Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • IPL Auction: রেকর্ড ২৫.২০ কোটি টাকায় ক্যামরেন গ্রিনকে কিনল কেকেআর, সঙ্গে একাধিক অনামীকেও

    IPL Auction: রেকর্ড ২৫.২০ কোটি টাকায় ক্যামরেন গ্রিনকে কিনল কেকেআর, সঙ্গে একাধিক অনামীকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের (IPL) ইতিহাসে এখন সবথেকে দামি বিদেশি খেলোয়াড়। ২৫.২০ কোটি টাকায় ক্যামরেন গ্রিনকে কিনল কেকেআর। এর আগে ২৪ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকায় মিচেল স্টার্ককে কিনেছিল কেকেআর (KKR)। নিলামে এই টাকাই ছিল সবচেয়ে বেশি। এবার স্টার্ককে ছাপিয়ে গেলেন গ্রিন। নিজেদের রেকর্ড নিজেরাই ভেঙে দিয়েছে। আইপিএল-এ এই খবরে বিরাট শোরগোল পড়েছে।

    দুই দলের মধ্যেই বিরাট তোড়জোড় (IPL)

    গ্রিনকে কেনার বিষয় নিয়ে যে চড়া দাম উঠবে তাঁর অবশ্য আগে থেকেই একটা ইঙ্গিত ছিল। ছোট নিলামে যে অলরাউন্ডাররা রয়েছেন তাঁদের মধ্যে সব চেয়ে ভয়ঙ্কর তিনি। গ্রিনকে কিনতে কেকেআর (IPL) আর চেন্নাই সুপার কিংস দুই দলের মধ্যেই বিরাট প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। আন্দ্রে রাসেলকে আগেই ছেড়ে দিয়েছিল কলকাতা। চেন্নাই ছেড়ে দিয়েছিল স্যাম কারেনকে। তাই দুই দলের পেসার এবং অল রাউন্ডার দারুণ ভাবে প্রয়োজনীয় ছিল।

    দাম ক্রমেই উর্ধমুখী

    নিলামে দেখা গিয়েছিল গ্রিনের নাম বলার পরেই সবার আগে হাত তুলেছিল মুম্বই ইন্ডিইয়ান্স। যদিও ২ কোটি ৬০ লক্ষ দাম ওঠার পর মুম্বই কেটে পড়ে। এরপর দাম হাঁকে কেকেআর (KKR)। রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে তাদের লড়াই চলছিল। এরপর ক্রমেই বাড়ছিল গ্রিনের দাম। ১৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা দাম ওঠার পর রাজস্থানও সরে যায়। এরপর আসরে নামে চেন্নাই। তবে ২০২৩ সালের নিলামে ১৭ কোটি ৫০ লক্ষ টাকায় গ্রিনকে কিনেছিল মুম্বই। এই টাকায় ২০২৪ সালে তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন। এবারে সেই টাকার অঙ্কও ছাপিয়ে যায়। ২০ কোটি পার হওয়ার পরপর বোঝা যাচ্ছিল বিরাট অঙ্কে গিয়ে ঠেকবেন। অবশেষে কেকেআর ২৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকা হাঁকলে চেন্নাই থেমে যায়। গ্রিনকে কিনে নেয় কেকেআর।

    একাধিক অনামীকে বাছল কেকেআর

    এখানেই অবশ্য থেমে থাকেনি শাহরুখ খানের দল। ১৮ কোটি টাকায় শ্রীলঙ্কার রহস্য পেসারকে নিয়ে নেয় কেকেআর। এর পর, ২ কোটি টাকায় কিউয়ি উইকেটকিপার ফিন অ্যালেনকেও কিনে নেয় কলকাতা। পাশাপাশি, রাজস্থানের সঙ্গে দীর্ঘ ক্ষণ লড়াই করে তেজস্বী সিংকে ৩ কোটিতে কিনে নেয় কলকাতা। দিল্লি প্রিমিয়ার লিগ থেকে উঠে আসা ক্রিকেটারকে নিয়ে মুম্বই, রাজস্থান এবং কলকাতার লড়াই হয়। ৭৫ লাখে রাহুল ত্রিপাঠিকে কিনে নেয় কেকেআর। মহারাষ্ট্রের ক্রিকেটার প্রশান্ত সোলাঙ্কি এবং কার্তিক ত্যাগীকেও কিনেছে কেকেআর। দুজনের জন্যই ৩০ লক্ষ টাকা করে খরচ করল বেগুনি ব্রিগেড।

  • Draupadi Murmu: রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধন বিল খারিজ রাষ্ট্রপতির, মমতার আচার্য হওয়ার স্বপ্নের ইতি

    Draupadi Murmu: রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধন বিল খারিজ রাষ্ট্রপতির, মমতার আচার্য হওয়ার স্বপ্নের ইতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) সম্মতি মিলল না মমতা সরকারের পাঠানো বিলে। রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদে রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য করার বিল ফেরত পাঠিয়ে দিলেন রাষ্ট্রপতি। ফলে এটা নিশ্চিত পশ্চিমবঙ্গে সহায়তা প্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্যপদে আপাতত কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। ফের একবার মুখ পুড়ল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রাজ্য এবং রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) মধ্যে এই নিয়ে দ্বন্দ্ব চরম আকারে নিয়েছিল। এবার তা মিটবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। বিজেপির অবশ্য দাবি, সততার প্রতীক মমতার আর আচার্য হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হল না।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যপদে থাকছেন রাজ্যপাল (Draupadi Murmu)

    পশ্চিমবঙ্গে সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধনী বিল ২০২২-এর দুটি বিলে সম্মতি দেননি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ফলে আচার্যপদে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে বসানোর প্রস্তাব কার্যকর হয়নি। রাষ্ট্রপতি বিলগুলিকে অনুমতি না দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যপদে থাকছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। লোকপাল ভবন থেকে সাফ জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল আগের মতোই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। উল্লেখ্য ২০ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে রাজ্যপাল নিজে বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনী বিল ২০২২, রাষ্ট্রপতির কাছে বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়েছিল। বিলে বলা হয়েছিল রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আচার্য হিসেবে রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করবেন। যদিও রাজ্য সরকারে পক্ষে যুক্তি ছিল এতে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গতি আসবে। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সুবিধা হবে। তবে কেন্দ্র সরকার বিলের সবটা বিবেচনা করে সম্মত প্রদান থেকে বিরত থাকে।

    বিলে আইন গত ত্রুটি!

    আবার সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) পদাধিকার বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হন। সেই ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে গেলে সাংবিধানের অবমাননা হবে। তবে নিয়ম বদলের ক্ষেত্রে সংবিধানের মান্যতাকে খেয়াল রাখতে হবে। যেহেতু রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu) সম্মতি দেননি তাই রাজ্যের পাশ করা বিলে আইনগত ত্রুটি অবশ্যই রয়েছে। তবে রাজ্যের অবশ্য দাবি ছিল বিশ্ববিদ্যালয়েগুলি দীর্ঘ সময় ধরে যেহেতু উপাচার্য নিয়োগের সংকটে ভুগছিল তাই এই সংশোধন আনা হয়েছে। তবে বিল নিয়ে বিধানসভার প্রথম থেকেই তৃণমূলের বিপরীত মেরুতে অবস্থান করেছিল বিজেপি। সংবিধান এবং সংশোধন সম্পূর্ণ অনৈতিক বলে বার বার দাবি করেছে বিজেপি। এই বিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়ত্ত্ব শাসন খর্ব করবে এবং রাজনীতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে বলে মনে করে করছে বিজেপি।

  • ECI ASD List: ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮! খসড়া তালিকার সঙ্গে বাদ পড়া নামের তালিকা প্রকাশ কমিশনের

    ECI ASD List: ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮! খসড়া তালিকার সঙ্গে বাদ পড়া নামের তালিকা প্রকাশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার নির্ধারিত দিনেই খসড়া তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের কত ভোটারের নাম প্রথম তালিকায় জায়গা পেল না, তা জানাতে খসড়া তালিকার আগে কমিশন নাম বাদের তালিকা প্রকাশ করেছে। কমিশন প্রদত্ত ওয়েবসাইট- ceowestbengal.wb.gov.in/asd_SIR –এ গেলেই দেখা যাচ্ছে নাম বাদের তালিকা। রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা এবং বুথভিত্তিক কত নাম বাদ পড়ল সেই সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে এই ‘বাদের খাতায়’। ওয়েবসাইটে ক্লিক করলেই ডাউনলোড করা যাচ্ছে সেই তালিকা।

    কীভাবে দেখবেন?

    প্রথমেই ক্লিক করে চলে যান এই ওয়েবসাইটে। তারপর আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠবে তিনটি অপশন –

    এপিক নম্বর সার্চ

    বিধানসভা ভিত্তিক এএসডি তালিকা

    বিএলও-বিএলএ-র তালিকা

    এপিক নম্বর অপশনে ক্লিক করলে আপনাকে দিতে হবে আপনার ভোটার কার্ডে উল্লেখিত এপিক নম্বর। যদি আপনার নাম বাদ না যায়, তা হলে এই সার্চের পর কোনও কিছু পাবেন না। কিন্তু কোনও নাম বাদ গেলে, তা উঠে আসতে পারে।

    সার্চ বাই এপিক নম্বরের পাশে রয়েছে নাম বাদের তালিকা অর্থাৎ বিধানসভা-ভিত্তিক এএসডি তালিকা। এই অপশনে ক্লিক করার পর ভোটারকে দু’টি তথ্য দিতে হবে। প্রথম জেলা, দ্বিতীয় তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র। তারপর সেই অনুযায়ী চলে আসবে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের অধীনস্থ ভোটকেন্দ্রগুলি। তার পাশেই থাকবে ডাউনলোড অপশন। তাতে ক্লিক করলেই ভেসে উঠবে নাম বাদের তালিকা। সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্র থেকে কাদের নাম বাদ গেল, কেন বাদ গেল, সবটাই লেখা রয়েছে এই তালিকায়।

    কতজন বাদ গেলেন?

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে, ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮ জনের নাম বাদ পড়েছে। এর মধ্যে মৃত ভোটারের নাম, ২৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৫২। নিখোঁজ ভোটার ১২ লক্ষ ২০ হাজার ৩৮ জন। স্থানান্তরিত ভোটার ১৯ লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৬ জন। ডুপ্লিকেট ভোটার ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৩২৮। অন্যান্য কারণে ৫৭ হাজার ৬০৪ নাম বাদ গিয়েছে। এছাড়া কমিশন জানাচ্ছে, ৩০ লক্ষ আনম্যাপড- তাদের শুনানিতে ডাকা হবে। এদের ২০০২-এ কারও সঙ্গে কোনও লিঙ্ক হয়নি।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে, ১ কোটি ৬৭ লক্ষের মতো এরকম ভোটার ছিল, যাদের তথ্যগত কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছিল। নাম, বয়স, মা-বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক, একাধিক জনের সঙ্গে ম্যাপিং, এরকম নানা অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছিল। এদের হিয়ারিংয়ে ডাকা হতে পারে। সেক্ষেত্রে কাকে শুনানিতে ডাকা হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও। মঙ্গলবার থেকেই বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি যাবেন। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত শুনানি চলবে। সে সব পর্যালোচনা করা হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এছাড়া, আর যে ৩০ লক্ষের মতো ব্যক্তি আনম্যাপড, তাঁদেরও ইআরও, এইআরও হিয়ারিং পর্বে ডাকবেন।

    শুনানির প্রস্তুতি শুরু কমিশনের

    খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এবার শুনানির প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কমিশন। শুনানির জন্য বুথে বাধ্যতামূলকভাবে বসতে হবে বিএলও-দের। মঙ্গলবার থেকে ১৫ জানুয়ারি এক মাস বিএলও-দের বসতে হবে সংশ্লিষ্ট বুথে। জেলায় জেলায় স্কুলের রুম চেয়ে চিঠি জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের চিঠি দিচ্ছে কমিশন। সেইসব স্কুলের রুমেই অভিযোগ বা আপত্তি বিএলও-কে জানাতে পারবেন ভোটাররা।

    কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, নাম না থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এবার ডাকা হবে শুনানিতে। ফর্ম ৬ পূরণ করতে হবে। অনলাইনেই ওই ফর্ম পূরণ করতে পারবেন। অফলাইনেও জেলাশাসকের দফতর থেকেও সংগ্রহ করা যাবে ফর্ম ৬। খসড়া তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে নোটিস যাবে নাম না থাকা ভোটারের কাছে। একদিনে অন্তত ১০০ জনের শুনানি হবে। প্রয়োজনে বাড়ানো হতে পারে সংখ্যাটা।

  • Pahalgam Attack: পহেলগাঁওকাণ্ডে স্পষ্ট পাক-যোগ, হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ লস্কর কমান্ডার সাজিদ জাট, বলল এনআইএ

    Pahalgam Attack: পহেলগাঁওকাণ্ডে স্পষ্ট পাক-যোগ, হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ লস্কর কমান্ডার সাজিদ জাট, বলল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁও হত্যালীলার ঘটনায় মূল ষড়যন্ত্রকারী পাকিস্তানের নাগরিক সাজিদ জাট ওরফে সাজিদ সইফুল্লা। পহেলগাঁও কাণ্ডের চার্জশিট জমা দিয়ে এমনটাই জানাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ।

    চার্জশিট পেশ এনআইএ-র

    গত ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের কাছে বৈসারন উপত্যকায় পর্যটকদের ধর্ম জিজ্ঞেস করে হত্যা করেছিল জঙ্গিরা। কাপুরুষোচিত হামলায় মৃত্যু হয় ২৫ জন নিরীহ পর্যটক এবং স্থানীয় এক টাট্টুঘোড়া চালকের। এই প্রাণঘাতী জঙ্গি হামলার প্রায় আট মাস পর ভালভাবে তদন্ত করে চার্জশিট পেশ করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। চার্জশিটে এনআইএ দাবি করেছে, জঙ্গি হামলায় সাত অভিযুক্তের মধ্যে লস্কর-ই-তৈবার একজন শীর্ষ কমান্ডারও রয়েছে। চার্জশিটে পাঁচজন সন্দেহভাজন এবং দু’টি জঙ্গি সংগঠন— লস্কর-ই-তৈবা (এলইটি) এবং দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ওই জঙ্গি হামলার দায় স্বীকার করেছিল ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’। যদিও পরে তারা তা অস্বীকার করে।

    এনআইএ যা বলেছে 

    এনআইএ-র চার্জশিটে পাকিস্তানের ষড়যন্ত্র, অভিযুক্তদের ভূমিকা এবং হামলার প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে। পহেলগাঁও হামলার পরিকল্পনা, সহায়তা ও বাস্তবায়নে ভূমিকার জন্য লস্কর-ই-তৈবা এবং টিআরএফ-কে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ১৫৯৭ পাতার চার্জশিটে এনআইএ দাবি করেছে, লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ কমান্ডার সাজিদ জাট ছিল পহেলগাঁও হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’। তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, সাজিদ শুধু টিআরএফ-এর অপারেশনাল প্রধানই নয়, বরং কাশ্মীর উপত্যকায় কর্মী নিয়োগ, অর্থ জোগানো এবং অনুপ্রবেশের জন্যও দায়ী সাজিদ। জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরের দাচিগাম জঙ্গলে ‘অপারেশন মহাদেব’ চালিয়ে পহেলগাঁও হামলাকারী সুলেমান ওরফে হাসিম মুসা, হাবিব তাহির ওরফে জিবরান এবং হামজা আফগানি নামের ৩ জঙ্গিকে খতম করেছিল ভারতীয় সেনা। এনআইএ-র চার্জশিটে সেই তিন পাকিস্তানি জঙ্গির নামও রয়েছে। তবে সাজিদ জাট এখনও অধরা। চার্জশিটে সেই বিষয়টি উল্লেখ করে এনআইএ জানিয়েছে, তার মাথার দাম ১০ লক্ষ। তাকে ধরার ব্যাপারে তথ্য দিতে পারলে মিলবে এই আর্থিক পুরস্কার। এর পাশাপাশি, ইউএপিএ অ্যাক্ট অনুসারে এই সাজিদ সইফুল্লা জাটকে নিষিদ্ধ জঙ্গি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

    সহযোগীদের নামও চার্জশিটে

    জঙ্গিদের সহযোগী হিসাবে বশির আহমেদ পারভেজ জোঠর, বশির আহমেদ জোঠর, মহম্মদ ইউসূফ কাটারি-সহ আরও ছ’জনের নাম চার্জশিটে দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এনআইএ-র দাবি, জঙ্গিদের খাবার এবং রসদ সরবরাহ করেছিল তারাই। পারভেজ পহেলগাঁওয়ের বাটকোটের বাসিন্দা। বশিরের বাড়ি হিল পার্কে। এনআইএ-র দাবি, পহেলগাঁও হানায় জড়িত জঙ্গিদের খাওয়া-দাওয়া, যাতায়াত এবং থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল এরা। আর ইউসুফ পথ চিনিয়ে জঙ্গিদের ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দিয়েছিল। লস্কর/টিআরএফ এবং অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩, অস্ত্র আইন, ১৯৫৯ এবং বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (ইউএপিএ), ১৯৬৭-এর প্রাসঙ্গিক ধারার অধীনে অভিযোগ আনা হয়েছে। এনআইএ চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার জন্য দণ্ডবিধির ধারাও প্রয়োগ করেছে।

  • SIR: খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কোনও চিন্তা নেই, কী কী করবেন জেনে নিন

    SIR: খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কোনও চিন্তা নেই, কী কী করবেন জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এর (SIR) খসড়া তালিকায় নাম না থকালে কোনও চিন্তা নেই। কী কী করবেন আগেই জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। মঙ্গলবার বের হচ্ছে খসড়া তালিকা। প্রত্যকের মনে মনে একটা চিন্তা ঘুরছে নাম থাকবে তো। আর নাম না থাকলে কী হবে? খসড়া তালিকা প্রকাশের আগেই নির্বাচন কমিশনের স্পেশাল অবজারভার সুব্রত গুপ্ত একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমকে। তিনি সাফ জানান, “খসড়া তালিকায় যদি নিজেদের নাম না দেখেন তাহলে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। অনলাইনেই ফর্ম ৬-এ আবেদন করতে পারেন। আবেদনের পর আপনাকে হেয়ারিং-এ ডাকা হবে। এরপর উপযুক্ত কাগজ দেখিয়ে সঙ্গে সঙ্গে রোলে তুলে দিতে হবে। যদি কেউ এখানকার নাগরিক হন তাহলে ভয়ের কিছু নেই। উপযুক্ত কাগজ দেখালেই নাম উঠে যাবে ভোটার লিস্টে।”

    ৮১ হাজার বুথের ৫৮ লক্ষ নাম বাদ (SIR)

    সুব্রত গুপ্ত বলেন, “এসআইআর (SIR) হল নির্বাচনী ভোটার তালিকার (Election Commission) নিবিড় সংশোধনের কাজ। যে কোনও কাজ অল্প সময়ের মধ্যে করতে হলে সেখানে চাপ একটু বেশিই থাকে। এই রকম চাপে আমরাও আছি। সাধারণ একজন সরকারি কর্মচারি যে রকম চাপে থাকে এই চাপ অনেকটাই বেশি। তবে আবার এটাও নয় যে কাজ চাপের কারণে থমকে গিয়েছে। আর যদি তাই হতো তাহলে ৮১ হাজার বুথের ৫৮ লক্ষ নাম বাদ দিতে হতো না। এই কাজ করতে তো হয়েছে।”

    সুব্রত গুপ্ত আরও বলেন, “কমিশন যখন আমাকে নিয়োগ করেছে তখন সাফ নির্দেশ ছিল, কোনও অবৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকায় না থাকে। আর অপর দিকে কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকার বাইরে না থাকে। আমাদের কাজ এটাই, এই কাজটাই দায়িত্ব নিয়ে করছি। এই জন্যই বিএলওরা বাড়ি বাড়ি গিয়েছেন। দুই মাস খসড়া তালিকা থাকবে পোর্টালে। একই সময়ে শুনানিও চলবে। লোকে আবেদন করতে পারবেন। এর মধ্যে যদি কোনও ভুল ভ্রান্তি ধরা পড়ে তাহলে মানুষ আবেদন করতে পারবেন। তারপর তাঁর নাম আসবে বলে আমার বিশ্বাস। তবে হেয়ারিং-এ কতজনকে ডাকা হবে তা নিয়ে এখনও কোনও নাম ঠিক হয়নি। ৩০ লক্ষ মানুষের নাম ২০০২ সালের তালিকায় নেই, নিঃসন্দেহে তাঁদের শুনানিতে ডাকা হবে। বাকি আর কাদের ডাকা হবে সেই নির্দেশের অপেক্ষা করছি। কমিশনের নির্দেশ ছাড়া তা বলা সম্ভবপর নয়।”

    কীভাবে চেনা যাবে বাংলাদেশি

    সুব্রত গুপ্ত অবৈধ বাংলাদেশি ভোটার বা জাল ভোটারদের ক্ষেত্রে বলেছেন, “কেউ অবৈধ ভোটারের লেবেল মাথায় লাগিয়ে ঘুরছে এমনটা নয়। আমি বলতে পারি ১ কোটির বেশি ভুলভ্রান্তি মিলে মিশে রয়েছে। আরও অন্য রকম কিছু ভুলভ্রান্তিও রয়েছে। তবে অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে শুনানি না হলে আপাতত কিছু বলা সম্ভবপর নয়। কেউ বাংলাদেশি তা হেয়ারিং-এ বলা সম্ভব। কমিশন (Election Commission) উপযুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করবে।”

    শুনানি পর্ব শুরু হবে আগামী সপ্তাহে

    আবার কমিশন (Election Commission) সূত্রে বলা হয়েছে, খসড়া তালিকায় (SIR) নাম থাকলেই যে চূড়ান্ত হবে এমনটা নয়, যদি কোনও অসঙ্গগতি থাকে তাহলে সকলকেই ডাকা হবে। আনম্যাপড থাকা সকলকেই শুনানিতে ডাকা হবে। খসড়া তালিকায় নাম থাকলেই সব গেল এমনটাও নয়। সব নথি থাকা সত্ত্বেও তালিকায় যদি নাম না ওঠে তাহলেও ভয় নেই। ৬ নম্বর ফর্ম জমা দিতে হবে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর শুনানি পর্ব শুরু হতে আগামী সপ্তাহ লাগবে। ইতিমধ্যেই সব বুথে এএসডি তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে। সিইও ওয়েবসাইডে এই তথ্য পাওয়া যাবে।

    ৫৮,২০,৮৯৮ জনের নাম বাদ

    গত ২৭ অক্টোবর এই রাজ্যে এসআইআরের ঘোষণা করেছিল কমিশন। ওই নির্ধারিত সময় পর্যন্ত রাজ্যে মোট ভোটার ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। কমিশন জানিয়েছে মোট ভোটারের নামেই এনুমারেশন ফর্ম ছাপানো হয়েছিল। প্রত্যেকের কাছেই ফর্ম নিয়ে গিয়েছিলেন বুথ স্তরের অফিসাররা। রবিবার পর্যন্ত মোট ভোটার থেকে নাম বাদ পড়েছে ৫৮,২০,৮৯৮ জনের। বাকিদের নাম খসড়া তালিকায় ওঠার কথা। আজ খসড়া লিস্ট বের হলেই সব স্পষ্ট হবে।

  • Child Anger Issues: একরত্তির বয়সের সঙ্গে বাড়ছে রাগ! নেপথ্যে কি হরমোন নাকি অন্য কোনও সমস্যা?

    Child Anger Issues: একরত্তির বয়সের সঙ্গে বাড়ছে রাগ! নেপথ্যে কি হরমোন নাকি অন্য কোনও সমস্যা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দোকানে থাকা পছন্দের খেলনা কেনার বায়না হোক কিংবা অতিরিক্ত সময় স্ক্রিন টাইম পাওয়ার ইচ্ছেপূরণ, প্রতিদিনের যেকোনও সামান্য বিষয়েই ‘না’ শোনার অভ্যাস নেই বাড়ির খুদে সদস্যের। আর তাই বাড়ছে বিপদ! একরত্তির বয়সের সঙ্গে বাড়ছে রাগ। অপছন্দের যে কোনও বিষয়েই তীব্র প্রতিক্রিয়া। যা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন অভিভাবক। তবে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তানের এই রাগ নিয়ন্ত্রণ করার কিছু নির্দিষ্ট উপায় রয়েছে। তবে তার আগে রাগের কারণ সম্পর্কে অভিভাবকদের ওয়াকিবহাল হওয়া জরুরি। তিন থেকে চার বছর বয়স থেকেই এই বিষয়ে অবগত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। তবে অনেকক্ষেত্রেই ছোটোবেলায় পরিবারের অসতর্কতার জেরে ছেলেমেয়েদের মধ্যে রাগ নিয়ন্ত্রণ হয় না। বয়ঃসন্ধিকালে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে। বিষয়ত ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সি ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই রাগ মারাত্মক ভাবে প্রকাশিত হয়। যা খুব সংবেদনশীল ভাবেই মোকাবিলা করা জরুরি।

    সন্তানের অতিরিক্ত রাগের নেপথ্যে কী?

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তানের অতিরিক্ত রাগের নেপথ্যে মূলত রয়েছে অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার। তাঁরা জানাচ্ছেন, বহু শিশুই এই সমস্যায় ভোগেন। এটি একটি আচরণগত সমস্যা। যেকোনও কিছুর বায়না করলে অভিভাবকদের থেকে আদায় করার জন্য তারা অতিরিক্ত রাগ দেখায়। অনেক সময়েই রাগ সামলানোর জন্য পরিবার তাদের দাবি মেনে নেয়। সেক্ষেত্রে শিশুর মনে হয় তার পছন্দের জিনিস পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো রাগের বহিঃপ্রকাশ।

    তবে এছাড়াও শিশুর অতিরিক্ত রেগে যাওয়ার অন্যতম কারণ উদ্বেগ। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুরাও মানসিক উদ্বেগে ভোগে। অনেক সময়েই পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্কদের সমস্যা কিংবা জটিলতা শিশুর সামনেই আলোচনা হয়। শিশুর পক্ষে সবকিছু বোঝা সম্ভব হয় না। কিন্তু তারা কিছুটা নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টা করে। আর মানসিক উদ্বেগ তৈরি হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকলে শিশুর এই উদ্বেগ বাড়ে। অনেক সময়েই রাগের মাধ্যমেই সেই উদ্বেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

    শৈশব থেকেই এই অতিরিক্ত রাগ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে বয়ঃসন্ধিকাল তার জটিলতা বাড়ে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেমেয়েদের শরীরে একাধিক হরমোন পরিবর্তন ঘটে। যার জেরে কমবেশি সব ছেলেমেয়েদের মধ্যেই নানান ধরনের মানসিক চাপ, অবসাদ, উদ্বেগ তৈরি হয়। তার জেরে রাগ, মন খারাপ কিংবা খিটখিটে মেজাজ দেখা যায়। তবে শৈশবে রাগের সমস্যা থাকলে তাদের মানসিক জটিলতা আরও বাড়ে। বিশেষত শৈশবে কোনো কারণে ট্রমা বা কোনো ঘটনায় অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে থাকলে, ভয় পেলে বয়ঃসন্ধিকালে তা অতিরিক্ত রাগের কারণ হয়ে ওঠে। তখন পরিস্থিতি সামলানো আরও কঠিন হয়।

    সন্তানের অতিরিক্ত রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন কীভাবে?

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয়ে প্রথম থেকেই নজরদারি করলে এবং সতর্ক থাকলে সন্তানের অতিরিক্ত রাগ নিয়ন্ত্রণ কিছুটা সহজ হবে। তাঁদের পরামর্শ, শিশুর অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার রয়েছে কিনা সে সম্পর্কে অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে হবে। শুধুই বকাবকি করে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। বরং এই ধরনের আচরণগত সমস্যা থাকলে প্রশিক্ষিত থেরাপিস্টের পরামর্শ জরুরি। কিছু থেরাপির মাধ্যমে এই আচরণগত সমস্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

    শিশুর স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ প্রথম থেকেই জরুরি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সাধারণত মোবাইলের পর্দায় যেসব জিনিস শিশুরা দেখে, সেগুলো অতিরিক্ত দ্রুত ঘটে। এমন একাধিক ভিডিও রয়েছে, যেখান কয়েক মিনিটের মধ্যে নানান অ্যাক্টিভিটি হচ্ছে। লাগাতার এই ধরনের ভিডিও দেখার ফলে শিশুর মস্তিষ্কে একধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়। মস্তিষ্কের স্নায়ু উত্তেজিত হওয়ার জেরে মানসিক অস্থিরতা হয়। যার ফলে সামান্য কারণেও শিশু তীব্র প্রতিক্রিয়া করে।

    বয়ঃসন্ধিকালের ছেলেমেয়েদের রাগের অন্যতম কারণ হরমোন ঘটিত পরিবর্তন। তাই এই বয়সের ছেলেমেয়েদের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে আরও বেশি সংবেদনশীলতা জরুরি বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই বয়সের ছেলেমেয়েরা অতিরিক্ত রেগে গেলে জানা জরুরি, তারা কোনও হেনস্থার শিকার হচ্ছে কিনা। স্কুল বা পরিবারের কেউ তাদের শারীরিক কিংবা মানসিকভাবে হেনস্থা করছে কিনা। আবার সোশাল নেটওয়ার্ক সাইটেও এখন বয়ঃসন্ধিকালের ছেলেমেয়েরা খুব সক্রিয়। সেখানে তারা কাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে সে সম্পর্কেও অভিভাবকদের ওয়াকিবহাল থাকা প্রয়োজন। তবে এই সব কিছুই করতে হবে কথা বলে, সংবেদনশীল ভাবেই। তবেই পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব।

    প্রথম থেকেই শিশুর যোগাভ্যাস থাকা জরুরি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস করলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। আবার মস্তিষ্কের স্নায়ু ঠিকমতো কার্যক্ষমতা ধরে রাখতে পারে। এর ফলে অতিরিক্ত রাগ নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। সন্তানের পর্যাপ্ত ঘুম হচ্ছে কিনা সে দিকেও নজরদারি জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঘুম ঠিকমতো হলে তবেই মস্তিষ্ক ঠিকমতো সক্রিয় থাকবে। স্নায়ু সচল থাকবে। হরমোন ঘটিত সমস্যা কমবে। রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য মস্তিষ্কের পর্যাপ্ত বিশ্রাম প্রয়োজন। তাই সন্তান যাতে প্রতিদিন অন্তত আট ঘণ্টা ঘুমোতে পারে, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তানের বয়স পাঁচ বছর হোক কিংবা তেরো বছর! অতিরিক্ত রাগের সমস্যা থাকলে, তা মোকাবিলা করার জন্য কখনোই অভিভাবক রেগে গেলে চলবে না। রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটলে সন্তানের রাগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। বরং এই সমস্যা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 16 December 2025: বাণীতে সংযম রাখুন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 16 December 2025: বাণীতে সংযম রাখুন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) গুরুজনদের সদুপদেশে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) নিজের ভুল সংশোধন করার ফলে ব্যবসায় উন্নতি ও বিপুল অর্থপ্রাপ্তির যোগ।

    ২) গুরুজনের শরীর নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মিথুন

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) বন্ধুর সহায়তায় ব্যবসায় উন্নতি।

    ৩) বিরোধীদের থেকে সাবধান থাকুন।

    কর্কট

    ১) সহকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করায় মানসিক চাপ বাড়বে।

    ২) প্রেমে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    সিংহ

    ১) সব কাজেই সুনাম পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীদের দ্বারা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কন্যা

    ১) স্ত্রীর কারণে মন চঞ্চল হতে পারে।

    ২) কোনও ঝুঁকিপ্রবণ কাজ করতে হতে পারে।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    তুলা

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে।

    ২) গরিব মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    বৃশ্চিক

    ১) শত্রুভয় কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

    ২) ব্যবসায় ফল নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

    ধনু

    ১) কাজের ক্ষেত্রে প্রচুর চিন্তা থাকবে।

    ২) ব্যবসার ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকুন, বুদ্ধিভ্রংশ হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) বাড়িতে অশান্তির সম্ভাবনা ও সেই কারণে আপনার মানহানি হতে পারে।

    ২) আপনার বক্তব্য সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) নম্র স্বভাবের জন্য কর্মস্থলে পদন্নোতি।

    ২) বাসস্থান পরিবর্তন নিয়ে খরচ বৃদ্ধি।

    ৩) ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভালো হবে।

    ২) ভ্রমণে সমস্যা বাড়তে পারে, একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে আরও বেশি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Vijay Diwas: ঢাকায় ভারতীয় সেনার কাছে আত্মসমর্পণ ৯৩ হাজার পাক ফৌজের, ফিরে দেখা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান

    Vijay Diwas: ঢাকায় ভারতীয় সেনার কাছে আত্মসমর্পণ ৯৩ হাজার পাক ফৌজের, ফিরে দেখা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বর্তমান যা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হিসেবে পরিচিত আত্মসমর্পণ করেছিল পাক বাহিনী। পূর্ব পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন হয়ে তৈরি হয় স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ। একদিকে বাংলাদেশ যেমন এই দিনটিকে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিজয়ের দিবস হিসাবে পালন করে, তেমনই ভারতীয় সেনাবাহিনীও একাত্তরের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধজয় ও পাক সেনার আত্মসমর্পণের দিনটিকে বিজয় দিবস হিসাবে উদযাপন করে। আজ বিজয় দিবসের ৫৪ বছর পূর্ণ হল।

    বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও সামরিক শাসক ছিলেন জেনারেল ইয়াহিয়া খান। তার আদেশেই পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশে হত্যাযজ্ঞ চালায়। পাক সামরিক বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে এই ইয়াহিয়া খান বলেছিলেন, “তিরিশ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করো, তখন দেখবে বাকিরা আমাদের হাত চাটবে।” সেই পরিকল্পনা মতোই ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অপারেশন সার্চলাইট আরম্ভ করে, যার উদ্দেশ্য ছিল বাঙালি প্রতিরোধ গুঁড়িয়ে দেওয়া। এরই অংশ হিসাবে পাক সামরিক বাহিনীতে বাঙালি সদস্যদের নিরস্ত্র করে হত্যা করা হয়, বুদ্ধিজীবিদের নিধন করা হয়। আর তৎকালীন সারা পূর্ববঙ্গ জুড়ে চলে নির্বিচারে সাধারণ মানুষকে হত্যা। ২৫ মার্চের রাতেই শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন। বলা হয়, গ্রেফতার হওয়ার একটু আগে ২৫ মার্চ রাত ১২টায় (অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে) তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন।

    এরপর দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। তবে সহজ ছিল না নয় মাসের সেই লড়াই, যার শুরুটা হয়েছিল ওই বছরের ২৫ মার্চ। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নাম দিয়ে পাকিস্তানি সেনা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে নৃশংস গণহত্যা চালিয়েছিল। এরই প্রেক্ষাপটে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। শুরু হয় রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে বন্দি করে রাখা হয়। এই সময়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতায় ৩০ লক্ষ বাঙালি মারা যায়, দুই লাখ নারী ধর্ষিত হয় এবং এক কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় সংঘটিত এই যৌন হিংসাকে আধুনিক ইতিহাসে গণধর্ষণের সবচেয়ে বড় ঘটনা বলা হয়। প্রায় এক কোটি মানুষ বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আসে। সে সময় এই লোকেরা পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও অসমের মতো এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিল।

    পাকিস্তান থেকে আলাদা হওয়ার দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ যে স্বাধীনতার লড়াই শুরু করেছিল, তাতেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নির্দেশে ভারতীয় সেনাবাহিনী অংশ নিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধে।ভারতের দাপটে ১৩ দিনের মধ্যেই অস্ত্র নামিয়ে রাখতে বাধ্য হয় পাকিস্তানি বাহিনী। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঘড়ির কাঁটায় তখন ৪ টে ৩১ মিনিটে (বাংলাদেশের স্থানীয় সময়) ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করছেন পাকিস্তানের ৯৩ হাজার পাক ফৌজ। যুদ্ধের ইতিহাসে যা সবচেয়ে বড় আত্মসমর্পণ হিসেবে বর্ণিত। পূর্ব পাকিস্তানে (আজ বাংলাদেশ) পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এএকে নিয়াজি ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সেনা কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করেন। ১৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় জেনারেল নিয়াজি আত্মসমর্পণপত্রে স্বাক্ষর করেন। যুদ্ধে ভারত জয়ী হয়।

    এর ফলে পাকিস্তানে ইয়াহিয়া খান প্রশাসনের পতন ঘটে এবং জুলফিকার আলি ভুট্টোকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগ করা হয়। যুদ্ধে উভয় পক্ষেরই ক্ষতি হয়৷ ২ হাজার ৯০৪ ভারতীয় সেনা জওয়ান নিহত এবং ১ হাজার ২০০ জনের বেশি আহত হন। চারটি পরমবীর চক্র, ৭৬টি মহাবীর চক্র এবং ৫১৩টি বীর চক্র-সহ অসংখ্য অফিসার ও সৈন্যকে বীরত্বের পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে লড়াই করা সৈনিকদের সাহস, আত্মত্যাগ এবং বীরত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশ ১৬ ডিসেম্বরকে স্মরণের দিন হিসাবে পালন করে। এই বিজয় শুধু বাংলাদেশকে স্বাধীন করেনি, বরং বিশ্বব্যাপী ভারতের অবস্থানকেও সুদৃঢ় করেছে। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের আজ ৫৪ বছর পূর্ণ হল।

  • Ram Mandir: ৫০০ বছরের সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক ভক্তদের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করবে ট্রাস্ট

    Ram Mandir: ৫০০ বছরের সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক ভক্তদের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করবে ট্রাস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য ৫০০ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক এবং ভক্তদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust)। সেইসঙ্গে প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে যেখানে প্রভু শ্রী রাম এবং তাঁর ভাইদের বাসনো হয়েছিল, সেখানে একটি মন্দিরও নির্মিত হবে বলে জানা গিয়েছে। শনিবার, মন্দিরের মহন্ত নৃত্য গোপাল দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ট্রাস্টের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিনের সভায় রাম জন্মভূমি মন্দিরে ভগবান রামের প্রাণ-প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকী সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনাও করা হয়।

    কর সেবকদের গুলি করেছিল মুলায়ম সিং (Ram Mandir)

    ১৯৯০ সালের ২ নভেম্বর অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust) দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালীন, মুলায়ম সিং যাদবের সমাজবাদী পার্টি সরকারের নির্দেশে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক করসেবকের ওপর গুলি চালিয়েছিল। বাবরি মসজিদে পৌঁছাতে গেলে পুলিশের গুলিতে অসংখ্য কর সেবক নিহত হয়েছিলেন। যদিও মুলায়ম সিং যাদব ২৮ জন কর সেবকের মৃত্যুর কথা জানালেও, হিন্দু সংগঠনের দাবি এই মৃত্যুর সংখ্যাটি অনেক বেশি।

    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    রাম মন্দির ট্রাস্ট (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust) জানিয়েছে, বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, প্রতিষ্ঠা দ্বাদশীর অনুষ্ঠানগুলি অঙ্গদ টিলায় অনুষ্ঠিত হবে। সেই সঙ্গে শ্রী রাম কথা পাঠ, সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হবে। আগামী ২৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরে মণ্ডল পুজো এবং শ্রী রামচরিতমানসের একটি সঙ্গীতময় অখণ্ড পারায়ণের আয়োজনও করা হবে। এদিন ভজন সন্ধ্যা পরিবেশন করবেন প্রখ্যাত গায়ক শ্রী অনুপ জালোটা, শ্রী সুরেশ ওয়াডেকর এবং শ্রীমতী তৃপ্তি শাক্য। এছাড়াও, কথ্যক নৃত্যনাট্য সহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। একই ভাবে এই অনুষ্ঠানে কবি সম্মেলনেরও আয়োজন করা হবে। এখানে কবিরা প্রভু শ্রী রামের গুণাবলীর প্রশংসায় যুক্ত কবিতা পাঠে অংশগ্রহণ করবেন।

    আরও একটি ঘোষণায়, ট্রাস্ট জানিয়েছে যে রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণে জড়িত প্রায় ৪০০ কর্মীকে হিন্দু নববর্ষ উপলক্ষে আগামী ১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে সম্মানিত করা হবে। উল্লেখ্য গত ২৫ নভেম্বর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যার রাম মন্দিরের উপরে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ধর্মধ্বজ উত্তোলন করেন। এই কাজ ছিল রাম মন্দিরের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার উপলক্ষ্যে বিশেষ কর্মকাণ্ড।

  • PM Narendra Modi: “দক্ষ সংগঠক নবীন”, বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতিকে অভিনন্দন মোদির

    PM Narendra Modi: “দক্ষ সংগঠক নবীন”, বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতিকে অভিনন্দন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতির নাম ঘোষণা করল বিজেপির সংসদীয় বোর্ড। দলের নতুন সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি হলেন নিতিন নবীন (Working President Nitin Nabin)। তিনি বিহারের এনডিএ জোটের বিজেপি বিধায়ক। একই ভাবে তিনি বিহার সরকারের মন্ত্রী সভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। দিল্লির সদর দফতর থেকে বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং একটি প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে বিহারের একনিষ্ঠ কর্মী নিতিন নবীন। এরপর তাঁকে সামাজিক মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)।

    ভালো কাজের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন (PM Narendra Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) দলের তরফ থেকে একটি পোস্ট করে বলেন, “নিতিন নবীন একজন পরিশ্রমী কর্মী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছেন। তিনি সাংগঠনিক ভাবে অনেক দক্ষ। বিহারে একাধিকবার বিধায়ক হিসবে নির্বাচিত হয়েছেন। দলের বিধায়ক হিসেবে ভালো কাজের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন। নিতিনের বিনয়ী স্বভাব, মানুষের সঙ্গে মেলা মেশার ক্ষমতা এবং জনসংযোগের কাজে বিরাট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। আমি দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি তাঁর উদ্যম এবং নিষ্ঠা আগামী দিনে আমাদের দলকে আরও শক্তিশালী করবে। বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি হিসেবে নিতিন জি (Working President Nitin Nabin) দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।”

    বাংলাকেও জয় করব

    বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি হিসেবে এতোদিন দায়িত্ব পালন করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জগত প্রকাশ নাড্ডা। নবীন (Working President Nitin Nabin) বিহারের নির্বাচনে বাঁকিপুর আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। আরজেডি রেখা কুমারীকে ৫১ হাজার ভোটে পরাজিত করেছেন। তিনি দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন কার্যনির্বাহী সভাপতি হওয়াদের মধ্যে। বছর ঘুরলেই ২০২৬ সালের বঙ্গ নির্বাচন। নতুন দায়িত্ব পেয়েই বাংলা মিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন নিতিন নবীন। তিনি বলেন, “অগ্রাধিকার হল দলীয় সংগঠনকে শক্তিশালী করা। একটি সর্বব্যাপী নেতৃত্ব যেমনটি কেন্দ্রীয় নেতারা আমাদের রাজ্যে আস্থা রেখেছেন। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কারণেই আজ আমি এখানে এসেছি। আমরা বসে সব কিছুকে ঠিক করব। সংগঠনের নিচ থেকে উওর পর্যন্ত এতটাই শক্তিশালী যে আমরা এবার বাংলাকেও জয় করব।”

LinkedIn
Share