Tag: bjp

bjp

  • Maharashtra: মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ৫ ডিসেম্বর, হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    Maharashtra: মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ৫ ডিসেম্বর, হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণের দিনক্ষণ ঘোষণা করল বিজেপি (BJP)। গতকাল শনিবারই মহারাষ্ট্রের বিজেপি সভাপতি চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে জানিয়েছেন, আগামী ৫ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৫টায় মুম্বইয়ের আজাদ ময়দানে নতুন মুখ্যমন্ত্রী শপথগ্রহণ করবেন। অর্থাৎ একথা পরিষ্কার হয়ে গেল, মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই জানা যাবে। বিজেপি সূত্রের খবর, আগামীকাল ২ ডিসেম্বর বিজেপি বিধায়কদের বৈঠক হবে। যেখানে বিধায়কেরা নিজেদের দলের নেতা বেছে নেবেন। নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে মারাঠা ভূমের বিজেপি নেতা বাওয়ানকুলে আরও জানিয়েছেন, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    শনিবার ২৩ নভেম্বর মহারাষ্ট্রে (Maharashtra)  বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ হয়েছিল

    প্রসঙ্গত, গত মাসের শনিবার ২৩ নভেম্বর মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ হয়েছিল। তারপর থেকেই শিবসেনা (শিন্ডে)-বিজেপি আলোচনা চলছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী ইস্যুতে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন শিন্ডে-ফড়ণবীশ।  সূত্রের খবর, বিজেপি জোটের সব কিছুই ইতিবাচক রয়েছে। এখন দেখার মুখ্যমন্ত্রী কে হন মহারাষ্ট্রে!

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা, সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণের মুক্তি চাইল আরএসএস

    ঐক্যবদ্ধ এনডিএ 

    বিধানসভা ভোটে বিপুল জয় পেয়েছে এনডিএ শিবির। মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) বিজেপি-শিন্ডেসেনা-এনসিপি (অজিত)-এর ‘মহাযুতির’র ঐক্যবদ্ধ চেহারা অটুট রয়েছে। প্রসঙ্গত, এনসিপি (অজিত) ফলপ্রকাশের পরের দিন থেকেই বলে আসছে, ফড়ণবীশ মুখ্যমন্ত্রী হলে তাদের কোনও আপত্তি নেই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, বিজেপিরই কেউ মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন। কেউ কেউ মনে করছেন শিন্ডেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করতে পারে গেরুয়া শিবির। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করে বৃহস্পতিবারই শপথের দিন চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্র বিধানসভায় ২৮৮ জন সদস্য রয়েছেন। এরমধ্যে বিজেপি জোট ২৩৩ আসনে জয় পেয়েছে। এরমধ্যে বিজেপির ১৩২ আসন, শিবসেনা (শিন্ডে) ৫৭ এবং এন সি পি (অজিত) ৪১ আসন পেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: কেজরিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল তরল, ‘ক্ষোভের জের’, বলছে বিজেপি

    Arvind Kejriwal: কেজরিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল তরল, ‘ক্ষোভের জের’, বলছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আক্রান্ত দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। এবার তাঁকে লক্ষ্য করে তরল পদার্থ ছুড়ে মারলেন এক ব্যক্তি। দক্ষিণ দিল্লির ঘটনায় চাঞ্চল্য (Viral Video)। শনিবার বিকেলে আম আদমি পার্টির তরফে আয়োজন করা হয়েছিল পদযাত্রার। তাতে শামিল হয়েছিলেন কেজরিওয়াল স্বয়ং।

    কী বলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা (Arvind Kejriwal)

    প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভিড়ের মধ্যেই এক যুবক চলে আসেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর একেবারে কাছে। তাঁকে লক্ষ্য করে তরল পদার্থ ছোড়ার চেষ্টা করেন। দলীয় কর্মীদের তৎপরতায় বড়সড় বিপত্তির হাত থেকে বেঁচে যান আপ সুপ্রিমো। জানা গিয়েছে, হামলাকারীর নাম অশোক ঝাঁ। মারধর করে তাকে তুলে দেওয়া হয় দিল্লি পুলিশের হাতে।

    কেজরির ওপর হামলা হয়েছে আগেও

    কেজরিওয়ালের ওপর হামলার ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। ২০১৬ সালের শুরুর দিকে দিল্লির ছত্রশাল স্টেডিয়ামে দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে কালি ছিটিয়ে দিয়েছিলেন এক যুবতী। তার আগে নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন তাঁকে কষিয়ে থাপ্পড়ও মেরেছিলেন এক ব্যক্তি। ওই বছরই দিল্লি সচিবালয়ের মধ্যেই সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীন কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) লক্ষ্য করে জুতো ছুড়েছিলেন বেদ প্রকাশ নামের এক যুবক।

    দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে ইদানিং প্রায় প্রতিদিনই দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পদযাত্রা-সহ নানা কর্মসূচি পালন করছেন কেজরিওয়াল। এদিন তিনি পদযাত্রা করছিলেন গ্রেটার কৈলাশ এলাকায়। সেই সময়ই ঘটে বিপত্তি।

    আরও পড়ুন: ব্যাপক অত্যাচার, বাংলাদেশ কি হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে?

    ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সাংসদ বিজেপির কমলজিৎ সেহরাওয়াত বলেন, “দিল্লির সরকার মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।” তিনি বলেন, “মানুষ ক্ষুব্ধ, কারণ রাস্তা ভাঙা, নর্দমা উপচে পড়ছে এবং দূষণের মাত্রাও অত্যন্ত বেশি। তাই জনগণ ধৈর্য হারাচ্ছে।” সেহরাওয়াত বলেন, “তবে আমি জনগণকে অনুরোধ করছি, তারা যেন ভোটের মাধ্যমে তাদের মত প্রকাশ করে। পুলিশের উচিত সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।

    বিজেপির একটা অংশ একে কেজরিওয়ালের ‘গিমিক’ বলেই মনে করছে। তাদের মতে, রাজনৈতিকভাবে সফল হতে পারছেন না কেজরিওয়াল (Viral Video)। তাই লোক দিয়ে এই ধরনের কাজ করাচ্ছেন (Arvind Kejriwal)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘পরিবারের যত্ন নিন’, ওড়িশায় দলীয় বৈঠকে কর্মীদের ‘পরামর্শ’ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘পরিবারের যত্ন নিন’, ওড়িশায় দলীয় বৈঠকে কর্মীদের ‘পরামর্শ’ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবারের যত্ন নেওয়া, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখা এবং একটি ভালো সামাজিক জীবন যাপন করা — ওড়িশায় দলীয় নেতা-কর্মীদের এই তিন মন্ত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শুক্রবার বিজেপির বিধায়ক, সাংসদ এবং রাজ্যের দলীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘণ্টা দুয়েক ধরে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি এই বার্তা দেন। এদিন বৈঠকে প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত নেতাদের জিজ্ঞেস করেন সম্প্রতি কে কে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বেশিরভাগ নেতাই বলেন, তাঁরা কোভিড-১৯ অতিমারির সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কোভিড-সম্পর্কিত বিষয়ে নয়, অন্য কোনও অসুস্থতার কারণে।”

    কী জানতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী আরও জানতে চান, ব্যস্ত রাজনৈতিক সময়সূচির মধ্যেও তাঁরা কি নিজেদের পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের যত্ন নেন। বৈঠকে উপস্থিত এক বিজেপি নেতা বলেন, “আমাদের সবচেয়ে বেশি ছুঁয়ে গিয়েছিল যখন তিনি জানতে চাইলেন, আমাদের যদি অবিবাহিত বোন থাকে এবং তাদের বিয়ে দেরি হচ্ছে, তবে এর কারণ কি আমরা পরিবারকে যথেষ্ট সময় দিচ্ছি না। প্রধানমন্ত্রী আমাদের পরামর্শ দিয়েছেন, রাজনীতি থেকে কিছুদিনের জন্য বিরতি নিয়ে পরিবারের প্রতি আমাদের দায়িত্ব পালন করতে। তিনি আমাদের বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও দায়িত্বের আগে পরিবারকে অগ্রাধিকার দিতে।”

    কী বলছেন বিজেপি নেতা?

    অন্য এক বিজেপি নেতা বলেন, “আমরা কখনওই আশা করিনি যে তিনি (PM Modi) বৈঠকটি এতটা ইনফরমাল করবেন। তিনি অভিভাবকের মতো কথা বলেছেন। এটি মূলত একটি ইনফরমাল আলোচনা ছিল।” এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জনগণের মনোযোগ সবসময় আপনাদের দিকে থাকে, কারণ আপনারা তাঁদের নির্বাচিত প্রতিনিধি। আপনাদের ওপর সব সময় নজর রাখা হয়। তাই জনগণের সঙ্গে আচরণ করার সময় বিশেষ করে সামাজিক মাধ্যমের যুগে আরও সতর্ক থাকতে হবে। আপনি যা বলবেন, তা বলার আগে চিন্তা করুন। আপনার একটি ছোট ভুলের বড় মাশুল আপনাকে দিতে হতে পারে।

    আরও পড়ুন: ‘‘দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন বিরোধীরা’’, ওড়িশায় তীব্র আক্রমণ মোদির

    গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নিজের অভিজ্ঞতাও এদিন শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “রাজ্যে মেয়েদের শিক্ষা দেশের মধ্যে ২০তম স্থানে ছিল। আমি এটিকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলাম। আমি আমার মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের একত্রিত করেছিলাম। বিধায়ক ও দলীয় কর্মীরা সেই সব গ্রামে গিয়েছিলেন, যেখানে মেয়েদের স্কুল ছেড়ে দেওয়ার হার খুব বেশি ছিল। আমাদের প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হয়েছিল (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • West Bengal Assembly: ‘‘ধর্মাচরণে বাধা তৈরি করছে রাজ্য’’, বিধানসভা বয়কট করলেন বিজেপি বিধায়করা

    West Bengal Assembly: ‘‘ধর্মাচরণে বাধা তৈরি করছে রাজ্য’’, বিধানসভা বয়কট করলেন বিজেপি বিধায়করা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা প্রশ্নে বিধানসভায় (West Bengal Assembly) মুলতুবি প্রস্তাব আনলেন প্রধান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির দাবি, ভারতের মাটিতে স্বাধীনভাবে নিজের নিজের ধর্মচর্চা করার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত। সেই অধিকারে বাধা দেওয়া হচ্ছে। একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষের তরফে এটি করা হচ্ছে৷ শুক্রবার, বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বের শেষে মুলতুবি প্রস্তাব আলোচনার জন্য ওঠে। কিন্তু, আলোচনায় বিরোধী দলের কোনও সদস্যই প্রস্তাবটি পাঠ করার সুযোগ পাননি। এরপর হট্টোগোল শুরু হয়। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিধানসভা বয়কট (BJP Walk Out) করেন বিজেপির বিধায়করা। 

    ধর্মাচরণে বাধা

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, ‘‘ধর্মাচরণে বাধা তৈরি করছে রাজ্য়। এ ব্যাপারে বিধানসভায় (West Bengal Assembly) আলোচনা চেয়েছিলাম। অথচ অধ্যক্ষ নিজেই সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিলেন। গরিষ্ঠতা, দম্ভ, অহঙ্কার দিয়ে বিধানসভার মধ্যেও বিরোধীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা হচ্ছে। বাধ্য হয়েই ওয়াকআউট।’’ এ ব্যাপারে অধ্যক্ষর প্রতিক্রিয়া অবশ্য জানা যায়নি। বুধবার রাজ্যের নারী ও শিশু সুরক্ষা নিয়ে বলতে না দেওয়ার অভিযোগে বিধানসভা বয়কট করেছিলেন গেরুয়া বিধায়করা। আর শুক্রবার ‘ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে’- অভিযোগে কক্ষে মুলতুবি প্রস্তাব আনা হয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারী, শঙ্কর ঘোষ, মনোজ ওঁরাও, অশোক দিন্দা, দীপক বর্মণ একযোগে এই অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিলেন।

    আরও পড়ুন: ১৪০ কোটি ভারতবাসীর গর্ব! বন্ধু অ্যালবানিজের সঙ্গে রোহিতদের দেখে খুশি মোদি

    ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ

    শুভেন্দুর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার বীরভূমের পুরন্দরপুরে বজরংবলীর মূর্তি ও মন্দির ভাঙা হয়েছে। এ ব্যাপারেই আলোচনা চাওয়া হয়েছিল। তাঁর কথায়, ‘‘ভারতীয় সংবিধানের ধর্মের স্বাধীনতার কথা বলা আছে। ২৫, ২৬, ২৭, ২৮ ধারা বারেবারে লঙ্ঘিত হচ্ছে। যেমন ফালাকাটা, গার্ডেনরিচ, রাজাবাজার, নোদাখালি, বেলডাঙা- বিশেষ সম্প্রদায় হিন্দুদের অনুষ্ঠানে বাধা তৈরি করছে। অবিলম্বে এই জিনিস বন্ধ করা উচিত। অথচ রাজ্য এ বিষয়ে ব্যর্থ। সভায় এ বিষয়ে আলোচনার দাবি জানালে তা খারিজ করা হয়।’’ শুভেন্দু স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘‘শতাংশের হিসেব দেখলে সবচেয়ে বেশি ভোট আমরা হিন্দু জনগোষ্ঠী এবং জনজাতিদের পেয়েছি। আমরা যদি তাদের ধর্ম পালনে নিরাপত্তা দিতে না-পারি, তাদের কথা বিধানসভায় বলতে না-পারি, তাহলে কী মূল্য আছে আমাদের!’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Devendra Fadnavis: মহারাষ্ট্রে ‘বিহার মডেল’ নয়, সাফ জানাল বিজেপি

    Devendra Fadnavis: মহারাষ্ট্রে ‘বিহার মডেল’ নয়, সাফ জানাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) ‘বিহার মডেল’ নয়। শিন্ডেসেনাকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে বিজেপি। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র প্রেম শুক্ল সংবাদমধ্যমকে জানান, বিহারের মতো পরিস্থিতি নেই মহারাষ্ট্রে। তিনি বলেন (Devendra Fadnavis), “ভোটের আগেই নীতিশ কুমারকে মুখ্যমন্ত্রী করার প্রস্তাব দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু মহারাষ্ট্রে আমরা এমন কোনও কথা দিইনি।” শুক্ল বলেন, “তাছাড়া মহারাষ্ট্রে আমাদের সাংগঠনিক ক্ষমতা বেশি।”

    শিন্ডেসেনার বক্তব্য (Devendra Fadnavis)

    সোমবারই ‘বিহার মডেলে’র প্রসঙ্গ টেনে শিন্ডেসেনার মুখপাত্র নরেশ মাশকে বলেছিলেন, “বিহারে যেমন বিজেপি আসন সংখ্যার দিকে না তাকিয়ে নীতীশ কুমারকে মুখ্যমন্ত্রী করেছিল, তেমনই মহারাষ্ট্রেও শিন্ডেকে মুখ্যমন্ত্রী করা উচিত।” শিবসেনার এক নেতার দাবি, বিজেপি শিন্ডেকে জানিয়েছে যে, তিনিই মুখ্যমন্ত্রী থাকছেন।

    ফর্মুলা ওয়ান

    আজ, বুধবার দিল্লি গিয়েছেন উপ মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। শোনা যাচ্ছে, ফড়নবীশকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করা হবে শিন্ডেকে। এই সূত্রে শিন্ডেসেনা রাজি হবে কিনা, তা স্পষ্ট নয় (Devendra Fadnavis)। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে ধীরে চলো নীতি নিয়ে এগোতে চাইছে পদ্ম পার্টি। সে ক্ষেত্রে প্রথমে সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে, বণ্টন করা হবে দফতর। একেবারে শেষে বেছে নেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রী।

    কী বলছেন শিন্ডে

    বুধবার শিন্ডে বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। বলেছি সরকার গঠনে আমাদের পক্ষ থেকে কোনও বাধা থাকবে না। মোদিজি এনডিএ-র নেতা। আমি বলেছি যে তাদের যা সিদ্ধান্ত হবে এবং যাকে তারা মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী মনোনীত করবেন, শিবসেনা তাকে সম্পূর্ণ সমর্থন করবে।”

    আরও পড়ুন: ফাটল হচ্ছে চওড়া! ফের ‘ইন্ডি’ জোটের বৈঠক এড়াল তৃণমূল, কেন জানেন?

    প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮। এর মধ্যে বিজেপি একাই পেয়েছে ১৩২টি আসন। একনাথ শিন্ডের শিবসেনা পেয়েছে ৫৭টি আসন। অজিত পাওয়ারের এনসিপি জয়ী হয়েছে ৪১টি আসনে। ২০টি আসন গিয়েছে শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরের ঝুলিতে। কংগ্রেস জয়ী হয়েছে মাত্রই ১৬টি আসনে। আর ১০টি আসনে (Maharashtra) জয় পেয়েছে শরদ পাওয়ারের এনসিপি (Devendra Fadnavis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

  • BJP: চিন্ময় প্রভুকে নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে বাংলাদেশের ভিসা বাতিলের হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু

    BJP: চিন্ময় প্রভুকে নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে বাংলাদেশের ভিসা বাতিলের হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সনাতন জাগরণ মঞ্চের অন্যতম মুখ সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভুর জামিন খারিজ হতেই কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনারের অফিস ঘেরাও করার ডাক দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী বুধবার শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপি (BJP) বিধায়করা বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনারের অফিস ঘেরাও করেন। সেখানেই বাংলাদেশ সরকারকে কড়া বার্তা দিলেন বিরোধী দলনেতা। জানিয়ে দিলেন, চিন্ময় প্রভুকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। না হলে এবার বাংলাদেশের ভিসা বাতিলের দাবিতে কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানাবে বঙ্গ বিজেপি। একই সঙ্গে সোমবার থেকে সীমান্ত অবরোধের ডাকও দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা?(BJP)

    শুভেন্দু বলেন, “এর আগেও বাংলাদেশের অনেক সরকার দেখেছি। তবে এই রকম ভারত বিরোধী আচরণ, হিন্দুদের ওপর নির্যাতন আগের কোনও সরকারকে করতে দেখিনি।” বাংলাদেশে সনাতন জাগরণ মঞ্চের অন্যতম মুখ সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর পাশে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলনেতা (BJP) বলেন, “উনি কোনও অন্যায় করেননি। মিথ্যা কেসে ফাঁসিয়েছে ইউনূসের তালিবান সরকার। তারই প্রতিবাদে বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনারের অফিসে দাবি জানিয়ে গেলাম।” তিনি আরও বলেন, “প্রয়োজনে ১ দিন অপেক্ষা করে ভিসা দফতরে যাব। কেন্দ্রকে বলব, এরকম চলতে থাকলে বাংলাদেশের ভিসা বন্ধ করে নিন। বাকিটা আমরা সীমান্তে বুঝে নেব।”

    আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত ইজরায়েল-হিজবুল্লার! কেন এই সিদ্ধান্ত, কী ভাবছেন নেতানিয়াহু?

    প্রসঙ্গত, কোটা বিরোধী আন্দোলনের (BJP) জেরে গত অগাস্টে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরই বাংলাদেশে গঠিত হয় ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সেই সরকারের বিরুদ্ধে বার বার সেদেশের হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের সনাতন জাগরণ মঞ্চের অন্যতম মুখ সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেফতার করেছে ইউনূসের সরকার। তার প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছে বাংলাদেশ। সেই আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পড়েছে ভারতেও। মঙ্গলবার থেকে পথে নেমেছে বিজেপি। লাগাতার কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: কথার মাঝেই বন্ধ করা হল বিধায়কের মাইক! প্রতিবাদে ওয়াকআউট বিজেপির, উত্তাল বিধানসভা

    BJP: কথার মাঝেই বন্ধ করা হল বিধায়কের মাইক! প্রতিবাদে ওয়াকআউট বিজেপির, উত্তাল বিধানসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী নির্যাতন ইস্যুতে বিজেপির (BJP) মুলতুবি প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে উত্তাল বিধানসভা। বিধায়ক তাপসী মণ্ডলের মাইক বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ। এর পরই ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়করা। বিধানসভার বাইরে এসে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা।

    ঠিক কী ঘটেছে? (BJP)

    ২৫ নভেম্বর থেকে বিধায়সভায় (BJP) শুরু হয়েছে শীতকালীন অধিবেশন। বুধবার ছিল তৃতীয় দিন। জানা গিয়েছে, এদিন আরজি করকাণ্ড ও পরবর্তীতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মহিলাদের ওপর ঘটা অত্যাচারের প্রতিবাদে মুলতুবি প্রস্তাব আনে বিজেপি। কিন্তু, তাঁদের এবিষয়ে আলোচনার সুযোগ দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে হলদিয়ার বিজেপি বিধায়ক তাপসী মণ্ডলের মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এর পরই ওয়াক আউট করে বিজেপি। অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিধায়করা। প্রত্যেকের হাতে রয়েছে প্ল্যাকার্ড।

    আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত ইজরায়েল-হিজবুল্লার! কেন এই সিদ্ধান্ত, কী ভাবছেন নেতানিয়াহু?

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, ‘‘আরজি করের ঘটনার পরেও আমাদের রাজ্যে নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন চলছেই। শারীরিক অত্যাচার ও খুন ক্রমবর্ধমান। এর বিরুদ্ধে আমাদের মহিলা বিধায়করা এদিন বিধানসভায় একটি মুলতুবি প্রস্তাব জমা করেন। এই মুলতুবি প্রস্তাবের ভাষ্যে এডিটেড পার্ট তাঁদেরকে পড়তে দেওয়া হয়। কিন্তু আলোচনার সুযোগ রাখা হয় না। আমাদের বিধায়ক তাপসী মণ্ডল, শিখা চট্টোপাধ্যায়, মালতি রাভা, চন্দনা বাউড়ি সবাই মিলে যখন প্রতিবাদ করেন, তখন তাপসী মণ্ডলের মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়। আসলে তাপসী মণ্ডলের যে মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, সেটা আসলে পশ্চিমবঙ্গের অসংখ্য মহিলা ও শিশুদের কথা বলার মাইক ছিল। তাঁদেরই কণ্ঠরোধ করা হয়েছে।” শঙ্করের কথায়, স্পিকারের এই আচরণের প্রতিবাদ করতেই তাঁরা ওয়াক আউট করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, ‘‘আসলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পরই বলেছিলেন, বিরোধীদের মুখে সেলোটেপ মেরে দিতে। এদিন স্পিকার সেটাই করেছেন। এটা তো মুখ্যমন্ত্রীর আচরণেরই ভাষ্য।”

    স্পিকার কী বলেছিলেন?

    যদিও বিধানসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন যে, এডিটেড ভার্সনই পড়তে হবে, সেটাই নিয়ম। কিন্তু তাপসী মণ্ডল তার বাইরের অংশ পাঠ করছিলেন বলে সেটা রেকর্ড না করার নির্দেশ দেন তিনি। তাও তাপসী মণ্ডল বলতে থাকলে মাইক বন্ধের নির্দেশ দেন স্পিকার। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই বাংলাদেশে চিন্ময়কৃষ্ণ দাস গ্রেফতারির আঁচ পড়ে বিধানসভায়। প্রতিবাদে সরব হয় বিজেপি। বিধানসভার বাইরে মিছিলও করেন বিজেপি বিধায়করা। আগামী দিনে কলকাতায় রাস্তায় নামার কর্মসূচিও ঘোষণা করেন বিরোধী দলনেতা (BJP) শুভেন্দু অধিকারী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্গু পাণ্ডের গাড়ি লক্ষ্য করে পর পর গুলি, ১২ জনের নামে চার্জশিট এনআইএ-র

    NIA: বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্গু পাণ্ডের গাড়ি লক্ষ্য করে পর পর গুলি, ১২ জনের নামে চার্জশিট এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) নেতা প্রিয়াঙ্গু পাণ্ডের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় চার্জশিট জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। ১২ জন অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করা হয়েছে চার্জশিটে। মঙ্গলবার বিশেষ আদালতে এই চার্জশিট পেশ করে এনআইএ (NIA)।

    ঠিক কী অভিযোগ? (NIA)

    জানা গিয়েছে, ২৮ অগাস্ট ভাটপাড়ার বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্গু পাণ্ডের গাড়িতে হামলা হয়। গুলি চালানো হয় গাড়ি লক্ষ্য করে। তিনি ওই দিন কাঁকিনাড়ার দিকে যাচ্ছিলেন। তাঁর সঙ্গী ছিলেন অপর এক বিজেপি নেতা রবি সিং। চালকের পাশেই বসেছিলেন প্রিয়াঙ্গু। পিছনে ছিলেন রবি। মাঝপথে তাঁদের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় জখম হন প্রিয়াঙ্গু ও রবি দু’জনেই। সঙ্গে গাড়ির চালক রবি ভর্মাও জখম হন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য বিজেপি প্রতিবাদে সরব হয়ে ওঠে। ভাটপাড়ার বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বলেছিলেন, চালককে লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয়। তাঁর কপাল ঘেঁষে গুলি বেরিয়ে যাওয়ায় তিনি প্রাণে রক্ষা পান। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল ওঠে তৃণমূলের দিকে। মূলত, তৃণমূল নেতা তরুণ সাউ এবং বিধায়ক সোমনাথ শ্যামকেও অভিযুক্ত করেছিলেন তিনি। থানায় অভিযোগ করা হয়। পরে, ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করে এনআইএ (NIA)।

    আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত ইজরায়েল-হিজবুল্লার! কেন এই সিদ্ধান্ত, কী ভাবছেন নেতানিয়াহু?

    ১২ জন অভিযুক্ত কারা?

    এনআইএ (NIA) একটি বিবৃতিতে বলেছে, বিশেষ আদালতের সামনে বিএনএস, অস্ত্র আইন এবং বিস্ফোরক পদার্থ আইনের বিভিন্ন ধারার অধীনে চার্জশিট জমা করা হয়েছে। হামলার পিছনে একটি অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র রয়েছে। এনআইএ-এর তদন্তে ১২ জন অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যাঁরা প্রিয়াঙ্গু পাণ্ডের কর্মীদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অভিযুক্তরা হলেন মহম্মদ আবেদ খান, মহম্মদ আরিফ, ওয়াসিমুদ্দিন আনসারি, মহম্মদ নাসিম, ফিরদুশ ইকবাল, মহম্মদ তানভীর, সঞ্জয় সাউ, মহম্মদ চাঁদ, আকাশ সিং, মহম্মদ সোহেব আকতার, মহম্মদ আকবর এবং সাগর সিং। মামলার তদন্ত এখনও অব্যাহত রয়েছে। জানা গিয়েছে, ৬ নভেম্বর এনআইএ এই ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করে।

    ঠিক কী বলেছিলেন শুভেন্দু?

    একটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করে যা ঘটনার দিন গুলি চালানোর মুহূর্তটি দেখানো হয়েছে। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীও নিজের এক্স হ্যান্ডলে অভিযোগ করেছিলেন, ভাটপাড়ায় বিশিষ্ট বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্গু পাণ্ডের গাড়িতে তৃণমূলের গুন্ডা গুলি চালাচ্ছে। গাড়ির চালককে গুলি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: আজ বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনারের দফতর ঘেরাও, সোমবার সীমান্তে অবরোধ বিজেপির

    BJP: আজ বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনারের দফতর ঘেরাও, সোমবার সীমান্তে অবরোধ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) সনাতনীদের ওপর ক্রমাগত অত্যাচার বেড়ে চলেছে। সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় প্রভুর জামিন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে ওঠে। সেই আন্দোলনের আঁচ এসে লাগে ভারতে। বিজেপির (BJP) পক্ষ থেকে লাগাতার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারকে কড়া বার্তা দিতে বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনারের দফতর ঘেরাও করবেন বিজেপি বিধায়করা। ফলে, ক্রমশ চাপ বাড়ছে বাংলাদেশের ওপর।

    লাগাতার আন্দোলনের ডাক বিজেপির

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চিন্ময় প্রভুকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিতেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) গর্জে ওঠেন। ইতিমধ্যেই চিন্ময় প্রভুর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বেহালা চৌরাস্তা থেকে বিক্ষোভ মিছিল হয়। বাংলাদেশের সনাতনীদের ওপর ক্রমাগত বেড়ে চলা অত্যাচারের প্রতিবাদ জানানো হয়। ধ্বজা, মশাল নিয়ে সামিল হন সনাতনীরা। আজ, বুধবার, দুপুর তিনটের সময় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনারের দফতর ঘেরাও করবেন বিজেপি (BJP)  বিধায়করা। রবিবারের (১ ডিসেম্বর) মধ্যে কৃষ্ণদাস প্রভুকে মুক্তি না দিলে সোমবার (২ ডিসেম্বর) পেট্রাপোল সীমান্ত অবরোধ করবেন বনগাঁর বিজেপি বিধায়ক। সীমান্ত অবরুদ্ধ করে ইউনূস সরকারকে বার্তা দেবে বিজেপি।

    কী বলেছেন শুভেন্দু?

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘কলকাতার রাস্তায় থাকবেন হাজার হাজার হিন্দু। সব এলাকায় বিক্ষোভ দেখানো হবে। শিয়ালদা স্টেশন থেকে ডেপুটি হাইকমিশন পর্যন্ত মিছিলের আহ্বান জানিয়েছে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ। এক লাখ হিন্দু জমায়েত করবেন। সোমবার, পেট্রাপোলের কাছে বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করে দেবেন হিন্দুরা। আমি সেখানে উপস্থিত থাকব। সবকিছু বন্ধ করে দেওয়া হবে। আমদানি-রফতানির কোনও প্রশ্নই নেই।’’

    আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত ইজরায়েল-হিজবুল্লার! কেন এই সিদ্ধান্ত, কী ভাবছেন নেতানিয়াহু?

    হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল

    এমনিতেই মঙ্গলবার বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে বিজেপি (BJP) বিধায়করা বিক্ষোভ মিছিল করেন। প্রতিবাদে সামিল হন। এর পাশাপাশি হিন্দু সুরক্ষা দলের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার সাড়ে সাতটা নাগাদ মৌলালি মোড় অবরোধ করা হয়। আন্দোলনকারীরা চিন্ময় প্রভুকে মুক্ত করার দাবি জানান। শুধু মঙ্গলবার নয়, এই একই ইস্যতে বৃহস্পতিবার রয়েছে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল। জানা গিয়েছে, শিয়ালদা স্টেশনের কাছে থেকে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ মিছিল শুরু হবে। ফলে, মঙ্গলবার থেকে বিজেপি সহ বিভিন্ন সনাতনী ধর্মীয় সংগঠনের সদস্যরা পথে নেমে যেভাবে আন্দোলন শুরু করেছেন, তাতে চিন্ময় প্রভুর জামিন না হওয়া পর্যন্ত থামবে না। বরং, আন্দোলন ক্রমশও জোরদার হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি, বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন অফিস ঘেরাও করবে বিজেপি

    BJP: চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি, বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন অফিস ঘেরাও করবে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর গ্রেফতারি ঘিরে উত্তাল বাংলাদেশ (Bangladesh)। রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছেন হিন্দুরা। এবার প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়ল ভারতেও। চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছে বিজেপি (BJP)। মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তারা মিছিল করে। ইতিমধ্যেই বিজেপির তরফ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনায় সীমান্তে অবরোধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইউনূস সরকারকে।

    বিজেপির কী কী কর্মসূচি রয়েছে? (BJP)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বেহালায় মশাল মিছিল। বুধবার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন অফিস ঘেরাও অভিযান রয়েছে। বৃহস্পতিবার শিয়ালদা স্টেশনের কাছে রয়েছে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল। চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুকে মুক্তি না দিলে, সীমান্ত অবরুদ্ধ করবেন সনাতনীরা। বিজেপির (BJP) তরফ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা স্পষ্ট করে দেন ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে জামিন না দিলে পেট্রাপোল সীমান্তে বিক্ষোভ ও অবরোধ করবে হিন্দুরা। বুধবার বাংলাদেশ নিয়ে রাজ্য বিধানসভার সামনে প্রতিবাদ জানানো হবে।

    আরও পড়ুন: দুয়ারে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন, বৈঠকে বিজেপির ইস্তাহার কমিটি

    কী বললেন শুভেন্দু?

    বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়েও এদিন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন (BJP) শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘‘তৃণমূল প্রতিবাদ করবে না। ওরা মুসলিম লিগ ২। আমরা করব। বাংলাদেশের হিন্দুদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ের নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুকে মৌলবাদী ডক্টর ইউনূস সরকার গ্রেফতার করেছে। আমরা এই খবর পেয়ে অত্যন্ত বিচলিত ও চিন্তিত। আমরা সকলে ভাবিত। তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করছি। মুক্তি না দিলে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে বিক্ষোভ হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সীমান্ত পেট্রাপোলে সনাতনীরা ধ্বজা নিয়ে অবরোধ করবে। বাংলাদেশে ভারত থেকে পশ্চিমবঙ্গ দিয়ে কোনও পরিষেবা নিতে দেব না। অবিলম্বে ইউনূস সরকারকে চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুকে মুক্তি দিতে হবে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার স্বার্থে লড়াই করছি। তাঁকে দ্রুত না ছেড়ে দিলে আমরা সব পরিষেবা বন্ধ করে দেব। মনে রাখবেন, এখান থেকে কিন্তু সমস্ত পণ্য পৌঁছয় ওপার বাংলায়।” মঙ্গলবার এনিয়ে বিধানসভার বাইরে বিজেপি বিধায়করা মিছিল করে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের হাতের পোস্টারে লেখা, চিন্ময় মহাপ্রভুর নিঃশর্ত মুক্তি চাই।

    প্রসঙ্গত, ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সোমবার গ্রেফতার করেছে ইউনূস সরকারের পুলিশ। মঙ্গলবার জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে বাংলাদেশের আদালত। পুলিশ নিজেদের হেফাজতে না চাওয়ায় তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম ষষ্ঠ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কাজি শরিফুল ইসলাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share