Tag: Bengali news

Bengali news

  • Amit Shah: ‘‘কলকাতাকে বস্তি বানিয়েছেন মমতা! অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল গড়েছে তৃণমূল’’, তোপ অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘‘কলকাতাকে বস্তি বানিয়েছেন মমতা! অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল গড়েছে তৃণমূল’’, তোপ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রচার চলাকালীন কলকাতার বর্তমান অবস্থা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মহানগররের পরিকাঠামোগত অবনতি এবং বস্তি এলাকার সমস্যা তুলে ধরে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেন। সেই সঙ্গে দিলেন বিজেপি সরকার হলেই ১ লক্ষ বেকারের চাকরি নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি।

    গত ১৫ বছরে তৃণমূলের মা মাটি সরকার নারী সুরক্ষা থেকে শিক্ষক দুর্নীতির একাধিক ইস্যুতে জনগণের চরম বিক্ষোভের মধ্যে পড়েছে। নির্বাচন আবহে বিজেপির মমতা সরকারের একাধিক অনুন্নয়ন, দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, বালি-কয়লা-মাটি-পাথর পাচার, রেশন দুর্নীতি, মিডডে মিল দুর্নীতি, আম্ফানে দুর্নীতি, আবাস-একাশদিনের কাজে দুর্নীতি-সহ একাধিক ঘটনা ব্যাপক ভাবে শাসকদলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। একই ভাবে ২৬ হাজার শিক্ষকদের চাকরি বাতিল, কাটমানি, সিন্ডিকেট, আরজিকর ধর্ষণকাণ্ড, সন্দেশখালিতে শাহজাহানের নারী নির্যাতনের বিষয় জনমানুষের মনে ক্ষোভ চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। তাই রাজনৈতিক ভাবে এই সব বিষয়কে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট যুদ্ধে নেমেছে বিজেপি। রাজ্যে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছেন প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ।

    পরিকল্পনার অভাবে শহরটি ক্রমশ শ্রীহীন কলকাতা (Amit Shah)

    জনসভায় ভাষণ (West Bengal Elections 2026) দেওয়ার সময় অমিত শাহ (Amit Shah) মন্তব্য করেন যে, এক সময়ের ‘প্রাসাদ নগরী’ বা ‘সিটি অফ প্যালেসেস’ হিসেবে পরিচিত কলকাতা বর্তমান শাসনামলে অবহেলার শিকার। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে তোপ দেগে বলেন, “সঠিক পরিকল্পনার অভাবে শহরটি ক্রমশ শ্রীহীন হয়ে পড়ছে, দীর্ঘ বাম শাসন এবং বর্তমানে তৃণমূলের রাজত্বে কলকাতা ‘বস্তির শহর’-এ পরিণত হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভোটব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখতে এই বস্তিগুলিতেই অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছেন।”

    হারানো গৌরবকে পুনরুদ্ধারের লড়াই

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, গত দেড় দশকে কলকাতায় নতুন কোনও উল্লেখযোগ্য পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। বরং ক্রমবর্ধমান বস্তি এলাকা এবং নাগরিক পরিষেবার অভাব শহরবাসীকে চরম দুর্ভোগে ফেলেছে। নাগরিক জীবন যাপনের বেহাল দশা নিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “এই ভোট শুধু বিধায়ক বানানোর ভোট নয়, এটি কলকাতার হারানো গৌরবকে পুনরুদ্ধারের লড়াই। বিজেপি প্রার্থীদের জেতাতে বা বিজেপি সরকার গড়তে আপনাদের ভোট দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনারা ভোট দিন (West Bengal Elections 2026) পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য। ভোট দিন কলকাতাকে আবার শ্রেষ্ঠ শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য।”

    তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতার স্মারক

    নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আবহে কলকাতার এই পরিস্থিতিকে তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতার স্মারক হিসেবে তুলে ধরেন  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বস্তিগুলিতে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দিয়ে নিজের ভোটব্যাঙ্ক তৈরি করতে চান। তিনি চান না সাধারণ মানুষ উন্নত জীবনযাপন করুক। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলো সঠিক ভাবে রূপায়ণ না হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে আর তাঁর আগে কমিউনিস্টদের আমলে গোটা শহরটা বস্তির শহর হয়ে রয়ে গিয়েছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যে এমন অনেক শহর আছে যেগুলি আজ বস্তিমুক্ত হয়ে উঠেছে। কিন্তু দিদি তার প্রয়োজন মনে করেন না।”

    চারটে বড় শিল্পশহর বানাব

    এদিনের সভায় অমিত শাহ (Amit Shah) রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের ডাক দিয়ে একাধিক প্রতিশ্রুতির কথাও বলেছেন। ভোটাররা যাতে সম্পূর্ণ ভাবে নিজেদের ভোট গ্রহণ করতে পারেন তাই মানুষের আত্ম বিশ্বাস অর্জনে জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিজেপির সরকার গঠিত হওয়ার পরে চারটে বড় শিল্পশহর বানাবো। যে সব প্রতিষ্ঠান মমতার সিন্ডিকেটের জন্য বাইরে চলে গিয়েছে, সেই সব প্রতিষ্ঠানকে আবার পশ্চিমবঙ্গে চালু করবে বিজেপি সরকার।”

    ১ লক্ষ চাকরি দেওয়া হবে

    তিনি নির্বাচনী প্রচারে (West Bengal Elections 2026) আরও বলেন, “তরুণদের প্রতি বছর ১ লক্ষ চাকরি দেওয়া হবে। বাড়ি বসে নিয়োগপত্র পাবেন, এমন ভাবে কাজ করবে বিজেপি।বিজেপি যেখানে যেখানে ক্ষমতায় এসেছে মহিলাদের সুরক্ষার কথা ভেবেছে। আপনারা বিজেপির সরকার গড়ে দিন, প্রত্যেক দিদির অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা পাঠাবো আমরা। ৪ মে সকালেই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে। ৮টায় ব্যালট বক্স খোলা হবে, ৯টায় প্রথম রাউন্ডের ফল আসবে, ১০টায় দ্বিতীয় রাউন্ড এবং ১টার মধ্যেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তারপরই হবে-দিদি টাটা, গুড বাই!”

    বিজেপির প্রতিশ্রুতি

    অমিত শাহ (Amit Shah) প্রতিশ্রুতি দেন যে, রাজ্যে ক্ষমতার (West Bengal Elections 2026) পরিবর্তন হলে কলকাতাকে পুনরায় আধুনিক ও বিশ্বমানের মেগাসিটিতে রূপান্তর করা হবে। নির্বাচনের তপ্ত আবহে কলকাতার নগরায়ন এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধাকে হাতিয়ার করে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন অমিত শাহ। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে শহরের মান অবনমন এবং বেকারত্ব প্রসঙ্গে সাধারণ জনতার মন জয় করেছেন বলে মনে করছেন রাজনীতির এক শ্রেণির বিশেষজ্ঞরা। এখন ভোটের বাক্সে কতটা প্রতিফলিত হয় তাই দেখার।

  • WB Assembly Election 2026: আজ রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, কার কার ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে এদিন?

    WB Assembly Election 2026: আজ রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, কার কার ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে এদিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন। দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট হবে চলতি মাসেরই ২৯ তারিখে (WB Assembly Election 2026)। ২৩ তারিখে প্রথম দফায় ভোট হবে রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে। এই দফায় ভোট হচ্ছে উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং রাঢ় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায়। ভোটগ্রহণ হচ্ছে উত্তরবঙ্গের কোচবিহারের ৯টি আসন, আলিপুরদুয়ারের ৫টি, জলপাইগুড়ির ৭টি, কালিম্পঙের ১টি এবং দার্জিলিঙের (Candidate List) ৫টি আসনে। দুই দিনাজপুরের যথাক্রমে ৯টি (উত্তর) ও ৬টি (দক্ষিণ) আসন, মালদার ১২টি আসনেও ভোট হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার সব আসনেও ভোট হচ্ছে।

    কোথায় কোন হেভিওয়েট (WB Assembly Election 2026)

    এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক প্রথম দফার নির্বাচনে কোন কোন হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে। এই তালিকায় রয়েছেন নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী, বহরমপুরে কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী, খড়্গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ, মাথাভাঙায় বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রমাণিক, রেজিনগর ও সুতিতে (WB Assembly Election 2026) জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীর, দিনহাটায় তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ, শিলিগুড়িতে তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব এবং বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ। মালতিপুরে কংগ্রেস প্রার্থী মৌসম বেনজির নূর, আসানসোল দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল, হাসনে তৃণমূল প্রার্থী কাজল শেখ, সবংয়ে তৃণমূল প্রার্থী মানস ভুঁইঞা, এগরায় বিজেপি প্রার্থী দিব্যেন্দু অধিকারী, করণদিঘিতে সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ শাহাবউদ্দিন, রায়গঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী, বালুরঘাটে তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ, রাজগঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্ন বর্মণ, রানিবাঁধে সিপিএম প্রার্থী দেবলীনা হেমব্রম, সাগরদিঘিতে তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস, দার্জিলিংয়ে নির্দল প্রার্থী অজয় এডওয়ার্ডস, ডোমকলে তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীর, ডেবরায় তৃণমূল প্রার্থী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, কেশপুরে তৃণমূল প্রার্থী শিউলি সাহা, জাঙ্গিপাড়ায় তৃণমূল প্রার্থী স্নেহাশিস চক্রবর্তী এবং বোলপুরে তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রনাথ সিনহা। সিপিএমের তরফে এবার প্রার্থী করা হয়েছে এক ঝাঁক তরুণ-তরুণীকে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন (Candidate List) উত্তরপাড়া কেন্দ্রের মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, দমদম উত্তরে দীপ্সিতা ধর এবং মহেশতলায় সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো প্রার্থীরা (WB Assembly Election 2026)।

    সবচেয়ে চর্চিত কেন্দ্র নন্দীগ্রাম

    এদিকে, রাজ্যের সবচেয়ে চর্চিত কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। এই কেন্দ্রে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের প্রার্থী পবিত্র কর। রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড় হিসেবেই পরিচিত এই কেন্দ্র। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামের পাশাপাশি এবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীকে গোহারা হারাতেই ভবানীপুরে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু। এদিকে, উত্তরবঙ্গের একটি কেন্দ্রেও দ্বৈরথ দেখতে মুখিয়ে রয়েছে তামাম বাংলা। একুশের নির্বাচনে শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিএমের হেভিওয়েট প্রার্থী অশোক ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেছিলেন বিজেপির শঙ্কর ঘোষ। অথচ, একসময় অশোকের সঙ্গেই সিপিএম করতেন শঙ্কর। পরে দল বদলে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। সেবার লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী ওমপ্রকাশ মিশ্র। শঙ্কর পেয়েছিলেন ৫০ শতাংশ ভোট। ঘাসফুল প্রার্থীর ঝুলিতে পড়েছিল ৩০.১১ শতাংশ ভোট। গতবারের এই ফারাক মিটিয়ে জয় পাওয়াই এখন প্রধান লক্ষ্য গৌতম দেবের। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবার বেশ কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়েছেন শিলিগুড়ির মেয়র (WB Assembly Election 2026)।

    শক্তিশালী বিজেপি

    প্রসঙ্গত, উত্তরবঙ্গে সাংগঠনিকভাবে রাজ্যের অন্য জায়গার থেকে বেশ শক্তিশালী বিজেপি। প্রথম দফার নির্বাচনে যত বেশি সম্ভব আসনে জয় পাওয়াই লক্ষ্য পদ্ম শিবিরের। এদিকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার ছুটে গিয়েছেন উত্তরবঙ্গে। তবে তাতে যে আদতে কিছু লাভ হবে, তা মনেই করছেন না নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এবারও উত্তরবঙ্গে একচেটিয়া খেলবে বিজেপি। তৃণমূলের অবস্থা হবে মা লক্ষ্মীর পায়ের কাছে থাকা পেঁচার মতো (WB Assembly Election 2026)।

    বাহিনী মোতায়েন কত

    ২০০১ সালে শেষবার রাজ্যে এক দফায় হয়েছিল বিধানসভা নির্বাচন। এত কম দফায় আর কখনও বিধানসভা নির্বাচন হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল। সেই তুলনায় এবারের ২ দফার নির্বাচন অনেক বেশি (Candidate List) সংক্ষিপ্ত এবং দ্রুত সম্পন্ন হতে চলেছে। প্রথম দফার ভোটে মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে নির্বাচন কমিশন। সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। তবে মুর্শিদাবাদ জেলাকে দুই ভাগে ভাগ করেছে কমিশন। এক, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা। দুই, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা। দুই মিলিয়ে মুর্শিদাবাদে মোট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে ৩১৬ কোম্পানি। তার মধ্যে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায়ই থাকবে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। বাকি ৭৬ কোম্পানি মোতায়েন করা হবে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় (WB Assembly Election 2026)।

    তার পরেও বাংলার প্রথম দফার নির্বাচন বিনা রক্তপাতে হয় কিনা, এখন তা-ই দেখার।

     

  • Dantan Violence: প্রচারে বেরিয়ে দাঁতনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, কাঠগড়ায় তৃণমূল, ভোটের আগেই ঝরল রক্ত

    Dantan Violence: প্রচারে বেরিয়ে দাঁতনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, কাঠগড়ায় তৃণমূল, ভোটের আগেই ঝরল রক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে আক্রমণের শিকার বিজেপি প্রার্থী স্বয়ং। প্রচারের শেষ দিনে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনে (Dantan Violence) আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী অজিত কুমার জানা। গণতন্ত্রের উৎসবকে আক্ষরিক অর্থেই রক্তাক্ত করে ছাড়ল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল (TMC)! বিজেপি প্রার্থীর হাত ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর গাড়ি ও মিছিলে থাকা প্রচুর বাইক ভাঙচুর করা হয়। লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী। হামলার প্রতিবাদে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা।

    বিজেপির মিছিলে হামলা (Dantan Violence)

    মঙ্গলবার সকালে দাঁতনের বিজেপি প্রার্থী অজিত কুমার জানার সমর্থনে হরিপুর থেকে একটি বিশাল বাইক র‍্যালির আয়োজন করা হয়। র‍্যালিটি সাবড়া থেকে মোহনপুর যাওয়ার পথে আঁতলা এলাকায় পৌঁছলে পরিস্থিতি বদলে যায়। অভিযোগ, আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল দুষ্কৃতী লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিজেপির মিছিলে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

    রণক্ষেত্রের চেহারা

    প্রার্থীর ওপর হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা মোহনপুর থানার সামনে এগরা-সোলপাট্টা রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তার জেরে দীর্ঘক্ষণ ওই রুটে যান চলাচল বন্ধ থাকে। অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ নামানো হয়। পদ্মশিবিরের দাবি, হামলাকারীরা তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। লাঠির ঘায়ে প্রার্থীর একটি হাত ভেঙে গিয়েছে, গুরুতর চোট লেগেছে মাথায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। জখম হওয়া অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের চিকিৎসা চলছে মোহনপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। প্রথম দফার নির্বাচনের ঠিক আগে দাঁতনের এই ঘটনার জেরে বাড়ানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি। পুলিশ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে কড়া পদক্ষেপও করা হচ্ছে (Dantan Violence)।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    ভোটের মুখে প্রার্থীকে জখম করে দেওয়ায় সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। দলের জেলা নেতৃত্বের দাবি, “নি আমাদের প্রার্থীর ওপর (TMC) প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছে।” প্রার্থী বলেন, ‘মিছিলে রড, বাঁশ, লাঠি দিয়ে আমাদের ৫০-৬০ জন কর্মীকে মারধর করা হয়। কারও কারও হাতে আগ্নেয়াস্ত্রও ছিল। আমি জিপ থেকে নেমে কর্মীদের বাঁচাতে গেলে, আমাকেও বাঁশ দিয়ে মারে।’ তাঁর অভিযোগ, ‘মূল অভিযুক্তদের পুলিশ গ্রেফতার করছে না। ভোটের দিনেও ভোটারদের আটকে রাখার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ভয় দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে ওদের। পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন, সন্দেহজনক প্রতিটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করুন (Dantan Violence)।’

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    জেলার পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন, ‘দুপুর ১২টা নাগাদ বেলদায় একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির অনুমতি ছিল। শুধু দু’টি গাড়ির অনুমতি ছিল। সেই র‍্যালি ৬টা গাড়ি ও ৮০-৮৫টি মোটরবাইক নিয়ে বেলদা থানা থেকে মোহনপুর থানা এলাকায় ঢোকে। সেখানে তাদের অনুমতি ছিল না। সে দিক দিয়ে যাওয়ার সময়ে আঁতলা গ্রামে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ২৫-৩০টি গাড়ি ভাঙচুর হয়, দু’টি মোটরবাইক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ৫৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। পুলিশ দ্রুত পৌঁছে (TMC) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে। কাউকে রেয়াত করা হবে না। এলাকায় আরও বেশি নজরদারি করা হবে।’ এদিকে, সূত্রের খবর, বুধবার পর্যন্ত সব মিলিয়ে মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের বেশির ভাগই তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক (Dantan Violence)।

     

  • Chhattisgarh: মাওদমনে ফের সাফল্য ছত্তিশগড় পুলিশের, কুখ্যাত কমান্ডার দর্সু সোরির আত্মসমর্পণ, মাথার দাম ছিল ৮ লক্ষ

    Chhattisgarh: মাওদমনে ফের সাফল্য ছত্তিশগড় পুলিশের, কুখ্যাত কমান্ডার দর্সু সোরির আত্মসমর্পণ, মাথার দাম ছিল ৮ লক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) নকশাল দমন অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল রাজ্যের নিরাপত্তা বাহিনী। রাজ্য পুলিশের কাছে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করলেন ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মাওবাদী কমান্ডার দর্সু সোরি। দর্সুর (Maoist Commander Darsu Sori) মাথার ওপর ৮ লক্ষ টাকার পুরস্কার মূল্য ঘোষণা করা ছিল। সরকারের ‘পুনর্বাসন নীতি’ এবং মাওবাদী আদর্শের অন্তঃসারশূন্যতায় বীতশ্রদ্ধ হয়েই তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার (Chhattisgarh)

    দীর্ঘদিন ধরে দণ্ডকারণ্য ও সংলগ্ন এলাকায় মাওবাদী কার্যকলাপের অন্যতম নিয়ন্ত্রক ছিলেন এই দর্সু সোরি। বুধবার তিনি পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে নিজের অস্ত্র ও বেশ কিছু বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁর আত্মসমর্পণকে মাওবাদী শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছে প্রশাসন। আত্মসমর্পণের সময় দর্সু সোরি একটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক সরঞ্জামও পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ সূত্রে খবর, এই গ্যাজেটগুলো থেকে মাওবাদীদের গোপন যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

    একাধিক হত্যা, অপহরণ এবং নাশকতামূলকের কর্ণধার

    দর্সু সোরি (Maoist Commander Darsu Sori) মাওবাদীদের এরিয়া কমিটির সদস্য এবং সামরিক শাখার কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব সামলাতেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা, অপহরণ এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। আত্মসমর্পণ করে দর্সু বলেন, মাওবাদী সংগঠনের ভেতরের বৈষম্য এবং উন্নয়নবিরোধী মানসিকতার কারণে তিনি তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছিলেন। এছাড়া ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) সরকারের বিশেষ পুনর্বাসন প্যাকেজ আমাকে মূলস্রোতে ফিরতে উৎসাহিত করেছে।

    আত্মসমর্পণ অত্যন্ত কার্যকর

    বক্সার এবং দান্তেওয়াড়া রেঞ্জের পুলিশ আধিকারিকরা এই কুখ্যাত মাওবাদীর পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। পুলিশ বিবৃতি দিয়ে জানায়, মাওবাদীদের সম্পূর্ণ প্রভাব হ্রাস করতে এই ধরনের আত্মসমর্পণ অত্যন্ত কার্যকর। দর্সু সোরিকে (Maoist Commander Darsu Sori) সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা এবং পুনর্বাসনের সমস্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে। গত কয়েক মাসে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বাস্তার ও দান্তেওয়াড়া অঞ্চলে একের পর এক মাওবাদী নেতার আত্মসমর্পণ ও গ্রেফতারি প্রমাণ করছে যে, সশস্ত্র আন্দোলনের ভিত্তি ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। প্রশাসনের আশা, দর্সুর পথ অনুসরণ করে আরও অনেক বিভ্রান্ত যুবক অস্ত্র ছেড়ে শান্তির পথে ফিরে আসবে।

  • West Bengal Elections 2026: কমিশনের নির্দেশ নেই অথচ কলকাতায় কেন মদের দোকান-পানশালা বন্ধ? আবগারি দফতরের জবাব চাইবেন সিইও

    West Bengal Elections 2026: কমিশনের নির্দেশ নেই অথচ কলকাতায় কেন মদের দোকান-পানশালা বন্ধ? আবগারি দফতরের জবাব চাইবেন সিইও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সন্ধে থেকে রাজ্যের সমস্ত পানশালা এবং মদের দোকান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যদিও প্রথম পর্বে কলকাতায় ভোট (West Bengal Elections 2026) নেই, তবুও কেন বন্ধ? পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ কুমার আগরওয়াল স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, কলকাতায় মদের দোকান বন্ধ রাখার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনও বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়নি। এই পরিস্থিতিতে শহরের দোকানগুলি কেন বন্ধ রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি রাজ্য আবগারি দফতরের কাছে কৈফিয়ত তলব করবেন বলে জানিয়েছেন।

    যেখানে ভোট নেই, সেখানে কেন দোকান বন্ধ থাকবে (West Bengal Elections 2026)

    সাধারণ নির্বাচনী বিধি (West Bengal Elections 2026) অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী ক্ষেত্রে ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে মদের দোকান বন্ধ রাখার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু যেখানে ভোট নেই, সেখানে কেন দোকান বন্ধ থাকবে—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই বিষয়ে কমিশনের (CEO) বক্তব্য, যথাযথ নির্দেশ না দেওয়ায় কেন লিকার শপ বন্ধ এই নিয়ে ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের আবগারি দফতরের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। উপযুক্ত জবাব না পাওয়া গেলে হতে পারে বিশেষ ব্যবস্থাও।

    সিইও-র প্রতিক্রিয়া

    মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, ‘‘কমিশন এমন কোনও নির্দেশ দেয়নি। কেন কলকাতায় মদের দোকান ও পানশালা বন্ধ রাখা হয়েছে, তা আমরা আবগারি দফতরের কাছে জানতে চাইব।’’ উল্লেখ্য নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) হোক বা অন্য কোনও বিষয় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা অজুহাত দেখিয়ে প্রথমে বন্ধ করে এরপর আবার ঘুরিয়ে চড়া দামে অধিক লাভের কৌশল করে। তাই এই চক্রকে বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট দফতরে বিশেষ জবাব তলব করেছে নির্বাচন কমিশন (CEO)।

    সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ

    ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফার ভোটগ্রহণের প্রাক্কালে হঠাৎ করেই কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় মদের দোকান বন্ধ হতে দেখা যায়, যা সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে। তবে নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগেই মদের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ থাকে। প্রথম দফায় ভোট ২৩ এপ্রিল। এই পর্বে ১৫২ বিধানসভায় ভোট তাই ২০ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল বন্ধ থাকবে। অপরে ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট। তাই ২৫ এপ্রিল থেকে ২৯ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। একই ভাবে ৪ এপ্রিল গণনা সেইদিনও বন্ধ থাকবে। ফলে যেখানে যখন বিধিনিষেধ থাকা উচিত তা আবগারি দফতর পালন করছে না বলে অভিযোগ উঠে এসেছে।

  • BJP: প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আখ্যা! খাড়্গের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত বিজেপি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে কমিশনে চিঠি

    BJP: প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আখ্যা! খাড়্গের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত বিজেপি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে কমিশনে চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখে মল্লিকার্জুন খাড়্গের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাল বিজেপি (BJP)। মঙ্গলবার এই দাবি জানানো হয় পদ্মশিবিরের তরফে। কারণ তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে “সন্ত্রাসবাদী” আখ্যা দিয়েছিলেন। গৈরিক শিবিরের দাবি, কংগ্রেস নেতার এহেন মন্তব্য অত্যন্ত অবমাননাকর এবং আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন।

    বিজেপির অভিযোগ (BJP)

    নির্বাচনী সংস্থার কাছে দায়ের করা অভিযোগে বিজেপি লিখেছে, “বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে একটি সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘তিনি একজন সন্ত্রাসবাদী’ বলে উল্লেখ করেছেন। এই মন্তব্যটি প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে।”  বিজেপির যুক্তি, এই ধরনের মন্তব্য চরম ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং এমসিসি অনুযায়ী নির্ধারিত প্রচারের শালীনতার মানদণ্ড লঙ্ঘন করে, যা বর্তমানে ভোটমুখী তামিলনাড়ুতে কার্যকর রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আক্রমণ

    এর আগেও খাড়গে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তামিলনাড়ুতে এআইএডিএমকে-বিজেপি জোটের সমালোচনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে মন্তব্য করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন। যদিও পরে তিনি ব্যাখ্যা করেন, তিনি বলতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মানুষ ও রাজনৈতিক দলগুলিকে ভীত করছেন। তিনি আক্ষরিক অর্থে তাঁকে সন্ত্রাসবাদী বলেননি (BJP)।

    ক্ষমা প্রার্থনার দাবি

    এরপরেই বিজেপি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পাঁচ দফা দাবি-সহ নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করে। পদ্ম-শিবির নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করেছে “এই মন্তব্য এমসিসি লঙ্ঘনের প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে” এবং খাড়গেকে “সর্বসমক্ষে ক্ষমা প্রার্থনা বা বক্তব্য প্রত্যাহার” করার নির্দেশ দিতে, নচেৎ তাঁর প্রচার কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে। বিজেপি ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তাদের সাফ কথা, “একজন প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক নেতাকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলা শুধু নীতিগত সমালোচনা নয়, এটি তাঁর ব্যক্তিগত চরিত্রের ওপর গুরুতর আঘাত।”

    কমিশনের কাছে বিজেপির অনুরোধ

    বিজেপির আরও অনুরোধ, নির্বাচন কমিশন যেন এই বিতর্কিত মন্তব্যের প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেয় এবং মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে এমন বিষয়বস্তু সরিয়ে নিতে বলে (BJP)। কমিশনের কাছে তাদের অনুরোধ, “নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মর্যাদা রক্ষা এবং একটি মুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ, বিষয়ভিত্তিক প্রচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে।” চিঠিতে বলা হয়েছে, “এই ধরনের বক্তব্য প্রচারের মান কমিয়ে দেয়, উত্তেজনা বাড়ায় এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে দুর্বল করে।” পদ্ম শিবিরের আরও দাবি, “ভোটারদের সামনে কোনও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে অপরাধমূলক বা সন্ত্রাসবাদী হিসেবে উপস্থাপন করা ভয়, অপপ্রচার এবং ব্যক্তিগত অপমানের মাধ্যমে ভোটারদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা (BJP)।” এই অভিযোগটি তামিলনাড়ুতে নির্বাচনী প্রচার শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই করা হয়েছে। যদিও কমিশনের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

  • WB Assembly Election 2026: কলকাতায় ‘অভূতপূর্ব’ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সিএপিএফের মুখ্য আধিকারিকরা

    WB Assembly Election 2026: কলকাতায় ‘অভূতপূর্ব’ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সিএপিএফের মুখ্য আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দফায় হবে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন (WB Assembly Election 2026)। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। পরের দফার নির্বাচন হবে ২৯ এপ্রিল। দু’দফার এই নির্বাচন বিঘ্নহীন (CAPF Chiefs Meet) করতে মরিয়া জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন পর্বে বাংলায় প্রায় ২ লাখ নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন ও সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPFs)-এর সমস্ত প্রধানরা কলকাতায় এক ‘অভূতপূর্ব’ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।

    গুরুত্বপূর্ণ’ যৌথ নেতৃত্ব সম্মেলন (WB Assembly Election 2026)

    শনিবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের পর সল্টলেকে সিআরপিএফ কার্যালয়ে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ যৌথ নেতৃত্ব সম্মেলন হয়। সেখানে সিএপিএফের ডিরেক্টর জেনারেলরা এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা একত্রে সিদ্ধান্ত নেন যে, সম্ভাব্য বিঘ্নকারীদের মোকাবিলায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে একটি ‘সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা’ গড়ে তোলা হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সিআরপিএফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি এবং এসএসবি—এই পাঁচটি সিএপিএফ ছাড়াও ইন্ডিয়ান রিজার্ভ ব্যাটালিয়ন (IRBs) এবং অন্যান্য রাজ্য পুলিশের সহায়ক বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ২ লক্ষ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

    সিএপিএফের বক্তব্য

    সিএপিএফের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “এটি একটি অভূতপূর্ব বৈঠক।  কারণ এর আগে কোনও রাজ্যে নির্বাচন চলাকালীন সব সিএপিএফ প্রধানদের একসঙ্গে বৈঠক হয়নি। তাঁরা গত কয়েকদিন ধরে নিজেদের এবং যৌথ বাহিনীর নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিটগুলিও পরিদর্শন করেছেন।” তামিলনাড়ুতেও বিধানসভার নির্বাচন হবে ২৩ এপ্রিল, এক দফায়। সেখানে এখনও পর্যন্ত এমন কোনও যৌথ বৈঠক হয়নি বলেই খবর। রবিবার এক বিবৃতিতে সিআইএসএফের তরফে জানানো হয়, “ভারতের কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্ব ১৮ এপ্রিল কলকাতায় একত্রিত হয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি তাঁদের প্রতিশ্রুতি ও সমন্বয় প্রদর্শন করেছে (CAPF Chiefs Meet)।”

    বৈঠকের উদ্দেশ্য

    এই বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর জন্য একটি শক্তিশালী ও প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা চূড়ান্ত করা (WB Assembly Election 2026)। এরপর অনুষ্ঠিত যৌথ নেতৃত্ব সম্মেলনে সিএপিএফ প্রধানরা, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত পুলিশ উপদেষ্টা ও পর্যবেক্ষকরা বিশেষ করে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ১৫২টি আসনের নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তাঁরা কুইক রেসপন্স টিম (QRT) মোতায়েন এবং অ্যান্টি-স্যাবোটাজ তল্লাশি ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেন, যাতে যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্ভাব্য বিঘ্ন মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই সমস্ত বাহিনীর মূল লক্ষ্য হল একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করা, যাতে প্রত্যেক নাগরিক ভয় বা চাপ ছাড়াই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

    সিআইএসএফের ডিজির বক্তব্য

    সিআইএসএফের ডিজি প্রবীর রঞ্জন বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আমাদের মিশন শুধুমাত্র নিরাপত্তা নয়, এটি গণতন্ত্রের পবিত্রতা রক্ষা করার দায়িত্ব।” তিনি এও বলেন, “মাঠে থাকা কর্মীদের জন্য আমার বার্তা স্পষ্ট – আপনারা গণতন্ত্রের রক্ষক। আমাদের আলাদা ইউনিট হিসেবে (CAPF Chiefs Meet) নয়, বরং একত্রে একটি শক্তিশালী, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ নির্বাচন বাহিনী হিসেবে কাজ করতে হবে (WB Assembly Election 2026)।”

     

  • ECI: ভোটগ্রহণের দুদিন আগেই মোটরসাইকেল ব্যবহারের ওপর জারি একাধিক বিধিনিষেধ জারি কমিশনের

    ECI: ভোটগ্রহণের দুদিন আগেই মোটরসাইকেল ব্যবহারের ওপর জারি একাধিক বিধিনিষেধ জারি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট (Bengal Elections 2026) করাতে পণ করেছে ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। কোনও রাজনৈতিক দলই যাতে ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে, তাই নির্বাচন শুরুর দুদিন আগে থেকেই মোটরসাইকেল (Motor Bike) ব্যবহারের ওপর একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের তরফে। জানা গিয়েছে, নির্বাচনের দুদিন আগে থেকে মোটরসাইকেল র‍্যালি বা শোভাযাত্রার অনুমতি দেওয়া হবে না। সন্ধে ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ৷ তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা, পারিবারিক অনুষ্ঠান বা অনুরূপ বিশেষ কোনও প্রয়োজনের ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল করা হতে পারে। সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত মোটর সাইকেলে আরোহী বসানোও নিষিদ্ধ করা হয়েছে৷

    যেসব ক্ষেত্রে মিলবে ছাড় (ECI)

    তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা, পারিবারিক অনুষ্ঠান কিংবা স্কুল পড়ুয়াদের আনা-নেওয়ার মতো অত্যাবশ্যকীয় বিভিন্ন প্রয়োজনে এর ব্যতিক্রম হতে পারে। ভোটদানের উদ্দেশ্যে এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা বা পারিবারিক অনুষ্ঠানের মতো অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজনে সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত মোটরসাইকেলে পরিবারের সদস্য নিয়ে যাওয়া যাবে। উপরোক্ত বিধিনিষেধ থেকে কোনও বিশেষ ক্ষেত্রে অব্যাহতি বা ছাড়ের প্রয়োজন হলে, স্থানীয় থানা থেকে লিখিত অনুমতি নেওয়া যেতে পারে (ECI)। প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক বা সোশাল মিডিয়া-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের প্রচারের মাধ্যমে উপরোক্ত বিধিনিষেধগুলি সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে প্রয়োজনীয় আদেশ বা নির্দেশাবলী জারি করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এই বিধিনিষেধগুলি কঠোরভাবে কার্যকর ও তদারকি করার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এমন কোনও প্রকার বিধি-লঙ্ঘন যেন না ঘটে, যা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ভীতি প্রদর্শন বা বিঘ্ন সৃষ্টির কারণ হতে পারে৷ সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (Motor Bike)।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর আস্থা বাড়াতে ব্যবস্থা

    এদিকে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করতে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর আস্থা বাড়াতে প্রয়োজনে নির্দেশ ছাড়াই পদক্ষেপের ইঙ্গিত নির্বাচন কমিশনের। সূত্রের খবর, এবার ভোটে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী অনেকটাই স্বাধীনভাবে কাজ করবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনে সরাসরি পদক্ষেপ করতে পারবে বাহিনী (ECI)। এদিকে, প্রথম দফার নির্বাচন বিঘ্নহীন করতে একাধিক বৈঠক হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের। সেখানে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকায় কমান্ড্যান্টের নেতৃত্বে বাহিনী মোতায়েন থাকবে এবং স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করলেও, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে স্বাধীন ভূমিকা নেবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের অপেক্ষা নয়

    প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের অপেক্ষা না করেই বিক্ষোভ বা গোলমালের পরিস্থিতিকে তৎক্ষণাৎ নিয়ন্ত্রণে আনতে নিজের এক্তিয়ারের মধ্যে থেকে যা পদক্ষেপ করা যায় সেটা করতে পারবে কমিশন। ভোটের সময় নিয়মিত রুট মার্চ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ ভোটারদের সঙ্গে (ECI) সরাসরি যোগাযোগও রাখার পাশাপাশি কোথাও কোনও সমস্যা বা অশান্তির আশঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত হস্তক্ষেপও করবে বাহিনী। এই ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে কুইক রেসপন্স টিম তৈরি করা হয়েছে৷ এদের গাড়িতে ক্যামেরা লাগানো থাকবে এবং সর্বক্ষণ সেই ক্যামেরাগুলি লাইভ মোডে থাকবে। এছাড়াও থাকছে জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম (Motor Bike)।

    বাইক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত

    পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় দ্রুত পৌঁছতে বা যেসব জায়গায় গাড়ি ঢোকে না, সেখানে যাতে দ্রুত পৌঁছে যাওয়া যায়, তাই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বাইক ব্যবহার করার পরিকল্পনাও রয়েছে নির্বাচনী কমিশনের। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বাইক ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনাও করেছে কমিশন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা ও হাওড়া জেলায় এই ব্যবস্থা বিশেষভাবে কার্যকর করা হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর। কোচবিহারের শীতলকুচির ঘটনার কথা মাথায় রেখে এবার কেবল আগ্নেয়াস্ত্র নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদের হাতে লাঠিও তুলে দেওয়া হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ লাঠি সরবরাহের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে খবর (ECI)।

    যদিও এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি, জারি করা হয়নি কোনও বিজ্ঞপ্তিও (Motor Bike)। তবুও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় তাঁদেরও দায়িত্ব পালনে অনেকটা সুবিধা হবে। আইনশৃঙ্খলাও থাকবে আঁটসাঁট।

     

  • Migrant Workers: ভোট দিতে রাজ্যে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটাররা, ট্রেন-বাসের ব্যবস্থা করেছে বিজেপি

    Migrant Workers: ভোট দিতে রাজ্যে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটাররা, ট্রেন-বাসের ব্যবস্থা করেছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটারদের (Migrant Workers) রাজ্যে ফিরিয়ে এনে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে বিজেপি (BJP)। ‘বাংলা চলো’ ডাক দিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাঁদের ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করছে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল বিজেপি। এজন্য দিল্লি–সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি থেকে বাংলাগামী ৭৩টি ট্রেনে পরিযায়ীদের জন্য টিকিট সংরক্ষণ করা হয়েছে। অন্তত এমনই দাবি দিল্লি বিজেপির।

    পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটারদের ফেরাচ্ছে বিজেপি (Migrant Workers)

    ভোটারদের নিয়ে যেতে এসি বাস, বড় গাড়ির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। পদ্ম-শিবির সূত্রে খবর, পরিযায়ীদের নিয়ে বেশ কয়েকটি বাস ও গাড়ি ইতিমধ্যেই রওনাও দিয়েছে বাংলার উদ্দেশে৷ এবার বাংলায় নির্বাচন হচ্ছে দুদফায়। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। পরের দফার নির্বাচন হবে এই মাসেরই ২৯ তারিখে।  জানা গিয়েছে, প্রথম দফায় যেসব বিধানসভা আসনে নির্বাচন হবে, সেখানকার ভোটারদের ফিরিয়ে আনা হচ্ছে আগে। প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে। এর আগেই যাতেই ওই কেন্দ্রগুলির ভোটারদের ফিরিয়ে আনা যায়, তারই ব্যবস্থা করেছে পদ্ম শিবির।

    কী বললেন শমীক ভট্টাচার্য

    বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “পরিবর্তনের ডাকে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার বাঙালি বাংলায় পাড়ি দিচ্ছেন৷ এঁরা প্রত্যেকেই বাংলার বৈধ ভোটার৷ দিল্লি, নয়ডা, গাজিয়াবাদ, ফরিদাবাদ–সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসকারী এই বাঙালি ভোটাররা যাতে তাঁদের নিজেদের ভোট নিজেই দিতে পারেন, তার ব্যবস্থা করেছে বিজেপি (Migrant Workers)।” প্রসঙ্গত, বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটাররা যাতে গণতন্ত্রের উৎসবে অংশ নিতে পারেন, তাই অনেক আগেই পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে ব্যবস্থা নিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এই মর্মে নির্দেশিকাও পাঠানো হয়েছিল  দিল্লির প্রদেশ বিজেপি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড়–সহ বেশ কিছু রাজ্যের প্রদেশ শাখায়৷ এর পরেই কোমর বেঁধে মাঠে নামেন গৈরিক সৈনিকরা (BJP)।

    পরিযায়ী ভোটারদের প্রতিক্রিয়া 

    গ্রেটার নয়ডায় একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন দীনেশ দাস৷ তিনিও আসছেন ভোট দিতে। বলেন, ‘সার নিয়ে বাংলায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা দেখে মনে হয়েছে, আমাদের মতো খেটে খাওয়া মানুষের ভোট দেওয়াটাও খুবই জরুরি।’ ওয়াটার সাপ্লাই সংস্থার অভিজ্ঞ লেবারার তথা বাংলার ভোটার রাজীব শেখ সংবাদ মাধ্যমে বলেন, “প্রতিবার ঈদের সময়ই কেবল ফিরি। এই প্রথম শুধু ভোট দিতেই আসছি।“ তিনি বলেন, “অসমে কাজ করছিলাম। সবাই বলছে, এবার ভোট না দিলে নাম কেটে দিতে পারে। তাই কাজ ছেড়ে বাড়ি ফিরছি। কাজ পরেও পাওয়া যাবে। কিন্তু ভোট দেওয়ার সুযোগ মিস করলে চাপ হয়ে যাবে (Migrant Workers)।’

    কী বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা?

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটমুখী বাংলায় দলে দলে ঘরে ফিরছেন রাজীবের মতো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ভোটাররা। বাংলায় কোনও শিল্প নেই। নেই অন্য কোনও কাজ করার সুযোগও (BJP)। নিতান্তই বাধ্য হয়ে ভিন রাজ্যে যেতে হয় কাজের খোঁজে। সেখানে কাজও মেলে। যদিও পরিবার-পরিজনদের ছেড়ে বাসিন্দা হতে হয় ভিন রাজ্যের। সেই হাতের কাজ ছেড়েই এবার বাংলায় ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। তাঁদের ধারণা, এবার ভোট না দিলে হারাতে হতে পারে ভারতীয় নাগরিকত্ব। ভোট দেওয়ার আগ্রহের চেয়েও এবার নাগরিকত্ব হারানোর ভয়ই চেপে বসেছে তাঁদের। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কাই তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে তাঁদের। যে কারণেই ঘরে ফিরছেন বঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটাররা।

    এসআইআর জুজু!

    পশ্চিমবঙ্গের দক্ষ শ্রমিকদের কদর ভারতজুড়েই। কেউ নির্মাণকর্মী, পাইপলাইন শ্রমিক, হোটেল কর্মী, ফুলের কাজের কর্মী-সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ ছড়িয়ে থাকেন গোটা দেশেই। ভোট ঘনিয়ে আসতেই, ঘরে ফিরছেন তাঁরাও। পেটের জ্বালায় ঘর ছেড়েছেন রাজীবের মতোই মালদার শ্রমিক সইফুল। তিনি কাজ করেন নাগাল্যান্ডে (BJP)। বলেন, “আমরা পাইপলাইনের কাজ করি নাগাল্যান্ডে। হঠাৎ শুনলাম ভোট না দিলে অনেক কিছু বন্ধ হয়ে যাবে। তাই কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়েই বাড়ি ফিরছি।” কেবল উত্তর-পূর্ব নয়, দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু থেকেও বহু গৃহকর্মী, রান্নার কাজ করা মহিলা, নির্মাণ শ্রমিক ফিরছেন বাংলায়, স্রেফ নিজের ভোটটা নিজে দিতে। ট্রেনের টিকিট না পেয়ে অনেকেই বাস ভাড়া করছেন। কেউ কেউ আবার গাদাগাদি করে জেনারেল কামরায় চেপে ফিরছেন নিজের জেলায়। উলুবেড়িয়ার লেবার সাপ্লায়ার হাসিবুল। তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে আমি এই কাজই করছি। এই প্রথম দেখছি ভোটের জন্য এমন তাড়াহুড়ো করে ছেলেরা বাড়ি ফিরছে (Migrant Workers)। আসলে সবাই ভয় পাচ্ছে। কেউ বলছে ভোট না দিলে নাম থাকবে না, কেউ বলছে সরকারি স্কিম বন্ধ হয়ে যাবে। তাই রিস্ক না নিয়ে কাজ ছেড়ে ওরা ফিরছে নিজের জেলায় (BJP)।’

    কাজের লোকের অভাব বিভিন্ন রাজ্যে

    মালদার রহিম মণ্ডলও সংসারের জোয়াল টানতে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। তিনি বলেন, “আমরা গরিব মানুষ। অতশত বুঝি না। শুধু চাই আমাদের নাম যেন থাকে, ভোটটা দিতে পারি। বাড়িতে মা, বউ-বাচ্চারা আছে। তাই সব ছেড়ে চলে আসছি।’ এদিকে, উত্তরপ্রদেশের খুরজা বা দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে বহু কারখানা ও বাড়িতে রীতিমতো কাজের লোকের অভাব দেখা দিয়েছে। শিল্পমহলের দাবি, একসঙ্গে এত শ্রমিক চলে যাওয়ায় কাজকর্মে বেশ সমস্যা হচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রে কারওরই কিছু করার নেই। আসলে, ভোট যে বড় বালাই (Migrant Workers)!

     

  • West Bengal Elections 2026: প্রথম দফার ভোটগ্রহণে নিরাপত্তার কড়াকড়ি, ১৫২টি কেন্দ্রে মোতায়েন ২,১৯৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’

    West Bengal Elections 2026: প্রথম দফার ভোটগ্রহণে নিরাপত্তার কড়াকড়ি, ১৫২টি কেন্দ্রে মোতায়েন ২,১৯৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কোমর বেঁধে নেমেছে নির্বাচন কমিশন। সংঘাতপ্রবণ এলাকাগুলিতে শান্তি বজায় রাখতে এবং যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যজুড়ে দুই হাজারেরও বেশি কুইক রেসপন্স টিম (QRT) মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফার ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য মোট ২,১৯৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ কাজ করবে। সবচেয়ে বেশি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ থাকবে মুর্শিদাবাদ জেলায়। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ২৩ এপ্রিল মুর্শিদাবাদ জেলায় মোট ২৮৮টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ থাকবে। গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন ও ভোটপরবর্তী হিংসা, পুর নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর হিংসা কবলিত এলাকার কথা মাথায় রেখে কমিশন (Election Commission India) এই বারের বিধানসভা নির্বাচনকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে কমিশন প্রথম থেকেই জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

    দক্ষিণবঙ্গে কত টিম (West Bengal Elections 2026)?

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) জানিয়েছে, মুর্শিদাবাদকে দুই ভাগে ভাগ করে এই দল নিয়োগ করা হবে। প্রথমত, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা—সেখানে থাকবে ২১৯টি দল। অপর দিকে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলয় থাকবে ৬৯টি। পূর্ব মেদিনীপুরে ২৫৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ থাকবে। পশ্চিম মেদিনীপুরে থাকবে ২৪৮টি। বাঁকুড়ায় ‘কুইক রেসপন্স টিম’ (West Bengal Elections 2026) থাকবে ১৮০টি, বীরভূমে ১৬১টি, মালদায় ১৫৭টি, পুরুলিয়ায় ১৩৯টি, কোচবিহারে ১৩৩টি, আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটে ১১৩টি। বাকি জেলাগুলিতে ১০০-র নীচে ‘কুইক রেসপন্স টিম’-এর সংখ্যা থাকবে।

    উত্তরবঙ্গে কত কুইক রেসপন্স টিম

    কমিশন (Election Commission India) জানিয়েছে জলপাইগুড়িতে ৮৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ (West Bengal Elections 2026) থাকবে। দক্ষিণ দিনাজপুরে ৭৫টি, আলিপুরদুয়ারে ৭০টি, ঝাড়গ্রামে ৬৬টি, দার্জিলিঙে ৫২টি, শিলিগুড়িতে ৩৯টি এবং কালিম্পঙে ১৭টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ দায়িত্বে থাকবে। উত্তর দিনাজপুর জেলাকেও মুর্শিদাবাদের মতো দুই পুলিশ জেলায় ভাগ করে ‘কুইক রেসপন্স টিম’ মোতায়েনের কথা জানিয়েছে কমিশন। একটি ইসলামপুর ও অন্যটি রায়গঞ্জ পুলিশ জেলা। এই দুই জায়গায় যথাক্রমে ৫৪ এবং ৭৫টি করে ‘কুইক রেসপন্স টিম’ থাকছে ভোটের দিনে।

    ৮ থেকে ১০টি ভোটকেন্দ্র নিয়ে একটি সেক্টর অফিস

    ভোটে নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) কমিশন (Election Commission India) শুধু ‘কুইক রেসপন্স টিম’ নয়, ভোটের জন্য কোথায় কত সেক্টর অফিস তৈরি করছে কমিশন, তার হিসাবও দিয়েছে। সাধারণত ৮ থেকে ১০টি ভোটকেন্দ্র নিয়ে একটি সেক্টর অফিস তৈরি হয়। সেই হিসাবে দার্জিলিঙে অফিস হচ্ছে ১২৯টি, শিলিগুড়িতে ৯৫টি, কালিম্পঙে ৫৫টি, জলপাইগুড়িতে ১৮৯টি, আলিপুরদুয়ারে ১৩৫টি, কোচবিহারে ২৪৩টি, ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৯৪টি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ১১০টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১৪৬টি, মালদায় ২৬১টি, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ১৪৩টি, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ৩৯৩টি টিম থাকবে। এছাড়া, পূর্ব মেদিনীপুরে ৪৩০টি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩৮০টি, ঝাড়গ্রামে ১২৯টি, বাঁকুড়ায় ৩৮০টি, পুরুলিয়া ২৯৭টি, বীরভূমে ২৮৩টি এবং আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটে ২১৫টি সেক্টর অফিস থাকবে।

    নির্বাচন হিংসা মুক্ত করাই কমিশনের একমাত্র উদ্দেশ্য

    ভোট (West Bengal Elections 2026) চলাকালীন কোনও বুথে অশান্তি বা কারচুপির অভিযোগ এলে এই বিশেষ দলগুলি অতি দ্রুত সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের ভৌগোলিক অবস্থান এবং সংবেদনশীলতা বিচার করে এই দলগুলিকে কৌশলগতভাবে মোতায়েন করা হয়েছে। যে কোনও মূল্যে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন হিংসা মুক্ত করাই কমিশনের একমাত্র উদ্দেশ্য। তাই পরিকল্পনা করে সংবেদনশীল এলাকার কথা ভেবে সমস্ত বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের মধ্যে সমন্বয়

    নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রথম দফায় সমগ্র উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির ভোটগ্রহণ করা হবে। এই দফায় দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা। পাশাপাশি জঙ্গলমহলের বেশকিছু জেলায় প্রথম দফায় নির্বাচন সম্পন্ন হবে।  ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার পাশাপাশি বীরভূম, মুর্শিদাবাদে এই দফাতেই ভোট গ্রহণ হবে। অন্য দিকে, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে। এই ১৬টি জেলায় ভোটের দিন যাতে সাধারণ জনতা নিজেদের ভোট নিজেরা দিতে পারেন এবং ভয় মুক্ত পরিবেশ থাকে সেই দিকের কথা মাথায় রেখে সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ভোট ভয় বা প্রলোভনের ঊর্ধ্বে

    নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের মধ্যে সঠিক সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করবে এই কুইক রেসপন্স টিমগুলো। নির্বাচন কমিশনের মূল উদ্দেশ্য হলো ভোটারদের মনে নিরাপত্তার বোধ জাগ্রত করা, যাতে তাঁরা কোনও ভয় বা প্রলোভনের ঊর্ধ্বে থেকে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। প্রথম দফার এই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় আগামী দফার ভোটগুলোর জন্যও একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভোটকে যথার্থ গণতন্ত্রের উৎসব হিসেবে তুলে ধরাই কমিশনের একমাত্র লক্ষ্য। প্রথম দফার পর ২৯ এপ্রিল হবে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। গণনা হবে ৪ মে।

LinkedIn
Share