Tag: Madhyom

Madhyom

  • Vidyasagar University: তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক পরীক্ষা স্থগিত

    Vidyasagar University: তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক পরীক্ষা স্থগিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক দশকের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়ে মঙ্গলবার মেদিনীপুর সহ সমগ্র জঙ্গলমহলের উষ্ণতম দিন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। শুধু মঙ্গলবার বলে নয় গত কয়েকদিনে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তীব্র দাবদাহ চলছে। পূর্বাভাস মতোই, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া সহ সমগ্র জঙ্গলমহল জুড়ে সকাল ৯টা থেকেই বইতে শুরু করে লু বা গরম বাতাস। গনগনে আগুনের তাপে সকাল থেকেই পুড়ছেন মেদিনীপুর সহ জঙ্গলমহলবাসী। এই অবস্থায় বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় (Vidyasagar University) সমস্ত পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার একটি নোটিস দিয়ে এই ঘোষণা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিসে কী রয়েছে? (Vidyasagar University)

    নোটিসে জানানো হয়েছে, প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য ২ এবং ৪ মে যে পরীক্ষাগুলি হওয়ার কথা ছিল, তা মুলতুবির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Vidyasagar University) অধীনে থাকা সমস্ত কলেজে ওই দু’টি তারিখে যাবতীয় পরীক্ষা আপাতত বাতিল করা হল। বিএড, বিপিএড, বিএফএসসি, বিএসসি (অনার্স) কৃষিবিদ্যা, বিএড স্পেশাল, ডিওসিএ এবং তৃতীয় বর্ষের যে সব পরীক্ষা ছিল, তা মুলতুবি করা হচ্ছে। ওই দু’টি তারিখে যে পরীক্ষাগুলি ছিল, তা পরে কবে নেওয়া হবে তা পরবর্তী তা পরবর্তী নোটিসে জানানো হবে। তবে ৬ মে যে পরীক্ষাগুলি রয়েছে, সেগুলি নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: বুধবারও তীব্র তাপপ্রবাহ দক্ষিণের ৮ জেলায়, জনশূন্য রাস্তাঘাট, ফুটিফাটা জমি

    মেদিনীপুর ও সংলগ্ন এলাকার তাপমাত্রা কত ছিল?

    আবহাওয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ জেলা শহর মেদিনীপুর ও সংলগ্ন এলাকার তাপমাত্রা ছিল ৪৬.৯১ ডিগ্রি সেলসিয়াস! যা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল চলতি মরশুমের যথাক্রমে ২০ ও ২৭ এপ্রিলের ‘সর্বোচ্চ তাপমাত্রা’র রেকর্ড! ওই দু’দিন জেল শহর তথা জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ৪৫.৯৯ এবং ৪৫.৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাশাপাশি আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, মে মাসের প্রথম সপ্তাহেও তাপপ্রবাহের হাত থেকে নিস্তার মিলবে না। আগামী ৫ মে পর্যন্ত তাপপ্রবাহ চলতে পারে গোটা দক্ষিণবঙ্গেই। রবিবার থেকে রাজ্যের কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেদিকে চাতক পাখির মতো তাকিয়ে রয়েছেন সকলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bomb Threat: ১০০টি স্কুল উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি! দিল্লি, নয়ডায় বোমাতঙ্ক, কী মিলল?

    Bomb Threat: ১০০টি স্কুল উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি! দিল্লি, নয়ডায় বোমাতঙ্ক, কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহেই দিল্লির (Delhi) প্রায় শতাধিক স্কুলে বোমাতঙ্ক (Bomb threat)। খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে। ইতিমধ্যেই স্কুলগুলি খালি করে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বম্ব স্কোয়াড এবং দিল্লি দমকল বাহিনী। তবে এখনও পর্যন্ত স্কুলে কোনও বোমা উদ্ধার হয়নি ।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Bomb threat)? 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে দিল্লির প্রায় ১০০ টি স্কুল বোমাতঙ্কের (Bomb threat) হুমকি ই-মেল পেয়েছে। জানা গিয়েছে, চাণক্যপুরীর সংস্কৃত স্কুল, ময়ূর বিহারের মাদার মেরি স্কুল, দ্বারকার দিল্লি পাবলিক স্কুল রয়েছে এই তালিকায়। ই-মেল পেয়েই তড়িঘড়ি খালি করে দেওয়া হয়েছে স্কুল চত্বর। স্কুল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। 

    ঘটনার তদন্তে দিল্লি পুলিশ

    পুরো ঘটনায় তদন্তে নেমেছে দিল্লি পুলিশ। যদিও এখনও পর্যন্ত সন্দেহজনক কিছু মেলেনি বলেই জানা গিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, মঙ্গলবার একই প্যাটার্নে মেলগুলি পাঠানো হয়েছে৷ তারিখের কোনও উল্লেখ নেই৷ তবে বিসিসি-র উল্লেখ রয়েছে, যার অর্থ একটি মেল একাধিক জায়গায় পাঠানো হয়েছে৷ সেই বিষয়েই তদন্ত চলছে৷ সন্দেহ করা হচ্ছে, এর পিছনে একজন ব্যক্তিই রয়েছেন ৷ আইপি অ্যাড্রেস ও প্রযুক্তির সাহায্যে কে এই মেল পাঠিয়েছে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে৷ দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল-সহ নিরাপত্তা সংস্থাগুলি ই-মেলের উৎস খুঁজছে ৷ এ প্রসঙ্গে পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন,ভোর ৪টে নাগাদ এই স্কুলগুলির (Delhi School) অফিসিয়াল ইমেল আইডিতে ইমেল করে বোমা হামলার হুমকি (Bomb threat) দেওয়া হয়। 

    দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভি কে সাক্সেনা এ ঘটনায় একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছেন, “আমি আজকের এই ঘটনা নিয়ে পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা বলেছি এবং দিল্লির স্কুলে বোমা হামলার (Bomb threat) বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছি। দিল্লি পুলিশকে স্কুল চত্বরে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি চালাতে বলা হয়েছে৷ অপরাধীদের শনাক্ত করার পাশাপাশি আমি অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হওয়ার আবেদন জানাচ্ছি”।

    আরও পড়ুন: ফের সন্দেশখালিতে হানা, শাহজাহানের ভাই সিরাজের বাড়িতে তলবের নোটিস দিল সিবিআই

    উল্লেখ্য, এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে আরকে পুরমের দিল্লি পুলিশ স্কুলেও একই ধরনের হুমকি (Bomb threat) মেল পাঠানো হয়েছিল। যদিও এবারের ঘটনাটিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ‘ভুয়ো’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে অভিভাবকদের খবর দিয়ে পড়ুয়াদের বাড়ি ফেরত পাঠানোর কথা জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের ফিরিয়ে নিয়ে যেতে স্কুলগুলির বাইরে ভিড় জমিয়েছেন আতঙ্কিত অভিভাবকেরা। ফলে স্কুলগুলির বাইরে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ফের সন্দেশখালিতে হানা, শাহজাহানের ভাই সিরাজের বাড়িতে তলবের নোটিস দিল সিবিআই

    Sandeshkhali: ফের সন্দেশখালিতে হানা, শাহজাহানের ভাই সিরাজের বাড়িতে তলবের নোটিস দিল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহানের ভাই সিরাজউদ্দিনকে এর আগে তলব করেছিল ইডি। তিনি সেই ডাকে সাড়া দেননি। তার পর ইডির তরফে লুকআউট নোটিস জারি করা হয় তাঁর নামে। এ বার সিরাজকে ডেকে পাঠাল সিবিআইও। বুধবার সকালে সন্দেশখালিতে ফের হানা দেয় সিবিআই।

    সিরাজ ডাক্তারের বাড়িতে নোটিস (Sandeshkhali)

    শাহজাহানের ভাই সিরাজউদ্দিন পেশায় হোমিয়োপ্যাথি চিকিৎসক। এলাকায় তাঁর ক্লিনিকও ছিল। তিনি সিরাজ ডাক্তার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সন্দেশখালিতে ইডির ওপর হামলার (Sandeshkhali) ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তিনি ফেরার। ইডির পর এদিন সিবিআই টিম সন্দেশখালির সরবেড়িয়া এলাকায় যায়। শাহজাহান মার্কেটে গিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন। পরে, কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়ে সন্দেশখালির সরবেড়িয়া এলাকায় শাহজাহানদের বাড়ির সামনে যান সিবিআইয়ের একটি দল। সিরাজের বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু, কোনও সাড়া মেলেনি। তালাবন্ধ বাড়ির বাইরে নোটিস সেঁটে দিয়ে এসেছেন গোয়েন্দারা। সিবিআই সূত্রে খবর, ৬ মে তলব করা হয়েছে সিরাজকে।

    আরও পড়ুন: বুধবারও তীব্র তাপপ্রবাহ দক্ষিণের ৮ জেলায়, জনশূন্য রাস্তাঘাট, ফুটিফাটা জমি

    ফের সন্দেশখালিতে সিবিআই

    কিছুদিন আগে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) তল্লাশি অভিযানে গিয়েছিল সিবিআই। শাহজাহানের ঘনিষ্ঠের আত্মীয় আবু তালেব মোল্লার বাড়ি থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এর পর সেখানে সিবিআই ডেকে পাঠায় এনএসজিকে। ‘ক্যালিবার’ যন্ত্র নিয়ে তারা দিনভর সন্দেশখালিতে বোমার খোঁজে তল্লাশি চালায়। কয়েকটি বোমা নিষ্ক্রিয়ও করা হয়। সে দিনের উদ্ধার করা অস্ত্র সম্পর্কে সিবিআইকে রিপোর্ট দিয়েছে এনএসজি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের আবহে বাংলার রাজনীতি নতুন করে আলোড়িত হয়েছে। ইডি এবং সিবিআইয়ের তরফে পৃথকভাবে আদালতে দাবি করা হয়েছে, সন্দেশখালিতে যে জমিগুলি শাহজাহান এবং তাঁর অনুগামীরা দখল করেছিলেন, সেই টাকাতেই কেনা হয়েছে অস্ত্র। সন্দেশখালিতে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথিপত্র এবং রসিদও পেয়েছে সিবিআই। কলকাতার দোকান থেকে শাহজাহানের নামে কেনা অস্ত্রের রসিদও ছিল তার মধ্যে। শাহজাহান বর্তমানে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। সন্দেশখালির ঘটনায় এবার সিরাজকে খুঁজছেন তদন্তকারীরা। এবার তাঁর হদিশ পেতেই বুধবার ফের সন্দেশখালিতে হানা দেয় সিবিআই। সিরাজের বাড়িতে রান্না চলছিল। সিবিআই আসছে দেখে রান্না মাঝ পথে ফেলে চলে গিয়েছে বাড়ির লোকজন। শাক ভাজা পড়ে রয়েছে রান্না ঘরে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Child Education: দিনরাত পড়েও সন্তান পরীক্ষায় বসেই সব ভুলে যাচ্ছে? কীভাবে বাড়বে মনঃসংযোগ?

    Child Education: দিনরাত পড়েও সন্তান পরীক্ষায় বসেই সব ভুলে যাচ্ছে? কীভাবে বাড়বে মনঃসংযোগ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সময় মতো নিয়মিত পড়তে বসে। দিনের অনেকটা সময় পড়াশোনায় বরাদ্দ থাকে। তারপরেও পরীক্ষায় বসে অনেক সময়েই ভুল হয়ে যায়। বারবার চর্চার পরেও মনে থাকে না অনেক বিষয়। অনেকের সন্তান এই সমস্যায় ভুগছে। আর তার জেরে দুশ্চিন্তা বাড়ছে বাবা-মায়ের। তবে চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, কয়েকটা‌‌ বিষয়ে অভিভাবকেরা নজরে রাখলেই সন্তানের এই সমস্যা কমবে। মনঃসংযোগ ও স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর (Child Education) কিছু সহজ কৌশল প্রথম থেকেই রপ্ত করা জরুরি। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাহলেই সন্তান একাধিক কাজ সহজে করতে পারবে। কিন্তু কোন দিকে বাড়তি নজর বাড়াবে স্মৃতিশক্তি ও মনঃসংযোগ?

    পর্যাপ্ত ঘুম আবশ্যিক (Child Education)

    আধুনিক জীবনে বাড়ছে ব্যস্ততা। আর তার জেরেই কমছে ঘুমের সময়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঘুম পর্যাপ্ত না হওয়ার জেরে বাড়ছে সমস্যা। বিশেষত মনঃসংযোগ আর স্মৃতিশক্তিজনিত সমস্যা বাড়ছে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ঘুম পর্যাপ্ত না হলে শরীরে একাধিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। আর তার জেরে মস্তিষ্ক ঠিকমতো কাজ করতে পারে। ক্লান্তিবোধ বাড়ে। ফলে মনঃসংযোগ করতেও অসুবিধা হয়। তাই রাতে অন্তত আট ঘণ্টা ঘুম জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। অনেক পড়ুয়াকেই খুব ভোরে স্কুলে যেতে হয়। কিন্তু তারাও গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকে‌। ফলে তাদের পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। যার জেরে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে। তাই রাত বেশি জাগা যাবে না বলেই সাফ‌ জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    খাদ্যাভ্যাসে বদল জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস স্মৃতিশক্তি (Child Education) বাড়াতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে। তাই সন্তানের খাবারে বিশেষ নজরদারি জরুরি বলেই জানাচ্ছেন তাঁরা। পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, চিনি বা চিনিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যান্ডি, চকলেট, চিনি খেলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে। নিয়মিত বাদাম, আখরোট জাতীয় খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত বাদাম জাতীয় খাবারের পাশাপাশি সবুজ ও রঙিন সবজি খেতে হবে। যেমন, কুমড়ো, গাজর, টমেটো, পালং শাক, পটল জাতীয় সবজি মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। এর পাশপাশি, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যেমন লেবু, কিউই নিয়মিত খাওয়া জরুরি। এগুলোতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। তাই মনঃসংযোগ বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে।

    যোগাভ্যাসে অভ্যস্ত হোক সন্তান (Child Education)

    নিয়মিত দিনের কিছুটা সময় সন্তানকে যোগাভ্যাসে অভ্যস্ত করতে হবে। এমনই পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, যোগাভ্যাস বিশেষত মেডিটেশন মনোসংযোগ বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত যোগাভ্যাস করলে সন্তানের শরীর ও মনের একাধিক সমস্যা কমবে। মনঃসংযোগ বাড়বে। মনে রাখার ক্ষমতাও বাড়বে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    পড়ার পাশপাশি সৃজনশীল কাজ শেখা

    পরিবারের সকলের জন্য সপ্তাহে একদিন রান্না করা কিংবা গান‌ শেখা, ছবি আঁকা, যে কোনও এক ধরনের সৃজনশীল কাজ করার অভ্যাস থাকা জরুরি বলেই মনে করছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যে কোনও কাজে একঘেয়েমি হলেই তার প্রতি আকর্ষণ কমতে থাকে। দিনরাত লাগাতার শুধু পড়াশোনার চাপ তৈরি হলে, পড়ুয়াদের সেই একঘেয়েমি লাগবে। তখন মনঃসংযোগ নষ্ট হবে‌। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমবে। তাই পড়াশোনার (Child Education) পাশাপাশি অন্য কোনও সৃজনশীল কাজ করা জরুরি। অন্তত সপ্তাহে একদিন ভিন্ন রকম কাজ করলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে। ফলে স্মৃতিশক্তি বাড়বে। মানসিক চাপ তৈরি হবে না। এমনটাই জানাচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালির সেই ব্যাগে কী ছিল সিবিআইকে জানাল এনএসজি

    Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালির সেই ব্যাগে কী ছিল সিবিআইকে জানাল এনএসজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা শাহজাহানের (অবশ্য গ্রেফতার হতেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়) গড়ে (Sandeshkhali Violence) অভিযান শেষে শুক্রবার একটি ব্যাগ সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিল এনএসজি। সেই ব্যাগে কী ছিল, তা নিয়ে কৌতূহলের অন্ত ছিল না। তবে এনএসজির নিয়ে যাওয়া ব্যাগে কী ছিল, তা জানা গেল এবার, এনএসজি রিপোর্ট দেওয়ার পর। সিবিআইকে দেওয়া রিপোর্টে এনএসজি জানিয়েছে, ওই ব্যাগে দুটি বিদেশি আগ্নায়াস্ত্র ছিল। বেশ কিছু কার্তুজ ও বিস্ফোরকও মিলেছে। এনএসজির রিপোর্ট পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এই মামলায় প্রায় দশজনকে তলব করা হচ্ছে। এনএসজি যে রিপোর্ট দিয়েছে, সিবিআই তা আদালতে দেবে বলেও জানা গিয়েছে।

    উদ্ধার অস্ত্র (Sandeshkhali Violence)

    শুক্রবার সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Violence) প্রথমে অভিযান চালায় সিবিআই। শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় আবু তালেব মোল্লার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বেশ কিছু অস্ত্র। সিবিআইয়ের তরফে খবর দেওয়া হয় এনএসজিকে। ক্যালিবার যন্ত্র নিয়ে এসে দিনভর সন্দেশখালিতে অস্ত্রের খোঁজে তল্লাশি চালায় এনএসজি। নিষ্ক্রিয় করা হয় বেশ কিছু অস্ত্র। বন্দুক, পিস্তল, কার্তুজ ও কয়েকটি রশিদও পায় সিবিআই। সেই রশিদে নাম ছিল শাহজাহানের। কলকাতার একটি দোকান থেকে কেনা হয়েছিল ওই কার্তুজ। সিবিআইয়ের দাবি, সেদিন যে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল, তার মধ্যে একটি আবার শাহজাহানের ভাই শেখ আলমগিরের।

    সিবিআইয়ের অভিযান

    শুক্রবার সিবিআই তল্লাশি অভিযান চালায় সন্দেশখালির (Sandeshkhali Violence) দুটি ঠিকানায়। সেখানে তিন দিক ভেড়ি দিয়ে ঘেরা একটি পাকা বাড়ির মেঝে খুঁড়ে বিভিন্ন মাপের সাতটি রিভলভার পেয়েছিল তারা। এর মধ্যে তিনটি রিভলভার ও পিস্তল বিদেশি। এর মধ্যে একটি পিস্তল রয়েছে, যেটি ব্যবহার করে পুলিশ। দেশি একটি রিভলভারও রয়েছে। কার্তুজ মিলেছিল সাড়ে তিনশোর মতো।

    আরও পড়ুুন: “মোদি জমানায় গণতন্ত্র বিপন্ন! মিথ্যা কথা”, দাবি সুব্রহ্মণ্যমের

    অস্ত্র উদ্ধার সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট বসিরহাট মহকুমা আদালতে জমা দিয়েছে সিবিআই। তদন্তের স্বার্থে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র নিজেদের কাছে রাখার আবেদনও জানানো হয়েছিল। সিবিআইয়ের আবদেন মঞ্জুর করেছেন বিচারক। জানা গিয়েছে, আবুল স্ত্রীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Makhan Singh: ঘরে-বাইরে বিশ্ব মাঝে স্বাধীনতার দাবি জানিয়েছিলেন পাঞ্জাবের মাখন সিং, চেনেন তাঁকে?

    Makhan Singh: ঘরে-বাইরে বিশ্ব মাঝে স্বাধীনতার দাবি জানিয়েছিলেন পাঞ্জাবের মাখন সিং, চেনেন তাঁকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ যেথা শির” এই সংকল্পই ছিল তাঁর মন্ত্র। তিনি স্বাধীনতাকে নিজের দেশের মধ্যে আবদ্ধ রাখতে চানিনি। স্বাধীনতা মানে হল তাঁর কাছে স্বপ্ন, সমান অধিকারের দাবি। ঘরে-বাইরে বিশ্ব মাঝে স্বাধীনতার দাবি জানিয়েছিলেন পাঞ্জাবের মাখন সিং। কেনিয়ার স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগদানকারী এক বিরল ভারতীয় নেতা হলেন মাখন সিং। মাখন সিং, ঔপনিবেশিক ব্রিটিশদের উদাসীনতা স্বীকার করে, তার জন্মভূমি এবং তার দত্তক বাড়ি উভয় ক্ষেত্রেই অন্যায়ের বিরোধিতা করার জন্য আত্মনিয়োগ করেছিলেন। ভারত এবং কেনিয়াতে আরও ন্যায়সঙ্গত রাজনীতির ভিত্তি স্থাপনের জন্য সিংয়ের সংকল্প অনুপ্রেরণাদায়ক।

    মাখন সিং-এর জন্ম

    মাখন সিং ১৯১৩ সালের ডিসেম্বরে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবে বেশিরভাগ সময় তিনি অবিভক্ত পাঞ্জাবে কাটিয়েছিলেন। তার বয়স যখন ছয়, তার বাবা, কেনিয়ায় চলে যান। সেই সময় অনেক পাঞ্জাবি রেলওয়েতে কাজ করার জন্য কেনিয়া পাড়ি দিয়েছিলেন। মাখন সিংও ১৪ বছর বয়সে তাঁর মা এবং বোনের সঙ্গে কেনিয়াতে বাবার কাছে চলে যান। তার আগেই দেশে স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক তাঁর মনে দাগ কেটেছিল। মাখনের বাবা রেলওয়ে ছেড়ে দিয়ে একটি ছাপাখানায় যোগ দেন।  স্কুলে পড়ার সময় থেকেই বাবাকে প্রেসের কাজে সাহায্য করতে থাকেন মাখন। এই সময়েই তিনি ট্রেড ইউনিয়নের প্রতি আগ্রহী হন। এই সময়ে মুদ্রণ শিল্পে শ্রমিকদের নানা দাবি নিয়ে  শ্রমিক ধর্মঘট সংগঠিত করেছিলেন মাখন।

    শ্রমিকদের জন্য দাবি

    শ্রমিকদের কাছে একটি আবেগপ্রবণ ভাষণে মাখন সিং  ‘উহুরু সাসা’ দাবি করেছিলেন, যার কিসোয়াহিলি অর্থ ছিল ‘এখনই স্বাধীনতা’। এটি ছিল ব্রিটেনের কাছ থেকে কেনিয়ার সম্পূর্ণ স্বাধীনতার প্রথম আহ্বান। বাবার ছাপাখানায় কাজ করতে করতে  শ্রমিকদের শোষণ এবং ঔপনিবেশিক অবিচার সম্পর্কে জানতে পারেন মাখন। এখানেই তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির মিত্র, গদর [গদর নামেও লেখা] পার্টির সদস্যদের সাথে দেখা করেছিলেন। এই আন্দেলনে শ্রমিকদের স্বার্থে মাখন নিজের বাবার বিরুদ্ধেও দাঁড়ান। তিনি বলেছিলেন যে তাঁর ক্রিয়াকলাপ “পরিস্থিতিতে ন্যায়সঙ্গত”।

    বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই

    এক সময় পূর্ব আফ্রিকার উপনিবেশগুলিতে বসতি স্থাপনের জন্য ব্রিটিশরা ভারতীয়দের উৎসাহিত করত। এই ভারতীয়দের অধিকাংশই ছিল ব্যবসায়ী, কারিগর বা নিম্ন পেশাজীবী, যারা ঔপনিবেশিক শ্রেণিবিন্যাসে কালো ও সাদাদের মধ্যবর্তী অবস্থান দখল করত। তাঁরা আফ্রিকান এবং ইংরেজ উভয় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তাঁদের নিজস্ব বৃহৎ সম্প্রদায়ে বাস করত। তারা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর উপর ব্রিটিশ শাসনের অপরিহার্য হাতিয়ার ছিল এবং ব্রিটিশদের তুলনায় আফ্রিকানদের সাথে তাদের বেশি যোগাযোগ ছিল। এইভাবে, তাঁরা সেই দেশে আফ্রিকানদের থেকে বেশি সুযোগ সুবিধা পেলেও, কৃষ্ণাঙ্গরা তাঁদের প্রতি বিরক্ত হত। মাখনের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব ছিল রঙের বাধা ভেঙে ভারতীয় ও আফ্রিকান জনগণকে এক করে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকদের চ্যালেঞ্জ করা। ১৯৩৪ সালে লেবার ট্রেড ইউনিয়ন অফ কেনিয়ার সম্পাদক (LTUK) নির্বাচিত হন। এই সংগঠন সমস্ত বর্ণের সদস্যদের জন্য উন্মুক্ত ছিল। এদের উদ্দেশ্য ছিল নিপীড়িত সম্প্রদায়গুলিকে একত্রিত করা।

    ভারতের সঙ্গে যোগ

    কেনিয়ায় আন্দোলন সংগঠিত করার সঙ্গে সঙ্গে নিজের জন্মভূমি ভারতে ঘটে চলা নানা প্রতিবাদ সম্পর্কে অবগত ছিলেন মাখন। ১৯৩৯ সালে ভারতে আসেন তিনি। বম্বে এবং আমেদাবাদে ট্রেড ইউনিয়নিজমের কার্যকারিতা এবং শ্রমিক শ্রেণীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে আসেন মাখন। তিনি তৎকালীন বোম্বেতে শ্রমিক ধর্মঘটকারীদের জনসভায় ভাষণ দেন। আফ্রিকান প্রতিনিধি হিসাবে রামগড়ে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনেও যোগ দিয়েছিলেন মাখন। তাঁর ঔপনিবেশিক বিরোধী সংবেদনশীলতা সমস্যায় ফেলতে পারে এই ভয়ে, ব্রিটিশরা তাঁকে গ্রেফতার করে। দুই বছর ধরে এক কারাগার থেকে অন্য কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় মাখনকে। আড়াই বছরের জন্য গুজরানওয়ালায় তাঁর নিজের গ্রামে তাঁকে নজরবন্দি করে  রাখে ব্রিটিশরা। অবশেষে ১৯৪৫ সালের জানুয়ারি মাসে ব্রিটিশরা তাঁকে মুক্তি দেয়। এরপর তিনি একটি বিপ্লবী সাপ্তাহিক জং-ই-আজাদির সাব-এডিটর হিসেবে কাজ পান। এরপরে ১৯৪৭ সালে ফের তিনি কেনিয়ায় ফিরে যান।

    আরও পড়ুুন: তৃতীয় দফায় কী প্রচার করবেন, কৌশল বাতলে এনডিএ প্রার্থীদের চিঠি মোদির

    কেনিয়ার স্বাধীনতা

    কেনিয়ায় ফিরে মাখন ফের ঔপনিবেশিক বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন। তিনি কেনিয়া যুব সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন। পূর্ব আফ্রিকান ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের কাজে সক্রিয় হন মাখন। পূর্ব আফ্রিকান ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, আফ্রিকান বিপ্লবী ফ্রেড কুবাই এর সভাপতি ছিলেন তিনি। মাখন ভারতীয়দের আফ্রিকানদের সাথে একত্রে কাজ করার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন। পাঞ্জাবি, গুজরাটিদের জন্য কেনিয়ায় স্কুল স্থাপন করেছিলেন। ১৯৫০ সালে ব্রিটিশ সরকার সিংকে শেষবারের মতো আটক করার পরেই মউ মউ বিদ্রোহ শুরু হয়। ১৯৬১ সালে ব্রিটিশরা ঔপনিবেশিক বিদ্রোহের প্রতিক্রিয়ায় জারি করা জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার পর তিনি মুক্তি পান। এরপর মাখন স্বাধীন কেনিয়ার প্রথম প্রধান জোমো কেনিয়াত্তার জন্য প্রচার শুরু করেন। মাখন বিশ্বাস করতেন যে স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের সাধনা আপনার জন্মের দেশ দ্বারা সীমাবদ্ধ নয়। অবশেষে তিনি রাজনৈতিক লাইমলাইট থেকে দূরে সরে যান এবং ১৯৭৩ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নাইরোবিতে তাঁর মৃত্যু হয়। কিন্তু তাঁর জীবন ও আন্দোলন সারা পৃথিবীর মানচিত্রে দাগ কেটে যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Unemployed Workers: শ্রমিক দিবসেই কর্মহীন শয়ে শয়ে শ্রমিক

    Unemployed Workers: শ্রমিক দিবসেই কর্মহীন শয়ে শয়ে শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বন্ধ হয়ে গেল আরও একটি চা বাগান (Tea Garden)। শ্রমিক দিবসের দিনই কাজ হারালো প্রায় হাজারের কাছাকাছি শ্রমিক। ফলে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কর্মহীন শ্রমিকদের (Unemployed Workers) কপালে। মে দিবসের দিন সকালেই ডুয়ার্সের (Dooars) এক চা বাগানে কাজ বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছে চা বাগানের মালিক কর্তৃপক্ষ। আর তার জেরেই মে দিবসে কর্মহীন হয়ে পড়লেন প্রায় ৮৩০ জন শ্রমিক।  

    ঠিক কী ঘটেছিল (Unemployed Workers)?

    জানা গিয়েছে, বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই পাওনাগন্ডা নিয়ে শ্রমিক-মালিক অসন্তোষ চলছিল। পিএফ, গ্র্যাচুইটির মতো বিভিন্ন পাওনা বাকি ছিল। শুধু তাই নয়, শ্রমিকদের ৩ পাক্ষিক সপ্তাহের মজুরিও বকেয়া ছিল বলে অভিযোগ। যার জেরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন কর্মরত শ্রমিকরা। এরপর ২৭ এপ্রিল নিজেদের বকেয়া অর্থ বুঝতে চেয়ে শ্রমিকদের (Unemployed Workers) একাংশ বানারহাট থানায় গিয়ে অবস্থানে শামিল হন। বানারহাট বিডিও অফিসে একটি ত্রিপাক্ষিক বৈঠকও ডাকা হয়। তবে মালিকপক্ষের কেউ উপস্থিত না থাকায় সেই বৈঠক ভেস্তে যায়। কিন্তু মালিকপক্ষের তরফে একটি চিঠি দিয়ে প্রশাসনকে জানানো হয়, মঙ্গলবার বকেয়া মজুরির এক কিস্তির টাকা তাঁরা মিটিয়ে দেবেন। সেই টাকা গতকাল দিয়েও দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরই রাত্রিবেলা কর্মবিরতির বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। পুলিশ-প্রশাসনকেও মালিক পক্ষ জানিয়ে দেয় নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা। বাগানে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় তালা। এরপর সকালে শ্রমিকরা কাজে এসে দেখেন বাগানে তালা ঝুলছে।

    চা শ্রমিক নেতার বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে চা শ্রমিক নেতা অজয় মাহালি বলেন, “কোন সমস্যা থাকলে মালিকপক্ষ তা আলোচনার মাধ্যমে মেটাতে পারতেন। সেটা না করে শ্রমিক দিবসের ঠিক আগের রাতে এভাবে বাগান বন্ধ করে চলে যাওয়ার ঘটনার ঘোর নিন্দা জানাই। হাজার শ্রমিক কর্মহীন (Unemployed Workers)।”

    আরও পড়ুন: জানেন কি কেন পালন করা হয় মে দিবস? কোন ইতিহাস লুকিয়ে এই দিনটিতে!

    মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তার পরেই এল কাজ বন্ধের নোটিশ

    প্রসঙ্গত, শ্রমিক দিবস (International labour day) উপলক্ষে সকালেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। মুখ্যমন্ত্রী তার শুভেচ্ছা বার্তায় লেখেন,”আমাদের সকল শ্রমিক (Unemployed Workers) ভাই বোনকে জানাই আন্তর্জাতিক  শ্রমিক দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা। শ্রমিকরা আমাদের সমাজের সম্পদ। তাদের নিয়ে আমরা গর্বিত। আমি সব সময় তাদের পাশে থাকি। বিনামূল্যে সামাজিক সুরক্ষা যোজনার মত যুগান্তকারী প্রকল্প চালু করা থেকে, কেন্দ্রের কাছ থেকে ১০০ দিনের কাজের টাকা পাওয়া থেকে বঞ্চিত রাজ্যের ৫৯ লক্ষ গ্রামীণ শ্রমিকের টাকা রাজ্যের নিজস্ব তহবিল থেকে মিটিয়ে দেওয়া, বরাবর আমরা সকল ক্ষেত্রে শ্রমিক ভাই বোনদের পাশে থেকেছি আগামীতেও থাকবো।” আর মুখ্যমন্ত্রী এই বার্তার পরেই জানা গেল উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়ি মহাকুমার বারানহাট (Banarhat) ব্লকের তোতাপাড়া চা বাগানে কাজ বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • 8th Pay Commission: মহার্ঘ ভাতায় ঘাম ছুটছে রাজ্যের! কেন্দ্র অষ্টম পে কমিশনের পথে

    8th Pay Commission: মহার্ঘ ভাতায় ঘাম ছুটছে রাজ্যের! কেন্দ্র অষ্টম পে কমিশনের পথে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকার তাঁদের কর্মীদের দাবি অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance) দিতে গড়িমসি করছে। কিন্তু কেন্দ্র সরকার সেই পথে হাঁটছে না। কেন্দ্র সরকারের কর্মীদের জন্য দারুণ খুশির খবর। শীঘ্রই গঠন হতে চলেছে অষ্টম পে কমিশন (8th Pay Commission)। লোকসভা নির্বাচনের পরেই এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। সরকারি কর্মীদের জন্য আবার দারুণ ঘোষণা হতে চলেছে ভোট মিটলেই। সম্প্রতি কেন্দ্র সরকার (Central Govt) ৪ শতাংশ অতিরিক্ত মহার্ঘ ভাতা বরাদ্দ করেছে। ফলে মহার্ঘ ভাতার পরিমাণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশ।

    লোকসভা ভোটের পরেই সিদ্ধান্ত (8th Pay Commission)

    ইন্ডিয়ান রেলওয়ে টেকনিক্যাল সুপারভাইজার অ্যাসোসিয়েশন তাঁদের কর্মীদের অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission) গঠনের দাবি নিয়ে মন্ত্রকের কাছে চিঠি লিখেছে। সংগঠনের দাবি সরকারের হাতে অনেক সময় আছে। লোকসভা ভোটের পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে সরকারের তরফে। অষ্টম পে কমিশন (8th Pay Commission) গঠন করার ব্যাপারে সরকার জানিয়েছে এখনই তাদের কাছে কোন প্রস্তাব আসেনি। যেহেতু ভোট চলাকালীন আদর্শ আচরণ বিধি লাগু আছে তাই সরকার এখনই এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা আইনত করতে পারে না। প্রতি বছর ১০ বছর অন্তর পে কমিশন গঠন হয়ে থাকে। পে কমিশনের উদ্দেশ্য সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো খতিয়ে দেখা, বেতন কাঠামো বৃদ্ধি ও সুযোগ-সুবিধা গুলির সেই সময় দাঁড়িয়ে কতটা প্রয়োজন আছে কিংবা তাতে কতটা বৃদ্ধি করার প্রয়োজন রয়েছে তা খতিয়ে দেখা এবং সেই সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া।

    আরও পড়ুন: হাতের আঙুলের গঠন বলে দেবে আপনি কেমন! জানেন কীভাবে?

    রাজ্য সরকারের পে কমিশনে গড়িমসি

    তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম পে কমিশন জানিয়েছিল এ বিষয়ে স্থায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। যদিও কেন্দ্র সরকার সহ বিভিন্ন রাজ্য সরকারের জনমুখী প্রকল্পের জেরে যে পরিমাণ আর্থিক বোঝা রয়েছে তাতে কেন্দ্র হোক বা রাজ্য সরকার কোন সরকারই এই কমিশনের বিষয়ে স্থায়ী সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি। যদিও ১০ বছর অন্তর কেন্দ্র সরকার এই কমিশন গঠন করা জারি রেখেছে। কেন্দ্র সরকার ঠিকঠাক সময়ে পে কমিশন গঠন করলেও রাজ্য সরকার বরাবরই পে কমিশন গঠনের গড়িমসি করে এসেছে। মোদি সরকারের আমলে পে কমিশন গঠন ও সরকারি কর্মীদের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়নি। এমনকি সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রেও ওয়ান ব্যাংক ওয়ান পেনশন চালু করার বিষয়ে সদিচ্ছা দেখিয়েছে কিন্তু সরকার। অথচ রাজ্য সরকার এখনও সপ্তম পে কমিশনের সুযোগ সুবিধা কর্মীদের দিতে গড়িমসি করছে। অষ্টম পে কমিশন (8th Pay Commission) গঠন ও চালু হয়ে গেলে রাজ্য সরকারের কর্মীরা সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে প্রায় কুড়ি বছর পিছিয়ে পড়বে। ফলে রাজ্য সরকারের উপরে পে কমিশন সুযোগ-সুবিধা চালু করার বিষয়ে চাপ বাড়বে।

    ওয়াকিবহাল মহলের মত লক্ষীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী (Kanyashree) সহ রাজ্য সরকার যে পরিমাণ দান খয়রাতির প্রকল্প চালু রেখেছে তাতে সরকারি কর্মীদের ন্যায্য সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • K Subramanian: “মোদি জমানায় গণতন্ত্র বিপন্ন! মিথ্যা কথা”, দাবি সুব্রহ্মণ্যমের

    K Subramanian: “মোদি জমানায় গণতন্ত্র বিপন্ন! মিথ্যা কথা”, দাবি সুব্রহ্মণ্যমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মোদি জমানায় গণতন্ত্র বিপন্ন বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সর্বৈব মিথ্যা। গত দশ বছরে একটাও রাজ্য সরকারকে ফেলে দেওয়া হয়নি। অথচ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের জামানায় বরখাস্ত করা হয়েছিল ১১টি রাজ্যের সরকারকে।” কথাগুলি বললেন প্রাক্তন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কৃষ্ণমূর্তি সুব্রহ্মণ্যম (K Subramanian)। প্রসঙ্গত, ২০০৪ সাল থেকে টানা দশ বছর প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন ছিলেন কংগ্রেসের মনমোহন।

    দুই জমানার তুলনা (K Subramanian)

    ২০১৮ সাল থেকে ২০২১ পর্যন্ত মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন সুব্রহ্মণ্যম। সম্প্রতি নর্থওয়েস্টার্ন কেল্লগ বিজনেস স্কুলে একটি প্যানেল ডিসকাশনে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজনও। সেখানেই মোদি জমানার সঙ্গে মনমোহন আমলের তুলনা করেন প্রাক্তন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা (K Subramanian)। মোদি জমানায় যে গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভারতের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে, তাও উঠে আসে আলোচনায়।

    কী বললেন সুব্রহ্মণ্যম?

    সুব্রহ্মণ্যম বলেন, “২০১৬ সালে দেশে স্টার্টআপ ছিল ৪৫০টি। আর এখন স্টার্টআপের সংখ্যা এক লাখ। মোদি জমানায় স্টার্টআপ বেড়েছে ২২০ শতাংশ। অথচ এই সময় মিডিয়ার একাংশ গণতন্ত্র বিপন্ন বলে প্রচার করে চলেছে। মিডিয়ার এই অংশের দাবি, মনমোহন জমানায় গণতন্ত্র ঠিকঠাক ছিল, স্টার্টআপের বৃদ্ধির হার ছিল ৩.৮ শতাংশ।” তিনি বলেন, “ঠিক তা নয়। গ্লোবাল ইননোভেশন ইনডেক্সের দিকে তাকানো যাক। এটা কোনও সরকারি ডেটা নয়। এটা ইন্টারন্যাশনাল ডেটা। ২০১৫ সালে আমাদের জায়গা ছিল গ্লোবাল ইননোভেশন ইনডেক্সের তালিকার ৭৮ নম্বরে। আর আজ আমাদের ঠাঁই হয়েছে ৪০ নম্বরে। আমি মনে করি ইননোভেশনের ক্ষেত্রে মুক্ত চিন্তা খুবই জরুরি। এনিয়ে বিতর্কের কিছু রয়েছে বলে আমি মনে করি না। কিন্তু গণতন্ত্রের পরিমাপ অথবা এর অভাব, যা আমাদের আছে বলে বলা হচ্ছে, তা নিয়ে গবেষণা হতে পারে নিউ ইয়র্কের কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্ট-ডক্টোরাল কোর্সে।”

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে ফের পার্থর জামিন খারিজ করল হাইকোর্ট, কেন জানেন?

    তখনই রাজন বলেন, “আজ ভারতে গণতন্ত্রের ভিত মজবুত, একথা আপনি বলতে পারেন না। এই সককার সমালোচনা পছন্দ করে না। তাদের একটাই বক্তব্য, হয় আমাদের সঙ্গে থাক, নয় জেলে যাও।” এর প্রেক্ষিতেই সুব্রহ্মণ্যম বলেন, “মোদি জমানায় গণতন্ত্র বিপন্ন বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সর্বৈব মিথ্যা।” পিউ রিসার্চ সেন্টারের করা এক সমীক্ষার রিপোর্ট তুলে ধরে সুব্রহ্মণ্যম জানান, ভারতের ৯০ শতাংশ সংখ্যালঘুই স্বীকার করেছেন, তাঁরা স্বাধীনভাবে ধর্মাচরণ করতে পারেন (K Subramanian)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: সরকারি জমির ফসল নষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক জনসভা, বিতর্ক

    Murshidabad: সরকারি জমির ফসল নষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক জনসভা, বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমানের গোদায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। আর সেখানে জমির ফসল কেটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা করলেন। আর কৃষি দফতরের চাষের ফার্মে জনসভা করাকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, সোমবার মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) খড়গ্রামে জনসভা হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর। আর সেই জনসভা ঘিরেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধী শিবির।

    সরকারি জমির ফসল নষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রীর সভা (Murshidabad)

    বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য,”মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) খড়গ্রামে কৃষির খেত-খামার। ওটা একটা ফার্ম। সেখানে তিলের চাষ হচ্ছে। সেই তিল নষ্ট করে, জনসভা হল। যে জায়গায় সভা হয়েছে, সেই জায়গাটি কৃষি দফতর বিভিন্ন বীজ শস্য পরীক্ষা- নিরীক্ষণের জন্য ব্যবহার করে। সেখানে বেশ কিছুটা জায়গায় তিল চাষও করা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীর সভার জন্য সেই ফসল কেটে নেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীর সভার জন্য জমির ফসলও নষ্ট করা হল। আর এই ফসল নষ্ট করার জন্য কোনও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে কি না তা জানা যায়নি।” কংগ্রেস নেতৃত্বও সরকারি জমির ফসল নষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রীর সভার করার নিন্দা জানিয়েছেন। তবে, এই বিষয়ে খড়গ্রামের ব্লকের কৃষি আধিকারিক কোনও মন্তব্য করতে চাননি। ফলে, জোর করে এই জমি তৃণমূল নিয়েছিল কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: বুধবারও তীব্র তাপপ্রবাহ দক্ষিণের ৮ জেলায়, জনশূন্য রাস্তাঘাট, ফুটিফাটা জমি

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও জমি বিতর্কে বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। খড়গ্রামের (Murshidabad) তৃণমূল বিধায়ক আশিস মার্জিত বলেন, “ফসল নষ্ট হয়নি। ওই জমিতে সামান্য জায়গায় ফসল ছিল। খুব বেশি ফসল ছিল না। যেগুলি ছিল, সেগুলিও প্রায় মরেই গিয়েছিল। আর আমরা বিনা পয়সায় জমি নিয়েছি, এমন নয়। আমরা তার ক্ষতিপূরণ দিয়েই সভা করেছি। সামান্য যে ফসল ছিল, তার অনেক গুণ বেশি ক্ষতিপূরণ দিয়েই সভা হয়েছে। “লোকসভা ভোটের আবহে এই সভাস্থলের জমি ইস্যু আরও চর্চায় উঠে এসেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share