Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Election Commission India: পুনর্নির্বাচন ও স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষককে  নির্দেশ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের, কোথায় কোথায় হবে নির্বাচন?

    Election Commission India: পুনর্নির্বাচন ও স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষককে  নির্দেশ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের, কোথায় কোথায় হবে নির্বাচন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটদান প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commission India) জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর (Subrata Gupta) সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছেন। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ডায়মন্ড হারবারের একাধিক বুথের ইভিএমে টেপ লাগিয়ে ভোট দানে বাধা দেওয়ার কারণে আরেকবার নির্বাচন প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। পর্যবেক্ষককে যথাযথ ভাবে পরিদর্শনের কথা জানিয়েছেন।

    কঠোর স্ক্রুটিনির নির্দেশ (Election Commission India)

    দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোটের পরে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) কাছে আবেদনও জানানো হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা, মগরাহাট এবং সোনারপুর এলাকায় পুনর্নির্বাচনের স্ক্রুটিনিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে (Subrata Gupta) দায়িত্ব দিয়েছেন। উল্লেখ্য এই কেন্দ্রগুলি তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংসদীয় কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। ভোটগ্রহণ পর্বে যেসব বুথ থেকে অনিয়ম বা অশান্তির অভিযোগ উঠেছে, সেগুলিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্ক্রুটিনি বা এই বিশেষ পর্যালোচনার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে কোথায় কোথায় পুনর্নির্বাচন (Re-poll) প্রয়োজন।

    নিরপেক্ষতা বজায় রাখা

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commission India) স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিন্দুমাত্র গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। ভোটদাতাদের গণতান্ত্রিক অধিকার যাতে লঙ্ঘিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে পর্যবেক্ষককে নিরপেক্ষ ও দৃঢ় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথায় কোথায় পুনর্নির্বাচন হবে, তা স্ক্রুটিনি করে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। এ বার সেই স্ক্রুটিনি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হল পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে।

    রিপোর্ট তলব

    ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের যে ৭৭টি বুথে পুননির্বাচনের আবেদন জানানো হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে, ফলতা বিধানসভার ৩২টি, ডায়মন্ড হারবারের ২৯টি, বজবজের ৩টি এবং মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার ১৩টি। বিশেষ পর্যবেক্ষকের কাছ থেকে প্রতিটি বিতর্কিত বুথের বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে কমিশন (Election Commission India)। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে যে, নির্দিষ্ট কোন কোন কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে।

    নির্দেশিকা

    নির্বাচনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই কমিশনের (Election Commission India) প্রাথমিক লক্ষ্য। অশান্তি বা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ওঠা বুথগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা এবং প্রিসাইডিং অফিসারদের ডায়েরিও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। জনমতের সঠিক প্রতিফলন ঘটাতে এবং নির্বাচনকে ত্রুটিমুক্ত রাখতে নির্বাচন কমিশন যে অত্যন্ত তৎপর ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে, এই নির্দেশ তারই প্রতিফলন। এর সবকটাতেই পর্যবেক্ষণে থাকবেন সুব্রত গুপ্ত (Subrata Gupta)।

    আর তাই ভোট পরবর্তী পর্যালোচনার (Scrutiny) জন্য ডায়মন্ড হারবারে সশরীরে উপস্থিত হয়েছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। তাঁর উপস্থিতিতেই বিতর্কিত বুথগুলোর নথিপত্র এবং ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    অভিযোগের গুরুত্ব বিচার

    ভোটগ্রহণের দিন ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তি, ছাপ্পা ভোট এবং বিরোধীদের এজেন্টদের বাধা দেওয়ার একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। এই অভিযোগগুলো কতটা সত্য, তা যাচাই করতেই কমিশন এই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।

    কমিশনের (Election Commission India) নির্দেশে স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া চলাকালীন সংশ্লিষ্ট এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি বুথের প্রিসাইডিং অফিসারের ডায়েরি, ১৭-সি ফর্ম এবং সিসিটিভি ফুটেজ অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। যদি স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়ায় কোনও বুথে বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়ে, তবে সংশ্লিষ্ট বুথগুলোতে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারে কমিশন।

    নিরপেক্ষতার আশ্বাস

    সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা এবং নির্বাচনের পবিত্রতা বজায় রাখতে কমিশন যে কোনও প্রকার আপস করবে না, বিশেষ পর্যবেক্ষকের এই সফর এবং তৎপরতা তারই ইঙ্গিত দেয়। ডায়মন্ড হারবারের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ওঠা বিতর্ক নিরসনে এবং নিরপেক্ষ ফলাফল নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এখন অত্যন্ত কঠোর ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

    লোকসভার ভোটেও হয়েছিল লুট! 

    উল্লেখ্য এইসব এলাকা তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এখানে গত লোকসভার ভোটে ৭ লাখের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। বিজেপির অবশ্য দাবি, এই লোকসভার কোথাও ভোট হয়নি। মানুষকে বুথে পৌঁছাতে দেওয়া হয়নি। জাহাঙ্গীর, শাহজাহানের অনুচরা বিরাট মাত্রায় ভোট লুট করেছিল বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। একই ভাবে ২৯ এপ্রিল ফলতায় ভোট দিতে গিলে ইভিএমে টেপ লাগিয়ে বিজেপির প্রতীককে ঢেকে দেওয়া হয়। এরপর সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আপাতত নির্বাচনে মানুষের ভোটাধিকার সঠিক ভাবে যাতে হয় কমিশনের এটাই এখন প্রাথমিক লক্ষ্য।

  • Assembly Election 2026: গণনাকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা, কিউআর-ভিত্তিক আইডি চালু করছে নির্বাচন কমিশন

    Assembly Election 2026: গণনাকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা, কিউআর-ভিত্তিক আইডি চালু করছে নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট (Assembly Election 2026) গণনা প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। এবার থেকে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের জন্য চালু করা হচ্ছে কিউআর কোড-ভিত্তিক ফটো আইডেন্টিটি কার্ড। গণনা কেন্দ্রে যে কোনও অচেনা ব্যক্তির প্রবেশ বন্ধ করতে কমিশন ‘ECINET’-এ কিউআর কোড-ভিত্তিক ফটো আইডেন্টিটি কার্ড মডিউল চালু করেছে। আগামী সোমবার গণনা। তার আগে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে কমিশন। ২৪ ঘণ্টা ধরে সিসিটিভি-র নজরদারি চলছে। সব দলের সই সম্মতিতে ইভিএম সিল করে দেওয়া হয়েছে।

    কেন এই নতুন পরিচয়-পত্র

    গণনা কেন্দ্রগুলিতে নিরাপত্তা বাড়াতে কিউআর-ভিত্তিক পরিচয়পত্র ব্যবস্থা চালু করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। গণনা কেন্দ্রগুলিতে কোনও অননুমোদিত ব্যক্তির প্রবেশের সম্ভাবনা দূর করতে, নির্বাচন কমিশন ‘ইসিআইনেট’ অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে একটি কিউআর কোড-ভিত্তিক পরিচয়পত্র চালু করেছে। অসম, কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ এবং পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচন এবং ৫টি রাজ্যের ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য আগামী ৪ মে ভোট গণনা হবে। গণনা কেন্দ্রগুলিতে পরিচয় যাচাইয়ের জন্য একটি ত্রি-স্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরে রিটার্নিং অফিসার পরিচয়পত্র যাচাই করবেন। এর পরে, কিউআর কোড স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে সফল যাচাই পর্বের পরেই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। কমিশনের মতে, এই উদ্যোগ গত এক বছরে নেওয়া ৩০টিরও বেশি সংস্কারের অংশ। এর আগে বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) জন্যও কিউআর কোড-যুক্ত পরিচয়পত্র চালু করা হয়েছিল।

    কারা পাবেন কিউআর পরিচয়-পত্র

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে সব লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে এই ব্যবস্থা চালু করা হবে। তিন স্তরের নিরাপত্তা শেষ স্তরে কিউআর স্ক্যানের পরেই মিলবে প্রবেশের অনুমতি। নতুন কিউআর কোড-ভিত্তিক পরিচয়পত্রগুলি গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের জন্য অনুমোদিত বিভিন্ন শ্রেণির ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য হবে। যার মধ্যে রয়েছেন রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, গণনা কর্মী, কারিগরি কর্মী, প্রার্থী, ইলেকশন এজেন্ট এবং কাউন্টিং এজেন্টরা। অনুমোদিত গণমাধ্যম কর্মীদের সুবিধার জন্য প্রতিটি গণনাকেন্দ্রের কাছে একটি মিডিয়া সেন্টার স্থাপন করা হবে। অনুমোদিত সাংবাদিকদের প্রবেশ আগের মতোই কমিশন প্রদত্ত অনুমতিপত্রের ভিত্তিতেই হবে; তাঁদের জন্য আলাদা কিউআর আইডি চালু করা হচ্ছে না। জেলা নির্বাচন আধিকারিক (DEO) এবং রিটার্নিং অফিসারদের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট চেকপয়েন্টে প্রশিক্ষিত কর্মী মোতায়েন করে যাতে নির্বিঘ্ন ও সুরক্ষিত প্রবেশ নিশ্চিত করা যায়, সেদিকেও জোর দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভোট গণনা প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও দক্ষতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

     

     

     

     

  • Supreme Court on Abortions: ‘আইন বদলান’, ধর্ষণের শিকার হওয়া মহিলাদের স্বেচ্ছায় গর্ভপাতের বিষয়ে কেন্দ্রকে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court on Abortions: ‘আইন বদলান’, ধর্ষণের শিকার হওয়া মহিলাদের স্বেচ্ছায় গর্ভপাতের বিষয়ে কেন্দ্রকে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও নাবালিকাকে গর্ভপাত না-করানোর জন্য জোর করা যায় না— বৃহস্পতিবার এক মামলার শুনানিতে এমনটাই জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের মন্তব্য, কেন্দ্রের উচিত আইন সংশোধন করা, যাতে ধর্ষণের শিকার হওয়া মহিলারা গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহের পরেও (বিশেষ ক্ষেত্রে ২৪ সপ্তাহ পরে) স্বেচ্ছায় গর্ভপাত করানোর অনুমতি পান। চলতি মাসেই শুরুর দিকে ৩০ সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় ১৫ বছর বয়সি এক কিশোরীকে গর্ভপাতের অনুমতি দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। একজন ১৫ বছরের কিশোরীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনা করে নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।

    গর্ভাবস্থার শেষের দিকে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ নয়

    একজন অপ্রাপ্তবয়স্কের শারীরিক ও মানসিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা নিঃসন্দেহে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কিন্তু গর্ভধারণ যখন সাত মাসে পৌঁছে যায়, তখন বিষয়টি কেবল চিকিৎসাবিজ্ঞানের নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে জটিল নৈতিক প্রশ্নও। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট একটি ১৫ বছরের কিশোরীকে ৩১ সপ্তাহে গর্ভপাতের অনুমতি দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, তাকে এই গর্ভধারণ চালিয়ে যেতে বাধ্য করা হলে তার মর্যাদা ও মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুতর ক্ষতি হতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, কিশোরী তীব্র মানসিক চাপে ছিল, এমনকী আত্মহত্যার চেষ্টার কথাও উঠে এসেছে। এই রায় সংশ্লিষ্ট পরিবারকে স্বস্তি দিলেও, একসঙ্গে সামনে নিয়ে এসেছে এমন এক বাস্তবতা, গর্ভাবস্থার শেষের দিকে গিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া কখনওই সহজ নয়।

    মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছে!”

    আদালতের ওই নির্দেশের পুনর্বিবেচনা করার জন্য আর্জি জানিয়েছিল এমস। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। এমসের ওই আর্জি নিয়ে প্রশ্ন তোলে দুই বিচারপতির বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। গর্ভপাতের অনুমতি না দিলে ওই শিশুকে সারাজীবন সেই মানসিক ক্ষত বয়ে যেতে হবে। সে ক্ষেত্রে নাবালিকা মায়ের কোনও শারীরিক অক্ষমতা না থাকলে গর্ভপাত করানো উচিত বলেই মনে করছে আদালত। এমসের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্ট বলে, কেউ না চাইলে তাঁর উপর জোর করে গর্ভাবস্থা চাপিয়ে দেওয়া যায় না। বেঞ্চের মন্তব্য, “এক বার ভেবে দেখুন, সে তো এখনও ছোট। এখন তার পড়াশোনায় ব্যস্ত থাকার কথা। অথচ আমরা তাকে জোর করে মা বানাতে চাইছি। ভাবুন তো এই গোটা প্রক্রিয়ায় নাবালিকা কী পরিমাণ মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছে!”

    আইনেও সংশোধনী আনা দরকার

    স্বেচ্ছায় গর্ভপাত করানোর জন্য আইনেও সংশোধনী আনা দরকার বলে মনে করছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। কেন্দ্রের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, “দয়া করে আপনারা আইনটি সংশোধন করুন। ধর্ষণ বা এই ধরনের ঘটনায় কেউ অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ করলে স্বেচ্ছায় গর্ভপাতের জন্য যেন কোনও সময়সীমা না থাকে।” আইনের আরও প্রগতিশীল হওয়া এবং সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা দরকার বলে মনে করছে আদালত। কেন্দ্রের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, আইনকে এমন ভাবে সংশোধন করতে হবে যাতে এই ধরনের আবেদনগুলির এক সপ্তাহের মধ্যেই বিচার হয়ে যায়। এমস-কে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন নির্যাতিতা নাবালিকার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলে এবং সঠিক কাউন্সেলিং করে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যে ওই নাবালিকারই হবে, তা-ও স্পষ্ট করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

    ৩১ সপ্তাহে গর্ভপাত কঠিন

    চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ৩১ সপ্তাহে গর্ভপাত আর সাধারণ অ্যাবরশন নয়। এই সময়ে ভ্রূণ অনেকটাই পরিণত হয় এবং মায়ের শরীরের বাইরে বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও তৈরি হয়। ফলে প্রক্রিয়াটি অনেকটা আগাম প্রসব (প্রিটার্ম ডেলিভারি)-এর মতো হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণত এই পর্যায়ে গর্ভপাত করতে হলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, সংক্রমণ, এমনকী অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়তে পারে। শারীরিক ঝুঁকির পাশাপাশি মানসিক অভিঘাতও কম নয়। অন্যদিকে ২৮ সপ্তাহের পর গর্ভপাত করলে অনেক ক্ষেত্রেই জীবিত শিশুর জন্ম হতে পারে, যাকে নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা (এনআইসিইউ)-এর সাহায্যে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব। এখানেই তৈরি হয় আরেকটি জটিলতা, একদিকে মায়ের অধিকার ও সুস্থতা, অন্যদিকে ভ্রূণের সম্ভাব্য জীবন। এই দ্বন্দ্বের সমাধান নেই।

    কিশোরী মায়েদের ঝুঁকি বেশি

    ১৫ বছর বয়সে শরীর পুরোপুরি গর্ভধারণের জন্য প্রস্তুত থাকে না। তাই এ সময় গর্ভধারণে রক্তাল্পতা, উচ্চ রক্তচাপ, প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া বা প্রসবজনিত জটিলতার ঝুঁকি বেশি থাকে। গর্ভপাত করালেও এই ঝুঁকিগুলো পুরোপুরি এড়ানো যায় না, বরং প্রক্রিয়ার ধরন অনুযায়ী নতুন জটিলতা যোগ হতে পারে। ১৫ বছরে গর্ভধারণ শুধু শারীরিক নয়, গভীর মানসিক চাপও তৈরি করে। অনেক ক্ষেত্রে এর সঙ্গে থাকে ভয়, লজ্জা, সামাজিক চাপ এবং কখনও কখনও নির্যাতনের অভিজ্ঞতা। এই পরিস্থিতিতে মানসিক স্বাস্থ্যকে উপেক্ষা করলে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে। তাই চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক সহায়তাও অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের ক্ষেত্রে সাধারণত একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়, যেখানে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ একসঙ্গে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেন। তারা মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা, গর্ভাবস্থার সময়কাল এবং ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেন।

  • Election Commission India: ইভিএম রাখা স্ট্রং রুম ও গণনা কেন্দ্রগুলির সুরক্ষায় বিশাল বাহিনী মোতায়েন কমিশনের

    Election Commission India: ইভিএম রাখা স্ট্রং রুম ও গণনা কেন্দ্রগুলির সুরক্ষায় বিশাল বাহিনী মোতায়েন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (Election Commission India) ফলাফল ঘোষণার প্রাক্কালে স্ট্রং রুম এবং গণনা কেন্দ্রগুলোর (Evm Strong Room) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভূতপূর্ব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে ইভিএম বদল করে দেওয়ার একাধিক ইস্যুতে বিজেপির তরফে বার বার অভিযোগ করা হচ্ছে। প্রত্যেক জেলার গণনাকেন্দ্রগুলিকে নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে। গণনায় যাতে কোনও কারচুপি না হয় তা নিয়ে এখন ঠেকে কমিশন ভীষণ কড়া ভূমিকায় ময়দানে রয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন (Election Commission India)

    ভোট শেষ হওয়ার পর ইভিএম (Evm Strong Room) রাখা স্ট্রং রুম এবং গণনা কেন্দ্রগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশনের লক্ষ্য হল, ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে কোনও প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা বা কারচুপির আশঙ্কা নির্মূল করা। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার জন্য ন্যূনতম ২৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। স্ট্রংরুম এবং গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় আগে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকলেও এখন সেই সংখ্যা আরও বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে মোতায়েন থাকা ২০০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে ১০০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ২০ কোম্পানি বিএসএফ, ১৫ কোম্পানি আইটিবিপি এবং ১৫ কোম্পানি এসএসবি।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্বাচনে (Election Commission India) প্রতিটি স্ট্রং রুমের বাইরের পরিধিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা চব্বিশ ঘণ্টা পাহারায় থাকবেন। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে প্রতিটি গতিবিধির ওপর কঠোর নজরদারি চালানো হবে। এ বার ২৯৪টি আসনের ভোট গোনা হবে মোট ৮৭টি কেন্দ্রে। এক এক জেলায় গণনা কেন্দ্র ঠিক করা হয়েছে। এই তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ভোটগণনা হয়েছিল ৯০টি কেন্দ্রে। ২০২১ সালের নির্বাচনে গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয় ১০৮টি।

    উত্তর ২৪ পরগনায় কত কেন্দ্র?

    নির্বাচনে (Election Commission India) জেলাগুলির মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এই জেলায় ৩৩ বিধানসভায় মোট গণনা কেন্দ্র ৮টি। এগুলি হল- বারাসত কলেজ, বারাসত পিয়ারিচরণ সরকার হাই স্কুল, বসিরহাট হাই স্কুল, বসিরহাট পলিটেকনিক কলেজ, বিধাননগর কলেজ, বনগাঁর দীনবন্ধু মহাবিদ্যালয়, পানিহাটির গুরুনানক কলেজ ক্যাম্পাস এবং ব্যারাকপুরের রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজ।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১২টি কেন্দ্র

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩১টি আসনের (Election Commission India) ভোট গোনা (Evm Strong Room) হবে ১২টি কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রগুলি হল ঠাকুরপুকুরের বিবেকানন্দ কলেজ, কাকদ্বীপের সুন্দরবন মহাবিদ্যালয়, আলিপুরের হেস্টিংস হাউস কমপ্লেক্সের স্টেট ইনস্টিটিউট অফ ফিজিক্যাল এডুকেশন ফর উইমেন, হেস্টিংস হাউসের সিস্টার নিবেদিতা সরকারি জেনারেল ডিগ্রি কলেজ, মাল্টিপারপাস গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল, ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশন ফর উইমেন, কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম, দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ কলেজ, ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রতচারী বৃদ্ধাশ্রম হাই স্কুল, ক্যানিংয়ের বঙ্কিম সর্দার কলেজ, যাদবপুরের এপিসি রায় পলিটেকনিক কলেজ।

    কলকাতায় ৫টি কেন্দ্র

    কলকাতার ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গোনা (Evm Strong Room) হবে পাঁচটি কেন্দ্রে। এগুলি হল- বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে বাবা সাহেব অম্বেডকর এডুকেশন বিশ্ববিদ্যালয়, বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম, শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল, ডায়মন্ড হারবার রোডের সেন্ট থমাস বয়েজ স্কুল। ভোটগণনা (Election Commission India) হবে।

    উত্তরবঙ্গে গণনা কেন্দ্র

    উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ারের পাঁচটি আসনের গণনা (Evm Strong Room) হবে আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে। জলপাইগুড়ির সাতটি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে হবে— উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস এবং পরিমল মিত্র স্মৃতি মহাবিদ্যালয়। কালিম্পঙের একটি আসনের গণনা হবে স্কটিশ উইনিভার্সিটিস মিশন ইনস্টিটিউশন। ঝাড়গ্রামের চারটি আসনের গণনা হবে রানি ইন্দিরা দেবী সরকারি স্কুলে।

    এ ছাড়া, কোচবিহারের ন’টি আসনের গণনা পাঁচটি কেন্দ্রে, দার্জিলিঙের পাঁচটি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, উত্তর দিনাজপুরের ন’টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে, দক্ষিণ দিনাজপুরে ছ’টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে, মালদহের ১২টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে, মুর্শিদাবাদের ২২টি আসনের গণনা ছ’টি কেন্দ্র।

    নদিয়া সহ রাঢ়বঙ্গে কত গণনা কেন্দ্র

    নদিয়ার ১৭টি আসনের গণনা (Evm Strong Room) চারটি কেন্দ্রে, হাওড়ার ১৬টি আসনের গণনা চারটি কেন্দ্রে, হুগলির ১৮টি আসনের গণনা ছ’টি কেন্দ্রে, পূর্ব মেদিনীপুরের ১৬টি আসনের গণনা চারটি কেন্দ্রে, পশ্চিম মেদিনীপুরের ১৫টি আসনের গণনা চারটি কেন্দ্রে, পুরুলিয়ার ন’টি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, বাঁকুড়ার ১২টি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, পূর্ব বর্ধমানের ১৬টি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, পশ্চিম বর্ধমানের ন’টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে এবং বীরভূমের ১১টি আসনের গণনা তিনটে কেন্দ্রে হবে।

    কমিশনের লক্ষ্য

    নির্বাচনের (Election Commission India) সামগ্রিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কলঙ্কমুক্ত রাখতে এবং জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন ঘটাতে কমিশন বদ্ধপরিকর। গণনার দিন যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটে, তার জন্য জেলা প্রশাসন ও পুলিশকেও বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সংক্ষেপে, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রতিটি ভোটযন্ত্রের সুরক্ষা এবং গণনা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখাই এখন নির্বাচন কমিশনের প্রধান অগ্রাধিকার।

  • US Returns Indian Antiquities: ড্যান্সিং গণেশ থেকে বিরল বুদ্ধ—চুরি যাওয়া ৬৫৭ টি নিদর্শন ভারতকে ফেরত দিল আমেরিকা

    US Returns Indian Antiquities: ড্যান্সিং গণেশ থেকে বিরল বুদ্ধ—চুরি যাওয়া ৬৫৭ টি নিদর্শন ভারতকে ফেরত দিল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (US Returns Indian Antiquities) রক্ষায় বড় সাফল্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরল ৬৫৭টি চুরি হওয়া প্রাচীন নিদর্শন, যার মূল্য প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির দফতর ভারতে ফিরিয়ে দিল ওই চুরি হওয়া প্রাচীন নিদর্শনগুলি। আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘ তদন্তের পর এই বিরল সংগ্রহ উদ্ধার করা হয়। মোট মূল্য প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার। নিউ ইয়র্কে ভারতীয় কনস্যুলেটের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে এই নিদর্শনগুলি হস্তান্তর করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, এই চোরাচালান চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল কুখ্যাত পাচারকারী সুভাষ কপুর এবং দোষী সাব্যস্ত আর্ট ডিলার ন্যান্সি উইনার।

    উদ্ধার হওয়া উল্লেখযোগ্য নিদর্শন

    ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন এল ব্র্যাগ জুনিয়র বলেন, “ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে লক্ষ্য করে যে পাচারচক্র কাজ করেছে, তার পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। এই পুনরুদ্ধার গুরুত্বপূর্ণ হলেও, হারানো ঐতিহ্য ফেরানোর কাজ এখনও চলবে। ফিরিয়ে দেওয়া সামগ্রীগুলির মধ্যে রয়েছে বহু ঐতিহাসিক ও উচ্চমূল্যের শিল্পকর্ম—

    • ব্রোঞ্জ অবলোকিতেশ্বর মূর্তি: মূল্য প্রায় ২ মিলিয়ন ডলার। রায়পুরের মহন্ত ঘাসিদাস মেমোরিয়াল মিউজিয়াম থেকে চুরি হয়ে ১৯৮২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার হয়। ২০২৫ সালে একটি ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে উদ্ধার করা হয়।
    • লাল বেলেপাথরের বুদ্ধ মূর্তি: মূল্য আনুমানিক ৭.৫ মিলিয়ন ডলার। সুভাষ কপুরের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাচার হয়ে নিউ ইয়র্কের একটি গুদাম থেকে উদ্ধার।
    • নৃত্যরত গণেশ মূর্তি: মধ্যপ্রদেশের একটি মন্দির থেকে ২০০০ সালে চুরি হয়। জাল নথির মাধ্যমে বিক্রি হয়ে ২০১২ সালে ক্রিস্টিজ নিলামে ওঠে। চলতি বছরে এক সংগ্রাহক তা স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে দেন।

    আন্তর্জাতিক পাচারচক্রে বড় ধাক্কা

    গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সুভাষ কপুরের পাচারচক্রের (US Returns Indian Antiquities) বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। ২০২২ সালে ভারতে দোষী সাব্যস্ত হন কপুর এবং বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া চলছে। ভারতের কনসাল জেনারেল বিনয় প্রধন এই উদ্যোগের জন্য মার্কিন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই নিদর্শনগুলি আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।” উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬,২০০টি নিদর্শন উদ্ধার করা হয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ৪৮৫ মিলিয়ন ডলার। এগুলি ৩৬টি দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সাম্প্রতিক এই হস্তান্তর খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

  • Assembly Election 2026: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বিশ্রাম নিন, আমরা ১৮০-র বেশি আসন জিতব”, বড় দাবি শুভেন্দুর

    Assembly Election 2026: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বিশ্রাম নিন, আমরা ১৮০-র বেশি আসন জিতব”, বড় দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল নিশ্চিত। ভোটপর্ব (Assembly Election 2026) মেটার পর এমনই দাবি করলেন বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, বিজেপি (BJP) ১৮০-র বেশি আসন জিতে সরকার গড়বে। ভবানীপুর আসন থেকে ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতবেন তিনি। তাঁর কথায়,“মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বিশ্রাম নিন, আমরা ১৮০-র বেশি আসন জিতব। ভবানীপুরে ৯০ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়েছে। হিন্দু ভোটাররা পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।”

    ভয় দেখানোর রাজনীতি মমতার

    শুভেন্দুর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্থানীয় পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও অন্যদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছেন। তাঁর কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুষ্কৃতীদের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। আমি সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছি।” জামাত-এ-ইসলামি সমর্থকরা তাঁর উপর হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলে তাঁকে ঘিরে ফেলার চেষ্টা করে একদল দুষ্কৃতী। দ্বিতীয় দফায় হাইপ্রোফাইল কেন্দ্র ভবানীপুর (Bhabanipur) কেন্দ্র। এবার হেভিওয়েট প্রার্থীদের লড়াই ভবানীপুর কেন্দ্রে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। বুধবার সকাল থেকেই সেই কেন্দ্রে দেখা গিয়েছে উত্তেজনার ছবি।

    নিজের বুথেই হারবেন মমতা

    শুভেন্দুর দাবি, ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড বাদে বাকি সমস্ত ওয়ার্ডেই তিনি লিড পাবেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল (TMC) অশান্তি করার চেষ্টা করলেও কেন্দ্রীয় বাহিনী তা রুখে দিয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর সবথেকে বড় দাবিটি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর নিজের বুথ নিয়ে। তিনি বলেন, “মিত্র ইনস্টিটিউশন, যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের বুথ, সেখানেই উনি (মমতা) অন্তত ২০০ ভোটে হারবেন।” শুভেন্দু আরও জানিয়েছেন, রাজ্যে দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) ফলতায় ইভিএমে টেপ আটকে দেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, সেই ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) তাঁকে ফোন করে খোঁজ নিয়েছেন। সিইও-র সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি দেখতে বলেছেন অমিত শাহ।

  • West Bengal Elections 2026: “পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বদলেছে, জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ বলেছেন, তাঁরাই এখন ভ্যানিশ যাওয়ার দোরগোড়ায়”, তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    West Bengal Elections 2026: “পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বদলেছে, জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ বলেছেন, তাঁরাই এখন ভ্যানিশ যাওয়ার দোরগোড়ায়”, তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বদলেছে”, শেষ দফা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) পর রাজ্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ঠিক এমনটাই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা এবং রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সম্প্রতি বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। একই সঙ্গে তৃণমূলের দৌরাত্ম্য এবং ভোট চুরিকে স্বয়ং পুলিশ কীভাবে রুখে দিয়েছে সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন তিনি। রাজ্যে তৃণমূলের পালা শেষ শুরু হবে বিজেপির শাসন, ঠিক এমনটাই জানালেন এই বিজেপির প্রবীণ নেতা।

    উল্লেখ্য রাজ্যে দুই দফা নির্বাচনে ৯২.৯৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। একদিকে তৃণমূলের লাগাম ছাড়া দুর্নীতির কারণে জনমনে ব্যাপক অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েইছিল, অপর দিকে এসআইআর ভোটারদের ভোটদানকে ব্যাপক উৎসাহ দিয়েছে। কমিশনের কড়ানজরদারি, বাহিনীর সঠিক ব্যবহার এবং রক্তপাতবিহীন ভোট সত্যই বঙ্গবাসীর জন্য দারুণ উপহার। ফলাফল যাই আসুক মানুষ যে ভোট প্রদান করতে পেরেছেন তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক সন্তোষের চিত্র ধরা পড়েছে। এমনটাও বলছেন অভিজ্ঞ মহল।

    নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা (West Bengal Elections 2026)

    দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি জানান, তৃণমূল কংগ্রেস যাঁকে একসময় ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলে বিদ্রূপ করেছিল, সেই কমিশনার অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে শান্তিপূর্ণ ও ঐতিহাসিক নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ কুমার বলেছিল তারাই ভ্যানিশ হয়ে যাওয়ার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন। উনি এবার দুই দফায় ভোট করে খুব বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক ভোট করে দেখিয়েছেন। চাইলে প্রশাসন অনেক কিছু করতে পারে। শুধু উনি নন, কাল কেন্দ্রীয় আধা সেনা তাদের কর্তব্য করেছে। এমনকি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশও ভালো কাজ করেছে। পুলিশও চাইছে সুযোগ দেওয়া হোক। কিছু করে দেখাতে চাইছে। যারা কমিশনারকে (West Bengal Elections 2026) বিদ্রূপ করেছিল, তারাই এখন রাজনৈতিকভাবে ‘ভ্যানিশ’ হওয়ার পথে।”

    পুলিশের ভূমিকা

    বিজেপি প্রার্থী প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এই নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকাকে বিশেষ নজরে দেখছেন। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ ও কলকাতা পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বা শরীরী ভাষায় আমূল পরিবর্তন এসেছে। পুলিশ এখন নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ চাইছে এবং প্রশাসন চাইলে যে সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পন্ন করতে পারে, তা প্রমাণিত হয়েছে। তিনি সাফ কথায় বলেন, “পুলিশ সবথেকে বেশি পাবলিক কন্ট্যাক্ট করে। ওরা পাবলিকের গালাগালি খায় মার খায়। আবার ভালো কাজ করলে প্রশংসা পায়। তারাই সবথেকে আগে বুঝতে পারে কি হতে চলেছে। নাহলে কাল কার্তিক ব্যানার্জীকে পুলিশ যেভাবে চমকেছে, সোজা কথা সোজা ভাবে বলেছে, এইভাবে পিঠ সোজা রেখে কথা বলতে আমরা সাম্প্রতিক কালে পুলিশকে দেখিনি। বিষয়টা (West Bengal Elections 2026) আমার খুব ভালো লেগেছে।”

    আগে সরকার পাল্টাক

    পুলিশের এই বদলে যাওয়া মনোভাবকে তিনি রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশও যথাযথভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। একই ভাবে সরকার গঠন এবং মন্ত্রিত্ব প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে জনগণের জন্য নতুন কোনও ইস্যু নেই। আমি সোশ্যাল মিডিয়ার চর্চায় বিশ্বাসী নই। আমি ফেসবুকের বদলে ফেস টু ফেস বেশি ভরসা রাখি। কিছু মানুষ সোস্যাল মিডিয়ায় সরকার গড়ে ভাঙে মন্ত্রিসভা গঠন করে। আমি সরকার চাই। মন্ত্রিত্ব নয়। সরকার হোক। মন্ত্রিসভা (West Bengal Elections 2026) নিয়ে পরে ভাবা যাবে। বাংলার মানুষ আগে সরকার পাল্টাক। কাল থেকে তো আবহাওয়া পাল্টে গেছে। সরকার তো পাল্টাবেই।”

    পুলিশ, পাবলিক, গ্রাম, শহর সবাই পরিবর্তনের কথা বলেছে

    তবে এই অষ্টাদশ নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) বাংলার ভোট পর্বে আপামার মানুষ পরিবর্তন চেয়েছেন। তাই দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “প্রথম দফায় ১১০। অমিত শাহ বলে গিয়েছেন। দ্বিতীয় দফায় কলকাতায় ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। ঐতিহাসিক ব্যাপার। বাংলার ভোটের ট্রেন্ড বলে দিচ্ছে পরিবর্তন আসছে। কিন্তু আমি সংখ্যা বলতে পারব না, তবে পর্যাপ্ত সিট আসছেই। পুলিশ, পাবলিক, গ্রাম, শহর সবাই পরিবর্তনের কথা বলেছে। বিহারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বোঝা যায়নি কে জিতবে। সংখ্যা বলা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তবে এমন সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাব, যাতে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। বুক ফুলিয়ে সরকার চালানোর মতো মেজরিটি পাব। অন্য দল ভাঙানোর প্রশ্নই নেই। যদি কেউ নিজে থেকে আসতে চায় তাকে সসম্মানে আনা হবে।”

    দিলীপ অবশ্য সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী, তিনি বলেন, ‘‘মানুষ আর শাসক দলকে সমর্থন করবে না। সামগ্রিকভাবে, নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারি এবং পুলিশের ইতিবাচক ভূমিকা এবারের নির্বাচনে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দিতে সাহায্য করেছে।’’ আগামী ৪ এপ্রিল গণনা ওইদিন বোঝা যাবে সরকার কোন দল গঠন করছে।

  • Assembly Election 2026: ভয়হীন ভোটদান! দুই দফাতেই পড়ল রেকর্ড সংখ্যক ভোট, কোন রাজ্যের রেকর্ড ভেঙে ভারত-সেরা বাংলা?

    Assembly Election 2026: ভয়হীন ভোটদান! দুই দফাতেই পড়ল রেকর্ড সংখ্যক ভোট, কোন রাজ্যের রেকর্ড ভেঙে ভারত-সেরা বাংলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সেরা বাংলা। ভোটদানে (Assembly Election 2026) রেকর্ড গড়েছে পশ্চিমবঙ্গ। বুধবার দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণ শেষে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ঘোষণা করেছেন যে, স্বাধীনতার পর থেকে এবারই দুই দফার নির্বাচনে রাজ্যে সর্বোচ্চ শতাংশ ভোট পড়েছে। নির্বাচন কমিশনের ‘ECINet’ অ্যাপের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৯২.৬৩ শতাংশ। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাংলায় মোট ভোট পড়েছে ৯২.৯৩ শতাংশ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের দাবি, স্বাধীনতার পর যত ভোট হয়েছে এবারই রেকর্ড হয়েছে বাংলায়। ভোটদানের এই হার সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোর সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে।

    সারা দেশে ভোটদানে নজির বাংলার

    প্রথম দফাতেই ইঙ্গিত মিলেছিল। দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ ভোটের হারের রেকর্ড গড়ে ফেলল পশ্চিমবঙ্গ। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের পর এ রাজ্যে রাত ১২টা পর্যন্ত কমিশন ৯২.৬৩ শতাংশ ভোট পড়ার কথা জানিয়েছে। এখনও কমিশনের তরফে চূড়ান্ত ভোটের হার প্রকাশ করা হয়নি। তবে এ পর্যন্ত যে পরিসংখ্যান এসেছে, তাতে দেশের এর আগের সমস্ত নজির ভেঙে গিয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় দফা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ৯২.৯৩ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয় গত ২৩ এপ্রিল। ভোট পড়েছিল ৯৩.১৯ শতাংশ। সে দিনই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়ে দিয়েছিলেন, স্বাধীনতার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে এত ভোট কখনও পড়েনি। দ্বিতীয় দফাতেও ভোটের হারে নজির তৈরি হল।

    কোন রাজ্যের রেকর্ড ভাঙল বাংলা

    এর আগে দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ ভোটদানের রেকর্ড ছিল ত্রিপুরার দখলে। সেখানে ২০১৩ সালে‌ ৯১.৮২ শতাংশ ভোট পড়েছিল, যা এত দিন পর্যন্ত দেশে বিধানসভা নির্বাচনের নিরিখে সর্বোচ্চ ছিল। ১৩ বছর ধরে ওই নজির অক্ষত ছিল। পশ্চিমবঙ্গের ভোট তা ভেঙে দিল। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে বরাবরই ভোট বেশি পড়ে। কমিশনের পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা যাচ্ছে, ১৯৯৩ সালে নাগাল্যান্ডে ৯১.৫৩ শতাংশ, ১৯৯৫ সালে মণিপুরে ৯১.৪১ শতাংশ, ২০০৮ সালে মেঘালয়ে ৮৮.৯৯ শতাংশ, ২০২৪ সালে অরুণাচল প্রদেশে ৮২.২৯ শতাংশ, ১৯৯৯ সালে সিকিমে ৮১.৮৩ শতাংশ, মিজোরামে ১৯৮৯ সালে ৮১.৩০ শতাংশ সর্বোচ্চ ভোট পড়েছিল। এসআইআর-এর পর ২০২৬ সালে অসমেও ভোটের হারে নজির তৈরি হয়েছে। সেখানে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৮ শতাংশ, এখনও পর্যন্ত ওই রাজ্যের নিরিখে সর্বোচ্চ।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    ভোটের এই পরিসংখ্যান নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তুঙ্গে। কলকাতার হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, তাঁর কেন্দ্রে এবার ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে, যা এই আসনের জন্য একটি নতুন রেকর্ড। ২০২১ সালে এখানে ৮২ শতাংশ এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছিল। শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, বিগত নির্বাচনে শাসকদল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছিল, কিন্তু এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশি কড়াকড়ির কারণে তারা সফল হতে পারেনি।

    অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন

    ভোট দানে রেকর্ড গড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এমন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন শেষ কবে দেখেছে পশ্চিমবঙ্গ তা ভেবে বলতে হয়। এইভাবে ভোট করানোই ছিল মূলত নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে চ্যালেঞ্জ। ভোটাররা যাতে ভয়হীন ভাবে ভোট দিতে যেতে পারেন, সেই দিকে বারেবারে নজর রেখেছে কমিশন। ভোট শুরুর অনেক আগেই আস্থা জোগাতে বঙ্গে হাজির করানো হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Force)। আর তার ফল মিলল ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল হাতে নাতে।  নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে এ বার ৫১ লক্ষ ভোটার কম ছিল। তবে ভোট পড়েছে আগের বারের তুলনায় ৩০ লক্ষেরও বেশি।

    রাজ্যে প্রাণহানি হয়নি, ভয়হীন ভোটদান

    কমিশনের দেওয়া তথ্য বলছে, এবারের ভোটে পাঁচ লক্ষ কর্মী কাজ করেছেন। ফলস ভোটিংয়ের অভিযোগ বেশি এসেছে ঠিকই, তবে হিংসা কম হয়েছে। সব থেকে উল্লেখযোগ্য, দুই দফা ভোটেই কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। অথচ পাঁচ বছর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে ২৪ জনের প্রাণ গিয়েছিল বাংলায়। আবার তারও পাঁচ বছর আগে অর্থাৎ ২০১৬ সালে সাত জন নির্বাচনী হিংসার বলি হয়েছিলেন। কিন্তু এবার সেই সংখ্যাটাই শূন্য। এটা যে কমিশনের বড় সাফল্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আবার ২০২১ সালে ৬৯টি বোমা উদ্ধার হয়েছিল। কিন্তু এবার একটিও বোমা উদ্ধারের খবর নেই। কমিশন বলছে- একটা সময়ে এক শ্রেণির মানুষ ছিলেন যাঁরা ভোট দানে বিরত থাকতেন। তবে অবাধ ভয়হীন ভোটদানের প্রতি মুহূর্তে প্রচারের জন্য এমন হয়েছে তাঁরাও ভোট দিয়েছেন। বুথ থেকে পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়া বিশেষ করে বিরোধী দলের পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়ার ঘটনা বাংলায় নতুন কিছু নয়, তবে উল্লেখযোগ্য ভাবে এবার এমন কিছুই হয়নি। একটাও ঘটনা এমন নয় যেখানে পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

    দুই দফাতেই শান্তিপূর্ণ ভোট

    কমিশনের পদক্ষেপ নির্বাচনে যাঁরা যাঁরা সমস্যা তৈরি করতে পারেন, তেমন ৬৮৭ জন-কে প্রিভেন্টিভ গ্রেফতার করা হয়েছিল। ব্যাক টেপ-সেলো টেপ, আতর ইত্যাদি অভিযোগ এসেছে মোট ৭৭টি বুথ থেকে। পুনরায় নির্বাচন হবে ফলতার ৩২, মগরাহাটে ১৩, ডায়মণ্ডহারবারে ২৯, বজবজ ৩ বুথে। বাংলার সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ দেখিয়ে দিয়েছে, দুই দফাতেই শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে সাত-আট দফার থেকে। কোনও মৃত্যু হয়নি। বড়সড় কোনও গণ্ডগোল হয়নি। ছোটখাটো তো সব জায়গায় হয়। তবে, এবার পশ্চিমবঙ্গ দেখিয়ে দিয়েছে।” পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব নজির তৈরি হল এই বিপুল উৎসাহকে ‘ভোটের উৎসব, বাংলার গর্ব’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

    পশ্চিমবঙ্গে এত দিন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোটদানের নজির ছিল ২০১১ সালে। ভোট পড়েছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ এবং সেই ভোটে ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান হয়েছিল। পরিবর্তনের হাওয়ায় রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল। এ বারের পশ্চিমবঙ্গে এই বিপুল সংখ্যক বাড়তি ভোট কোন পক্ষে যায়, সেটাই দেখার।

  • S-400 Triumphal: মে মাসেই ভারতে আসছে চতুর্থ এস-৪০০ মিসাইল স্কোয়াড্রন! পশ্চিম সীমান্তে মোতায়েনের সম্ভাবনা, ঘুম উড়বে পাকিস্তানের

    S-400 Triumphal: মে মাসেই ভারতে আসছে চতুর্থ এস-৪০০ মিসাইল স্কোয়াড্রন! পশ্চিম সীমান্তে মোতায়েনের সম্ভাবনা, ঘুম উড়বে পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের আকাশপথের নিরাপত্তাকে আরও নিশ্ছিদ্র করতে বড়সড় সুখবর। মে মাসেই ভারতের হাতে আসতে চলেছে চতুর্থ এস-৪০০ (S-400 Triumphal) এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেমের স্কোয়াড্রন। প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, অত্যাধুনিক এই যুদ্ধাস্ত্রটি দেশের পশ্চিম সীমান্তে মোতায়েন করা হতে পারে, যা পাকিস্তান ও সংলগ্ন অঞ্চলের আকাশপথের ওপর কড়া নজরদারি (Air Defence System) চালাবে। এবার ঘুম উড়বে শত্রু রাষ্ট্রের।

    প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিতে নয়া মোড় (S-400 Triumphal)

    রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের এস-৪০০ চুক্তি অনুযায়ী, মোট পাঁচটি স্কোয়াড্রন ভারতের পাওয়ার কথা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে সরবরাহে কিছুটা দেরি হলেও, মে মাসের মধ্যেই চতুর্থ স্কোয়াড্রনটির (S-400 Triumphal) সমস্ত অংশ ভারতে পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এর আগের তিনটি স্কোয়াড্রন উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তে মোতায়েন (Air Defence System) করা হয়েছে, যা চিন ও পাকিস্তান উভয় দিক থেকেই আসা যে কোনও আকাশপথের হুমকি মোকাবিলায় সক্ষম।

    এস-৪০০-এর ক্ষমতা (S-400 Triumphal)

    • পাল্লা: এটি প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকে নিখুঁতভাবে ধ্বংস করতে পারে।
    • বহুমুখী লক্ষ্যভেদ: একই সাথে ড্রোন, যুদ্ধবিমান, ব্যালেস্টিক মিসাইল এবং ক্রুজ মিসাইল শনাক্ত ও ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে এই সিস্টেম।
    • প্রযুক্তি: এটি বিশ্বের অন্যতম সেরা সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম (Air Defence System) হিসেবে পরিচিত, যা শত্রু রাডারকেও ফাঁকি দিতে সক্ষম।

    পশ্চিম সীমান্তের গুরুত্ব

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, চতুর্থ স্কোয়াড্রনটি (S-400 Triumphal) পশ্চিম ফ্রন্টে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত কৌশলগত। এর ফলে পাঞ্জাব থেকে শুরু করে রাজস্থান এবং গুজরাট সীমান্ত দিয়ে শত্রুদেশের কোনও অনুপ্রবেশের (Air Defence System) চেষ্টা মুহূর্তে ব্যর্থ করে দেওয়া সম্ভব হবে। আকাশপথে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত নজরদারি চালানোর ক্ষমতার কারণে ভারতের আকাশসীমা কার্যত দুর্ভেদ্য হয়ে উঠবে।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী পঞ্চম তথা শেষ এস-৪০০ স্কোয়াড্রনটি (S-400 Triumphal) ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ভারতে আসার কথা। ভারতের এই ক্রমাগত সামরিক শক্তিশালীকরণ দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ (Air Defence System) বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার এবং ভারতীয় বায়ুসেনায় (IAF) এই আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তি, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এক নয়া উচ্চতায় পৌঁছতে চলেছে।

  • Honeymoon Murder Case: ছোট্ট তথ্যের ভুল! মেঘালয়ে ‘হানিমুন মার্ডার’ মামলায় জামিন পেল মূল অভিযুক্ত সোনম

    Honeymoon Murder Case: ছোট্ট তথ্যের ভুল! মেঘালয়ে ‘হানিমুন মার্ডার’ মামলায় জামিন পেল মূল অভিযুক্ত সোনম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঘালয়ের (Meghalaya) পাহাড়ে মধুচন্দ্রিমা করতে গিয়ে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়েছিল রাজা রঘুবংশীর। সেই চাঞ্চল্যকর ‘হানিমুন মার্ডার’ মামলায় (Honeymoon Murder Case) মূল অভিযুক্ত সোনম রঘুবংশী, পেশ করা একটি ছোট তথ্যগত ভুলের (Clerical Error) সুযোগে জামিন পেয়ে গেল। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থার ফাঁকফোকর নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রাজার পরিবারের তরফে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (Honeymoon Murder Case)

    মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের বাসিন্দা রাজা রঘুবংশী ও সোনম রঘুবংশী বিয়ের পর মধুচন্দ্রিমায় (Honeymoon Murder Case) গিয়েছিলেন মেঘালয়ে (Meghalaya) । সেখানে একটি গভীর খাদ থেকে উদ্ধার হয় রাজার দেহ। পারিবারিক ব্যবসার প্রাক্তন কর্মী রাজ কুশওয়াহার সঙ্গে মিলে হানিমুনের সময় রাজাকে হত্যা করে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা বলে চালানোর পরিকল্পনা করে। সোনমের উপস্থিতিতেই তিনজন ভাড়াটে খুনি ওয়েই সাওডং জলপ্রপাতের কাছে দা দিয়ে রাজাকে আক্রমণ করে। তারপর তাঁর দেহ ফেলে দেওয়া হয় একটি গিরিখাতে, বন্ধ করে দেওয়া হয় ফোনটি।

    কীভাবে মিলল জামিন?

    আদালতে জামিনের আবেদন চলাকালীন একটি চাঞ্চল্যকর বিষয় সামনে আসে। পুলিশি নথিপত্রে নিম্ন আদালতের আদেশে রাজার মৃত্যুর তারিখ বা সময়ের বর্ণনায় একটি করণীয় ছোট তথ্যগত ভুল ছিল বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তের আইনজীবী সেই তথ্যগত ত্রুটিকে (Honeymoon Murder Case) হাতিয়ার করে দাবি করেন যে, পুলিশের পেশ করা তথ্যে অসঙ্গতি রয়েছে এবং তাঁর মক্কেলকে ভিত্তিহীনভাবে ফাঁসানো হয়েছে। আদালত লক্ষ্য করে যে, মামলার নথিতে থাকা সেই নির্দিষ্ট ভুলটি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের গুরুত্বকে কিছুটা লঘু করে দিয়েছে। এর ফলে আইনি প্রক্রিয়ার নিয়ম মেনে আদালত রাজাকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

    পরিবারের ক্ষোভ

    রাজার পরিবার এই ঘটনায় ভেঙে পড়েছে। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশের গাফিলতি বা নথিপত্র তৈরির সময় অসতর্কতার কারণেই একজন খুনের আসামী (Honeymoon Murder Case) এভাবে মুক্তি পেয়ে গেল। তাঁরা এই জামিনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চতর আদালতে (Meghalaya) যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

    আদালতে পুলিশ জানিয়েছিল, রাজাকে খুনের পর শিলং থেকে বেশ কয়েকটি রাস্তা বদল করে ইন্দোরে পৌঁছয় সোনম। সেখানে ৩-৪ দিন সে তার প্রেমিক রাজ কুশওয়াহার বাড়িতে ছিল। ৩-৪ দিন পর সোনমকে ইন্দোরের দেবাসের একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যায় রাজ। সেখানে পৌঁছে নিজের মোবাইলের সিম খুলে রাজকে দিয়েছিল সেনম। তার জন্য নতুন একটি সিমকার্ডের ব্যবস্থা করেছিল রাজ। এত কিছুর পরেও অবশ্য বেশি দিন গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পারেনি সোনম।

    আইনি মহলের প্রতিক্রিয়া

    আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক সময় তদন্তকারী আধিকারিকদের তাড়াহুড়ো বা খসড়া তৈরির সময় অসাবধানতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ মামলায় বড় ধরণের ত্রুটি থেকে যায়। এই ‘ক্ল্যারিক্যাল এরর’ বা তথ্যগত ও করণীয় ভুলের সুযোগ নিয়ে অনেক অপরাধীই আইনি সুবিধা পেয়ে যায়, যা এই ক্ষেত্রেও ঘটেছে।

    মেঘালয় (Meghalaya) পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, তারা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং মামলার পরবর্তী শুনানিতে এই ভুল সংশোধন করে জোরালো তথ্য পেশ করা হবে। আপাতত জামিনে মুক্ত হয়ে রাজা রঘুবংশী ইন্দোরে ফিরে গেলেও, তার ওপর একাধিক আইনি বিধিনিষেধ জারি (Honeymoon Murder Case) করা হয়েছে।

LinkedIn
Share