Tag: Madhyom

Madhyom

  • Daily Horoscope 16 April 2026: কাজের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 16 April 2026: কাজের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ (Aries)
    ১. কাজের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২. আর্থিক দিক স্থিতিশীল থাকবে।
    ৩. পরিবারে হালকা মতবিরোধ হতে পারে, শান্ত থাকুন।

    বৃষ (Taurus)
    ১. আজ কিছুটা দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে।
    ২. অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়িয়ে চলুন।
    ৩. পুরনো বন্ধুর সাথে যোগাযোগ হতে পারে।

    মিথুন (Gemini)
    ১. যোগাযোগ দক্ষতা আজ আপনাকে এগিয়ে দেবে।
    ২. কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন।
    ৩. স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন।

    কর্কট (Cancer)
    ১. পরিবারের সাথে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।
    ২. মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
    ৩. নতুন কিছু পরিকল্পনা করতে পারেন।

    সিংহ (Leo)
    ১. আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
    ২. গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভালো সময়।
    ৩. অর্থ লাভের সম্ভাবনা আছে।

    কন্যা (Virgo)
    ১. কাজের চাপ বাড়তে পারে।
    ২. ধৈর্য ধরে কাজ করুন, সফল হবেন।
    ৩. স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    তুলা (Libra)
    ১. সম্পর্কের ক্ষেত্রে সুখবর আসতে পারে।
    ২. নতুন পরিচয় লাভ হতে পারে।
    ৩. আর্থিক উন্নতির যোগ আছে।

    বৃশ্চিক (Scorpio)
    ১. গোপন শত্রু থেকে সাবধান থাকুন।
    ২. কর্মক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি।
    ৩. পরিবারে সুখ বজায় থাকবে।

    ধনু (Sagittarius)
    ১. ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে।
    ২. শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো দিন।
    ৩. নতুন কিছু শেখার আগ্রহ বাড়বে।

    মকর (Capricorn)
    ১. দায়িত্ব বাড়বে, কিন্তু সামলাতে পারবেন।
    ২. আর্থিক দিক ভালো থাকবে।
    ৩. পরিবারে সম্মান বাড়বে।

    কুম্ভ (Aquarius)
    ১. নতুন আইডিয়া কাজে লাগান।
    ২. বন্ধুর সাহায্য পাবেন।
    ৩. আয়ের নতুন পথ খুলতে পারে।

    মীন (Pisces)
    ১. আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
    ২. কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা।
    ৩. প্রিয়জনের সাথে সময় ভালো কাটবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Pakistan Linked Terror: অযোধ্যা ও লখনউয়ে নাশকতার ছক বানচাল, আল-কায়দার ৩ জঙ্গিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল এনআইএ আদালত

    Pakistan Linked Terror: অযোধ্যা ও লখনউয়ে নাশকতার ছক বানচাল, আল-কায়দার ৩ জঙ্গিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল এনআইএ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা এবং লখনউসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করল ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের মদতে ভারতে হামলার ষড়যন্ত্র করার অপরাধে আল-কায়েদার (Al-Qaeda) তিন সক্রিয় সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে এনআইএ-র বিশেষ আদালত। এই তিন অভিযুক্ত পাকজঙ্গি সংগঠনের (Pakistan Linked Terror) সঙ্গে সরাসরি যুক্তের প্রমাণ মিলেছে।

    ঘটনার বিবরণ (Pakistan Linked Terror)

    তদন্তে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত তিন জঙ্গি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের (Pakistan Linked Terror) নির্দেশে ভারতের ধর্মীয় এবং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল। বিশেষ করে অযোধ্যার রাম মন্দির এবং রাজ্যের রাজধানী লখনউ ছিল তাদের মূল নিশানায়। ২০২১ সালে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS) প্রথমে এই মডিউলটির (Al-Qaeda) সন্ধান পায় এবং পরে তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    আদালতের রায়

    লখনউয়ের বিশেষ এনআইএ আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে জানায় যে, অভিযুক্তদের (Pakistan Linked Terror) বিরুদ্ধে আনা দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা এবং ইউএপিএ (UAPA) আইনের ধারাগুলি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক এবং আইইডি (IED) তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছিল। আদালত এই অপরাধকে ‘বিরল’ হিসেবে গণ্য করে অপরাধীদের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়।

    পাকিস্তানি যোগসূত্র

    সাজাপ্রাপ্ত জঙ্গিরা (Al-Qaeda) টেলিগ্রাম এবং অন্যান্য এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানে বসে থাকা আল-কায়েদার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত।

    স্লিপার সেল

    তারা উত্তরপ্রদেশে একটি বড় ‘স্লিপার সেল’ নেটওয়ার্ক তৈরি করার চেষ্টা করছিল এবং স্থানীয় তরুণদের উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করার কাজ চালাচ্ছিল।

    নাশকতার পরিকল্পনা

    ভিড়ভাড় এলাকা এবং ধর্মীয় স্থানে আত্মঘাতী হামলার পাশাপাশি প্রেসার কুকার বোমা ব্যবহারের ছক ছিল তাদের।

    নিরাপত্তা মহলে স্বস্তি

    এই রায়ের ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় একটি বড় সাফল্য মিলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনের পরবর্তী সময়ে এই ধরণের নাশকতার ছক রুখে দেওয়া এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি (Al-Qaeda) দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • ABVP: ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজে তুলকালাম! বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বসতে বাধা এবিভিপি কর্মীকে, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এসএফআই-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ

    ABVP: ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজে তুলকালাম! বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বসতে বাধা এবিভিপি কর্মীকে, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এসএফআই-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের (Kerala) ত্রিপুণিতুরা সরকারি সংস্কৃত কলেজে এক এবিভিপি (ABVP) কর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষায় বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই (SFI)-কে মদত দেওয়ার এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (ABVP)

    অভিযোগ উঠেছে যে, সংশ্লিষ্ট ছাত্রটি (ABVP) পরীক্ষার সমস্ত নিয়মাবলী পালন করা সত্ত্বেও তাকে প্রবেশপত্র বা হল টিকিট দেওয়া হয়নি। এবিভিপি-র দাবি, ওই ছাত্র সংগঠনের সক্রিয় সদস্য হওয়ার কারণেই তাকে নিশানা করা হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কলেজের অধ্যক্ষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসএফআই-এর হয়ে কাজ করছে এবং হিন্দুত্ববাদী ছাত্রদের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে।

    এবিভিপি-র অভিযোগ

    এবিভিপি (ABVP) নেতৃত্বের দাবি, কেরলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এসএফআই-এর একাধিপত্য কায়েম রাখার জন্য প্রশাসনের একাংশ সাহায্য করছে। ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। তারা জানায়, ছাত্রটির উপস্থিতির হার (attendance) পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি।

    অধ্যক্ষের অবস্থান ও বিতর্ক

    যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষের (Kerala) পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো কারণ বিস্তারিত জানানো হয়নি, তবে অভিযোগ উঠেছে যে অধ্যক্ষ ছাত্রটির সমস্যার সমাধান না করে বরং এসএফআই-এর সুবিধা করে দিচ্ছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং ওই ছাত্রের পরীক্ষায় বসার অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে এবিভিপি বড়সড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

    কেরলের বর্তমান পরিস্থিতি

    কেরলের (Kerala) বিভিন্ন কলেজে সম্প্রতি এসএফআই এবং এবিভিপি-র (ABVP) মধ্যে সংঘাতের খবর বারবার সামনে আসছে। এই পরিস্থিতিতে একজন সাধারণ ছাত্রের শিক্ষাগত অধিকার রাজনৈতিক কারণে খর্ব করা নিয়ে স্থানীয় শিক্ষা মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যপাল বা উচ্চশিক্ষা দপ্তরের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করার কথাও ভাবছে এবিভিপি।

  • Samrat Choudhary: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সম্রাট, সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন সফল করার অঙ্গীকার বিজেপির

    Samrat Choudhary: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সম্রাট, সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন সফল করার অঙ্গীকার বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সম্রাট চৌধুরি (Samrat Choudhary)। বুধবার বেলা ১১টা নাগাদ পাটনার রাজভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান সে রাজ্যের রাজ্যপাল সৈয়দ আটা হাসনাইন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিহারের শাসকজোটের দুই বৃহত্তম শরিক বিজেপি এবং জেডিইউ-র নেতারা। প্রসঙ্গত, এই প্রথম বিহারে বিজেপির কেউ মুখ্যমন্ত্রী হলেন। অতীত হয়ে গেল নীতীশ কুমার জমানা। বাংলার প্রতিবেশী রাজ্যের ২৪তম মুখ্যমন্ত্রী হলেন সম্রাট। সকাল ১১টায় এক সংক্ষিপ্ত অথচ তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন সম্রাট চৌধুরী। অন্যদিকে, নতুন সরকারে জেডিইউ কোটা থেকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বিজেন্দ্র যাদব ও বিজয় চৌধুরী।

    নতুন সরকারকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস

    হিন্দি বলয়ের রাজ্য উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড এবং হরিয়ানায়াতে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী ছিলই। এবার সেই তালিকায় জুড়ল বিহারের নাম। সম্রাট চৌধুরীই যে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, মঙ্গলবার সেকথা জানান বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অন্যতম নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ চৌহান। মঙ্গলবারই সকালে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়েন নীতীশ কুমার। যিনি বর্তমান সংসদে রাজ্যসভার সদস্য। বিহারের দীর্ঘতম সময়ের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন, “এখন থেকে নতুন সরকার বিহারের কাজ দেখভাল করবে। নতুন সরকার আমার পূর্ণ সমর্থন এবং পরামর্শ পাবে।”

    সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন সফল হবে

    মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েই নীতীশ কুমার প্রসঙ্গে সম্রাট চৌধুরী বলেন, “শ্রদ্ধেয় নীতীশ কুমার জি শিখিয়েছেন কী ভাবে সরকার চালাতে হয়। কী ভাবে বিহারে সুশাসন বজায় রাখতে হবে তাও শিখিয়ে গিয়েছেন নীতীশ কুমার।” একইসঙ্গে সম্রাট চৌধুরীর দাবি, “আমি বিহারবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, বিহারের সমৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য আমরা একজোট হয়ে কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি যে বিকশিত ভারতের স্বপ্ন দেখেছেন, নীতীশ কুমার যে সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন দেখিয়েছেন সেই স্বপ সফল করার পথে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।”

    সম্রাট চৌধুরীর রাজনৈতিক পথ

    গত দু’বছর ধরে বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সম্রাট চৌধুরী। মাত্র ৯ বছর আগে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন তিনি। দ্রুত দলের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন। ১৯৬৮ সালে জন্ম নেওয়া চৌধুরীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বাবা শকুনি চৌধুরী তারাপুর কেন্দ্র থেকে ছয়বারের বিধায়ক ছিলেন এবং মা পার্বতী দেবী ১৯৯৮ সালে একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। ১৯৯০ সালে রাজনৈতিক কেরিয়ারের শুরু হয় সম্রাটের। তিনি লালু প্রসাদের আরজেডি, নীতীশের জেডিইউ শিবির ঘুরে ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। এর পরেই রকেট গতিতে উত্থান হয় সম্রাটের। ২০২৪ সালে বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী হওয়া। খবর ছিল, এবার তাঁকেই বিহারের মসনদে বসাতে চলেছে বিজেপি। বাস্তবেও তেমনটাই ঘটল। স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত পাটলিপুত্রে কোনও বিজেপি নেতা মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেননি। গেরুয়া শিবিরের সেই অধরা স্বপ্ন পূরণ করলেন সম্রাট। বিহারের রাজনীতিতে একটি বড় অংশ জুড়ে আছে জাতপাত। সম্রাট চৌধুরী কুশওয়াহা (কৈরি) সম্প্রদায়ের মানুষ। নীতীশ কুমারের কুর্মি ও সম্রাট চৌধুরীর কুশওয়ায়া ভোটব্যাঙ্ক একজোট হলে বিহারে রাজনীতি এক অন্য গল্প লিখবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • BLA: বিএলএ কর্তৃক নৌ-শাখা ‘এইচএমডিএফ’ গঠনের ঘোষণা; পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের নৌকায় হামলার ভিডিও এবার প্রকাশ্যে

    BLA: বিএলএ কর্তৃক নৌ-শাখা ‘এইচএমডিএফ’ গঠনের ঘোষণা; পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের নৌকায় হামলার ভিডিও এবার প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তনের পাকসেনা বিরোধী বালুচ লিবারেশন আর্মি (BLA) আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের একটি নতুন নৌ-শাখা গঠনের ঘোষণা দিয়েছে, যার নাম রাখা হয়েছে ‘হাবিল মারি ডিফেন্স ফোর্স’ (HMDF)। এই ঘোষণার পাশাপাশি তারা পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের একটি নৌকায় হামলার একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে।

    নতুন নৌ-শাখা (BLA)

    বিএলএ-এর (BLA) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাদের এই বিশেষ শাখাটি সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলে পাকিস্তানি নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের গতিবিধি (HMDF) লক্ষ্য করে কাজ করবে। বালুচিস্তানের সমুদ্র সম্পদ রক্ষা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর আধিপত্য কমানোই এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য বলে তারা দাবি করেছে।

    কোস্ট গার্ডের ওপর হামলা

    বিএলএ-এর (BLA) প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, সমুদ্রের মাঝে পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের একটি টহলদারি নৌকায় (HMDF) অতর্কিত হামলা চালানো হচ্ছে। ভিডিওতে শক্তিশালী বিস্ফোরণ এবং নৌকায় থাকা পাকিস্তানি সেনাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের দৃশ্য ফুটে উঠেছে।

    ভিডিওর সত্যতা

    প্রতিবাদী বিএলএ গোষ্ঠীর তরফে দাবি করেছে যে, এই হামলাটি তাদের নবগঠিত নৌ-শাখা এইচএমডিএফ-এর দ্বারা পরিচালিত হয়েছে। তবে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই ভিডিও বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    নিরাপত্তা উদ্বেগ

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বিএলএ-এর (BLA)  এই নতুন নৌ-শাখা গঠন পাকিস্তানি নৌবাহিনীর জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে করাচি এবং গোয়াদর বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    বালুচিস্তান অঞ্চলে গত কয়েক দশকে বিদ্রোহ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন তীব্রতর হয়েছে। বিএলএ প্রায়শই পাকিস্তানের পরিকাঠামো এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার দায় স্বীকার করে থাকে। এবারের নৌ-শাখা (HMDF) গঠনের ঘোষণা এই লড়াইকে সমুদ্র পর্যন্ত বিস্তৃত করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • TCS Nashik: নাসিকে টিসিএসে এইচআর এজিএম গ্রেফতার, তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ ৭৮টি ইমেল ও চ্যাট

    TCS Nashik: নাসিকে টিসিএসে এইচআর এজিএম গ্রেফতার, তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ ৭৮টি ইমেল ও চ্যাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের নাসিকে টিসিএস-এর বিপিও ইউনিটে এক বড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আটজন মহিলা কর্মী যৌন হেনস্থা, মানসিক নির্যাতন এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের চেষ্টার অভিযোগ সামনে আনায় পুলিশ বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছে। ইতিমধ্যে একাধিক এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং মোট সাতজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছেন সংস্থার এক সিনিয়র এইচআর ম্যানেজার অশ্বিনী, যিনি পস (Prevention of Sexual Harassment) কমিটির সদস্যও ছিলেন। ফলে সংস্থার অভ্যন্তরীণ অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে।

    অভিযোগের মূল দিক

    অভিযোগকারী কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের উপর মানসিক ও যৌন নির্যাতন চলছিল। বারবার অভিযোগ জানানোর পরও এইচআর বিভাগ নাকি কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করেনি, ফলে নির্যাতন অব্যাহত ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস ধরে চলা ঘটনাগুলির সঙ্গে যুক্ত অন্তত ৯টি এফআইআর খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগ চাপা দেওয়া বা ভুলভাবে পরিচালনার সম্ভাবনাও উঠে এসেছে।

    ধর্মীয় চাপের অভিযোগ

    মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী গিরীশ মহাজন দাবি করেছেন, ভুক্তভোগীদের নামাজ পড়তে বাধ্য করা, গরুর মাংস খেতে চাপ দেওয়া এবং ধর্মান্তরের চেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পরে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করার একটি বড় চক্র থাকতে পারে।

    ৭৮টি ইমেল ও চ্যাট তদন্তের কেন্দ্রে

    সরকারি কৌঁসুলি কিরণ বেন্ধভারের বক্তব্য অনুযায়ী, সিনিয়র কর্মকর্তাদের মধ্যে হওয়া গুরুত্বপূর্ণ ইমেল আদান-প্রদান এখন তদন্তের মূল বিষয়। পুলিশ ইতিমধ্যে ৭৮টি ইমেল ও চ্যাট রেকর্ড জব্দ করেছে। এছাড়া অভিযুক্তদের ব্যাংক লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কল রেকর্ড, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ চলছে। অফিসের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের তথ্যও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অভিযোগ ইচ্ছাকৃতভাবে উপেক্ষা বা চাপা দেওয়া হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    আন্ডারকভার অপারেশন

    তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে গোপন অভিযান চালায়। মহিলা কনস্টেবলদের হাউসকিপিং স্টাফ সেজে অফিসে রাখা হয়। এই অভিযানে হেনস্থা ও ধর্মীয় চাপের প্রমাণ মেলে বলে দাবি তদন্তকারীদের। অভিযুক্তদের মধ্যে ড্যানিশ শেখ নামে এক কর্মীর বিরুদ্ধে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলা, ধর্ষণ এবং ধর্মীয় প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া তৌসিফ আত্তারের ফোন থেকে উদ্ধার হওয়া ছবির ভিত্তিতে আরও অভিযোগ সামনে আসে। টিসিএস (Tata Consultancy Services) জানিয়েছে, সংস্থা “যেকোনও ধরনের হেনস্থা বা জোরজবরদস্তির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি” মেনে চলে। সমস্ত অভিযুক্ত কর্মীকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাসপেন্ড করা হয়েছে।

  • West Bengal Elections 2026: কলকাতায় তৃণমূলের নির্বাচনী মিছিলে অংশ নেওয়ায় তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা

    West Bengal Elections 2026: কলকাতায় তৃণমূলের নির্বাচনী মিছিলে অংশ নেওয়ায় তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) উত্তাপের মধ্যে এক নজিরবিহীন ঘটনায়, কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) হয়ে নির্বাচনী প্রচার মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল পুলিশ। কমিশনের (Election Commission India) কাছে অভিযোগ দায়ের হতেই বড় পদক্ষেপ। বিজেপির তরফে অভিযোগ, অভিযুক্তরা তৃণমূলের নির্বাচনী মিছিলে অংশ নিয়েছেন। এই ঘটনা নির্বাচনী বিধিনিয়মের বিরুদ্ধ। তাই তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    কী ঘটেছিল (West Bengal Elections 2026)?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকো এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী স্মিতা বক্সীর সমর্থনে আয়োজিত একটি রোড-শো বা মিছিলে ওই তিন বিদেশি নাগরিককে দেখা যায়। তাঁরা জোড়াসাঁকো বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন রাস্তায় তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়ে এবং দলের সমর্থনে স্লোগান দিতে দিতে মিছিলে পা মেলান। এরপর কমিশন (Election Commission India) কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

    আইনি ব্যবস্থা

    ভারতের নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) আইন ও ভিসা নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিদেশি নাগরিক ভারতের মাটিতে সক্রিয়ভাবে কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রচার বা নির্বাচনী কার্যকলাপে অংশ নিতে পারেন না। এই ঘটনার পর পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভিসা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

    বৈধ ভিসা নিয়ে ভারতে থাকছিলেন কি না

    মিছিলে বিদেশি নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক শুরু হলেও তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, তাঁরা স্বেচ্ছায় মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন এবং দলগতভাবে তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে বিরোধীরা (West Bengal Elections 2026) এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি। নির্বাচন কমিশনও (Election Commission India) বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা বৈধ ভিসা নিয়ে ভারতে থাকছিলেন কি না এবং তাঁদের এই রাজনৈতিক মিছিলে আসার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • PM Modi: ‘‘বুথ শক্তিশালী হলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়’’ ভোটের আগে বুথকর্মীদের ভোকাল টনিক মোদির

    PM Modi: ‘‘বুথ শক্তিশালী হলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়’’ ভোটের আগে বুথকর্মীদের ভোকাল টনিক মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুথ শক্তিশালী হলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়, আর গণতন্ত্র শক্তিশালী হলে দেশ এগিয়ে যায়।’মেরা বুথ, সবসে মজবুত’ কর্মসূচিতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বুথের কর্মীদের এই কথাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুথকর্মীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রায় ১ ঘণ্টা কথা বলেন মোদি (PM Modi)। কর্মীদের পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানান তিনি। পাশাপাশি সাম্প্রতিক বাংলা সফরের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন।

    বুথে বুথে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোঝাতে হবে

    হাতে বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরেই বাংলায় প্রথম দফার নির্বাচন। তার আগে বুথস্তরে আলাদা করে নজর বিজেপির। আগের ভোটগুলি দেখলেও দেখা যাবে বরাবরই নির্বাচনের আগে বুথস্তরে সবথেকে বেশি জোর দিয়েছে পদ্ম শিবির। এবারও তার অন্যথা হল না। এবার বাংলার বুথ কর্মীদের সঙ্গে কথা বললেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলছেন, বুথে বুথে গিয়ে মানুষকে বোঝান। যেখানে যেখানে বিজেপির সরকার আছে সেখানে কোনও সিন্ডিকেট রাজ নেই। কর্মীদের এই বার্তাও দেন মোদি। বুথ স্তরে কর্মীদের উদ্দেশ্যে মোদির সাফ কথা, বাংলায় ভয়ের পরিবেশ রয়েছে। রাজনৈতিক হিংসা থেকে দুর্নীতি যত খারাপ জিনিস হয় সব বাংলায় চরম সীমায় রয়েছে। সব এতে অতিষ্ট। মহিলা ও যুবদের মধ্যে প্রভাব সর্বাধিক। তাঁদের জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে। আপনারা তৃণমূল স্তরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মানুষের এরকমই ক্ষোভ দেখতে পান। মানুষকে বোঝাতে হবে নির্মম সরকার থাকলে কোনও উন্নয়ন হবে না। বুথে বুথে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোঝাতে হবে।

    বাংলার সঙ্গে এক গভীর আত্মিক সম্পর্ক

    এদিন মোদি জানান, বাংলার মাটি, বাংলার মানুষ, বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে তাঁর এক গভীর আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর কণ্ঠে ছিল আবেগ, আর সেই আবেগের মধ্যেই ছিল বাংলার ভবিষ্যৎ নিয়ে দৃঢ় বিশ্বাস। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাম্প্রতিক বাংলার সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে তিনি মানুষের মধ্যে এক অদ্ভুত শক্তি, উৎসাহ এবং পরিবর্তনের ইচ্ছা অনুভব করেছেন। তিনি স্পষ্ট করেন, এই শক্তির ভিত্তি হল বুথ স্তরের কর্মীদের নিরলস পরিশ্রম এবং মানুষের অটুট বিশ্বাস।’মেরা বুথ, সবসে মজবুত’ শুধুমাত্র একটি স্লোগান নয়, বরং গণতন্ত্রকে তৃণমূল স্তরে শক্তিশালী করার এক বাস্তব আন্দোলন হিসেবে তুলে ধরেন মোদি।

    সাধারণ মানুষ দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের চাপে ভুগছেন

    কৃষক, শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার কৃষক ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না, শ্রমিকরা শোষণের শিকার হচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষ দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের চাপে ভুগছেন। তিনি এই পরিস্থিতির পরিবর্তনের জন্য সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের যেসব রাজ্যে বিজেপির সরকার রয়েছে সেখানে উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। বাংলার মানুষও সেই পরিবর্তনের অংশ হতে পারে। সেই শক্তি বাংলার মানুষের মধ্যে রয়েছে। যুব সমাজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলার বহু যুবক আজ নিজের রাজ্য ছেড়ে অন্যত্র গিয়ে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা অত্যন্ত কষ্টের। তিনি আশ্বাস দেন, এমন এক পশ্চিমবঙ্গ গড়ে তোলা হবে যেখানে যুবকদের স্বপ্ন পূরণ হবে নিজের মাটিতেই।

    ‘বুথ সশক্তিকরণ অভিযান’

    ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটে ২০২১-এর ‘ভুল’ করতে চাইছে না বিজেপি। ‘আমার বুথ, সবচেয়ে মজবুত’ ‘বুথ সশক্তিকরণ অভিযান’ কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। বুথস্তরে শক্তির মূল্যায়ন করা হচ্ছে প্রতিটি মণ্ডল ধরে। বুথে বুথে শক্তি বাড়ানোর যে ব্লু প্রিন্ট বিজেপি তৈরি করেছে, তাতে কমিটিতে কারা থাকবেন, কত জন থাকবেন এবং কার কী কাজ হবে তা-ও সবিস্তার বলা রয়েছে। ১১ জনের বুথ কমিটি গড়ার পাশাপাশি নির্দেশ প্রতিটি কমিটিতে ২০ জন সদস্য থাকা চাই। যাঁরা ওই বুথের ভোটার তালিকার এক একটি পাতার দায়িত্বে থাকবেন। তাঁদের বলা হবে পৃষ্ঠা প্রমুখ। এঁরা ওই পাতায় নাম থাকা পরিবারগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন ও দলের হয়ে কথা বলবেন। গড়ে পাঁচটি করে বুথ নিয়ে একটি করে শক্তিকেন্দ্র বানিয়ে তারও এক জন প্রধান থাকবেন। সকলে মিলে এলাকার ভোটারদের সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করবেন। কোনও বুথ এলাকায় তফসিলি জাতি, জনজাতি সম্প্রদায়ের বসবাস হলে তাঁদেরও বুথ কমিটিতে রাখতে হবে।

    বিধানসভায় জেতার অঙ্ক

    প্রধানমন্ত্রী কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, বুথ স্তরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে হবে, উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে এবং মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে। তাঁর বক্তব্যে ছিল কৌশল, দিকনির্দেশনা এবং এক প্রবল অনুপ্রেরণা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম ও দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে সাধারণ মানুষের কাছে কোন কোন বিষয় নিয়ে যাবেন বুথ স্তরের কর্মীরা তাও একবার পরিষ্কার করে দিলেন স্বয়ং মোদি। কারণ, বুথে বুথে এগিয়ে থাকতে পারলেই সংশ্লিষ্ট বিধানসভায় জেতার অঙ্কটা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।

     

  • Amravati sex Racket: অমরাবতী যৌন নিগ্রহ চক্রের পর্দাফাঁস, ১৮০ জন নির্যাতিতা, ৩৫০টি ভিডিও; ১৯ বছর বয়সী অয়ন আহমেদ অভিযুক্ত

    Amravati sex Racket: অমরাবতী যৌন নিগ্রহ চক্রের পর্দাফাঁস, ১৮০ জন নির্যাতিতা, ৩৫০টি ভিডিও; ১৯ বছর বয়সী অয়ন আহমেদ অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের অমরাবতীতে (Amravati sex Racket) একটি ভয়াবহ যৌন নিগ্রহ ও ব্ল্যাকমেইলিং চক্রের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এই ঘটনায় পুলিশ ১৯ বছর বয়সী অয়ন আহমেদকে গ্রেফতার (Ayan Ahmed) করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, এই চক্রের জাল অত্যন্ত গভীরে এবং এটি কোনো সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের অংশ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    বিপুল সংখ্যক ভুক্তভোগী(Amravati sex Racket)

    তদন্তে জানা গেছে, প্রায় ১৮০ জন নারী ও তরুণী এই চক্রের শিকার হয়েছেন। অভিযুক্ত তাদের বিভিন্নভাবে ফাঁদে ফেলে যৌন নিগ্রহ করেছে বলে অভিযোগ। পুলিশ অভিযুক্তের ডিভাইস থেকে প্রায় ৩৫০টি আপত্তিকর ভিডিও উদ্ধার করেছে। এই ভিডিওগুলো ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের (Ayan Ahmed) করা হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    অভিযুক্তের পরিচয়

    মূল অভিযুক্তের নাম অয়ন আহমেদ (Amravati sex Racket)। পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়া হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, এটি একক কোনো ব্যক্তির কাজ নয়। এর পেছনে একটি বড় সংগঠিত গোষ্ঠী বা চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    তদন্তের অগ্রগতি

    পুলিশ ভুক্তভোগীদের (Amravati sex Racket) পরিচয় গোপন রেখে মামলার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। সাইবার সেল এবং স্থানীয় পুলিশ যৌথভাবে এই চক্রের বাকি সদস্যদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

    এই ঘটনাটি স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ  তৈরি হয়েছে। প্রশাসন থেকে জনগণকে সতর্ক থাকতে এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে পুলিশকে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।

  • Poila Baisakh: হারিয়ে যাচ্ছে হালখাতা! বড়দের প্রণাম-মিষ্টিমুখ-মাছভাত ছেড়ে দিনের শেষে রেস্তরাঁ, নবরূপে নববর্ষ

    Poila Baisakh: হারিয়ে যাচ্ছে হালখাতা! বড়দের প্রণাম-মিষ্টিমুখ-মাছভাত ছেড়ে দিনের শেষে রেস্তরাঁ, নবরূপে নববর্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা নববর্ষের (Poila Baisakh) সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা প্রাচীন ব্যবসায়িক ও সাংস্কৃতিক রীতি ‘হালখাতা’। বাংলার ব্যবসায়ীরা নববর্ষের প্রথম দিনটাকে হালখাতা হিসেবে পালন করে থাকেন। তার সঙ্গে দোকানে লক্ষ্মী-গণেশের পুজো ও ক্রেতাদের মিষ্টিমুখ করানো হয়। বাঙালির ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এই হালখাতা। সময়ের স্রোতে এখন অনেকটাই ম্লান এই উৎসব। প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে কাগজের খাতার প্রয়োজনীয়তা কমেছে। ডিজিটালের ছোঁয়ায় পয়লা বৈশাখের সেই হালখাতার উৎসব ধীরে ধীরে হারিয়ে যাওয়ার পথে। এখন হালখাতা উৎসব যেন পরিণত হয়েছে নিয়ম রক্ষার উৎসবে। দোকানগুলোতে আর নেই সেই আলোকসজ্জা। হালখাতার কার্ড ছাপানোয় নেই সেই তড়িঘড়ি।

    ডিজিটালে বাঁধা জীবন

    দোকান সাজিয়ে খরিদ্দারকে আপ্যায়ন করার দিন শেষ। ক্রেডিট কার্ড, অনলাইন শপিং, অনলাইনে পেমেন্ট করার ধাক্কায় হালখাতার পলেস্তারা খসছে দিনকে দিন। পুরনো বছরের বকেয়া শোধ করাতে আর খে্রোর খাতা খোলার দরকার নেই, ধারকর্যের হিসেবটা মনে করাতে এসে গিয়েছে ‘স্মার্ট পেমেন্ট রিমাইন্ডার’। এখনকার সময়ের ডিজিটাল হালখাতা বলা যেতে পারে। এআই অ্যাপ স্বয়ংক্রিয় ভাবে গ্রাহকদের ধার শোধ করার বার্তা পাঠায় হোয়াট্‌সঅ্যাপ বা এসএমএসে। পয়লা বৈশাখে গণেশ পুজোর পর প্রথম টাকা নেওয়া এখন ই-ওয়ালেটে হয়। ইউপিআইয়ের মাধ্যমে লেনদেন সরাসরি ব্যাঙ্কে জমা হয় এবং ডিজিটাল লেজারে তার হিসেব সংরক্ষিত হয়ে থাকে। ভুল হওয়ার বা গড়মিলের কোনও জায়গাই নেই।

    বাড়িতে নয়, স্বাদ বদল রেস্তরাঁয়

    একটা সময় পয়লা বৈশাখ মানেই ছিল দিনের শুরুতে নতুন জামা পরে পরিবারের বড়দের প্রণাম করা, দুপুরে বাড়িতে ঘরোয়া ভাবেই খাওয়াদাওয়ার বিশেষ আয়োজন আর সন্ধ্যাবেলা বাড়িতে ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজনের জমায়েত। এখন বাঙালির কাছে পয়লা বৈশাখ মানে সারাদিনের কাজকর্ম সেরে কোনও এক বাঙালি রেস্তরাঁয় খেতে যাওয়া। বড়দের প্রণাম করাটাও এখন ফোনে ফোনেই সেরে ফেলা হয়। তাই বাংলা নববর্ষের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িয়ে আছে হালখাতা। তবে আগের থেকে এখনকার দিনে হালখাতার উদযাপন অনেকটাই কমে এসেছে। আগে অনেক দোকানী হালখাতা উপলক্ষ্যে রীতিমত নিমন্ত্রণ পত্র ছাপিয়ে উত্‍সবের আয়োজন করতেন। এখন বিভিন্ন অ্যাপ ও অনলাইন শপিং-এর কারণে হালখাতার সেই আগেকার দিনের জৌলুস কমে এসেছে। কম্পিউটারেই ব্যবসার হিসেব রাখেন বেশিরভাগ দোকানীরা। তাই খাতার ব্যবহারও কমে গিয়েছে অনেকটাই।

    ধর্মীয় রীতি এখনও এক

    সময়ের চাকায় বদল এলেও উৎসব আছে। রয়েছে মঙ্গলময় ভাবনা। নববর্ষের প্রথম দিনে দোকান পরিষ্কার করে, ফুল দিয়ে সাজিয়ে, লক্ষ্মী গণশের পুজো করা হয়ে থাকে। তার সঙ্গে থাকে ক্রেতাদের জন্য সামান্য হলেও মিষ্টিমুখের আয়োজন ও একটা বাংলা ক্যালেন্ডার। নতুন বছরে নতুন যে খাতায় ব্যবসার হিসেব রাখা হবে, সেই খাতাটি কোনও মন্দিরে নিয়ে গিয়ে পুজো করিয়ে আনার প্রথা আছে। খাতার প্রথম পাতায় সিঁদুর দিয়ে স্বস্তিক চিহ্ব এঁকে দেন পুরোহিতরা। কালীঘাট মন্দিরে এদিন ভিড় উপচে পড়ে ব্যবসায়ীদের। হিন্দুধর্মে স্বস্তিক চিহ্ন বিশেষ মঙ্গল বার্তা বহন করে। তাই যে কোনও পুজো বা শুভ অনুষ্ঠানে সিঁদুর দিয়ে স্বস্তিক এঁকে দেওয়া হয়।

    পাড়ার মোড়ে  প্রভাতফেরি কোথায়

    ক্যালেন্ডারের পাতায় আজ ২০২৬ সাল। আজ পয়লা বৈশাখ। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের শ্রেষ্ঠ উৎসব। তবে উৎসবের মেজাজ এক থাকলেও, যান্ত্রিকতা আর প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে গেছে পালনের ধরন। ফিরে তাকালে দেখা যায়, বিশ শতকের শেষার্ধ বা একুশ শতকের শুরুর সেই সাবেকিয়ানা আর আজকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগের বৈশাখের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ। আগেকার দিনে পয়লা বৈশাখ মানেই ছিল সাতসকালে ঘুম থেকে উঠে নতুন জামা পরে গুরুজনদের প্রণাম করা। পাড়ার মোড়ে মোড়ে তখন চলত প্রভাতফেরি। শান্তিনিকেতনী ঘরানায় গান-কবিতায় বরণ করে নেওয়া হতো নতুন বছরকে। বৈশাখের আগের মাস জুড়ে চলত ‘চৈত্র সেল’। আর পয়লা বৈশাখে গ্রাম থেকে শহর, সর্বত্র বসত মেলা। নাগরদোলা, মাটির পুতুল আর জিলিপির গন্ধে ম ম করত মেলার মাঠ।

    নববর্ষে সোশ্যাল মিডিয়া লাইভ

    ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে চিত্রটা অনেকটাই আধুনিক। এখন আর নিমন্ত্রণ পত্রের বদলে হোয়াটসঅ্যাপ বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ডিজিটাল কার্ড’ পাঠাতেই মানুষ বেশি অভ্যস্ত। তবুও বাঙালির আবেগে খুব একটা ভাটা পড়েনি। কেনাকাটার ধরণ বদলেছে। চৈত্র সেলের ভিড় এখন অনেকটাই স্থানান্তরিত হয়েছে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে।  এখন মানুষ সশরীরে উপস্থিত হওয়ার পাশাপাশি ভিডিও কলে প্রবাসী পরিজনদের সাথে উৎসবে সামিল হয়। পাড়ার সেই জলসা আজ হয়তো কম দেখা যায়, কিন্তু তার জায়গা করে নিয়েছে বর্ণাঢ্য মেগা ইভেন্ট এবং সোশ্যাল মিডিয়া লাইভ। রূপ বদলালেও নস্টালজিয়া রয়েছে। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো হলেও, নববর্ষের আলাদা গুরুত্ব আছে। বর্তমানে এই বিশেষ দিন উপলক্ষে সেজে ওঠে সমস্ত শপিং মল থেকে শহরের রাস্তাঘাট। সকলে রাগ-অভিমান, দুঃখ -কষ্ট ভুলে গা ভাসান উৎসবের আনন্দে।

     

LinkedIn
Share