Tag: Madhyom

Madhyom

  • Durgapur Industry Corridor: বেকার সমস্যার সমাধান থেকে পরিকাঠামো উন্নয়ন! শিল্প করিডর প্রস্তাবে আশাবাদী দুর্গাপুর

    Durgapur Industry Corridor: বেকার সমস্যার সমাধান থেকে পরিকাঠামো উন্নয়ন! শিল্প করিডর প্রস্তাবে আশাবাদী দুর্গাপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ শিল্পঐতিহ্যের শহর দুর্গাপুর (Durgapur Industry Corridor) আসন্ন বাজেটে প্রস্তাবিত ইন্টিগ্রেটেড ইস্ট কোস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর থেকে বড়সড় সুবিধা পেতে পারে। ‘পুর্বোদয়া স্টেটস’ উদ্যোগের আওতায় গড়ে ওঠা এই করিডরের একটি সুসংযুক্ত নোড দুর্গাপুরে হলে শিল্পখাতে খরচ কমবে বলে মনে করছেন শহরের শিল্পপতিরা। রবিবার বাজেটে দুর্গাপুরে নয়া শিল্প করিডরের ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেট ভাষণে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী দাবি করেন, পূর্ব ভারত এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নের জন্য বাড়তি জোর দেওয়া হচ্ছে। সেই রেশ ধরে ইন্টিগ্রেটেড ইস্ট-কোস্ট করিডর তৈরি করা হবে। আর তার একটি কেন্দ্র তৈরি করা হবে দুর্গাপুরে।

    পূর্বোদয় পরিকল্পনার অংশ দুর্গাপুর শিল্প করিডর

    ২০২৬-২৭ আর্থিক বছরের বাজেটে পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন৷ পূর্বোদয়, অর্থাৎ পূর্বের উদয় নামে একটি পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেন তিনি৷ বাজেট বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, ‘‘আমি একটি সুসংযুক্ত দুর্গাপুর নোড-সহ একটি সমন্বিত পূর্ব উপকূল শিল্প করিডর (ইস্ট-কোস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর) গড়ে তোলা, পূর্বোদয় প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি রাজ্যে পাঁচটি পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন এবং চার হাজার ই-বাসের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব করছি।’’এই ঘোষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, শিল্পশহর দুর্গাপুরকে কেন্দ্র করে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর তৈরি করা, যার মাধ্যমে পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নতিও করা যাবে৷ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সেই ঘোষণার পর অত্যন্ত আশাবাদী দুর্গাপুর বণিক সভা।

    শিল্প-মানচিত্রে ফের শক্ত জায়গায় দুর্গাপুর

    অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এই করিডর উৎপাদন, লজিস্টিক্স ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেবে। দুর্গাপুরের ঐতিহ্যবাহী শিল্প পরিকাঠামো এবং ভৌগোলিক অবস্থানকে সামনে রেখে এই অঞ্চলকে শিল্প মানচিত্রে আরও শক্তপোক্ত জায়গা করে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্র। ইস্পাত শিল্পের জন্য পরিচিত দুর্গাপুরে সেলের (SAIL) অন্যতম পুরনো কারখানা দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্ট (DSP) অবস্থিত। শ্যাম স্টিলের ডিরেক্টর ললিত বেরিওয়ালা বলেন, এই করিডর চালু হলে এলাকার লজিস্টিক ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। তাঁর কথায়, দুর্গাপুরের অধিকাংশ শিল্পই বাইরে থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে এবং প্রায় ৭০ শতাংশ প্রস্তুত পণ্য রাজ্যের বাইরে পাঠানো হয়। সে ক্ষেত্রে একটি শিল্প করিডর শিল্পগুলির জন্য অত্যন্ত লাভজনক হবে। অন্ডালের বিমানবন্দর পরিচালনাকারী বেঙ্গল অ্যারোট্রোপলিস (BAPL)-এর ডিরেক্টর উৎসব পারেখ জানান, এই প্রস্তাব নিয়ে তাঁরা অত্যন্ত উৎসাহী। তিনি বলেন, “এখানে পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য আমরা ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে কাজ করছি।”

    দক্ষিণবঙ্গের অলিখিত রাজধানী হতে পারে দুর্গাপুর

    দুর্গাপুর (Durgapur Industry Corridor) চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি চন্দন দত্ত বলেন, ‘‘দুর্গাপুর শিল্পনগরী থেকে স্বাস্থ্য নগরী এবং শিক্ষা নগরীতেও পরিণত হয়েছে। যদিও দুর্গাপুরে একের পর এক ভারী শিল্প বন্ধ হওয়ার পর, তা আর খোলা হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই দুর্গাপুর তার গৌরব অনেকখানি হারিয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বাজেট অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। বেকার সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের অলিখিত রাজধানী হয়ে যেতে পারে দুর্গাপুর।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘পাশাপাশি অন্ডাল বিমাননগরীতে যে কারগো পরিষেবা চালু হয়েছে, তার আরও উন্নতি হলে আশপাশের জেলা বীরভূম, বাঁকুড়া, নদিয়া , পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমান এমনকী প্রতিবেশী রাজ্য বিহার, ঝাড়খণ্ড দারুণভাবে উপকৃত হবে। মুম্বইয়ের পুনে এবং নয়াদিল্লির নয়ডা যেভাবে উন্নয়ন ঘটছে, কলকাতা থেকে মাত্র ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে দুর্গাপুরে সেই উন্নয়নে জরুরি।’’

    দুর্গাপুরের কী কী সুবিধা

    দুর্গাপুরকে এই করিডোরের সঙ্গে যুক্ত করার ফলে লৌহ-ইস্পাত এবং ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পে বিপুল বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হবে। বার্জার পেইন্টসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও অভিজিৎ রায় বলেন, দুর্গাপুর সংলগ্ন পানাগড়ে তাঁদের প্রস্তাবিত উৎপাদন কেন্দ্রের ক্ষেত্রে এই শিল্প করিডর লজিস্টিক ও সংযোগ ব্যবস্থায় বড় প্রভাব ফেলবে। অন্যদিকে, আসানসোল চেম্বার অব কমার্সের সম্পাদক শম্ভু ঝা বলেন, দুর্গাপুরকে বড় শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা উচিত এবং এই করিডর পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের সময়কালে দুর্গাপুরে ডিভিসির ৮০০ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন পরিবেশবান্ধব নতুন ইউনিট গড়ার প্রস্তুতি চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় বাজেটে দুর্গাপুরকে নিয়ে নতুন করে শিল্প করিডর গড়ার ঘোষণা অত্যন্ত আশাবাদী দুর্গাপুরের আমজনতা।

    শিল্পের জোয়ার আসবে জেলায় জেলায়

    দীর্ঘদিন ধরে শিল্প বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ঘিরে যে প্রশ্ন উঠছিল পশ্চিমবঙ্গে, বাজেটের এই ঘোষণায় তারই একটি সম্ভাব্য উত্তর মিলেছে বলে মনে করছেন শিল্প ও রাজনৈতিক মহলের একাংশ। রাজ্য সরকার যেখানে বারবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ‘বঞ্চনা’র অভিযোগ তুলে এসেছে, সেখানে দুর্গাপুরে শিল্প করিডরের প্রস্তাব বাংলাকে ঘিরে কেন্দ্রের আগ্রহই স্পষ্ট করছে বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। যদিও বাজেটে এই প্রকল্পের আর্থিক পরিমাণ বা নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবুও শিল্প মহলের মতে এটি বাংলার শিল্প পুনরুজ্জীবনের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত। দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোড়ুই বলেন,‘‘আমরা বলেছিলাম, বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে শিল্পায়ন হবে। ক্ষমতায় আসার আগেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী দুর্গাপুরে শিল্পের কথা ঘোষণা করলেন। এ বার আর দুর্গাপুর ও আশপাশের যুবকদের ভিন রাজ্যে কাজে যেতে হবে না।’’ বিজেপির মুখপাত্র সুমন্ত মণ্ডল বলেন, ‘‘এই রাজ্যের শিল্প সম্ভাবনা দেখা দিল আবার দুর্গাপুরকে সামনে রেখেই। তৃণমূল কংগ্রেসের ইউনিয়ন তাদের জঙ্গিপনার কারণে এ রাজ্যে শিল্প আসেনি। আবার নতুন করে শিল্প আসবে, এটা বেকার যুবকদের কাছে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। এই রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠিত হলে শিল্পের জোয়ার আসবে জেলায় জেলায়।’’

     

     

     

     

     

  • T20 World Cup 2026: ভারতের বিরুদ্ধে না খেললে বড় অঙ্কের জরিমানা! পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট নিয়ে কড়া বার্তা আইসিসির

    T20 World Cup 2026: ভারতের বিরুদ্ধে না খেললে বড় অঙ্কের জরিমানা! পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট নিয়ে কড়া বার্তা আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২০২৬ (T20 World Cup 2026) ভারতের (India) বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির গ্রুপ ম্যাচ খেলতে রাজি নয় পাকিস্তান। পাক সরকারের এই নির্দেশ জারি হতেই সরব আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)। প্রকাশ্যে তাদের প্রশ্ন, বেছে বেছে ম্যাচ না খেলা, আইসিসি ইভেন্টে অসম্ভব। এটা আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে করা যায় না! এরকম করলে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে বলে জানায় আইসিসি। পাকিস্তানকে বড় অঙ্কের জরিমানাও দিতে হতে পারে।

    সব দলকে সমান শর্তে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে হয়

    রবিবার বিকেলে পাকিস্তানের তরফে খবরটি সামনে আসে এবং রাতের মধ্যেই বিবৃতি দেয় আইসিসি। কাউন্সিলের স্পষ্ট বক্তব্য, এখনও পর্যন্ত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (PCB) কাছ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বার্তা পাওয়া যায়নি। তবে পাকিস্তান সরকারের বিবৃতি লক্ষ্য করার পর তারা অবস্থান স্পষ্ট করছে। জানানো হয়, “সকল যোগ্য দলকে সমান শর্তে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে হয়। সিলেকটিভ পার্টিসিপেশন (Selective Participation) বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার মৌলিক ধারণার সঙ্গে যায় না।” পাকিস্তানের এই হঠাৎ ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়টিকে খুব একটা ভালভাবে নেয়নি আইসিসি। দেওয়া হয়েছে কড়া হুঁশিয়ারিও। কাউন্সিলের ভাষায়, “আমরা সরকারি নীতিকে সম্মান করি ঠিকই, কিন্তু এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেট এবং বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটভক্তদের, এমনকি পাকিস্তানের লক্ষ লক্ষ সমর্থকেরও স্বার্থের পরিপন্থী। আইসিসি টুর্নামেন্ট স্পোর্টিং ইন্টেগ্রিটি (Sporting Integrity), ন্যায্যতা এবং ধারাবাহিকতার ওপর দাঁড়িয়ে। কোনও ম্যাচে না নামা এই ভিত্তিকে দুর্বল করবে।”

    পাক সরকারে অবান্তর ইচ্ছা

    আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) পাকিস্তানের অংশগ্রহণ করা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবারই ঘোষণা করা হবে। তবে তার আগে সপ্তাহান্তে পাকিস্তান সরকারের (Pakistan government) তরফে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ খেলার জন্য শ্রীলঙ্কায় সফর করার অনুমতি দেওয়া হলেও, জানানো হয় তাঁরা ভারতের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ বয়কট করছে। দিনকয়েক আগে বাংলাদেশ নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে ভারত থেকে তাঁদের ম্যাচ সরানোর দাবি করেছিল। সেই সময়ে পাকিস্তানই তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। বাংলাদেশকে শেষমেশ বিশ্বকাপ থেকে ছাঁটাই করা হলে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ভবিষ্যৎ নিয়েও সংশয় তৈরি হয়। পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেলবে কি না, সেই নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি এক বৈঠক সারেন। সেই বৈঠকের পরেই না না রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছিল যে পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেললেও ভারতের ম্যাচ তারা বয়কট করবে কি না, সেই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্য়মে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের কথাজানায় শেহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান সরকার। তবে পিসিবি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থাকে এখনও এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে লিখিতভাবে কিছু জানায়নি বলেই শোনা যাচ্ছে।

    দায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও

    টুর্নামেন্টে ভারত-পাক ম্য়াচ না হলে আইসিসির কিন্তু বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে। ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ যে কোনও ক্রিকেট টুর্নামেন্টেরই সবচেয়ে বেশি দরাদরি ও ভিউয়ারশিপ–নির্ভর ম্যাচ। বাতিল হলে টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক ও প্রতিযোগিতামূলক মান—দুই–ই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি খেলার মতো সেক্টরে শুধুমাত্র একটি দেশের বিরুদ্ধে মাঠে না নামা মোটেও ভাল বার্তা দেবে না। সব বিবেচনা করে আইসিসি স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাদের লক্ষ্য একটাই—টুর্নামেন্ট নির্বিঘ্নে আয়োজন। এর দায়িত্ব সব সদস্য দেশের, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও।

  • Adampur Airport: আদমপুর বিমানবন্দর এখন ‘শ্রী গুরু রবিদাস মহারাজ জি এয়ারপোর্ট’, উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    Adampur Airport: আদমপুর বিমানবন্দর এখন ‘শ্রী গুরু রবিদাস মহারাজ জি এয়ারপোর্ট’, উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের ৪ ঘণ্টা পরই বাল্লান গ্রামে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। পাকিস্তানের সীমান্তের রাজ্য পাঞ্জাবের জলন্ধরে অবস্থিত এই বাল্লান গ্রাম। তথ্য বলছে, পাকিস্তানের কাছে অবস্থিত অমৃতসররে ওয়াঘা সীমান্ত, জলন্ধরের বাল্লান গ্রাম থেকে ১০০-১২০ কিলোমিটার দূরে। আর সেই বাল্লান গ্রামই পরিদর্শন করলেন মোদি। বাল্লান গ্রামের ডেরা সচখন্দ-এ যান প্রধানমন্ত্রী। তার আগে প্রধানমন্ত্রী পাঞ্জাবের আদমপুর বিমানবন্দর পরিদর্শন করেন। বিমানবন্দরের (Adampur Airport) নতুন নাম হিসেবে ‘শ্রী গুরু রবিদাস মহারাজ জি বিমানবন্দর, আদমপুর’ উন্মোচন করেন।

    জন্মবার্ষিকীতে সন্ত গুরু রবিদাসকে শ্রদ্ধা

    ১ ফেব্রুয়ারি গুরু রবিদাসের জন্মতিথি পালিত হয়। সেই দিনেই পাঞ্জাবের এই বাল্লান গ্রামে পৌঁছচ্ছেন মোদি। উল্লেখ্য, পাঞ্জাবের ভক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃত গুরু রবিদাস। এদিন জলন্ধরের আদমপুর বিমানবন্দর থেকে নেমে বাল্লান গ্রামে যান মোদি। গুরু রবিদাসের নামে এই বিমানবন্দরের নামকরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এই ডেরা সচখন্দ মূলত, রবিদাসী গোষ্ঠীর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। ৬৪৯তম জন্মবার্ষিকীতে সন্ত গুরু রবিদাসকে শ্রদ্ধা জানিয়ে আদমপুর বিমানবন্দরের নামকরণ করা হয়েছে। সমতা, করুণা ও মানব মর্যাদার বাণী প্রচারকারী এই মহান সমাজ সংস্কারকের শিক্ষাই আজও ভারতের সামাজিক চেতনাকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

    বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবনের উদ্বোধন

    এই সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় অবস্থিত হালওয়ারা বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবন-এরও উদ্বোধন করেন। হালওয়ারা বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবন লুধিয়ানা ও তার আশপাশের শিল্প ও কৃষিভিত্তিক অঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করবে। লুধিয়ানা জেলায় অবস্থিত হালওয়ারা এলাকায় একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় বায়ুসেনা ঘাঁটিও রয়েছে। উল্লেখ্য, লুধিয়ানার পুরনো বিমানবন্দরের রানওয়ে তুলনামূলকভাবে ছোট ছিল, যা কেবল ছোট বিমানের জন্য উপযুক্ত। বিমান যোগাযোগ উন্নত করতে এবং বড় বিমান চলাচলের সুবিধার্থে হালওয়ারায় একটি নতুন সিভিল এনক্লেভ তৈরি করা হয়েছে, যেখানে দীর্ঘ রানওয়ে রয়েছে। নতুন টার্মিনাল ভবনে পরিবেশবান্ধব ও শক্তি সাশ্রয়ী একাধিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে এলইডি আলো, তাপ নিরোধক ছাদ, বৃষ্টির জল সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নিকাশি ও জল শোধনাগার এবং বাগান পরিচর্যার জন্য পুনর্ব্যবহৃত জল ব্যবহারের সুবিধা। স্থাপত্য নকশায় পাঞ্জাবের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন দেখা যায়, যা যাত্রীদের জন্য একটি স্বতন্ত্র ও আঞ্চলিক অভিজ্ঞতা প্রদান করবে।

  • Hindus Under Attack: দেশে-বিদেশ লাগাতর হিন্দু নির্যাতন অব্যাহত! বাংলাদেশের পরিস্থিতি কতটা খারাপ?

    Hindus Under Attack: দেশে-বিদেশ লাগাতর হিন্দু নির্যাতন অব্যাহত! বাংলাদেশের পরিস্থিতি কতটা খারাপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং বিদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ওপর লাগাতার আক্রমণের ঘটনা ঘটেই চলেছে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে, এই নিপীড়ন আমাদের চোখের সামনে ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো প্রকাশ পাচ্ছে। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলি উপেক্ষা করে আসছে। অথচ হিন্দু-বিরোধী (Hindu Dharma) ধর্মান্ধতার কারণে খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি অপবিত্রকরণ, ঘৃণ্য বক্তব্য এবং যৌন সহিংসতা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, হিন্দুরা (Hindus Under Attack) তাদের অস্তিত্বের উপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের শিকার হয়েই চলছে। ২৫ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোথায় কোথায় আক্রমণ হয়েছে আসুন এক নজরে দেখে নিই।

    কোচবিহারে হিন্দু নির্যাতন (Hindus Under Attack)

    স্থানীয় ক্ষোভ ও বিক্ষোভের কারণে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জের জামালদহ এলাকায়। মাত্র ১১ বছর বয়সী এক হিন্দু মেয়েকে (Hindus Under Attack) ধর্ষণের অভিযোগে ৬৩ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এনামুল মিঞা নামে এক অভিযুক্ত ব্যক্তি হামলা চালানোর আগে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নাবালিকা হিন্দু মেয়েটিকে মারার হুমকি দিয়েছিল বলে জানা গেছে।

    দক্ষিণ ভারতে অবমাননা

    শবরীমালা সোনা চুরি মামলায় অর্থ পাচারের অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) কেরালা, কর্ণাটক এবং তামিলনাড়ু জুড়ে ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে। দেবস্বম বোর্ডের প্রাক্তন প্রধান এবং সিপিআইএম নেতার সম্পত্তি সহ ২১টি স্থানে ইডি তল্লাশি চালিয়েছে।

    পালাক্কাদে সাম্প্রতিক প্রতিবাদ মিছিলের দৃশ্যগুলি প্রতিবাদের আচরণ এবং সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা নিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে যখন একটি স্কুল হোস্টেলে একজন ছাত্রের মৃত্যুর পর এই বিক্ষোভটি হয়েছিল। এই প্রতিবাদটি স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI) দ্বারা সংগঠিত হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) এর সঙ্গে যুক্ত একটি সংগঠন পালাক্কাদের স্কুল পরিচালিত হতো। প্রতিবাদের সময়, ওম প্রতীক যুক্ত হিন্দু আস্থার (Hindus Under Attack) উপরে চরম আঘাত হানে বামপন্থীরা।

    ছত্তিশগড়ে লাভ জিহাদ

    ছত্তিশগড়ের সুরগুজা জেলার পুলিশ বিহারের পাটনার বাসিন্দা মোহাম্মদ মাহফুজকে গ্রেফতার করেছে। যিনি জনজাতি মহিলাদের প্রতারণা ও শোষণের জন্য হিন্দু পুরুষ (Hindu Dharma)  সেজেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল এবং রেলওয়ে অফিসার হওয়ার মিথ্যা পরিচয়ের অভিযোগ রয়েছে। হিন্দু মেয়েদের লক্ষ্য করে প্রতারণামূলক সম্পর্কের বিষয়ে চলমান উদ্বেগকে তুলে ধরা হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ ভাবে লাভ জিহাদের ঘটনা।

    কাশ্মীরে হামলার ছক

    উত্তরপ্রদেশ সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড (ATS) এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ সন্দেহভাজন ইসলামী সন্ত্রাসী মোহাম্মদ উজাইদ কুরেশিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান শুরু করেছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি মিরাটের বাসিন্দা এবং আল-কায়েদা দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আবিষ্কার করেছেন যেখানে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর উপর ফেদায়িন (আত্মঘাতী) হামলার অভিযোগ মিলছে।

    হরিয়ানায় ছক

    গুরুগ্রামের রাজীব নগর এলাকা থেকে লাভ জিহাদের মতো একটি মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এসেছে। বিহারের এক হিন্দু মহিলা (Hindu Dharma) দাবি করেছেন, “এক ব্যক্তি মন্দিরের অনুষ্ঠানে তাকে বিয়ে করার জন্য তার মুসলিম পরিচয় গোপন করেছিলেন, পরে তাকে আক্রমণ করেছিল। ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দাবি করেছিলেন। অভিযুক্তের নাম আরিফ খান, যিনি ভিকটিমকে প্রতারণা করার জন্য আরভের পরিচয় দিয়েছিলেন।

    মাদিকেরি গ্রামীণ পুলিশ নাপোকলু গ্রামের ২১ বছর বয়সী এক কলেজ ছাত্রকে একাধিক মহিলার সাথে যৌন কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার, তার মোবাইল ফোনে সেই কার্যকলাপ রেকর্ড করার এবং ভিডিওগুলি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে । অভিযুক্ত ব্যক্তি বেঙ্গালুরুর একটি কলেজে অধ্যয়নরত একজন বিবিএ ছাত্র, পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অব্যাহত এবং ধীরে ধীরে দেশ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নির্মূল করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকাত-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির অপবিত্রকরণ, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম (Hindu Dharma) অবমাননার অভিযোগের পর জনতার আক্রমণ, নারীদের ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য হিন্দুদের ভয় দেখানো এবং তাড়িয়ে দেওয়ার হাতিয়ার।

    বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দেওয়া এক মর্মান্তিক ঘটনায়, ২৩ বছর বয়সী এক হিন্দু মেকানিককে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, যেখানে তিনি ঘুমাচ্ছিলেন এমন সময়েই আগুন দেওয়া হয়। চঞ্চল চন্দ্র ভৌমিক নামে পরিচিত ওই যুবক তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন এবং নরসিংদী শহরের একটি স্থানীয় গাড়ি মেরামতের কারখানায় কাজ করতেন।

  • Baloch liberation Army: বালুচ লিবারেশন আর্মির হাতে খতম ৮৪ জন পাকিস্তানি সেনা

    Baloch liberation Army: বালুচ লিবারেশন আর্মির হাতে খতম ৮৪ জন পাকিস্তানি সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩১ জানুয়ারি জারি করা এক বিবৃতিতে বালুচ লিবারেশন আর্মি (Baloch liberation Army) (বিএলএ) দাবি করেছে, “অপারেশন হেরোফ ফেজ টু”-তে ৮০ জনেরও বেশি পাকিস্তানি (Pakistan) জঙ্গি, পুলিশ কর্মী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিটের সদস্য নিহত হয়েছে। আমাদের যোদ্ধারা বালুচিস্তানের একাধিক জেলায় আক্রমণ চালিয়েছে। আক্রমণগুলি দশ ঘণ্টা ধরে সংগঠিত হয়েছিল এবং প্রদেশের অসংখ্য শহরে নিরাপত্তা, সামরিক এবং প্রশাসনিক কাঠামোগুলিকে লক্ষ্য করে করা হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকটি ভিডিও-র সত্যতা নিশ্চিত করেছে বিএলও।

    কোথায় কোথায় হামলা (Baloch liberation Army)?

    বিএলএ (Baloch liberation Army) মুখপাত্র জিয়ান্দ বালোচের দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, কোয়েটা (Pakistan), নোশকি, মাস্তুং, দালবান্দিন, কালাত, খারান, পাঞ্জগুর, গোয়াদার, পাসনি, তুরবাত, টুম্প, বুলেদা, মাঙ্গোচর, লাসবেলা, কেচ এবং আওয়ারান এবং এর আশেপাশের বেশ কিছু জায়গায় হামলা চালানো হয়। আমাদের যোদ্ধারা একই সঙ্গে শত্রু সামরিক, প্রশাসনিক এবং নিরাপত্তা কাঠামো-এ হামলা চালিয়েছে, এবং বেশ কয়েকটি এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর চলাচল সাময়িকভাবে সীমিত করেছে।

    ৮৪ জন নিহত, ১৮ জন বন্দি!

    বিএলএর (Baloch liberation Army) তরফে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানি (Pakistan) সামরিক বাহিনী, পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থার ৮৪ জন সদস্য নিহত হয়েছে, সেই সঙ্গে শতাধিক আহত হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৮ জনকে বন্দি করা হয়েছে। তারা আরও দাবি করেছে যে অফিস, ব্যাঙ্ক এবং কারাগার সহ ৩০ টিরও বেশি সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করা হয়েছে এবং ২০ টিরও বেশি যানবাহন আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে তীব্র সংঘর্ষের সময় বিএলএ যোদ্ধারা কিছু নির্দিষ্ট পোস্ট এবং কাঠামোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

    চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরে হামলা বালুচদের

    বালুচিস্তানে (Baloch liberation Army) কর্মরত বেশ কয়েকটি বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি সংগঠনের মধ্যে বালুচ লিবারেশন আর্মি অন্যতম। এই প্রদেশটি রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন, সম্পদ নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নয়নের অভিযোগের কারণে কয়েক দশক ধরে বিদ্রোহ করেছে। এই গোষ্ঠীটি পূর্বে পাকিস্তানি (Pakistan) নিরাপত্তা বাহিনী, এবং বিদেশি স্বার্থ, বিশেষ করে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রকল্পগুলির ওপর একাধিক হামলার দায় স্বীকার করেছে।

    পাকিস্তান বহুদিন ধরে বালুচদের ওপর ধর্মীয়, সামাজিক, আর্থিক এবং রাজনৈতিক শাসন চালাচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে পাক সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন বালুচরা। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং ফ্রন্টিয়ার কর্পসকে প্রায়শই বেলুচ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত দমন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, যার ফলে প্রায়শই জোরপূর্বক অপহরণের ঘটনা ঘটে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি দাবি করেছে  কয়েক বছর ধরে পাকিস্তান (Pakistan) সেনাবাহিনী বা তাদের মিলিশিয়ারা হাজার হাজার বালুচকে অবৈধভাবে হত্যা বা অপহরণ করেছে।

    যোগাযোগ ব্যবস্থায় ক্ষতি

    শুক্রবার শেষ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে জানা গিয়েছে কিছু এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক বিবরণ প্রকাশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিএলএ ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা আরও আপডেট জারি করবে। বালুচিস্তানের (Baloch liberation Army) পরিস্থিতি এখনও স্থিতিশীল রয়েছে, রিপোর্ট করা ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Spiritual Winter: ভারতের আধ্যাত্মিক শীতকালের মহাসমাপ্তি ঘটে মাঘী পূর্ণিমায়

    Spiritual Winter: ভারতের আধ্যাত্মিক শীতকালের মহাসমাপ্তি ঘটে মাঘী পূর্ণিমায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে মাঘ মেলার প্রধান আকর্ষণ মাঘপূর্ণিমার (Magha Purnima) মহাপুণ্যস্নান। আজ যখন ভারতের লক্ষ লক্ষ মানুষ মাঘী পূর্ণিমা—অর্থাৎ পবিত্র মাঘ মাসের সমাপ্তি সূচক পূর্ণিমা—উদযাপন করছেন, তখন দেশ এক শক্তিশালী আধ্যাত্মিক সঙ্গমের সাক্ষী থাকছে। সনাতন সংস্কৃতির প্রতি বিশ্বাস, জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং আধ্যাত্মিকতা (Spiritual Winter) মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে।

    স্নানের বিজ্ঞান (Magha Purnima)

    মাঘী পূর্ণিমার স্নান নিছক একটি স্নানই নয়, এটি শরীরের একটি ‘সিস্টেম রিবুট’। আমাদের পূর্বপুরুষরা কেবল গঙ্গা বা যমুনার কাব্যিক গুণগান করেননি, তাঁরা ছিলেন আদি ‘হাইড্রো-জিওলজিস্ট’। মাঘী পূর্ণিমায় (Magha Purnima) একটি বিশাল জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিন্যাস ঘটে। এই সময়  সূর্য মকর রাশিতে এবং চাঁদ কর্কট রাশিতে অবস্থান করে। শাস্ত্র অনুযায়ী, এই নির্দিষ্ট মহাকর্ষীয় এবং চন্দ্রের সংযোগ পৃথিবীর জলভাগকে একটি অনন্য তড়িৎ-চৌম্বকীয় (Electromagnetic) শক্তিতে পূর্ণ করে তোলে। এই স্নান বা ‘ডুব’ দেওয়া আসলে আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে পুনর্গঠন করে এবং শরীরের ‘বায়ো-রিদম’-কে পৃথিবীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে। এটি আত্মার (Spiritual Winter) পক্ষে একটি হার্ডওয়্যার রিবুটের মতো।

    চৈতন্য ভূগোল

    সজীব মানচিত্র হিসেবে ভারত এই দিনটি প্রমাণ করে যে ভারত কেবল রাজনৈতিক সীমানা দিয়ে ঘেরা একটি ভূখণ্ড নয়—এটি একটি ‘চৈতন্য ভূগোল’। প্রয়াগরাজের মাঘ মেলা থেকে শুরু করে দক্ষিণের কোনও ছোট মন্দিরের পুকুর—পুরো দেশ আজ জলের দিকে ধাবিত হয়। এই ‘আধ্যাত্মিক পরিযান’ (Spiritual Winter) আমাদের সভ্যতার অদৃশ্য আঠা। আমাদের কোনও কেন্দ্রীয় সদর দফতর বা নির্দেশিকার প্রয়োজন নেই, আমাদের নদীগুলিই আমাদের শিরা, আর পূর্ণিমার স্পন্দনই আমাদের বলে দেয় কখন এগিয়ে যেতে হবে।

    দানের প্রোটোকল

    ‘আমি ও আমার’ অহং ত্যাগ করতে এই দিনে মানুষ তিল, কম্বল এবং খাবার অকাতরে দান করেন। এটি কোনও পশ্চিমি ‘দয়া’ বা ‘চ্যারিটি’ নয়, এটি হল ভারতের ‘নিষ্কাম কর্ম’। আমরা দান করি কারণ আমরা জানি আমাদের ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স বা শরীর—সবই ‘বিরাট পুরুষ’-এর কাছ থেকে সাময়িক সময়ের জন্য পাওয়া। মাঘী পূর্ণিমায় (Magha Purnima) দান করা হল আসক্তি ত্যাগের একটি আচার। এটি মনের ভেতর থেকে ‘অহং’-এর সফটওয়্যার মুছে ফেলার মতো।

    পূর্ণত্ব

    ‘পূর্ণ’ ‘পূর্ণিমা’ (Magha Purnima) শব্দটি এসেছে ‘পূর্ণত্ব’ থেকে। বৈদিক বিশ্বদর্শন অনুযায়ী মানুষ ‘পাপী’ বা ‘ভাঙাচোরা’ কিছু নয়; আপনি ইতিমধ্যেই পূর্ণ। শান্তি মন্ত্রে বলা হয়েছে—“ওঁ পূর্ণমদঃ পূর্ণমিদম্ পূর্ণাৎ পূর্ণমুদচ্যতে… (সেই পরমাত্মাও পূর্ণ, এই জীবাত্মাও পূর্ণ; পূর্ণ থেকেই পূর্ণের উৎপত্তি)। পূর্ণিমার চাঁদ আসলে একটি বিশাল মহাজাগতিক আয়না, যা আপনাকে মনে করিয়ে দেয় যে আপনার ভেতরের আলোও পূর্ণ। নিজেকে সম্পূর্ণ করার জন্য কোনও বাইরের ত্রাতা (Spiritual Winter) বা বিদেশী মতাদর্শের প্রয়োজন নেই।

    মূল কথা

    মাঘী পূর্ণিমা (Magha Purnima) আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমরা এই মাটি এবং জলের অংশ। ২০২৬ সালের পূর্ণিমা ব্যস্ততাময় আধ্যাত্মিক প্রবাহে নিজেকে যুক্ত করার দিন। যদি আপনি কোনও পবিত্র নদীতে যেতে না পারেন, তবে বাড়িতেই বালতির জলে কয়েক ফোঁটা গঙ্গাজল মিশিয়ে এই মন্ত্রটি পাঠ করুন: “গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরী সরস্বতী, নর্মদে সিন্ধু কাবেরী জলেস্মিন সন্নিধিং কুরু।” ব্যস্ততা চলুক, কিন্তু আপনার হৃদয় (Spiritual Winter) যেন পূর্ণ থাকে।

  • Bongo Tribeni Kumbho Mohotsav: ত্রিবেণীতে মুসলিম আক্রমণের জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল কুম্ভমেলা! ৭০০ বছর পর কীভাবে ফিরল?

    Bongo Tribeni Kumbho Mohotsav: ত্রিবেণীতে মুসলিম আক্রমণের জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল কুম্ভমেলা! ৭০০ বছর পর কীভাবে ফিরল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার বাঁশবেড়িয়া সংলগ্ন ত্রিবেণীতে (Bongo Tribeni Kumbho Mohotsav) রচিত হয়েছে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। ইসলামি আগ্রাসনের কারণে ৭০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা এক প্রাচীন কুম্ভমেলা পুনরায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে। একে বলা হচ্ছে “বঙ্গ ত্রিবেণী কুম্ভ মহোৎসব।” বঙ্গের প্রাচীন সংস্কৃতিকে জাগিয়ে তুলতে সচেষ্ট হয়েছেন উদ্যোক্তারা।

    দক্ষিণ প্রয়াগ হিসেবে ত্রিবেণী (Bongo Tribeni Kumbho Mohotsav)

    হুগলি জেলার ত্রিবেণীকে (Bongo Tribeni Kumbho Mohotsav) ঐতিহাসিকভাবে ‘দক্ষিণ প্রয়াগ’ (Daksina Prayag) বলা হয়। এলাহাবাদের (প্রয়াগরাজ) মতো এখানেও রয়েছে গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতীর সঙ্গমস্থল। তবে প্রয়াগরাজের ত্রিবেণীকে বলা হয় ‘যুক্তবেণী’, আর বাংলার ত্রিবেণীকে বলা হয় ‘মুক্তবেণী’। প্রাচীন শাস্ত্র অনুযায়ী, এটি একটি অত্যন্ত পবিত্র তীর্থস্থান। সমুদ্র মন্থনের ফলে এখানেও অমৃতের ফোঁটা পড়েছিল। এখানে স্নান করলে এই স্নান অমৃত স্নানের সমান। সূর্য দেবতার দক্ষিণায়ণের ফলে যেমন সব কিছুর পরিবর্তন হয় ঠিক তেমনি মানুষের মনেরও পরিবর্তন হয়।

    মানবজাতির পাপ মুছে ফেলা হত

    বৈষ্ণব পণ্ডিত বৃন্দাবন দাস সপ্তগ্রাম ত্রিবেণী ঘাটকে সেই স্থান হিসেবে বর্ণনা করেছেন যেখানে সপ্তর্ষিরা তপস্যা করেছিলেন এবং যেখানে স্নানের মাধ্যমে মানবজাতির পাপ মুছে ফেলা যায়। ত্রিবেণীর ভিক্ষু এবং ঋষিরা সপ্তর্ষি (মৈত্রেয়ী, অত্রি, পুলস্ত, পুলহ, ব্যাস, বশিষ্ঠ এবং বিশ্বামিত্র নামে ৭ জন ঋষি তপস্যা করেছিলেন। এখানেই প্রতিবছর সমবেত হন লাখ লাখ ভক্ত। সাধু-সন্তদের নির্দেশনা এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় সহায়তায়, মাঘী সংক্রান্তি ভৈমি-একাদশী উপলক্ষে কুম্ভমেলা এবং কুম্ভ স্নানের আয়োজন করা হয়।

    ত্রিবেণীর (Bongo Tribeni Kumbho Mohotsav) ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার এবং কুম্ভ ঐতিহ্যের গর্ব পুনরুজ্জীবিত করতে গত বছর এখানে কুম্ভ মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। ৭ শতাব্দী পর, তিন দিনের কুম্ভ মহাস্নান এবং মেলা এই অঞ্চলে এক নতুন শক্তির সঞ্চার করেছে। ৩ দিন ধরে চলা গঙ্গা আরতি, রুদ্রাভিষেক এবং যজ্ঞে অংশগ্রহণ করেছিলেন লাখ লাখ ভক্ত। এবার ৭০৩ বছর পর ভাগ্যের চাকা ঘুরে গেল। বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া কুম্ভমেলাকে ২০২২ খ্রিস্টাব্দে আবারও পুনরুজ্জীবিত করা হল।

    কেন বন্ধ হয়েছিল এই মেলা?

    ঐতিহাসিক তথ্য অনুসারে, ১২৯২-১২৯৮ খ্রিস্টাব্দের দিকে মুসলমান আক্রমণকারী জাফর খান গাজির নেতৃত্বে ত্রিবেণী (Bongo Tribeni Kumbho Mohotsav) অঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসলীলা চালানো হয়। সেখানে থাকা পাল যুগের বিষ্ণু মন্দির ধ্বংস করা হয় এবং হিন্দুদের ধর্মীয় জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়। এর ফলে প্রায় ৭০০ বছর আগে এই মেলা ও স্নানযাত্রা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও গবেষকদের মতে, ওই অঞ্চলে থাকা বহু মন্দির ও বিহার ধ্বংস করে তার উপরেই তৎকালীন সময়ে বিভিন্ন মসজিদের ইমারত গড়ে তোলা হয়েছিল। মুসলিম শাসকরা যেভাবে যেদিকে এগিয়ে গিয়েছে সেখানকার পুরাতন সংস্কৃতিকে বরাবর ধ্বংস করেছে। ১২৮৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৩১৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে, সপ্তগ্রাম এবং ত্রিবেণী (Daksina Prayag) দৃঢ়ভাবে ইসলামি আক্রমণকারীদের নিয়ন্ত্রণে আসে। ঐতিহাসিকদের একাংশের মতে, হিন্দু ও বৌদ্ধ মন্দির এবং মঠগুলি নিয়মতান্ত্রিকভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল এবং পূর্ববর্তী ধর্মীয় কাঠামোর ওপরেই মসজিদ এবং দরগা নির্মাণ করা হয়েছিল। ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক রাখালদাস ব্যানার্জি এবং প্রণব রায় জাফর খান গাজি দরগার স্তম্ভ, ভাস্কর্যের স্থাপত্যের টুকরো খুঁজে পেয়েছেন যা হিন্দু, জৈন এবং বৌদ্ধ চিত্রের বিকৃত রূপ ধারণ করে। বিশ্বাস করা হয় যে এই অঞ্চলে শেষ কুম্ভমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৩১৯ খ্রিস্টাব্দে।

    পুনরুত্থানের প্রচেষ্টা

    দীর্ঘ কয়েক শতাব্দী পর, স্থানীয় কিছু সাধু, সন্ন্যাসী এবং হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের উদ্যোগে ২০২২ সালে প্রথমবার এই কুম্ভমেলা (Daksina Prayag) পুনরায় শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই আন্দোলনের নেপথ্যে ছিলেন কাঞ্চন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো প্রবাসী গবেষক এবং স্থানীয় ‘ত্রিবেণী কুম্ভ পরিচালনা সমিতি’। তাঁদের গবেষণায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু রেফারেন্সও ব্যবহার করা হয়েছিল। যার মাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে ১৩১৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এখানে কুম্ভ মেলা হত। ফলে হুগলীর ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান (Bongo Tribeni Kumbho Mohotsav) করার ঘটনা কোনও বিছিন্ন ঘটনা নয়। এটি একটি সনাতনী সাংস্কৃতিক প্রবাহ।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা ও বর্তমান চিত্র

    ২০২৩ সালের ‘মন কি বাত’ (Mann Ki Baat) অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই মেলার পুনরুজ্জীবনের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর যা হওয়া উচিত ছিল, তা হতে অনেক দেরি হয়ে গেল। ২০২৬ সালেও ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই উৎসব পালিত হতে চলেছে, যেখানে প্রায় ১৪ থেকে ১৬ লাখ ভক্তের সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    অনুষ্ঠানের বৈশিষ্ট্য

    বর্তমানে এই মেলায় কেবল পবিত্র স্নানই হয় না, বরং বাংলার লোকসংস্কৃতি যেমন—কীর্তন, বাউল গান, গৌড়ীয় নৃত্য, শ্রীখোল এবং গঙ্গাপুজোর মতো নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এটি এখন বাংলার হিন্দুদের হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের এক প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবছরেই ত্রিবেণী কুম্ভ মেলার আয়োজন করা হয়। দেশের নানা প্রান্ত থেকে সাধু, সন্ন্যাসী, নাগারা আসেন। একই ভাবে প্রচুর পর্যটক এবং ভক্ত সমাগমও হয়।

    প্রতি ৬ বছর অন্তর হরিদ্বার এবং প্রয়াগরাজে অর্ধকুম্ভ অনুষ্ঠিত হলেও, প্রতি ১২ বছর অন্তর পূর্ণকুম্ভ অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতি, সূর্য এবং চন্দ্রের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে, পূর্ণকুম্ভ চারটি নির্ধারিত স্থানের একটিতে অনুষ্ঠিত হয়-প্রয়াগরাজ, হরিদ্বার, উজ্জয়িনী এবং নাসিক। প্রতি ১৪৪ বছরে একবার মহাকুম্ভ মেলা (Daksina Prayag) অনুষ্ঠিত হয়, যার মধ্যে সর্বশেষটি অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালে, প্রয়াগরাজে।

    কবে কোন উৎসব?

    বঙ্গো ত্রিবেণী কুম্ভ মহোৎসবের (Bongo Tribeni Kumbho Mohotsav) যাত্রাপথ নিম্নরূপ:

    ১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

    সূর্যোদয়, আদিত্য হৃদয় মন্ত্র ও শান্তি বচন

    নগর সংকীর্তন

    যোগ আসন (ক্লাব গ্রাউন্ড)

    রুদ্রাভিষেক ও রুদ্র মহাযজ্ঞ, শিব সহস্র নাম পাঠ (ক্লাব গ্রাউন্ড)

    শিশুদের বসে আঁক প্রতিযোগিতা

    ধর্মসভা

    গঙ্গা আরতি


    ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

    শান্তি কুম্ভ শোভাযাত্রা এবং আলোকচিত্র প্রদর্শনী

    পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের ভাষণ

    গীতা পাঠ

    সাধু ভান্ডারা

    কালী কীর্তন

    গৌড়িয় নৃত্য

    গঙ্গা আরতি

    ১৩ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

    অমৃতা স্নানযাত্রা

    ধর্মসভা

    সাধু ভোজন

    ধর্মীয় অনুষ্ঠান / কীর্তন (ক্লাব গ্রাউন্ড)

    গঙ্গা আরতি (সপ্তর্ষি ঘাট)

  • Guru Ravidas: চর্মকার থেকে মহাজাগতিক শিক্ষক- প্রাত্যহিক কাজকে ঈশ্বর সাধনায় রূপান্তর করেছিলেন রবিদাস

    Guru Ravidas: চর্মকার থেকে মহাজাগতিক শিক্ষক- প্রাত্যহিক কাজকে ঈশ্বর সাধনায় রূপান্তর করেছিলেন রবিদাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঘী পূর্ণিমার এই পবিত্র দিনে ভারত ও বিশ্বের অগণিত মানুষ সন্ত গুরু রবিদাসের (Guru Ravidas) জন্মজয়ন্তী (Birth Anniversary) পালন করছেন। তিনি মধ্য যুগের ভারতে ভক্তি আন্দোলনের একজন অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব, কবি এবং সমাজ সংস্কারক ছিলেন। বঙ্গে যেমন শ্রী চৈতন্য ভক্তিবাদের জোয়ার এনেছিলেন, তেমনি উত্তর ভারতে ভক্তিবাদের প্রবক্তাদের মধ্যে সন্ত রবিদাস অন্যতম। তাঁর জীবন ও দর্শন আজও আমাদের সাম্য, মানবতা এবং ভক্তি ও কর্মের মেলবন্ধনের পথ দেখায়।

    জন্ম ও পরিচয় (Guru Ravidas)

    সন্ত রবিদাস (Guru Ravidas) রায়দাস বা রোহিদাস নামেও পরিচিত। আনুমানিক ১৫শ শতাব্দীতে বারাণসীর নিকটবর্তী সীর গোবর্ধনপুর গ্রামে একটি দরিদ্র চর্মকার (মুচি) পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। সেই সময়ে প্রচলিত কঠোর জাতিভেদ প্রথা উপেক্ষা করে তিনি তাঁর আধ্যাত্মিক সাধনার মাধ্যমে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছিলেন।

    কর্মই ধর্ম

    সন্ত রবিদাসের (Guru Ravidas) জীবনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল তাঁর পেশা ও সাধনার সমন্বয়। তিনি চটি বা জুতো তৈরির কাজকে কখনও হীন মনে করেননি। তাঁর বিখ্যাত উক্তি, “মন চাঙ্গা তো কঠোতি মে গঙ্গা” অর্থাৎ, যদি মন পবিত্র থাকে, তবে কাঠের তৈরি ছোট পাত্রের জলেই গঙ্গার পবিত্রতা খুঁজে পাওয়া সম্ভব। তিনি শিখিয়েছেন, ভগবানকে পাওয়ার জন্য সংসার ত্যাগ করার প্রয়োজন নেই; সততা ও নিষ্ঠার সাথে নিজের কাজ করাই হল প্রকৃত উপাসনা। তাঁর লেখা দোহার মধ্যে হল-

    “রবিদাস জীবাত্মা প্রভু কি, হয় না দুজা কয়ে

    জিঁও জল মে জল মিল গয়া, তিওঁ হরি মে মিলনা হয়।”

    সামাজিক সংস্কার ও সাম্য

    গুরু রবিদাস (Guru Ravidas) জাতিভেদ প্রথা এবং অস্পৃশ্যতার তীব্র বিরোধী ছিলেন। তিনি ‘বেগম্পুরা’ (Begampura) নামক এক আদর্শ সমাজের স্বপ্ন দেখতেন—যেখানে কোনও দুঃখ, ভয় বা বৈষম্য থাকবে না। তিনি প্রচার করেছিলেন যে, মানুষ তাঁর জন্মের পরিচয়ে নয়, বরং তাঁর কর্মের মাধ্যমে মহান হন। তাঁর এই দর্শন কেবল নিচুতলার মানুষের মধ্যে নয়, বরং তৎকালীন সমাজের উঁচুতলার রাজকীয় ব্যক্তিদেরও আকৃষ্ট করেছিল। বিখ্যাত কৃষ্ণভক্ত মীরাবাঈ তাঁকে নিজের আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। জন্মদিনে (Birth Anniversary) রবিদাসের একটি দোহাকে স্মরণ করে বলা যায়-

    “তোহি মোহি, মোহি তোহি, অন্তর কায়সা, কনক কাটিক, জল লহর যাইসা।”

    আধ্যাত্মিক অবদান ও শিখ ধর্মে স্থান

    সন্ত রবিদাস (Guru Ravidas) রচিত ভজন ও পদাবলী আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। গুরু রবিদাসের ৪১টি পবিত্র বাণী বা স্তোত্র শিখদের ধর্মগ্রন্থ ‘গুরু গ্রন্থ সাহেবে’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা তাঁর আধ্যাত্মিক উচ্চতার প্রমাণ দেয়। হরি ভজনের ওপর রবিদাস লিখেছেন-

    “হরি সা হীরা ছদ ক্যা, করহি আঁ কি আস,

    তে নর যমাপুর জাহিঙ্গে, সাত ভাখাই রবিদাস।”

    বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা

    বর্তমান সময়েও তাঁর শিক্ষা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে ঘৃণা ত্যাগ করে একে অপরকে ভালোবাসতে হয়। তাঁর জন্মজয়ন্তী (Birth Anniversary) উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ দেশের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। বারাণসীতে, তাঁর জন্মস্থানে বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

    সন্ত রবিদাস (Guru Ravidas) কেবল একজন ধার্মিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক। তিনি জাতপাত বর্ণ বৈষম্য মানতেন না। সামাজিক ন্যায়, ধনী-দরিদ্র, উঁচু-নিচু প্রভেদগুলিকে ভুলে সমাজ জাগরণের কাজ করে গিয়েছেন। যিনি বিশ্বাস করতেন—সব মানুষের ভেতরেই ঈশ্বর বিরাজমান। তাই মানবসেবাই হল পরম ধর্ম।

  • Daily Horoscope 01 February 2026: বিদেশযাত্রার বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 01 February 2026: বিদেশযাত্রার বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় তেমন লাভ হবে না।

    ২) অর্থক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে দাম্পত্য কলহের কারণে মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কর্কট

    ১) বিদেশযাত্রার বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ৩) ভবিষ্যত পরিকল্পনা করুন।

    সিংহ

    ১) অভিনেতাদের জন্য ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব ভেবেচিন্তে পা বাড়ানো উচিত।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) সারা দিন কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) বেকারদের নতুন কিছু করার চেষ্টা বাড়তে পারে।

    ২) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) মানসিক কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ৩) বন্ধুদের থেকে সাহায্য পাবেন।

    ধনু

    ১) অপরকে সুখী করতে গেলে স্বার্থত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মকর

    ১) কোনও নামী ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয়ে লাভবান হতে পারেন।

    ২) ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ব্যবসায় বিপুল লাভ।

    কুম্ভ

    ১) সম্মান নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মীন

    ১) সঞ্চয়ের ইচ্ছা খুব বাড়তে পারে।

    ২) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Amit Shah Attacks Mamata: “মমতা বাংলার ঐক্য ভেঙে দিয়েছেন” বাগডোগরায় তৃণমূলকে আক্রমণ শাহের

    Amit Shah Attacks Mamata: “মমতা বাংলার ঐক্য ভেঙে দিয়েছেন” বাগডোগরায় তৃণমূলকে আক্রমণ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্য সরকার সমাজকে বিভক্ত করছে এবং বাংলার সামাজিক ঐক্য ধ্বংস করেছে। শনিবার বাগডোগরায় বিজেপির কার্যকর্তা সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah Attacks Mamata)। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার ঐক্য ছিন্নভিন্ন করেছেন। তিনি এক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আরেক সম্প্রদায়কে দাঁড় করিয়েছেন। আদিবাসীদের সঙ্গে কুর্মিদের সংঘাত তৈরি করা হয়েছে। মমতা দিদি, আপনার সময় শেষ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে স্বামী বিবেকানন্দ ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনের সময় এসে গিয়েছে।”

    বাংলার মানুষ ক্ষমা করবে না

    বাংলার ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে শাহ বলেন, গত সাড়ে চার দশক ধরে রাজ্য পিছিয়ে পড়েছে। প্রথমে বামফ্রন্ট সরকার এবং পরে ‘মা, মাটি, মানুষ’ স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন বলে তাঁর অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রতীক বিরোধিতার অভিযোগও তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সংসদে ‘বন্দে মাতরম’ প্রসঙ্গে আলোচনার সময় তৃণমূলের বিরোধিতার কথা তুলে ধরে শাহ বলেন, “ব্যাঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলার মানুষ। অথচ ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য তৃণমূল ‘বন্দে মাতরম’-এর বিরোধিতা করেছে। বাংলার মানুষ এটা ক্ষমা করবে না।” ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে এর জবাব দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন শাহ।

    বাংলায় অনুপ্রবেশ, দেশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    বাংলায় অনুপ্রবেশ ইস্যুকেও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন বলে উল্লেখ করেন শাহ। তাঁর দাবি, তৃণমূল সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে অনুপ্রবেশে মদত দিচ্ছে। অসম, গুজরাট ও রাজস্থানের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “যেখানে বিজেপি সরকার আছে, সেখানে অনুপ্রবেশ নেই।” কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আদালত ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে বিএসএফ-কে প্রয়োজনীয় জমি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, কিন্তু তৃণমূল সরকার তা মানবে না বলেই তাঁর আশঙ্কা। তিনি দাবি করেন, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠিত হলে ৪৫ দিনের মধ্যেই বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর করা হবে এবং অনুপ্রবেশ বন্ধ করে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানো হবে।

    নারী নিরাপত্তা নিয়ে সরব শাহ

    পশ্চিমবঙ্গে নারী নিরাপত্তা নিয়েও রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তোলেন অমিত শাহ। তাঁর অভিযোগ, “আজ বাংলায় নারীরা নিরাপদ নন। তৃণমূল সরকারের আমলে বিজেপির এক আদিবাসী সাংসদের উপর হামলা হয়েছে, দলের নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে।” উত্তরবঙ্গে বিজেপির শক্ত অবস্থানের কথা তুলে ধরে শাহ বলেন, রাজ্যে ২৮টির মধ্যে সবকটি লোকসভা আসন জয়ের লক্ষ্য নিয়ে দল এগোচ্ছে। বিজেপির ভোট শতাংশ বেড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি এবং বলেন, “পরিবর্তন আসছে, এটা অনিবার্য।”

LinkedIn
Share