Tag: Bengali news

Bengali news

  • South 24 Parganas: সুড়ঙ্গের পর কুলতলির সাদ্দামের দ্বিতীয় বাড়ির হদিশ মিলল, বাজেয়াপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র-মূর্তি

    South 24 Parganas: সুড়ঙ্গের পর কুলতলির সাদ্দামের দ্বিতীয় বাড়ির হদিশ মিলল, বাজেয়াপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র-মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলতলির সেই সাদ্দাম সর্দারের নতুন বাড়ির হদিশ মিলল। বুধবার রাতে তাঁর পয়তারহাটের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ আরও কিছু জিনিস উদ্ধার হয়েছে। তার আগে সাদ্দামকে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। তদন্তে যে নতুন তথ্য উঠে আসে, তার ভিত্তিতেই তল্লাশি চলে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ওই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, অস্ত্রের পাশাপাশি কয়েকটি ধাতব মূর্তিও সাদ্দামের (Saddam Sardar) বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

    সুড়ঙ্গের হদিশ মিলেছিল সাদ্দামের বাড়িতে (South 24 Parganas)

    প্রতারণা সংক্রান্ত অভিযোগে সম্প্রতি কুলতলির (South 24 Parganas) জালাবেড়িয়া-২ পঞ্চায়েতের পয়তারহাটে সাদ্দামের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে যায় পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়ো সোনার মূর্তি দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগ ছিল। পুলিশ অভিযানে যেতেই সাদ্দামের বাড়ির পাশাপাশি পড়শি মহিলারা পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। অভিযোগ, তখন পুলিশ অফিসারদের মারধরও করা হয়। সাদ্দামের ভাই সাইরুল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালান বলেও অভিযোগ। পুলিশের দাবি ছিল, গুলি কারও গায়ে না লাগলেও স্থানীয়দের মারধরে তিন জন পুলিশ অফিসার জখম হয়েছিলেন। সেই সুযোগেই পালিয়ে যান সাদ্দাম ও সাইরুল। এর পরেই এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। তল্লাশি চলে সাদ্দামের বাড়িতে। সেই সময় বাড়ির ভিতরে বেডরুমের নিচে মেলে সুড়ঙ্গ। বাইরে থেকে গ্রিলের দরজা দেওয়া। দরজা খুলে ওই কংক্রিটের সুড়ঙ্গে নেমে পুলিশ দেখে, হাঁটুজল জমে আছে। সুড়ঙ্গটি শেষ হয়েছে পাশের খালে। সেই খাল আবার গিয়ে পড়েছে পাশের মাতলা নদীতে। গত ১৭ জুলাই গভীর রাতে কুলতলিকাণ্ডের মূল পাণ্ডা সাদ্দামকে (Saddam Sardar) গ্রেফতার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    পুলিশ-প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    বারুইপুরের (South 24 Parganas) পুলিশ সুপার (এসপি) পলাশচন্দ্র ঢালি বলেন, পুলিশের ওপর হামলা চালানোর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত সাদ্দাম-সহ মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাদ্দামের ভাই সাইরুল-সহ আরও বেশ কয়েক জনের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। সাদ্দামের আরও একটি বাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, মূর্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে অন্য দেশের হয়ে নামছেন ৫ ভারতীয় বংশোদ্ভূত, তাঁরা কারা?

    Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে অন্য দেশের হয়ে নামছেন ৫ ভারতীয় বংশোদ্ভূত, তাঁরা কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কয়েক ঘণ্টার পর সরকারিভাবে শুরু হতে চলেছে প্যারিস অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024)। এবারের অলিম্পিক্সে মোট ১০,৫০০ অ্যাথলিট অংশ নিতে চলেছেন। এর মধ্যে ভারতের ১১৭ জন খেলোয়াড় অংশ নেবেন। এবারের অলিম্পিক্সে থাকছে একাধিক চমক। জানা গিয়েছে, এবার ভারতীয় বংশোদ্ভূত বেশ কয়েকজন অ্যাথলিট প্যারিসে প্রতিনিধিত্ব করবেন অন্য দেশের হয়ে, একনজরে দেখে নেওয়া যাক সেই সকল ভারতীয় বংশোদ্ভূত অ্যাথলিটদের (Athletes of Indian heriatge) তালিকা৷

    যে সকল ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্যারিস গেমসে বিভিন্ন দেশের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন

    রাজীব রাম (টেনিস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)- (Paris Olympics 2024)

    টেনিস সার্কিটে অতি পরিচিত নাম রাজীব রাম। ৪০ বছর বয়সি এই টেনিস প্লেয়ারের বাবা, মা বেঙ্গালুরু থেকে গিয়ে বাসা বেঁধেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে৷ রাজীবের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের ডেনভারে। উচ্চশিক্ষিত রামের মা সুষমা একজন বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তিবিদ৷ তাঁর বাবা রাঘব বোটানিস্ট ২০১৯ সালে ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তবে ছোট থেকেই রামের ঝোঁক ছিল টেনিসের প্রতি৷ বাবা মারা যাওয়ার পর ৩৪ বছর বয়সে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে মিক্সড ডাবলস প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেতাব ইন্দো-আমেরিকান রাজীব রামের৷ এরপর তিনি আরও পাঁচটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা জিতেছেন৷ একক ও ডাবলসে মোট ৯টি জাতীয় জুনিয়র শিরোপা জিতেছেন৷ তিনি কারমেলে হাইস্কুল টেনিসও খেলেছেন, অল-স্টেট সম্মানও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে৷

    পৃথিকা পাভদে (টেবিল টেনিস, ফ্রান্স)-  

     ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে জন্ম নেন পৃথিকা। পৃথিকার বাবার জন্ম ও বেড়ে ওঠা পুদুচেরিতে হলেও ২০০৩ সালে, তিনি বিয়ের পর প্যারিসে চলে যান তিনি। অর্থাৎ এবছর পৃথিকা আয়োজক দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন আসন্ন অলিম্পিক্সে৷ ৬ বছর বয়সে বাবার হাত ধরেই টেবিল টেনিসের দুনিয়ায় আসা পৃথিকার৷ মাত্র ১৬ বছর বয়সে টোকিয়োয় প্রথম অলিম্পিক্স গেমসে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। বর্তমানে ১৯ বছর বয়সী পৃথিকা রসায়ন এবং পরিবেশ বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছেন৷ এবার অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) তিনি মহিলাদের সিঙ্গলসের পাশাপাশি ডাবলস ও মিক্সড ডাবলসে অংশগ্রহণ করবেন৷   

    কনক ঝা (টেবিল টেনিস, কানাডা)- 

    এবারের প্যারিস অলিম্পিক্সে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত অ্যাথলিট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাডলার কনক ঝা। তাঁর মা করুণা জন্মসূত্রে মুম্বইয়ের৷ বাবা অরুণ কলকাতা ও প্রয়াগরাজে বেড়ে উঠেছেন। দু’জনেই আইটিতে কর্মরত৷ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যালিফোর্নিয়ার মিলপিটাসের ইন্ডিয়া কমিউনিটি সেন্টারে টেবিল টেনিসের প্রতি তাঁর ঝোঁক বেড়ে ওঠে। তাঁর দিদিও একজন টিটি প্লেয়ার৷ এবার প্যারিসে টেবিল টেনিসে (Paris Olympics 2024) কানাডার হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্সে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা! অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ খেলোয়াড় আক্রান্ত

    শান্তি পেরেরা (অ্যাথলেটিক্স, সিঙ্গাপুর)- 

    সিঙ্গাপুরের স্প্রিন্ট কুইন নামে পরিচিত ভেরোনিকা শান্তি পেরেরা৷ তবে তাঁর শিকড় রয়েছে কেরলে। তাঁর দাদু-ঠাকুমারা তিরুঅনন্তপুরমের ভেট্টুকাডের বাসিন্দা। কিন্তু চাকরি পাওয়ার পর পুরো পরিবার নিয়ে সিঙ্গাপুরে চলে যান তাঁর দাদু৷ ৪৯ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার পর ২০২৩ এশিয়ান গেমস-এ শান্তির হাত ধরে পদক আসে সিঙ্গাপুরে৷ মহিলাদের ১০০ মিটারে রুপো জিতেছিলেন তিনি। সিঙ্গাপুর স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ডে ‘বর্ষসেরা স্পোর্টসওম্যান’ এর পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি৷ এবার প্যারিসে (Paris Olympics 2024) মহিলাদের ১০০ মিটার দৌড়ে সিঙ্গাপুরের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি। 

    অমর ধেসি (কুস্তি, কানাডা)-

    কানাডার পশ্চিম উপকূলের একটি ছোট প্রদেশ ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারেতে অমরবীর ধেসি জন্মগ্রহণ করেন (Athletes of Indian heriatge)। তাঁর বাবা বলবীর ধেসি, পঞ্জাবের জলন্ধর জেলার সাংঘওয়াল গ্রামের বাসিন্দা ও প্রাক্তন গ্রেকো রোমান জাতীয় চ্যাম্পিয়ন৷ অমর নেতাজি সুভাষ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্পোর্টসে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন, এমনকী পঞ্জাব পুলিশে চাকরিও পেয়েছিলেন ৷ কিন্তু ১৯৭৯ সালে কানাডায় চলে যান৷ এবার প্যারিসে (Paris Olympics 2024) কানাডার হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি। 
      
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রীকে এলোপাথাড়ি কোপ চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের, মালদায় শোরগোল

    Malda: বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রীকে এলোপাথাড়ি কোপ চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের, মালদায় শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকে এক ছাত্রীকে ছুরি দিয়ে কোপ মারার অভিযোগ উঠল এক প্রাক্তনীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভয়ানক এই ঘটনার সাক্ষী থাকল মালদার (Malda) গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। হামলাকারী যুবক ছাত্রীর ওপর হামলা চালানোর পর পরই নিজের গলায় ছুরি দিয়ে কুপিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। আর সমস্ত ঘটনাটি ঘটেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে। ফলে, বিশ্ববিদ্যালের অন্যান্য ছাত্রছাত্রীরা রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জখম ছাত্রীর নাম তনুশ্রী চক্রবর্তী। তিনি অঙ্ক বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। সম্প্রতি দ্বিতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি। এদিন বিজ্ঞান বিভাগের করিডরে তিনি দাঁড়িয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়েরই (Malda) প্রাক্তন পড়ুয়া অলোক মণ্ডল আচমকা এসে তাঁর ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ। ওই ছাত্রীর ওপর বসে তাঁকে ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকেন তিনি। এরইমধ্যে তিনি নিজের গলায় ছুরি দিয়ে বার বার আঘাত করেন। প্রত্যক্ষদর্শী এক ছাত্র বলেন, আমরা ওই যুবকের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু, তাঁর হাতে ধারাল অস্ত্র থাকায় আমরা যেতে পারিনি। পরে, একজন বাঁশ নিয়ে পিছন দিক থেকে ওই যুবককে মারে। এরপরই ছাত্রীকে ফেলে ওই যুবক দোতলায় উঠে পড়েন। সেখানে গিয়ে ফের গলায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে, অন্যরা গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে। দুজনকে গুরুতর জখম অবস্থায় মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছছে পুলিশ। ওই যুবক ও যুবতীর মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল, না অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।  

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    উস্কে দিল বহরমপুরে ছাত্রী খুনের স্মৃতি

    এই ঘটনা কার্যত আরও একবার মনে করিয়ে দিচ্ছে মুর্শিদাবাদের সুতপা চৌধুরীর কথা। ২০২২ সালের মে মাসে বহরমপুরে সুতপা নামের এক ছাত্রীকে মেসের সামনে পরপর কোপ মেরে খুন করা হয়েছিল। সেই রকমই ঘটনারই কি পুনরাবৃত্তি ঘটল গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে? বিশ্ববিদ্যালয়ের (Gourbanga University) ভিতরে কীভাবে অস্ত্র নিয়ে ঢুকল এক বহিরাগত সেই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

    বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Gourbanga University) ডেভেলপমেন্ট অফিসার রাজীব পুততুণ্ড বলেন,”পড়ুয়াদের থেকে শুনেছি, একটি ছাত্র ছুরি নিয়ে একটি ছাত্রীকে হামলা চালিয়েছে। আমাদের প্রথম চেষ্টা উভয়কেই বাঁচানো। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kavach: দ্রুতগতিতে বসছে ‘কবচ’, জানালেন রেলমন্ত্রী, কাজ কতদূর এগোল?

    Kavach: দ্রুতগতিতে বসছে ‘কবচ’, জানালেন রেলমন্ত্রী, কাজ কতদূর এগোল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলে যাত্রী সুরক্ষার প্রশ্নে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার যে কোনও আপোস করবে না, বুধবার সংসদে তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানালেন, দেশে ১ হাজার ৪৬৫ কিলোমিটার রুটে অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন সিস্টেম (Automatic Train Protection System) কবচ (Kavach) বসানো হয়েছে। এই কবচ বসানো হয়েছে ১৪৪টি লোকোমোটিভেও।

    ‘কবচ’ বসাতে ব্যয় (Kavach)

    সাউথ সেন্ট্রাল রেলওয়েতে বসানো হয়েছে এই কবচ। মন্ত্রী জানান, কবচ সিস্টেম বসাতে গিয়ে এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ১ হাজার ২১৬.৭৭ কোটি টাকা। চলতি অর্থবর্ষে (২০২৪-২৫) এই খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ১ হাজার ১১২.৫৭ কোটি টাকা। মন্ত্রী জানান, ২ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকা ক্যাপিটেল এক্সপেনডিচার হিসেবে বরাদ্দ করা হয়েছে। সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কবচ ইনস্টল করার ক্ষেত্রে। কবচ ৪.০-এর উন্নত সংস্করণ অনুমোদন পেয়েছে। দ্রুত তৈরি করা হবে বলেও জানান তিনি।

    ‘কবচ’ কী?

    প্রশ্ন হল, কবচ কী? কবচ হল একাধিক ট্রেনের সংঘর্ষ এড়ানোর উচ্চ প্রযুক্তি। ট্রেনের গতি একটি নির্দিষ্ট জায়গায় থাকার সময় বিপদ বুঝলে এই প্রযুক্তি লোকোপাইলটকে সতর্ক করে দেবে। লোকোপাইলট যদি ব্রেক কষতে ব্যর্থ হন, তবে কবচই করে দেবে সেই কাজ। যার জেরে ট্রেন যাবে দাঁড়িয়ে। এড়ানো যাবে সংঘর্ষ। প্রাণ বাঁচবে যাত্রীদের। যাত্রী সুরক্ষার ক্ষেত্রে কবচই এখনও পর্যন্ত উচ্চস্তরীয় নিরাপত্তা দেয় বলে শংসাপত্র দিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট সেফটি অ্যাসেসর।

    আরও পড়ুন: এবার নবান্নেও ‘ভাইপোরাজ’? পিএমইউ নিয়ে নবান্নের নির্দেশিকায় গুচ্ছ প্রশ্ন

    মন্ত্রী জানান, দিল্লি-মুম্বই এবং দিল্লি-হাওড়া করিডরে চলছে কবচ (Kavach) সম্পর্কিত কাজ। এই দুই রুটে অপটিক্যাল ফাইবার বসানোর কাজও চলছে। ইতিমধ্যেই এই ফাইবার বসানো হয়েছে ৪ হাজার ২৭৫ কিলোমিটার রেলপথে। ইনস্টল করা হয়েছে ৩৬৪টি টেলিকম রওয়ার। ২৮৫ ইউনিট কবচ যন্ত্রাংশ দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন স্টেশনে (Automatic Train Protection System)। কবচ ট্র্যাকসাইড ইক্যুইপমেন্ট ইনস্টল করা হয়েছে ১ হাজার ৩৮৪ কিলোমিটার রুটে (Kavach)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Religious Conversion: ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের আড়ালে হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরণ! যোগী-রাজ্যে মামলা দায়ের

    Religious Conversion: ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের আড়ালে হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরণ! যোগী-রাজ্যে মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামেই ফ্যাশন ইনস্টিটিউট, কিন্তু তার আড়ালেই হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরিত (Religious Conversion) করার জন্য চলছে ব্রেনওয়াশ। সম্প্রতি এই অভিযোগে নাম জড়াল উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মোরাদাবাদের ল্যাকমে অ্যাকাডেমি নামে এক ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের। মূলত ওই ইনস্টিটিউট পরিচালনাকারী রক্ষন্দা খানের (Rakshanda Khan) বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। গত ২২ জুলাই দুই হিন্দু ছাত্রী তানিয়া চৌধুরী এবং স্বাতী পাল মিলে জেলা কালেক্টর অনুজ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করে ইনস্টিটিউট পরিচালনাকারী রক্ষন্দা খানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ জানিয়েছেন বলে খবর।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Religious Conversion)    

    অভিযোগকারীদের অভিযোগ, স্বপ্না ওরফে রক্ষন্দা খান মুসলিম ছেলেদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করার জন্য তাদের ওপর রীতিমতো চাপ সৃষ্টি করেছেন। শিক্ষার্থীরা আরও জানিয়েছেন যে, রক্ষন্দা খান বলেছেন, ”মুসলিম ছেলেদের বিয়ে করতে কোনও সমস্যা নেই। আমিও আগে হিন্দু ছিলাম। ১৭ বছর আগে শাহনওয়াজ খান নামে একজন মুসলিম ব্যক্তিকে বিয়ে করি। সেসময় আমি হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম হয়েছিলাম এবং বর্তমানে মুসলিম পরিবারে খুব সুখী।”    

    ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের আড়ালে কী চলে? 

    জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) কাঁথ রোডে অবস্থিত ল্যাকমে অ্যাকাডেমি নামে ওই ফ্যাশন ইনস্টিটিউটে মূলত মেকআপ, চুল এবং ত্বকের পরিচর্যা শেখান রক্ষন্দা। এর জন্য বিভিন্ন কোর্স রয়েছে তাঁর একাডেমিতে। অ্যাকাডেমির প্রায় সব ছেলেই মুসলিম এবং বেশিরভাগ মেয়েই হিন্দু। অভিযোগ রক্ষন্দা খান প্রধানত মুসলিম ছেলে এবং হিন্দু মহিলাদেরই কর্মী হিসাবে নিয়োগ করতেন। এরপর রক্ষন্দা হিন্দু মেয়েদের এই মুসলিম ছেলেদের সাথে বন্ধুত্ব করতে উৎসাহিত করতেন, যাতে মুসলিম ছেলেদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে হিন্দু মেয়েরা বিয়ের পর হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ (Religious Conversion) করে।  

    কী জানিয়েছে অভিযোগকারীরা?  

    এ প্রসঙ্গে, তানিয়া চৌধুরীর অভিযোগ, ”ভর্তির সময় আমাদের বলা হয়েছিল যে অ্যাকাডেমিতে মাংস ও মাছ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, কিন্তু মুসলিম ছেলেরা প্রতিদিন এখানে মাংস ও মাছ নিয়ে আসে এবং সবার সামনে খায়।” অন্যদিকে স্বাতী পাল বলেন, ”অভিযুক্ত রক্ষন্দা খান হিন্দু ধর্মের অপব্যবহার করেন (Religious Conversion) এবং যে হিন্দু মেয়েরা তাঁকে মানে না তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এমনকি রক্ষন্দা হিন্দু মেয়েদের টিপ, টিকা, কপালে সিঁদুর এবং গলায় মঙ্গলসূত্র পরতে বাধা দিতেন। কোনও বিবাহিত মেয়ে মঙ্গলসূত্র ও সিঁদুর পরে এলে তাকে ইনস্টিটিউটে ঢুকতে দিতেন না। কিন্তু, মুসলিম ছাত্র ও মুসলিম প্রশিক্ষকদের অ্যাকাডেমিতেই নামাজ পড়ার স্বাধীনতা রয়েছে।”    

    আরও পড়ুন: কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ২০০-র গণ্ডি! কেমন আছে বাংলাদেশ?

    এরপর অভিযোগকারীদের অভিযোগের ভিত্তিতে, মোরাদাবাদ পুলিশ রক্ষন্দা খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের (Religious Conversion) করে গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে। অন্যদিকে এই ঘটনার পরেই হিন্দু কর্মীরা রক্ষন্দা খানের কুশপুতুল পুড়িয়ে অ্যাকাডেমির বাইরে হনুমান চালিসা পাঠ করেন এবং অভিযুক্ত রক্ষন্দা খানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাঁর প্রতিষ্ঠানটি সিল করার দাবি জানান। এছাড়াও, তাঁরা দাবি করেন যে, শিক্ষার্থীরা যেন তাদের ফি ফেরত পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে।

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: চোপড়ায় দাপাচ্ছেন জেসিবি বাহিনীর জব্বার, টাকা চাইতে গিয়ে আক্রান্ত পাওনাদার

    Uttar Dinajpur: চোপড়ায় দাপাচ্ছেন জেসিবি বাহিনীর জব্বার, টাকা চাইতে গিয়ে আক্রান্ত পাওনাদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়াকাণ্ডের জেরে তৃণমূল নেতা জেসিবি এখন জেলে রয়েছেন। তাতে কী হয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) চোপড়ায় এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে জব্বার। জব্বার আবার জেসিবি বাহিনীর অন্যতম সদস্য। ফলে, তাঁর সামনে কথা বলার এখন কারও সাহস নেই। জব্বারের এই দাপাদাপিতে বেজায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। তাঁরা চাইছেন, জেসিবির মতো জব্বারের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। প্রসঙ্গত, জেসিবি নিজের মতো করে সালিশি বসিয়ে প্রকাশ্যে নির্যাতন চালাতেন। কিছুদিন আগে চোপড়ায় একজন মহিলা এবং পুরুষকে প্রকাশ্যে মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সেই ঘটনা সামনে আসতেই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Uttar Dinajpur)

    জানা গিয়েছে, কালিকাপুরের (Uttar Dinajpur) মনসুর আলম নামে এক শ্রমিক জব্বারের দাদা জামশেদের সঙ্গে সিকিমে কাজ করতে গিয়েছিলেন। জামশেদ শ্রমিক সরবরাহের ঠিকাদারির কাজ করেন। সেই সুবাদে জামশেদের কাছে থেকে মনসুর প্রায় ১৪ হাজার টাকা পান। বছর খানেক হল তাঁকে সেই টাকা দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার রাতে সেই টাকা চাইতে যান তিনি। টাকা না পেয়ে খালি হাতে ফিরে আসেন তিনি। অভিযোগ, বুধবার জব্বারের নেতৃত্বে হামলা হয়। হামলায় পাঁচজন জখম হন। তাঁদের চোপড়ার দলুয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। গোটা ঘটনায় জব্বারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে চোপড়া থানায়। তবে, দুদিন হতে চলল এখনও অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    আক্রান্তের কী বক্তব্য?

    আক্রান্ত ব্যক্তি মনসুর  আলম বলেন, “আমি শ্রমিকের কাজ করি। প্রায় পাঁচ থেকে ছ’মাস আমায় কোনও টাকা দেয়নি। আমি সেই টাকা চাইতে গিয়েছিলাম। তখনই মারধর করা হয়। মেরে আমার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। আসলে ওরা এলাকায় শাসক দলের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ কিছু করবে না, সেটা জানে বলেই ওদের এত বাড়বাড়ন্ত। আমি চাই, অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Akshay Kumar: টাকা মেরে দিয়েছেন প্রযোজকরা, আফসোস অক্ষয়ের  

    Akshay Kumar: টাকা মেরে দিয়েছেন প্রযোজকরা, আফসোস অক্ষয়ের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউডের সুপারস্টার অক্ষয় কুমার। কিছুদিন আগেই তাঁর ছবি ‘সারফিরা’ (Sarfira)  রিলিজ হয়। বক্স অফিসে ছবিটি কামাল দেখাতে পারেনি। ২০২১ সালে সূর্যবংশী ছবির পর অক্ষয় কুমারের (Akshay Kumar) কোন ছবিই সফল হয়নি। ছবি আসে, যায় কিন্তু দাগ কাটে না বক্স অফিসে। এমতাবস্থায় অনেক টাকা মার গিয়েছে অভিনেতার। এবার অক্ষয় প্রকাশ্যে জানালেন বেশ কয়েকজন প্রযোজক তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, দুই- একজন প্রযোজকের ঘরে তাঁর অনেক টাকা বকেয়া আছে। তাঁদের পেমেন্ট আসেনি। যদিও ব্যবস্থা নেওয়ার জায়গায়, তিনি তাঁদের সঙ্গে কাজ করা এবং কথা বলা বন্ধ করে দেওয়াকে যোগ্য জবাব মনে করেন।

    সময় খারাপ অক্ষয়ের (Sarfira)

    সম্প্রতি সারফিরা (Sarfira) ছবিতে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে কাজ করেছেন পরেশ রাওয়াল এবং রাধিকা মদান। ছবিটির প্লট ভালো হলেও বক্স অফিসে ১০ কোটি টাকা আয় করতে পারেনি এই ছবি। ছবির ফলাফল নিয়ে অভিনেতা (Akshay Kumar) বলেন, “প্রতিটি ছবির জন্য অভিনেতারা অনেক রক্ত, ঘাম, আবেগ, ব্যয় করে। যে কোনও সিনেমা হিট হলে খুব ভালো লাগে এবং ব্যর্থ হলে কষ্ট হয়।

    আরও পড়ুন: অগাস্টে মুক্তি পাবে ‘স্ত্রী-২’, আতঙ্ক নয়, এবার চান্দেরির ত্রাতা হয়ে ফিরে আসছেন ‘স্ত্রী’

    কিন্তু হিট বা ফ্লপ অনেক সময় অভিনেতাদের উপর নির্ভর করে না। রুপোলি পর্দার অনিশ্চয়তা বোঝা খুব কঠিন। তবে প্রতিটি ব্যর্থতা শিক্ষা দেয়। সাফল্যের মূল্য এবং সাফল্যের তাগিদ বাড়িয়ে দেয়। আমি আমার ক্যারিয়ারে সাফল্যের সময় মাথা ঠান্ডা ও ব্যর্থতা মোকাবিলা করতে শিখেছি।”

    অক্ষয় কুমারের পরবর্তী ছবি (Akshay Kumar)

    প্রসঙ্গত অক্ষয় কুমারকে এরপর আগস্ট মাসে ‘খেল খেল মে’ ছবিতে দেখা যাবে। ছবিটি পারিবারিক বিনোদনমূলক, যাতে তাপসী পান্নু, বাণী কাপুর, ফারদিন খান অভিনয় করবেন। ১৫ ই আগস্ট ছবিটি বক্স অফিসে ‘স্ত্রী-২’ এর সঙ্গে মোকাবিলা করবে। অক্ষয়ের (Akshay Kumar) বেশ কয়েকটি সিনেমা ফ্লপ হলেও তাঁর হাতে যে কাজের অভাব রয়েছে এমন নয়। ‘খেল খেল মে’ রিলিজ হওয়ার পর খিলাড়িকে দেখা যাবে ‘রিটার্ন অব দ্য বিলভড সিঙ্ঘম, স্কাই ফোর্স সহ আরও বেশ কয়েকটি সিনেমায়।  

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna: এবার নবান্নেও ‘ভাইপোরাজ’? পিএমইউ নিয়ে নবান্নের নির্দেশিকায় গুচ্ছ প্রশ্ন

    Nabanna: এবার নবান্নেও ‘ভাইপোরাজ’? পিএমইউ নিয়ে নবান্নের নির্দেশিকায় গুচ্ছ প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি মুখ্যমন্ত্রী। তবে নামেই! হয় তাঁর কোনও ক্ষমতা নেই, নয়তো ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের গোষ্ঠীকোন্দলের ফুটো বোজাতে গিয়ে সময় দিতে পারছেন না রাজ্য চালানোয়। এই (Project Management) দুই সম্ভাবনারই ছাপ স্পষ্ট নবান্নের তরফে জারি করা সরকারি এক (Nabanna) নির্দেশনামায়।

    নির্দেশিকায় গুচ্ছ প্রশ্ন (Nabanna)

    রাজ্য প্রশাসনের প্রধান হলেন মুখ্যসচিব এবং ডিজি। তাঁরা রিপোর্ট করেন মুখ্যমন্ত্রীকে। কিন্তু সদ্য জারি করা সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সব দফতরের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের নজরদারি ও পরিচালনা করবেন পঞ্চায়েত সচিব পি উলগানাথন। মুখ্যসচিবের কাজ কেন পঞ্চায়েত সচিব করবেন, ইতিমধ্যেই উঠেছে সে প্রশ্ন। আধিকারিকদের একাংশেরও প্রশ্ন, তবে কি পঞ্চায়েত সচিবের ওপর কিছুটা হলেও নির্ভর করে থাকতে হবে বাকি দফতরগুলির সচিব এবং জেলা প্রশাসনের কর্তাদের? কাজের গুণমান ঠিক না হলে দায় পড়বে কার ঘাড়ে?

    প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিট

    সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন রাজ্যের (Nabanna) মুখ্যসচিব ভগবতীপ্রসাদ গোপালিকা। তাতে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিট (PMU) গঠন করতে বলা হয়েছে। এই নির্দেশিকার নির্যাস, কেবল দফতরগুলিই নয়, চাহিদা মতো পিএমইউ-কে তথ্য পাঠাতে ও সহযোগিতা করতে কার্যত বাধ্য থাকবে সব জেলা প্রশাসনও। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, পঞ্চায়েত সচিব পি উলাগানাথনই পিএমইউ-কে নেতৃত্ব দেবেন। সেই শাখার বাকি আধিকারিকদের নিয়োগ করবে কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতর।

    আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোতেও রাজনীতি শাসকের! সজলের পুজোকে চিঠি পুলিশের

    নবান্নের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জরুরি প্রকল্পগুলি সময়ের মধ্যে ঠিকঠাক রূপায়ণ করতে গেলে বিভিন্ন দফতর, জেলা প্রশাসন, প্রকল্প রূপায়ণের দায়িত্বে থাকা সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জরুরি। তাই প্রত্যেক দফতর, জেলা প্রশাসন ও সংস্থাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে নির্বাচিত প্রকল্পগুলির গতি, সমস্যা ইত্যাদি সবই দেখভাল করবে পিএমইউ। দ্রুত কাজ শেষ করার লক্ষ্যে পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করবে তারাই। প্রকল্পগুলির অবস্থা ও কার্যকারিতা মূল্যায়ন করে সরকারকে রিপোর্টও দেবে পিএমইউ।

    রাজনীতির কারবারিদের একটা বড় অংশের মতে, মুখ্যমন্ত্রী চলছেন ভাইপো তথা তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গুলি হেলনে। তার জেরে রাজ্যে হয়ে গিয়েছে অতিমুখ্যসচিব। যাঁর মাধ্যমে নবান্নে আদতে কায়েম হচ্ছে ‘ভাইপোরাজ’। তাই দিন দিন (Project Management) মুখ্যসচিব এবং মুখ্যমন্ত্রী হয়ে পড়ছেন ঠুঁটো। ব-কলমে রাজ্য চালাচ্ছেন ভাইপোই (Nabanna)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mukesh Ambani: শেয়ার বাজারে জোর ধাক্কা খেলেন মুকেশ আম্বানি, কেন জানেন?

    Mukesh Ambani: শেয়ার বাজারে জোর ধাক্কা খেলেন মুকেশ আম্বানি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপুল পরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন মুকেশ আম্বানি (Mukesh Ambani)। সোমবার মুকেশের কোম্পানি রিলায়েন্সের (Reliance) মার্কেট ভ্যালুয়েশন এক ধাক্কায় ৭৩,৪৭০.৫৯ কোটি টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২০,৩০,৪৮৮.৩২ কোটি টাকা। রিলায়েন্সের শেয়ার দর তিন শতাংশেরও বেশি কমে যেতেই এল এই ধাক্কা। জুন মাসে কোম্পানির তরফে যে ত্রৈমাসিক রিপোর্ট পেশ করা হয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল নিট মুনাফার পাঁচ শতাংশ দর কমে গিয়েছিল। সোমবার এক দিনেই কমল তিন শতাংশের বেশি।

    শেয়ারে ধস (Mukesh Ambani)

    জানা গিয়েছে,  সোমবার ব্লু-চিপ স্টকটি বিএসইতে ৩.৪৯ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৩০০১.১০ টাকায় থামে। দিনের বেলায় এটি এনএসইতে ৩.৫৬ শতাংশ কমে শেয়ারের দর হয়েছিল ২,৯৯৮.৮০ টাকা। ট্রেডেড ভলিউম টার্মের দিক থেকে দেখলে দিনের বেলায় কোম্পানির ১.৯০ লাখ শেয়ার ব্যবসা করেছে বিএসইতে। আর ৯৮.৩৭ লাখ শেয়ার ব্যবসা করেছে এনএসইতে। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের হেভি সেলিং প্রেসারও টেনে নামিয়েছে বেঞ্চমার্ক সূচকগুলিকে। টানা দুদিন পড়ে ৩০-শেয়ারের বিএসই সেনসেক্স ১০২.৫৭ পয়েন্ট বা ০.১৩ শতাংশ কমে যায়। এনএসই নিফটি ২১.৬৫ পয়েন্ট (শতাংশের হিসেবে ০.০৯) কমে পৌঁছে গিয়েছিল ২৪,৫০৯.২৫-এ।

    দ্বিতীয় হলেন মুকেশ

    এদিকে, তেলের দাম ৩১ শতাংশ কমে যাওয়ায় এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তির তকমা হারিয়েছেন ভারতের সব চেয়ে ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানি (Mukesh Ambani)। এবার এই তকমা পেলেন জ্যাক মা। ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, সোমবার প্রায় ৪২ হাজার ৮৮১ হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়েছে মুকেশের কোম্পানির। তাই ব্লুমবার্গ বিলিওনেয়ার্স ইনডেক্সে এশিয়ায় দ্বিতীয় স্থানে চলে গেলেন মুকেশ।

    আরও পড়ুন: গুয়াতেমালায় মিলল মন্দিরের নিদর্শন, আদানপ্রদান হয়েছিল হিন্দু সংস্কৃতির?

    জানা গিয়েছে, সৌদি আরব ও রাশিয়ার মধ্যে রেষারেষির জেরে গত ২৯ বছরে সব চেয়ে বেশি কমে গিয়েছে তেলের দাম। তার জেরেই বিপুল ক্ষতির মুখ দেখলেন মুকেশ। কেবল মুকেশ নন, তেলের ব্যবসা যারাই করেন, তাঁদেরই এই হাল হয়েছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছর সব মিলিয়ে রিলায়েন্সের শেয়ার কমেছে ২৬ শতাংশ। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কর্নধার মুকেশই। এই কোম্পানির (Reliance) তেল, রিটেল, টেলিকম এবং আরও অন্যান্য ব্যবসাও রয়েছে (Mukesh Ambani)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Maldives Islands: চিনের দাদাগিরি রুখতে মলদ্বীপের কাছে সামরিক কার্যকলাপ বাড়াচ্ছে দিল্লি

    Maldives Islands: চিনের দাদাগিরি রুখতে মলদ্বীপের কাছে সামরিক কার্যকলাপ বাড়াচ্ছে দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও চিনের সীমান্ত রয়েছে প্রায় চার হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। দুই দেশের সীমান্ত নিয়ে সমস্যা প্রায়ই খবরের শিরোনামে আসে। পৃথিবীর প্রথম দুই জনবহুল দেশের সংঘাত তবে বর্তমানে আর মাত্র চার হাজার কিলোমিটারের সীমানা জুড়েই সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে তা মহাসাগর ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতেও (Maldives Islands) ছড়িয়ে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুটের দখল নিজেদের কাছেই রাখতে চায় বেজিং। চিনের দাদাগিরি রুখতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে দিল্লিও। নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে সামরিক কার্যকলাপও (Indian Armed Forces) বৃদ্ধি করেছে ভারত।

    লাক্ষাদ্বীপের মালিকু দ্বীপে নতুন সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছে মোদি সরকার 

    লাক্ষাদ্বীপের মালিকু দ্বীপে নতুন সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছে মোদি সরকার। সরকারি সূত্রে খবর, মালিকু দ্বীপের এই সামরিক ঘাঁটিগুলিতে (Indian Armed Forces) নতুন দুটি বিমান ঘাঁটি করা হবে আবার অন্যদিকে আগাত্তি দ্বীপের বর্তমানে যে সামরিক ঘাঁটি রয়েছে সেটিকেও ঢেলে সাজানো হবে বলে জানা গিয়েছে। কূটনৈতিকভাবে এই দুটি দ্বীপের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুটি দ্বীপই আরব সাগরে অবস্থিত এবং বিশ্বের যে প্রধান সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ রয়েছে তার অর্ধেক রাস্তাই এই অঞ্চলে অবস্থিত। অর্থাৎ বিশ্বের সামুদ্রিক বাণিজ্য পথে চিনের দাপট রুখতে ভারতের এমন কূটনৈতিক পদক্ষেপ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    বিমান ঘাঁটিগুলি বাণিজ্যিক কাজেও ব্যবহার করা হবে

    ভারত সরকারের তরফ জানানো হয়েছে, এই বিমান ঘাঁটিগুলি বাণিজ্যিক কাজেও ব্যবহার করা হবে। দীর্ঘদিন ধরেই বেজিং উদ্যোগ নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দেশগুলির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে অর্থাৎ যে কোনও মূল্যে এই অঞ্চলগুলিতে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে চায় চিন। ঠিক এই কারণেই আফ্রিকা মহাদেশের ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে চিনা কোম্পানিগুলির ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নজরে পড়ে। ওই দেশগুলির সেনাবাহিনীর সঙ্গে চিনের সেনা যৌথ মহড়াও করে। সামরিক চুক্তিও সম্পাদন করছে বেজিং। সামরিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বেজিং ওই দেশগুলির সঙ্গে।

    ভারতকে রুখতে পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক

    আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, সাধারণভাবে সারা বিশ্বজুড়ে দুটি দেশের মধ্যে বিবাদ দেখা দিলে তা মেটানোর কাজ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমেত ইউরোপের দেশগুলি। ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন যুদ্ধেও তা দেখা গিয়েছে, ঠিক একইভাবে এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলির এই জায়গাটি নিতে চাইছে চিন। এক্ষেত্রে ভারতই হয়ে উঠছে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ। ভারতকে রুখতে পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সকলেরই জানা। আর্থিক দিক থেকে, সামরিকভাবে পাকিস্তানকে সহযোগিতা করে চলেছে বেজিং। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পরিকাঠামোও নির্মাণ করেছে বেজিং। খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে, এশিয়া মহাদেশে প্রতিপক্ষ হিসেবে চিন ভারতকেই ভাবে।

    চিন ঘনিষ্ঠ মলদ্বীপের (Maldives Islands) ওপরেও কড়া নজর রাখতে চায় ভারত

    গত বছরে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু তাঁদের দেশ থেকে ভারতের সেনা সরানোর কথা বলেন। শুধু তাই নয় নির্বাচনে জেতার আগে এটাই ছিল মুইজ্জুর প্রতিশ্রুতি যে তিনি ক্ষমতায় ফিরলে দেশ থেকে ভারতের সেনা সরানো হবে। কূটনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, এমন সিদ্ধান্ত মুইজ্জুর নয়, এর পিছনে রয়েছে বেজিংয়ের কূটনৈতিক কৌশল। তবে মলদ্বীপের (Maldives Islands) খুব কাছেই ভারতের সামরিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি বেশ চোখে পড়ছে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের শক্তি আরও বাড়াতে গত মার্চের প্রথম সপ্তাহে নৌ-ঘাঁটি চালু করেছে ভারত। লাক্ষাদ্বীপের মিনিকয় দ্বীপপুঞ্জের এই নৌ-ঘাঁটির (নেভাল স্টেশন) নাম রাখা হয়েছে ‘আইএনএস জটায়ু’। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের অনুমান চিন ঘনিষ্ঠ মলদ্বীপে কড়া নজর রাখতে চায় ভারত। তাই লাক্ষাদ্বীপে বেড়েই চলেছে ভারতের সামরিক কার্যকলাপ।

    চলতি বছরেই মলদ্বীপে (Maldives Islands) এসেছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ

    চিন-মলদ্বীপ আঁতাঁতের কারণে জলসীমার এই অঞ্চলে নিরন্তর নজরদারি চালানো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। চলতি বছরেই মলদ্বীপে এসেছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ। ফলে, সামগ্রিক দিক দিয়ে ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং সীমানাকে সুরক্ষিত রাখতে এই সামরিক ঘাঁটিগুলি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই ঘাঁটিগুলি থেকে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের যাবতীয় বাণিজ্যিক ও সামরিক গতিবিধির ওপর নজর রাখা সহজ হবে। আর লাক্ষাদ্বীপের অবস্থান মলদ্বীপের (Maldives Islands) ৫০ মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে হওয়ায় ওই রাষ্ট্রের গতিবিধির ওপরও নজর রাখবে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share