Tag: Bengali news

Bengali news

  • West Bengal Elections 2026: কোনও এজেন্সি বা বাহিনী নয়, নিজের কায়দায় লড়বো, হুঙ্কার শমীকের

    West Bengal Elections 2026: কোনও এজেন্সি বা বাহিনী নয়, নিজের কায়দায় লড়বো, হুঙ্কার শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও এজেন্সি বা বাহিনী নয়, এবারের ভোট আমরা নিজেদের কায়দায় লড়ব।” বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) বিজেপির জয় নিশ্চিত করতে বিজেপি জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী ১ মার্চ থেকে জোরদার প্রচার করতে ময়দানে নামবে বিজেপি। এই ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে বিশেষ ইঙ্গিত দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)।

    নিজের সামর্থ দিয়ে লড়বে (West Bengal Elections 2026)

    রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) বলেন, “কেউ যদি বিজেপিকে ভোট না দিতে চান, তা তাঁদের সিদ্ধান্ত। তাতেও রাজ্যে বিজেপির ক্ষমতায় (West Bengal Elections 2026) আসা আটকানো যাবে না। এসআইআর তালিকা প্রকাশ,  কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন বা কত দফায় ভোট, এই সব নিয়ে আমাদের চিন্তা নেই। বিজেপি নিজেদের কৌশলেই শান্তিপূর্ণভাবে মানুষের কাছে পৌঁছবে এবং ভোটের হার বাড়ানোর চেষ্টা করবে। সবটাই এবার নিজের সামর্থ দিয়ে লড়বো।”

    বিজেপি এক দিকে যেমন জেলায় জেলায় আরও শক্তিশালী সংগঠন করতে পেরেছে, তেমনি তৃণমূলের সীমাহীন দুর্নীতি, মানুষের মনে তৃণমূলের সম্পর্কে ব্যাপক বিদ্বেষ তৈরি করেছে। এই ভাবনাকে মাথায় রেখে বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে জোর কদমে ময়দানে নামতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

    আটকানো যাবে না বিজেপিকে

    সংখালঘু ভোট প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) বলেন, “সংখ্যালঘুরা যদি ভোট দিতে না চান, তাহলে সেটা তাঁদের নিজেদের সিদ্ধান্ত। তবে তার উপর নির্ভর করে বিজেপির ক্ষমতায় (West Bengal Elections 2026) আসাকে আটকানো যাবে না।” নির্বাচন কমিশন (ECI) ইতিমধ্যে স্পষ্ট করেছে, ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী এলে তাদের নিষ্ক্রিয় রাখা হবে না। অতীতে বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছিল, তা এ বার আর যাতে না হয়, সেদিকেই নজর দেওয়া হবে।

    দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, বেকারত্বের মতো ইস্যুর কারণে তৃণমূল সরকার ব্যাপক চাপের মধ্যে। অপর দিকে বিজেপি এই বিষয়কে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক জনমত গড়তে ময়দানে নেমেছে।  বিজেপি নিজেদের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী।

  • Kerala: কেরলের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার প্রস্তাব অনুমোদিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়

    Kerala: কেরলের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার প্রস্তাব অনুমোদিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল (Kerala) রাজ্যের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ (Keralam) করার প্রস্তাব অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ‘কেরালা (নাম পরিবর্তন) বিল, ২০২৬’-টি কেরল বিধানসভায় পাঠাবেন তাঁদের মতামত জানার জন্য।

    নাম বদল (Kerala)

    বিধানসভার মতামত পাওয়ার পর ভারত  সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং রাজ্যের আনুষ্ঠানিক নাম পরিবর্তনের জন্য সংসদে বিলটি উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতির সুপারিশ চাইবে। কেরল (Kerala) বিধানসভা ২৪ জুন, ২০২৪ তারিখে একটি প্রস্তাব পাস করে রাজ্যের নাম পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছিল। প্রস্তাবে বলা হয়: “আমাদের রাজ্যের নাম মালয়ালম ভাষায় ‘কেরালম’। ১ নভেম্বর ১৯৫৬ সালে ভাষার ভিত্তিতে রাজ্যগুলির গঠন করা হয়। কেরল পিরাভি দিবসও ১ নভেম্বর পালিত হয়। জাতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় থেকেই মালয়ালমভাষী জনগণের জন্য একীভূত কেরল গঠনের জোরালো দাবি ছিল। কিন্তু সংবিধানের প্রথম তফসিলে আমাদের রাজ্যের নাম ‘কেরালা’ হিসেবে লিপিবদ্ধ রয়েছে। এই বিধানসভা সর্বসম্মতিক্রমে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী ‘কেরালা’ (Kerala) নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছে।”

    নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবে সম্মতি

    পরবর্তী কালে কেরল সরকার বিধানসভার প্রস্তাবের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সংবিধানের প্রথম তফসিল সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ জানায় (Keralam)। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সংসদ যে কোনও রাজ্যের নাম পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে। এই অনুচ্ছেদের প্রস্তাবনা অনুসারে, কোনও রাজ্যের নাম, এলাকা বা সীমানা প্রভাবিত করে এমন কোনও বিল প্রথমে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিধানসভায় পাঠাতে হয়, যাতে তারা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাদের মতামত জানাতে পারে। এই বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হয় এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অনুমোদনক্রমে আইন ও বিচার মন্ত্রকের আইন বিষয়ক দফতর এবং আইন প্রণয়ন বিভাগে পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উভয় দফতরই ‘কেরালা’ (Kerala) থেকে ‘কেরালম’ (Keralam) নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে।

     

  • Canada: কার্নির ভারত সফরের আগে ২৬/১১ হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি কানাডার

    Canada: কার্নির ভারত সফরের আগে ২৬/১১ হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬/১১ মুম্বই জঙ্গি হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার (Tahawwur Rana) নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা (Canada)। কয়েক দিনের মধ্যেই ভারত সফরে আসার কথা কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির। তাঁর সেই সফরের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে কানাডা তাঁর নাগরিকত্ব বাতিলের তোড়জোড় করছে। বর্তমানে ভারতে বন্দি রয়েছেন রানা। কানাডা সরকারের এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোও হয়েছে তাঁকে। বছর চৌষট্টির রানা জন্মেছিলেন পাকিস্তানে। পরে কানাডীয় নাগরিকত্ব নেন। ২০০৮ সালের মুম্বই জঙ্গি হামলার অন্যতম প্রধান ষড়যন্ত্রী ডেভিড কোলম্যান হেডলি ওরফে দাউদ গিলানির ঘনিষ্ঠ সহযোগী। হেডলি মার্কিন নাগরিক।

    রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ (Canada)

    গ্লোবাল নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কানাডার অভিবাসন কর্তৃপক্ষ রানার বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব অর্জনের ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগ এনেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০০১ সালে কানাডীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সময় রানা তাঁর বসবাস ও ভ্রমণ সংক্রান্ত ভুয়ো তথ্য দিয়েছিলেন। রানা দাবি করেছিলেন যে, তিনি আগের চার বছর অটোয়া ও টরন্টোয় বসবাস করেছেন—যা অভিবাসন কর্তাদের মতে অসত্য। তিনি আরও জানান যে, তিনি কানাডার বাইরে মাত্র ছ’দিন ছিলেন, অথচ জানা গিয়েছে, তিনি শিকাগোয় বসবাস করছিলেন। সেখানে সম্পত্তিও রয়েছে তাঁর (Canada)। অভিবাসন বিভাগ কথিত জালিয়াতি ও মিথ্যা তথ্য প্রদানের বিষয়ে একটি বিশদ প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে। এখন আদালতের হাতেই রানার কানাডীয় নাগরিকত্ব বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে। বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন (Tahawwur Rana) হলে রানা আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নাগরিকত্ব হারাবেন বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

    রানা বর্তমানে তিহার জেলে

    চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনার পর পাক-বংশোদ্ভূত কানাডীয় ব্যবসায়ী রানা বর্তমানে তিহার জেলে আটক রয়েছেন, যেখানে তদন্তকারীরা তাঁকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ১০ এপ্রিল তাঁকে আমেরিকা থেকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয়। এর আগে ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু করলে তাকে লস অ্যাঞ্জেলেসের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছিল। প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে রানা সব ধরনের আইনি সুযোগ ব্যবহার করেছিলেন, যার ফলে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হয়। সব আইনি পথ শেষ হলে তাঁকে ভারতে পাঠানো হয় এবং বিচার বিভাগীয় হেফাজতে নেওয়া হয় (Canada)।

    তদন্তকারীরা মামলার তদন্তে সংগৃহীত বিভিন্ন সূত্র খতিয়ে দেখছেন, যার মধ্যে রানা ও সহ-অভিযুক্ত ডেভিড কোলম্যান হেডলি ওরফে দাউদ গিলানির মধ্যে হওয়া বহু টেলিফোন কথোপকথনের প্রমাণও রয়েছে। হেডলি বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাজা ভোগ করছেন (Tahawwur Rana)। রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি হেডলি, লস্কর-ই-তৈবা, হরকত-উল-জিহাদি ইসলামি-সহ পাকিস্তানভিত্তিক অন্য সন্দেহভাজনদের সঙ্গে মিলে মুম্বইয়ে প্রাণঘাতী হামলার (Canada) পরিকল্পনা করেছিলেন।

     

  • Election Commission: “কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না”, কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    Election Commission: “কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না”, কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরাসরি কাজে পাঠাতে হবে। কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Force) বসিয়ে রাখা যাবে না। রাজ্যকে কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর  ভূমিকা নিয়ে নানা ভাবে প্রশ্ন ওঠে। অনেকবার আবার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিষ্ক্রিয় রাখার কথাও বলা হয়। তাই নির্বাচন  কমিশন এবার সাফ নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের প্রশাসনকে।

    নির্বাচন কমিশনের হাতে বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ (Election Commission)

    রাজ্যে ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের প্রেক্ষিতে শাসক বিরোধীদের মধ্যে ব্যাপক তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপির বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) হাতে যদি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ থাকে, তাহলে কাজ হবে। আর বাহিনী (Central Force) রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে থাকলে, কোনও দিনই কাজ করতে পারবে না। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি, বাহিনী এনে মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। যদিও শাসক দল লোকসভার ভোট হোক আর বিধানসভার ভোট সবেতেই বরাবর আপত্তি করে থাকে। তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির হয়ে কাজ করে নির্বাচন কমিশন। কখনও কখনও ভোট কর্মীরাও কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট করাতে নারাজ। বাহিনীকে কীভাবে কমিশন কাজে লাগাবে তাই নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠছে।

    কোথায় কত বাহিনী

    মার্চেই প্রথম সপ্তাহে রাজ্যে আসছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। দুই দফায় বাহিনী আসবে রাজ্যে। ১ মার্চ রাজ্যে আসছে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। ১০ মার্চ বাকি ২৪০ কোম্পানি বাহিনী আসবে। ৪৮০ কোম্পানি বাহিনীর মধ্যে থাকছে সিআরপিএফ ২৩০ কোম্পানি, বিএসএফ ১২০ কোম্পানি, সিআইএসএফ ৩৭ কোম্পানি, আইটিবিপি ৪৭ কোম্পানি ও এসএসবি ৪৬ কোম্পানি।

    স্পর্শকাতর জায়গায় বাহিনী মোতায়েন করতেই হবে

    সোমবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ও রাজ্য পুলিশ প্রশাসন।  বৈঠকেই নির্বাচন কমিশন প্রশ্ন তুলেছে ভোটের কাজে বাহিনী এসে কি বসে থাকবে? তাই  কমিশনের নির্দেশ দিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সরাসরি জায়গায় পাঠিয়ে কাজে লাগাতে হবে। এখন কোথায়, কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে তা নিয়ে অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্পর্শকাতর জায়গায় বাহিনী মোতায়েন করতেই হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়িতে জিপিএস থাকবে। সেই সঙ্গে কমিশন আরও নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্য প্রশাসন সবটাতেই পর্যবেক্ষণ করবে। বৈঠকের পর রাজ্য পুলিশের ডিজি জানিয়েছেন, আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। নির্বাচন ভালোভাবেই হবে।

    বাহিনী হাজারদুয়ারি দেখবে, ভাগীরথী দেখবে

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “প্রথম কথা হল কমিশনের যদি আজও চোখ না ফোটে, তাহলে কোনওদিনই চোখ ফুটবে না। রাজ্য সুপ্রিম কোর্টেরই নির্দেশ মানছে না, তাহলে কমিশনের কথা কেন শুনবে? একটা বিষয় খুব স্পষ্ট, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পরিচালনার দায়িত্ব যদি রাজ্য সরকারের কোনও মন্ত্রকের হাতে থাকে, তাহলে সেই বাহিনী হাজারদুয়ারি দেখবে, ভাগীরথী দেখবে। কোনও কাজ হবে না। বাহিনীকে (Central Force) নির্বাচন কমিশনের হাতে রেখে কাজ করাতে হবে।” অপর দিকে বিজেপির সমালোচনা করে তৃণমূল নেতা জয় প্রকাশ মজুমদার বলেছেন, “ মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য যত মিলিটারি, আধাসামরিক বাহিনী (Central Force) নিয়ে আসা হয়েছে। এখন সৈন্য নামিয়ে মানুষকে সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করছে বিজেপি।

  • T20 World Cup 2026: জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে বড় জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের, আরও কি কঠিন হল ভারতের সেমিফাইনালের রাস্তা?

    T20 World Cup 2026: জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে বড় জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের, আরও কি কঠিন হল ভারতের সেমিফাইনালের রাস্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বড় জয়ের পর ভারত কীভাবে সেমিফাইনালে (T20 World Cup 2026) উঠতে পারে? এই প্রশ্ন এখন ঘোরাফেরা করছে ক্রিকেট প্রেমীদের মনে। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সুপার এইট-এর ম্যাচে জিম্বাবোয়েকে ১০৭ রানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই ফলাফলের পর ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়ার পথ কিছুটা কঠিন হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে প্রথম ম্যাচে ৭৬ রানে হারার পর ভারত এখন গ্রুপ ২-এর পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে রয়েছে। আর পয়েন্টের বিচারে অনেকেই মুশকিল মনে করেছেন। আসুন এক নজরে দেখে নেই কোন কোন অবস্থানে ভারত রয়েছে–

    বাকি দুই ম্যাচে জয় (T20 World Cup 2026)

    ভারতকে (Indian Cricket Team) তাদের বাকি দুটি ম্যাচ অর্থাৎ ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং জিম্বাবোয়ের সঙ্গে জিততে হবে। এতে ভারতের সংগ্রহ হবে ৪ পয়েন্ট (T20 World Cup 2026) । যদি দক্ষিণ আফ্রিকাও তাদের সব ম্যাচ জেতে, তবে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা উভয় দলই সেমিফাইনালে যাবে।

    নেট রান রেটের হিসাব

    ভারত যদি বাকি দুই ম্যাচ জেতে এবং দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের একটি ম্যাচে হেরে যায়, তবে তিনটি দলেরই ৪ পয়েন্ট করে হতে পারে। সেক্ষেত্রে নেট রান রেটের (NRR) ভিত্তিতে সেরা দুটি দল সেমিফাইনালে (Indian Cricket Team) পৌঁছাবে।

    দক্ষিণ আফ্রিকার হার

    ভারত যদি দুটি ম্যাচই জেতে এবং দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের বাকি ম্যাচগুলো হেরে যায়, তবে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ পরবর্তী রাউন্ডে (T20 World Cup 2026) চলে যাবে।

    একটি ম্যাচ হারলে বিদায়

    ভারত যদি বাকি দুটি ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে জেতে, তবে অন্য দলের ফলাফল যাই হোক না কেন, টিম ইন্ডিয়া (Indian Cricket Team) সেমিফাইনালের (T20 World Cup 2026) দৌড় থেকে ছিটকে যাবে।

    ভারতের বাকি ম্যাচের সূচি

    • ২৬ ফেব্রুয়ারি: ভারত বনাম জিম্বাবোয়ে (চেন্নাই)
    • ১ মার্চ: ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (কলকাতা)

    সুপার ৮ গ্রুপ ২-এর বর্তমান অবস্থার কথা বিবেচনা করলে দেখা যায় বর্তমানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ১টি করে ম্যাচ জিতে যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে আছে। ভারতের (Indian Cricket Team) রান রেট বর্তমানে -৩.৮০০।

  • Asset Monetization Plan: সরকারি সম্পদ নগদীকরণ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের নকশা প্রকাশ নির্মলা সীতারামনের

    Asset Monetization Plan: সরকারি সম্পদ নগদীকরণ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের নকশা প্রকাশ নির্মলা সীতারামনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সরকারি সম্পদ নগদীকরণ (Public Asset Monetisation) কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের (Centre) নকশা প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই পর্যায়ে ২০৩০ অর্থবর্ষের মধ্যে ১০.৮২ লাখ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি খাতের ব্যবস্থাপনায় দেওয়া সম্পদের পূর্ণ কনসেশন মেয়াদে অতিরিক্ত ৫.৯ লাখ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। নীতি আয়োগ প্রস্তুত করা এই পরিকল্পনা প্রথম পর্যায়ের অর্থবর্ষ ২০২২–২৫-এর  তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বড় আকারের, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ লাখ কোটি টাকা।

    সুব্রহ্মণ্যমের বক্তব্য (Asset Monetization Plan)

    নীতি আয়োগের প্রধান এক্সিকিউটিভ বিভি আর সুব্রহ্মণ্যম জানান, আগের লক্ষ্যের ৮৯ শতাংশ অর্জিত হয়েছে এবং মূলত সড়কপথ, কয়লা, খনি, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস খাত থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে ৫.৩ লাখ কোটি টাকা। মোট ১৬.৭২ লাখ কোটি টাকার নগদীকরণ (Asset Monetization Plan) লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে হস্তান্তরিত সম্পদের নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বেসরকারি খাতের ৫.৮ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার এই কর্মসূচি থেকে বছরে প্রায় ৮০,০০০–৯০,০০০ কোটি টাকা আয়ের আশা করছে। শুধু ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষেই ২.৪৯ লাখ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য রাখা হয়েছে (Centre)।

    সম্পদের আইনি মালিকানা বিক্রি করা হচ্ছে না

    গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই কর্মসূচির মাধ্যমে সম্পদের আইনি মালিকানা বিক্রি করা হচ্ছে না। নির্দিষ্ট কনসেশন সময়ের জন্য—সাধারণত ১৫ থেকে ৩৫ বছর—সম্পদ বেসরকারি খাতের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মেয়াদ শেষে সম্পদ আবার সরকারের মালিকানায় ফিরে আসবে। সুব্রহ্মণ্যম বলেন, “সম্পদ আপনারই থাকে, এটাই সবচেয়ে বড় সুবিধা।” তিনি একে বিনিয়োজন (Disinvestment) থেকে আলাদা বলে ব্যাখ্যা করেন (Asset Monetization Plan)। এই পরিকল্পনা ১২টি খাত জুড়ে বিস্তৃত—যেমন সড়কপথ, রেলপথ, বিদ্যুৎ, বন্দর, বেসামরিক বিমান পরিবহন, টেলিযোগাযোগ, কয়লা, খনি, গুদামজাতকরণ এবং নগর পরিকাঠামো। মোট লক্ষ্যমাত্রার এক-চতুর্থাংশেরও বেশি আসবে সড়কপথ, মাল্টিমোডাল লজিস্টিকস পার্ক এবং রোপওয়ে খাত থেকে। রেল, বিদ্যুৎ ও বন্দর-এই খাতগুলির (Asset Monetization Plan) অবদান হবে ১৬–১৭ শতাংশ করে (Centre)।

     

  • C Rajagopalachari: রাষ্ট্রপতি ভবনে বসল রাজাগোপালাচারীর আবক্ষ মূর্তি, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    C Rajagopalachari: রাষ্ট্রপতি ভবনে বসল রাজাগোপালাচারীর আবক্ষ মূর্তি, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসকে সম্মান জানিয়ে সি রাজাগোপালাচারীর (C Rajagopalachari) আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হল রাষ্ট্রপতি ভবনে। দেশবাসীর কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন রাজাজি নামে। রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁর মূর্তি বসানোটা এক রাষ্ট্রনায়কের স্বীকৃতির প্রতীক, যিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী, প্রশাসক, দার্শনিক ও রাজনৈতিক সংস্কারক হিসেবে নানা ভূমিকায় দেশসেবা করেছেন।

    একমাত্র ভারতীয় গভর্নর-জেনারেল (C Rajagopalachari)

    স্বাধীনতার পরে একমাত্র ভারতীয় হিসেবে গভর্নর-জেনারেল পদে অধিষ্ঠিত হওয়ায় রাজাগোপালাচারী ভারতীয় ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। তাঁর দায়িত্বকাল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে পূর্ণ সার্বভৌম প্রজাতন্ত্রে ভারতের উত্তরণের শেষ পর্যায়কে চিহ্নিত করে। রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁর আবক্ষ মূর্তি স্থাপন শাসনব্যবস্থা ও জনজীবনে তাঁর অবদানের স্থায়ী প্রাসঙ্গিকতাকেই তুলে ধরে (Rashtrapati Bhavan)। ১৮৭৮ সালের ১০ ডিসেম্বর বর্তমান তামিলনাড়ুর কৃষ্ণগিরি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন রাজাগোপালাচারী। সাধারণ পরিবারে জন্ম হলেও শিক্ষা ও মেধার জোরে তিনি দ্রুত উত্থান ঘটান। আইনজীবী হিসেবে প্রশিক্ষিত রাজাজি তীক্ষ্ণ আইনি যুক্তি ও নৈতিক দৃঢ়তার জন্য খ্যাতি অর্জন করেন। মহাত্মা গান্ধীর প্রভাবেই তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। অহিংসা ও জাতীয় স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে গান্ধীর আদর্শ তাঁর চিন্তাধারাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। ক্রমে তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে গান্ধীর অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহচর ও বিশ্বস্ত সহযোগী হয়ে ওঠেন।

    কৃতী লেখক ও চিন্তাবিদ

    রাজনীতি ছাড়াও রাজাগোপালাচারী ছিলেন একজন কৃতী লেখক ও চিন্তাবিদ। ভারতীয় দর্শন ও সাহিত্য ঐতিহ্যে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে (Rashtrapati Bhavan)। ভারতের সাংবিধানিক ইতিহাসে তিনি একমাত্র ভারতীয়, যিনি গভর্নর-জেনারেল পদে অধিষ্ঠিত হন। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর প্রথমে এই পদে ছিলেন মাউন্টব্যাটেন। ১৯৪৮ সালে মাউন্টব্যাটেন পদত্যাগ করলে রাজাগোপালাচারী তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন এবং প্রথম ও একমাত্র ভারতীয় হিসেবে এই পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত তিনি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক রূপান্তর তত্ত্বাবধান করেন (C Rajagopalachari)। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজাতন্ত্রে পরিণত হলে সংবিধান কার্যকর হয় এবং গভর্নর-জেনারেলের পদ বিলুপ্ত হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় রাষ্ট্রপতির পদ। এর ফলে ঔপনিবেশিক শাসনকাঠামোর অবসান ঘটে।

    প্রশাসনিক সংস্কার

    গভর্নর-জেনারেল পদ ছাড়াও তাঁর প্রশাসনিক জীবন ছিল বিস্তৃত। ১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের পর তিনি ব্রিটিশ শাসনাধীন মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির প্রিমিয়ার (বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর সমতুল্য) হন। তাঁর সময়ে প্রশাসনিক সংস্কার ও শিক্ষা উদ্যোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হয় (Rashtrapati Bhavan)। স্বাধীনতার পর ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে তিনি সংসদে প্রবেশ করেন এবং পরে মাদ্রাজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর শাসনশৈলী ছিল আর্থিক শৃঙ্খলা, কঠোর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এবং শিক্ষা ও গ্রামীণ উন্নয়নে জোর দেওয়ার জন্য পরিচিত (C Rajagopalachari)। জাতীয় আন্দোলনের শীর্ষ নেতা হয়েও পরবর্তীকালে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য দেখা দেয়। কংগ্রেস নেতৃত্বের প্রচারিত অতিরিক্ত রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রণ ও সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির নীতির তিনি সমালোচক ছিলেন। তিনি মুক্ত বাজারনীতি, বিকেন্দ্রীকরণ ও ব্যক্তিস্বাধীনতার পক্ষে সওয়াল করেন।

    কংগ্রেস পার্টি ত্যাগ

    এই আদর্শগত মতভেদের ফলেই তিনি কংগ্রেস পার্টি ত্যাগ করেন। ১৯৫৯ সালে তিনি স্বতন্ত্র পার্টি (Swatantra Party) প্রতিষ্ঠা করেন, যা স্বাধীনোত্তর ভারতের প্রাথমিক সংগঠিত বিরোধী দলগুলির একটি হয়ে ওঠে। সমাজতান্ত্রিক নীতির প্রাধান্যের সময়ে দলটি বাজারমুখী অর্থনীতি ও সীমিত সরকারি হস্তক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নেয়। যদিও পরবর্তী কালে স্বতন্ত্র পার্টির প্রভাব (Rashtrapati Bhavan) কমে যায়, তবুও গণতান্ত্রিক বিতর্ক ও শক্তিশালী বিরোধী রাজনীতির বিকাশে দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (C Rajagopalachari)। রাজাগোপালাচারীর উত্তরাধিকার তাঁর পদগুলির সীমা ছাড়িয়ে বিস্তৃত। তিনি নীতিবান রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে স্মরণীয়, যিনি বুদ্ধিবৃত্তিক গভীরতা ও রাজনৈতিক বাস্তববোধকে একত্রিত করেছিলেন। ইতিহাসবিদরা তাঁকে প্রায়ই সেই প্রজন্মের শেষ প্রতিনিধিদের একজন হিসেবে বর্ণনা করেন, যাঁরা ভারতকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বশাসনের পথে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁর আবক্ষ মূর্তির উন্মোচন কেবল তাঁর কৃতিত্বের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নয়, বরং আধুনিক ভারত গঠনে ভূমিকা রাখা বহুমাত্রিক আদর্শিক ঐতিহ্যেরও স্মারক। স্বাধীনতার সাত দশকেরও বেশি সময় পরেও (Rashtrapati Bhavan) রাজাগোপালাচারী সাংবিধানিক শাসন, নীতিনিষ্ঠ রাজনীতি (C Rajagopalachari) ও বৌদ্ধিক নেতৃত্বের প্রতীক হয়ে রয়েছেন।

     

  • Supreme Court: এবার নথি যাচাই করতে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: এবার নথি যাচাই করতে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের (SIR) চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বিশেষ দিনক্ষণ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে নথি যাচাই এবং সমাধানের জন্য ভিন রাজ্যের জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করতে হবে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি যে ভিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ।

    ২৫০ জন জেলা জজ এবং অতিরিক্ত জেলা জজ  নিযুক্ত (Supreme Court)

    প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) এদিন নির্দেশ দেওয়ার সময় বলেন, “আমরা কলকাতা হাইকোর্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেয়েছি। একজন অফিসার যদি ৫০টি অভিযোগ খতিয়ে দেখেন, তাহলে মোট যত অফিসার নিয়োগ হচ্ছে, সেই অনুযায়ী পুরো প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে ৮০ দিন সময় লাগবে। একই ভাবে সিভিল জজ যাদের তিন বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁদের ব্যবহার করা উচিত।” তবে কাদের ব্যবহার করা হবে তা ঠিক করবে কলকাতা হাইকোর্ট। মোট ৮০ লক্ষ অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। ২৫০ জন জেলা জজ এবং অ্যাডিশনাল জেলা জজ পদমর্যাদা বিচারপতি নিয়োগ করা হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা (SIR) প্রকাশ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি আর অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হবে নিয়মিত।

    চিন্তার বিষয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যাঁরা কাজ করবেন, তাঁদের সুবিধার জন্য এসআইআর-এর (SIR) নিয়ম-নীতি সম্পর্কে স্বচ্ছতার সঙ্গে অবগত করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আধার কার্ড এবং অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে মান্যতা পাবেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘কাট অফ ডেট’ অনুযায়ী তথ্যের নথি গৃহীত হবে। দায়িত্বে থাকা জুডিশিয়াল অফিসারকে তথ্য এবং ডকুমেন্টসের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বোঝানোর দায়িত্ব থাকবে এআরও এবং এইআরও। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেছেন, “কোন ভোটাররা নাম তালিকা ভুক্ত করতে এগিয়ে এলেন, তা আমাদের চিন্তার বিষয় নয়। আমাদের চিন্তার বিষয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা।” প্রধান বিচারপতির এই নির্দেশের পর যদিও রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ভিন রাজ্যের বিচারকরা বাংলা ভাষা বুঝবেন না।” তখন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের মানুষ ভাষা বোঝেন। একসময় পুরো এলাকায় বাংলার ছিল।

  • Youth Congress: এআই সম্মেলনে শার্টবিহীন বিক্ষোভ, গ্রেফতার যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি

    Youth Congress: এআই সম্মেলনে শার্টবিহীন বিক্ষোভ, গ্রেফতার যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুব কংগ্রেসের (Youth Congress) জাতীয় সভাপতি উদয় ভানু চিবকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে ধরা হয় তাঁকে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে (AI Summit) প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া এবং শার্টবিহীন বিক্ষোভের ঘটনায় এটি অষ্টম গ্রেফতার।

    কাকভোরে গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা (Youth Congress) 

    সূত্রের খবর, প্রায় ২০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর যুব কংগ্রেস প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের অভিযোগ, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করছিলেন না। তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি ষড়যন্ত্র, কর্তব্যরত সরকারি কর্মীকে স্বেচ্ছায় আঘাত করা, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং ইচ্ছাকৃত অবাধ্যতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কংগ্রেস সাংসদ শশীকান্ত সেন্টিলের দাবি, ভোর সাড়ে ৪টা নাগাদ দিল্লি পুলিশ উদয় ভানুকে তুলে নিয়ে যায় এবং প্রায় ২০ ঘণ্টা হেফাজতে রাখে। সূত্রের খবর, উদয় ওই পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন, এমন প্রমাণ মিলেছে। দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। তাই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করা দরকার বলে পুলিশ সূত্রের খবর। তাছাড়া পুলিশ একে সাধারণ বিক্ষোভ হিসেবে দেখছে না, বরং এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে ((AI Summit)) বিশ্বনেতাদের (Youth Congress) সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা হয়েছে কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চে হস্তান্তর

    এই মামলাটি দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চে হস্তান্তর করা হয়েছে। ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইন্টার-স্টেট সেল (ISC) পরবর্তী তদন্ত করবে। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া সাতজনেরই যুব কংগ্রেসের সঙ্গে যোগ রয়েছে। উদয় ভানুকে তাঁদের (AI Summit) সবার মুখোমুখি করা হবে বলে সূত্রের খবর। সূত্রের বক্তব্য, অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে মুখোমুখি জেরা না করা পর্যন্ত পরিকল্পনা কোথায়, কখন এবং কীভাবে হয়েছে, তা স্পষ্ট হবে না। দিল্লি পুলিশ সকাল ১০টায় পাটিয়ালা হাউস কোর্টে উদয় ভানুকে হাজির করে এবং তাঁকে মূলচক্রী আখ্যা দিয়ে সাত দিনের পুলিশি হেফাজত চায়। পুলিশ আদালতে জানায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোকজন এতে জড়িত এবং তদন্তের জন্য অভিযুক্তকে একাধিক জায়গায় নিয়ে যেতে হবে (Youth Congress)।

    এআই সামিট

    পুলিশ আরও জানায়, এআই সামিটে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়েছিল (AI Summit)। অন্যদিকে, উদয় ভানুর আইনজীবীর দাবি, তিনি ইন্ডিয়ান যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি হলেও বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং বিক্ষোভ সংক্রান্ত কোনও নির্দেশও দেননি। আইনজীবী আদালতে বলেন, “তিনি কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেননি, কোনও নির্দেশও দেননি।” তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে বিক্ষোভ হওয়া অস্বাভাবিক নয়। ওই আইনজীবী বলেন, “ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। এখানে প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে, এটা বিশ্ববাসীও স্বীকার করে (Youth Congress)।” এর আগে দিল্লি পুলিশ বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করে জানায়, নেপালের ‘জেন জি’ আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে—যে আন্দোলন সম্প্রতি সেখানকার সরকার পতনে ভূমিকা রেখেছে (AI Summit)।

    বড় ষড়যন্ত্র

    পুলিশ আদালতে জানায়, “এটি একটি বড় ষড়যন্ত্র। অভিযুক্তদের একে অপরের মুখোমুখি এবং ডিজিটাল প্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে জেরা করা জরুরি। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত।” দিল্লি পুলিশের বিশেষ নজরে আসে সামিটে পরা টি-শার্টগুলির মুদ্রণ খরচ কে বহন করেছে। টি-শার্টে লেখা ছিল—“পিএম ইজ কম্প্রোমাইজড”, “ইন্ডিয়া ইউএস ট্রেড ডিল”, এবং “এপস্টেইন ফাইলস”। যুব কংগ্রেস প্রধানের গ্রেফতারের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং রাহুল গান্ধীকে ‘মানসিকভাবে অস্থির’ বলে কটাক্ষ করেন। বলেন, “লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হয়তো এবার অন্তর্বাস পরেই সংসদে আসবেন (Youth Congress)।” গ্রেফতারি নিয়ে কংগ্রেস নেতা পবন খেরা বলেন, “শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করায় যদি সমস্যা হয়, তা লজ্জাজনক (AI Summit)।”

    এর আগে শার্টবিহীন বিক্ষোভ ঘিরে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “কংগ্রেস ইতিমধ্যেই নগ্ন’। রাহুল গান্ধী একে অহিংস, গণতান্ত্রিক কর্মসূচি এবং ‘গণতন্ত্রের ভিত্তি’ বলে বর্ণনা করেন।” মিরাটে এক জনসভায় মোদি বলেন, “ভারতের একটি বৈশ্বিক অনুষ্ঠানকে কংগ্রেস তাদের নোংরা ও নগ্ন রাজনীতির মঞ্চে পরিণত করেছে। বিদেশি অতিথিদের সামনে তারা নগ্ন হয়ে হাজির হয়েছিল। দেশ জানে (AI Summit) আপনারা নগ্ন, তাহলে পোশাক খোলার প্রয়োজন কী ছিল (Youth Congress)?”

     

  • West Bengal SIR: তৈরি ২০২ লগ ইন আইডি, প্রায় ৫০ লক্ষের নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু বিচারকদের

    West Bengal SIR: তৈরি ২০২ লগ ইন আইডি, প্রায় ৫০ লক্ষের নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু বিচারকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রযুক্তিগত সমস্যা কাটিয়ে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় তথ্যগত অসঙ্গতির নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের নিযুক্ত বিচারকরা। সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে এই কাজ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হাইকোর্ট নিযুক্ত বিচারকরা ভোটারদের তথ্যগত অসঙ্গতির (Logical Discrepancy) বিষয়গুলি খতিয়ে দেখে তা নিষ্পত্তি করবেন। কাজ শুরুর সময়ে ওটিপি সংক্রান্ত কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তা অনেকটাই এখন মিটিয়ে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল (Election Commission) এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল।

    বিচারকদের বুঝিয়ে দিয়েছে কমিশন (SIR)

    কমিশন সূত্রে খবর, বিচারকদের জন্য এখনও পর্যন্ত ২০২ লগ-ইন আইডি তৈরি করা হয়েছে। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। হাতে সময় মাত্র চারদিন। এখন ৭০ লক্ষ মানুষের তথ্য কীভাবে যাচাই করা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিদিনের কাজে এসআইআর সম্পর্কে অগ্রগতির রিপোর্ট দিতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আসার পর থেকেই দফায় দফায় মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক, মুখ্যসচিব-সহ শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন প্রধান বিচারপতি। রবিবারও ভার্চুয়াল বৈঠক হয়েছে। কী কী কাজ (SIR) করতে হবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো কোন কোন নথি যাচাই করতে হবে এই সব তথ্য বিচারকদের বুঝিয়ে দিয়েছে কমিশন (Election Commission)। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জুডিশিয়াল অফিসাররাও।

    ২৪০ জন বিচারককে নিয়োগ

    হাইকোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, সময় নষ্ট না করে নথি যাচাই এবং নিস্পত্তি করণের কাজ দ্রুত করতে হবে। এখনও পর্যন্ত অনেক কাজ বাকি রয়েছে। এই সময়ে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। সময়ে কাজ শেষ করা কঠিন। নাগরিকত্ব আদালত ঠিক করবে না কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কাজ হবে। ইতিমধ্যে বিধানসভা-ভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে বিচারকদের। ভোটার তালিকা (Election Commission) থেকে কাদের নাম বাদ যাবে, কাদের নাম থাকবে-সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত যাবতীয় নথি ‘বিচার’ করে দেখবেন তাঁরা। ২১ ফেব্রুয়ারি ওই কাজের জন্য প্রাথমিক ভাবে ২৪০ জন বিচারককে নিয়োগ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

    ৫০ লক্ষ যাচাইকরণ বাকি

    কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ৫০ লক্ষের কাছাকাছি ভোটারের তথ্য যাচাই এবং নিষ্পত্তির কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলোই করবেন বিচারকেরা (SIR)। রাজ্যের অ্যাডভকেট জেনারেল বলছেন, ‘‘অন্য রাজ্যে বাংলার বাড়ি সমগোত্রের তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই রাজ্যে তা অবৈধ বলা হয়েছে। এসআইআরে কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি নথির বাইরে অন্য নথি গ্রহণ না করলে অনেক যোগ্য ভোটারের নাম বাদ চলে যাবে। এটা সঠিক পদ্ধতি নয়। এই সব ভোটারদের আরও সুযোগ দেওয়া হোক।’’ অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী বলেন, “অন্য রাজ্যের সঙ্গে এই রাজ্যের তুলনা ঠিক নয়। এখানকার পরিস্থিতি আলাদা। বাংলার বাড়ি সহ ওই ধরনের নথি গ্রহণ করা সঠিক কাজ হবে না।”

    মুর্শিদাবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার

    অপর দিকে জুডিশিয়াল অফিসারদের অনেকে মালদা, মুর্শিদাবাদ জেলায় কতটা ভয় মুক্ত পরিবেশে কাজ করতে পারবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কমিশনের সূত্রে জানানো হয়েছে, স্পর্শকাতর এলাকায় প্রয়োজনে নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রধান বিচারপতি বলেন, “মুর্শিদাবাদে ইতিমধ্যে কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। তাদের ব্যবহার করা যেতে পারে।” মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Election Commission) মনোজ আগরওয়াল বলেছেন, “সোমবার বৈঠকে সকল বিচার বিভাগীয় অফিসারদের অনলাইন পোর্টাল (SIR) নিয়ে প্রশিক্ষণ শেষ হয়ে গিয়েছে। ওটিপি নিয়ে কিছু সমস্যা ছিল, তাও মিটে গিয়েছে।”

    তৃণমূল অবৈধ ভোটারদের পক্ষে

    রাজ্যে এসআইআরকে নিয়ে প্রথম থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনকে অসহযোগিতা করছে বলে  অভিযোগ করছে বিজেপি। পর্যাপ্ত পরিমাণে সরকারি বি-গ্রুপের আধিকারিকদের দেওয়ার ব্যবস্থা করেনি মমতা সরকার। অন্যদিকে, বিএলও-দের নানা সময়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল সরকার অবৈধ ভোটার, অনুপ্রবেশকারী, বাংলাদেশি মুসলমান, রোহিঙ্গাদের পক্ষে কাজ করছে। তাই ভোট ব্যাঙ্কে যাতে কোপ না পরে তাই নিয়ে তৃণমূল সাংবিধান এবং দেশকে বিপদের দিকে ঢেলে দিচ্ছে।

LinkedIn
Share