Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Neville Roy Singham Row: নেভিল রয় সিংহাম বিতর্ক! ভারতে ‘রেজিম চেঞ্জ’-এর অভিযোগে কেন মার্কিন ধনকুবেরকে ঘিরে রাজনৈতিক শোরগোল?

    Neville Roy Singham Row: নেভিল রয় সিংহাম বিতর্ক! ভারতে ‘রেজিম চেঞ্জ’-এর অভিযোগে কেন মার্কিন ধনকুবেরকে ঘিরে রাজনৈতিক শোরগোল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা নেভিল রয় সিংহামের নাম সামনে এনে বিজেপির অভিযোগ, আন্তর্জাতিক কর্মী সংগঠনগুলির একটি নেটওয়ার্ক ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। এই বিতর্কে কংগ্রেস, বিরোধী নেতাদের বিদেশি যোগাযোগ এবং বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রসঙ্গও তুলে ধরেছে গেরুয়া শিবির। সম্প্রতি বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে সাংবাদিক বৈঠকে নেভিল রয় সিংহামকে ঘিরে একটি বৃহত্তর নেটওয়ার্কের অভিযোগ তোলেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে রাহুল গান্ধী, ক্রিপ্টোকারেন্সি, বিটকয়েন, অনলাইন জুয়া এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলির প্রসঙ্গ। বিজেপির দাবি, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত কিছু সংগঠন ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করতে পারে।

    কে এই নেভিল রয় সিংহাম?

    নেভিল রয় সিংহাম একজন মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং আন্তর্জাতিক বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিচিত অর্থদাতা। তিনি তথ্যপ্রযুক্তি পরামর্শদাতা সংস্থা থট ওয়ার্কস (Thoughtworks)-এর প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৭ সালে প্রাইভেট ইক্যুইটি সংস্থার কাছে প্রায় ৭৮৫ মিলিয়ন ডলারে সংস্থাটি বিক্রি করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সিংহাম নিউ ইয়র্কভিত্তিক বামপন্থী অলাভজনক সংগঠন দ্য পিপলস ফোরাম (The People’s Forum)-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থদাতা হিসেবেও পরিচিত। তাঁর স্ত্রী জোডি ইভান্স যুদ্ধবিরোধী সংগঠন কোডপিঙ্ক (CODEPINK)-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। সংস্থা বিক্রির পর সিংহাম আন্তর্জাতিক স্তরে বিভিন্ন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক প্রচার সংগঠন এবং থিঙ্কট্যাঙ্ককে অর্থসাহায্য করেছেন বলে সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তাঁর ব্যবসায়িক কার্যক্রমের কেন্দ্র সাংহাইয়ে সরিয়ে নেওয়ার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসে। এই অর্থসাহায্য এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ নিয়েই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিশেষ করে চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের পরিসরের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ সামনে আসার পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়। তবে সিংহম চিন সরকারের নির্দেশে কাজ করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    কী এই ‘রেজিম চেঞ্জ’ অভিযোগ?

    বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, বিভিন্ন দেশের কিছু রাজনৈতিক ও কর্মী সংগঠন প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রচার এবং প্রসার ঘটাতে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। তাদের অভিযোগ, এই ধরনের কার্যকলাপ ভারতের নির্বাচিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হতে পারে। বিজেপি মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারী ‘Global Chaos Inc Grows to 101 Groups’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করেছেন। ওই প্রতিবেদনে ১৩টি দেশের ১০১টি সংগঠনের একটি নেটওয়ার্কের কথা বলা হয়েছে, যারা বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রচার, সংগঠন বা প্রসারে ভূমিকা রাখছে বলে অভিযোগ। বিজেপির তরফে ভারত, ফ্রান্স, স্পেন এবং আলবেনিয়ায় প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি সিংহামের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে দাবি করা কিছু সংগঠনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলির সঙ্গে বিরোধী নেতাদের যোগাযোগ এবং ভারতের বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচির মধ্যে সম্ভাব্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে বিভিন্ন দেশের প্রতিবাদ কর্মসূচির মধ্যে যোগসূত্র থাকার দাবি থেকেই ভারতে সরকার পরিবর্তনের কোনও পরিকল্পনা প্রমাণিত হয় না।

    রাহুল গান্ধীকে ঘিরে নিশিকান্ত দুবের প্রশ্ন

    এই বিতর্কে সরাসরি কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীকে নিশানা করেছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি প্রশ্ন তোলেন, গত পাঁচ বছরে রাহুল গান্ধী ক্রিপ্টোকারেন্সি, অনলাইন জুয়া এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে যুক্ত বলে উল্লেখ করা বিভিন্ন মহলের কার কার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। দুবে আরও প্রশ্ন করেন, ওই মহলের কেউ রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ কিংবা অন্যান্য রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন কি না। বিদেশ সফরের সময় তাঁর বৈঠকগুলির উদ্দেশ্য কী ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিজেপি সাংসদ। এ ছাড়া ভোটার তালিকা সংশোধন এবং নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহি সংক্রান্ত দাবিতে চলা প্রতিবাদ কর্মসূচিগুলিকেও বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তুলে ধরেছে বিজেপি।

    ২০২৩ সালেই ভারতে আলোচনায় উঠে আসে সিংহামের নাম

    ভারতে নেভিল রয় সিংহামকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত আরও আগে। ২০২৩ সালে মার্কিন সংবাদপত্র দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে সিংহামের আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত বিভিন্ন সংগঠন এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের পরিসরের সঙ্গে তাঁর কথিত যোগাযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রতিবেদনটিতে ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম নিউজক্লিকের (NewsClick) সঙ্গে সিংহামের আর্থিক যোগসূত্রের অভিযোগও উঠে আসে। নিউজক্লিকের প্রতিষ্ঠাতা প্রবীর পুরকায়স্থ। অভিযোগ ছিল, আন্তর্জাতিক অর্থসাহায্যের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমটি অর্থ পেয়েছিল। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর নিউজক্লিকের অর্থের উৎস এবং বিদেশি অর্থপ্রবাহ নিয়ে ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি তদন্ত শুরু করে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে দিল্লি পুলিশ প্রবীর পুরকায়স্থ এবং নিউজক্লিকের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান অমিত চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করে। তাঁদের বিরুদ্ধে বেআইনি বিদেশি অর্থসাহায্য এবং চিনপন্থী প্রচার চালানোর অভিযোগ ওঠে। সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া ও তদন্তের বিষয়টি আলাদা করে বিবেচনা করা জরুরি।

    ফ্রান্সের বিক্ষোভ ও দিল্লির প্রতিবাদের মধ্যে যোগসূত্র?

    এই বিতর্কে ফক্স নিউজ-এর একটি প্রতিবেদনের কথাও উল্লেখ করেছে বিজেপি। ওই প্রতিবেদনে ফ্রান্সের দাঙ্গা এবং দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ঘিরে প্রতিবাদ কর্মসূচির মধ্যে সম্ভাব্য যোগাযোগের দাবি করা হয়েছে বলে বিজেপির বক্তব্য। প্রতিবেদনটির দাবি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা ১০১টি সংগঠনের একটি নেটওয়ার্ক প্রতিবাদ কর্মসূচির সমন্বয়, আয়োজন অথবা প্রচারে ভূমিকা রাখছে। বিজেপি এই দাবিকে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য প্রভাবের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরছে। তবে এই দাবিগুলির স্বাধীন যাচাই, সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলির নির্দিষ্ট ভূমিকা এবং প্রতিবাদ কর্মসূচিগুলির মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের প্রমাণ আলাদাভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। কোনও সংগঠন প্রতিবাদের পক্ষে প্রচার চালালেই তার পিছনে বিদেশি সরকারের নির্দেশ বা সরকার পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই বিতর্ক?

    নেভিল রয় সিংহামকে ঘিরে বিতর্ক মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে।
    – বিদেশি অর্থসাহায্যের স্বচ্ছতা: আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলিকে দেওয়া অর্থ কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট দেশের আইন মেনে তা পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
    – রাজনৈতিক প্রতিবাদের স্বাধীনতা: কোনও প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক সংগঠনের সমর্থন থাকলেই সেটিকে ষড়যন্ত্র বলা যায় না। অভিযোগের পক্ষে নির্দিষ্ট ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ থাকা জরুরি।
    – রাজনৈতিক যোগাযোগ ও জবাবদিহি: রাজনৈতিক নেতাদের বিদেশি যোগাযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে যোগাযোগের অস্তিত্ব এবং বেআইনি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগ এক বিষয় নয়।
    সব মিলিয়ে, নেভিল রয় সিংহামকে কেন্দ্র করে বিতর্ক নতুন করে ভারতের রাজনীতিতে বিদেশি অর্থসাহায্য, আন্তর্জাতিক কর্মী সংগঠন এবং রাজনৈতিক প্রতিবাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি এই ঘটনাকে মোদি সরকারকে অস্থিতিশীল করার সম্ভাব্য প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে।

  • Para Asian Games 2026: প্যারা এশিয়ান গেমসে রেকর্ড পদক! ৩০টি সোনা-সহ ১১৪টি পদক, শুভেচ্ছাবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    Para Asian Games 2026: প্যারা এশিয়ান গেমসে রেকর্ড পদক! ৩০টি সোনা-সহ ১১৪টি পদক, শুভেচ্ছাবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যারা এশিয়ান গেমসে মোট ১১৪টি পদক নিয়ে তালিকায় চতুর্থ স্থানে শেষ করল ভারত। ইতিহাসে নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স করলেন ভারতের ক্রীড়াবিদরা। এত পদক এর আগে কোনও এশিয়ান গেমসে জেতেনি ভারত। ঝুলিতে তাঁরা পুরেছে মোট ৩০টি সোনা। দেশের প্যারা ক্রীড়াবিদদের সাফল্যের পর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি উল্লেখ করেছেন যে এই সাফল্য গোটা দেশের জন্য গর্বের, গোটা দেশ ক্রীড়াবিদদের জন্য গর্বিত। দেশের প্যারা এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এটাই সেরা সাফল্য বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    গোটা দেশের জন্য গর্বের

    নিজের সোশ্য়াল মিডিয়া পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘দুর্দান্ত পারফরম্য়ান্স ভারতের ক্রীড়াবিদদের জন্য। ১১৪টি পদক জিতেছে ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা। এটা গোটা দেশের জন্য গর্বের। প্রত্যেকে দেশের জন্য নিজেদের সেরা পারফরম্য়ান্সটা দিয়ে থাকেন। আমি প্রত্যেক ক্রীড়াবিদকে শুভেচ্ছা জানাতে চাই। প্রত্যেক অ্য়াথলিট তাঁদের সেরাটা দিয়েছেন।’২০২৩ এশিয়ান গেমস হাংঝাউতে মোট ১০৮টি পদক জেতে। সেবার ২৭টি সোনা জিতেছিলেন ভারতের প্যারা অ্য়াথলিটরা। এবার পুরুষদের শটপাট এফ ৪৬ ইভেন্টে ভারতের প্যারা ক্রীড়াবিদরা ‘ক্লিন সুইপ’ করে তিনটি পদকই জিতেছিল। প্যারা তিরন্দাজি, প্যারা সাঁতার ও পাওয়ারলিফটিংয়েও ভারত পদক পেয়েছে।

    কোন বিভাগে কয়টি পদক

    এবারের প্যারা এশিয়ান গেমসে ২০৪টি সোনা, ১১৫টি রুপো ও ১০৮টি ব্রোঞ্জ নিয়ে প্রতিযোগিতায় একক আধিপত্য বজায় রেখে শীর্ষে শেষ করেছিল চিন। ৬৩টি সোনা নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপান ও ৪৫টি সোনা জিতে তৃতীয় স্থান দখল করেছে উজবেকিস্তান। ভারতের এবারের পদক তালিকায় সাফল্যের সিংহভাগ এসেছে প্যারা অ্য়াথলেটিক্স থেকে। সেখানে থেকেই ভারত সর্বাধিক ৬৫টি পদক জিতেছে। এরমধ্য়ে ২২টি সোনা ছিল। এছাড়া প্যারা ব্যাডমিন্টন থেকে এসেছে ১৬টি পদক ও প্যারা সাঁতার থেকে এসেছে ১১টি পদক। অন্যদিকে প্যারা-আর্চারি থেকে ৬টি ও প্যারা শ্যুটিং থেকে ৫টি পদক এসেছে এবারের প্যারা এশিয়ান গেমস থেকে।

    প্যারা অ্যাথলেটিক্স: ২২টি সোনা, ১৯টি রুপো, ২৪টি ব্রোঞ্জ নিয়ে মোট ৬৫টি পদক

    প্যারা সাঁতার: ০টি সোনা, ৩টি রূপাে ও ৮টি ব্রোঞ্জ নিয়ে মোট ১১টি পদক

    প্যারা টেবিল টেনিস: ০টি সোনা, ০টি রূপো ও ৭টি ব্রোঞ্জ নিয়ে মোট ৭টি পদক

    প্যারা শ্যুটিং: ২টি সোনা, ২টি রূপা ও ১টি ব্রোঞ্জ নিয়ে মোট ৫টি পদক

    প্যারা জুডো: ০টি সোনা, ১টি রুপাে ও ১টি ব্রোঞ্জ নিয়ে মোট ২টি পদক

    প্যারা পাওয়ারলিফটিং: ০টি সোনা, ২টি রূপা, কোনও ব্রোঞ্জ জেতেনি এই ইভেন্টে ভারত, মোট ২টো পদক

    প্যারা আর্চারি (তিরন্দাজি): ৩টি সোনা, ৩টি রুপাে, কোনও ব্রোঞ্জ নেই, মোট ৬টি পদক

    প্যারা ব্যাডমিন্টন: ৩টি সোনা, ৫টি রূপাে ও ৮টি ব্রোঞ্জ নিয়ে মোট ১৬টি পদক

  • Suvendu on Woman Safety: নাবালিকা বিবাহ রুখতে পদক্ষেপ! নারী-নিরাপত্তায় জোর, লক্ষ্মীপুজোয় বাংলার ‘লক্ষ্মী’দের ভালো রাখার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu on Woman Safety: নাবালিকা বিবাহ রুখতে পদক্ষেপ! নারী-নিরাপত্তায় জোর, লক্ষ্মীপুজোয় বাংলার ‘লক্ষ্মী’দের ভালো রাখার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের লক্ষ্মীদের ভালো রাখতে বদ্ধ পরিকর সরকার। লক্ষ্মীপুজোর সন্ধ্যায় মহানায়ক উত্তম কুমারের বাড়ির পুজোয় গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন তিনি। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কথায় উঠে এল নাবালিকা বিবাহ (prevention of child marriage) থেকে নেশার কবলের মতো সমাজের সংক্রামক ব্যাধি নির্মূলের প্রসঙ্গও। সে বিষয়ে শুধু একা সরকার নয়, মানুষের সাহায্যও চাইলেন তিনি।

    নাবালিকাদের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ

    রাজ্যের নাবালিকা বিবাহ এবং সন্তান প্রসবে নাবালিকাদের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ দিন স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে নাবালিকাদের সন্তান প্রসবের ঘটনা রীতিমতো উদ্বেগের। তিনি এদিন পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, গত ছয় মাসে মুর্শিদাবাদে মোট ১২,৮৫৫টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে গ্রামীণ এলাকায় ১২,৫৮৫ এবং শহরাঞ্চলে ২৬৫টি ঘটনা বলে জানানো হয়েছে। বয়সের নিরিখে ১০–১৩ বছর বয়সিদের মধ্যে ২৮টি, ১৩–১৫ বছর বয়সিদের মধ্যে ৮১৭টি এবং ১৫–১৮ বছর বয়সিদের মধ্যে ৬,৫২৭টি ঘটনা রয়েছে। ১৮ বছর বয়সে নথিভুক্ত ঘটনা ৫,৪৮৩টি। তালিকায় পরবর্তী স্থানে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সেখানে মোট ৪,১৭৮টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে গ্রামীণ এলাকায় ৪,০৬৩ এবং শহরাঞ্চলে ১১৫টি। বয়সভিত্তিক হিসাবে ১০–১৩ বছর বয়সিদের মধ্যে ৫টি, ১৩–১৫ বছর বয়সিদের মধ্যে ২৪৪টি, ১৫–১৮ বছর বয়সিদের মধ্যে ১,৯৬৯টি এবং ১৮ বছর বয়সিদের মধ্যে ১,৯৬০টি ঘটনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের সংরক্ষিত তথ্যের ভিত্তিতেই এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে সমস্ত ঘটনাই হাসপাতালে বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব (institutional delivery) হওয়ায় নথিভুক্ত হয়েছে। ফলে এই পরিসংখ্যানের বাইরে থাকা ঘটনা থাকলে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন থাকছে।

    নাবালিকা বিবাহ রুখতে পদক্ষেপ

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্র বলছে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুনের মধ্যে রাজ্যে প্রায় ৬৭ হাজার নাবালিকা গর্ভধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের ঘটনা নথিবদ্ধ হয়েছে। এই তালিকায় ১২,৮৪৭টি ঘটনা নিয়ে শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলা। এর মধ্যে বড় অংশই ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী কিশোরী, এমনকি ১০ থেকে ১৩ বছর বয়সের প্রসূতিও রয়েছে সেখানে। তালিকায় পরবর্তী স্থানে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৪,১৭৮) ও পূর্ব বর্ধমান (৩,৭৭৭)। এর পর পর্যায়ক্রমে মালদহ, পশ্চিম মেদিনীপুর ও উত্তর দিনাজপুরের মতো জেলাগুলি রয়েছে। ধর্মীয় পরিসংখ্যান বলছে, ১৫ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের মধ্যে প্রায় ৫৩ শতাংশ এক বিশেষ সম্প্রদায়ের হলেও, আইন ও অপরাধের বিচার সব নাগরিকের জন্য সমান। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সন্তান প্রসবকারী নাবালিকাদের স্বামীদের স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে শোকজ নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এক মাসের মধ্যে তাঁদের স্ত্রীদের বয়স ১৮ বছর এবং পুরুষের বয়স ২১ বছর হওয়ার আইনি যোগ্যতা ও বয়সের প্রমাণ পেশ করতে বলা হবে বলে জানানো হয়েছে। বয়সের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। সরকারের বক্তব্য, নাবালিকা বিবাহ এবং নাবালিকাদের সন্তান প্রসব—দুই ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

    গ্রেফতার এবং ধারাবাহিক পুলিশি অভিযান

    সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বাল্যবিবাহের ঘটনা নজরে এলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনের নির্দিষ্ট ধারায় মামলা করা হবে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, শুধু সচেতনতা বা সতর্কবার্তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে না। তাই বাল্যবিবাহ এবং নাবালিকা প্রসবের ঘটনাগুলি চিহ্নিত করে মামলা, গ্রেফতার এবং ধারাবাহিক পুলিশি অভিযান চালানো হবে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানান, যাঁরা নাবালিকা বিবাহ করেছেন তাঁদের স্বামীদের বয়স ২১ পেরিয়ে যাওয়ার কারণে এবং ইনস্টিটিউশনাল ডেলিভারি হওয়ায় স্বাস্থ্য দফতর থেকে এই সব ব‍্যক্তিদের কাছে নোটিশ যাবে। শুধু তাই নয়, এই সব পরিবারের লোকজন বিয়ে দিয়ে থাকলে সব রকম সরকারি প্রকল্প থেকেও বঞ্চিত থাকবেন বলে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন।

    বাংলার প্রতিটি পরিবারের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা

    বাংলার প্রতিটি পরিবারের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, ‘অভিভাবক, অভিভাবিকাদের বলব, ১৮ বছরের নীচে মেয়েদের বিয়ে দেবেন না। এই কারণে বহু প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব হচ্ছে। ১৫-১৪ বছরের বাচ্চা মেয়েদের তো এখনও বিয়ের বয়স হয়নি। কিন্তু তাদেরও ১৮-র নীচে বিয়ে হচ্ছে এবং সন্তান প্রসব হচ্ছে হাসপাতালে। এ এক ভয়ঙ্কর সামাজিক ব্যাধি। এইটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’ তাঁর কথায় উঠে এল বাল্যবিবাহ এখনও গ্রামীণ বাংলার একটা বড় সমস্যা। এখানে শুধু বাংলার মহিলাদের সামাজিক সুরক্ষাই নয়, তাঁদের জীবন-মরণের মতো বড় একটা সমস্যার শিকড়ও জুড়ে রয়েছে। সরকারের কাজ কী? শুধু তো ভাতা দেওয়া বা রাস্তা তৈরি করা নয়। সরকারের কাজ সমাজের মধ্যে সংস্কার আনা। মুখ্যমন্ত্রীর মতে, সংস্কার আনার ক্ষেত্রে মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, বিধায়করা শুধু নয়, জনগণকে যুক্ত করে করতে হবে এবং সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    নেশামুক্ত সমাজ, পুলিশের কড়া পদক্ষেপ

    প্রশাসনের ভূমিকা তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলায় লক্ষ্মীদের নিরাপত্তার প্রশ্নে আমাদের আরও পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে হবে। আরও শক্ত হাতে আইন কার্যকর করতে হবে।’কিন্তু এখানে আইনের কার্যকর হওয়ারও একটা বড় গুরুত্ব রয়েছে। তা মনে করিয়ে বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘১৮ জনের মতো ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট হয়ে আছে, তার মধ্যে ছটা পকসো (POCSO) মামলা। তাদের ডেথ পানিশমেন্ট হয়ে আছে। তাদের যে শাস্তি কার্যকর হচ্ছে না, এর ফলে বেপরোয়া ধরনের ঘটনা প্রতিদিনই কিছু না কিছু ঘটছে। এই জায়গা থেকে আমাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে এক নম্বর।’ শুধু আইন নয়, বাংলায় মহিলাদের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নেশার মতো ভয়ানক সামাজিক ব্যাধির কোপও। তা নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘নেশামুক্তি না ঘটলে বাংলার আমাদের মা-বোন, দিদি-কন্যারা সুরক্ষিত থাকবে না। আমি মনে করি, এই বিকৃত মানসিকতার মূলে রয়েছে নেশা। এই জায়গা থেকে বাংলাকে, ভারতবর্ষকে যেমন নেশামুক্ত করতে বলছে বলা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গকেও নেশামুক্ত করতে হবে।’

     

     

     

     

  • Weather Update: শক্তি বাড়াচ্ছে ‘অর্ণব’, ধেয়ে যাচ্ছে অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে! দুর্যোগের কবলে পড়বে উত্তর থেকে দক্ষিণ বঙ্গ

    Weather Update: শক্তি বাড়াচ্ছে ‘অর্ণব’, ধেয়ে যাচ্ছে অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে! দুর্যোগের কবলে পড়বে উত্তর থেকে দক্ষিণ বঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়’–এ পরিণত হল ‘অর্ণব’ (Cyclone Arnab)। আজ, সোমবার ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান ছিল পূর্ব-মধ্য ও সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর। আন্দামান থেকে ৫৯০ কিমি উত্তর পশ্চিমে, বিশাখাপত্তনম থেকে ৬৫০ কিমি পূর্ব-দক্ষিণপূর্বে, কাকিনাড়া থেকে ৭৩০ কিমি পূর্ব-দক্ষিণ পূর্বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। মৌসম ভবন (Weather Update) জানাচ্ছে, ২৮ অক্টোবর সকালে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল দিয়ে ওই ঘূর্ণিঝড়ের স্থলভাগে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা খুব বেশি। ‘ল্যান্ডফলের’ সময় ঝড়ের গতি থাকবে ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ার বেগ পৌঁছে যেতে পারে ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারেও। ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার কারণে সমুদ্র এখন উত্তাল। বঙ্গোপসাগরের সংশ্লিষ্ট অংশের উপর ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হচ্ছে। উপকূলের দিকে যত এগোবে, ঝড়ের গতি আরও বাড়বে। অন্ধ্রপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলে ঝড়ের তাণ্ডবের সম্ভাবনা রয়েছে। জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা। পশ্চিমবঙ্গেও এই ঘূর্ণিঝড়ের কিছুটা প্রভাব পড়বে। একাধিক জেলায় হতে পারে ভারী বৃষ্টি।

    অর্ণব বলতে কী বোঝায়

    বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার বেগ কতটা হবে, পুরোটাই নির্ভর করছে সিস্টেমটির অভিমুখ কোন দিকে থাকবে তার ওপর। আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরে যে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়, তার নামকরণ করে থাকে এই ১৩টি দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, মলদ্বীপ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, তাইল্যান্ড, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, সৌদি আরব, ইয়েমেন ও ইরান। অর্ণব নামটি বাংলাদেশের দেওয়া। যার অর্থ সাগর বা সমুদ্র। ‘অর্ণব’ নামটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়েছিল এবং এটি বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) ও রাষ্ট্রসঙ্ঘ  এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCAP)-এর ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় প্যানেল কর্তৃক ২০২০ সালের এপ্রিলে গৃহীত ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের নামের সরকারি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সাধারণত অর্ণব নামটি সমুদ্র বা মহাসাগর বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। যদিও আইএমডি-র আনুষ্ঠানিক নামকরণ তালিকায় প্রস্তাবকারী দেশ এবং নামটির উচ্চারণ নিশ্চিত করা হয়েছে, কিন্তু শব্দটির কোনও সংজ্ঞা দেওয়া হয় না।

    কোথায় কোথায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশের বাপটলা থেকে বিশাখাপত্তনমের মধ্যে ২৮ অক্টোবর দুপুরের আগেই ঘূর্ণিঝড়টির ল্যান্ডফল হবে। সে সময়ে ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ পৌঁছতে পারে ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, ২৭ অক্টোবর কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া এবং হুগলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং বজ্রবিদ্যুতের পূর্বাভাস রয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের এক-দু’টি জায়গায় ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। ২৮ অক্টোবর পরিস্থিতির অবনতি হবে। এ দিন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টি (৭-১১ সেমি) হতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুতের পূর্বাভাস রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

    কলকাতা-সহ সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি! 

    ২৯ অক্টোবর বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকবে। কলকাতা-সহ সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায় বিক্ষিপ্ত ভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।৩০ অক্টোবর কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ার এক-দু’টি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। উপকূলবর্তী এলাকায় মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবারের পর থেকে তাঁরা আপাতত আর সমুদ্রে যেতে পারবেন না। যাঁরা গিয়েছেন, তাঁদের মঙ্গলবারের মধ্যেই ফিরে আসতে হবে। দক্ষিণবঙ্গে ২৮ ও ২৯ অক্টোবর ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা ৩০ অক্টোবর।

    উত্তরবঙ্গে দুর্যোগের প্রভাব

    দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে দুর্যোগের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কিছুটা দেরিতে। ৩০ অক্টোবর উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলাতেই অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারের বিক্ষিপ্ত কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এ দিন উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুতের আশঙ্কা। ৩১ অক্টোবরও উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এ দিন দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ওড়িশায় ছুটি বাতিল করা হয়েছে

    প্রায় প্রতিবছরই কোনও না কোনও ঘূর্ণিঝড়ে লন্ডভন্ড হয় ওড়িশা। এখন শিয়রে আরও একটা ঘূর্ণিঝড়। চোখ রাঙাচ্ছে অর্ণব। ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের পরিপ্রেক্ষিতে ওড়িশা সরকার সমস্ত কৃষি কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করেছে এবং ২৫  অক্টোবর থেকে ৭ই নভেম্বর পর্যন্ত উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সৃষ্ট ভারী বৃষ্টিপাতের মোকাবিলায় প্রশাসন যেন দ্রুত সাড়া দিতে পারে, ফসলের ক্ষতি কমানো যায় এবং কৃষকদের সময়মতো সহায়তা প্রদান করা যায়। ওড়িশার দক্ষিণাঞ্চল ও উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। জেলায় জেলায় বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল।  ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রও গুলিও প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।

  • Health Minster Of Bengal: পরিকাঠামোকে ঢেলে সাজাতে জরুরি বৈঠক! সরকারি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাতে জোর রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    Health Minster Of Bengal: পরিকাঠামোকে ঢেলে সাজাতে জরুরি বৈঠক! সরকারি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাতে জোর রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালের (Govt Hospital) পরিকাঠামোকে ঢেলে সাজাতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর আশা, বেসরকারি হাসপাতালের মতো পরিষেবার বন্দোবস্ত করতে হবে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও (Sharadwat Mukherjee) তাই সচেষ্ট। সেই লক্ষ্যে প্রথমেই তিনি সরকারি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাতে জোর দিলেন। হাসপাতাল চত্বর ও তার ভিতরের অংশের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে পুরসভা এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

    হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ রক্ষায় জোর

    শুক্রবার স্বাস্থ্য ভবনে বৈঠকে এই বিষয়ে আলোচনা করে তিনি জানান, হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব যেমন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা স্বাস্থ্য দফতরের ওপর বর্তায়, তেমনই হাসপাতাল চত্বর বা বাইরের ক্যাম্পাসের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিকাশি ব্যবস্থার দায়িত্ব স্থানীয় পুরসভা বা লোকাল বডির। বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, কোনও সরকারি হাসপাতালে ঢুকে রাস্তায় নোংরা দেখলে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে কেন হাসপাতাল চত্বর পুরসভা দেখবে। কিন্তু প্রশাসনিক কাঠামোগত নিয়মে রাস্তাঘাট লোকাল বডির অধীনস্থ হওয়ায় পুরসভা এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে মেলবন্ধন থাকা অত্যন্ত জরুরি। কোথাও যেন কোনও ফাঁক না থাকে, সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

    কোন কোন হাসপাতালে বিশেষ নজর

    যে সমস্ত হাসপাতালে রোগীর চাপ বা ভিড় অত্যন্ত বেশি, সেই হাসপাতালগুলোতে সাফাইয়ের কাজ আরও বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসএসকেএম, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, এনআরএস, আরজি কর কিংবা বর্ধমান, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ ও উত্তরবঙ্গের মতো বড় মেডিক্যাল কলেজগুলোতে বর্তমানে পুরসভা বা মিউনিসিপ্যালিটি থেকে দিনে একবার জঞ্জাল বা বর্জ্য পদার্থ সংগ্রহ করা হলেও, তা বাড়িয়ে দিনে অন্তত দু’বার করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার মূল দায়িত্ব নন-মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্টদের ওপর রয়েছে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিচ্ছন্নতা অভিযানকে সুদৃঢ় করা, পরিকল্পনা মাফিক তা পরিচালনা করা এবং নির্দিষ্ট ফল প্রাপ্তির লক্ষ্যেই এদিনের ওই বৈঠকে সাফাইকর্মী থেকে শুরু করে অধ্যক্ষ এবং নার্সিং স্টাফ—সকলকেই উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে জানান মন্ত্রী।

  • India-European Union Free Trade: যৌথ উদ্ভাবন ও উৎপাদনে জোর! ভারত-ইইউ কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারে দিল্লি সফরে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতিনিধিদল

    India-European Union Free Trade: যৌথ উদ্ভাবন ও উৎপাদনে জোর! ভারত-ইইউ কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারে দিল্লি সফরে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতিনিধিদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ভারতে কর্মরত রাষ্ট্রদূত জঁ-এরিক পাকে বলেছেন, আগামী ২৬ থেকে ২৮ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বিদেশ বিষয়ক কমিটি (AFET)-এর প্রতিনিধিদলের আসন্ন সফরের দিকে তিনি আগ্রহের সঙ্গে তাকিয়ে রয়েছেন। ইইউ-ভারত কৌশলগত অংশীদারিত্বকে “একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক” হিসেবে বর্ণনা করেছেন পাকে। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বিদেশ বিষয়ক কমিটি (AFET)-এর একটি প্রতিনিধিদল আগামী ২৬ থেকে ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে নয়াদিল্লি সফর করবে। এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কমিটির চেয়ারম্যান ডেভিড ম্যাকঅ্যালিস্টার (David McAllister)। ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) সইয়ের আগের প্রস্তুতি এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করা নিয়ে আলোচনা করতে তারা ভারত সরকার, সংসদ ও শিল্পপতিদের সাথে বৈঠক (India-European Union Free Trade) করবেন। এর আগে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসেছিলেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্টা।

    একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক

    পাকে ইইউ-ভারত কৌশলগত অংশীদারিত্বকে “একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত ও ভূ-রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতির মধ্যে এর ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরেছেন পাকে। তাঁর কথায়, “বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, গবেষণা ও উদ্ভাবন—এই ক্ষেত্রগুলোতে অভূতপূর্ব অগ্রগতির মুহূর্তে ভারতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিত্ব করা একটি সম্মানের বিষয়। আমাদের যৌথ কর্মসূচি কেবল আকাঙ্ক্ষামূলক নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি একটি বাস্তব অঙ্গীকার, যা উভয় পক্ষের নাগরিকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্ভাবন, সমৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতা আনবে।”

     ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা

    সম্প্রতি ভারত ও জার্মানির মধ্যে গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার হলে যৌথ উদ্ভাবন, নতুন পণ্যের বিকাশ এবং ভারতে উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা তৈরি হবে। এমনই আশার কথা শুনিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। তাঁর মতে, জার্মানির উন্নত প্রযুক্তি ও ইঞ্জিনিয়ারিং দক্ষতার সঙ্গে ভারতের দক্ষ মানবসম্পদ এবং সাশ্রয়ী উৎপাদন ব্যবস্থার সমন্বয় ঘটলে বিশ্ববাজারে দুই দেশই বড় সুবিধা পেতে পারে। বার্লিন গ্লোবাল ডায়ালগে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারত-জার্মানি সম্পর্কের গভীরতা ও পারস্পরিক আস্থার কথা তুলে ধরেন গোয়েল। তিনি বলেন, ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) সম্পন্ন হওয়ার ফলে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। বিশেষ করে গবেষণা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই চুক্তি নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ বাজারে ভারতের বাণিজ্যিক চুক্তির আওতা রয়েছে। আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে তা বিশ্বের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (GDP) প্রায় ৭৫ শতাংশের সমতুল্য বাজারে পৌঁছতে পারে বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে বাস্তব বিনিয়োগ, শিল্প সহযোগিতা এবং নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ গড়ে তোলা যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা করেন গোয়েল।

    বার্লিনে ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক গোয়েলের

    ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) বাজারে প্রবেশের সুযোগ সম্প্রসারণ, সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালী করা এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে জানালেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। শনিবার বার্লিনে ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক বৈঠকের পর গোয়েল জানান, ভারত-জার্মানি অংশীদারিত্বের ক্রমবর্ধমান গতি এবং ভারতীয় শিল্পের সামনে তৈরি হওয়া নতুন সুযোগগুলি নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বস্ত্রশিল্প থেকে শুরু করে ওষুধ, ইঞ্জিনিয়ারিং, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি এবং উদীয়মান প্রযুক্তি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ করে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পগুলিকে (এমএসএমই) এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জার্মান সংস্থাগুলির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

    দুই পক্ষের পরিপূরক শক্তিকে একত্রিত করার সুযোগ

    সমাজমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লেখেন, ভারতীয় সংস্থাগুলিকে গুণমান, নিয়ম মেনে চলা এবং নির্ভরযোগ্যতার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখতে হবে। এর মাধ্যমে প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী এবং বিশ্বের আস্থাভাজন অংশীদার হিসেবে ভারতের ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। গোয়েল বলেন, দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভারতের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলে গবেষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিল্পক্ষেত্রের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এর মাধ্যমে গবেষণা ও উন্নয়ন ক্ষেত্রে দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও গভীর করা সম্ভব। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি উন্নত উৎপাদন, ইঞ্জিনিয়ারিং, তথ্যপ্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবা ক্ষেত্রে দুই পক্ষের পরিপূরক শক্তিকে একত্রিত করার সুযোগ তৈরি করবে বলেও জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এর ফলে উভয় পক্ষের মানুষের সমৃদ্ধি বাড়বে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।

  • Laxmi Puja 2026: বিভিন্ন পঞ্জিকায় তিথির পার্থক্য! জেনে নিন ২৫ অক্টোবর কোজাগরী পূর্ণিমায় লক্ষ্মীপুজোর শুভ সময় কখন?

    Laxmi Puja 2026: বিভিন্ন পঞ্জিকায় তিথির পার্থক্য! জেনে নিন ২৫ অক্টোবর কোজাগরী পূর্ণিমায় লক্ষ্মীপুজোর শুভ সময় কখন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উমা বিদায়ের পরই বাঙালির ঘরে ঘরে চলে মা লক্ষ্মীকে বরণ করার প্রস্তুতি। ২০২৬ সালে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন, পুজো ২৫ অক্টোবর হবে, নাকি ২৬ অক্টোবর? পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর, রবিবার সন্ধ্যাতেই লক্ষ্মীপুজো করা হবে। কারণ, পূর্ণিমা তিথি ২৫ অক্টোবর সকালেই শুরু হচ্ছে এবং রাতেও থাকছে। ২৬ অক্টোবর সকালে তিথি শেষ হয়ে যাবে। তাই কোজাগরী পূর্ণিমার রাতেই দেবী লক্ষ্মীর আরাধনার আয়োজন করতে পারেন ভক্তরা। তবে বিভিন্ন পঞ্জিকায় তিথি শুরুর সময়ে কিছু পার্থক্য রয়েছে। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকায় পূর্ণিমা তিথি শুরু হচ্ছে সকাল ১১টা ৫৮ মিনিটে এবং শেষ হচ্ছে পরের দিন সকাল ৯টা ৪২ মিনিটে। অন্যদিকে, গুপ্ত প্রেস পঞ্জিকায় তিথি শুরুর সময় সকাল ১০টা ৫৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ড।

    এসো মা লক্ষ্মী, বসো ঘরে

    দুর্গাপুজো শেষ হওয়ার পর আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে বাঙালি হিন্দু পরিবারে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো পালিত হয়। সংসারে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও আর্থিক উন্নতির কামনায় দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়। ‘কোজাগরী’ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘কো জাগর্তি’ থেকে, যার অর্থ ‘কে জেগে আছো?’ প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পূর্ণিমার রাতে দেবী লক্ষ্মী মর্ত্যে পরিভ্রমণ করেন এবং যাঁরা রাত জেগে তাঁর আরাধনা করেন, তাঁদের আশীর্বাদ করেন। সেই বিশ্বাস থেকেই কোজাগরী পূর্ণিমায় রাত জেগে পুজো করার রীতি প্রচলিত রয়েছে। কথিত রয়েছে, এই পূর্ণিমার রাতে নাকি দেবী লক্ষ্মী জগৎ পরিক্রমায় বেরন। তিনি দেখেন কেউ সারারাত জেগে আছেন কিনা। অনেকে এ-ও বলে থাকেন, ওইদিন রাতে যে ব্যক্তি জেগে থাকেন তাঁকে মা লক্ষ্মী ধনসম্পত্তি দান করেন।

    কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো পালনের রীতি

    প্রথমে পুজোর স্থান পরিষ্কার করে লক্ষ্মীর আসন সাজিয়ে নিন। বাংলায় বাড়ির প্রবেশপথে চালের গুঁড়ি দিয়ে আলপনা ও লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ আঁকার রীতি রয়েছে। ফুল, ফল, মিষ্টি, নারকেল, চিঁড়ে, খই ও অন্যান্য নৈবেদ্য দিয়ে পুজোর আয়োজন করতে পারেন। পরিবারের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রদীপ জ্বালিয়ে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করুন। রাত জেগে পুজো করার রীতি থাকলেও নিজের পারিবারিক প্রথা ও পুরোহিতের পরামর্শ মেনে চলুন। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন বাংলার প্রতিটি ঘর মুখরিত হয়ে ওঠে শঙ্খধ্বনিতে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছে কৃষি সমাজ। এই পুজো হয় মূলত প্রতিমা, সরা, নবপত্রিকা কিংবা থোড়ের তৈরি নৌকোয়। লক্ষ্মীর সরাও হয় নানারকমের। যেমন – ঢাকাই সরা, ফরিদপুরি, সুরেশ্বরী এবং শান্তিপুরী সরা।

  • Jordan Church Shootout: চার্চে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চলাকালীন এলোপাথাড়ি গুলি! জর্ডনে বন্দুকবাজদের হামলায় মৃত অন্তত ৭, আহত ৪০

    Jordan Church Shootout: চার্চে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চলাকালীন এলোপাথাড়ি গুলি! জর্ডনে বন্দুকবাজদের হামলায় মৃত অন্তত ৭, আহত ৪০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জর্ডনের রাজধানী আম্মানের থেকে ১৮০ কিলোমিটার (১১০ মাইল) দক্ষিণে একটি চার্চের ভিতরে চলছিল অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। সেই সময়েই তিন বন্দুকবাজ ঢুকে পড়ে সেখানে। এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে তারা। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন। জর্ডনের একটি চার্চে এই ভয়ঙ্কর হামলার ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, জর্ডনের কারাক (Karak) এলাকায় রয়েছে গ্রিক অর্থোডোক্স চার্চ। সেখানেই এই ঘটনা ঘটেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার জেরে গোটা জর্ডনজুড়ে তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ঠিক কী উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। হামলাকারীদের খোঁজে গোটা এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি অভিযান ও চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।

    চার্চে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি তিন বন্দুকবাজের

    জর্ডনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও সরকারি সূত্রের খবর অনুযায়ী, কারাকের হামুদ (Hammoud) গ্রামের একটি গ্রিক অর্থোডক্স চার্চে (Greek Orthodox Church) যখন একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান চলছিল, ঠিক সেই সময়ই সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। প্রার্থনা সভাতে সেই সময় প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন মানুষ উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎই বেশ কয়েকজন বন্দুকবাজ বৃষ্টির মতো গুলি চালাতে শুরু করে। আকস্মিক এই হামলায় ঘটনাস্থলেই হতাহতের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। জর্ডনের সরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে যে ফুটেজ দেখানো হয়েছে, সেখানে দেখা গিয়েছে প্রথমে হাতে পিস্তল নিয়ে চার্চে ঢুকেছে ২ জন। চার্চের ভিতরের দিকে এগোতে এগোতে নাগাড়ে গুলি চালাচ্ছে তারা। তৃতীয় আরেক বন্দুকবাজকেও দেখা গিয়েছে এই ফুটেজে। তার হাতে আবার ছিল সেমি-অটোম্যাটিক রাইফেল। চার্চে ঢুকে দিকবিদিকজ্ঞানশূন্য এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে এই তিনজন বন্দুকবাজ। চার্চে থাকা এই ঘটনার অনেক প্রত্যক্ষদর্শীই বন্দুকবাজদের হামলার সময়ে ছবি, ভিডিও মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করেছেন।

    কারা হামলা চালাল, কঠোর শাস্তি

    চার্চে থাকা অনেকে বলেছেন চারজন বন্দুকবাজ ছিল। গুলি চালানোর ঘটনায় কতজন যুক্ত ছিল তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। কে বা কারা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের উদ্দেশ্যই বা কী ছিল, কেন এভাবে চার্চের ভিতর গুলি চালানো হল – কোনও কিছুই স্পষ্টভাবে জানা যায়নি এখনও। এই ঘটনায় জর্ডনে ৩ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন জর্ডনের প্রধানমন্ত্রী জাফর হাসান (Jafar Hassan)। হামলাকারীদের উদ্দেশে তাঁর হুঁশিয়ারি, এভাবে নিরীহ মানুষজনের প্রাণ কেড়ে নেওয়া অপরাধীদের কোনওভাবেই ছাড়া হবে না। এই হামলাকে সন্ত্রাসবাদী ও উগ্রপন্থী মতাদর্শের ফল বলে উল্লেখ করেছেন জর্ডনের প্রধানমন্ত্রী। এই ভয়াবহ ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন জর্ডনের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ (King Abdullah II)। এক্স (X)-এ এক বার্তার মাধ্যমে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “কারাককে লক্ষ্য করে চালানো এই সন্ত্রাসী হামলাকে কঠোরতম উপায়ে দমন করা হবে।” নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।

  • Health Minster Of Bengal: ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপুজো টানা ছুটি নয়! সরকারি হাসপাতালে ‘৭৯ বছরের রীতি’ বন্ধ করার ঘোষণা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    Health Minster Of Bengal: ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপুজো টানা ছুটি নয়! সরকারি হাসপাতালে ‘৭৯ বছরের রীতি’ বন্ধ করার ঘোষণা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর দুর্গাপুজো থেকে আর টানা ছুটি পাবেন না রাজ্যের সরকারি হাসপাতালের কর্মীরা। দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী থেকে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত, প্রায় ১০ দিন ছুটি আর হবে না। শুক্রবার দ্বাদশীর দিন এ কথা ঘোষণা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আর পাঁচটা সরকারি দফতরের মতো স্বাস্থ্য দফতর নয়। স্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গকে জরুরি পরিষেবা দিতে হয়। মানুষের স্বার্থে পুজোর মধ্যে সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। চিকিৎসক, নার্স ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত রস্টার ডিউটি চালুর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

    ‘৭৯ বছরের রীতি’ বন্ধ!

    রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানান, স্বাধীনতার পর থেকে রাজ্যে অঘোষিত একটি রেওয়াজ ছিল যে, ষষ্ঠী মানেই অফিস-কাছারিতে পুজো-পুজো ভাব। সেই ছুটির রেশ চলে যায় একেবারে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত। শারদ্বতের কথায়, ‘‘ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত ছুটি নেওয়া বন্ধ হোক। এত দিন ধরে এটা রীতি-রেওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ১৯৪৭ সালের পর থেকে ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপুজো হাসপাতালে একটা ছুটি-ছুটি ভাব ছিল। এটাই চলে আসছিল।’’ তার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সংযোজন, ‘‘পরের বার থেকে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী, দশমীর জন্য শুধু পুজো রস্টার হবে। আজ থেকেই যাঁরা ছুটিতে ছিলেন তাঁদের ছুটি বাতিল করে কাজে যোগ দিতে বলা হয়েছে।’’ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এ বছরই বাকি সরকারি দফতরের মতো মেডিক্যাল কলেজগুলোর শিক্ষক, অধ্যক্ষ, এমএসভিপি, নন-মেডিক্যাল সুপারিনটেন্ডেন্ট থেকে সাফাইকর্মী, সকলেই কাজে ফিরে এসেছেন। চোরবাগানের দুর্ঘটনার পরে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও আধিকারিকদের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় শুক্রবার স্বাস্থ্য ভবনে মেডিক্যাল কলেজগুলির অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ-সহ সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে বসেন মন্ত্রী।

    স্বাস্থ্য পরিষেবা জরুরি পরিষেবার অন্তর্ভুক্ত

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, পুজোর সময়ে হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসক ও অন্য কর্মীদের উপস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়েই একাংশের অনুপস্থিতির বিষয়টি নজরে আসে। পুজোর সময়ে পুরলিয়ার দেবেন মাহাতো মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে গিয়ে সাফাইয়ের দুরবস্থা দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো সরাসরি ফোন করে বিষয়টি জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে। তাতে অনুপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে আরও জলঘোলা হয়। মন্ত্রীর বক্তব্য, ‘স্বাস্থ্য পরিষেবা জরুরি পরিষেবার অন্তর্ভুক্ত। ফলে উৎসবের মরশুমেও দায়িত্ব পালনে কোনও শৈথিল্য বরদাস্ত করা হবে না।’ সরকারি কর্মীদের জনগণের করের টাকায় চলা পরিষেবার প্রতি দায়বদ্ধতার কথা মনে করিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘কাজ করানোর জন্যেও কি নির্দেশিকা জারি করতে হবে?’এ বারও পুজোর চার দিনের জন্যে বিশেষ রস্টার চালু থাকলেও আগামী বছর থেকে চিকিৎসক ও নার্সদের ক্ষেত্রে তা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অন্য কর্মীদের জন্য আগের মতোই রস্টার ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। আগাম ছুটি নিয়ে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার প্রবণতা বন্ধ করতেও কড়া অবস্থান নিচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর।

  • Weather Update: লক্ষ্মীপুজোতেও দুর্যোগ! ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়, আছড়ে পড়তে পারে কোন উপকূলে?

    Weather Update: লক্ষ্মীপুজোতেও দুর্যোগ! ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়, আছড়ে পড়তে পারে কোন উপকূলে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীপুজোর আগেই বঙ্গোপসাগরে চোখ রাঙাচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের ভ্রুকুটি। নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়ে গিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবার সকালের মধ্যেই সাগরে তৈরি হয়ে যেতে পারে ঘূর্ণিঝড়। তা ক্রমে উপকূলের দিকে ধেয়ে যাবে। তার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশ জুড়ে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের তাণ্ডবের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোই আবহাওয়া ঠিক থাকবে বলেই পূর্বাভাস। হাওয়া বদল ঘটতে পারে বুধবার থেকে। সোমবার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে কোনও সতর্কতা নেই। মঙ্গলবার থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। ওই দিন থেকে উপকূল সংলগ্ন সমুদ্রে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। দমকা হাওয়ার বেগ পৌঁছে যেতে পারে ৬০ কিলোমিটারেও। ফলে সমুদ্র উত্তাল থাকবে।

    কোথায় তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ!

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর শুক্রবার নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে। তার আশপাশে ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে সমুদ্রতল থেকে ৫.৮ কিলোমিটার উচ্চতায়। নিম্নচাপ অঞ্চলটি আরও ঘনীভূত হয়ে শনিবার নিম্নচাপে পরিণত হবে। ক্রমশ পশ্চিম-উত্তর পশ্চিমে সরতে সরতে তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে রবিবার। সোমবার সকালের মধ্যে সমুদ্রেই গভীর নিম্নচাপ থেকে জন্ম নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়। সেটি পরবর্তী দু’দিনে আরও শক্তি সঞ্চয় করে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে এগিয়ে যাবে। তার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে বুধবার থেকে। উত্তরবঙ্গেও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে। উত্তরের বাকি জেলাগুলিতে ওই দু’দিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে।

    দক্ষিণবঙ্গের ছ’টি জেলায় ভারী বৃষ্টি!

    কলকাতায় বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টি এবং বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। ঝোড়ো হাওয়ার বেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার। একই পূর্বাভাস রয়েছে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায়। দক্ষিণবঙ্গের ছ’টি জেলায় ভারী বর্ষণের (৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার) সম্ভাবনা রয়েছে বুধবার থেকে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে বুধবার, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত টানা ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার। মঙ্গলবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরে।

     

LinkedIn
Share