Tag: Madhyom

Madhyom

  • Hind Di Chadar: ‘হিন্দ দি চাদর’ শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জির ৩৫০তম শহিদি সমাগম বর্ষ, নান্দেদে মহা আয়োজন

    Hind Di Chadar: ‘হিন্দ দি চাদর’ শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জির ৩৫০তম শহিদি সমাগম বর্ষ, নান্দেদে মহা আয়োজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিখ ধর্মের নবম গুরু, ‘হিন্দ দি চাদর’ শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জির ৩৫০তম শহিদি সমাগম উপলক্ষে নান্দেদে বহু ভক্তের সমাগম হয়েছে। এই উপলক্ষে আজ, শনিবার ২৪ ও রবিবার, ২৫ জানুয়ারি এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে শিখ, শিকলিগর, বঞ্জারা, লবানা, সিন্ধি, মোহিয়াল, বাল্মীকি, ভগত নামদেব এবং উদাসী—এই নয়টি সমাজ ও সম্প্রদায়ের মানুষ নান্দেদে একত্রিত হয়েছেন। এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হল শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরজির ত্যাগ, বলিদান এবং মানবতার জন্য শহিদ হওয়ার ইতিহাস দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে দেওয়া।

    ভারতের রক্ষক শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরজি

    ধর্ম, রাষ্ট্র ও মানবতার জন্য যাঁরা নিজের প্রাণ উৎসর্গ করেন শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর সাহিব জি তঁদেরই একজন। অমর গাথার এক অনুপ্রেরণার কাহিনি হল ‘হিন্দ দি চাদর’ শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর সাহিব জির জীবনকথা। সমগ্র বিশ্ব তাঁকে ভারতের রক্ষক হিসেবে স্মরণ করে। ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায় ও সহিষ্ণুতার রক্ষার্থে তাঁর বলিদান ভারতীয় সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আদেশে তাঁকে আগ্রায় বন্দি করে দিল্লিতে আনা হয়, সেখানে তাঁকে ধর্মান্তরের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি নিজের আদর্শের সঙ্গে কোনও আপস করেননি। অবশেষে ১৬৭৫ সালে দিল্লির চাঁদনি চকের শীশগঞ্জে তাঁর শিরচ্ছেদ করা হয়।

    ১০ লক্ষ ভক্তের সমাগম

    শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর সাহিব জি-র শহীদ দিবসকে স্মরণ করে নান্দেদে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এখানে প্রায় ১০ লক্ষ ভক্ত সমাগম হবে। সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও ওয়াকফ প্রতিমন্ত্রী মাধুরী মিসাল তাঁর বার্তায় শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জিকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন এবং সকলকে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে রাজ্য, দেশ-বিদেশ থেকে শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরজির লক্ষ লক্ষ ভক্ত নান্দেদে সমবেত হয়েছেন। এই উপলক্ষে শিখ, শিকলিগর, বঞ্জারা, লবানা, সিন্ধি, মোহিয়াল, বাল্মীকি, ভগত নামদেব ও উদাসী—এই নয়টি সমাজ ও সম্প্রদায় একত্রে মিলিত হয়েছে। অনুষ্ঠান সফল করতে ২৬টি পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, থাকার জায়গা, বিশুদ্ধ পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা সহ সমস্ত সুবিধার ব্যাপক আয়োজন করা হচ্ছে।পাশাপাশি যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় স্তরে রচনা ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি ভক্তদের সুবিধার্থে “https://gurutegbahadurshahidi.com” এই ওয়েবসাইটে সড়ক, রেল, বাস, যান চলাচল ব্যবস্থা এবং অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়েছে।

  • Iran: মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হুঁশিয়ারি দিল ইরান, কী বলল জানেন?

    Iran: মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হুঁশিয়ারি দিল ইরান, কী বলল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনও সামরিক পদক্ষেপ করে, তবে তাকে তারা সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবেই বিবেচনা করবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এই মর্মে সতর্ক করে দিল ইরান (Iran)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (US) ঘোষণার পর, যেখানে তিনি বলেন যে একটি ‘নৌবহর’ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, এরই মধ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলি ওই অঞ্চলের আরও কাছে চলে এসেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রবীণ ইরানি আধিকারিক জানান, ওয়াশিংটন এই হামলাকে সীমিত বা নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক যেভাবেই ব্যাখ্যা করুক না কেন, তেহরান এর জবাব দেবে সবচেয়ে কঠোর উপায়ে।

    ইরানের সতর্কবার্তা (Iran)

    ইরানের পক্ষে এই সতর্কবার্তাটি এসেছে এমন একটা সময়ে, যখন প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক ও মেরিন এবং যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন-সহ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন বিমানবাহী রণতরী বহর ভারত মহাসাগর পেরিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বৃহস্পতিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমাদের একটি বড় সামরিক শক্তি ইরানের দিকে এগোচ্ছে।” তবে তিনি এও জানান, সেটি ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়বে না। এদিকে, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “তেহরানের সশস্ত্র বাহিনী আবারও হামলার শিকার হলে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সব কিছু দিয়েই পাল্টা আঘাত হানতে কোনও দ্বিধা করব না।”

    সর্বাত্মক সংঘর্ষই হবে ভয়াবহ

    তিনি বলেন, “যে কোনও সর্বাত্মক সংঘর্ষই নিশ্চিতভাবে হবে ভয়াবহ।” তবে একই সঙ্গে তিনি জানান, তাঁর বক্তব্য কোনও হুমকি নয়, বরং একজন কূটনীতিক ও অভিজ্ঞ সেনা হিসেবে তিনি যে বাস্তবতা তুলে ধরাকে প্রয়োজনীয় মনে করেছেন, সেটাই তিনি প্রকাশ করেছেন। এই ক্রমবর্ধমান কঠোর ভাষার পটভূমিতে রয়েছে ইরানে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ, যা গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে শুরু হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, বিক্ষোভ দমনে সরকারের অভিযানে পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন (Iran)।

    এর আগে, বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে অথবা তেহরান যদি তার পরমাণু কর্মসূচি ফের শুরু করে, সে ক্ষেত্রে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি একাধিকবার দিয়েছেন ট্রাম্প। গত বছরের জুন মাসে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলিকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিল আমেরিকা (Iran)। একটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ বহর আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে (US)। ওই অঞ্চলে ইতিমধ্যেই অতিরিক্ত ডেস্ট্রয়ার এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হচ্ছে।

     

  • Donald Trump: ডাহা ফেল ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিসে’র প্রচেষ্টা, কেন জানেন?

    Donald Trump: ডাহা ফেল ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিসে’র প্রচেষ্টা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যোগ দিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে (Davos) গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর সেই সফর শেষমেশ এক বড়সড় ব্যর্থতায় পরিণত হল। ইউরোপীয় দেশগুলির ঐক্যবদ্ধ বিরোধিতার মুখে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তাঁর দাবিতে পিছু হটতে বাধ্য হওয়ার পর, গাজা সঙ্কট নিয়ে তাঁর প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ উদ্যোগটিও সম্পূর্ণভাবে ভেস্তে গেল (Donald Trump)। ট্রাম্প এই বোর্ডে যোগ দিতে প্রায় ৬০টি দেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু বিশ্বের অধিকাংশ প্রভাবশালী দেশই এই উদ্যোগ থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। শেষ পর্যন্ত আমন্ত্রিত দেশগুলির মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন এই বোর্ডে যোগ দিতে রাজি হয়।

    উচ্চাভিলাষী ট্রাম্প (Donald Trump)

    গাজায় যুদ্ধবিরতি দিয়ে বিশ্বব্যাপী সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে যে নতুন সংস্থাটি গঠনের কথা ছিল, সেটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া মাত্র ১৯টি দেশের অংশগ্রহণে যাত্রা শুরু করেছিল। ট্রাম্প যে উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন, বাস্তবে তা তার ধারেকাছেও পৌঁছায়নি। ভারত, চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক শক্তিগুলি এই বোর্ডে যোগ দেয়নি।২০২৬ সালের বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সময় বৃহস্পতিবার সকালে দাভোসে ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বোর্ড অব পিসে’র সূচনা করেন। বিশ্বের সব মহাদেশের বহু দেশকে এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হলেও, সিংহভাগ দেশই তা প্রত্যাখ্যান করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমেরিকা-সহ মোট ২০টি দেশ উপস্থিত ছিল। যদিও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে আগে দাবি করা হয়েছিল, আমন্ত্রিত ৬০টি দেশের মধ্যে অন্তত ৩৫টি দেশ যোগ দেবে, বাস্তবে সেই সংখ্যা ছিল ঢের বেশি কম (Davos)।

    পশ্চিম ইউরোপীয় দেশই এই বোর্ডে যোগ দেয়নি

    উল্লেখ্য যে, কোনও পশ্চিম ইউরোপীয় দেশই এই বোর্ডে যোগ দেয়নি, যা গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপের বাড়তে থাকা দূরত্বকেই স্পষ্ট করে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও যে ১৯টি দেশ এই বোর্ডে যোগ দিয়েছে এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল, তারা হল,  আর্জেন্টিনা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহরিন, বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডন, কাজাখস্তান, কসোভো, মঙ্গোলিয়া, মরক্কো, পাকিস্তান, প্যারাগুয়ে, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই) এবং উজবেকিস্তান (Donald Trump)। আলবেনিয়া, বেলারুশ এবং ভিয়েতনাম বোর্ডে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছিল, কিন্তু দাভোসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ওই দেশগুলিরই কোনও শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন না (Davos)।

    বোর্ড ভবিষ্যত রাষ্ট্রসংঘের

    পর্যবেক্ষকদের মতে, মূলত মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া এবং পূর্ব ইউরোপের দেশগুলিই এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। লক্ষণীয় বিষয় হল, এই তালিকার বহু দেশ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নয় এবং বেশ কয়েকটি দেশ মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ, যেখানে ইসলামি আইনের ভিত্তিতে শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয়। যে দেশগুলি এই বোর্ডে যোগ দিতে অস্বীকার করেছে, তাদের মধ্যে কয়েকটি দেশ আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। অনেক দেশ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, এই বোর্ড ভবিষ্যতে রাষ্ট্রসংঘের (ইউএন) ভূমিকা খর্ব করার চেষ্টা করতে পারে। আবার কয়েকটি দেশ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আমন্ত্রণ জানানো নিয়েও আপত্তি তুলেছে। যদিও পুতিন নিজেও এই বোর্ডে যোগ দিতে অস্বীকার করেছেন এবং জানিয়েছেন, এই বিষয়ে রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদারদের সঙ্গে এখনও আলোচনা চলছে (Donald Trump)।

    রাষ্ট্রসংঘের বিকল্প 

    ব্রিটেন নিশ্চিত করেছে যে তারা বোর্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবে না। ফ্রান্স জানিয়েছে, তারা এই বোর্ডে যোগ দেবে না, কারণ এটি রাষ্ট্রসংঘের বিকল্প হয়ে উঠতে পারে। নরওয়ে, সুইডেন, স্লোভেনিয়া এবং চিনও স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে তারা এই বোর্ডে যোগ দিচ্ছে না। অন্য অনেক দেশ কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না দিলেও বৃহস্পতিবার বোর্ডে যোগ দেয়নি। এই তালিকায় রয়েছে ভারত, জার্মানি, ইতালি, জাপান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন-সহ আরও বহু দেশ (Davos)। তবে ট্রাম্প আশাবাদী যে ভবিষ্যতে আরও দেশ তাঁর এই বোর্ডে যোগ দেবে। তিনি বলেন, “একবার এই বোর্ড পুরোপুরি গঠিত হয়ে গেলে, আমরা কার্যত যা চাই তাই করতে পারব। এবং তা আমরা রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই করব।”

    ‘বোর্ড অব পিস’

    গাজার জন্য গঠিত এই ‘বোর্ড অব পিস’ পশ্চিম এশিয়া সংক্রান্ত ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ। এই পরিকল্পনার লক্ষ্য গাজা যুদ্ধের পর পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনের তদারকি করা। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম এই প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছিল গাজা সংঘাতের অবসান ঘটানোর একটি উপায় হিসেবে। তবে বর্তমানে এটি আন্তর্জাতিক বিরোধ মীমাংসার একটি বৃহত্তর মঞ্চের রূপ নিতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বোর্ডটির এক্সিকিউটিভ কমিটি গাজার স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির তদারকি করবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক কূটনৈতিক যোগাযোগ, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ সংগ্রহ এবং বৃহৎ পরিসরের অর্থায়ন (Donald Trump)।

    উল্লেখ্য যে, এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি ঐচ্ছিক সদস্য ফি ধার্য করা হয়েছে। যে দেশগুলি এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেবে, তারাই স্থায়ী সদস্যপদ পাবে। আর যারা অর্থ দিতে পারবে না, তারা তিন বছরের জন্য (Davos) সদস্য হিসেবে থাকতে পারবে। তবে বোর্ডে যোগ দেওয়ার সময় কোনও দেশ এই ফি দিয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য জানা যায়নি (Donald Trump)।

     

  • Sheikh Hasina: গভীর খাদের ধারে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ! অন্তরালে থেকেই স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ হাসিনার

    Sheikh Hasina: গভীর খাদের ধারে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ! অন্তরালে থেকেই স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, খুনি ফ্যাসিস্ট ইউনুস বাংলাদেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। বাংলাদেশের জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত ইউনূসের (Muhammad Yunus)। দিল্লির ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবে ‘বাঙলাদেশে গণতন্ত্র বাঁচাও’ শীর্ষক এক সভায় অডিও বার্তায় এমনই দাবি করলেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনার আওয়ামী লিগ সরকারের একাধিক প্রাক্তন মন্ত্রী, সদস্য সহ বহু বিশিষ্টজন। ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনার এই বক্তব্যকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহল। যদিও এই নির্বাচনে আওয়ামী লিগের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনও সুযোগ নেই। কারণ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দিয়েছে।

    দেশ সন্ত্রাসের যুগে নিমজ্জিত

    ২০২৪ সালে দেশ ছেড়ে আসতে বাধ্য হবার পর এই প্রথম অডিও বার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকারকে (Muhammad Yunus) তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন হাসিনা। অডিও বার্তায় তিনি বলেন, “দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, খুনি ফ্যাসিস্ট ইউনুস আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। দেশ সন্ত্রাসের যুগে নিমজ্জিত। গণতন্ত্র নির্বাসনে। আইন শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। জীবন ও সম্পত্তির কোনও নিরাপত্তা নেই।” প্রায় এক ঘণ্টার বক্তৃতায় আগাগোড়া তিনি নিশানা করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে। বক্তৃতার শুরুতেই তিনি বলেন, “বাংলাদেশ আজ এক গভীর খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।” বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানকে কখনও ‘খুনি ফ্যাসিবাদী’, কখনও ‘সুদখোর’, কখনও ‘টাকা পাচারকারী’, আবার কখনও ‘ক্ষমতালোভী বিশ্বাসঘাতক’ বলেও আক্রমণ শানান হাসিনা।

    বিদেশিদের হাতের পুতুল ইউনুস

    শুক্রবার দিল্লিতে আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ সরকারের বেশ কয়েকজন প্রাক্তন মন্ত্রী। এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিরাও উপস্থিত ছিলেন সেখানে। দীর্ঘ বক্তৃতায় ইউনূসের সরকারকে ‘অবৈধ’ এবং ‘হিংসাত্মক’ বলেও আক্রমণ শানান তিনি। ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশকে সন্ত্রাস, অরাজকতা এবং গণতন্ত্রহীন এক যুগ ঠেলে দিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। পড়শি দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিকে সার্বভৌমত্ব এবং সংবিধানের জন্য এক অস্তিত্বের লড়াই হিসাবে ব্যাখ্যা করেন তিনি। ইউনূস সরকারকে ‘বিদেশিদের হাতের পুতুল’ বলে আক্রমণ শানান তিনি। এবং ‘বিদেশিদের হাতের পুতুল হয়ে যাওয়া’ এই সরকারকে উৎখাত করার ডাক দেন হাসিনা। অন্তবর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশ ‘এক বিশাল জেলখানা, এক বধ্যভূমি এবং এক মৃত্যু উপত্যকা’য় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন হাসিনা।

    স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ

    তিনি অবসর নিতে চেয়েছিলেন! যে সময়ে তিনি দেশ থেকে উৎখাত হয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সেটাই তাঁর শেষ ‘টার্ম’ ছিল। ২৪ ঘণ্টা আগে শেখ হাসিনার ছেলে জয় এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে তেমনটাই বার্তা দিয়েছিলেন। তাতে প্রশ্ন উঠছিল, তাহলে এবার আওয়ামি লিগের ভবিষ্যৎ কী? এবার প্রকাশ্যে এল তাঁর একটা অডিয়ো বার্তা! অন্তরালে থেকেই স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ নিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফ্যাসিস্ট ইউনূস প্রশাসনকে উৎখাতের ডাক দিলেন। গোটা এই পরিস্থিতির জন্য কেবল ইউনূস প্রশাসনকেই দায়ী করেননি তিনি। এর পিছনে বাংলাদেশের সম্পত্তি লুঠের জন্য বিদেশি শক্তির মদতকেও তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর কথায়, “বাংলাদেশ এখন একটি অনির্বাচিত ক্ষমতা দ্বারা পরিচালিত, যেখানে সন্ত্রাস চলছে। বাংলাদেশের ভূমি-সম্পদ লুঠের জন্য বিদেশি শক্তি সক্রিয়।” এই ‘অন্ধকার যুগ’ থেকে দেশকে পুনরুদ্ধারের জন্য দেশবাসীকে আরও একবার মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়ার ডাক দিলেন হাসিনা।

    কীভাবে তাঁকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র

    কীভাবে তাঁকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছিলেন ইউনূস ও সহযোগীরা, এদিন তা-ও জানান হাসিনা। বললেন, “২০২৪ সালের ৫ অগস্ট একটা সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। ফ্যাসিবাদী-জঙ্গি শক্তি আমাকে ষড়যন্ত্র করে জোর করে উৎখাত করেছে।” এ প্রসঙ্গেই ইউনূসকে সরাসরি বার্তা দেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, “ইউনূসের বিরুদ্ধে বলব, নিজের দেশের লোককেই উপেক্ষা করা বন্ধ করুন।” পাশাপাশি তিনি বলেন দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা, ইউনূস প্রশাসনকে অপসারণ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করুন। তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদী-জঙ্গি শক্তি আমাকে ষড়যন্ত্র করে জোর করে উৎখাত করেছে। আমি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হয়েছিলাম। সেদিন থেকে দেশ সন্ত্রাসের কবলে।” দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, “গণতন্ত্র ধূলোয় মিশে গিয়েছে। দেশের মেয়ে-নারীরা নির্যাতিত। বিচারব্যবস্থা এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।”

    হতাশ না হবার বার্তা

    এদিন শেখ হাসিনার মুখে শোনা গেছে হতাশ না হবার বার্তা। তিনি বলেছেন, “আশা ছাড়বেন না। যারা আমাদের দেশকে ধ্বংস করতে চায় তাঁদের হাত থেকে আমাদের দেশকে ফিরিয়ে আনার লড়াইতে আমাদের সঙ্গে যোগ দিন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনর্গঠন করতে আমাদের সাহায্য করুন।” প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন যে আওয়ামি লিগ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রাচীনতম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল, অবর্ণনীয়ভাবে দেশের সংস্কৃতি ও গণতন্ত্রের সঙ্গে মিশে আছে। এই দল রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বহুত্ববাদের গর্বিত ঐতিহ্যের রক্ষক। এই সরকারকে ‘অবৈধ’ বলে উল্লেখ করে উৎখাতের ডাক দেন শেখ হাসিনা। তাঁর কথায়, সকল গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল শক্তির উচিত একটি মানবিক ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার জন্য দৃঢ় শপথ নেওয়া।

     

  • India: পাক-তুরস্ক-সৌদির ‘ইসলামিক ন্যাটো’র পাল্টা, দুই দেশের সঙ্গে নয়া জোট ভারতের! সঙ্গী আরও দুই

    India: পাক-তুরস্ক-সৌদির ‘ইসলামিক ন্যাটো’র পাল্টা, দুই দেশের সঙ্গে নয়া জোট ভারতের! সঙ্গী আরও দুই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন ব্যস্ত। ব্যস্ত তার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ লক্ষ্যপূরণে ট্রাম্প-নেতৃত্বাধীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম গোলার্ধকে আরও মজবুত করার ভাবনায় মজে (India)। বহুপাক্ষিক সংস্থা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি, শুল্কযুদ্ধের ‘বাজুকা’ ছোড়া এবং লেনদেনভিত্তিক চুক্তিতে ঝোঁক, এ সবই তার বহিঃপ্রকাশ। ফলস্বরূপ, বিশ্বে স্থিতিশীলতার রক্ষক হিসেবে আমেরিকার ঐতিহ্যগত ভূমিকা ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে। এই প্রভাব এখন আটলান্টিকের গণ্ডি ছাড়িয়ে বহু দূর পর্যন্ত স্পষ্ট।

    নীরবে নিজেদের কৌশল পুনর্গঠন (India)

    দক্ষিণ ও পশ্চিম এশিয়ার শক্তিগুলি নীরবে নিজেদের কৌশল পুনর্গঠন করছে। এই ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই দুটি আলগা কিন্তু ক্রমশ আলোচিত কৌশলগত অক্ষ মাথা তুলতে শুরু করেছে। একটি গড়ে উঠছে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ককে কেন্দ্র করে। অন্যটি গড়ে উঠছে ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) ও ইজরায়েলকে কেন্দ্র করে, যার কৌশলগত প্রান্তে রয়েছে গ্রিস ও সাইপ্রাস। এগুলির কোনওটিই এখনও আনুষ্ঠানিক জোট নয়। তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলির মধ্যে হওয়া ইঙ্গিতপূর্ণ চুক্তি, কূটনৈতিক বার্তা ও কৌশলগত অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে, পুরানো জোটব্যবস্থা ভেঙে নতুন ও কার্যকর সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। এসবই হচ্ছে সরকারি ঘোষণার তুলনায় অনেক দ্রুত।

    স্ট্র্যাটেজিক মিউচুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট

    এই জল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত স্ট্র্যাটেজিক মিউচুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট (SMDA)। ন্যাটোর অনুচ্ছেদ ৫-এর আদলে তৈরি এই চুক্তি অনুযায়ী, এক দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা উভয়ের ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি রিয়াধের জন্য একটি বড় কৌশলগত পরিবর্তন, কারণ এতদিন তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল দ্বিপাক্ষিক ও মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-নির্ভর (India)। সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা এবং ট্রাম্প আমলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে সংশয় থেকেই এই চুক্তির জন্ম। বিশেষজ্ঞদের ভাষায় ‘ইসলামিক ন্যাটো’ হিসেবে পরিচিত এই কাঠামোয় তুরস্কের আগ্রহ পরিস্থিতিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। ব্লুমবার্গ গত সপ্তাহে জানিয়েছে, ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তি তুরস্ক এই জোটে যোগ দিতে ‘উন্নত পর্যায়ের আলোচনা’ চালাচ্ছে (UAE)।

    বাস্তব চিত্র

    যদিও রিয়াধ, ইসলামাবাদ ও আঙ্কারা বলছে এই কাঠামো আদর্শগত নয়, প্রতিরক্ষামূলক, তবুও বাস্তব চিত্র উপেক্ষা করা কঠিন। সম্ভাব্য এই ত্রিপাক্ষিক জোটে এক ছাতার নীচে মিলিত হচ্ছে সৌদি আরবের আর্থিক শক্তি, পাকিস্তানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং তুরস্কের সামরিক প্রযুক্তি। আঙ্কারাভিত্তিক থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক টেপাভের বিশ্লেষক নিহাত আলি ওজচান সংবাদ মাধ্যমে বলেন, “আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন দেশগুলিকে তাদের নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে বাধ্য করছে (India)।” পাকিস্তানের ক্ষেত্রে, এই চুক্তি ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের সঙ্গে চার দিনের সীমিত যুদ্ধের পর জোট মজবুত করার প্রয়াস। ওই সংঘাতে পাকিস্তানের পক্ষে তুরস্কের সামরিক সমর্থন প্রকাশ্যে এসেছিল এবং নয়াদিল্লি তা লক্ষ্যও করেছিল। বহুদিন ধরে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির লক্ষ্যে সৌদি আরবের জন্য এটি ওয়াশিংটনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা, বিশেষত ভৌগোলিক বাস্তবতা ও ‘ভাই’ সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সঙ্গে সাম্প্রতিক সম্পর্কের শীতলতার প্রেক্ষাপটে। আর তুরস্কের ক্ষেত্রে, এই ‘মুসলিম ন্যাটো’ প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ভূমধ্যসাগর ও পশ্চিম এশিয়ায় কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের দীর্ঘদিনের লক্ষ্যকে এগিয়ে নেয়, যদিও দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোর মধ্যেই রয়েছে (UAE)।

    ‘কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের উদ্দেশ্যপত্র’

    যদি সৌদি–পাকিস্তান–তুরস্ক অক্ষ এক দিক হয়, তবে অন্য দিকে রয়েছে ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও ইজরায়েলের ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব (India)। ১৯ জানুয়ারি, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের প্রায় দু’ঘণ্টার ভারত সফরের সময় নয়াদিল্লি ও আবুধাবি একটি ‘কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের উদ্দেশ্যপত্র’ সই করে। ভাষাগতভাবে এটি সংযত হলেও সময়টি মোটেই কাকতালীয় নয়। সৌদি–পাক অক্ষ নিয়ে আলোচনা ও অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই এই চুক্তি প্রকাশ্যে আসে। আমেরিকান লেখক ও সাংবাদিক মাইকেল ভাটিকিওটিস এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “তুরস্ক–সৌদি আরব–পাকিস্তান অক্ষের মোকাবিলায় ভারত ইউএই এবং পরোক্ষভাবে ইজরায়েলকে নিয়ে একটি নতুন ভূরাজনৈতিক অক্ষ গড়ে তুলছে।” তিনি আরও বলেন, “এই নতুন অক্ষগুলির জন্ম হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় শক্তির সঙ্কোচনের ফল হিসেবে।”

    আব্রাহাম চুক্তি

    এই অংশীদারিত্ব আব্রাহাম চুক্তির পর আরও শক্তিশালী হয়েছে, যার মাধ্যমে ইউএই ও ইজরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। এটি ভারত–ইজরায়েল–ইউএই– মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে পূর্বে গঠিত (I2U2) জোট কাঠামোর সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভারত ইতিমধ্যেই ইজরায়েল থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানি করে এবং যৌথ উৎপাদনেও যুক্ত। দুই দেশ যৌথ সামরিক মহড়া ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা চালায়। ২০২৫ সালের মে মাসে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে ইজরায়েল প্রকাশ্যে ভারতের পাশে দাঁড়ায়। ইউএইর (UAE) কাছে ভারত ইয়েমেন, আফ্রিকা ও কৌশলগত লোহিত সাগর অঞ্চলে সৌদি প্রভাবের বিরুদ্ধে একটি ভারসাম্য রক্ষাকারী শক্তি (India)। এই পাল্টা জোট কেবল পশ্চিম ভারত মহাসাগরেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি ধীরে ধীরে ভূমধ্যসাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সেখানে তুরস্কের আগ্রাসী অবস্থানের বিরুদ্ধে কৌশলগত সমন্বয় বাড়াচ্ছে  গ্রিস, সাইপ্রাস ও ইজরায়েল। ২০২৪ সালে ব্রিটেনভিত্তিক ইউরোপিনিয়নের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্কের প্রভাব মোকাবিলায় গঠিত ৩+১ ত্রিপাক্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে (ইজরায়েল–গ্রিস–সাইপ্রাস) ভারতকে আমন্ত্রণ জানায় ইজরায়েল।

    জোট গড়ছে আঞ্চলিক শক্তিগুলি

    এয়ার মার্শাল অবসরপ্রাপ্ত অনিল চোপড়া ‘ইউরেশিয়ান টাইমসে’ লেখেন, এই গোষ্ঠীটি ভবিষ্যতে ইউএইকেও (UAE) অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। অ্যাজেন্ডায় রয়েছে যৌথ সামরিক মহড়া, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর, যা চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের প্রতিদ্বন্দ্বী (India)। বিশেষজ্ঞদের মতে, তুরস্ক–পাকিস্তান–সৌদি অক্ষ শুধু ভারতের জন্য নয়, ইজরায়েল, আর্মেনিয়া ও সাইপ্রাসের জন্যও চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তবে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ত্রিপাক্ষিক সামরিক জোট গড়ে ওঠেনি। আমেরিকা ভেতরের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে, ইউরোপ বিভক্ত। ফলে আঞ্চলিক শক্তিগুলি আর দিকনির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করছে না, তারা নিজেদের মতো করে জোট গড়ছে, হিসাব কষছে এবং প্রস্তুতি নিচ্ছে (UAE)। এই অক্ষগুলি এখনও তরল এবং অনানুষ্ঠানিক হলেও, ভবিষ্যতের কৌশলগত রূপরেখা যে নতুন করে লেখা হচ্ছে, তা স্পষ্ট (India)।

     

  • SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২৯৪ সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার, কী ভাবছে নির্বাচন কমিশন?

    SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২৯৪ সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার, কী ভাবছে নির্বাচন কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর-এর (SIR in Bengal) কাজে স্বচ্ছতা ও দ্রুততা আনতে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং বিহার থেকে ২৯৪ জন সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার আসছেন বাংলায়। রাজ্যের কাজে আর কোনওরকম ভরসা করতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। অগত্যা তাই স্ক্রুটিনি ও নিখুঁত ভোটার তালিকা তৈরি করার জন্য নির্বাচন কমিশন এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর।

    কেন এই পদক্ষেপ

    পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে (State and Union Territory) এই মুহূর্তে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ চলছে, যাকে বলা হচ্ছে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর (SIR in Bengal)। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, কমিশনের থেকে নির্দেশ পাওয়ার পরেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল তিন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের চিঠি পাঠিয়েছিলেন ২৯৪ জন আধিকারিককে এই রাজ্যে পাঠানোর জন্য। যাদের সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার হিসেবে কাজে ব্যবহার করা হবে রাজ্যের এসআইআর এর চূড়ান্ত পর্যায়ে। আগামী সোমবারের মধ্যে এই ২৯৪ জন আধিকারিক রাজ্যে এসে পৌঁছে যাবেন এবং প্রত্যেকেই ২৯৪ টি এলাকার ইআরওদের সঙ্গে মিলে কাজ করবেন। একদিকে স্ক্রুটিনি, অন্যদিকে নিখুঁত ভোটার তালিকা তৈরি করার জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশন এই রাজ্যের ওপর আর কোনওরকমেই ভরসা করতে পারছে না। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর।

    সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের নির্দেশ

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে রাজ্য সরকারের কাছে ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের জন্য বারংবার চিঠি দিলেও পর্যাপ্ত সংখ্যক লোক দিতে পারেনি রাজ্য সরকার। সেই কারণেই রাজ্যে চলা এসআইআর (SIR in Bengal) এর কাজে অনেক বড় সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। তাই আর সময় নষ্ট না করে এবং কোনওভাবেই রাজ্যের ওপর ভরসা না করে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের ২৯৪ টি বিধানসভা ক্ষেত্রে ২৯৪ জন সিনিয়র মাইক্রো অবজারভারকে নিয়োগ করার। অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে শনিবার লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে হবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরকে। সেখানেও দেখা দিয়েছে বড় সমস্যা। এখনও পর্যন্ত সব তালিকা প্রস্তুত নেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই রাজ্যের প্রত্যেকটি জেলায় এই তালিকা শনিবার কতটা প্রকাশ পায় সেটাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের কাছে।

  • Republic Day 2026: অপরাধী শনাক্ত করতে স্মার্ট চশমা! প্রজাতন্ত্র দিবসের নিরাপত্তায় পুলিশের চোখে এআই-হাতিয়ার

    Republic Day 2026: অপরাধী শনাক্ত করতে স্মার্ট চশমা! প্রজাতন্ত্র দিবসের নিরাপত্তায় পুলিশের চোখে এআই-হাতিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026) উপলক্ষে রাজধানী দিল্লিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ করা হচ্ছে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উৎসবকে (Republic Day Parade Security) সুরক্ষিত রাখতে দিল্লিজুড়ে মোতায়েন করা হবে ৩০ হাজারের বেশি পুলিশকর্মী এবং আধাসামরিক বাহিনীর ৭০টিরও বেশি কোম্পানি।

    ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম যুক্ত স্মার্ট চশমা

    এই প্রথমবার নিরাপত্তার কাজে ব্যবহার করা হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্বলিত স্মার্ট চশমা (AI Smart Glasses), যাতে ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম (Facial Recognition System) ও থার্মাল ইমেজিং (Thermal Imaging) প্রযুক্তি সংযুক্ত থাকবে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই স্মার্ট চশমাগুলি সরাসরি পুলিশি অপরাধী ডেটাবেসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। ফলে ভিড়ের মধ্যেই সন্দেহভাজন বা ঘোষিত অপরাধীদের তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে। নয়াদিল্লির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার দেবেশ কুমার মহলা জানান, এই ‘ওয়্যারেবল ডিভাইস’গুলি পুলিশকর্মীদের মোবাইল ফোনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং অপরাধ সংক্রান্ত ডেটাবেসে সরাসরি প্রবেশাধিকার দেবে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকলে ডিভাইসের পর্দায় সবুজ বক্স দেখা যাবে, আর অপরাধের ইতিহাস থাকলে লাল বক্স ভেসে উঠবে।

    ১০ হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন

    নিরাপত্তা বলয়ে থাকছে বহুস্তরীয় ব্যারিকেডিং এবং ছয় স্তরের তল্লাশি ও দেহ তল্লাশি ব্যবস্থা। হাজার হাজার সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যার মধ্যে বহু ক্যামেরায় এফআরএস প্রযুক্তি রয়েছে। ফেসিয়াল রিকগনিশন সুবিধাসহ মোবাইল নজরদারি গাড়িও বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন করা হবে। মহলা বলেন, “যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় দিল্লি পুলিশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত।” একাধিক নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে মক ড্রিলও চালানো হচ্ছে। মোট মোতায়েন বাহিনীর মধ্যে প্রায় ১০ হাজার পুলিশকর্মী বিশেষভাবে নয়া দিল্লি এলাকায় থাকবেন। সমস্ত জেলার ডিসিপিদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। সন্দেহজনক কোনও কার্যকলাপ দেখলে দ্রুত রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকর্মীদের।

    বিভিন্ন পয়েন্টে উচ্চক্ষমতার এআই ক্যামেরা

    এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নয়াদিল্লি, উত্তর ও মধ্য দিল্লি জুড়ে প্রায় ৪,০০০টি ছাদভিত্তিক নিরাপত্তা পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। কুচকাওয়াজের রুট ও সংলগ্ন এলাকায় বসানো হচ্ছে প্রায় ৫০০টি উচ্চক্ষমতার এআই ক্যামেরা। প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক দর্শনার্থীকে নিরাপত্তা স্টিকার প্রদান করা হবে। ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ (ডিসিপি)রা ইতিমধ্যেই রুট সার্ভে এবং অ্যান্টি-সাবোতাজ পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন এবং জনপ্রিয় বাজারের মতো জনবহুল এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

    ভাড়াটে ও গৃহকর্মী যাচাই অভিযান

    প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে শহর জুড়ে ভাড়াটে ও গৃহকর্মী যাচাই অভিযান চলছে। পাশাপাশি অটোচালক, ট্যাক্সিচালক, দোকানদার ও স্থানীয় পরিষেবা প্রদানকারীদের নিয়ে ‘চোখ ও কান’ সচেতনতা বৈঠক করা হচ্ছে, যাতে তাঁরা কোনও সন্দেহজনক গতিবিধি দ্রুত পুলিশের নজরে আনতে পারেন। এছাড়াও প্রতিবেশী রাজ্যগুলির পুলিশের সঙ্গে আন্তঃরাজ্য সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যাতে তথ্য আদান-প্রদান এবং যৌথ প্রস্তুতি আরও জোরদার করা যায়।

  • Election Commission: গাফিলতি দেখলেই পদক্ষেপ করতে পারবেন সিইও! বিএলও-দের কড়া হুঁশিয়ারি নির্বাচন কমিশনের

    Election Commission: গাফিলতি দেখলেই পদক্ষেপ করতে পারবেন সিইও! বিএলও-দের কড়া হুঁশিয়ারি নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) কড়া বার্তা দিল দিল্লির নির্বাচন সদন (Election Commission of India)। পশ্চিমবঙ্গকে (West Bengal) সামনে রেখেই এই হুঁশিয়ারি বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অর্থাৎ সিইও-দের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল। বিধি মেনেই সব রাজ্যের সিইও-দের সেই এক্তিয়ার দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ইতিমধ্যেই সব রাজ্যের সিইও-দের কাছে চিঠি করেছেন। কোনও বিএলও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে আইন অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বিএলও-দের গাফিলতিতেই ভুল

    বিএলও-দের বিরুদ্ধে আরও কড়া কমিশন (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষণ, পশ্চিমবঙ্গে একাধিক ক্ষেত্রে বিএলওদের ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে কমিশনকে দোষী হতে হচ্ছে। ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে বিভ্রান্তি, অভিযোগ আর অসন্তোষ বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। এই পরিস্থিতিতে আর নরম মনোভাব নয়, স্পষ্ট নির্দেশ পাঠানো হল দিল্লি থেকে। নির্দেশিকায় পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1950) অনুযায়ী বিএলওরা সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ কর্মচারী। তাঁদের দায়বদ্ধতা একমাত্র কমিশনের প্রতিই। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক জায়গায় কমিশনের নির্দেশিকা উপেক্ষা করে নিজের মতো করে কাজ করছেন তাঁরা। এই প্রবণতা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

    কমিশনের কাছে দায়বদ্ধ

    যদি কোনও বিএলও কোনও ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতিতে যুক্ত থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা ডিইও (District Election Officer), যিনি পদাধিকার বলে জেলাশাসক (District Magistrate), তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে ওই বিএলওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো সংবেদনশীল কাজে কোনও ঢিলেমি নয়। নিয়ম ভাঙলে তার দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককেই। এবার থেকে সিইও-রা নিজে থেকেই স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ করতে পারেন। এর মধ্যে সাময়িক বরখাস্ত, বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা বা এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিতে পারেন সিইও। এত দিন সিইও-কে বাদ রেখে জাতীয় কমিশন সিদ্ধান্ত নিত৷ এবার সেই স্বাধীনতা দেওয়া হল সিওকে। চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, কোনও বিএলও-র বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, গাফিলতি, অসদাচরণ, কমিশনের (Election Commission) নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা, কিংবা ভোটার নিবন্ধন বিধি অমান্য করলে, তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারেন সিইও। পাশাপাশি, কোনও এসআইআর-এর কাজে বিএলও-দের ওপর হামলার অভিযোগ উঠলেও তৎক্ষণাৎ এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • S-400 Air Defence System: প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রথমবার প্রদর্শিত হবে এস-৪০০! কর্তব্য পথের কুচকাওয়াজে তিন সেনার যৌথ শক্তি

    S-400 Air Defence System: প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রথমবার প্রদর্শিত হবে এস-৪০০! কর্তব্য পথের কুচকাওয়াজে তিন সেনার যৌথ শক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের মে মাসে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক সংঘর্ষের সময় ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (S-400 Air Defence System) প্রথমবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে (Republic Day Parade 2026) প্রদর্শিত হতে চলেছে। আগামী ২৬ জানুয়ারি কার্তব্য পথের (Kartavya Path) কুচকাওয়াজে এটি প্রদর্শন করা হবে বলে জানিয়েছে সেনা। ডিপার্টমেন্ট অব মিলিটারি অ্যাফেয়ার্সের ট্যাবলোতে এস-৪০০ সিস্টেমটি অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন এয়ার কমোডোর মনীশ সভরওয়াল।

    ‘ট্রাই-সার্ভিসেস ট্যাবলো – অপারেশন সিঁদুর’

    ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর সন্ত্রাসী পরিকাঠামো লক্ষ্য করে শুরু হওয়া ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) অভিযানে এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছিল। গত বছরের অগাস্ট মাসে বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল অমর প্রীত সিং নিশ্চিত করেছিলেন যে, ওই অভিযানের সময় ভারতের এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পাকিস্তানের পাঁচটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল। এ বছরের ডিপার্টমেন্ট অব মিলিটারি অ্যাফেয়ার্সের ট্যাবলোর (Tri-Services tableau) থিম রাখা হয়েছে ‘ট্রাই-সার্ভিসেস ট্যাবলো – অপারেশন সিঁদুর’, যার মাধ্যমে সেনা, নৌ ও বায়ুসেনার যৌথ অপারেশনাল সক্ষমতা এবং পারস্পরিক সমন্বয় তুলে ধরা হবে। মেজর জেনারেল নভরাজ ধিল্লোঁ জানিয়েছেন, টানা চতুর্থবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব দেবেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভবনিশ কুমার।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’ ট্যাবলোর থিম

    এয়ার কমোডোর মনীশ সভরওয়াল জানান, ‘অপারেশন সিঁদুর’ ট্যাবলোতে একটি প্রতীকী দৃশ্যের মাধ্যমে দেখানো হবে কীভাবে একটি সু-৩০ যুদ্ধবিমান থেকে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে পাকিস্তানের একটি বিমানঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছিল। এই ট্যাবলোতে এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স উপাদানও প্রদর্শিত হবে, যা বিশ্বের সর্বাধিক দূরত্ব থেকে পাকিস্তান বায়ুসেনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো (নজরদারি অ্যাওয়াক্স বিমান) ধ্বংস করেছিল। এয়ার কমোডোর বলেন, “এর মাধ্যমে আবারও দেশের সংকল্পকে তুলে ধরা হবে—যদি আমরা সবাই একসঙ্গে লড়াই করি, তবে বিজয় অনিবার্য।”

    কুচকাওয়াজে অংশ নেবেন মোট ৬,০৫০ জন সামরিক কর্মী

    এবারের কুচকাওয়াজে মোট ৬,০৫০ জন সামরিক কর্মী অংশ নেবেন। পাশাপাশি ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম ও প্ল্যাটফর্ম যেমন ‘ভৈরব’, ‘শক্তিবাণ’, আনম্যানড গ্রাউন্ড ভেহিকল (UGV) এবং অ্যাডভান্সড টাওড আর্টিলারি গান সিস্টেম (ATAGS) প্রদর্শিত হবে। এর পাশাপাশি, লাদাখ স্কাউটস, কাইটস, জান্সকার পোনি এবং ব্যাকট্রিয়ান উটও প্রথমবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে অংশ নেবে। সব মিলিয়ে ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে কার্তব্য পথে মোট ৩০টি ট্যাবলো চলবে। এর মধ্যে ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের এবং ১৩টি বিভিন্ন মন্ত্রক, দফতর ও পরিষেবার ট্যাবলো থাকবে।

    এ বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের মূল থিম

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এ বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের মূল থিম হবে — “স্বাধীনতার মন্ত্র: বন্দে মাতরম” এবং “সমৃদ্ধির মন্ত্র: আত্মনির্ভর ভারত”। এই ট্যাবলোগুলির মাধ্যমে জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি স্মরণ করা হবে এবং একই সঙ্গে আত্মনির্ভরতার পথে ভারতের অগ্রগতি ও দেশের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে। বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রের মন্ত্রকগুলির ট্যাবলোতে সংস্কৃতি, উন্নয়ন, পর্যটন ও আত্মনির্ভরতার নানা দিক প্রদর্শিত হবে, যা প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনকে আরও বর্ণাঢ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলবে।

  • Daily Horoscope 24 January 2026: দুপুর নাগাদ কোনও সুসংবাদ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 24 January 2026: দুপুর নাগাদ কোনও সুসংবাদ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) প্রেম জীবনে কিছু অবসাদ থাকবে।

    ২) দান-পুণ্যের কাজে অর্থ ব্যয় করবেন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষককে নিজের কথা বোঝানোর সুযোগ পাবেন।

    বৃষ

    ১) পরিজনদের সঙ্গে হইহুল্লোড় করবেন।

    ২) দুপুর নাগাদ কোনও সুসংবাদ পাবেন।

    ৩) সন্তান বা ভাই-বোনের ভবিষ্যৎ সংক্রান্ত সংবাদ হতে পারে এটি।

    মিথুন

    ১) ছাত্রছাত্রীরা কেরিয়ার গড়ে তোলার চেষ্টা করলে সফল হবেন।

    ২) অনাবশ্যক ব্যয় বাড়বে।

    ৩) ব্যস্ততা সত্ত্বেও দাম্পত্য জীবনের জন্য সময় বের করবেন।

    কর্কট

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ২) অসহায়দের যথাসম্ভব সাহায্য করবেন।

    ৩) মানসিক শান্তি পাবেন।

    সিংহ

    ১) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    ২) খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ রাখুন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বাড়বে, আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।

    কন্যা

    ১) পারিবারিক জীবনে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা সমস্যা সমাপ্ত হবে।

    ২) সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করবেন।

    ৩) সপরিস্থিতির কারণে নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

    তুলা

    ১) কর্মক্ষেত্রে আয়ের নতুন উৎস তৈরি হবে।

    ২) সমাজে বিশেষ সম্মান পাবেন।

    ৩) বন্ধুর সংখ্যা বৃদ্ধি হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) ধন, সম্মান ও যশ বৃদ্ধি হবে।

    ২) সন্তানের ভবিষ্যতের কারণে অর্থ ব্যয় করতে পারেন।

    ৩) বিদেশ যাত্রার সুযোগ পাবেন।

    ধনু

    ১) পারিবারিক কারণে অর্থ ব্যয় করবেন।

    ২) আর্থিক লেনদেনে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

    ৩) আদালতে আনাগোনা বাড়তে পারে।

    মকর

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ২) ধর্মীয় কাজে সময় কাটাবেন।

    ৩) ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটাবেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি কষ্টজনক।

    ২) শরীরের কোনও অংশে ব্যথা হবে।

    ৩) অর্থ ব্যয় হবে।

    মীন

    ১) দাম্পত্য জীবন আনন্দে কাটবে।

    ২) সন্ধ্যাবেলা কোনও সুসংবাদ পাবেন।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে ভ্রমণ করতে পারেন।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।..

LinkedIn
Share