Tag: bjp

bjp

  • Sukanta Majumdar: ধরতে হবে ময়নাকাণ্ডের মূল মাস্টার মাইন্ডকে, দাবি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ধরতে হবে ময়নাকাণ্ডের মূল মাস্টার মাইন্ডকে, দাবি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ময়না-কাণ্ডে প্রথম গ্রেফতারি হয়েছে গতকাল বৃহস্পতিবার। নিহত বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়ার পরিবারের তরফ থেকে দায়ের করা এফআইআরে ২৬ নম্বরে নাম থাকা, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য মিলন ভৌমিককে তাঁর মেয়ের বাড়ি থেকে ভোররাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) মত, অভিযুক্ত যেখানে ৩০ থেকে ৩৫ জন সেখানে ১ জনকে গ্রেফতার করে কিছু হবে না। আসল মাস্টার মাইন্ডকে খুঁজে বের করতে হবে। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা চলছেই, কখনও দলীয় ভোটে ব্যালট লুঠ তো কখনও তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ! এনিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বালুরঘাটের সাংসদ। ছোট চোরেরা বড় চোরের কাছে অভিযোগ জানাচ্ছে এমনই মন্তব্য করেন তিনি। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার তৃণমূলের একাংশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে দলের নেতাদের বিরুদ্ধে চুরি ও দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল।

    আরও পড়ুন: আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা, বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণও! কোন কোন বিধি মেনে চলতে হবে?

    ময়নাকাণ্ড…

    সল্টলেকে দলীয় কার্যালয়ে সুকান্ত এদিন বলেন, ময়নার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ পুলিশ-প্রশাসন। পুলিশ প্রথম থেকেই দুষ্কৃতিদের আড়াল করতে সচেষ্ট বলেও এদিন তোপ দাগেন তিনি। সুকান্তর (Sukanta Majumdar) অভিযোগ, বাকচার দুটো পুলিশ ক্যাম্পই আসলে দুষ্কৃতীদের ঘাঁটি। পুলিশের মদতেই সেখানে তারা মজুত করে রাখে বোমা আর সন্ত্রাস করে এলাকায়।

    অভিষেকের নবজোয়ার প্রসঙ্গ…

    নবজোয়ার কর্মসূচিতে এদিন মালদায় ছিলেন, তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। সেখানে স্থানীয় বিনোদপুর পঞ্চায়েতে একদল তৃণমূল কর্মী তাঁর গাড়ি আটকে দলেরই পঞ্চায়েত প্রধানের চুরি ও দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়। এ প্রসঙ্গে সুকান্তর কটাক্ষ, ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় হয়ে যাবে। তৃণমূলের এমন কেউ আছে নাকি যে চুরি ও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নয়?

    আরও পড়ুুন: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • National SC Commission: “পুলিশের নেতৃত্বেই খুন”! ময়নায় বিস্ফোরক জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান

    National SC Commission: “পুলিশের নেতৃত্বেই খুন”! ময়নায় বিস্ফোরক জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় পরিদর্শনে এসে রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জাতীয় এসসি কমিশনের (National SC Commission) ভাইস চেয়ারম্যান অরুণ হালদার। উল্লেখ্য বিজেপি কর্মী বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়ার খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখানকার পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত। হাইকোর্ট ইতিমধ্যেই মৃতদেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপির নেতৃত্বে এখানে পালিত হয়েছে বনধ। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীও রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। এরকম একটা প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার সেখানে পৌঁছন এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান। 

    কী বললেন এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান?

    এদিন ঘটনাস্থলে পৌঁছেই জেলার ডিএম এবং এসপিকে না দেখতে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। সেখানে তখন উপস্থিত ছিলেন ময়না থানার ওসি। তাঁকে ধমক দিয়ে তিনি (National SC Commission) বলেন, আগে থেকেই আমি খবর দিয়েছিলাম এবং এসপিকে ঘটনাস্থলে থাকতে বলেছিলাম। কিন্তু উনি আসেননি। এরকম একটা ঘটনায় উনারা কেন এলেন না? সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, সবার সঙ্গে কথা বলার পর একটা জিনিস পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে, পুলিশের নেতৃত্বেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এরকম একটি মর্মান্তিক ঘটনায় আমি দিল্লি থেকে ছুটে আসতে পারলাম, অথচ জেলার এসপি নিজে না এসে পাঠিয়ে দিলেন থানার আইসিকে। পুলিশ এভাবে যে তাঁকে কার্যত অপমান করেছে, সে কোথাও তিনি জানিয়ে দেন। তাঁর আশঙ্কা, কালিয়াগঞ্জের মতো এখানেও পুলিশ কোনও কিছু গোপন করতে চাইছে।

    একই অভিজ্ঞতা হয়েছিল কালিয়াগঞ্জেও

    উল্লেখ্য কালিয়াগঞ্জের ঘটনাতেও দিল্লি থেকে ছুটে এসেছিলেন অরুণ হালদার। তখনও তাঁকে একই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তারপরে তিনি (National SC Commission) ক্ষুব্ধ হয়ে জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারকে দিল্লিতে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ পাঠান। ময়নার ঘটনাতেও তিনি একাধিক প্রশ্ন তোলেন। তাঁর অভিযোগ, নিহত বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের পর আনুষঙ্গিক তথ্যপ্রমাণ রেখে দেওয়ার জন্য পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকী দেহ উদ্ধারের পর খবর দেওয়া হয়নি তাঁর পরিবারের লোকজনকেও। এদিনের ঘটনার পরও তিনি পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিকদের দিল্লিতে তলব করবেন বলে জানিয়ে দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হাইকোর্টের নির্দেশ ভেঙে লাঠিচার্জ করেছে সিভিক পুলিশ! ট্যুইটে অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হাইকোর্টের নির্দেশ ভেঙে লাঠিচার্জ করেছে সিভিক পুলিশ! ট্যুইটে অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পটাশপুরের ওসি রাজু কুণ্ডুর নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীদের আন্দোলনে লাঠিচার্জ করেছে সিভিক পুলিশ, যা হাইকোর্টের নির্দেশের বিরোধী। বুধবার এই মর্মে ট্যুইট করে রাজ্য পুলিশের ডিজিপিকে অভিযোগ জানালেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। প্রসঙ্গত, আইন-শৃঙ্খলাজনিত কোনও কাজে লাগানো যাবেনা সিভিকদের, এমনটাই ছিল হাইকোর্টের নির্দেশ। উচ্চ আদালত বেঁধে দেয় কোন কোন ক্ষেত্রে সিভিক ব্যবহার করা যাবে, মাস কয়েক আগেই রাজ্য পুলিশের আইজিকে গাইডলাইন তৈরি করতে নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। সেই নির্দেশ মোতাবেক রাজ্য সরকার সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করে। নির্দেশ অনুযায়ী, ভিড় নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং উৎসবের সময় ধর্মস্থানগুলিতে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করতে পারবে সিভিকরা এর পাশাপাশি গাড়ির পার্কিং দেখাশোনার কাজ করতে পারবে তারা। কিন্তু সিভিকদের দিয়ে আইনশৃঙ্খলার কাজ করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করে বিজেপি, কালিয়াগঞ্জ কাণ্ডেও এমন অভিযোগ তোলে তারা। দানা বাঁধে বিতর্ক। বিজেপির অভিযোগ, শাসকদলের বদান্যতায় কাজ পেয়েছেন সিভিকরা, কোথাও কোথাও তাদের নাম শাসকদলের কমিটিতেও দেখা যাচ্ছে। কোনও কোনও মহল বলছে, আসলে ইউনিফর্ম পরে শাসক দলের কর্মীর কাজই করে চলেছেন সিভিকরা।

    শুভেন্দুর(Suvendu Adhikari) অভিযোগ….

    বুধবার কোলাঘাটে সাংবাদিক সম্মেলনে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ট্যাপরপাড়া এলাকায় বিজেপি নেতা মোহনলালকে পশুর মতো পিটিয়েছে পটাশপুর থানার ওসি রাজু কুণ্ডু, সঙ্গে ছিল মাথায় হেলমেট পরা সিভিকরা। এরপরই তিনি প্রশ্ন তোলেন হাইকোর্টের নির্দেশের পর কীভাবে সিভিক পুলিশ লাঠিচার্জ করতে পারে। আইজি ওয়েলফেয়ারের পক্ষ থেকে একটি সার্কুলারও দেওয়া হয়েছে এই নিয়ে, তবে তা কোনওভাবেই মানা হচ্ছেনা বলেও অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা। বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) ট্যুইটে ট্যাগ করেছেন রাজ্য পুলিশের ডিজিপিকে, এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার আর্জিও জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: এবার শুভেন্দুর দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থা

    Calcutta High Court: এবার শুভেন্দুর দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। হাইকোর্টে এই দুটি মামলার দ্রুত শুনানি হচ্ছে না বলে দুবার সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ জানিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু শীর্ষ আদালত এই দুটি মামলায় কোনও হস্তক্ষেপ না করে দ্রুত শুনানির পরামর্শ দিয়েছিল হাইকোর্টকে। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার পর্যবেক্ষণ, শীর্ষ আদালতে রাজ্যের আবেদন দেখে মনে হয়েছে যেন মামলাকারীর জন্যই শুনানিতে দেরি হয়েছে। কিন্তু এই আদালত দেখেছে যে কোনও পক্ষই দ্রুত শুনানিতে আগ্রহী নয়।

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতির পর্যবেক্ষণ…

    বিচারপতি মান্থার মন্তব্য, দীর্ঘ শুনানি করার সময় এই এজলাসের (Calcutta High Court) নেই। আদালতে আরও ৫৩ জন বিচারপতি রয়েছেন। অন্য কোনও এজলাসে মামলা পাঠানো হোক। এর পরেই এই দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ান বিচারপতি মান্থা। এর আগে এই মামলা (Suvendu Adhikari) থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টেরই আর এক বিচারপতি পার্থসারথি সেন। ডিসেম্বর মাসে বিচারপতি মান্থার বেঞ্চ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের দায়ের করা ২৬টি এফআইআরে স্থগিতাদেশ দেয়। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নতুন মামলা করতে গেলেও আদালতের অনুমতি নিতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তার বিরুদ্ধে হাইকোর্টের অন্য এজলাসে আর্জি জানিয়েও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। তার প্রেক্ষিতেই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ জানায়, রাজ্য সরকারকে আগের নির্দেশে রদবদলের জন্য হাইকোর্টেই আবেদন করতে হবে।

    আরও পড়ুুন: ভোররাতে কৃষ্ণ কল্যাণীকে নিয়ে রওনা গোয়েন্দাদের! কোথায় গেলেন?

    এদিকে, শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে নগর দায়রা আদালতের প্রধান বিচারকের বেঞ্চে দাখিল হল মানহানির মামলা। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের হয়ে আবেদন করেছে রাজ্য। প্রসঙ্গত, ১৭ এপ্রিল একটি ট্যুইট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। একটি বাসের ছবি দিয়ে তাঁর অভিযোগ, বিনীত গোয়েলের পুলিশ পাহারা দিয়ে এই বাসটি পটুয়াপাড়া থেকে বের করেছে। মনে হয় এই বাসটিতে টাকা রয়েছে। আমি (Suvendu Adhikari) সিবিআই-ইডিকে অনুরোধ করব এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের তরফে আবেদন জানানো হয় যে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হয়েছে। পুলিশের দাবি, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। পরে মানহানির মামলা দায়ের করে রাজ্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “সংবিধান প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজনে পুলিশের সঙ্গেও লড়াই করব”! ময়না-কাণ্ডে সরব সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “সংবিধান প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজনে পুলিশের সঙ্গেও লড়াই করব”! ময়না-কাণ্ডে সরব সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে গণতন্ত্র ফেরাতে, ও সংবিধান প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজনে পুলিশের সঙ্গেও লড়াই করতে প্রস্তুত, বলে জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ময়নায় বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হলেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “পুলিশের অপদার্থতার কারণেই এই খুন হয়েছে। এই সব কিছুর পর পুলিশ হামলার শিকার হলে আমাদের দায়ী করতে পারবেন না।”

    নিষ্ক্রিয় পুলিশ

    ময়নায় নিহত কর্মীর বাড়িতেও গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। দলের তরফে নিহত নেতার পরিবারের হাতে পাঁচ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন সুকান্ত। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের একজন বুথ সভাপতি, বড় মাপের কর্মীকে হারালাম। আমরা লড়াই ছাড়ছি না। সৌমেন মহাপাত্র, সংগ্রাম দলুই, যেই হোক না কেন, এখান থেকে বিজেপির পতাকা নামাতে পারবেন না। আমরা একজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলাম। তাকেও গ্রেফতার দেখানো হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে জানাব, এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার জন্য।’’ সুকান্ত আরও বলেন, “পুলিশ চাইলে তিন মিনিটে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই কর্মীকে বাঁচাতে পারতো। কিন্তু পুলিশ যায়নি।”

    আরও পড়ুন: ‘‘সিআরপিসি, আইপিসি-র অপব্যবহার রুখতে কঠোর পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্র’’! দাবি শুভেন্দুর

    ভাইপো বাঁচাও কর্মসূচি

    অভিষেকের নবজোয়ার কর্মসূচিকে কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “তৃণমূল ভাইপো বাঁচাও কর্মসূচি নিয়েছে! তবে ভাইপো বাঁচবেন কি না সন্দেহ আছে! কেননা পুরো কেস জমে ক্ষীর হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বাঁচার সম্ভাবনা নেই। এবার তাঁকে শাস্তি পেতে হবে।” বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একা পারছেন না নবজোয়ার কর্মসূচি সামলাতে। তাই তিনি আরেকজনকে ডেকে নিয়েছেন। আসলে যুবরাজের এত বাইরে ঘোরার অভ্যাস নেই তো! তৃণমূলে জোয়ার কোথায়, এখন তো ভাটা দেখতে পাচ্ছি।” সুকান্ত মজুমদার দাবি করেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না নবজোয়ার কর্মসূচিকে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ময়দানে নামতে হচ্ছে। তিনি বলেন, যাঁরা ব্যালট লুঠ করছেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিষ্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘সিআরপিসি, আইপিসি-র  অপব্যবহার রুখতে কঠোর পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্র’’! দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘সিআরপিসি, আইপিসি-র অপব্যবহার রুখতে কঠোর পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্র’’! দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাসের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ এবং তেলেঙ্গানার মতো রাজ্যে সিআরপিসি (ফৌজদারি কার্যবিধি) এবং আইপিসি (ভারতীয় দণ্ডবিধি)-র ব্যাপক অপব্যবহার রুখতে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার কোলাঘাটে এমন দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, আগামী ২-৩ মাসে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্র।

    শুভেন্দুর দাবি

    রাজ্য পুলিশ শাসকের দলদাস হিসেবে কাজ করে বলে অতীতেও বার বার আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি নেতারা। বুধবার কোলাঘাটের সাংবাদিক বৈঠক থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বললেন, ‘‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ভোট পরবর্তী হিংসার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এসে পুলিশের মুখোশ টেনে খুলে দিয়েছে। বলেছে এখানে আইনের শাসন চলে না, শাসকের আইন চলে।’’ এরপরই তিনি বলেন, ‘‘এই রাজ্যে সিআরপিসি, আইপিসি-র ব্যাপক অপব্যবহার হচ্ছে। তবে কেন্দ্র বিষয়টি নিয়ে বড়সড় পদক্ষেপ করতে চলেছে। তেলেঙ্গানা, পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলি যে ভাবে আইনের অপব্যবহার করছে, তা খুব শীঘ্রই বন্ধ হয়ে যাবে। আমি যেটুকু আমার সূত্র মারফত জানতে পেরেছি, আর বড়জোড় দু-তিন মাস লাগবে এই জিনিস বন্ধ হতে।’’

    ময়নায় বন্‌ধ সফল

    পূর্ব মেদিনীপুরে ময়নায় শাসকদলের বিরুদ্ধে বিজেপির বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে খুনের অভিযোগ তুলে বুধবার সেখানে ১২ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। এই ধর্মঘটের মধ্যেই বিকেলে কোলাঘাটে নিজের দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্য সরকার এবং শাসকদলের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, বুধবারের বন্‌ধ সফল হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘গোটা জেলা জুড়ে অবরোধ-বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি। তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে কোনও তৃণমূল নেতা-কর্মীদেরই ময়দানে দেখা যায়নি। বিজেপি নেতাকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে মারার পর কোনও মানুষই আর তৃণমূলের পাশে নেই। তাই জেলা জুড়ে তৃণমূল ঘরে গুটিয়ে রয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘এ জন্যই কি দেশের হয়ে পদক জিতলাম’’! মধ্যরাতে যন্তর মন্তরে পুলিশ-কুস্তিগির খণ্ডযুদ্ধ

    জেলার পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘‘আমাদের নির্দেশ ছিল, পুলিশের নিচুতলার কর্মীরা যাতে কোনওভাবে শারীরিকভাবে আক্রান্ত না হন। আমাদের কর্মীরা সেই কাজ করেননি। কারণ, সবটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে হচ্ছে। পুলিশের নিচুতলার কর্মীরা উপলক্ষ্য মাত্র। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাহায্য করছেন অমর নাথের মতো কিছু দলদাস আইপিএস অফিসার। তাঁদের ব্যবস্থা আমরা ঠিক সময়ে আইনি পথে করব।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘ধীরে ধীরে নীচে আসছেন’’! মমতা, অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘ধীরে ধীরে নীচে আসছেন’’! মমতা, অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘উত্তরে ও জঙ্গলমহলে বারে বারে যাচ্ছেন। কারণ তৃণমূল কোথায় আছে, দেখতে যাচ্ছেন। কই নদিয়া, মুর্শিদাবাদ যান না তো! জানেন এগুলো মারপিট করে জিতে নেব।’’ বুধবার তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) উত্তরবঙ্গ সফরকে কটাক্ষ করে এই কথাগুলি বললেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, ‘‘উত্তর আর দক্ষিণে তৃণমূল উপড়ে গিয়েছে। মানুষ ঠিক করেছেন, একটা আসনও দেবেন না। চেষ্টা করছেন। নিজের লোক লুঠপাট করে নিয়েছে। জনসংযোগ করে আর লাভ কী?’’ এবার ট্রেনে চড়ে মালদহে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিলীপ বলেন, ‘‘ধীরে ধীরে নীচে আসছেন। হেলিকপ্টার থেকে ট্রেনে নেমেছেন। এরপর বাসে করে যাবেন।’’

    অভিষেককে দিলীপের (Dilip Ghosh) কটাক্ষ-বাণ …

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জনসংযোগ যাত্রায় বেরিয়েছেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাষণ দিতে গিয়ে তাঁর গলা ভেঙে গিয়েছে বলেও জানিয়েছেন এই তৃণমূল নেতা। একেই কটাক্ষ করে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘আমি সারা উত্তরবঙ্গ ঘুরে এলাম। আমার গলাও ভাঙেনি। লুটপাটও হয়নি। উনি দু’দিন ঘুরলেন, গলা ভেঙে গেল। সুখী লোক। আরামে রাজনীতি করেন। এসিতে থাকেন। মাঝে মাঝে বেরিয়ে শো-বাজি করতে হয়। হঠাৎ রোদে বেরলে এরকম হয়। আমাদের দেখে অনুকরণ করছেন। মন্দিরে যাচ্ছেন। লোকের বাড়িতে খাচ্ছেন। লোকের বাড়ি গিয়ে সাজানো খাবার খাচ্ছেন। আমরা খেলে বলা হয় ফাইভ স্টার থেকে খাবার এসেছে। ওঁর খাবার কোন স্টোর থেকে এসেছে? মা চণ্ডীর সামনে যেমন প্রসাদ দেয়, সেরকম ওঁর সামনে খাবার সাজানো।’’ 

    আরও পড়ুুন: মানিক ভট্টাচার্যকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য সিবিআইয়ের, রিপোর্ট পেশ সুপ্রিম কোর্টে

    সভায় পুলিশ প্রহরা নিয়েও অভিষেককে কটাক্ষ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি। তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘ওঁর সভায় তো পুলিশই আছে। আর কে আছে? সাধারণ কর্মীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ঢোকার চেষ্টা করলে কী হচ্ছে, দেখতেই পাচ্ছেন। আসলে উত্তরবঙ্গে ওঁর পার্টিটা আছে কিনা, তা দেখতে গিয়েছেন।’’ দিলীপ আরও বলেন, ‘‘এই সরকার যতদিন আছে, পুলিশকে যেভাবে ব্যবহার করছে, তাতে এদের থেকে সুবিচার পাওয়ার আশা করা অন্যায়।’’ পুলিশি অত্যাচার ও রাজনীতিকরণের জন্যই থানায় আক্রমণের ঘটনা বলে মনে করেন তিনি। কাশীপুরে সিপিএম পার্টি অফিস দখল হয়েছে। এদিন সে প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘ওরা বহু পার্টি অফিস নিয়ে নিয়েছে। বহু পার্টি অফিসের দেওয়ালে আঁচড় কাটলে লাল বা গেরুয়া রং বেরিয়ে পড়বে।’’ তাঁর মতে, রাজ্যের পরিস্থিতি যেন আফগানিস্তান বা সিরিয়ার মতো।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: মালদার সাংসদ মৌসম ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়িতে আয়কর হানা

    TMC: মালদার সাংসদ মৌসম ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়িতে আয়কর হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর বাড়ির পাশাপাশি তৃণমূল সাংসদ মৌসম নূরের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল (TMC) নেতার বাড়িতেও এদিন চলল আয়কর দফতরের হানা। বুধবার সকালে মালদার তৃণমূল নেতা হেমন্ত শর্মার বাড়িতে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা তল্লাশি চালান। জানা গেছে, প্রথমে তাঁর হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচন্ডীর বাড়িতে হানা দেয় আয়কর দপ্তর। পরে তাঁরা পৌঁছে যান তৃণমূল (TMC) নেতার মালদা শহরের সর্বমঙ্গলাপল্লীর বাড়িতে। তল্লাশির সময় দুটি বাড়িই ঘিরে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও কেন এই হানা, তা এখনও জানা যায়নি, তবে সূত্র মারফত জানা গেছে, গত কয়েক বছরে শাসক দলের বদান্যতায় ফুলে ফেঁপে উঠেছে হেমন্ত শর্মার সম্পত্তি, তাই এদিন তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে অবশ্য এখনও অবধি কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মেলেনি। প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক কর্মসূচি বাদ দিয়েও মৌসম নূরের সফর সঙ্গী হতে দেখা যায় হেমন্ত শর্মাকে। শোনা যায়,  জঙ্গল থেকে পাহাড় যখনই ঘুরতে গেছেন মৌসম নূর, তখনই তাঁর সফর সঙ্গী হয়েছেন এই হেমন্ত শর্মা। এবার মৌসম ঘনিষ্ঠ হেমন্ত শর্মার বাড়িতে আয়কর দফতরের হানার ঘটনায় রীতিমতো সরগরম মালদার রাজনীতি। 

    কী বলছে বিরোধীরা?

    বিরোধীদের অভিযোগ এই হেমন্ত শর্মার অবস্থা সাধারণ আর পাঁচটা লোকের মতোই ছিল! প্রথম থেকেই তিনি তৎকালীন কংগ্রেস নেত্রী মৌসম নূরের ঘনিষ্ঠ। কংগ্রেসে থাকাকালীন তিনি দলের হবিবপুর ব্লকের দায়িত্বে ছিলেন। মৌসম তৃণমূলে যোগদান করার পরেই হেমন্ত শর্মাকে দেখা যায় জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের পদে। আর এরপর থেকেই হেমন্ত শর্মার উত্থান চোখে পড়ার মতো। বিরোধীদের আরও অভিযোগ, উল্কার গতিতে আর্থিক শ্রী বৃদ্ধি হতে থাকে হেমন্তর। তাঁর এলাকায় কান পাতলে শোনা যায়, হবিবপুর ব্লকের বাড়ি বাদ দিয়েও মালদা শহরে প্রায় কয়েক কোটি টাকা খরচ করে বাড়ি নিয়েছেন তিনি। তবে শুধু মালদা নয়, হেমন্তর সাম্রাজ্য গড়িয়েছে কলকাতা অবধি। শোনা যাচ্ছে, কলকাতাতেও একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে এই হেমন্ত শর্মার নামে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আয় বহির্ভূত সম্পত্তির খোঁজেই এদিন হেমন্তর বাড়িতে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা হানা দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ময়নায় নিহত বিজেপি কর্মীর দেহের ফের ময়নাতদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ময়নায় নিহত বিজেপি কর্মীর দেহের ফের ময়নাতদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ময়নার (Moyna) নিহত বিজেপি (BJP) কর্মীর দেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। কলকাতার কমান্ড হাসপাতালে হবে ময়নাতদন্ত। বুধবার এমনই নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। তাঁর নির্দেশ, বিশেষ দল গঠন করে ময়নাতদন্ত করবে কমান্ড হাসপাতাল। ময়নাতদন্তের সময় উপস্থিত থাকতে পারবেন রাজ্যের দুই ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ। পরিবার চাইলেও উপস্থিত থাকতে পারবেন ময়নাতদন্তের সময়। তাঁর নির্দেশ, কমান্ড হাসপাতাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেবে পরিবার ও ময়না থানাকে।

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ…

    বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, এখন তমলুক হাসপাতালে পরিবারকে দেহ দেখিয়ে অবিলম্বে রাজ্য পুলিশের নিরাপত্তায় দেহ কলকাতায় নিয়ে আসতে হবে এবং ময়নাতদন্তের পর আবার ফেরত নিয়ে যেতে হবে। চার সপ্তাহের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় থাকবে পরিবার। সোমবারের মধ্যে রাজ্যকে এই ঘটনার রিপোর্ট দিতে হবে বলেও নির্দেশ বিচারপতি মান্থার। আদালতের আরও নির্দেশ, তফশিলি জাতি-উপজাতি সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট ধারা সহ বাকি উপযুক্ত ধারা এফআইআরে যুক্ত করতে হবে। মঙ্গলবার আদালতে (Calcutta High Court) রাজ্য জানায়, মাথায় গুলি লেগেই মৃত্যু হয়েছে বিজয়কৃষ্ণের।

    দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তে কোনও আপত্তি নেই রাজ্যের। বিচারপতি মান্থার মন্তব্য, এই মুহূর্তে আমার কাছে যে জিনিসগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সেগুলি হল, কীভাবে ওই বিজেপি কর্মী নিখোঁজ হলেন, আর কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল। পুলিশের কাজের পদ্ধতি ও সত্য খোঁজার পদ্ধতি, নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা, যাঁদের নামে অভিযোগ করা হচ্ছে, তাঁদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গেই তিনি জানান, দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। এই মামলার প্রথম বাহাত্তর ঘণ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলেও জানান তিনি।

    আরও পড়ুুন: তমলুক, কাঁথিতে আইনশৃঙ্খলার অব্যবস্থা, রাজ্যপালকে চিঠি তৃণমূল সাংসদের

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ প্রসঙ্গে নিহত বিজয়কৃষ্ণের স্ত্রী বলেন, কোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা দেওয়ায় আমি খুশি। রাজ্য পুলিশের কাজে আমি খুশি নই। পুলিশের পায়ে ধরে আমি বলেছি, স্বামীকে বাঁচান। আমার ছেলেও বলেছে বাবাকে বাঁচাতে। কিন্তু পুলিশ কিছু করেনি। কোনও অভিযোগ নেয়নি। প্রসঙ্গত, ময়নার বিজেপি কর্মী বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে অপহরণ করে খুন করা হয়। অভিযোগের তির তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে। ওই ঘটনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, মমতার হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হবে না। ময়নাতদন্ত হবে কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Tamluk: তমলুক, কাঁথিতে আইনশৃঙ্খলার অব্যবস্থা, রাজ্যপালকে চিঠি তৃণমূল সাংসদের

    Tamluk: তমলুক, কাঁথিতে আইনশৃঙ্খলার অব্যবস্থা, রাজ্যপালকে চিঠি তৃণমূল সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) নেতাকে অপহরণ করে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে অশান্ত পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না। এহেন আবহে তমলুক (Tamluk) ও কাঁথির আইনশৃঙ্খলার অব্যবস্থা নিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে (CV Ananda Bose) চিঠি লিখলেন তমলুকের সাংসদ তৃণমূলের দিব্যেন্দু অধিকারী (Dibyendu Adhikari)। রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল। সেই প্রেক্ষিতে এক তৃণমূল সাংসদের এহেন অভিযোগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে তমলুকের সাংসদ লিখেছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তমলুকের নির্বাচিত সাংসদ হিসেবে আমার লোকসভা কেন্দ্রের বেশ কিছু এলাকায় বিশেষ করে ময়না, নন্দীগ্রাম এবং খেজুরি, হেঁড়িয়া, ভগবানপুর, পটাশপুরের মতো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়তে দেখছি। আমার পাশের কেন্দ্র কাঁথিতেও একই অবস্থা। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে আপনার কাছে আমার আর্জি সাধারণ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আপনি যথাযথ পদক্ষেপ করুন।

    কেন চিঠি লিখলেন তমলুকের (Tamluk) সাংসদ?

    প্রসঙ্গত, সোমবার রাতে ময়নার (Tamluk) বাকচা পঞ্চায়েতের গোরামহল এলাকায় বিজেপির বুথ কমিটির সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে অপহরণ করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগের তির তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের দিকে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। দলীয় কর্মী খুনের প্রতিবাদে সোমবার রাতভর ময়না থানা ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি নেতা-কর্মীরা। মঙ্গলবার সকাল থেকেও রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন তাঁরা। এদিন মৃত বিজেপি কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। ১২ ঘণ্টার ময়না বনধের ডাকও দেওয়া হয়।

    দলীয় কর্মীকে অপহরণ করে খুনের ঘটনার পরে পরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেছিলেন, পরিকল্পনা করেছেন ডাকাত এসপি অমরনাথ। আর মমতার থেকে ৬০ থেকে ৭০ জন জেহাদি খুন করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে খুন করিয়েছে। পুলিশ খুনিদের হাত থেকে দেহ নিয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, পশ্চিমবঙ্গে এ রকম ঘটনা আগে হয়েছে কি? শুভেন্দু বলেন, এই ঘটনায় আমরা সিবিআই তদন্ত চাই। আর মমতার হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হবে না। ময়নাতদন্ত হবে কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘মমতার রক্ত-পিপাসু রূপ মানুষ দেখে নিয়েছে’’! কটাক্ষ সুকান্তর

    রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে (Tamluk) দিব্যেন্দু এও লিখেছেন, সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তার আগেই তাঁর লোকসভা কেন্দ্র ও লাগোয়া এলাকায় আইনশৃঙ্খলার এই অবস্থা। তাই রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে তিনি যেন পদক্ষেপ করেন। প্রসঙ্গত, ময়নার ঘটনা নিয়ে এখনও রাজভবন কোনও বিবৃতি দেয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share