Tag: bjp

bjp

  • Pema Khandu: টানা তিনবার অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ বিজেপির পেমা খান্ডুর, উপমুখ্যমন্ত্রী কে?

    Pema Khandu: টানা তিনবার অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ বিজেপির পেমা খান্ডুর, উপমুখ্যমন্ত্রী কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও অরুণাচল প্রদেশে বিজেপি ঝড়। দেশে তৃতীয়বার জয়ের পাশাপাশি অরুণাচল প্রদেশেও (Arunachal Pradesh CM) অটুট রইল বিজেপির ঘাটি। বৃহস্পতিবার দর্জি খান্ডু কনভেনশন হলে টানা তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন পেমা খান্ডু (Pema Khandu)। তাঁর সঙ্গেই উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছে চওনা মেইন। পেমা এবং মেইনের পাশাপাশি এদিন রাজ্যপাল কেটি পরনায়েকের কাছে মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন বিজেপির আরও ১০ জন বিধায়ক। শপথ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জে পি নাড্ডা সহ দলের সর্বভারতীয় নেতারা। 

    অরুণাচলে বিজেপি ঝড় (Arunachal Pradesh CM) 

    লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই এ বার অরুণাচল প্রদেশে বিধানসভা ভোট হয়েছিল। ৬০ সদস্যের বিধানসভায় ৪৬টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। উল্লেখ্য, ভোটের আগেই পেমা সহ বিধানসভার ১০ জন বিজেপি প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গিয়েছিলেন। বাকি যে ৫০টি আসনে ভোট হয়েছিল তার মধ্যে ৩৬টিতে জিতে ৪৬-এ পৌঁছে গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী পেমার (Pema Khandu) নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন বিজেপি। 

    আরও পড়ুন: চিঠিতে হাতের লেখা কার? রহস্য উন্মোচনে বালুর হস্তাক্ষরের নমুনা চায় ইডি

    পেমা খান্ডুর মন্তব্য (Pema Khandu)

    বুধবার এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পেমা খান্ডুকে বিজেপির আইনসভা দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে তিনি বলেন, “আমার প্রতি বিশ্বাস রাখার জন্য আমি আমাদের সহ বিজেপি বিধায়কদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি আমাদের সাংসদ, দলের নেতা এবং কর্মীদেরও আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছি, দিনরাত কাজ করে ভোটে জয়লাভ নিশ্চিত করার জন্য।” এছাড়াও পেমা এদিন আরও বলেন যে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়নমুখী শাসনের আরেকটি মেয়াদে বিজেপিকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। 
    প্রসঙ্গত, ২০১৪-র বিধানসভা ভোটে জিতে অরুণাচলে কংগ্রেস সরকার (Arunachal Pradesh CM) গঠন করলেও পরবর্তী সময়ে মুখ্যমন্ত্রী পেমা (Pema Khandu) অধিকাংশ বিধায়ককে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এরপর ২০১৯-এর ভোটে সেখানে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা পেয়েছিল পদ্মশিবির। সেই সফলতাকে সঙ্গে নিয়েই এবারও জয়ী হল বিজেপি।  কংগ্রেস, এনপিপির মতো বিরোধী দলগুলি থাকলেও অরুণাচলে বিজেপি নিজের ঘাটি ধরে রেখেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: “ইভিএম বদল হয়েছে, যতদূর যেতে হয় যাব”, বিস্ফোরক নিশীথ প্রামাণিক

    Nisith Pramanik: “ইভিএম বদল হয়েছে, যতদূর যেতে হয় যাব”, বিস্ফোরক নিশীথ প্রামাণিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারে পরাজিত হয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। তৃণমূলের জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার কাছে প্রায় ৩৯ হাজার ২৫০ ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি। ভোটে হেরে যাওয়ার পর এবার মুখ খুললেন বিজেপি প্রার্থী। হারের জন্য ইভিএম বদলের কথাও বললেন তিনি।

    ঠিক কী বললেন বিজেপি প্রার্থী? (Nisith Pramanik)

    ভোটের ফল বের হওয়ার পর নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik) বলেন, “ভোট হয়ে যাওয়ার পর ইভিএম মেশিন সিল করা হয়েছিল। গালা সিল করে লক করা হয়। পরবর্তী সময় সেই ইভিএমের নম্বর কীভাবে বদলে যায়? এটা আমার অভিযোগ নয়, গণনা কেন্দ্রে আমাদের দলের যে সব কাউন্টিং এজেন্ট ছিলেন, তাঁরা এই অভিযোগ করেছেন। ফলে, বিষয়টিকে আমরা একেবারেই হালকাভাবে নিচ্ছি না। এজেন্টদের কথার আমরা গুরুত্ব দেব। ইভিএম বদল হয়েছে, এটা পরিষ্কার। আর সেই মতো আমরা পদক্ষেপ নেব। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় একই ব্যক্তি বার বার বুথে গিয়ে ভোট দিয়েছেন। ছাপ্পা ভোট হয়েছে। সেই অভিযোগও আমার কাছে এসেছে। ফলে, এরজন্য যতদূর যেতে হয় যাব। এর শেষ দেখে ছাড়ব।”

    আরও পড়ুন: কুয়েতে মৃত ভারতীয়দের পরিবারকে ২ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ, সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    তথ্য জোগাড় করে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গের সব আসনে বিজেপি ভাল ফল করলেও কোচবিহারে নিশীথ (Nisith Pramanik) হেরেছেন। জানা গিয়েছে, গণনা কেন্দ্রে এজেন্টরা যে ধরনের অভিযোগ নিশীথকে করেছেন, সেই মতো তিনি রাজ্য নেতৃত্বকে সমস্ত বিযয়টি জানিয়েছেন। নিশীথ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, কোচবিহারের ব্যাপারে খোঁজখবর করছি। কোচবিহারের ব্যাপারে তথ্য জোগাড় করার পরে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল নেতা পার্থপ্রতীম রায় বলেন, ফল বের হওয়ার আগে বিজেপি প্রার্থীর এসব মনে হয়নি। আসলে হারের বিষয়টা তিনি মানতে পারছেন না। তাছাড়া, উত্তরবঙ্গে বিজেপির অন্যরা জয়ী হয়েছেন, তিনি হেরে গিয়েছেন, সেটার জন্যই এখন নানা অজুহাত খাড়া করছেন। এসব করে কোনও লাভ নেই। মানুষই বিজেপিকে যোগ্য জবাব দিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Charan Majhi: কথা রাখলেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী, পুরীতে জগন্নাথ দর্শন করা যাবে চার দ্বার দিয়েই

    Mohan Charan Majhi: কথা রাখলেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী, পুরীতে জগন্নাথ দর্শন করা যাবে চার দ্বার দিয়েই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বৃহস্পতিবার থেকে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের (Jagannath Temple) চারটি প্রবেশপথই ভক্তদের জন্য খুলে দেব আমরা।” বুধবার কথাগুলি বলেছিলেন ওড়িশার নয়া মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি (Mohan Charan Majhi)। এদিনই দুপুরে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। তার পরেই বসে যান মন্ত্রিসভার বৈঠকে। এখানেই গৃহীত হয় এমনতর সিদ্ধান্ত। যে সিদ্ধান্তের জেরে উপকৃত হবেন জগন্নাথ দর্শনে আসা ভক্তরা।

    খুলে গেল চার প্রবেশপথ

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত মতোই বৃহস্পতিবার সকালে খুলে দেওয়া হয় মন্দিরের চারটি দ্বারই। তার পরেই সাধারণ পুণ্যার্থীর মতোই মন্দিরে প্রবেশ করে পুজো দেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী (Mohan Charan Majhi)। তাঁর সঙ্গে মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন রাজ্যের দুই উপমুখ্যমন্ত্রী কেভি সিং দেও এবং প্রভাবতী পারিদা। মন্দিরের চারটি দ্বারই পুণ্যার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ায় বিজেপি সরকারকে ধন্যবাদ জানান পুরী বেড়াতে আসা পর্যটকরাও।   

    মন্দির রক্ষণাবেক্ষণে বিশেষ তহবিল

    এদিকে, দ্বাদশ শতকে তৈরি প্রাচীন এই মন্দির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিশেষ তহবিল গড়ার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী (Mohan Charan Majhi)। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পুরীর সাংসদ বিজেপির সম্বিত পাত্র, বালাসোরের সাংসদ প্রতাপ চন্দ্র সারেঙ্গী এবং বিজেপি সরকারের অন্য মন্ত্রী ও নেতারা। জগন্নাথ মন্দিরে রয়েছে চারটি প্রবেশদ্বার। এতদিন পর্যন্ত দেবদর্শন করতে হলে ভক্তদের প্রবেশ করতে হত মন্দিরের সিংহ দুয়ার দিয়ে। আজ, বৃহস্পতিবার থেকেই মন্দিরের সবকটি দরজা দিয়েই ঢুকে জগন্নাথ দর্শন করতে পারছেন  পুণ্যার্থীরা।

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গেই হয়েছে ওড়িশা বিধানসভার নির্বাচনও। এই নির্বাচনের আগে পদ্ম-পার্টির তরফে প্রকাশিত ইস্তাহারে বিজেপি জানিয়েছিল, রাজ্যের ক্ষমতায় এলে পুরীর মন্দিরের চারটি দ্বারই উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে ভক্তদের জন্য। এদিনের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ইস্তাহারে দেওয়া একটি প্রতিশ্রুতি পূরণ করল ওড়িশার বিজেপি সরকার (Mohan Charan Majhi)।

    আর পড়ুন: কুয়েতে মৃত ভারতীয়দের পরিবারকে ২ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ, সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    ওড়িশার নয়া মন্ত্রিসভার সদস্য সূর্যবংশী সুরাজ বলেন, “নির্বাচন চলার সময়ই আমরা বলেছিলাম যে মন্দিরের (Jagannath Temple) চারটি প্রবেশদ্বারই খুলে দেব। সেই মতো আজ খুলে দেওয়া হল চারটি প্রবেশদ্বারই। মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্য মন্ত্রিসভার সমস্ত সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন পবিত্র মুহূর্তে।” তিনি বলেন, “গতকাল শপথ নেওয়ার পরে আজকেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করে মন্দিরের গেটগুলি খুলে দেওয়া হল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kalyani: ডায়ালিসিস করাতে এসে কল্যাণী হাসপাতালে রোগী মৃত্যু! আন্দোলনে বিজেপি

    Kalyani: ডায়ালিসিস করাতে এসে কল্যাণী হাসপাতালে রোগী মৃত্যু! আন্দোলনে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়ালিসিস করাতে এসে কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা ছড়াল নদিয়ার কল্যাণী (Kalyani) জেএনএম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রাহুল সূত্রধর (২১)। হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। এই বিক্ষোভ-আন্দোলনে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে ছিলেন কল্যাণীর বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    পরিবার সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, রাহুল সূত্রধর গত তিন দিন আগে হাসপাতালে (Kalyani) ভর্তি হন। পরপর তাঁর ডায়ালিসিস চলছিল। মঙ্গলবারও তাঁর ঠিকঠাক ডায়ালিসিস হয়েছে। বুধবার বেলা ১২টা নাগাদ তাঁর ডায়ালিসিস হওয়ার কথা। সেই মতো রোগীকে ডায়ালিসিস ওয়ার্ডে রেখে পরিবারের লোকজন নীচে অপেক্ষা করতে থাকেন। পরিবারের লোকজনকে জানিয়ে ওয়ার্ড থেকে রোগীকে ছাড়ার কথা। কিন্তু, সেটা না করেই ডায়ালিসিস হওয়ার পর রোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। আর এরপরই ওই রোগী হাসপাতালের তিনতলা বিল্ডিং থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে নীচে পড়ে যান। হাসপাতালের গেটের বাইরে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। কেউ তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে যাননি। রোগীর পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, এদিন সাড়ে তিনটে নাগাদ ওয়ার্ডে গিয়ে জানতে পারি, রোগী নেই। এরপরই আমরা রোগীকে খোঁজা শুরু করি। হাসপাতলের একপাশে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে আমরা উদ্ধার করি। এরপর জরুরি বিভাগে তাঁকে ভর্তি করি। কিছুক্ষণ পরই রোগীর মৃত্যু হয়। হাসপাতালের গাফিলতির জন্য একটি তরতাজা প্রাণ চলে গেল। আমরা দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ বিজেপির

    রোগী মৃত্যুর পরই পরিবারের লোকজন ও বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভে সামিল হন। কল্যাণীর (Kalyani) বিজেপির বিধায় অম্বিকা রায় বলেন, এই হাসপাতালের দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসার গাফিলতি  অভিযোগ রয়েছে। ডায়ালিসিস রুমে এসি নেই। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা হয়ে গেল দেহ পড়ে রয়েছে, কোনও রকম প্রশাসনিক তৎপরতা নেই। আমাদের দাবি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডায়ালিসিস ইউনিটে বিকল এসি মেশিন ঠিক করতে হবে। নাহলে আমরা বৃহত্তরও আন্দোলনে নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল

    Anubrata Mondal: অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) গড় বোলপুরে এবার লোকসভা ভোটে দাঁত ফোটাতে পারেনি তৃণমূল। পুরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডে লিড পেয়েছে বিজেপি। জেলার দুটি কেন্দ্রে বিপুল ভোটে তৃণমূল জয়লাভ করেছে। কিন্তু, বোলপুর শহরে শাসক দলের ভোট ব্যাঙ্কে কেন এরকম ভরাডুবি হল তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে।

    অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল (Anubrata Mondal)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বোলপুর শহরে ২০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টিতে তৃণমূলের থেকে বিজেপি এগিয়েছিল। সেবার অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) ওয়ার্ডেও বিজেপি পিছনে ফেলে দেয় শাসকদলকে। গত বিধানসভা নির্বাচনে বোলপুর আসন থেকে জয় এলেও শহরের ১৪টি ওয়ার্ডেই বিজেপি এগিয়েছিল। সেই নির্বাচনেও অনুব্রতের ওয়ার্ড থেকে জয় মেলেনি তৃণমূলের। যা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় দলীয় নেতৃত্বের কাছে। তবে, ২০২২ সালের পুরসভা নির্বাচনে বোলপুরে ২২টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটিতেও প্রার্থী দিতে পারেনি বিজেপি। ১০টি ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয় তৃণমূল। এমনকী, ২০২২ সালের পুর-নির্বাচনে বোলপুরে বিরাট জয় পেয়েছিল তৃণমূল। আর, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে পুরসভার ২২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টি ওয়ার্ডে তৃণমূলকে পিছনে ফেলে দিয়েছে বিজেপি। জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডল এবং মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার ওয়ার্ডও এ বার হাতছাড়া হয়েছে। দু’বছরের ব্যবধানে কেন শহরের ভোটারদের একাংশ মুখ ফেরালেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে শাসক শিবিরে। শুধু চর্চাই নয় শহরের একাধিক ওয়ার্ডে কেন তারা পিছিয়ে, তার কারণ অনুসন্ধানে নামতে চলেছে তৃণমূল। আগামী ১৩ জুন ও ২২ জুন বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকে সব ওয়ার্ডের পুর-প্রতিনিধি, শহর সভাপতি ও শহর কমিটির দায়িত্বে থাকা সকলকে ডাকা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি ওয়ার্ড ধরে ধরে কোথায় খামতি রয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন, “কেন এই খারাপ ফল হল শহরে, তা আমরা দেখব। একই সঙ্গে শহরের ভোটারেরা কেন মুখ ফেরালেন, তা-ও সকলের সঙ্গে কথা বলে জানার চেষ্টা করা হবে। কারণ, শহরের উন্নয়নের জন্য আমরা প্রচুর কাজ করেছি। তারপরও এই ধরনের ফল আশা করিনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Naihati: বুথে হেরেছেন পার্থ, তৃণমূলের হামলায় রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর, শোরগোল

    Naihati: বুথে হেরেছেন পার্থ, তৃণমূলের হামলায় রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে বুথে হেরেছেন পার্থ ভৌমিক। আর তার জেরেই বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে নৈহাটির (Naihati) মামুদপুর এলাকায়। রক্তাক্ত অবস্থায় সাধন ঘোষ নামে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে কল্যাণী এইমস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    বুথে হেরেছে পার্থ, তৃণমূলের হামলায় রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর (Naihati)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নৈহাটির (Naihati) মামুদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মাদারপুর মণ্ডলপাড়া বুথে এবার লিড পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূল এই বুথে ধরাশায়ী হতেই শাসক দলের নেতা-কর্মীদের রোষানলে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। কয়েকদিন ধরেই বিজেপি কর্মীদের হুমকি দেওয়া চলছিল। এবার বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, সাধন ঘোষ নামে ওই বিজেপি কর্মী টোটো চালিয়ে সংসার চালান। মঙ্গলবার টোটো নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে হামলা চালানোর ঘটনা ঘটে। তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা করবী বিশ্বাসের স্বামীর নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকী তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা করবী বিশ্বাস দাঁড়িয়ে থেকে হামলার নেতৃত্ব দেন। পরে, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা

    বিজেপির (Naihati) জগদ্দল মণ্ডলের সম্পাদক দশরথ সরকার বলেন, এবার বুথের ক্যাম্প অফিস দলীয় কর্মী সাধন ঘোষের বাড়ির সামনে করেছিলাম। তিনি ও তাঁর স্ত্রী এলাকায় সক্রিয় বিজেপি কর্মী। ওই বুথে পার্থ ভৌমিক ৬৫ ভোটে হেরে গিয়েছে। আর তার প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা। এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল। অন্যদিকে, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা করবী বিশ্বাস বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। আমার স্বামী সাইকেল করে বাড়ি ফিরছিলেন। উলটোদিক থেকে সাধন ঘোষ টোটো এনে দাঁড় করিয়ে দেয়। টোটো সরাতে বললে আমার স্বামীকে বেধড়ক মারতে থাকে। বাড়়ির কাছে ওই ঘটনা দেখে আমিও ছুটে যাই। আমাকেও মারধর করে। আমার স্বামী নৈহাটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। দুপক্ষই পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pravati Parida: ওড়িশার প্রথম মহিলা উপ-মুখ্যমন্ত্রী! ইতিহাস গড়লেন প্রভাতী পারিদা

    Pravati Parida: ওড়িশার প্রথম মহিলা উপ-মুখ্যমন্ত্রী! ইতিহাস গড়লেন প্রভাতী পারিদা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই মঙ্গলবার ওড়িশায় নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও উপ মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। ওড়িশার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন মোহনচরণ মাঝি। আর নবনির্বাচিত বিজেপি সরকারে একইসঙ্গে উপ মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন কনকবর্ধন সিংদেও এবং প্রভাতী পারিদা (Pravati Parida)। আর এখানেই আছে চমক। কারন বিজেপি বিধায়ক প্রভাতী পারিদাই প্রথম মহিলা যিনি ওড়িশার উপ-মুখ্যমন্ত্রী (Odisha’s First Female Deputy CM) পদে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়লেন। এদিন উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হওয়ার পর দলের সহকর্মী এবং ছয় বারের বিধায়ক কনকবর্ধন সিংদেওর সঙ্গে তাঁর পদটি ভাগ করে নিয়েছেন।    

    কে এই প্রভাতী পারিদা? (Pravati Parida)

    প্রভাতী পেশায় একজন আইনজীবী। তিনি ভুবনেশ্বরের উৎকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করে পরবর্তীতে ওড়িশা হাইকোর্টে একজন আইনজীবী হিসেবে যুক্ত হন। সাম্প্রতিক রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে নিমাপাড়া আসনে বিজেডির দিলীপকুমার নায়ককে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার ভোটে হারিয়ে বিজয়ী হন তিনি। জানা গিয়েছে, বুধবারই উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহন করার কথা তাঁর। 

    আরও পড়ুন: চাকরি ‘বিক্রি’ করে ব্যাঙ্কে ৭২ কোটি! এসএসসিকাণ্ডে ধৃত প্রসন্নর বিরুদ্ধে নয়া তথ্য ফাঁস ইডির

    ওড়িশার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হলেন মোহনচরণ মাঝি 

    ৫৩ বছর বয়সি মোহন মাঝি আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। ২০০০ সালে প্রথম তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হন। চারবারের বিধায়ক মোহন মাঝি (Mohan Majhi) জনসেবা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এবারের নির্বাচনে কেওনঝড় বিধানসভা থেকে মোহন মাঝি বিজেডির মীনা মাঝিকে হারিয়ে ৮৭ হাজার ৮১৫ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। এদিনের বৈঠক শেষে রাজনাথ বলেন, “মোহন মাঝি হলেন একজন নবীন এবং দক্ষ কার্যকর্তা। তিনি ওড়িশাকে আগামিদিনে প্রগতি ও উন্নতির  পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।” উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের সঙ্গেই ওড়িশায় (Odisha) বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। সেই ভোটে ২৪ বছরের বিজু জনতা দলের মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক জমানার শেষ হয়। অন্যদিকে ২০০০ এবং ২০০৪ সালে নবীনের সঙ্গে জোট সরকারে থাকলেও ওড়িশায় এককভাবে বিজেপি (BJP) এই প্রথম সরকার গঠন করতে চলেছে। 
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dev: দেবের গ্রামে কুপোকাত তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা মহিষদাবাসীর

    Dev: দেবের গ্রামে কুপোকাত তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা মহিষদাবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটাল লোকসভায় ফের জয় হাসিল করেছে তৃণমূল। বিশেষ করে কেশপুর বিধানসভায় বিপুল পরিমাণে লিড পেয়েছে শাসক দল। কিন্তু, তৃণমূল সাংসদ দেবের (Dev) আদি বাড়ি কেশপুরের মহিষদায় ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল। নিজের গ্রামের বুথে বিজেপি এগিয়ে থাকায় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    দেবের গ্রামে কুপোকাত তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা মহিষদাবাসীর (Dev)

    দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৪ এবং ২০১৯, এই দু’বারই কেশপুরে ভোটের প্রচার শুরুর আগে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন দেব (Dev)। এ বারে অবশ্য তিনি এখানে এসেছিলেন, তবে প্রচারের শেষ পর্বে। বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ও মহিষদায় প্রচারে গিয়েছিলেন। মহিষদার মানুষ হিরণের ওপর আস্থা রেখেছেন। জানা গিয়েছে, কেশপুর বিধানসভায় ২৮২টি বুথের মধ্যে ৩০টিরও বেশি বুথে বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা এক থেকে ন’টি। একটি বুথে তো বিজেপির প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা শূন্য! অভিষেকের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে কেশপুর থেকে এক লক্ষ তিন হাজার ভোটের লিড পেয়েছিলেন ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দেব। আর সেখানেই সাংসদের নিজের গ্রাম মহিষদায় অন্য ছবি ধরা পড়েছে। মহিষদার ১৮৩ নম্বর বুথটি দেবের গ্রামের বুথ। সেখানে ভোট পড়েছে ৬০৮টি। বিজেপি পেয়েছে ৩৩৯টি (৫৫.৭৫ শতাংশ), তৃণমূল ২০৮টি (৩৪.২১ শতাংশ)। বামে গিয়েছে ৩৬টি ভোট, নোটায় ন’টি। এই বিষয়ে কেশপুরের তৃণমূল বিধায়ক তথা মন্ত্রী শিউলি সাহা বলেন, “ঘরের ছেলেকেও মান্যতা দেয়নি ওরা। উন্নয়ন কিছু কম হয়নি ওখানে। যে সরকার মানুষের কাজ করবে, মানুষেরও উচিত সেই সরকারের পাশে থাকা। আসলে দেবের গ্রাম মহিষদায় বামের ভোট রামে গিয়েছে। তাই সেখানে তৃণমূল পিছিয়ে পড়েছে।”

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    বিজেপি নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষ অবশ্য বলছেন, “মানুষ বিজেপিকে চেয়েছে। তাই মহিষদার বুথে আমরা এগিয়ে আছি। ঠিকমতো ভোট হলে কেশপুরের সব বুথেই তৃণমূল পিছিয়ে থাকত। মহিষদাতে ভোট লুট করতে পারেনি বলেই সেখানে বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    Balurghat: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারের লোকসভা নির্বাচনে সুকান্তর গড় বালুরঘাটে (Balurghat) গ্রামীণ ভোটে থাবা বসালো বিজেপি। জানা গিয়েছে, বালুরঘাট ও হিলির অধিকাংশ পঞ্চায়েতে লিড পেয়েছে বিজেপি। ফলে, বালুরঘাটে শুধু পুরসভা এলাকা নয়, পঞ্চায়েত এলাকাতেও বিজেপি আস্থা ফিরে পেল।

    ১৩টি পঞ্চায়েতে বিজেপির লিড (Balurghat)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের দখলে ছিল বালুরঘাট (Balurghat), হিলি ব্লকের ১৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও দুটি পঞ্চায়েত সমিতি। তার মধ্যে ১৩ টিতে লিড পেয়েছে বিজেপি। খোদ বালুরঘাট ব্লক তৃণমূল সভাপতির অঞ্চলে প্রায় ৭ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। এমন ফলাফলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা বলছে শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের একাংশের অভিযোগ, বিপ্লব বিরুদ্ধ গোষ্ঠী বিজেপির সঙ্গে আঁতাত করার জন্যই এমন ফল হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বালুরঘাট মহকুমায় বিশেষ করে বালুরঘাট ও হিলি ব্লকে ভোটের দায়িত্বভার যায় প্রাক্তন জেলা সভাপতি অর্পিতা ঘোষের কাঁধে। তখন অঞ্চল ও ব্লক সভাপতিদের পরিবর্তন করা হয়। নিজের অনুগামীদের পদে বসান অর্পিতা। প্রত্যেক অঞ্চলে নিজের মতো সংগঠন সাজিয়ে পঞ্চায়েত ভোট পার করেছিলেন অর্পিতা। সেবার দুই ব্লক মিলিয়ে শুধুমাত্র চিঙ্গিসপুর ও ভাটপাড়া হাতছাড়া হয়। লোকসভা নির্বাচনে বিপ্লব মিত্র প্রার্থী হতেই পুরানো সংগঠনে বদল না করা হলেও যাতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না হয়, সেজন্য অঞ্চল সভাপতিদের পাশাপাশি বিপ্লব অনুগামীদের কনভেনর করে জুড়ে দেওয়া হয়। নির্বাচনী প্রচারের সময় বিপ্লব অনুগামী কনভেনররা বার বার করে অভিযোগ করেছিলেন, প্রধানরা কোনও কাজ করছেন না। অভিযোগ ওঠে বিপ্লব বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর নেতা-কর্মীরা দলের বিরুদ্ধে প্রচার করছেন। সেসব কারণেই দুই ব্লকের পাঞ্জুল বাদ দিয়ে প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েতে পিছিয়ে পড়তে হয়েছে বলে মনে করছে দলের একাংশ।

    আরও পড়ুন: লোকসভার ভোটও দিয়েছে! জাল নথি সহ গ্রেফতার চার বাংলাদেশি, কোথায় লুকিয়ে ছিল?

    দলের গদ্দারদের জন্য এই ফল!

    এই বিষয়ে বিপ্লবমিত্র বলেন, বালুরঘাট ও হিলিতে ফল খারাপ হবে ধরে নিয়েছিলাম। কিন্তু, এত খারাপ ফল হতে পারে ভাবতে পারিনি। রিপোর্ট তৈরি করছি। দ্রুত রাজ্য নেতৃত্বের কাছে জমা দেওয়া হবে। দুই ব্লক মিলিয়ে শুধু পাঞ্জুল গ্রাম পঞ্চায়েতে আমরা লিড পেয়েছি। দলের কিছু গদ্দার বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমার বিরুদ্ধে কাজ করেছে। দলে গদ্দারদের জন্য এই ফল। তাদের সবার বিরুদ্ধে রাজ্য নেতৃত্ব ব্যবস্থা নেবে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এই বিষয়ে বিজেপির জেলার (Balurghat) সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, পঞ্চায়েতগুলো তৃণমূল চুরি করে দখল করে নিয়েছিল। সেই চুরি করার জবাব মানুষ এই লোকসভা ভোটে দিয়ে দিয়েছে। ১৪টি গ্রামপঞ্চায়েতের মধ্যে একটা পঞ্চায়েত বাদে বাকি সব গুলো পঞ্চায়েতে আমরা লিড পেয়েছি। আর ওদের তো কাজ করার মতো লোক নেই, সব চুরি করার জন্য লোক আছে। নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল করার লোক আছে। মানুষ এবার সঠিক জবাব দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Clash: নিজেদেরই প্রধান, দলের যুব সভাপতির বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    TMC Clash: নিজেদেরই প্রধান, দলের যুব সভাপতির বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের প্রধানের বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল দলেরই অঞ্চল সভাপতি রাজা সরকার ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির পান্ডুয়া থানার হরাল দাসপুর পঞ্চায়েত এলাকায়। একইসঙ্গে তৃণমূলের যুব সভাপতির বাড়িতেও ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল (TMC Clash) প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    প্রধানের বাড়ি ভাঙচুর, যুব নেতার বাড়িতে হামলা (TMC Clash)

    সোমবার রাতে পাণ্ডুয়া থানার হরাল দাসপুর পঞ্চায়েত প্রধান করুণ ক্ষেত্রপালের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের (TMC Clash) অভিযোগ উঠেছে রাজা সরকার ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি প্রধানকে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন পঞ্চায়েত প্রধান করুনা ক্ষেত্রপাল। অন্যদিকে, হরাল দাসপুর অঞ্চল তৃণমূল যুব সভাপতি আসিফ মল্লিকের বাড়িতেও হামলা চালায় স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি রাজা সরকার সহ তাঁর অনুগামীরা। ভাঙচুরের পাশাপাশি তাঁকে  মারধর করা হয়। পরিবারের সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাঁরাও আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আসিফ মল্লিকের বাবা আব্দুল আজিম মল্লিক ও এক প্রতিবেশী। হামলার পরিপ্রেক্ষিতে দলের একাধিক কর্মীর নামে পাণ্ডুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তৃণমূল যুব সভাপতি আসিফ মল্লিক। হামলার পরিপ্রেক্ষিতে একজনকে গ্রেফতার করেছে পান্ডুয়া থানার পুলিশ। যদিও এই বিষয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রাজা সরকারের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    হামলা নিয়ে কী বললেন প্রধান?

    হরাল দাসপুর পঞ্চায়েতের তৃণমূল (TMC Clash) প্রধান করুণা ক্ষেত্রপাল বলেন, আমি তৃণমূলের প্রধান। আমি ভাবিনি যে এই দল করলে আমার এই পরিণতি হবে। বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি দলের লোকেরাই এসে মারার হুমকি দেবে! হরাল দাসপুর অঞ্চল তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি আশিফ মল্লিক বলেন, সোমবার  রাতে বাড়িতে বসেছিলাম। হঠাৎ করে বাড়িতে চড়াও হয়ে বাড়িতে ভাঙচুর করে। পরিবারের লোকজন বাধা দিলে তাঁদেরও মারধর করা হয়। কারণ, আমরা পঞ্চায়েতটা স্বচ্ছভাবে চালাচ্ছি। এখন কাজের ওপেন টেন্ডার হয়। কোন দুর্নীতি হয় না। তাই এই হামলা হয়েছে।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির জেলা সভাপতি তুষার মজুমদার বলেন, এটা এলাকা দখলের লড়াই। ভোটে জিতে কে কোন এলাকা দখল করবে, কী ভাবে তোলাবাজি করবে তার লড়াই চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share