Tag: Madhyom

Madhyom

  • Real Madrid vs Barcelona: নভেম্বরে কলকাতায় এল ক্লাসিকো! রিয়াল বনাম বার্সার ম্যাচ দেখতে পারে শহরবাসী

    Real Madrid vs Barcelona: নভেম্বরে কলকাতায় এল ক্লাসিকো! রিয়াল বনাম বার্সার ম্যাচ দেখতে পারে শহরবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শারোদৎসবের আগেই ফুটবল উৎসবে মেতেছিল কলকাতা। গিয়েছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র, ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহোরা। ভারতের সঙ্গে ফিফা ফ্রেন্ডলিতে ম্যাচ খেলেছেন ব্রাজিল ও উরুগুয়ে দলের সদস্যরা। এরপরেই আবার চমক। শোনা যাচ্ছে, ফুটবলবিশ্বে অন্যতম সেরা দুই ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার (Real Madrid vs Barcelona) কিংবদন্তি ফুটবলারদের লড়াই দেখতে চলেছে তিলোত্তমা।

    কলকাতায় এল ক্লাসিকো

    নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী ২৫ নভেম্বর কলকাতায় এল ক্লাসিকো (El-Classico) হতে পারে। খেলবে স্প্যানিশ তথা ইউরোপীয় ফুটবলের দুই মহাশক্তিধর ক্লাব রিয়াল এবং বার্সা। সন্দেহ নেই কলকাতার ফুটবল প্রেমীদের কাছে এটা বড় খবর। তবে, যেটা জানা যাচ্ছে, এই দুই ক্লাবের বর্তমান তারকা ফুটবলাররা শহরে না-ও আসতে পারেন। সেক্ষেত্রে এই দুই দলের প্রাক্তন ফুটবলাররা মাঠে নামবেন। এই ম্যাচে টিকিটের দাম যাতে সাধারণ মানুষের ক্ষমতার মধ্যে থাকে, সেই দিকটা দেখা হচ্ছে এবার। কারণ, সম্প্রতি ভারত-ব্রাজিলের যে ম্যাচ কলকাতায় হয়েছিল, তার টিকিটের দাম দুর্মূল্য হওয়ায় অনেকেই দেখতে যেতে পারেননি। এদিকে, কারা এই দুই দলকে কলকাতায় আনছে, টিকিটের বন্দোবস্ত কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাজ্য সরকারের শীর্ষ সূত্রে খবর, নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে এই ম্যাচ হবে। তার পরেই আবার পুরসভা ভোট হওয়ার কথা। ওই পর্বে আইএসএল-এরও ম্যাচ চলবে। তার মধ্যেই শহরে আসবে ভিনিসিয়াস জুনিয়র, ইয়ামেলদের দল।

    রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এই বিশেষ ম্যাচ

    গত বছর ডিসেম্বরে লিওনেল মেসিকে কেন্দ্র করে বিপর্যয়ের ছবি দেখেছিল যুবভারতী। যাতে সরাসরি জড়িয়ে গিয়েছিল তৎকালীন শাসকদল তৃণমূল। তর পর অবশ্য পালাবদলের পরে ভারতের সঙ্গে ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলেছে ব্রাজিল এবং উরুগুয়ে। এবার এল ক্লাসিকোর অপেক্ষা। সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই এই ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ম্যাচ নিয়ে খুব শীঘ্রই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে সরকারের তরফ থেকে। অতীতে এভাবেই কলকাতায় খেলে গিয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখের লেজেন্ডস দল। ২০০৮ সালে অলিভার কানের বিদায়ী ম্যাচ হিসেবে কলকাতায় মোহন বাগানের বিরুদ্ধে খেলেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। এমনকি এর পরেও এসেছিল বায়ার্ন।

  • IMF India GDP Forecast: বিশ্ব অর্থনীতির প্রায় দ্বিগুণ গতিতে ছুটবে ভারত! ২০২৭ সালে জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭%

    IMF India GDP Forecast: বিশ্ব অর্থনীতির প্রায় দ্বিগুণ গতিতে ছুটবে ভারত! ২০২৭ সালে জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭%

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার মধ্যেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার (IMF)। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (GDP) বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল সংস্থাটি। শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদার স্থিতিশীলতা, পরিষেবা ক্ষেত্রে শক্তিশালী কার্যকলাপ এবং অর্থনীতির ধারাবাহিক গতি এই আশাবাদের মূল কারণ।

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মাত্র এক সপ্তাহ আগেই ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭.১ শতাংশে উন্নীত করেছিল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI)। এবার আইএমএফ-এর পূর্বাভাস বৃদ্ধি দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা সম্পর্কে আন্তর্জাতিক মহলের ইতিবাচক মনোভাবকেই তুলে ধরল।

    কেন ভারতের বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়াল আইএমএফ?

    আইএমএফ-এর ওয়ার্ল্ড ইকোনমি আউটলুক (World Economic Outlook) রিপোর্টের সাম্প্রতিক আপডেটে বলা হয়েছে, প্রত্যাশার তুলনায় ভারতের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বেশি শক্তিশালী। বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ধারাবাহিক বৃদ্ধি অর্থনীতিকে গতি জুগিয়েছে।

    সংস্থাটির মতে, ভারতের বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে শক্তিশালী করছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—

    • ● বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজার: দেশের বিপুল জনসংখ্যা ও ক্রমবর্ধমান বাজার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারে সহায়তা করছে।
    • ● পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তি: পরিষেবা ক্ষেত্রে স্থিতিশীল কার্যকলাপ জিডিপি বৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি।
    • ● অনুকূল জনসংখ্যাগত পরিস্থিতি: কর্মক্ষম জনসংখ্যার সম্ভাবনা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির বৃদ্ধিকে সমর্থন করতে পারে।
    • ● কাঠামোগত সংস্কার: ধারাবাহিক অর্থনৈতিক সংস্কার দেশের উৎপাদনশীলতা ও বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে শক্তিশালী করছে।

    আইএমএফ-এর মূল্যায়ন অনুযায়ী, এই সমস্ত উপাদানের সম্মিলিত প্রভাবে ভারত এমন একটি অর্থনীতি হিসেবে উঠে আসছে, যার বৃদ্ধির গতি আন্তর্জাতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী।

    বিশ্ব অর্থনীতির তুলনায় কোথায় দাঁড়িয়ে ভারত?

    ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বৃদ্ধির তাৎপর্য আরও স্পষ্ট হয় বিশ্ব অর্থনীতির সামগ্রিক পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করলে। ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধির পূর্বাভাস আইএমএফ সামান্য বাড়িয়ে ৩.১ শতাংশ করেছে। জুলাইয়ের পূর্বাভাস ছিল ৩ শতাংশ। ২০২৭ সালের জন্য বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধির হার ৩.৪ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

    অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির সম্ভাব্য বৃদ্ধির হার যেখানে ৩ শতাংশের আশপাশে, সেখানে ভারতের ক্ষেত্রে ৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেশটির তুলনামূলক শক্তিশালী অবস্থানকে তুলে ধরছে। এই কারণেই বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধিতে ভারতের ভূমিকা আগামী দিনেও গুরুত্বপূর্ণ থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও বৃদ্ধির আশা

    বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। জ্বালানি আমদানির উপর নির্ভরশীল ভারতের মতো দেশের ক্ষেত্রে এর প্রভাব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    আইএমএফ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তির উপর ভর করে ভারতের অর্থনীতি স্থিতিশীল থেকেছে।

    তবে তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের জন্য ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে। অপরিশোধিত তেলের আমদানি ব্যয় বাড়লে বাণিজ্য ঘাটতি, মুদ্রাস্ফীতি এবং পরিবহণ ও উৎপাদন খরচের উপর চাপ পড়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির ইতিবাচক পূর্বাভাসের পাশাপাশি জ্বালানির দামের গতিপ্রকৃতিও নজরে রাখতে হবে।

    ২০২৬ সালে ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলার হতে পারে অপরিশোধিত তেলের দাম

    আইএমএফ-এর অনুমান অনুযায়ী, ব্রেন্ট, দুবাই ফতেহ এবং ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—এই তিন ধরনের অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ২০২৬ সালে ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলার হতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি।

    ২০২৭ সালে অবশ্য তেলের গড় দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে।

    ভারতের অর্থনীতির ক্ষেত্রে এই পূর্বাভাস গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তেলের দাম দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চস্তরে থাকলে আমদানি ব্যয় বাড়বে এবং তার প্রভাব পড়তে পারে দেশের মূল্যবৃদ্ধি, চলতি খাতের ভারসাম্য ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে।

    জার্মানি ও ব্রিটেনের বৃদ্ধির পূর্বাভাসও বাড়াল আইএমএফ

    শুধু ভারত নয়, কয়েকটি উন্নত অর্থনীতির ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়েছে আইএমএফ। ২০২৬ সালে জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস জুলাইয়ের ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রে পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বেড়ে ১.৩ শতাংশ হয়েছে।

    সামগ্রিকভাবে, ২০২৬ সালে উন্নত অর্থনীতিগুলির বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২.১ শতাংশ করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলির সামগ্রিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস কিছুটা কমানো হয়েছে। জুলাইয়ে এই গোষ্ঠীর জন্য ৩.৮ শতাংশ বৃদ্ধির অনুমান করা হলেও, বর্তমানে তা কমিয়ে ৩.৭ শতাংশ করা হয়েছে।

    চিন, রাশিয়া ও ব্রাজিলের বৃদ্ধির গতি নিয়ে সংশয়

    উদীয়মান অর্থনীতিগুলির সামগ্রিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস কমার অন্যতম কারণ চিন, রাশিয়া ও ব্রাজিলের মতো দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে সংশয়। মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক অর্থনীতির ক্ষেত্রেও ধীরগতির বৃদ্ধি, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সংকোচনের আশঙ্কা রয়েছে। ভারতের বৃদ্ধির পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও অন্যান্য বড় উদীয়মান অর্থনীতির দুর্বল সম্ভাবনা সামগ্রিক গোষ্ঠীর বৃদ্ধির উপর চাপ তৈরি করছে।

    অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার পূর্বাভাসেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদ

    আইএমএফ-এর আগেও এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্ক (ADB), অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (OECD) এবং দুই আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থা  এসঅ্যান্ডপি  (S&P) ও ফিচ্ (Fitch) ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস প্রায় ৭ শতাংশের আশপাশে রেখেছে বা বাড়িয়েছে। জুনে শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের শক্তিশালী গতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত সত্ত্বেও অভ্যন্তরীণ চাহিদার স্থিতিশীলতাকে এই মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখা হয়েছে।

    ভারতের অর্থনীতির সামনে কী বার্তা?

    আইএমএফ-এর পূর্বাভাস বৃদ্ধি ভারতের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা। অভ্যন্তরীণ বাজার, পরিষেবা ক্ষেত্র এবং কাঠামোগত সংস্কারের উপর নির্ভর করে বৃদ্ধির গতি ধরে রাখার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতির তুলনায় ভারতের সম্ভাব্য বৃদ্ধির হার যথেষ্ট বেশি। তবে এই পূর্বাভাসকে নিশ্চিত ফলাফল হিসেবে দেখা উচিত নয়।

    আন্তর্জাতিক সংঘাত, অপরিশোধিত তেলের দাম, বিশ্ববাণিজ্যের পরিস্থিতি এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদার গতিপ্রকৃতি আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সব মিলিয়ে, আইএমএফ-এর নতুন পূর্বাভাসে স্পষ্ট—বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও ভারত আপাতত তুলনামূলক দ্রুত বৃদ্ধির পথে এগোচ্ছে। এখন নজর থাকবে, এই সম্ভাবনা বাস্তব অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে কতটা প্রতিফলিত হয়।

  • Rahul Gandhi’s Petition: ভুলে ভরা…! সুপ্রিম কোর্টে করা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪টি ত্রুটি, বকেয়া ২২০ টাকা কোর্ট ফি-ও

    Rahul Gandhi’s Petition: ভুলে ভরা…! সুপ্রিম কোর্টে করা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪টি ত্রুটি, বকেয়া ২২০ টাকা কোর্ট ফি-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী নেতাদের দায়ের করা যৌথ আবেদনে ১৪টি ত্রুটি চিহ্নিত করল সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রি। এর মধ্যে রয়েছে ২২০ টাকা কোর্ট ফি কম জমা দেওয়া, নয়জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমোদনপত্র না থাকা এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পরিচয়পত্রের অস্পষ্ট ফটোকপি। সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন বিরোধী ‘ইন্ডি’-জোটের একাধিক নেতা ও সমর্থক। সেই সময়ই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তুলে শীর্ষ আদালতে আবেদন জমা দেয় বিরোধী নেতাদের আইনজীবী দল।

    কী কী ত্রুটি চিহ্নিত হয়েছে?

    সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রির তরফে আবেদনে একাধিক নথিগত ও পদ্ধতিগত ত্রুটির কথা জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কয়েকজন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় ‘ভকালতনামা’ বা আইনজীবী নিয়োগের অনুমতিপত্র না থাকা, মল্লিকার্জুন খাড়গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশ এবং কয়েকটি নথির রঙিন কপি জমা না দেওয়া। এ ছাড়াও আবেদনের কয়েকটি অংশের অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া, অস্পষ্ট বা ঝাপসা লেখা, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকা, আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা সংক্রান্ত সমস্যা এবং পৃষ্ঠার নম্বরের অসঙ্গতির মতো ত্রুটি তুলে ধরা হয়েছে। এই আবেদনে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব, তেজস্বী প্রসাদ যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনা (উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরে) গোষ্ঠীর নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাঝি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির-সহ একাধিক বিরোধী নেতা আবেদনকারী হিসেবে রয়েছেন। আবেদনে প্রতিপক্ষ হিসেবে নাম রয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশীর। রেজিস্ট্রির চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই আবেদনটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হতে পারে।

    আবেদনে কী কী দাবি জানিয়েছে ‘ইন্ডি’ জোট?

    আবেদনকারীদের প্রধান দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে— এসআইআর প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও তথ্য আদালতে পেশ করার নির্দেশ। এসআইআর সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতা খতিয়ে দেখা। অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ আবেদনকারীদের অভিযোগ ও সমস্যার প্রতিকার। গোটা প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন কমিটি গঠন-সহ অন্যান্য পদক্ষেপ। বিরোধী নেতাদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধন এবং নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে একাধিক অনিয়ম ঘটেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তবে এই অভিযোগগুলির সত্যতা বিচারাধীন বিষয়।

    প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন খারিজ

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আবেদন করেছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, কথিত ‘ভোট চুরি’ বন্ধ করা, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ব্যালট পেপারে ভোট ফেরানোর দাবিতে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া। কিন্তু বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন থাকায় প্রধান বিচারপতি সাক্ষাতের অনুরোধ গ্রহণ করেননি বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

  • Police Recruitment: রাজ্যে আরও ৯ হাজার পুলিশ নিয়োগ! সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে থানা চলবে না, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Police Recruitment: রাজ্যে আরও ৯ হাজার পুলিশ নিয়োগ! সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে থানা চলবে না, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেবীপক্ষে নবনিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের (Police Recruitment) হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে নভেম্বরের মধ্যে আরও নয় হাজার পুলিশ কর্মী নিয়োগের ঘোষণাও করেন তিনি ৷ তাঁর দাবি, দু’বছরের মধ্যে পুলিশের সংখ্যায় উত্তরপ্রদেশকে ছাপিয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গ। এদিন তিনি জানান, আগের সরকারের তৈরি করা আইনি জটিলতা কাটিয়েই এই নিয়োগ সম্ভব হয়েছে। বিধানসভায় অধিবেশন বসিয়ে ওবিসি জট মুক্ত করেছে বর্তমান সরকার। সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের আইনি বাধা কাটাতে সরকারি আধিকারিকদের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। এদিন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ার ডাক দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “রাষ্ট্র প্রথম, এটা মাথায় রেখে কাজ করবেন। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদেরকে তাড়াবেন। সমস্ত অবৈধ কাজ থেকে দূরে থাকবেন।” বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান ও চিন সীমান্তের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শুধু একা আর্মি বিএসএফ লড়বে না। আপনাকেও প্রয়োজন হলে লড়তে হবে।”

    নিয়ম মেনে নিয়োগ হবে

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি কথা দিলাম আরও সাড়ে চার বছর এই সরকার আছে। কোথাও এতটুকু ত্রুটি হবে না। নিয়ম মেনে নিয়োগ হবে।” রাজ্যে সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে থানা চালানোর কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশে প্রতি এক লক্ষ মানুষে পুলিশের গড় ১৫৫ জন। উত্তরপ্রদেশে সেই সংখ্যা ২০০। আর পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে কম, মাত্র ১০৫ জন। এই ঘাটতি মেটাতে আগামী নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে নয় হাজার নতুন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারির ঘোষণা করেন তিনি। পাশাপাশি ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতা পুলিশের চার হাজার কনস্টেবল নিয়োগ সম্পন্ন হবে। পিএসসি-র মাধ্যমে ৬৫০ জন ক্লার্ক এবং ১ হাজার ১৩১ জন এসআই নিয়োগের প্রক্রিয়াও দ্রুত শেষ করা হবে।

    রাজ্য পুলিশকে বিশেষ প্রশিক্ষণ

    মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আমি কথা দিয়ে গেলাম, পশ্চিমবঙ্গ উত্তরপ্রদেশের উপরে যাবে। দু’বছরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ উত্তরপ্রদেশের থেকেও পুলিশের সংখ্যায় বেশি থাকবে।” পুলিশ কর্মীদের বকেয়া ডিএ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়েও এদিন বড় ঘোষণা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, পুরনো পুলিশ কর্মীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া ২০ শতাংশ ডিএ মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে পুজোর আগেই তাঁরা মোট ৩৮ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন। আগামী ১৫ অক্টোবর তাঁদের অগ্রিম বেতনও দেওয়া হবে। রাস্তায় কর্মরত পুলিশদের জন্য হিডকো এবং এনকেডিএ-র তহবিল থেকে ২০ হাজার রেনকোট, ছাতা ও গামবুটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কর্মীদের রেশন ভাতা ১৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হয়েছে। সপ্তম পে কমিশন কার্যকর করতে প্রবীণ আইএএস অফিসার নবীন প্রকাশের নেতৃত্বে কমিটি গঠনের কথাও জানান তিনি। রাজ্যের ভৌগোলিক অবস্থানের কথা মাথায় রেখে পুলিশকে আরও দক্ষ করতে বিশেষ প্রশিক্ষণের ঘোষণাও করেন তিনি। আগামী দিনে অসমের লাচিত বরফুকান পুলিশ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং গুজরাটের রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজ্য পুলিশের কর্মীদের প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে।

  • Poonch Landmine Blast: ভারতে অনুপ্রবেশের ছক বানচাল? পুঞ্চে বিস্ফোরণে মৃত্যু লস্কর কমান্ডার-সহ ৪ পাকিস্তানি জঙ্গির

    Poonch Landmine Blast: ভারতে অনুপ্রবেশের ছক বানচাল? পুঞ্চে বিস্ফোরণে মৃত্যু লস্কর কমান্ডার-সহ ৪ পাকিস্তানি জঙ্গির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় নিয়ন্ত্রণরেখা (LoC) পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার সময় ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে মৃত্যু হল চার পাকিস্তানি জঙ্গির। নিহতদের মধ্যে রয়েছে লস্কর-ই-তৈবার এক শীর্ষ কমান্ডার বলে জানা গিয়েছে। সোমবার কৃষ্ণা ঘাঁটি সেক্টরের সাতওয়াল-নাকি এলাকায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের দিক থেকে একদল সন্দেহভাজন ব্যক্তি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করছিল। সেই সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করেছে বাহিনী।

    কারা নিহত? সামনে লস্কর কমান্ডারের নাম

    প্রাথমিক সূত্রে নিহত চারজনকে পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের (PoJK) পুঞ্চ জেলার হাজিরা তেহসিলের মান্ডলা, মদরপুর এলাকার বাসিন্দা বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের নাম মহম্মদ ইশতিয়াক, মহম্মদ ফয়জান, মহম্মদ ওয়াকাস এবং মহম্মদ আসিম। নিহতদের মধ্যে মহম্মদ ফয়জান লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ কমান্ডার বলে দাবি করা হয়েছে। সোমবার নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন এলাকায় বিস্ফোরণের পরই ঘটনাটি ঘিরে নিরাপত্তা মহলে তৎপরতা শুরু হয়।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ সাতওয়াল-নাকি এলাকা?

    পুঞ্চের কৃষ্ণা ঘাঁটি সেক্টরের সাতওয়াল-নাকি এলাকাকে দীর্ঘদিন ধরেই অনুপ্রবেশের সম্ভাব্য পথ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অতীতেও এই রুট ব্যবহার করে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা হয়েছে বলে নিরাপত্তা সূত্রে দাবি। ফলে এই অঞ্চলে যে কোনও সন্দেহজনক গতিবিধি সেনাবাহিনীর কাছে বিশেষ গুরুত্ব পায়।

    নিয়ন্ত্রণরেখার এই অংশে পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি, ঘন জঙ্গল এবং দুর্গম পথ নজরদারির ক্ষেত্রে বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এই ধরনের ভূপ্রকৃতি কাজে লাগিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা হলে সন্দেহভাজনদের গতিবিধি শনাক্ত করা এবং দ্রুত প্রতিরোধ গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

    প্রাথমিক বিবরণ অনুযায়ী, একটি ভিডিও ফুটেজে (সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে পাঠানি পোশাক পরা অবস্থায় জঙ্গলের মধ্যে চলাফেরা করতে দেখা গিয়েছে। তাঁদের কাছে পিস্তল ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। তারা আইইডি পুঁতে রাখার চেষ্টা করছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে ফুটেজের সত্যতা, সময় এবং বিস্ফোরণের সঙ্গে তার সম্পর্ক স্বাধীন ভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

    বিস্ফোরণের পর দেহ নিয়ে যাওয়ার দাবি

    বিস্ফোরণের পর পাকিস্তানি সেনার সদস্যরা নিহত সন্দেহভাজনদের দেহ সংগ্রহ করে নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে নিয়ে গিয়েছেন বলে কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় পাক সেনার ৬৬ ফ্রন্টিয়ার ফোর্সের সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, অতীতেও এই অঞ্চলে পাকিস্তানের বর্ডার অ্যাকশন টিম (BAT)-এর ছয় থেকে সাতজন সদস্য একই ধরনের ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে বর্তমান বিস্ফোরণের সঙ্গে অতীতের সেই ঘটনার প্রকৃতি ও পরিস্থিতির মিল কতটা, তা স্পষ্ট নয়।

    নিয়ন্ত্রণরেখায় কেন গুরুত্বপূর্ণ ল্যান্ডমাইন?

    নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে একাধিক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা রয়েছে। তারই অংশ হিসেবে সামনের দিকের বিভিন্ন এলাকায় ল্যান্ডমাইন বসানো থাকে। সম্ভাব্য অনুপ্রবেশের পথগুলিতে সন্দেহভাজনদের চলাচল বাধাগ্রস্ত করা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে তোলাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

    তবে ল্যান্ডমাইন সব সময় নির্দিষ্ট জায়গায় স্থির থাকে না। ভারী বৃষ্টিতে মাটি ধুয়ে গেলে বা ভূমিক্ষয় ঘটলে কিছু মাইন মূল অবস্থান থেকে সরে গিয়ে অন্যত্র চলে আসতে পারে। ফলে যেখানে আগে বিস্ফোরক থাকার কথা ছিল না, সেখানেও বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়। সীমান্তবর্তী এলাকায় সেনা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা।

    নিরাপত্তা বাড়াল বাহিনী, নজরদারিতে নিয়ন্ত্রণরেখা

    বিস্ফোরণের পর সংশ্লিষ্ট সেক্টরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সন্দেহজনক গতিবিধির উপর নজর রাখছে নিরাপত্তাবাহিনী। জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় জঙ্গি কার্যকলাপ দমন এবং অনুপ্রবেশ রুখতে তল্লাশি ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানও চালানো হচ্ছে।

    পুঞ্চের ঘটনাটি সীমান্ত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে আনছে। প্রথমত, পরিচিত অনুপ্রবেশের রুটগুলিতে নজরদারি অব্যাহত রাখা জরুরি। দ্বিতীয়ত, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে থাকা ল্যান্ডমাইনও ভারী বৃষ্টি ও ভূমিক্ষয়ের কারণে নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

    মেন্ধরেও উদ্ধার দুটি পুরনো ল্যান্ডমাইন

    পুঞ্চের ঘটনাটির পাশাপাশি সোমবার মেন্ধর সেক্টরের বাসোনি এলাকায় সীমান্তের বেড়ার কাছে আরও দুটি পুরনো ল্যান্ডমাইন শনাক্ত করেন ভারতীয় সেনার জওয়ানরা। সূত্রের খবর, রাস্তা বা চলাচলের পথ নির্মাণের কাজ চলাকালীন সকাল ৮টা ২৫ মিনিট এবং দুপুর ১২টা ১০ মিনিট নাগাদ বিস্ফোরক দুটি নজরে আসে।

    এরপর সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞরা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে সেগুলি নিষ্ক্রিয় করেন। এই ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন এলাকায় পুরনো বিস্ফোরক থেকে তৈরি হওয়া ঝুঁকির বিষয়টি।

    বিশেষ করে বর্ষার সময়ে ভারী বৃষ্টিতে মাটি সরে যাওয়া, ভূমিক্ষয় এবং জলস্রোতের কারণে ল্যান্ডমাইন স্থানচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সীমান্তবর্তী এলাকায় নির্মাণকাজ, টহলদারি এবং নজরদারির সময় বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

  • West Bengal Bar Council: বার কাউন্সিলের নির্বাচনেও বিজেপির দাপট! ‘রাষ্ট্রবাদের জয়’ বললেন শুভেন্দু

    West Bengal Bar Council: বার কাউন্সিলের নির্বাচনেও বিজেপির দাপট! ‘রাষ্ট্রবাদের জয়’ বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বার কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলির নির্বাচনেও বিজেপির দাপট। সভাপতি, সহ-সভাপতি এবং বার কাউন্সিল (West Bengal Bar Council) অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি-তিনটি পদেই বিজেপি-সমর্থিত প্রার্থীদের জয়ের কথা জানিয়ে ‘রাষ্ট্রবাদের জয়জয়কার’ বলে মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিন নির্বাচিতদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে তাঁর দাবি, রাজ্যে এখন আর তৃণমূলের কোনও অস্তিত্বই অবশিষ্ট নেই। রাজ্য বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হলেন সমীর পাল। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে পর্যূদস্ত করে বিপুল জনমত নিয়ে বিজেপি বাংলায় প্রথমবারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে। দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনেও বড় জয় পেয়েছে বিজেপি। সেই জয়ের ধারাই ওয়েস্ট বেঙ্গল বার স্টেট কাউন্সিলের অফিস বেয়ারার নির্বাচনেও বজায় রইল। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    কোন কোন পদে জয়ী

    গত মার্চে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচন হয়েছিল। শুভেন্দুর দেওয়া হিসেব অনুযায়ী, সেই পর্বে বিজেপি ও তাদের সমর্থক আইনজীবী সংগঠনগুলির পক্ষে মাত্র তিন জন জয়ী হয়েছিলেন। বাকি আসনগুলিতে জয় পেয়েছিলেন তৃণমূল,কংগ্রেস এবং অন্যান্য শিবিরের প্রার্থীরা। কিন্তু এবারের নির্বাচনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদেই বিজেপি-সমর্থিত প্রার্থীদের জয় হয়েছে। সভাপতি পদে ১৮-৮ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন সমীর পাল। সহ-সভাপতি পদে ১৭-৯ ভোটে জয়ী হয়েছেন অজয় চৌবে। বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শিলিগুড়ির বর্ষীয়ান আইনজীবী অরুণ সরকার। ওই পদেও ভোটের ব্যবধান ছিল ১৭-৯। এই ফলকে সামনে রেখেই আইনজীবী মহলে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধির দাবি করছে বিজেপি শিবির। পুজোর ছুটির পর বার কাউন্সিলের নতুন সদস্যদের নিয়ে বৈঠকের কথাও এদিন জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এক হাজারেরও বেশি সদস্য রাজ্য বার কাউন্সিলে আছেন। কাজের পরিকল্পনা নতুন সদস্যদের নিয়ে করা হবে। সেই কথাও এদিন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী

    রাজ্যে বিরোধীদের নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

    ফল ঘোষণার পর তৃণমূলকে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, ওরা এখন একাধিক ভাগে বিভক্ত। তাঁর কথায়, “তৃণমূল তো এখন ত্রিখণ্ডিত। একদল নতুন পার্টিতে জয়েন করেছেন আর একটি দল দু’ভাগে বিভক্ত হয়েছে। নাম, নিশান, পতাকা নেই।” বার কাউন্সিলের এই ফলকে রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রবণতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, বিধানসভা নির্বাচন থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনেই একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ফলতা, রিষড়া, নন্দীগ্রাম এবং বার কাউন্সিলের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “দেখুন রাষ্ট্রবাদের জয়জয়কার। এখানে সব একমুখী। একদম সেম ট্রেন্ড।” বিধানসভা ভোটের ফল নিয়ে যাঁরা আগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন, কটাক্ষের সুরে তাঁদের ‘শোক রাত্রি’ পালনের পরামর্শও দিয়েছেন। রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদলের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তৃণমূল এখন নন্দীগ্রামে প্রার্থী পর্যন্ত দিতে পারে না। পাঁচ মাস আগে যে তৃণমূল প্রার্থী রেজিনগরে ৪৭ হাজার ভোট পেয়েছিলেন, এখন তিনি মাত্র ছ’হাজার ভোট পাচ্ছেন। কংগ্রেসের জেতা লোকসভা আসনও হাতছাড়া হচ্ছে। যারা একসময় ব্রিগেডে সভা করার দম্ভ দেখাত, তারা এখন ৫০০ লোক জড়ো করতে তারামণ্ডলের গলিপথ খোঁজে!

  • West Bengal Dengue: পুজোয় ডেঙ্গির চোখরাঙানি, রক্ত ও প্লেটলেটের আকাল রুখতে আগাম প্রস্তুতি রাজ্যের

    West Bengal Dengue: পুজোয় ডেঙ্গির চোখরাঙানি, রক্ত ও প্লেটলেটের আকাল রুখতে আগাম প্রস্তুতি রাজ্যের

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাঙালির প্রাণের উৎসব শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ডেঙ্গির চোখ রাঙানি রয়েছে। বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ মারাত্মক। উৎসবের দিনগুলোতে ডেঙ্গি আক্রান্তের হয়রানি বাড়িয়ে দেয়। কর্মী সঙ্কটের জেরে একদিকে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। আরেকদিনে সমস্যা বাড়ায় রক্তের আকাল। পুজোর দিনগুলোতে সরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কে অনেক সময়েই রক্ত পাওয়া যায় না। বিশেষত ডেঙ্গির চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় প্লেটলেটের মতো উপাদান পাওয়া আরও মুশকিল হয়ে যায়। ফলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। তবে বিগত কয়েক বছরের এই হয়রানির ছবি এবার পাল্টে দেওয়ার জন্য আগাম কয়েকটি পরিকল্পনা নিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর‌। নিবিড় যোগাযোগেই এবার ডেঙ্গি ‘অসুর’-কে বধ করার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।

    কেন ডেঙ্গি নিয়ে বাড়তি পরিকল্পনা?

    স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা জানিয়েছেন, রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। বিশেষত সাম্প্রতিক তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, শহরের তুলনায় গ্রামে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। রাজ্যের ১৪টি পঞ্চায়েত এলাকায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে বাড়তি উদ্বিগ্ন প্রশাসন। গোটা রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ন’হাজার ছাড়িয়েছে। মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা, হাওড়া এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার জেলায় ক্রমশ আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে‌। ফলে, আগামী কয়েক মাস জরুরিভিত্তিতে ডেঙ্গি মোকাবিলার কাজ চলছে।
    তবে গত কয়েক বছরের ডেঙ্গি পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা থেকেই পুজোর মরশুমে বাড়তি পরিকল্পনা নিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন।‌ স্বাস্থ্য ভবনের এক কর্তা জানান, গত কয়েক বছরে দূর্গাপুজোর দিনগুলোতে ডেঙ্গি আক্রান্তদের চিকিৎসা নিয়ে অনেক সময়েই জটিলতা দেখা যেত। অভিযোগ পাওয়া যেত, এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়ার জন্য রোগী ও তাঁর পরিজনদের ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। আবার রক্তের আকাল নিয়েও একাধিক অভিযোগ উঠেছিলো। বিশেষত অষ্টমী, নবমীর পুজোর রাতে ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের অভাব এবং তার জন্য রোগীর পরিবারের ভোগান্তির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এবার তাই আগাম প্রস্তুতি।
    স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও মৃত্যু মিছিল যাতে শুরু না হয়, সে নিয়ে প্রশাসন যথেষ্ট তৎপর। প্রথম থেকেই রোগ চিহ্নিত করার দিকে বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে। উৎসবের দিনগুলোতে যাতে বাড়তি বিপদ তৈরি না হয় তাই আগাম প্রস্তুতি। ডেঙ্গি আক্রান্তের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় রক্তের যাতে সঙ্কট না হয়, সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।

    ডেঙ্গি রোগীর হয়রানি রুখতে কোন পরিকল্পনা রাজ্যের?

    উৎসবের মরশুমে নিবিড় যোগাযোগেই এবার ডেঙ্গি ‘অসুর’-কে কাবু করতে চায় স্বাস্থ্য প্রশাসন।

    কলকাতার সঙ্গে জেলার হাসপাতালের যোগাযোগ!

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের সমস্ত হাসপাতাল বিশেষত জেলার হাসপাতালগুলোর সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি জটিল হলে অনেক সময়েই রোগীকে অন্য হাসপাতালে পাঠাতে হয়। সেক্ষেত্রেও যাতে রোগীর কোনো অসুবিধা না হয়, সেই জন্য হাসপাতালগুলো নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখবে‌‌। চিকিৎসার জন্য এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল ঘুরে বেড়ানোর হয়রানি কমবে।

    হাসপাতালের নিজেদের মধ্যে আগাম পরিকল্পনা!

    দূর্গা পুজোর সময়ে অনেক স্বাস্থ্য কর্মী এবং চিকিৎসক ছুটিতে থাকেন। তাই আগাম বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাৎ কোন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মী দায়িত্বে থাকবেন, সে সম্পর্কে আগেই পরিকল্পনা করা হবে। নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি হবে। যাতে রোগীর কোনো সমস্যা না হয়‌। নিজেদের মধ্যে উৎসবের দিনগুলোর দায়িত্ব ভাগ নিয়ে আগেই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করতে হবে।

    স্বাস্থ্য ভবনের জরুরি নম্বরের সাহায্য!

    উৎসবের দিনগুলোতেও ডেঙ্গি রোগীর হয়রানি কমাতে স্বাস্থ্য ভবন চব্বিশ ঘণ্টা খোলা থাকবে। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্য ভবনের জরুরি নম্বর দেওয়া থাকবে। তাঁদের সঙ্গে রোগীর পরিবার ও সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় সাহায্য পাবেন।

    কোথায় কী প্রয়োজন তার আগাম তালিকা তৈরি!

    ডেঙ্গি প্রবণ এলাকা মোটামুটি সনাক্ত করা গিয়েছে। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহের রিপোর্ট থেকেই আন্দাজ করা গিয়েছে, রাজ্যের কয়েকটি জেলায় বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। সেই‌মতো সেই সমস্ত এলাকার হাসপাতালেও বাড়তি প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সেখানে প্রয়োজনীয় রক্ত রয়েছে কিনা, সেদিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গির চিকিৎসায় যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেটাও দেখা হচ্ছে।

    কেন রক্ত নিয়ে বাড়তি পরিকল্পনা?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি চিকিৎসায় অত‌্যন্ত প্রয়োজনীয় হলো প্লেটলেট। অর্থাৎ রক্ত হলেই চলবে না। রক্তের উপাদান ভাগ করে রাখতে হবে। লোহিত কণিকা, শ্বেত কণিকা এবং প্লেটলেট, এই তিনটে উপাদানে রক্তকে ভাগ করে সংরক্ষণ করা হয়। রক্তের একটি নির্দিষ্ট উপাদান প্লেটলেট। এটাই ডেঙ্গির চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। কিন্তু গত কয়েক বছরে দেখা গিয়েছে, দুর্গাপুজোর সময়ে রাজ্য জুড়ে রক্তের আকাল দেখা যায়। বিশেষত উপাদান ভাগ করা রক্তের আরও বেশি আকাল হয়। গত কয়েক বছরে এই সময়ে রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গির দাপট থাকে। তাই প্লেটলেটের চাহিদাও হয় মারাত্মক। তবে, সেই মতো ব্লাড ব্যাঙ্কে প্লেটলেট পাওয়া যায় না। সময় মতো রক্তের জোগান দিতে না পারার জেরে, বড় বিপদ ও ঘটে যায়। তাই রক্ত বিশেষত উপাদান ভাগ করা রক্তের জোগানের দিকে বাড়তি নজরদারি।

    কীভাবে রক্তের চাহিদা পূরণের পরিকল্পনা হয়েছে?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন ব্লাড ব্যাঙ্কে কতখানি রক্ত মজুত রয়েছে, সেই নিয়ে আগাম তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। নিয়মিত চাহিদা কোথায়, কতখানি সেটাও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যাতে চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জোগান বজায় রাখ যায়। তাছাড়া রাজ্যের বিভিন্ন ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের উপাদান বা কম্পোনেন্ট ভাগ করার পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। যাতে প্লেটলেটের চাহিদা পূরণ হয়।
    পাশপাশি বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে এমন বিশেষ কিছু আধুনিক যন্ত্র রাখা হয়েছে, যাতে রক্তদাতার থেকে রক্ত সংগ্রহ করে দ্রুত রক্তের উপাদান বিভাজন করে, প্লেটলেট আলাদা করা যায়‌। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতেও প্লেটলেটের সমস্যা হবে না।
    তাছাড়া, ব্লাড ব্যাঙ্কগুলোর নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে, কোথায় ঘাটতি আছে সেটা যেমন স্পষ্ট হবে, তেমন রোগীর পরিজনদের ও স্পষ্ট তথ্য দেওয়া যাবে। এতে হয়রানি ও সময়ের অপচয় কমবে। চিকিৎসাও দ্রুত করা যাবে।

  • Suvendu Adhikari: উপনির্বাচনে জয়ের পর পুরসভা দখলের লক্ষ্যে বিজেপি, এবার ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার গড়ার ডাক মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: উপনির্বাচনে জয়ের পর পুরসভা দখলের লক্ষ্যে বিজেপি, এবার ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার গড়ার ডাক মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে অভাবনীয় জয়ের পর এ বার রাজ্যের পুরসভাগুলিকে (Suvendu Adhikari) পাখির চোখ করল বিজেপি। সোমবার মুরলীধর সেন লেন থেকে ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস পর্যন্ত আয়োজিত বিজয় মিছিলের শেষে জনসভা থেকে আসন্ন পুরভোটের রণকৌশল স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বার্তা, এ বার পুরসভাগুলিতেও ফুটবে পদ্ম। রাজ্যে উন্নয়নের ‘ত্রিশক্তি’ সরকার গড়তে কলকাতা ও হাওড়া-সহ একাধিক পুরসভা দখলের লক্ষ্যে ঝাঁপাতে হবে দলীয় কর্মীদের (Municipal Elections)। পুজোর মরশুম শেষ হলেই কলকাতা ও হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন হওয়ার কথা। তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিম মেয়র পদে ইস্তফা দেওয়ার পর আপাতত কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন কমিশনার। হাওড়াতেও একই ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা চলছে। এই পরিস্থিতিতে দুই শহরের পুরসভা দখলের ডাক দিয়ে নির্বাচনে লড়াইয়ের সুর বেঁধে দিলেন শুভেন্দু।

    উন্নয়নের মূলমন্ত্রে ভরসা (Suvendu Adhikari)

    ভিক্টোরিয়া হাউসের সভায় তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নয়নের মূলমন্ত্রে ভরসা রেখে আপনারা রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়েছিলেন। এ বার মুখ্যমন্ত্রীর আর্জিতে আপনাদের পুরসভাগুলিতে ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। হাওড়া ও কলকাতা পুরসভা আমাদের দিতে হবে। তবেই শহরের পরিকাঠামো ও নাগরিক পরিষেবায় আমূল পরিবর্তন সম্ভব হবে।”

    এ দিনের বিজয় মিছিলে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, রেজিনগরের নবনির্বাচিত বিধায়ক শাখারভ সরকার, নন্দীগ্রামের নবনির্বাচিত বিধায়ক হাসিরানী রথ-সহ রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

    সংখ্যালঘু অধ্যুষিত রেজিনগরে জয়

    রেজিনগরের মতো প্রায় ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির জয়ের ঘটনাকে ঐতিহাসিক বলে দাবি করেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে বিরোধীদের প্রচারকে নিশানা করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি ক্ষমতায় এলে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে নাগরিক অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা হবে এবং বেছে বেছে বাংলাদেশে পাঠানো হবে বলে বিরোধীরা প্রচার চালিয়েছিল। শুভেন্দু বলেন, “মানুষ দেখেছেন, মোদিজির নেতৃত্বে জয়ের রথ থামানো যায়নি। বরং দেশের প্রতিটি নাগরিক সুরক্ষিত।”

    তিনি আরও বলেন, “সংখ্যালঘু ভাই-বোনেরা বুঝতে পেরেছেন যে মিথ্যা ভয় দেখিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি করা হয়েছে। তাই আজ তাঁরা তোষণের রাজনীতি ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গের নবনির্মাণ ও প্রগতির মূলস্রোতে আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন (Suvendu Adhikari)।”

    পুরভোট ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

    নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ের পর বিজেপির নজর এখন রাজ্যের বকেয়া পুরভোটের দিকে। বিশেষ করে কলকাতা ও হাওড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরের পুরসভা দখলকে সামনে রেখে দলীয় নেতৃত্বের এই আক্রমণাত্মক অবস্থান রাজ্য রাজনীতিতে যোগ করেছে (Municipal Elections) নতুন মাত্রা।

    উপনির্বাচনের ফলকে হাতিয়ার করে পুরসভা নির্বাচনেও সাফল্যের আশা করছে গেরুয়া শিবির। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে কোন দল কতটা সুবিধা পায়, তা নির্ভর করবে নির্বাচনী প্রচার, নাগরিক পরিষেবা নিয়ে রাজনৈতিক অবস্থান এবং ভোটারদের রায়ের উপর (Suvendu Adhikari)।

     

  • Ramayana Release Date: বিশ্বজুড়ে একই দিনে মুক্তি পাবে রণবীর কাপুরের ‘রামায়ণ’, ঘোষণা নির্মাতাদের

    Ramayana Release Date: বিশ্বজুড়ে একই দিনে মুক্তি পাবে রণবীর কাপুরের ‘রামায়ণ’, ঘোষণা নির্মাতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু প্রতীক্ষার অবসান। রণবীর কাপুর (Ranbir Kapoor’s Ramayana) অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত পৌরাণিক ছবি ‘রামায়ণ’-এর প্রথম পর্বের (Ramayana Release Date) মুক্তির দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলেন নির্মাতারা। আগামী ৫ নভেম্বর, ২০২৬ বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে ৬ নভেম্বর এবং ভারতে ৮ নভেম্বর ছবি মুক্তির সম্ভাবনার কথা শোনা গিয়েছিল। তবে এবার সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একই দিনে ছবি মুক্তির কথা জানিয়েছেন নির্মাতারা। ছবির প্রযোজক নমিত মালহোত্রা এবং পরিচালক নীতেশ তিওয়ারির এই মহাকাব্যিক প্রজেক্ট ঘিরে দর্শকদের মধ্যে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে প্রবল আগ্রহ। সম্প্রতি নবরাত্রির শুভ সূচনায় ছবির নির্মাতারা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টার প্রকাশ করে মুক্তির দিন ঘোষণা করেন। পোস্টারে দেখা গিয়েছে রণবীর কাপুর, সাই পল্লবী, যশ এবং রবি দুবেকে। নির্মাতাদের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, আগামী ২০ অক্টোবর, বিজয়া দশমীর দিন থেকে ছবির প্রথম পর্বের অগ্রিম টিকিট বুকিং শুরু হবে। অর্থাৎ, দুর্গাপুজোর উৎসবের আবহেই শুরু হয়ে যাবে বহু প্রতীক্ষিত এই ছবির টিকিট কাটার পালা।

    বাল্মীকি রামায়ণের আধারে তৈরি মহাকাব্যিক ছবি

    মহর্ষি বাল্মীকি রচিত রামায়ণের কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে ‘রামায়ণ’। বিশাল বাজেট, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণশৈলীর সমন্বয়ে ছবিটিকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম উচ্চাকাঙ্ক্ষী পৌরাণিক প্রজেক্ট হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। ছবিটি দুটি পর্বে মুক্তি পাবে। নীতেশ তিওয়ারি পরিচালিত এই ছবির প্রযোজনায় রয়েছে নমিত মালহোত্রার প্রাইম ফোকাস স্টুডিওজ, ডিএনইজি এবং যশের মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশনস। ছবির সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সুরকার হ্যান্স জিমার এবং ভারতের অস্কারজয়ী সুরকার এ আর রহমান। আইম্যাক্স প্রযুক্তিতে নির্মিত ছবিটি একাধিক ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাষায় মুক্তি পাওয়ার কথা। হিন্দি, ইংরেজি, বাংলা-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষার পাশাপাশি তামিল, তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালম, জাপানি, ম্যান্ডারিন, বাহাসা ইন্দোনেশিয়া, থাই এবং আরবি ভাষাতেও ছবিটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    ছবির প্রথম পর্ব মুক্তি পাবে ৫ নভেম্বর

    ছবির অভিনয়শিল্পীদের তালিকাও যথেষ্ট আকর্ষণীয়। রামচন্দ্রের ভূমিকায় রণবীর কাপুর এবং সীতার ভূমিকায় সাই পল্লবীকে দেখা যাবে। যশের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন সানি দেওল, রবি দুবে, রাকুল প্রীত সিং, অরুণ গোভিল, কাজল আগরওয়াল, বিবেক ওবেরয়, শোভনা, কুণাল কাপুর, লারা দত্ত, শিবা চাড্ডা, ইন্দিরা কৃষ্ণন, অনুপম খের-সহ একাধিক পরিচিত অভিনেতা। ছবির প্রথম পর্ব মুক্তি পাবে ৫ নভেম্বর, ২০২৬। অন্যদিকে, দ্বিতীয় পর্বটি ২০২৭ সালের দীপাবলিতে মুক্তি পাওয়ার কথা। ভারতীয় মহাকাব্যকে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে নতুনভাবে তুলে ধরার এই উদ্যোগ কতটা সাফল্য পায়, এখন সেদিকেই নজর চলচ্চিত্রপ্রেমীদের। বিশ্বজুড়ে একই দিনে মুক্তি এবং দশেরায় অগ্রিম বুকিং শুরুর ঘোষণায় ‘রামায়ণ’ নিয়ে প্রত্যাশা আরও বাড়ল বলেই মনে করছে চলচ্চিত্র মহল।

  • Record DCR Collection: পাথরের রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড বীরভূমের! একদিনেই ৩.৪৪ কোটি আয়

    Record DCR Collection: পাথরের রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড বীরভূমের! একদিনেই ৩.৪৪ কোটি আয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাথরের রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে রেকর্ড গড়ল বীরভূম (Birbhum Stone Revenue)। পাথরের ডিসিআর (DCR) খাতে একদিনে ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করল প্রশাসন। শুধু তাই নয়, প্রশাসনিক সূত্রে খবর, অক্টোবরের প্রথম ১১ দিনেই ৩২ কোটির বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই সাফল্য প্রসঙ্গে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari On Birbhum Stone Revenue)। তাঁর দাবি, রাজস্ব ফাঁকি রোধ এবং সরকারি কোষাগারের আয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

    বীরভূম জেলা প্রশাসনের সাফল্য

    রাজনৈতিক পালাবদলের পর বীরভূমে বালি এবং পাথর খাদানগুলিতে পূর্বতন সরকারের নানা দুর্নীতির খবর প্রকাশ্যে উঠে এসেছিল। ইতিমধ্যেই সেখানকার পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের সম্পত্তির হদিস নিয়ে মামলা চলছে। এমতাবস্থায় বীরভূমের পাথরের ডিসিআর (DCR) খাতে নয়া ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়ল সেখানকার জেলা প্রশাসন। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর ফেসবুকে বীরভূমে পাথরের রাজস্ব আদায়ের একটি রিপোর্ট পোস্ট করেছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন যে, “আজ বীরভূম জেলা প্রশাসনের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য আপামর পশ্চিমবঙ্গবাসীর সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। গতকাল, নবরাত্রির প্রথম দিনেই, পাথরের ডিসিআর থেকে সর্বমোট ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা এক দিনে আদায়ের সর্বকালীন রেকর্ড।”

    আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী

    বিগত সরকারের দুর্নীতির কথা তুলে ধরে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন যে, “গত বছর আগের সরকারের আমলে পুরো অক্টোবর মাসে এই খাতে আদায় হয়েছিল মাত্র ৩ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা। কিন্তু চলতি অক্টোবরের প্রথম ১১ দিনেই আদায় হয়েছে ৩২ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা। পাথরের রাজস্ব থেকে মাসে ১০০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা আমরা এবার ছাড়িয়ে যাব বলে আমি আশাবাদী। রাজস্ব ফাঁকি রোধ ও সরকারি কোষাগারের আয় বৃদ্ধিতে এই সাফল্যের জন্য বীরভূম জেলা প্রশাসন ও ভূমি দফতরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। স্বচ্ছ প্রশাসন, রাজস্ব আদায়ে শৃঙ্খলা এই আমাদের অঙ্গীকার।” বীরভূমের এই সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেছেন ওই জেলার বিধায়ক তথা রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান, “মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারীকে কথা দিয়েছিলাম, শুধু পাথরের রাজস্ব থেকেই মাসে ১০০ কোটি টাকা আদায় করে দেব। অক্টোবরে আমরা তা ছাড়িয়ে যাব। আর একবার ধন্যবাদ জেলা প্রশাসন এবং ভূমি দফতরকে একদিনে এ যাবৎকালের রেকর্ড রাজস্ব আদায় করার জন্য।”

     

     

     

LinkedIn
Share