Tag: Madhyom

Madhyom

  • Calcutta High Court: স্যালাইনকাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া জনস্বার্থ মামলার অনুমতি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের

    Calcutta High Court: স্যালাইনকাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া জনস্বার্থ মামলার অনুমতি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্যালাইন নিয়েই জোড়া জনস্বার্থ মামলা হল কলকাতা হাইকোর্টে। তার মধ্যে একটি জনস্বার্থ মামলা করতে চেয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি। দ্বিতীয়টির জন্য আদালতের (Calcutta High Court) দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। স্যালাইন নিষিদ্ধ করার পরও এরাজ্যে কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে ‘বিষাক্ত’ স্যালাইন? সেই প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের হয়েছে। দু’টি জনস্বার্থ মামলাই দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। এডুলজির মামলাটি আগামী বৃহস্পতিবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Calcutta High Court)

    ২০২৪-এর মার্চ মাসেই কর্নাটক সরকার এই স্যালাইন (Calcutta High Court) প্রস্তুতকারী সংস্থাকে নিষিদ্ধ বলে উল্লেখ করেছিলেন। ওই রাজ্যে চার প্রসূতির মৃত্যু হয়েছিল। তারপরই নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠে। ডিসিজিআই-কে চিঠিও দিয়েছিলেন ওই রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। কর্নাটক যে স্যালাইনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছিল, সেই স্যালাইন কেন রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে রমরমিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে মৃত্যু হয় এক প্রসূতির। এসএসকেএম-এ লড়াই চলছে আরও তিন প্রসূতির। জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে গ্রিন করিডর করে ওই তিন প্রসূতিকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল থেকে নিয়ে আসা হয়েছে কলকাতায় এসএসকেএম হাসপাতালে। আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনার পর থেকে হাসপাতালের স্যালাইন (রিঙ্গার্স ল্যাকটেট) নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বস্তুত ‘রিঙ্গার্স ল্যাকটেট’ স্যালাইনের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় গত ১০ ডিসেম্বর ওই স্যালাইনের উৎপাদন ও সরবরাহ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোল। স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমও মেনেছেন, গত নভেম্বরে স্যালাইন উৎপাদক ওই সংস্থাটিকে কর্নাটক সরকার কালো তালিকাভুক্ত করার পরে রাজ্যও ওই নির্দেশ দেয়। তবে এডুলজির দাবি, আরজি কর হাসপাতালে চলতি মাসেও স্যালাইন ব্যবহার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সকলে যায় সিঙ্গাপুর-আমেরিকা’, স্যালাইনকাণ্ডে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মেদিনীপুরের ঘটনার পর হুঁশ ফিরেছে তৃণমূল সরকারের!

    এডুলজি সোমবার হাইকোর্টে জানান, এ রাজ্যের এক সংস্থার (Calcutta High Court) খারাপ মানের স্যালাইন ব্যবহার করে কর্নাটকে কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছিল। তখন রাজ্যের ওই সংস্থাকে কালো তালিকায় পাঠিয়ে দেয় কর্নাটক সরকার। ওই সংস্থার থেকে বরাত নেওয়াও বন্ধ রাখা হয়েছে। সম্প্রতি এ রাজ্যেও খারাপ স্যালাইন ব্যবহারের পর মৃত্যুর অভিযোগ উঠে এসেছে। এমন অবস্থায় বিষয়টি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের আর্জি জানান তিনি। প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম বলেন, “সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি দেখেছি। রাজ্য সরকার সম্ভবত কোনও পদক্ষেপও করছে।” উল্লেখ্য, মেদিনীপুরের ঘটনার পর হুঁশ ফিরেছে তৃণমূল সরকারের। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে হাসপাতালগুলিতে নির্দেশিকা পাঠানো হয়। তারপর একে একে ওয়ার্ড থেকে স্যালাইন সরানো শুরু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • General Upendra Dwivedi: “প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পরিস্থিতি সংবেদনশীল, কিন্তু স্থিতিশীল”, বললেন সেনাপ্রধান

    General Upendra Dwivedi: “প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পরিস্থিতি সংবেদনশীল, কিন্তু স্থিতিশীল”, বললেন সেনাপ্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর পরিস্থিতি সংবেদনশীল কিন্তু স্থিতিশীল রয়েছে।” সোমবার এমনই বললেন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী (General Upendra Dwivedi)। সেনা দিবসের আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “এই অঞ্চলে এখনও কিছুটা অচলাবস্থার পরিস্থিতি রয়েছে। ভারত ও চিনা সেনাবাহিনীর মধ্যে বিশ্বাস পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালানো প্রয়োজন।”

    কী বললেন সেনাপ্রধান? (General Upendra Dwivedi)

    সেনাপ্রধান বলেন, “দেপসাং ও ডেমচক—এই দুটি উত্তেজনাপূর্ণ এলাকায় ঐতিহ্যগত অঞ্চলগুলিতে টহলদারি ও পশুচারণ ফের শুরু হয়েছে। আমাদের সেনা মোতায়েন ভারসাম্যপূর্ণ, শক্তিশালী, এবং আমরা যে কোনও পরিস্থিতি সামলাতে সক্ষম।” সামগ্রিকভাবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পরিস্থিতি সম্পর্কে সেনাপ্রধান বলেন, “আমরা সীমান্তে পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দিচ্ছি।” জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “এটি মোটের ওপর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পাকিস্তানি পক্ষের সঙ্গে অস্ত্রবিরতি চুক্তি কার্যকর রয়েছে।”

    ‘আমাদের এক সঙ্গে বসতে হবে’

    ভারত-চিন সীমান্ত বৈঠক প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান (General Upendra Dwivedi) বলেন, “ভারত ও চিনের মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চিনা প্রধানের সঙ্গে দেখা করেছেন।” তিনি আরও বলেন, “আমরা যথন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই আলোচনাগুলি চালিয়েছিলাম, তখন কিছু জায়গায় অস্থায়ী স্থগিতাদেশ ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০ এপ্রিলের পর দুই দেশের মধ্যে আস্থার নয়া সংজ্ঞা দিতে হবে। তাই আমাদের এক সঙ্গে বসতে হবে। তার পরে আমরা কীভাবে পরিস্থিতি শান্ত করতে চাই এবং আস্থা পুনরুদ্ধার করতে চাই, সে বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা হবে।”

    আরও পড়ুন: ২৫ হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে বের করে দিতে পারে অসম, রায় গুয়াহাটি হাইকোর্টের

    জঙ্গি অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান (General Upendra Dwivedi) বলেন, “অনুপ্রবেশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তানের দিকের সন্ত্রাসী পরিকাঠামো এখনও অক্ষত রয়েছে। গত বছর মৃত জঙ্গিদের ৬০ শতাংশই ছিল পাকিস্তানি।” মণিপুর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং সরকারের সক্রিয় উদ্যোগের ফলে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।” সেনাপ্রধান জানান, মণিপুরে চক্রাকার হিংসার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী সেই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। তিনি (General Upendra Dwivedi) বলেন, “ভারত-মায়ানমার সীমান্ত বরাবর, মায়ানমারের পরিস্থিতি থেকে কোনও প্রভাব যাতে আমাদের দেশে ছড়িয়ে না পড়ে, তাই (LAC) উন্নত নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদির হাত ধরে ‘স্বপ্ন সফল’ কাশ্মীরের, খুলে গেল জেড-মোড় সুড়ঙ্গ

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদির হাত ধরে ‘স্বপ্ন সফল’ কাশ্মীরের, খুলে গেল জেড-মোড় সুড়ঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রমাণ হল যে, মোদি (PM Modi) হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়। বহু বাধা বিপত্তি পেরিয়ে অবশেষে খুলে গেল শ্রীনগর-লাদাখের সংযোগ পথ জেড-মোড় টানেল (Z Morh Tunnel in Sonamarg)। এই টানেলকে ঘিরে উপত্যকায় উৎসবের আমেজ। সাধারণের সঙ্গে সেই উৎসবে পা মিলিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। সোনমার্গের এই সুড়ঙ্গের হাত ধরে কাশ্মীরে বদলের হাওয়া। এর ফলে সব ঋতুতেই কাশ্মীর ও লাদাখের যোগাযোগ খুলে যাবে। বাড়বে পর্যটন। উন্নত হবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। খুব সহজেই বাধা বিপত্তিকে এড়িয়ে লাদাখের একাধিক সেনাঘাঁটিতে প্রতিরক্ষা সামগ্রী-সহ সেনাদের জন্য খাবার ও ওষুধপত্র পৌঁছানো সহজ হয়ে যাবে।

    টানেল পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

    সোমবার সোনমার্গে জেড মোড় টানেলের (Z Morh Tunnel in Sonamarg) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি এবং জিতেন্দ্র সিং, জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা, মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এবং অন্যান্য আধিকারিকরা৷ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি টানেলের পূর্ব পোর্টালে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী টানেল পরিদর্শন করেন। রুটম্যাপ এবং নির্মাণকাজ নিয়ে বিস্তারিতভাবে জানতে চান। নির্মাণকারী সংস্থার আধিকারিক এবং নির্মাণকাজে যুক্ত থাকা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাঁরা চূড়ান্ত প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও টানেল তৈরির কাজ করে গিয়েছেন। আজ টানেল উদ্বোধনের পরে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। 

    সারা বছর সোনমার্গ

    জোজিলা টানেল প্রকল্পের প্রথম ধাপ হিসেবে জেড-মোর টানেলটি নির্মিত হচ্ছে। ৬.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই টানেলটি শ্রীনগর ও সোনমার্গের মধ্যে সারা বছর যোগাযোগ রাখতে সাহায্য করবে। শীতকালে প্রবল তুষারপাতের জন্য বাকি উপত্যকার সঙ্গে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় সোনমার্গ। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে এই টানেলের মাধ্যমে। জেড-মোড় টানেলের উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে সোনমার্গ সারা বছর পর্যটনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। সোনমার্গ এখন একটি দুর্দান্ত স্কি রিসর্টে পরিণত হতে চলেছে। স্থানীয় লোকজনকে শীত উপভোগ করতে আর বাইরে কোথাও যেতে হবে না। 

    কমবে শ্রীনগর থেকে কার্গিল-লেহ ভ্রমণের সময়

    সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮ হাজার ৬৫০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই সুড়ঙ্গ পথ তৈরিতে ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা খরচ করেছে কেন্দ্র। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে খুলে যাবে কাশ্মীরের জোজিলা পাসও। যার মাধ্যমে লাদাখের সঙ্গে শ্রীনগরের পথের দূরত্ব ৪৯ কিলোমিটার থেকে কমে নেমে আসবে ৪৩ কিলোমিটারে। এর ফলে শ্রীনগর থেকে কার্গিল-লেহ ভ্রমণের সময়ও আগের তুলনায় অনেকটা কমে যাবে। সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার ক্ষেত্রে এই টানেলের উদ্বোধন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    উপত্যকায় উন্নয়নযজ্ঞ

    উপত্যকায় উন্নয়নযজ্ঞ দেখে আবেগে ভাসছেন সেখানকার বাসিন্দারাও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরেই জম্মু-কাশ্মীরের স্বপ্ন সফল হয়েছে, বলে দাবি করেন এক বাসিন্দা। তাঁর কথায়, ‘আজ বিরাট খুশির দিন। এই সুড়ঙ্গের হাত ধরে ভোল বদলে যাবে কাশ্মীরের। লাদাখ যাওয়ার রাস্তা আরও সহজ হবে। বাড়তি শক্তি পাবে প্রতিরক্ষাও।’ ইতিমধ্যে এই সুড়ঙ্গের উদ্বোধন ঘিরে বদলে গিয়েছে কাশ্মীরের রাজনৈতিক আবহাওয়াও। এদিন উপত্যকায় সুড়ঙ্গ উদ্বোধন করতে আসেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। আর তার আগেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি পর্ব সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে আসেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। দিল্লির সঙ্গে যে সহযোগিতার সমীকরণেই নেমেছেন তিনি, এমনটাই দাবি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

    কবে খুলবে টানেল

    জানা গিয়েছে, টেস্ট রান এবং প্রযুক্তিগত সিস্টেম ইনস্টলেশনের কাজ চলছে। খুব শিগগিরই এই টানেল সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। জেড-মোড় টানেল জোজিলা টানেলের জন্য এক বড় পদক্ষেপ। এই টানেল তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে নিউ অস্ট্রিয়ান টানেলিং মেথড।  ২০১৫ সালে শুরু হয়েছিল টানেলের নির্মাণকাজ। গান্দেরবল জেলায় নির্মিত এই টানেল কৌশলগত ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০১২ সালে সীমান্ত সড়ক সংস্থা (বিআরও) এই সুড়ঙ্গের কাজ শুরু করে। প্রকল্পটি টানেলওয়ে লিমিটেডকে দেওয়া হয়েছিল। পরে এটি জাতীয় মহাসড়ক ও পরিকাঠামো উন্নয়ন কর্পোরেশন লিমিটেড কর্তৃক অধিগ্রহণ করা হয়। এটি জরুরি অবস্থার জন্য একটি সমান্তরাল ৭.৫-মিটার-প্রশস্ত এস্কেপ প্যাসেজ দিয়ে সজ্জিত।

    আরও পড়ুন: পুজো দিলেন কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে, মহাকুম্ভে স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন এখন কমলা

    পর্যটনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ

    যেখানে জেড-মোড় টানেল তৈরি করা হয়েছে, সেখানে শীতকালে প্রবল তুষারপাত হয়ে থাকে। আশঙ্কা থাকে তুষারঝড়েরও। ফলে বছরের একটা বড় সময় সোনমার্গ যাওয়ার রাস্তা বন্ধ থাকত। এখন টানেল তৈরি হয়ে যাওয়ার ফলে যে কোনও আবহাওয়া, প্রবল তুষারপাত সত্ত্বেও সোনমার্গে পৌঁছানো যাবে। তাতে সবদিক থেকে লাভ হবে। সোনমার্গের অর্থনীতির মূল ভিত্তি হল পর্যটন। আর নয়া টানেলের ফলে সারা বছর সোনমার্গে আসতে পারবেন পর্যটকরা। স্থানীয় মানুষের আয় আরও বাড়বে। টানেল উদ্বোধনের দিন অনেক আশা নিয়ে শ্রীনগরের এক ট্যুর অপারেটর বলেন, “সোনমার্গ আমাদের পর্যটন প্যাকেজের অন্যতম আকর্ষণ। জেড-মোড় টানেল চালু হলে শীতকালেও পর্যটকদের নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাব। কাশ্মীরের পর্যটন শিল্পে এটা বিপ্লব আনবে।”

    প্রতিরক্ষা-সামরিক দিক থেকে গুরুত্ব

    মূলত সীমান্ত এলাকায় পরিকাঠামো উন্নতির লক্ষ্যে এই টানেল তৈরি হয়েছে। এর ফলে লাদাখের সঙ্গে সংযোগ আরও দৃঢ় হবে। এই টানেলের ফলে শীতকালেও সহজেই পৌঁছানো যাবে কার্গিল, লেহ্-এর মতো সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ স্থানে। ২০২৮ সালের মধ্যেই জোজিলা টানেলের কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর তারপরই কাশ্মীরের সোনমার্গ থেকে লাদাখের দ্রাসে অনায়াসে পৌঁছানো যাবে। পাকিস্তান এবং চিনের সঙ্গে সীমান্ত আছে লাদাখের। সেখানে বছরভর সামরিক সরঞ্জাম, দৈনন্দিন জিনিসপত্র পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ওই দুটি টানেলকে ব্যবহার করা হবে। সহজেই লাদাখে পৌঁছে যেতে পারবেন জওয়ানরা। ওই অঞ্চলে পৌঁছানোর জন্য যে আকাশপথের উপরে অনেকটা নির্ভর করতে হত, সেটা কমে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 14 January 2025: আর্থিক উন্নতির জন্য খুব ভালো সময় এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 14 January 2025: আর্থিক উন্নতির জন্য খুব ভালো সময় এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) মা-বাবার সঙ্গে জরুরি আলোচনা সারতে পারেন।

    ২) দুপুরের পরে কিছু পাওনা আদায় হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে ক্ষতি হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীদের সঙ্গে বিবাদে যাবেন না।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মিথুন

    ১) মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) সখপূরণ হবে।

    কর্কট

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মানসিক চাপ বৃদ্ধি।

    ২) দাম্পত্য জীবনে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) খরচ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কন্যা

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের চক্রান্তে সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় লাভ বাড়তে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) মনে দুর্বুদ্ধির উদয় হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক-বিতর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্র পরিবর্তনের যোগ।

    ২) আর্থিক উন্নতির জন্য খুব ভালো সময়। 

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) বিষয়সম্পত্তি কেনাবেচা নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে বাড়িতে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য পরিবারে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথা নিয়ে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কিছু কেনার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) ভ্রমণে যাওয়ার আলোচনা এখন বন্ধ রাখাই ভালো।

    ২) সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ব্যবসা হবে ২ লাখ কোটি টাকার, বিরোধীদের জবাব যোগীর

    Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ব্যবসা হবে ২ লাখ কোটি টাকার, বিরোধীদের জবাব যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে শুরু হয়েছে মহাকুম্ভ মেলা (Mahakumbh Mela 2025)। এজন্য উত্তরপ্রদেশ সরকার ব্যয় করছে ৫ হাজার কোটি টাকা। তা নিয়ে সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। সুযোগ পেয়ে তার জবাব দিলেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। তিনি বলেন, “মহাকুম্ভ মেলা (Mahakumbh Mela 2025) উপলক্ষে ৪০ কোটিরও বেশি দর্শনার্থী আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এতে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”  

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    ‘ডিভাইন উত্তরপ্রদেশ – দ্য মাস্ট ভিজিট সেক্রেড জার্নি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন যোগী। লখনউয়ের এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “মহাকুম্ভের (Mahakumbh Mela 2025) মাধ্যমে রাজ্যের প্রবৃদ্ধি, পর্যটন এবং উন্নয়নের বিপুল সম্ভাবনা উদযাপন করা হবে।” রামলালার প্রতিষ্ঠার প্রথম বার্ষিকী স্মরণ করার জন্য আয়োজনও করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি। সরকারের ৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগকে সমর্থন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই অনুষ্ঠানে লক্ষ লক্ষ ভক্তের আগমনের ফলে সরকার অনেক বেশি রাজস্ব ফিরে পাবে।”

    পর্যটন থেকে রোজগার সরকারের

    তিনি বলেন, “২০১৭ সালের আগে বারাণসীতে বছরে মাত্র ৫০ লক্ষ ভক্ত আসতেন। কিন্তু ২০২৪ সালে এই শহরে ১৬ কোটি ভক্ত এসেছেন। ২০১৬ সালে অযোধ্যায় মোট ২.৮৩ লক্ষ দেশীয় ভক্ত এবং ১,২০০ বিদেশি পর্যটক এসেছিলেন। আর ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, মোট ১৩.৫৫ কোটি ভক্ত অযোধ্যায় এসেছেন। যখন একজন ভক্ত (Mahakumbh Mela 2025) উত্তরপ্রদেশে আসেন, তিনি পরিবহণ ব্যবহার করেন, রেস্টুরেন্টে খাবার খান, হোটেলে থাকেন, কেনাকাটা করেন এবং প্রতিটি সফরে গড়ে ৫,০০০ টাকা ব্যয় করেন। এই হিসাব অনুযায়ী, শুধুমাত্র বারাণসী থেকেই ৮০,০০০ কোটি টাকা আয় হয়।”

    আরও পড়ুন: ২৫ হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে বের করে দিতে পারে অসম, রায় গুয়াহাটি হাইকোর্টের

    বিরোধীদের সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী (Yogi Adityanath) বলেন, “যাঁরা উত্তরপ্রদেশ সরকারকে নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁরা তাঁদের বিদেশি আক্রমণকারীদের সঙ্গে সংযোগ নিয়ে গর্ব বোধ করেন, ভারতের সঙ্গে নয়।” তাঁর মতে, তাঁরা অযোধ্যা, প্রয়াগরাজ, মথুরা-বৃন্দাবন বা বারাণসীর উন্নয়ন পছন্দ করেন না, কারণ তাঁরা জাতি, ধর্ম এবং আঞ্চলিক ভেদাভেদ সৃষ্টি করার জন্য কাজ করেন (Mahakumbh Mela 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: মকর সংক্রান্তিতে উধাও শীত! বুধবার থেকে ফের নামবে তাপমাত্রা, ইঙ্গিত আলিপুরের

    Weather Update: মকর সংক্রান্তিতে উধাও শীত! বুধবার থেকে ফের নামবে তাপমাত্রা, ইঙ্গিত আলিপুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মকর সংক্রান্তিতেও কনকনে শীতের পূর্বাভাস দিল না আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বরং আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। মোটামুটি আরামদায়ক তাপমাত্রাতেই কাটছে পৌষ সংক্রান্তি। সোমবার কলকাতার (Weather Update) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৩ ডিগ্রি। তবে, আগামী বুধবার থেকে ফের কিছুটা পারদপতন হতে পারে।

    কুয়াশার দাপট কোন কোন জেলায়? (Weather Update)

    দক্ষিণবঙ্গে শীতের (Weather Update) দাপট কম হলেও উত্তরবঙ্গ শীতে কাঁপছে। দার্জিলিঙে বৃষ্টি ও তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঘন কুয়াশার সতর্কতা দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ঘন কুয়াশা থাকবে দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলাতেই। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় জেলায়। ঘন কুয়াশা থাকবে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। কলকাতা সহ বাকি জেলাগুলিতে সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনাও নেই। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রাতেও বড় একটা হেরফের হবে না।। বুধবার থেকে আবার তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। দু থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস নামতে পারে পারদ।

    আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সকলে যায় সিঙ্গাপুর-আমেরিকা’, স্যালাইনকাণ্ডে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    দার্জিলিং ৪.৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়া ১০.১

    দার্জিলিঙে বৃষ্টি এবং তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া (Weather Update) দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবার উত্তর-পশ্চিম ভারতে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকছে। এর ফলে উত্তরে হাওয়া ফের বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে শীতেও বাধা পড়তে পারে। রবিবার রাজ্যের শীতলতম জেলা ছিল দার্জিলিং। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৪.৮। কালিম্পঙের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ এবং পুরুলিয়ায় ১০.১। ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা নামবে ৫০ মিটারের কাছাকাছি। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলাতে ঘন কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে । বেশিরভাগ জেলাতেই দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারে নিচে থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “কেন্দ্র টাকা দিলে চুরি, না দিলে বঞ্চনা”, গঙ্গাসাগরে নদী ভাঙন প্রসঙ্গে মমতাকে আক্রমণ দিলীপের

    Dilip Ghosh: “কেন্দ্র টাকা দিলে চুরি, না দিলে বঞ্চনা”, গঙ্গাসাগরে নদী ভাঙন প্রসঙ্গে মমতাকে আক্রমণ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে তীব্র আক্রমণ করেছেন বিজেপির প্রবীণ নেতা তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। নদী ভাঙন, জলপথ এবং সেতু নিয়ে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার কথা তুলে ধরেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষ বলেন, “কেন্দ্র টাকা দিলে চুরি, না দিলে বঞ্চনা।” এদিন গঙ্গাসাগর (Gangasagar mela) পরিদর্শন করে এইভাবেই মন্তব্য করেন তিনি।

    গত ১২-১৪ বছরে কোন কাজ হয়েছে (Dilip Ghosh)?

    পৌষ সংক্রান্তিতেই সাগরদ্বীপে গঙ্গাসাগর মেলা (Gangasagar mela) বসে। এই মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা স্নান করতে আসেন। সূর্যের উত্তরায়ণ যাত্রা শুরু হয় এই সময় থেকেই। বাংলার এই গঙ্গার সমুদ্র সঙ্গমে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়। অথচ এইরকম একটি তীর্থ ক্ষেত্রের পরিকাঠামো অত্যন্ত খারাপ। ২০১১ সালের পর থেকে রাজ্যের রাজনৈতিক শাসকের বদল ঘটলেও কপিলমুনির আশ্রম, মেলা এবং পরিকাঠামোর কোনও উন্নয়ন হয়নি। দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এই নদীভাঙন নিয়ে বলেন, “আয়লার সময় ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিল কেন্দ্র। রাজ্যের পক্ষ থেকে কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণের কথা বলা হলেও আর তা পরে করা হয়নি। কাজ করতে না পারায় টাকা ফেরত দিতে হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকার টাকা না দিলে বলবেন বঞ্চনা করছে। আবার টাকা দিলে আপনারা চুরিও করবেন। আপনারা নিজেরা কাজ করে দেখান। সকলে সহযোগিতা করবে। গত ১২-১৪ বছরে কোন কাজটা হয়েছে? আপনারা বলুন, কোনও কাজ করলে কি আদৌ টিকছে? এই ভাবে কাজ না করে বন্ধ করে দিন। গঙ্গাসাগর মেলাকে জাতীয় স্বীকৃতির মর্যাদা দিতে সঠিক ভাবে আবেদন জানান। তাহলেই কাজ হবে।”

    আরও পড়ুনঃ সীমান্তে কাঁটাতার বসানো নিয়ে বাংলাদেশকে স্পষ্ট বার্তা ভারতের, কী বলল নয়াদিল্লি?

    কাজে নয়, মুখ্যমন্ত্রী শুধু কথা বলতে ভালোবাসেন

    একইভাবে মমতাকে তোপ দেগে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) আরও বলেন, “মমতা একবার বলছেন কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে শঙ্করপুরে জেটি নির্মাণ করবেন, আবার কখনও বলছেন নিজেরাই করব। অপর দিকে আদানির সঙ্গেও কথা বলছেন। কাজে নয়, মুখ্যমন্ত্রী শুধু কথা বলতে ভালোবাসেন। ইতিমধ্যে তীর্থযাত্রীরা মেলায় আগমন শুরু করে দিয়েছেন। এই বছর পূর্ণ মহাকুম্ভ এবং গঙ্গাসাগর মেলা একই তিথিতে পড়ে ভক্তদের ভিড় কিছুটা কম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। তাই রাজ্যের পক্ষ থেকে পরিকাঠামো এবং পরিষেবার বিষয়ে আরও গুরুত্বদিয়ে ভাবতে হবে।” উল্লেখ্য গত কয়েকদিন আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গঙ্গাসাগরে (Gangasagar mela) এসে বলেছিলেন, “রাজ্যের টাকায় মুড়িগঙ্গা নদীর উপর সেতু নির্মাণ করা হবে।” ফলে বছর বছর প্রতশ্রুতি দিলেও পূরণ হয় না কিছুই, একথা এলাকার মানুষরাও এখন মনে করেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Maoists in Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে এনকাউন্টারে দুই মহিলা সহ ৫ মাওবাদী নিকেশ, জখম ২ পুলিশকর্মী

    Maoists in Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে এনকাউন্টারে দুই মহিলা সহ ৫ মাওবাদী নিকেশ, জখম ২ পুলিশকর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Maoists in Chhattisgarh) বিজাপুরে মাওবাদী দমন অভিযানে সাফল্য পেল বাহিনী। খতম হয়েছে ২ মহিলা সহ ৫ মাওবাদী। এদিকে, মাওবাদীদের আইইডি বিস্ফোরণে দুজন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। কুক্র থানা এবং জেলা রিজার্ভ গার্ডের একটি দল এলাকায় টহল দেওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। আহতদের বিজাপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জখম জওয়ানরা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    জেলা পুলিশ সুপার কী বললেন? (Maoists in Chhattisgarh)

    জানা গিয়েছে, ছত্তিশগড়ের (Maoists in Chhattisgarh) বিজাপুর জেলায় রবিবার নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে পাঁচ মাওবাদী খতম হয়েছে। বিজাপুরের পুলিশ সুপার জিতেন্দ্র যাদবের মতে, “নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে ৫ মাওবাদী নিহত হয়েছে। ২ জন মহিলা মাওবাদী এবং ৩ জন পুরুষ মাওবাদীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সকলে যায় সিঙ্গাপুর-আমেরিকা’, স্যালাইনকাণ্ডে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাওবাদীদের কাছে থেকে কী কী উদ্ধার হল?

    এনকাউন্টারের বিবরণ শেয়ার করে এসপি জিতেন্দ্র যাদব বলেন, ‘‘১১ জানুয়ারি বিজাপুর জেলার জাতীয় উদ্যান এলাকার মাদদেদ থানার অধীন বন্দেপাড়া- কোরেনজেদ জঙ্গলে মাওবাদীদের (Maoists in Chhattisgarh) উপস্থিতি সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, একটি নিরাপত্তা বাহিনীর দল গিয়েছিল। মাওবাদী বিরোধী অভিযানে। অপারেশন চলাকালীন রবিবার সকালে বান্দেপাড়া-কোরেঙ্গেড় জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনী এবং মাওবাদীদের মধ্যে গুলি বিনিময় শুরু হয়, যা বিকাল ৩-৪ টা পর্যন্ত চলে।’’ জানা গিয়েছে, এনকাউন্টারের পর তল্লাশি অভিযানের সময় দুই মহিলা সহ নিহত মাওবাদীদের পাঁচটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। সকলেই ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় ছিলেন। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলির মধ্যে একটি এসএলআর রাইফেল, একটি ১২ বোরের রাইফেল, দুটি ওয়ান শটার রাইফেল, একটি বিজিএল লঞ্চার এবং একটি স্থানীয়ভাবে তৈরি ভারমার বন্দুক, বিস্ফোরক, মাওবাদী সাহিত্য এবং অন্যান্য মাওবাদী উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে নিরাপত্তাবাহিনীর আট জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল। এ বার জানা গেল, নিহত আট জনের মধ্যে পাঁচ জনই ছিলেন প্রাক্তন মাওবাদী নেতা! আত্মসমর্পণের পর বছর দুয়েক আগে ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ডে যোগ দিয়েছিলেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam: ২৫ হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে বের করে দিতে পারে অসম, রায় গুয়াহাটি হাইকোর্টের

    Assam: ২৫ হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে বের করে দিতে পারে অসম, রায় গুয়াহাটি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে অসমে (Assam) অবৈধভাবে বসবাস করছেন প্রায় ২৫ হাজার বাংলাদেশি (Bangladeshi Intruders)। এঁদের অনেকেই অসমে চলে এসেছেন ১৯৬৬ থেকে ১৯৭১ সালের মধ্যে। কিন্তু, তাঁরা ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কাছে গিয়ে নাম নথিভুক্ত করেননি। তাই তাঁদের পরিচয় অবৈধ অনুপ্রবেশকারী। সম্প্রতি, এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছে গুয়াহাটি হাইকোর্ট।

    বেগম জান (Assam)

    সম্প্রতি বেগম জান নামে এক মহিলা ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কাছে গিয়ে নাম নথিভুক্ত করার তারিখ বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলেন। ২০২০ সালের ২৯ জুন বারপেটা ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল তাঁকে বাংলাদেশি বিদেশি ঘোষণা করেছিল। তার পরেও তিনি সময় মতো নাম নথিভুক্ত করেননি। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের উদ্ধৃতি দিয়ে আদালত তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয়। গুয়াহাটি হাইকোর্টের ৯ ডিসেম্বরের ওই রায়ের ফলে অসমে অবৈধভাবে বসবাসকারী ২৫ হাজারের বেশি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে বহিষ্কার করতে পারে।

    হাইকোর্টের রায়

    গুয়াহাটি হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী, প্রায় ২৫ হাজার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অনুপ্রবেশকারীকে এখন বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে। কারণ প্রায় ৫ হাজার অনুপ্রবেশকারী ও তাঁদের পরিবার নাম নথিভুক্তকরণের সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও, নাম নথিভুক্ত করেননি (Assam)। হাইকোর্টের বিচারপতিরা সাফ জানিয়ে দেন, সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত দ্বারা বাধ্য এবং জান-এর মামলায় সময়সীমা বাড়ানোর জন্য তারা অক্ষম। আদালতের রায়ে পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চের ২০২৪ সালের অক্টোবরের সিদ্ধান্ত উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এটি নাগরিকত্ব আইনের ধারা ৬এ-এর বৈধতা বজায় রেখেছে।

    আরও পড়ুন: “আমাদের প্রত্যেকের গর্বের সঙ্গে বলা উচিত, আমরা হিন্দু”, বললেন শুভেন্দু

    জান-এর এই মামলা অসমে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা একটি গুরুতর সমস্যাকে তুলে ধরে। এই মামলার রায়ে বাংলাদেশ থেকে অসমে অনুপ্রবেশকারীদের অবস্থান বিশেষভাবে ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনের ৬এ ধারা দ্বারা সমাধান করা হয়েছে। ১৯৮৫ সালে অসম চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পরে কার্যকর করা হয়েছিল এই আইনটি। প্রসঙ্গত, ৬এ (২) ধারা অনুযায়ী, ১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারি আগে অসমে আসা বাংলাদেশিদের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। ৬এ (৩) অনুযায়ী, ১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯৭১-এর ২৪ মার্চের মধ্যে আসা ব্যক্তিদের (Bangladeshi Intruders) নাগরিকত্ব দেওয়া হয় (Assam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India Bangladesh Relation: সীমান্তে কাঁটাতার বসানো নিয়ে বাংলাদেশকে স্পষ্ট বার্তা ভারতের, কী বলল নয়াদিল্লি?

    India Bangladesh Relation: সীমান্তে কাঁটাতার বসানো নিয়ে বাংলাদেশকে স্পষ্ট বার্তা ভারতের, কী বলল নয়াদিল্লি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্ত নিয়ে ভারত-বাংলাদেশের (India Bangladesh Relation) মধ্যে যে সমঝোতার বিষয়টা রয়েছে, সেটা মেনে চলতে হবে (Indian High Commissioner)। পড়শি দেশকে সাফ জানিয়ে দিল নরেন্দ্র মোদির ভারত। সীমান্তে অপরাধ কমাতে দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন বলেও জানিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। রবিবার ঢাকায় বাংলাদেশের বিদেশ সচিব মহম্মদ জসিমউদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। সেখানেই ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

    জসিমউদ্দিন-প্রণয়ের বৈঠক (India Bangladesh Relation)

    জসিমউদ্দিন-প্রণয়ের বৈঠক হয় ৪৫ মিনিট ধরে। পরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, “আমরা আশা করছি, পারস্পরিক বোঝাপড়া লাগু হবে। অপরাধ দমন করতে সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব থাকবে।” ভার্মা জানান, অপরাধমুক্ত সীমান্ত তৈরি করতে ভারত কতটা বদ্ধপরিকর, সেটা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের বিদেশ সচিবকে। সীমান্তে চোরাচালান, পাচার, দুষ্কৃতীদের আনাগোনার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।

    সুরক্ষার স্বার্থে বেড়া সীমান্তে

    সুরক্ষার স্বার্থে বেড়া দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা রয়েছে। বিএসএফ এবং বিজিবি এনিয়ে পারস্পরিক সংযোগ রক্ষা করবে। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশছাড়া হওয়ার পর সে দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ব্যাপক অত্যাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ। এদিনের বৈঠকে (India Bangladesh Relation) সে প্রসঙ্গও উঠেছে।

    এদিকে, সীমান্তে ভারত কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু করায় বেজায় চটেছে বাংলাদেশ। এদিনের বৈঠকে সেই প্রসঙ্গটিও উত্থাপন করেছে ভারত। বিএসএফের কাজকর্মে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জসিমউদ্দিন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার মতো অবৈধ কাজ করা হচ্ছে। উত্তেজনা ছড়ায় এমন বিষয় থেকে দূরে থাকার জন্য ভারতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। জসিমউদ্দিনের দাবি, কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার মতো কাজ পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

    আরও পড়ুন: “আমাদের প্রত্যেকের গর্বের সঙ্গে বলা উচিত, আমরা হিন্দু”, বললেন শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিন ধরেই সীমান্তের বিভিন্ন জায়গায় ভারত নিজেদের জমিতে কাঁটাতারের বেড়া দিতে গেলেও, বাধা দেয় বিজিবি। অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মহম্মদ জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন এই বলে যে, ভারত কাঁটাতারের বেড়া দিতে গেলে বাধা দেওয়া হবে। এহেন (Indian High Commissioner) আবহেই হল দুই দেশের বৈঠক (India Bangladesh Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share