Tag: bjp

bjp

  • Sukanta Majumdar: ‘‘মমতার রক্ত-পিপাসু রূপ মানুষ দেখে নিয়েছে’’! কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘মমতার রক্ত-পিপাসু রূপ মানুষ দেখে নিয়েছে’’! কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের মানুষ মমতার রক্ত-পিপাসু রূপ দেখে নিয়েছে, তাই প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা, তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের চাপরাশিও হতে পারবেন না, ভোট পরবর্তী হিংসার দু বছর পূর্তিতে এমনই মন্তব্য করলেন, রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এদিনই পশ্চিম মেদিনীপুরের ময়নায় বিজেপির বুথ সভাপতিকে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পশ্চিমবঙ্গে বেড়ে চলা রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বালুরঘাটের সাংসদ পুলিশ-তৃণমূল যৌথ সন্ত্রাসের তত্ত্বকে সামনে আনেন এদিন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সুরেই তিনি বলেন, ময়নায় খুন হওয়া বিজেপি কর্মীর দেহ পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে আততায়ীরাই।

    দক্ষিণ দিনাজপুরে তৃণমূল নেতার টাকা নেওয়ার ভিডিও

    অন্যদিকে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচির দিনই দক্ষিণ দিনাজপুরে তৃণমূলের ব্লক নেতার টাকার বদলে চাকরি দেওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয় (মাধ্যম এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি), যা নিয়ে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যনীতি। প্রসঙ্গত, সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এই জেলা থেকেই সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। এনিয়েও তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তোলাবাজিকে উৎসাহিত করার জন্যই চলছে নবজোয়ার কর্মসূচি, এমনই মন্তব্য করেন বালুরঘাটের সাংসদ। ওই ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক যুবক দু-হাতে টাকার ব্যাগ তুলে দিচ্ছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি অনাদি লাহিড়ীকে। সিভিক থেকে কনস্টেবল পদে উন্নীত হওয়ার জন্যই নাকি এই ঘুষ নেওয়া হচ্ছিল, এমনটাই দাবি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপির। এই ভাইরাল ভিডিওটি ট্যুইটও করেন সুকান্ত মজুমদার, তাতে তিনি লেখেন, নবজোয়ারের নামে বস্তা বস্তা টাকা তুলতেই জেলায় জেলায় ঘুরছেন যুবরাজ। তাঁর আরও সংযোজন, খোদ অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই টাকা তোলা হচ্ছিল কিনা তা একবার খোঁজ নেওয়া দরকার।

    পর্ব ১: গলায় সিসিটিভি-র তার পেঁচিয়ে, পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করা হয়েছিল অভিজিৎ সরকারকে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Moyna BJP Bandh: বিজেপি নেতা খুনের প্রতিবাদে ময়নায় ১২ ঘণ্টা বন‍্‍ধ! সকাল থেকে থমথমে পরিবেশ

    Moyna BJP Bandh: বিজেপি নেতা খুনের প্রতিবাদে ময়নায় ১২ ঘণ্টা বন‍্‍ধ! সকাল থেকে থমথমে পরিবেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগে আজ, বুধবার বিজেপির ডাকে ১২ ঘণ্টার বন‍্‍ধ পূর্ব মেদিনীপুরের (East Midnapur) ময়নায় (Moyna BJP Bandh)। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবারই এই বন‍্‍ধ-এর কথা ঘোষণা করেন।

    থমথমে পরিবেশ

    বুধবার সকাল থেকেই ময়নায় বন্ধ দোকানপাট (Moyna BJP Bandh)।বন‍্‍ধ সফল করতে রাস্তায় নেমেছে বিজেপি। ময়নার অন্নপূর্ণা বাজারে বন‍্‍ধ ঘিরে বিজেপির পিকেটিং চলছে। বাঁশ দিয়ে রাস্তা ঘিরে ফেলা হয়েছে। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা। অন্যদিকে, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রস্তুত রয়েছে পুলিশও। রাস্তায় রাস্তায় মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী। মজুত রয়েছে জলকামানও। বলাইপণ্ডা বাজারে রাস্তায় মিছিল করে বিজেপি। রাজনৈতিক হিংসা ও সন্ত্রাস বন্ধের জন্য মানবিকতার খাতিরে সকলকে দোকান বন্ধ রাখার আর্জি জানানো হয়। কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

    আরও পড়ুন: অভিষেক যেতেই প্রশাসনিক পদ থেকে অপসৃত তৃণমূল নেত্রী, এত সময় লাগল?

    পঞ্চায়েত ভোটের মুখে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বাগচায় বিজেপির (BJP) বুথ সভাপতিকে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ ঘিরে উত্তাল হয় পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না। বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে। এ নিয়ে মঙ্গলবার সারাদিন উত্তপ্ত ছিল ময়না। সেই ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ মিছিল করেন বিজেপি কর্মীরা। পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগও তুলেছে মৃতের পরিবার। ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। গতকাল ময়নায় উপস্থিত হন শুভেন্দু অধিকারীও। সিবিআই তদন্তের দাবি জানান বিরোধী দলনেতা। সঙ্গে বনধ (Moyna BJP Bandh) ও পথ অবরোধের ডাক দেন তিনি। 

    নিষ্ক্রিয় পুলিশ

    এদিকে, নিহত বিজেপি নেতার স্ত্রী লক্ষ্মী ভূঁইয়া জানান, ‘আমাদের নদীর পাড়ে একটা বাড়ি আছে, সেখানে আমি আর আমার স্বামী গিয়েছিলাম। তারপর ঘরে আসার জন্য বাঁধে উঠছিলাম। সেইখানেই ধরে নিয়েছিল। কাঠ দিয়ে, রড দিয়ে কী মার মেরেছিল। বন্দুক নিয়ে, ছুরি নিয়ে খুব মার মেরেছিল। আমি পায়ে ধরে কেঁদেছি তাও ছাড়েনি। তৃণমূলের লোক ধরে নিয়ে যাচ্ছে ক্যাম্পে পুলিশের পায়ে ধরে কেঁদেছি। পুলিশ বলে আমাদের থানা থেকে কোনও অর্ডার নেই। এখন যেতে পারব না।’ সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ময়নায় নিহত বিজেপি নেতার ছেলে। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ কোনও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের দাবিও জানিয়েছে পরিবার (Moyna BJP Bandh)। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat TMC: অভিষেক যেতেই প্রশাসনিক পদ থেকে অপসৃত তৃণমূল নেত্রী, এত সময় লাগল?

    Balurghat TMC: অভিষেক যেতেই প্রশাসনিক পদ থেকে অপসৃত তৃণমূল নেত্রী, এত সময় লাগল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডি-কাণ্ডের জেরে আগেই দলীয় পদ থেকে সরানো হয়েছিল প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে (Balurghat TMC)। এবার প্রশাসনিক পদ থেকেও সরানো হল তৃণমূল নেত্রীকে। দণ্ডি-কাণ্ডে যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, সেই প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানোর নোটিস দেওয়া হল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে অভিযোগকারী তিন মহিলার সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। কড়া পদক্ষেপ করার কথাও বলেছিলেন তিনি। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই নোটিস দেওয়া হল। পুরসভার আইন মেনে এই পদ থেকে সরানো হয়েছে বলে নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে। ২ মে অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই এই নোটিস কার্যকর হচ্ছে।

    ঘটনাস্থলে অভিষেক

    মঙ্গলবার নিজে বালুরঘাটে গিয়ে সেই মহিলাদের সঙ্গে বসে চা খান অভিষেক। পরে তাঁদের সঙ্গে একান্তে কথাও বলেন। তাঁদের কথা শোনেন। পরে বেরিয়ে অভিষেক ব্যানার্জি জানিয়েছিলেন, দলগতভাবে ও প্রশাসনিক স্তরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিষেকের সঙ্গে ছিলেন বিপ্লব মিত্র, অর্পিতা ঘোষ প্রমুখ। এই সাক্ষাতের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই নোটিস নেত্রীকে (Balurghat TMC)।

    অভিযুক্তের বক্তব্য পাওয়া গেল না

    প্রদীপ্তা চক্রবর্তী বালুরঘাট পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা ভাইস চেয়ারপার্সন (Balurghat TMC) ছিলেন। তাঁকে সরানোর কথা জেলাশাসক থেকে শুরু করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এদিনই। এই বিষয়ে ফোনে যোগাযোগ করা হলেও কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর।

    পদক্ষেপ নাকি সস্তা জনপ্রিয়তা?

    প্রশ্ন উঠেছে, এতবড় একটা কাণ্ডে অভিযুক্তর (Balurghat TMC) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এতখানি সময় লাগলো কেন? বিরোধীরা বিষয়টিকে আদৌ ভালো চোখে দেখছে না। তাদের বক্তব্য, মূল অভিযুক্তকে প্রশাসনিক পদ থেকে সরানোর জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হল? এই ঘটনাই প্রমাণ করে, এ ধরনের কত অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়া অবস্থায় পড়ে থাকে। অনেকে আবার এই ঘটনাকে সস্তায় জনপ্রিয়তা কুড়নো বলেও মনে করছেন। তাদের বক্তব্য, ‘যুবরাজ’ যখন ছুটে এসেছেন, তখন কিছু তো একটা করতেই হয়। তাই ওই পদক্ষেপ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বিজেপি কর্মী খুনের প্রতিবাদে কাল ময়নায় ১২ ঘণ্টা বনধের ডাক শুভেন্দুর, জেলা জুড়ে অবরোধ

    Suvendu Adhikari: বিজেপি কর্মী খুনের প্রতিবাদে কাল ময়নায় ১২ ঘণ্টা বনধের ডাক শুভেন্দুর, জেলা জুড়ে অবরোধ

    মাধ্যমে নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা খুনের প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টা বনধ ডাকল বিজেপি। মঙ্গলবার ময়নায় এসে একথা জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, আগামীকাল বুধবার ময়নায় ১২ ঘণ্টা বনধ পালিত হবে। আর জেলায় ১০০টি জায়গায় পথ অবরোধ করা হবে। বৃহস্পতিবার নিহত দলীয় কর্মীকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন এবং খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে ১৫ হাজার কর্মীকে নিয়ে মিছিল হবে। প্রসঙ্গত, সোমবার রাতে দলীয় কর্মীকে বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে নৃশংশভাবে খুন করা হয়। সোমবার রাতেই বিজেপি কর্মীরা থানায় বিক্ষোভ দেখান। মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিজেপি কর্মীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে অবরোধকারীদের বচসা হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে অবরোধ চলে। যার জেরে রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। পুলিশ বহু চেষ্টা করেও অবরোধ তুলতে ব্যর্থ হয়। পরে, শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তোলার ব্যবস্থা করেন। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামসহ বহু এলাকা ঠান্ডা করেছি। এই এলাকা ঠান্ডা করে ছাড়ব। এর শেষ দেখে ছাড়ব। 

    দলীয় কর্মী খুন নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেছেন, এই দলীয় কর্মী খুন বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়। গত কয়েক মাস ধরে অলোক বেড়া, সম্রাটের মতো নেতাকে জোর করে পুলিশ দলবদল করিয়েছে। সম্রাট ফিরে এসেছে। অলোক বেড়া এখনও ওদের কাছে আছে। এটা বড় ষড়ষন্ত্র। ময়নার বাকচা ফেলতে পারলে ময়না ব্লকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলকে আবার প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। ২০১৮-তে তৃণমূল জেতেনি। আপনাদের নমিনেশন আটকে দিয়ে গায়ের জোরে ওরা জিতেছে। এই পরিকল্পনা করেছে মমতার তিন পুলিশ অমরনাথ, হাসান আর প্রাক্তন ওসি গোপালা। আর উস্কানিদাতা সৌমেন মহাপাত্র, সংগ্রাম দোলুই, শেখ শাহজাহান, উত্তম বারিখ, মনোরঞ্জন হাজরা। আর এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে পরিবার ও এলাকার মানুষ। তিনি আরও বলেন, আর এক যুব কর্মী সঞ্জয় তাঁতি। তাঁকেও তুলে নিয়ে গিয়েছিল ওরা। কীভাবে রক্তাক্ত করেছে তাঁকে। এদের অপরাধ এরা বিজেপি করে। ময়নার বাকচাতে ২০১৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রায় আড়াইশো থেকে তিনশো বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। হাজারের বেশি বিজেপি কর্মী বিভিন্ন সময়ে জেল খেটেছে গত পাঁচ বছরে। প্রসেনজিতের মতো পঞ্চায়েত সদস্য জেলে রয়েছেন।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    দলীয় কর্মী খুনের ঘটনায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) যে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছেন তা তাঁর বডি ল্যাঙ্গুয়েজে প্রকাশ পাচ্ছিল। এদিন তিনি বলেন, এর আগে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে রাজবংশী যুবককে মমতার পুলিশ গুলি করে খুন করেছে। এদিন বিজয়বাবুকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করা হল। তিনি নমশূদ্র। দলিতরা তৃণমূলকে ভোট দেয়নি বলেই বেছে বেছে তাদের খুন করা হচ্ছে। খুনি মমতা এসব করছে। এর শেষ দেখে ছাড়ব।

    বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, মমতার পুলিশ অমরনাথ ও হাসান নামের এক অ্যাডিশন্যাল পুলিশের নেতৃত্বে আমাদের দলীয় কর্মীর নিথর দেহ উদ্ধার করে ময়না দিয়ে না এসে চোরের মতো নালা পেরিয়ে তমলুকের মর্গে রেখেছে। এ লজ্জা রাখার নয়। পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম কোথাও খুনিদের কাছ থেকে দেহ সংগ্রহ করল মমতা পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: স্ত্রী, ছেলের সামনে ময়নার বিজেপি নেতাকে অপহরণ করে খুন! অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: স্ত্রী, ছেলের সামনে ময়নার বিজেপি নেতাকে অপহরণ করে খুন! অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির দিনই এক বিজেপি (BJP) নেতাকে স্ত্রী, ছেলের সামনেই হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দৃষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পরে, ওই নেতাকে অপহরণ করে খুন করা হয়। সোমবার রাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বাকচা এলাকা। পুলিশ ও বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়া। তিনি বিজেপির বুথ সভাপতি ছিলেন। এই ঘটনায় সঞ্জয় তাঁতি নামে আরও এক বিজেপি কর্মীর খোঁজ মিলছিল না। পরে, গভীর রাতে তাঁকে পুলিশ উদ্ধার করে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    সোমবার রাতে বিজেপি-র (BJP) বুথ সভাপতি বিজয়বাবু ও তাঁর স্ত্রী ও ছেলের উপর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মনোরঞ্জন হাজরার নেতৃত্বে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। স্ত্রী, ছেলের সামনেই বিজেপি নেতাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। বিজেপি নেতার চিত্কার শুনে পাড়ার লোকজন ছুটে এলে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে বিজয়বাবুকে তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এলাকায় বোমাবাজিও করা হয় বলে অভিযোগ। পরে, রাতেই তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।

    দলীয় কর্মী খুনের প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ বিজেপি-র (BJP)

    সোমবার ঘটনার পরই বিজেপি (BJP) কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। রাতেই বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দা মঙ্গলবার ময়নার তিনমাথা মোড়ে পথ অবরোধের ডাক দিয়েছিলেন। বিধায়কের নির্দেশ মতো এদিন সকালেই বিজেপি কর্মীরা রাস্তায় হাজির হন। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করেন। বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক। এদিন অবরোধ তুলতে এলে পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা হয়। অবিলম্বে দলীয় কর্মী খুনে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বিজেপি কর্মীরা অবস্থান বিক্ষোভ করেন।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক অশোক দিন্দা বলেন, বিজেপির বুথ সভাপতির পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে মারধর করা হয়। দলীয় নেতার ছোট ছেলে পাড়ার লোকজনকে ডাকতে গেলে দুষ্কৃতীরা বাইকে করে বিজয়বাবুকে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে, তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। কোথায় দেহ উদ্ধার হয়েছে পুলিশ কিছু জানায়নি। তমলুক হাসপাতালে দেহ রয়েছে। রাজ্যের হাসপাতালে ময়না তদন্তে আমাদের বিশ্বাস নেই। তাই, হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত হাসপাতালে বিজেপি নেতার দেহ ময়না তদন্ত করা হবে। তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    ময়নার প্রাক্তন বিধায়ক সংগ্রাম দলুই বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে শাসক দল কোনওভাবে জড়িত নয়। দোকান বা পারিবারিক বিবাদের কারণেই ওই বিজেপি (BJP) নেতাকে খুন করা হয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতা মনোরঞ্জন হাজরা বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। তবে, ঘটনা ঘটার পর দেখা গেল বিজেপি কর্মীরা আমাদের কর্মীদের বাড়ি, ঘর ভাঙচুর করে লুঠপাট চালায়। সমস্ত বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘বাংলার গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটা অভিশপ্ত দিন’, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ট্যুইট শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘বাংলার গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটা অভিশপ্ত দিন’, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ট্যুইট শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসা ও সন্ত্রাসের কথা স্মরণ করে তৃতীয় তৃণমূল সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে শাসকদলকে কড়া আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলার গণতন্ত্রের ইতিহাসে এটা অভিশপ্ত দিন হিসেবে উল্লেখ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    শুভেন্দুর ট্যুইটবার্তা

    এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ট্যুইটবার্তায় ২০২১ সালের ২ মে তারিখকে স্মরণ করেন। ট্যুইটবার্তায় বিরোধী দলনেতা জানান, ‘২০২১-এর ২ মে, যাঁরা অভূতপূর্ব ভোট-পরবর্তী ভয়াবহ হিংসা ও সন্ত্রাসের শিকার হয়েছিলেন তাঁদের শ্রদ্ধা জানাই। সেই কালো দিনের (Black Day) দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালন করা হচ্ছে, বর্তমানে আঞ্চলিক দলে পরিণত হওয়া তৃণমূল কংগ্রেস সবরকম নৃশংসতা দেখিয়েছিল। বাংলার গণতন্ত্রের ইতিহাসে এটা অভিশপ্ত, কালো দিন। আমাদের কর্মীদের বলিদান কখনও ভুলব না, তাঁদের সঠিক বিচার দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। বাংলার বিজেপি কর্মীদের ওপর সেই অত্যাচারের কথা আমরা যেন ভুলে না যাই।’ 

    রাজ্যজুড়ে কালা দিবস

    আজই রাজ্যজুড়ে কালা দিবস পালনের ডাক দিয়েছে বিজেপি (BJP)। গঙ্গায় তর্পণ কর্মসূচিও আছে গেরুয়া শিবিরের, জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিজেপির দাবি, রাজ্যজুড়ে ভোট-পরবর্তী হিংসায় দলের কর্মীদের অত্যাচারিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বহুবার। বহু বিজেপি কর্মীকে খুন হতে হয়েছে। বহু কর্মী ঘরছাড়া হয়ে অন্য রাজ্যে পালিয়ে গিয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: ‘‘বাবা-মেয়ে তিহাড়ে গেছে, এবার পিসি-ভাইপোও যাবে’’! কটাক্ষ সুকান্তর

    রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট। তার আগে, প্রতিদিনই বাড়ছে তৃণমূল-বিজেপির (BJP) দ্বৈরথ। এক দলের নেতা অপর দলের নেতাকে বিঁধে চলেছেন নাগাড়ে। এই পরিস্থিতিতে আগের দিনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসংযোগ যাত্রায় পুলিশ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে চিঠি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। মনোজ মালব্যকে লেখা চিঠিতে বিরোধী দলনেতা প্রশ্ন তুলেছেন, তৃণমূলে নবজোয়ার কর্মসূচিতে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য রাজ্যের কোষাগারে কত টাকা জমা পড়েছে।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: অভিষেকের সভার আগেই তৃণমূলে ভাঙন, বিজেপিতে যোগ দিলেন বহু  কর্মী

    BJP: অভিষেকের সভার আগেই তৃণমূলে ভাঙন, বিজেপিতে যোগ দিলেন বহু কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় আসছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে জেলায় তৃণমূলে ভাঙন ধরাল গেরুয়া শিবির। তৃণমূল ও বামফ্রন্ট ছেড়ে বহু কর্মী-সমর্থক যোগ দিলেন বিজেপিতে (BJP)। সোমবার বিকেলে একটি অনুষ্ঠানে সদ্য যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী ও তপনের বিধায়ক বুধরাই টুডু।

    তৃণমূল ছেড়ে কতজন বিজেপিতে (BJP) যোগ দিলেন?

    পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই দলবদলের রাজনীতি চলছে দক্ষিণ দিনাজপুরে। সোমবার বিকেলে কুশমণ্ডি ব্লকের মালিগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের শিকারপুরে বিজেপির (BJP) যোগদান কর্মসূচি ছিল। সেখানেই শতাধিক তৃণমূল ও সিপিএমের কর্মী-সমর্থক গেরুয়া শিবিরে যোগদান করেন। যোগদানকারীদের মধ্যে অন্যতম সিপিআইএমের প্রাক্তন উপপ্রধান বৈজন্তী রায় রয়েছেন। পাশাপাশি বহু আদিবাসী পরিবারের সদস্য রয়েছেন। মঙ্গলবার জেলায় আসছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দণ্ডিকাণ্ডের সেই আদিবাসী গ্রামের পাশেই যুবরাজের সভা হওয়ার কথা। তার ঠিক আগের দিন বিজেপির (BJP) যোগদান কর্মসূচি রাজনৈতিক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই রাজনৈতিক মহলের মত।

    দলত্যাগী কর্মীরা কী বললেন?

    তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে দলত্যাগী কর্মীরা বলেন, তৃণমূলে থেকে কোনওরকম সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি না। এলাকায় উন্নয়নের বিষয়ে তৃণমূলের কোনও নজর নেই।  তাই নরেন্দ্র মোদির উন্নয়নের যজ্ঞে সামিল হতে বিজেপিতে (BJP) যোগদান করলাম।

    কী বললেন বিজেপি-র (BJP) জেলা সভাপতি?

    এবিষয়ে বিজেপি-র (BJP) জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, তৃণমূল থেকে সাধারণ মানুষ মুখ ফেরাচ্ছে। ঘর গোছাতে অভিষেক জেলায় আসছে, তার আগেই তৃণমূলের বহু কর্মী আমাদের দলে যোগ দিলেন। আসলে এই পরিবারগুলি মঙ্গলবার অভিষেকের সভায় থাকতে চান না। এর কিছুদিন আগে জেলার তপন থানা এলাকায় প্রায় ২০০ জন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ছেড়ে আমাদের দলে যোগ দেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এদিকে যোগদান নিয়ে তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জেলায় আসছেন। এতেই ভয় পেয়েছে বিজেপি (BJP)। তাই ওরা এসব ভুলভাল বলছে। তৃণমূল থেকে কেউ বিজেপিতে যায়নি। উলটে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসছে মানুষ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘বাবা-মেয়ে তিহাড়ে গেছে, এবার পিসি-ভাইপোও যাবে’’! কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘বাবা-মেয়ে তিহাড়ে গেছে, এবার পিসি-ভাইপোও যাবে’’! কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালি সপরিবারে তীর্থ করতে যেত, এখন তৃণমূলের আমলে নেতারা সপরিবারে জেলে যাচ্ছেন। কটাক্ষ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar)। গরু পাচার মামলায় আপাতত তিহাড় জেলে রয়েছেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল। এই প্রসঙ্গেই সুকান্তর কটাক্ষ, “সবে তো কলির সন্ধ্যে! বাবা-মেয়ে পাশাপাশি তিহাড় জেলে আছে, এরপর পিসি-ভাইপোও যাবে।”

    সপরিবারে তিহাড় যাত্রা

    জনসংযোগ যাত্রায় গিয়ে তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ইডি-সিবিআই-এর সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরই পাল্টা দিলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “বিজেপি ভয় দেখাচ্ছে না। সত্যি সামনে আসছে। তাতেই অনেকে ভয় পাচ্ছেন। চুরি করলে অপরাধীকে সাজা পেতেই হবে। কারুর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে যদি বেহিসেবি টাকা থাকে তাহলে তাঁকেও জেলে যেতে হবে।” এরপরই সুকান্ত বলেন, “আগে তো আমরা সপরিবারে তীর্থে যেতাম, এখন তৃণমূল নেতারা সপরিবারে তিহাড় যাত্রা করেন। আর কদিন পরে অন্য কাউকে দেখবেন। আগে দেখছিলাম নেতাদের সঙ্গে তাঁদের বান্ধবীরা জেলে যাচ্ছেন এখন দেখছি নেতার সঙ্গে তাঁর কন্যাও জেলে গিয়েছেন। এরপর হয়তো পিসি-ভাইপোর পালা।”

    আরও পড়ুন: দেশে বাড়ছে ডেঙ্গি! দ্রুত ভ্যাকসিন আনতে সচেষ্ট গবেষকরা

    তিহাড় কংগ্রেস

    কেষ্টর তিহাড় যাত্রার পরেও জেলা সভাপতি বদল করেনি শাসক দল। সেই বিষয় নিয়েও তৃণমূলের উদ্দেশে কটাক্ষ ছুঁড়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তৃণমূলের সর্বভারতীয় তকমা যাওয়ার পর সুকান্তর সংযুক্তি, “আর কিছুদিন অপেক্ষা করুন, তৃণমূল কংগ্রেস নাম পরিবর্তন হয়ে তিহাড় কংগ্রেস হয়ে যাবে। তৃণমূল কর্মী মানেই চোর। নব চোর বাছতে এখন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উনি রোজ নতুন কিছু বলছেন। আজকে দেখুন ব্যালট বাক্সের জায়গায় নতুন কিছু চুরি হয় কিনা। রাজ্যজুড়ে একটা বিশৃঙ্খলা চলছে।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Assembly Election: কর্নাটকে বিজেপির ইস্তাহারে জোর কর্মসংস্থান, এনআরসি ও মহিলা ক্ষমতায়নে

    Karnataka Assembly Election: কর্নাটকে বিজেপির ইস্তাহারে জোর কর্মসংস্থান, এনআরসি ও মহিলা ক্ষমতায়নে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ মে কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন (Karnataka Assembly Election)। সেই উপলক্ষে সোমবার বেঙ্গালুরুতে ইস্তাহার প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। ইস্তাহারের (Manifesto) পোশাকি নাম ‘প্রজা প্রণালিকা’। পদ্ম শিবিরের ওই ইস্তেহারে যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানে জোর দেওয়ার পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে মহিলাদের ক্ষমতায়নেও। ইস্তেহার প্রকাশ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা সহ কর্নাটক বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

    কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচনের (Karnataka Assembly Election) ইস্তাহার…

    নাড্ডা বলেন, রাজ্যের জন্য বিজেপির এই দৃষ্টিভঙ্গি হল সকলের প্রতি ন্যায়বিচার এবং কারও তুষ্টিকরণ নয়। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি এবং এনআরসি-রও (NRC) উল্লেখ রয়েছে এই ইস্তাহারে। গেরুয়া শিবির জানিয়েছে, উচ্চ পর্যায়ের কমিটির প্রস্তাব অনুসারে কর্নাটকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হবে। ইস্তেহারে জানানো হয়েছে, রাজ্য থেকে অবৈধ নাগরিকদের দ্রুত দূর করতে কর্নাটকে এনআরসি নিয়ে আসা হবে। ইস্তেহারে বহু বিতর্কিত নন্দিনী মিল্ক ইস্যুও রয়েছে।

    প্রজা প্রণালিকায় বিপিএল তালিকাভুক্ত (Karnataka Assembly Election) পরিবারগুলির মন পেতে বছরে তিনটি গ্যাস সিলিন্ডার বিনামূল্যে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। গণেশ চতুর্থী, দীপাবলির মতো অনুষ্ঠানগুলিতে বিপিএল তালিকাভুক্ত পরিবারগুলিকে আধ লিটার করে নন্দিনী সরবরাহের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। বিজেপির দাবি, প্রজা প্রণালিকা তৈরির আগে রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা এলাকার বাসিন্দাদের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের ৬ লক্ষেরও বেশি মানুষের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। বিজেপির দাবি, কেবল সাধারণ মানুষ নন, কর্নাটকের উন্নয়নে বিশেষজ্ঞদেরও পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। ইস্তাহার প্রকাশের পর বিজেপির দাবি, কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাবে বিজেপি।

    আরও পড়ুুন: ‘মন কি বাত’-এর অনুষ্ঠানে মোদির মুখে ৪ অ-সাধারণের নাম, জানেন এঁরা কারা?

    ১০ মে ২২৪ আসন বিশিষ্ট কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনের (Karnataka Assembly Election) ফল বেরবে ১৩ মে। গৃহহীনদের জন্য ১০ লক্ষ বাড়ি। বিশ্বেশ্বরায়া বিদ্যা যোজনার আওতায় সরকারি স্কুলগুলির সামগ্রিক উন্নয়নে বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্ব করবে সরকার। আইএএস, কেএএস, ব্যাংকিং, সরকারি চাকরির প্রস্তুতির জন্য যুবদের আর্থিক সহায়তা করা হবে। কর্নাটকের সিনিয়র সিটিজেনদের বিনামূল্যে বার্ষিক হেল্থ চেক-আপ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dev: সরকারি বাড়ি পেতে দেবের ভাইকে দিতে হল কাটমানি! পোস্টার দিয়ে প্রতিবাদ জানাল বিজেপি

    Dev: সরকারি বাড়ি পেতে দেবের ভাইকে দিতে হল কাটমানি! পোস্টার দিয়ে প্রতিবাদ জানাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল শহরের পাঁশকুড়া বাস স্ট্যান্ড, ঘাটাল কলেজ, এসডিও অফিস চত্বর সহ সমস্ত জায়গায় পড়েছে পোস্টার। আর এই পোস্টারকে ঘিরে রীতিমতো শোরগোল অভিনেতা দেবের (Dev) সাংসদ এলাকায়। শুধু পোস্টারই নয় দেবের (Dev) পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। এমনকী দেওয়াল লিখনে হাত লাগিয়েছেন খোদ বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট।

    কী লেখা রয়েছে পোস্টারে?

    পোস্টারে লেখা রয়েছে, নিজের দাদা সাংসদ (Dev) থাকা সত্ত্বেও কাটমানি দিতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে। ঘরের ছেলে সাংসদ থাকার সত্ত্বেও কেন টাকা নেওয়া হল? দীপক অধিকারী (Dev) জবাব দাও। বিক্রম অধিকারীর আবাস যোজনার টাকা নেওয়া  হল কেন? তৃণমূল বিধায়ক শিউলি সাহা জবাব দাও। আর ঘাটাল শহরের একাধিক জায়গায় পোস্টারে ছয়লাপ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন এই পোস্টার?

    সাংসদ দেবের (Dev) জেঠতুতো ভাই বিক্রম অধিকারী। তিনি থাকেন কেশপুরের মহিষদায়। সরকারি আবাস যোজনায় কাটমানি দিতে হয়েছে তাঁকে। বিক্রম বলেন, আমি নিজে তৃণমূল করি। আমার দাদা সাংসদ বলে কোনও বাড়িতে সুবিধা পাইনি। এখানে তৃণমূল নেতাদের কাটমানি না দিলে বাড়ি মিলবে না। তাই, ওদের চাহিদা মতো আমি কাটমানি দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, পারিবারিক সমস্যা সমাধানে তৃণমূল নেতাদের কাটমানি দিতে হয়। সাংসদের (Dev) ভাই বলে আমাকে অনেক জায়গায় তৃণমূল নেতারা নিয়ে গিয়ে কাটমানি নিয়েছে। আমার বাড়ি বেহাল হয়ে রয়েছে। আমফানে বাড়ির প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু, আমি ক্ষতিপূরণের টাকা পাইনি। আবাস যোজনার বাড়ি পাওয়ার জন্য দেবের (Dev) ভাইকে টাকা দেওয়ার খবর জানাজানি হতেই রীতিমতো তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এবার এই ইস্যুকে হাতিয়ার করেই মাঠে নামে বিজেপি। ঘাটাল শহর জুড়ে তারা পোস্টার দিয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    এই বিষয়ে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “দেবের ভাই বলে খবরটা হয়েছে। এরকম হাজার হাজার মানুষের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। কে অধিকার দিয়েছে ওদের? গরিবের কথা কেউ শোনেনি। আমরা নামগুলো খুঁজে খুঁজে দিল্লি পাঠিয়েছি।”

    পোস্টার নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    যদিও বিজেপিকে পাল্টা নিশানা করেছে শাসক দল তৃণমূল। জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতি বলেন, খেই হারিয়েছে বিজেপি। দেব (Dev) কুৎসার জবাব না দিয়ে নিশ্চুপ থাকাতেই পোস্টার রাজনীতি করছে বিজেপি। পোস্টার নিয়ে রাজনীতি না করে বিজেপি মাঠে নেমে রাজনীতি করুক। মানুষ কাদের সঙ্গে রয়েছে তা প্রমাণ হয়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share