Tag: India news

India news

  • J-K Terror Attack: পুঞ্চে সেনা-ট্রাকে পুলওয়ামার ধাঁচে হামলা জঙ্গিদের, শহিদ ৫ জওয়ান

    J-K Terror Attack: পুঞ্চে সেনা-ট্রাকে পুলওয়ামার ধাঁচে হামলা জঙ্গিদের, শহিদ ৫ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা। আবারও পুলওয়ামা ধাঁচে সেনা কনভয়ে হামলা চালালো জঙ্গিরা (J-K Terror Attack)। পুঞ্চে ডেরা কি গলি (Poonch Terror Attack) এলাকায় হওয়া এই হামলায় শহিদ হলেন সেনার ৫ জওয়ান। আহত হয়েছে চিকিৎসাধীন আরও কয়েকজন।

    ঠিক কী ঘটেছে? 

    জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বুধবার রাত থেকে সেনা ও পুলিশের যৌথ অভিযান শুরু হয়েছিল ডেরা কি গলি এলাকায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে বাড়তি বাহিনী পাঠানো হচ্ছিল। পথেই, পৌনে ৫টা নাগাদ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের (Rashtriya Rifles) একটি জিপ এবং ট্রাকের উপরে অতর্কিত হামলা চালায় জঙ্গিরা (J-K Terror Attack)। জানা গিয়েছে, হামলায় স্বয়ংক্রিয় রাইফেল এবং গ্রেনেড লঞ্চার ব্যবহার করে জঙ্গিরা। সেনা সূত্রে খবর, সুরনকোট থানার অধীন বাফলিয়াজ থেকে রাজৌরির দিকে যাচ্ছিল সেনার গাড়ি দু’টি। বাফলিয়াজ এবং ডেরা কি গলির মাঝে ধতয়ার মোড়ে একটি পাহাড়ের উপরে লুকিয়ে ছিল জঙ্গিরা। এই অঞ্চলটি গভীর জঙ্গলে ঘেরা। কাছে টোপা পীর অঞ্চলের কাছে একটি সঙ্কীর্ণ পাহাড়ি বাঁকের মুখে সেনার জিপ এবং ট্রাকের উপরে হামলা চালায় জঙ্গিরা (Poonch Terror Attack)। 

    হামলার নেপথ্যে লস্কর?

    বিস্ফোরণের পাশাপাশি, সেনা লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি বর্ষণ শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় বাহিনীও। রাতভর দুপক্ষের মধ্যে লড়াই হয়। গ্রেনেড হামলায় ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান তিন জওয়ান (J-K Terror Attack)। হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুঞ্চের জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের আধিকারিক এবং সেনা আধিকারিকরা। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে এক জওয়ান সেখানে মারা যান। শুক্রবার সকালে আরও এক আহত জওয়ানের মৃত্যু হয়। হামলার দায় নিয়েছে লস্কর-ই-তৈবার শাখা সংগঠন দ্য পিপলস অ্যান্টি-ফ্যাসিস্ট ফ্রন্ট (পিএএফএফ)। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের অনুমান, পুলিশ বুধবার ভোররাতে পুঞ্চেরই সুরানকোটে (Poonch Terror Attack) রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর শিবিরে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল জঙ্গিরা। সেই দলটিই বৃহস্পতিবারের হামলায় জড়িত থাকতে পারে। 

    পুলওয়ামা-ধাঁচে হামলা

    ২০০৩ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে এই অঞ্চলটি মূলত সন্ত্রাসবাদ মুক্ত ছিল। এরপর ঘনঘন সংঘর্ষ শুরু হয়। গত মাসে রাজৌরি জেলারই কালাকোটে সেনাবাহিনী এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের এক বিশেষ বাহিনী সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চালিয়েছিল (J-K Terror Attack)। সেই ঘটনায় সেনার দুই ক্যাপ্টেন সহ পাঁচ সেনাকর্মী শহিদ হয়েছিলেন। তার আগে, চলতি বছরের এপ্রিল ও মে মাসে রাজৌরি-পুঞ্চ অঞ্চলে জোড়া হামলায় শহিদ হন ১০ জওয়ান। ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় ভয়াবহ জঙ্গি হানার ঘটনা ঘটেছিল। সিআরপিএফের কনভয়ে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল পাক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। ওই নাশকতায় মৃত্যু হয় ৪০ জন জওয়ানের। ভয়ঙ্কর সেই বিস্ফোরণের ধাঁচেই এবারও নিশানা করা হয় সেনার ট্রাককে (Poonch Terror Attack)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • EC issues Guidelines: কল্যাণকাণ্ডের পর রাজনৈতিক দলগুলিকে নির্দেশিকা কমিশনের, কী লেখা তাতে?

    EC issues Guidelines: কল্যাণকাণ্ডের পর রাজনৈতিক দলগুলিকে নির্দেশিকা কমিশনের, কী লেখা তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা ব্যক্তিদের প্রতি সদয় ও সম্মান প্রদান করতে প্রকাশিত নির্দেশিকার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলিকে পরামর্শ দিল নির্বাচন কমিশন (EC issues Guidelines)। কল্যাণকাণ্ডের পর কমিশনের এই নির্দেশিকা নিয়ে জোর চর্চা রাজধানীর রাজনৈতিক মহলে।

    কল্যাণকাণ্ডে জোর চর্চা

    সম্প্রতি, সংসদের বাইরে প্রতিবাদ চলাকালীন দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়কে মিমিক করেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কল্যাণের সেই মিমিক্রির ভিডিও নিজের ফোনে বন্দি করতে দেখা যায় কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে। এই ঘটনায় তুমুল শোরগোল পড়ে যায়। কল্যাণের এই আচরণের তীব্র নিন্দা করে বিজেপি। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ ধনখড়কে ফোন করে সমবেদনা জানান খোদ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও কল্যাণের উদ্দেশে ধেয়ে আসে কটাক্ষের বন্যা। 

    এই প্রেক্ষিতে, বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক দলগুলির উদ্দেশে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করে নির্বাচন কমিশন (EC issues Guidelines)। ওই নির্দেশিকায় সরাসরি কল্যাণকাণ্ডের উল্লেখ না করা হলেও, নির্দেশিকার সময় ও বিষয়বস্তু নিয়ে বর্তমানে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা। ঠিক কী বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়?

    কী আছে নির্দেশিকায়?

    কমিশনের পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে— প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ভোটগ্রহণে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে ও সকলকে অন্তর্ভুক্ত করে তুলতে কোনও প্রকার আপস করে না নির্বাচন কমিশন। সফল গণতন্ত্রের ভিতে রয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকল গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ। কমিশন আরও জানিয়েছে (EC issues Guidelines), সকলের সমান অংশগ্রহণের অন্যতম লক্ষ্য হল প্রতিবন্ধী ও বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা ও তাঁদের যোগ্য সম্মান প্রদান করা। যে কোনও জনসমাবেশ, লেখা, রাজনৈতির প্রচারের সময় রাজনৈতিক দল এবং তাদের প্রতিনিধিদের উচিত শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দুর্বলতা সংক্রান্ত ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য বা কটাক্ষ করা থেকে বিরত থাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: লোকসভায় রংবোমা-কাণ্ডের জের! সংসদ নিরাপত্তার দায়িত্বে এবার সিআইএসএফ?

    Parliament Security Breach: লোকসভায় রংবোমা-কাণ্ডের জের! সংসদ নিরাপত্তার দায়িত্বে এবার সিআইএসএফ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদ ভবনের নিরাপত্তার (Parliament Security Breach) দায়িত্ব কি দিল্লি পুলিশের হাত থেকে সরিয়ে নিচ্ছে মোদি সরকার? এমন একটা সম্ভাবনার কথা রাজধানীতে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে।

    সংসদের নিরাপত্তায় একাধিক পদক্ষেপ

    হানাকাণ্ডের জেরে (Parliament Security Breach) সংসদে প্রবেশ করার ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা ও শর্তাবলি চাপানো হয়েছে। সংসদের ভেতর নিরাপত্তাকে আরও কঠোর করা হয়েছে। পাশাপাশি, নেওয়া হয়েছে একাধিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও। এবার সংসদ ভবনের নিরাপত্তা নিয়েও বড়সড় সিদ্ধান্তের পথে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, দিল্লি পুলিশের বদলে শীঘ্রই এই দায়িত্বে দেখা যেতে পারে হাই-সিকিউরিটি ইনস্টলেশনের নিরাপত্তা প্রদানে সিদ্ধহস্ত কেন্দ্রীয় সংস্থা সিআইএসএফ (CISF to secure Parliament)।

    আরও পড়ুন: সংসদ হানার ঘটনায় বেঙ্গালুরু থেকে ধৃত প্রাক্তন পুলিশ কর্তার ছেলে

    সরছে দিল্লি পুলিশ?

    সূত্রের খবর, সম্প্রতি কেন্দ্রের পাঠানো একটি চিঠি পেয়েছে সিআইএসএফ। তাতে বলা হয়েছে, সংসদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জরিপ, পর্যালোচনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট কেন্দ্রকে পাঠাতে। সূত্রের খবর, অদূর ভবিষ্যতে সংসদের নিরাপত্তার ভার এই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার হাতেই তুলে দেওয়া হতে পারে। জানা গিয়েছে, একবার সংসদের নিরাপত্তা প্রদানের অনুমতি দেওয়া হলে, পুরো দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নেবে সিআইএসএফ (CISF to secure Parliament)। যার মধ্যে যাঁরা প্রবেশ করবেন, তাঁদেরকে তল্লাশি করার ক্ষমতাও সামিল থাকবে। তবে, সংসদের মধ্যে নিরাপত্তার দায়িত্ব আগের মতো লোকসভা সচিবালয়ের হাতেই থাকবে বলে জানা গিয়েছে। 

    সংসদে হানাকাণ্ডে গ্রেফতার ৮

    গত ১৩ ডিসেম্বর, সংসদে ২০০১ জঙ্গি হামলার ২২ তম বর্ষপূর্তির দিনেই সংসদে হানা দেয় কয়েকজন যুবক-যুবতী (Parliament Security Breach)। সংসদের ভেতর ও বাইরে রং-বোমা নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড বাঁধিয়ে দেয় তারা। অধিবেশন চলাকালীনই লোকসভার দর্শক গ্যালারি থেকে নিচে লাফিয়ে পড়ে দুজন। স্পিকারের চেয়ারের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়, রং বোমার ক্যানিস্টার খুলে দেয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • NIA Terror Probe: ভূস্বর্গকে ফের আশান্ত করতে তৎপর পাকিস্তান! এনআইএ-র হাতে চাঞ্চল্যকর প্রমাণ

    NIA Terror Probe: ভূস্বর্গকে ফের আশান্ত করতে তৎপর পাকিস্তান! এনআইএ-র হাতে চাঞ্চল্যকর প্রমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে কি ফের ফিরছে নাশকতার কালো মেঘ (Terrorism in Jammu Kashmir)? প্রশ্নটা উঠছে কারণ সাম্প্রতিককালে বেশ কয়েকটি সে-জঙ্গি এনকউান্টারের ঘটনার সাক্ষী থেকেছে জম্মু কাশ্মীর উপত্যকা। বাহিনী সজাগ থাকায় (NIA Terror Probe) জঙ্গিদের নাশকতার ছক বানচাল হলেও, প্রাণ গিয়েছে একাধিক বীর সেনানীর। অনন্তনাগ হোক বা রাজৌরি— জঙ্গিরা যে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে এদেশে নাশকতার জাল বিছোতে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ঠিক যেমন বেশ কিছুদিন চুপ করে থাকার পর ফের কাশ্মীর দিয়ে সীমান্তপার সন্ত্রাস চালাতে তৎপর হয়েছে পাকিস্তান।

    পাকিস্তান থেকে লাগাতার অনুপ্রবেশ

    জঙ্গি-নেতারা যে প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকে কাশ্মীরে লাগাতার অনুপ্রবেশের চেষ্টা (Terrorism in Jammu Kashmir) করে চলেছে এবং সেখান থেকেই যে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে, এটা আগে তো জানা ছিলই। তবে, এই মর্মে নতুন তথ্যপ্রমাণও হাতে পেয়েছেন এদেশের গোয়েন্দারা (NIA Terror Probe)। চলতি বছরের জানুয়ারিতে রাজৌরির ধাংরি গ্রামে হামলা চালায় জঙ্গিরা। আইইডি বিস্ফোরণে ৭ সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছিল। এর পর এপ্রিল মাসে পুঞ্চে সেনা কনভয়ে জঙ্গি হামলায় পাঁচ জওয়ান মারা গিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা তথা অনুসন্ধানকারী সংস্থা এনআইএ জানিয়েছে, এই দুই ঘটনাতেই একই জঙ্গিরা জড়িত ছিল। 

    স্থানীয়দের মদত পেয়েছিল জঙ্গিরা!

    এনআইএ তদন্তে উঠে আসে, জঙ্গিরা স্থানীয়দের মদত পেয়েছিল। হামলার পর তারা আন্ডারগ্রাউন্ড হয়ে যায়। গত সেপ্টেম্বর মাসে নিসার আহমেদ ও মুস্তাক হোসেন নামে দুজনকে পাকড়াও করে এনআইএ। গোয়েন্দাদের অভিযোগ, পুঞ্চের বাসিন্দা এই দুজনই ধাংরি হামলাকারীদের আশ্রয় দেওয়া থেকে শুরু করে যাবতীয় সাহায্য করেছিল। ধৃতদের জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে এনআইএ-র হাতে (NIA Terror Probe)। জানা যায়, নিসারের সঙ্গে লস্কর হ্যান্ডলার আবু কতল ওরফে কতল সিন্ধির নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। নিসারকে আগও গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২ বছর জেলে কাটিয়ে ২০১৪ সালে সে ছাড়া পায়। 

    গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর থেকে জঙ্গিদের ইনফর্মার হিসেবে নাকি কাজ করত এই নিসার (Terrorism in Jammu Kashmir)। ধাংরিতে হামলার ঘটনায় তাকে ডেকেও পাঠিয়েছিল পুলিশ। এনআইএ-কে নিসার জানিয়েছে, দুই জঙ্গিকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিল আবু কতল। এর পর মুস্তাক হোসেনকে ৭৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল ওই ২ জঙ্গির জন্য গুহার মধ্যে একটি গোপন আস্তানা তৈরি করে দিতে। ওই জঙ্গিদের বাড়িতে তৈরি খাবার দিয়ে আসত নিসার। 

    নির্দেশ দিয়েছিল পাক হ্যান্ডলাররা

    এনআইএ জানিয়েছে (NIA Terror Probe), জেরায় নিসার দাবি করেছে, এপ্রিলে সেনার ওপর হামলার ২ দিন আগে ওই জঙ্গিরা ২২টি রুটি চেয়ে পাঠায়। সেই মতো, সে রুটি পৌঁছে দেয়। এর পর জঙ্গিরা তাকে না জানিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। এনআইএ জানিয়েছে, এর পরই পুঞ্চের ভিম্বর গলি-সুরানকোট সড়কের ওপর ভাট্টা দুরিয়াঁর কাছে ঘটা হামলার খবর আসে (Terrorism in Jammu Kashmir)। গোয়েন্দাদের মতে, পাকিস্তান থেকে আসা লস্কর-ই-তৈবা হ্যান্ডলারদের নির্দেশ অনুযায়ী এই হামলাগুলো চালিয়েছিল জঙ্গিরা। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সইফুল্লাহ ওরফে সাজিদ জট্ট, আবু কতল এবং মহম্মদ কাসিম নামে তিন লস্কর হ্যান্ডলার পাকিস্তান বসে জঙ্গিদের নির্দেশ দিয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajouri Encounter: রাজৌরিতে জঙ্গিদের সঙ্গে ছিল অবসরপ্রাপ্ত পাক সৈনিকরাও! চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ সেনার

    Rajouri Encounter: রাজৌরিতে জঙ্গিদের সঙ্গে ছিল অবসরপ্রাপ্ত পাক সৈনিকরাও! চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরিতে (Rajouri Encounter) গত তিনদিন ধরে সেনা ও জঙ্গিদের মধ্যে ভয়াবহ গুলির লড়াই চলছে। ওই লড়াইয়ে এখনও পর্যন্ত ২ ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার অফিসার সহ ভারতীয় সেনার ৫ জওয়ানের মৃত্য হয়েছে। অন্যদিকে, এক লস্কর কমান্ডার সহ ২ জঙ্গি (Pak Terrorists) খতম হয়েছে। শুক্রবার এই অভিযান নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেশ করলেন সেনা নর্দার্ন কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি জানালেন, জঙ্গলে, জঙ্গিদের সঙ্গে মিশে রয়েছে কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত পাক সৈনিকও।

    কী বললেন শীর্ষ সেনা-কর্তা?

    এদিন শহিদ জওয়ানদের শেষ শ্রদ্ধা জানান সেনা কমান্ডার। সেখানেই তিনি জানান, কাশ্মীরি যুবকদের নাশকতা কার্যকলাপে আর প্রলুব্ধ করতে পারছে না পাকিস্তান। তাই বিদেশি জঙ্গিদের (Pak Terrorists) সীমান্ত পার করিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে পাঠাচ্ছে তারা। দ্বিবেদী বলেন, ‘‘আমরা জানতে পেরেছি যে রাজৌরিতে (Rajouri Encounter) হামলা চালানো জঙ্গিদের কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত পাক সৈনিক। যেহেতু এখান থেকে কাউকে নিয়োগ করতে পারছে না, তাই পাকিস্তান ভারতে বিদেশি জঙ্গি ঢোকানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা সবকটাকে খতম করার চেষ্টা চালাচ্ছি।’’

    ফের ‘ব্যাট’-কে সক্রিয় করেছে পাকিস্তান?

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয় কিন্তু। এর আগেও, জঙ্গি বেশে প্রাক্তন জওয়ানদের ভারতে ঢোকানোর অভিযোগ উঠেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। অনেকেরই হয়ত মনে থাকবে, ২০১৭ সালে পুঞ্চে নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছেই ভারতীয় সেনা জওয়ান নায়েব সুবেদার পরমজিত সিং ও বিএসএফ কনস্টেবল প্রেম সাগরের মুণ্ডহীন দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই সময় এই নিয়ে প্রচণ্ড শোরগোল উঠেছিল। ভারতীয় গোয়েন্দারা জানিয়েছিলেন, এই ন্যক্করজনক ও কাপুরুষোচিত কাজ করতে বর্ডার অ্যাকশন টিম (ব্যাট) কে ব্যবহার করেছিল পাকিস্তান। বস্তুত, এই জঙ্গি ও অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের নিয়ে এই বিশেষ বাহিনী গঠন করে পাকিস্তান। লক্ষ্য ভারতে নাশকতামূলক কার্যকলাপ চালানো। তাদের প্রশিক্ষণ দেয় পাকিস্তানের কমান্ডো বাহিনী— স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ। বেশ কিছুদিন ব্যাট-এর কার্যকলাপ বন্ধ থাকার ফের সক্রিয় করে তোলা হয়ে থাকতে পারে (Pak Terrorists)।

    শহিদ পাঁচ বীর সন্তান

    বুধবার থেকে রাজৌরির (Rajouri Encounter) বাজিমল এলাকায় শুরু হওয়া এই সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে ভারতীয় সেনার ৫ জওয়ান শহিদ হয়েছেন। এঁদের মধ্যে ২ জন অফিসারও রয়েছেন। শহিদ পাঁচজন হলেন— কর্নাটকের ম্যাঙ্গালোরের বাসিন্দা ক্যাপ্টেন এমভি প্রাঞ্জল, উত্তরপ্রদেশের আগরার বাসিন্দা ক্যাপ্টেন শুভম গুপ্ত, পুঞ্চের অজোটের বাসিন্দা হাভিলদার আবদুল মজিদ, উত্তরাখণ্ডের নৈনিতালের হলি পদলির বাসিন্দা লান্স নায়েক সঞ্জয় বিস্ত এবং উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ের বাসিন্দা প্যারাট্রুপার সচিন লাউর। এদিন রাজৌরির সেনা হাসপাতালে শহিদদের শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয় বাহিনীর তরফে।

    খতম গেরিলা-যুদ্ধে পটু লস্কর কমান্ডার

    অন্যদিকে, সেনার গুলিতে খতম হয়েছে লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ কমান্ডার কারি সহ ২ পাক জঙ্গি (Pak Terrorists)। সেনা জানিয়েছে, গেরিলা যুদ্ধ কৌশলে পটু পাক জঙ্গি-নেতা কারি একইধারে স্নাইপার ও আইইডি বিশেষজ্ঞ। ধাংরি এবং কান্দিতে যে জঙ্গি হামলা হয়েছিল, তার মাস্টারমাইন্ড ছিল এই কারি। চলতি বছরের ১ এবং ২ জানুয়ারি ধংরিতে জঙ্গি হামলা চালানো হয়েছিল। সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাতজনকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছিল। এদিকে রাজৌরির কান্দি জঙ্গলে গত ৫ মে সেনা জওয়ানদের ওপর হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। সেই হামলায় শহিদ হয়েছিলেন পাঁচজন জওয়ান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajouri Encounter: রাজৌরির জঙ্গিদমন অভিযানে শহিদ ২ ক্যাপ্টেন সহ ৪ সেনা জওয়ান, খতম লস্কর কমান্ডার

    Rajouri Encounter: রাজৌরির জঙ্গিদমন অভিযানে শহিদ ২ ক্যাপ্টেন সহ ৪ সেনা জওয়ান, খতম লস্কর কমান্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দিনে পড়ল রাজৌরির জঙ্গিদমন অভিযান। বুধবার থেকে জম্মু কাশ্মীরের রাজৌরি (Rajouri Encounter) জেলার কালাকোট মহকুমার অন্তর্গত জঙ্গলে ঘেরা বাজিমাল অঞ্চলে চলছে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই (Army Terrorist Gunfight)। গতকাল ২ সেনা জওয়ানের মৃত্যুর খবর এসেছিল। এদিন শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪। এর মধ্যে সেনার ২ ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার অফিসার রয়েছেন। রয়েছেন ২ জওয়ানও। অন্যদিকে, বাহিনীর গুলিতে খতম হয়েছে লস্করের এক শীর্ষস্থানীয় কমান্ডারও।

    কী জানিয়েছে সেনা?

    সেনার ১৬ কোরের (হোয়াইট নাইট) তরফে এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার কালাকোট এলাকার গুলাবগড় জঙ্গলে চিরুনি-তল্লাশি অভিযান শুরু করে সেনা, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও সিআরপিএফ-কে নিয়ে গঠিত যৌথবাহিনী (Rajouri Encounter)। জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই শুরু হয় বুধবার। সেই থেকে দুপক্ষের মধ্যে ভয়াবহ গুলি বিনিময় হচ্ছে। জঙ্গিদের ঘিরে ফেলা হয়েছে (Army Terrorist Gunfight)। মহিলা ও শিশুদের প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে আমাদের সেনা জওয়ানরা শহিদ দিয়েছেন। তাঁদের এই সাহসিকতা ও চরম বলিদানের ফলে অনেকের প্রাণ বেঁচেছে।

    শহিদ চার সেনা কর্মী

    সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সেনার চার জন শহিদ হয়েছেন। এর মধ্যে ২ জন ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার অফিসার এবং বাকি ২ জন হাভিলদার পদমর্যাদার। ২ অফিসারের মধ্যে একজন হলেন ৬৩ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ক্যাপ্টেন এমভি প্রাঞ্জল। অপরজন ৯ প্যারা স্পেশাল ফোর্সের ক্যাপ্টেন শুভম গুপ্ত। ২ জওয়ানের মধ্যে একজনের নাম হাভিলদার মাজিদ। তিনও ৯ প্যারা স্পেশাল ফোর্স ইউনিটে অঙ্গ ছিলেন (Rajouri Encounter)। দ্বিতীয় জওয়ানের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। এছাড়া, ৯ প্যারা স্পেশাল ফোর্স ইউনিটের এক মেজর পদমর্যাদার অফিসার আহত হয়েছেন। তাঁকে উধমপুরের কমান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    খতম লস্কর কমান্ডার

    সেনা সূত্রে খবর, বাহিনীর গুলিতে এক পাক জঙ্গি-নেতা খতম হয়েছে। যা জানা যাচ্ছে, ওই জঙ্গির নাম কুয়ারি। আদতে পাকিস্তানের বাসিন্দা কুয়ারি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ কমান্ডার। সেনা গোয়েন্দাদের দাবি, এই জঙ্গি-নেতা দীর্ঘদিন রাজৌরি-পুঞ্চ এলাকায় (Rajouri Encounter) আত্মগোপন করেছিল। তার আগে, পাক-আফগান সীমান্তে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল এই নিহত জঙ্গি (Army Terrorist Gunfight)। আইইডি তৈরিতে পারদর্শী ছিল বলেও জানা গিয়েছে। ধাংরি ও কান্দি হামলার মাস্টারমাইন্ড ছিল এই কুয়ারি। ওই হামলায় ৭ জন মারা গিয়েছিলেন। ১৪ জন আহত হয়েছিলেন। সেনা সূত্রে দাবি, এখনও ওই এলাকায় ২-৩ জন জঙ্গি রয়েছে। ঘন জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে তারা সেনাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তাদের ঘিরে ফেলা হয়েছে। 

    এখনও ফিকে হয়নি অনন্তনাগ…

    অনন্তনাগ অভিযানের কথা এখনও টাটকা। প্রায় ২ মাস আগে, অনন্তনাগ জেলার কোকেরনাগ অঞ্চলে সেনা-জঙ্গির ভয়াবহ গুলির লড়াইয়ে শহিদ হয়েছিলেন ২ সেনা অফিসার— ১৯ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল মনপ্রীত, সেনা মেজর আশিস ধনচোক এবং জম্মু কাশ্মীর পুলিশের ডেপুটি সুপার হুমায়ুন ভাট। খতম হয়েছিল ২ জঙ্গিও। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Pakistan Violates Ceasefire: শীত পড়তেই সীমান্তে গোলাগুলি শুরু পাক সেনার, পাল্টা জবাব ভারতের

    Pakistan Violates Ceasefire: শীত পড়তেই সীমান্তে গোলাগুলি শুরু পাক সেনার, পাল্টা জবাব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কিছুদিন চুপ করে থাকার পর ফের সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি চুক্তিভঙ্গ (Pakistan Violates Ceasefire) করল পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার রাতে আচমকা বিনা প্ররোচনায় জম্মুর (Jammu Kashmir) আরএস পুরা সেক্টরে আন্তর্জাতিক সীমান্তের ওপার থেকে গুলিগোলা বর্ষণ শুরু করে পাক রেঞ্জার্স। তাতে আহত হন বিএসএফ-এর ২ জওয়ান এবং এক গ্রামবাসীও। ভারতের পাল্টা জবাবে নিহত ২ পাক রেঞ্জার্স।

    আহত ২ বিএসএফ জওয়ান সহ ৩

    বিএসএফ জম্মুর জনসংযোগ আধিকারিক জানান, বৃহস্পতিবার রাত থেকে টানা গুলি চালাতে শুরু (Pakistan Violates Ceasefire) করেছে পাকিস্তান। এমনকী, বিএসএফ পোস্টগুলোকে নিশানা করে মর্টার ছুড়েছে পাক রেঞ্জার্স। জম্মুর (Jammu Kashmir) অর্নিয়া-সুচেতগড় সেক্টরে পাঁচটি সীমান্ত চৌকিতে বৃহস্পতিবার রাতে বিনা প্ররোচনায় পাক বাহিনী গোলাবর্ষণ করে। তাতে, ২ বিএসএফ জওয়ান আহত হন বলে খবর। এর পরই, প্রায় ১৯৮ কিমি দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত জুড়ে হাই অ্যালার্টে রয়েছে বিএসএফ।

    ভারতের প্রত্যাঘাতে নিহত ২

    পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি ভারত। বিএসএফের জওয়ানরা যোগ্য জবাব দিতে শুরু করে। গুলি বিনিময় এখনও চলছে। জানা যাচ্ছে, ভারতের প্রত্যাঘাতে ২ পাক রেঞ্জার্সের মৃত্যু হয়েছে। ভারতের গোলায় গুঁড়িয়ে গিয়েছে পাক রেঞ্জার্সের ২টি ওয়াচ টাওয়ার। এদিকে, আচমকা গোলাগুলি চলায় নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) বাসিন্দাদের মধ্যে। উপত্যকায় শান্তি ফিরছিল। ঘরছাড়া মানুষদের অনেকেই গ্রামে ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু, বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফের গোলাগুলি ছোড়া (Pakistan Violates Ceasefire) শুরু হওয়ায়, সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গতকাল গোলাগুলি শুরু হতেই পরিযায়ী শ্রমিক, মহিলা-শিশুরা ছোটাছুটি শুরু করে দেয়। 

    ভারতে জঙ্গি ঢোকানোর চেষ্টা

    গত ১০ দিনের মধ্যে, এই নিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় দ্বিতীয়বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করল পাকিস্তান। এর আগে ১৭ অক্টোবর, বিনা উস্কানিতে বিএসএফ-এর সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল পাক রেঞ্জার্সরা। দুই বিএসএফ সদস্য আহত হয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, পাকিস্তানের এই পরিকল্পিত হামলার নেপথ্যে সুনির্দিষ্ট অভিসন্ধি রয়েছে। মূলত, শীতের শুরুতে সীমান্তে পাক গোলাগুলি বেড়ে যায়। কারণ, এই সময়টাই সীমান্তাঞ্চল দিয়ে (Jammu Kashmir) ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। বছরের পর বছর ধরে এই পন্থা (Pakistan Violates Ceasefire) অবলম্বন করে আসছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র। যেমনটা করেছিল বুধবার। কিন্তুু, সতর্ক ছিল ভারতও। নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে খতম হয়েছে ৫ জঙ্গি। এর আগেও, লাগাতার কয়েক সপ্তাহ ধরে উপত্যকায় পর পর জঙ্গি নিকেশ অভিযান ঘটেছে।

    নওয়াজ-শেহবাজ কানেকশন!

    এর পাশাপাশি, এবার আরও একটি ফ্যাক্টর যোগ হয়েছে। দীর্ঘ নির্বাসন-পর্ব কাটিয়ে গত সপ্তাহে পাকিস্তানে ফিরেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। ফিরেই, তিনি প্রথম সভায় কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তাঁর ভাই তথা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ আবার চিন সফর সেরে ফিরেছেন দেশে। তারপরই সীমান্তে পাক গোলাগুলি (Pakistan Violates Ceasefire) শুরু হল। ভারতের বিশেষজ্ঞদের মতে, সবটাই কাকতালীয় নয়। একদিকে, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন ও ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ নিয়ে শঙ্কিত বিশ্ব, সেই আবহে কি ভারতকে যুদ্ধের উস্কানি দিচ্ছে পাকিস্তান? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Qatar: ৮ প্রাক্তন ভারতীয় নৌসেনা কর্মীকে মৃত্যুদণ্ড কাতার আদালতের! সমস্ত আইনি সহায়তার আশ্বাস ভারতের

    Qatar: ৮ প্রাক্তন ভারতীয় নৌসেনা কর্মীকে মৃত্যুদণ্ড কাতার আদালতের! সমস্ত আইনি সহায়তার আশ্বাস ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক অবিশ্বাস্য রায়ে ভারতীয় নৌসেনার ৮ প্রাক্তন কর্মীকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনাল কাতারের (Qatar) একটি আদালত। গত এক বছর ধরে তাঁদের আটকে রাখা হয়েছে সেদেশে। এই রায়ে স্তম্ভিত দিল্লি। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিদেশমন্ত্রকের তরফে ওই ৮ জনকে সমস্ত রকম ‘আইনি সহায়তা’র আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা?

    এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে, কাতারে (Qatar) আল দাহরা গ্লোবাল টেকনোলজিস অ্যান্ড কনসালটেন্সি সার্ভিসেস নামের এক বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই ৮ প্রাক্তন নৌসেনা কর্মী। এই সংস্থাটি কাতারের প্রতিরক্ষা বাহিনীর স্থানীয় ব্যবসায়িক অংশীদার ছিল। ওই বেসরকারি সংস্থায় মূলত কাতারের সেনা সম্পর্কিত কিছু পরিষেবা সরবরাহ করা হয়, এছাড়াও দেওয়া হয় সেনা সম্পর্কিত ট্রেনিং। ২০২২ সালের অগাস্ট মাসে এই ৮ জনকে আটক করে কাতারের ইন্টালিজেন্স সার্ভিসেস তথা গোয়েন্দা বিভাগ। সেই থেকে এই প্রাক্তন সামরিক কর্মীরা জেলেই রয়েছেন। একাধিকবার তাঁদের জামিনের আবেদন খারিজ করা হয় বলে জানা গিয়েছে। কাতার সরকার কখনই ওই ভারতীয় সেনা অফিসারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে খোলসা করে কিছু জানায়নি। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ওই ভারতীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ছিল কাতারের। 

    কী জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক?

    এদিনের রায়ের প্রেক্ষিতে, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। এই খবর পাওয়ার পরই নড়েচড়ে বসেছে দিল্লির বিদেশ মন্ত্রক। কাতারের ভারতীয় দূতাবাসের কাছে বিশদ রিপোর্ট তলব করেছে তারা। এদিন একটি বিবৃতি জারি করে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ‘‘ফাঁসির সাজার খবর শুনে আমরা স্তম্ভিত। পূর্ণাঙ্গ রায়ের জন্য অপেক্ষা করে আছি। এই আট প্রাক্তন নৌসেনা কর্মীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। আইনি টিমের সঙ্গেও কথাবার্তা চলছে। সমস্ত আইনি বিতর্কগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। গোটা ঘটনার উপর নজর রাখা হচ্ছে। সমস্ত আইনি সহায়তা দেওয়া হবে। কাতার (Qatar) কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।’’

    সূত্রের খবর, যে ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন— ক্যাপ্টেন নভতেজ সিং গিল, ক্যাপ্টেন বীরেন্দ্র কুমার ভার্মা, ক্যাপ্টেন সৌরভ বশিষ্ট, কামান্ডার অমিত নাগপাল, কমান্ডার পূর্ণেন্দু তিওয়ারি, কমান্ডার সুগুনাকার পাকালা, কমান্ডার সঞ্জীব গুপ্তা ও নাবিক রাগেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Dawood Malik: পাকিস্তানে আততায়ীর গুলিতে খতম মাসুদ আজহার ঘনিষ্ঠ লস্কর জঙ্গি দাউদ মালিক

    Dawood Malik: পাকিস্তানে আততায়ীর গুলিতে খতম মাসুদ আজহার ঘনিষ্ঠ লস্কর জঙ্গি দাউদ মালিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে ফের অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীর হাতে খুন হল আরেক জঙ্গি-নেতা (Terrorist Killed in Pakistan)। পাক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গত শুক্রবার পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানের মিরালি এলাকায় অজ্ঞাত পরিচয় বন্দুকবাজের গুলিতে খুন হয়েছে লস্কর-ই-জব্বরের প্রতিষ্ঠাতা দাউদ মালিক (Dawood Malik)। দাউদের আরেকটি পরিচয় রয়েছে। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মহম্মদের প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিল এই দাউদ। এই নিয়ে পাকিস্তানে সাম্প্রতিককালে দুই শীর্ষ জঙ্গি-নেতার ঘনিষ্ঠ সহযোগী খুন হল। এর আগে, অক্টোবরের গোড়ায় করাচিতে ব্যস্ত রাস্তায় মুম্বই হামলার মূল চক্রী হাফিজ সইদের অন্যতম সহযোগী মুফতি কায়সর ফারুককে খুন করে পালায় অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীরা।

    গুলি করেই চম্পট মুখোশধারী আততায়ীর

    প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃত করে পাক সংবাদমাধ্যমের দাবি, হত্যাকারী মুখোশ পরে এসেছিল। ফলে তাকে চিহ্নিত করা যায়নি। দিনের বেলা সকলের সামনেই মাসুদ ঘনিষ্ঠ দাউদকে (Dawood Malik) গুলিতে ঝাঁঝরা করে চম্পট দেয় ওই আততায়ী। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ ধরা পড়েনি। জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের প্রত্যন্ত ওয়াজিরিস্তানের উত্তরাংশে লোকচক্ষুর অন্তরালে কার্যত গর্তের মধ্যে লুকিয়ে থাকত কট্টর এই জঙ্গি নেতা। কিন্তু, চিকিৎসার জন্য সেদিন একটি ক্লিনিকে গিয়েছিল দাউদ মালিক। সেখানেই তাকে হত্যা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে একাধিক ভারত বিরোধী কার্যকলাপ এবং সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত ছিল দাউদ মালিক।  

    ১৯ মাসে পাকিস্তানে খুন ১৭ ভারত-বিরোধী জঙ্গি-নেতা

    সাম্প্রতিককালে, পাকিস্তানে পর পর অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীর হামলায় খতম হয়ে চলেছে একের পর এক জঙ্গি-নেতা (Terrorist Killed in Pakistan)। পরিসংখ্যান বলছে, গত ১৯ মাসে পাকিস্তানের মাটিতে ১৭ জন ভারত-বিরোধী সন্ত্রাসবাদী নেতা খুন হয়েছে। সপ্তাহ দুয়েক আগে, গত ১১ অক্টোবর, শিয়ালকোটে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মহম্মদের শীর্ষ নেতা তথা পাঠানকোট বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হওয়া জঙ্গি হামলার মাস্টারমাইন্ড শাহিদ লতিফকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে খতম করে দুই অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ী। তার আগে, অক্টোবরেই মুম্বই হামলার মূল চক্রী হাফিজ সইদের অন্যতম সহযোগী মুফতি কায়সর ফারুককে খুন করা হয়েছিল পাকিস্তানে। করাচিতে এক অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ী ওই জঙ্গিকে গুলি করে হত্যা করে। 

    গত মাসে, জঙ্গি মহম্মদ রিয়াজকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদ থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরে রাওয়ালকোটের একটি মসজিদে খুন করে অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীরা। আবু কাসিম কাশ্মীরি নামেও পরিচিত ছিল মহম্মদ রিয়াজ। ১২ সেপ্টেম্বর করাচিতে খুন হয় মৌলানা জিয়াউর রহমান। লস্কর-ই-তৈবার এই জঙ্গির বিরুদ্ধে ভারতে একাধিক হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে। এর আগে পাক মাটিতে খুন হয় মিস্ত্রি জহুর ইব্রাহিম। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তার মাথায় দু’বার গুলি করে আততায়ী। ভারতের আইসি-৮১৪ বিমান হাইজ্যাকিংয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল কুখ্যাত এই জঙ্গিনেতা।

    তার আগে, গত ২০ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে আইএসআই সদর দফতরের সামনেই অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীর গুলিতে হিজবুল মুজাহিদিনের কমান্ডার বশির পীর নিহত হয় (Terrorist Killed in Pakistan)। গত বছর তাকে সন্ত্রাসবিরোধী ঘোষণা করেছিল ভারত। এর ঠিক ২ দিন পর, ২২ ফেব্রুয়ারি ইজাজ আহমেদ আহঙ্গার নামে এক জঙ্গিকে আফগানিস্তানের কাবুলে খতম করা হয়। ইজাজ ভারতে ইসলামিক স্টেট-এর শাখা চালু করতে চাইছিল। এর কিছুদিন পর আল বদর জঙ্গিগোষ্ঠীর কমান্ডার সৈয়দ খালিদ রাজাকে পাকিস্তানের করাচিতে তার বাড়ির বাইরে গুলি করে হত্যা করে এক অজ্ঞাপরিচয় আততায়ী। পরের মাসে ভারতের ওয়ান্টেডের তালিকায় থাকা সৈয়দ নূর শালোবারকে খুন করা হয়। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকায় অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা তাকে গুলি করে খুন করে। এই তালিকাতেই নবতম সংযোজন জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-জব্বরের প্রতিষ্ঠাতা দাউদ মালিক (Dawood Malik)। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Railway Board DA Hike: দশেরাতেই দীপাবলি উপহার! ৪ শতাংশ ডিএ বাড়াল রেল, কর্মীদের মুখে হাসি

    Railway Board DA Hike: দশেরাতেই দীপাবলি উপহার! ৪ শতাংশ ডিএ বাড়াল রেল, কর্মীদের মুখে হাসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশেরাতেই দীপাবলির উপহার পেলেন রেলকর্মীরা! দশেরা ও দীপাবলি উপলক্ষে কর্মচারীদের জন্য সুখবর আনল ভারতীয় রেল। লক্ষাধিক কর্মচারীকে অতিরিক্ত ৪ শতাংশ মহার্ঘভাতা বৃদ্ধি (Railway Board DA Hike) ঘোষণা করেছে ভারতীয় রেল বোর্ড। এই ঘোষণার ফলে, রেল কর্মচারীদের ডিএ বর্তমানের ৪২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৬ শতাংশ হল। রেল বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন হার ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। 

    ডিএ বৃদ্ধিতে খুশি কর্মচারীরা

    এই প্রেক্ষিতে অল ইন্ডিয়া রেলওয়েমেন’স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শিব গোপাল মিশ্র জানান, জুলাই থেকে কর্মচারীদের ডিএ বৃদ্ধি আটকে ছিল। এমতাবস্থায় এটা পাওয়া ছিল কর্মচারীদের অধিকার। অবশেষে সেই কর্মচারীরা তাঁদের অধিকার পাচ্ছেন। এদিকে, রেল বোর্ডের এই ঘোষণাকে (Railway Board DA Hike) স্বাগত জানিয়েছে রেলের কর্মচারী ইউনিয়নগুলি। ন্যাশনাল ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান রেলওয়েম্যানের সাধারণ সম্পাদক এম রাঘভাইয়া জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র মুদ্রাস্ফীতির হারের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। মুদ্রাস্ফীতির কোনও প্রভাব যাতে কর্মীদের ওপর না পড়ে তাই এই সিদ্ধান্ত।

    আরও পড়ুন: রেল দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক ১০ গুণ বাড়াল মোদি সরকার

    গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি কর্মীদেরও বোনাস

    এর আগে, রেলের নন-গ্যাজেটেড অফিসার বা গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি স্তরের কর্মীদের জন্য দীপাবলি বোনাসের ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে ১১ লাখের বেশি রেলওয়ে কর্মী ৭৮ দিনের অতিরিক্ত বেতন পাচ্ছেন। ষষ্ঠ বেতন কমিশনের ন্যূনতম বেতন বা বেসিক পে-র ওপর ভিত্তি করে এই বোনাস হিসেব করা হয়—যার ঊর্ধ্বসীমা ছিল ৭ হাজার টাকা। সেই হিসেব অনুযায়ী, ৭৮ দিনের হিসেবে এরফলে প্রায় ১৮ হাজার টাকা বোনাস (Railway Board DA Hike) পাবেন রেলওয়ে কর্মচারীরা। এই বোনাসের জন্য মোট ১৫ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share