Tag: Madhyom

Madhyom

  • IPL 2026: বাইশগজে বয়কট বাংলাদেশ! বিসিসিআই-এর নির্দেশ মেনে মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দিল কেকেআর

    IPL 2026: বাইশগজে বয়কট বাংলাদেশ! বিসিসিআই-এর নির্দেশ মেনে মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দিল কেকেআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাইশগজে বয়কট বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত-বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে শিথিলতা এসেছে। সম্প্রতি নোয়াখালিতে দীপু দাসকে পিটিয়ে হত্যা করে জ্বালিয়ে দেওয়ার পর ভারতীয়রা বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার বৃদ্ধির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে ভারতের আমজনতা। দীপু দাসের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকারও। তার পর থেকে আইপিএলে (IPL 2026) বাংলাদেশের ক্রিকেটারের থাকা নিয়ে প্রতিবাদ শুরু হয়। এবার বিসিসিআইয়ের (BCCI) সিদ্ধান্ত মেনেই সমস্ত নিয়ম যথাযথভাবে পালন করে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) ছেড়ে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

    কেকেআর কর্তৃপক্ষের বিবৃতি

    বোর্ডের নির্দেশের পেক্ষিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন কেকেআর কর্তৃপক্ষ। শিরোনামে লেখা হয়েছে, ‘‘কলকাতা নাইট রাইডার্স- দলের আপডেট।’’ মূল বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘‘কলকাতা নাইট রাইডার্স নিশ্চিত করছে, আইপিএলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিসিআই আসন্ন মরসুমের আগে মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ভারতীয় বোর্ডের নির্দেশ এবং পরামর্শ মেনে যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আইপিএলের (IPL 2026) নিয়ম অনুযায়ী, বিসিসিআই এক জন পরিবর্ত খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমতি দেবে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য সময় মতো জানানো হবে।’’ কেকেআর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বোর্ডের নির্দেশ পাওয়ার পরই তাঁরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করেছেন। দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ বাঁহাতি জোরে বোলারকে। ফলে কেকেআরের ক্রিকেটার সংখ্যা ২৫ থেকে কমে হল ২৪।

    পাকিস্তানের পর বাংলাদেশ

    ২০০৮ সালে মুম্বইয়ে জঙ্গি হামলার পর থেকে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সম্পর্ক নেই বললেই চলে। ২০০৯ সাল থেকেই পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের জন্য আইপিএলের (IPL 2026) দরজা বন্ধ করে দিয়েছে বিসিসিআই। গত বছর পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা এবং অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত-পাক ক্রিকেট সম্পর্ক আরও তলানিতে ঠেকেছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রেও কি একই অবস্থান নিল বিসিসিআই? মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশের মনে। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত সাময়িক না দীর্ঘমেয়াদি তা অবশ্য এখনই বলা সম্ভব নয়।

  • Bangladesh: মারাই গেলেন হিন্দু ব্যবসায়ী খোকন দাস, জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইউনূসের বাংলাদেশে

    Bangladesh: মারাই গেলেন হিন্দু ব্যবসায়ী খোকন দাস, জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইউনূসের বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ মারাই গেলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দু ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাস। বর্ষবরণের রাতে কয়েকজন দুষ্কৃতী প্রথমে ছুরিকাঘাত করে তাঁকে, পরে গায়ে লাগিয়ে দেয় আগুন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর (Hindu Businessman)। ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৭টা ২০ মিনিট নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয় বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় প্রায় তিন দিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন খোকন। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি। জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, “শরিয়তপুর জেলার দামুদ্যা উপজেলার অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আহত খোকন দাস আজ সকাল ৭টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে মারা গিয়েছেন।”

    হিন্দু ব্যবসায়ীর ওপর হামলা (Bangladesh) 

    নববর্ষের রাতে শরিয়তপুরের দামুদ্যা উপজেলায় একদল দুর্বৃত্ত খোকনের ওপর হামলা চালিয়েছিল। হামলাকারীরা প্রথমে তাঁকে ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপায়, পরে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয়।এই ঘটনার জেরে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে নতুন করে (Bangladesh)। চিকিৎসকদের মতে, খোকনের শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ অংশ দগ্ধ হয়েছে। আগুনে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাঁর মুখমণ্ডল ও শ্বাসনালী। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই আঘাতগুলি অত্যন্ত গুরুতর ছিল। প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ সম্পন্ন হলেই দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন (Hindu Businessman)।

    শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন

    শরিয়তপুর জেলার দামুদ্যা উপজেলার কোনেশ্বর ইউনিয়নের কেয়ুরভাঙা বাজার এলাকায় ছিল খোকনের ওষুধের দোকান। বর্ষবরণের রাতেও প্রতিদিনের মতোই দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। এই সময় একদল দুর্বৃত্ত পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করতে থাকে তাঁকে। পরে তাঁর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় হামলাকারীরা। প্রাণ বাঁচাতে রাস্তার পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেন খোকন। তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে হামলাকারীরা চম্পট দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয় (Bangladesh)। শরিয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত এক ব্যবসায়ী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহতের নাম দাস। তিনি মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    চিকিৎসকের বক্তব্য

    স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় দাসকে উদ্ধার করে প্রথমে শরিয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা সেদিন রাতেই তাকে ঢাকায় রেফার করেন। শরিয়তপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নজরুল ইসলাম জানান, খোকন দাসের শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁর পেটে গুরুতর ক্ষত ছিল। তাঁর মুখমণ্ডল, মাথার পেছনের অংশ ও হাতের একটা অংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। ডামুড্যা থানার পুলিশ সূত্রে খবর, খোকন কনেশ্বর ইউনিয়নের তিলই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।   ঘটনার সময় তিনি একটি অটোরিকশায় চড়ে ডামুড্যা–শরিয়তপুর সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপর হামলা চালায় (Hindu Businessman)।

    কী বলছেন ওসি

    ডামুড্যা থানার ওসি মহম্মদ রবিউল হক জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত দু’জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “কেওড়ভাঙা বাজারে এক ব্যবসায়ীর ওপর হামলার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই (Bangladesh)। হামলাকারীদের মধ্যে দু’জনের পরিচয় জানা গিয়েছে। তারা স্থানীয় বাসিন্দা রাব্বি ও সোহাগ। তাদের গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    গ্রেফতারির দাবি

    নিহতের এক আত্মীয় বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া যাবে না। যাদের পরিচয় পাওয়া গিয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে।” নিহতের স্ত্রী সীমা দাস জানান, বাড়িতে ঢোকার মুহূর্তেই তাঁর স্বামীর ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, “আমার স্বামী পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি বাড়িতে ঢোকার সময় একদল লোক তাঁর ওপর হামলা চালায়। তারা গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমার স্বামী অত্যন্ত শান্ত প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। কারও সঙ্গে তাঁর কোনও শত্রুতা ছিল না। কেন হামলা করা হল, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না (Hindu Businessman)।”

    প্রসঙ্গত, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এমন একটা সময়ে ঘটল, যখন বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হিংসার ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে (Bangladesh)। গত মাসেই ময়মনসিংহে পোশাক কারখানার কর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে মিথ্যে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে খুন করা হয়। একই সময়ে রাজবাড়িতে তোলাবাজির অভিযোগে অমৃত মণ্ডল নামে আর এক হিন্দু যুবককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে খুন করা হয়। পরপর এই ধরনের ঘটনায় বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক মহল, ধর্মীয় সংগঠন এবং সংখ্যালঘু অধিকার সংগঠনগুলির মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে এই হিংসার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে (Hindu Businessman)। দাবি উঠেছে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার (Bangladesh)।

  • TMC: মুসলিম-তোষণের জন্য এবার নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের স্থান বদল! মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    TMC: মুসলিম-তোষণের জন্য এবার নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের স্থান বদল! মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা অঙ্গন বিতর্কে বেকায়দায় তৃণমূল (TMC)। এই ইস্যুতে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে ফের একবার তোপ দাগল বিজেপি। পদ্মশিবিরের দাবি, এই প্রকল্প ঘিরেই সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্য রাজনীতিতে (Muslim Vote Bank) নতুন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তৃণমূল সরকার নিউ টাউনের বিশ্ববাংলা সরণির ধারে সরকারি জমিতে বৃহৎ দুর্গা অঙ্গন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একে মা দুর্গার প্রতি ‘সভ্যতাগত শ্রদ্ধার্ঘ্য’ বলে উল্লেখ করা হয়। দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন কড়া নাড়ায় প্রকল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি জমি নির্বাচনও করা হয়। দ্রুত টেন্ডার ডেকে তড়িঘড়ি করে চুক্তি স্বাক্ষর এবং মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়ে যায়।

    ৪ কোটি টাকা জলে (TMC)

    সরকারি নথি অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই প্রায় ৪ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। প্রকল্পের প্রস্তুতিমূলক ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ কোটি টাকার কাছাকাছি (Muslim Vote Bank)। হঠাৎ করে পরিস্থিতি বদলে যায়, যখন স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ দাবি তোলে যে ওই জমি মুসলিম ওরিজিন এবং সেখানে একটি হিন্দু ধর্মীয় কাঠামো নির্মাণে সরকারি অর্থ ব্যয় করা অনুচিত। এই আপত্তির পরেই অভিযোগ, রাজ্য সরকার আচমকাই প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেয়। সবচেয়ে (TMC) বিতর্কের বিষয় হল, এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সরকারের তরফে কোনও ব্যাখ্যা, কোনও দায়বদ্ধতা নির্ধারণ, এবং ইতিমধ্যেই ব্যয় হওয়া অর্থ ফেরতের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি (Muslim Vote Bank)। শেষ মুহূর্তে প্রকল্পের শিলান্যাস অন্য একটি জমিতে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা আদতে শিল্প প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ছিল।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি

    তৃণমূলের তুষ্টিকরণের এই রাজনীতিকেই নিশানা করেছে বিজেপি। পদ্ম-নেতা অমিত মালব্য এই ঘটনাকে কটাক্ষ করে বলেন, “এটি শাসনের নামে আতঙ্কজনিত তোষণ। তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক রক্ষার জন্য করদাতাদের কোটি কোটি টাকা জলে ফেলা হয়েছে।” বিজেপির আরও অভিযোগ, দুর্গা সংক্রান্ত প্রকল্পে বারবার পিছু হটা এক ভয়ঙ্কর বার্তা দিচ্ছে, যেন হিন্দু ধর্ম ও ঐতিহ্য রাজনৈতিক চাপের কাছে  আপসযোগ্য। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই প্রসঙ্গে আগে সমাজমাধ্যমে লেখেন, “এবার ছুঁচো গেলার অবস্থা হয় মাননীয়ার ! নিজেকে হিন্দু প্রমাণ করতে গিয়ে দুর্গাঙ্গন, মহাকাল মন্দির ইত্যাদি বানানোর ঘোষণা করা হয়ে গেছে, আবার মুসলিম ভোট ব্যাংক কে চটালে সাড়ে সর্বনাশ!” নন্দীগ্রামের বিধায়ক আরও লেখেন, “অজ্ঞতা ভোট ব্যাংকের ওজনের ভারের তুলনায় হিন্দুদের ভাবাবেগ হালকা, তাই তাড়াতাড়ি স্থান পরিবর্তন করে বর্তমানে দুর্গাঙ্গনের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে নিউটাউনের বাস স্ট্যান্ডের পাশে। এবারের চিহ্নিত জমি শিল্পের জন্যে নির্ধারিত ছিল!”

    বিজেপির অভিযোগ (TMC)

    বিজেপির দাবি, এই ঘটনা শুধুই আর্থিক অপচয় নয় (TMC), বরং রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতির প্রতিও অবমাননাকর। এদিকে, দুর্গাপুজো ও হিন্দু ধর্মীয় রীতিনীতি নিয়ে ফের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) আক্রমণ শানাল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের নেওয়া একাধিক সিদ্ধান্তে একটি স্পষ্ট প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যেখানে সাংবিধানিক সমতা ও সাংস্কৃতিক মর্যাদার বদলে ভোটের অঙ্কই প্রধান হয়ে উঠেছে। গেরুয়া শিবিরের মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত হিন্দু সমাজের ধর্মীয় অধিকারকে খর্ব করছে। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও রাজনৈতিক তোষণের জন্য দুর্গাপুজোর সঙ্গে আপোস করেছেন। পোস্টে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর আপত্তি উঠলেই হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের ওপর নানা বিধিনিষেধ আরোপ করাকে রাজ্য সরকার কার্যত স্বাভাবিক করে তুলেছে।

    হিন্দু সমাজের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ

    বিজেপির আরও অভিযোগ, এই ধরনের অবস্থান নির্বাচিত কিছু গোষ্ঠীকে বিক্ষোভে উৎসাহিত করছে এবং রাজ্যের হিন্দু সমাজের মধ্যে ভয় ও অনাস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করছে। গেরুয়া শিবিরের মতে, এর ফলে রাজ্যে ধর্মীয় সহাবস্থানের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এই ইস্যুতে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি (TMC)। তবে দুর্গাপুজো ঘিরে রাজনৈতিক তরজা যে আরও তীব্র হতে চলেছে, তা স্পষ্ট। একটি রাজনৈতিক দলের অভিযোগ, ২০১৬ সালে বীরভূম জেলার একটি গ্রামে টানা চার বছর ধরে দুর্গাপুজো করার অনুমতি পায়নি গ্রামের শতাধিক হিন্দু পরিবার। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই গ্রামের বাসিন্দারা জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ একাধিক ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক আধিকারিকের কাছে বারবার আবেদন করলেও, পুজোর অনুমতি মেলেনি।

    উদ্যোক্তাদের দাবি

    উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রায় ২৫টি মুসলিম পরিবারের আপত্তির পরেই প্রশাসন দুর্গাপুজোর অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের বক্তব্য উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় পুজোর সংখ্যা আগেই চূড়ান্ত করা হয়ে গিয়েছিল (Muslim Vote Bank)। তাই নতুন করে আর কোনও পুজোর অনুমতি দেওয়ার সুযোগ নেই (TMC)। এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগও প্রকাশ্যে এসেছে। কাংলাপাহাড়ি দুর্গা মন্দির কমিটির সদস্য চন্দন সাউয়ের অভিযোগ, পুজো আয়োজনের অনুমতি না মেলায় ওই এলাকার মহিলা ও শিশুদের দুর্গাপুজোয় আনন্দ করতে তিন থেকে আট কিলোমিটার পর্যন্ত পথ যাতায়াত করতে হচ্ছে। তাঁর দাবি, পরিস্থিতি জানা সত্ত্বেও জেলা প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তক্ষেপ করেনি। কারণ তারা মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি অংশকে বিরূপ করতে চায়নি।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনায় বিজেপির প্রতিক্রিয়া, এটি রাজনৈতিক চাপে পরিচালিত প্রশাসনিক পক্ষপাতের স্পষ্ট উদাহরণ (TMC)। বিজেপি এও মনে করিয়ে দিয়েছে, ২০১৭ সালে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের কথাও (Muslim Vote Bank)। সেই সময় মহরমের মিছিলের কথা উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও হয়েছিল এবং কলকাতা হাইকোর্ট সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দিয়েছিল।

    কী বলেছিল আদালত

    হাইকোর্ট তখন ওই সিদ্ধান্তকে খামখেয়ালি বলে আখ্যা দিয়েছিল। পর্যবেক্ষণে আদালত জানিয়েছিল, রাজ্য সরকার একটি সম্প্রদায়কে তুষ্ট করতে গিয়ে অন্য সম্প্রদায়ের স্বার্থ উপেক্ষা করেছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। কড়া ভাষায় দেওয়া সেই নির্দেশে আদালত স্পষ্ট জানায়, সরকার এমন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না যা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে। আদালত আরও উল্লেখ করেছিল, পূর্ববর্তী (Muslim Vote Bank) বছরগুলিতে (TMC) এই ধরনের কোনও বিধিনিষেধ ছিল না।

  • Rajnath Singh: “হাতে ডিগ্রি, পকেটে আরডিএক্স”! ‘হোয়াইট-কলার টেরর’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাজনাথের

    Rajnath Singh: “হাতে ডিগ্রি, পকেটে আরডিএক্স”! ‘হোয়াইট-কলার টেরর’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ‘হোয়াইট-কলার সন্ত্রাস’-এর (White Collar Terror) প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে বলে মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি সতর্ক করে বলেন, মূল্যবোধহীন উচ্চশিক্ষা সমাজের জন্য মারাত্মক বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। শুক্রবার রাজস্থানের ভোপাল নোবেলস্ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজনাথ এই মন্তব্য করেন। গত ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার কাছে গাড়িবোমা বিস্ফোরণের প্রসঙ্গ টেনে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যাও দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    রাজনাথের বক্তব্য (Rajnath Singh)

    রাজনাথ জানান, ওই হামলায় অভিযুক্তরা সকলেই শিক্ষিত ও যোগ্য চিকিৎসক ছিল। এই ঘটনাকে তিনি এমন এক জ্বলন্ত উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, যা প্রমাণ করে যে কেবলমাত্র শিক্ষা থাকলেই নৈতিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হয় না। রাজনাথের বক্তব্য অনুযায়ী, শিক্ষার সঙ্গে নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনার সংযোগ না থাকলে তা সমাজের পক্ষে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। শিক্ষাব্যবস্থায় মূল্যবোধের গুরুত্বের ওপরও বিশেষ জোর দেন তিনি (Rajnath Singh)।

    ‘হোয়াইট-কলার সন্ত্রাস’

    দেশে বর্তমানে উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলেছে ‘হোয়াইট-কলার সন্ত্রাস’। উচ্চশিক্ষিত হয়েও সমাজ ও দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছেন এক শ্রেণির মানুষ। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “দিল্লির বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় যারা জড়িত ছিল, তাদের মধ্যে চিকিৎসকও ছিল, এক হাতে ডিগ্রি, আর পকেটে আরডিএক্স। এই ঘটনাই স্পষ্ট করে দেয় যে, কেবল শিক্ষালাভই যথেষ্ট নয়, শিক্ষার সঙ্গে নৈতিকতা ও চরিত্রগঠনও (White Collar Terror) জরুরি।” ১০ নভেম্বর দিল্লির রেড ফোর্ট এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটে একটি বিস্ফোরকবোঝাই গাড়িতে। ঘটনায় মৃত্যু হয় ১৫ জনের। গাড়িটি চালাচ্ছিল উমর-উন-নবি নামে এক চিকিৎসক। ঘটনার তদন্তে নেমে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি পরে একটি তথাকথিত ‘হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল’-এর সন্ধান পায় (Rajnath Singh)।

    গ্রেফতার ৩ চিকিৎসক

    এই মডিউলের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে তিন চিকিৎসক মুজাম্মিল গনাই, আদিল রাদার এবং শাহিনা সইদ-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের মতে, শিক্ষিত ও পেশাগতভাবে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরাই এই নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। এদিকে, ঘটনার প্রেক্ষাপটে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু পেশাগত সাফল্য অর্জন নয়, নৈতিকতা, মূল্যবোধ (White Collar Terror) এবং মানবিক চরিত্র গঠনের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। যে শিক্ষা ব্যবস্থা জ্ঞান দেওয়ার পাশাপাশি বিনয়, চরিত্রবোধ ও ধর্ম, অর্থাৎ ন্যায়পরায়ণতার শিক্ষা দিতে ব্যর্থ, তা কখনও সম্পূর্ণ হতে পারে না।”

    এমন শিক্ষা মারাত্মক পরিণতির কারণ হতে পারে

    প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা (Rajnath Singh)। রাজনাথ বলেন, “জঙ্গিরা সব সময় অশিক্ষিত হয় না। অনেক ক্ষেত্রে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী হলেও নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও প্রজ্ঞার অভাব থাকে। এই মূল্যবোধের ঘাটতিই শেষ পর্যন্ত তাদের অপরাধের পথে ঠেলে দেয়।” ধর্ম প্রসঙ্গে রাজনাথ জানান, ধর্ম মানেই শুধু মন্দির, মসজিদ বা গির্জায় প্রার্থনা করা নয়। তাঁর কথায়, “ধর্ম আসলে কর্তব্যবোধ। শিক্ষা যদি ধর্ম ও নৈতিকতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, তবে তা সমাজের কোনও কাজে আসে না। অনেক সময় এমন শিক্ষা মারাত্মক পরিণতির কারণও হতে পারে।”

    উচ্চশিক্ষিতরাও অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ছে

    তিনি আরও বলেন, “এই কারণেই অনেক সময় দেখা যায়, উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরাও অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ছে।” ভারতের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির প্রসঙ্গেও বক্তব্য রাখেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি, এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পথে এগোচ্ছে দেশ (Rajnath Singh)। এই অগ্রগতির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাজনাথের মতে, ভবিষ্যতের দক্ষ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে (White Collar Terror)।

  • Mustafizur Rahman: “মুস্তাফিজুরকে রিলিজ করতে হবে”, বিতর্কের আবহে কেকেআর-কে নির্দেশ বিসিসিআই-এর

    Mustafizur Rahman: “মুস্তাফিজুরকে রিলিজ করতে হবে”, বিতর্কের আবহে কেকেআর-কে নির্দেশ বিসিসিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত–বাংলাদেশ বর্তমান টানাপোড়েনের প্রভাব পড়ল আইপিএলেও। দেশজুড়ে প্রবল বিতর্কের মাঝেই বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) রিলিজ দেওয়ার জন্য কলকাতা নাইট রাইডার্সকে নির্দেশ দিল বিসিসিআই। সম্প্রতি এই কথা জানিয়েছেন বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। আইপিএল ২০২৬-এ (IPL 2026) খেলানো যাবে না মুস্তাফিজুরকে। বিসিসিআই-এর নির্দেশেই আর শাহরুখ খানের টিমে খেলা হবে না বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানের। আগামী আইপিএলে বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার হিসাবে খেলার কথা ছিল মুস্তাফিজুরের।

    দ্রুত মুস্তাফিজুর রহমানকে রিলিজের নির্দেশ

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার যেন দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। প্রতিদিন এমনই কোনও না কোনও খবর দখল করছে সংবাদ শিরোনাম। সম্প্রতি ২০২৬ আইপিএল নিলামে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজ়ুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders)। যদিও এই সিদ্ধান্তের কারণে কেকেআর ম্য়ানেজমেন্টকে কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। বাংলাদেশের একজন ক্রিকেটারকে কেন কিনল শাহরুখ খানের (Shah Rukh Khan) দল, তা নিয়েও উঠেছিল একাধিক প্রশ্ন। অবশেষে বিসিসিআই কেকেআর-কে কড়া নির্দেশ দিয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব মুস্তাফিজুর রহমানকে যেন স্কোয়াড থেকে রিলিজ করে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, ২৬/১১ হামলার পর থেকেই কোনও পাকিস্তানি খেলোয়াড় আইপিএলে খেলার সুযোগ পায় না। এবার বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের নিয়েও হয়তো একই পথে হাঁটবে বিসিসিআই।

    বয়কট বাংলাদেশ

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশি বোলার মুস্তাফিজুর রহমানকে সরানোর জন্য কেকেআর-কে চিঠি দিয়েছে বিসিসিআই সচিব। এবারের আইপিএলের নিলামে মোট সাতজন বাংলাদেশি খেলোয়াড় অংশ নিয়েছিলেন। এদের মধ্যে একমাত্র মুস্তাফিজুরই বিক্রি হয়েছিল। ৯.২০ কোটি টাকায় বাংলাদেশি পেসারকে কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। তবে বর্তমানে ভারত-বাংলাদেশের যে পরিস্থিতি, তা নজরে রেখে কেন মুস্তাফিজুর ভারতের আইপিএল খেলবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিল। হুমকির মুখে পড়তে হয় কেকেআরের মালিক শাহরুখ খানকেও। এই পরিস্থিতিতে এবার হস্তক্ষেপ করল বিসিসিআই। দল থেকে মুস্তাফিজুরকে সরিয়ে দিতে বলা হল। বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের বদলে অন্য কোনও বিদেশি খেলোয়াড় নিতে পারবে কেকেআর। এমনটাই বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, মুস্তাফিজুরকে বাদ দিতে হবে, এমন কোনও নির্দেশ আসেনি সরকারের তরফে। কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটারকে নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার পরেই এ নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বিসিসিআই। দেবজিৎ সাইকিয়া বলেছেন, “সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে, বিসিসিআই (BCCI) কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) ফ্র্যাঞ্চাইজিকে তাদের স্কোয়াড থেকে বাংলাদেশের খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। কেকেআর যদি তাঁর পরিবর্তে অন্য কোনো খেলোয়াড় নিতে চায়, তবে বিসিসিআই সেই বদলি খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমতি দেবে।”

  • Gandiva AI Tool: গোয়েন্দাদের হাতে ‘গাণ্ডীব’! সন্ত্রাস দমনে নয়া হাতিয়ার কৃত্রিম মেধা দিয়ে তৈরি টুল

    Gandiva AI Tool: গোয়েন্দাদের হাতে ‘গাণ্ডীব’! সন্ত্রাস দমনে নয়া হাতিয়ার কৃত্রিম মেধা দিয়ে তৈরি টুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্ত পার থেকে সন্ত্রাসী হামলা বা দেশের অভ্যন্তরে আর্থিক তছরুপ কিংবা ভিন্‌রাজ্যে গিয়ে ডাকাতি-খুন, ধর্ষণ, মাদক ও অস্ত্র পাচার! দেশ জুড়ে বেড়ে চলা যাবতীয় অপরাধের সূচককে নিম্নমুখী করতে এবার কৃত্রিম মেধা বা এআইয়ের (আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স) সাহায্য নিচ্ছে কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই দেশের পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে আরও শক্তিশালী করতে তাদের হাতে ‘গাণ্ডীব’ তুলে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক লোকসভায় জানিয়েছে যে জাতীয় গোয়েন্দা গ্রিড বা ন্যাটগ্রিড (NATGRID)-এর আইটি প্ল্যাটফর্মে একটি অরগানাইজড ক্রাইম নেটওয়ার্ক ডেটাবেস (Organised Crime Network Database) তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) এবং রাজ্যগুলির অ্যান্টি-টেরর স্কোয়াড (ATS)-এর মধ্যে নিরাপদ তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব হবে। মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, সন্ত্রাস দমনে ন্যাটগ্রিড-এর উন্নত হাতিয়ারগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘গাণ্ডীব’। যা বহু উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    ন্যাটগ্রিড কী

    এনআইএ এবং এটিএসের মতো সন্ত্রাসবিরোধী তদন্তকারী এবং পুলিশি দলগুলির মধ্যে নিরাপদে তথ্য ভাগাভাগির কাজটি সহজতর করতে ‘ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স গ্রিড’ বা ন্যাটগ্রিড নামের একটি তথ্যপ্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে একগুচ্ছ সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থার রিয়েল টাইম তথ্য যখন-তখন হাতে পেতে পারবে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ‘গাণ্ডীব’ নামের এআই টুলটি এর সঙ্গেই কাজ করবে বলে জানা গিয়েছে। ২৬/১১ মুম্বই সন্ত্রাসবাদী হামলার পর ২০০৯ সালে ন্যাটগ্রিড-এর ধারণা প্রথম উঠে আসে। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর এটি গত বছর পুরোপুরি কার্যকর হয়। বর্তমানে শুধুমাত্র সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (SP) পদমর্যাদার আধিকারিকরাই এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারেন। ন্যাটগ্রিড-এর মাধ্যমে অভিবাসন ও ভ্রমণ সংক্রান্ত তথ্য, আর্থিক লেনদেন, টেলিকম ও ইন্টারনেট ব্যবহারের মেটাডেটা, যানবাহন রেজিস্ট্রেশন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়। আগে এই ধরনের তথ্যের জন্য বিভিন্ন দফতরে আলাদা করে আবেদন করতে হতো।

    এনপিআরের সঙ্গে সংযুক্ত ন্যাটগ্রিড

    সম্প্রতি এই ন্যাটগ্রিডকে ‘ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্ট্রার’ বা এনপিআরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে কেন্দ্র। এতে দেশের ১১৯ কোটি বাসিন্দার পরিবারভিত্তিক তথ্য রয়েছে। একে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি (ন্যাশনাল রেজিস্ট্রার অফ সিটিজেন) তৈরির প্রথম ধাপ হিসাবে গণ্য করা হচ্ছে। ফলে ন্যাটগ্রিডকে ব্যবহার করে অধিকাংশ ভারতবাসীর তথ্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ও এটিএসের মতো সংস্থার অফিসারেরা হাতে পেয়ে যাবেন, তা বলাই বাহুল্য। ২০১০ সালে ২০১১ সালের জনগণনার প্রথম পর্যায়ে এনপিআর-এর তথ্য সংগ্রহ শুরু হয় এবং সর্বশেষ ২০১৫ সালে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে তথ্য হালনাগাদ করা হয়েছিল। এনপিআর একটি মৌলিক পরিচয় ও আবাসিক ডেটাবেস হিসেবে কাজ করে, যা নিরাপত্তা সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্যের নির্ভুলতা ও গতি বাড়াতে সাহায্য করে। ন্যাটগ্রিড যেখানে বিভিন্ন সংস্থার ডেটা একত্র করে, সেখানে এনপিআর সেই তথ্যগুলির মধ্যে পরিচয় যাচাইকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তোলে।

    ‘গাণ্ডীব’-এর গুরুত্ব কী?

    গাণ্ডীব হল ন্যাটগ্রিড-এর একটি উন্নত অ্যানালিটিক্স টুল, যা তথ্য অনুসন্ধান, বিশ্লেষণ ও সংযোগের পদ্ধতিকে আরও আধুনিক করে তুলেছে। এই টুলটি ফেসিয়াল রিকগনিশন এবং এনটিটি রেজোলিউশন-এর কাজে ব্যবহার করা যায়। এক পুলিশ আধিকারিকের কথায়, “যদি কোনও সন্দেহভাজনের ছবি পাওয়া যায়, সেটি গাণ্ডীব-এ আপলোড করা হলে টেলিকম কেওয়াইসি, যানবাহন রেজিস্ট্রেশন বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো পরিচয়পত্রের ছবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা সম্ভব। এতে তদন্তকারীদের সময় ও শ্রম দুটোই বাঁচে।”

    পুরাণে ‘গাণ্ডীব’-এর উল্লেখ

    মহাভারত অনুসারে, গাণ্ডীব ছিল পাণ্ডব অর্জুনের ঐশ্বরিক ধনুক। এই কারণেই অর্জুনকে ‘গাণ্ডীবধারী’ নামেও ডাকা হয়। ব্রহ্মার দ্বারা নির্মিত এই ধনুকে ছিল ১০৮টি অলৌকিক তার, যা দেবশক্তিতে পরিপূর্ণ বলে বিশ্বাস করা হয়। অগ্নিদেবকে খাণ্ডব বন দহন করতে সহায়তার সময় অর্জুন গাণ্ডীব লাভ করেন। এই ঘটনা অর্জুন ও গাণ্ডীবের সম্পর্কের সূচনা তো বটেই, পাশাপাশি দেবইচ্ছা পূরণে এই অস্ত্রের ভূমিকার কথাও তুলে ধরে। এআই গাণ্ডীব টুল-ও গোয়েন্দাদের হাতে অর্জুনের ধনুকের মতো। গাণ্ডীব তথ্যগুলিকে নন-সেনসিটিভ, সেনসিটিভ এবং হাইলি সেনসিটিভ—এই তিন ভাগে ভাগ করবে। ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট, আর্থিক লেনদেন, কর সংক্রান্ত তথ্য এবং রফতানি-আমদানি সংক্রান্ত ডেটাকে অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গাণ্ডীব মূলত ন্যাটগ্রিড-কে একটি সাধারণ ডেটা-অ্যাক্সেস প্ল্যাটফর্ম থেকে উন্নত এআই-চালিত গোয়েন্দা হাতিয়ারে রূপান্তরিত করেছে, যেখানে একক অনুসন্ধান, দ্রুত সূত্র সন্ধান এবং বুদ্ধিমান বিশ্লেষণ সম্ভব হচ্ছে।

    ‘গাণ্ডীব’-এর ব্যবহারে সন্ত্রাস দমন সহজ

    কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক থেকে শুরু করে দুঁদে গোয়েন্দাকর্তাদের একাংশ। তাঁদের দাবি, ২৬/১১-র মুম্বই হামলা বা তার পরবর্তী সময়ের নাশকতার প্রতিটা ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, সীমান্তের ওপার থেকে এসেছে জঙ্গিরা। এ দেশে নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালিয়ে দিব্যি বিদেশে পালিয়েও গিয়েছে তাঁদের কয়েক জন। এই ব্যর্থতার মূল কারণ হল তথ্যের অভাব। তদন্তকারীদের দাবি, বছরের পর বছর ধরে পাকিস্তান মদতপুষ্ট জঙ্গিরা এ দেশের কিছু ‘বিশ্বাসঘাতক’ নাগরিকের সাহায্য পেয়ে এসেছে। সরকারের কাছে তাঁদের ব্যাপারে যে কোনও তথ্য নেই, এমনটা নয়। কিন্তু সেটা এতটাই ছড়ানো-ছেটানো যে, প্রয়োজনের সময় দ্রুত একসঙ্গে সেগুলি পেতে সমস্যা হচ্ছিল। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নাশকতার সঙ্গে সঙ্গেই দেশ ছেড়ে চম্পট দিচ্ছিল অভিযুক্তেরা। ন্যাটগ্রিড ও গাণ্ডীবের সাহায্যে তা বন্ধ করা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কীভাবে কাজ করবে ‘গাণ্ডীব’

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, একসঙ্গে ২১ উৎসের তথ্য একত্রিত করে নিমেষে তদন্তকারীর প্রশ্নের জবাব দিতে পারে কৃত্রিম মেধা প্রযুক্তির ‘গাণ্ডীব’। একটি উদাহরণের সাহায্যে এর কর্মপদ্ধতি বুঝে নেওয়া যেতে পারে। ধরা যাক, কোনও সন্দেহভাজন জঙ্গির স্কেচ তৈরি করল জন্মু-কাশ্মীর পুলিশের এটিএস। এর পর তা ‘গাণ্ডীব’ প্ল্যাটফর্মে তুলে দিলেই ওই ছবির মতো দেখতে কোনও লোক এ দেশে আছেন কি না, তা বলে দেবে সংশ্লিষ্ট এআই টুল। শুধু তা-ই নয়, এ ব্যাপারে তদন্তকারীদের আরও কিছু সাহায্য করবে ‘গাণ্ডীব’। সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবির সঙ্গে ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, ব্যাঙ্ক বা টেলি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থায় জমা করা ‘নো ইয়োর কাস্টমার’ বা কেওয়াইসি ফর্মে সাঁটা ছবির সঙ্গে কোনও মিল আছে কি না তা-ও দ্রুত বলে দেবে ওই কৃত্রিম মেধা প্রযুক্তি। ফলে দ্রুত অভিযুক্তকে চিহ্নিত করে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে নামতে পারবেন এটিএস এবং এনআইএ-র আধিকারিকেরা। এ-হেন ‘গাণ্ডীব’কে ন্যাটগ্রিডের মতো প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ন্যাটগ্রিড আবার যুক্ত আছে এনপিআরের সঙ্গে। ফলে সংশ্লিষ্ট কৃত্রিম মেধাভিত্তিক প্রযুক্তিটি ব্যবহার করে ১১৯ কোটি বাসিন্দার মধ্যে থেকে অপরাধীকে চিহ্নিত করতে পারবেন তদন্তকারীরা।

  • India Defence Modernization 2026: ২০২৬ সালে ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ— নজরে এই ১০ বড় প্রকল্প

    India Defence Modernization 2026: ২০২৬ সালে ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ— নজরে এই ১০ বড় প্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় প্রতিরক্ষার জন্য যুগান্তকারী হতে চলেছে ২০২৬ সাল। এ বছর, দেশের সামরিক ক্ষেত্রে একাধিক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ ও উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে, যা দেশের প্রতিরক্ষাকে এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। ২০২৬ সালকে ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর হিসেবে বর্ণনা করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের অনুমান, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা একাধিক বড় সামরিক ক্রয় ও কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রকল্প এই বছর সরকারি অনুমোদন অথবা চুক্তি স্বাক্ষরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। যা আগামী কয়েক দশকে ভারতীয় স্থলসেনা, বায়ুসেনা, নৌবাহিনী ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কার্যকরী সক্ষমতা নির্ধারণ করবে। পাশাপাশি, এগুলি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প ও বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভবিষ্যৎ রূপরেখাও গড়ে দেবে। এমনই ১০টি সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে, যা নিয়ে চলতি বছর বড় সিদ্ধান্ত হতে চলেছে বলে আশাপ্রকাশ করা হচ্ছে।

    ১. মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট (MRFA) প্রকল্পে ১১৪টি যুদ্ধবিমান

    ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট (MRFA) কেনার বিষয়টি ২০২৬ সালে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘ মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ও একাধিক প্রশাসনিক স্থগিতাবস্থার পর, এই প্রকল্প এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে বিক্রেতা নির্বাচন ও বাণিজ্যিক দরকষাকষি চূড়ান্ত হতে পারে। ভারতীয় বায়ুসেনার ক্রমহ্রাসমান স্কোয়াড্রন সংখ্যা মোকাবিলা করা এবং আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে সংখ্যাগত ও গুণগত ভারসাম্য বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই প্রকল্প দ্রুত এগিয়ে নিতে আগ্রহী।

    ২. বায়ুসেনার মিডিয়াম ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট (MTA) প্রকল্পে গতি

    মিডিয়াম ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট (MTA) প্রকল্পটি ২০২৬ সালে আনুষ্ঠানিক গতি পেতে পারে। সামরিক পণ্যবাহী বিমানের সংখ্যা ও কার্যকরী ভূমিকা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হবে। এই প্রকল্পের আওতায় পুরনো অ্যান্টোনভ এএন-৩২ এবং ইলিউশিন আইএল-৭৬ বিমানের বিকল্প হিসেবে নতুন সামরিক পরিবহণ বিমান পেতে চাইছে বায়ুসেনা। এ বছর এক্ষেত্রে রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল (RFP) জারি হওয়া এবং বিক্রেতা সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে লকহিড মার্টিন সি-১৩০জে, এমব্রায়ার সি-৩৯০ ও এয়ারবাস এ৪০০এম প্রতিযোগিতায় থাকতে পারে। সামরিক এয়ারলিফ্ট সক্ষমতায় এই চুক্তি ভারতকে কৌশলগত বড় সুবিধা দেবে।

    ৩. প্রজেক্ট ৭৫আই (P-75I) সাবমেরিন প্রকল্প কেন্দ্রের অনুমোদনের পথে

    দীর্ঘ বিলম্বের পর প্রজেক্ট ৭৫আই অবশেষে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS)-এর অনুমোদনের দিকে এগোচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রপালশন (AIP) প্রযুক্তিসম্পন্ন ছয়টি আধুনিক প্রচলিত সাবমেরিনের জন্য চুক্তি করা হবে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের বাড়তে থাকা নৌ-উপস্থিতির মোকাবিলা এবং পুরনো সাবমেরিন অবসর নেওয়ার ফলে সৃষ্ট ঘাটতি পূরণে এই প্রকল্পকে ভারতীয় নৌবাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। তবে, এক্ষেত্রে ফ্রান্স নির্মিত স্করপিন-সিরিজ নয়, বরং জার্মানি ও স্পেনের সংস্থার নকশা নিয়ে আলোচনাই মূল ফোকাসে রয়েছে।

    ৪. রণতরীতে দেশীয় যুদ্ধবিমান (TEDBF) প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়

    ভারতীয় নৌসেনার জন্য দেশীয় টুইন ইঞ্জিন ডেক বেসড ফাইটার (TEDBF) প্রকল্পটি ২০২৬ সালে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির অনুমোদন পেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ভারতের বিমানবাহী রণতরী থেকে পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে নকশা করা এই যুদ্ধবিমান ভবিষ্যতে মিগ-২৯কে বহরের স্থলাভিষিক্ত হবে এবং নৌবাহিনীর কেরিয়ার এয়ার উইংয়ের মূল স্তম্ভে পরিণত হবে। এই অনুমোদন পূর্ণমাত্রার উন্নয়ন তহবিল ছাড় করবে এবং দেশীয় নৌবিমান নির্মাণে ভারতের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সুদৃঢ় করবে।

    ৫. অ্যামকা (AMCA) জেট ইঞ্জিন উন্নয়নে বিদেশি অংশীদারিত্ব চূড়ান্ত

    ২০২৬ সালের অন্যতম কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হবে অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফ্ট (AMCA)-এর ইঞ্জিন উন্নয়ন সংক্রান্ত অনুমোদন। যৌথ-উদ্যোগে ১১০–১৩০ কিলোনিউটন থ্রাস্ট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ইঞ্জিন উন্নয়নের জন্য ভারত সম্ভবত বিদেশি অংশীদারিত্বের কাঠামো চূড়ান্ত করবে। ফ্রান্সের সাফরান (Safran) প্রধান অংশীদার হিসেবে উঠে আসতে পারে। এই সিদ্ধান্ত পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের ক্ষেত্রে ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ৬. অতিরিক্ত এস-৪০০ (S-400) ডেলিভারি ও অর্ডার বাড়ানোর সম্ভাবনা

    ২০২৬ সাল জুড়ে এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রেজিমেন্ট অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে।চূড়ান্ত ইউনিটগুলি পূর্ণাঙ্গ আকাশ প্রতিরক্ষা বলয় সম্পূর্ণ করবে বলে আশা। একইসঙ্গে, মূল চুক্তির বাইরে অতিরিক্ত এস-৪০০ ইউনিট কেনা নিয়েও আলোচনা চলছে, যা ভারতের দীর্ঘপাল্লার আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অপারেশন সিঁদুর থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য হুমকি ও ঝুঁকির মূল্যায়ন ভারতের দীর্ঘপাল্লার আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে।

    ৭. মিডিয়াম অল্টিটিউড লং এন্ডুরেন্স ড্রোন (MALE Drone) প্রকল্প চুক্তির পর্যায়ে

    ভারতের দীর্ঘদিন ধরে চলা মিডিয়াম অল্টিটিউড লং এন্ডুরেন্স (MALE) ড্রোন প্রকল্পটি ২০২৬ সালে বাস্তব অগ্রগতি দেখতে পারে। মার্কিন এমকিউ-৯বি রিপার (MQ-9B Reaper) ড্রোন সংগ্রহ এগোলেও, এখন মূল জোর দেওয়া হচ্ছে দেশীয় তাপাস (TAPAS) বা আর্চার-এনজি (Archer-NG) প্ল্যাটফর্মের উপর, যা স্থল ও সমুদ্র উভয় ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন নজরদারি নিশ্চিত করবে। এই দেশীয় ড্রোনগুলির চুক্তি চূড়ান্ত হলে শত্রু অঞ্চলে গোয়েন্দা, নজরদারি ও রেকি— সংক্ষেপে আইএসআর (ISR) থেকে শুরু করে আঘাত হানার ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

    ৮. প্রজেক্ট-৭৭ (P-77) পারমাণবিক শক্তিচালিত অ্যাটাক সাবমেরিন (SSN)

    ২০২৬ সালে অতিরিক্ত রাজনৈতিক ও আর্থিক অনুমোদন পেতে পারে ভারতের দেশীয় পারমাণবিক শক্তিচালিত ঘাতক সাবমেরিন (SSN) নির্মাণ প্রকল্প— প্রজেক্ট-৭৭। এই সাবমেরিনগুলি বিমানবাহী রণতরীর নিরাপত্তা, শত্রু সাবমেরিন ট্র্যাকিং এবং গভীর সমুদ্রে আধিপত্য বজায় রাখতে অপরিহার্য। এই অনুমোদন ভারতের শক্তিশালী ও ভারসাম্যপূর্ণ ‘ব্লু-ওয়াটার নেভি’ গঠনের সংকল্পকে জোরালোভাবে তুলে ধরবে।

    ৯. কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (QRSAM) চুক্তি

    দীর্ঘ প্রতীক্ষিত কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (QRSAM) প্রকল্পের চুক্তি ২০২৬ সালে চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ব্যবস্থা স্থলসেনার সাঁজোয়া বাহিনীকে ড্রোন, হেলিকপ্টার ও নিচু দিয়ে উড়ে আসা বিমানের আক্রমণ থেকে রক্ষা করবে। ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড (BEL) এই সিস্টেমের জন্য উল্লেখযোগ্য অর্ডারের আশা করছে।

    ১০. আকাশ-এনজি (Akash-NG) চুক্তিতে পরবর্তী প্রজন্মের আকাশ প্রতিরক্ষা

    দেশীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সর্বশেষ সংস্করণ আকাশ-এনজি (নিউ জেনারেশন) প্রকল্পও ২০২৬ সালে বড় উৎপাদন চুক্তি পেতে পারে। ২০২৫ সালের শেষ দিকে সফল পরীক্ষার পর উন্নত রেঞ্জ, নির্ভুল লক্ষ্যভেদ ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন এই ব্যবস্থা বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা স্তরকে আরও শক্তিশালী করবে।

    সব মিলিয়ে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সামনে থাকা এই সিদ্ধান্তগুলি ২০২৬ সালকে ভারতের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক বছর করে তুলতে চলেছে। এই সময়ে নেওয়া পদক্ষেপগুলি শুধুমাত্র তাৎক্ষণিক সক্ষমতার ঘাটতি পূরণ করবে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে ভারতের সামরিক কাঠামো, প্রতিরক্ষা শিল্প এবং কৌশলগত স্বনির্ভরতাকে নতুন দিশা দেবে।

  • SIR in Bengal: ৪ আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ! এসআইআর শুনানিতে আরও ২৪ লক্ষ ভোটারকে ডাকল কমিশন

    SIR in Bengal: ৪ আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ! এসআইআর শুনানিতে আরও ২৪ লক্ষ ভোটারকে ডাকল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এর সময় (SIR in Benga) ভোটার তালিকায় (Voter List) অবৈধ ভাবে নাম তোলা-সহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগে চার আধিকারিক এবং এক কর্মীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা ডিইও-কে ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) করার নির্দেশ দিল কমিশন (ECI)। মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর- এই রকম সীমান্তবর্তী জেলাগুলির অন্তত ৫০টি বিধানসভার ক্ষেত্রে প্রজেনি ম্যাপিংয়ের শতাংশ অস্বাভাবিক হারে বেশি বলে কমিশন সূত্রে খবর। এর আগে ৩০ লক্ষ ভোটারকে ডাকা হয়েছে শুনানিতে, যাঁরা ‘নো ম্যাপড’, এবার ডাকা হচ্ছে আরও ২৪ লক্ষকে।

    এফআইআর করার নির্দেশ কমিশনের

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, এর আগে রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে (Manoj Pant) পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের ইআরও এবং এইআরও বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। কমিশনের নতুন নির্দেশ, ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ডিইও/জেলাশাসক-কে এফআইআর দায়ের করতে হবে। শুধু তাই নয়, সেই বিষয়ে রিপোর্টও দিতে হবে। ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে গত বছর ৫ অগাস্ট ওই চার অফিসারকে সাসপেন্ড করার সুপারিশ করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছিল, তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও দায়ের করতে হবে। অভিযোগ, এই চার অফিসারকে সাময়িক ভাবে সাসপেন্ড করলেও তাদের বিরুদ্ধ এফআইআর করেনি নবান্ন। কয়েকমাস কেটে গেলেও কোনও কঠিন পদক্ষেপ করা হয়নি। ই আর অপেক্ষা না করে এবার সরাসরি জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা ডিইও-কে এফআইআর করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। আইন বা নিয়ম মোতাবেক, নির্বাচনী কাজে নিযুক্ত সরকারি কর্মী, আধিকারিক ও পুলিশের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গ সংক্রান্ত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের।

    ‘প্রজেনি ম্যাপড’দের নোটিস

    এসআইআর (SIR in Benga) শুনানি প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এক ব্যক্তির সঙ্গে ৬ জনের লিঙ্ক করানো হয়েছে এরকম সংখ্যা ২৪ লক্ষ। নাম মিলছে না ৫১ লক্ষ। বাবার বয়সের সঙ্গে ভোটারের বয়সের পার্থক্য ১৫ বছরের কম এমন ৪ লক্ষ ৭৪ হাজার। বাবার বয়সের সঙ্গে বয়সের পার্থক্য ৫০ বছরের বেশি ৮ লক্ষ ৪১ হাজার। ঠাকুরদার বয়সের সঙ্গে ভোটারের বয়সের অসঙ্গতি ৩ লক্ষ।এখনও পর্যন্ত ডেকে পাঠানো হচ্ছিল, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম নেই। এরকম বহু ভোটারের তথ্যও সামনে এসেছে, যাঁদের ২০০২ সালের তালিকায় নাম ছিল, তবুও তাঁরা শুনানিতে এসেছেন। এবার গত পরশু থেকে কমিশন ‘প্রজেনি ম্যাপড’দের নোটিস পাঠাতে শুরু করেছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যেই নোটিস পৌঁছে যাবে।

  • Daily Horoscope 03 January 2026: উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ আসতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 03 January 2026: উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ আসতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অধিক খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) বাড়তি আয় করতে গিয়ে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) নিজেকে সময় দিন।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ আসতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ক্ষেত্রে অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে ভীষণ সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগী হয়ে উঠবেন।

    ৩) সমাজের জন্য কাজ করুন।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    ধনু

    ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

    ১) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ২) মায়ের ব্যবহারে কষ্ট পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • S Jaishankar: “সন্ত্রাসে মদতদাতা প্রতিবেশীর হাত থেকে আত্মরক্ষার অধিকার ভারতের রয়েছে”, পাকিস্তানকে বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “সন্ত্রাসে মদতদাতা প্রতিবেশীর হাত থেকে আত্মরক্ষার অধিকার ভারতের রয়েছে”, পাকিস্তানকে বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মরক্ষার প্রশ্নে ভারত যা করবে, তার জন্য কারও কাছে জবাবদিহি করবে না। সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে ফের একবার পাকিস্তানকে (India-Pakistan) কাঠগড়ায় তুললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পরে ‘অপারেশন সিঁদুর’ করেছিল ভারত। সেই উদাহরণ টেনে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানিয়েছেন, নিজের লোকদের রক্ষা করার অধিকার রয়েছে ভারতের। পাকিস্তানকে ‘খারাপ পড়শি’ বলেও তোপ দেগেছেন তিনি। তবে সরাসরি পাকিস্তানের নাম করেননি তিনি। জয়শঙ্কর বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশকেও। এ ক্ষেত্রেও সে দেশের নাম করেননি বিদেশমন্ত্রী।

    পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি, বাংলাদেশকে বার্তা

    শুক্রবার আইআইটি মাদ্রাজের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। সেখানেই তিনি জানান, নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকে সুরক্ষিত রাখার অধিকার রয়েছে ভারতের। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা নিয়ে বাইরের কারও পরামর্শ নেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়া বদ প্রতিবেশী যখন থাকে, তখন ভারতকে তার জনগণকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতেই হয়। আমরা কী ভাবে সেই পদক্ষেপ করব, তা কেউ ঠিক করে দিতে পারে না। আমাদের সুরক্ষার জন্যই আমরা যা করার করব।” একই সঙ্গে বাংলাদেশের নাম না-করেই ভারতের পূর্ব দিকের প্রতিবেশী দেশটিকে বার্তা দিয়েছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “আপনাকে কেউ ভুল বুঝলে, কী ভাবে তা আটকাবেন?” নিজেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “আপনি যদি সততা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেন, তা হলে অন্য দেশ এবং সে দেশের মানুষেরাও সম্মান করবে।” এ ক্ষেত্রে কোনও দেশের উদাহরণ না-দিলেও মনে করা হচ্ছে জয়শঙ্কর বাংলাদেশের কথাই বলতে চেয়েছেন।

    সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি নিয়ে তোপ

    বৃহস্পতিবারই পাকিস্তানের (India-Pakistan) তরফে হুঁশিয়ারির সুরে বলা হয়েছিল, ১৯৬০ সালের সিন্ধু জলবণ্টন (আইডব্লিউটি) চুক্তি ভেঙে ভারত পশ্চিমমুখী নদীগুলির জলের উপর দখলদারি কায়েম করতে চাইলে, কোনও অবস্থাতেই তা বরদাস্ত করা হবে না। শুক্রবার তারও জবাব দিয়েছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “আপনি আমাদের দেশে সন্ত্রাসবাদ ছড়াবেন, আবার জলবণ্টন করার আর্জিও জানাবেন— এটা হতে পারে না।” প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু জলবণ্টন (আইডব্লিউটি) চুক্তি স্থগিত রেখেছে ভারত। জয়শঙ্কর আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের বিষয়টিকে জল-বণ্টন চুক্তি-সহ বৃহত্তর দ্বিপাক্ষিক বাধ্যবাধকতার সঙ্গেও যুক্ত করেন। ভারত কয়েক দশক আগে জল-বণ্টন চুক্তি করেছিল বলে উল্লেখ করে জয়শঙ্কর বলেন, এই ধরনের সহযোগিতা সুসম্পর্কের পূর্বশর্ত। তিনি বলেন, “অনেক বছর আগে আমরা একটি জল-বণ্টন চুক্তিতে সম্মত হয়েছিলাম, কিন্তু যদি কয়েক দশক ধরে সন্ত্রাসবাদ চলে, তবে কোনও সুসম্পর্ক থাকে না। যদি সুসম্পর্ক না থাকে, তবে সেই সুসম্পর্কের সুবিধাগুলোও পাওয়া যায় না।”

LinkedIn
Share