Tag: bjp

bjp

  • Murshidabad: ভোট পরবর্তী হিংসা জেলায় জেলায় অব্যাহত, মুর্শিদাবাদে খুন এক দুধ ব্যবসায়ী

    Murshidabad: ভোট পরবর্তী হিংসা জেলায় জেলায় অব্যাহত, মুর্শিদাবাদে খুন এক দুধ ব্যবসায়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে। দেশে তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এই রাজ্যের তৃণমূল বিপুল সংখ্যায় ভোট নিয়ে ২৯টি আসনে জয় লাভ করেছে। কিন্তু ফল ঘোষণার পর থেকেই জেলায় জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত। কখনও বিরোধী দলের কর্মীদের টার্গেট করছে শাসক দল, আবার কখনও শাসক দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। রবিবার দলীয় কোন্দলে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ গেল একজন ব্যক্তির। পরিবারের দাবি, খুনিদের পরিচয় না জানা গেলেও তৃণমূলের দলীয় কোন্দলে খুনের ঘটনা ঘটেছে।

    কীভাবে খুনের ঘটনা ঘটল (Murshidabad)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) হরিহরপাড়ায় গজনীপুর এলাকায় খুন হওয়া ব্যক্তির নাম সনাতন ঘোষ। এই ব্যক্তি এলাকায় তৃণমূল করতেন। পেশায় তিনি ছিলেন একজন দুধ ব্যবসায়ী। গতকাল রবিবার রাত ১২ টায় গজনীপুর থেকে নিজের বাড়িতে বাইকে করে আরও একজনকে সঙ্গে নিয়ে ফিরছিলেন তিনি। কিন্তু গজনীপুর ও শ্রীপুরের মধ্যবর্তী মাঠ এলাকায় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁদের বাইক থামিয়ে খুব কাছ থেকে গুলি করে।

    পুলিশের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) পুলিশ সূত্রে খবর, সনাতনের দেহের একাধিক জায়গায় গুলি লেগেছে। গুলির শব্দ এবং চিৎকার শুনে আশেপাশের মানুষ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন সনাতন। তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হরিহরপাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পুলিশ তাঁকে মুর্শিদবাদ মেডিক্যাল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে জানান।

    আরও পড়ুনঃ সুকান্ত মন্ত্রী হতেই বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    পরিবারেরে বক্তব্য

    মৃত সনাতনের পরিবারের (Murshidabad) পক্ষ থেকে এক মাসি বলেছেন, “রাতের বেলায় পার্টির মিটিং করে বাইকে করে ফিরছিলেন সনাতন। কিন্তু পেছন থেকে একটি গাড়ি এসে, রাস্তায় তাঁদের বাইক দাঁড় করিয়ে দুষ্কৃতীরা ৬ রাউন্ড গুলি করে। এই গুলি সনাতনের কানে, বুকে, পেটে লাগে। যারা গুলি করেছে তাদের পরিচয় জানা না গেলেও দলীয় কোন্দলের কারণে খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর আগেও রাজনৈতিক কারণে তাঁকে বার বার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।” যদিও তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির দিকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

  • Balurghat: সুকান্ত মন্ত্রী হতেই বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    Balurghat: সুকান্ত মন্ত্রী হতেই বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৭ বছর পর প্রথম মন্ত্রী পেল বালুরঘাট (Balurghat)। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হওয়া সুকান্তকে নিয়ে আগেই চর্চা চলছিল। অবশেষে রবিবার দুপুরে এনিয়ে বার্তা পৌঁছায় সুকান্তর পরিবার এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি নেতৃত্বদের কাছে। খবর মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে জেলায়। এরপরেই  উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন দলের নেতাদের পাশাপাশি কর্মী-সমর্থকরা।

    বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী (Balurghat)

    সুকান্তর মন্ত্রীত্ব পাওয়াকে কেন্দ্র করে বালুরঘাট (Balurghat) শহরে থাকা বিজেপির জেলা কার্যালয় চত্বরে গেরুয়া আবির খেলায় মেতে ওঠেন সকলে। বাজনা, মাইক, বাতি জ্বালিয়ে সন্ধ্যায় বিজেপি কর্মীরা মিছিল বের করেন শহরে। সেই মিছিলে সামিল হন সুকান্তর স্ত্রী কোয়েল চৌধুরী এবং তাঁর পরিবার। জেলা প্রসাশনিক ভবন এবং থানা মোড়ে চলে বাজি প্রদর্শনী। সেখানেই গাড়ির মধ্যে জায়ান্ট স্ক্রিন লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। সেই অনুষ্ঠান দেখতে দলের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষ ভিড় করেন। জেলার প্রথম কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁর এই সাফল্যকে স্বাগত জানিয়েছেন জেলার সাধারণ মানুষ। রবিবার সন্ধ্যার পর কার্যত উৎসবে মেতে ওঠেন বালুরঘাটবাসী। বিজেপির এক কর্মী বলেন, দাদা আমাদের মন্ত্রী হয়েছেন। আমরা গর্বিত। তবে, দাদা রাজ্য সভাপতি থাকলে আরও ভালো লাগবে। এদিন খবরটা শোনার পর থেকেই আমরা আনন্দে মেতে উঠি। টিভির পর্দায় দাদার শপথ অনুষ্ঠানও আমরা দেখলাম। খুবই ভালো লাগল। শুধু সাংসদ থেকে তিনি প্রচুর উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। এবার মন্ত্রী হয়ে তিনি আরও অনেক বেশি কাজ করবেন। দাদার হাত ধরে বালুরঘাটে প্রচুর উন্নয়ন হবে।

    আরও পড়ুন: ঘামে প্যাচপ্যাচ! জ্যৈষ্ঠের গরমে জেরবার জনজীবন, স্বস্তির বৃষ্টি কবে?

    স্ত্রীকে ফোন করে মন্ত্রী হওয়ার কথা জানান সুকান্ত

    সুকান্ত মজুমদারের স্ত্রী কোয়েল মজুমদার বলেন, রবিবার বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ আমাকে ফোন করে সুকান্ত আনন্দের খবরটি দিয়েছেন। আমরা এতে আপ্লুত। এজন্য জেলাবাসীর (Balurghat) ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।  সুকান্তকে বড় দায়িত্ব দেওয়ার জন্য প্রধামন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rekha Patra: “গণনাকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস”, হারের পর তোপ রেখা পাত্রের

    Rekha Patra: “গণনাকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস”, হারের পর তোপ রেখা পাত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে (Rekha Patra) লোকসভার ভোটে প্রার্থী করে বিরাট চমক দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তৃণমূলের প্রার্থী হাজি নুরুলের কাছে ৩ লক্ষের বেশি ভোটে হারতে হয়েছে। রেখার নির্বাচনী প্রচার ছিল বিরাট জমজমাট। দেশের প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর সমর্থনে একাধিক সভায় সন্দেশখালিতে অত্যাচারের কথা তুলে ধরেছিলেন। একই সঙ্গে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিজেপি তীব্র আক্রমণ করেছিল। কিন্তু তবুও বিজেপি জয়ী হতে পারেনি বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে। তাহলে পরাজয়ের কারণ কী ছিল? বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্র বলেছেন, “এই ফলাফলে বিরাট চক্রান্ত করা হয়েছে। আমাদের কাউন্টিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছিল। গণনাকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস। আমরা এই নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হব।”

    কী বললেন রেখা পাত্র (Rekha Patra)?

    সন্দেশখালির বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্র (Rekha Patra) বলেছেন, “আমি পালিয়ে যাইনি। একটা সমস্যা হয়েছিল সেই জন্য ১০ মিনিটের জন্য বাইরে বেরিয়েছিলাম। সেটাকে তৃণমূল, রেখা পাত্র পালিয়েছে বলে মিথ্যা প্রচার করেছে। তৃণমূল কারচুপি করেছে। মিথ্যা খেলায় বুক বেঁধেছে ওরা। ২০২১ সাল থেকে রাজ্যে বিজেপিকে হারাতে এই অপচেষ্টা করছে তৃণমূল। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতাকে ছোট করার জন্য প্ল্যানিং করে হারানো হয়েছে। এই হার, পরাজয় হিসাবে মানছি না। যত‌ই মিথ্যা আশায় বুক বাঁধুন। বেশিদিন বুক বেঁধে থাকতে পারবেন না।”

    আরও পড়ুনঃ লোকসভার নিরিখে বিধানসভায় বিজেপির আসন সংখ্যা কত দাঁড়াল জানেন?

    আর কী বললেন রেখা?

    এলাকায় রেখা নেই বলে তৃণমূল অপপ্রচার করলে, মুখের উপর জবাব দিয়ে রেখা (Rekha Patra) বলেন, “আমি চোর নই যে লুকিয়ে থাকব। সময় হলেই আমি যাবো সন্দেশখালি। এই লড়াইকে শক্তিশালী করতে আমি মানুষের পাশে দাঁড়াব। তৃণমূল আমার যে কর্মীদের উপর ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস চালাচ্ছে, তাঁদের পাশে আমি দাঁড়িয়েছি। অনেক কর্মী ঘর ছাড়া হয়েও বিজেপি করছেন, তাঁদের আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। যেখানে যেখানে অত্যাচার হবে আমি সেখানে সেখানে যাব। একটা বড় প্ল্যানিং করে আমাকে হারানো হয়েছে। রাজনীতিতে যখন এসেছি, আমি রাজনীতিতে থাকব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: হবু মন্ত্রীদের নিয়ে চা চক্রে মোদি, শুরুতেই প্রকল্পের কাজ সময়ে শেষ করায় জোর

    Narendra Modi: হবু মন্ত্রীদের নিয়ে চা চক্রে মোদি, শুরুতেই প্রকল্পের কাজ সময়ে শেষ করায় জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে চলেছে গোটা দেশ। কারণ ১৯৬২ সালের পরে প্রথমবার কোনও প্রধানমন্ত্রী টানা তৃতীয়বার শপথ নিতে চলেছেন। জওহরলাল নেহরুর পরে নরেন্দ্র মোদি। সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আগে এদিনই চা চক্রে প্রধানমন্ত্রী মোদি মিলিত হন তাঁর মন্ত্রিসভায় যাঁরা শপথ নেবেন সেই হবু মন্ত্রীদের সঙ্গে। ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর এটা পুরনো অভ্যাস। মন্ত্রিসভার শপথের আগেই হবু মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করা। এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হবু মন্ত্রীদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘প্রকল্পের কাজ সময় মতো শেষ করুন।’’ ৯ জুন দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে হাজির ছিলেন সুকান্ত মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুরও।

    নতুন মুখও আসছে মন্ত্রিসভায়

    মনোহর লাল খট্টর, শিবরাজ সিং চৌহান, বান্দি সঞ্জয় কুমার, রবনীত সিং বিট্টু সহ বেশ কয়েকটি নতুন মুখ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় দেখা যাবে। ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতে দেখা যাবে অমিত শাহ, রাজনাথ সিং, নীতিন গড়করি, পীযূষ গোয়েল, অশ্বিনী বৈষ্ণব, নির্মলা সীতারামন, এবং মনসুখ মান্ডব্যদের মতো সিনিয়র নেতাদেরও। শিবসেনার প্রতাপরাও যাদব, বিজেপির সি আর পাতিল, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, রাও ইন্দ্রজিৎ সিং, নিত্যানন্দ রাই, ভগীরথ চৌধুরী এবং হর্ষ মালহোত্রারাও শপথ নেবেন এদিন।

    আরও পড়ুন: দক্ষিণে জারি তাপপ্রবাহ আর উত্তরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস! কী জানাল আবহাওয়া দফতর?

    টিডিপি এবং জেডি(ইউ)-এর থেকে কারা মন্ত্রী

    বিজেপির জিতিন প্রসাদ এবং রক্ষা খাডসেও মোদি সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। সর্বানন্দ সোনোয়াল এবং কিরেন রিজিজুও শপথ নেবেন। টিডিপি-র রাম মোহন নাইডু এবং জেডি(ইউ)-এর লালন সিংয়ের মতো নেতারাও মন্ত্রী হচ্ছেন বলে খবর। চিরাগ পাসওয়ান, এইচডি কুমারস্বামী, অনুপ্রিয়া প্যাটেল, জয়ন্ত চৌধুরী এবং জিতন রাম মাঝিও মন্ত্রীত্ব পেতে পারেন। মন্ত্রী হতে চলেছেন রামদাস আঠাওয়ালেও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Odisha BJP: ওড়িশায় বিজেপির নতুন সরকারের শপথ ১২ জুন, থাকবেন মোদি

    Odisha BJP: ওড়িশায় বিজেপির নতুন সরকারের শপথ ১২ জুন, থাকবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে ওড়িশাতে (Odisha BJP) ব্যাপক জয় পেয়েছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, লোকসভার নির্বাচনের সঙ্গেই সে রাজ্যের বিধানসভা ভোট অনুষ্ঠিত হয়। লোকসভা নির্বাচনে ২১টির মধ্যে ২০টি আসন যায় গেরুয়া শিবিরের ঝুলিতে। অন্যদিকে ১৪৭ আসন বিশিষ্ট ওড়িশা বিধানসভায় ৭৮টি আসন দখল করে বিজেপি। ৪ জুন এই ফলাফল সামনে আসতেই খবর ভাসতে থাকে যে ১০ জুন ভুবনেশ্বরে জনতা ময়দানে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। আর এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ সহ এনডিএ জোটের বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। তবে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণের কারণেই আগামীকাল ১০ জুন ওড়িশার প্রথম বিজেপি সরকার শপথ নিচ্ছে না এবং তা নির্ধারিত করা হয়েছে ১২ জুন।

    নির্বাচনী প্রচারে নরেন্দ্র মোদি ওড়িশায় দাবি করেছিলেন ১০ জুন নতুন বিজেপি সরকার শপথ নেবে  

    এমনটাই জানিয়েছে ওড়িশার (Odisha BJP) গেরুয়া শিবিরের নেতারা। সে রাজ্যে শীর্ষস্থানীয় দলীয় নেতারা রবিবারের সাংবাদিক বৈঠকে একথা ঘোষণা করেন। ওড়িশা বিজেপি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথের কারণেই তা পিছিয়েছে। প্রসঙ্গত ১১ জুনও দলীয় সাংসদদের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। জানা গিয়েছে, ওড়িশা বিজেপিতে নির্বাচিত বিধায়কদের প্রথম বৈঠক ডাকা হয়েছে ১১ জুন এবং ঠিক তার পরের দিনই শপথ নেবে বিজেপি সরকার। প্রসঙ্গত নির্বাচনী জনসভা থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওড়িশায় দাবি করেছিলেন যে ১০ জুন নতুন বিজেপি সরকার শপথ নেবে রাজ্যে। একই কথা শোনা গিয়েছিল ওড়িশার বিজেপি সভাপতি মনমোহন সামালের মুখেও। কিন্তু রবিবারে এই পরিবর্তিত সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে এবং শপথ গ্রহণ হবে বুধবার ১২ জুন।

    মুখ্যমন্ত্রী নিয়ে জোর জল্পনা

    এখনও পর্যন্ত জোর জল্পনা চলছে ওড়িশাতে (Odisha BJP) মুখ্যমন্ত্রী কে হতে চলেছেন তা নিয়ে। এক ঝাঁক নেতার নাম রয়েছে। এরই মধ্যে সিনিয়র বিজেপি নেতা তথা নবনির্বাচিত বিধায়ক সুরেশ পুজারীকে দিল্লিতে এসেছিলেন। এতেই জল্পনা তৈরি হয় তাঁর সমর্থকদের মধ্যে। প্রসঙ্গত ২০১৯ সালে ওড়িশা থেকে লোকসভার সদস্য হয়েছিলেন সুরেশ পুজারী। কিন্তু ২০২৪ সালে তাঁকে বিধানসভা নির্বাচনের টিকিট দেওয়া হয়। তবে তিনি ছাড়াও সে রাজ্যে আরও অনেক নাম রয়েছে। নাম রয়েছে ধর্মেন্দ্র প্রধানেরও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: লোকসভার নিরিখে বিধানসভায় বিজেপির আসন সংখ্যা কত দাঁড়াল জানেন?

    Election Result 2024: লোকসভার নিরিখে বিধানসভায় বিজেপির আসন সংখ্যা কত দাঁড়াল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার নিরিখে বিধানসভায় বিজেপি কত আসন (Election Result 2024) পেয়েছে? এই প্রশ্ন এখন বিজেপি এবং তৃণমূল দুই দলের অন্দরেই ঘোরাফেরা করছে। রাজ্যে মোট বিধানসভার আসন ২৯৪। এদিকে অষ্টাদশ লোকসভায় তৃণমূল আসন পেয়েছে ২৯টি, বিজেপি পেয়েছে ১২টি এবং কংগ্রেস ১টি। ২০১৯ সালের লোকসভায় বিজেপি পেয়েছিল ১৮টি আসন। কিন্তু এই লোকসভায় বিজেপি ৬টি আসনে পরাজিত হয়েও বিধানসভায় নিজেদের আসন বৃদ্ধি করেছে। তথ্যের সমীক্ষায় এমনটাই জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে শহর অঞ্চল এবং পুরসভাগুলিতে তৃণমূলের তুলনায় বিজেপি অনেক এগিয়ে গিয়েছে।

    বিধানসভায় বিজেপির ব্যবধান কমেছে (Election Result 2024)

    নির্বাচন কমিশনের থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী দেখা গিয়েছে, ২৯৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসাবে বিজেপির ব্যবধান কমে (Election Result 2024) গিয়েছে। আবার বিধানসভায় শূন্য আসনের কংগ্রেস এবং বামেরা একটা করে আসন পেয়েছে। কিন্তু আইএসএফ, তাদের জেতা একটি আসন থেকে শূন্য অবস্থানে দাঁড়িয়েছে।

    ৯০টি বিধানসভায় এগিয়ে বিজেপি

    ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের প্রেক্ষিতে রাজ্যে তৃণমূল ১৬৪টি বিধানসভায় এগিয়েছিল (Election Result 2024)। অপর দিকে ১২১টিতে বিজেপি এগিয়ে ছিল। তবে কংগ্রেস ৯টি বিধানসভায় এগিয়ে থাকলেও বামেরা শূন্যতে পরিণত হয়েছিল। আবার ২০১৬ সালের বিধানসভায় তৃণমূল পেয়েছিল ২১১টি। কংগ্রেস ৪৪টি এবং বামেরা ৩২টি আসন। আবার সেই বার বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ৩টি আসন। কিন্তু ২০২১ সালের বিধানসভায় তৃণমূল আসন পায় ২১৩টি, বিজেপি ৭৭টি, আইএসএফ ১টি এবং বাম-কংগ্রেস শূন্য। এবার ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের প্রেক্ষিতে ১৯২টি বিধানসভায় এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি এগিয়ে ৯০টি বিধানসভায়। ফলে বিধানসভার সাপেক্ষে বিজেপির আসন বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ফোন পেয়ে দিল্লি পৌঁছেছেন শান্তনু-অভিজিৎ, মোদির মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিত্ব পাওয়ার জোর জল্পনা

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় বিজেপির প্রায় ১ শতাংশ ভোট বৃদ্ধি পেয়েছে। এই লোকসভা নির্বাচনে ৩৯ শতাংশ ভোট এসেছে। ভোট গতবারের বিধানসভার তুলনায় ৭ লাখ ভোট বেড়েছে বিজেপির।”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ফোন পেয়ে দিল্লি পৌঁছেছেন শান্তনু-অভিজিৎ, মোদির মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিত্ব পাওয়ার জোর জল্পনা

    BJP: ফোন পেয়ে দিল্লি পৌঁছেছেন শান্তনু-অভিজিৎ, মোদির মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিত্ব পাওয়ার জোর জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন প্রবীণ বিজেপি (BJP) নেতা নরেন্দ্র মোদি। আজ সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে শপথ নেবেন। শপথ বাক্য পাঠ করাবেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ঠিক তার আগেই ফোন পেয়ে দিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর এবং তমলুকের বিজেপি সাংসদ প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মোদির মন্ত্রীসভায় দুই জনেই মন্ত্রী হতে চলেছেন বলে জোর জল্পনা।

    শান্তনু কী পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন (BJP)?

    রবিবার সকলে দিল্লিতে মোদির বাসভবনে চা-চক্রের বিশেষ আমন্ত্রণ পেয়েছেন শান্তনু ঠাকর। সেখানে আরও বেশ কিছু সাংসদ আমন্ত্রণ পেয়েছেন। অবশ্য শনিবার রাতেই তাঁকে ফোন করা হয়েছিল এবং বলা হয়েছিল যাঁদেরে এই চা—চক্রে ডাকা হয়েছে তাঁদের সকলকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করতে হবে। সূত্রের খবর, কেউ কেউ মোদির সঙ্গে শপথও নেবেন। আর তাই বৈঠকে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শান্তনু ঠাকুর পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন বলে এমনটা অনুমান করা হচ্ছে। তবে তিনি পূর্ণমন্ত্রী হলে বাংলা থেকে মোদির মন্ত্রীসভায় তিনিই হবেন প্রথম পূর্ণমন্ত্রী। মতুয়া সমাজের মধ্যে বিজেপি (BJP) নেতা শান্তনুর যথেষ্ট জনপ্রিয়তা আছে। আগেও তিনি কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। রাজ্যে সিএএ কার্যকর নিয়ে তাঁর ভূমিকা অতিসক্রিয় ছিল।

    আরও পড়ুনঃ লোকসভার ফলাফলে তৃণমূলের ৮ মন্ত্রী নিজেদের বিধানসভাতেই ধরাশায়ী, এগিয়ে বিজেপি

    মন্ত্রী হতে পারেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক থেকে বিজেপি (BJP) সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনিও আজ প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। উল্লেখ্য আগের বার বাংলা থেকে চারজন প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। এই চার মন্ত্রীর মধ্যে নিশীথ প্রামাণিক, সুভাষ সরকার ভোটে হেরেছেন। জন বার্লাকে টিকিট দেয়নি দল, কেবল জয়ী হয়েছেন শান্তনু। অপর দিকে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি মামলায় বড় রায় দিয়ে শাসক দলকে বিরাট চাপে ফেলে দিয়েছেন তিনি। তাই মোদির মন্ত্রীসভায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও জায়গা করে নিতে পারেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। অপর দিকে বাংলা থেকে বিষ্ণুপুর সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, আলিপুর দুয়ারের মনোজ টিগ্গার নামও উঠে আসছে বলে জানা গিয়েছে। শপথ গ্রহণের সময় সবটা স্পষ্ট হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: লোকসভার ফলাফলে তৃণমূলের ৮ মন্ত্রী নিজেদের বিধানসভাতেই ধরাশায়ী, এগিয়ে বিজেপি

    Election Result 2024: লোকসভার ফলাফলে তৃণমূলের ৮ মন্ত্রী নিজেদের বিধানসভাতেই ধরাশায়ী, এগিয়ে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার ফলাফলের (Election Result 2024) নিরিখে রাজ্যের ৮ মন্ত্রী নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে ধরাশায়ী হয়েছেন। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ সর্বত্র একাধিক বিধানসভা, পুরসভা এবং শহর অঞ্চলে বিজেপির তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। এমনকী কলকাতা, বিধাননগরেও বিজেপি বাজিমাত করেছে। আর এই নিয়ে শাসক দলের মধ্যেই গোষ্ঠী কোন্দল শুরু হয়েছে।

    শশী-সুজিত নিজের কেন্দ্রে পিছিয়ে (Election Result 2024)

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে শাসক দল তৃণমূলের অনেক মন্ত্রী বিজেপির তুলনায় পিছিয়ে গিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে হলেন, মন্ত্রী শশী পাঁজা। তাঁর কেন্দ্র উত্তর কলকাতার শ্যামপুকুর বিধানসভা। সেখানে তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুলনায় বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় অনেক এগিয়ে গিয়েছেন। আবার মন্ত্রী সুজিত বসুর কেন্দ্র বিধাননগরে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, বিজেপির কাছে ১১ হাজার ভোটে পিছিয়ে রয়েছেন। দুই ক্ষেত্রেই বিজেপি এগিয়ে।

    উত্তরবঙ্গে পিছিয়ে তৃণমূল মন্ত্রীরা

    উত্তরবঙ্গে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মণ নিজের কেন্দ্র হেমতাবাদে ৮ হাজার ভোটে (Election Result 2024) পিছিয়ে রয়েছেন। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন নিজের বিধানসভায় বিরাট ব্যবধানে পিছিয়ে গিয়েছেন। এখানেও এগিয়ে বিজেপি। আবার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দফতরের প্রতিমন্ত্রী তাজমুলের হরিশচন্দ্রপুর বিধানসভায় জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মু।

    দক্ষিণবঙ্গে কোন কোন মন্ত্রী পিছিয়ে?

    কৃষ্ণনগরে লোকসভায় জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্র। এই কেন্দ্রের কৃষ্ণনগর দক্ষিণের বিধায়ক উজ্জ্বল বিশ্বাস রাজ্যের বিজ্ঞনা-প্রযুক্তি বিজ্ঞানামন্ত্রী। তিনিও বিজেপির অমৃতা রায়ের কাছে পিছিয়ে রয়েছেন। একই ভাবে পূর্ব মেদিনীপুরে দুই মন্ত্রী অখিল গিরি এবং বিপ্লব রায়, নিজেদের বিধানসভায় বিজেপির কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন। অখিলের রামনগরে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৯ হাজার ভোটে। আর মৎস্য প্রতিমন্ত্রী বিপ্লবের পাঁশকুড়া পূর্বে তৃণমূল ৩ হাজার ভোটে পিছিয়ে। এই সব নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    আরও পড়ুনঃ “২ কোটি ৩৫ লাখ লোক বিজেপিকে সমর্থন করেছেন, আমাদের বিরাট দায়িত্ব”, মন্তব্য শুভেন্দুর

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ভোটে (Election Result 2024) এই ভাবে তৃণমূলের মন্ত্রীরা পিছিয়ে থাকার কারণ জানতে চাইলে মন্ত্রী শশী পাঁজা কোনও উত্তর দেননি। অপরে মন্ত্রী সুজিত বসু ফোন ধরেননি। মন্ত্রী অখিল গিরি বলেছেন, “রবিবার বুথের লোকজনকে নিয়ে বৈঠক করব।” আবার হেমতাবাদের তৃণমূল বিধায়ক সরাসরি বলেছেন, “জেলায় নেতাদের গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি সারা, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্বে কারা?

    PM Modi: শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি সারা, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্বে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার, ৯ জুন সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর সঙ্গেই এদিন শপথ নেবেন আরও ৩০ জন মন্ত্রী। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই দিল্লিতে হাজির হয়ে গিয়েছেন নয়া মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সদস্যরা।

    মোদির শপথ

    এদিন সন্ধে ৭টা ১৫ মিনিটে শপথ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিনই শপথ নেবেন গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দফতরের মন্ত্রীরাও। বাকি মন্ত্রীরা শপথ নেবেন কয়েকদিন পর। এদিন যাঁরা শপথ নেবেন, তাঁদের মধ্যে সংখ্যায় বেশি বিজেপি সাংসদরাই। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড এবং চন্দ্রবাবু নাইডুর টিডিপির একজন করেও এদিন (PM Modi) শপথ নিতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ হয়ে যাওয়ার পর শপথ নেবেন অন্য মন্ত্রীরা।

    পূর্ণমন্ত্রীর সংখ্যা

    জানা গিয়েছে, এবার পূর্ণমন্ত্রীর সংখ্যা হতে পারে ৮০-র কাছাকাছি। নয়া মন্ত্রিসভায় খুব কম সংখ্যক মন্ত্রীকেই দায়িত্ব দেওয়া হবে একাধিক মন্ত্রকের। নয়া মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, অর্থ ও বিদেশমন্ত্রকের রাশ বিজেপি নিজের হাতেই রাখবে বলে সূত্রের খবর। রেল, শিক্ষা, সড়ক ও পরিবহণ, আইন, তথ্যপ্রযুক্তি, স্টিল, কয়লা ও অসামরিক উড়ান মন্ত্রকের দায়িত্বও নিজের হাতে রাখবে বিজেপি। এঁরা সবাই শপথ নেবেন এদিনই। আরও কয়েকটি দফতরের মন্ত্রীরাও এদিন শপথ নেবেন। বাকি সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে পরে।

    আর পড়ুন: আজ ফের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ মোদির, শ্রদ্ধা জানালেন মহাত্মা গান্ধী, বাজপেয়ীকে

    বিজেপি সূত্রে খবর, এদিন সন্ধে ৭টা ১৫ মিনিটে শপথ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগে হবু মন্ত্রিসভার সদস্যদের তাঁর বাসভবনে চায়ের নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন মোদি। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, দফতর অটুট থাকবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গডকরির। স্বপদে বহাল থাকবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। উল্লেখ্য, এই দুজনই রাজ্যসভার সাংসদ। মন্ত্রী হতে পারেন রামবিলাস পাশোয়ানের ছেলে চিরাগ, জেডিএসের এইচডি কুমারস্বামী, আপনা দলের অনুপ্রিয়া প্যাটেল, আরএলডির জয়ন্ত চৌধুরী এবং হিন্দুস্তানি আওয়ার মোর্চার জিতন রাম মাঝিও (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: “২ কোটি ৩৫ লাখ লোক বিজেপিকে সমর্থন করেছেন, আমাদের বিরাট দায়িত্ব”, মন্তব্য শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “২ কোটি ৩৫ লাখ লোক বিজেপিকে সমর্থন করেছেন, আমাদের বিরাট দায়িত্ব”, মন্তব্য শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির ফল আশানুরূপ হয়নি। ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ১৮টি আসন, এইবারে জেতা আসনেও পরাজয় ঘটেছে। বিজেপি পেয়েছে ১২টি আসন, আগে থেকে ৬টি আসন কমে গিয়েছে। অপর দিকে তৃণমূল পেয়েছে ২৯টি আসন। কিন্তু কেন আসন কমে গেল? এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) দাবি করলেন, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় বিজেপির প্রায় ১ শতাংশ ভোট বৃদ্ধি পেয়েছে। দিকে দিকে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে তৃণমূলের অত্যাচারে বিজেপির কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই তাঁদের পাশে থাকাটাই এখন প্রধান কর্তব্য বলে মনে করেন তিনি।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    গতকাল নন্দীগ্রামের সোনাচুড়ায় মনসা বাজারে মৃত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানে গিয়ে বলেছেন, “আমাদের রাজনৈতিক লড়াই থামার লড়াই নয়। সংগ্রাম আমরা চালিয়ে যাব। বিপুল সংখ্যক ভোট পেয়েছে বিজেপি। এই লোকসভা নির্বাচনে ৩৯ শতাংশ ভোট এসেছে। ভোট গতবারের বিধানসভার তুলনায় ৭ লাখ বেড়েছে বিজেপির। নিশ্চিতভাবে আমরা সংখ্যার লক্ষ্যে হয়তো পৌঁছাতে পারিনি। আমরা আশা করেছিলাম ৪২ শতাংশ ভোট পাব। আমরা খুশি হতাম যদি ১২ উল্টে ২১ হয়ে যেত। ৩০ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটার ইমাম সাহেবদের কথায় বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। আমি ঠিক পথেই আছি, জনগণ আমার পথেই আছেন। ২ কোটি ৩৫ লাখ লোক বিজেপিকে সমর্থন করেছেন। আমাদের বিরাট দায়িত্ব।”

    আরও পড়ুনঃলক্ষ্মীর ভান্ডার নিলে তৃণমূল করার ফতোয়া! বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার, থানায় বিক্ষোভ

    আর কী বললেন?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এই প্রসঙ্গে আরও বলেছেন, “যারা কথা বলছে, জ্ঞান দিচ্ছে তারা অতীতটা ভালো করে জানে না। ২০০৪ সালে মমতা, ৯টি আসন থেকে ১টিতে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই দিক থেকে রাজ্যে বিজেপির অবস্থা অনেক ভাল। ২০১৯ সালে আইপ্যাক ছিল না, লক্ষ্মীরভাণ্ডার ছিল না। এনআরসি, সিএএ-র মতো মিথ্যা প্রচারও ছিল না। পুলিশ দাঁত-নখ বের করে তৃণমূলের ক্যাডারদের মতো আচরণ করেনি।”    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share