Tag: bjp

bjp

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূল চোর আর হাজি নুরুল দাঙ্গাবাজ”, সপ্তম দফার ভোটপ্রচারে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূল চোর আর হাজি নুরুল দাঙ্গাবাজ”, সপ্তম দফার ভোটপ্রচারে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সপ্তদফার নির্বাচনে ভোট গ্রহণের আগে বসিরহাটে নির্বাচনী প্রচার সভা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের তৃণমূল শাসনে ভোট লুট, দুর্নীতি, নারী নির্যাতন সহ একাধিক বিষয়ে মমতার সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, “তৃণমূল চোর আর হাজি নুরুল দাঙ্গাবাজ”। লোকসভার আগে থেকেই তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সন্দেশখালি ক্ষোভের আগুনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল সরকারের নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে নিশানা করেছেন।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    বসিরহাটে লোকসভার ভোট প্রচারের মঞ্চ থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভাইপো হেলিকপ্টারে এসে সভা করে গিয়েছেন এই মাঠে, তাই আর কেউ সভা করতে পারবে না। মামার বাড়ির আবদার! রাজা প্রতাপাতিদ্যের বংশধর মনে করছিলেন নিজেকে। এমনটা ভেবে ছিলেন কিন্তু বাস্তবে হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিজেপির সভা হয়েছে। অর্জুনের লক্ষ্য ভেদ করতে হবে। সকলে ভোট দিতে পারবেন। তৃণমূলের দিন শেষ। দেগঙ্গায় অশান্তির মূলের হাজি নুরুল। এই এলাকার এক নেতা জেলের ভিতরে আছেন। পুলিশের গাড়িতে কান্না করছিলেন। হাজার হাজার মানুষকে কাঁদিয়েছেন। তিনি আবার বলেছিলেন বসিরহাট জেতার জন্য নাকি তাঁকে জেলে ঢোকানো হয়েছে। নদীর ওপারে আছেন আরেক ছোট ভাই। শওকত মোল্লা, তিনিও ব্যাগ গোছাচ্ছেন যাবেন জেলে। মাঠে কেউ নেই, আছে মাত্র পুলিশ। আজ রাতে যদি কোনও গ্রামে রাতে পুলিশ ঢুকলে, শঙ্খ বাজাবেন মায়েরা। যুবকরা বাঁশি বাজাবেন। তৃণমূল মুখে আওয়াজ করবে কিন্তু টাচ্‌ করতে পারবে না।”

    আরও পড়ুনঃ মহিলাদের ফোন নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল, বিস্ফোরক সুকান্ত

    আর কী বললেন?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ভোট প্রচারে বলেন, “আগে ভোট দিয়ে তারপর ভোট প্রদান করবেন। বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকবে। আমার নম্বর দেওয়া আছে। হোয়াটস্যাপে কল করবেন। ছবি ভিডিও পাঠাবেন। বুথ নম্বর, থানা উল্লেখ করে নাম ফোন নম্বর দিয়ে আমাকে মেসেজ করবেন। সকলকে একসঙ্গে একত্রিত হয়ে লড়াই করতে হবে। পোলিং এজেন্টের বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে। সকাল সাড়ে দশটার মধ্যে ভোট দিতে হবে। বিশ্বাসযোগ্য লোক ছাড়া কেউ যেন নাম জানতে না পারেন। আইপ্যাকের চোরেরা টাকার অফার করতে পারে। আবার পুলিশ জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখতে পারে। তাই সকলকে সাবধানে থাকতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: মহিলাদের ফোন নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল, বিস্ফোরক সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: মহিলাদের ফোন নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল, বিস্ফোরক সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের ফোন নম্বর জোগাড় করতে সরকারি প্রকল্পে ফর্ম ফিলআপ করাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর সেই নম্বর দিয়ে দেওয়া হচ্ছে আইপ্যাকের কাছে। রাজ্যে সপ্তম দফা নির্বাচনের আগে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ইতিমধ্যে রাজ্যে সন্দেশখালি প্রসঙ্গে নারী নির্যাতন নিয়ে তৃণমূল সরকার চাপের মধ্যে রয়েছে। বিজেপি নেতার এই অভিযোগে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “মহিলাদের তৃণমূল কুপ্রস্তাব যে দেবে না তার কী নিশ্চয়তা? দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে সরকারি প্রকল্পে ফর্ম ফিলাপের নামে মহিলাদের ফোন নম্বর এবং ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার কাজ করছে তৃণমূল। এই তথ্য এরপর তুলে দেওয়া হবে আইপ্যাকের কাছে। এই নম্বর এবং তথ্যকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের জনমতকে প্রভাবিত করবে তৃণমূল। তথ্যপাচারের মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে তৃণমূল।”

    আর কী বললেন?

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) একই ভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “এই ভাবে এলাকায় এলাকায় মহিলাদের নম্বর নিয়ে তাঁদের সঙ্গে অভব্য আচরণের কাজে লিপ্ত হবে না তো তৃণমূল? সন্দেশখালিতে যেমন মহিলাদের নির্যাতন করা হয়েছিল, এমন ঘটনা ঘটবে নাতো? আমার মনে হয় এইরকম ঘটনার ছক করছে তৃণমূল। আমাদের বসিরহাট কেন্দ্রের প্রার্থী রেখা পাত্রের ব্যক্তিগত তথ্য তৃণমূলের চোরেরা প্রকাশ করে সম্ভ্রমহানির মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। তৃণমূল নেতা দেবাশু এই কাজের নেতৃত্ব দিয়েছে। এখন প্রশ্ন হল সরকারের তথ্য তৃণমূল নেতার কাছে কীভাবে পৌঁছাল।

    প্রধানমন্ত্রী নিশান করেছেন তৃণমূলকে

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন নারী কিন্তু তারপরেও জেলায় জেলায় নারী দর্শন, খুন, ধর্ষণ, হত্যার ঘটনায় বিজেপি বার বার সরব হয়েছে। সন্দেশখালির মহিলাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে রাতভর পার্টি অফিসে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। এই অভিযোগে শাহজাহানের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন হয়েছে একাধিক সময়ে। রাজ্যে মা-বোনদের নিরাপত্তা সুরক্ষা নিয়ে বুধবার কাকদ্বীপের এক সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও নিশানা করেছেন তৃণমূল সরকারকে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘পিছিয়ে পড়া শ্রেণির কোটা গিলে খেয়েছে কংগ্রেস’, দাবি বিজেপির বিজ্ঞাপনী ভিডিওয়

    BJP: ‘পিছিয়ে পড়া শ্রেণির কোটা গিলে খেয়েছে কংগ্রেস’, দাবি বিজেপির বিজ্ঞাপনী ভিডিওয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তম দফার লোকসভা নির্বাচন হওয়ার কথা পয়লা জুন। তার আগেও বিজেপিকে পরাস্ত করতে কংগ্রেসের হাতিয়ার সেই সংরক্ষণ। ‘ইন্ডি’ জোটের সব চেয়ে বড় দল কংগ্রেসকে এনিয়ে ফের নিশানা করল বিজেপি (BJP)। বুধবার “মেরা ভোট মেরা অধিকার, হোয়্যারইন ইট অ্যাটেম্পটড টু এক্সপোজ দ্য কংগ্রেস” শীর্ষক একটি ভিডিও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে বিজেপি। এই ভিডিওতেই পদ্ম-পার্টির তরফে দেখানো হয়েছে কীভাবে দলিত, এসসি-এসটি, পিছিয়ে পড়া শ্রেণি এবং অতি পিছিয়ে পড়া শ্রেণির সংরক্ষণের কোটা খেয়ে ফেলে তালিকায় ঢোকানো হয়েছে সংখ্যালঘু (পড়ুন, মুসলমান) সম্প্রদায়কে।

    কংগ্রেসকে তোপ (BJP)

    ভিডিওটি মাত্র আটচল্লিশ সেকেন্ডের। সেখানে বিজেপি (BJP) তুলে ধরেছে, কীভাবে কংগ্রেস ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। এসসি-এসটি-ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে প্রান্তিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গণ-হিস্টিরিয়া ছড়াচ্ছে। কংগ্রেস কীভাবে এসসি-এসটি-ওবিসিদের ওই তালিকা থেকে বের করে দিয়ে গিলে ফেলছে ওবিসিদের কোটা। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, কংগ্রেস কীভাবে ব্যাকওয়ার্ড শ্রেণির সংরক্ষণের বিরোধিতা করে আসছে, তা নিয়ে আলোচনা করছেন তরুণ প্রজন্মের কয়েকজন।

    বাবা সাহেবের কথা অমান্য!

    তাঁরা বলছেন, কংগ্রেস কীভাবে বাবা সাহেব আম্বেডকরের কথা অমান্য করেছে। তারা কখনওই উপজাতিদের ন্যায়বিচার দেয়নি। কংগ্রেসই একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া মিলিয়া এবং আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে এসসি-এসটি-ওবিসিদের সংরক্ষণ অনুমোদন করেনি। এই বিষয়েও আলোকপাত করেছেন ওই তরুণরা। বিজ্ঞাপনে থাকা তরুণদের এও বলতে শোনা গিয়েছে, কীভাবে ২০০৯ সালের নির্বাচনী ইস্তাহারে কংগ্রেস সরকারি চাকরি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ চালু করেছে কেরল, কর্নাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশে।

    এই ভিডিওতেই মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে কীভাবে কংগ্রেস ২০০৪ সালে ক্ষমতায় এসেছিল। অন্ধ্রপ্রদেশের এসসি-এসটির কোটার বদলে তারা মুসলমানদের সংরক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যদিও সেবার তা করতে ব্যর্থ হয়েছিল তারা। তবে ২০১১ সালে গোটা দেশে এটা লাগু করার চেষ্টাও করেছিল গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। ভোট ব্যাঙ্ক ধরে রাখতে কংগ্রেস পিছিয়ে পড়া শ্রেণির কোটার ভাগ থেকে কিছুটা অংশ মুসলমানদের দিতে চাইছে বলেও দাবি করা হয়েছে ভিডিওতে। শেষে নাগরিকদের বিচার-বিবেচনা করে ভোট দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে গেরুয়া পার্টি।

    আর পড়ুন: বিরোধীদের ‘ব্রহ্মাস্ত্রে’ই তাঁদের ঘায়েল করলেন প্রধানমন্ত্রী, কীভাবে জানেন?

    এদিকে, বিরোধীরা ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ করতে চাইছে বলেও অভিযোগ বিজেপির। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “সংবিধানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণ হবে না (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: “মহিলাদের বলছি মুড়ো ঝাঁটা নিয়ে তৈরি থাকবেন”, নাম না করে স্বপনকে হুমকি কাকলির

    BJP: “মহিলাদের বলছি মুড়ো ঝাঁটা নিয়ে তৈরি থাকবেন”, নাম না করে স্বপনকে হুমকি কাকলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখানকার মহিলাদের বলছি মুড়ো ঝাঁটা নিয়ে তৈরি থাকবেন। নাম না করে বিজেপি প্রার্থী স্বপন মজুমদারকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। আগামী ১ জুন শেষ দফার নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। ইতিমধ্যে রাজ্যে প্রচারে এসেছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সন্দেশখালির ইস্যু নিয়ে মমতার সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেছেন তিনি। পাল্টা মমতাও বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন। এরপর একধাপ এগিয়ে উস্কানি মূলক ভাষণদেন কাকালি।

    ঠিক কী বললেন কাকলি (Lok Sabha Election 2024)?

    রাজ্যে ভোট (Lok Sabha Election 2024) আবহে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন প্রচার যখন জমজমাট, ঠিক সেই সময়ে তৃণমূল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদার বিজেপি প্রার্থী স্বপন মজুমদারের বিরুদ্ধে উস্কানি মূলক মন্তব্য করেন। তিনি বিধাননগরে ভোটের প্রচারে গিয়ে বলেন, “এখানকার মহিলাদের বলছি মুড়ো ঝাঁটা নিয়ে তৈরি থাকবেন।” সেই সঙ্গে একাধিক ইস্যু যেমন-দ্রব্যমূল্য, বেকারত্ব ইত্যাদি বিষয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেন তিনি।

    বিজেপির বক্তব্য

    তৃণমূল প্রার্থীর এই উক্তিতে বিজেপি প্রার্থী স্বপন মজুমদার দারুণ ভাবে ক্ষিপ্ত হয়েছেন। তিনি পাল্টা তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “যাঁরা চুরি করেছে তাঁরাই ঝাঁটার বাড়ি খাবে। তৃণমূল প্রার্থী মূলত প্রচারে নেই। নিজে ভোটে (Lok Sabha Election 2024) হারবেন বলেই এই ধরনের কথা বলছেন। এটা উস্কানি এবং হিংসা ছড়ানোর অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই না। আগামী ৪ জুন বোঝা যাবে মানুষ ঠিক কাকে চান।”

    আরও পড়ুনঃ “করোনা থেকে ভয়ঙ্কর তৃণমূল বাহিনী”, ভোটের আগে ক্ষোভ প্রকাশ নির্যাতিতা বধূর

    আগেও হুমকির নিদান তৃণমূলের

    উল্লেখ্য আগেও একাধিক তৃণমূল নেতা বিজেপি প্রার্থীদের ভোট(Lok Sabha Election 2024) চাইতে গেলে উস্কানি মূলক মন্তব্য করে বির্তকে জড়িয়েছেন। গত বিধানসভার নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার নিদান দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার এই লোকসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া প্রার্থী সুভাষ সরকারকে গাছে বেঁধে রাখার উস্কানি মূলক মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CAA: “মোদিজিকে শতকোটি প্রণাম”, নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেয়ে বললেন নিউ বারাকপুরের দেবপ্রসাদ

    CAA: “মোদিজিকে শতকোটি প্রণাম”, নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেয়ে বললেন নিউ বারাকপুরের দেবপ্রসাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ দফা ভোটের আগেই রাজ্যে চালু হয়ে গেল সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বুধবার থেকে নাগরিকত্ব (CAA) শংসাপত্র দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবারও অনেকে নাগরিকত্বের কাগজ হাতে পেয়েছেন। যাঁরা শংসাপত্র পেয়েছেন, তাঁরা মূলত নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা।

    রাজ্যে প্রথম দফায় ৮ জন নাগরিকত্ব পেয়েছেন (CAA)

    শেষ দফায় বারাসত, বসিরহাট, দমদম, জয়নগরের মতো আসনে ভোটগ্রহণ রয়েছে। এই সব কেন্দ্রে মতুয়া পরিবারের বসবাস রয়েছে। যাদের একটি বড় অংশ বিভিন্ন সময়ে ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন। বুধবার এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি প্রথম দফার যোগ্য আবেদনকারীদের নাগরিকত্বের আবেদন মঞ্জুর করেছে। যোগ্যদের শংসাপত্র দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় মোট ৮ জন নাগরিকত্ব (CAA) পেলেন। তারমধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ৭ জন রয়েছেন। আর নদিয়া জেলায় একজন রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: কেরলে ঢুকে পড়ল বর্ষা, কয়েক দিনেই পৌঁছবে উত্তর-পূর্ব ভারতে

    প্রথম দফায় কারা পেলেন নাগরিকত্ব

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনায় মোট ৭ জন রয়েছেন। এরমধ্যে মৃণালকান্তি দাস ও তাঁর স্ত্রী শর্বরী দাস রয়েছেন। তাঁদের বাড়ি উত্তর দমদম পুরসভার বিরাটি। অনলাইনে কিছুদিন আগেই তিনি আবেদন করেছিলেন। বুধবারই নাগরিকত্ব পাওয়ার কাগজ তাঁরা হাতে পান। নিউ বারাকপুর লেলিনগড় এলাকার বাসিন্দা দেবপ্রসাদ গায়েনও বুধবার নাগরিকত্বের কাগজ হাতে পেয়েছেন। গাইঘাটা থানার ঠাকুরনগর কেষ্টনগরের বাসিন্দা শান্তিলতা বিশ্বাস বৃহস্পতিবার নাগরিকত্বের কাগজ হাতে পান। এছাড়া নাগরিকত্ব পাওয়ার তালিকায় রয়েছেন অনির্বাণ নন্দী, নিলয় ঘোষ এবং অর্ণব ঘোষ। প্রত্যেকের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। আর নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরের ভীমপুর আশানগরের বাসিন্দা বিকাশ মণ্ডলও বুধবার নাগরিকত্বের (CAA) কাগজ হাতে পেয়েছেন।

    মোদিজিকে শতকোটি প্রণাম জানালেন সকলেই

    দেবপ্রসাদ গায়েন নামে এক যুবক বলেন, ১৫ দিন আগে আমি অনলাইনে আবেদন করেছিলাম। বুধবার আমি কাগজপত্র হাতে পেয়েছি। এতদিন পর এই দেশের নাগরিক (CAA) হতে পেরে আমরা চরম খুশি। মোদিজি যে গ্যারান্টি দেন, তা রাখেন। আমাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার ঘটনা তাঁর জ্বলন্ত উদাহরণ। মোদিজিকে শতকোটি প্রণাম জানাই। আমি সকলকেই বলতে চাই, যাঁরা এখনও সিএএ নিয়ে ভাবছেন, তাঁরা অনলাইনে আবেদন করুন। মোদিজির ওপর ভরসা রাখুন, হতাশ হবেন না। ঠাকুরনগরের বাসিন্দা তারক বিশ্বাস বলেন, আমরা স্বামী-স্ত্রী মিলে আবেদন করেছিলাম। স্ত্রী কাগজ হাতে পেয়ে গিয়েছে। আমি খুব শীঘ্রই পেয়ে যাব। শান্তনু ঠাকুর আর নরেন্দ্র মোদিকে হাজার কোটি প্রণাম জানাই। তাঁদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব আমরা।

    মমতাকে আক্রমণ করলেন সুকান্ত

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “রাজ্যে কবে থেকে নাগরিকত্ব দেওয়া শুরু হবে, তা নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্ন ছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সেই ধোঁয়াশা কাটিয়ে দিয়েছে। এর থেকে স্পষ্ট সিএএ (CAA) রূপায়ণ হতে দেব না বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যতই দাবি করুন না কেন, তিনি যে এ বিষয়ে কিছু করতে পারবেন না তা স্পষ্ট হয়ে গেল। এক-এক করে যারা আবেদন করেছেন তাঁরা সকলেই নাগরিকত্ব পাবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “করোনা থেকে ভয়ঙ্কর তৃণমূল বাহিনী”, ভোটের আগে ক্ষোভ প্রকাশ নির্যাতিতা বধূর

    Sandeshkhali: “করোনা থেকে ভয়ঙ্কর তৃণমূল বাহিনী”, ভোটের আগে ক্ষোভ প্রকাশ নির্যাতিতা বধূর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা থেকে ভয়ঙ্কর তৃণমূল বাহিনী। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এই ভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) নির্যাতিতা গ্রামের গৃহবধূ। ভোটের মরশুমে তৃণমূল কিছু ভূয়ো ভিডিও প্রকাশ করায় এলাকার মহিলারা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। গ্রামের মহিলাদের দাবি, অত্যাচারের কথা মিথ্যা নয়, আমাদের কণ্ঠস্বরের উপর অন্যের কণ্ঠস্বর বাসনো হয়েছে। ইতি মধ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসে দেশের প্রধানমন্ত্রী সন্দেশখালিতে মা-বোনদের উপর অত্যাচারের কথা নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র নিশানা করেছেন। এক বেসরকারি সাংবাদ মাধ্যমকে অত্যাচারের শিকার এক বধূ নিজের বক্তব্য প্রকাশ করেন।

    কী বললেন গৃহবধূ (Sandeshkhali)?

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এই বধূ নিজের ঘরের ভিতরে জানালার ভিতর থেকে বলেন, “ভয়ের মধ্যে রয়েছি। এখন তৃণমূল বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে। গুন্ডাদের পায়ের নিচের মাটি সরে গিয়েছে। ভোটের মধ্যে এসে বলছে সরকারি সুবিধা দেবো। ঘর দেবে, কাজের টাকা দেবে ইত্যাদির প্রলোভন দিচ্ছে। শেখ শাহজাহান না থাকলে কী হবে, তার থেকেও বড় দুষ্কৃতীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে এলাকায়। আমার স্বামীকে মিথ্যা কেসে ফাঁসানো হয়েছে। একটা দুটো নয় পাঁচ পাঁচটা কেস দিয়েছে। এখন ভোটের অপেক্ষায় আছি। আমাদের লড়াই চোখের জলের লড়াই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমরা ডেকেছিলাম, তিনি নিজে এসে আমাদের কথা শোনেননি। তাঁর নির্দেশে এই এলাকায় তৃণমূল অত্যাচার করেছে। তিনি এবার বলেছেন জিতলে আসবেন। কিন্তু যখন আমাদের দরকার তখন তিনি আসেননি।”

    আরও পড়ুনঃ ফের ইডির জেরার মুখে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা, এবার তলব রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে

    আর কী বললেন বধূ?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে অত্যচারের শিকার এই গ্রামের বধূ আরও বলেন, “একটা সময়ে অনেকেই তৃণমূল করত এলাকায়, তৃণমূল বাহিনীর দৌরাত্ম্য আমারা দেখেছি। করোনা ভাইরাসের থেকেও ভয়ঙ্কর তৃণমূল। উত্তম-শিবুদের ভয়ে মানুষ ভয়ে ভয়ে থাকতেন। যখন তখন বাড়ির (Sandeshkhali) মহিলাদের ডেকে নিয়ে যেত ওরা। থানায় গেলে পুলিশ বলত দাদার কাছে যান, অনেক মানুষকে অত্যাচারের শিকার হতে হয়েছে। রাজ্যের পুলিশের ওপর আমাদের কোনও আস্থা নেই। আমরা কোনও দিন ভোট দিতে পারিনি। গত বিধানসভা ভোটের সময় আমরা বাড়ি থেকে অন্যত্র লুকিয়ে ছিলাম। ওরা বলত দাদা ডাকালেই যেতে হবে, যখন ইচ্ছে তখন তুলে নিয়ে যেত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ভাঙড়ে একই দিনে স্থানীয় তৃণমূল নেতার সভা, শুভেন্দুর সভাকে বাতিল করল প্রশাসন

    Suvendu Adhikari: ভাঙড়ে একই দিনে স্থানীয় তৃণমূল নেতার সভা, শুভেন্দুর সভাকে বাতিল করল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সপ্তম দফা ভোটের প্রচার জমে উঠেছে। আগামী ১ জুলাই শেষ পর্বের ভোট গ্রহণ হবে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুই দিনে আশোকনগর, যাদবপুর, কাকদ্বীপে তিনটি জনসভা এবং কোলকাতায় একটি রোডশো করেছেন। তাঁর ভোটের প্রচার ছিল দারুণ জমজমাট। এই প্রচারের মধ্যেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ভাঙড়ে একটি সভা করার কথা ছিল বুধবার। কিন্তু সেই সভাকে অনুমতি দিল না প্রশাসন। ঘটনায় প্রশাসন এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছে বিজেপি।

    বিজেপির অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    ভাঙড়ে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভা বাতিল করায় বিজেপি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, রাজনৈতিক প্রতি হিংসার কারণে এই সভাকে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা যে স্থানীয় তৃণমূল নেতার একই দিনে সভা রয়েছে। তাই সেই জন্য বিজেপিকে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। সম্পূর্ণ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের গভীর চক্রান্ত বলে উল্লেখ করেছে বিজেপি। ভাঙড়ে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের সভা করলে মানুষ তৃণমূলের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলবে, আর তাই শাসক দলের মনে বিজেপিকে ঘিরে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তবে সভা স্থগিত হলেও নির্ধারিত সময়ে সভাস্থলে শুভেন্দু যাবেন এবং এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    আরও পড়ুনঃ “মুসলিম হয়ে কেন বিজেপি করছিস!” আরামবাগে বাড়ি ভাঙচুর নেতার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    আইন শৃঙ্খলার সমস্যা

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক ভাবে উত্তপ্ত হয়েছিল ভাঙড়। ৫ জন মানুষের রাজনৈতিক হত্যার ঘটনা ঘটেছিল। একাধিক সময়ে বোমা, গুলি, বন্দুকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অভিযোগের তির ছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। একটি খুনের মামলায় তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ আরাবুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আবার একাধিক পুলিশ আধিকারিকদের বদল হয়েছে। তবে সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রশাসনের তরফ থেকে সভায় অনুমতি না দেওয়ার পিছনে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। ভোটের বাজারে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভা বাতিল হওয়ায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: বিষ জল পান করছেন শিলিগুড়িবাসী! আন্দোলনে নামার হুমকি বিজেপির

    Siliguri: বিষ জল পান করছেন শিলিগুড়িবাসী! আন্দোলনে নামার হুমকি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়রের অপদার্থতায় ১৫ দিন ধরে বিষ জল পান করলেন শিলিগুড়ি (Siliguri) শহরবাসী। এমনই অভিযোগ বিজেপির। পুরসভার সরবরাহ করা পানীয় জল পান না করার জন্য মেয়রের আবেদনে এই বিষয়টি সামনে এসেছে। বুধবার শিলিগুড়ি পুরসভায় সাংবাদিক সম্মেলন করে মেয়র গৌতম দেব স্বীকার করেন, প্রায় গত ১৫ দিন ধরে যে পানীয় জল সরবরাহ করা হয়েছে তা দূষিত। পিএইচই থেকে দেওয়া রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই জল ভয়ঙ্কর মাত্রায় দূষিত। অক্সিজেন কম। তাই এই জল যেন এখন থেকে আর কেউ পান না করেন।

    কেন দূষিত জল সরবরাহ করা হল? (Siliguri)

    গজলডোবায় তিস্তার বাঁধ মেরামতে জন্য শিলিগুড়ি (Siliguri) পানীয় জল প্রকল্পে তিস্তার জল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। কিন্তু, শহরবাসী যাতে জলকষ্টে না পড়েন তারজন্য মহানন্দা নদীর জল সরবরাহ করে কাজ করা হচ্ছিল। সেই জলের নমূনা পিএইচই কলকাতায় পাঠানো হয়। সেই রিপোর্ট এসেছে, এই ভয়ঙ্কর মাত্রায় দূষিত, এই জল পানের অযোগ্য। এখন প্রশ্ন হল, পরীক্ষা না করে কেন মহানন্দার জল নেওয়া হল? অনেক আগেই রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ জানিয়েছে, রাজ্যের ভয়ঙ্কর দূষিত নদীগুলির মধ্যে মহানন্দা প্রথম তিনে রয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, আগে কেন পরীক্ষা করে দেখা হল না?

    আরও পড়ুন: “তৃণমূলের একটাই অস্ত্র, এটা হতে দেব না,” বাংলায় এসে তীব্র আক্রমণ মোদির

     কী বলছেন মেয়র?

    মেয়র গৌতম দেব বলেন, শহরবাসী (Siliguri) যাতে জলকষ্টে না পড়েন তার জন্য মহানন্দার জল নিয়ে পানীয় জল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। এই জলের নমুনা জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতর থেকে কলকাতায় পাঠানো হয়। রিপোর্ট আসতে পাঁচ-ছ’দিন সময় লাগে। সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরই আমরা শহরবাসীকে এই জল পান না করার আবেদন জানাচ্ছি।

    দূষিত জল পান করে বাড়ছে পেটের রোগ!

    গত দুই সপ্তাহ ধরে হঠাৎ করে পেটে ব্যথা। সেই সঙ্গে বমি ও পাতলা পায়খানা হচ্ছে। শিলিগুড়ি (Siliguri) হাসপাতালে এই ধরনের সমস্যা নিয়ে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এদিন শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা করতে আসা নৌকাঘাটের চম্পা রায়, শান্তিনগরের জবা ঘোষ বলেন, আমরা সারা বছর পুরসভার জল খাই। কিন্তু, গত দু’সপ্তাহ ধরে এই জল খাওয়ার পর থেকে আমরা দেখছি হঠাৎ করে পেটে কামড় দিচ্ছে, তারপর ব্যথা। কখনও কখনও পাতলা পায়খানা হচ্ছে। তাই হাসপাতালে এসেছি। 

    বিষ জল পান করছেন শিলিগুড়িবাসী

    বিজেপির শিলিগুড়ির (Siliguri) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, মেয়রের অযোগ্যতাতে এই জিনিস ঘটেছে। শিলিগুড়ি মানুষ আজ ভয়ঙ্কর ঝুঁকির মুখে। এনিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত। এনিয়ে মেয়রকে জবাবদিহি করতে হবে। যদি তিনি সন্তোষজনক উত্তর না দেন এবং এই বিষ জল পানের ফলে শহরের বিপর্যয় দেখা যায়, তাহলে আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আগামীদিনে চরম আন্দোলন নামব। মানুষের জীবন নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলা আমরা বরদাস্ত করব না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: “মুসলিম হয়ে কেন বিজেপি করছিস!” আরামবাগে বাড়ি ভাঙচুর নেতার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Arambagh: “মুসলিম হয়ে কেন বিজেপি করছিস!” আরামবাগে বাড়ি ভাঙচুর নেতার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ জুন রাজ্যের সপ্তম দফা লোকসভার নির্বাচন। এর মধ্যেই শাসকদল তৃণমূলের দ্বারা আক্রান্ত হলেন এক বিজেপি কর্মী। এইবার আক্রমণের শিকার হলেন, আরামবাগের (Arambagh) ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপির সংখ্যালঘু বুথ সভাপতি। মূল অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দুষ্কৃতীরা রাতে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দেওয়া দেয় এবং ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে আক্রমণের কথা অস্বীকার করা হয়েছে। এদিকে আক্রান্তের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপি প্রার্থী অরূপকান্তি দিগার।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Arambagh)?

    হুগলিতে (Arambagh) বিজেপির আক্রান্ত সংখ্যালঘু বুথ সভাপতির নাম হল মইউদ্দিন মল্লিক। তিনি বলেন, “আমি নির্বাচনের দিনে বুথে বিজেপির এজেন্ট হয়ে কাজ করেছিলাম। আর ভোট মিটে যাওয়ার পর থেকে আমাকে অনেকবার হুমকির মধ্যে পড়তে হয়। কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার রাতে আমার বাড়িতে এসে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা চড়াও হয়। এরপর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। ঘটনায় পরিবারকে নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। আমাকে হুমকি দিয়ে বলা হয়, মুসলিম হয়ে কেন বিজেপি করছিস!” এই ঘটনার প্রতি নিন্দা জানিয়ে বিজেপির প্রার্থী অরূপকান্তি দিগার তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “হারের ভয়ে তৃণমূল এই আচরণ করছে। তৃণমূলের অপশাসনের বিরুদ্ধে মানুষের জনমত ভোটে প্রকাশ পাবে।”

    আরও পড়ুনঃ সপ্তম দফা ভোটের আগে উত্তপ্ত জয়নগর, গুলি-বোমার আঘাতে আহত এক ব্যক্তি!

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এই প্রেক্ষিতে আরমাবাগের (Arambagh) তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা, ভাংচুরের বিষয়কে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়। স্থানীয় তৃণমূলের নেতা শেখ মহম্মদ বলেন, “শুনেছি এই হামলার কথা। মদ্যপ অবস্থায় এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপির অপর আরেক এজেন্ট। পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে ঘুরে এই সমস্ত করছে দুষ্কৃতীরা। তবে তৃণমূলের কেউ এই কাজে যুক্ত নয়।”  

    দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মঙ্গলবার ও বুধবারে নির্বাচনী প্রচার করেন রাজ্যে। অপর দিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় ভোটের প্রচার করেন। শেষ দফা প্রচারে নির্বাচনী প্রচার রাজ্যে জমে উঠেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Slams Congress: আইয়ারের চিন-প্রীতি! কংগ্রেসকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    BJP Slams Congress: আইয়ারের চিন-প্রীতি! কংগ্রেসকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “১৯৬২ সালে ভারতে আগ্রাসন চালিয়েছিল চিন।” ভারত-চিন যুদ্ধকে এভাবেই ব্যাখ্যা করলেন কংগ্রেস নেতা মণিশঙ্কর আইয়ার। মঙ্গলবার (BJP Slams Congress) কল্লোল ভট্টাচার্যের লেখা একটি বইয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন আইয়ার। বইটির নাম ‘নেহরুজ ফার্স্ট রিক্রুটস: দ্য ডিপ্লোম্যাটস হু বিল্ট ইন্ডিপেনডেন্ট ইন্ডিয়াজ ফরেন পলিসি’। আইয়ার বলেন, “১৯৬২ সালের অক্টোবরে চিনারা ভারত আক্রমণ করেছিল।” ওই বছর অক্টোবর-নভেম্বরে হয়েছিল যুদ্ধ। ম্যাকমোহন লাইন পেরিয়ে এসে আক্রমণ করেছিল চিনাফৌজ। এই সময়ই তারা দখল করে নেয় আকসাই চিন। এই অঞ্চলটি আদতে ভারতেরই।

    আইয়ারের স্মৃতিচারণ (BJP Slams Congress)

    লালফৌজ যখন ভারত আক্রমণ(BJP Slams Congress) করে তখন ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসের পরীক্ষা দিচ্ছিলেন আইয়ার। সেই সময়কার স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, “লন্ডনে হচ্ছিল ফরেন সার্ভিস পরীক্ষা। সেদিন তাওয়াং দখল করে নিল। যখন এটা শেষ হল…।” তিনি বলেন, “আমি রাজনীতিতে দক্ষ ছিলাম। খবরের কাগজগুলো আমাকে কমিউনিস্ট ভেবে রেফারেন্স দিচ্ছিল। ওই পরীক্ষায় আমি পাশ করেছিলাম। ভালো ফলও করেছিলাম। তার পরেও আমায় কমিউনিস্ট দেগে দিয়ে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি।”

    বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে বিখ্যাত

    মাঝেমধ্যেই বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে এসেছেন আইয়ার। চলতি মাসের প্রথম দিকেই পাকিস্তানকে ‘শ্রদ্ধেয় দেশ’ বলে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন এই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা। তিনি বলেছিলেন, “ওদের(পাকিস্তানের) হাতে অ্যাটম বম্ব রয়েছে, তাই ভারতের উচিত সমঝে চলা। তাদের সঙ্গে আলোচনাও শুরু করা প্রয়োজন।” পাকিস্তানের নাগরিকদের ‘ভারতের সব চেয়ে বড় সম্পদ’ বলেও বিতর্ক বাঁধিয়েছিলেন আইয়ার।

    আইয়ার এবং কংগ্রেসের চিন-প্রীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির ন্যাশনাল ইনফর্মেশান অ্যান্ড টেকনোলজি দফতরের ইনচার্জ তথা পশ্চিমবঙ্গের কো-ইনচার্জ অমিত মালব্য। আইয়ারকে আক্রমণ শানিয়েছেন নেটিজেন ঋষি বাগরিও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “১৯৬২ সালে চিন যখন ভারত আক্রমণ করে, তখন আইয়ার ইংল্যান্ডে চিনাফৌজের জন্য অর্থ সংগ্রহ করছিলেন। ইতিহাসের এই অংশটি আমাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে (BJP Slams Congress)।”

    আর পড়ুন: লাহোর চুক্তি ভঙ্গ হয়েছিল, ‘দোষ’ কবুল পাকিস্তানের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share