Tag: joe biden

joe biden

  • PM Modi: “হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় জোর দিয়েছি”, বাংলাদেশ ইস্যুতে বাইডেনকে বলেন মোদি

    PM Modi: “হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় জোর দিয়েছি”, বাংলাদেশ ইস্যুতে বাইডেনকে বলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরে জোর দিয়েছি।” মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে আলোচনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) নিয়েও আলোচনা করেছি এবং দ্রুত স্বাভাবিকতা পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি।” এর পরেই তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরে।”

    মোদির শিরঃপীড়ার কারণ হিন্দু নিপীড়ন (PM Modi)

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে হিংসার আগুন জ্বলছে বাংলাদেশে। বেছে বেছে আক্রমণ করা হচ্ছে হিন্দুদের। ঘরবাড়ি জ্বালানোর পাশাপাশি করা হয় খুন। হিন্দু মহিলাদের জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া এবং ধর্ষণের অভিযোগও উঠেছে। জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করা হয় হিন্দু পদাধিকারিদের। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর হিংসা ওঠে চরমে। পড়শি দেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিরঃপীড়ার কারণ, তার আঁচ মিলেছিল ১৫ অগাস্ট, ৭৮তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে। এদিন দিল্লির লালকেল্লায় দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “১৪০ কোটি ভারতীয় হিন্দু বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। ভারত সর্বদাই বাংলাদেশের শুভাকাঙ্খী। ভারত বাংলাদেশের অগ্রগতি চায়। আমরা আশা রাখি, বাংলাদেশের পরিস্থিতি শীঘ্রই স্বাভাবিক হবে। ভারতীয়রা চায়, বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সমস্ত সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হোক।”

    আরও পড়ুন: ভারত-বিরোধী জঙ্গি জসিমউদ্দিনকে মুক্ত করল বাংলাদেশ সরকার

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    বাইডেনকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত সব সময় শান্তি বজায় রাখার পক্ষে। আমেরিকা ও ভারত দুই দেশই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।” ইউক্রেন ইস্যুতেও কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ইউক্রেনের পরিস্থিতি-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে আমাদের বিশদ মত বিনিময় হয়েছে।” প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই ইউক্রেন সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি বৈঠক করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে। বর্তমান (Bangladesh Crisis) যুগে যুদ্ধে যে কোনও সুফল মেলে না, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamala Harris: প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার দৌড়ে আত্মবিশ্বাসী কমলা! উৎসবের প্রস্তুতি শুরু তামিলনাড়ুতে

    Kamala Harris: প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার দৌড়ে আত্মবিশ্বাসী কমলা! উৎসবের প্রস্তুতি শুরু তামিলনাড়ুতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চড়ছিল উত্তেজনা। কে হতে চলেছেন ডেমোক্র্যাটদের তরফে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, রবিবার থেকেই এ সব নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড় থেকে জো বাইডেন সরে দাঁড়ানোয় ডেমোক্র্যাট শিবিরের নতুন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসাবে তিনি প্রস্তাব করেছেন বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris) নাম। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী (Us President Candidate) হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সমর্থন অর্জন করে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে বলেন, ”আমাদের দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সমর্থন অর্জন করতে পেরে আমি গর্বিত।” 

    কমলা হ্যারিসের প্রতিশ্রুতি (Kamala Harris) 

    কমলা হ্যারিসের নাম দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনায় উঠে আসছিল। অবশেষে এই নিয়ে মুখ খুললেন এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন রাজনীতিবিদ। তাঁর প্রতিশ্রুতি, ”আগামী কয়েকমাসের মধ্যে আমেরিকার বিভিন্ন শহরে পৌঁছে যাব। সকলের সঙ্গে কথা বলব। দল এবং দেশকে এককাট্টা করতে উদ্যোগ নেব। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করবই।” 

    আরও পড়ুন: প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের রফতানি ছাড়াল ২০০ বিলিয়ন! ৮০০ বিলিয়ন বার্ষিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে আত্মবিশ্বাসী সরকার

    কমলার জন্য তামিলনাড়ুতে শুরু উৎসব 

    যদিও দলের তরফে এখনও পর্যন্ত সিলমোহর পড়েনি, তবে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলার (Kamala Harris) ‘দেশের বাড়ি’ তামিলনাড়ুর তুলাসেন্দ্রপুরমে বাঁধ ভাঙতে শুরু করেছে উচ্ছ্বাস। বাইডেনের সরে দাঁড়ানো ও কমলার নাম প্রস্তাব হতেই ওয়াশিংটন থেকে প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরের এই প্রত্যন্ত গ্রাম কোমর বাঁধছে আসন্ন ‘উৎসবের’ জন্য। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, যদি কমলা নির্বাচনে জিতে যান এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট (Us President Candidate) হন, তা হলে আরও বড় করে উদ্‌যাপন করা হবে। 
    উল্লেখ্য, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলার দাদুর জন্ম এই গ্রামে। কমলার (Kamala Harris) যখন পাঁচ বছর বয়স, তখন এক বার এই গ্রামে এসেছিলেন তিনি। দাদুর হাত ধরে ঘুরেছেন চেন্নাইয়ের সমুদ্র সৈকতেও। যদিও আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি আর এই গ্রামে পা রাখেননি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • US Presidential Election: প্রেসিডেন্ট পদের দৌড় থেকে সরলেন বাইডেন, পরবর্তী প্রার্থী কি কমলা?

    US Presidential Election: প্রেসিডেন্ট পদের দৌড় থেকে সরলেন বাইডেন, পরবর্তী প্রার্থী কি কমলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের (US Presidential Election) দৌড় থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন জো বাইডেন (Joe Biden)। মাত্র চার মাস পরেই নির্বাচন আমেরিকায়। ডেমোক্র্যাট দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ছিলেন বাইডেন। নভেম্বরের নির্বাচনে তাঁরই লড়ার কথা ছিল রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। তবে তার আগেই  রবিবার সমাজ মাধ্যমে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দেশ ও দলের স্বার্থে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত বলে জানান বাইডেন। একই সঙ্গে সমাজ মাধ্যমে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে কাজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নিয়েছেন বাইডেন। যা থেকে বাইডেনের ইঙ্গিত স্পষ্ট, নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের নতুন পদপ্রার্থী হিসেবে কমলা হ্যারিসকেই তাঁর পছন্দ। 

    বাইডেনের বার্তা (Joe Biden)

    নিজের এক্স হ্যান্ডলে বাইডেন (Joe Biden) লিখেছেন, “দেশের স্বার্থে এবং দলের স্বার্থে আমার সরে দাঁড়ানো প্রয়োজন। আমার মেয়াদের বাকি সময়টুকু একনিষ্ঠ ভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করে যেতে চাই।” এর পাশাপাশি ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা এবং তাঁর সঙ্গে কাজ করা সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাইডেন। আগামী সপ্তাহে দেশবাসীকে বিস্তারিত ভাবে তাঁর এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন বাইডেন। ৮১ বছর বয়সি বাইডেনের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ছিলই। তা সত্ত্বেও এবারে তাঁকেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী করা হয়েছিল। তবে কিছু দিন আগে আমেরিকার প্রেসিডেন্সিয়াল (US Presidential Election) বিতর্কে অংশ নেওয়ার পরেই তাঁকে প্রার্থিপদ থেকে সরানোর দাবি জোরালো হয়। ওই বিতর্কসভায় বাইডেনের আচরণ অসংলগ্ন ছিল বলে দাবি।

    কমলার কথা (Kamala Harris)

    প্রেসিডেন্ট হিসাবে (US President Election) তাঁর নাম সামনে আনায় বাইডেনের (Joe Biden) প্রশংসা করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিস (Kamala Harris)। হ্যারিস জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন রয়েছে। সেই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন পেলে জিততে বদ্ধপরিকর তিনি। শুধু তাই নয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই’য়ের কথাও বলেন হ্যারিস। এই প্রসঙ্গে জো বাইডেনের অসাধারণ নেতৃত্বের প্রসঙ্গ তুলে প্রশংসাও করেন। বলেন, নতুন আমেরিকা তৈরি করতে বাইডেন যেভাবে কাজ করেছেন তা অবশ্যই প্রশংসনীয়। একই সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে আমেরিকার সেবা করা একটা বড় সম্মান বলেও উল্লেখ করেছেন কমলা। 

    পরবর্তী প্রার্থী (US Presidential Election) 

    বাইডেন (Joe Biden) ভাইস প্রেসিডেন্ট (US Presidential Election) কমলা হ্যারিসকে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য উপযুক্ত বলে ইঙ্গিত দিলেও দলের তরফ থেকে এখনও কোনও ঘোষণা করা হয়নি। কমলা ছাড়াও দৌড়ে রয়েছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার স্ত্রী মিশেল ওবামা এবং ক্যালিফর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমও। তবে ডেমোক্র্যাটরা যদি কমলা হ্যারিসকে প্রেসিডেন্ট হিসাবে মনোনয়ন দেয় তাহলে দেশে তৈরি হবে নয়া ইতিহাস। প্রথমবার কোনও কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়বেন। শুধু তাই নয়, ভারতের সঙ্গেও তাঁর যোগ রয়েছে। তৎকালীন মাদ্রাজে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসের জন্ম। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যদি কমলা জয়ী হন, তবে ইতিহাস গড়বেন তিনি। আমেরিকার ইতিহাসে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট পদে বসতে পারেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Joe Biden: কোভিড আক্রান্ত জো বাইডেন, প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়া নিয়ে সংশয়

    Joe Biden: কোভিড আক্রান্ত জো বাইডেন, প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়া নিয়ে সংশয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কোভিড আক্রান্ত হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন । বুধবার তাঁর কোভিড ১৯ (Joe Biden Covid-19) রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে সূত্রের খবর। বর্তমানে তিনি সেলফ আইসোলেশনে আছেন। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়ে ডেলাওয়ারের বাড়িতে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনিতেই দীর্ঘ দিন ধরেই শারীরিকভাবে  অসুস্থ রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারে তাঁর শারীরিক অসুস্থতার লক্ষণ ধরা পড়েছে। কখনও তিনি (Joe Biden) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসাবে সম্মোধন করেছেন, কখনও কমলা হ্যারিসকে ট্রাম্প হিসাবে। তিনি নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন, ক্লান্তির জেরে বিকেলের পর চোখ খুলে রাখাও কষ্টসাধ্য হয়ে উঠছে। আর এই অসুস্থতাকেই হাতিয়ার করছে বিরোধীরা। এমনকী, ডেমোক্র্যাট দলের অন্দরেও বাইডেনকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী করা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, অগস্ট মাসের আগে বাইডেনকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের পদপ্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হবে না।

    অসুস্থতা দীর্ঘতর হলে নির্বাচনে লড়া নিয়ে সংশয় (Joe Biden Covid-19)

    প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে অসুস্থতা দীর্ঘতর হলে আদৌ নির্বাচনে লড়তে পারবে কিনা? তাঁর বয়স ৮১ বছর। ফলে অসুস্থতা দীর্ঘস্থায়ী হলে তিনি যদি নির্বাচনে না লড়তে পারেন, সে ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটারদের অসুবিধে হতে পারে। বুধবার লাস ভেগাসে নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানেই তাঁর অসুস্থতা বোধ হওয়ায় করোনা পরীক্ষা করা হয় এবং ৮১ বছরের মার্কিন প্রেসিডেন্টের (Joe Biden) রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এর পর তাঁর সমস্ত প্রচার কর্মসূচি বাতিল ঘোষণা করা হয়। আপাতদৃষ্টিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অসুস্থতা (Joe Biden Covid-19) খুব গুরুতর না হলেও, তাঁর বয়স বেশি হওয়ায় চিন্তার কারণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    আরও পড়ুন: হিন্দু স্ত্রীই অনুপ্রেরণা, স্বীকারোক্তি মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের চিকিৎসক কেভিন ও’কনার জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের গলায় সংক্রমণ সর্দি কাশির মত কিছু সমস্যা ছিল। কোভিড নাইন্টিন পরীক্ষা করার পর তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসায় এন্টিবায়োটিক ডোজের উপর রাখা হয়েছে।  

    আইসোলেশনে আছেন জো বাইডেন (Joe Biden)

    আমেরিকার প্রেস সচিব কেরিন জঁ পিয়েরি জানিয়েছেন, বাইডেনকে (Joe Biden) ডেলায়েরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে কিছুদিন তাঁকে আইসোলেশনে রাখা হবে। গুরুতর অসুস্থতা বোধ হলে তবে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। আপাতত বাড়ি থেকেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে যাবতীয় দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করবেন তিনি। আগামী নভেম্বরেই আমেরিকায় নির্বাচন। তাঁরই প্রচারে গত বুধবার দুপুরে হিসপ্যানিক ভোটারদের সামনে বক্তৃতার উদ্দেশে লাস ভেগাস যাচ্ছিলেন বাইডেন। এমনকি, স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় ঢুকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগও সারেন তিনি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Joe Biden: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘পুতিন’, কমলা হলেন ‘ট্রাম্প’! কী বললেন বাইডেন?

    Joe Biden: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘পুতিন’, কমলা হলেন ‘ট্রাম্প’! কী বললেন বাইডেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার বক্তব্য-বিভ্রাট বাইডেনের (Joe Biden)। ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ‘পুতিন’ বলে ডাকলেন। আবার কথায় কথায় কমলা হ্যারিসের কথা বলতে গিয়ে নিজের ভাইস প্রেসিডেন্টকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বানিয়ে দিলেন। স্বভাবতই মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President) বাইডেনের শারীরিক সক্ষমতা, বয়স নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

    জেলেনস্কি হলেন ‘পুতিন’

    আমেরিকায় নেটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে বৈঠক চলছে। বৃহস্পতিবার সেই বৈঠকেই বক্তব্য রাখতে ওঠেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট (US President) জো বাইডেন (Joe Biden)। তাঁর পরের বক্তা ছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। বাইডেনকে বলতে শোনা যায়, “আমি এ বার মঞ্চ ছেড়ে দিতে চাই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে। যাঁর আছে সাহস, আছে কিছু করে দেখানোর ইচ্ছা। আমি প্রেসিডেন্ট পুতিনকে স্বাগত জানাচ্ছি।” নেটোর বৈঠকে পুতিন এলেন কোথা থেকে, তা ভেবেই হতচকিত হয়ে যায় বৈঠকে উপস্থিত অতিথিরা। অপ্রস্তুত দেখায় জেলেনস্কিকেও। ভুল হয়েছে বুঝতে পেরে তা সংশোধন করে নেন বাইডেনও। বলেন, “জেলেনস্কি পুতিনকে হারাবেন।”

    হ্যারিস হলেন ‘ট্রাম্প’

    শুধু একবারই নয়, বাইডেন (Joe Biden) আরও একবার মুখ ফস্কান। ওই বৈঠকেই। তিনি বলেন, “দেখুন, আমি ট্রাম্পকে ভাইস প্রেসিডেন্ট করতামই না, যদি তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য না হতেন।” বাইডেন যখন এই মন্তব্য করছেন, তখন দর্শকাসনে বসে আমেরিকার শীর্ষ পদাধিকারীরা। অনেকেই মনে করছেন, দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে গুলিয়েছেন বাইডেন।

    আরও পড়ুন: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    পরপর ভুল বাইডেনের (Joe Biden)

    প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ‘ভুল’ করেছেন জো বাইডেন (Joe Biden)। সাক্ষাৎকার থেকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডিবেটে জড়িয়েছে তাঁর কথা। এরই মাঝে কয়েকদিন আগেই এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, গত জানুয়ারি মাসে হোয়াই হাউজে এসেছিলেন পার্কিনসন রোগ বিশেষজ্ঞ। এই আবহে বাইডেনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আরও জল্পনা বেড়েছে। এরই মাঝে এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ‘হোঁচট’ খেলেন বাইডেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনের প্রচারে দাঁড়িয়ে বাইডেন বলেন, ‘২০২০ সালে ট্রাম্পকে আবারও হারাব’। আর তাঁর সেই মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া কথা নিয়ে তোলপাড় নেটপাড়া। বাইডেনের পরপর ‘হোঁচট’ দেখে ইতিমধ্যেই ডেমোক্র্যাটদের প্রার্থী বদলের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে নিজের অবস্থানে অনড় থেকেছেন বাইডেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: উষ্ণ আলিঙ্গন বাইডেনকে, খালিস্তানি সমস্যার মধ্যেও ট্রুডোর হাতে হাত রেখে সৌজন্য মোদির

    PM Modi: উষ্ণ আলিঙ্গন বাইডেনকে, খালিস্তানি সমস্যার মধ্যেও ট্রুডোর হাতে হাত রেখে সৌজন্য মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনের পর ফের মুখোমুখি মোদি-ট্রুডো। খলিস্তানি ইস্যুতে সংঘাতের মধ্যেই কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে দেখা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। তাঁদের মধ্যে কী কথা হয়েছে, তা নিয়ে আপাতত বিদেশ মন্ত্রকের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ইটালিতে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে (G7 Summit) যোগ দিয়েছেন মোদি। এখানেই সকলের সঙ্গে খোশ মেজাজে ধরা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। পোপ ফ্রান্সিস থেকে শুরু করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মতো অনেক রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। 

    ট্রুডো -মোদি সাক্ষাত

    তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আসনে বসার পর এটাই মোদির প্রথম বিদেশ সফর। ইটালির প্রধানমন্ত্রীর জর্জিয়া মেলোনির আমন্ত্রণে বিশেষ অতিথি হিসাবে ৫০তম জি-৭ সামিটে যোগ দিয়েছেন তিনি। এই সম্মেলনের ফাঁকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর হাতে হাত রেখে কথা বলতে দেখা গেল মোদিকে। তবে তার মধ্যে ছিল শীতলতার ছোঁয়া। অন্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত রসায়ন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন মোদি। কিন্তু ট্রুডোর ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শুধু লেখেন, ‘জি৭ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে দেখা হল।’  

    খালিস্তানি ইস্যু নিয়ে বিরোধ

    কানাডার সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক বিরোধ গত বছরের মাঝামাঝি সময় তীব্র হয়েছে। কানাডার বাসিন্দা খালিস্তানপন্থী হরদীপ সিং গুজ্জরের হত্যাকাণ্ড নিয়ে ভারতের দিকে আঙুল তোলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী। দেশের সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি অভিযোগ করেন, নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় এজেন্টরা যুক্ত। ট্রুডোর এই মন্তব্যের পর দুই দেশই কূটনৈতিক সম্পর্কে রাশ টানে। কানাডা কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় ভারতীয় কূটনীতিককে দেশ থেকে বের করে দেয়। ভারতও নয়াদিল্লিতে অবস্থিত কানাডার দূতাবাসের ৪০ জন অফিসারকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করে। দুই দেশই ভিসা প্রদান বন্ধ করে দিলেও পরে তা চালু হয়। নয়াদিল্লির অভিযোগ, কানাডার মাটি ভারত বিরোধী শক্তি ব্যবহার করছে। বিশেষ করে পাঞ্জাবের খলিস্থানপন্থীরা ওই দেশকে আশ্রয় করে গোটা বিশ্বে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। তথ্যপ্রমাণ-সহ বলা সত্ত্বেও ট্রুডো সরকার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। 

    মোদি-বাইডেন সাক্ষাৎ

    জি-৭ সম্মেলনের (G7 Summit) মাঝেই শুক্রবার বাইডেনের সঙ্গে দেখা করেন মোদি (PM Modi)। দীর্ঘদিন পর বন্ধুকে দেখে জড়িয়ে ধরেন তিনি। এর পর বৈঠকে বসেন দুজনে। যা নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ সবসময়ই খুব আনন্দের। আগামী দিনে দুদেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করতে ও বিশ্বের উন্নতি সাধনে আমরা একযোগে কাজ করব।’ প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে হাসিমুখে দেখা যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনকেও।

    প্রযুক্তিকে সৃজনশীল করার আহ্বান

    এদিন  জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের একটি অধিবেশনে সারা বিশ্বের  প্রযুক্তি ক্ষেত্রে একচেটিয়া আধিপত্যের অবসানের কথা বলেন মোদি। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের ভিত্তি স্থাপনের জন্য প্রযুক্তিকে সৃজনশীল করার আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপরও বিশেষ জোর দেন। মোদি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়ে জাতীয় কৌশল তৈরি করা প্রথম কয়েকটি দেশের মধ্যে ভারত রয়েছে। শনিবারই দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত জেনোফোবিক (যারা বিদেশিদের ভয় পায়)। কারণ তারা অভিবাসীদের স্বাগত জানায় না।” দিন কয়েক আগে একথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জন্যই খোলা রয়েছে ভারতের দ্বার।”

    জয়শঙ্করের জবাব (S Jaishankar)

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট এও বলেছিলেন, “ভারতের অর্থনীতির ভিত নড়বড়ে। খুব ভালো করছে না। যদিও মার্কিন অর্থনীতির নিত্য শ্রীবৃদ্ধি হচ্ছে।” এরও উত্তর দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “প্রথমত, আমাদের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হচ্ছে না। ভারত সব সময়ই একটি অনন্য দেশ। তার আতিথেয়তার জন্য পরিচিত। বিশ্বের ইতিহাসে ভারতই এমন একটি দেশ, যা সর্বদা অভিবাসীদের সাহায্য করেছে। বিভিন্ন সমাজের মানুষ ভারতে আসেন।” ভারত যে বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান দেশ, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে ভারতের অর্থনীতি দ্রুত বর্ধনশীল। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের ঠাঁই হয়েছে পঞ্চম স্থানে। এই দশকের শেষের মধ্যেই ভারত উঠে আসবে এই তালিকার তিন নম্বরে।”

    কী বলেছিলেন বাইডেন?

    ২ মে এক নির্বাচনী জনসভায় আমেরিকার অর্থনৈতিক বিকাশ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বাইডেন বলেছিলেন, “আমাদের অর্থনীতির বিকাশের অন্যতম কারণ হলেন আপনারা এবং আরও অনেকে। কেন? কারণ আমরা বিদেশিদের স্বাগত জানাই। আমরা এটা নিয়ে ভাবি। কিন্ত চিনের অর্থনীতি কেন এভাবে থমকে গেল? কেন জাপান সমস্যার মুখে পড়ছে? কেন রাশিয়া? কেন ভারত? কারণ তারা জেনোফোবিক। তারা বিদেশিদের চায় না।”

    আরও পড়ুুন: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সপাটে এরই উত্তর দিয়েছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “তামাম বিশ্বে ভারতীয় সমাজ এমন একটি সমাজ, যেটা ভীষণ মুক্তমনা। ভিন্ন ভিন্ন সমাজ থেকে মানুষ ভারতে আসেন।” সিএএ-র প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “এই আইনের মাধ্যমে পাকিস্তান, আফগানিস্তান কিংবা বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ এবং পারসিদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।” বিদেশিদের এ দেশে স্বাগত জানাতেই যে এহেন বড় পদক্ষেপ, তাও মনে করিয়ে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Israel Iran Conflict: ইজরায়েলে ব্যর্থ ইরান, ড্রোন হামলা রুখল আমেরিকা, কাঁধ মেলাল ব্রিটেনও

    Israel Iran Conflict: ইজরায়েলে ব্যর্থ ইরান, ড্রোন হামলা রুখল আমেরিকা, কাঁধ মেলাল ব্রিটেনও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা দিয়েছিল আগেই। সেই মতো ইজরায়েলের পাশে দাঁড়াল আমেরিকা। ইরান থেকে ছোড়া প্রায় সব ড্রোনই গুলি করে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Israel Iran Conflict)। বাইডেন জানান, আমেরিকার সাহায্যে ইরানের ড্রোন হামলার মোকাবিলায় সফল হয়েছে তেল আভিভ (ইজরায়েলের রাজধানী)।

    ইরানিয়ান ড্রোন ধ্বংস (Israel Iran Conflict)

    রবিবার ইজরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ২০০টি ড্রোন দিয়ে মিসাইল হামলা চালায় ইরান। ইরানিয়ান ড্রোনগুলি ধ্বংস করতে গুলি ছোড়ে মার্কিন সেনা। ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে ব্রিটেনও। তেল আভিভকে সাহায্য করেছে তারাও। প্রত্যাশিতভাবেই ব্যর্থ হয়েছে ইহুদি রাষ্ট্র ইজরায়েলে ইসলামি রাষ্ট্র ইরানের হামলার পরিকল্পনা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জারি করা এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, “ইজরায়েলের বাহিনীকে সাহায্য করতে আমার নির্দেশে আমেরিকার সেনা গত সপ্তাহেই ওই এলাকায় একাধিক যুদ্ধ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী বিমান পাঠিয়েছে। এই অত্যাধুনিক বিমান ও আমাদের সেনাবাহিনীর অসাধারণ দক্ষতায় আমরা ইরানের ছোড়া প্রায় সব ক’টি ড্রোন ও মিসাইল ধ্বংস করতে ইজরায়েলকে সাহায্য করতে পেরেছি।”

    নেতানিয়াহুকে ফোন বাইডেনের

    ইরানের (Israel Iran Conflict) হামলার পরেই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন বাইডেন। প্রতিশ্রুতি দেন পাশে থাকার। ইরানের হামলা প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু বলেন, “আমাদের ওপর যারা হামলা চালাবে, আমরাও তাদের ওপর হামলা করব। যে কোনওরকম হুমকির বিরুদ্ধে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াব। এটাই ইজরায়েলের নীতি।” এদিকে, ইরান-ইজারায়েলের আকাশে যুদ্ধের মেঘ ঘনাতেই উদ্বেগে ভারত। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ইরান-ইজরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। ভারতীয়েদর অযথা উদ্বিগ্ন না হতে ও সুরক্ষা প্রোটোকল অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমরা অবিলম্বে শান্তি ফেরানো ও হিংসা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। দুই দেশকেই কূটনীতির পথে ফিরতে বলা হচ্ছে। ওখানে আমাদের দূতাবাস ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। ওখানে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় থাকা অত্যন্ত জরুরি। আমরা পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছি।” প্রসঙ্গত, ইরান-ইজরায়েলের এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ক্রমেই বাড়ছে অপরিশোধিত জ্বালানির দাম। জ্বালানির সঙ্কটও দেখা দিতে পারে মধ্য প্রাচ্যে (Israel Iran Conflict)।

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেস দুর্নীতির আখড়া, ওদের অবস্থা বিগবসের মতো”, তোপ রাজনাথের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Joe Biden: হোলির রঙিন শুভেচ্ছা বাইডেনের, টাইমস স্কোয়্যারও মাতল রঙের উৎসবে

    Joe Biden: হোলির রঙিন শুভেচ্ছা বাইডেনের, টাইমস স্কোয়্যারও মাতল রঙের উৎসবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোলি উপলক্ষে রঙিন শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। এক্স হ্যান্ডেলে এই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, “আজ, বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ রঙের উৎসবে মাতবেন।

    বাইডেন-বার্তা (Joe Biden)

    এই উৎসব ঘোষণা করে বসন্তের আগমনী বার্তা। আবির ও ভাইব্রান্ট রঙের উৎসব এটি। যাঁরা আজকের রঙের উৎসবে মেতেছেন জিল এবং আমি তাঁদের শুভেচ্ছা জানাই।” হোলির শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্যানার টাঙানো হয়েছে নিউ ইয়র্ক শহরের (Joe Biden) টাইমস স্কোয়্যারে। ভারতীয় দূতাবাসের তরফে ওই ব্যানার টাঙানো হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে লেখা হয়েছে, “নিউ ইয়র্ক শহরের হৃদয় থেকে প্রত্যেককে রঙিন ও আনন্দময় হোলির শুভেচ্ছা জানাই। রঙের এই উৎসব আপনার জীবনে সুখ, ভালোবাসা এবং শান্তি আনুক।”

    হোলির শুভেচ্ছা গারসেট্টিরও

    ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেট্টিও হোলির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ভিডিও-বার্তায় তিনি বলেছেন, “আমি প্রত্যেককে হোলির শুভেচ্ছা জানাই। আমাদেরও বিস্ময়কর গুজিয়া রয়েছে। তাতে রয়েছে মার্কিন মোচড়। খেলা হয় গোলাপ জলে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে হোলি উৎসব পালনের সমতুল আর কিছুই নেই।”

    রঙিন টাইমস স্কোয়্যারও

    হোলি উপলক্ষে নিউ ইয়র্ক শহরের বিখ্যাত টাইমস স্কোয়্যার সাজানো হয়েছিল রঙিন আলোয়। হোলির শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্যানারে ব্যানারে ছয়লাপ করা হয়েছিল টাইমস স্কোয়্যার। আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। তাতে ডু-পন্ট সার্কেলের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে লোকজন মেতেছেন রঙের উৎসব। নাচছেন, গাইছেন, নানা রঙে রঙিন হচ্ছেন, রাঙিয়ে দিচ্ছেন একে অন্যকে (Joe Biden)।

    আরও পড়ুুন: “আমেঠির মতো রাহুলের পরিণতি হবে এখানেও”, বললেন ওয়েনাড়ের বিজেপি প্রার্থী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • US Airstrike: জঙ্গি হামলায় ৩ মার্কিন সেনার মৃত্যু, ইরাক-সিরিয়ার ৮৫ ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত আমেরিকার

    US Airstrike: জঙ্গি হামলায় ৩ মার্কিন সেনার মৃত্যু, ইরাক-সিরিয়ার ৮৫ ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরাক এবং সিরিয়ার ৮৫টি স্থানে এয়ারস্ট্রাইক (US Airstrike) চালাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই জর্ডনে জঙ্গি হামলায় তিন মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়। তার প্রত্যাঘাত ছিল এদিনের এয়ারস্ট্রাইক।

    গতকালই মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘‘যদি তোমরা আমেরিকার ক্ষতি করো, তাহলে তার ফল ভুগতে হবে।’’ এরপরেই প্রত্যাঘাতের খবর প্রকাশ্যে আসে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই এয়ারস্ট্রাইকের নিন্দা জানিয়েছে ইরাক। তাদের মতে, ‘‘এটি হল সার্বভৌমত্বের উপর হামলা।’’ জানা গিয়েছে, ইরাক সীমান্তে গজিয়ে ওঠা ইরান সমর্থিত সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দিতে এই এয়ারস্ট্রাইকে (US Airstrike) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যবহার করে বি-ওয়ান বোমারু বিমান।

    মার্কিন সেনা কী জানাল?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনার তরফ থেকে বিবৃতি সামনে এসেছে। সেখানে তারা জানিয়েছে, ইরাক ও সিরিয়ায় অবস্থিত ইরানের ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ড কোর কুর্দ বাহিনী ও তার সহযোগীদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে এয়ারস্ট্রাইক (US Airstrike) চালানো হয়েছে। জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রিত হত এবং মিসাইল, রকেট সমেত অস্ত্রসামগ্রী মজুদ রাখা হত এমন ৮৫টি ঘাঁটিতে এই হামলা হয়েছে। যার মধ্যে সিরিয়ার চারটি স্থানে বেছে নেওয়া হয়েছিল এবং ইরাকের তিনটি স্থান অর্থাৎ মোট সাতটি অঞ্চলে এই এয়ারস্ট্রাইক চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও চলবে এমন এয়ার স্ট্রাইক

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডগলাস সিম জানিয়েছেন যে, এই এয়ারস্ট্রাইক সফল হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি এই এয়ার স্ট্রাইকের ফলে ঠিক কতজন জঙ্গি মারা গিয়েছে। অন্যদিকে, সিরিয়ার সংবাদ মাধ্যমগুলির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করেছে এবং তারা জানিয়েছে যে, মরুভূমি অঞ্চলে (US Airstrike) ইরাক-সিরিয়ার বর্ডারে অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মার্কিন হামলায়। পেন্টাগনের তরফ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে তাতে জানানো হয়েছে যে, ইরাকের সঙ্গে আমেরিকা যুদ্ধ চায় না, তবে আগামী দিনে জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে এই ধরনের এয়ারস্ট্রাইক আরও চলবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share