Tag: Bengali news

Bengali news

  • South 24 Parganas: জোড়া খুনে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতার! পুলিশে আস্থা হারিয়ে সিবিআই চাইছে পরিবার

    South 24 Parganas: জোড়া খুনে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতার! পুলিশে আস্থা হারিয়ে সিবিআই চাইছে পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি নিয়ে বিবাদের জেরে দুই বোনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ঢোলাহাট থানার গুরুদাসপুরে। তিন মাস আগের সেই খুনের ঘটনায় নাম জড়ায় তৃণমূল নেতা গৌরহরি মাল সহ কয়েকজনের। মৃতের পরিবারের লোকজন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে বাদ দিয়ে লোকদেখানো দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। দুজনেই আবার মৃতের আত্মীয়। পুলিশ তদন্তে অসহযোগিতা করছে অভিযোগ তুলে সরব হলেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।

    সিবিআই তদন্তের দাবি! (South 24 Parganas)

    মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ঢোলাহাট থানার (South 24 Parganas) গুরুদাসপুরে মৃত দুই বোনের নামে জমি রয়েছে। সেই সম্পত্তি জোর করে দখল করে রেখেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা গৌরহরি মাল। সেই জায়গা তিনি ছাড়তে চাইছেন না। গত মে মাসে খুনের ঘটনার দুদিন আগে তৃণমূল নেতা গৌড়হরি মাল জোরপূর্বক তাঁদের জায়গার একটি গাছ কেটে নেয়। আর তা নিয়ে ওই দুই বোনের সঙ্গে বচসা হয়েছিল। সেই সময় তৃণমূল নেতা ওই দুই বোনকে প্রাণনাশের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন। এই খুনের পিছনে ওই তৃণমূল নেতার বড় হাত রয়েছে বলে দাবি পরিবারের। পুলিশ ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেনি। মৃতের এক আত্মীয় প্রসেন মণ্ডল বলেন, তৃণমূল নেতার নাম চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাই, পুলিশের ওপর আমাদের আস্থা নেই। প্রকৃত অভিযুক্ত (Trinamool Congress) এখন বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাই, খুনের ঘটনার সিবিআই তদন্তের জন্য আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা গৌরহরি মাল বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। যে জমি নিয়ে বিবাদের কথা বলা হচ্ছে, মৃত দুই বোনের বাবা বেঁচে থাকতে আমি এই জায়গা কিনেছি। কাগজে সমস্ত কিছু লেখা আছে, তবে রেজিস্ট্রি করা হয়নি। দীর্ঘ বহু বছর ধরে আমি তা দখলে রেখেছি। তাই, ওই জমি আমার নামে লিখে দেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: দুর্গাপুজোতেও রাজনীতি শাসকের! সজলের পুজোকে চিঠি পুলিশের

    Durga Puja 2024: দুর্গাপুজোতেও রাজনীতি শাসকের! সজলের পুজোকে চিঠি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতির রং লেগেছে দুর্গাপুজোতেও। বঙ্গে মন্ত্রীদের বড় বাজেটের পুজো আর বাহারি থিম, যেন একে অপরের পরিপূরক। কিন্তু এখন বিরোধীরাও কম যাচ্ছেন না। তাই রাজনীতির চাপ এসেছে বিরোধী শিবিরের পুজোতেও। যেমন সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার (Santosh Mitra Square)। এবছর (Durga Puja 2024) তাঁদের থিম লাস ভেগাসের ‘দা স্ফিয়ার’। তবে এবার আয়োজকদের চিঠি ধরিয়েছে পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য, যেহেতু এই পুজোয় প্রতিবছর বাঁধভাঙা ভিড় হয়, তাই শর্তসাপেক্ষ পুজো করতে হবে কমিটিকে। জানাতে হবে থিমের বিষয়বস্তু। আয়োজনের খুঁটিনাটি।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by LENSOGRAPHY | Kolkata (@lensographyofficial)

    পুলিশের সঙ্গে উদ্যোক্তাদের চাপা উত্তেজনা (Santosh Mitra Square)

    সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের (Santosh Mitra Square) পুজো লেবুতলা পার্কের পুজো নামেও পরিচিত। গত বছরও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে পুলিশের চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। ভিড় বেশি হচ্ছে, এই অজুহাতে পুলিশ দুই কিলোমিটার ঘুরপথে লেবুতলায় আসার ব্যবস্থা করেছিল। তাতেও রামমন্দিরের উদ্বোধনের আগে কলকাতার রাম মন্দিরে দর্শক কমানো যায়নি। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, যাতে মানুষকে বিরক্ত করে দেওয়া যায় এবং তাঁদের মধ্যে অনীহা সৃষ্টি হয়, সেই কারণেই পুলিশের বাড়তি উদ্যোগ। গত বছর এই পুজোর উদ্বোধন করেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। থিম হয়েছিল রাম মন্দির। পুজোর মূল উদ্যোক্তা বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষের দাবি, সেই কারণেই শাসকের গোঁসা হয়েছিল। আর গত বছরের রেশ শেষ হয়নি এবারও। সজল ঘোষ বলেন, “পুলিশ এবার যেসব শর্ত দিয়েছে, সেগুলি হুমকির মত। আমরা যে কোন আলোচনায় যেতে রাজি। কিন্তু হুমকি দিলে মানব না। আর পুলিশ এমন সব শর্ত দিয়েছে। যা মানা সম্ভবই নয়। পুলিশ বেশ কয়েক বছর ধরে গা-জোয়ারি শুরু করেছে। এবছর ওরা চাইছে, পুজো একেবারে বন্ধ করে দিতে। কিন্তু সেরকম হলে, আমরা রুখে দাঁড়াব। মানুষ রুখে দাঁড়াবে।”

    অতীতের স্মৃতি

    প্রসঙ্গত আজ থেকে নয় বছর আগে ২০১৫ সালে শাসক দলের রোষে পড়েছিল দেশপ্রিয় পার্ক। সবচেয়ে বড় দুর্গার মুখ ঢেকে দিয়েছিল পুলিশ। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বড় পুজোগুলির উদ্বোধন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশপ্রিয় পার্কের পুজোর থিম ‘সবচেয়ে বড় দুর্গা’ সে বছর তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু শাসকদলের রোষে বোধনেই হয় বিসর্জন। অতিরিক্ত ভিড় হচ্ছে এই অজুহাত দেখিয়ে পুলিশ পুজো বন্ধ করে দেয়। পরে এই ঘটনা নিয়ে কিছুটা কল্পনা মিশিয়ে ‘অসুর’ নামে একটি সিনেমা তৈরি হয়। বিরোধীদের পুজোতে পুলিশের চাপ নতুন কিছু নয়।

    আরও পড়ুন: বাংলায় প্রথম দুর্গাপুজো কোন রাজা প্রচলন করেছিলেন জানেন?

    আর সজল ঘোষের পুজো মানে ‘সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার’ (Santosh Mitra Square)  এ এবছর মুখ্যমন্ত্রীর অনুদানের ৮৫ হাজার টাকা নেবে না বলে ঘোষণা করেছেন। মনে করা হচ্ছে অনুদান নিতে অনীহা দেখানোর প্রতিদান পাচ্ছে ‘‘সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার’’।

    পুলিশের দাবি (Durga Puja 2024)

    শহর কলকাতা নামকরা পুজোগুলির মধ্যে একটি সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার (Santosh Mitra Square) । প্রতিবছর এখানে মানুষের ঢল নামে। গত বছর রাম মন্দিরের আদলে প্যান্ডেল এবং অসাধারণ লাইট এন্ড সাউন্ড শো করার দর্শকদের ঢল নেমেছিল। এমনিতেই এখানে প্রবেশ পথ সংকীর্ণ। এক সময় এমন পরিস্থিতি হয়, যে কিছুক্ষণের জন্য প্রবেশ বন্ধ করেছিল পুলিশ। পুলিশের দাবি, সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে ,তার জন্যই সতর্ক করা হয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: কোটা বিরোধী আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা ২০০ পার! কেমন আছে বাংলাদেশ?

    Bangladesh Protest: কোটা বিরোধী আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা ২০০ পার! কেমন আছে বাংলাদেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (Bangladesh Protest) জেরে গত কয়েক দিনে বাংলাদেশে যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। ঢাকার রাজপথে এখনও পুলিশি টহল জারি। মোতায়েন রয়েছে সেনাবাহিনী এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের জওয়ান। এই আন্দোলনে এখনও পর্যন্ত মৃতের (Bangladesh Student Death Updates) সংখ্যা ২০০-র গণ্ডি ছাড়িয়েছে। 

    ঢাকায় মৃত্যু হিন্দু ছাত্রীর (Bangladesh Protest)

    রিপোর্ট অনুযায়ী, বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু হয়। মৃতদের (Bangladesh Student Death Updates) মধ্যে একজন হলেন হিন্দু ছাত্রী। নাম রিয়া গোপ। বয়স মাত্র ১৯ বছর। জানা গিয়েছে, নিজের বাড়ির ছাদে থাকার সময় আচমকাই গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। এর আগে গত মঙ্গলবার সাভারের এক হাসপাতালে আরও একজনের মৃত্যু ঘটেছিল। সূত্রের খবর, বুধবার পর্যন্ত গোটা দেশে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে ১৭৫৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের তালিকায় রয়েছেন বিএনপি ও জামাতের বেশ কয়েক জন নেতাও।

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্সে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা! অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ খেলোয়াড় আক্রান্ত

    বাংলাদেশে এখনও জারি কার্ফু

    বাংলাদেশে এখনও কার্ফু জারি রয়েছে। তবে তা আংশিক ভাবে শিথিল করা হয়েছে। সার্বিক ভাবে এখন সেদেশে হিংসা কমেছে। অফিস খুলে গিয়েছে বুধবারই। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদী বাদে বাকি ৬০ জেলায় কারফিউ শিথিলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে। এছাড়া সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত চলবে সরকারি-বেসরকারি সব অফিস। বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিও সীমিত পরিসরে খোলা রাখার অনুমতি পেয়েছে। তবে এখনও খোলেনি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকায় মোতায়েন রয়েছে সেনা। তবে ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করে দেওয়া হয়েছে। এই আবহে সেদেশের পরিস্থিতি ক্রমেই স্বাভাবিক হচ্ছে বলে দাবি হাসিনা সরকারের। তবে বিক্ষিপ্ত ভাবে হিংসা জারি (Bangladesh Protest) থাকার জেরে এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার জন্য অপেক্ষা করতে চাইছে হাসিনার সরকার। তারপর পর্যায়ক্রমে খোলা হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি।
    উল্লেখ্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে (Bangladesh Protest) কেন্দ্র করে বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল হিংসা। এ অবস্থায় প্রতিবেশী দেশটির সার্বিক পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাওয়ায়, শুক্রবার রাতে জারি করা হয় কার্ফু। অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেদিন মধ্যরাতে মাঠে নামে সেনবাহিনী। এরপর রবিবার থেকে সব ধরনের অফিস ও দোকান-বাজার বন্ধ ঘোষণা করে জারি করা হয় সাধারণ ছুটি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ancient Hindu Temples: গুয়াতেমালায় মিলল মন্দিরের নিদর্শন, আদানপ্রদান হয়েছিল হিন্দু সংস্কৃতির?

    Ancient Hindu Temples: গুয়াতেমালায় মিলল মন্দিরের নিদর্শন, আদানপ্রদান হয়েছিল হিন্দু সংস্কৃতির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুয়াতেমালা এবং হন্ডুরাসে মিলেছে হিন্দু মন্দিরের নির্দশন (Ancient Hindu Temples)। অবশ্য এখন নয়, সেই ১৯৬২ সালে। দিগন্ত বিস্তৃত ঘন জঙ্গলে ঢাকা এলাকার মধ্যেও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে মন্দিরগুলো। প্রত্নতাত্ত্বিকদের (Guatemala) মতে, এই কাঠামোগুলির সঙ্গে হিন্দু মন্দিরের সাদৃশ্য রয়েছে। তার পরেই উঠছে একাধিক প্রশ্ন, সুপ্রাচীন সেই কালেও কি গুয়াতেমালা, হন্ডুরাসের সঙ্গে আদানপ্রদান হয়েছিল হিন্দু সংস্কৃতির?

    মায়া স্থাপত্য (Ancient Hindu Temples)

    জঙ্গলে ঢাকা জরাজীর্ণ মন্দির-সদৃশ কাঠামোগুলি তৈরি হয়েছিল সুপ্রাচীন কালে। ২০০ বিসি থেকে ২০০ এডির মধ্যে উত্তর পেটেন অঞ্চলের মায়া স্থপতিরা বিশাল স্টুকো মুখোশ দ্বারা প্রশস্ত সিঁড়ি-সহ ছোট, প্রশস্ত মন্দিরের নকশা এঁকেছিলেন। পোড়া ও গুঁড়ো চুনাপাথরের মিশ্রণে এই মুখোশগুলি তৈরি হয়েছিল। তাঁরা মূলত দেবতার মুখোশই তৈরি করেছিলেন। এই স্থপতিদেরই তৈরি একটি স্থাপত্যের উদাহরণ হল টেম্পল ই-৭-সাব। এই স্থাপত্যটি পিরামিড আকৃতির। চারটি সিঁড়ি রয়েছে। রয়েছে স্টুকো মুখোশও। মূল পিরামিডের পূর্ব দিকে রয়েছে আরও তিনটি পিরামিডও। সব মিলিয়ে একটি নির্দিষ্ট স্থাপত্যের প্যাটার্ন তৈরি করেছে। এর সঙ্গে যোগ থাকতে পারে জ্যোতির্বিজ্ঞানের।

    ১০০টিরও বেশি মন্দির

    টিকলের নর্থ অ্যাক্রোপলিস মায়া সভ্যতার একটি গরুত্বপূর্ণ শহর। এই নর্থ অ্যাক্রোপলিস তৈরি হয়েছে অসংখ্য প্লাস্টার সারফেসড স্টোন টেম্পল দিয়ে। এখানে ১০০টিরও বেশি স্থাপত্যের হদিশ মিলেছে। এগুলো নির্মাণ এবং পুনর্নির্মাণ হয়েছিল অতিকায় পাথরের প্ল্যাটফর্মের ওপর। এর আগে যেসব মন্দির তৈরি হয়েছিল সেগুলি সাজানো ছিল বিভিন্ন মডেল এবং চিত্রিত স্টুকো (এক ধরনের প্লাস্টার বিশেষ) দিয়ে। এর মধ্যেও থাকত বড় বড় মুখোশ, সিঁড়ি। এই সিঁড়িগুলো দিয়েই মায়া শাসকরা যেতেন ধর্মীয় আচার পালনে। প্রতিটি মুখোশের পৌরাণিক কোনও না কোনও তাৎপর্য থাকত।

    সুসজ্জিত খিলান

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নর্থ অ্যাক্রোপলিসের মন্দিরগুলো হয়েছে বৃহৎ থেকে বৃহত্তর। এক সময়ের পবিত্র জায়গাগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হয়েছে দুর্গম ও দুর্ভেদ্য। টিকালের চিত্রপটে তারাই হয়ে (Ancient Hindu Temples) উঠেছিল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। নর্থ অ্যাক্রোপলিসের কেন্দ্রস্থলে সমাহিত করা হত শাসকদের। সমাধি কক্ষে ছিল সুসজ্জিত খিলান। সিরামিক, জেড অলঙ্কার, হাড়, খোসা, ওবিসিডিয়ান এবং মুক্তো থেকে জিনিসও মিলেছে কবরগুলো থেকে। গুয়াতামালার (Guatemala) সীমান্ত থেকে বেশ দূরে হুন্ডুরাস। প্রত্নতত্ত্ববিদরা সেখানে হিন্দুদের দেবতা হনুমানের মূর্তি দিয়ে অলঙ্কৃত একটি বিশাল গুহারও সন্ধান পেয়েছিলেন। এ থেকেও জানা যায় প্রাচীন এই শহরে অনেক হিন্দু মন্দির ছিল। কারণ তার প্রতিচ্ছবি খোদাই করা হয়েছিল গুহায়।

    রাম রাজত্ব!

    স্থানীয় লোকগাথা এবং হিন্দু শাস্ত্র থেকেও জানা যায়, ভগবান রামের রাজত্বের পরে ভক্ত হনুমান নেদারওয়ার্ল্ড পাতাললোকে যাত্রা করেছিলেন। অনেকের বিশ্বাস, পুরাণগাথায় কথিত আমেরিকার এই অঞ্চলগুলির সঙ্গে মিল রয়েছে পাতাললোকের। পশ্চিম হন্ডুরাসের কোপান শহর, হাউলার বানর ঈশ্বরের মূর্তির জন্য পরিচিত। এই মূর্তির সঙ্গে হনুমানের মূর্তির সাদৃশ্য রয়েছে। ‘কোপান’ শব্দটি সংস্কৃত শব্দ। শব্দটি ‘কপি’ থেকে এসেছে বলে মনে করেন ভাষা বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এই ‘কপি’ শব্দের অর্থ হল বানর। এখানকার কোপানের সঙ্গে কপির ভাষাগত সংযোগও থাকতে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। ‘রামায়ণ’ হিন্দু ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি মহাকাব্য। এর মধ্যে রয়েছে কিষ্কিন্ধ্যা কাণ্ড ও যুদ্ধ কাণ্ড। সেখানেও দূর দেশে ভ্রমণের উল্লেখ রয়েছে। পেরুতে একটি ত্রিশূলও পাওয়া গিয়েছে। পাতাল লোক বলে যার উল্লেখ রয়েছে, অনেকের (Ancient Hindu Temples) মতে, সেই জায়গাটিই সেন্ট্রাল আমেরিকায়। গল্পে ভগবান হনুমান তাঁর ছেলে মকরধ্বজের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেখানে অমিতশক্তিধর হনুমান পাতাল লোকের রাজাকে পরাজিত করে ছেলেকে বসান রাজ সিংহাসনে। সেই থেকে এই সব অঞ্চলে পুজো হয় ভগবান হনুমানের।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    হনুমানের মূর্তি

    ১৯৪০ সালে পূর্ব হন্ডুরাসের মসকুইটা অঞ্চলে লেজেন্ডারি হোয়াইট সিটি বা লা কুইদাদ ব্লাঙ্কারের সন্ধান পেয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন মার্কিন অভিযাত্রী থিওডোর মোর্দে। তাঁর জার্নালে স্থানীয়রা অতিকায় এক বানর মূর্তির পুজো করছে বলে উল্লেখ রয়েছে। এই মূর্তির সঙ্গে ভগবান হনুমানের মূর্তির সাদৃশ্য রয়েছে বলেও দাবি প্রত্নতত্ত্ববিদদের। এই শহরের ভগ্নপ্রায় অনেক বাড়িতে এখনও ভগবান হনুমানের মূর্তি দেখতে পাওয়া যায়। মোর্দের অকাল মৃত্যুর পরেও এই জার্নালে উল্লিখিত বিভিন্ন তথ্য প্রাচীন সভ্যতায় যে এই শহরের অস্তিত্ব ছিল, তার প্রমাণ দেয়। এই সব অঞ্চল থেকে মোর্দে যেসব প্রত্নরত্ন সংগ্রহ করেছিলেন, সেগুলো এখনও রাখা রয়েছে নিউ ইয়র্ক শহরের হেয়ে ফাউন্ডেশন মিউজিয়ামে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে ধাতব ব্লেড, পাথরের ব্লেড, তেমনি রয়েছে বাঁশি, বাসনকোসন এবং মূল্যবান সব ধাতু। এসব প্রত্নসামগ্রী এবং স্থানীয় লোকগাথা প্রমাণ করে যে, সেই সুপ্রাচীন কালেও (Guatemala) সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান হত ভারত এবং এই সব অঞ্চলের (Ancient Hindu Temples)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা! অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ খেলোয়াড় আক্রান্ত

    Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা! অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ খেলোয়াড় আক্রান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টোকিও অলিম্পিক্সের পর এবার প্যারিস। কোভিড চিন্তা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024) শুরু হওয়ার আগেই এবার কোভিডে আক্রান্ত অস্ট্রেলিয়ার ওয়াটার পোলোর মহিলা দলের পাঁচ খেলোয়াড়। প্যারিস অলিম্পিক্সের গেমস ভিলেজে প্রথমে অস্ট্রেলিয়ার এক অ্যাথলিটের কোভিড পজিটিভ (Covid positive) ধরা পড়ে। তাঁর সংস্পর্শে আসা বাকিদেরও আইসোলেশনে রাখা হয়। এরপর দলের বাকি খেলোয়াড়দেরও কোভিড পরীক্ষা শুরু হয়। তবে এই ঘটনার জন্য প্র্যাকটিস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়নি টিম ম্যানেজেমেন্ট। জানা গিয়েছে, অন্যান্য ক্রীড়ার সঙ্গে যুক্ত অ্যাথলিটদের অনুশীলনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।  

    মেনে চলা হচ্ছে কোভিড প্রোটোকল (Covid positive)  

    এ প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার শেফ ডি মিশন অ্যানা মিয়ার্স জানিয়েছেন, ”আমাদের দু’জন ওয়াটার পোলো খেলোয়াড় অসুস্থ। সোমবার রাতে রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে। ওদের আলাদা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দলের বাকিদের কোনও সমস্যা নেই। উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।কোভি ডকেও অন্যান্য রোগের মতোই দেখছি। তবে আমরা নিয়ম মেনেই চলতে চাই। অলিম্পিক্স গেমসে (Paris Olympics 2024) এর যাতে কোনও প্রভাব না পড়ে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। সে কারণেই সমস্ত বিধিনিষেধ মেনে চলা হচ্ছে।” কী প্রোটোকল মেনে চলা হচ্ছে তাও পরিষ্কার করেছেন অ্যানা মিয়ার্স। যেমন, আইসোলেশনে থাকা, বাকিরা যাতে সুরক্ষিত থাকে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।’ তবে কোভিড আক্রান্ত ওই ক্রীড়াবিদরা শেষ পর্যন্ত অলিম্পিক্সে নামবেন কিনা, সেটা মেডিক্যাল অফিসার নির্দেশ দিলেই জানা যাবে। 

    আরও পড়ুন: ভারতে কবে থেকে প্রচলন হয়েছিল আয়কর? কে চালু করেছিলেন, জানেন?

    ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মন্তব্য (Paris Olympics 2024)  

    অলিম্পিক্স আবহে এই কোভিড আতঙ্কে ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফ্রেডেরিক ভালেতো আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, “কোভিড ধরা পড়েছে ঠিকই। তবে আমরা ২০২০, ২০২১ বা ২০২২-এ দাঁড়িয়ে নেই। ঝুঁকি এড়াতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চিন্তার কিছু নেই।” উল্লেখ্য, এর আগে কোভিডের জন্য ২০২০ সালে অলিম্পিক্স আয়োজন করতে পারেনি জাপান। এক বছর পিছিয়ে ২০২১ সালে হয়েছিল টোকিয়ো অলিম্পিক্স। আর এ বারেও ফের অলিম্পিক্স শুরু হওয়ার আগেই কোভিড হানা দিল গেমস ভিলেজে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই করোনা নিয়ে ভয় বাড়ছে অ্যাথলিটদের মধ্যে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: রাস্তা খারাপ নিয়ে প্রশ্ন করতেই লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার

    Bankura: রাস্তা খারাপ নিয়ে প্রশ্ন করতেই লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বেহাল রাস্তার হাল ফেরাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পথশ্রী’ প্রকল্প চালু করেছিলেন। ঘটা করে এই প্রকল্প চালু করা হলেও বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না তা বাঁকুড়ার (Bankura) খাতড়া থানার মাইলি গ্রামের হতশ্রী রাস্তার অবস্থা দেখলেই বোঝা যাবে। অল্প বৃষ্টিতেই গ্রামের ওই রাস্তার অবস্থা বেহাল। রাস্তায় জমে রয়েছে কাদা। রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করতে বাসিন্দাদের চরম নাকাল হতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে রাস্তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তিতিবিরক্ত। রাস্তার হাল এত খারাপ কেন? স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে এমন প্রশ্ন করায় বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার (Bankura)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম পিন্টু সিংহ মহাপাত্র। বেহাল রাস্তা নিয়ে গ্রামবাসীরা (Bankura) ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য রাজকুমার সিংহ মহাপাত্র এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত। তাই, কেউ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যকে বলার সাহস দেখাননি। বিজেপি কর্মী সাহস করে বেহাল রাস্তা নিয়ে তৃণমূলের ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে নালিশ জানিয়েছিলেন। আর তাতেই চটে যান ওই পঞ্চায়েত সদস্য। অভিযোগ, প্রথমে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা হলেও পরে ওই পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর দুই ভাই পিন্টুর ওপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করেন। লাঠি ও রড দিয়ে পিন্টুকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মুহূর্তেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওই বিজেপি কর্মী। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, অন্যায় করলেও তৃণমূলকে (Trinamool Congress) কিছু বলা যাবে না। পঞ্চায়েত সদস্যকে রাস্তা সংস্কার করে দেওয়ার জন্য যে কেউ বলতে পারেন। এলাকার বাসিন্দা হিসেবে ওই বিজেপি কর্মী নালিশ জানিয়েছিলেন। তারজন্য এই হামলার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। তৃণমূল (Trinamool Congress) অবশ্য অভিযোগ উড়িয়ে বিষয়টিকে পারিবারিক ঝামেলা বলে দাবি করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna: রাজ্যের অবস্থা ভাঁড়ে মা ভবানী! নিয়োগে লাগাম টানার বার্তা দিল নবান্ন

    Nabanna: রাজ্যের অবস্থা ভাঁড়ে মা ভবানী! নিয়োগে লাগাম টানার বার্তা দিল নবান্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের অবস্থা ভাঁড়ে মা ভবানী! তাই আপাতত নিয়োগে লাগাম টানার বার্তা দিল মমতা সরকার (Nabanna)। জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য, পূর্ত, পুলিশ- এই সমস্ত সরকারি দফতরগুলিতে নতুন করে প্রয়োজন ছাড়া কোনও নিয়োগ করা হবে না, এর পাশাপাশি কোনও সরকারি ভবনও নতুন করে তৈরি করা হবে না, সম্প্রতি মুখ্য সচিব বিপি গোপালিকার নেতৃত্বে সরকারি দফতরে গুরুত্বপূর্ণ আমলাদের নিয়ে এমপাওয়ার্ড কমিটির (Nabanna) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, সেখানেই এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলিতে বহু শূন্যপদ পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই (Nabanna)

    প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলিতে বহু শূন্যপদ পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন দশ লাখ চাকরি প্রস্তুত রয়েছে! কিন্তু তা নাকি মামলার কারণেই শুরু করা যাচ্ছে না! মুখ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণা যে কতটা ফাঁকা আওয়াজ, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে উচ্চপদস্থ আমলাদের নিয়ে মুখ্য সচিবের এমন বৈঠকেই (Nabanna)। সূত্রের খবর বৈঠকে এও বলা হয়েছে, বিভিন্ন দফতরে যে সংখ্যায় নিয়োগ করা দরকার তার তালিকা তৈরি করতে হবে, তা পেশ করতে হবে। একান্ত প্রয়োজন হলেই সেই তালিকা থেকে ৫০ শতাংশ নিয়োগ করা যেতে পারে। কিন্তু তার বেশি কখনও নয়।

    সরব বিজেপি 

    রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি এ নিয়ে সরব হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, কোষাগারে যদি এতই টান তখন পূজো কমিটিগুলিকে মোট ৩৬৫ কোটি টাকা অনুদান কীভাবে দেওয়া হচ্ছে? বিজেপি নেতা সজল ঘোষের বক্তব্য, “৬০০ কোটি টাকা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রযান বানিয়ে চাঁদে পাঠিয়ে ভারতের পতাকা পুঁতে এসেছেন। আর উনি গত দু’বছরে ৬০০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছেন। এই বছর পৌনে চার কোটি টাকা খরচ করছেন। একবার ভেবে দেখুন এই টাকা দিয়ে কত মানুষের চাকরি হত?”

    কর্মীদের বেতন-সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিতে গিয়েও চাপ বেড়েই চলেছে রাজ্যের ওপরে

    সূত্রের খবর, কর্মীদের বেতন-সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিতে (Reins on Recruitment) গিয়েও চাপ বেড়েই চলেছে রাজ্যের ওপরে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরে কর্মী নিয়োগ নিয়ে প্রশাসনের শীর্ষ স্তরকে সতর্ক করলেন মুখ্যসচিব বি পি গোপালিকা। সূত্রের খবর, বৈঠকে মুখ্যসচিব পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘‘বুঝে কর্মী নিয়োগ করতে হবে (Reins on Recruitment)। শূন্য পদ হলেই লাফিয়ে নিয়োগ করতে হবে এমনটা নয়। যতটুকু প্রয়োজন, যতটুকু না হলে নয় ততটুকু নিয়োগ করুন।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Income Tax Day: ভারতে কবে থেকে প্রচলন হয়েছিল আয়কর? কে চালু করেছিলেন, জানেন?

    Income Tax Day: ভারতে কবে থেকে প্রচলন হয়েছিল আয়কর? কে চালু করেছিলেন, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার, ২৪ জুলাই ছিল আয়কর দিবস (Income Tax Day)। ১৮৬০ সালে স্যার জেমস উইলসন আয়কর ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন বলে জানা যায়। ভারতের অর্থনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন (India’s Fiscal Milestone) বলে মনে করা হয়। তবে ১৮৬০ সালে স্যার জেমস উইলসন আয়কর প্রবর্তন করলেও, তার ৬২ বছর পরে ১৯২২ সাল থেকেই প্রকৃত অর্থে এদেশের কর ব্যবস্থায় বিপ্লব আসে। সেই সময় থেকে দেশে আয়কর (Income Tax Day) আইন চালু হয়, যার ফলে ভারতে একটি কাঠামোগত কর প্রশাসন গড়ে ওঠে। এর পর ১৯২৪ সালে গঠন করা হয় কেন্দ্রীয় রাজস্ব বোর্ড, যা ১৯৬৩ সালে বিভক্ত হয়। এই সময় কালে দেশের প্রতিটি রাজ্যে আয়কর কমিশনার নিয়োগ করা হয়।

    ২০২১ সালে চালু হয় নতুন ই-ফাইলিং পোর্টাল 

    ১৯৪৬ সালে আর এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করা হয় গ্রুপ এ আধিকারিকদের নিয়োগের মাধ্যমে। এরপরে ১৯৬৩ সালে আইআরএস (ডাইরেক্ট ট্যাক্স) স্টাফ কলেজ প্রতিষ্ঠা করে সরকার। আয়কর (Income Tax Day) বিভাগে কম্পিউটারাইজেশনের সূচনা হয়েছিল ১৯৮১ সালে। ২০২১ সালে চালু হয় নতুন ই-ফাইলিং পোর্টাল। আয়কর বিভাগের এই সমস্ত সাফল্যকে স্মরণে রাখতেই প্রতি বছর ২৪ জুলাই পালন করা হয় আয়কর দিবস (India’s Fiscal Milestone)।

    একনজরে আয়কর ব্যবস্থার বিবর্তন (Income Tax Day)

    ১৮৬০: স্যার জেমস উইলসন আয়কর প্রবর্তন করলেন।

    ১৯২২: ব্যাপক স্তরে আয়কর আইন প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ১৯২৪: গঠিত হয় সেন্ট্রাল বোর্ড অফ রেভিনিউ অ্যাক্ট।

    ১৯৪৬: গ্রুপ এ আধিকারিকদের নিয়োগ।

    ১৯৫৭: প্রতিষ্ঠিত হয় আইআরএস (ডাইরেক্ট ট্যাক্স) স্টাফ কলেজ। পরে যার নাম বদলে রাখা হয় ন্যাশনাল একাডেমি অফ ডাইরেক্ট ট্যাক্সেস।

    ১৯৬৩: বিভক্ত হল কেন্দ্রীয় রাজস্ব বোর্ড।

    ১৯৮১: আয়কর বিভাগে কম্পিউটারাইজেশনের সূচনা।

    ২০০৯: সেন্ট্রালাইজড প্রসেসিং সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হল বেঙ্গালুরুতে।

    ২০১৪: আয়কর বিভাগের নতুন ওয়েবসাইটের সূচনা ।

    ২০২০: মামলা-মোকদ্দমা কমাতে এবং সরকারি রাজস্ব আয়ের জন্য ‘বিবাদ সে বিশ্বাস’ প্রকল্পের প্রবর্তন।

    ২০২১: খোলা হয় নতুন ই-ফাইলিং পোর্টাল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ballistic Missile Defence System: নয়া ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেমের সফল পরীক্ষা ভারতের, পাল্লা কত জানেন?

    Ballistic Missile Defence System: নয়া ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেমের সফল পরীক্ষা ভারতের, পাল্লা কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মিলল সাফল্য। সফল হল দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমের (Ballistic Missile Defence System) পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ। ওড়িশা উপকূলের অদূরে বুধবার এই পরীক্ষা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে কেন্দ্র। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করেছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা, সংক্ষেপে ডিআরডিও (DRDO)।

    কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী? (Ballistic Missile Defence System)

    সফল পরীক্ষার জন্য ডিআরডিওর বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, “এই সফল ফ্লাইট টেস্ট আরও একবার দেশের ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স ক্ষমতা প্রমাণ করল।” সরকারের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিকেল ৪টে ২০ মিনিটে একটি মিমিকিং অ্যাডভারসারি ব্যালিস্টিক মিসাইলকে টার্গেট মিসাইল বানিয়ে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এলসি-৪ ধর্মা থেকে। স্থলে এবং সমুদ্রে থাকা ওয়েপন সিস্টেম রাডারগুলি সেগুলিকে চিহ্নিত করেছিল। 

    লঞ্চ হল ইন্টারসেপ্টর মিসাইল…

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শত্রুরূপী মিসাইলটি রেডারে আসতেই সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাক্টিভেট হয়ে যায় এডি ইন্টারসেপ্টর সিস্টেম। ৪টে ২৪ মিনিটে ফেজ-২ এডি এনডো-অ্যাটমস্ফেরিক মিসাইলটি লঞ্চ হয়েছিল চাঁদিপুরের এলসি-৩ আরটিআর থেকে। এই ফ্লাইট টেস্ট সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক কেন্দ্রিক ওয়ারফেয়ার ওয়েপন সিস্টেমকে যাচাই করার সব ধাপগুলি সফলভাবে পেরিয়েছে। এই ওয়েপন সিস্টেমের মধ্যে রয়েছে লং রেঞ্জ সেন্সর, লো ল্যাটেন্সি কমিউনিকেশন সিস্টেম এবং এমসিসি ও অ্যাডভান্সড ইন্টারসেপ্টার মিসাইলগুলি।

    আরও পড়ুন: “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা”, তোপ কানাডার সাংসদের

    ডিআরডিও সূত্রে খবর, শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধে কার্যকরী হবে এই নয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Ballistic Missile Defence System)। ভারতীয় সেনার নয়া স্ট্র্যাটেজিক ফোর্স কমান্ডের তত্ত্বাবধানে আগেই প্রাথমিক পরীক্ষা হয়েছে এই মিসাইলের ব্যবহারিক কৌশল ও লক্ষ্যভেদের ক্ষমতা। এদিন হল দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা। সূত্রের খবর, নয়া এই মিসাইল ‘অগ্নি’ সিরিজের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নয়।

    কেন্দ্রের তরফে জারি করা ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মিসাইলটির পারফরমেন্স মনিটরিং করা হচ্ছিল ফ্লাইট ডেটা থেকে। এই ডেটা সংগ্রহ করেছিল রেঞ্জ ট্র্যাকিং যন্ত্র। জাহাজ-সহ বিভিন্ন জায়গায় (DRDO) রাখা হয়েছিল এই যন্ত্র। সেখান থেকেই মিলেছে যাবতীয় তথ্য (Ballistic Missile Defence System)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandra Arya: “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা”, তোপ কানাডার সাংসদের

    Chandra Arya: “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা”, তোপ কানাডার সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কানাডা আমাদের দেশ। আমাদের এই দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা (Gurpatwant Singh Pannun)।” বুধবার এই ভাষায়ই খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের আক্রমণ শানালেন কানাডার সাংসদ চন্দ্র আর্য (Chandra Arya)। কানাডার মাটিতে দীর্ঘদিন ধরেই তিলে তিলে বাড়ছে খালিস্তানি জঙ্গিদের ভিড়। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরুপন্ত সিং পান্নুন।

    কী বললেন কানাডার সাংসদ?(Chandra Arya)

    খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ায় তলানিতে ঠেকেছে ভারত-কানাডা সম্পর্ক। তবে কিছুই করার নেই জাস্টিন ট্রুডো সরকারের। কারণ খালিস্তানপন্থী কয়েকজন সাংসদের সমর্থনে কোনওক্রমে টিকে রয়েছে ট্রুডো সরকার। এহেন অবস্থায় কানাডার সাংসদের বক্তব্যে খানিকটা হলেও, ধাক্কা খেল ট্রুডো সরকার। আর্য বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমরা হিন্দুরা আমাদের সুন্দর দেশ কানাডায় এসেছি। সাউথ এশিয়ার সব দেশ থেকে, আফ্রিকার বহু দেশ থেকে, ক্যারিবিয়ান থেকে এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমরা এখানে এসেছি। কানাডা আমাদের দেশ।”

    কানাডা ছেড়ে চলে যেতে বলছে পান্নুন!

    সম্প্রতি একটি ভিডিওয় ‘শিখস ফর জাস্টিসে’র প্রধান গুরুপন্ত সিং পান্নুন আর্য (Chandra Arya) এবং অন্য হিন্দু বংশোদ্ভুত কানাডিয়ানদের কানাডা ছেড়ে ভারতে ফিরে যেতে বলেছে। আর্য এবং তাঁর সমর্থকদের পান্নুন এও বলেছে, আপনারা কানাডা ছেড়ে চলে যান। কারণ তিনি (আর্য) কানাডা বিরোধী কাজকর্মে লিপ্ত। কানাডার মূল্যবোধ এবং চার্টার অফ রাইটসের বিরুদ্ধাচরণ করছেন তিনি। আর্য ভারতের মাস্টারদের স্বার্থেও কাজ করছেন বলে ভিডিওয় অভিযোগ পান্নুনের। সাংসদদের কাছে আর্যের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার দাবিও জানিয়েছে শিখস ফর জাস্টিসের প্রধান।

    আরও পড়ুন: মোদির প্রকল্প চালু না করেও স্পর্ধা দেখাচ্ছেন? তৃণমূলকে নিশানা নির্মলার

    শুধু তাই নয়, আর্যকে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়ার অনুরোধও সে করেছে কানাডিয়ান পার্লামেন্টের কাছে। পান্নুন বলে, কানাডার কাছে আমরা যে বিশ্বাসযোগ্য, দশকের পর দশক ধরে আমরা খালিস্তানপন্থীরা তা প্রমাণ করেছি।

    এই ভিডিওর প্রেক্ষিতেই খালিস্তানপন্থীদের নিশানা করেছেন কানাডিয়ান সাংসদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি কানাডাকে তাঁর দেশ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “কানাডার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আমরা নিরন্তর সদর্থক অবদান রেখে চলেছি। আমাদের হিন্দু সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের সুদীর্ঘ ইতিহাসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা কানাডায় বহুধা সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছি।” এর পরেই কানাডার এই সাংসদ বলেন, “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা। স্বাধীনতার যে অধিকার (Gurpatwant Singh Pannun) কানাডিয়ান চার্টার অফ রাইটস দিয়েছে, তার অপব্যবহার করছে (Chandra Arya)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share