Tag: bjp

bjp

  • School: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম স্কুল পরিচালন কমিটিতে, জেলাজুড়ে শোরগোল

    School: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম স্কুল পরিচালন কমিটিতে, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাটের কবিতীর্থ স্কুলের (School) পরিচালন কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্যের তালিকায় দণ্ডিকাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতার নাম। যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে জেলায়। জানা গিয়েছে, ৪ এপ্রিল বালুরঘাট শহরের ১০টি স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতিদের নামের তালিকা এসেছে। ওই তালিকাতে তৃণমূল নেতা ও বেশিরভাগ ব্যবসায়ীদের নাম মনোনীত করা হয়েছিল। যা নিয়েও ক্ষোভ ছিল শিক্ষামহলে। এবারে বালুরঘাট ও হিলির ১৫টি স্কুলের পরিচালন কমিটির শিক্ষানুরাগীদের নাম এসেছে। ওই কমিটিতে একটি স্কুলে সভাপতি, দুইজন করে শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবক, মেডিক্যাল অফিসার, এসআই সহ অনেকেই থাকবে। জেলার ১৫টি স্কুলের পরিচালন সমিতির শিক্ষানুরাগী সদস্যের বেশিরভাগই তৃণমূল নেতা বলেই পরিচিত। তার মধ্যে একটি স্কুলের শিক্ষানুরাগী সদস্য হিসেবে আনন্দ রায়ের নাম প্রকাশিত হয়েছে। আনন্দ রায় তৃণমূলের যুব নেতা বলেই পরিচিত। সম্প্রতি আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডি কাটানোর অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। যদিও সে এখন জামিনে মুক্ত। তাই ওই যুব নেতার নাম ঘিরেই শোরগোল শুরু হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি?

    এবিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডি কাটানোর মত একটা বড় অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ওই তৃণমূল নেতা। তাকে তৃণমূল শিক্ষার মত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গায় দায়িত্ব দিয়েছে। আদিবাসীদের প্রতি এমন নির্যাতনের পরেও তৃণমূলের মধ্যে কোন অনুশোচনা নেই।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, আনন্দ রায় তৃণমূলের, তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। তবে স্কুলের (School) পরিচালন কমিটির এই তালিকায় তার নাম মাস চারেক আগেই শিক্ষা দফতরে গেছিল। যা সম্প্রতি ঘোষণা হয়েছে। দণ্ডিকাণ্ডে তার নাম আসার পর আমরা এবিষয়ে চিন্তাভাবনা করেছি। এই নাম পরিবর্তনের জন্য রাজ্য শিক্ষা দফতরের কাছে আর্জি জানাব। এবিষয়ে তৃণমূল নেতা আনন্দ রায়কে বহুবার ফোন ও মেসেজ করলেও তিনি কোনও উত্তর দেননি।

    কী বললেন স্কুলের (School) ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক?

    ওই কবিতীর্থ স্কুলের (School) ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সন্তু রায় বলেন, কারা এই তালিকায় থাকবে, তা আমাদের জানা ছিল না। তবে এই তালিকায় নাম যুক্ত বা বাতিলের বিষয় আমাদের হাতে নেই। সম্পূর্ণ বিষয় রাজ্য শিক্ষা দফতরের হাতে রয়েছে।

    এনিয়ে স্কুল (School) পরিদর্শকের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা দফতর স্কুল (School) পরিদর্শক মৃন্ময় ঘোষ বলেন, রাজ্য থেকে ওই তালিকা এসেছে, সেই তালিকা আমরা স্কুলগুলিকে পাঠিয়েছি। যা করার রাজ্য থেকেই করে। বাকি বিষয়ে জানা নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: মিলল না স্বস্তি, ‘মোদি’ পদবি-মামলায় মঙ্গলে ফের শুনানি রাহুলের

    Rahul Gandhi: মিলল না স্বস্তি, ‘মোদি’ পদবি-মামলায় মঙ্গলে ফের শুনানি রাহুলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মোদি’ (Modi) পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) দু বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে গুজরাটের সুরাটের নিম্ন আদালত। দু বছর কারাদণ্ড হওয়ায় সাংসদ পদ খারিজ হয় রাহুলের। তার জেরে গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাহুল। শনিবার হল এই মামলার শুনানি। পরবর্তী শুনানি হবে ২ মে।

    রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)…

    রাহুলের এই মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি গীতা গোপী। তাই মামলা চলে যায় বিচারপতি হেমন্ত প্রচ্ছকের এজলাসে। রাহুলের হয়ে এদিন সেখানে সওয়াল করেন বর্ষীয়ান আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তিনি বলেন, যে শুনানিতে দোষ প্রমাণিত হয়েছে, সেই শুনানির প্রক্রিয়া নিয়ে যথেষ্ঠ প্রশ্ন রয়েছে। কোনও জনপ্রতিনিধি বা সাংসদের ক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত করার আনুষঙ্গিক বেশ কিছু প্রভাব রয়েছে। এর প্রভাব যেমন একদিকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর পড়ে, তেমনই পড়ে তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্র এবং পুনর্নির্বাচনের ওপরও।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজয়া দশমীর মতো উৎসবে পরিণত হয়েছে মন কি বাত’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    রাহুলের (Rahul Gandhi) সাংসদ পদ খারিজের ব্যাপারে লোকসভা সচিবালয়ের অতি সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাহুলের আইনজীবী বলেন, আপনার ক্ষমতা রয়েছে বলেই আপনি যা খুশি করতে পারেন না। টেলিভিশনে অযাচিত বিভিন্ন পরামর্শ দেখে আমি অবাক। কেউ বলছেন, আমি থাকলে আট ঘণ্টার মধ্যে সাজা পুনর্বিবেচনার আর্জি দাখিল করতাম, কেউ বলছেন চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আপিল করা উচিত ছিল। তিনি বলেন, সুপারসনিক আইনজীবী থাকতেই পারেন, কিন্তু আমরা তো এখানে সুপারসনিক ফাইলিং করতে আসিনি। তিনি বলেন, আমি তো মহামান্য আদালতে লাফিয়ে এসে বলতে পারি না, রায়ের অর্ধেকাংশের তর্জমা করতে পেরেছি মাত্র, তবে কালই তো সাংসদ পদ খারিজ হতে চলেছে, তাই তড়িঘড়ি আবেদন করতে এলাম।

    প্রসঙ্গত, ২৩ মার্চ সুরাটের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে লোকসভার সচিবালয় রাহুলের (Rahul Gandhi) সাংসদ পদ খারিজ করে দেয়। কংগ্রেসের এতজন আইনজীবী নেতা-সাংসদ থাকা সত্ত্বেও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন রাহুলের হয়ে কেউ সাজাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করলেন না, সে প্রশ্ন তোলে বিজেপি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • Mukul Roy: শেষমেশ দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরলেন ‘নিঃস্ব’ মুকুল

    Mukul Roy: শেষমেশ দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরলেন ‘নিঃস্ব’ মুকুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা প্রায় ১১ দিন দিল্লিতে ছিলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায় (Mukul Roy)। শেষমেশ রাজধানী থেকে ফিরলেন শূন্য হাতেই। সূত্রের খবর, বিজেপির (BJP) শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে মুকুল দেখা করার চেষ্টা করলেও, তাঁর সঙ্গে কেউই দেখা করেননি। যদিও কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে মুকুল দাবি করেন, সবার সঙ্গে দেখা হয়েছে তাঁর। প্রয়োজন পড়লে ফের দিল্লি (Delhi) যাবেন বলেও জানান বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ। তবে তাঁর এবারের দিল্লি সফরে কার কার সঙ্গে দেখা হয়েছে জানতে চাইলে স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি মুকুল।

    মুকুল রায়ের (Mukul Roy) ঘরওয়াপসি…

    তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে মত বিরোধের জেরে বছর কয়েক আগে ঘাসফুল শিবির ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন মুকুল রায়। কৃষ্ণনগর উত্তরে পদ্ম চিহ্নে প্রার্থী হন তিনি। বিজেপির প্রার্থী হওয়ায় বিপুল ভোটে জয়ীও হন মুকুল। বিধানসভা নির্বাচনের পরে পরেই পদ্ম শিবির ছেড়ে ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। তৃণমূল ভবনে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ঘরওয়াপসি হয় মুকুলের। পুরস্কার স্বরূপ জুটে যায় পিএসির চেয়ারম্যানের পদ। প্রথা অনুযায়ী যে পদ পাওয়ার কথা বিরোধীদের। এর পরেই মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবি জানায় বিজেপি।

    গত ১৭ এপ্রিল আচমকাই দিল্লি উড়ে যান মুকুল (Mukul Roy)। থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন শুভ্রাংশু। তাঁর দাবি, মুকুলকে ভুল বুঝিয়ে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর মানসিক অবস্থা যে ভাল নয়, সেই ইঙ্গিতও দেন মুকুল-পুত্র। দিল্লিতে গিয়ে মুকুল দাবি করেন, কেউ তাঁকে জোর করে দিল্লিতে আনেননি। তিনি স্বেচ্ছায় এসেছেন। তাঁর দাবি, তিনি বিজেপিতেই ছিলেন, তৃণমূলে ছিলেন না। দিল্লিতে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করতেই যে তিনি দিল্লি এসেছেন, জানান তাও।

    আরও পড়ুুন: রেড রোডে দলের সংখ্যালঘু সেলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন শুভেন্দু! কী বললেন?

    এদিন বিমানবন্দরে নেমে মুকুল (Mukul Roy) ফের বলেন, আমি তো বিজেপিতেই আছি। নিজের ইচ্ছেতেই দিল্লি গিয়েছিলাম। আমার কিছু কাজ ছিল। সবার সঙ্গে কথা হয়েছে। তবে ঠিক কার কার সঙ্গে মুকুলের কথা হয়েছে, সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি তিনি। এদিন আবারও মুকুল বলেন, আমাকে কেউ জোর করে দিল্লিতে নিয়ে যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • BJP: টুইটারে বিজেপি বিধায়ককে খুনের হুমকি! কেন জানেন?

    BJP: টুইটারে বিজেপি বিধায়ককে খুনের হুমকি! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় শিলিগুড়ির বিজেপি (BJP) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি কালিয়াগঞ্জে দ্বাদশ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের পর গোটা রাজ্য তোলপাড় হয়। মৃতদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে রাজ্য জুড়ে সমালোচিত হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সম্প্রতি শিলিগুড়ির বিজেপি (BJP) বিধায়ক তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে প্রতিবাদ জানান। তাঁর সেই প্রতিবাদের জন্য বিপ্লব নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক। এনিয়ে শনিবার তিনি শিলিগুড়ি থানায় এফআইআরও করেছেন।

    টুইটারে কী লিখেছিলেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    শঙ্করবাবু তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, হীরক রানির রাজ্যে এভাবেই ধর্ষিতা কন্যাদের মৃতদেহ সম্মান পায়। সঙ্গে একটি কার্টুন ছবিও তিনি তুলে ধরেন, যেখানে একজন নির্যাতিতাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তা দেখানো হয়েছে। তাঁর এই টুইটারের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে বিপ্লব নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শঙ্কর ঘোষকে গ্রেফতার করে মারার হুমকি দেওয়া হয়।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, এই ঘটনার পিছনে আমি তৃণমূলের যুক্ত থাকার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। কেননা আমাকে গ্রেফতার করে মারার কথা বলা হয়েছে। গ্রেফতার কে করবে? পুলিশ, আর পুলিশ তৃণমূল সরকারের। এছাড়াও যে অ্যাকাউন্ট থেকে আমাকে গ্রেফতার করে মারার হুমকি দেওয়া হয়েছে, সেই টুইটার অ্যাকাউন্টে নিয়মিত ভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়। শুধু তাই নয়, ওই টুইটার অ্যাকাউন্টের সঙ্গে তৃণমূলের নব জোয়ারের ট্যাগ করা রয়েছে। কাজেই আমাকে মারার ক্ষেত্রে তৃণমূলের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। সে কারণে আমি পুলিশে এফআইআর করেছি।

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের দার্জিলিং(সমতল) জেলা কমিটির মুখপাত্র বেদব্রত দত্ত বলেন, তৃণমূল নয়, এ রাজ্যে যাবতীয় অশান্তি পাকাচ্ছেন শঙ্কর বাবু ও তাঁর দল। অপরাধীরা অপরাধ করে এরাজ্যে পার পায় না। শঙ্করবাবু পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পুলিশ যদি কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘নবজোয়ার যাত্রার জোয়ারে তৃণমূলে বাকিদের তিহাড় যাত্রা হবে’’, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘নবজোয়ার যাত্রার জোয়ারে তৃণমূলে বাকিদের তিহাড় যাত্রা হবে’’, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেকের নবজোয়ার যাত্রাই তিহাড় যাত্রার পথ প্রশস্ত করে দেবে তৃণমূল নেতাদের, এমনটাই মত শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। তৃণমূলকে নিশানা করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী শুক্রবার বাঁকুড়ায় সাফ জানালেন, নবজোয়ার যাত্রা নয়, এই জোয়ারেই তিহাড় যাত্রা নিশ্চিত হবে। তৃণমূলে আর নবজোয়ার আসবে না বলেও এদিন কটাক্ষ করেন তিনি। বলেন, ‘‘বড় মস্তান ছিল লক্ষ্মণ শেঠ বা কেষ্ট মণ্ডল-রা। দেখেছেন তো কী হাল হল তাদের। এবার তৃণমূলের নবজোয়ার আনতে গিয়ে না এই জোয়ারে বাকিদের তিহাড় যাত্রা হয়ে যায়।’’

    ইন্দাসের সভায় শেখ হামিদকে পাল্টা শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    পঞ্চায়েত ভোটের আগে জেলায় জেলায় সভা সমাবেশ করছেন শুভেন্দু। শুক্রবার তিনি হাজির ছিলেন বাঁকুড়াতে। বিকেলে ইন্দাসের শাসপুরে দলের এক সভায় বক্তব্য রাখছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সভা থেকেই তিনি ব্লক তৃণমূল সভাপতি শেখ হামিদকে একহাত নেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি দলের এক সভায় ইন্দাস ব্লক তৃণমূল সভাপতি শেখ হামিদ শুভেন্দুকে ‘ইতিহাস’ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তার পাল্টা নিজের দলের কর্মীদের খাতা কলমে তা লিখে রাখার নিদান দেন। তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আমার হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। আর আজ হুমকি দিচ্ছেন। তাঁরা একসময় ঘরছাড়া ছিলেন। তাঁদের তেল, নুন আমি দিতাম। এখন সাধারণ হক যদি বন্ধ করা হয়, বিরোধী দলনেতা হিসাবে আমি তাঁর দায়িত্ব নিলাম।

    চাকরি প্রার্থীদের পাশে থাকার বার্তা বিরোধী দলনেতার

    শুভেন্দু বলেন, জাল ওএমআর শিট সব বেরিয়ে এসেছে। কোনো তথ্য ও প্রমাণের পরিবর্তন হবে না। রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবকদের কথা দিচ্ছি, হকের চাকরি হবে। তার জন্য লড়াই চলছে, লড়াই চলবে। দুর্নীতিগ্রস্তদের পতন হবেই, আর যাঁরা রোদ, ঝড়, জল, মাথায় নিয়ে হকের চাকরির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের লড়াই বৃথা হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে স্যালুট, ওঁকে নিয়ে বিচলিত হবেন না’, বললেন শুভেন্দু  

    Suvendu Adhikari: ‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে স্যালুট, ওঁকে নিয়ে বিচলিত হবেন না’, বললেন শুভেন্দু  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যা করেছেন, তাঁকে স্যালুট। ওঁকে নিয়ে বিচলিত হবেন না’। শুক্রবার বাঁকুড়ার (Bankura) ইন্দাসের সাহসপুরে এক জনসভায় এ কথা বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে সরেছে কয়েকটি মামলা। এদিনের সভায় সেই প্রসঙ্গই তোলেন শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)…

    তিনি বলেন, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কারণে অনেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিচার পাওয়ার আশা দেখছিলেন। এদিনের রায়ে তাঁরা খানিকটা আশাহত হয়েছেন। তবুও আমি বলব, আগে সুপ্রিম কোর্টের সমগ্র অর্ডারটা আপলোডের জন্য অপেক্ষা করুন। তার ওপর বিচার বিশ্লেষণ হবে। তিনি বলেন, তবে আমার মনে হয় একটি টিভি চ্যানেলে ওঁর সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করেই মহামান্য বিচারপতি এই নির্দেশ দিয়েছেন।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, তদন্ত প্রক্রিয়া নিজের মতোই চলবে। যেমন অভিজিৎবাবুর কাছে মামলাটা এসেছে। উনি তো ইচ্ছা অনুযায়ী নেননি। এগুলো আদালতের অ্যাসাইনমেন্ট থাকে। শুভেন্দু বলেন, তিনি (বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়) এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলার দরজা খুলেছেন। লাখ লাখ টাকা খরচ করে রাজ্য অন্য বেঞ্চে গেলেও সেই রায় বহাল থেকেছে। কোনও আদালতই তদন্তে স্থগিতাদেশ দেয়নি। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, আমাদের বিশ্বাস, বিচারব্যবস্থা দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার মূল কারিগর। তাদের ওপর আমার বিশ্বাস আছে। তারা নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেবে যাতে চোরেরা জেলে যাবে, মেধাবিরা চাকরি পাবে। শুভেন্দু বলেন, এত বিচলিত হওয়ার মতো কিছু হয়নি।

    আরও পড়ুুন: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত থেকে কোন কোন মামলা সরল, জানেন?

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ নির্দেশ দেয় নিয়োগ দুর্নীতির  মামলা থেকে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে সরানোর। তবে ঠিক কতগুলি মামলা তাঁর এজলাস থেকে সরেছে, তা স্পষ্ট হবে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কপি সামনে আসার পরই। এদিন রাজ্য সরকারকেও নিশানা করেন শুভেন্দু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারকে স্টিকার সরকার বলে কটাক্ষ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, কেন্দ্রের সমস্ত প্রকল্প নিজেদের নামে চালায়। যাতে সাধারণ মানুষ বুঝতে না পারেন, তার জন্য ইংরেজিতে প্রকল্পের নাম লেখে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: কালিয়াগঞ্জ ইস্যুতে যুবমোর্চার রাজভবন অভিযান! ধুন্ধুমার পরিস্থিতি কলকাতায়

    BJP: কালিয়াগঞ্জ ইস্যুতে যুবমোর্চার রাজভবন অভিযান! ধুন্ধুমার পরিস্থিতি কলকাতায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জ ইস্যুতে বিজেপির (BJP) রাজভবন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল কলকাতার রাজপথে। শুক্রবার বিকেলে বিজেপির যুব মোর্চার অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল ধর্মতলা চত্বর। এদিন বিকালে বিজেপির রাজ্য দফতর মুরলীধর সেন লেন থেকে ইন্দ্রনীল খাঁয়ের নেতৃত্বে শুরু হয় বিজেপির (BJP) মিছিল। এসএন ব্যানার্জি রোড ধরে মিছিল এসে পৌঁছয় ধর্মতলায়। ডোরিনা ক্রসিং থেকে এগিয়ে রানি রাসমণি রোডে ব্যারিকেড করে মিছিল আটকায় পুলিশ। এরপরই উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশের ব্যারিকেড ধরে ধাক্কাধাক্কি করতে শুরু করেন বিজেপির যুব মোর্চার নেতা-কর্মীরা। একটা সময় ব্যারিকেড ভেঙেও ফেলেন তাঁরা। এরপরই রাস্তায় বসে পড়েন যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ-সহ বিজেপির (BJP) নেতা-কর্মীরা। রাস্তায় উল্টে ফেলে দেওয়া হয় পুলিশের ব্যারিকেড। পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তিও হয়। ব্যারিকেড ভাঙার পর, কয়েকজন বিজেপির কর্মী-সমর্থক ছুটে যান রাজভবনের দিকে। কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ধর্মতলা এলাকা। উত্তরবঙ্গের বনধের উত্তেজনা কিছুটা এসে পড়ল যুবমোর্চার রাজভবন অভিযানকে ঘিরে।

    ২০২০ সালে যুবমোর্চার নবান্ন অভিযানে পুলিশি নির্যাতনের রিপোর্ট তলব করল মানবাধিকার কমিশন

    অন্যদিকে, ২০২০ সালের ৮ই অক্টোবর, ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার শান্তিপূর্ণ ‘নবান্ন চলো’ কর্মসূচিতে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে, জানাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এনিয়ে রাজ্য সরকারকে শো কজ করেছে তারা। পাশাপাশি, নির্যাতিতদের আর্থিক সাহায্য করা হল না কেন, সেই প্রশ্নও তুলেছে কমিশন। প্রসঙ্গত, ২০২০-র ৮ই অক্টোবর, বিজেপির (BJP) যুব মোর্চার নবান্ন অভিযান ঘিরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে হাওড়া ময়দান। হাওড়া ময়দানে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। সেই সময় ধস্তাধস্তি, ইটবৃষ্টি, বোমাবাজি, লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোঁড়া, রঙীন জল স্প্রে, কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় রাজপথ। কমিশনের দাবি, সেদিনের ঘটনায় বর্বরোচিত ও নৃশংস আক্রমণ করে পুলিশ। এনিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে ৬ সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: উদাসীন রাজ্য,  জল পাচ্ছেন না গ্রামের গরিব মানুষ, কেন্দ্রকে চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: উদাসীন রাজ্য,  জল পাচ্ছেন না গ্রামের গরিব মানুষ, কেন্দ্রকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের একটা বড় অংশ পানীয় জল সংকটে ভুগছে। আমাদের রাজনৈতিকভাবে অনুপ্রাণিত আমলাতন্ত্র, বিশেষ করে উচ্চস্তরের আমলাতন্ত্রের একটি অংশ গ্রামের দরিদ্র মানুষের প্রতি চরম উদাসীনতা দেখাচ্ছে। ফলে যাঁরা হর ঘর জলের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তাঁদের সেই স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে। এই ভাষায়ই কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতকে চিঠি লিখলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে নিজের দত্তক নেওয়া গ্রামে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের বিধায়ক সুকান্ত মজুমদার। সেখানে জল নিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। তার ঠিক পরের দিনই কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রীকে চিঠি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    হর ঘর নলসে জল…

    ২০২২ সালে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ বলেছিলেন, ‘হর ঘর নলসে জল’ প্রকল্পে ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর ফলে উপকৃত হবে ৩.৮ কোটি পরিবার। প্রতি ঘরে নলবাহিত পানীয় জল প্রকল্পে (Suvendu Adhikari) ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ৩.৮ কোটি পরিবারের জন্য বিপুল বরাদ্দ করা হল। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন সাধনে সব রকমভাবে নজর দিয়েছে সরকার। এমন সব কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, যা আবাসন, বিদ্যুৎ, রান্নার গ্যাস এবং পানীয় জলের পরিষেবা প্রদান করেছে। প্রতি ঘরে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই সফলতা এসেছে।

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চকরাম প্রসাদে সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ শুনতে গিয়েছিলেন সুকান্ত। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে ঘিরে রাস্তা ও পানীয় জলের দাবি জানান। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় কল থাকলেও, তা দিয়ে জল (Suvendu Adhikari) পড়ে না। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, যেহেতু আমার দত্তক নেওয়া গ্রাম, তাই এর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘ডিএ দিতে গেলে বন্ধ হয়ে যাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী’, বেফাঁস কৃষিমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliaganj: মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    Kaliaganj: মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জে (Kaliagang) বিজেপি কর্মী মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের মৃত্যু মামলায় আদালতের দ্বারস্থ দলের যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ। কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন তিনি। শুক্রবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের এজলাসে মামলা দায়ের করেন ইন্দ্রনীল। আগামী সপ্তাহে মামলার শুনানি হতে পারে। অন্যদিকে, এবার কালিয়াগঞ্জের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে, এলাকা পরিদর্শন করে দেখবে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দল। 

    সিবিআই তদন্তের দাবি পরিবারেরও

    নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনের অভিযোগে উত্তপ্ত কালিয়াগঞ্জে পুলিশের বিরুদ্ধে যুবককে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাতে কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj incident) ভারত – বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া চাঁদগাঁয় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় বিজেপি কর্মী মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের। পরিবারের দাবি গুলি চালিয়েছে পুলিশ। সেই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবিতে ইতিমধ্যে সরব হয়েছে মৃতের পরিবার। 

    পুলিশে ভরসা নেই

    কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj incident) থানায় হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বুধবার রাত আড়াইটেয় চাঁদগাঁয় বিজেপির স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিষ্ণু বর্মনকে গ্রেফতার করতে যায় পুলিশ। বিষ্ণুবাবুকে না পেয়ে তাঁর বৃদ্ধ বাবাকে মারতে মারতে গাড়িতে তুলছিল পুলিশ। তখন বৃদ্ধ জ্যেঠাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চান বিষ্ণু বর্মনের খুড়তুতো ভাই মৃত্যুঞ্জয়। অভিযোগ জবাব না দিয়ে বৃদ্ধকে গাড়িতে তুলে রওনা দেয় পুলিশ। এর পর চলন্ত গাড়ির পিছন থেকে যুবককে লক্ষ্য করে গুলি চালান এক পুলিশ আধিকারিক। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় যুবকের। যদিও পুলিশের তরফে গুলি চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে পরিবার। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে পুলিশের তরফে কোনও ভরসা নেই তাঁদের।

    আরও পড়ুুন: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় আমাদের ভগবান, ওঁকে ফেরাতে হবে’’, বলছেন চাকরিপ্রার্থীরা

    বৃহস্পতিবার রাতে গ্রামে নিয়ে আসা হয় মৃত্যুঞ্জয়ের দেহ। যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্যে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয় রাধিকাপুর সহ গোটা এলাকাতে। র‍্যাফ থেকে শুরু করে কমব্যাট ফোর্সও মোতায়েন ছিল। জানা গিয়েছে, দেহ পোড়ানো হয়নি। দেহ সমাধিস্থ করা হয়েছে। সিবিআই তদন্তের নির্দেশ যদি আদালত দেয় তাহলে যাতে ময়নাতদন্ত ফের করা যায় সেজন্যেই এহেন সিদ্ধান্ত এলাকার মানুষের। ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও গোটা এলাকা থমথমে।

    রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের দল

    কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj incident) এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে উত্তাল বাংলা। শুধু তাই নয়, কালিয়াগঞ্জে বিজেপি নেতা খুনের ঘটনা নিয়েও থমথমে পরিস্থিতি উত্তর দিনাজপুরের এই এলাকায়। এবার সেইসব কিছুই খতিয়ে দেখতে কালিয়াগঞ্জ যাচ্ছে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের (State Human Rights Commission) একটি প্রতিনিধি দল। কমিশনের পুলিশ সুপার শান্তিদাস বসাকের নেতৃত্বে এই দল খতিয়ে দেখবে গোটা পরিস্থিতি। সূত্রের খবর, দুই পরিবারের সঙ্গে কথাও বলবে এই দল। 

  • BJP: পথে পুলিশ-তৃণমূল, বিক্ষিপ্ত গণ্ডগোলেও সফল বিজেপির উত্তরবঙ্গ বনধ

    BJP: পথে পুলিশ-তৃণমূল, বিক্ষিপ্ত গণ্ডগোলেও সফল বিজেপির উত্তরবঙ্গ বনধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিজেপির ডাকে ১২ ঘণ্টা উত্তরবঙ্গ বনধে এদিন ভালোই সাড়া মিলল। সকাল থেকেই বনধের সমর্থনে পথে নামেন বিজেপি (BJP) কর্মী সমর্থকরা। জেলায় জেলায় ঘটতে থাকে বিক্ষিপ্ত ঘটনা। উত্তরবঙ্গের বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা তথা ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মণ মাধ্যমকে বলেন, আজকের বনধ স্বতস্ফূর্ত। তৃণমূলের কাছ থেকে সাধারণ মানুষ সরে গেছে তা আবারও প্রমাণ হল। রাজবংশী যুবককে এভাবে রাতের অন্ধকারে গুলি করে হত্যা করার ঘটনা মেনে নেয়নি গোটা উত্তরবঙ্গ, তারই প্রতিফলন দেখা গেল আজকের বনধে।

    কোচবিহার

    সকাল থেকেই এদিন শিরোনামে ছিল কোচবিহার। জেলার কয়েক জায়গায় বিজেপি তৃণমূল হাতাহাতি শুরু হয়। জেলার মেখলিগঞ্জে বনধের ভালই প্রভাব পরে। বনধকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সকাল থেকেই পথে নামে পুলিশ। দোকানপাট সকাল থেকেই বন্ধ ছিল। ঘুঘুমারিতে বিজেপি (BJP) তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়ায়।

    তুফানগঞ্জে গ্রেফতার বিজেপি কর্মী সমর্থকরা 

    তুফানগঞ্জে বিজেপি মন্ডল সভাপতি সমেত মোট ৭ জনকে আটক করে তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ। শুক্রবার বিজেপির (BJP) ১২ঘন্টা বন্ধের সমর্থনে তুফানগঞ্জ শহরে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার ডিপোর সামনে সকাল থেকেই অবরোধ শুরু করে বিজেপি (BJP) কর্মী সমর্থকরা। অন্যদিকে, তুফানগঞ্জে বিজেপি কার্যালয়ের সামনে এদিন বোমা উদ্ধারকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। মাথাভাঙ্গা কোচবিহার রাজ্য সড়কের ময়নাতলি মোড়ে বনধের সমর্থনে পথ অবরোধ করে বিজেপি (BJP) কর্মী সমর্থকরা।

    বালুরঘাটে বনধের ভালই সাড়া

    বিজেপির (BJP) ডাকা ধর্মঘটে শুক্রবার সকালে বালুরঘাট শহরে ভালোই প্রভাব দেখা গেল। সকাল থেকে বালুরঘাট বেসরকারি বাস স্ট্যান্ড থেকে কোনও বাস বেরতে দেখা গেলনা। তপনের বিধায়ক বুধরাই টুডুকেও এদিন পিকেটিংয়ে সামিল হতে দেখা যায়। 

    মালদায় সকাল থেকেই রাস্তায় বিজেপি (BJP) কর্মীরা

    মালদা শহরের রথবাড়ি এলাকায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন বিজেপি কর্মীরা। জেলায় হাতে গোনা কয়েকটি মাত্র যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়। ১২ ঘণ্টার এই ধর্মঘট সফল করতে সকাল থেকেই ঝান্ডা হাতে নিয়ে পথে নামে মালদা জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। এই ধর্মঘট ঘিরে যে কোন রকমের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    বনধ ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড শিলিগুড়িতে

    বনধকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কান্ড শিলিগুড়ির হাশমিচকে। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি (BJP) কর্মী সমর্থকরা। তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় ওই এলাকায়। শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

     

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share