesia Agreement) অগ্রগতি হচ্ছে, যখন অঞ্চলটিতে ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে (India Brahmos Missile Deal)।

     

  • Daily Horoscope 31 May 2026: পারিবারিক ভ্রমণ বাধা পড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 31 May 2026: পারিবারিক ভ্রমণ বাধা পড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসার কাজে মাথা ঠান্ডা রাখুন।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) মনের মতো স্থানে বেড়াতে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের জন্য সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় বিবাদের যোগ থাকলেও লাভ বাড়তে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) দুর্বুদ্ধিকে প্রশ্রয় দেবেন না।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক-বিতর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতির যোগ বিদ্যমান।

    ২) সকালের দিকে কোনও দুশ্চিন্তা মাথা খারাপ করবে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) বিষয়-সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে বাড়িতে বিবাদের সম্ভাবনা।

    ২) বাড়িতে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ২) কেনাকাটার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) সম্মানহানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) কোনও কাজে সময় নষ্ট হতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) মা-বাবার সঙ্গে বিশেষ আলোচনা।

    ২) ব্যবসায় লাভের যোগ।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Hormuz Strait: বন্ধ হরমুজ প্রণালী, কৌশলেই বাজিমাত করে চলেছে মোদির ভারত

    Hormuz Strait: বন্ধ হরমুজ প্রণালী, কৌশলেই বাজিমাত করে চলেছে মোদির ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডরগুলির একটি হল হরমুজ প্রণালী (Hormuz Strait)। মাস তিনেক ধরে অবরুদ্ধ রয়েছে এই প্রণালী। ইরান ও ওমানের মাঝখানে থাকা (Indian Vessels) এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে পরিবাহিত হয় বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস। তাই প্রণালী অবরোধের জেরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ব্যাহত হয়েছে সরবরাহ। প্রত্যাশিতভাবেই বেড়েছে জ্বালানির দামও। যদিও ৯ এপ্রিল ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর বন্ধ হয়েছে সক্রিয় সংঘাত। তার পরেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি ওই প্রণালী পথে ভেসেলগুলির চলাচল। সংঘাতের জেরে জাহাজ চলাচল এখনও ব্যাহত হচ্ছে মারাত্মকভাবে।

    ধারাবাহিক জাহাজ চলাচল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ (Hormuz Strait)

    এই অনিশ্চয়তার মধ্যেও ভারত বেশ কয়েকটি জাহাজ এই উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ রুট ব্যবহার করেই চলাচল করছে। তার জেরে আঞ্চলিক বিস্তর বিঘ্ন সত্ত্বেও, ভারত তার জ্বালানি চাহিদা পূরণ করতে পেরেছে। এই ধারাবাহিক জাহাজ চলাচল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের কৌশলগত প্রভাব রয়েছে। প্রশ্ন হল, তাহলে কীভাবে ভারত বাণিজ্য চালিয়ে যেতে পেরেছে, যখন ২৮ ফেব্রুয়ারির মার্কিন-ইজরায়েলি (US-Israeli) হামলার জবাবে ইরান বারবার বিভিন্ন জাহাজকে চাঁদমারি করেছিল? এই হামলাই সংঘাতের সূচনা করেছিল এবং এর ফলে বিশ্বের বহু শিপিং অপারেটর এই রুট এড়িয়ে চলতে শুরু করে (Hormuz Strait)। শুক্রবার শিপিংমন্ত্রকের কর্তারা উত্তেজনাপূর্ণ এই জলপথে ভারতের জাহাজ চলাচল বজায় রাখার কৌশল সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দিয়েছেন, যদিও নিরাপত্তার কারণে তাঁরা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে রাজি (Indian Vessels) হননি।

    আধিকারিকের বক্তব্য

    বন্দর, নৌ-পরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রকের পরিচালক (শিপিং) ওপেশ কুমার শর্মা বলেন, “ভারত ও ইরানের মধ্যে আমরা কীভাবে সমন্বয় করি, কীভাবে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করি—স্বাভাবিক কারণেই আমি সেই বিষয়গুলি প্রকাশ করতে চাই না। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রকের (MEA) মাধ্যমে সমন্বয় সাধন করি। বিষয়টি সেখানেই সীমাবদ্ধ (Hormuz Strait)।” তিনি “অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক এবং সার মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় করে। সেই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে একটি যৌথ পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমে আমরা জাহাজগুলিকে নিরাপদে বের করে আনার চেষ্টা করি।”

    হরমুজ প্রণালী অঞ্চলে ১৩টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ

    সূত্রের খবর, বর্তমানে হরমুজ প্রণালী অঞ্চলে ১৩টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে ১টি এলপিজি ট্যাঙ্কার, ৫টি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাঙ্কার, ১টি রাসায়নিক বা পণ্যবাহী ট্যাঙ্কার, ৩টি কনটেইনার জাহাজ, ২টি বাল্ক ক্যারিয়ার এবং ১টি ড্রেজার (Indian Vessels)। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারত এই রুটে সামুদ্রিক বাণিজ্য বজায় রেখেছে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যার দিক থেকে এখনও শীর্ষ দেশগুলির মধ্যে রয়েছে (Hormuz Strait) ভারত। প্রসঙ্গত, ইরানের পাল্টা পদক্ষেপের পর হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে ধীর হয়ে পড়েছিল। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় বহু আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানি এই রুট এড়িয়ে চলেছে। তবুও ভারত কৌশলগত সমন্বয় ও অগ্রাধিকারভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে তার বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে পেরেছে।

  • Annapurna Yojana: “যোগ্যরা যাতে টাকা পান, সেই দায়িত্ব সরকারের”, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    Annapurna Yojana: “যোগ্যরা যাতে টাকা পান, সেই দায়িত্ব সরকারের”, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গিয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) ফর্ম ফিলআপের কাজ। ১২ পাতার ফর্ম দেখে অনেকেরই মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড়। উঠছে নানা প্রশ্নও। অনেকেরই প্রশ্ন, কেন এত তথ্য দিতে হবে (Form Fill Up)? এসব তথ্য দিলে আদৌ লক্ষ্মীর ভান্ডার মিলবে তো? রাজ্যবাসীর এই প্রশ্নের প্রেক্ষিতে উত্তর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    গুজবে কান দেবেন না (Annapurna Yojana)

    শনিবার বিনামূল্যে সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রকল্প শুরু হয়েছে। সেই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন,  “কেউ বিচলিত হবেন না, কেউ গুজবে কান দেবেন না। ফর্ম পূরণ করতে অসুবিধা হলে আমাদের লোক বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম পূরণ করবে। যোগ্যরা যাতে টাকা পান, সেই দায়িত্ব সরকারের।”

    ফর্ম নিয়ে যা বললেন অগ্নিমিত্রা

    প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের অন্নপূর্ণ যোজনার ফর্মে নাম, ঠিকানা, জন্ম তারিখের পাশাপাশি দিতে হবে গোটা পরিবারের তথ্যও। উল্লেখ করতে হবে বাড়ি, জমির মালিকানা, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য, রেশনের আইডি থেকে শুরু করে সন্তানের স্কুলের নাম পর্যন্ত সবই। এসব নিয়েই ছড়িয়েছে বিভ্রান্তি। রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের বক্তব্য, লক্ষ্মীর ভান্ডারের বহু উপভোক্তা যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও টাকা নিতেন। পুরুষ উপভোক্তারও খোঁজ মিলেছে। উপভোক্তারা যাতে ভারতীয় নাগরিকই হন, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে সরকার। নারী ও শিশুকল্যাণমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, ১২ পাতার ফর্ম শুধুমাত্র এই যোজনার জন্যই দেওয়া হয়নি, কেন্দ্রীয় অন্যান্য প্রকল্পেও কাজে লাগবে আবেদনকারীদের দেওয়া তথ্য (Annapurna Yojana)।

    মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অন্তত ৩০ লাখ ভুয়ো নাম রয়েছে লক্ষ্মীর ভান্ডারের গ্রাহক তালিকায়। অনেক পুরুষের নামও রয়েছে। যোগ্য মহিলাদের বাছতেই এই আবেদনের প্রক্রিয়া। অগ্নিমিত্রাও বলেন, “ফর্ম পূরণ করলেই টাকা পাওয়া যাবে, তা নয়। এই যোজনার টাকা পেতে গেলে ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। সেই যোগ্যতা সবাই পূরণ করছে কি না, সেটাও দেখার জন্য এই প্রক্রিয়া (Form Fill Up)।” প্রসঙ্গত, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে এতদিন মিলত ১৫০০ করে টাকা। অন্নপূর্ণা যোজনায় এই টাকার পরিমাণই দ্বিগুণ হয়ে হবে ৩০০০ টাকা (Annapurna Yojana)।

     

  • Abhishek Banerjee: অভিষেককে দেখেই আছড়ে পড়ল জনরোষ, ‘ভাইপো’কে লক্ষ্য করে ছোড়া হল ডিম

    Abhishek Banerjee: অভিষেককে দেখেই আছড়ে পড়ল জনরোষ, ‘ভাইপো’কে লক্ষ্য করে ছোড়া হল ডিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) লক্ষ্য করে ছোড়া হল পাথর, জুতো এবং ডিম। তাঁকে ঘুষি এবং লাথি মারার চেষ্টাও করা হয়। দেওয়া হয় ‘চোর, চোর’ স্লোগানও (Sonarpur Visit)। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক শনিবার গিয়েছিলেন সোনারপুর এলাকায়, ভোট-পরবর্তী হিংসার শিকার পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে। সেখানেই তিনি পড়েন বিক্ষোভের মুখে। গত এক মাস আগেও বাংলার রাজনীতিতে ক্ষমতার ভরকেন্দ্র ছিলেন তৃণমূলের এই সেকেন্ড ইন-কমান্ড। তৃণমূল-রাজ শেষ হতেই তাঁকে দেখে জনতা উগরে দিল একরাশ ঘৃণা। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার ২৫ দিন পর এটি ছিল অভিষেকের প্রকাশ্যে আসা। সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিবেকানন্দনগর এলাকায় গিয়েছিলেন জনৈক সঞ্জু কর্মকারের পরিবারের সঙ্গে। অভিযোগ, সঞ্জু নির্বাচন-উত্তর হিংসার শিকার।

    অভিষেককে লক্ষ্য করে ‘চোর’ স্লোগান (Abhishek Banerjee)

    সরকার পরিবর্তনের আগে পর্যন্ত অভিষেক পেতেন জেড-প্লাস নিরাপত্তা। এদিন গাড়ি থেকে নামতেই তাঁকে উদ্দেশ্য করে ‘চোর, চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়। এর পর এসইউভি থেকে নেমে তিনি ওঠেন বাইকে। জনরোষের মুখে পড়ে বাইকটিও। পরে একটি হেলমেট পরে, ছেঁড়া জামা গায়ে, নিরাপত্তারক্ষীদের সাহায্যে তিনি ভবানীপুর থেকে আসা কয়েকজন তৃণমূল সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে কর্মকার পরিবারের বাড়ির দিকে হেঁটে যান। এই সময় অভিষেকের ধারে-কাছে দেখা যায়নি সোনারপুরের কোনও তৃণমূল নেতা বা কর্মীকে (Abhishek Banerjee)।স্থানীয় এক মহিলা বলেন, “ও এখানে কেন এসেছে? নিশ্চয়ই টাকা নিতে! ডাক্তার ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পর সে পানিহাটিতে কেন যায়নি?” উপস্থিত জনতা উত্তেজিত হয়ে পড়লে পুলিশ হেলমেট পরিয়ে এবং নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে করে তাঁকে ওই বাড়ির ভেতরে নিয়ে যায় (Sonarpur Visit)।

    অভিষেকের অনুযোগ

    অভিষেক বলেন, “ওরা আমায় মেরে ফেলতে চায়। প্রশাসন ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আমি এই জায়গা বা এই পরিবারকে ছেড়ে যাব না। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, এখানে কোনও সরকারি আধিকারিক উপস্থিত নেই। সব কিছু ভিডিওতে রেকর্ড হয়েছে। আমি রাজ্যপাল এবং হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।” সঙ্গে আসা অনুগামীদের সরকারি আধিকারিকদের ফোন করার নির্দেশ দেন অভিষেক। মেসেজ পাঠান হোয়াটসঅ্যাপেও। কেউ সাড়া না দেওয়ায় স্ক্রিনশট তুলে রেখে দেন।

    কী বললেন শমীক

    কর্মকার পরিবারের বাড়ির বাইরে পুরুষ, মহিলা এবং শিশুরা অভিষেককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। কয়েকজন মহিলার অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের হুমকির কারণে তাঁদের ভিটে ছাড়া হতে হয়েছিল (Abhishek Banerjee)। এক মহিলা বলেন, “আমরা জানতে চাই, উনি আমাদের রক্ষা করেননি কেন? মহিলাদের নিরাপত্তাহীন অবস্থায় কেন ফেলে রাখা হয়েছিল?” বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “স্থানীয় পুলিশের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি বলেন, “বিজেপি এই ধরনের রাজনীতি করে না। পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের প্রাক্তন মহিলা মোর্চা নেত্রী রূপা গাঙ্গুলি কী পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন, মানুষ তা মনে রেখেছেন (Sonarpur Visit)। বাংলার মানুষ এই হিংসার রাজনীতির বিরুদ্ধে পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন (Abhishek Banerjee)।”

     

  • ISI Terror Plot: পাকিস্তানভিত্তিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার ৯ জঙ্গি

    ISI Terror Plot: পাকিস্তানভিত্তিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার ৯ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানভিত্তিক একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ন’জন জঙ্গিকে (ISI Terror Plot) গ্রেফতার করল দিল্লি (Delhi) পুলিশের স্পেশাল সেল। তদন্তকারীদের দাবি, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই এবং মুম্বই আন্ডারওয়ার্ল্ডের কিছু এলিমেন্টের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁরা জানান, অভিযুক্তরা দিল্লি, মুম্বই এবং দেশের অন্যান্য বড় শহরে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল।

    কলকাঠি নাড়া হচ্ছিল সীমান্তের ওপার থেকে (ISI Terror Plot)

    তদন্তকারীদের দাবি, এই গোষ্ঠী সীমান্তের ওপারে থাকা হ্যান্ডলারদের নির্দেশে কাজ করছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত করা। নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ সেলের যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্র ও বিস্ফোরক। উদ্ধার হওয়া জিনিসপত্রের মধ্যে রয়েছে উন্নতমানের পিস্তল, গ্রেনেড এবং জঙ্গি কার্যকলাপ চালাতে প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস।

    পাক-সমর্থিত অপারেটিভদের সঙ্গে যোগাযোগ

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা পাক-সমর্থিত অপারেটিভদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে নির্দেশনা পাচ্ছিল। আধিকারিকদের সন্দেহ, এই চক্রটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিল (ISI Terror Plot)। সূত্রের খবর, ধৃতরা দিল্লি, মহারাষ্ট্র ও পাঞ্জাব-সহ বিভিন্ন রাজ্যের বাসিন্দা। এদের মধ্যে কয়েকজন বিদেশিও রয়েছে।  তবে পুলিশ এখনও তাদের পরিচয় এবং তারা কোন দেশের নাগরিক, তা জানায়নি (Delhi)। তদন্তকারীরা অভিযুক্তদের সঙ্গে মুম্বই আন্ডারওয়ার্ল্ডের সম্ভাব্য সম্পর্কও খতিয়ে দেখছেন। নিরাপত্তা সংস্থাগুলির অনুমান, এই নেটওয়ার্কটি লজিস্টিক সহায়তা, অর্থায়ন এবং গোষ্ঠীর সদস্যদের চলাচলের জন্য অপরাধ চক্রের সাহায্য নিতে পারে।

    স্ক্যানারে চক্রের নেটওয়ার্ক

    স্পেশাল সেল বর্তমানে অর্থের উৎস ও প্রবাহ, যোগাযোগের রেকর্ড এবং এই চক্রের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক পরীক্ষা করছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে, দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এই চক্রের আরও কেউ সক্রিয় রয়েছে কি না। অভিযুক্তরা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুগুলির রেকি করেছে কি না (ISI Terror Plot)। তদন্তকারীরা এই অভিযানকে সম্ভাব্য একটি জঙ্গি ষড়যন্ত্র ভেস্তে দেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সাফল্য বলে বর্ণনা করেছেন। সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নেটওয়ার্কটির ব্যাপ্তি এবং সীমান্তপারের যোগাযোগের যে অভিযোগ উঠেছে, তার মাত্রা মূল্যায়ন করে চলেছে (Delhi)। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং উদ্ধারকরা সামগ্রী বিশ্লেষণ করে পুলিশ আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে পারে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (ISI Terror Plot)।

     

  • CID Raid: ‘ভাইপো’র বাড়িতে সিআইডি হানা, সইকাণ্ডে তলব সোমে

    CID Raid: ‘ভাইপো’র বাড়িতে সিআইডি হানা, সইকাণ্ডে তলব সোমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভাইপো’র বাড়িতে সিআইডি হানা (CID Raid)! শনিবার দুপুরে সাংসদ তথা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়িতে হানা দেন সিআইডির পাঁচ আধিকারিক। ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমা পড়া একটি চিঠি নিয়ে। ওই চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের সই রয়েছে। সেই সইয়ের সত্যতা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। অভিযোগ, কয়েকটি সই নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি।

    সিআইডির লক্ষ্য (CID Raid)

    ওই চিঠিতে থাকা সইগুলি আদৌ স্বাক্ষরকারীর কি না, তা যাচাই করাই সিআইডির লক্ষ্য। তাই একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে যান সিআইডির আধিকারিকরা। সেই তালিকায় যেমন রয়েছেন চন্দ্রনাথ সিনহা, নয়না বন্দ্যোপাধ্যয়, তেমনি রয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেকও। এই মামলারই তদন্তে শনিবার অভিষেকের বাড়িতে গিয়েছিলেন সিআইডি আধিকারিকরা।

    বঙ্গে পট পরিবর্তন

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে পট পরিবর্তন হয়েছে বঙ্গে। যিনি ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, বিজেপির সেই শুভেন্দু অধিকারী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর গোহারা হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি খুইয়ে আক্ষরিক অর্থেই পথে বসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজে তো হেরেইছেন, মুখ থুবড়ে পড়েছে তাঁর সাধের তৃণমূলও। মাত্র ৮০টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে তাঁর দল। বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হয়েছেন প্রবীণ নেতা শোভনদেব। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমা পড়া একটি চিঠির জেরেই যত কাণ্ড! অভিযোগ, ওই চিঠিতে কয়েকটি সই জাল করা হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এ সংক্রান্ত প্রথম চিঠিটি বিধানসভায় পাঠিয়েছিলেন অভিষেক। সেই চিঠি ফিরিয়ে দেন বিধানসভার স্পিকার। পরে তাঁর কাছে যায় আরও একটি চিঠি। তার পরেই শুরু হয় ‘জাল সই’ নিয়ে হইচই (CID Raid)।

    নথিপত্র খতিয়ে দেখছে সিআইডি

    কেবল সই যাচাই-ই নয়, বেশ কিছু নথিপত্রও খতিয়ে দেখছেন সিআইডির আধিকারিকরা। কোন পরিস্থিতিতে ওই চিঠিতে সই করা হয়েছিল, যিনি সই করেছিলেন, তিনি আদৌ স্বাক্ষর করেছিলেন কিনা, সইটি সত্যি সত্যিই তাঁর নিজের করা কি না – এ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ও তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন বলেও খবর (Abhishek Banerjee)। এদিন অবশ্য সিআইডির আধিকারিকদের খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে অভিষেকের বাড়ি থেকে। কারণ বাড়িতে তাঁর দেখা মেলেনি। তাঁর বাড়ির এক কর্মী জানান, অভিষেক বাড়িতে নেই। তাঁর স্ত্রী, সন্তানরাও নেই। কোথায় গিয়েছেন, তিনি বলতে পারবেন না। সব শুনে তদন্তকারীরা অভিষেকের বাড়ি ১৮৮এ শান্তিনিকেতনের ঠিকানায় একটি নোটিশ লটকে দিয়ে যান। এরই খানিক পরে কালীঘাট রোডের বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করেন অভিষেক। বলেন, আমি ওই বাড়িতে থাকি না। আমার সঙ্গে দেখা করতে হলে, এই বাড়িতে আসতে হবে (CID Raid)।

    অভিষেকের হাতে নোটিশ

    তৃণমূল নেতার এহেন ‘বার্তা’ পেয়েই অভিষেকের কালীঘাট রোডের বাড়িতে পৌঁছে যান তদন্তকারীরা। সেখানে তাঁরা সরাসরি ‘ভাতিজা’র হাতেই তুলে দেন নোটিশ। জানা গিয়েছে, সোমবারই তলব করা হয়েছে তৃণমূলের এই নেতাকে। পরে অভিষেক বলেন, “যাঁরা মামলার তদন্ত করছেন, সেই অফিসাররা জানেন না সাত বছর ধরে আমি ওই বাড়িতে থাকি না৷ হয়তো ওঁদের কাছে ভুল তথ্য ছিল৷ আমিও বুঝি ওঁদের চাকরি করতে হয়৷ এখনও নোটিশ পড়িনি৷ নোটিশ পড়ার পর আমার আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করব৷ তার পর যদি মনে হয় এবং আমায় যদি হাজিরা দিতে বলা (Abhishek Banerjee) হয়, তাহলে নিশ্চয়ই হাজিরা দেব৷ আমিও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেব৷ সেই অধিকার আমারও আছে (CID Raid)৷”

     

  • DA News: বকেয়া ডিএ মেটানোর ‘সঙ্কল্প’ পূরণ শুরু বঙ্গের বিজেপি সরকারের, প্রথমে কারা পাচ্ছেন জানেন?

    DA News: বকেয়া ডিএ মেটানোর ‘সঙ্কল্প’ পূরণ শুরু বঙ্গের বিজেপি সরকারের, প্রথমে কারা পাচ্ছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সঙ্কল্পপত্রে’ (বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারের এমনই নাম) দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ এক এক (DA Arrears Credited) করে শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। এবার পূরণ হচ্ছে বকেয়া ডিএ মেটানোর ‘সঙ্কল্প’ও। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ (DA News) মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিল নবান্ন। শুক্রবার থেকেই যোগ্য প্রাপকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা জমাও পড়তে শুরু করেছে।

    কারা পাবেন বকেয়া ডিএ (DA News)

    নবান্ন সূত্রে খবর, আপাতত এই সুবিধা সব অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী পাবেন না। ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যাঁরা অবসর নিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র তাঁদেরই দেওয়া হচ্ছে টাকা। আপাতত এই টাকা পাবেন না এই সময়সীমার আগে-পরে অবসর নেওয়া সরকারি কর্মীরা। ১ জুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক রয়েছে সরকারি কর্মীদের সংগঠনগুলির। সেই বৈঠকের দিকেই তাকিয়ে কর্মীরা। কারণ, যাঁরা চাকরি করছেন, তাঁরা কবে থেকে বকেয়া ডিএ পাবেন, সেই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হতে পারে ওই বৈঠকেই। প্রসঙ্গত, ডিএ নিয়ে মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া কত দূর এগিয়েছে, বুধবার শুনানির সময় তা জানতে চেয়েছিল শীর্ষ আদালত। রাজ্য সরকারের তরফে কিছুটা সময় চাওয়া হয়। বাকি সংগঠনগুলিও জানায়, মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকের দিন ঠিক করেছেন। তাই এই মামলায় আরও সময় প্রয়োজন। সব পক্ষের সওয়াল শোনার পর শুনানি পিছিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। জুলাই মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ফের হবে শুনানি। তার আগে রাজ্যকে ডিএ মামলার স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে মেলা অভিযোগ

    বকেয়া ডিএ নিয়ে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মেলা অভিযোগ ছিল। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং বকেয়া ডিএ মেটানোর দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সরকারি কর্মচারীরা। কলকাতা হাইকোর্ট ঘুরে সেই মামলা গিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতে। অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও বকেয়া ডিএ দেওয়া হয়নি। রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে ফেব্রুয়ারি মাসে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চে বিচার চলছে সেই (DA News) মামলার।

    কর্মচারী সংগঠনের বক্তব্য

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী হয় মমতার সরকার। ক্ষমতায় আসে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পদ্ম সরকার। তার পরেই শুরু হয় বকেয়া ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া। একাধিক কর্মচারী সংগঠনের দাবি, ঠিক কত শতাংশ হারে ডিএ দেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে কোনও স্পষ্ট সরকারি নির্দেশিকা এখনও পর্যন্ত জারি করা হয়নি। তাই কীসের ভিত্তিতে ডিএ (DA Arrears Credited) দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অনিশ্চয়তার। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “শুনছি, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া টাকা অবসরপ্রাপ্তদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে। যদিও আমরা শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং অন্য গ্রান্ট-ইন এইডের কর্মীরা এখনও এক টাকাও পাইনি!’’ সিপিএম সমর্থিত কর্মচারী সংগঠনের কো-অর্ডিনেশন কমিটির নেতা বিশ্বজিত গুপ্ত চৌধুরী বলেন, “অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই (DA News)।”

     

  • Chandannagar Municipal Corporation: মেয়র সহ ৩০ কাউন্সিলরের ইস্তফা! ভেঙে গেল তৃণমূল পরিচালিত চন্দননগর পুরনিগম

    Chandannagar Municipal Corporation: মেয়র সহ ৩০ কাউন্সিলরের ইস্তফা! ভেঙে গেল তৃণমূল পরিচালিত চন্দননগর পুরনিগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ধস তৃণমূলে। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হেরে গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং এবং তাঁর হাতে গড়া দল তৃণমূল (TMC Councillors Resign)। তার পরে পরেই বর্ষায় পদ্মার ভাঙনের মতো ধসে পড়ছে ‘ঘাসফুল নদী’র পাড়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন ক্রমেই প্রকট হচ্ছে।  এবার পদত্যাগ করলেন চন্দননগর পুরসভার মেয়র-সহ ৩০ জন কাউন্সিলর (Chandannagar Municipal Corporation)। স্বাভাবিকভাবেই ভেঙে গিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বোর্ড। চন্দননগর বিধানসভায় তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন ইন্দ্রনীল সেন। তিনি মুখ থুবড়ে পড়তেই প্রকাশ্যে চলে আসে বোর্ডের টালমাটাল দশার ছবি। তার পরেই একযোগে পদত্যাগ করেন মেয়র-সহ ২৪ জন কাউন্সিলর।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া (Chandannagar Municipal Corporation)

    চন্দননগর পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা ৩৩। এর মধ্যে ৩১ জনই তৃণমূলের কাউন্সিলর। শুক্রবার সকালে এঁদের মধ্যে ৬ জন পদত্যাগ করেন। পরে রাতে ইস্তফা দেন মেয়র-সহ ২৪ জন। এর আগেই পুরসভার ডেপুটি মেয়র ও কাউন্সিলর মুন্না আগরওয়াল পদত্যাগ করেছেন। তার জেরেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল চন্দননগর পুরসভার বোর্ড। চন্দননগরের বিধায়ক বিজেপির দীপাঞ্জন গুহ বলেন, “তৃণমূলের যাঁরা ভেতরে থেকেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের মধ্যেই কোথাও না কোথাও ভাবনা এসেছে, যে এই দলটা আর করা যায় না…। মানুষ যে সঙ্গে নেই, সেটা তাঁরা ভেবে নিয়েছেন। সেই জন্যই হয়তো তাঁরা পদত্যাগ করছেন।”

    গ্রেফতার ভদ্রেশ্বর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান 

    বৃহস্পতিবার হুগলির তৃণমূল পরিচালিত ভদ্রেশ্বর পুরসভায় চেয়ারম্যান-সহ ৮ কাউন্সিলর ইস্তফা দিয়েছিলেন। তার পরের দিনই ওই পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজ খানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফিরোজ চন্দননগরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। ফিরোজের বিরুদ্ধে, এলাকায় অশান্তি করা, পুরসভায় ঝামেলা করার মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছিল (Chandannagar Municipal Corporation)। বেশ কিছু নথিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে পুরসভা সূত্রে খবর। এনিয়ে ভদ্রেশ্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন পুরসভারই এক্সিকিউটিভ অফিসার। তার পরেই ফিরোজকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে করা হয় গ্রেফতার।

    পাকড়াও নদিয়া পুরসভার চেয়ারম্যানও 

    গ্রেফতার করা হয়েছে নদিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান তৃণমূলেরই বিমানকৃষ্ণ সাহাকেও। তাঁর বাড়ির ঠিক পাশের একটি ক্লাব থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর ত্রিপল-সহ ত্রাণ সামগ্রী। শুক্রবারই আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিমানকৃষ্ণকে লক্ষ্য করে জুতো এবং জলের বোতল ছোড়েন স্থানীয়রা (TMC Councillors Resign)। বিজেপির দাবি, নবদ্বীপ থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর লোকজন তল্লাশি চালিয়ে ক্লাবঘর থেকে প্রচুর পরিমাণে ত্রিপল ও ত্রাণের শাড়ি উদ্ধার করেছে। তার পরেই চেয়ারম্যানকে নিয়ে যায় পুলিশ (Chandannagar Municipal Corporation)।

     

  • Daily Horoscope 30 May 2026: কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 30 May 2026: কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    মেষ

    ১) সকালের দিকে দাম্পত্য কলহের কারণে মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) বিদেশযাত্রার জন্য আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ৩) দিনটিতে বিবাদে জড়াবেন না।

    মিথুন

    ১) অভিনেতাদের জন্য ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) প্রেমের বিষয়ে খুব ভেবেচিন্তে পা বাড়ানো উচিত।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কর্কট

    ১) কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    সিংহ

    ১) বেকারদের নতুন কিছু করার চেষ্টা বাড়তে পারে।

    ২) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে বেশি।

    কন্যা

    ১) মানসিক কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    তুলা

    ১) অপরকে সুখী করতে গেলে স্বার্থত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও নামী ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয়ে লাভবান হতে পারেন।

    ২) ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় আপনার সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) সম্মান নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ৩) সংযমী হতে হবে।

    মকর

    ১) সঞ্চয়ের ইচ্ছা খুব বাড়তে পারে।

    ২) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় তেমন লাভ হবে না।

    ২) অর্থক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মীন

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ দেখা যাচ্ছে।

    ৩) ভালোই কাটবে দিন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

LinkedIn
Share