Tag: Bengali news

Bengali news

  • Violence: অশান্ত মেক্সিকোয় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপদে থাকার পরামর্শ বিদেশমন্ত্রকের

    Violence: অশান্ত মেক্সিকোয় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপদে থাকার পরামর্শ বিদেশমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে, অপ্রয়োজনীয় চলাফেরা কমাতে এবং ভিড় এড়িয়ে চলার অনুরোধ করেছে মেক্সিকোয় থাকা ভারতীয় দূতাবাস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত এক সামরিক অভিযানে মেক্সিকোর মাদক সম্রাট নেমেসিও ওসেগেরা, যিনি ‘এল মেনচো’ নামে পরিচিত, নিহত হওয়ার পর মেক্সিকোর একাধিক প্রদেশে হিংসা (Violence) ছড়িয়ে পড়েছে। তার প্রেক্ষিতেই এই সতর্কতা জারি করা হয়।

    এল মেনচোর মৃত্যু (Violence)

    এল মেনচোর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার (EL Manchos Death) সমর্থক সন্দেহভাজন কার্টেল সদস্য ও সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা সারা দেশে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। রবিবার তারা যানবাহন ও দোকানদানিতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত বার্তায় ভারতীয় দূতাবাস জালিস্কো প্রদেশের (পুয়ের্তো ভালার্তা, চাপালা ও গুয়াদালাহারা এলাকা), তামাউলিপাস প্রদেশের (রেইনোসা ও অন্যান্য পৌর এলাকা), মিচোয়াকান, গুয়েরেরো এবং নুয়েভো লেওন প্রদেশে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা অভিযান, অপরাধমূলক তৎপরতা এবং সড়ক অবরোধের কারণে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। দূতাবাস তাদের হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করেছে। আপডেটেড তথ্যের জন্য স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুসরণ করতে ও জরুরি পরিস্থিতিতে ৯১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

    মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বিশ্বের অন্যতম মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী এল মেনচো জালিস্কোতে মার্কিন সমর্থিত সামরিক অভিযানের সময় গুরুতর জখম হন এবং পরে মেক্সিকো সিটিতে বিমানে করে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার (Violence)। এল মেনচোর বিরুদ্ধে অভিযানটি চালানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বাড়তে থাকা চাপের প্রেক্ষাপটে, যেখানে মেক্সিকোকে মাদক পাচার দমনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছিল। ওয়াশিংটন সরাসরি হস্তক্ষেপের সম্ভাবনাও উত্থাপন করেছিল। ওসেগেরার অপরাধ সাম্রাজ্য—জালিস্কো নিউ জেনারেশন কার্টেল (সিজেএনজি)—গত এক দশকে মেক্সিকোর সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠিত অপরাধ চক্রে পরিণত হয়েছে এবং আমেরিকায় কোকেন, মেথঅ্যামফেটামিন ও ফেন্টানিলসহ অবৈধ মাদকের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে।

    একাধিক প্রদেশে আছড়ে পড়ে হিংসার ঢেউ

    এল মেনচোর মৃত্যুর পর একাধিক প্রদেশে আছড়ে পড়ে হিংসার ঢেউ। কার্টেল সদস্যরা নিরাপত্তা বাহিনী ও জনপরিকাঠামোর ওপর পাল্টা হামলা চালায়। সিজেএনজির এক সদস্য সংবাদমাধ্যমকে জানান, ওসেগুয়েরার হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে এই হিংসা চালানো হয়েছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলি কার্টেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে এগিয়ে আসায় আরও রক্তপাতের আশঙ্কা রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যক্তি বলেন, “নেতার মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে প্রথমে সরকারের বিরুদ্ধে ও অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে হামলা চালানো হয়। কিন্তু পরে কার্টেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষও শুরু হবে।” জালিস্কোতে বন্দুকধারীরা ন্যাশনাল গার্ডের একটি সামরিক পুলিশ ঘাঁটিতে হামলা চালায়। কর্তৃপক্ষ বাসিন্দা ও পর্যটকদের হোটেলের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেন। কিছু এলাকায় গণপরিবহণ বন্ধ করে দেওয়া হয় (EL Manchos Death)।

    মেক্সিকো–পুয়েবলা জাতীয় সড়ক

    অবরোধের জেরে কার্যত অচল হয়ে পড়ে মেক্সিকো–পুয়েবলা জাতীয় সড়ক। কোলিমা প্রদেশে সশস্ত্র কার্টেল সদস্যরা পিক-আপ ট্রাক নিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। গুয়ানাহুয়াতো—যা সিজেএনজির শক্ত ঘাঁটি—সেখানে ২৩টি পুরসভা এলাকায় ৫৫টি হিংসার ঘটনার খবর আসে। ১৮ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সন্ধ্যার মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে খবর। জালিস্কোর রাজধানী গুয়াদালাহারায় জ্বলন্ত গাড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করা হয়। বাসিন্দারা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সতর্কবার্তা ছড়িয়ে বাড়িতে থাকার আহ্বান জানান। পুয়ের্তো ভালার্তার মতো পর্যটনকেন্দ্রে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আকাশে পাক খেয়ে উড়ছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। আতঙ্কিত যাত্রীরা বিমানবন্দরে দৌড়ঝাঁপ করছেন (Violence)।

    হিংসার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ

    ট্রাকচালকদের জাতীয় সড়ক এড়িয়ে চলতে বা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ডিপোয় ফিরে যেতে বলা হয়। ট্রাকিং শিল্পের এক সংগঠন হিংসার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং চালকদের নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার অনুরোধ জানায় (EL Manchos Death)। জালিস্কোর গভর্নর পাবলো লেমুস নাভারো বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার আহ্বান জানান যতক্ষণ না শৃঙ্খলা ফিরছে। প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম এক্স হ্যান্ডেলে জানান, ‘ফেডারেল সরকার রাজ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় বজায় রাখছে (Violence)।’

     

  • Murshidabad: সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে পাচার! বহরমপুরে গ্রেফতার অভিযুক্ত, পশ্চিমবঙ্গ কি ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল?

    Murshidabad: সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে পাচার! বহরমপুরে গ্রেফতার অভিযুক্ত, পশ্চিমবঙ্গ কি ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার পর এবার মুর্শিদবাদ (Murshidabad)! পশ্চিমবঙ্গ কি জঙ্গি-ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল? তা না হলে, কীভাবে একের পর এক ভারত বিরোধী কার্যকলাপ এরাজ্যে ঘটে চলেছে? এরাজ্যে এসে বড়সড় নাশকতার ষড়যন্ত্র ফাঁস করেছে দিল্লি পুলিশ। মালদা থেকে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনার মধ্যে মুর্শিদাবাদে দুই যুবকের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Pakistani Spy) অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। ইতিমধ্যে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। তার মধ্যে একজনকে কিছুদিন আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই অভিযুক্তকে জেরা করে সূত্র ধরে বহরমপুর থেকে অন্য আরেক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত যুবেকের নাম সুমন শেখ। অভিযোগ, তারা পাকিস্তানে সিম কার্ডের ওটিপি পাচার করত।

    চব্বিশ বছরের বয়সী যুবক (Murshidabad)

    জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা জুহাব শেখকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। এই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চব্বিশ বছরের সুমনের নাম জানতে পারেন তদন্তকারী অফিসাররা। বহরমপুরের গির্জার মোড় এলাকা থেকে প্রথমে সুমনকে আটক করা হয়। এরপর তার বাড়িতে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। ধৃত দুজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে (Pakistani Spy) পাচার করার অভিযোগ রয়েছে। কোন অভিপ্রায়ে চলত ওটিপি পাচার? জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বহু পাকিস্তানিদের সঙ্গে যোগ রয়েছে সুমনের। রবিবার সুমনকেও গ্রেফতার করা হয়। কার্যত পাকিস্তানি গুপ্তচর হিসাবেই কাজ করছিল এই যুবক। হোয়টসঅ্যাপে নম্বর ভেরিফিকেশনের জন্য যে ওটিপি আসে, তা পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিত তারা। তাতে সেখানেই এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ খুলে যেত। আর এর বিনিময়ে তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত।

    হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলত

    ধৃত সুমন শেখের পরিবারের তরফে বলা হয়েছে, ছেলে ডেলিভারির কাজ করত। তদন্তকারী অফিসারদের বক্তব্য, ধৃত দুই জনই সিম কার্ড বিক্রেতা। সাধারণ মানুষের নথি ব্যবহার করে সিম কার্ড দিত। এই নম্বর দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলত। নম্বর ভেরিফাইয়ের জন্য যে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড বা ওটিপি আসত সেগুলি পাকিস্তান হ্যান্ডেলারদের (Pakistani Spy) পাঠিয়ে দিত। তার বিনিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা পেত। ওই সিমগুলি যারা ব্যবহার করে তাদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চলে পাকিস্তান থেকে। ছেলে অপকর্মে গ্রেফতার হওয়ায় মা মেনকা বিবি বলেন, “বহরমপুরে ডেলিভারির কাজ করত। কিসের জন্য পুলিশ গ্রেফতার করেছে তা জানা নেই। জুহাবকে আগে ধরেছে পুলিশ। সেই আমার ছেলের নাম বলেছে। আমি চাই ছেলে ছাড়া পাক।” জানা গিয়েছে, সুমনের বাবা বহরমপুরে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। বর্তমানে তিনি বাড়িতে নেই। জেঠু গোলাম হোসেন বলেন, “সুমনকে কোথায় নিয়ে গিয়েছে আমরা জানি না, আমাদের পুলিশ কিছু বলেনি। আমরা বহরমপুরে গিয়েছিলাম।”

    কলকাতায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে

    এর আগে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল মালদা থেকে ২ জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম উমর ফারুক এবং রবিউল ইসলাম। উমর মালদার বাসিন্দার কিন্তু রবিউল বাংলাদেশি। প্রত্যেকেই লস্করের সদস্য। এছাড়া তামিলনাড়ু থেকে গ্রেফতার হয়েছে মিজানুর রহমান, মহম্মদ শব্বত, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল। উল্লেখ্য এরা সবাই বাংলাদেশি। শাব্বির আহমেদ লোন নামে একজন হ্যান্ডলার নির্দেশে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢুকে জঙ্গি কর্মকাণ্ডের ছক করেছিল তারা। এই শাব্বির লোন হল কাশ্মীরি। ২০০৭ সালে এক আত্মঘাতী হামলার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়। এরপর সেখানে গিয়ে ঘাঁটি গড়ে তোলে। সম্প্রতি কলকাতায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে। বড়সড় এক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করছিল এই শব্বির। আর সেই ছকের ঘুঁটি ছিল এই বাংলাদেশি জঙ্গিরা (Pakistani Spy)।

    উল্লেখ্য গত কয়েক মাস আগেই ওয়াকফের নামে ধুলিয়ান, সামশেরগঞ্জে কট্টরপন্থী মুসলিমরা হিন্দু সাম্প্রদায়ের উপর ব্যাপক ভাবে হিংসার ঘটনা ঘটায়। গত কয়েক মাসে আল কায়দা, আইএসআই, জেএমবি, লস্কর, পিএফআই সহ একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বেশকিছু জঙ্গিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সম্প্রতি এই জেলায় জঙ্গিদের ধরপাকড়ের ঘটনায় রাজ্যের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত চিন্তা এবং উদ্বেগের চিত্র সামনে এসেছে।

  • Delhi Court: “প্রতিবাদের নামে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা যাবে না”, এআই সামিটে বিক্ষোভকারীদের তোপ আদালতের

    Delhi Court: “প্রতিবাদের নামে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা যাবে না”, এআই সামিটে বিক্ষোভকারীদের তোপ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রতিবাদের নামে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা যাবে না।” এমনই পর্যবেক্ষণ করে এআই সামিটে (AI Summit Disruption) বিক্ষোভকারী কংগ্রেস কর্মীদের তোপ দিল্লি আদালতের (Delhi Court)। দিল্লির একটি আদালত বলেছে, ‘‘বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টেকে বিঘ্ন ঘটাতে সক্ষম এমন অপকর্মে কঠোর তদারকি এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করে তদন্ত প্রয়োজন।’’ উল্লেখ্য এই সামিটে কংগ্রেস কর্মীরা নিজের জামা খুলে ট্রাম্প-মোদির বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে বিশ্বের কাছে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে।

    গুরুত্বের সাথে বিচার করতে হবে (Delhi Court)

    দিল্লির পাটিয়ালা হাউস আদালত (Delhi Court) জোর দিয়ে বলেছে, “গণতান্ত্রিক ভিন্নমত সুরক্ষিত থাকলেও, নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা বিদেশি প্রতিনিধিদের সামনে ভারতের অবস্থানকে প্রভাবিত করে এমন কোনও আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিচার করতে হবে।” কোর্টের ‘ফার্স্ট ক্লাস জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট’ এই মন্তব্যগুলি করেন। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত এআই (AI) সামিট-এ (AI Summit Disruption) বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া চার অভিযুক্তকে পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ার সময় আদালত এই পর্যবেক্ষণ দিয়েছে।

    আন্তর্জাতিক গুরুত্ব

    আদালত (Delhi Court) উল্লেখ করেছে, ভারত যখন এই ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে, তখন সেখানে বিদেশি গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন এবং এটি বিশ্বমঞ্চে জাতির প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের স্থানে কোনও বিশৃঙ্খলা (AI Summit Disruption) কখনই কাম্য নয়। এটি কূটনৈতিক সম্পর্ক ও জাতীয় মর্যাদাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

    সংবিধান ও অধিকার

    আদালত (Delhi Court) আরও জানিয়েছে, নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সাংবিধানিক অধিকার থাকলেও, সেই অধিকার সার্বভৌমত্ব, জনশৃঙ্খলা এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধের অধীন। সংবেদনশীল আন্তর্জাতিক ইভেন্টের সময় সরকারি কাজে হস্তক্ষেপ বা নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বিপন্ন করে এমনভাবে প্রতিবাদ করার অনুমতি দেওয়া যায় না।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    সরকারি কৌঁসুলির পক্ষে বলা হয়, অভিযুক্তরা ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির সমালোচনা করে স্লোগান লেখা টি-শার্ট পরে ভারত মণ্ডপমের উচ্চ-নিরাপত্তা বিশিষ্ট প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছিলেন এবং সম্মেলন চলাকালীন স্লোগান দিয়েছিলেন। কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা তাদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তারা বাধা দেয় এবং আক্রমণ করেন। এই ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তারা আহত হয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিঘ্ন সৃষ্টি (AI Summit Disruption) হয়েছে। তদন্তের এই পর্যায়ে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিশ্লেষণ, যোগাযোগের উৎস খুঁজে বের করা এবং এই ঘটনার পিছনে কোনো আর্থিক মদত আছে কি না তা জানার জন্য অভিযুক্তদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে সাফ জানিয়েছে আদালত (Delhi Court)।

  • Ramakrishna 588: “ঘোড়ার চক্ষের দুইদিকে ঠুলি না দিলে, ঘোড়া কি এগুতে চায়? রিপু বশ না হলে কি ঈশ্বরকে পাওয়া যায়?”

    Ramakrishna 588: “ঘোড়ার চক্ষের দুইদিকে ঠুলি না দিলে, ঘোড়া কি এগুতে চায়? রিপু বশ না হলে কি ঈশ্বরকে পাওয়া যায়?”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    যুগধর্ম কথাপ্রসঙ্গে—জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগ

    ডাক্তার—কিন্তু বাপ ছেলের হাত ধরা ভাল নয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তা নয়। মহাপুরুষদের বালক স্বভাব। ঈশ্বরের কাছে তারা সর্বদাই বালক, তাদের অহংকার থাকে না। তাদের সব শক্তি ঈশ্বরের শক্তি, বাপের শক্তি, নিজের কিছুই নয়। এইটি তাদের দৃঢ় বিশ্বাস (Kathamrita)।

    বিচারপথ ও আনন্দপথ—জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগ

    ডাক্তার—আগে ঘোড়ার চক্ষের দুইদিকে ঠুলি না দিলে, ঘোড়া কি এগুতে চায়? রিপু বশ না হলে কি ঈশ্বরকে পাওয়া যায়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তুমি যা বলছো, ওকে বিচারপথ বলে—জ্ঞানযোগ বলে। ও-পথেও ঈশ্বরকে পাওয়া যায়। জ্ঞানীরা বলে, আগে চিত্তশুদ্ধি হওয়া দরকার। আগে সাধন চাই, তবে জ্ঞান হবে।

    “ভক্তিপথেও তাঁকে পাওয়া যায়। যদি ঈশ্বরের পাদপদ্মে একবার ভক্তি হয়, যদি তাঁর নামগূনগান করতে ভাল লাগে (Kathamrita), ইন্দ্রিয় সংযম আর চেষ্টা করে করতে হয় না। রিপুবশ আপনা-আপনি হয়ে যায়।

    “যদি কারও পুত্রশোক হয়, সেদিন সে কি আর লোকের সঙ্গে ঝগড়া করতে পারে, না, নিমন্ত্রণে গিয়ে খেতে পারে? সে কি লোকের সামনে অহংকার করে বেড়াতে পারে, না, সুখ সম্ভোগ করতে পারে?

    “বাদুলে পোকা যদি একবার আলো দেখতে পায়, তাহলে কি সে আর অন্ধকারে থাকে? ডাক্তার (সহাস্যে)—তা পুড়েই মরুক সেও স্বীকার।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— না গো! ভক্ত কিন্তু বাদুলে পোকার মতো পুড়ে মরে না। ভক্ত যে আলো দেখে ছুটে যায়, সে যে মণির আলো! মণির আলো খুব উজ্জ্বল বটে, কিন্তু স্নিগ্ধ আর শীতল। এ-আলোতে গা পুড়ে না, এ-আলোতে শান্তি হয়, আনন্দ হয়।

    জ্ঞানযোগ বড় কঠিন

    “বিচারপথে জ্ঞানযোগের পথে, তাঁকে পাওয়া যায়। কিন্তু এ-পথ বড় কঠিন। আমি শরীর নই, মন নই, বুদ্ধি নই। আমার রোগ নাই, শোক নাই, অশান্তি নাই; আমি সচ্চিদানন্দস্বরূপ, আমি সুখ-দুঃখের অতীত, আমি ইন্দ্রিয়ের বশ নই, এ-সব কথা মুখে বলা খুব সোজা। কাজে করা, ধারণা হওয়া বড় কঠিন। কাঁটাতে হাত কেটে যাচ্ছে, দরদর করে রক্ত পড়ছে, অথচ বলছি, কই কাঁটায় আমার হাত কাটে নাই, আমি বেশ আছি। এ-সব বলা সাজে না। আগে ওই কাঁটাকে জ্ঞানাগ্নিতে পোড়াতে হবে তো।”

    বইপড়া জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য—ঠাকুরের শিক্ষাপ্রণালী

    “অনেকে মনে করে, বই না পড়ে বুঝি জ্ঞান হয় না, বিদ্যা হয় না। কিন্তু পড়ার চেয়ে শুনা ভাল, শুনার চেয়ে দেখা ভাল। কাশীর (Ramakrishna) বিষয় পড়া, কাশীর বিষয় শুনা, আর কাশীদর্শন অনেক তফাত।

  • Maoist Leaders: তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ দুই মাও শীর্ষ নেতার

    Maoist Leaders: তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ দুই মাও শীর্ষ নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবীণ মাওবাদী নেতা দেবজি এবং মল্লা রাজু রেড্ডি, যিনি ‘সংগ্রাম’ নামেও পরিচিত, তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। রবিবার একথা জানিয়েছেন ছত্তিশগড়ের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজয় শর্মা। নকশালবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটিকে তিনি একটি বড় সাফল্য বলেই উল্লেখ করেন। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শর্মা জানান, বসভারাজুর পর দেবজি সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব নেন এবং তিনি বহু বছর ধরে সক্রিয় ছিলেন। শর্মা বলেন, “প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বসভারাজুর পর সাধারণ সম্পাদক হওয়া দেবজি তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।”

    শীর্ষ মাওবাদী নেতা (Maoist Leaders)

    তিনি আরও বলেন, “মল্লা রাজু রেড্ডিও ছত্তিশগড়ের আবুজমাড় অঞ্চলে এবং পার্শ্ববর্তী গড়চিরোলি এলাকায় বহু দশক ধরে সক্রিয় শীর্ষ মাওবাদী নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।” এই আত্মসমর্পণকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য আখ্যা দিয়ে শর্মা বলেন, “নকশালবিরোধী অভিযান এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমার বিশ্বাস, নকশালবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শেষ পর্যায়ে আমরা পৌঁছে গিয়েছি। শীর্ষ পর্যায়ের মাত্র একজন নেতা বাকি রয়েছেন, যিনি অত্যন্ত বয়স্ক। তাঁকে বাদ দিলে আরও এক-দু’জন আছেন, কিন্তু তাঁরা এই দু’জনের মতো সক্রিয় নন। বাকি ব্যক্তিদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চলছে।”

    অভিযানের প্রসঙ্গ

    করেগুট্টায় চলমান অভিযানের প্রসঙ্গ তুলে শর্মা জানান, তল্লাশি অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী ৮৯টি আইইডি (তাৎক্ষণিক বিস্ফোরক যন্ত্র) উদ্ধার করেছে। তিনি বলেন, “সেখানে নকশালদের যে ঘাঁটি গড়ে উঠেছিল, তা ভেঙে পড়ার মুখে। আমরা সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী যে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যেই নকশালবাদ সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হবে।” এ পর্যন্ত অগ্রগতির জন্য তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রণীত কৌশল এবং মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাইয়ের দেওয়া কার্যকরী স্বাধীনতাকে কৃতিত্ব দেন।

     

  • PM Modi: এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে সদ্য সমাপ্ত এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার তিনি একে দেশের সম্মানহানি ঘটানো লজ্জাজনক প্রদর্শন বলে অভিহিত করেন। সংবাদমাধ্যমকে সঠিকভাবে প্রতিবেদন (AI Summit) করার আহ্বানও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী এআই সম্মেলনে তাঁর বিরুদ্ধে এবং ভারত–মার্কিন অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় যুব কংগ্রেসের প্রতিবাদের নিন্দে করেন।

    কংগ্রেস পার্টির সঙ্গেই যুক্ত (PM Modi)

    মীরাটে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেখুন কী দুর্ভাগ্য। এত পুরানো একটি দলের নেতারা লজ্জা পাওয়ার বদলে, যারা দেশের অসম্মান করছে তাদের নির্লজ্জভাবে সমর্থন করছেন। এই বিষয়টি কংগ্রেস পার্টির সঙ্গেই যুক্ত।” প্রধানমন্ত্রী সরাসরি সংবাদমাধ্যমকে নিরপেক্ষভাবে প্রতিবেদন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমি সব সময় প্রার্থনা করি ঈশ্বর যেন আমাকে সংবাদমাধ্যমকে সবরকমভাবে সহ্য করার শক্তি দেন। কিন্তু আজ আমি সংবাদমাধ্যমকে অনুরোধ করছি— যখন আমরা এ ধরনের কাজের সমালোচনা করি, তখন দয়া করে এমন শিরোনাম করবেন না যে মোদি বিরোধীদের পরাজিত করেছেন। কংগ্রেসকে বাঁচানোর এই কৌশল বন্ধ করুন।”

    কংগ্রেসের পাপ রক্ষার কাজ

    নির্বাচিত প্রতিবেদন এবং কংগ্রেসের পাপ রক্ষার কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বিরোধীরা বিরোধী সেজে কংগ্রেসকে রক্ষা করছে। পাপ করে কংগ্রেস, ফল ভোগ করতে হয় তাদেরই। কিন্তু মিডিয়া ‘কংগ্রেস’ শব্দটি দেখে না, শুধু ‘বিরোধী’ শব্দটি দেখে। কেন? কেন কংগ্রেসকে রক্ষা করছেন (PM Modi)?” তিনি জানান, অন্য বিরোধী দলগুলি এই ঘটনায় অংশ নেয়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের কেউ কি এই পাপ করেছে? না (AI Summit)। ডিএমকে সদস্যরা? বিএসপি সদস্যরা? ফারুক আবদুল্লার দল? না। শুধু এবং শুধু ‘সিরফিরা’ (উন্মাদ) ও ‘বেলাগাম’ (বেপরোয়া) কংগ্রেস নেতারাই দেশ ধ্বংসে উঠেপড়ে লেগেছে।”

    বিরোধী সহকর্মীদের ধন্যবাদ

    প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসকে দেশের ওপর বোঝা বলে উল্লেখ করেন এবং প্রতিবাদটির নিন্দে করার জন্য অন্যান্য বিরোধী সহযোগীদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “আমি প্রকাশ্যে এই বিরোধী সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানাই, যাঁরা সত্য ও দেশের মর্যাদার পক্ষে দাঁড়িয়েছেন।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে হলে মানুষের হৃদয় জয় করতে হয়, মহিলা সাংসদদের পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করানো নয় (PM Modi)। বাজেট অধিবেশনের সময় লোকসভায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মধ্যে কংগ্রেস মহিলা সাংসদদের তাঁর আসন ও ট্রেজারি বেঞ্চের কাছে পাঠিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, দলটি গঠনমূলক ভূমিকা নেওয়ার বদলে কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে (AI Summit)।

    কংগ্রেসের মিত্রদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে

    তিনি বলেন, “তাঁরা নিজেরাই সংসদে কার্যকর হতে পারেন না, তাই সহকর্মীদেরও কথা বলার সুযোগ দেন না। তাঁরা সংসদ চলতে দেয় না। এতে কংগ্রেসের মিত্রদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে, এবং তারা তা বুঝেছে। দিল্লিতে তারা যে নগ্নতা প্রদর্শন করেছে, তাতে তাদের সব মিত্র স্তম্ভিত হয়ে দূরত্ব বজায় রেখেছে।” এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী মোদি শতাব্দী নগর নমো ভারত স্টেশনে মিরাট মেট্রো ও নমো ভারত ট্রেনের উদ্বোধন করেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, উত্তরপ্রদেশ বিজেপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী-সহ অন্য আধিকারিকরা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী মিরাটে প্রায় ১২,৯৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এবং সেগুলি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন (AI Summit)।

     

  • US Military Strike Threat: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে, সংঘর্ষ

    US Military Strike Threat: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে, সংঘর্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে (Iran)। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা পাল্টা গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে এবং দেশটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছে (US Military Strike Threat)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং স্থগিত পারমাণবিক আলোচনা ঘিরে এই অস্থিরতা নতুন করে সামনে এসেছে। অর্থনৈতিক সংকট ও অতীতের বিক্ষোভ দমন অভিযানের ক্ষোভই এই আন্দোলনের মূল কারণ।

    সরকারবিরোধী স্লোগান (US Military Strike Threat)

    শনিবার ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান শোনা যায়। পরে শিক্ষার্থীরা পাল্টা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার হুমকির প্রেক্ষাপটে দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এটি ছিল সাম্প্রতিক ক্ষোভের প্রকাশ। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, তেহরানের শীর্ষ টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিড়ের মধ্যে মারামারি শুরু হয় এবং মানুষ “বি শরাফ” (ফারসি ভাষায় যার অর্থ ‘লজ্জাজনক’) বলে চিৎকার করে। পার্সিয়ান ভাষার টিভি চ্যানেল ‘ইরান ইন্টারন্যাশনালে’ প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায়, শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে বড় একটি জনতা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে। পরে ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, ওই প্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষে কয়েকজন জখম হয়েছে বলে খবর।

    “খামেনেইর মৃত্যু হোক”

    বিক্ষোভকারীদের “খামেনেইর মৃত্যু হোক” এবং “কাজ শেষ করো” ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়। তারা প্রাক্তন শাহের প্রশংসা করে রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিও জানায়। ফার্স প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একদল মানুষ ইরানের পতাকা নাড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছে এবং মুখোশ পরা আর একটি দলের মুখোমুখি অবস্থান করছে। স্যুট পরিহিত ব্যক্তিরা বিক্ষোভকারীদের আটকে রাখার চেষ্টা করছে (US Military Strike Threat)। ১৮ ফেব্রুয়ারিতেও এএফপি যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানিরা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। তারা সারা দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের সময় নিহতদের স্মরণে জড়ো হয়েছিল।

    উত্তেজনা চরমে

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বর্তমানে চরমে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর সীমিত হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান- ওমানের মধ্যস্থতায় সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করলেও, ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ত্যাগ করতে হবে, এ বিষয়ে এখনও কোনও সমঝোতা হয়নি (Iran)। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে।

    ইরানে বিক্ষোভ

    ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়, যখন অর্থনীতি ভেঙে পড়ার প্রতিবাদে দোকানদার ও ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামে। পরে আন্দোলন বিস্তৃত হয়ে ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার অবসান দাবি পর্যন্ত পৌঁছে যায়। খামেনেই নেতৃত্বাধীন সরকার কঠোর দমনপীড়নের মাধ্যমে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা করে (US Military Strike Threat)। ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ ৩,০০০-এরও বেশি মৃত্যুর কথা স্বীকার করলেও দাবি করেছে, এই হিংসা “জঙ্গি কার্যকলাপ” এবং ইরানের শত্রুদের প্ররোচনায় ঘটেছে (Iran)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৭,০০০-এরও বেশি। ইরানি কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের অর্থনৈতিক দাবির বৈধতা স্বীকার করলেও “চিরশত্রু” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঙ্গা উসকে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে (US Military Strike Threat)।

    ট্রাম্পের নির্দেশ

    ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম এশিয়ায় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড পাঠিয়েছে। পাশাপাশি আরও কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসে গভর্নরদের সঙ্গে নৈশভোজে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের সামরিক বাহিনী আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “তেহরান যদি চুক্তিতে না পৌঁছায়, তাহলে “খারাপ কিছু” ঘটবে। চুক্তির জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা দিয়েছেন। গত বছর ব্যর্থ পারমাণবিক কূটনীতি ও ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়েছিল (Iran)।

    ইরানের বক্তব্য

    ইরান জানিয়েছে, তারা শিগগিরই একটি খসড়া প্রস্তাব জমা দেবে। তবে ‘অ্যাক্সিওস’ এক প্রবীণ মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন এমন একটি চুক্তি বিবেচনা করতে প্রস্তুত, যেখানে “সীমিত, প্রতীকী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ” অনুমোদিত হতে পারে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র শূন্য মাত্রার সমৃদ্ধকরণের দাবি করেনি।” খামেনেই সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানে হামলা চালালে তা আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নিতে পারে (US Military Strike Threat)। তাহলে কি শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প ইরানে হামলা করবেন? তা হয়তো কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হবে (Iran)।

     

  • Pakistan ISI Bangladesh: পাকিস্তানের আইএসআইয়ের মদতে বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক, তামিলনাড়ু-মালদা থেকে ৮ জঙ্গি গ্রেফতার

    Pakistan ISI Bangladesh: পাকিস্তানের আইএসআইয়ের মদতে বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক, তামিলনাড়ু-মালদা থেকে ৮ জঙ্গি গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা থেকে গ্রেফতার দুই জঙ্গির সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই (Pakistan ISI Bangladesh)-এর যোগ মিলেছে! পশ্চিমববঙ্গ যেন সন্ত্রাসীদের আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়েছে। দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) এক বড় সাফল্য পেয়েছে সন্ত্রাস দমনে। ভারতে জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে পাকিস্তানের আইএসআই এবং বাংলাদেশ-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত মোট আট সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলা থেকে ছ’জন এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে। দেশের জাতীয় রাজধানীকে লক্ষ্য করে একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের পর্দা ফাঁস হল বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

    তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার (Pakistan ISI Bangladesh)

    তিরুপুর থেকে গ্রেফতার হওয়া ছয় সন্দেহভাজন (Pakistan ISI Bangladesh) হল মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শাবাত, উমর, মোহাম্মদ লিটন, মোহাম্মদ সাইদ এবং মোহাম্মদ উজ্জ্বল। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, তাদের মধ্যে অন্তত একজন বাংলাদেশি নাগরিক। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা তিরুপুরের পোশাক উৎপাদন কারখানায় কাজ করছিল এবং জাল আধার কার্ড ব্যবহার করে তাদের পরিচয় গোপন করেছিল। গোয়েন্দা তথ্য এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের ধারাবাহিক তদন্তের পর তাদের শনাক্ত করা গিয়েছে। সন্দেহজনক অনলাইন কার্যকলাপ এবং স্থানীয় সূত্রের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের ট্র্যাক করা সম্ভবপর হয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি প্রক্রিয়ার জন্য আটজনকে দিল্লিতে আনা হচ্ছে। অভিযানে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)  আটটি মোবাইল ফোন এবং ১৬টি সিম কার্ড উদ্ধার করেছে। ডিজিটাল মাধ্যম, একাধিক হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগের সূত্র খোঁজ করে দেখা হচ্ছে। একই ভাবে অন্যান্য অপারেটিভদের সঙ্গে সম্ভাব্য সংযোগের ডিভাইসগুলি এখন পরীক্ষা করা হচ্ছে।

    দেশবিরোধী প্রচারণা এবং গোয়েন্দা তথ্যের লিঙ্ক

    দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)  সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সন্দেহভাজনরা পাকিস্তান-ভিত্তিক (Pakistan ISI Bangladesh) জঙ্গি সংগঠনের সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়ায় কন্টেন্ট পোস্ট করছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। আরও সন্দেহ করা হচ্ছে মডিউলটি সংবেদনশীল স্থানগুলির তদারকিতে জড়িত ছিল। মেট্রো নেটওয়ার্কের অভ্যন্তর সহ দিল্লির একাধিক স্থানে উস্কানিমূলক পোস্টার লাগিয়েছিল।

    নয়াদিল্লিজুড়ে ১০টিরও বেশি স্থানে আজাদ কাশ্মীর পোস্টার দেখতে পাওয়ার পর উদ্দেশ্য সম্পর্কে আঁচ করা গিয়েছে। প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে তদন্তকারীরা তামিলনাড়ুতে অবস্থিত অপারেটিভদের কাছে পৌঁছেছেন। এই দলটি বিদেশি হ্যান্ডলারদের নির্দেশে কাজ করছিল এবং সব রকম সহায়তা দিয়ে জঙ্গিদের সাহায্য করছিল।

    নতুন গোয়েন্দা তথ্যের পর দিল্লিতে সতর্কতা জারি

    লালকেল্লা এবং চাঁদনি চক এলাকার একটি মন্দির সহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানগুলিতে লস্কর-ই-তৈবার (Pakistan ISI Bangladesh) সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে গোয়েন্দা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

  • Yogi Adityanath: লগ্নি টানতে সিঙ্গাপুর-জাপানের উদ্দেশে রওনা যোগী আদিত্যনাথের

    Yogi Adityanath: লগ্নি টানতে সিঙ্গাপুর-জাপানের উদ্দেশে রওনা যোগী আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ দিনের সফরে রবিবার সিঙ্গাপুর ও জাপানের উদ্দেশে রওনা দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। এই সফরের লক্ষ্য হল বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার (PM Modi) করা এবং উত্তরপ্রদেশকে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনৈতিক শক্তিকেন্দ্র হিসেবে উপস্থাপন করা। একই সঙ্গে এই সফরকে সাংস্কৃতিক কূটনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবেও দেখা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর লক্ষ্য ২০২৭ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশকে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা। গত আট বছরে রাজ্যে এক্সপ্রেসওয়ে, বিমানবন্দর, ডিফেন্স করিডর ও শিল্পকেন্দ্র-সহ দ্রুত পরিকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে। এখন লক্ষ্য হল, আরও বেশি করে বিদেশি সংস্থা ও উন্নত প্রযুক্তি আনা, যাতে উন্নয়নের গতি বাড়ানো যায়।

    কী বলছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা (Yogi Adityanath)

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই উদ্যোগ অনেকের কাছে মনে করিয়ে দেয় ২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির কৌশলের কথা। বৈশ্বিক সফর ও ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সম্মেলনের মাধ্যমে মোদি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানান এবং গুজরাটে বিদেশি বিভিন্ন সংস্থাকে আকৃষ্ট করেন। সুজুকি, হোন্ডা ও টয়োটার মতো জাপানি অটোমোবাইল সংস্থাগুলি সেই সময় গুজরাটে লগ্নি করে। সিঙ্গাপুরের নগর পরিকল্পনার ধারণাও অধ্যয়ন ও প্রয়োগ করা হয়। মোদি একবার বলেছিলেন, তিনি গুজরাটের মুখ হয়ে বিদেশে গিয়ে বিনিয়োগ ফিরিয়ে আনতেন। যোগী আদিত্যনাথও উত্তরপ্রদেশের জন্য একই ধরনের কৌশল প্রয়োগ করছেন—সরাসরি বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রাজ্যকে উৎপাদন, প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোর জন্য প্রস্তুত গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরছেন (Yogi Adityanath)।

    রোডশোর আয়োজন

    মুখ্যমন্ত্রী ২২ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুরে পৌঁছবেন এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সেখানে থাকবেন। এই পর্যায়ে স্মার্ট সিটি উন্নয়ন, নগর পরিবহণ ব্যবস্থা, জল ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিনিয়োগকারী রোডশোর আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে উত্তরপ্রদেশকে বিনিয়োগবান্ধব রাজ্য হিসেবে তুলে ধরা হবে। সিঙ্গাপুর চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (SICCI) এবং ভারতের ফিকি (FICCI)-র মতো ব্যবসায়িক সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে (PM Modi)। পরিকাঠামো, লজিস্টিকস, আবাসন ও ডিজিটাল পরিষেবা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হতে পারে (Yogi Adityanath)। প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গাপুরে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন, বিশেষত যাঁদের শেকড় উত্তরপ্রদেশে। আধিকারিকরা মনে করেন, প্রবাসী ভারতীয়রা বৈশ্বিক সংস্থা ও দেশের সুযোগের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে পারেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শহর, আধুনিক আবাসন ও দক্ষ জনপরিষেবার জন্য সিঙ্গাপুর সুপরিচিত—এই মডেল থেকে শিক্ষা নিতে চায় উত্তরপ্রদেশ।

    সফর করবেন জাপানও

    ২৪ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যোগী আদিত্যনাথ জাপানের টোকিও, ইয়ামানাশি, ওসাকা ও কিয়োটো সফর করবেন। টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে “জাপান-উত্তরপ্রদেশ পার্টনারশিপ ফর ম্যানুফ্যাকচারিং, মবিলিটি, অ্যান্ড টেকনোলজি” শীর্ষক এক বড় ব্যবসায়িক সম্মেলন। অটোমোবাইল, বৈদ্যুতিক যান, ইলেকট্রনিক্স, রেল, রাসায়নিক ও লজিস্টিকস খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন (Yogi Adityanath)। জাপান ভারতের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। উত্তরপ্রদেশের ইতিমধ্যে ইয়ামানাশি প্রিফেকচারের সঙ্গে একটি সমঝোতা রয়েছে। শিল্প সহযোগিতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, বৌদ্ধ পর্যটন, যোগ ও আয়ুর্বেদ নিয়ে আলোচনা হতে পারে (PM Modi)। সবচেয়ে আলোচিত অংশগুলির একটি হল জাপানের উচ্চগতির ম্যাগলেভ ট্রেনে মুখ্যমন্ত্রীর ১০০ কিলোমিটারের পরীক্ষামূলক যাত্রা। এই ট্রেন চৌম্বকীয় লেভিটেশন প্রযুক্তিতে ঘণ্টায় প্রায় ৬০০ কিলোমিটার বেগে চলে এবং রেললাইনের স্পর্শ ছাড়াই চলাচল করে। উত্তরপ্রদেশ যেহেতু উন্নত পরিবহণ ব্যবস্থা নিয়ে ভাবছে, এই অভিজ্ঞতা উচ্চগতির রেল সম্ভাবনা বুঝতে সহায়ক হবে (Yogi Adityanath)।

    বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে

    যোগীর এই সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল হতে পারে গ্রেটার নয়ডায় যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (YEIDA) অধীনে ‘জাপান সিটি’ ও ‘সিঙ্গাপুর সিটি’ গড়ে তোলার অগ্রগতি। জাপান সিটি ৫০০ একর জমিতে সেক্টর ৫এ-তে এবং সিঙ্গাপুর সিটি ৫০০ একর জমিতে সেক্টর ৭-এ গড়ে তোলা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৭০ শতাংশ জমি শিল্পের জন্য, ১২ শতাংশ আবাসনের জন্য, ১৩ শতাংশ বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য এবং ৫ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক কাজে ব্যবহৃত হবে। এই প্রকল্পগুলি ইপিসি মডেলে বাস্তবায়িত হবে। জাপান ও সিঙ্গাপুরের পরিকল্পনা মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে। দুই দেশের সংস্থাগুলিকে কারখানা ও অফিস তৈরির জন্য জমি দেওয়া হতে পারে। সফল হলে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে (Yogi Adityanath)। এই সফরে যোগী আদিত্যনাথ তাঁর ঐতিহ্যবাহী গেরুয়া কুর্তা-চোলা পরিধান করবেন। নাথ সম্প্রদায়ের প্রধান পুরোহিত হিসেবে গেরুয়া তাঁর নিয়মিত পোশাক। তবে এই প্রথম কোনও ভারতীয় সাংবিধানিক পদাধিকারী সরকারি সফরে গেরুয়া পোশাকে বিদেশ সফর করবেন (PM Modi)।

    গেরুয়া ত্যাগ ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক

    সমর্থকদের মতে, এটি ভারতের সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন। ভারতীয় ঐতিহ্যে গেরুয়া ত্যাগ ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক। জাপান, যা বৌদ্ধ মন্দির ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত, ভারতের সঙ্গে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক শেয়ার করে। উত্তরপ্রদেশে সারনাথ ও কুশীনগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ তীর্থস্থান রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বৌদ্ধ পর্যটন বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী টোকিও থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরের একটি শান্ত মন্দিরেও যেতে পারেন। অনেকে মনে করেন, অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বন্ধনও এতে দৃঢ় হবে। যোগী সরকার জানিয়েছে, পরিকাঠামো ও ব্যবসার সুবিধার ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। তবে প্রায় ২৩ কোটি জনসংখ্যার এই রাজ্যে দ্রুত শিল্পোন্নয়ন অপরিহার্য (Yogi Adityanath)।

    জাপান থেকে বৈদ্যুতিক যান, সেমিকন্ডাক্টর, উন্নত উৎপাদন ও উচ্চগতির রেল ব্যবস্থায় বিনিয়োগ আকর্ষণের আশা করা হচ্ছে। সিঙ্গাপুর থেকে স্মার্ট সিটি, জল পরিশোধন ও লজিস্টিক পার্কে দক্ষতা আনার লক্ষ্য রয়েছে (PM Modi)। এই বিদেশ সফর শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নজর থাকবে স্বাক্ষরিত চুক্তি ও বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতির ওপর। সফল হলে এটি ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের লক্ষ্যের পথে বড় পদক্ষেপ হতে পারে। একই সঙ্গে গেরুয়া পোশাক পরিহিত এক মুখ্যমন্ত্রীর বৈশ্বিক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ভারতের উন্নয়নের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক শেকড়ে দৃঢ় থাকার বার্তাও বহন করতে পারে (Yogi Adityanath)।

     

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন আমাদের চোখের সামনে ধীরে ধীরে (Roundup Week) সংঘটিত এক প্রকার গণহত্যার মতো (Hindus Under Attack)। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তারকে উপেক্ষা করেছে, যার নেপথ্যে কাজ করছে উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন ঘৃণার মুখোমুখি হচ্ছেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এই সপ্তাহে আমরা এমন ঘটনাগুলির একটি চিত্র তুলে ধরছি, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন।

    পশ্চিমবঙ্গের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার জামালদহ এলাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, দীর্ঘদিনের হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের পর ১৫ বছরের এক কিশোরী আত্মহত্যা করে। মৃতা শেফালি বর্মন, জামালদহের বাসিন্দা ও জামালদহ তুলসী দেবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। পরিবারের অভিযোগ, হুমায়ুন কবির মিঞা নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং সত্য প্রকাশ পাওয়ার পর বিচ্ছেদের জেরে শেফালিকে হুমকি দিতে থাকে (Hindus Under Attack)। দিল্লির পীরাগড়ি এলাকায় একটি পার্ক করা গাড়ির ভেতর তিন হিন্দুর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক স্বঘোষিত মুসলিম তান্ত্রিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানে আরও পাঁচটি অনুরূপ মৃত্যুর সঙ্গে তার যোগ থাকতে পারে (Roundup Week)।

    কর্নাটকের ঘটনা

    কর্নাটকের শিবমোগা জেলার ভদ্রাবতীতে জোরপূর্বক খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরের অভিযোগ উঠেছে। বি বিনয় নামে এক ব্যক্তির অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী প্রিয়াথা আর খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে তাঁকে ও তাঁদের দুই নাবালিকা কন্যাকে একই ধর্ম অনুসরণে চাপ দিচ্ছেন। পেপার টাউন থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত (Hindus Under Attack)। বিজয়পুরায় আর একটি ঘটনা সামনে আসে। নিশা চৌহান নামে এক তরুণী বাড়ি ছেড়ে ফিরে এসে পুলিশের সামনে জানান, তিনি তাঁর স্বামী মহম্মদ সেলিম সুতারের সঙ্গেই থাকবেন। গান্ধী চক থানার বাইরে তাঁর বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়ে মেয়েকে বাড়ি ফেরার অনুরোধ করলেও তিনি রাজি হননি। কর্নাটকের গদাগ জেলার মুন্দারগি তালুকের শিংগাতালুর গ্রামের ঐতিহাসিক শ্রী রামালিঙ্গেশ্বর মন্দিরে মহাশিবরাত্রির সকালে মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় স্থানীয় ভক্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়ায় (Hindus Under Attack)।

    খবরে উত্তরপ্রদেশও

    উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় মহাশিবরাত্রির প্রাক্কালে কানওয়ার যাত্রার শিবিরের কাছে সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন জখম হন, যার মধ্যে এক পুলিশ কনস্টেবলও রয়েছেন। অভিযোগ, মুসলিম যুবকেরা পাথর নিক্ষেপ করে। ২৯ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে (Roundup Week)। কংগ্রেস মুখপাত্র লক্ষ্মী রামচন্দ্রন তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্টালিনের সনাতন ধর্ম সম্পর্কিত বিতর্কিত মন্তব্যকে সমর্থন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দেন।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে সে দেশে হিন্দুরা বিলুপ্ত হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায় এমনই দাবি করা হয়েছে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মদ্রোহের অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর—এসবের মাধ্যমে হিন্দুদের দেশত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। নোয়াখালির হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একাধিক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিবাদে হয় মানববন্ধন (Roundup Week)।

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন। পিটারবরো শহরের একমাত্র মন্দির ও কমিউনিটি সেন্টার বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে ভারত হিন্দু সমাজের অভিযোগ। স্থানীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে জায়গাটি একটি ইসলামিক সংস্থাকে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা। সম্প্রদায়ের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন (Hindus Under Attack)। হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশন ব্রাম্পটনের মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন ও ন্যাশনাল পোস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে যে কানাডায় তোলাবাজি সংক্রান্ত একটি নিবন্ধে হিন্দু ধর্মীয় চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্কহীন।

    লেখাটিতে বলা হয়েছে, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত ও কিছু ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মতাদর্শ কাজ করে। ইসলামিক দেশগুলিতে প্রকাশ্য হিন্দুবিরোধী মনোভাবের পাশাপাশি তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রেও সূক্ষ্ম বৈষম্য বিদ্যমান বলে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ (Roundup Week) তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

LinkedIn
Share