Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Sheikh Hasina: হিন্দু হত্যা, মিডিয়া অফিসে আগুন, বাংলাদেশের অরাজকতা নিয়ে মুখ খুললেন হাসিনা

    Sheikh Hasina: হিন্দু হত্যা, মিডিয়া অফিসে আগুন, বাংলাদেশের অরাজকতা নিয়ে মুখ খুললেন হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কট্টরপন্থী ভারতবিরোধী যুবনেতা ওসমান হাদির মৃত্যু এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশে তৈরি হওয়া অরাজকতা নিয়ে মুখ খুললেন শেখ হাসিনা। এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, “এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে যে, যে আইনহীন পরিস্থিতি আমার সরকারকে উৎখাত করেছিল, তা ইউনুসের অধীনে আরও বেড়েছে। সহিংসতা এখন স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে, আর অন্তর্বর্তী সরকার হয় তা অস্বীকার করছে, নয়তো নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ। এর ফলে শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নয়, প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গেও সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

    উনুস মন্ত্রিসভায় চরমপন্থীদের স্থান দিয়েছেন

    শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, ইউনুসের শাসনে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে উগ্র ইসলামপন্থা ও চরমপন্থী শক্তির কবলে পড়ছে। তাঁর দাবি, “ইউনুস মন্ত্রিসভায় চরমপন্থীদের স্থান দিয়েছেন, দণ্ডপ্রাপ্ত সন্ত্রাসীদের মুক্তি দিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত গোষ্ঠীগুলিকে প্রকাশ্য জীবনে ভূমিকা নিতে দিয়েছেন। আমার আশঙ্কা, চরমপন্থীরা তাঁকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহণযোগ্য মুখ দেখাচ্ছে, আর আড়ালে প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধীরে ধীরে উগ্রপন্থী করে তুলছে।” তিনি আরও বলেন, “ভারত এই বিশৃঙ্খলা, সংখ্যালঘুদের উপর নিপীড়ন এবং আমরা একসঙ্গে যা গড়ে তুলেছিলাম তার ক্ষয় লক্ষ্য করছে। যখন একটি দেশ নিজের সীমানার ভেতর ন্যূনতম শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারে না, তখন আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়।” হাসিনার কথায়, “এটি শুধু ভারতের নয়, দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী সব দেশের জন্যই উদ্বেগের বিষয়। বাংলাদেশের রাজনীতির ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র ছিল আমাদের অন্যতম শক্তি, যা কয়েকজন উগ্রবাদীর খেয়ালে বিসর্জন দেওয়া যায় না।”

    কেন বাংলাদেশে ভারত বিরোধী হাওয়া চলছে?

    ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতির জন্য ফের একবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকেই দায়ী করলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, “ইউনূস সরকার যে চরমপন্থীদের বাংলাদেশে বেড়ে উঠতে দিচ্ছেন, তাদের জন্যই এই দমবন্ধকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এরাই সেই চরমপন্থী যারা ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালিয়েছে, সংবাদমাধ্যমের অফিস জ্বালিয়েছে, সংখ্যালঘুদের আক্রমণ করেছে। এরাই আমাকে এবং আমার পরিবারকে প্রাণ হাতে নিয়ে পালাতে বাধ্য করেছে। ফলে ভারত নিজেদের প্রতিনিধিদের নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে, এটাই স্বাভাবিক। আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, দায়িত্ববান সরকার হলে কূটনৈতিক সম্পর্ককে গুরুত্ব দিত, তবে ইউনূস নৈরাজ্যবাদীদের আরও বেশি করে ছাড় দিচ্ছেন। এমনকী তাদের যোদ্ধা হিসেবে তকমা দিচ্ছেন।” প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “ইউনূস প্রশাসন ভারতের বিরুদ্ধে নেতিবাচক বিবৃতি জারি করে। সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে ওরা ব্যর্থ। বিদেশনীতি পরিচালনা করছে চরমপন্থীরা। এরপর যখন অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে তখন মাথাব্যথা হয়। দশকের পর দশক ভারত এবং বাংলাদেশে একে অপরের বন্ধু রাষ্ট্র। আমাদের দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক অনেক গভীর। ফলে কোনও অস্থায়ী সরকারের কারণে তা নষ্ট হতে পারে না। আমি আশাবাদী, বাংলাদেশে স্থায়ী গণতান্তান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় এলে ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক আবারও দৃঢ় হবে। এই সম্পর্ক অটুট থাকবে বলেই আমার বিশ্বাস।”

     

     

     

  • Humayun Kabir: ২০০টি আসনে প্রার্থী দেওয়া লক্ষ্য! মুর্শিদাবাদে ‘বাবরি মসজিদ’ বিতর্কের পর নতুন দল গড়লেন হুমায়ুন কবীর

    Humayun Kabir: ২০০টি আসনে প্রার্থী দেওয়া লক্ষ্য! মুর্শিদাবাদে ‘বাবরি মসজিদ’ বিতর্কের পর নতুন দল গড়লেন হুমায়ুন কবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে সোমবার বহিষ্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বিধায়ক হুমায়ুন কবীর আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নতুন রাজনৈতিক দল জনতা উন্নয়ন পার্টি (JUP)-র সূচনা করলেন। ২০২৫ সালের ২২ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক জনসভায় দলের পতাকা উন্মোচন করে তিনি জানান, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দলটি অংশ নেবে। সভায় হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) বলেন, তিনি সর্বোচ্চ ২০০টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছেন এবং নির্বাচনের পরে নিজেকে সম্ভাব্য ‘কিংমেকার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান। তিনি আরও জানান, সাধারণ মানুষ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সমস্যা নিয়ে রাজনীতি করাই তাঁর দলের মূল উদ্দেশ্য।

    ২টি আসন থেকে লড়াই করবেন হুমায়ুন

    নতুন দল তৈরির দিনই বেশ কয়েকটি আসনে প্রার্থীর নামও ঘোষণা করে দিলেন হুমায়ুন কবীর। নিজে বিধানসভা নির্বাচনে ২টি আসন থেকে লড়াই করবেন হুমায়ুন। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতেই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) বহিষ্কার করা হয়। ১১ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদে একটি ‘বাবরি মসজিদ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সিদ্ধান্তকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের জেরেই এই পদক্ষেপ বলে জানা যায়। নতুন দলের ঘোষণা মঞ্চ থেকেই হুমায়ুন কবীর তৃণমূল নেতৃত্ব, বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করেন। পাশাপাশি তিনি জানান, বিরোধী দলগুলির সঙ্গে জোটের সম্ভাবনাও তিনি খোলা রাখছেন। সূত্রের খবর, হুমায়ুন কবীর নিজে রেজিনগর ও বেলডাঙা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক।

    কোন কোন কেন্দ্রে প্রার্থী, ব্রিগেডের ডাক

    সোমবার দুপুর ১টায় নিজের রাজনৈতিক দলের নাম এবং রাজ্য কমিটি ঘোষণা করেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। প্রকাশ করা হয় দলের পতাকাও। দলের পতাকায় রয়েছে তিনটি রং— হলুদ, সবুজ এবং সাদা। দলের সভাপতির নামও ঘোষণা করেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। জানান আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর দলের প্রথম প্রার্থীর নামও। হাজী ইবরার হোসেনকে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জনতা উন্নয়ন পার্টির সভাপতি পদে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাঁকেই খড়গপুর গ্রামীণ বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা করেন হুমায়ুন কবীর। মালদার বৈষ্ণবনগরের প্রার্থী হচ্ছেন মুস্তারা বিবি। মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের প্রার্থী করা হচ্ছে মনীষা পাণ্ডেকে। এরআগে মনীষা পাণ্ডে ছিলেন তৃণমূলের নেত্রী। ভগবানগোলায় লড়বেন আর এক হুমায়ুন কবীর। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। রানিনগর থেকে যিনি লড়বেন, তাঁর নামও হুমায়ুন কবীর। দক্ষিণ দিনাজপুরের ধনিরাম বিধানসভার প্রার্থীর নাম ডঃ ওয়েদুল রহমান। কলকাতার বালিগঞ্জ বিধানসভা, যেখানে উপনির্বাচনে বাবুল সুপ্রিয় তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন, সেই কেন্দ্র থেকে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতীকে লড়াই করবেন নিশা চট্টোপাধ্যায়। ইছাপুরের প্রার্থীর নাম সিরাজুল মন্ডল। অর্থাৎ শুধু মালদা-মুর্শিদাবাদে সীমাবদ্ধ থাকছেন না হুমায়ুন। বালিগঞ্জ, ইছাপুরের মতো কেন্দ্রেও ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’র প্রার্থীর নামও ঘোষণা করা দিলেন। সেইসঙ্গে ইস্তেহার প্রকাশ করেন। হুমায়ুন দাবি করেছেন, ৯০ আসন জিততে পারলে তাঁর দল রাজ্যে সরকার গঠনের কাণ্ডারি হবে ৷ পাশাপাশি এদিন মঞ্চ থেকে হুমায়ুন জানিয়ে দেন আগামী জানুয়ারি মাসে ব্রিগেডে সভা করবেন তিনি।

  • Winter Vegetable: হট চকোলেট কিংবা পেস্ট্রি নয়, শীতের অবসাদ কমাতে মেনুতে থাকুক ব্লু বেরি, রাঙা আলু

    Winter Vegetable: হট চকোলেট কিংবা পেস্ট্রি নয়, শীতের অবসাদ কমাতে মেনুতে থাকুক ব্লু বেরি, রাঙা আলু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতে বাড়ে অবসাদ। শুধু ভাইরাস ঘটিত সর্দি-কাশি কিংবা ফুসফুসের সংক্রমণের মতো রোগ নয়।‌ শীতে মানসিক স্বাস্থ্যেও প্রভাব পড়ে। শীতে মানসিক অবসাদ বাড়ে। এমনটাই জানাচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। বেশ কিছু খাবার মানসিক অবসাদ কমাতে সাহায্য করে‌। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অবসাদের সঙ্গে শরীরের হরমোনের ভারসাম্যের বিষয়টি ওতোপ্রোতভাবে জড়িত থাকে। তাই কিছু খাবার শরীরে স্ট্রেস হরমোন কমিয়ে দেয়। তাই মানসিক অবসাদ, চাপ, বিষন্নতা সহজেই দূর হয়। অনেকেই মানসিক অবসাদ কাটাতে হট চকলেট কিংবা পেস্ট্রির মতো খাবার পছন্দ করেন। কিন্তু হট চকলেট কিংবা কেক-পেস্ট্রি ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে না। বরং লাগাতার এই ধরনের খাবার খেলে ওজন বেড়ে যায়‌। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশ, মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে শীতের মরশুমে কিছু বিশেষ ফল এবং সব্জিতেই ভরসা রাখছেন।

    ব্লু বেরি অবসাদ কমাবে, মস্তিষ্ককেও সক্রিয় রাখবে!

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ব্লু বেরি শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ উপকারি। তাঁরা জানাচ্ছেন, ব্লু বেরিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যা মস্তিষ্ককে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে। এর ফলে মানসিক চাপ কম তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কম বয়সীদের জন্য ব্লু বেরি বিশেষ উপকারি। তরুণ প্রজন্মের মানসিক অবসাদের অন্যতম কারণ অতিরিক্ত উদ্বেগ। ব্লু বেরি উদ্বেগ এবং হতাশার মতো আবেগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। মেজাজ খিটখিটে হওয়া থেকেও আটকাতে সাহায্য করে। মানসিক অবসাদ কমানোর পাশপাশি ব্লু বেরি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ব্লু বেরিতে থাকে ফ্ল্যাভোনয়েড। যা নিউরনের সংযোগ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে। একদিকে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, আরেকদিকে উদ্বেগ ও অবসাদ হ্রাসের ক্ষমতা রয়েছে। তাই ব্লু বেরি খেলে যেকোনও কাজে মনঃসংযোগ বাড়ে‌। আবার বয়স্কদের অনেকেই স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সমস্যায় ভুগছেন। তাঁদের এই ফল বিশেষ উপকারি। কারণ ব্লু বেরি মনে রাখার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

    রাঙা আলু বাড়তি উপকার দেবে!

    মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য রাঙা আলু বিশেষ উপকারি। মনোরোগ বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, রাঙা আলুতে ভিটামিন বি ৬, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও কার্বোহাইড্রেটের বিশেষ অংশ থাকে। এই সব উপাদান মস্তিষ্ক এবং হরমোনের উপরে বিশেষ সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাঙা আলুতে ভিটামিন বি ৬ উপাদান সেরোটোনিন এবং ডোপামিন নামে দুই হরমোন উৎপাদনে বিশেষ সাহায্য করে। এই দুই হরমোন স্ট্রেস কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। ফলে মানসিক অবসাদ কমে। রাঙা আলু কোর্টিন হরমোন ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। এর ফলে অতিরিক্ত উদ্বেগ বা চাপ তৈরি হয় না। তাই শীতের মরশুমে রাঙা আলু খেলে মানসিক চাপ ও অবসাদ কমে। বরং মস্তিষ্কের স্নায়ু সুস্থ থাকে। মানসিক স্বাস্থ্যের পাশপাশি শরীরের জন্যও রাঙা আলু বিশেষ উপকারি। এই সব্জি অন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে। ক্লান্তি দূর করতে বিশেষ সাহায্য করে।

    ব্রোকলি মন শান্ত করাবে, অবসাদ কমাবে!

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের সব্জি ব্রোকলি নিয়মিত খেলে অবসাদ কমবে। মন শান্ত থাকবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ব্রোকলিতে রয়েছে সালফোরাফেন। এই উপাদান মানসিক অস্থিরতা কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। অনেকেই সামান্য কারণে দুশ্চিন্তায় ভোগেন। যেকোনও ব্যাপারেই অস্থির হয়ে ওঠেন। যা মানসিক অবসাদ তৈরি করে। নিয়মিত ব্রোকলি খেলে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এই ধরনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়।

    কাবুলি ছোলা অবসাদ কমিয়ে মন ভালো রাখে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোলা শরীরের জন্য বিশেষ উপকারি। তবে কাবুলি ছোলা শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারি। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ছোলায় থাকা ট্রিপটোফ্যান মন ভালো রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। ফলে অবসাদ কমে।

  • Daily Horoscope 23 December 2025: বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 23 December 2025: বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ২) পিঠে ব্যথার সমস্যা থাকবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভাল সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সম্পত্তির ভাগ পেতে পারেন।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মিথুন

    ১) কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করার জন্য আপনাকে বিপদে পড়তে হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ।

    ৩) সখপূরণ হবে।

    কর্কট

    ১) কোনও ভুল কাজের জন্য অনুতাপ হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কন্যা

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা।

    ২) কর্মস্থলে নিজের মতামত প্রকাশ না করাই ভাল হবে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ধনু

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে। ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ২) সংসারে আর্থিক টানাপড়েন থাকলেও তা মিটে যাবে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Bangladesh Violence: ভারতীয় পরিচয় গোপন করে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসেন সরোদ বাদক শিরাজ

    Bangladesh Violence: ভারতীয় পরিচয় গোপন করে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসেন সরোদ বাদক শিরাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Violence) লাগাতার রাজনৈতিক হিংসার উত্তাপে উত্তাল পরিস্থিতি। ভারত বিরোধী মনোভাব নিয়ে ওই দেশের জামাত ও এনসিপি দলের নেতারা ব্যাপক ভাবে উস্কানি দিচ্ছেন। দেশের মধ্যে এক প্রকার গৃহযুদ্ধ লেগেই গিয়েছে। কট্টর মৌলবাদের সমর্থক এবং ভারত বিরোধী ছাত্রনেতা হাদির মৃত্যুতে বাংলাদেশের প্রধান সাংস্কৃতিক সংস্থা ছায়ানটে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় মৌলবাদীরা। এই আবহে মধ্য কলকাতার সরোদ বাদক শিরাজ আলি খানকে রাতারাতি অনুষ্ঠান ছেড়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য করা হয়। ফিরে শিরাজ (Shiraz Ali Khan) বলেন, “নিরাপদে থাকার জন্য আমকে ভারতীয় পরিচয় গোপন করতে হয়েছিল।”

    নিরাপত্তা জনিত কারণে দ্রুত ভারতে চলে আসেন (Bangladesh Violence)

    বিখ্যাত সরোদ বাদক শিরাজ আলি খান (Shiraz Ali Khan) গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে ঢাকায় বেশ কিছু অনুষ্ঠান করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছায়ানটে ভাঙচুরের পর বাংলাদেশ (Bangladesh Violence) সফর সংক্ষিপ্ত করে ভারতে ফিরে আসতে বাধ্য হন। এই হামলা ভীষণ ভাবে তাঁকে মর্মাহত করেছে। ছায়ানটে জেহাদিদের হামালার আগে তিনি ১৬ এবং ১৭ ডিসেম্বর কয়েকটি অনুষ্ঠান করেছিলেন। ১৯ তারিখ এই হামলা এবং ভাঙচূড়ের ঘটনা ঘটলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তাঁর আরও একটা ধ্রপদী বাজনার অনুষ্ঠান ছিল। কিন্তু নিরাপত্তা জনিত কারণে দ্রুত ভারতে চলে আসেন। আসন্ন নির্বাচন এবং রাজনৈতিক খুনোখুনিতে সেই দেশের আইন শৃঙ্খলা ব্যাপকভাবে ভেঙে পড়েছে।

    বাংলাদেশের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক শিরাজের

    শিরাজের (Shiraz Ali Khan) সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh Violence) গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বিখ্যাত সরোদ বাদক ওস্তাদ আলী আকবর খানের নাতি ও ওস্তাদ ধ্যানেশ খানের পুত্র এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাবা আলাউদ্দিন খানের প্রপৌত্র। শিরাজ বলেন, “কয়েক বছর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আমার প্রপিতামহের নামে একটি কলেজে আক্রমণ করেছিল দুষ্কৃতীরা। এবার  সংস্কৃতির মূল কেন্দ্র ছায়ানটে ভাঙচুর অত্যন্ত লাজ্জার। আমি ভীষণ ভাবে মর্মাহত।” তিনি আরও বলেন, “যেহেতু দেশের পরিস্থিতি উত্তাল, তাই একটি মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্রে টাকা ভাঙাতে গিয়ে আমি যে ভারতীয় সেই পরিচয়কে গোপন করে রাখতে হয়েছিল। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর আগের মুহূর্ত পর্যন্ত গাড়ির চালক পাসপোর্ট এবং মোবাইল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি স্বপ্নেও ভাবিনি আমাকে এই ভাবে নিজের পরিচয় গোপন করে রাখতে হবে।”

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়,  প্রধানমন্ত্রী মোদির অভিনন্দন

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়, প্রধানমন্ত্রী মোদির অভিনন্দন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) জেলা পরিষদ এবং গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির জয় জয়কার। রবিবারই প্রকাশিত হয়েছে এই নির্বাচনের ফল। সেখানে জেলা পরিষদ এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের সিংহভাগ আসনই জিতেছে বিজেপি। আর এই নির্বাচনে কার্যত পাত্তা পায়নি কংগ্রেস। মোট আসনের ৯৭ শতাংশেরও বেশি জিতে রাজ্যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। এই ফলাফল রাজ্যের উন্নয়নে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের ওপর জনগণের আস্থারই প্রতিফলন বলে দাবি বিজেপির। নির্বাচনী জয়কে সুশাসনের প্রতি জনগণের বিশ্বাস হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    বিজেপির জয়-জয়কার

    অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) নির্বাচন কমিশনের অফিস সূত্রে খবর, সেখানকার জেলা পরিষদের ২৪৫টি আসনের মধ্যে ১৭০টিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। এর মধ্যে ৫৯টি আসনে বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে বিজেপি। অন্য দিকে, জেলা পরিষদের ২৮টি আসনে জিতেছে পিপলস পার্টি অফ অরুণাচল। সেখানে জেলা পরিষদের মাত্র ৭টি আসন এসেছে কংগ্রেসের দখলে। ন্যাশনাল পিপলস পার্টি ৫টি আসনে এবং নির্দল ও অন্যান্যরা জিতেছে ২৩টি আসনে। একই ভাবে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি। গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮২০৮টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৬০৮৫টি আসনে। এর মধ্যে ৫২১১ আসনেই বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে বিজেপি। অন্য দিকে কংগ্রেস জিতেছে মাত্র ২১৬টি আসনে। এর মধ্যে ১১১টি আসনে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া জয় পেয়েছে কংগ্রেস।

    প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বিজেপির এই সাফল্যে বলেন, “অরুণাচল প্রদেশের মানুষ সুশাসনের রাজনীতির প্রতি অটল সমর্থন দেখিয়েছেন। বিজেপির প্রতি যে ভালোবাসা তাঁরা দেখিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। এতে রাজ্যের রূপান্তরের লক্ষ্যে আমাদের সংকল্প আরও দৃঢ় হলো। তৃণমূল স্তরে অক্লান্ত পরিশ্রম করা বিজেপি কার্যকর্তাদেরও সাধুবাদ জানাই।” মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডুও রাজ্যের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতি মানুষের অভূতপূর্ব সমর্থন ও বিশ্বাসের জন্য আমি কৃতজ্ঞ।” তিনি দলের কর্মী ও নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাঁদের নিরলস পরিশ্রমেই এই ঐতিহাসিক সাফল্য এসেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্ব ও দিশানির্দেশে অরুণাচলকে আরও শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    উন্নয়নের পক্ষে স্পষ্ট ম্যান্ডেট

    আর এক দিকে, ইটানগর পুরসভার ২০টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে জিতেছে বিজেপি। পাসিঘাট পুরসভার নির্বাচনে পিপলস পার্টি অফ অরুণাচল জিতেছে ৫টি আসনে। সেখানে বিজেপি দু’টি আসনে এবং নির্দল জিতেছে একটি আসনে। এই দু’টি পুরসভাতে খাতাই খুলতে পারেনি কংগ্রেস। বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই রায় উন্নয়নের পক্ষে স্পষ্ট ম্যান্ডেট। দলের কথা, “জেলা পরিষদ থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত—সব স্তরেই বার্তা পরিষ্কার: শান্তি, অগ্রগতি ও কর্মদক্ষতার পক্ষে অরুণাচল; নেতৃত্বে এনডিএ।”

  • Bangladesh Violence: হাদির পর নাহিদ ঘনিষ্ঠের মাথায় গুলি, ভোটের আগে সংঘর্ষে উত্তাল ইউনূসের বাংলাদেশ

    Bangladesh Violence: হাদির পর নাহিদ ঘনিষ্ঠের মাথায় গুলি, ভোটের আগে সংঘর্ষে উত্তাল ইউনূসের বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন এবং গণভোট। তার আগে রাজনৈতিক প্রচার এবং সংঘর্ষে (Bangladesh Violence) উত্তাল গোটা দেশ। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের রাজত্বে দেশের আইন শৃঙ্খলা এখন তালানিতে ঠেকেছে। এনসিপি-সহ একাধিক দলের নেতারা কট্টরপন্থী জেহাদি সংগঠন জামাতের খাতায় নাম লেখাতে শুরু করেছেন। সম্প্রতি ওসমান হাদির মৃত্যুর পর সোমবার আরও এক ভারত বিদ্বেষী এনসিপি দলের নেতার মাথাকে লক্ষ্য করে গুলি করার অভিযোগে ফের একবার উত্তাল হয়ে উঠেছে খুলনা। দেশে যে আইনের শাসন নেই এবং জনগণের জীবন-সম্পত্তি চরম সঙ্কটের মুখে তাও আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে বিশ্বের দরবারে।

    হাসপাতালে ভর্তি (Bangladesh Violence)

    এনসিপি নেতা তথা প্রাক্তন উপদেষ্টা ইউনূস ঘনিষ্ঠ নাহিদ ইসলামের কাছের নেতা হলেন মোতালেব শিকাদার (Student Leader)। তিনি এনসিপির শ্রমিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা। তাঁকে সোমবার ১২ টা নাগাদ সোনাডাঙার একটি বাড়িতে ঢুকে দুষ্কৃতীরা গুলি করে। বর্তমানে এই নেতা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তবে দলের তরফে জানানো হয়েছে কিছু দিনের মধ্যেই এখানে শ্রমিকদের নিয়ে একটি বিরাট সম্মলেনের আয়োজন হবে, আর ঠিক তার আগে এই ঘটনা জনমনে অত্যন্ত আতঙ্ক এবং উদ্বেগের (Bangladesh Violence) সৃষ্টি করেছে।

    পুলিশ পরিদর্শকের বক্তব্য

    সোনাডাঙা থানার পরিদর্শক আনিমেষ মণ্ডল বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলো’-কে জানিয়েছেন, মোতালেবকে (Student Leader) গুলি করেছে কয়েকজন দুষ্কৃতী। আহত অবস্থায় তাঁকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁর মাথার সিটি স্ক্যান করতে অন্য আরেকটি কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসিনা বিরোধী এবং ভারত বিরোধী অন্যতম মুখ নাহিদ। আসন্ন নির্বাচনে তাঁর প্রার্থী হওয়ার কথা। ফলে নির্বাচনে রাজনৈতিক লড়াই এবং সংঘর্ষ (Bangladesh Violence) এখন চরমে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক মহলের একাংশ।

    নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণ

    বাংলাদেশে নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়া শুরু হয়েছে গত ১২ ডিসেম্বর থেকে। চলবে এই মাসের ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই আবহেই গত ১২ ডিসেম্বর মাথায় গুলি লাগে ইনকিলাব মঞ্চের কট্টর ভারত বিরোধী নেতা ওসমান হাদির। ইউনূসের প্রশাসন দায়িত্ব নিয়ে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যায় হাদিকে কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ছয়দিন চিকিৎসার পর মৃত্যু হয় হাদির। এরপর থেকেই সারা বাংলাদেশ জুড়ে কট্টর মৌলবাদী এবং জামাত সমর্থকরা অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং হিন্দু নিধন শুরু করে। ফলে পরিস্থিতির বিচারে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের একাংশ অত্যন্ত চিন্তা ব্যক্ত করেছেন। রাজনৈতিক হত্যা (Bangladesh Violence) এবং অশান্তির জেরে দেশের নির্বাচন কতটা নির্বিঘ্নে হওয়া সম্ভব, তাও এখন একটা বড় প্রশ্ন।

    পাক ঘনিষ্ঠ ইউনূস

    তবে ডক্টর মহম্মদ ইউনূস প্রথম থেকেই এনসিপির (Student Leader) নেতাদের নয়নের মণি করে রেখেছেন। একই ভাবে আবার প্রধান উপদেষ্টা এবং তাঁর সঙ্গীরা ভারতের তুলনায় পাকিস্তানকে বেশি কাছের বলে মনে করেন। ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলিকে বিচ্ছিন্ন করার মন্তব্যকে তীব্র সমর্থন করেন। ইউনূস নিজেও পাকিস্তানের আইএসআইকে নিজের লেখা বইয়ে ভারতের মানচিত্র এবং সার্বভৌমকে ক্ষুণ্ণ করেছেন। তা নিয়ে ভারতও অত্যন্ত কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছিয়ে। সবটা মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন গৃহযুদ্ধে মত্ত।

  • India-New Zealand: ভারত–নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত, ফোনে ক্রিস্টোফারকে স্বাগত জানালেন মোদি

    India-New Zealand: ভারত–নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত, ফোনে ক্রিস্টোফারকে স্বাগত জানালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চূড়ান্ত হল ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোমবার নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। দুই নেতা যৌথভাবে এই যুগান্তকারী ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (FTA) ঘোষণা করেন। নেতারা একমত হন যে এই এফটিএ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং যৌথ সুযোগ বাড়াতে অনুঘটকের কাজ করবে। নেতারা প্রতিরক্ষা, খেলাধুলা, শিক্ষা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্কসহ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অন্যান্য ক্ষেত্রে অগ্রগতিকেও স্বাগত জানান।

    ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

    ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লাক্সনের ভারত সফরের সময় আলোচনা শুরু হয়েছিল। দুই দেশের নেতারা জানান, এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক এফটিএ ভবিষ্যতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং যৌথ সুযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এক শক্তিশালী অনুঘটকের ভূমিকা পালন করবে। চুক্তির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে, বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়বে, বিনিয়োগ প্রবাহ জোরদার হবে এবং কৌশলগত সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী লাক্সনের ভারত সফরের সময় এই এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। মাত্র ৯ মাসের রেকর্ড সময়ে আলোচনা সম্পন্ন হওয়াকে দুই দেশের পারস্পরিক রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সম্পর্ক গভীর করার অভিন্ন লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন দুই নেতা।

    এফটিএ-র শক্ত ভিত্তি

    এই চুক্তির ফলে দুই দেশের উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, কৃষক, এমএসএমই, ছাত্র ও যুবসমাজ বিভিন্ন খাতে নতুন সুযোগ পাবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও প্রতিরক্ষা, ক্রীড়া, শিক্ষা এবং জনগণ-থেকে-জনগণের সম্পর্কসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতার অগ্রগতিতেও সন্তোষ প্রকাশ করেন নেতারা। এফটিএ-র শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আগামী পাঁচ বছরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১৫ বছরে নিউজিল্যান্ড থেকে ভারতে প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

    দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী বন্ধুত্বের প্রতীক

    ক্রিস্টোফার লাক্সন, এক্স-এ একটি পোস্টে বলেছেন, “আমি এইমাত্র ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছি। এই এফটিএ ভারতে আমাদের রফতানির ৯৫% ক্ষেত্রে শুল্ক কমিয়ে দেয় বা সরিয়ে দেয়। পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে যে আগামী দুই দশকে ভারতে নিউজিল্যান্ডের রফতানি বছরে ১.১ বিলিয়ন থেকে ১.৩ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে। বাণিজ্য বাড়ানোর অর্থ হলো কিউইদের জন্য আরও চাকরি, বেশি বেতন এবং কঠোর পরিশ্রমী নিউজিল্যান্ডবাসীদের জন্য আরও সুযোগ। এই চুক্তি আমাদের দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী বন্ধুত্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতির মধ্যে একটি, এবং এটি কিউই ব্যবসাগুলোকে ১৪০ কোটি ভারতীয় গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ করে দেয়। আমাদের সরকার মৌলিক বিষয়গুলো ঠিক করতে এবং ভবিষ্যৎ গড়তে অক্লান্তভাবে কাজ করছে – এই ধরনের নতুন বাণিজ্য চুক্তি আমাদের অর্থনীতিকে বাড়াতে সাহায্য করে যাতে সমস্ত কিউই এগিয়ে যেতে পারে।”

    ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    এই চুক্তি পরিষেবা, গতিশীলতা, পণ্য, বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য সহজীকরণের ক্ষেত্রে সহযোগিতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে গভীর করবে। চুক্তির অংশ হিসেবে, নিউজিল্যান্ড ১৫ বছরের মেয়াদে ভারতে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা মূলত ইউরোপীয় মুক্ত বাণিজ্য সংস্থা (EFTA) মডেলের আদলে তৈরি। এই বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি একটি পুনঃভারসাম্য ব্যবস্থার মাধ্যমে সমর্থিত হবে, যার অধীনে সম্মত বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলে বাণিজ্য ছাড় স্থগিত করা হতে পারে। চুক্তির একটি প্রধান আকর্ষণ হলো পরিষেবা এবং গতিশীলতা। নিউজিল্যান্ড ১১৮টি পরিষেবা খাত এবং উপ-খাতে বাজারে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছে, সাথে ১৩৯টি পরিষেবা খাতে মোস্ট ফেভারড নেশন (MFN) মর্যাদা দিয়েছে।

    নিউজিল্যান্ডকে ১০৬টি পরিষেবা খাতে সুযোগ

    স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত এবং ঐতিহ্যবাহী ঔষধ পরিষেবাগুলিতে বাণিজ্য সহজ করার জন্য একটি অ্যানেক্সও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা নিউজিল্যান্ডের জন্য প্রথমবার কোনো দেশের সাথে এই ধরনের অ্যানেক্স স্বাক্ষর করার ঘটনা। এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ক্ষুদ্র, ছোট এবং মাঝারি উদ্যোগের (MSMEs) উপর বিশেষ জোর দিয়েছে। চুক্তিটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ এবং শক্তিশালী রুলস অফ অরিজিন (ROO) কাঠামোও প্রতিষ্ঠা করে, যেখানে পছন্দের বাজারে প্রবেশের অখণ্ডতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ফাঁকি রোধ করার জন্য পণ্য-নির্দিষ্ট নিয়ম এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভারত, তার পক্ষ থেকে, নিউজিল্যান্ডকে ১০৬টি পরিষেবা খাতে বাজারে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছে।

    ভারতীয় ছাত্রদের সুবিধা

    নিউজিল্যান্ড প্রথমবারের মতো কোনো দেশের সাথে স্টুডেন্ট মোবিলিটি এবং পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসার উপর একটি অ্যানেক্স স্বাক্ষর করেছে। এই ব্যবস্থায় কোনো সংখ্যাগত সীমা নেই এবং ভারতীয় ছাত্রদের জন্য প্রতি সপ্তাহে ২০ ঘন্টা কাজের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল এবং গণিত (STEM) বিষয়ে স্নাতক স্নাতকদের জন্য তিন বছর পর্যন্ত, স্নাতকোত্তর স্নাতকদের জন্য তিন বছর পর্যন্ত এবং ডক্টরেট ডিগ্রিধারীদের জন্য চার বছর পর্যন্ত পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এছাড়াও, একটি নতুন টেম্পোরারি এমপ্লয়মেন্ট এন্ট্রি ভিসা পথ তৈরি করা হয়েছে, যা যেকোনো সময়ে ৫,০০০ পর্যন্ত দক্ষ ভারতীয় পেশাজীবীকে নিউজিল্যান্ডে তিন বছর পর্যন্ত থাকার অনুমতি দেবে।

  • Gujarat: গরু জবাই করতে অস্বীকার! কুপিয়ে হত্যা আদিবাসী হিন্দু যুবককে

    Gujarat: গরু জবাই করতে অস্বীকার! কুপিয়ে হত্যা আদিবাসী হিন্দু যুবককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু জবাই করতে অস্বীকার! এরপর উত্তেজিত মুসলিম জনতা আদিবাসী হিন্দু যুবককে নির্মম ভাবে খুন করেছে। ঘটনা ঘটেছে গুজরাটের (Gujarat) নভসারির দাভেলে। মৃতের নাম দীপক কালিদাস রাঠোড়, ইতিমধ্যে পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে। তাতেই স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে এলাকার মুসলিম যুবকেরা ব্যাপক ভাবে ওই আদিবাসী যুবককে মারধর করে এবং এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। এই ঘটনাই প্রমাণ করে ভারতের বাইরে শুধু নয়, ভারতের অভ্যন্তরেও হিন্দু (Hindu Tribal Youth Kill) নির্যাতন লাগাতার চলছে।

    দীপকের প্রতি চরম অসন্তোষ (Gujarat)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দীপক যখন কাজ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন, তখনই রাস্তায় এই ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ শুরু করেছে। তবে এই মৃত্যুর মামলায় খুনের ধারা যুক্ত করা হয়েছে। দীপক প্রায় একবছর আগে দাভেল (Gujarat) গ্রামের বাসিন্দা শওকত উসমান একলওয়ায়ার বাড়িতে কাজ করতেন। কাজের জন্য ঠিকঠাক বেতন দেওয়া হতো না এবং বারবার গরু জবাই করার জন্য চাপ দেওয়া হতো দীপককে। তবে তিনি তা করতে অস্বীকৃতি জানান এবং চাকরিও ছেড়ে দেন। চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর, তিনি গরু-মহিষ লালন-পালন করে জীবিকা নির্বাহের কাজ শুরু করেন। তবে পরিবারের দাবি, কাজ না করার বিষয়ে শওকত উসমান ভীষণ ভাবে ক্ষুব্ধ ছিলেন। দীপকের প্রতি চরম অসন্তোষ ছিল এবং শেষে তাঁকে হত্যা (Hindu Tribal Youth Kill) করে।

    কুড়াল বের করে তাঁর উপর আঘাত

    মৃত্যুর আগে, দীপকের একটি ভিডিও বিবৃতি রেকর্ড করা। সেখানে স্পষ্ট ভাবে দীপক বলেন, “গরু জবাই করার কাজ না করায়, আমাকে দীর্ঘ দিন ধরে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এরপর আমার সঙ্গে শত্রুতা শুরু হয়। একাধিকবার আক্রমণও করা হয়।” তবে খুনের দিন ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬:৩০ টার দিকে দীপক কাজ শেষ করে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন, ঠিক সেই সময় রাস্তার ধারে একটি কবরস্থানের কাছে তাঁকে ঘিরে ধরে কিছু মুসলিম যুবক। এরপর তাঁর পথ আটকে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে চলে গালিগালাজ। মৃত্যুর হুমকিও বারবার দেওয়া হয়েছিল। নিচু জাতের মানুষ উল্লেখ করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজও দেওয়া হয়। পুলিশের (Gujarat) এফআইআরে হাসান শওকত একলওয়ায়া এবং হুসেন মোহাম্মদ একলওয়ায়া সহ বেশ কয়েকজন অজ্ঞাত মুসলিম যুবকের নাম আক্রমণকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমে হুসেন এবং অন্যান্যরা দীপককে চেপে ধরে, এরপর অপর দিকে হাসান সাইকেল থেকে একটি কুড়াল বের করে তাঁর উপর আঘাত করে। কুড়ালের আঘাতে দীপকের বুকে এবং পায়ে গুরুতর ক্ষত হয়ে যায়। ব্যাপক পরিমাণে রক্তক্ষরণও (Hindu Tribal Youth Kill) হয়।

    ৩০২ ধারায় মামলা দায়ের

    দীপক সাহায্যের জন্য চিৎকার করলে তাঁর স্ত্রী, বাবা এবং অন্যান্য গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে (Gujarat) ছুটে আসেন । এরপর স্থানীয়দের জড়ো হতে দেখে আক্রমণকারীরা পালিয়ে যায়। শেষে একটি অ্যাম্বুল্যান্স ডাকা হয় এবং দীপককে গুরুতর অবস্থায় নভসারী সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ কিছুক্ষণ পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দীপকের (Hindu Tribal Youth Kill) জবানবন্দি রেকর্ড করে। চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থার অবনতি ঘটে এবং পরে তিনি হাসপাতালেই মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর, পুলিশ এফআইআর-এ ৩০২ (হত্যা) ধারা যুক্ত করে।

    আগেও গরুর মাংস নিয়ে বিতর্ক

    দাভেল (Gujarat) এর আগে ২০২৩ সালে গরুর মাংস নিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসে। মারোলি পুলিশ আহমেদ মোহাম্মদ সুজানের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিলেন। সেখানে গ্রামে একটি স্ন্যাকস্‌ সেন্টার চালাতেন অভিযুক্ত। অভিযানে জানা গিয়েছে মুরগি ও খাসির মাংসের সিঙ্গারার আড়ালে গরুর মাংস ভর্তি করে বিক্রি করতেন। খোদ পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জানিয়েছে, এই সুজান প্রায় চার বছর ধরে গরুর মাংসের সিঙ্গারা বিক্রি করছিলেন। গ্রামের মুসলিম এবং আশেপাশের এলাকার হিন্দু উভয়ই গরুর মাংসের সিঙ্গারা খেয়েছিল। না জানিয়ে জোর করে গরুর মাংস খাওয়ানো এবং ধর্ম ভ্রষ্টের কুচক্রান্তের দায়ে আহমেদ মোহাম্মদ সুজানকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এলাকার হিন্দু জনমানসের মনে প্রবল পরিমাণে অসন্তোষ এবং ক্ষোভের সঞ্চার হয়। এরপর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।

  • Foxconn in Bengaluru: প্রায় ৮০ শতাংশই মহিলা! ৩০ হাজার কর্মী নিয়োগ করল ফক্সকন, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্য

    Foxconn in Bengaluru: প্রায় ৮০ শতাংশই মহিলা! ৩০ হাজার কর্মী নিয়োগ করল ফক্সকন, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইওয়ানের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ফক্সকন (Foxconn in Bengaluru) বেঙ্গালুরুর কাছে দেবনহল্লিতে তাদের নতুন আইফোন অ্যাসেম্বলি কারখানায় মাত্র আট–নয় মাসের মধ্যে প্রায় ৩০,০০০ কর্মী নিয়োগ করেছে। দ্য ইকোনমিক টাইমস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের ক্ষেত্রে এটি এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে দ্রুতগতির কারখানা সম্প্রসারণের উদাহরণ। এই দ্রুত নিয়োগ অ্যাপলের উৎপাদন ঘাঁটি চিনের বাইরে বৈচিত্র্যময় করার কৌশলকে স্পষ্ট করে। আনুমানিক ৩০০ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই কারখানায় কর্মীদের প্রায় ৮০ শতাংশই মহিলা। সূত্রের দাবি, অধিকাংশ কর্মীর বয়স ১৯ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে এবং অনেকেই প্রথমবারের মতো কর্মজীবনে পা রেখেছেন।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’য় ফক্সকনের সহায়তা

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ স্মার্টফোনের দাপটে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নতুন ইতিহাস। ভারত থেকে মোবাইল ফোন রফতানি ১ লক্ষ কোটি টাকার গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা বেড়েছে ৫৫ শতাংশ। যা এক কথায় অবিশ্বাস্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রোডাকশন-লিঙ্কড ইনসেনটিভ স্কিম এই সাফল্যের পথ তৈরি করেছে। এই নীতির হাত ধরেই ভারত এখন আমেরিকায় স্মার্টফোন রফতানিতে চিনকেও পেছনে ফেলে দিয়েছে। আমেরিকার বাজারে বিক্রি হওয়া মোট স্মার্টফোনের ৪৪ শতাংশই এখন ভারতে তৈরি। যার পিছনে ফক্সকনের এক বড় হাত রয়েছে। একটা সময় ভারত মোবাইল ফোনের জন্য মূলত আমদানির উপর নির্ভর করত। কিন্তু পিএলআই স্কিম সেই ছবিটা সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। পিএলআই স্কিম ভারতে উৎপাদন ও ভারত থেকে স্মার্টফোন রফতানিতে এক নব জোয়ার নিয়ে এসেছে। এর ফলে আগামীতে আরও বড় বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    কর্মীদের প্রায় ৮০ শতাংশই মহিলা

    চলতি বছরের এপ্রিল–মে মাসে কারখানাটিতে ট্রায়াল প্রোডাকশন শুরু হয়, যেখানে আইফোন ১৬ মডেল অ্যাসেম্বল করা হয়। সূত্রের খবর, এখানে সর্বশেষ আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স উৎপাদন শুরু হয়েছে। উৎপাদিত আইফোনের ৮০ শতাংশেরও বেশি বিদেশে রফতানি করা হচ্ছে। আগামী বছরে পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ শুরু করলে এই ইউনিটে কর্মসংস্থান ৫০,০০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। কারখানা চত্বরে ছয়টি বড় ডরমিটরি রয়েছে, যার বেশ কয়েকটি ইতিমধ্যেই মহিলা কর্মীদের জন্য চালু হয়েছে। বাকি পরিকাঠামোর নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে চলছে। সম্প্রসারণ সম্পূর্ণ হলে এক জায়গায় এত বেশি মহিলা কর্মীর উপস্থিতি ভারতের আর কোনও সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে থাকবে না বলে প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। প্রতিবেশী রাজ্যগুলি থেকেও বিপুল সংখ্যক মহিলা কর্মী এখানে কাজ পেয়েছেন।

    স্বয়ংসম্পূর্ণ টাউনশিপ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা

    সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ টাউনশিপ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা ও বিনোদনের সুবিধা থাকবে। কর্মীরা বিনামূল্যে থাকার ব্যবস্থা ও ভর্তুকিযুক্ত খাবার পাচ্ছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, গড় মাসিক বেতন প্রায় ১৮,০০০ টাকা, যা মহিলা ব্লু-কলার কর্মীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেশি। বেঙ্গালুরু প্রকল্পে ফক্সকনের বিনিয়োগ প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকা। সম্পূর্ণরূপে চালু হলে কর্মসংস্থান ও উৎপাদন—উভয় ক্ষেত্রেই এটি ভারতের বৃহত্তম কারখানায় পরিণত হবে। শুধু উৎপাদন ফ্লোরই প্রায় ২.৫ লক্ষ বর্গফুট জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। এই নতুন ইউনিটটি তামিলনাড়ুতে ফক্সকনের প্রথম আইফোন কারখানাকেও ছাপিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে বর্তমানে প্রায় ৪১,০০০ কর্মী কাজ করেন। সরকারি আধিকারিকরা এটিকে উৎপাদন খাতে জিডিপির অংশ বাড়ানোর কেন্দ্রের উদ্যোগের বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে জোর

    পুরোপুরি নির্মিত হলে বেঙ্গালুরুর কারখানায় প্রায় এক ডজন আইফোন অ্যাসেম্বলি লাইন থাকতে পারে, যেখানে বর্তমানে প্রায় চারটি লাইন চালু রয়েছে। ২০২১ সালে চালু হওয়া প্রোডাকশন-লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) প্রকল্পের সহায়তায় অ্যাপল ধীরে ধীরে ভারতে আইফোন উৎপাদন বাড়াচ্ছে। সরকারি সূত্রের মতে, মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের অধীনে অ্যাপলের ভারতীয় কার্যক্রম সরকার ও শিল্পের সফল অংশীদারিত্বের উদাহরণ। কয়েক বছর আগেও এত দ্রুত ও বড় পরিসরে সম্প্রসারণ কল্পনাতীত ছিল। ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে অ্যাপলের বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে ভারত এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বর্তমানে সব আইফোন মডেলই উৎপাদনের শুরু থেকেই ভারতে তৈরি হচ্ছে এবং সেগুলি বিশ্বব্যাপী রপ্তানি করা হচ্ছে। ভারতে অ্যাপলের সরবরাহকারী নেটওয়ার্ক প্রায় ৪৫টি সংস্থায় পৌঁছেছে। এছাড়াও, কর্মী উন্নয়নের ক্ষেত্রে অ্যাপল তাদের অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত মহিলা কর্মীরা—যাঁদের অধিকাংশই উচ্চ মাধ্যমিক বা পলিটেকনিক পাশ—আইফোন অ্যাসেম্বলি লাইনে যোগ দেওয়ার আগে প্রায় ছয় সপ্তাহের অন-দ্য-জব প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

LinkedIn
Share