Tag: Madhyom

Madhyom

  • RSS: ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই হিন্দু বংশোদ্ভূত, আমেরিকায় মন্তব্য দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    RSS: ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই হিন্দু বংশোদ্ভূত, আমেরিকায় মন্তব্য দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে দাবি করেছেন যে, ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই আসলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিন্দুদের উত্তরসূরি। বর্তমানে আমেরিকা সফরে থাকা হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) সেখানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের সাংস্কৃতিক ডিএনএ এবং হিন্দুত্বের ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেছেন। এই মন্তব্য সংঘ শতবর্ষে ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    ভারতীয় মুসলিমদের ওরিজিন এক (RSS)

    আরএসএস-এর (RSS) সরকার্যবাহ হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ভারতের মাটিতে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষের পূর্বপুরুষ একই। তাঁর মতে, ভারত একটি সাংস্কৃতিক দেশ এবং হিন্দুত্ব কোনও ধর্মীয় পরিচয় নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা ও জাতীয়তার পরিচয়। তিনি বলেন, “ভারতে বসবাসকারী ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমের পূর্বপুরুষ আদতে এই দেশের হিন্দু সমাজ থেকেই এসেছেন। ঐতিহাসিক কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উপাসনা পদ্ধতি পরিবর্তিত হলেও, তাঁদের উৎস এবং ডিএনএ অপরিবর্তিত রয়েছে।”

    সাংস্কৃতিক একাত্মতার বার্তা

    অনুষ্ঠানে দত্তাজী (Dattatreya Hosabale) আরও জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের সামগ্রিক পরিচয় কোনও বিভেদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি, বরং এটি একটি সমন্বিত সংস্কৃতি। হিন্দু সমাজ সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা রাখে এবং সংঘ (RSS) সেই জাতীয় একাত্মতা প্রচারেই কাজ করে যাচ্ছে।”

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ভারত

    আমেরিকার বিভিন্ন প্রবাসী ভারতীয় এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)  ভারতের বর্তমান অগ্রগতি এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভূমিকার কথাকেই তুলে ধরেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, ভারতীয় চিন্তাধারা বা ‘ভারতীয়ত্ব’ বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    আরএসএস (RSS) নেতার এই মন্তব্য নতুন করে ভারতের জনতাত্ত্বিক ইতিহাস এবং সামাজিক কাঠামো নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের সাংস্কৃতিক সংহতির পক্ষে তাঁর এই অবস্থানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষকগণ।

  • Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে কর্তব্যে গাফিলিতির জন্য ৫ পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন

    Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে কর্তব্যে গাফিলিতির জন্য ৫ পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (Bengal Elections 2026) আবহে ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রে বড়সড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং অসদাচরণের অভিযোগে ৫ জন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করেছে কমিশন (Election Commission India)। রাজনৈতিক ভাবে পক্ষপাতের জন্য হিঙলগঞ্জের ওসিকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে গতকাল । বসানো হয়েছে বিচার বিভাগীয় তদন্ত।

    অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে পদক্ষেপ (Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন (Bengal Elections 2026) চলাকালীন এই পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছিল। কমিশনের (Election Commission India) পর্যবেক্ষণে দেখা যায় যে, তাঁরা নির্দিষ্ট নিয়মাবলী লঙ্ঘন করেছেন এবং তাঁদের ভূমিকা নিয়ে স্বচ্ছতার অভাব ছিল। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:

    • কর্তব্যে গাফিলতি: কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
    • নিরপেক্ষতা: প্রতিটি পুলিশ কর্মীকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।
    • তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা: এই ৫ আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হতে পারে।

    কমিশনের সাফ কথা, “শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনও প্রকার আপস করা হবে না। আধিকারিকদের আচরণে বিন্দুমাত্র ত্রুটি দেখা দিলে কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।”

    সাসপেন্ড হওয়া আধিকারিকদের মধ্যে রয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সন্দীপ গড়াই। এসডিপিও সজল মণ্ডল, ডায়মন্ড হারবার থানার আইসি মৌসম চক্রবর্তী, ফলতা থানার আইসি অজয় বাগ ও উস্তি থানার আইসি শুভেচ্ছা বাগ।

    ২৯ এপ্রিল কোথায় কত বাহিনী?

    দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট (Bengal Elections 2026) হবে আগামী ২৯ এপ্রিল। সেদিন ১৪২টি আসনে ভোট হবে। এর মধ্যে রয়েছেন একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী। আর এই শেষ দফাতেও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে আরও কড়া হচ্ছে নির্বাচন কমিশন । কমিশন বঙ্গে অতিরক্ত ১০ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে পাঠাবে বলে জানা গিয়েছে। ২৯৪টি আসনের জন্য একজন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন ৮৪ জন। তবে দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য আরও ১০ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। দ্বিতীয় দফার জন্য ২৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে নিরাপত্তার দায়িত্বে। শুধু কলকাতায় থাকবে ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের আগে ও পরের দিন শহরে থাকবে প্রায় ২২ হাজার আধা সামরিক বাহিনী। হিংসা মুক্ত নির্বাচন করাই কমিশনের প্রধান উদ্দেশ্য।

  • Ashok Lahiri: নীতি আয়োগের শীর্ষ নেতৃত্বে বঙ্গের দুই কৃতি, ভাইস চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী

    Ashok Lahiri: নীতি আয়োগের শীর্ষ নেতৃত্বে বঙ্গের দুই কৃতি, ভাইস চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সংস্থা ‘নীতি আয়োগ’-এর (Niti Aayog) পুনর্গঠনে বিশেষ গুরুত্ব পেল পশ্চিমবঙ্গ। ভারত সরকারের এক সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বালুরঘাটের বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ীকে (Ashok Lahiri) নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান (Vice Chairman) পদে নিযুক্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে, বিশিষ্ট অধ্যাপক গোবর্ধন দাসকেও এই প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    অশোক লাহিড়ীর অবদান

    আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ হিসেবে অশোক লাহিড়ীর (Ashok Lahiri) কর্মজীবন অত্যন্ত বর্ণাঢ্য। তিনি ইতিপূর্বে ভারত সরকারের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা (CEA) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্কের (ADB) মতো আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বর্তমানে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে তাঁর এই নতুন দায়িত্ব উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এক নতুন দিশা দেখাবে বলে আশা করা হচ্ছে। অশোক লাহিড়ী ২০২১ সালে বালুরঘাট আসন থেকে বিজেপির বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে এবার নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হননি। নীতি আয়োগের চেয়ারম্যান খোদ প্রধানমন্ত্রী। পদমর্যাদার নিরিখে নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর (Niti Aayog) সমকক্ষ। এবার থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থনীতি বিষয়ে কাজ করবেন অশোকবাবু। ভোটের মধ্যেও বঙ্গবাসীর কাছে এই সংবাদ অত্যন্ত আনন্দের।

    অধ্যাপক গোবর্ধন দাসের ভূমিকা

    জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) সেন্টার ফর মলিকুলার মেডিসিন-এর অধ্যাপক গোবর্ধন দাসের নীতি আয়োগে অন্তর্ভুক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জনস্বাস্থ্য এবং উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত গবেষণায় তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আয়োগের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলোতে বিশেষ সহায়ক হবে। কেন্দ্রীয় স্তরের এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় বাংলার দুই কৃতী ব্যক্তিত্বের নিযুক্তিতে যেমন রাজ্যের জন্য গর্বের বিষয়, তেমনই জাতীয় উন্নয়নের রূপরেখা তৈরিতে বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতাদের গুরুত্বকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করল। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, এই দুই ব্যক্তিত্বের মেধা ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে নীতি আয়োগের (Niti Aayog) কর্মপদ্ধতি আরও সমৃদ্ধ ও গতিশীল হবে।

  • ED Raids: চাল ব্যবসাতেই কালো টাকা সাদা! রেশন দুর্নীতিতে হাবড়া-সহ মোট ১৭ জায়গায় ইডি-অভিযান

    ED Raids: চাল ব্যবসাতেই কালো টাকা সাদা! রেশন দুর্নীতিতে হাবড়া-সহ মোট ১৭ জায়গায় ইডি-অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের (Assembly Election 2026) আগে ফের সক্রিয় ইডি। শনিবার সাতসকালে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায় (ED Raid Habra) পৌঁছে গেল ইডি। রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলার শিকড় খুঁজতে এবার এলাকার একাধিক প্রভাবশালী চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে এদিন ভোররাতেই অভিযানে (Enforcement Directorate) নামেন গোয়েন্দারা, যা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে একাধিক জায়গায় চলছে অভিযান। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় অনেকের নাম উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে ইডি।

    দুই চাল ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ

    ইডি সূত্রে খবর, শনিবার সকালে গোয়েন্দাদের বিশেষ টিমটি প্রথম হানা দেয় হাবড়ার জয়গাছি নেতাজি রোডের বাসিন্দা সমীর চন্দের বাড়িতে। পেশায় চাল ব্যবসায়ী সমীরবাবু দীর্ঘদিন ধরেই হাবড়া চালপট্টি এলাকায় কারবার চালান। রেশন বণ্টন দুর্নীতির তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে। এদিন সকালে যখন আধিকারিকরা তাঁর দরজায় কড়া নাড়েন, তখন বাড়ির সকলে ঘুমে আচ্ছন্ন। বারবার ধাক্কা দেওয়ার পর অবশেষে দরজা খোলা হলে ভিতরে প্রবেশ করেন ইডি আধিকারিকরা। হাবড়ার আরও এক ব্যবসায়ী সাগর সাহার বাড়িতেও চলে ইডি অভিযান। হাবড়া শ্রীনগর রোডে সাগর সাহার বাড়িতে শনিবার ভোর হতে না হতেই আসেন ইডি আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে বাড়ির চারপাশ ঘিরে রেখেছে। এদিন সকালে ব্যবসায়ী সাগর সাহার বাড়ির বাইরে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় ইডি আধিকারকদের। তবে অবশেষে ভিতরে ঢুকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেছেন তাঁরা। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ব্যবসায়ীর পরিবারের লোকজনদের।

    এলাকায় মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী

    এদিন সকালে ইডির আধিকারিকদের সঙ্গেই ময়দানে দেখা যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। তাঁরা গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে।  তল্লাশি চলাকালীন কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ব্যবসায়ীদের বাড়ির গেট ও আশপাশের এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দিয়ে। বাড়ির ভেতরে ব্যবসায়ীদের নথিপত্র পরীক্ষা করার পাশাপাশি বয়ান রেকর্ড করছেন ইডি আধিকারিকরা। এদিন হাবড়ায় চার জায়গায় যায় ইডির দল। দক্ষিণ হাবড়ার সুভাষ রোডে চাল ব্যবসায়ী রাজীব সাহা ও পার্থ সাহার বাড়িতেও হানা দেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা।

    কেন চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডি

    রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় মূলত অভিযোগ উঠেছিল যে রেশনের সামগ্রীর কালোবাজারি করা হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ আর্থিক লেনদেনের পাশাপাশি কালো টাকা সাদা করার মতো অভিযোগও উঠেছে। রেশন বণ্টন দুর্নীতির তদন্তে এর আগেও রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি ও সিবিআই। মূলত রেশনের সামগ্রী খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা, কালোবাজারি এবং বিপুল পরিমাণ আর্থিক তছরুপের অভিযোগ রয়েছে এই মামলায়। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের নজরে এখন চালের উৎস এবং তার লেনদেনের গতিপ্রকৃতি। ব্যবসায়ী সমীর চন্দ অনেকদিন ধরেই চাল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে ইডি সূত্রে খবর। কোথা থেকে তিনি চাল কেনেন, কী দামে কেনেন, মান্ডিতে কী দামে যায় – এই সবকিছুই খতিয়ে দেখছেন ইডি আধিকারিকরা।

    রেশন দুর্নীতির সূত্র

    কোভিডকালে ১৭১ ট্রাক গম ধরা পড়েছিল তার রেশ ধরেই নতুন করে তদন্তে গতি এসেছে। অভিযোগ, পাচার করা হচ্ছিল ৫ হাজার টনের বেশি গম। সেই সময় শুল্ক দফতর প্রত্যেকটি ট্রাককে আটক করে। পরবর্তীতে রাজ্য পুলিশের থেকে তদন্তভার নেয় ইডি। সূত্রের খবর, ওই সময় ধরা পড়ে প্রায় ১৬ কোটি টাকার গম। অভিযোগ এফসিআই থেকে যে গম পাঠানো হয় সেই গম হিসাবে কারচুপি করে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল বাংলাদেশে। ওই কেসে এক্সপোর্টার হিসাবে যাঁদের নাম উঠে এসেছিল তাতেই এই চার ব্যক্তির নাম ছিল বলে জানা যাচ্ছে। পুরো কাণ্ডে প্রত্যেকেই মোটা টাকা কামিয়েছে বলে অভিযোগ। সেই এক্সপোর্টারদের চিহ্নিত করেই তাঁদের বাড়ি অফিস, বিভিন্ন সংস্থায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি।

    জ্যোতিপ্রিয়-যোগ, ১৭ জায়গায় ইডির তল্লাশি

    আগামী ২৯ এপ্রিল হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় নাম জড়ানোয় আগেই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত। তিনি মন্ত্রী থাকাকালীন সময়েই এই এই গম এক্সপোর্টের জল গড়িয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। ফলে ভোটের মুখে ফের এই কেসের তদন্ত যে বিশেষভাবে তাৎপর্যন্তপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিন কলকাতা এবং বর্ধমানের কিছু জায়গাতেও ইডি গিয়েছে। সব মিলিয়ে অন্তত ন’টি জায়গায় শনিবার সকাল থেকে তল্লাশি চলছে বলে খবর। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, রেশন দুর্নীতি মামলার সূত্রে এই তল্লাশি অভিযান। আর্থিক তছরুপের সূত্রেই চাল ব্যবসায়ীদের বাড়িতে গিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ভোরে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ইডি-র একাধিক দল রওনা দেয়। ৯ ব্যবসীয়র বাড়ি ছাড়াও একাধিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন অফিস, সংস্থা সহ মোট ১৭ জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি।

  • India Russian Oil Imports: ভারতে রুশ তেলের চালান রেকর্ড স্তরের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা

    India Russian Oil Imports: ভারতে রুশ তেলের চালান রেকর্ড স্তরের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে রুশ তেলের চালান এপ্রিল এবং মে মাসজুড়ে রেকর্ড স্তরের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে (Supply Stability), এটি ভারতের কৌশলগত জ্বালানি পরিকল্পনা এবং বৈশ্বিক বিঘ্ন সত্ত্বেও সরবরাহ নিশ্চিত করার সক্ষমতারই প্রতিফলন (India Russian Oil Imports)।

    অপরিশোধিত তেলের চাহিদা (India Russian Oil Imports)

    ভারতীয় রিফাইনারিগুলি ইতিমধ্যেই বিকল্প, নিষেধাজ্ঞামুক্ত চ্যানেলের মাধ্যমে তাদের অপরিশোধিত তেলের চাহিদার একটি বড় অংশ নিশ্চিত করেছে। চিনের পরে রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা এবং রাশিয়ার প্রধান উরালস গ্রেডের শীর্ষ আমদানিকারী দেশ হিসেবে ভারত জ্বালানির সাশ্রয়ী মূল্য এবং সরবরাহ নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে চলেছে। মার্চ মাসে দেশটি প্রতিদিন রেকর্ড ২.২৫ মিলিয়ন ব্যারেল (bpd) রাশিয়ান তেল আমদানি করেছে, যা ফেব্রুয়ারির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ এবং মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৫০ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতা একটি অস্থির বৈশ্বিক পরিবেশে জ্বালানি সংগ্রহে ভারতের বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গিকেই তুলে ধরে।

    বাড়ছে রুশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি

    সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, অল্প সময়ের বিঘ্নের পর ফের ভারতীয় বন্দরে রুশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি বাড়ছে। ২০–২৭ এপ্রিল সপ্তাহে আমদানি ২.১ মিলিয়ন বিপিডিতে পৌঁছনোর পূর্বাভাস রয়েছে, যা তার আগের সপ্তাহের ১.৬৭ মিলিয়ন বিপিডি থেকে বেশি। এপ্রিলের শুরুতে সাময়িক পতনের প্রধান কারণ ছিল মার্চের শেষ দিকে রাশিয়ার বন্দর পরিকাঠামোর ওপর ড্রোন হামলার ফলে রফতানি বিঘ্ন। তবে বর্তমানে সরবরাহ স্থিতিশীল হয়েছে এবং মাসিক গড় ২ মিলিয়ন বিপিডির বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, মে মাসে আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনাও আছে। ভারতীয় রিফাইনারিগুলি ইতিমধ্যেই মে মাসের কার্গো আগেভাগেই নিশ্চিত করেছে, এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়া-সংক্রান্ত ছাড় বাড়ানোর আগেই (India Russian Oil Imports)। এই সক্রিয় ক্রয় কৌশল সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে ভারতীয় রিফাইনারিগুলি মে মাসের সরবরাহের জন্য ডেটেড ব্রেন্টের তুলনায় প্রতি ব্যারেলে ৭ থেকে ৯ ডলার বেশি মূল্য দিচ্ছে, যা এপ্রিলের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং স্থিতিশীল চাহিদা ও অনুকূল বাণিজ্যিক ব্যবস্থার প্রতিফলন (Supply Stability)।

    ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা

    মার্চের মাঝামাঝি সময়ে জারি করা এবং সম্প্রতি বাড়ানো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়া-সংক্রান্ত ছাড় ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা—বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে সংঘাত জনিত বৈশ্বিক জ্বালানির বাজারকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করেছে। যদিও রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে, এই ছাড়ের ফলে নিয়ম মেনে চলা সংস্থাগুলির মাধ্যমে রাশিয়া তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখতে পেরেছে, ফলে দেশগুলি বড় ধরনের কোনও বিঘ্ন ছাড়াই আমদানি করে চলেছে (India Russian Oil Imports)। জ্বালানি কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে ভারত তার সামুদ্রিক বীমা ব্যবস্থাও সম্প্রসারণ করেছে। অনুমোদিত রাশিয়ান বীমা সংস্থার সংখ্যা ৮ থেকে বাড়িয়ে ১১ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ লজিস্টিক নমনীয়তা বাড়ায় এবং চালানের জন্য বন্দরের কার্যকলাপকে আরও মসৃণ করে (Supply Stability)।

    সামগ্রিকভাবে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ভারতের ভারসাম্যপূর্ণ ও কৌশলগত অংশগ্রহণ তার ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং স্থিতিস্থাপকতাকে তুলে ধরে। নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করে দেশটি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখছে এবং জটিল ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার (Supply Stability) মধ্যেও এগিয়ে চলেছে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে (India Russian Oil Imports)।

     

  • Sabarimala Case: ‘মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না’, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    Sabarimala Case: ‘মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না’, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিরও উচিত নয় সরাসরি রাষ্ট্রের দ্বারা পরিচালিত (Sabarimala Case) হওয়া। সুপ্রিম কোর্টকে (SC) এমনই জানাল কেন্দ্রীয় সরকার।

    কেন্দ্রের বক্তব্য (Sabarimala Case)

    কেন্দ্রীয় সরকারের এই বক্তব্যটি সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা নয়-সদস্যের সংবিধান বেঞ্চের সামনে উপস্থাপন করেন। এই বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান বিচারপতি সূ্র্য কান্ত। বেঞ্চটি সংবিধানের ২৫ নম্বর ধারা এবং ২৬ নম্বরের অধীনে রাষ্ট্রের ক্ষমতার সীমা পরীক্ষা করছে, যা শবরীমালা রিভিউ পিটিশনস থেকে উদ্ভূত।

    কী বললেন সলিসিটর জেনারেল

    কেন্দ্রের অবস্থান ধর্মীয় স্বায়ত্তশাসন এবং ধর্মনিরপেক্ষ সিস্টেমের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্যের ওপর জোর দেয়। সরকার সাফ  জানিয়ে দিয়েছে, তারা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সরাসরি সরকারি পরিচালনার পক্ষে নয়। যদিও অনুচ্ছেদ ২৫(২) রাষ্ট্রকে আর্থিক ও রাজনৈতিক মতো ধর্মনিরপেক্ষ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অনুমতি দেয়, সরকার যুক্তি দেয় যে এটি চিরকালের জন্য মন্দির দখলের অনুমতি দেয় না। সলিসিটর জেনারেল আরও বলেন, “সংবিধানের ব্যাখ্যা সব ধর্মের জন্য সমান হওয়া উচিত এবং কোনও একক ধর্মের প্রথার ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত নয়।” কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, অনেক হিন্দু প্রথা স্বভাবতই বহুমাত্রিক, যেখানে কিছু মন্দিরে রীতিনীতির ভিত্তিতে প্রবেশ সীমাবদ্ধ থাকে, এবং এই বৈচিত্র্য উপেক্ষা করে একরূপ কাঠামো চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করে (Sabarimala Case)।

    পূর্ণ স্বাধীনতার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

    যদিও স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে কথা বলা হয়েছে, বেঞ্চ সম্পূর্ণ স্বাধীনতার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আদালতের মন্তব্য, সম্পূর্ণ বর্জনের অধিকার সমাজকে (SC) বিভক্ত করতে পারে এবং হিন্দু ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র ক্ষুণ্ণ করতে পারে। বিচারপতি বিভি নাগারাথনার মন্তব্য, “সবারই প্রতিটি মন্দির ও মঠে প্রবেশাধিকার থাকতে হবে”। সামাজিক সংস্কার ও বৈষম্য প্রতিরোধে রাষ্ট্র অনুচ্ছেদ ২৫(২)(খ)-এর অধীনে হস্তক্ষেপ করতে পারে। সংশ্লিষ্ট রায়গুলিতে আদালত ধারাবাহিকভাবে বলেছে যে মন্দিরের অর্থ “দেবতার সম্পত্তি” এবং তা শুধুমাত্র মন্দিরের স্বার্থেই ব্যবহার করা উচিত, অন্য কোনও সরকারি ব্যয় বা বাণিজ্যিক কাজে নয়।

    বিতর্কিত বিষয়

    এই বিষয়টি এখনও বিতর্কিত। অনেকেরই যুক্তি, হিন্দু মন্দিরগুলিই একমাত্র প্রতিষ্ঠান যা সরকারি নিয়ন্ত্রণের অধীনে, যেখানে মসজিদ, গির্জা ও গুরুদ্বারগুলি সাধারণত স্বশাসিত। ভক্তরা প্রায়ই আপত্তি করেন যে মন্দিরের আয় ধর্মীয় কার্যকলাপের ক্রমের বদলে অন্যান্য সরকারি প্রকল্পে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া আশঙ্কা রয়েছে যে সরকার নিযুক্ত প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় ধর্মীয় জ্ঞান বা ভক্তি নাও থাকতে পারে (Sabarimala Case)। সমালোচকদের মতে, এই নিয়ন্ত্রণ মন্দির বোর্ডগুলোকে ‘রাজনৈতিক পার্কিং লটে’ পরিণত করতে পারে, যেখানে নিয়োগগুলি যোগ্যতার পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনায় হয় (SC)।

    এই বিতর্ক ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে মন্দির পরিচালনায় ব্যাপক সরকারি অংশগ্রহণের প্রেক্ষাপটে চলছে। কেরলের বিভিন্ন দেবস্বম বোর্ড প্রায় ৩,০০০ মন্দির পরিচালনা করে। তামিলনাড়ুতে হিন্দু ধর্মীয় ও দাতব্য এনডাউমেন্টস বিভাগ ৩০,০০০-এরও বেশি মন্দির পরিচালনা করে। অন্ধ্রপ্রদেশে তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমস তিরুপতি বালাজি মন্দির পরিচালনা (Sabarimala Case) করে। কর্নাটক ও উত্তরাখণ্ড-সহ অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের কাঠামো রয়েছে।

     

  • Dattatreya Hosabale: “আরএসএস হল জনগণের স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন”, বললেন হোসাবলে

    Dattatreya Hosabale: “আরএসএস হল জনগণের স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন”, বললেন হোসাবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএস (RSS) জনগণের একটি স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন, যা ভারতের প্রাচীন সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার মূল্যবোধ থেকে প্রাণিত, যা সাধারণত হিন্দু সংস্কৃতি নামে পরিচিত।” ২৩ এপ্রিল আরএসএসের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির হাডসন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনায় সংগঠনের তৃণমূলস্তরের কাজ এবং মতাদর্শগত দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরেন।

    আরএসএস স্বেচ্ছাসেবী জনআন্দোলন (Dattatreya Hosabale)

    আরএসএসের কাজ সম্পর্কে বলতে গিয়ে হোসাবলে বলেন, “আরএসএস জনগণের একটি স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন, যা ভারতের প্রাচীন সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার মূল্যবোধ থেকে অনুপ্রাণিত, যা সাধারণত হিন্দু সংস্কৃতি নামে পরিচিত…।” তিনি বলেন, “চরিত্র, আত্মবিশ্বাস, সমাজের প্রতি সেবাবোধ এবং সমাজকে সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করতে আরএসএস প্রতিদিন এবং সাপ্তাহিক এক ঘণ্টার সমাবেশের আয়োজন করে (Dattatreya Hosabale)।”

    জীবনের মূল্যবোধ গড়ে তুলি

    সংগঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, “এই এক ঘণ্টার সমাবেশের মাধ্যমে আমরা জীবনের মূল্যবোধ গড়ে তুলি… সমাজের উন্নতি ও জাতীয় ঐক্যের জন্য মানবিক সামাজিক পুঁজি তৈরি করি… প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আরএসএস ত্রাণ কার্য পরিচালনা করে… আরএসএস স্বেচ্ছাসেবকরা প্রায় ৪০টি নাগরিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে (RSS)।” ভারতীয় উপমহাদেশের প্রেক্ষাপটে পরিচয় এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে হোসাবলে বলেন, “হিন্দু পরিচয়কে আরএসএস একটি বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে। আরএসএসের মতে, হিন্দু পরিচয় একটি সভ্যতাগত পরিচয়, ধর্মীয় নয়… আরএসএস সব সময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার মূল্যবোধের ওপর জোর দিয়েছে, যা সরাসরি কোনও ধর্মের সঙ্গে যুক্ত নয় (Dattatreya Hosabale)।”

    আঞ্চলিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আরএসএসের বক্তব্য

    ভারত ও তার প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে উত্তেজনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রাজনৈতিক স্বার্থ, ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা এবং অন্যান্য কারণে মাঝেমধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। আরএসএস বিশ্বাস করে যে সকল গোষ্ঠীর সঙ্গে ধারাবাহিক ও বিস্তৃত আলাপ-আলোচনা এই ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে সাহায্য করবে… আরএসএস সংখ্যালঘু গোষ্ঠী এবং তাদের নেতৃত্বের সঙ্গেও আলোচনায় যুক্ত রয়েছে (RSS)।” আঞ্চলিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “বিভিন্ন কারণে প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে, বিশেষত তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণে। গত কয়েক দশকে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতা অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে… সমস্যা মূলত একটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে, যা ভারতের গর্ভ থেকে জন্ম নিয়েছে। এখন তা প্রতিবেশী দেশ হলেও, অনেক শক্তি সেই দেশকে ব্যবহার করে সমস্যা তৈরি করছে।”

    হিন্দুদের ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই

    আরএসএসকে ‘হিন্দু আধিপত্যবাদী’ সংগঠন বলা হয়। এহেন অভিযোগের উত্তর দিতে গিয়ে হোসাবলে বলেন, “হিন্দু দর্শন ও সংস্কৃতি স্বভাবতই আধিপত্যবাদী নয়… আমরা সব কিছুর মধ্যেই ঐক্য দেখি—জীবিত বা জড়। যখন এটাই হিন্দুদের মৌলিক দর্শন, তখন আধিপত্যবাদী হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। ইতিহাসে হিন্দুরা কখনও অন্য দেশ আক্রমণ করেনি বা কাউকে দাসত্বে আবদ্ধ করেনি (RSS)। হিন্দুদের ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই (Dattatreya Hosabale)।”

     

  • Early Monsoon 2026: চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ বর্ষার? তাপপ্রবাহের মাঝেই স্বস্তির খবর দিল মৌসম ভবন

    Early Monsoon 2026: চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ বর্ষার? তাপপ্রবাহের মাঝেই স্বস্তির খবর দিল মৌসম ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে চলা তীব্র তাপপ্রবাহ (Weather Update) এবং রেকর্ড ভাঙা তাপপ্রবাহের মাঝে অবশেষে স্বস্তির খবর শোনালো আবহাওয়া দফতর। বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ইন্ডিয়া টুডে-র সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভারতের মূল ভূখণ্ডে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বা বর্ষা (Early Monsoon 2026) স্বাভাবিক সময়ের কিছুটা আগেই প্রবেশ করতে পারে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরের বায়ুমন্ডলীয় পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনই এই আগাম বৃষ্টির প্রধান কারণ হতে চলেছে।

    এল নিনোর বিদায় ও লা নিনার আগমন (Early Monsoon 2026)

    ২০২৫ সাল এবং ২০২৬-এর শুরুর দিকে এল নিনোর (El Niño) প্রভাবে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ায় শুষ্ক আবহাওয়া এবং চরম গরম লক্ষ্য করা গিয়েছিল। কিন্তু বিশ্ববিখ্যাত আবহাওয়াবিদ্যা (Weather Update)  সংস্থা ইসিএমডব্লুএফ (ECMWF) এবং ভারতের মৌসম ভবন (IMD) জানাচ্ছে, বর্তমানে প্রশান্ত মহাসাগরে ‘এল নিনো’ পরিস্থিতি স্তিমিত হয়ে আসছে এবং সেখানে ‘লা নিনা’ (La Niña) দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

    সাধারণত লা নিনা ভারতে প্রচুর বৃষ্টিপাত (Early Monsoon 2026) এবং তুলনামূলক শীতল আবহাওয়ার অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। এর ফলে কৃষিপ্রধান এই দেশে খরা পরিস্থিতি কাটিয়ে ভালো ফলনের আশা দেখা দিচ্ছে বলে গবেষকদের বিশেষমত।

    কেরালায় বর্ষার আগাম পদধ্বনি

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণত ১ জুন কেরালায় বর্ষা (Early Monsoon 2026) প্রবেশের যে নির্ধারিত সময় থাকে, ২০২৬ সালে তা মে মাসের শেষ সপ্তাহেই অর্থাৎ সম্ভবত ২২ থেকে ২৫ মের মধ্যে ঘটে যেতে পারে। মৌসুমি বায়ু (Weather Update) যদি আন্দামান সাগরে সময়মতো সক্রিয় হয়ে ওঠে, তবে তার প্রভাবে মে মাসের শেষ দিকেই কেরালার উপকূলবর্তী এলাকায় প্রবল বর্ষণ শুরু হবে।

    আইওডি (IOD) বা ইন্ডিয়ান ওশান ডাইপোলের প্রভাব

    কেবল লা নিনা নয়, ভারত মহাসাগরের নিজস্ব আবহাওয়া পরিবর্তন বা ‘ইন্ডিয়ান ওশেন ডাইপোল’ (IOD) পজিটিভ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদি আইওডি ইতিবাচক থাকে, তবে তা মৌসুমি বায়ুকে (Weather Update) আরও শক্তিশালী করে তোলে। এর ফলে দেশের মধ্য এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতেও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত (Early Monsoon 2026) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

     আইওডিও দফতরের আবহবিজ্ঞানী দেবেন্দ্র  ত্রিপাঠী বলেছেন,যখন ভারত মহাসাগরের পশ্চিমাংশ পূর্বাঞ্চলের চেয়ে উষ্ণতর থাকে, তখন একটি ধনাত্মক আইওডি ভারতীয় উপমহাদেশের দিকে অধিক আর্দ্রতা নিয়ে আসে, যা সাধারণত মৌসুমি বায়ুকে শক্তিশালী করে এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত ঘটায়; অপরদিকে একটি ঋণাত্মক আইওডি মৌসুমি বায়ুকে দুর্বল করে দেয়।

    বর্ষার আগমনের কাছাকাছি সময়ে, ভারত মহাসাগরীয় অপর প্রান্তভাগ (আইওডি) বর্ষার অনুকূলে থাকার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া তাপপ্রবাহের বিষয়টিও রয়েছে, যা মোকাবেলা করা প্রয়োজন। বছরের এই শুরুতে ভারত যে তীব্র তাপপ্রবাহ অনুভব করছে, তা আসন্ন বর্ষা নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    যখন তাপ উপরে ওঠে, তখন ভারত মহাসাগর থেকে আসা মৌসুমি বায়ু, যা সাধারণত আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তা আরও অনেক আগেই উপরে উঠতে পারে।

    সুতরাং, মে মাসের শেষের দিকে বায়ুমণ্ডল বা সমুদ্রে যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে তার কোনও পরিবর্তন না হলে, প্রায় ২৫ মে নাগাদ বর্ষা আসার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। এখন পর্যন্ত যা মনে হচ্ছে, এ বছরও আগেভাগে বর্ষা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।”

    দাবদাহ থেকে সাময়িক মুক্তি

    এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকেই ভারতের একাধিক রাজ্যে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, বিহার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের একাংশে চরম তাপপ্রবাহ বা হিটওয়েভ চলছে। কিন্তু আবহাওয়া (Weather Update) দফতরের মতে, প্রাক-বর্ষার (Early Monsoon 2026)  বৃষ্টি যদি মে মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়, তবে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই দেশের অধিকাংশ অংশ এই অসহনীয় গরম থেকে মুক্তি পাবে।

    কৃষি ও অর্থনীতিতে প্রভাব

    ভারতের অর্থনীতির একটি বড় অংশ এখনো বর্ষার ওপর নির্ভরশীল। আগাম বর্ষা মানেই কৃষকদের জন্য ধান এবং অন্যান্য খারিফ শস্য চাষের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া। গত বছরের ঘাটতি মেটাতে এই আগাম এবং স্বাভাবিক বৃষ্টি (Early Monsoon 2026) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। জলাধারগুলিতে জলের স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পানীয় জলের সংকটও অনেকাংশে কমবে বলে মনে কড়া হচ্ছে।

    আগাম বর্ষার পূর্বাভাস যেন এক পশলা শীতল বাতাস

    তবে আগাম বর্ষার খুশির খবরের পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা সতর্কও করেছেন। হঠাৎ করে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে হড়পা বান বা বজ্রপাতের (Weather Update) আশঙ্কাও বেড়ে যায়। বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চল এবং উপকূলীয় এলাকায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় যখন গরমে নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের, তখন ২০২৬ সালের এই সম্ভাব্য আগাম বর্ষার পূর্বাভাস যেন এক পশলা শীতল বাতাস। প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরের এই যুগলবন্দী যদি সঠিক পথে চলে, তবে ভারতবাসী এ বছর এক মনোরম বর্ষাকাল (Early Monsoon 2026) উপভোগ করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন আবহবিজ্ঞানীরা।

  • Daily Horoscope 25 April 2026: কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 25 April 2026: কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ (Aries)
    ১. নতুন কাজে আগ্রহ বাড়বে
    ২. কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের সম্ভাবনা
    ৩. আর্থিক দিক মোটামুটি ভালো থাকবে

    বৃষ (Taurus)
    ১. অর্থ লাভের যোগ আছে
    ২. পরিবারের সঙ্গে সময় ভালো কাটবে
    ৩. স্বাস্থ্যের দিকে একটু নজর দিন

    মিথুন (Gemini)
    ১. কাজের চাপ বাড়তে পারে
    ২. নতুন যোগাযোগ লাভজনক হবে
    ৩. ভ্রমণের সম্ভাবনা আছে

    কর্কট (Cancer)
    ১. মানসিক শান্তি বজায় থাকবে
    ২. পুরনো সমস্যা মিটতে পারে
    ৩. প্রিয়জনের সহায়তা পাবেন

    সিংহ (Leo)
    ১. কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ
    ২. আর্থিক লাভ হতে পারে
    ৩. আত্মবিশ্বাস বাড়বে

    কন্যা (Virgo)
    ১. নতুন পরিকল্পনা সফল হবে
    ২. পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়বে
    ৩. স্বাস্থ্য ভালো থাকবে

    তুলা (Libra)
    ১. সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করবেন না
    ২. সম্পর্কের উন্নতি হবে
    ৩. অর্থব্যয় বাড়তে পারে

    বৃশ্চিক (Scorpio)
    ১. কাজের সাফল্য আসবে
    ২. শত্রুরা ক্ষতি করতে পারবে না
    ৩. আয়ের নতুন উৎস তৈরি হতে পারে

    ধনু (Sagittarius)
    ১. ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে
    ২. কর্মক্ষেত্রে চাপ কমবে
    ৩. বন্ধুদের সহায়তা পাবেন

    মকর (Capricorn)
    ১. দায়িত্ব বাড়বে
    ২. আর্থিক স্থিতি ভালো থাকবে
    ৩. পরিবারের সমর্থন পাবেন

    কুম্ভ (Aquarius)
    ১. নতুন সুযোগ আসবে
    ২. প্রেমের ক্ষেত্রে শুভ সময়
    ৩. সৃজনশীল কাজে সাফল্য

    মীন (Pisces)
    ১. মানসিক উদ্বেগ কমবে
    ২. অর্থ লাভের সম্ভাবনা
    ৩. নতুন কাজের শুরু হতে পারে

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • WB Assembly Election 2026: ভোটগ্রহণের সময় গন্ডগোল করতে গুন্ডাবাহিনীকে মাঠে নামিয়েছিল তৃণমূল!

    WB Assembly Election 2026: ভোটগ্রহণের সময় গন্ডগোল করতে গুন্ডাবাহিনীকে মাঠে নামিয়েছিল তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনব্যবস্থা ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন হারানোর আশঙ্কায় নড়বড়ে (Post Poll Violence) হয়ে পড়েছে। ফলস্বরূপ, প্রথম দফার ভোটগ্রহণের সময় বিশৃঙ্খলা ও সংঘাত সৃষ্টি করতে তারা তাদের গুন্ডাবাহিনীকে মাঠে (Post Poll Violence) নামিয়েছে। জানা গিয়েছে, গুন্ডাবাহিনীকে বিরত রাখতে এবং মমতা সরকারের পতন ঠেকাতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হিংসা ও ভয় দেখানোর পথ অবলম্বন করেছে (WB Assembly Election 2026)। সংবাদ মাধ্যমে এমন ৯টি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে, যা বৃহস্পতিবার ঘটেছে (WB Assembly Election 2026)।

    ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা (WB Assembly Election 2026)

    এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়না বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী চন্দন মণ্ডলকে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছে। জনতা প্রতিবাদ জানিয়ে স্লোগান দেন, তাকে তাড়িয়ে দেয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, রানিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের ৫৪ নম্বর বুথে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেয়। অভিযোগের পর পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী ক্ষুব্ধ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে তাদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যায়। প্রথম দফার ভোটের সময় তৃণমূলের তরফে দুষ্কৃতীরা কুমারগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীকে হেনস্থা করে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পুলিশের উপস্থিতিতেই তারা (Post Poll Violence) করছে। দোষীরা পালানোর চেষ্টা করলেও, পুলিশ হামলাকারীদের থামাতে কিছুই করেনি বলে অভিযোগ।

    বিজেপির পোলিং এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা

    একই কেন্দ্রে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপির পোলিং এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা দেয়। পরে বিজেপি কর্মীরা তাদের তাড়িয়ে দেন। নিজেদের শক্তি প্রদর্শন এবং ভোটারদের ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা (WB Assembly Election 2026) মুর্শিদাবাদের রাস্তায় নেমে গিয়ে যান চলাচল ব্যাহত করে। পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও, তারা তৃণমূলের পতাকা নিয়ে বিশৃঙ্খলা চালিয়ে যায় বলে অভিযোগ (WB Assembly Election 2026)। এদিকে, মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যদের সঙ্গে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সমর্থকদের মধ্যে (Post Poll Violence) সংঘর্ষ হয়। কবীর, যিনি আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা, তাঁকে তৃণমূল কর্মীরা প্রচারে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। এর ফলে দু’পক্ষের মধ্যে লাঠি ও পাথর নিয়ে তীব্র সংঘর্ষ হয়। একটি ভিডিওতে হুমায়ুন কবীরকে তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্যে অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করতে এবং হুমকি দিতে শোনা যায়।

    লুঙ্গি বাহিনীর তাণ্ডব

    বৃহস্পতিবার (২৩শে এপ্রিল) মমতা সরকারের তথাকথিত ‘লুঙ্গি বাহিনী’ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ওপর হামলা চালায়। ঘটনাটি ঘটে বীরভূম জেলার দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, জনতা ইট-পাথর ছুড়ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে (Post Poll Violence)। তারা একটি পুলিশের গাড়ির কাচও ভাঙচুর করে (WB Assembly Election 2026)। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত আর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বীরভূম জেলার লাভপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা (WB Assembly Election 2026) বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ঘিরে ফেলে এবং লাথি-ঘুষি মারে। উত্তেজিত জনতা গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে দেয়, আর পুলিশ তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়।

    বিজেপির পোলিং এজেন্টকে আক্রমণ

    পরে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপির এক পোলিং এজেন্টকে মারাত্মকভাবে আক্রমণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রাখে। কোচবিহারের তুফানগঞ্জ কেন্দ্রে বুথ দখলের খবরও সামনে আসে। কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে তাদের পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেয় এবং তাড়িয়ে দেয়। ঘটনাটির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এদিকে, বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল শহরে বিজেপি (WB Assembly Election 2026) প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। তারা তাঁর গাড়িতে ইট-পাথর ছুড়ে গুরুতরভাবে আঘাত করার চেষ্টা করে। তবে বিজেপি নেত্রী অক্ষত অবস্থায় পালাতে সক্ষম হন (WB Assembly Election 2026)। পরে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং তদন্ত শুরু হয়।

    মমতা সরকার এবং তাদের তথাকথিত ‘লুঙ্গি বাহিনী’ ভোটারদের ভয় দেখানো, প্রভাবিত করা এবং হিংসার মাধ্যমে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বিপুল সংখ্যায় ভোট দিতে এগিয়ে আসেন এবং তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন।

     

LinkedIn
Share