Tag: joe biden

joe biden

  • International Relations: মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের মধ্যেই বাইডেন-শি জিনপিং বৈঠক, লক্ষ্য সম্পর্কের স্থিতিশীলতা?

    International Relations: মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের মধ্যেই বাইডেন-শি জিনপিং বৈঠক, লক্ষ্য সম্পর্কের স্থিতিশীলতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন এবং চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং মধ্যপ্রাচ্যে সংকট এবং তাইওয়ানের উত্তেজনার মধ্যেই সান ফ্রান্সিসকোতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে চলেছেন। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে (International Relation) স্থিতিশীল করার বিষয় প্রাধান্য পাবে। সেই সঙ্গে ইজারায়েল-হামাস যুদ্ধকে প্রশমিত করার বিষয়ও আলোচানা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

    মার্কিন-চিনের সম্পর্কের স্থিতিশীলতা (International Relation)

    ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে এটাও অনুমান করা হচ্ছে যে হামাসে বনাম ইজরায়েল যুদ্ধের বিষয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে। উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইজরায়েলকে সমর্থন করেছে। আবার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে তাইওয়ানের সীমান্ত রেখায় চিনের গতিবিধি প্রবল হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্নায়ু যুদ্ধ ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি করেছে। তাই মার্কিন-চিনের বৈঠক কী বার্তা দেয় সেই দিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) শীর্ষ সম্মেলনের আগে এই বছর দুই নেতার সাক্ষাৎ হয়েছিল। এরপর ইন্দনেশিয়ার বালিতে জি-২০ সস্মলনে এই দুই রাষ্ট্র প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। বিগত মাসগুলিতে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন এবং মার্কিন অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন বেজিংয়ে গিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল চিনের সঙ্গে সংবাদের মাধ্যমে দুই দেশের উত্তেজনাকে (International Relation) প্রশমিত করা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চাইবে চিনের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর যৌথ সম্পর্কের অস্থিরতার দ্বন্দ্ব যেন ক্রমশ কেটে যায়। 

    আর্থিক সম্পর্কের গতি বাড়বে

    বেজিং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের স্থিতিশীলতা (International Relation) চায়, কারণ মার্কিন বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসাকে চিনে আকৃষ্ট করতে আগ্রহী। দুই দেশের উত্তেজনা সত্ত্বেও, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৭৮৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ২০২২ সাল পর্যন্ত, চিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এফডিআই ছিল ১২৬.১ বিলিয়ন ডলার, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিনা বিনিয়োগ ছিল ২৬.৮৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র চিনকে আশ্বস্ত করেছে যে আমেরিকা তার জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা করতে চায়। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ককে ছিন্ন করতে চায় না।

    মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট কী কাটবে?

    মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কটকে কাটাতে বাইডেন কি চিনের মধ্যস্থতা চাইবেন ইরানকে বোঝাতে? কারণ ইজরায়েল-হামাসের যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পুরোপুরি উল্টো অবস্থানে মত পোষণ করে ইরান। সম্প্রতি চিনের সঙ্গে ইরানের বাণিজ্যিক সম্পর্ক (International Relation) অনেকটাই ভালো বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে এই মধ্য প্রাচ্যের সঙ্কটকে মোচন করতে বাইডেন-শি জিনপিং-এর বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ওয়াকিবহলের একাংশ।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Israel-Hamas War: গাজার দখল নিল ইহুদি সেনা, ১৬ বছর পর ক্ষমতাচ্যুত হামাস, দাবি নেতানিয়াহুর মন্ত্রীর

    Israel-Hamas War: গাজার দখল নিল ইহুদি সেনা, ১৬ বছর পর ক্ষমতাচ্যুত হামাস, দাবি নেতানিয়াহুর মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজার দখল নিল ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। অন্তত এমনটাই দাবি নেতানিয়াহু সরকারের। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জোয়াভ গ্যালান্ট জানিয়েছেন, ১৬ বছর ধরে যে হামাস (Israel-Hamas War) জঙ্গিরা গাজা শহরকে দখল করে রেখেছিল, তাদেরকে ক্ষমতারচ্যুত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে ইজরায়েলের সেনাবাহিনীর দাপটে হামাস জঙ্গিরা গাজার দক্ষিণ দিক দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। হামাসের সমস্ত জঙ্গি ঘাঁটিগুলিকে বর্তমানে দখল নিচ্ছে ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। জানা গিয়েছে, গাজা দখলের পরে আপাতত ইজরায়েলের সেনাবাহিনীর লক্ষ্য হল, হামাস জঙ্গিদের হাতে পণবন্দী থাকা ইজরায়েলের নাগরিকদের দ্রুত মুক্ত করা। কীভাবে পণবন্দীদের মুক্ত করা যায় তারই পরিকল্পনায় ব্যস্ত রয়েছে নেতানিয়াহুর সরকার।

    কী বলছেন হামাসের মুখপাত্র?

    অন্যদিকে, ইজরায়েল এবং হামাসের (Israel-Hamas War) মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে কাতার। কাতারের প্রতিনিধির মাধ্যমেই এক পক্ষের বার্তা অন্য পক্ষে যাচ্ছে বলে খবর। ইজরায়েলের মারে বেসামাল হামাস এখন যুদ্ধ বিরতি চাইছে। হামাসের তরফে মুখপাত্র আবু ওবেদিয়া বলেন, ‘‘আমরা মধ্যস্থতাকারীকে (কাতার) জানিয়েছি যে, পাঁচ দিনের যুদ্ধবিরতি পেলে আমরা কিছু পণবন্দিকে মুক্তি দিতে রাজি। ওই পাঁচ দিনে আমরা আহতদের চিকিৎসা করব এবং ত্রাণ বিতরণ করব। কিন্তু শত্রুপক্ষ গড়িমসি করছে।’’ জানা গিয়েছে, ৫ দিনের যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা যদি ইজরায়েল করে সেক্ষেত্রে ৭০জন পণবন্দীকে ছাড়তে রাজি হয়েছে হামাস জঙ্গিরা (Israel-Hamas War)। অন্যদিকে, ইজরায়েল ১০০ জন পণবন্দীর মুক্তির দাবি জানিয়েছে। এখন দেখার যুদ্ধ পরিস্থিতি কোন দিকে যায়।

    উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি

    গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয় হামাস-ইজরায়েলের (Israel-Hamas War) যুদ্ধ। প্রথমেই ইজরায়েলের ওপরে পাঁচ হাজার রকেট হামলা চালায় হামাস জঙ্গিরা। ইহুদি ভূখণ্ডে ঢুকে অনেক নাগরিককে পণবন্দি করে নিয়ে যায় তারা। এরপরই পাল্টা প্রত্যাঘাত শুরু করে ইজরায়েল। মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন আর দুটো দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। হামাসের সমর্থনে এগিয়ে এসেছে ইরানপন্থী লেবাননের জঙ্গি গোষ্ঠী হিজবুল্লা। তারা রকেট হামলা চালায় ইজরায়েলে। পাল্টা প্রত্যাঘাত করে ইজরায়েলও। কয়েকদিন আগে সিরিয়াতে ইরানপন্থী অন্য একটি জঙ্গি সংগঠনের অস্ত্রঘাঁটিতে এয়ার স্ট্রাইক চালিয়েছে আমেরিকা। অভিযোগ ওই অস্ত্র সরবরাহ করা হতো হামাস জঙ্গিদের। বেশ উত্তপ্ত রয়েছে মধ্য প্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি। প্রসঙ্গত, যুদ্ধ শুরুর পরে ইজরায়েল সফর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel-Hamas War: ‘‘রাশিয়া ও হামাস দুই শক্তিই গণতন্ত্র বিরোধী’’, ইজরায়েল ঘুরে বললেন বাইডেন

    Israel-Hamas War: ‘‘রাশিয়া ও হামাস দুই শক্তিই গণতন্ত্র বিরোধী’’, ইজরায়েল ঘুরে বললেন বাইডেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামাস (Israel-Hamas War) এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে একই গোত্রে ফেললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মার্কিন দেশের রাষ্ট্রপতির মতে, ‘‘হামাস এবং পুতিন দুই শক্তিই গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে কাজ করে। তাই আমেরিকার কর্তব্য হল এই দুই শক্তিকে পরাস্ত করা।’’ প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই ইজরায়েল সফরে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মার্কিন নাগরিকদের উদ্দেশে এরপর ওভাল অফিস থেকে এক ভাষণও দিতে শোনা যায় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। সেখানেই তিনি মন্তব্য করেন, ‘‘ইউক্রেন এবং ইজরায়েলকে সাহায্য করাটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’’

    নিশানা রাশিয়া ও হামাসকে 

    বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘হামাস (Israel-Hamas War) এবং রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের হুমকির ধরনটা আলাদা, তবে তাদের উদ্দেশ্য এক। উভয়েই তাদের এক প্রতিবেশী রাষ্ট্রের গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করতে চায়। এক মহান দেশ হিসেবে আমাদের দায়িত্ব, হামাসের মতো সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী এবং পুতিনের মতো একনায়কদের জয়ী হতে না দেওয়া। আমরা তা হতে দেবও না। এই পথে আমরা ক্ষুদ্র পক্ষপাতমূলক রাজনীতিকে বাধা হতে দিতে পারি না।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘গোটা বিশ্ব আজকে ইজরায়েলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। আমেরিকা ও অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশগুলোর মতো একটা মূল্যবোধ ও আদর্শ রয়েছে ইজরায়েলের। আমরা কী করতে যাচ্ছি সেটা তারা দেখতে চাইছে।’’

    ইজরায়েলে বাইডেন

    প্রসঙ্গত, ইজরায়েল-হামাস (Israel-Hamas War) যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুর দেশে পৌঁছান জো বাইডেন। সেখানে ইহুদি দেশের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন তিনি। এর পাশাপাশি ইজরায়েলের হয়েও বিবৃতি দিতে শোনা যায় তাঁকে। গাজার হাসপাতালে বিস্ফোরণের ঘটনায় কড়া নিন্দাও করতে শোনা যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। তিনি বলেন, ‘‘গাজার হাসপাতালে যেভাবে বিস্ফোরণ হয়েছে তাতে একদিকে আমি শোকাহত এবং অন্যদিকে আমি ক্ষুদ্ধ। আমি নিশ্চিত ভাবে মনে করি এই কাজ ইজরায়েলের পক্ষ থেকে করা হয়নি। এর পিছনে অন্য কোন শক্তি রয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Republic Day Parade: আগামী বছরে প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি জো বাইডেন!

    Republic Day Parade: আগামী বছরে প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি জো বাইডেন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২০২৪ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day Parade) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার, এমনটাই জানা গিয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে কোনও বিবৃতি সামনে আসেনি। বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মুখে শোনা গিয়েছে এই খবরটি। প্রসঙ্গত, চলতি মাসেই ৯ এবং ১০ তারিখে দিল্লিতে বসেছিল জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গার্সেটি এই খবরটি জানিয়েছেন।

    ২০১৫ সালের প্রধান অতিথি ছিলেন বারাক ওবামা  

    তবে সম্প্রতিক অতীতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির হওয়াটা নতুন কিছু নয়। ২০১৫ সালে প্রথম কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রজাতন্ত্র দিবসের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। সে বছর হাজির (Republic Day Parade) ছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। আবার পরবর্তীকালে ২০১৮ সালে নয়া দিল্লিতে আমন্ত্রিত ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিন্তু নিজের দেশের কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় তিনি সে বছর উপস্থিত হতে পারেননি। তবে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মুখে একথা (Republic Day Parade) শোনা গেলেও হোয়াইট হাউসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি এখনও দেওয়া হয়নি।

    কোয়াডভুক্ত দেশগুলি আমন্ত্রিত থাকবে

    জানা গিয়েছে, প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day Parade) কোয়াডভুক্ত দেশগুলির সমস্ত নেতাদেরই আমন্ত্রণ জানাতে চলেছে নয়া দিল্লি। কোয়াডের মধ্যে থাকা দেশগুলি হল আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান।  তাই সে ক্ষেত্রে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি হিসেবে দেখা যেতে পারে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি অ্যাল্বানিজ, এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদাকে। কূটনৈতিক মহল মনে করছে কোয়াডভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতা বাড়লে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের দাদাগিরি কমবে।

    আরও পড়ুুন: হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে চলে এলেন প্রধানমন্ত্রী, ফলোয়ারের সংখ্যা ছাড়াল ১০ লাখ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G-20: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে ভারতে আসছেন বাইডেন, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে মোদির সঙ্গে

    G-20: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে ভারতে আসছেন বাইডেন, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে মোদির সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি-২০ (G-20) শীর্ষ সম্মেলনের যোগ দিতে ভারতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এদেশে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক পার্শ্ব বৈঠকও করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শনিবার একটি বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের তরফে এ কথা জানা গিয়েছে। ওই বৈঠকে (G-20) ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা যেমন হবে তেমনি আরও অন্যান্য ইস্যুতেও আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি বছরে জুন মাসের পরে ফের একবার মুখোমুখি হতে চলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট। জুন মাসেই মার্কিন সফরে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি।

    কবে ভারতে পা রাখছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    জানা গিয়েছে, ৭ সেপ্টেম্বর ভারতের উদ্দেশে রওনা দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি এদেশে এসে পৌঁছাবেন, ৮ সেপ্টেম্বর। প্রসঙ্গত জি-২০ সম্মেলনে (G-20) আসছেন না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এছাড়াও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আসতে পারবেন না বলেই জানা গিয়েছে। গত বছরের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন (G-20) বালিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে অবশ্য হাজির থাকতে দেখা গিয়েছিল রাশিয়া ও চিনের প্রেসিডেন্টকে। 

    জি-২০ সম্মেলনে (G-20) কী কী বিষয় আলোচনা হবে?

    সূত্রের খবর, জি-২০ সম্মেলনে (G-20) জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাদ এই সমস্ত বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে। ভারত-মার্কিন সম্পর্ক বিগত দিনে অর্থাৎ ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই গভীর এবং উন্নত হয়েছে। বেশ কয়েকবার মার্কিন সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এবারে আসছেন জো বাইডেন। চলতি জি-২০ সম্মেলনে ভারতে ১১০টি দেশ থেকে ১২,৩০০ প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। জি-২০ হল কুড়িটি দেশের একটি ফোরাম (G-20)। এখানে ভারত ছাড়া অন্যান্য দেশগুলি হল আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। অন্যদিকে অতিথি দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, মিশর, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, ওমান, সিঙ্গাপুর, স্পেন ও সংযুক্ত আমিরশাহি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: ট্রেন দুর্ঘটনায় বাইডেনের দুঃখ প্রকাশ! বিশ্বনেতাদের সাহায্যের আশ্বাস

    Train Accident: ট্রেন দুর্ঘটনায় বাইডেনের দুঃখ প্রকাশ! বিশ্বনেতাদের সাহায্যের আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালাসোরের মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনায় (Train Accident) দুঃখ প্রকাশ করলেন বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্র নেতারা। দিলেন সাহায্যে আশ্বাসও। শনিবারই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক বিবৃতি জারি করে জানিয়েছেন যে ওড়িশায় রেল দুর্ঘটনার (Train Accident) কথা শুনে তিনি মর্মাহত। দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন, চিনের প্রেসিডেন্ট জিংপিং, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক, জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদা।

    কী বললেন বাইডেন?

    এদিন বাইডেন বলেন, ‘‘আমি এবং ফার্স্ট লেডি দুজনেই মর্মাহত হয়েছি এই ভয়ঙ্কর রেল দুর্ঘটনার খবর পেয়ে। সমবেদনা জানাচ্ছি নিহতদের পরিবারবর্গকে। ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর।’’

    কী বললেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট?

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, ‘‘এই মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনায় (Train Accident) আমরা গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি। সমবেদনা জানাচ্ছি যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের পরিবারবর্গকে এবং যাঁরা আহত হয়েছেন তাঁদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’’

    কি বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী?

    নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে ঋষি সুনক লেখেন, ‘‘আমি প্রার্থনা করছি ক্ষতিগ্রস্ত সমস্ত মানুষদের জন্য। যাঁরা ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার মধ্যে পড়েছেন।’’

    বার্তা পাঠিয়েছেন চিনের প্রেসিডেন্টও

    ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে চীনের প্রেসিডেন্ট জিংপিং শোক বার্তা পাঠিয়েছেন।

    শোকপ্রকাশ জাপানের প্রধানমন্ত্রীরও

    জাপানের প্রধানমন্ত্রীর এদিন লেখেন, ‘‘সমস্ত জাপানের মানুষ ভারতের এই ভয়ঙ্কর রেল দুর্ঘটনায় শোকাহত।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Diwali Holiday: আগামী বছর থেকে দীপাবলী উপলক্ষে স্কুল ছুটি নিউইয়র্কের

    Diwali Holiday: আগামী বছর থেকে দীপাবলী উপলক্ষে স্কুল ছুটি নিউইয়র্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকায় বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীয়দের জন্য সুখবর। আগামী বছর থেকে দীপাবলী (Diwali) উপলক্ষ্যে ছুটি থাকবে নিউইইয়র্কের সমস্ত স্কুল। বৃহস্পতিবার একথা ঘোষণা করেন নিউইয়র্কের মেয়র এরিক অ্যাডামস। দীপাবলীকে সরকারি ছুটি (Diwali Holiday) ঘোষণার দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছিলেন সেখানে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভুতরা। অবশেষে দীর্ঘদিনের সেই দাবিকে মান্যতা দেওয়ায় ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রবাসী ভারতীয়রা। স্থানীয় আইনসভার সদস্য জেনিফার রাজকুমার বলেন, নিউ ইয়র্কে বসবাসকারী ২ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ এবং জৈন ধর্মালম্বীদের স্বীকৃতি দেওয়ার সময় এসেছে। আলোর উৎসবে সেই কারণেই এখানকার সরকারি স্কুলগুলিতে ছুটি রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন,চলতি শিক্ষাবর্ষে এই পরিবর্তন আনলে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেই কারণেই আগামী বছর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

    [tw]


    [/tw] 

    সাধারণত,নিউ ইয়র্কের অধিকাংশ স্কুলে প্রতিষ্ঠা দিবসের ছুটি থাকে। আগামী বছর থেকে সেটাই দীপাবলির ছুটিতে (Diwali Holiday) বদলে যাবে।

    মেয়র অ্যাডামাস বলেন, আমরা চাই দীপাবলী কী, সেটা আজকের পড়ুয়ারা জানুক। এই উৎসব পালন করলে স্কুল পড়ুয়ারা এমনিতেই বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারবে। তাছাড়া আলোর উৎসবে অংশ নিলে মজাও পাবে ছোটরা।

    এদিকে নিউ ইয়র্কে ভারতের কনসাল জেনারেল রণধীর জওসওয়াল বলেন, প্রবাসী ভারতীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি অবশেষে পূরণ হল, তিনি নিউইয়র্কের মেয়র অ্যাডামসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, ভারতীয় উৎসবগুলিকে স্বীকৃতি দেওয়া বৈচিত্র এবং বহুত্ববাদের বার্তা দেয়। এর ফলে সমাজের সকল স্তরের মানুষই এই ঐতিহ্যের অভিজ্ঞতার শরিক হওয়ার সুযোগ পাবে। নিউইয়র্কে বসবাসরত ২০ লক্ষ ভারতীয় এর জন্য কৃতজ্ঞ।

    প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক বছর ধরেই দীপাবলীর সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দীপাবলীর সময় নিউ ইয়র্কের স্কুলে ছুটি ঘোষণা করায় ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলেই দাবি করেছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Javed Akhtar Twitter: মিশেল ওবামাকে হোয়াইট হাউজে ফেরার আর্জি জানানোয় জাভেদ আখতারকে নিয়ে মিমের বন্যা

    Javed Akhtar Twitter: মিশেল ওবামাকে হোয়াইট হাউজে ফেরার আর্জি জানানোয় জাভেদ আখতারকে নিয়ে মিমের বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার (Barack Obama) স্ত্রী মিশেল ওবামাকে আবার হোয়াইট হাউসে (White House) দেখতে চাইলেন জাভেদ আখতার। একেবারেই মজা করে নয়। আমেরিকার প্রাক্তন ফার্স্ট লেডির টুইটার পোস্টের নীচে মন্তব্য বাক্সে যথেষ্ট দৃঢ় ভাবেই বলিউডের গীতিকার লিখলেন, ‘‘ম্যাডাম, আমার কথা গুরুত্ব দিয়ে দেখুন। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বই আপনাকে হোয়াইট হাউসে চাইছে।’’ কিন্তু ঠিক কী কারণে এ কথা বললেন জাভেদ, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। তাঁর মন্তব্য দেখেও তা বোঝা সম্ভব হয়নি। কিছু দিনের মধ্যে মিশেলের লেখা বই ‘দ্য লাইট উই ক্যারি’(The Light We Carry) প্রকাশিত হতে চলেছে।

    আরও পড়ুন: ছেলেকে ‘ডিভোর্স’ দিতে চাওয়ায় নৃশংসভাবে পুত্রবধূকে খুন করলেন মার্কিন প্রবাসী ভারতীয়! 

    ওই বইয়ের প্রচারে আমেরিকার কয়েকটি শহরে সফর করবেন তিনি। টুইটারে মিশেলের ওই সফর সংক্রান্ত একটি পোস্টের নীচে জাভেদ লেখেন, ‘‘মাননীয়া মিশেল ওবামা (michelle obama), আমি আপনার কোনও অল্পবয়সি পাগল ভক্ত নই। আমি ৭৭ বছরের এক জন কবি-লেখক। আমার ধারণা, প্রত্যেক ভারতীয়ই আমায় চেনেন। ম্যাডাম, আমার কথা গুরুত্ব বিবেচনা করুন। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বই আপনাকে হোয়াইট হাউসে চায়। এই দায়িত্ব আপনি ঝেড়ে ফেলতে পারেন না।’

    [tw]


    [/tw]

    জাভেদ আখতারের (javed akhtar) এই ট্যুইট আসার পর থেকেই সোস্যাল মিডিয়ায় হাস্যরসাত্মক মিমের বন্যা বয়ে গিয়েছে। একজন ট্যুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, জাভেদ আখতার এটা আবার কে?

    [tw]


    [/tw]

    আরেক জন লিখেছেন আপনি জ্ঞানী বলে এখন আমেরিকার প্রাক্তন ফাস্ট লেডিকেও জ্ঞান দিচ্ছেন।

    [tw]


    [/tw]

    উল্লেখ্য, আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ও কিন্তু মিশেল ওবামাকে ট্যাগ করে একটি পোস্ট করেছিলেন জাভেদ আখতার। সেই সময় তিনি মিশেলকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন।বরাবরই মিশেল ওবামাকে সুযোগ্য নেত্রী বলে মনে করেন জাভেদ আখতার। সে কথা নিজেই জানিয়েছেন অতীতে। বর্তমানে আমেরিকার শাসকের আসনে রয়েছেন ডেমোক্র্যাটরাই। জো বাইডেন (Joe Biden) এবং কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris) নেতৃত্বেই চলছে আমেরিকা।

    মিশেল ওবামা বরাবরই বাইডেনের উপর ভরসা রেখেছেন। ২০২০ সালে জো বাইডেন যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের এর বিরুদ্ধে লড়াই করছিলেন, তখন মিশেল ওবামা বলেন, যখনই নেতৃত্ব অথবা সান্ত্বনার আশায় আশায় আমরা হোয়াইট হাউসের দিকে তাকাই তখনই শুধু হতাশা, বিশৃঙ্খলা, ভেদাভেদ এবং সহানুভূতির অভাবই নজরে আসে। নিজের তৈরি এক অসম্ভব জগতে বাস করেন ট্রাম্প। আজ রাতে আমার কোনও একটি কথা যদি মনে রাখতে হয়, তাহলে একটাই বিষয়ে আবার বলতে চাইব।

    আপনাদের যদি মনে হয়, বর্তমান পরিস্থিতির থেকে আর খারাপ হওয়ার কিছু নেই, তাহলে বিশ্বাস করুন আরও খারাপ দিন দেখতে হতে পারে যদি না এবারের নির্বাচনে কোনও ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারি। এই বিশৃঙ্খলা শেষ করার যদি কোনও উপায় এখনও থেকে থাকে, তাঁর নাম জো বাইডেন। বাইডেনকে ভোট দিন… এর উপরে আমাদের জীবন-মরণ নির্ভর করছে।

    প্রসঙ্গত, আগামী ১৫ নভেম্বর মিশেলের ‘দ্য লাইট উই ক্যারি’ বইটি প্রকাশিত হওয়ার কথা। তার আগে ওয়াশিংটন ডিসি, আটলান্টা, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেসে সফর করবেন মিশেল। ওই সফরে আমেরিকার (America) প্রাক্তন ফার্স্ট লেডির সঙ্গী হতে চলেছেন গেইল কিং, এলিজাবেথ আলেকজান্ডার, কোনান ও ব্রায়েনের মতো তারকারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
     
  • S Jaishankar: “দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে”, আমেরিকাকে ‘বার্তা’ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে”, আমেরিকাকে ‘বার্তা’ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দেশভাগের সময় যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত এবং হতাশ হয়েছিলেন, তাঁদের প্রতিও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে।” সিএএ নিয়ে আমেরিকার প্রতিক্রিয়ার প্রত্যুত্তরে এ কথাই বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। গত সোমবার সন্ধ্যায় দেশজুড়ে লাগু হয়েছে সিএএ। তার পরেই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করতে মাঠে নেমে পড়েছেন বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের নেতারা। প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আমেরিকাও। জো বাইডেনের দেশ এ বিষয়ে প্রকাশ করেছে উদ্বেগও। বাইডেন প্রশাসনের সেই প্রতিক্রিয়ারই জবাব দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী।

    আমেরিকাকে বার্তা জয়শঙ্করের (S Jaishankar)

    সিএএ লাগু হওয়ার পর ভারতের নীতি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন এ দেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গার্সেটি। তার প্রেক্ষিতেই নাম না করে আমেরিকাকে একহাত নিয়েছেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “আমারও নীতি রয়েছে। দেশভাগের সময় যেসব মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলেন, সেই সব মানুষের জন্যই সিএএ।” সিএএতে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগাভাগি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তারও জবাব দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কেবল আমাদের দেশে নয়, অন্য দেশেও ধর্ম ও জাতির ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।”

    সিএএ-র ক্ষমতা

    জয়শঙ্কর বলেন, “আমি কারও নীতি বা গণতন্ত্রের আদর্শ নিয়ে কিছু বলছি না। কিন্তু আমার মনে হয়, আমাদের দেশের ইতিহাস সম্পর্কে অনেকের সঠিক ধারণা নেই। বিশ্বের অনেক জায়গা থেকে এমন অনেক মন্তব্য করা হচ্ছে, তা শুনে মনে হচ্ছে ভারতে কোনওদিন দেশভাগ হয়নি। দেশভাগের সময় এমন কোনও সমস্যা হয়নি, যার সমাধান সিএএ করতে পারবে না।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “তাদের (আমেরিকার) গণতন্ত্রে যে অসম্পূর্ণতা রয়েছে, তা নিয়ে আমি প্রশ্ন তুলছি না। তাদের নীতি কিংবা নীতির অভাব নিয়েও তো আমি প্রশ্ন করছি না। আমাদের দেশের ইতিহাস কতটা তারা বুঝেছে, তা নিয়েও প্রশ্ন করছি না।” তিনি বলেন, “আপনি যদি বিশ্বের বিভিন্ন অংশের মন্তব্য শোনেন (সিএএ নিয়ে), তাহলে মনে হবে ভারতে কখনও দেশভাগের মতো ঘটনা ঘটেনি।” এর পরেই বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “দেশভাগের সময় এমন কোনও সমস্যা হয়নি, যার সমাধান সিএএ করতে পারবে না।”

    আরও পড়ুুন: “১০০ দিনের রোডম্যাপ তৈরি করুন”, নির্বাচনের আগেই মন্ত্রীদের নির্দেশ প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রীর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • US Presidential Election: সরে দাঁড়ালেন নিকি হ্যালি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেন-ট্রাম্পের লড়াই

    US Presidential Election: সরে দাঁড়ালেন নিকি হ্যালি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেন-ট্রাম্পের লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে (US Presidential Election) ফের মুখোমুখি হতে চলেছেন জো বাইডেন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীর লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন নিকি হ্যালি (Nikki Haley)। জানা গিয়েছে, সুপার টুইসডেতে আমেরিকার ১৫টি প্রদেশে ছিল রিপাবলিকান প্রার্থী বাছাইয়ের ভোট। এর মধ্যে ১৪টিতে ট্রাম্পের কাছে হারতে হয়েছে হ্যালিকে। এরপরেই রিপাবলিকান প্রার্থী হওয়ার লড়াই থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। 

    কী বললেন হ্যালি

    ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিনি নিকি হ্যালি (Nikki Haley) বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলন করন। তিনি সারা আমেরিকা থেকে যে ‘অভাবনীয় সমর্থন’ পেয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে যোগ করেন যে,’সময় এসেছে আমার প্রচারকে থামানোর।’ নিকি বলেন, ‘ এটাই সম্ভাব্য যে জুলাইতে আমাদের পার্টি কনভেনশনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই আমাদের পার্টির প্রার্থী করা হবে।’

    নিকি বলেন, ‘আমি তাকে অভিনন্দন জানাই এবং তার মঙ্গল কামনা করি।’ আগামী নভেম্বর মাসে আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। নতুন করে কোনও অঘটন না ঘটলে, ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনের সঙ্গে রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের লড়াইয়ের সম্ভাবনা বেশি। ভোটের ময়দান ছাড়লেও, যে ভাবনা চিন্তিায় তিনি বিশ্বাস করেন, সেই ভাবনা চিন্তাকে পূর্ণ সমর্থন যুগিয়ে যাবেন বলে জানান নিকি।

    আরও পড়ুন: জনসভায় মোদিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ, রাহুলকে ফের সতর্ক করল নির্বাচন কমিশন

    ট্রাম্প-বাইডেন দ্বৈরথ!

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে (US Presidential Election) রিপাবলিকান প্রার্থীর দৌঁড়ে প্রথম থেকে ছিল চারজনের নাম। ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়া এই তালিকায় ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত বিবেক রামস্বামী, ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস এবং সাউথ ক্যারোলিনার প্রাক্তন গভর্নর নিকি হ্যালি (Nikki Haley)। রিপাবলিকান প্রার্থী বাছাইয়ের প্রাথমিক পর্বেই ছিটকে গিয়েছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত রামস্বামী। সেই সময় রিপাবলিকানদের ট্রাম্পকে সমর্থন করার জন্য জানিয়েছিলেন আবেদন। গত ২১ জানুয়ারি প্রার্থী বাছাইয়ের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াতে দেখা যায় ফ্লোরিডার গভর্নরকে।এরপর লড়াই মূলত ছিল হ্যালি ও ট্রাম্পের মধ্যেও। এবার সাউথ ক্যারোলিনার প্রাক্তন গভর্নরও সরে দাঁড়ালেন। নিকির এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে আরও কোনও বাধা রইল না বলে মনে করছে মার্কিন ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share