Tag: love jihad

love jihad

  • Love Jihad: ‘লাভ জিহাদ’ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষমা প্রার্থনা অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির

    Love Jihad: ‘লাভ জিহাদ’ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষমা প্রার্থনা অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মহাভারতে’ ‘লাভ জিহাদ’ (Love Jihad) ছিল বলে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভূপেন বোরা। তাঁর এই মন্তব্যে বিস্তর হইচই হয় রাজ্যে। বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ভূপেনকে গ্রেফতার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় এফআইআর দায়ের হয় ভূপেনের বিরুদ্ধে। এর পরেই সুর নরম করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। চান নিঃশর্ত ক্ষমাও। ক্ষমা প্রার্থনা করে ভূপেন বলেন, “আমার এই মন্তব্যের জন্য কোনও সম্প্রদায় যদি আঘাত পেয়ে থাকে, তার জন্য আমি দুঃখিত। ধর্মকে আঘাত করার মতো কোনও পরিকল্পনা আমার ছিল না।” মন্তব্যের জন্য শ্রীকৃষ্ণের কাছেও ক্ষমা চাইবেন বলে জানান তিনি। বিজেপির বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভেদাভেদের অভিযোগও তোলেন ভূপেন।

    ‘লাভ জিহাদ’

    ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার। এদিন হিন্দু স্ত্রী সহ শ্বশুরবাড়ির বেশ কয়েকজন সদস্যকে খুন করার অভিযোগ ওঠে জনৈক নাজিবুর রহমান বোরার বিরুদ্ধে। পরে থানায় আত্মসমর্পণ করেন তিনি। এই ঘটনার পিছনে ‘লাভ জিহাদে’র (Love Jihad) তত্ত্ব খাড়া করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এ ব্যাপারেই প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তিনি দাবি করেছিলেন, মহাভারতেও ‘লাভ জিহাদ’ ছিল। এ ব্যাপারে তিনি ধৃতরাষ্ট্র ও গান্ধারী এবং শ্রীকৃষ্ণ ও রুক্মিনীর বিয়ের উদাহরণ দেন।

    ভূপেনের আলটপকা মন্তব্য

    তাঁর দাবি, মহাভারতের এই চরিত্রদের বিয়েও ছিল ‘লাভ জিহাদ’। ভূপেনের আলটপকা মন্তব্যের জেরে শোরগোল পড়ে যায় রাজ্যে। ঘরে-বাইরে বিপাকে পড়ে যায় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিও। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে হিন্দু ধর্মকে অপমান করার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে সরব হয় হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন। গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ফের মুখ পুড়ল তৃণমূলের! বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচিতে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির এহেন আলটপকা মন্তব্যে বিপাকে পড়তে পারে দল। বিজেপি ভূপেনের এই বিতর্কিত মন্তব্যকেই (Love Jihad) হাতিয়ার করতে পারে। সূত্রের খবর, এসব চিন্তা করেই ভূপেনের ওপর চাপ বাড়াতে থাকেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই তড়িঘড়ি ‘লাভ জিহাদ’ নিয়ে মন্তব্যের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন ভূপেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: মহারাষ্ট্রে লাভ জিহাদ! প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা, গ্রেফতার ৪

    Love Jihad: মহারাষ্ট্রে লাভ জিহাদ! প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা, গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাভ জিহাদ (Love Jihad) এবং ধর্মান্তকরণের ঘটনা মহারাষ্ট্রে ক্রমশ বেড়েই চলেছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংগঠন দাবি তুলেছে যে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের (Love Jihad) বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনা হোক। মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলা থেকে অভিযোগ এসেছে যে একটি নাবালিকাকে ৮ জন মিলে ষড়যন্ত্র করে তাকে ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে এবং পরবর্তীকালে তাকে ইসলামে ধর্মান্তরিত হতে প্ররোচনা দেওয়া হয়। এই প্রত্যেক অভিযুক্তকে শনাক্ত করা গেছে। ৮ অভিযুক্ত হল, আভেজ নিশার শেখ, কাইফ শেখ, সোহেল শেখ, হিনা শেখ, আলিসা শেখ, সালিম পাঠান, আলতাব শেখ, সাকির সাহেব। জানা গিয়েছে আটজন অভিযুক্তের মধ্যে পুলিশ এখনও পর্যন্ত চার জনকে গ্রেফতার করতে পেরেছে। যাদের মধ্যে দুজন মহিলা আছে। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪(৩), ৩৫৪ (ডি) ১০৯ এবং ৩৪ ধারায় মামলা রজু করা হয়েছে। পাশাপাশি পক্সো আইনের ৮ এবং ১২ নম্বর ধারাতেও মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    অভিযুক্ত শিক্ষিকা হিনা হিন্দু মেয়েদের বোরখা পরতে বলতো  

    প্রসঙ্গত, অভিযুক্ত মহিলা হিনা শেখ টিউশিন পড়াত। আসল উদ্দেশ্য ছিল, হিন্দু নাবালিকাদের সে প্ররোচনা দেওয়া মুসলিম ধর্মের অনুসরণ করার জন্য। জানা গিয়েছে, আহমেদনগর জেলার রাহুরির উম্রে গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে। এবং নির্যাতিতা নাবালিকা ইতিমধ্যে অভিযোগও দায়ের করেছে। ওই নাবালিকার মতে, সে দশম শ্রেণিতে পড়তো এবং টিউশন নিত অভিযুক্ত হিনার কাছে।  ২০২১ সাল থেকে ওই নাবালিকা হিনার কাছে পড়তো বলে জানা গেছে।  হিনার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ আনা হয়েছে যে মুসলিম সম্প্রদায়ের যুবকদেরকে তিনি ক্লাসে ডেকে আনতেন এবং হিন্দু মেয়েদের সঙ্গেই তাদেরকে বসাতেন।  আরও মারাত্মক অভিযোগ, হিনা শেখের কাছে যে মুসলিম যুবকরা আসত, তারা পড়তে আসতো না। বরং শুধু বসে থাকার জন্যই আসতো এবং হিনাও হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ধর্ম মেনে চলার পরামর্শ দিত। শুধু তাই নয়, বোরখা পরার পরামর্শ দেওয়া হতো তাদেরকে।  কপালে টিপ পরারও বিপক্ষে ছিলেন হিনা। অভিযোগ হিন্দু মেয়েদের লাভ জিহাদের (Love Jihad) ফাঁদে ফেলে তাদেরকে ধর্মান্তকরণ করে ইসলামে নিয়ে আসা হিনার মূল উদ্দেশ্য ছিল।

    হিন্দু নাবালিকার দাবি

    ওই নাবালিকার দাবি, একদিন সে যখন বাড়ি যাচ্ছিল তখন আভেজ তার পথ আটকায় এবং তাকে বলে যে সে তাকে ভালোবাসে (Love Jihad)। এবং পরবর্তীকালে সে ওই নাবালিকার ভাইয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতে এবং তার বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। এই সময়ের মধ্যে এসে আভেজ নিশার শেখ আবারও বলে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এবং পরবর্তীকালে হোয়াটসঅ্যাপে লাগাতার মেসেজও পাঠাতে থাকে অভিযুক্ত আভেজ। একদিন ওই নাবালিকাকে আভেজ পরামর্শ দেয় যে হিন্দু ধর্ম পরিত্যাগ করতে এবং তার সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে (Love Jihad) করতে। সে আরও বলে যে গ্রামের অনেকেই তাদের সম্পর্কের ব্যাপারে জেনে গেছে এবং তার সম্প্রদায়ের অনেকেই টাকা দিয়ে তাকে সাহায্য করতে চায়। পরবর্তীকালে ওই নাবালিকা আভেজের সঙ্গে সমস্ত রকমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। কিন্তু এর পরেও আভেজ তাকে ইনস্টাগ্রামে মেসেজ করতে থাকে। কিন্তু সে আর কোনও উত্তর দেয় না।  এই ঘটনা ২০২১ সালের। পরবর্তীকালে চলতি বছরের ২৬ জুলাই ওই একই টিউশন অপর একটি হিন্দু নাবালিকা আভেজের নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ করে। এই অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয় যে আভেজ এবং তার বোন আলিশা জোরপূর্বক তাকে বোরখা পরাতে চায় এবং মুসলিমদের মতো থাকতে বলে। শুধু তাই নয় ওই টিউশন থেকে আরও তিন থেকে চার জন হিন্দু নাবালিকা আভেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে যে তাদেরকে ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে সে ধর্মান্তকরণ করতে চেয়েছে। এবং এই কাজে সম্পূর্ণভাবে জড়িত তাদের শিক্ষিকা।  এই ঘটনাযটি স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক প্রসাদ লাড বিধানসভায় উত্থাপন করেছেন এবং পুলিশ প্রশাসনকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Love Jihad: “কৃষ্ণ-রুক্মিণীর বিয়ে লাভ জিহাদ”! কংগ্রেস নেতার বিতর্কিত মন্তব্যের কী জবাব দিলেন হিমন্ত?

    Love Jihad: “কৃষ্ণ-রুক্মিণীর বিয়ে লাভ জিহাদ”! কংগ্রেস নেতার বিতর্কিত মন্তব্যের কী জবাব দিলেন হিমন্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলটপকা মন্তব্য করে বিপাকে অসম প্রদেশ কংগ্রেস (Congress) সভাপতি ভূপেন বোরা। বৃহস্পতিবার মহাভারতের কৃষ্ণ-রুক্মিণী এবং ধৃতরাষ্ট্র-গান্ধারীর বিয়েকে লাভ জিহাদের (Love Jihad) সঙ্গে তুলনা করেছিলেন তিনি। ভূপেনের মন্তব্যের পাল্টা কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, হিন্দু দেব-দেবী সম্পর্কে এমন মন্তব্য করায় এমন একটা দিন আসবে যখন মসজিদ এবং মাদ্রাসা ছাড়া কংগ্রেসের আর লুকোনোর কোনও জায়গা থাকবে না। কংগ্রেস নেতার এহেন বেফাঁস মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন ধর্মীয় নেতারাও। তাঁদের মতে, মহাভারত সম্পর্কে ভূপেনের জ্ঞান অসম্পূর্ণ।

    কংগ্রেস নেতার বিতর্কিত মন্তব্য

    প্রসঙ্গত, ভূপেন বলেছিলেন, ঐতিহাসিক কাল থেকেই এ দেশে ভিন ধর্মে বিয়ের চল রয়েছে। এমন কী মহাভারতের যুগের রাজাদের সময়ও এসব ছিল। মহাভারতের মূল গল্প হল, গান্ধারীর পরিবার তাঁর সঙ্গে ধৃতরাষ্ট্রের বিয়ে দিতে চায়নি। পিতামহ ভীষ্মই জোর করাতেই তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। শকুনির ভাইকে বন্দি করা হয়েছিল এবং পরে মামা প্রতিশোধ নিয়েছিলেন। এটাও লাভ জিহাদ। গান্ধারীর পরিবার প্রতিবাদ করেছিলেন। যেহেতু জোর (Love Jihad) করে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তাই গান্ধারী সব সময় চোখে একটা কাপড় বেঁধে রাখতেন। কৃষ্ণ যখন রুক্মিণীকে নিতে এলেন, তখন অর্জুনের অন্য রূপ।

    প্রতিক্রিয়া হিমন্তের

    প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির এহেন মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন হিমন্ত। তিনি বলেন, অভিযোগ দায়ের করলে বোরা গ্রেফতার হবেন। ধর্মীয় আবেগ নিয়ে তাঁর এহেন মন্তব্য করা উচিত হয়নি। তিনি বলেন, আমি জানি না, কী কারণে তিনি কৃষ্ণ-রুক্মিণীকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন। তাঁর এই মন্তব্য সনাতন ধর্মের পরিপন্থী। এটা হিন্দু ধর্মেরও বিরোধী। আমি কংগ্রেসকে অনুরোধ করব, আমরা যেমন হজরত মহম্মদ কিংবা যীশুখ্রিস্টকে নিয়ে কোনও বিতর্কিত মন্তব্য করি না, তেমনি কৃষ্ণকে নিয়েও কোনও বিতর্কিত মন্তব্য করা ঠিক নয়। মানুষের কোনও অপরাধের সঙ্গে ভগবানকে যুক্ত করা ঠিক নয়।

    আরও পড়ুুন: মহিলাদের নগ্ন করে হাঁটানোর ঘটনায় সিবিআই তদন্ত, নির্দেশ কেন্দ্রের

    তাছাড়া, লাভ জিহাদ (Love Jihad) কী, জানেন? যখন কোনও মহিলাকে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বিয়ে করা হয় এবং বিয়ের পর ধর্ম পরিবর্তনে বাধ্য করা হয়, সেটাই লাভ জিহাদ। ভগবান কৃষ্ণ কখনওই রুক্মিণীকে তাঁর ধর্ম পরিবর্তন করতে বলেননি। কেউ যদি এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করেন, তাহলে আমরা ওঁকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হব। আমি ওঁকে বাঁচাতে পারব না। তিনি বলেন, গোলাঘাটে তিনটি খুনের ঘটনায় আমরা লাভ জিহাদের ফল দেখতে পেয়েছি। অনেক মেয়েকে আত্মহত্যা করতে হয়। তাই আমি তরুণ তরুণীদের অনুরোধ করব, স্বধর্মেই বিয়ে করুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: ফের লভ জিহাদের বলি হিন্দু কিশোরী, মুসলমান যুবক গ্রেফতার   

    Love Jihad: ফের লভ জিহাদের বলি হিন্দু কিশোরী, মুসলমান যুবক গ্রেফতার   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের লভ জিহাদের (Love Jihad) বলি হিন্দু কিশোরী! এবার ঘটনাস্থল ঝাড়খণ্ড (Jharkhand)। কাঠগড়ায় বছর বাইশের গোলু আনসারি। ঘটনাটি ৩১ মে-র। তবে প্রকাশ্যে এসেছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডির মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে ট্যুইট করার পর।

    প্রতারণার কাহিনি

    ফেরা যাক খবরে। রাঁচির কালাহারি থানা এলাকায় বাস দলিত ওই হিন্দু নাবালিকার। হিন্দু পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করে আনসারি। গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। পরে এলাকার একটি মন্দিরে গিয়ে বিয়েও করে দুজনে। নাবালিকার পরিবারের অভিযোগ, এর পর নানা সময় শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয় তারা। ইতিমধ্যেই গর্ভবতী হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। সামাজিক বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে আনসারিকে। তার পরেই বেরিয়ে আসে আনসারির আসল পরিচয়। ওই কিশোরীকে সে সাফ জানিয়ে দেয়, ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত (Love Jihad) হলে তবেই সে তাকে বিয়ে করবে। মুসলমান হওয়ার জন্য তাকে চাপও দিতে থাকে আনসারি। আনসারির কাছে প্রতারিত হয়ে হতাশ হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। বেছে নেয় আত্মহত্যার পথ। অভিযোগ পেয়ে আনসারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    বাবুলালের ট্যুইট

    লভ জিহাদের এই কাহিনি প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে ট্যুইট করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির বাবুলাল মারান্ডি। তিনি লেখেন, হেমন্ত সোরেনজি, আমি আপনাকে বারবার বলছি এ রাজ্যে লভ জিহাদের শেকড় অনেক গভীরে। ষড়যন্ত্রকারীরা দলিত এবং উপজাতির মেয়েদের টার্গেট করছে। টাকা জোগাচ্ছে আন্তর্জাতিক কোনও সংস্থা। তারা ঝাড়খণ্ডের পরিচয় এবং সামাজিক বুনন নষ্ট করতে চাইছে। বর্তমানে রাজ্যের রশি আপনার হাতে। কর্তব্য করুন। কড়া ব্যবস্থা নিন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। খুঁজে বের করুন কারা একে তোল্লায় দিচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নে ভয় পেয়েছেন মমতা’, ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ শুভেন্দুর

    সম্প্রতি এ রাজ্যে লভ জিহাদের (Love Jihad) বলি রয়েছে আরও কয়েকজন। এ নিয়ে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, হেমন্ত-নেতৃত্বাধীন সরকার এ রকম ফাঁদ থেকে মেয়েদের রক্ষা করতে ব্যর্থ। ঝাড়খণ্ডে অবৈধভাবে বসবাস করছেন বহু বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা। বিজেপির অভিযোগ, এঁদেরই অনেকে লভ জিহাদের ফাঁদে ফেলছে উপজাতি অধ্যুষিত রাজ্যের হিন্দু মেয়েদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: ‘লাভ জিহাদ’-এর ফাঁদে মহিলা পুলিশ কর্মী, অভিযুক্ত আইপিএল খেলা ক্রিকেটারও!

    Love Jihad: ‘লাভ জিহাদ’-এর ফাঁদে মহিলা পুলিশ কর্মী, অভিযুক্ত আইপিএল খেলা ক্রিকেটারও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে ‘লাভ জিহাদ’-এর (Love Jihad) কাহিনি। এবার ঘটনাস্থল উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) প্রয়াগরাজ। শিবকুতি থানার এক মহিলা পুলিশ কনস্টেবলের অভিযোগের তির আইপিএল ক্রিকেট খেলোয়াড় মহসিন খানের ভাই ইমরান খানের দিকে। অভিযোগে ওই মহিলা পুলিশ কর্মী জানিয়েছেন, ইমরান তাঁকে বিয়ে করেছেন নিজেকে বৌদ্ধধর্মাবলম্বী পরিচয় দিয়ে। বিয়ের পরে পরেই তাঁকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দিতে শুরু করেন। কেবল তাই নয়, ইমরান তাঁকে তাঁর বাবা মুলতান ও ভাই মহসিনের সঙ্গে সহবাস করতেও বাধ্য করেন।

    লাভ জিহাদ-এর (Love Jihad) বিহিত চান

    মহসিন পেশায় ক্রিকেটার। উত্তর প্রদেশের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেন ফাস্ট বোলার হিসেবে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে লখনউ সুপার জায়েন্টের হয়েও খেলেছেন। ভিডিও বার্তায় এই লাভ জিহাদ-এর (Love Jihad) বিহিত চেয়ে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সাহায্য চেয়েছেন বারাণসীর ওই মহিলা। ওই মহিলা পুলিশ কর্মীকে-এও বলতে শোনা যায়, তিনি যখন প্রথম তাঁর স্বামী ইমরানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে যান, তখন তাঁর অভিযোগ নিতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন পুলিশ আধিকারিকরা।

    শেষমেশ চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি ইমরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেয় পুলিশ। ওই মহিলা পুলিশ আধিকারিকের আরও অভিযোগ, যেহেতু অভিযুক্তের ভাই একজন বিখ্যাত এবং প্রভাবশালী, তাই তাঁর এবং তাঁর বাবার নাম এফআইআর থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়।

    মহিলার অভিযোগ

    লাভ জিহাদ-এর শিকার ওই মহিলা পুলিশ আধিকারিক জানান, ২০১৬ সালে মোরদাবাদে তিনি যখন ট্রেনিং নিতে গিয়েছিলেন, তখন তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় ইমরানের। ইমরানও পুলিশেই ছিলেন। আলাপের পর প্রেমের ফাঁদে পড়েন ওই মহিলা। ইমরান তাঁকে জানিয়েছিলেন, তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেছেন। ২০১৮ সালে স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টে তাঁকে বিয়েও করেন ইমরান। এর পরেই ইমরান তাঁকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দিতে থাকেন। জোর করে তাঁর নাম বদলে করে দেওয়া হয় জায়রা বানু। তিনি বলেন, ইমরান বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেছিলেন স্রেফ তাঁকে ফাঁদে (Love Jihad) ফেলার জন্য। এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ইমরানের গোটা পরিবার।

    আরও পড়ুুন: ‘‘২ হাজারের নোটে ক্ষতিপূরণ, কালো টাকা সাদা করার তৃণমূলী পদ্ধতি’’, খোঁচা সুকান্তর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: ২০ বার ছুরির কোপ, পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন হিন্দু কিশোরীকে! ধৃত মুসলিম যুবক

    Love Jihad: ২০ বার ছুরির কোপ, পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন হিন্দু কিশোরীকে! ধৃত মুসলিম যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ‘লাভ জিহাদের’ (Love Jihad) ছায়া! ফের একবার মুসলিম যুবকের হাতে অকালে মৃত্যু হল হিন্দু কিশোরীর। এবার ঘটনাস্থল দিল্লির রোহিণী শাহবাদ ডেয়ারি এলাকা। সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে হিন্দু কিশোরীকে জনসমক্ষে রাস্তায় ফেলে পর পর ছুরির কোপ, পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করার অভিযোগ উঠল মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে সেই হাড়হিম করা দৃশ্য। ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় এক বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছিল সাক্ষী সিং নামে ১৬ বছর বয়সি ওই কিশোরী। পথ আটকে আচমকা কিশোরীর ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালায় পেশায় ফ্রিজ মেকানিক বছর কুড়ির সাহিল। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে, পর পর ছুরির কোপ পড়ছে কিশোরীর শরীরে। কিশোরীকে অন্তত ২০ বার ছুরির কোপ মারে সাহিল। এতেই থেমে থাকেনি। হাড় হিম করা ঘটনার এখনও বাকি ছিল। মৃত্যু নিশ্চিত করতে পাশে পড়ে থাকা কংক্রিটের স্ল্যাব দিয়ে একাধিকবার কিশোরীর মাথা থেঁতলে দেয় সাহিল। গোটা ঘটনা ধরা পড়েছে সিসিটিভিতে। সবচেয়ে বড় কথা, যখন সাহিল এই কাণ্ড ঘটাচ্ছে, তখন তার পাশ দিয়ে একাধিক পথচারীকে দেখা যাচ্ছে হেঁটে চলে যেতে। কিন্তু কেউ যুবককে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেননি। হত্যা করে সাহিলকে দেখা যায় সেখান থেকে হেঁটে চলে যেতে। ঘটনার অনেক পরে, পুলিশের এক ইনফর্মার ফোন করে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। ততক্ষণে ৪৫ মিনিট পার হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ধর্মান্তরণের প্রয়াস! শাহজাহানপুরে খুন অন্তঃসত্ত্বা হিন্দু মহিলা, ধৃত ২

    কী করে ধরা পড়ল সাহিল?

    দিল্লি পুলিশের দাবি, ১৬ বছরের ওই কিশোরীর সঙ্গে সাহিলের প্রেমের সম্পর্ক (Love Jihad) গড়ে উঠেছিল। তার আগের দিনও দুজনের মধ্যে না কি বিস্তর ঝামেলা হয়েছিল। জানা যায়, খুন করার পরই গা ঢাকা দেয় সাহিল। নিজের ফোন সুইচ অফ করে দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, সেখানে থেকে বাসে উঠে সাহিল চলে যায় উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে। সেখানে গিয়ে পিসির বাড়িতে ওঠে সে। ঘটনাচক্রে, পিসি একবার সাহিলের ফোন থেকেই তার বাবাকে ফোন করে জানায় যে সাহিল আচমকা তাঁর বাড়িতে এসেছে। পুলিশ ফোনের ওপর নজর রাখছিল। সঙ্গে সঙ্গে সাহিলের লোকেশন পেয়ে যায় তারা। ফোর্স রওনা দেয়। পিসির বাড়ি থেকেই অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করা হয়। 

    ‘লাভ জিহাদ’ তত্ত্বে সরব বিজেপি

    এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিজেপি। দিল্লির বিজেপি প্রধান বীরেন্দ্র সচদেব বলছেন, ‘‘হিন্দু মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে সাহিল, শাহবাদ ডেয়ারি এলাকার এই ঘটনা ফের একবার লাভ জিহাদের (Love Jihad) ছবি তুলে ধরল যা দিল্লিকে কাঁপিয়ে দিয়েছে।’’ দিল্লির বিজেপি প্রধান ট্যুইটে দাবি করেছেন, ‘‘গ্রেফতার হওয়া মুসলিম খুনি সাহিলের হাতে বাঁধা লাল ধাগা থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে সে সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করছে, আর সে লাভ জিহাদ গ্যাংয়ের সদস্য।’’ বীরেন্দ্রর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সংখ্যালঘু ভোট হারানোর ভয়ে এই খুনকে ‘সাধারণ’ খুন বলে বর্ণনা করছেন, এটিকে ‘লাভ জেহাদ’ বলছেন না।  

    আরেক বিজেপি নেতা কপিল মিশ্রও ট্যুইটারে সাহিলের কব্জিতে লাল ধাগা বাঁধাকে উল্লেখ করে দাবি করেন, এটা প্রমাণ করে হিন্দু সেজে সাক্ষীর সঙ্গে বন্ধুত্ব করে সাহিল। তার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা এখন স্পষ্ট। গোটা বিষয়টিকে তিনিও ‘লাভ জিহাদ’ (Love Jihad) বলেই উল্লেখ করেন। তাঁর প্রশ্ন, কে বা কারা এই সাহিলদের মদত দিচ্ছে, তা বের করা প্রয়োজন।

    দিল্লি মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন স্বাতী মালিওয়াল সিসিটিভি ফুটেজটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে লেখেন, ‘‘দিল্লিতে এই ধরনের আসামীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে৷ পুলিশের কাছে নোটিশ জারি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “এই ঘটনা সমস্ত সীমা অতিক্রম করে দিয়েছে৷ আমি আমার এত বছরের কেরিয়ারে এর চেয়ে ভয়ঙ্কর কিছু দেখিনি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: মধ্যপ্রদেশে প্রকাশ্যে এল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র বাস্তব গল্প! কী হয়েছে জানেন?

    Love Jihad: মধ্যপ্রদেশে প্রকাশ্যে এল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র বাস্তব গল্প! কী হয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে হইচই হচ্ছে দেশজুড়ে। বাংলায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এই ছবি প্রদর্শনে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দাবি, এই সিনেমা দেখানো হল অবনতি হতে পারে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার। সরকারি এই নিষেধাজ্ঞার জেরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ছবি নির্মাতারা। ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র মূল (Love Jihad) গল্প হল, কীভাবে হিন্দু মহিলাদের বিয়ে করে ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়। দেশ যখন ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে উত্তাল, ঠিক সেই সময় এমন ঘটনাই প্রকাশ্যে এল। তবে ঘটনাস্থল কেরল নয়, মধ্যপ্রদেশ (Madhya Pradesh)।

    মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) এ কী গল্প?

    জানা গিয়েছে, মধ্য প্রদেশের কট্টর ইসলামিক সংগঠন হিজব-উত-তারিরের সন্দেহভাজন পাঁচ সদস্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করেছেন। এঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই দুজনকে ইসলামে দীক্ষিত করা হয়েছে। এই সংগঠনের ডেরায় হানা দিয়েছিল মধ্য প্রদেশ পুলিশ অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড। এই স্কোয়াডেরই সূত্রের খবর, এই জঙ্গি মডিউলের মূল দুই অভিযুক্ত হল ইয়াসির খান এবং মহম্মদ সালিম। ইয়াসির ভূপালের একটি জিমের প্রশিক্ষক। আর সালিম কয়েক বছর আগেও পরিচিত ছিল সৌরভ রাজবৈদ্য নামে। তিনি অবসরপ্রাপ্ত আয়ুর্বেদ চিকিৎসক অশোক জৈনের ছেলে। পাঁচ অভিযুক্তের মধ্যে হিন্দু ধর্ম থেকে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন আবদুর রহমানও। হিন্দু থাকার সময় তাঁর নাম ছিল দেবী নারায়ণ পান্ডা। ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন বেণু কুমারও (Love Jihad)। বর্তমানে তাঁর নাম (Madhya Pradesh) মহম্মদ আব্বাস।

    আরও পড়ুুন: ফের একবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ রাজ্য সরকার, এবার কোন মামলা?

    সালিমের বাবা-মায়ের অভিযোগ, তাঁর ছেলের সিনিয়র সহপাঠী ডঃ কমল তাঁর মগজ ধোলাই করেন। তার পরেই ধর্মান্তরিত হয়ে তিনি সালিম হয়েছেন। সালিমের বাবা বলেন, “পাঁচ ছেলেমেয়ের মধ্যে সেই ছিল আমাদের একমাত্র পুত্র সন্তান। ডাঃ কমল সব সময় তার মগজধোলাই করে তাকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেছেন। ইসলাম ধর্মগুরু জাকির নায়েকের ভিডিও-ও তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে আকৃষ্ট করেছে।” তিনি বলেন, “আমরা ইসলাম বিরোধী নই। তবে আমাদের ধর্ম এবং সংস্কৃতি নিয়ে আমরা গর্বিত। ২০১০ সাল থেকে আমার ছেলে নবি সম্পর্কে কোনও কিছুই শুনতে রাজি হয়নি। সে আমাকে হেনস্থা করার হুমকিও দিয়েছে।”

    তিনি বলেন, “২০১১ কী ’১২ সালে বারাবাঁকি থেকে আসা এক ইসলাম ধর্মগুরু আমার মেয়ে এবং জামাইকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেছেন।” মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান বলেন, “মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র পুনরাবৃত্তি হতে দেব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Love Jihad: ধর্মান্তর বিরোধী আইনের দাবি, মুম্বইয়ে লভ জিহাদ বিরোধী মিছিল হিন্দু সংগঠনের

    Love Jihad: ধর্মান্তর বিরোধী আইনের দাবি, মুম্বইয়ে লভ জিহাদ বিরোধী মিছিল হিন্দু সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  গতকাল মুম্বইয়ের রাস্তায় জড়ো হয়েছিল হিন্দু জনতা। লভ জিহাদ, ল্যান্ড জিহাদ সহ হিন্দু রাষ্ট্র ইস্যুতে রবিবার মুম্বইয়ের রাজপথে হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যাপক হিন্দু জন আক্রোশ মোর্চা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। হিন্দু সংগঠনগুলি মহারাষ্ট্রের এক লক্ষেরও বেশি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্রিত করার প্রস্তুতি নিয়েছিল। সকাল ১০ টায় মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে লোকেরা জড়ো হয়েছিল এবং তারপরে শিবাজি পার্ক থেকে পেরেলের কামগার ময়দান পর্যন্ত একটি পদযাত্রা বের করেছিল। বিজেপির কিছু নেতা, সাধু-সন্ন্যাসী এই মোর্চায় যোগ দিয়েছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা ধর্মান্তর বিরোধী আইন প্রণয়ন ও ধর্মের নামে জমি দখলের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা নেওয়ার দাবি তোলেন।

    কারা অংশগ্রহণ করেছিলেন এই পদযাত্রায়?

    গত ২ মাসে মহারাষ্ট্রে ৪০ টিরও বেশি হিন্দু জন আক্রোশ মোর্চা সংঘটিত হয়েছে, তবে গতকালের মোর্চাকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বলে মনে করা হচ্ছে। লভ জিহাদ, ধর্মের নামে জমি দখল এবং ধর্মান্তর বিরোধী আইনের দাবিতেই মুম্বইয়ে হিন্দু জন আক্রোশ মোর্চা সংগঠিত করেছে সকল হিন্দু সমাজ। এতে প্রায় এক লক্ষ হিন্দু অংশগ্রহণ করেছিল বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও হিন্দু সংগঠন, উৎসব মন্ডল এবং নাগরিক ও হিন্দুদের কল্যাণে কাজ করে এমন এনজিও গতকালের মিছিলে অংশ নিয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস), বজরং দল এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) সহ হিন্দু সংগঠনের নেতা ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিজেপির একাধিক নেতা ও বিধায়ক এবং শিবসেনার একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠীও সমাবেশে অংশ নেন। মুম্বই বিজেপির সভাপতি আশিস শেলার, বিধায়ক প্রবীণ দারেকার, বিধায়ক অতুল ভাটখালকর, বিধায়ক নীতেশ রানে প্রমুখ বিজেপি নেতারা সমাবেশে অংশ নিয়েছিলেন। মিছিল উপলক্ষে পুরো পথে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মোতায়েন করা হয় বাড়তি পুলিশ।

    অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন হায়দ্রাবাদের বিধায়ক টি রাজা সিং। তিনি আবেগঘন ভাষণ দেন এবং হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। এছাড়াও ভিএইচপি মুখপাত্র এবং জেটি সেক্রেটারি, শ্রীরাজ নায়ার বলেছেন, “প্রায় এক লাখ হিন্দু মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন এবং লভ জিহাদ এবং ল্যান্ড জিহাদের বিরুদ্ধে তাঁদের আওয়াজ তুলেছিলেন। হিন্দুদের নৃশংসতার হাত থেকে বাঁচাতে সরকারের উচিত ধর্মান্তর বিরোধী আইন আনা।” বিজেপি বিধায়ক নীতেশ রানে বলেছেন যে হিন্দুদের নিপীড়নের চেষ্টা করা হয়েছে, এবং হিন্দুদের একত্রিত হয়ে একটি বার্তা দিতে হবে।

    হিন্দু সংগঠনের তরফে কী কী দাবি তোলা হয়েছিল?

    তাঁরা গতকাল লভ জিহাদের বিরুদ্ধে আইন, ল্যান্ড জিহাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ধর্মান্তর বিরোধী আইনের দাবি করেছেন। আবার ধর্মের নামে জমি দখল করা, মসজিদের লাউডস্পিকার থেকে আওয়াজ ইত্যাদির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের লভ জিহাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতেও দেখা যায়।                                  

  • Tunisha Sharma: এটি লভ জিহাদের ঘটনা! হিজাব পরাও শুরু করেছিলেন তুনিশা! দাবি অভিনেত্রীর কাকার

    Tunisha Sharma: এটি লভ জিহাদের ঘটনা! হিজাব পরাও শুরু করেছিলেন তুনিশা! দাবি অভিনেত্রীর কাকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিনেত্রী তুনিশা শর্মার (Tunisha Sharma) মৃত্যুতে তোলপাড় বিনোদন জগৎ। তুনিশা শর্মার অকালমৃত্যু ঘিরে ক্রমশ গভীর হচ্ছে রহস্য। এর মাঝেই একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন অভিনেত্রীর কাকা পবন শর্মা ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু রায়া লাবিব। পবন শর্মা তুনিশা শর্মার মৃত্যু ১০০ শতাংশ ‘লভ জিহাদ’ বলে দাবি করেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, তুনিশা ও তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক শীজানের মধ্যে ধর্ম যাতে বাঁধা হয়ে না দাঁড়ায়, তার জন্য তুনিশা হিজাব পরতেও শুরু করেছিলেন। আবার তুনিশার বান্ধবী রায়া দাবি করেছেন, একই সঙ্গে ৬ থেকে ১০ জন নারীর সঙ্গে সম্পর্কে থাকতেন শীজান। তাঁর যৌন চাহিদা ছিল অত্যধিক আর শুধুমাত্র যৌন চাহিদার জন্যই মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়াতে শীজান।

    তুনিশার কাকার শীজানের বিষয়ে কী কী বললেন?

    ২৪ ডিসেম্বর সিরিয়ালের সেটে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় তুনিশার (Tunisha Sharma)। এর পরেই প্রাক্তন প্রেমিক শীজান খানের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ এনেছে অভিনেত্রীর পরিবার। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে শীজানকে। পুলিশ হেফাজতেই রয়েছেন তিনি। এর পরেই একের পর এক চাঞ্চল্যকর দাবি করে চলেছেন মৃতার কাকা পবন শর্মা। তিনি বলেছেন, “আমি ১০০% নিশ্চিত, এর পিছনে লভ জিহাদের হাত রয়েছে। আমি চাই, সেটা নিয়ে পুলিশ তদন্ত করুক। আমরা চাই এই মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ সবরকম দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত করুক। আমি জানি না, এটা আত্মহত্যা নাকি অন্য কিছু। আমরা তো কোনও ভিডিও রেকর্ডিং পাইনি।”

    আরও পড়ুন: “মেয়েকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঠকিয়েছে”, শীজানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তুনিশার মা

    তিনি আরও দাবি করেন, হিজাব পরতে শুরু করেছিলেন তুনিশা (Tunisha Sharma)। সহ-অভিনেতা শীজান খানের সঙ্গে সম্পর্কের মাঝে ধর্ম যাতে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়, তার সব রকম ব্যবস্থা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন তুনিশা। ভাইঝির মধ্যে এ সব পরিবর্তন লক্ষ করেছিলেন বলে জানান কাকা।

    তুনিশার বান্ধবী রায়া কী বললেন?

    তুনিশার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী রায়া লাবিব শীজানের চরিত্র নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, “শীজানের সুন্দর চেহারা ও স্বভাবের কারণে মেয়েরা চট করে ওর প্রেমে পড়ত। আর শুধু যৌন চাহিদার জন্যই সম্পর্কে জড়াতেন। নিজের যৌন লালসা মেটানোর জন্য আরও অনেক মেয়েকে ব্যবহার করেছেন। ভালোবাসা আর প্রতিশ্রতির নামে সবাইকে ঠকিয়েছেন শীজান।” তিনি আরও বলেছেন, “আমার মনে হয় তুনিশা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন। ওষুধ খেয়ে অ্যাবরশন করেছেন।”

    মুখ খুললেন কঙ্গনা রানাউত

    তুনিশা শর্মার (Tunisha Sharma) মৃত্যুতে এবারে মুখ খুললেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারত সরকারকে অনুরোধ করলেন যাতে দেশে মেয়েদের নিরাপত্তা জোরদার করে ‘বহুবিবাহ ও অ্যাসিড আট্যাক’-এর উপর কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তিনি তাঁর দীর্ঘ নোটে হ্যাশট্যাগ দিয়েছেন তুনিশা শর্মার। তিনি তাঁর পোস্টে লেখেন, “আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজিকে অনুরোধ করছি… যেমন কৃষ্ণ দ্রৌপদীর জন্য সোচ্চার হয়েছিলেন, যেমন রাম অবস্থান নিয়েছিলেন সীতার পক্ষে, আমরা আশা করি আপনিও বহুবিবাহের বিরুদ্ধে ও অ্যাসিড অ্যাটাকের বিরুদ্ধে শক্তিশালী আইন প্রণয়ন করবেন। মহিলাদের বিরুদ্ধে এসব করে যারা, তাদের টুকরো টুকরো করা উচিত। বিচার ছাড়াই অবিলম্বে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হোক।”

  • VHP: হিন্দু তীর্থস্থানগুলির জন্য পৃথক মন্ত্রকের দাবি বিশ্বহিন্দু পরিষদের

    VHP: হিন্দু তীর্থস্থানগুলির জন্য পৃথক মন্ত্রকের দাবি বিশ্বহিন্দু পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এটাই সেই সময়, যখন হিন্দু (Hindu) মন্দিরগুলিকে সরকারি নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করা প্রয়োজন। দিন কয়েক আগে এ কথা বলেছিলেন বিশ্বহিন্দু পরিষদের (VHP) কার্যকরী সভাপতি অলোক কুমার। দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে ওই কথা বলেছিলেন তিনি। অলোক কুমার বলেছিলেন, আচার্য সভা আমাদের যে ডেটা দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে ভারত জুড়ে দু লাখের বেশি মন্দির সরকারি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই মন্দিরগুলি ফি বছর সরকারকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা দেয়। তাঁর প্রশ্ন, সরকার যদি মসজিদ, চার্চ এবং গুরুদ্বারকে নিয়ন্ত্রণ না করে, তাহলে কেন মন্দিরকে? বিশ্বহিন্দু পরিষদের এই নেতা বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্যে আলাদা একটি মন্ত্রক এবং দফতর তৈরি করা প্রয়োজন যারা ধর্মীয় এবং তীর্থস্থানগুলির পবিত্রতা নিশ্চিত করবে।

    ধর্মীয় তীর্থস্থানগুলির উন্নয়ন…

    বিশ্বহিন্দু পরিষদের এই নেতা বলেন, ধর্মীয় তীর্থস্থানগুলির উন্নয়ন পর্যটনস্থলের মতো করলে হবে না। কারণ প্রকৃতিগতভাবে এরা আলাদা। এর পরেই অলোক কুমার বলেন, এটা আমাদের দাবি তীর্থস্থানগুলির উন্নয়নকল্পে আলাদা মন্ত্রক তৈরি করা প্রয়োজন। এদিন লাভ জিহাদ এবং ধর্মান্তকরণ নিয়েও মুখ খোলেন অলোক কুমার। তিনি বলেন, ধর্ম রক্ষা অভিযানের মাধ্যমে বিশ্বহিন্দু পরিষদ যে কেবল দেশবাসীকে লাভ জিহাদ এবং ধর্মান্তকরণ নিয়ে সচেতন করবে তা নয়, দেশকে এসব থেকে মুক্তও করবে। প্রসঙ্গত, ডিসেম্বরের ২১ তারিখ থেকে ৩১ পর্যন্ত টানা ১০ দিন ধরে চলবে ধর্ম রক্ষা অভিযান। অলোক কুমার বলেন, এমনকি সুপ্রিম কোর্টও ধর্মান্তকরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এতে টোপ থাকতে পারে, থাকতে পারে ভয় এবং প্রতারণাও। তিনি বলেন, ধর্মান্তকরণের বিরুদ্ধে কঠোর আইন তৈরি করা উচিত।

    আরও পড়ুন: পাক-অধিকৃত কাশ্মীর আমাদের, ফের আমাদের হওয়া উচিত, দাবি আরএসএস নেতার

    বিশ্বহিন্দু পরিষদের (VHP) এই নেতা বলেন, জাতীয় ঐক্যের পক্ষে যা ভীতিকর এবং দেশের ভূখণ্ড যাতে অটুট থাকে, সেজন্য বিশ্বহিন্দু পরিষদ মঙ্গলগীত বাজিয়েছে। এখন সমাজ একটা স্থায়ী সমাধান দেখছে। তিনি বলেন, এই সংগঠন (বিশ্ব হিন্দু পরিষদ) নানাভাবে গণ-সচেতনতা গড়ে তুলবে। প্রসঙ্গত, বিশ্বহিন্দু পরিষদের (VHP) দাবি, ১৯৬৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৬২ লক্ষ হিন্দুকে ধর্মান্তকরণ থেকে রক্ষা করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে ন লক্ষ মানুষকে স্বধর্মে ফেরানো গিয়েছে। অলোক কুমার বলেন, প্রায় ২৫ হাজার হিন্দু মহিলাকে উদ্ধার করা গিয়েছে লাভ জিহাদের ফাঁদ থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।       

LinkedIn
Share