Tag: bjp

bjp

  • Lok Sabha Election 2024: শেষ দফা ভোটে অশান্ত ভাঙড়, জয়নগর, আক্রান্ত বিজেপি, জলে ফেলা হল ইভিএম

    Lok Sabha Election 2024: শেষ দফা ভোটে অশান্ত ভাঙড়, জয়নগর, আক্রান্ত বিজেপি, জলে ফেলা হল ইভিএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ দফা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) বাংলায় রক্ত ঝরল বিরোধীদের। কোথাও বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হল। বুথে এজেন্ট বসতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপি নেতার মেয়েকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সবক্ষেত্রেই অভিযুক্ত তৃণমূল। ফলে, শনিবার সপ্তম দফা ভোটে সকাল থেকে একাধিক লোকসভা কেন্দ্র উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

    ভাঙড়ে অশান্তি! (Lok Sabha Election 2024)

     শনিবার মধ্যরাত থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভাঙড়। তৃণমূল- আইএসফ সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মূলত, পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে নতুন করে অশান্তি শুরু হয়। ঝামেলায় এক তৃণমূল কর্মীর মাথা ফেটেছে। অভিযোগ আইএসএফের দিকে। পাল্টা দলীয় পতাকা লাগাতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে আইএসএফ। শনিবার সকালেও উত্তেজনা ছিল এলাকায়। আইএসএফও-এর দাবি, তাদের কর্মীরাও আহত হয়েছেন। তাদেরও হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এ দিকে, ভোটের রাতে দলীয় প্রার্থী নুর আলম খানের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ আইএসএফের। সেই ভাঙা গাড়ি নিয়ে রাতেই ভাঙড় থানায় যান তিনি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। রাতভর ভাঙরের বিভিন্ন জায়গায় বোমাবাজিরও অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকালেই ভোটকে (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্র করে আইএসএফ-তৃণমূল খণ্ডযুদ্ধের ঘটনায় নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাঙড়। এ বার ঘটনাস্থল ভাঙড়ের ফুলবাড়ি এলাকায়। অভিযোগ, বুথে এজেন্ট বসাতে গেলে আইএসএফ কর্মীদের ওপর আক্রমণ করে তৃণমূল। উল্টোদিকে, আইএসএফের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। ঘটনায় দু’পক্ষের বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ভোট-হিংসায় রাশ টানতে ফলাফলের পরেও রাজ্যে মোতায়েন থাকবে বাহিনী, জানাল কমিশন

    জলে ফেলা হল ইভিএম

    কাশীপুরের বুথে বিজেপি এজেন্টকে বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে সেখানে যান কলকাতা উত্তরের বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়। তাপস রায়কে ঘিরে বিক্ষোভ ও ধাক্কাধাক্কি করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কুলতলিতে বিজেপিসহ বিরোধীদের ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এরপরই রাগে ইভিএম জলে ফেলে দিয়েছেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। ক্যানিং গোলাবাড়ি বাজারে বিরোধী দলের ভোটারদের ভোট দিতে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বাধা দিতে গেলে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় এক সংবাদ কর্মী গুরুতর আহত হন। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    জয়নগরে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ

    জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের কুলতলি বিধানসভার মেরিগঞ্জ ২ গ্রাম পঞ্চায়েতে ৪০ এবং ৪১ নম্বর বুথে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ হয়। আহত ৬ জন। বিজেপির ২ জন এবং তৃণমূলের ১ জন কর্মীকে আহত অবস্থায় কুলতলি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    বিজেপি নেতার মেয়ের ওপর হামলা

    বারাসাত লোকসভার কদম্বগাছিতে উত্তেজনা। বিজেপির বুথ সভাপতির মেয়ের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কদম্বগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের কয়ড়া শিবতলা এলাকার ঘটনা। আক্রান্ত ওই নাবালিকাকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: “পুলিশ গ্রিন করিডর করে টাকা এনেছে”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিজেপি প্রার্থী

    Alipurduar: “পুলিশ গ্রিন করিডর করে টাকা এনেছে”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিজেপি প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণনার আগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বোমা ফাটালেন আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) বিজেপি প্রার্থী মনোজ টিজ্ঞা। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করেই শাসক দলকে নিশানা করেন তিনি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে টাকার খেলার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর এই অভিযোগকে কেন্দ্র রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    পুলিশ গ্রিন করিডর করে টাকা নিয়ে এসেছে! (Alipurduar)

    শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করে মাদারিহাটের (Alipurduar) বিধায়ক তথা এবারের লোকসভা ভোটের বিজেপির প্রার্থী মনোজ টিজ্ঞা বলেন, “গণতন্ত্রকে হত্যা করার চেষ্টা চলছে। এই টাকা কলকাতা থেকে শিলিগুড়িতে এক ব্যবসায়ীর কাছে আসে। তারপর পুলিশ গ্রিন করিডর করে আলিপুরদুয়ারে আনে। আমাদের কাছে খবর আছে, আলিপুরদুয়ারের এক ব্যবসায়ীর কাছে কলকাতা থেকে মোটা অঙ্কের টাকা এসেছে। এর আগে তৃণমূলের দুই নেতা কলকাতায় গিয়েছিলেন। এরপরই মঙ্গল-বুধবার নাগাদ পুলিশের সহযোগিতায় আলিপুরদুয়ারে টাকা আনা হয়েছে। আমাদের আশঙ্কা, এই টাকা ব্যবহার করে তৃণমূল আলিপুরদুয়ার আসনটি জেতার চেষ্টা করছে।” পাশাপাশি বিজেপি প্রার্থী আরও বলেন, “আলিপুরদুয়ারের এডিএম (জেলা পরিষদ) গত পঞ্চায়েত ভোটে  বেআইনিভাবে পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতিতে শাসক দলকে জেতানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। তাই আগামী ৪ জুন উনি গণনাতে ওই আধিকারিক থাকলে সঠিকভাবে গণনা হবে না।”

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক ভাস্কর মজুমদার বলেন, “আসলে বিজেপি আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) হারবে বুঝেই এসব কথা বলছে। আমি বিজেপির নেতাদের মনে করিয়ে দিতে চাই , ইডি তো বিজেপির পকেটে থাকে। তাদের নেতাদের নির্দেশ শুনেই ওরা কাজ করে। তা এটাও জানাক ইডিকে। ওরা টাকা বাজেয়াপ্ত করুক। আসলে টাকার গল্পটা কিছুই নয়, এটা হচ্ছে হার স্বীকার করে নেওয়া। ওরা আলিপুরদুয়ারে হারতে চলেছে বুঝে আগাম একটা গীত গেয়ে রাখল। তৃণমূল এসব করে না। কারণ, তৃণমূলের সঙ্গে মানুষ রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: রাজ্যে চলছে সপ্তম দফার ভোটগ্রহণ, কোন কেন্দ্রে হেভিওয়েট প্রার্থী কারা?

    Lok Sabha Election 2024: রাজ্যে চলছে সপ্তম দফার ভোটগ্রহণ, কোন কেন্দ্রে হেভিওয়েট প্রার্থী কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সপ্তম দফা লোকসভার (Lok Sabha Election 2024) ভোট গ্রহণ পর্ব। এই পর্বে রাজ্যে মোট ৯টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। এই কেন্দ্রগুলি হল উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতা, দমদম, বারাসত, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, বসিরহাট, জয়নগর এবং যাদবপুর। কমিশন কড়া নির্দেশিকা দিয়েছে ওয়েব কাস্টিং নিয়ে। ভোট গ্রহণের সময় ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্যামেরা বন্ধ হলে ভোট গ্রহণও বন্ধ হয়ে যাবে। প্রত্যেক কেন্দ্রে ব্যাপক মাত্রায় মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। 

    আসুন জেনে নিই কোন কেন্দ্রে প্রার্থী কারা (Lok Sabha Election 2024)

    উত্তর কলকাতা

    উত্তর কলকাতা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী (Lok Sabha Election 2024) হলেন তিনবারের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯ সালে শেষ লোকসভা নির্বাচনে একাই ৫০% ভোট পেয়েছিলেন সুদীপ। বিজেপির রাহুল সিনহা ৩৭% ভোট পান। বিজেপির এই বারের প্রার্থী তাপস রায়, এবং কংগ্রেস-বাম সমর্থিত প্রার্থী প্রদীপ ভট্টাচার্য।

    দক্ষিণ কলকাতা

    দক্ষিণ কলকাতা বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন দেবশ্রী চৌধুরী। তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী হলেন মালা রায়। ২০১৯ সালে এই কেন্দ্রের মোট ৫৬ ওয়ার্ডের মধ্যে বিজেপি ২৬টি ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল।

    দমদম

    দমদম কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন আগের বারের বিদায়ী সাংসদ সৌগত রায়। তিনি ২০০৯ সালে সিপিএম থেকে ছিনিয়ে নেন এই আসনটি। আবার বরানগর বিধানসভায় তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা ব্যানার্জি। অপরে এই কেন্দ্রে বিজেপির পক্ষ থেকে লোকসভার (Lok Sabha Election 2024)  প্রার্থী শীলভদ্র দত্ত এবং বরানগর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ।

    বারাসত

    বারাসত লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন কাকালি ঘোষ দস্তিদার। তিনি একই কেন্দ্রের টানা তিনবারের সাংসদ ছিলেন। বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন স্বপন মজুমদার এবং বাম প্রার্থী সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়।

    ডায়মন্ড হারবার

    ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯ সালে ৭.৯০ লাখ ভোটে জায়ী হয়েছিলেন তিনি। অপর দিকে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। আবার বাম প্রার্থী প্রতীর উর রহমান।

    মথুরাপুর

    মথুরাপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন আশোক পুরকায়স্থ। অপরে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন বাপি হালদার।

    বসিরহাট

    বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন প্রতিবাদী চরিত্র রেখা পাত্র, তৃণমূলের প্রার্থী হাজি নুরুল ইসলাম এবং সিপিএম প্রার্থী নীরাপদ সর্দার।

    জয়নগর

    জয়নগর লোকসভার বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন প্রতিমা মণ্ডল। বিজেপ প্রার্থী হয়েছেন আশোক কাণ্ডারী।

    যাদবপুর

    যাদবপুর কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন সায়নী ঘোষ, বিজেপির অনির্বাণ গাঙ্গুলি এবং সিপিএমের প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্য।

    আরও পড়ুনঃভোটের আগে আরও চাপে তৃণমূল, আরাবুল ঘনিষ্ঠ ইব্রাহিম মোল্লা গ্রেফতার

    কত বাহিনী এই পর্বে?

    সপ্তমদফার ভোট (Lok Sabha Election 2024) গ্রহণে রাজ্যে বাহিনী মোতায়েনে বিশেষ জোর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সবরকম অশান্তিকে আটকাতে মোট ৯৬৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শুধু কলকাতাতেই মোতায়েন করা হয়েছে ২৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বারাসতে থাকছে ৮১ কোম্পানি, বারাকপুরে ৮১ কোম্পানি আর বারুইপুরে থাকছে ১৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। অন্যদিকে বসিরহাটে ১১৬ কোম্পানি, ডায়মন্ডহারবারে ১১০ কোম্পানি, সুন্দরবনে ১১৪ কোম্পানি, বিধাননগরে ৫৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। অবাদ নির্বাচন করাই কমিশনের প্রধান উদ্দেশ্য। আগামী ৪ তারিখ হবে ভোট গণনা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: বিষ জল ইস্যুতে বিজেপির আন্দোলনে ধুন্ধুমার, মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি শঙ্করের

    Siliguri: বিষ জল ইস্যুতে বিজেপির আন্দোলনে ধুন্ধুমার, মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২০ দিন ধরে বিষ জল পান করানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল পরিচালিত শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার বিরুদ্ধে। এরই প্রতিবাদে শুক্রবার আন্দোলনে নামে বিজেপি। সেই আন্দোলন আটকে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। আর তা নিয়ে চরম উত্তেজনা দেখা দেয় এলাকায়।

    বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি (Siliguri)

    পুরসভার জল কেলেঙ্কারিতে বৃহস্পতিবার থেকে শিলিগুড়িতে (Siliguri) পানীয় জলের হাহাকার। এর প্রতিবাদ জানাতে শুক্রবার পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা কমিটি। পুরসভার বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি কাউন্সিলর অমিত জৈনের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল পুরসভার গেটের সামনে হাজির হয়। ঘটনাস্থলে থাকা বিশাল পুলিশ বাহিনী মিছিল আটকানোর চেষ্টা করে। অভিযোগ, পুলিশ বলপূর্বক এই মিছিল আটকাতে গেলে বিজেপির কাউন্সিলর, নেতা, কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    কেন পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপি?

    গত বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র গৌতম দেব ঘোষণা করেন, দুই সপ্তাহ ধরে শিলিগুড়ি শহরে পুরসভা থেকে যে পানীয় জল সরবরাহ করা হয়েছে তা ভয়ঙ্কর মাত্রায় দূষিত। সেই জল যেন আর কেউ পান না করেন। মেয়রের মুখ থেকে একথা শোনার পর শহরবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সেই সঙ্গে দেখা দেয় পানীয় জলের হাহাকার। পুরসভার এই দায়িত্ব জ্ঞানহীন কাজ এবং  মানুষকে বিপদে ফেলে দেওয়ায় প্রতিবাদ জানাতে এদিন পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপি।

    মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি

    পরিস্থিতি সামাল দিতে শিলিগুড়ি (Siliguri) জুড়ে যে জল দেওয়া হচ্ছে তার শুদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, মেয়র গৌতম দেবকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। তৃণমূলের মেয়র মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। জল মানে জীবন। তিনি মানুষকে দূষিত জল পান করিয়েছেন। এটা ভয়ঙ্কর অপরাধ। এখন পাউচে, পুরসভার ট্যাঙ্কে যে জল দেওয়া হচ্ছে তার শুদ্ধতা নিয়েও আমাদের সন্দেহ রয়েছে। কেননা নোংরা জলের ট্যাঙ্কে জল দেওয়া হচ্ছে। নোংরা ফেলার গাড়ি করে জলের পাউচ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মেয়রকে এই অধিকার কে দিয়েছে? আমাদের প্রশ্ন, মহানন্দার জল ব্যবহার করার আগেই কেন নমুনা পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হয়নি। তিনি দূষিত জল মানুষকে খাওয়ানোর পর নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠান। এটা ক্ষমাহীন অপরাধ। গৌতম দেবের আর মেয়রের চেয়ারে বসার অধিকার নেই। অবিলম্বে তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে। এখন সত্যের মুখোমুখি হতে তিনি ভয় পাচ্ছেন। মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP slams INDI Alliance: মোদির ধ্যানকে কটাক্ষ করায় ইন্ডি-জোটকে ধুয়ে দিল বিজেপি, কী বলল?

    BJP slams INDI Alliance: মোদির ধ্যানকে কটাক্ষ করায় ইন্ডি-জোটকে ধুয়ে দিল বিজেপি, কী বলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচার শেষে কন্যাকুমারীর বিবেকানন্দ রকে ধ্যানে (PM Modi’s meditation) বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেই ঘটনাকে ইস্যু তৈরি করেছে কংগ্রেস এবং ইন্ডি-জোট। আর এবার কংগ্রেস এবং ইন্ডি-জোটের এই আচরণের নিন্দা (BJP slams INDI Alliance) করলেন বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা। এ প্রসঙ্গে শুক্রবার শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “কংগ্রেস এবং ইন্ডি-জোটের সমস্যাটা কি? প্রধানমন্ত্রী যদি কিছু বলেন, তাতে তাদের সমস্যা হয়। তিনি যদি কিছু না বলে ধ্যানের জন্য বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়ালে যান, তাহলেও তাদের সমস্যা হয়।” 

    ইন্ডি-জোটের অভিযোগ 

    আসলে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তর প্রদেশসহ বিভিন্ন রাজ্যের ৫৭ আসনের ভোট রয়েছে আগামী ১ জুন। আর তার আগে লোকসভা ভোটের প্রচারপর্ব শেষ করে কন্যাকুমারীতে ধ্যানে (PM Modi’s meditation) বসেছেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও বিরোধীরা মনে করছেন, ভেবেচিন্তেই মোদি ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যাতে শেষ পর্বের ভোট গ্রহণের সময়ও তিনি প্রচারের আলোয় থাকতে পারেন। কংগ্রেস মনে করছে, এটা হলে প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই আদর্শ নির্বাচন আচরণবিধি ভঙ্গ করবেন (BJP slams INDI Alliance)। কারণ, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ৩০ মে সন্ধ্যা থেকেই শুরু হচ্ছে নীরবতা পর্ব বা সাইলেন্স পিরিয়ড। ওই সময়টুকু দেওয়া হয় প্রচার শেষে ভোটাররা যাতে ভোটদান নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ইন্ডি জোটের দাবি,  মোদি ধ্যান বসলে দেশের সব টেলিভিশন তা নিয়ে হইচই করবে। প্রত্যক্ষ না হলেও সেটা হবে পরোক্ষ প্রচার। তাতে ভোটাররা প্রভাবিত হবেন। চিন্তা করার অবকাশ পাবেন না। উল্লেখ্য মোদি নিজেই এবারের পর্বে বারানসিতে প্রার্থী। সেখানকার ভোটও হবে শেষ দফায়। কাজেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হবেন। 

    আরও পড়ুন: রাজ্যে আরও ২৮ জন বিজেপি নেতাকে ‘এক্স’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা! অনুমোদন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    পুনাওয়ালার মন্তব্য

    আর ইন্ডি-জোটের এই মন্তব্যের পরেই এদিন পুনাওয়ালা বলেন, “এটি বিরোধীদের হতাশা এবং “সনাতন বিরোধী” (BJP slams INDI Alliance) মানসিকতার পরিচয়। এই বিরোধীরা রাম মন্দিরেরও বিরোধিতা করেছিল, বলেছিল যে এখানে ভগবান রামের কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই।” পাশাপাশি এদিন তিনি আরও জানান যে, প্রধানমন্ত্রী কেবলমাত্র ধ্যানেই (PM Modi’s meditation) বসেছেন। না তো কোনও রাজনৈতিক প্রচার করছেন না তো জনসংযোগ করছেন। সুতরাং তাঁর এই ধ্যানে বসাকে কেন্দ্র করে ইন্ডি-জোটের দাবিগুলি স্পষ্টতই “সনাতন বিরোধী” মানসিকতার পরিচয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CAA:  “ভগবানতুল্য মোদি সরকার”, নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেয়ে বললেন ঠাকুরনগরের শান্তিলতা

    CAA: “ভগবানতুল্য মোদি সরকার”, নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেয়ে বললেন ঠাকুরনগরের শান্তিলতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে অন্য দেশ থেকে ভারতে আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী ভোটের প্রচারে বাংলায় এসে প্রকাশ্য সভায় বার বার ঘোষণা করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কথা শুনে সিএএ-তে (CAA) আবেদন করেছিলেন শরনার্থীরা। শেষ দফা ভোটের আগেই বাংলায় ৮ জনকে নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। আর এই সিএএ নিয়ে বনগাঁর বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর জোর সওয়াল করেছিলেন। এবার নাগরিকত্বের শংসাপত্র পাওয়ার তালিকায় বনগাঁর ঠাকুরনগরের একজন রয়েছেন। স্বাভাবিকভাবে নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেয়ে চরম খুশি পরিবারের সদস্যরা।

    কথা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী, ভগবানতুল্য মোদি সরকার (CAA)

    নিয়ম অনুযায়ী, ‘ধর্মীয় শরণার্থী’ বলে ভারতে আশ্রয়প্রার্থী হলে তবেই সিএএ (CAA) মারফত নাগরিকত্ব পাওয়ার কথা। সেই মতো নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গাইঘাটার ঠাকুরনগরের শান্তিলতা বিশ্বাস। তাঁর স্বামী তারক বিশ্বাস মাস দেড়েক আগে হৃদয়পুরের এক সাইবার ক্যাফে থেকে অনলাইন আবেদন করেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁদের বাংলাদেশের খুলনায় বাড়ি। তারকবাবু বলেন, “হিন্দুদের ওপর সেখানে অত্যাচার হত। হিন্দু মেয়েদের কোনও নিরাপত্তা ছিল না। স্বাধীনভাবে আমরা চলাফেরা করতে পারতাম না। আমাদের বাড়িতেও হামলার ঘটনা ঘটে। চরম আতঙ্কে ছিলাম। মুসলিমদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে ৩৭ বছর আগে আমরা খুলনা ছেড়ে ভারতে চলে আসি। মোদিজির ভাষণ শুনে দেড় মাস আগে পোর্টালে আবেদন করি। বারাসত মুখ্য ডাকঘরে শুনানি হয়। আমার স্ত্রী শংসাপত্র পেলেও আমি এখনও তা পাইনি। আসলে শুনানির সময়ে অফিসার বলেছেন, বাংলাদেশে জন্মের নথি জমা দিলেই নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেয়ে যাব। সেটা জমা দেওয়ার চেষ্টা করছি।” নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পেয়ে শান্তিলতা বিশ্বাস বলেন, “এতদিন আমরা উদ্বেগে ছিলাম। মোদিজি কথা রেখেছেন। ভগবানতুল্য মোদি সরকার। আমার মতো যারা বাংলাদেশ থেকে এদেশে এসেছে তাঁদের সকলকে আবেদন করতে বলব।”

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    কী বললেন অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি?

    অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি তথা বিদায়ী কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, “উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলার অনেক উদ্বাস্তু মানুষ ইতিমধ্যে নাগরিকত্বের (CAA) শংসাপত্র পেয়েছেন। বাকিরাও পাবেন। প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিশ্রুতি দেন, তা পালন করেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • West Bengal BJP leaders: আরও ২৮ রাজ্য বিজেপি নেতাকে ‘এক্স’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা, অনুমোদন কেন্দ্রের

    West Bengal BJP leaders: আরও ২৮ রাজ্য বিজেপি নেতাকে ‘এক্স’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা, অনুমোদন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী শনিবার ১ জুন রাজ্যে রয়েছে শেষ তথা সপ্তম দফার ভোট। বারাসত, দমদম, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, কলকাতা দক্ষিন ও কলকাতা উত্তর এই ৯ কেন্দ্রে ভোট রয়েছে শেষ দফায়। আর এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের আরও ২৮ জন বিজেপি নেতাকে (West Bengal BJP leaders) ‘এক্স’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা (‘X’ category security) দিচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। জানা গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সন্দেশখালি, দুই ২৪ পরগণা, মেদিনীপুরের বিজেপি নেতা কর্মীদের এই নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৫০ জনেরও বেশি বিজেপি নেতাদের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিশেষ নিরাপত্তা দিচ্ছে। রাজ্যে বর্তমানে ১২৫ জনের থেকে বেশি বিজেপি নেতৃবৃন্দ এবং কর্মীকে কেন্দ্রের নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। 

    এক্স ক্যাটেগরি নিরাপত্তার আওতায় কারা? 

    উল্লেখ্য, এর আগে উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়কে এক্স ক্যাটেগরির নিরাপত্তা (‘X’ category security) দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেয়েছেন উত্তর কলকাতা বিজেপির জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও। এছাড়াও বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রকে এক্স ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আর এবার শেষ দফা ভোটের আগে রাজ্যের আরও ২৮ জন বিজেপি নেতা-কর্মীদের (West Bengal BJP leaders) এক্স ক্যাটেগরি সুরক্ষা প্রদানে অনুমোদন দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। 

    আরও পড়ুন: কয়লা কারবারের সঙ্গেও যুক্ত ‘সন্দেশখালির ত্রাস’? শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন তথ্য ফাঁস ইডির

    প্রাণের ঝুঁকি এড়াতে নিরাপত্তা প্রদান

    যদিও আগে থেকেই বিজেপির সমস্ত সাংসদ, বিধায়ক ও রাজ্য স্তরের নেতাদের এক্স ক্যাটেগরির নিরাপত্তা (‘X’ category security) দেওয়া হয়েছে। লোকসভা নির্বাচন যত এগোচ্ছে, ততই বিভিন্ন জায়গা থেকে কমবেশি রাজনৈতিক উত্তেজনার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। ইতিমধ্যেই প্রথম ছয় দফার ভোট শেষ হয়েছে। বাকি আর এক দফা। এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে বিজেপি প্রার্থীদের (West Bengal BJP leaders) নতুন করে এই নিরাপত্তা প্রদানের বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রত্যেকের প্রাণের ঝুঁকি ও তাঁদের উপর আক্রমণ আসতে পারে আশঙ্কা করে এই নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। 
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hiran Chaterjee: “কেশপুরে দুশোটি বুথে ভোট লুট করেছে তৃূণমূল, আদালতে যাব”, হুঁশিয়ারি হিরণের

    Hiran Chaterjee: “কেশপুরে দুশোটি বুথে ভোট লুট করেছে তৃূণমূল, আদালতে যাব”, হুঁশিয়ারি হিরণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফা নির্বাচনের দিন কেশপুরে দফায় দফায় তৃণমূলীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chaterjee)। বহু বুথে তাঁকে ঢুকতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। বিজেপির এজেন্টও ছিল না বহু বুথে। ভোট শেষে কেশপুরে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী। কেশপুরকে পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি স্ট্রংরুম পরিদর্শনে গিয়ে কেশপুরের প্রসঙ্গে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন হিরণ।

    ২০০টি বুথে ভোট লুট, আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ইঙ্গিত (Hiran Chaterjee)

    ঘাটাল রবীন্দ্র মহাবিদ্যালয়ে তৈরি হয়েছে ঘাটাল লোকসভার স্ট্রং রুম। সেখানে পরিদর্শনে গিয়ে হিরণ (Hiran Chaterjee) বলেন, “কেশপুরের অন্তত ২০০ টি বুথে বিজেপির এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি। সেই সব বুথে তৃণমূল ছাপ্পা মেরেছে। কমিশনে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। কেশপুরের সেই সন্ত্রাস বন্ধ হয়নি। তৃণমূলের হাত ধরে তা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। ভোটের লুঠের জন্য আমরা ফের ভোটের দাবি জানিয়েছিলাম। এবার আদালতের দ্বারস্থ হব।” জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে ঘাটাল লোকসভা থেকে প্রায় ১ লক্ষ ৮ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী দেব ওরফে দীপক অধিকারী। বিজেপির বক্তব্য, দেবের এই লিডের সিংহভাগই জোগান দিয়েছিল কেশপুর। বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলেও এবারেও কেশপুরের ভোটে সকাল থেকে তৃণমূল পুলিশকে কাজে লাগিয়ে বাহিনীকে বিভ্রান্ত করে বুথের পর বুথে ভোট লুট করেছে। এবার সুবিচার চাইতে আদালতে যাবে বিজেপি। প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের বিধানসভা ভোটে এই কেশপুর থেকেই সিপিএম প্রার্থী প্রায় ১ লাখ ৮ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। যা নিয়ে সে সময় সিপিএমের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগে সরব হয়েছিল তৎকালীন বিরোধী দল তৃণমূল।

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    কী বললেন দেব?

    বিজেপি প্রার্থীর (Hiran Chaterjee) আনা অভিযোগকে অবশ্য গুরুত্ব দিচ্ছে না তৃণমূল। ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দীপক অধিকারী ওরফে দেব বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ভোট হয়েছে, তাতেও সন্ত্রাসের কথা বললে হাস্যকর!” যদিও ভোট শেষে জয় নিশ্চিত বুঝে দেব দলীয় কর্মীদের নিয়ে সবুজ আবিরও খেলেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: কাজ দেওয়ার নাম করে নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, বিক্ষোভ বিজেপির

    Balurghat: কাজ দেওয়ার নাম করে নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজ দেওয়ার নাম করে ডেকে এনে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম রাকেশ শীল। তিনি তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের প্রাক্তন জেলা সভাপতি। মাস দুয়েক আগে বালুরঘাট (Balurghat) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মহিলা কর্মীদের মধ্যে গোলমালের ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল। শহরে অবৈধ নির্মাণেও নাম জড়ায় তাঁর। শেষ পর্যন্ত তাঁকে শ্রমিক সংগঠনের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে, এখনও শহরে তৃণমূলের বাহুবলী নেতা হিসাবে তিনি পরিচিত। তবে, ধর্ষণের চেষ্টায় অভিযুক্ত হলেও পুলিশ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করেনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুরঘাট (Balurghat) থানার ১০০ মিটারের মধ্যে রাকেশের মোবাইলের দোকান। ওই দোকানের দোতলায় বাথরুম সহ বিশ্রাম কক্ষ রয়েছে। সেখানেই গত মঙ্গলবার এক নাবালিকাকে তিনি ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার বাবা-মা পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁরা এখন মহারাষ্ট্রে রয়েছেন। সে দাদুর বাড়িতে থাকে। তাকে কোনও কাজে লাগানোর চেষ্টা করছিলেন তার মামিমা। তৃণমূল নেতা রাকেশ তাঁর পূর্বপরিচিত। তাই ভাগ্নির কাজের জন্য তিনি রাকেশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ওই নেতা নিজেরে দোকানে ওই নাবালিকা ডেকে পাঠান। এরপর নিজের দোকানের দোতলার বিশ্রাম কক্ষের বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ওই নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। কোনওরকমে ওই নাবালিকা সেখান থেকে বেরিয়ে এসে, সে তার মামিমাকে গোটা বিষয়টি জানায়। ওই নাবালিকার মামিমা বালুরঘাট থানায় ওই নেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই খবর জানাজানি হতেই জেলা জুড়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। বালুরঘাট থানার পুলিশ নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। শারীরিক পরীক্ষা করার পর ওই নাবালিকাকে বালুরঘাট আদালতে নিয়ে গিয়ে গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়। যদিও রাকেশের শীলের দাবি, “আমি ওদের চিনিই না। আমার এবিষয়ে কিছুই জানা নেই। আমার দোকানে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। পুলিশ তার ফুটেজ তদন্ত করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।”

    আরও পড়ুন: ফের ইডির জেরার মুখে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা, এবার তলব রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে

    বিজেপির থানা ঘেরাও

    ওই তৃণমূল নেতার গ্রেফতারের দাবিতে বালুরঘাট (Balurghat)থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির মহিলা মোর্চা। বৃহস্পতিবার বিকেলে দক্ষিণ দিনাজপুর বিজেপি মহিলা মোর্চার পক্ষ থেকে বালুঘাট শহরে মিছিল করে এসে বালুরঘাট থানার সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রাকেশ শীলকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি ও কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়।  

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, ‘আগেও ওই নেতার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আসায় তাঁকে দলীয় পদ থেকে সরানো হয়েছে। এটা আইনগত বিষয়। আইন তার নিজের পথেই চলবে।’ এনিয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরীর বক্তব্য, ‘ওই তৃণমূল নেতা দীর্ঘদিন ধরেই নানা অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত। বহু অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। তবুও তৃণমূল তাঁকে প্রশ্রয় দিয়ে এসেছে। এবার তাঁর বিরুদ্ধে নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টার মামলা হয়েছে। দ্রুত তাঁকে গ্রেফতার করা না হলে আমরা আন্দোলনে নামব।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বিজেপি করার অপরাধ! নদিয়ায় রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর

    Nadia: বিজেপি করার অপরাধ! নদিয়ায় রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি করার অপরাধে এক কর্মীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য এবং তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে। হামলার জেরে গুরুতর জখম অবস্থায় ওই বিজেপি কর্মীকে কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে কৃষ্ণনগরে (Nadia) বিজেপির জেলা কার্যালয়ে একটি বৈঠক ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বজিৎ মাঝি নামে আক্রান্ত ওই বিজেপি কর্মী। তাঁর বাড়ি কোতোয়ালি থানার বেলেডাঙার বিনয়পল্লি এলাকায়। দলীয় বৈঠক শেষ করে ওই বিজেপি কর্মী যখন বাড়ি যাচ্ছিলেন, তখন কৃষ্ণনগর স্টেশন সংলগ্ন গরুরহাটের কাছে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। স্থানীয় ভাতজাংলা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭৭নম্বর বুথের তৃণমূলের সদস্য সুবোধ দাস এবং তাঁর দলবল বিশ্বজিৎ মাঝিকে লোহার রড, লাঠি, বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। লোহার রড দিয়ে মেরে নাক ফাটিয়ে দেয়। পরে, হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর জখম অবস্থায় বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে জখম দলীয় কর্মীকে হাসপাতালে দেখতে চান কৃষ্ণনগর উত্তর বিজেপির জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস।

    আরও পড়ুন: ফের ইডির জেরার মুখে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা, এবার তলব রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    কৃষ্ণনগর (Nadia) উত্তর বিজেপির জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস বলেন, শুধুমাত্র বিজেপি করার জন্যই এই ঘটনা। তবে, যেভাবে বিজেপি কর্মীকে মারধর করা হয়েছে তা খুবই দুঃখজনক। এর পিছনে রয়েছে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য এবং তাঁর দলবল। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হবে এবং অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার দ্রুত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। নাহলে বিজেপি বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে। কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়ও জখম দলীয় কর্মীকে দেখতে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে যান। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তিনি আর্জি জানান। যদিও বিজেপির তোলা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, নিজেদের মধ্যে কোন্দলে এই ঘটনা ঘটেছে। এর পিছনে তৃণমূলের কোনও হাত নেই।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share