Tag: Madhyom

Madhyom

  • Daily Horoscope 23 April 2026: আর্থিক স্থিতি ভালো থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 23 April 2026: আর্থিক স্থিতি ভালো থাকবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ (Aries)
    ১. নতুন কাজ শুরু করার ভালো সুযোগ আসতে পারে
    ২. কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন
    ৩. পরিবারে আনন্দময় পরিবেশ থাকবে

    বৃষ (Taurus)
    ১. অর্থনৈতিক দিক উন্নতির সম্ভাবনা
    ২. পুরনো সমস্যার সমাধান হতে পারে
    ৩. স্বাস্থ্যের দিকে একটু নজর দিন

    মিথুন (Gemini)
    ১. যোগাযোগ বাড়বে, নতুন পরিচয় হবে
    ২. কাজে সাফল্য আসবে ধীরে ধীরে
    ৩. ভ্রমণের যোগ রয়েছে

    কর্কট (Cancer)
    ১. মানসিক চাপ কিছুটা বাড়তে পারে
    ২. পারিবারিক বিষয়ে সতর্ক থাকুন
    ৩. অর্থ ব্যয়ে সংযম প্রয়োজন

    সিংহ (Leo)
    ১. আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে
    ২. নতুন দায়িত্ব পেতে পারেন
    ৩. বন্ধুর সাহায্য লাভ করবেন

    কন্যা (Virgo)
    ১. কাজের চাপ বাড়তে পারে
    ২. পরিকল্পনা করে কাজ করলে লাভ হবে
    ৩. স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখুন

    তুলা (Libra)
    ১. দাম্পত্য জীবনে সুখ বজায় থাকবে
    ২. অর্থ লাভের সম্ভাবনা রয়েছে
    ৩. নতুন সুযোগ আসতে পারে

    বৃশ্চিক (Scorpio)
    ১. গোপন শত্রুর থেকে সাবধান থাকুন
    ২. কর্মক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ আসতে পারে
    ৩. ধৈর্য ধরলে সাফল্য পাবেন

    ধনু (Sagittarius)
    ১. ভ্রমণের সুযোগ পেতে পারেন
    ২. শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্য আসবে
    ৩. নতুন পরিকল্পনা সফল হবে

    মকর (Capricorn)
    ১. আর্থিক স্থিতি ভালো থাকবে
    ২. পরিবারে দায়িত্ব বাড়তে পারে
    ৩. কর্মক্ষেত্রে উন্নতির যোগ

    কুম্ভ (Aquarius)
    ১. নতুন ধারণা কাজে লাগাতে পারবেন
    ২. বন্ধুদের সঙ্গে সময় ভালো কাটবে
    ৩. অর্থনৈতিক দিক স্থিতিশীল থাকবে

    মীন (Pisces)
    ১. সৃজনশীল কাজে সাফল্য পাবেন
    ২. প্রেমের ক্ষেত্রে শুভ সময়
    ৩. মানসিক শান্তি বজায় থাকবে

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Supreme Courts: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কারণ কী জানেন?

    Supreme Courts: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত হলেন পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বুধবার, ২২শে এপ্রিল, সুপ্রিম কোর্ট ভর্ৎসনা করে। চলতি বছরের শুরুতে কলকাতার একটি রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থায় ইডি (Supreme Courts) পরিচালিত তল্লাশি অভিযানে হস্তক্ষেপ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার জেরে ভর্ৎসিত হন তিনি। বিচারপতি পিকে মিশ্র এবং এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ জানায়, একজন মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের আচরণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আদালত স্পষ্ট করে দেয়, এটি কেন্দ্র বনাম রাজ্যের বিরোধ নয়, বরং একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির কাজ। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এটি রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে কোনও বিরোধ নয়। কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের মাঝখানে ঢুকে পড়তে পারেন না। এতে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়…।” বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এই ধরনের আচরণ গোটা গণতন্ত্রকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।”

    বিচারপতিদের বক্তব্য (Supreme Courts)

    বিচারপতিরা আরও বলেন, “বিআর আম্বেদকর এবং এইচএম সীরভাইয়ের মতো সাংবিধানিক চিন্তাবিদরাও এমন পরিস্থিতি কল্পনা করতে পারেননি।” শুনানির সময় বেঞ্চের মন্তব্য, “আপনি আমাদের সীরভাই, আম্বেদকর সম্পর্কে বলছেন, কিন্তু তাঁদের কেউই ভাবতে পারেননি যে একদিন কোনও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটি অফিসে ঢুকে পড়বেন…।” আদালত সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে ইডির দায়ের করা আবেদনে এই হস্তক্ষেপের অভিযোগে সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের এক পুলিশ কর্তার পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী মেনেকা গুরুস্বামীর যুক্তি, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য নয় (Mamata Banerjee)।

    সাধারণ ঘটনা নয়

    তিনি বলেন, “আমি গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বলছি… এখানে কোনও অপরাধমূলক কাজ বা ভয় দেখানো হয়নি। তাই এত গুরুতর হস্তক্ষেপের কোনও প্রয়োজন নেই। যদিও আদালত এই যুক্তির সঙ্গে একমত হয়নি। তাদের বক্তব্য, প্রতিটি আইনি প্রশ্ন বড় বেঞ্চে পাঠানোর প্রয়োজন হয় না। প্রতিটি প্রশ্নেই কিছু আইনি দিক থাকবে। তাই বলে প্রতিটি ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের আবেদন ৫ বিচারপতির বেঞ্চে যাবে না (Supreme Courts)।” বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের বাস্তব পরিস্থিতির দিকেও ইঙ্গিত করে এবং বলে এটি কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। তারা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির উল্লেখ করে, যেখানে আধিকারিকদের বাধা দেওয়া হয়েছে, এবং জানায় যে, আদালত এসব উপেক্ষা করতে পারে না। আদালত বলে, “আমরা বাস্তবতা থেকে চোখ বন্ধ করতে পারি না… এটি রাম ও শ্যামের মধ্যে মামলা নয়। এটি এক অসাধারণ পরিস্থিতি, যেখানে বিষয়ের পরিধি সম্পূর্ণ আলাদা।”

    তল্লাশিতে বাধা

    এই মন্তব্যগুলি এসেছে প্রবীণ আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরার যুক্তির প্রতিক্রিয়ায়, যেখানে তিনি বলেন, ইডি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যেতে পারত। এদিকে, ৮ই জানুয়ারি, ২০২৬-এ ইডি আই-প্যাকের অফিস এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাসভবনে তল্লাশি চালায়। এই অভিযানটি ২০২০ সালের কয়লা পাচার কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত অর্থ পাচারের তদন্তের অংশ ছিল, যেখানে ব্যবসায়ী অনুপ মাজির নাম জড়িত (Mamata Banerjee)। তল্লাশির সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, টিএমসি নেতৃবৃন্দ এবং রাজ্য পুলিশ-সহ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযানে বাধা দেন। তাঁরা আধিকারিকদের সঙ্গে তর্ক করেন এবং নথি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেমন একটি ল্যাপটপ এবং একটি আইফোন সরিয়ে নেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তিনি দলীয় তথ্য বিজেপির হাতে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য এই কাজ করেছিলেন (Supreme Courts)।

     

  • ED: বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যেই আরও দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব ইডির, কোন মামলায়?

    ED: বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যেই আরও দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব ইডির, কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যেই ফের দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। রাজ্যের দুই বিদায়ী মন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু (Sujit Bose) এবং রথীন ঘোষকে চলতি সপ্তাহেই হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৪ এপ্রিল শুক্রবার তাঁদের তলব করা হয়েছে বলে খবর। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। সেদিনই ভাগ্য নির্ধারণ হবে সুজিত এবং রথীনের।

    নির্বাচনের আবহে দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব ইডির (ED)

    বিধাননগর কেন্দ্র থেকে লড়ছেন সুজিত, আর মধ্যমগ্রাম কেন্দ্র থেকে লড়ছেন রথীন। এই প্রথম নয়, আগেও একাধিকবার ইডি তলব করেছিল তাঁদের। সেই মতো ইডি দফতরে গিয়ে হাজিরাও দিয়েছিলেন তাঁরা। পরে ইডির তলব পেয়ে যাবতীয় নথিপত্র নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে গিয়েছিলেন সুজিতের ছেলে। বৃহস্পতিবার ২৩ তারিখে হবে প্রথম দফার নির্বাচন। এই আবহে তৃণমূলের আরও এক প্রার্থী দেবাশিস কুমারকেও একাধিকবার তলব করেছে ইডি। তাঁর বাড়িতে আয়কর দফতরে হানা দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

    মমতার প্রতিক্রিয়া 

    লাগাতার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তলব পেয়েছেন দলের একের পর এক নেতা। তার প্রেক্ষিতে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় ইডি-সহ কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে হাতিয়ার করে বিরোধীদের প্রচারে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, বারবার তলবের মাধ্যমে প্রার্থীদের ব্যস্ত রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ভোটের মুখে ইডির এই পদক্ষেপ নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Sujit Bose)।

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বেআইনি জমি দখলের মামলায় তদন্ত শুরু করেছে ইডি (ED)। শহরের একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়ি এবং অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছে ইডির তরফে। ইডির দাবি, অমিত গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক ব্যবসায়ী শহরের একাধিক জমি অবৈধভাবে দখল করতেন। পরে পুরসভা থেকে নথি তৈরি করে বিক্রি করতেন অন্যদের কাছে। সম্প্রতি রাজারহাটে ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রবীণ নাগরিকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেত্রী নুসরত জাহানের বিরুদ্ধে (Sujit Bose)। তার জেরে তলব করা হয়েছিল নুসরতকেও (ED)।

     

  • Amit Shah: ‘‘কলকাতাকে বস্তি বানিয়েছেন মমতা! অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল গড়েছে তৃণমূল’’, তোপ অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘‘কলকাতাকে বস্তি বানিয়েছেন মমতা! অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল গড়েছে তৃণমূল’’, তোপ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রচার চলাকালীন কলকাতার বর্তমান অবস্থা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মহানগররের পরিকাঠামোগত অবনতি এবং বস্তি এলাকার সমস্যা তুলে ধরে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেন। সেই সঙ্গে দিলেন বিজেপি সরকার হলেই ১ লক্ষ বেকারের চাকরি নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি।

    গত ১৫ বছরে তৃণমূলের মা মাটি সরকার নারী সুরক্ষা থেকে শিক্ষক দুর্নীতির একাধিক ইস্যুতে জনগণের চরম বিক্ষোভের মধ্যে পড়েছে। নির্বাচন আবহে বিজেপির মমতা সরকারের একাধিক অনুন্নয়ন, দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, বালি-কয়লা-মাটি-পাথর পাচার, রেশন দুর্নীতি, মিডডে মিল দুর্নীতি, আম্ফানে দুর্নীতি, আবাস-একাশদিনের কাজে দুর্নীতি-সহ একাধিক ঘটনা ব্যাপক ভাবে শাসকদলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। একই ভাবে ২৬ হাজার শিক্ষকদের চাকরি বাতিল, কাটমানি, সিন্ডিকেট, আরজিকর ধর্ষণকাণ্ড, সন্দেশখালিতে শাহজাহানের নারী নির্যাতনের বিষয় জনমানুষের মনে ক্ষোভ চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। তাই রাজনৈতিক ভাবে এই সব বিষয়কে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট যুদ্ধে নেমেছে বিজেপি। রাজ্যে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছেন প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ।

    পরিকল্পনার অভাবে শহরটি ক্রমশ শ্রীহীন কলকাতা (Amit Shah)

    জনসভায় ভাষণ (West Bengal Elections 2026) দেওয়ার সময় অমিত শাহ (Amit Shah) মন্তব্য করেন যে, এক সময়ের ‘প্রাসাদ নগরী’ বা ‘সিটি অফ প্যালেসেস’ হিসেবে পরিচিত কলকাতা বর্তমান শাসনামলে অবহেলার শিকার। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে তোপ দেগে বলেন, “সঠিক পরিকল্পনার অভাবে শহরটি ক্রমশ শ্রীহীন হয়ে পড়ছে, দীর্ঘ বাম শাসন এবং বর্তমানে তৃণমূলের রাজত্বে কলকাতা ‘বস্তির শহর’-এ পরিণত হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভোটব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখতে এই বস্তিগুলিতেই অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছেন।”

    হারানো গৌরবকে পুনরুদ্ধারের লড়াই

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, গত দেড় দশকে কলকাতায় নতুন কোনও উল্লেখযোগ্য পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। বরং ক্রমবর্ধমান বস্তি এলাকা এবং নাগরিক পরিষেবার অভাব শহরবাসীকে চরম দুর্ভোগে ফেলেছে। নাগরিক জীবন যাপনের বেহাল দশা নিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “এই ভোট শুধু বিধায়ক বানানোর ভোট নয়, এটি কলকাতার হারানো গৌরবকে পুনরুদ্ধারের লড়াই। বিজেপি প্রার্থীদের জেতাতে বা বিজেপি সরকার গড়তে আপনাদের ভোট দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনারা ভোট দিন (West Bengal Elections 2026) পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য। ভোট দিন কলকাতাকে আবার শ্রেষ্ঠ শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য।”

    তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতার স্মারক

    নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আবহে কলকাতার এই পরিস্থিতিকে তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতার স্মারক হিসেবে তুলে ধরেন  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বস্তিগুলিতে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দিয়ে নিজের ভোটব্যাঙ্ক তৈরি করতে চান। তিনি চান না সাধারণ মানুষ উন্নত জীবনযাপন করুক। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলো সঠিক ভাবে রূপায়ণ না হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে আর তাঁর আগে কমিউনিস্টদের আমলে গোটা শহরটা বস্তির শহর হয়ে রয়ে গিয়েছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যে এমন অনেক শহর আছে যেগুলি আজ বস্তিমুক্ত হয়ে উঠেছে। কিন্তু দিদি তার প্রয়োজন মনে করেন না।”

    চারটে বড় শিল্পশহর বানাব

    এদিনের সভায় অমিত শাহ (Amit Shah) রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের ডাক দিয়ে একাধিক প্রতিশ্রুতির কথাও বলেছেন। ভোটাররা যাতে সম্পূর্ণ ভাবে নিজেদের ভোট গ্রহণ করতে পারেন তাই মানুষের আত্ম বিশ্বাস অর্জনে জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিজেপির সরকার গঠিত হওয়ার পরে চারটে বড় শিল্পশহর বানাবো। যে সব প্রতিষ্ঠান মমতার সিন্ডিকেটের জন্য বাইরে চলে গিয়েছে, সেই সব প্রতিষ্ঠানকে আবার পশ্চিমবঙ্গে চালু করবে বিজেপি সরকার।”

    ১ লক্ষ চাকরি দেওয়া হবে

    তিনি নির্বাচনী প্রচারে (West Bengal Elections 2026) আরও বলেন, “তরুণদের প্রতি বছর ১ লক্ষ চাকরি দেওয়া হবে। বাড়ি বসে নিয়োগপত্র পাবেন, এমন ভাবে কাজ করবে বিজেপি।বিজেপি যেখানে যেখানে ক্ষমতায় এসেছে মহিলাদের সুরক্ষার কথা ভেবেছে। আপনারা বিজেপির সরকার গড়ে দিন, প্রত্যেক দিদির অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা পাঠাবো আমরা। ৪ মে সকালেই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে। ৮টায় ব্যালট বক্স খোলা হবে, ৯টায় প্রথম রাউন্ডের ফল আসবে, ১০টায় দ্বিতীয় রাউন্ড এবং ১টার মধ্যেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তারপরই হবে-দিদি টাটা, গুড বাই!”

    বিজেপির প্রতিশ্রুতি

    অমিত শাহ (Amit Shah) প্রতিশ্রুতি দেন যে, রাজ্যে ক্ষমতার (West Bengal Elections 2026) পরিবর্তন হলে কলকাতাকে পুনরায় আধুনিক ও বিশ্বমানের মেগাসিটিতে রূপান্তর করা হবে। নির্বাচনের তপ্ত আবহে কলকাতার নগরায়ন এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধাকে হাতিয়ার করে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন অমিত শাহ। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে শহরের মান অবনমন এবং বেকারত্ব প্রসঙ্গে সাধারণ জনতার মন জয় করেছেন বলে মনে করছেন রাজনীতির এক শ্রেণির বিশেষজ্ঞরা। এখন ভোটের বাক্সে কতটা প্রতিফলিত হয় তাই দেখার।

  • WB Assembly Election 2026: আজ রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, কার কার ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে এদিন?

    WB Assembly Election 2026: আজ রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, কার কার ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে এদিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন। দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট হবে চলতি মাসেরই ২৯ তারিখে (WB Assembly Election 2026)। ২৩ তারিখে প্রথম দফায় ভোট হবে রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে। এই দফায় ভোট হচ্ছে উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং রাঢ় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায়। ভোটগ্রহণ হচ্ছে উত্তরবঙ্গের কোচবিহারের ৯টি আসন, আলিপুরদুয়ারের ৫টি, জলপাইগুড়ির ৭টি, কালিম্পঙের ১টি এবং দার্জিলিঙের (Candidate List) ৫টি আসনে। দুই দিনাজপুরের যথাক্রমে ৯টি (উত্তর) ও ৬টি (দক্ষিণ) আসন, মালদার ১২টি আসনেও ভোট হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার সব আসনেও ভোট হচ্ছে।

    কোথায় কোন হেভিওয়েট (WB Assembly Election 2026)

    এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক প্রথম দফার নির্বাচনে কোন কোন হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে। এই তালিকায় রয়েছেন নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী, বহরমপুরে কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী, খড়্গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ, মাথাভাঙায় বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রমাণিক, রেজিনগর ও সুতিতে (WB Assembly Election 2026) জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীর, দিনহাটায় তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ, শিলিগুড়িতে তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব এবং বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ। মালতিপুরে কংগ্রেস প্রার্থী মৌসম বেনজির নূর, আসানসোল দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল, হাসনে তৃণমূল প্রার্থী কাজল শেখ, সবংয়ে তৃণমূল প্রার্থী মানস ভুঁইঞা, এগরায় বিজেপি প্রার্থী দিব্যেন্দু অধিকারী, করণদিঘিতে সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ শাহাবউদ্দিন, রায়গঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী, বালুরঘাটে তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ, রাজগঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্ন বর্মণ, রানিবাঁধে সিপিএম প্রার্থী দেবলীনা হেমব্রম, সাগরদিঘিতে তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস, দার্জিলিংয়ে নির্দল প্রার্থী অজয় এডওয়ার্ডস, ডোমকলে তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীর, ডেবরায় তৃণমূল প্রার্থী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, কেশপুরে তৃণমূল প্রার্থী শিউলি সাহা, জাঙ্গিপাড়ায় তৃণমূল প্রার্থী স্নেহাশিস চক্রবর্তী এবং বোলপুরে তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রনাথ সিনহা। সিপিএমের তরফে এবার প্রার্থী করা হয়েছে এক ঝাঁক তরুণ-তরুণীকে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন (Candidate List) উত্তরপাড়া কেন্দ্রের মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, দমদম উত্তরে দীপ্সিতা ধর এবং মহেশতলায় সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো প্রার্থীরা (WB Assembly Election 2026)।

    সবচেয়ে চর্চিত কেন্দ্র নন্দীগ্রাম

    এদিকে, রাজ্যের সবচেয়ে চর্চিত কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। এই কেন্দ্রে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের প্রার্থী পবিত্র কর। রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড় হিসেবেই পরিচিত এই কেন্দ্র। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামের পাশাপাশি এবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীকে গোহারা হারাতেই ভবানীপুরে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু। এদিকে, উত্তরবঙ্গের একটি কেন্দ্রেও দ্বৈরথ দেখতে মুখিয়ে রয়েছে তামাম বাংলা। একুশের নির্বাচনে শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিএমের হেভিওয়েট প্রার্থী অশোক ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেছিলেন বিজেপির শঙ্কর ঘোষ। অথচ, একসময় অশোকের সঙ্গেই সিপিএম করতেন শঙ্কর। পরে দল বদলে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। সেবার লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী ওমপ্রকাশ মিশ্র। শঙ্কর পেয়েছিলেন ৫০ শতাংশ ভোট। ঘাসফুল প্রার্থীর ঝুলিতে পড়েছিল ৩০.১১ শতাংশ ভোট। গতবারের এই ফারাক মিটিয়ে জয় পাওয়াই এখন প্রধান লক্ষ্য গৌতম দেবের। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবার বেশ কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়েছেন শিলিগুড়ির মেয়র (WB Assembly Election 2026)।

    শক্তিশালী বিজেপি

    প্রসঙ্গত, উত্তরবঙ্গে সাংগঠনিকভাবে রাজ্যের অন্য জায়গার থেকে বেশ শক্তিশালী বিজেপি। প্রথম দফার নির্বাচনে যত বেশি সম্ভব আসনে জয় পাওয়াই লক্ষ্য পদ্ম শিবিরের। এদিকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার ছুটে গিয়েছেন উত্তরবঙ্গে। তবে তাতে যে আদতে কিছু লাভ হবে, তা মনেই করছেন না নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এবারও উত্তরবঙ্গে একচেটিয়া খেলবে বিজেপি। তৃণমূলের অবস্থা হবে মা লক্ষ্মীর পায়ের কাছে থাকা পেঁচার মতো (WB Assembly Election 2026)।

    বাহিনী মোতায়েন কত

    ২০০১ সালে শেষবার রাজ্যে এক দফায় হয়েছিল বিধানসভা নির্বাচন। এত কম দফায় আর কখনও বিধানসভা নির্বাচন হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল। সেই তুলনায় এবারের ২ দফার নির্বাচন অনেক বেশি (Candidate List) সংক্ষিপ্ত এবং দ্রুত সম্পন্ন হতে চলেছে। প্রথম দফার ভোটে মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে নির্বাচন কমিশন। সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। তবে মুর্শিদাবাদ জেলাকে দুই ভাগে ভাগ করেছে কমিশন। এক, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা। দুই, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা। দুই মিলিয়ে মুর্শিদাবাদে মোট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে ৩১৬ কোম্পানি। তার মধ্যে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায়ই থাকবে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। বাকি ৭৬ কোম্পানি মোতায়েন করা হবে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় (WB Assembly Election 2026)।

    তার পরেও বাংলার প্রথম দফার নির্বাচন বিনা রক্তপাতে হয় কিনা, এখন তা-ই দেখার।

     

  • Dantan Violence: প্রচারে বেরিয়ে দাঁতনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, কাঠগড়ায় তৃণমূল, ভোটের আগেই ঝরল রক্ত

    Dantan Violence: প্রচারে বেরিয়ে দাঁতনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, কাঠগড়ায় তৃণমূল, ভোটের আগেই ঝরল রক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে আক্রমণের শিকার বিজেপি প্রার্থী স্বয়ং। প্রচারের শেষ দিনে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনে (Dantan Violence) আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী অজিত কুমার জানা। গণতন্ত্রের উৎসবকে আক্ষরিক অর্থেই রক্তাক্ত করে ছাড়ল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল (TMC)! বিজেপি প্রার্থীর হাত ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর গাড়ি ও মিছিলে থাকা প্রচুর বাইক ভাঙচুর করা হয়। লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী। হামলার প্রতিবাদে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা।

    বিজেপির মিছিলে হামলা (Dantan Violence)

    মঙ্গলবার সকালে দাঁতনের বিজেপি প্রার্থী অজিত কুমার জানার সমর্থনে হরিপুর থেকে একটি বিশাল বাইক র‍্যালির আয়োজন করা হয়। র‍্যালিটি সাবড়া থেকে মোহনপুর যাওয়ার পথে আঁতলা এলাকায় পৌঁছলে পরিস্থিতি বদলে যায়। অভিযোগ, আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল দুষ্কৃতী লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিজেপির মিছিলে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

    রণক্ষেত্রের চেহারা

    প্রার্থীর ওপর হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা মোহনপুর থানার সামনে এগরা-সোলপাট্টা রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তার জেরে দীর্ঘক্ষণ ওই রুটে যান চলাচল বন্ধ থাকে। অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ নামানো হয়। পদ্মশিবিরের দাবি, হামলাকারীরা তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। লাঠির ঘায়ে প্রার্থীর একটি হাত ভেঙে গিয়েছে, গুরুতর চোট লেগেছে মাথায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। জখম হওয়া অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের চিকিৎসা চলছে মোহনপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। প্রথম দফার নির্বাচনের ঠিক আগে দাঁতনের এই ঘটনার জেরে বাড়ানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি। পুলিশ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে কড়া পদক্ষেপও করা হচ্ছে (Dantan Violence)।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    ভোটের মুখে প্রার্থীকে জখম করে দেওয়ায় সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। দলের জেলা নেতৃত্বের দাবি, “নি আমাদের প্রার্থীর ওপর (TMC) প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছে।” প্রার্থী বলেন, ‘মিছিলে রড, বাঁশ, লাঠি দিয়ে আমাদের ৫০-৬০ জন কর্মীকে মারধর করা হয়। কারও কারও হাতে আগ্নেয়াস্ত্রও ছিল। আমি জিপ থেকে নেমে কর্মীদের বাঁচাতে গেলে, আমাকেও বাঁশ দিয়ে মারে।’ তাঁর অভিযোগ, ‘মূল অভিযুক্তদের পুলিশ গ্রেফতার করছে না। ভোটের দিনেও ভোটারদের আটকে রাখার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ভয় দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে ওদের। পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন, সন্দেহজনক প্রতিটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করুন (Dantan Violence)।’

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    জেলার পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন, ‘দুপুর ১২টা নাগাদ বেলদায় একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির অনুমতি ছিল। শুধু দু’টি গাড়ির অনুমতি ছিল। সেই র‍্যালি ৬টা গাড়ি ও ৮০-৮৫টি মোটরবাইক নিয়ে বেলদা থানা থেকে মোহনপুর থানা এলাকায় ঢোকে। সেখানে তাদের অনুমতি ছিল না। সে দিক দিয়ে যাওয়ার সময়ে আঁতলা গ্রামে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ২৫-৩০টি গাড়ি ভাঙচুর হয়, দু’টি মোটরবাইক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ৫৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। পুলিশ দ্রুত পৌঁছে (TMC) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে। কাউকে রেয়াত করা হবে না। এলাকায় আরও বেশি নজরদারি করা হবে।’ এদিকে, সূত্রের খবর, বুধবার পর্যন্ত সব মিলিয়ে মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের বেশির ভাগই তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক (Dantan Violence)।

     

  • Amit Shah in Bengal: টানা সাত দিন বাংলায় থাকবেন শাহ! দ্বিতীয় দফার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে রাত জেগে বৈঠক

    Amit Shah in Bengal: টানা সাত দিন বাংলায় থাকবেন শাহ! দ্বিতীয় দফার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে রাত জেগে বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৭ এপ্রিল, সোমবার পর্যন্ত কলকাতাতেই থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah in Bengal)। মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপির একটি সূত্রে এ কথা জানা গিয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে যে যে রাজ্যেই বিজেপি সরকার গঠিত হয়েছে, সেখানে বিকাশ হয়েছে। এবার বাংলার পালা। বাংলায় পরিবর্তন (Assembly Election 2026) আনতে, ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়তে বদ্ধপরিকর বিজেপি। বঙ্গ জয়ের লক্ষ্যে এবার আর কোনও ফাঁক রাখতে নারাজ গেরুয়া শিবির। তাই ভোটের ময়দান ছেড়ে এখনই দিল্লি ফেরার কোনও পরিকল্পনা নেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah)। বিজেপি সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফার প্রচারের শেষ দিন অর্থাৎ আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাতেই থাকছেন শাহ। আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) যখন প্রথম দফার ভোট হবে, তখনও শাহ রাজ্যেই থাকবেন।

    দ্বিতীয় দফার ভোটের রণকৌশল নিয়ে বৈঠক

    দ্বিতীয় দফার ভোটের রণকৌশল নিয়ে মঙ্গলবার গভীর রাতে বিজেপির নিউ টাউনের দফতরে বৈঠক করেন শাহ (Amit Shah in Bengal)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন যে সব এলাকায়, সেখানকার জেলা সভাপতি, জেলা ইনচার্জ এবং প্রবাসী জেলা ইনচার্জদের নিয়ে বৈঠকে বসেন তিনি। চারটি সাংগঠনিক জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতারা বৈঠকে ডাক পেয়েছিলেন, যার অধীনে রয়েছে ১৩টি সাংগঠনিক জেলা। এ ছাড়া শাহের সঙ্গে ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদব, বিপ্লব দেব, সুনীল বনসল এবং অমিত মালব্য। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ বৈঠক শুরু করেন শাহ। বৈঠক শেষ হয় ১২টা ৫ নাগাদ।

    শাহের নজরে কোন বিধানসভা কেন্দ্রে কী পরিস্থিতি

    পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট আগামী ২৯ এপ্রিল। সোমবার সেখানে প্রচারের সময়সীমা শেষ হচ্ছে। বিজেপি সূত্রে খবর, ওই ১৩টি জেলায় যত বিধানসভা আসন রয়েছে, সেগুলির প্রতিটির বিষয়ে আলাদা আলাদা করে হিসেব নিয়েছেন শাহ (Amit Shah in Bengal)। কোন বিধানসভা কেন্দ্রে কী পরিস্থিতি, কতটা সংখ্যালঘু ভোট, এসআইআর-পরবর্তী পরিস্থিতি কেমন, কোনটায় জেতার পরিস্থিতি রয়েছে, কোনটায় সে পরিস্থিতি নেই— সে সব তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে নেন শাহ। তাঁর নিজের কাছেও সে সংক্রান্ত রিপোর্ট রয়েছে। কিন্তু যাঁরা সরেজমিনে এলাকাগুলি সামলাচ্ছেন, তাঁদের উপলব্ধি জানেন বিজেপির চাণক্য।

    উত্তরবঙ্গ শেষ, এবার টার্গেট দক্ষিণ

    ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গের প্রচার পর্ব সাঙ্গ করেছেন অমিত শাহ। এবার তাঁর পুরো নজর বাকি থাকা ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রের ওপর। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে (BJP South Bengal Strategy) পদ্ম শিবিরের জমি শক্ত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। দিল্লি থেকে মাঝপথে রাজ্যে ফিরে আসার পর থেকেই শাহ চষে বেড়াচ্ছেন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা। কিন্তু সূত্রের খবর, আগামী কয়েকটা দিন তিনি মূলত দক্ষিণবঙ্গেই ফোকাস করতে চলেছেন তিনি। কেবল জনসভা বা রোড শো নয়, পর্দার আড়ালে সাংগঠনিক বৈঠকেও জোর দিচ্ছেন শাহ।

    বুধ সকালেও প্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ

    বুধবার সকালেও স্বস্তিতে নেই গেরুয়া শিবির। সকাল হতেই একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছেন অমিত শাহ। নির্বাচনের আগের এই শেষ মুহূর্তের টিপস প্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কোন কেন্দ্রে কী সমস্যা, বা তৃণমূলের পাল্টা কী চাল দেওয়া যেতে পারে, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। নিচুতলার কর্মীদের সক্রিয়তা এবং বুথ স্তরের সংগঠন নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন শাহ। বেশ কিছু কেন্দ্রে প্রবাসীদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে যাতে সমন্বয় সাধনে কোনও ত্রুটি না থাকে।

    বাংলার লড়াই-এর গুরুত্ব

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এভাবে টানা ১৫ দিন একটি রাজ্যে পড়ে থাকা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এর থেকে স্পষ্ট যে, ২০২৬-এর বাংলার লড়াইকে (Assembly Election 2026) বিজেপি কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতিটি জনসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের নিরাপত্তার খাতিরেই বাংলায় পরিবর্তন দরকার। যেভাবে বাংলায় দুর্নীতি হয়েছে, সিন্ডিকেট রাজ সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ট করে তুলেছে, অনুপ্রবেশ এত বেড়েছে যে পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্বই সঙ্কটে পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সিল করে বাংলা ও দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে বের করা দরকার। এর মুক্তি একটাই, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার গঠন।

     বাংলায় পরিবর্তন আসবেই

    বুধবারও, পশ্চিমবঙ্গে ভোটপ্রচার (Assembly Election 2026) করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah in Bengal)। আজ তাঁর জোড়া জনসভা রয়েছে। প্রথম সভা হুগলির সপ্তগ্রামে। তারপর উত্তর ২৪ পরগনার, হাবড়ায়। প্রসঙ্গত, ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নকে ঘিরে আয়োজিত কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে শাহ ঘোষণা করেছিলেন, ভোটের প্রচারে নিজে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে তিনি টানা ১৫ দিন বাংলায় থাকবেন। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, “এই নির্বাচনে বাংলায় পরিবর্তন আসবেই।” বাংলার মানুষের সামনে এক সুবর্ণ সুযোগ। এবার বিজেপি ক্ষমতায় এলে মেধার ভিত্তিতে প্রতি বছর এক লক্ষ যুবককে চাকরি দেওয়া হবে। বাংলায় শিল্প-হাব গড়ে তুলে স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে, বলে জানান শাহ। বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে গেলে বিজেপি-ই একমাত্র পথ। সেই পথ প্রশস্ত করতেই আগামী সাতদিন বাংলায় থাকতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির চাণক্য অমিত শাহ।

     

  • Chhattisgarh: মাওদমনে ফের সাফল্য ছত্তিশগড় পুলিশের, কুখ্যাত কমান্ডার দর্সু সোরির আত্মসমর্পণ, মাথার দাম ছিল ৮ লক্ষ

    Chhattisgarh: মাওদমনে ফের সাফল্য ছত্তিশগড় পুলিশের, কুখ্যাত কমান্ডার দর্সু সোরির আত্মসমর্পণ, মাথার দাম ছিল ৮ লক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) নকশাল দমন অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল রাজ্যের নিরাপত্তা বাহিনী। রাজ্য পুলিশের কাছে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করলেন ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মাওবাদী কমান্ডার দর্সু সোরি। দর্সুর (Maoist Commander Darsu Sori) মাথার ওপর ৮ লক্ষ টাকার পুরস্কার মূল্য ঘোষণা করা ছিল। সরকারের ‘পুনর্বাসন নীতি’ এবং মাওবাদী আদর্শের অন্তঃসারশূন্যতায় বীতশ্রদ্ধ হয়েই তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার (Chhattisgarh)

    দীর্ঘদিন ধরে দণ্ডকারণ্য ও সংলগ্ন এলাকায় মাওবাদী কার্যকলাপের অন্যতম নিয়ন্ত্রক ছিলেন এই দর্সু সোরি। বুধবার তিনি পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে নিজের অস্ত্র ও বেশ কিছু বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁর আত্মসমর্পণকে মাওবাদী শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছে প্রশাসন। আত্মসমর্পণের সময় দর্সু সোরি একটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক সরঞ্জামও পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ সূত্রে খবর, এই গ্যাজেটগুলো থেকে মাওবাদীদের গোপন যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

    একাধিক হত্যা, অপহরণ এবং নাশকতামূলকের কর্ণধার

    দর্সু সোরি (Maoist Commander Darsu Sori) মাওবাদীদের এরিয়া কমিটির সদস্য এবং সামরিক শাখার কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব সামলাতেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা, অপহরণ এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। আত্মসমর্পণ করে দর্সু বলেন, মাওবাদী সংগঠনের ভেতরের বৈষম্য এবং উন্নয়নবিরোধী মানসিকতার কারণে তিনি তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছিলেন। এছাড়া ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) সরকারের বিশেষ পুনর্বাসন প্যাকেজ আমাকে মূলস্রোতে ফিরতে উৎসাহিত করেছে।

    আত্মসমর্পণ অত্যন্ত কার্যকর

    বক্সার এবং দান্তেওয়াড়া রেঞ্জের পুলিশ আধিকারিকরা এই কুখ্যাত মাওবাদীর পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। পুলিশ বিবৃতি দিয়ে জানায়, মাওবাদীদের সম্পূর্ণ প্রভাব হ্রাস করতে এই ধরনের আত্মসমর্পণ অত্যন্ত কার্যকর। দর্সু সোরিকে (Maoist Commander Darsu Sori) সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা এবং পুনর্বাসনের সমস্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে। গত কয়েক মাসে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বাস্তার ও দান্তেওয়াড়া অঞ্চলে একের পর এক মাওবাদী নেতার আত্মসমর্পণ ও গ্রেফতারি প্রমাণ করছে যে, সশস্ত্র আন্দোলনের ভিত্তি ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। প্রশাসনের আশা, দর্সুর পথ অনুসরণ করে আরও অনেক বিভ্রান্ত যুবক অস্ত্র ছেড়ে শান্তির পথে ফিরে আসবে।

  • Pahalgam Terror Attack: ‘সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না ভারত’, পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তিতে কড়া বার্তা মোদির

    Pahalgam Terror Attack: ‘সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না ভারত’, পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তিতে কড়া বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত কখনওই কোনও ধরনের সন্ত্রাসের সামনে মাথা নত করবে না। সন্ত্রাসবাদীদের জঘন্য পরিকল্পনা কখনওই সফল হবে না। পহেলগাঁও সন্ত্রাসের বর্ষপূর্তিতে দেশবাসীকে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাকিস্তানের মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীদের হামলার নিহত পর্যটকদের স্মরণ করে বুধবার সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘‘গত বছর এই দিনে পহেলাগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলায় হারিয়ে যাওয়া নিরীহ প্রাণগুলিকে স্মরণ করছি। তাঁদের কখনওই ভোলা যাবে না। এই যন্ত্রণার সঙ্গে লড়াই করা শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির কথা ভাবছি, কী ভীষণ ক্ষতির সঙ্গে যুঝছেন তাঁরা।’’ বুধবার বৈসরণ উপত্যকার একাংশ-সহ জম্মু ও কাশ্মীরের ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র খুলে দেওয়া হয়েছে। পহেলগাঁও সন্ত্রাসের পর থেকে সেগুলি বন্ধ ছিল।

    শোক ও দৃঢ় সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ

    নয় নয় করে এক বছর পার পহেলগাঁও হামলার। ২০২৫ সালে ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় পাক সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় ২৬ জন হিন্দু পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছিল। পহেলগাঁও হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধেছিল, আড়াআড়ি দ্বিধাবিভক্ত হয়ে গিয়েছিল আন্তর্জাতিক মহলও। এতদিন পরও সেই দিনটি স্মরণ করে শিউড়ে ওঠেন সকলে। সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ করে মোদি লিখেছেন, ‘‘একটি জাতি হিসেবে, আমরা শোক ও দৃঢ় সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ। ভারত কোনও রকমের সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না। জঙ্গিদের চক্রান্ত সফল হবে না কখনও।’’ একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনরায় স্পষ্ট করেন।

    ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র খুলে দেওয়া হল

    অনন্তনাগ জেলার পহেলগাঁও শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই সবুজ বিস্তীর্ণ তৃণভূমি বৈসরনে শুধু পায়ে হেঁটে বা ঘোড়ায় চড়ে পৌঁছোনো যায়। যাকে ভালবেসে ভ্রমণপিপাসুরা ‘মিনি সুই‌ৎজারল্যান্ড’ বলে থাকেন। গত বছর ২২ এপ্রিল সন্ত্রাসবাদী হামলার পরে উপত্যকার প্রায় ৫০টির বেশি পর্যটনস্থল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ২০২৬ সালের মার্চে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে টিউলিপ বাগান-সহ ১২টি পর্যটনস্থল খুলে দেওয়া হয়েছিল। বুধবার আরও ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র উন্মুক্ত করা হল ভ্রমণার্থীদের জন্য। পহেলগাঁও থেকে বৈসরণ উপত্যকাগামী হাঁটাপথে বুধবার কিছু পর্যটক গিয়েছিলেন। তাঁদের সুরক্ষার জন্য গোটা এলাকা জুড়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করেছিল কেন্দ্রীয় আধাসেনা। চিহ্নিত এলাকার বাইরে পর্যটকদের যাওয়ার উপর ছিল কড়া বিধিনিষেধ।

    পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতীয় সেনার

    পহেলগাঁও হামলা এবং পরবর্তী সিঁদুর অভিযানকে স্মরণ করে মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিল ভারতীয় সেনা। সেনার পোস্টে প্রতিবেশী দেশকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়— কিছু সীমা কখনওই লঙ্ঘন করা উচিত নয়। তার পরিণতি হয় ভয়ানক। পহেলগাঁওয়ের বর্ষপূর্তিতে পাকিস্তানের নাম না করেই সেনার তরফে দেওয়া হয় কঠোর বার্তা। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে একটি কার্ড পোস্ট করেছে ভারতীয় সেনা। সেখানে লেখা হয়েছে— “কিছু সীমা লঙ্ঘন করা উচিত নয়।” তার ঠিক নিচেই লেখা, “ভারত কখনও ভুলবে না।” এইসঙ্গে পোস্টের ক্য়াপশানে লেখা হয়েছে— “যখন মানবতার সীমা লঙ্ঘন করা হয়, তার পরিণতি হয় ভয়ানক। তাই কিছু সীমা কখনওই লঙ্ঘন করা উচিত নয়। বিচার অবশ্যই পাওয়া যায়। ভারত ঐক্যবদ্ধ।”

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক

    পহেলগাঁও হামলায় নিহতদের স্মরণে লিডার নদীর তীরে কালো মার্বেল দিয়ে একটি স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হয়েছে। সেই স্মৃতিসৌধে হামলায় নিহতদের নাম খোদাই করা রয়েছে। বুধবার স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য সভার আয়োজন করা হয়। পর্যটকরাও নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সেখানে। হামলার বার্ষিকী উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে সর্বত্র। লিডার নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা এই স্মৃতিস্তম্ভ আজ দেশের কাছে এক বেদনাদায়ক স্মৃতি এবং একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক।

    ভারতীয় সেনার হামলায় বিপর্যস্ত জঙ্গিরা

    ২০২৫ সালে ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা হামলা চালায়। ধর্ম জিজ্ঞেস করে করে পর্যটকদের খুন করা হয়েছিল পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে। এই হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছিলেন। এর মধ্যে ২৫ জন পর্যটক। একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী টাট্টুঘোড়াওলা। এই হামলার জবাবে সিঁদুর অভিযানে চালায় ভারতীয় সেনা। পাক ভূখণ্ডে ঢুকে জঙ্গিঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর পরেই ভারত-পাক যুদ্ধ শুরু হয়। এই জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।

    অপারেশন মহাদেব

    হামলার পর ভারতীয় সেনা শুরু করে ‘অপারেশন মহাদেব’। দাচিগাম ও মহাদেব রিজ সংলগ্ন দুর্গম পার্বত্য এলাকায় টানা ৯৩ দিন ধরে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা খতিয়ে দেখা হয়। শেষ পর্যন্ত হামলার মূল তিন জঙ্গিকে খতম করতে সক্ষম হয় সেনা। ভারতীয় সেনা জানায়, “ভারতের বিরুদ্ধে যে কোনও হামলার জবাব নিশ্চিত। ন্যায়বিচার হবেই।” পহেলগাঁও হামলার পর ‘অপারেশন মহাদেব’ ও ‘অপারেশন সিঁদুর’—দুটি পদক্ষেপই দেখিয়েছে, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ভারতের কৌশল স্পষ্ট, দ্রুত প্রতিক্রিয়া, নিখুঁত আঘাত এবং কোনওরকম আপস নয়। ভারত সরকার ও সেনার বার্তা স্পষ্ট,“ভারত ঐক্যবদ্ধ, মানবতার সীমা লঙ্ঘিত হলে জবাব হবে নির্ণায়ক।”

  • West Bengal Elections 2026: কমিশনের নির্দেশ নেই অথচ কলকাতায় কেন মদের দোকান-পানশালা বন্ধ? আবগারি দফতরের জবাব চাইবেন সিইও

    West Bengal Elections 2026: কমিশনের নির্দেশ নেই অথচ কলকাতায় কেন মদের দোকান-পানশালা বন্ধ? আবগারি দফতরের জবাব চাইবেন সিইও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সন্ধে থেকে রাজ্যের সমস্ত পানশালা এবং মদের দোকান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যদিও প্রথম পর্বে কলকাতায় ভোট (West Bengal Elections 2026) নেই, তবুও কেন বন্ধ? পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ কুমার আগরওয়াল স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, কলকাতায় মদের দোকান বন্ধ রাখার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনও বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়নি। এই পরিস্থিতিতে শহরের দোকানগুলি কেন বন্ধ রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি রাজ্য আবগারি দফতরের কাছে কৈফিয়ত তলব করবেন বলে জানিয়েছেন।

    যেখানে ভোট নেই, সেখানে কেন দোকান বন্ধ থাকবে (West Bengal Elections 2026)

    সাধারণ নির্বাচনী বিধি (West Bengal Elections 2026) অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী ক্ষেত্রে ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে মদের দোকান বন্ধ রাখার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু যেখানে ভোট নেই, সেখানে কেন দোকান বন্ধ থাকবে—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই বিষয়ে কমিশনের (CEO) বক্তব্য, যথাযথ নির্দেশ না দেওয়ায় কেন লিকার শপ বন্ধ এই নিয়ে ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের আবগারি দফতরের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। উপযুক্ত জবাব না পাওয়া গেলে হতে পারে বিশেষ ব্যবস্থাও।

    সিইও-র প্রতিক্রিয়া

    মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, ‘‘কমিশন এমন কোনও নির্দেশ দেয়নি। কেন কলকাতায় মদের দোকান ও পানশালা বন্ধ রাখা হয়েছে, তা আমরা আবগারি দফতরের কাছে জানতে চাইব।’’ উল্লেখ্য নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) হোক বা অন্য কোনও বিষয় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা অজুহাত দেখিয়ে প্রথমে বন্ধ করে এরপর আবার ঘুরিয়ে চড়া দামে অধিক লাভের কৌশল করে। তাই এই চক্রকে বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট দফতরে বিশেষ জবাব তলব করেছে নির্বাচন কমিশন (CEO)।

    সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ

    ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফার ভোটগ্রহণের প্রাক্কালে হঠাৎ করেই কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় মদের দোকান বন্ধ হতে দেখা যায়, যা সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে। তবে নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগেই মদের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ থাকে। প্রথম দফায় ভোট ২৩ এপ্রিল। এই পর্বে ১৫২ বিধানসভায় ভোট তাই ২০ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল বন্ধ থাকবে। অপরে ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট। তাই ২৫ এপ্রিল থেকে ২৯ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। একই ভাবে ৪ এপ্রিল গণনা সেইদিনও বন্ধ থাকবে। ফলে যেখানে যখন বিধিনিষেধ থাকা উচিত তা আবগারি দফতর পালন করছে না বলে অভিযোগ উঠে এসেছে।

LinkedIn
Share