Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Pulwama Attack: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে খতম পুলওয়ামা হামলার মূলচক্রী! ফের পাকভূমে ভারত-বিরোধী জঙ্গি নিধন

    Pulwama Attack: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে খতম পুলওয়ামা হামলার মূলচক্রী! ফের পাকভূমে ভারত-বিরোধী জঙ্গি নিধন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে খতম পুলওয়ামা হামলার মূলচক্রী (Pulwama attack mastermind dead) হামজা বুরহান (Hamza Burhan)। বৃহস্পতিবার মুজাফ্ফরবাদে একদল অজ্ঞাত পরিচয় যুবক তাকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। এরপরই মৃত্যু তার। দীর্ঘদিন ধরে ভারত বিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হামজা বুরহানের মৃত্যুতে দক্ষিণ কাশ্মীরের জঙ্গি নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা লেগেছে বলে মনে করছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি।

    পুলওয়ামা থেকে পাকিস্তান যাত্রা হামজার

    পুলওয়ামার রত্নীপোরা এলাকার খারবাতপোরায় জন্মগ্রহণ করে হামজা। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য সে পাকিস্তানে পাড়ি দেয়। সেখানেই সে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল-বদরে যোগ দেয়। কয়েকদিনের মধ্যে সে কমান্ডার পদে উন্নীত হয়। এরপর সে পুলওয়ামায় ফিরে আসে। সেখানেই সে যুবকদের মগজধোলাই করে জঙ্গি বানানোর কাজে নিয়োজিত হয়। জানা যায়, পুলওয়ামা থেকে শোপিয়ান পর্যন্ত হামজার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত ছিল। পুলওয়ামা হামলা ছাড়াও জম্মু ও কাশ্মীরে বেশ কিছু সন্ত্রাসী কার্যকলাপে যুক্ত ছিল হামজা। বিশেষভাবে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কাশ্মীরি যুবকদের বিপথে চালিত করার পেছনে তার বড় ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ। পুলওয়ামার বাসিন্দা হামজা ‘ডাক্তার’ নামে পরিচিত ছিল। ২০২২ সালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাকে জঙ্গি হিসাবে চিহ্নিত করে। হামজার আসল নাম আরজুমান্দ গুলজার দার।

    পুলওয়ামায় হামলাকারীদের বিস্ফোরক জুগিয়েছিল হামজা 

    ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আত্মঘাতী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা। প্রাণ হারিয়েছিলেন ৪০ জন সেনা জওয়ান। পরে ওই হামলার দায় স্বীকার করেছিল পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। এই হামলার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে হামজা বুরহানকে চিহ্নিত করেছিল ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছিল, পুলওয়ামায় হামলাকারীদের গ্রেনেড, বিস্ফোরক জুগিয়েছিল হামজা। ২০২০ সালের ১৮ নভেম্বর সিআরপিএফ জওয়ানের উপরে হামলার ঘটনাতেও নাম জড়িয়েছিল তার। তার পরে দীর্ঘ তল্লাশি চলে। কিন্তু হামজা কোনও মতে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পালিয়ে যেতে সমর্থ হয়।

    কীভাবে পাকিস্তানে নিরাপদে আশ্রয়

    ভারতে এত বড় নাশকতা চালানোর পর নিজের আসল পরিচয় লুকাতে পাকিস্তানে ‘শিক্ষক’ সেজে লুকিয়ে ছিল সে। এমনকী জানা গিয়েছে, সমাজের চোখে ধুলো দিতে সে একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষকও বনে গিয়েছিল। ওই স্কুলটিকে সে নিজের আত্মরক্ষার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করত। অভিযোগ, ভারতের বিরুদ্ধে এত সব নাশকতামূলক কাজ করার জন্য পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই তাকে সব রকম সাহায্য করত। মুজফফরাবাদে তাকে একটি অফিসও দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই তাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এখনও কোনও জঙ্গি সংগঠন তার দায় স্বীকার করেনি। সেখানেই তাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এখনও কোনও জঙ্গি সংগঠন তার দায় স্বীকার করেনি। গত কয়েক মাস ধরে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বেছে বেছে ‘ভারতশত্রু’দের খতম করা হচ্ছে। কিন্তু এর নেপথ্যে কে বা কারা রয়েছে, সেটাই বড় প্রশ্ন।

  • RG kar Case: ৩ সদস্যের সিট গঠিত, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কাজ শুরু, আরজি কর মামলায় পুনরায় তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    RG kar Case: ৩ সদস্যের সিট গঠিত, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কাজ শুরু, আরজি কর মামলায় পুনরায় তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG kar Case) হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মামলায় এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্যাতিতার পরিবারের তোলা অভিযোগ ও দাবিগুলি খতিয়ে দেখতে সিবিআই-কে (CBI) পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই লক্ষ্যে সিবিআই-এর একজন জয়েন্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট (SIT) গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত শুরুর নির্দেশ

    আদালত জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের তদন্ত শুরু করবে সিট। ঘটনার দিন রাতের ডিনার থেকে শুরু করে মৃতদেহ দাহ এবং প্রমান লোপাট সহ সব বিষয়ের তদন্ত হবে। বিচারপতি শম্পা সরকার এবং বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, অপরাধের বীভৎসতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ২৪ জুন, বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিনই নবগঠিত বিশেষ দলটিকে আদালতে তাদের তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত বিশদ রিপোর্ট পেশ করতে হবে।

    পুনরায় পরিদর্শনে যাবে কেন্দ্রীয় সংস্থা (RG kar Case)

    আদালতের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—

    • ঘটনাস্থল পুনঃপরিদর্শন: সিবিআই-এর (CBI) বিশেষ তদন্তকারী দলকে পুনরায় আরজি কর হাসপাতালের দুর্ঘটনাস্থলে যেতে হবে।
    • পরিবারের সঙ্গে সংযোগ: নির্যাতিতার (RG kar Case) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের অভিযোগ ও আশঙ্কার জায়গাগুলি বিশদভাবে শুনতে হবে।
    • তথ্য পুনর্মূল্যায়ন: মামলার যাবতীয় তথ্যপ্রমাণ, নথিপত্র এবং পূর্ববর্তী কেস ডায়েরি নতুন করে খতিয়ে দেখতে হবে।

    তদন্তের গতিপ্রকৃতি ও আদালতের পর্যবেক্ষণ

    উল্লেখ্য, এই মামলার শুনানিতে (RG kar Case) ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই-এর কাছে কেস ডায়েরি, অডিও-ভিডিও প্রমাণ এবং আলোকচিত্রসহ সমস্ত প্রাসঙ্গিক নথি তলব করেছিল। গত মঙ্গলবার প্রাথমিক শুনানির পর আদালত নির্দেশ দেয় যে, বৃহস্পতিবারের শুনানিতে তদন্তকারী আধিকারিককে (IO) সমস্ত নথিসহ সশরীরে হাজিরা দিতে হবে।

    মঙ্গলবার শুনানির সময় ঘটনাস্থলের নিরাপত্তা নিয়ে সিবিআই-কে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়। আদালত প্রশ্ন তোলে—তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে বহিরাগতরা অকুস্থলে প্রবেশ করছে? এর পরেই সেমিনার রুমসহ আরজি কর হাসপাতালের সংবেদনশীল অংশগুলি অবিলম্বে সিল করার জন্য দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

    মামলার প্রেক্ষাপট

    প্রায় দুই বছর আগে, ২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট তারিখে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (RG kar Case) কর্তব্যরত এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুন করা হয়। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে ইতিমধ্যে আদালত আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে। তবে মূল তদন্তের কিছু ফাঁকফোকর ও অন্যান্য রহস্য উদঘাটনের দাবি তুলে পুনরায় আদালতের দ্বারস্থ হয় নির্যাতিতার পরিবার।

    আইনি জটিলতার কারণে ইতিপূর্বে হাইকোর্টের তিনটি পৃথক বেঞ্চ এই মামলার শুনানি থেকে একে একে সরে দাঁড়ায়। গত ১২ মে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এবং বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত শুনানির ওপর জোর দিয়ে এটি ছেড়ে দেন। এরপর প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চ সিদ্ধান্ত নেয় যে, নির্যাতিতার পরিবারের সমস্ত আবেদনের শুনানি একটি নতুন ডিভিশন বেঞ্চে হবে। সেই নির্দেশানুসারেই বর্তমানে মামলাটি বিচারপতি শম্পা সরকার এবং বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চে বিচারাধীন (CBI) রয়েছে।

  • Kolkata Pak Spy Case: জুতোর ব্যবসায়ী থেকে আইএসআই-এর গুপ্তচর! এনআইএ-র জালে কলকাতার জাফর, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

    Kolkata Pak Spy Case: জুতোর ব্যবসায়ী থেকে আইএসআই-এর গুপ্তচর! এনআইএ-র জালে কলকাতার জাফর, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে পাক গুপ্তচরবৃত্তির পর্দাফাঁস। খাস কলকাতায় এনআইএ-র জালে গুপ্তচর। গ্রেফতার কলকাতার এন্টালির বাসিন্দা জাফর রিয়াজ ওরফে রিজভি। কলকাতায় পারিবারিক জুতোর ব্যবসা ছিল জাফরের। দুটো কারখানাও ছিল। সেই জাফরই ব্যবসাপত্র ছেড়ে হয়ে ওঠে পাক গুপ্তচর! কীভাবে? তদন্তে নেমে এনআইএ-এর নামে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    কী জানাচ্ছে এনআইএ?

    এনআইএ জানিয়েছে, পাকিস্তানের লাহোরের মডেল টাউনের বাসিন্দা রাবিয়ার সঙ্গে ২০০৫ সালে বিয়ে হয় জাফরের। পারিবারিক পরিচয় সূত্রেই বিয়ে হয় দু’জনের। তার পরে ২০১২ সাল পর্যন্ত এন্টালিতে থাকত জাফর ও রাবিয়া। এর পরে একটি এক পথ দুর্ঘটনার পর জাফরের জুতো ব্যবসায় চরম ক্ষতি হয়। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) সূত্রে খবর, দুর্ঘটনার পর শারীরিক কারণে ব্যবসা চালাতে সমস্যার মুখে পড়ে জাফর। আর্থিক সমস্যাও বৃদ্ধি পেতে থাকে। ওই সময়ে লাহোরের শ্বশুরবাড়ি থেকে জাফরকে প্রস্তাব দেওয়া হয় পাকিস্তানে চলে যাওয়ার জন্য। সেই মতো ওই বছরেই প্রথমে স্ত্রী রাবিয়া ও দুই সন্তানকে লাহোরে রাবিয়ার বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেয় জাফর। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে, যারা বর্তমানে লাহোরের স্কুলেই পড়াশোনা করে। পরে কলকাতার সম্পত্তি বিক্রি করে পর্যটক ভিসা নিয়ে জাফর নিজেও পৌঁছে যায় লাহোরে।

    জাফরকে কাজে লাগায় আইএসআই

    সেই সময়ে জাফর পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেওয়ারও চেষ্টা করছিল। আর এই সুযোগকেই কাজে লাগায় পাক গুপ্তচর সংস্থা। আর্থিক টোপ দিয়ে তাকে ভারতের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে লিপ্ত করা হয়। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, লাহোরেই বিদেশি নথিভুক্তিকরণ দফতরে আওয়াইশ নামে এক পাকিস্তানি আধিকারিকের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল জাফরের। জানা যাচ্ছে, ওই পাক আধিকারিকের সূত্র ধরেই পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর সঙ্গে যোগাযোগ হয় তার। সেই থেকে পাক গুপ্তচর সংস্থার নির্দেশ মতোই চিকিৎসার জন্য নিয়মিত ভারতে আসতে থাকে জাফর। এ দেশের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনার ছবি, তথ্য পাক হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠানো শুরু করেন জাফর।

    নিয়মিত পাকিস্তান যাতায়াত শুরু…

    এরপর থেকেই পাকিস্তানে জাফরের নিয়মিত যাতায়াত শুরু হয়। এমনকি কলকাতা থেকে নিজের বাড়ি বিক্রি করে দিয়ে দিল্লিতে এবং পরবর্তীতে পঞ্জাবে আস্তানা ছাড়ে জাফর। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ২০২২ সালে পঞ্জাব পুলিশের স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপের হাতে চরবৃত্তির অভিযোগেই গ্রেফতার হয় জাফর এবং তার সঙ্গী বিহারের মধুবনীর মহম্মদ সামসাদ। অমৃতসর স্টেশনের পাশে লেবু জল বিক্রির দোকান ছিল সামসাদের। তাকে সঙ্গে নিয়ে পঞ্জাবের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা সংক্রান্ত তথ্য জাফর পাচার করছিল বলে অভিযোগ। পঞ্জাবে ঘাঁটি করেই এই কাজকর্ম চালাত জাফর। পরে ওই মামলায় জামিনও পেয়েছিল।

    পহেলগাঁওকাণ্ডেও জড়িত বলে সন্দেহ

    এমনকি, গত বছর পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের পরে পাকিস্তানি চরচক্রের খোঁজ করতে গিয়ে আবার উঠে আসে জাফরের নাম। পহেলগাঁও হামলার তদন্ত নেমে সিআরপিএফ কর্মী মোতিরাম জাটের নাম উঠে আসে। জঙ্গিহানার পাঁচ দিন আগেও পহেলগাঁওয়ে কর্মরত ছিল মোতিরাম। সেই মোতিরামের সঙ্গে পাক গুপ্তচরচক্রের যোগ পাওয়া গিয়েছিল। ধৃত মোতিরামকে জেরা করতে গিয়েই ফের উঠে আসে জাফরের নাম। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, পাকিস্তানের এক গোয়েন্দা অফিসারকে ভারতীয় মোবাইল নম্বরের ওটিপি দিয়েছিল, যাতে হোয়্যাটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চালু করা যায়। সেই নম্বর ব্যবহার করে ওই পাকিস্তানি অফিসার মোতিরাম জাট বলে একজনের সঙ্গে কথাবার্তা চালাত। মোতিরামও পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তি করত। তার বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে বলে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে।

    ভারতের সিমকার্ড, ওটিপি পাঠিয়ে দিত আইএসআইকে

    তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, জাফর ভারতের বিভিন্ন সামরিক বাহিনীর দফতর, সেনা ছাউনি এবং জওয়ানদের গতিবিধির ছবি ও ভিডিও তুলে সরাসরি আইএসআই-এর কাছে পাঠাত। এখানেই শেষ নয়, ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেনামে ভারতীয় সিম কার্ড তুলে তার ওটিপি (OTP) পাঠাত পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে। পাক গুপ্তচররা সেই ভারতীয় নম্বরগুলি ব্যবহার করে সুন্দরী মেয়েদের নাম ও ছবি দিয়ে ফেক হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলত। এরপর সেই প্রোফাইল থেকে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর জওয়ানদের টার্গেট করে চলত ‘হানি ট্র্যাপ’ বা প্রেমের ফাঁদে ফেলার খেলা, যার মূল পান্ডা ছিল এই জাফর।

    জারি হয়েছিল লুক-আউট নোটিস

    সূত্রের খবর, তার পর থেকেই জাফরের খোঁজ চালাচ্ছিলেন গোয়েন্দারা। তার বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছিল লুক-আউট নোটিস। এমনকী ‘ঘোষিত অপরাধী’-র তকমাও দেওয়া হয়েছিল জাফরের নামে। প্রায় এক বছর ধরে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানোর পর কলকাতার উপকণ্ঠেই হদিস মেলে জাফরের। গোয়েন্দারা ইতিমধ্যেই তাঁকে দিল্লি নিয়ে গিয়েছেন। চরবৃত্তির অভিযোগও ওই ধৃত কলকাতাতেও কোনও নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টা করেছিলেন কি না, সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। রিয়াজের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট এবং বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের (ইউএপিএ) একাধিক কঠোর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক চক্রের খোঁজ…

    এই চক্রের জাল যে শুধু কলকাতা বা রাজস্থানেই সীমাবদ্ধ নয়, তা নিয়ে প্রায় নিশ্চিত এনআইএ। এই আন্তর্জাতিক গুপ্তচরবৃত্তির আন্তর্জাতিক র‍্যাকেটের পেছনে আর কারা জড়িয়ে রয়েছে, দেশের কোন কোন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এদের স্লিপার সেল— সেই সমস্ত রাঘব-বোয়ালদের খোঁজে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জোর কদমে তদন্ত ও তল্লাশি অভিযান জারি রেখেছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার গোয়েন্দারা। এই আন্তর্জাতিক গুপ্তচরবৃত্তি নেটওয়ার্ক এবং এর পেছনে থাকা বৃহত্তর দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের মূল উৎপাটন করতে তদন্তের পরিধি আরও বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। বর্তমানে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের শিকড় কতটা গভীরে, তা জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।

  • Belur Math: বেলুড় মঠে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নিলেন আশীর্বাদ

    Belur Math: বেলুড় মঠে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নিলেন আশীর্বাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষপদে বসার পর এই প্রথম শ্রীরামকৃষ্ণ ও স্বামী বিবেকানন্দের পুণ্যতীর্থ বেলুড় মঠে (Belur Math) উপস্থিত হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার বিকেলে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তিনি বেলুড় মঠে পৌঁছান। সেখানে মঠ ও মিশনের শীর্ষস্থানীয় সন্ন্যাসী ও মহারাজদের সঙ্গে এক অত্যন্ত আন্তরিক বৈঠকে মিলিত হন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর বেলুড় মঠের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আধ্যাত্মিক কেন্দ্রে তাঁর এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    ভাবগম্ভীর পরিবেশে পুজো ও শ্রদ্ধা নিবেদন (Belur Math)

    মঠে (Belur Math) প্রবেশ করার পর মুখ্যমন্ত্রীকে (Suvendu Adhikari) স্বাগত জানান মিশনের প্রবীণ সন্ন্যাসীরা। এরপর তিনি মূল মন্দিরে গিয়ে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, শ্রীশ্রীমা সারদা দেবী এবং স্বামী বিবেকানন্দের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিশ্বশান্তি ও রাজ্যের আপামর জনসাধারণের কল্যাণ কামনায় তিনি সেখানে কিছুক্ষণ ধ্যানে মগ্ন থাকেন বলেও মঠ সূত্রে জানা গিয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আজ বীর সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ প্রতিষ্ঠিত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে শ্রীশ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব, জগজ্জননী মা সারদা ও বীর সন্ন্যাসী স্বামীজির চরণে প্রণাম নিবেদন করলাম। বেলুড় মঠ-এর সাধারণ সম্পাদক শ্রীমৎ স্বামী সুবীরানন্দজি মহারাজ, ও সহকারী সাধারণ সম্পাদক স্বামী বলভদ্রনন্দজি মহারাজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে ওনাদের আশীর্বাদ লাভ করার সৌভাগ্য প্রাপ্ত হল। তাঁদের আশীর্বাদ ও সান্নিধ্য লাভ করে আমি ধন্য।’’

    মহারাজদের সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক ও আশীর্বাদ গ্রহণ

    পুজো অর্চনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের (Belur Math) বর্তমান অধ্যক্ষ (প্রেসিডেন্ট) এবং অন্যান্য প্রবীণ মহারাজদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। মহারাজরা উত্তরীয় পরিয়ে এবং মঠের পবিত্র প্রসাদ ও স্মারক গ্রন্থ তুলে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। বৈঠকে রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন, সামাজিক কর্মকাণ্ডে রামকৃষ্ণ মিশনের অবদান এবং শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। মুখ্যমন্ত্রী মহারাজদের কাছ থেকে আশিস প্রার্থনা করেন এবং রামকৃষ্ণ মিশনের সমস্ত জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    ‘শান্তি ও প্রেরণার ক্ষেত্র’

    সফর শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “বেলুড় মঠ (Belur Math) সর্বদা আত্মিক শান্তি এবং মানবসেবার এক মহান প্রেরণাভূমি। এখানে এসে মহারাজদের সান্নিধ্য ও আশীর্বাদ লাভ করে আমি ধন্য। স্বামীজির আদর্শকে পাথেয় করেই আমরা রাজ্যের মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখতে চাই।’’ মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে এদিন বেলুড় মঠ চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছিল। সাধারণ দর্শনার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রেখেছিল হাওড়া সিটি পুলিশ।

  • Howrah Corporation Election: চলতি বছরেই হাওড়া পুরভোট? জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকের পর দাবি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Howrah Corporation Election: চলতি বছরেই হাওড়া পুরভোট? জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকের পর দাবি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষিত হাওড়া পুরসভার নির্বাচন (Howrah Corporation Election) নিয়ে এবার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, প্রশাসনিক সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে চলতি বছরের মধ্যেই হাওড়া পুরনিগমের (Suvendu Adhikari) নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

    হাওড়া ময়দান এলাকার শরৎসদনে আয়োজিত একটি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। দীর্ঘদিন ধরে হাওড়া পুরসভার নির্বাচন বকেয়া থাকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রীর এই আশ্বাসের পর তাতে নতুন গতি আসবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিলম্ব ও প্রশাসনিক জটিলতা (Howrah Corporation Election)

    উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে আইনি জটিলতা এবং সীমানা পুনর্নির্ধারণ (De-limitation) সংক্রান্ত বিতর্কের জেরে হাওড়া পুরসভার নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। বালি পুরসভাকে হাওড়া পুরনিগম থেকে আলাদা করা সংক্রান্ত বিল এবং তৎকালীন রাজ্য প্রশাসনের কিছু অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন রাজভবন ও নবান্নের মধ্যে ফাইল চালাচালি হয়েছিল, যার ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া স্তব্ধ হয়ে পড়ে। বর্তমানে পুরপ্রশাসক দিয়ে এই পুরনিগমের দৈনন্দিন কাজ চালানো হচ্ছে, যার কারণে নাগরিকদের পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছিল। পুর নির্বাচনে (Howrah Corporation Election) আসবে গতি।

    মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস ও রাজনৈতিক বার্তা

    এই অচলাবস্থা নিরসনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কড়া বার্তা দিয়ে জানান, তাঁর সরকার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে পুনরুদ্ধার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, “প্রশাসনিক স্তরে যে সমস্ত জটিলতা ও ফাইল আটকে থাকার সমস্যা ছিল, তা দ্রুত সমাধান করা হচ্ছে। আমি হাওড়াবাসীকে (Howrah Corporation Election) আশ্বস্ত করতে চাই যে, আর দীর্ঘ অপেক্ষা নয়। এই বছরের মধ্যেই আপনারা আপনাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে নতুন পুরবোর্ড গঠন করতে পারবেন।” আপাতত তিনমাসের পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে যতদিন না ভোট হচ্ছে, ততদিন পর্যন্তও একটা পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। যতগুলি জলাশয় বুজিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেগুলি চিহ্নিত করা হবে।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হাওড়া পুরসভার নির্বাচন শুধু পুরপরিষেবার নিরিখে নয়, রাজ্যের সামগ্রিক রাজনৈতিক সমীকরণের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুখ্যমন্ত্রী নিজে এই নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে মুখ খোলায় নির্বাচন কমিশনও যে দ্রুত প্রস্তুতি শুরু করবে, সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট। আগামী দিনগুলিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে কী ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং আনুষ্ঠানিক দিনক্ষণ কবে ঘোষণা হয়, এখন সেটাই দেখার।

  • Vande Mataram: রাজ্যের সমস্ত মাদ্রাসায় ‘বন্দে মাতরম’ বাধ্যতামূলক, জারি নবান্নের নয়া নির্দেশিকা

    Vande Mataram: রাজ্যের সমস্ত মাদ্রাসায় ‘বন্দে মাতরম’ বাধ্যতামূলক, জারি নবান্নের নয়া নির্দেশিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী ও তাৎপর্যপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এবার থেকে রাজ্যের সমস্ত মাদ্রাসাতেও ক্লাস শুরুর পূর্ববর্তী প্রার্থনা সভায় ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) গানটি গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিকাশ ভবনের পক্ষ থেকে জারি করা একটি সাম্প্রতিক নির্দেশিকায় এই সিদ্ধান্তের কথা স্পষ্ট জানানো হয়েছে।

    নতুন এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের অধীনস্থ সমস্ত মাদ্রাসা, এসএসকে (শিশু শিক্ষা কেন্দ্র) এবং এমএসকে (মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্র)-তে প্রতিদিনের প্রার্থনা সভায় নিয়মিতভাবে ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে হবে। মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের অধিকর্তা কর্তৃক জারিকৃত এই আদেশের অনুলিপি ইতিমধ্যেই রাজ্যের সমস্ত জেলা শাসক (DM), জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (DI), পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগে পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উপযুক্ত উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পরেই এই নির্দেশ জারি করা হল।

    স্কুলের পর এবার মাদ্রাসায় জাতীয়তাবোধের প্রসারে জোর (Vande Mataram)

    এর আগে রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও সরকার-পোষিত সাধারণ স্কুলগুলিতে ক্লাস শুরুর পূর্বে এই ‘জাতীয় সংগীত’ গাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই একই নিয়ম মাদ্রাসাগুলির (Madrasahs) ক্ষেত্রেও সমভাবে কার্যকর করা হচ্ছে। স্কুল শিক্ষা দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, প্রতিদিনের প্রার্থনা সভায় জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ‘বন্দে মাতরম’(Vande Mataram)-ও গাইতে হবে। সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের এই নির্দেশ অত্যন্ত কঠোরভাবে পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এই প্রসঙ্গে গত বৃহস্পতিবার বিধানসভায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন যে, আগামী সোমবার (১৮ মে) থেকে রাজ্যের সমস্ত বিদ্যালয়ে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে ‘বন্দে মাতরম’ চালু করা হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের মনে জাতীয়তাবোধ ও গভীর দেশপ্রেম জাগ্রত করার লক্ষ্যেই রাজ্য সরকার এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিধানসভায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি নবান্নে গিয়ে এই সমগ্র প্রক্রিয়ার গতিপ্রকৃতি নিজে তদারকি করব। আগামী সোমবার থেকেই সমস্ত বিদ্যালয়ে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া শুরু করতে হবে।”

    ১ জুন থেকে কার্যকর হচ্ছে নিয়ম

    উল্লেখ্য, গত ১৩ মে স্কুল শিক্ষা দফতরের ‘ডিরেক্টর অফ এডুকেশন’-এর পক্ষ থেকে সমস্ত স্কুলপ্রধানদের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। সেখানে বলা হয়, সকালের প্রার্থনা সভায় ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) গাওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত, যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিয়মিতভাবে এই গানের মাধ্যমে দেশের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারে। তবে বর্তমানে রাজ্যে তীব্র গরমের কারণে স্কুলগুলিতে গ্রীষ্মকালীন ছুটি চলায় এই সোমবার থেকে নির্দেশটি সম্পূর্ণ কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। আগামী ১ জুন স্কুল খুললেই এই নিয়ম কঠোরভাবে বলবৎ হবে।

    আর তুষ্টিকরণ নয়, বলল বিজেপি

    মাদ্রাসায় প্রার্থনার সময় বন্দে মাতরম গাওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে বঙ্গ বিজেপির তরফে। একইসঙ্গে সরকারের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি পোস্ট করে অফিসিয়াল সমাজমাধ্যমে বিজেপি লিখছে, “এই সিদ্ধান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এক ও অভিন্ন নিয়ম প্রতিষ্ঠার বার্তা দিচ্ছে। আর তুষ্টিকরণ নয় বরং সবার জন্য সমান নীতি প্রযোজ্য।”

    কী বলল মাদ্রাসা স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন

    ওয়েস্ট বেঙ্গল মাদ্রাসা স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য কমিটির সভাপতি ফিরোজউদ্দিন সাকি বললেন, ‘‘যে দেশে বাস করি, সেখানকার কানুন মেনে চলাই আমাদের কাছে ধর্মীয় নির্দেশ। সরকারের নির্দেশে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। যারা প্রগতিশীল মুসলিম, শিক্ষিত মুসলিম তাদের কোনও সমস্যা নেই। আমাদের সংগঠনের আওতায় ১১০০ মাদ্রাসা রয়েছে। গরমের ছুটির পর ১ জুন মাদ্রাসাগুলি খুলবে। প্রথমদিন থেকেই শুরু হবে বন্দে মাতরম সঙ্গীত। সারে জাঁহা সে আচ্ছা গাওয়া হত, এবার পাশাপাশি বন্দে মাতরম গানও গাওয়া হবে।’’

    ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও রীতির পরিবর্তন

    এতদিন রাজ্যের অধিকাংশ বিদ্যালয়ে মূলত জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ গাওয়ার রীতিই প্রচলিত ছিল। ইতিপূর্বে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে, ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটিকে ‘রাজ্য সঙ্গীত’ (State Song)-এর মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠানের শুরুতে বা শেষে এই গানটি পরিবেশন করা হত।

    তবে রাজ্যে সাম্প্রতিক সরকার পরিবর্তনের পর এই প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক রীতিতে বড়সড় বদল এসেছে। বর্তমান সরকারের নতুন নীতি ও নির্দেশিকা মেনে এখন থেকে সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠানের সূচনাতেই ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) গাওয়া হচ্ছে, যা এবার বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার প্রার্থনা সভাতেও বাধ্যতামূলক করা হল।

    বন্দে মাতরম-এর ১৫০ বছর

    ১৮৭৫ সালে ৭ নভেম্বর বঙ্গ দর্শনের প্রকাশিত হয়েছিল বন্দে মাতরম গান। এই গানের স্রষ্টা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। গানটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম মূলমন্ত্র। বঙ্গে এই গানের সূচনা হলেও ধীরে ধীরে সারা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ব্রিটিশ সরকার গানকে নিষিদ্ধ করলেও দমিয়ে রাখতে পারেনি বাংলার বিপ্লবীদের। ২০২৬ সালে এই গান সার্ধশতবর্ষ। তাই গানের মাহাত্ম্যকে সর্বত্র প্রচার করতে সরকারের পদক্ষেপ।

  • Dilip Ghosh at Eden: গেরুয়া উত্তরীয় সঙ্গে ফুলের স্তবক! ইডেনে দিলীপ ‘বরণ’ সৌরভের, খেলার মাঠেও বিজেপি নেতাদের হাতে ঝালমুড়ি

    Dilip Ghosh at Eden: গেরুয়া উত্তরীয় সঙ্গে ফুলের স্তবক! ইডেনে দিলীপ ‘বরণ’ সৌরভের, খেলার মাঠেও বিজেপি নেতাদের হাতে ঝালমুড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের ক্রিকেট প্রেম নতুন নয়। এর আগেও তাঁকে বহুবার দেখা গিয়েছে ইডনের বক্সে। বুধবারও ইডেনে কেকেআর-মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের খেলা দেখতে হাজির ছিলেন দিলীপ (Dilip Ghosh at Eden)। সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক তাপস রায়-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারাও। বর্তমানে সদ্য ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন, মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন, কাজের চাপও অনেক বেড়েছে আগের তুলনায়। তবু আইপিএল দেখতে ইডেনে হাজির দিলীপ। তাঁকে বরণ করে নেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ম্যাচ দেখতে এসে সিএবির তরফ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয় দিলীপ ঘোষকে। সিএবির অফিসে রাজ্যের নতুন মন্ত্রীকে গেরুয়া উত্তরীয় পরিয়ে, ফুলের স্তবক দিয়ে স্বাগত জানান সিএবি সভাপতি।

    দিলীপ-বরণ ইডেনে

    রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বাইশ গজেও। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে এক মঞ্চে দেখা গিয়েছিল আগে, এবার দিলীপ ঘোষের সঙ্গে খোশ মেজাজে গল্প করতে দেখা গেল মহারাজ-কে। দিলীপ ঘোষ ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মধ্যে খানিক কথাও হয়। তবে দুজনের মধ্যে কোন বিষয়ে কথা হয়েছে তা জানা যায়নি। দিলীপ ঘোষকে অভ্যর্থনা জানাতে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ছাড়া অন্য সিএবি কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। বুধবারই শিলিগুড়িতে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তারপরও শহরে ফিরেই নিজের প্রিয় খেলা ও প্রিয় দলের ম্যাচ দেখতে ইডেনে হাজির হন তিনি। এদিন মুম্বইকে ৪ উইকেটে হারিয়ে দেয় কলকাতা।

    ইডেনে ঝালমুড়ি সংস্কৃতি

    ভোটের প্রচারে এসে ঝাড়গ্রামে গিয়ে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যে ছবি, ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। তারপর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বারবার উঠে এসেছে ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ। এবার ইডেন গার্ডেন্সেও ঝালমুড়ি সংস্কৃতি! ঝালমুড়ি খেতে খেতে আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (KKR vs MI) ম্যাচ দেখলেন রাজ্যের মন্ত্রী। ঘড়িতে তখন কাঁটায় কাঁটায় ৮.১৫ । ম্যাচ বন্ধ হয়ে যায় বৃষ্টিতে । প্রথমে ব্য়াট করে তখন মুম্বইয়ের স্কোর ৫৭/৪ । খেলা বন্ধ রইল এক ঘণ্টা। ঠিক সেই সময়ই ইডেনে এলেন দিলীপ। ক্লাব হাউসে বিধায়ক ও বিধানসভার স্পিকার তাপস রায়, বৈশালী ডালমিয়া, তমোঘ্ন ঘোষদের সঙ্গে বসে খেলা দেখলেন। হাতে ঝালমুড়ির ঠোঙা। বললেন, ‘উত্তরবঙ্গে গিয়েছিলাম। খানিক আগেই সেখান থেকে ফিরেছি। ফিরেই খেলা দেখতে চলে এলাম। আমি কেকেআরের সমর্থক। ওরা এখনও প্লে অফে যেতে পারে। শেষ দুই ম্যাচ জিততে হবে। শুরুর দিকে কয়েকটা ম্যাচ ভালো যায়নি। শুরুটা ভালো হলে এতদিনে আমরা প্লে অফে পৌঁছে যেতাম।’

  • Weather Update: তীব্র তাপে পুড়ছে গোটা দেশ! বিদ্যুতের চাহিদা পৌঁছাল রেকর্ড ২৬৫ গিগাওয়াটে, আগামীতে আরও গরমের পূর্বাভাস

    Weather Update: তীব্র তাপে পুড়ছে গোটা দেশ! বিদ্যুতের চাহিদা পৌঁছাল রেকর্ড ২৬৫ গিগাওয়াটে, আগামীতে আরও গরমের পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে উত্তর ও মধ্য ভারতে জাঁকিয়ে বসা তীব্র দাবদাহ ও তাপপ্রবাহের (Weather Update) কারণে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০ মে বুধবার দুপুর ৩:৪৫ মিনিটে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা (Peak Power Demand) রেকর্ড করা হয়েছে, যার পরিমাণ ছিল ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াট (GW)। এই নিয়ে টানা তিন দিন দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ (Rising Temperature) চাহিদা পূর্ববর্তী সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল। তবে এত বিপুল পরিমাণ চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কোনওরকম বিদ্যুৎ বিভ্রাট ছাড়াই গ্রিড সফলভাবে এই সরবরাহ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। এদিকে আবহাওয়া দফতর (IMD) সতর্ক করেছে যে, আগামী দিনগুলিতে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলবে।

    টানা তিন দিনের রেকর্ডের খতিয়ান (Weather Update)

    চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই তাপমাত্রার (Weather Update) পারদ চড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের ব্যবহারও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এসি (Air Conditioner), কুলার এবং রেফ্রিজারেটরের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এই চাহিদাকে আকাশছোঁয়া করে তুলেছে:

    • ● সোমবার (১৮ মে): বিদ্যুতের চাহিদা ছুঁয়েছিল ২৫৭.৩৭ গিগাওয়াট।
    • ● মঙ্গলবার (১৯ মে): আগেরর রেকর্ড ভেঙে চাহিদা পৌঁছায় ২৬০.৪৫ গিগাওয়াটে।
    • ● বুধবার (২০ মে): সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে এক লাফে প্রায় ৫ গিগাওয়াট বৃদ্ধি পেয়ে চাহিদা দাঁড়ায় ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াটে।

    এর আগে গত ২৫ এপ্রিল দেশের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ২৫৬.১১ গিগাওয়াট। অর্থাৎ এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এই নিয়ে চতুর্থবার সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ (Rising Temperature) চাহিদার নতুন রেকর্ড তৈরি হল।

    গ্রিড ও বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতি

    বিদ্যুৎ মন্ত্রক জানিয়েছে, ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াটের এই বিশাল চাহিদা সম্পূর্ণ নিরবচ্ছিন্নভাবে মেটানো সম্ভব হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই চাহিদার সিংহভাগ বা প্রায় ৬১.২% মেটানো হয়েছে তাপবিদ্যুৎ (Thermal Power) থেকে। এছাড়া সৌরবিদ্যুৎ ২১.৫%, বায়ুবিদ্যুৎ ৬.৫%, জলবিদ্যুৎ ৬.৩% এবং পারমাণবিক শক্তি থেকে ২.৬% সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

    চলতি মরসুমে সরকারের পক্ষ থেকে গ্রীষ্মকালীন সর্বোচ্চ বিদ্যুতের (Rising Temperature) চাহিদা ২৭১ গিগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিদ্যুৎ ক্ষেত্র সর্বোচ্চ ২৮০ গিগাওয়াট পর্যন্ত চাহিদা সামলানোর জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা

    আইএমডি (IMD) জানিয়েছে, দেশের একাধিক অংশে, বিশেষ করে রাজধানী দিল্লি এবং উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ (Severe Heatwave) অব্যাহত থাকবে। দিল্লির জন্য ইতিমধ্যেই ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (Weather Update) ছাড়িয়ে গেছে। উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলায় তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই রেকর্ড ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা (Rising Temperatur) কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। ফলে দুপুরের পাশাপাশি রাতের দিকেও বিদ্যুতের চাহিদা চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যা বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা ও গ্রিড ব্যবস্থাপনার ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেবে।

  • Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে পাকিস্তান! লাহোর থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল জঙ্গি অপারেশন, চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি এনআইএ-র

    Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে পাকিস্তান! লাহোর থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল জঙ্গি অপারেশন, চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় (Pahalgam Terror Attack) ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মদতের প্রমাণ পেয়েছে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ (NIA)। আদালতে দাখিল করা চার্জশিটে (NIA Chargesheet) এনআইএ-র তরফে দাবি করা হয়েছে, গোটা হামলার পরিকল্পনা, নিয়ন্ত্রণ এবং জঙ্গিদের নির্দেশ দেওয়া—সবকিছুই পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে লস্কর-ই-তৈবা (LeT) এবং তার ছদ্ম সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (TRF)-এর সক্রিয় ভূমিকার তথ্যও।

    লাহোরে বসে হামলাকারীদের নির্দেশ দিচ্ছিল জঙ্গি-নেতা সইফুল্লাহ্

    এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের লাহোর থেকে হামলার নেপথ্য মূলচক্রী হিসেবে কাজ করছিল সইফুল্লাহ্ ওরফে সাজিদ জাট ওরফে ‘ল্যাংড়া’। সে লস্কর-ই-তৈবা এবং টিআরএফ-এর শীর্ষ জঙ্গি-নেতা। চার্জশিট অনুযায়ী, পহেলগাঁওয়ে হামলা চালানো জঙ্গিদের সঙ্গে সে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত এবং রিয়েল-টাইমে অবস্থান, চলাচলের পথ, লুকিয়ে থাকার জায়গা ও পালানোর রুট সংক্রান্ত তথ্য পাঠাত। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামলার আগে ১৫ ও ১৬ এপ্রিল পাকিস্তান থেকে তিন জঙ্গি— ফয়জল জাট ওরফে সুলেমান, হাবিব তাহির ওরফে ছোটু এবং হামজা আফগানিকে— বৈসরণ উপত্যকা ও আশপাশের এলাকায় রেকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তারা পর্যটকদের আনাগোনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং হামলার সম্ভাব্য রুট খতিয়ে দেখে। এরপর হামলার দিন লাহৌর থেকেই সইফুল্লাহ্ জঙ্গিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখে হামলা পরিচালনা করে।

    পাকিস্তানের “ফলস ফ্ল্যাগ” তত্ত্বও ভেস্তে দিল এনআইএ

    এনআইএ-র তদন্তে পাকিস্তানের তথাকথিত “ফলস ফ্ল্যাগ” তত্ত্বও ভেস্তে গিয়েছে। হামলার পরপরই ‘কাশ্মীর ফাইট’ নামে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে টিআরএফ হামলার দায় স্বীকার করে। কিন্তু আন্তর্জাতিক স্তরে তীব্র নিন্দা শুরু হলে এবং রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ হামলার নিন্দা জানালে সংগঠনটি নিজেদের অবস্থান বদলায়। পরে দাবি করা হয়, টেলিগ্রাম চ্যানেলটি নাকি “হ্যাক” হয়েছিল এবং হামলার সঙ্গে টিআরএফ-এর কোনও যোগ নেই। তবে এনআইএ-র প্রযুক্তিগত তদন্তে উঠে এসেছে, ‘কাশ্মীর ফাইট’ টেলিগ্রাম চ্যানেলটি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার বাট্টাগ্রাম এলাকা থেকে পরিচালিত হত। এছাড়া ‘TheResistanceFront_OfFcial’ নামে আরেকটি চ্যানেল রাওয়ালপিন্ডি থেকে চালানো হত বলেও জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলকে বিভ্রান্ত করতে এবং হামলার দায় এড়াতে লস্কর ও টিআরএফ যৌথভাবে এই ভুয়ো প্রচার চালায়।

    নিহত জঙ্গিদের মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    ‘অপারেশন মহাদেব’-এ নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া অন্তত দুটি মোবাইল ফোন থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। এনআইএ জানিয়েছে, একটি ফোন অনলাইনে কেনা হয়েছিল এবং সেটি লাহোরের কায়েদ-ই-আজম ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটের একটি ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল। অন্য ফোনটি কেনা হয়েছিল করাচির শাহরা এলাকা থেকে। এই তথ্য পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। চার্জশিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় দুই বাসিন্দা— পারভেজ এবং বশির আহমেদ— পাকিস্তানি জঙ্গিদের হামলা চালাতে সাহায্য করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে আশ্রয় দেওয়া, রসদ সরবরাহ এবং পালানোর পথ দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’ প্রত্যাঘাত ভারতের

    পহেলগাঁও হামলার পর ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাল্টা সামরিক অভিযান চালায়। ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানের ভিতরে থাকা লস্করের একাধিক জঙ্গি লঞ্চপ্যাড ও ঘাঁটি লক্ষ্য করে নির্ভুল হামলা চালায়। গ্লাইড বোমা, ড্রোন এবং ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করে বহু জঙ্গি অবকাঠামো ধ্বংস করা হয় বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি, ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাকিস্তানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। এনআইএ-র দাবি, এই চার্জশিটে থাকা তথ্য, ডিজিটাল প্রমাণ, যোগাযোগের নথি এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর ফরেন্সিক বিশ্লেষণ পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ জড়িত থাকার অভিযোগকে আরও শক্তিশালী করেছে। তদন্তকারী সংস্থার মতে, পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে ভারতে নাশকতা চালানোর পুরনো কৌশলই আবারও সামনে এল পহেলগাঁও হামলার ঘটনায়।

  • India Italy Relation: ‘মেলোডি’-র হাত ধরে ভারত-ইটালির কূটনীতিতে নয়া মোড়! কী হল মোদি-মেলোনি বৈঠকে?

    India Italy Relation: ‘মেলোডি’-র হাত ধরে ভারত-ইটালির কূটনীতিতে নয়া মোড়! কী হল মোদি-মেলোনি বৈঠকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনীতিতে চকোলেটের মতো মিষ্টি-মধুর সম্পর্ক তৈরি হল ভারত-ইটালির (India Italy Relation)। ‘মেলোডি’ শুধু দুই ব্যক্তির বন্ধুত্বপূর্ণ রসায়নেই থেমে থাকল না। বুধবার ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে পাশে (Modi-Meloni Meet) নিয়ে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘স্পেশাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে’ পরিণত করার ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়ে দিলেন বাণিজ্য থেকে প্রতিরক্ষায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলবে দুই দেশ। মোদি-মোলোনির বন্ধুত্বের ছাপ পড়ল দুই দেশের সম্পর্কেও। যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বাড়ানোর কথা জানিয়ে জর্জিয়া বলেন, ‘বর্তমানে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১৪ বিলিয়ন ইউরো। ২০২৯ সালের মধ্যে সেটিকে আমরা ২২ বিলিয়ন ইউরোতে নিয়ে যেতে চাই।’

    মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে বিশাল সুযোগ

    ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি। আর সেটাকেই কাজে লাগাতে চান ‘মেলোডি’। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সময়ে ইটালির সমর্থনের জন্য মেলোনিকে ধন্যবাদ জানান মোদি। সোজাসুজি বলে দেন, ‘দুই দেশের ব্যবসায়ীরা যাতে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পান, তার জন্য আমরা একসঙ্গে কাজ করব।’ ২০২৩ সালে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৪০০ কোটি ইউরো। ২০২৯ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০০০ কোটি ইউরোতে (সাড়ে ২ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি) পৌঁছোনোর যৌথ লক্ষ্য ঘোষণা করেছেন দুই প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে ভারতে ৮০০-র বেশি ইটালির সংস্থা কাজ করছে।

    ইন্ডিয়া-ইটালি ইনোভেশন সেন্টার

    প্রযুক্তির উপরে সবচেয়ে বেশি জোর দেন মোদি। তিনি বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা ও অসামরিক পারমাণবিক শক্তির মতো ক্ষেত্রে ভারত-ইতালির কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে।’ দুই দেশের স্টার্টআপ, গবেষণা কেন্দ্র ও শিল্পক্ষেত্রকে যুক্ত করতে একটি ‘ইন্ডিয়া-ইটালি ইনোভেশন সেন্টার’ গড়ে তোলার কথাও ঘোষণা করেন তিনি। প্রতিরক্ষা এবং ক্লিন এনার্জি খাতেও একসঙ্গে কাজ হবে বলে ঘোষণা করেছেন মোদি। প্রতিরক্ষা ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি এবং জ্বালানি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি, ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সম্পর্ক নিবিড় করার কথা জানানো হয়েছে যৌথ বিবৃতিতে।

    লজিস্টিকস এবং ব্লু ইকোনমি

    ইউক্রেন যুদ্ধ, ইরান-সহ পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালীতে সঙ্কটের প্রসঙ্গও এসেছে যৌথ বিবৃতিতে। বৈঠকের পরে মোদি বলেন, “প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন আমাদের অংশীদারির চালিকাশক্তি। এআই, কোয়ান্টাম, মহাকাশ এবং অসামরিক পারমাণু শক্তির মতো অনেক ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।” জাহাজ চলাচল, বন্দর আধুনিকীকরণ, লজিস্টিকস এবং ব্লু ইকোনমি আগামী দিনে নয়াদিল্লি-রোম সম্পর্কের অন্যতম ভরকেন্দ্র হবে বলেও জানান মোদি। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা— ‘‘হেলিকপ্টার, নৌ-প্ল্যাটফর্ম-সহ সমুদ্র-যুদ্ধের উপযোগী অস্ত্র এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থা—সংক্রান্ত অংশীদারিত্ব বাড়ানো হবে।’’

    প্রেসিডেন্ট মাত্তারেল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির

    ২০ মে রোমের কুইরিনালে প্রাসাদে প্রেসিডেন্ট মাত্তারেল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বৈঠকে দুই নেতা ভারত-ইটালি সম্পর্কের দ্রুত অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ গুরুত্ব পায় উদীয়মান প্রযুক্তি ও এআই। ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করার উপর জোর দেন দুই নেতা। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়া ও ইউরোপের সংঘাত পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়। আন্তর্জাতিক আইন, সমুদ্রপথে স্বাধীন চলাচল এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তাঁরা।

    ভারত-পশ্চিম এশিয়া-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর

    দুই প্রধানমন্ত্রী ভারত-পশ্চিম এশিয়া-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর (আইএমইসি)-এ সহযোগিতার কথাও ঘোষণা করেছেন। মেলোনি জানিয়েছেন, বিশেষত ছাত্রছাত্রী, গবেষক ও দক্ষ কর্মীদের যাতায়াত বাড়াতে এবং শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা উন্নয়নে ভবিষ্যতে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হবে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে গাজায় যাওয়া জাহাজ আটক করা নিয়ে ইজরায়েলের সমালোচনা করেন মেলোনি।

    ভারত-ইটালি নিয়মিত আলোচনা

    মোদি-মেলোনি বৈঠকে স্থির হয়, দুই দেশ প্রতি বছর শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক করবে এবং নিয়মিত মন্ত্রীস্তর ও প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা চালিয়ে যাবে। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়েও একমত হয়েছে দুই দেশ। সন্ত্রাসে অর্থ জোগান বন্ধে যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গুজরাটের লোথালে ন্যাশনাল মেরিটাইম হেরিটেজ কমপ্লেক্স গড়ে তোলা এবং ভারতীয় নার্স নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভারত ও ইতালি ২০২৭ সালকে সংস্কৃতি এবং পর্যটনের বছর “Year of Culture and Tourism” হিসেবে উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    একে অপরের পরিপূরক

    যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ইটালির ডিজাইন ও জিনিস তৈরির দক্ষতা এবং ভারতের উদ্ভাবনী চিন্তা একে অপরের পরিপূরক। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী মেলোনি এই দিনটিকে “ঐতিহাসিক” বলে উল্লেখ করে জানান, ভারত-ইতালি সম্পর্ক এখন এক নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। কূটনৈতিক বৈঠকের বাইরেও নজর কাড়ে মোদি-মেলোনি দুই নেতার ব্যক্তিগত মুহূর্ত। কূটনীতির টেবিলে চুক্তির কালি শুকোতে সময় লাগে। তবে ‘মেলোডি’র মিষ্টি স্বাদ বুঝিয়ে দিয়েছে— ভারত ও ইটালির সম্পর্ক এখন শুধু কাগজে-কলমে নয়, তাতে অন্য রসায়নও দানা বাঁধছে।

     

     

     

LinkedIn
Share