Tag: Madhyom

Madhyom

  • Record DCR Collection: পাথরের রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড বীরভূমের! একদিনেই ৩.৪৪ কোটি আয়

    Record DCR Collection: পাথরের রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড বীরভূমের! একদিনেই ৩.৪৪ কোটি আয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাথরের রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে রেকর্ড গড়ল বীরভূম (Birbhum Stone Revenue)। পাথরের ডিসিআর (DCR) খাতে একদিনে ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করল প্রশাসন। শুধু তাই নয়, প্রশাসনিক সূত্রে খবর, অক্টোবরের প্রথম ১১ দিনেই ৩২ কোটির বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই সাফল্য প্রসঙ্গে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari On Birbhum Stone Revenue)। তাঁর দাবি, রাজস্ব ফাঁকি রোধ এবং সরকারি কোষাগারের আয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

    বীরভূম জেলা প্রশাসনের সাফল্য

    রাজনৈতিক পালাবদলের পর বীরভূমে বালি এবং পাথর খাদানগুলিতে পূর্বতন সরকারের নানা দুর্নীতির খবর প্রকাশ্যে উঠে এসেছিল। ইতিমধ্যেই সেখানকার পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের সম্পত্তির হদিস নিয়ে মামলা চলছে। এমতাবস্থায় বীরভূমের পাথরের ডিসিআর (DCR) খাতে নয়া ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়ল সেখানকার জেলা প্রশাসন। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর ফেসবুকে বীরভূমে পাথরের রাজস্ব আদায়ের একটি রিপোর্ট পোস্ট করেছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন যে, “আজ বীরভূম জেলা প্রশাসনের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য আপামর পশ্চিমবঙ্গবাসীর সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। গতকাল, নবরাত্রির প্রথম দিনেই, পাথরের ডিসিআর থেকে সর্বমোট ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা এক দিনে আদায়ের সর্বকালীন রেকর্ড।”

    আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী

    বিগত সরকারের দুর্নীতির কথা তুলে ধরে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন যে, “গত বছর আগের সরকারের আমলে পুরো অক্টোবর মাসে এই খাতে আদায় হয়েছিল মাত্র ৩ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা। কিন্তু চলতি অক্টোবরের প্রথম ১১ দিনেই আদায় হয়েছে ৩২ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা। পাথরের রাজস্ব থেকে মাসে ১০০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা আমরা এবার ছাড়িয়ে যাব বলে আমি আশাবাদী। রাজস্ব ফাঁকি রোধ ও সরকারি কোষাগারের আয় বৃদ্ধিতে এই সাফল্যের জন্য বীরভূম জেলা প্রশাসন ও ভূমি দফতরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। স্বচ্ছ প্রশাসন, রাজস্ব আদায়ে শৃঙ্খলা এই আমাদের অঙ্গীকার।” বীরভূমের এই সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেছেন ওই জেলার বিধায়ক তথা রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান, “মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারীকে কথা দিয়েছিলাম, শুধু পাথরের রাজস্ব থেকেই মাসে ১০০ কোটি টাকা আদায় করে দেব। অক্টোবরে আমরা তা ছাড়িয়ে যাব। আর একবার ধন্যবাদ জেলা প্রশাসন এবং ভূমি দফতরকে একদিনে এ যাবৎকালের রেকর্ড রাজস্ব আদায় করার জন্য।”

     

     

     

  • Jantar Mantar Protest: দিল্লিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা, প্রতিবাদের জন্য নির্ধারিত হল তিনটি বিকল্প স্থান

    Jantar Mantar Protest: দিল্লিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা, প্রতিবাদের জন্য নির্ধারিত হল তিনটি বিকল্প স্থান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভ কর্মসূচির জায়গা হিসেবে যন্তর-মন্তরকে (Jantar Mantar Protest) ডি-নোটিফাই করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। দিল্লিতে এই এলাকায় আর বিক্ষোভ দেখানো যাবে না। বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য তিনটি জায়গাকে চিহ্নিত করল কেন্দ্র। দিল্লির যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের নির্ধারিত স্থান হিসেবে বাতিল করার কথা জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। পরিবর্তে রাজধানীর তিনটি পৃথক এলাকায় বিক্ষোভের জন্য নতুন স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী দিনে প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজনের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। চলতি বছর, ২৮ এপ্রিল দিল্লি পুলিশের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করে প্রতিবাদস্থল হিসাবে যন্তর মন্তরকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। এ বার সেই নির্দেশিকায় বদল আনল অমিত শাহের অধীনে থাকা দিল্লি পুলিশ। যন্তর মন্তরের কাছে রয়েছে বেশ কিছু সরকারি দফতর। মনে করা হচ্ছে, তার আশপাশে যাতে প্রতিবাদ কর্মসূচি না হয়, তাই এই পদক্ষেপ।

    দিল্লি পুলিশের বিশেষ নির্দেশিকা

    ১১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে জারি করা এক নির্দেশ অনুযায়ী, নতুন নির্ধারিত স্থানগুলি হল পুরনো দিল্লির রামলীলা ময়দান, পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড এবং উত্তর দিল্লির বুরাড়ি গ্রাউন্ড। যন্তর মন্তর থেকে এই স্থানগুলির দূরত্ব যথাক্রমে প্রায় ৩ কিলোমিটার, ১৩.৫ কিলোমিটার এবং ৪৪ কিলোমিটার। দিল্লি পুলিশের কমিশনার অনুরাগ কুমারের স্বাক্ষরিত এই নির্দেশে ২৮ এপ্রিল, ২০২২-এর পূর্ববর্তী নির্দেশ আংশিক সংশোধন করা হয়েছে। ওই নির্দেশে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, নতুন তিনটি স্থানে বিক্ষোভ ও জমায়েত পরিচালনার জন্য সংশোধিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) পরে প্রকাশ করা হবে। দিল্লি পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমারের প্রকাশিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘‘কমিটির সুপারিশ মোতাবেক যন্তর মন্তর আর প্রতিবাদস্থল থাকছে না। প্রতিবাদ বা বিক্ষোভ কর্মসূচি করার জন্য এ বার তিনটি স্থান নির্ধারিত হয়েছে— রামলীলা ময়দান, বুরারি মাঠ এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি মাঠ।’’ ওই তিনটি স্থানে প্রতিবাদ কর্মসূচি করতে হলে কী ভাবে অনুমতি নিতে হবে, বা কী কী করতে হবে, তা নিয়ে শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে নির্দেশিকা (এসওপি)।’’

    শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে সরব সিজেপি

    যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া নিয়ে কক্‌রোচ জনতা পার্টি (CJP) এবং দিল্লি পুলিশের মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। সোমবার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার বাইরে এসে সিজেপি-র নেতারা বিক্ষোভের জন্য নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণার দাবি জানান। দলের বক্তব্য, তারা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের পরিকল্পনার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশকে জানিয়েছিলেন এবং পুলিশ সেই বার্তা গ্রহণও করেছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বিক্ষোভের তারিখ জানানো হয়নি। অনুমতি না দেওয়ার কারণও তাদের স্পষ্ট করে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। সিজেপি-র প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, বিক্ষোভের তারিখ জানানোর জন্য পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর না এলে দল মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। সম্প্রতি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও তুলেছেন দাস। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীদের বাসের ভিতরে মারধর করা হয়েছে। পাশাপাশি, দলের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে কথা বলতে ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ এবং অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ এড়িয়ে গিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দাসের কথায়, “ভারত সরকার নিজের নাগরিকদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ চালাচ্ছে।” তবে দল শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চালিয়ে যাবে বলেও তিনি জানান।

    কেন যন্তর মন্তর-এ সভা নয়

    অন্যদিকে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে INDIA জোটের সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে প্রস্তাবিত মিছিলকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীতে নিরাপত্তার কড়াকড়ি এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের উপর বিধিনিষেধ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী নেতারা। যদিও দিল্লি পুলিশের নির্দেশে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের স্থান হিসেবে বাতিল করার কারণ হিসেবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের গঠিত একটি কমিটির সুপারিশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সিজেপি-র দাবির বা ইন্ডি জোটের প্রস্তাবিত মিছিলের সরাসরি যোগসূত্র নির্দেশে স্পষ্ট করা হয়নি। তবে রাজধানীতে একের পর এক প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার আবহে এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    যন্তর মন্তর বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে শুনানি

    যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ বন্ধ করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা একটি মামলার শুনানি মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, দিল্লি হাই কোর্টে হওয়ার কথা। আবেদনকারীর আইনজীবীর যুক্তি ছিল, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ বন্ধ করা হলেও বিকল্প কোনও স্থান নির্ধারণ করা হয়নি। এ ছাড়াও, ১০ ও ১১ অক্টোবর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ কর্মসূচি সংক্রান্ত পৃথক একটি মামলাও মঙ্গলবার শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে আদালত জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করেনি। আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিষয়টি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিবেচনাধীন এবং শীর্ষ আদালত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে হলফনামা চেয়েছে। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প স্থান নির্ধারণের সিদ্ধান্তকে ঘিরে আগামী দিনে আইনি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

     

     

     

     

     

     

  • Durga Puja Weather Update: পুজোতেও বৃষ্টি, নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! পঞ্চমী থেকে দশমী কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    Durga Puja Weather Update: পুজোতেও বৃষ্টি, নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! পঞ্চমী থেকে দশমী কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকের আওয়াজ শোনা গিয়েছে। মহালয়া এবং প্রতিপদে শহরের বেশ কিছু পুজো প্যান্ডেলের উদ্বোধন হয়ে গিয়েছে। পুজোর আনন্দে মেতে উঠতে ধীরে ধীরে পথে বাড়ছে মানুষের ঢল। প্যান্ডেল হপিং, সাজগোজ থেকে শুরু করে রেস্তরাঁয় জমিয়ে খাওয়া দাওয়া- দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2026) পাঁচদিনের প্ল্যানিং করে ফেলেছে বাঙালি। কিন্তু এই উৎসাহে জল ঢালতে প্রস্তুত আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Forecast)। বঙ্গোপসাগরে ফের ঘনীভূত হচ্ছে নিম্নচাপ (Rain Forecast)। মঙ্গলবারই দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নতুন নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এরফলে পুজোর দিনগুলিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস (Durga Puja Weather) দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    কীভাবে দানা বাঁধছে এই নিম্নচাপ

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মালাক্কা প্রণালীর উপর একটি ঊর্ধ্ব বায়ুমণ্ডলীয় ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯.৪ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত এবং অত্যন্ত সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই ঘূর্ণাবর্তটি প্রবেশ করতে চলেছে আন্দামান সাগরে। এর জেরেই আগামী ১৩ অক্টোবর নাগাদ দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর আনুষ্ঠানিকভাবে তৈরি হতে পারে নতুন নিম্নচাপ অঞ্চলটি। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, নিম্নচাপটির অভিমুখ তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের দিকে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে বুধবার চতুর্থী থেকে আবহাওয়ায় পরিবর্তন হতে পারে। সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বেলা বাড়লে মেঘের আনাগোনা বাড়বে। এ দিন উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে এক-দু’টি জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে শুকনো আবহাওয়া থাকবে।

    পঞ্চমী থেকে অষ্টমীর আবহাওয়া

    পঞ্চমী: দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, দুই মেদিনীপুর জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ষষ্ঠী (১৬ অক্টোবর): এই দিন দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং হুগলির বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলির কোনও কোনও জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির দেখা মিলতে পারে।

    সপ্তমী: উত্তর ও দক্ষিণ দুই বঙ্গেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাহাড়ের কোলে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার এক-দু’টি জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রপাতের সম্ভাবনা আছে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং হুগলি জেলার বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে।

    অষ্টমী: মহাষ্টমীর দিনে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং জেলার দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রপাত হতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলোতে আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। আর দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে, উপকূল ও সংলগ্ন জেলা যেমন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের কিছু কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।

    ছাতা সঙ্গে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ

    নবমী ও দশমীতে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে, উৎসবের দিনগুলিতে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা দর্শন এবং প্যান্ডেল হপিংয়ের সময় ছাতা সঙ্গে রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে বলে পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

  • Houthi Attack: রিয়াধ বিমানবন্দরে হুথি হামলা, মৃত বেড়ে ১৩, নিহত এক ভারতীয়ও

    Houthi Attack: রিয়াধ বিমানবন্দরে হুথি হামলা, মৃত বেড়ে ১৩, নিহত এক ভারতীয়ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াধের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় মৃতের (Houthi Attack) সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক ভারতীয় নাগরিকও। রবিবার সৌদি আরবে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস ওই ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। দূতাবাস সূত্রে এও জানানো হয়েছে, জখম তিন ভারতীয় নাগরিক চিকিৎসাধীন। তাঁদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। আহত আরও (Riyadh Airport) দুই ভারতীয় সাধারণ ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। বাকিদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    কী জানাল ভারতীয় দূতাবাস (Houthi Attack)

    রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে রিয়াধে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানায়, ১০ অক্টোবরের হামলায় আহত এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মৃতদেহ দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে দূতাবাস।

    দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, “১০ অক্টোবর রিয়াধ বিমানবন্দরে হামলার বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য। জানা গিয়েছে, রিয়াধে হামলায় আহত এক ভারতীয় নাগরিকের আজ দুর্ভাগ্যজনকভাবে মৃত্যু হয়েছে। মৃতের পরিবারের প্রতি আমরা আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। পরিবারের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখছি এবং মৃতদেহ দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেব।”

    এর পরেই দূতাবাসের আধিকারিকেরা আহত ভারতীয়দের দেখতে হাসপাতালগুলিতে যান। পরে জারি করা আরও একটি বিবৃতিতে দূতাবাস জানায়, তিন ভারতীয় পরিচর্যা কেন্দ্রে থাকলেও তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল। আরও দু’জন সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। বাকি আহত ভারতীয়দের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    দূতাবাসের দ্বিতীয় বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “রিয়াধ বিমানবন্দরে হামলার বিষয়ে আরও একটি সর্বশেষ তথ্য। হামলায় আহত ভারতীয় নাগরিকেরা যে সব  হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, আমাদের দূতাবাসের আধিকারিকেরা সেই সব হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। আগেই জানানো হয়েছে, দুর্ভাগ্যজনকভাবে এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। তিন জন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছেন, তবে তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল। আরও দু’জন সাধারণ ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন এবং বাকিদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আহত ভারতীয় নাগরিকদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য আমরা সৌদি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। তাঁদের পরিবারগুলিকে আশ্বস্ত করছি যে দূতাবাসের তরফে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা করা হবে।”

    সৌদি আরবের বক্তব্য

    এর আগে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর সৌদি আরবের সাধারণ অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন, এই হামলায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৩০৯ জন। মৃতদের মধ্যে চার জন সৌদি নাগরিক এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দু’জন বাংলাদেশের নাগরিক এবং আমেরিকা, মিশর, জর্ডন, সিরিয়া, প্যালেস্টাইন ও সুদানের এক জন করে নাগরিক ছিলেন। পরবর্তী সময়ে এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর খবর সামনে আসায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ হয়েছে (Houthi Attack)।

    সৌদি কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সাধারণ অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করছে যে এই হামলায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে চার জন সৌদি নাগরিক এবং অন্যদের মধ্যে দু’জন বাংলাদেশের নাগরিক, এক জন আমেরিকান, এক জন মিশরীয়, এক জন জর্ডনীয়, এক জন সিরীয়, এক জন প্যালেস্টাইনি এবং এক জন সুদানি নাগরিক রয়েছেন। হামলায় আরও ৩০৯ জন আহত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”

    হামলার নিন্দা অস্ট্রেলিয়ারও

    এই হামলার নিন্দা করেছে অস্ট্রেলিয়াও। সে দেশের বিদেশমন্ত্রী পেনি ওং সৌদি আরবে হামলা এবং অসামরিক পরিকাঠামোকে নিশানা করার ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “সৌদি আরবে হুথিদের হামলার নিন্দা করছে অস্ট্রেলিয়া। রিয়াধ বিমানবন্দরে হামলায় বহু নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। অসামরিক নাগরিক এবং অসামরিক পরিকাঠামোর উপর হুথিদের হামলা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।”

    উল্লেখ্য, এর আগে ৬ ও ৭ অক্টোবর কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই হামলাগুলিতে তিন জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং আহত হয়েছিলেন ৩৬ জন।

    ১১ অক্টোবরের হামলার পর ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরীক্ষা চালানোর জন্য বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন (Riyadh Airport) কর্তৃপক্ষ।

    পরপর হামলার ঘটনায় ওই অঞ্চলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। চলছে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার চেষ্টা (Houthi Attack)।

     

  • India: হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার নিন্দা ভারতের, নিখোঁজ দুই ভারতীয় নাবিক

    India: হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার নিন্দা ভারতের, নিখোঁজ দুই ভারতীয় নাবিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরমুজ প্রণালীতে দু’টি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাল ভারত (India)। এই অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তার উপর ক্রমবর্ধমান হুমকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। একটি জাহাজে চালকবিহীন আকাশযানের হামলায় দুই ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ হয়েছেন বলে খবর। অন্য একটি জাহাজে অজ্ঞাত বস্তু আঘাত করার পর আগুন ধরে যায়। তবে দ্বিতীয় জাহাজে থাকা ১১ জন ভারতীয় নাবিকই নিরাপদ রয়েছেন বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক।

    বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, নিখোঁজ নাবিকদের সন্ধান পেতে ওমানের রাজধানী মাসকটে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস ওমানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং জাহাজ পরিচালনাকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছে। একই সঙ্গে আলোচনা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে অবিলম্বে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে ভারত।

    বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য (India)

    বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “২০২৬ সালের ১১ অক্টোবর হরমুজ প্রণালী অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজের উপর হামলার নিন্দা জানাচ্ছি। পেট্রো ডলফিন নামের জাহাজটি চালকবিহীন আকাশযানের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর। জাহাজটিতে থাকা ১১ জন ভারতীয় নাবিকের মধ্যে দু’জন নিখোঁজ রয়েছেন। এদিকে, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার ভালথেরা অজ্ঞাত একটি বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তাতে আগুন ধরে যায়।”

    বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা সরকারের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বাণিজ্যিক জাহাজের উপর বারবার হামলার ঘটনা ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভারতীয় নাবিকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা ভারত সরকারের কাছে অগ্রাধিকারের বিষয়। এই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজের উপর বারবার হামলার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এর ফলে আগে থেকেই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি আরও অবনতির মুখে পড়তে পারে।”

    ভারতের তরফে সংঘাতের সঙ্গে জড়িত সব পক্ষকে সংযম দেখানোর এবং আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মেটানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট করেছে, বাণিজ্যিক জাহাজ, নাবিক এবং অসামরিক পরিকাঠামোর উপর হামলা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক জলপথে অবাধ নৌ-চলাচলের অধিকার রক্ষা এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার উপরও জোর দিয়েছে ভারত।

    দু’টি জাহাজে হামলার ঘটনা

    রবিবার পেট্রো ডলফিন নামের বাণিজ্যিক জাহাজটিতে চালকবিহীন আকাশযানের আঘাত লাগে। ওই জাহাজে থাকা ১১ জন ভারতীয় নাবিকের মধ্যে দু’জনের খোঁজ মিলছে না। তাঁদের সন্ধান ও উদ্ধারের জন্য তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

    অন্যদিকে, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার ভালথেরায় অজ্ঞাত একটি বস্তু আঘাত হানলে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। বিদেশ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ওই জাহাজে থাকা ১১ জন ভারতীয় (India) নাবিকই নিরাপদ রয়েছেন।

    আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালীতে এই হামলার ঘটনায় জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি রুখতে দ্রুত উত্তেজনা প্রশমন এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পক্ষেই সওয়াল করেছে ভারত (India)।

     

  • Olympics 2036: ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের স্বপ্নপূরণে এগিয়ে চলেছে ভারত, জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Olympics 2036: ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের স্বপ্নপূরণে এগিয়ে চলেছে ভারত, জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের মাটিতে বিশ্বের বৃহত্তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের স্বপ্নের কথা ফের জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শারোদৎসবের প্রাক্কালে ক্রীড়া উৎসবের কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী। জানালেন , ২০৩৬ সালের অলিম্পিক গেমস (Olympics 2036) আয়োজনের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে ভারত। রবিবার (১১ অক্টোবর) চেন্নাইয়ে জয়গোপাল গারোদিয়া হিন্দু বিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত যখন ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন আমরা ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের স্বপ্ন নিয়েও এগিয়ে চলেছি।”

    সম্ভাব্য আয়োজক শহর আমেদাবাদ

    ভারত প্রথমবারের মতো অলিম্পিক গেমস আয়োজনের জন্য সক্রিয়ভাবে উদ্যোগী হয়েছে। এই লক্ষ্যে গুজরাটের আমেদাবাদকে সম্ভাব্য আয়োজক শহর হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমসও এই শহরেই আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির কথায়, আন্তর্জাতিক স্তরের বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো আরও উন্নত করা এবং তরুণ খেলোয়াড়দের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

    কমনওয়েলথ আয়োজনের অভিজ্ঞতা

    আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) সঙ্গে বর্তমানে ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজন নিয়ে আলোচনায় রয়েছে মোট সাতটি দেশ। ভারত ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে জার্মানি, হাঙ্গেরি, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং তুরস্ক। আইওসি ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে আগ্রহী দেশগুলির মধ্যে থেকে সম্ভাব্য আয়োজকদের সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করতে পারে। ২০৩৬ সালের অলিম্পিকের চূড়ান্ত আয়োজক দেশের নাম ২০২৯ সালে ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আইওসি প্রেসিডেন্ট কার্স্টি কোভেন্ট্রিও জানিয়েছেন, যে দেশই অলিম্পিক আয়োজন করুক, ক্রীড়াবিদদের অভিজ্ঞতা ও স্বার্থকে সমস্ত প্রক্রিয়ার কেন্দ্রে রাখতে হবে। আসন্ন ২০২৮ সালের অলিম্পিক হবে লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং ২০৩২ সালের আসর বসবে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে। ভারতের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া পরিকাঠামো, আয়োজনের সক্ষমতা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির মাধ্যমে এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের অভিজ্ঞতা ২০৩৬ সালের অলিম্পিকের দাবিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • PM Modi: “বিশ্বের প্রয়োজনীয় সমাধান দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে তোমাদেরই’’, তরুণ প্রজন্মকে বার্তা মোদির

    PM Modi: “বিশ্বের প্রয়োজনীয় সমাধান দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে তোমাদেরই’’, তরুণ প্রজন্মকে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তরুণ প্রজন্মের প্রতি ফের বিশেষ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর মতে, বর্তমান বিশ্বের যেসব সমাধান অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে, সেগুলি খুঁজে বের করার ক্ষমতা রয়েছে নবীন প্রজন্মের (Gen Z) হাতেই। তাই নিজেদের ভবিষ্যৎকে বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার এবং বড় স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় এখনই। তরুণদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, নির্ভয়ে নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করতে হবে, প্রচলিত চিন্তাধারার বাইরে গিয়ে ভাবতে হবে এবং নিজেদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

    চেন্নাইয়ের নন্দনবক্কমে চেন্নাই বাণিজ্য কেন্দ্রে জয়গোপাল গারোদিয়া হিন্দু বিদ্যালয় ম্যাট্রিক উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উন্নত ভারত গড়ে তোলার জন্য যে নতুন ভাবনা ও সমাধানের প্রয়োজন, তা শুধু ভারতের ভবিষ্যৎকেই রূপ দেবে না, গোটা বিশ্বের ভবিষ্যৎ গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।”

    তরুণদের সম্ভাবনার উপর আস্থা (PM Modi)

    তরুণদের সম্ভাবনার উপর আস্থা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আজ গোটা বিশ্ব বিভিন্ন সমস্যার সমাধান খুঁজছে। সেই সমাধান দেওয়ার সম্ভাবনা তোমাদের রয়েছে। আমি চাই, প্রত্যেক তরুণ-তরুণী নিজেদের ভবিষ্যৎকে বৃহত্তর পরিসরে দেখুক। কারণ, এটাই তোমাদের সময়, এটাই তোমাদের সুযোগ।” নিজেকে কাশীর প্রতিনিধি হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মহান তামিল কবি সুব্রহ্মণ্য ভারতীর কথাও স্মরণ করেন। নির্ভীকভাবে জীবনযাপনের অনুপ্রেরণা জোগানো এই কবির ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এখানে উপস্থিত প্রত্যেকের কাছে আমার আবেদন, নিজেদের নির্ভীক হওয়ার সুযোগ দাও। নিজেদের ভাবনা নিয়ে কাজ কর। বড় স্বপ্ন দেখ, অন্যভাবে চিন্তা কর এবং নির্ভয়ে এগিয়ে চলো।” তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে আশাবাদী বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতে অফুরন্ত সুযোগ রয়েছে। এটাই তোমাদের সময়, এটাই তোমাদের সুযোগ। আমরা একসঙ্গে এই কাজ করে দেখাব।”

    তরুণদের ক্ষোভের আবহে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

    প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা এমন একটা সময়ে এল, যখন দিল্লিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভে নেমেছে পড়ুয়া ও তরুণদের একাংশ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই সংশোধন প্রক্রিয়াকে ঘিরে প্রতিবাদ ক্রমশ জোরালো হয়েছে।

    শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভের আগে পুলিশ আটক করে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-সহ দলের আরও দুই নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রানকাকে। মুম্বই থেকে তাঁদের বিমান দিল্লিতে অবতরণের কিছুক্ষণের মধ্যেই আটক করা হয়। এর পাশাপাশি, প্রায় তিন হাজার মানুষকে আটক করা হয় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয় একাধিক মেট্রো স্টেশন ও পরিষেবা, পাশাপাশি থামিয়ে দেওয়া হয় স্থানীয় ট্রেন চলাচলও (PM Modi)।

    এই পরিস্থিতিতে বিশেষ শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, নিতান্ত প্রয়োজন না হলে সমস্ত ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলতে হবে। একই সঙ্গে বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা, ২০২৩-এর ১৬৩ ধারার প্রয়োগ প্রত্যাহারের বিষয়েও কর্তৃপক্ষকে বিবেচনা করতে বলা হয়।

    তরুণদের অসন্তোষ কি বড় চ্যালেঞ্জ বিজেপির?

    এর আগে চিকিৎসা প্রবেশিকা পরীক্ষা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে বিক্ষোভ হয়েছিল। সেই আন্দোলনের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হয়।

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে চেন্নাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে। বেকারত্ব, স্বচ্ছতার অভাব এবং বিভিন্ন সরকারি প্রক্রিয়া নিয়ে তরুণদের মধ্যে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, তা কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছে ক্রমশ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

    তৃতীয় দফার (Gen Z) শাসনকালে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তরুণ ভোটারদের আস্থা অর্জন এবং তাঁদের প্রত্যাশার সঙ্গে নিজেদের রাজনৈতিক বার্তাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা শাসকদলের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে তরুণদের স্বপ্ন, উদ্ভাবনী শক্তি ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ক্ষমতার উপর প্রধানমন্ত্রীর এই জোর দেওয়াকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে (PM Modi)।

  • CJP and Delhi Police: ‘অমানবিক আচরণের’ অভিযোগ খারিজ! দীপকের দাদির মৃত্যুসংবাদ দেওয়ার ভিডিও প্রকাশ দিল্লি পুলিশের

    CJP and Delhi Police: ‘অমানবিক আচরণের’ অভিযোগ খারিজ! দীপকের দাদির মৃত্যুসংবাদ দেওয়ার ভিডিও প্রকাশ দিল্লি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিজেপির (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের দিদার মৃত্যুসংবাদ তাঁকে জানানোর সময় দিল্লি পুলিশ ‘অমানবিক আচরণ’ করেছে বলে যে অভিযোগ উঠেছিল। প্রমাণ দেখিয়ে সেই অভিযোগ খারিজ করল দিল্লি পুলিশ। অভিযোগের জবাবে একটি ভিডিও প্রকাশ করে পুলিশের দাবি, দীপকে-কে সংবেদনশীলতার সঙ্গেই দুঃসংবাদটি জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি, তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ এবং প্রয়োজনে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা সাংবাদিক বৈঠকে অভিযোগ করেছিলেন, প্রতিরোধমূলক হেফাজতে থাকা অভিজিৎকে তাঁর দিদার মৃত্যুর খবর জানানোর সময় পুলিশ অমানবিক আচরণ করেছে। এমনকি, সেই মুহূর্তের ভিডিও রেকর্ড করাকেও তিনি পুলিশের অসংবেদনশীলতার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।

    দিল্লি পুলিশের দাবি

    সিজেপির অভিযোগের পরই পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করেন দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (DCP) নেহা যাদব। সেখানে প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, এক মহিলা পুলিশকর্মী শান্তভাবে দীপককে তাঁর দাদির মৃত্যুর খবর জানাচ্ছেন। কিছুটা সময় দেওয়ার পর তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে চান কি না, কিংবা বাড়ি ফেরার জন্য বিমানযাত্রার ব্যবস্থা-সহ কোনও সাহায্য প্রয়োজন কি না। পুলিশের দাবি, দীপক সেই প্রস্তাবগুলি প্রত্যাখ্যান করেন। ডিসিপি নেহা যাদবের বক্তব্য, “অভিজিৎ দীপকের দাদির মৃত্যুর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ আধিকারিকরা তাঁর কাছে গিয়ে বিষয়টি জানান এবং সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার প্রস্তাব দেন। বিমানযাত্রা, ফোনে কথা বলা কিংবা অন্য কোনও সাহায্যের প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা সংবেদনশীলতার সঙ্গে জানতে চাওয়া হয়। তাঁকে একাধিকবার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি রাজি হননি।”

    কেন সিজেপি-কে বিক্ষোভের অনুমতি নয়

    এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে দিল্লিতে সিজেপি-র প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করেন ডিসিপি যাদব। তাঁর দাবি, অতীতে বিক্ষোভের অনুমতি ও প্রশাসনিক নির্দেশিকা মেনে চলার ক্ষেত্রে সিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ ছিল। বিশেষত, প্রশ্নপত্র ফাঁস-বিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন হিংসা, পাথর ছোড়া এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি পুলিশের। ডিসিপি-র কথায়, “আগে অনুমতি দেওয়া হলেও তাঁরা আইন মেনে চলেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের জমায়েত থেকে ব্যাপক পাথর ছোড়া, অগ্নিসংযোগ ও হিংসার ঘটনা ঘটে এবং সরকারি সম্পত্তির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়।” তিনি আরও জানান, জনপথে প্রস্তাবিত অবস্থান-বিক্ষোভের ক্ষেত্রে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ না করা, অতীতের নিয়মভঙ্গের অভিযোগ এবং তৎকালীন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনা করেই অনুমতি দেওয়া হয়নি।

    বিমানবন্দর থেকে আটক, পরে মুক্তি

    উল্লেখ্য, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে দিল্লিতে অনুমতিহীন বিক্ষোভের আশঙ্কায় বিমানবন্দর থেকে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। তাঁদের হেফাজতে রাখা হয়েছিল। পরদিন, অর্থাৎ ১১ অক্টোবর, এক বছরের বন্ড জমা দেওয়ার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে শান্তিভঙ্গ হতে পারে, এমন কোনও কার্যকলাপে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকারও তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

  • CJI: বিরোধী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে রাজি নন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, সুপ্রিম কোর্টের পথে ‘গণতন্ত্রের মিছিল’

    CJI: বিরোধী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে রাজি নন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, সুপ্রিম কোর্টের পথে ‘গণতন্ত্রের মিছিল’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের (CJI) সঙ্গে বৈঠক করতে চেয়েছিলেন লোকসভা ও রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গে। কিন্তু সেই আবেদন পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে বিরোধী জোটের প্রস্তাবিত মিছিলের আগে, ১২ অক্টোবর বিকেল ৪টে থেকে ৫টার মধ্যে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়েছিলেন তাঁরা। নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ-সহ একাধিক দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়াই ছিল তাঁদের উদ্দেশ্য। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, প্রধান বিচারপতির সিদ্ধান্ত ইমেলের মাধ্যমে দুই বিরোধী নেতাকে জানানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, যে বিষয়গুলি নিয়ে রাহুল ও খাড়্গে আলোচনা করতে চেয়েছিলেন, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। তাই এই পরিস্থিতিতে আলাদা করে বৈঠক করা সমীচীন নয়। পাশাপাশি, প্রশাসনিক ভূমিকা পালন করতে গিয়ে আদালত সরকারের কার্যকলাপে হস্তক্ষেপ করতে পারে না বলেও জানানো হয়েছে। তবে মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য তাঁরা বিচারবিভাগীয় প্রক্রিয়ার সাহায্য নিতে পারেন বলে বিরোধী নেতাদের জানানো হয়েছে।

    কেন প্রতিবাদে সরব বিরোধীরা? (CJI)

    ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই মূলত বিরোধীদের আন্দোলন। অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় বহু ভোটারের নাম অন্যায়ভাবে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে এবং ভোটার তালিকায় কারচুপি করা হচ্ছে। বিরোধী দলগুলির দাবি, নির্বাচন কমিশন শাসক দল বিজেপির প্রতি পক্ষপাতিত্ব করছে। সেই সঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের জবাবদিহির দাবিও তুলেছে তারা।

    নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার বিভিন্ন বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তাঁদের আপত্তির একটি বড় অংশই ছিল ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে।

    যদিও নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, আলোচনার সময় মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। কমিশনের দাবি, তাদের নির্দেশগুলির আইনি ভিত্তি রয়েছে এবং যাবতীয় সিদ্ধান্ত নির্ধারিত আইন ও বিধি মেনেই নেওয়া হয়।

    ‘গণতন্ত্রের মিছিলে’র ডাক কংগ্রেসের

    সোমবারের কর্মসূচির নাম দিয়েছে কংগ্রেস, ‘চলো দিল্লি—গণতন্ত্রের মিছিল’। দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে দিল্লির কনট প্লেস ও বারাখাম্বা রোডের সংযোগস্থলে জমায়েত হওয়ার জন্য অংশগ্রহণকারীদের আহ্বান জানানো হয়েছে।

    রাহুল জানিয়েছেন, তরুণ সমাজ, বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা এই মিছিলে অংশ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দিকে এগিয়ে যাবেন। শনিবার দিল্লিতে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের উপর পুলিশ ও বিজেপি সমর্থকেরা হামলা চালিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

    এদিকে, খাড়্গে জানিয়েছেন, তাঁরা প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ চাইছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে অশান্তি সৃষ্টির অভিযোগও তুলেছেন তিনি। খাড়্গের দাবি, শনিবার প্রতিবাদস্থলে বিপুল পুলিশ মোতায়েন এবং আন্দোলনকারীদের আটক করার ঘটনা থেকেই বোঝা যায়, এই আন্দোলন নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন (CJI)।

    রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ বিরোধী প্রতিনিধিদল

    শুক্রবার দিল্লির বিজয় চকে বিরোধী সাংসদদের মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। এরপর কয়েকজন সাংসদ সেখানেই অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন। অন্যদিকে, ১০ সদস্যের এক প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করতে রাষ্ট্রপতি ভবনে যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ চেয়েছিল ওই প্রতিনিধিদল।

    বৈঠকের পরে বিরোধী নেতারা জানান, নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগের সমর্থনে প্রমাণ চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি, তাঁদের উদ্বেগ ও অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি বলে দাবি বিরোধীদের।

    রাহুল বলেন, রাষ্ট্রপতি অভিযোগগুলি অস্বীকার করেননি কিংবা সেগুলি নিয়ে প্রশ্নও তোলেননি—এই বিষয়টি তাঁকে বিস্মিত করেছে। তাঁর দাবি, দেশে কথিত ভোটচুরির অভিযোগের প্রমাণ সম্পর্কে বহু মানুষ অবগত। বিরোধীরা সেই প্রমাণ রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    ভোটার তালিকার সংশোধন, কথিত ভোটচুরি এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীদের আন্দোলন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। সোমবারের ‘গণতন্ত্রের মিছিল’ ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার (CJI)।

     

  • Nepal Flood: নেপালে বুধিগণ্ডকী নদীতে ভয়াবহ বন্যা, নিখোঁজ অন্তত ১০, ভেসে গেল ৬টি সেতু

    Nepal Flood: নেপালে বুধিগণ্ডকী নদীতে ভয়াবহ বন্যা, নিখোঁজ অন্তত ১০, ভেসে গেল ৬টি সেতু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের গোর্খা জেলায় বুধিগণ্ডকী নদীর অববাহিকায় রবিবার ভোরে ভয়াবহ বন্যায় (Nepal Flood) অন্তত ১০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে ছ’টি সেতু। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক জনবসতি। প্রাণ বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন বহু বাসিন্দা। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন। নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি, উদ্ধার কাজ এবং বিপন্নদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করেছে নিরাপত্তাবাহিনী (Budhi Gandaki River)। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ভোর ৪টে নাগাদ গোর্খা জেলার উত্তরাংশে আছড়ে পড়ে বন্যা। নদীর জলস্তর কখনও বাড়ছে, কখনও কমছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকেরা।

    ১০ জন নিখোঁজ (Nepal Flood)

    গোর্খার সহকারী মুখ্য জেলা আধিকারিক নেত্র প্রসাদ শর্মা সংবাদ সংস্থাকে জানান, বন্যা শুরু হওয়ার পর থেকে ১০ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। তিনি বলেন, “আজ সকালে জেলার উত্তরাংশে বন্যা আছড়ে পড়ার পর থেকে ১০ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। নদীর জলস্তর ক্রমাগত বাড়ছে এবং কমছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সতর্কতা জারি রয়েছে। নদীর গতিপ্রবাহের উপর আমরা নিরন্তর নজর রাখছি।”

    প্রশাসন সূত্রে খবর, বন্যায় ভেসে গিয়েছে ছ’টি সেতু। এর মধ্যে দু’টি মোটরযান চলাচলের উপযোগী সেতু এবং চারটি ঝুলন্ত সেতু। আরুঘাট, ত্রিপুরাসুন্দরী এবং সোতি-মানবু এলাকার সেতুগুলির ক্ষতি হয়েছে অথবা সেগুলি সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন শর্মা।

    ধারছে গ্রামীণ পুরসভার ১ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে সংযোগকারী একটি বেইলি সেতুও বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে। এ ছাড়া মাচ্ছিখোলা ও কারাউজা, ঠাডোভরিয়াং ও জগৎ এবং ঘট্টেখোলা ও ফিলিমের মধ্যে থাকা একাধিক সেতুও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    চুমনুব্রি গ্রামীণ পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পাইনিউ ও বাগার এলাকায় প্রায় ৩৫টি বাড়ি বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে। জগৎ, সাল্লেরি, দোভান এবং ঘট্টেখোলা এলাকার জনবসতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় বাজারেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।

    ব্যাপক ক্ষতি

    চুমনুব্রি গ্রামীণ পুরসভার উপপ্রধান লক্ষ্মী গুরুং জানিয়েছেন, বন্যার জেরে এলাকার বাজারের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, “বুধিগণ্ডকীর বন্যা ভোতেকোশী নদীর বন্যার স্মৃতি ফিরিয়ে আনছে। কয়েক ডজন বাড়ি জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে। এই মুহূর্তে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।”

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বিবরণ অনুযায়ী, রবিবার ভোর ৪টে নাগাদ আশপাশের ছোট নদী ও জলধারা থেকে বিকট গর্জনের শব্দ শুনে চুমলিং ও লোকপা-সহ নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে শুরু করেন। স্থানীয় হোটেলগুলিতে থাকা পর্যটকেরাও নিরাপদ জায়গায় চলে যান।

    উদ্ধারকাজে সেনা

    বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ। তিনি জানিয়েছেন, তল্লাশি ও উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য নেপাল সেনার একটি দলকে আকাশপথে এবং স্থলপথে দুর্গত এলাকায় পাঠানো হয়েছে (Nepal Flood)।

    ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য হেলিকপ্টারও নামানো হয়েছে। কাঠমান্ডু থেকে একটি যৌথ দ্রুত প্রতিক্রিয়াদলকে আকাশপথে দুর্গত এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে নেপাল সেনার তরফে জানানো হয়, ছ’জনকে উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। কাঠমান্ডু থেকে দুর্গত এলাকার দূরত্ব প্রায় ১৮৪ কিলোমিটার।

    নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং জানিয়েছেন, উদ্ধার ও ত্রাণকাজে সহায়তার জন্য হেলিকপ্টার-সহ নিরাপত্তাবাহিনীর বিভিন্ন দল মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁর সতর্কবার্তা, নদীর জলস্তর এখনও ওঠানামা করছে এবং ঘোলা বন্যার জল ঘট্টেখোলা এলাকার কয়েকটি বাড়িতে ঢুকে পড়েছে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে গুরুং চুমনুব্রি গ্রামীণ পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ন্যাকচেট ও ফিলিম বাজারের মধ্যে সংযোগকারী সেতু ভেঙে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

    বুধিগণ্ডকী নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে সিরদিবাস, জগৎ, সাল্লেরি, খোরলাবেসি, মাচ্ছাখোলা, সোতি, আরখেত এবং আরুঘাট এলাকার বাসিন্দাদের অবিলম্বে নিরাপদ জায়গায় চলে যেতে বলা হয়েছে।

    জরুরি সাহায্যের প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ১২৩৪ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছেন মন্ত্রী। নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করতে এবং দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যেতে প্রশাসনের তরফে মাইকে প্রচারও চালানো হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, গত ২৬ অগাস্ট নেপালের রাসুয়া জেলায় ভোতেকোশী নদীর ভয়াবহ বন্যার পর ফের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ল দেশটি। নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, রাসুয়া ও ত্রিশূলী নদী এলাকায় বন্যায় ১,৪৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং ৫,২৮৫ জন নিখোঁজ ছিলেন বলে জানানো হয়েছিল (Budhi Gandaki River)।

    বর্তমানে গোর্খা জেলায় বুধিগণ্ডকী নদীর জলস্তরের উপর নজর রাখছে প্রশাসন। দুর্গত এলাকায় উদ্ধারকারী দল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলতে বলা হয়েছে (Nepal Flood)।

     

LinkedIn
Share