Tag: Madhyom

Madhyom

  • T20 World Cup 2026: চিপকে বড় জয়ই লক্ষ্য ভারতের, কোন পথে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছতে পারে সূর্যরা?

    T20 World Cup 2026: চিপকে বড় জয়ই লক্ষ্য ভারতের, কোন পথে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছতে পারে সূর্যরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপে (2026 ICC Men’s T20 World Cup) বৃহস্পতিবার সুপার এইটে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে মরণ-বাঁচন ম্যাচ (India vs Zimbabwe) খেলতে নামছে ভারত। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার ৮-এর প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বিরাট ব্যবধানে হারের ফলে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সেমিফাইনালে ওঠার পথ বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৭৬ রানের এই পরাজয় তাদের নেট রান রেটে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলেছে। এখন, টিম ইন্ডিয়াকে তাদের দুটি ম্যাচই জিততে হবে, এবং তাও বড় ব্যবধানে।

    সেমিফাইনালের সম্ভাবনা

    দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের সঙ্গে সঙ্গে, টিম ইন্ডিয়ার নেট রান রেটেরও উল্লেখযোগ্যভাবে অবনতি হয়েছে, যার ফলে সেমিফাইনালে (T20 World Cup 2026) পৌঁছানোর সম্ভাবনা কমে গিয়েছে। তবে, ভারতের জন্য প্রত্যাবর্তন সম্ভব। এর জন্য, তাদের বাকি দুটি ম্যাচে সেমিফাইনালের হিসেব-নিকেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। টিম ইন্ডিয়া যদি বাকি সুপার ৮ ম্যাচগুলিতে বড় জয় অর্জন করে, তাহলে সেমিফাইনালের দৌড়ে থাকার সুযোগ তাদের রয়েছে। ভারত যদি প্রথমে ব্যাট করে এবং ১৯০ রানের বেশি করে, তাহলে টিম ইন্ডিয়াকে জিম্বাবোয়েকে ১৩০ রানের কম রানে অলআউট করতে হবে এবং ৬০ রানের বেশি রানে জিততে হবে। তবে, ৮০ বা তার বেশি রানের জয়ই সেরা বলে বিবেচিত হবে। ভারত যদি লক্ষ্য তাড়া করে, অর্থাৎ পরে ব্যাট করে তাহলে টিম ইন্ডিয়াকে জিম্বাবোয়েকে ১৩০ রানের কম রানে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে এবং ১০ থেকে ১২ ওভারে লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।

    দলে যোগ দিচ্ছেন রিঙ্কু সিং

    বৃহস্পতিবার ম্যাচের আগেই ভারতীয় দলে যোগ দিচ্ছেন রিঙ্কু সিং। তবে তিনি এই ম্যাচে খেলবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট হয়। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ভারতীয় দলের ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক (Sitanshu Kotak) জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধেতেই ফের দলে যোগ দিচ্ছেন রিঙ্কু। তিনি বৃহস্পতিবার চিপকে (Chepauk) থাকবেন। টিম ম্যানেজমেন্ট যদি মনে করে, তাহলে তিনি খেলবেন। পারিবারিক সমস্যার কারণে ভারতীয় দল ছেড়ে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হন রিঙ্কু। তাঁর বাবা খানচাঁদ সিং (Khanchand Singh) গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি গ্রেটার নয়ডার (Greater Noida) এক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে টিম ম্যানেজমেন্ট রিঙ্কুকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেয়। বাড়ির পরিস্থিতি সামলে চেন্নাইয়ে ফিরছেন রিঙ্কু।

    চিপকে চাপে ভারত

    সোমবার মুম্বইয়ে সুপার এইটের ম্যাচে জিম্বাবোয়েকে ১০৭ রানে হারিয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে এমনিতেই চাপে ছিল ভারত। তার উপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই বিশাল জয়ের ফলে ভারতের নেট রান রেটের সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে গিয়েছে। সেমিফাইনালে উঠতে হলে বাকি ম্যাচগুলো বড় ব্যবধানে জিততেই হবে। ভারতের পরবর্তী ম্যাচ বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। একই দিনে অন্য ম্যাচে আমেদাবাদে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই ম্যাচের ফলাফলের উপর অনেকটাই নির্ভর করছে ভারতের সেমিফাইনাল ভাগ্য। তবে অন্যের দিকে না তাকিয়ে নিজেদের গুছিয়ে নিতে চাইবেন গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেক্ষেত্রে সবকিছু ভুলে রানে ফিরতে হবে অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষাণদের। ভারতের ব্যাটিং তেজই চিপকে ফের সূর্যোদয় ঘটাতে পারে টিম ইন্ডিয়ার।

  • Cervical Cancer: সরকারের জনকল্যাণমূখী পদক্ষেপ! সার্ভিক্যাল ক্যান্সার দূর করতে দেশ জুড়ে শুরু হচ্ছে এইচপিভি টিকাকরণ

    Cervical Cancer: সরকারের জনকল্যাণমূখী পদক্ষেপ! সার্ভিক্যাল ক্যান্সার দূর করতে দেশ জুড়ে শুরু হচ্ছে এইচপিভি টিকাকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের (Cervical Cancer) বিরুদ্ধে টিকাকরণ (HPV Vaccination) শুরু হচ্ছে দেশে। জরায়ুমুখের ক্যান্সারে মৃত্যুহার কমাতে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের জন্য সারাদেশে বিনামূল্যে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাকরণ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে ভারত সরকার। ‘স্বাস্থ্য নরী’ (Swastha Nari) মিশনের আওতায় এই উদ্যোগ দেশের মহিলাদের মধ্যে অন্যতম প্রতিরোধযোগ্য ক্যান্সারের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই টাকাকরণ কর্মসূচিতে দু’টি পৃথক ডোজের পরিবর্তে একটি মাত্র ডোজই দেওয়া হবে, যেমনটি অনুমোদন রয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।

    কাদের দেওয়া হবে এইচপিভি টিকা

    ১৪ বছর এবং তার ঊর্ধ্বে সব মেয়েদের এইচপিভি টিকা (HPV Vaccination) দেওয়া হবে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হতে চলেছে। সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের ৮৫ শতাংশই মূলত এইচপিভি সংক্রমণ থেকে ঘটে। মহিলাদের শরীরের সর্বাধিক যে ধরনের ক্যান্সার বাসা বাঁধে, তাতে একেবারে দ্বিতীয় স্থানে সার্ভিক্যাল ক্যান্সার (Cervical Cancer)। প্রতিবছর সার্ভিক্যাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হন ১.২৫ লক্ষ মহিলা, যার মধ্য়ে মারা যান ৭৫ হাজার। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, এইচপিভি টিকা (HPV Vaccination) বাধ্যতামূলক টিকাকরণ কর্মসূচি নয়, বরং ইচ্ছের উপর নির্ভর করবে গোটা বিষয়টি। এইচপিভি ১৬, এইচপিভি ১৮-র বিরুদ্ধেই এই টিকাকরণ, যাতে সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সার্বিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হয়। পাশাপাশি, এইচপিভি ৬ এবং এইচপিভি ১১-র বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা লক্ষ্য।

    কবে থেকে শুরু হবে টিকাকরণ কর্মসূচি

    দিল্লি সূত্রে খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হতে চলেছে। ২০২৭ সালের মধ্যে ২.৬ কোটি ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। এর মধ্যে ১ কোটি ডোজের জোগান দেবে টিকা-সহযোগী গাভী (Gavi)। আমেরিকার বায়োফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা মার্ক-এর তৈরি ‘গার্ডাসিল’ টিকা ব্যবহার করা হবে ভারতে। সরকারি সূত্রে খবর, নির্দিষ্ট বয়সের মেয়েদের সিঙ্গল ডোজ দেওয়া গেলেই সুরক্ষা মিলবে বলে প্রমাণ মিলেছে।

    খোলা বাজারে এই ভ্যাকসিনের দাম

    সরকারি সূত্রের খবর, এই কর্মসূচিতে ‘গার্ডাসিল’ (Gardasil) নামের কোয়াড্রিভ্যালেন্ট এইচপিভি টিকা ব্যবহার করা হবে। বর্তমানে খোলা বাজারে এই ভ্যাকসিনের প্রতিটি ডোজের দাম প্রায় ৩,৯২৭ টাকা। ১৫ বছরের কম বয়সিদের জন্য দু’টি এবং তার বেশি বয়সিদের জন্য তিনটি ডোজ প্রয়োজন হয়। তবে সরকারি এই বিশেষ অভিযানের অধীনে কিশোরীদের বিনামূল্যে এই টিকা দেওয়া হবে।

    এক ডোজেই মিলবে সুরক্ষা

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গাইডলাইন মেনে এবং ভারতীয় বিজ্ঞানীদের গবেষণার ভিত্তিতে সরকার জানিয়েছে, নির্দিষ্ট বয়সি কিশোরীদের ক্ষেত্রে এই ভ্যাকসিনের একটি ডোজই দীর্ঘস্থায়ী ও শক্তিশালী সুরক্ষা দিতে সক্ষম। ‘ইউনিভার্সাল ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রাম’-এর বাইরে এটি একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন হিসেবে চালানো হবে।

    কেন ১৪ বছর বয়সকেই বেছে নেওয়া হলো?

    চিকিৎসকদের মতে, শরীরে ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার আগেই যদি এই টিকা নেওয়া যায়, তবে তার কার্যকারিতা সর্বাধিক হয়। তাই ১৪ বছর বয়সকে এই টিকাকরণের জন্য আদর্শ সময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভারতে প্রতি বছর প্রায় ৮০ হাজার মহিলা নতুন করে জরায়ুমুখের ক্যানসারে আক্রান্ত হন এবং প্রায় ৪২ হাজার জনের মৃত্যু হয়। এই টিকাকরণ কর্মসূচি চালু হলে মৃত্যুহার অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক মান

    ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫০ কোটি এইচপিভি ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হয়েছে। এর সুরক্ষা ও কার্যকারিতা নিয়ে কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যেই বিশ্বের ১৬০টি দেশে এই টিকাকরণ কর্মসূচি চলছে। এর মধ্যে ৯০টিরও বেশি দেশ এক ডোজের সময়সূচি অনুসরণ করছে। ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ৫০ কোটিরও বেশি ডোজ প্রয়োগের মাধ্যমে টিকাটির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। গবেষণা অনুযায়ী, ভ্যাকসিনে অন্তর্ভুক্ত এইচপিভি টাইপের বিরুদ্ধে ৯৩ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত সুরক্ষা পাওয়া যায়। ভারত এই তালিকায় নাম লেখানোয় জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এক নতুন দিগন্ত খুলল।

    কোথায় কোথায় মিলবে টিকা

    প্রকল্পের সূচনা ঘটলে মেয়েদের যাতে টিকাকরণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়, তার জন্য় অভিভাবক ও মা-বাবাদের আর্জি জানিয়েছেন আধিকারিকরা। তাঁদের মতে, যত শীঘ্র টিকা নেওয়া যাবে, তত বেশি প্রতিরোধ গড়ে তোলা যাবে সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির, জেলা হাসপাতাল মেডিক্যাল কলেজে এইচপিভি টিকা নেওয়া যাবে। প্রশিক্ষিত মেডিক্যাল অফিসারদের উপস্থিতিতেই টিকাকরণ চলবে। টিকাকরণের পরও পর্যবেক্ষণে থাকবেন সকলে, যাতে পরবর্তী পরিস্থিতির উপর নজর রাখা যায়। টিকার বিজ্ঞানসম্মত মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে ইতিমধ্যেই। সেই মতো নিজেদের সুপারিশের কথা জানায় ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসরি গ্রুপ অন ইমিনাইজেশন।

    কেন্দ্রীয় সরকারের জনকল্যাণমূখী পদক্ষেপ

    জরায়ুমুখের ক্যানসারের জন্য দায়ী ‘হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস’ (এইচপিভি)। এর ২০০ রকম প্রজাতি রয়েছে, যার মধ্যে ১২টি ক্যানসারের জন্য দায়ী। বিশেষ করে এইচপিভি ১৬ ও এইচপিভি ১৮ জরায়ুমুখের ক্যানসারের কারণ। এইচপিভি ভাইরাস ঠেকাতে প্রতিষেধক দেওয়াই সবচেয়ে আগে জরুরি। তবে এইচপিভি টিকা কতটা কার্যকরী, তা আদৌ ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারবে কি না, এ বিষয়টি নিয়ে সংশয় ছিলই। সম্প্রতি ব্রিটেনের ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর হেল্‌থ অ্যান্ড কেয়ার রিসার্চ’ (এনআইএইচআর) জানিয়েছে, জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকা প্রায় ৯০ শতাংশ কার্যকরী হচ্ছে। শুধু সময়মতো টিকাটি নিতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই ‘স্বাস্থ্য নারী’ (Swastha Nari) উদ্যোগের ফলে আগামী দিনে কয়েক লক্ষ কিশোরীকে এই মারণ ক্যানসারের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

  • Daily Horoscope 26 February 2026: পেটের কষ্ট বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 26 February 2026: পেটের কষ্ট বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

      মিথুন

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেখা দেবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • India Canada Relation: “ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কে গুরুত্ব”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লি আসছে শীর্ষ প্রতিনিধিদল

    India Canada Relation: “ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কে গুরুত্ব”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লি আসছে শীর্ষ প্রতিনিধিদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিপাক্ষিক সফরে শুক্রবার ভারতে আসছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (India Canada Relation)। এই সফরে শক্তি, খনিজ, পরমাণু সহযোগিতা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সহ একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কানাডায় ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ পাটনায়েক জানিয়েছেন, এই সফর কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্যই নয়, বরং আন্তর্জাতিক কূটনীতির দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। কার্নির এই সফরে তাঁর সঙ্গে থাকছেন চারজন মন্ত্রিসভার সদস্য এবং দুই প্রদেশের প্রিমিয়ার (মুখ্যমন্ত্রী সমতুল্য)। কার্নির সঙ্গে থাকছে কানাডার উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধিদল। এই উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতি থেকে স্পষ্ট, অর্থনীতি, বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করাই এই সফরের প্রধান লক্ষ্য।

    অত্যন্ত সময়োপযোগী সফর

    কানাডার বিদেশমন্ত্রী অনিতা আনন্দ জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারত সফরে যোগ দেবেন। তিনি বলেন, “বাণিজ্য বহুমুখীকরণ এবং কানাডিয়ানদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি, অর্থনীতির সব ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধি করাই আমাদের লক্ষ্য।” মঙ্গলবার অর্থ ও রাজস্বমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেনও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ভারত সফর নিশ্চিত করে বলেন, “একটি স্থিতিশীল কানাডিয়ান অর্থনীতির জন্য বাণিজ্যের বহুমুখীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও জানান, এই সফরের পর তিনি অস্ট্রেলিয়াতেও যাবেন। অটোয়ায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শ্যাম্পেন ভারত সফরকে “অত্যন্ত সময়োপযোগী” বলে উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, “ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক কানাডার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি জানান, ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচয় রয়েছে।

    অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে জোর

    কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী মনিন্দর সিধুও এই সফরে যোগ দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করা, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কানাডিয়ান ব্যবসার জন্য নতুন বাজার উন্মুক্ত করাই আমাদের লক্ষ্য। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের রফতানি ৩০০ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার বাড়ানোর যে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য, তা পূরণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” সফরকালে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডেভিড ম্যাকগুইন্টিও সফরে থাকবেন। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশ একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা করছে। ম্যাকগুইন্টি ভারতের পর অস্ট্রেলিয়া ও জাপান সফরেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিটি দিক নিয়ে আলোচনা

    এছাড়াও কার্নির সঙ্গে ভারত সফরে আসবেন আলবার্টা প্রদেশের প্রিমিয়ার স্কট মো এবং নিউ ব্রান্সউইকের প্রিমিয়ার সুসান হল্ট। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা ম্যাট জেনারু-ও ভারতে আসছেন। তিনি এপ্রিল ২০২৪ সালের ফেডারেল নির্বাচনে কনজারভেটিভ হিসেবে নির্বাচিত হলেও সম্প্রতি লিবারেল দলে যোগ দেন। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সফরের পর এই প্রথম কোনও কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক সফরে ভারতে আসছেন। অটোয়ায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ পাটনায়েক বলেন, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিটি দিক নিয়েই এই সফরে আলোচনা হবে। আমরা একটি সমন্বিত প্যাকেজের দিকে তাকিয়ে আছি।” পাটনায়েকের কথায়, মার্ক কার্নির ভারত সফরে (Mark Carney India Tour) ইউরেনিয়াম সরবরাহ, তেল ও গ্যাস, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের পাশাপাশি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত একগুচ্ছ চুক্তি সই হতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হল প্রায় ২.৮ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের ১০ বছরের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি।

  • Snowfall in Sikkim: তুষারপাতের জেরে বিপর্যস্ত সিকিম! নাথুলার পথে আটকে কয়েক হাজার পর্যটক, উদ্ধারকাজ চলছে

    Snowfall in Sikkim: তুষারপাতের জেরে বিপর্যস্ত সিকিম! নাথুলার পথে আটকে কয়েক হাজার পর্যটক, উদ্ধারকাজ চলছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচমকা তুষারপাতে বিপর্যস্ত সিকিম (Snowfall in Sikkim)। মঙ্গলবার ছাঙ্গু লেকের কাছে শেরথাং এলাকায় প্রবল তুষারপাতের জেরে আটকা পড়েন দেশ-বিদেশের কয়েক হাজার পর্যটক। পর্যটন দফতর সূত্রের খবর, ১৫ মাইল এলাকা থেকে ছাঙ্গুর মাঝে বরফের স্তূপে আটকে পড়ে ৫৪১টি গাড়ি। রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ লাইন। অনেকে আবার গাড়িতেও আটকে রয়েছেন। তবে ধীরে ধীরে তাঁদের উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে। বুধবার সকালে পূর্ব সিকিম থেকে ২৭০০ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। তুষারপাতের আনন্দ উপভোগ করতে গিয়ে বিপাকে পড়া পর্যটকেরা এখন উদ্ধারের অপেক্ষা করছেন।

    ২,৭৩৬ জন পর্যটক উদ্ধার

    জানা গিয়েছে, সিকিমের হাড়কাঁপানো ঠান্ডার মধ্যে সব মিলিয়ে প্রায় ২,৭৩৬ জন পর্যটক কার্যত বন্দি হয়ে পড়েছিলেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তড়িঘড়ি ময়দানে নামে সিকিম প্রশাসন। পর্যটন দফতর, পুলিশ ও বিআরও-এর জওয়ানরা স্থানীয় চালক ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। প্রতিকূল আবহাওয়ার তোয়াক্কা না করেই পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে আনার কাজ চলে। এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানি বা বড় বিপত্তি ঘটেনি। এই সাফল্যের জন্য সিকিম পুলিশ থেকে শুরু করে স্থানীয় চালক সংগঠন- সকলকেই ধন্যবাদ জানিয়েছে পর্যটন দফতর। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, শেরথাং-এ প্রবল তুষারপাত হচ্ছে। ওই এলাকার রাস্তাগুলিতেও কয়েক ইঞ্চি বরফের পুরু আস্তরণ পড়েছে। ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

    তুষারপাত নিয়ে সতর্কতা

    রাজ্য পর্যটন দফতরের তরফে পর্যটক এবং পর্যটন সংস্থাগুলিকে আবহাওয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য অনুসরণ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তুষারপাতপ্রবণ এলাকায় ভ্রমণের সময় গাড়িতে বাধ্যতামূলক ভাবে ‘স্নো চেন’ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে এমন পরিস্থিতি এড়াতে পর্যটক ও ট্রাভেল এজেন্সিগুলির জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে, মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ছিল মরশুমের প্রথম তুষারপাত। সাদা চাদরে ঢেকে গেল উত্তরবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সান্দাকফু। ভোর হওয়ার পর থেকেই হালকা তুষারপাত শুরু হয়, যা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গোটা পাহাড়ি অঞ্চলকে এক মনোরম শীতের আবহে মুড়ে দেয়।

  • Lashkar-e-Taiba Attack: ২৬/১১-র ধাঁচে সামুদ্রিক পথে জঙ্গি হামলার হুমকি লস্করের! পশ্চিম উপকূলে বাড়ল নজরদারি

    Lashkar-e-Taiba Attack: ২৬/১১-র ধাঁচে সামুদ্রিক পথে জঙ্গি হামলার হুমকি লস্করের! পশ্চিম উপকূলে বাড়ল নজরদারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে আবারও জঙ্গি হামলা চালানো হবে! যে ঘটনা মনে করাবে ২৬/১১-এর ভয়ঙ্কর স্মৃতি। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা-র (Lashkar-e-Taiba) ডেপুটি চিফ সইফুল্লাহ কাসুরির একটি বিতর্কিত ভিডিও বার্তা ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে নিরাপত্তা মহলে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ভিডিওতে তিনি ভারতের বিরুদ্ধে ২৬/১১-র ধাঁচে (Lashkar-e-Taiba Attack) সামুদ্রিক পথে বড়সড় জঙ্গি হামলার হুমকি দিয়েছে। ২০০৮ সালের সেই হামলায় জঙ্গিরা আরব সাগর পেরিয়ে মুম্বইয়ে ঢুকে একাধিক স্থানে নৃশংস আক্রমণ চালিয়েছিল। ফলে এবারও সমুদ্রপথ ব্যবহার করে অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

    ভারতের বিরুদ্ধে “জল সন্ত্রাস”

    ভিডিও বার্তায় কাসুরি দাবি করেছে, ২০২৫ সালে পাকিস্তান “আকাশে আধিপত্য” দেখিয়েছে এবং ২০২৬ সালে তারা “সমুদ্রে আধিপত্য” প্রতিষ্ঠা করবে। তার কথায়, স্থল, জল ও আকাশ— কোনও ক্ষেত্রেই ভারতের জন্য নিরাপদ স্থান থাকবে না। কাসুরি ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেয় এবং সাম্প্রতিক ভারতীয় সামরিক অভিযানের সমালোচনা করে। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, চলতি বছরের ২২ এপ্রিল পাহেলগাঁওে সংঘটিত জঙ্গি হামলার নেপথ্য কারিগর হিসেবেও কাসুরির নাম উঠে এসেছে। ওই ঘটনার পর ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাল্টা সামরিক অভিযান চালায়, যেখানে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা করা হয়। ভিডিওতে কাসুরি মুরিদকে ও বহাওয়ালপুরে ভারতের জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কাসুরি। এই দুই স্থানকে দীর্ঘদিন ধরেই লস্কর-ই-তৈবার কার্যকলাপের কেন্দ্র বলে মনে করা হয়। তিনি ভারতের বিরুদ্ধে “জল সন্ত্রাস”-এর অভিযোগ তোলে এবং কাশ্মীরে চাপ বাড়ালে অন্যত্র অশান্তি ছড়ানোর হুমকিও দেয় লস্করের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। এমনকী,  ভারতীয় ধর্মীয় স্থানগুলিও সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন— যা নিয়ে নিরাপত্তা মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    পশ্চিম উপকূলে কড়া নজরদারি

    প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের নভেম্বর মাসে পাক সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় রক্তাক্ত হয়েছিল বাণিজ্যনগরী। মুম্বইয়ের তাজ হোটেলের পাশাপাশি ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস, ওবেরয় ট্রাইডেন্টের মতো আটটি জায়গায় হামলা চালায় আজমল কসাব ও তার দলবল। ২০২ সালের ২১ নভেম্বর কসাবের ফাঁসি হয়। এই হামলার অন্যতম চক্রী ডেভিড কোলম্যান হেডলি আমেরিকায় ৩৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছে। এই হামলায় নিহত হন ১৬৪ জন মানুষ। আহত হন তিনশো’রও বেশি। জানা গিয়েছিল, করাচি থেকে সমুদ্র পার করে মুম্বই এসে হামলা চালায় ১০ পাক জঙ্গি। হামলার পিছনে লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba Attack) যোগ ছিল। ভারত বরাবরই অভিযোগ করে এসেছে যে পাকিস্তানের কিছু গোয়েন্দা সংস্থা জঙ্গি সংগঠনগুলিকে মদত দেয়। যদিও পাকিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে। কাসুরির বক্তব্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। সম্ভাব্য সামুদ্রিক হুমকির প্রেক্ষিতে ভারতের পশ্চিম উপকূলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উপকূলরক্ষী বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা অতীতের অনুপ্রবেশ রুটগুলিতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। যদিও গোয়েন্দাদের মতে, এই হুমকির কিছু অংশ প্রচারমূলকও হতে পারে, তবু কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয় প্রশাসন।

  • Bomb Scare in Courts: এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক! কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে টার্গেট করা হল?

    Bomb Scare in Courts: এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক! কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে টার্গেট করা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক জেলা আদালতে মঙ্গলবার একযোগে বোমাতঙ্কের (Bomb Scare in Courts) ইমেল ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এর জেরে বেশ কিছুক্ষণের জন্য ব্যাহত হয় বিচারপ্রক্রিয়া। আতঙ্কে আদালত চত্বর থেকে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের সরাতে গিয়ে তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। সবচেয়ে বেশি চাঞ্চল্য ছড়ায় কলকাতার সিটি সিভিল কোর্টে। আদালত সূত্রে খবর, প্রধান বিচারকের ইমেলে বোমা রাখার দাবি করা হয়। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ বম্ব স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াড নিয়ে পৌঁছে যায় পুলিশ। পুরো ভবন খালি করে চিরুনি তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর সন্দেহজনক কিছু মেলেনি।

    এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক

    শুধু কলকাতা নয়। আসানসোল, বহরমপুর, চুঁচুড়া, দুর্গাপুরে জেলা আদালতেও বোমাতঙ্ক ছড়ায়। সূত্রের খবর মেল ও ফোনে বোমা থাকার হুঁশিয়ারি এসেছে৷ কোনও একটা জায়গাতে নয়, একাধিক জেলা আদালতে প্রায় একই প্যাটার্নে বোম থাকার হুশিয়ারি দিয়েছে কেউ বা কারা! কিন্তু কেন? কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে হঠাৎ টার্গেট করা হচ্ছে? কেনই বা রাজ্যের একাধিক জেলা আদালতে বোম থাকার খবর কেউ বা কারা ছড়িয়ে দিচ্ছে? সম্প্রতি এসআইআর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট৷ কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে হবে এসআইআর প্রক্রিয়া। এসআইআর-এ সমস্ত রকমের অসঙ্গতি দেখার জন্য জুডিসিয়াল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত৷ জেলা স্তরের জাজদের জুডিসিয়াল অফিসার হিসেবে নিয়োগের কথা বলে আদালত। আবার এই জুডিসিয়াল অফিসারদের পরামর্শ দেবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা। এসআইআর-এর কাজে গতি এনে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ‍্যে তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সম্পূর্ণ তালিকা প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে বাকিটা পরে অতিরিক্ত তালিকা হিসেবে প্রকাশ করা যাবে বলেও জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পরই সোমবার কাজে নেমে পড়েছেন অনেক জাজ। তারপরই জেলায় জেলায় আদালতে এই বোমাতঙ্ক কি নেহাত কাকতালীয় নাকি কোনও ষড়যন্ত্র? উঠছে সেই প্রশ্নও।

    বিচারকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই লক্ষ্য

    এদিকে, বিচারকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর বলে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী জানিয়েছন। নবান্নে আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, কলকাতা, কৃষ্ণনগর, বহরমপুর-সহ একাধিক আদালতে বোমা রাখার হুমকি ইমেল এসেছে। সাধারণ মানুষ ও বিচারকরা সমস্যায় পড়েছেন ঠিকই, তবে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপস করা হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পান্ডে জানান, প্রশাসন সব পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুত। কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার বলেন, ব্যাঙ্কশাল ও সিটি সিভিল কোর্টে হুমকি ইমেল এসেছিল। দু’টিই ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবে কে বা কারা আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • Loneliness in Children: সন্তানের সামাজিক আচরণে চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে একাকিত্ব! কী প্রভাব পড়ছে শিশুমনে?

    Loneliness in Children: সন্তানের সামাজিক আচরণে চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে একাকিত্ব! কী প্রভাব পড়ছে শিশুমনে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    একরত্তি ছানা! বাবা-মায়ের সঙ্গ পায়নি। অন্যদের সঙ্গেও মানিয়ে নিতে পারে না। সময় মতো খাবার পেলেও, সে ভালো নেই। পুষ্টিকর খাবার শরীরের চাহিদা মেটালেও, মনের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। সুস্থ রাখতে তাকে দেওয়া হল একখানা পুতুল! আর তাতেই বাজিমাত! সর্বক্ষণের সঙ্গী হয়ে উঠল সেই পুতুল! ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে একরত্তি! মিশতে শেখে। মানিয়ে নিতেও শেখে! জাপানের চিড়িয়াখানার সেই একরত্তি ম্যাকাকের (এক প্রজাতির বাঁদর) একাকিত্ব আর সেরে ওঠার ঘটনায় উত্তাল বিশ্ব। তবে তার এই একাকিত্বের সমস্যা কেবল পশুজগতের সমস্যা নয়। মানব শিশুর জীবনেও একাকিত্বের সমস্যা (Loneliness in Children) প্রবল ভাবে বাড়ছে‌।‌ সামাজিক আচরণে (Social Isolation) যার প্রভাব গভীর ভাবে পড়ছে! এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুর আচরণ (Child Mental Health) সংযত ও স্বাভাবিক রাখার পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে এই একাকিত্ব!

    শিশুর আচরণে কেন সমস্যা হয়ে উঠছে একাকিত্ব?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুর আচরণে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে একাকিত্ব। তাঁরা জানাচ্ছেন, আধুনিক ব্যস্ত জীবনে অধিকাংশ পরিবার ছোটো। বাবা-মা দুজনেই কাজে ব্যস্ত থাকেন। দিনের অধিকাংশ সময় তাদের অফিসেই কাটে। পরিবারের একরত্তির সঙ্গে নির্ভেজাল সময় কাটানোর সুযোগ খুব কম। অধিকাংশ শহুরে পরিবারে শিশু পরিবারের সদস্যদের বিশেষ কাছে পায় না। যার ফলে তাদের মধ্যে এক ধরনের একাকিত্ব (Loneliness in Children) গ্রাস করে। মনরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাকিত্ব শিশুকে আত্মবিশ্বাসহীন করে তোলে। পরিবারের যথেষ্ট সময় না পেলে শিশু হীনমন্যতায় ভোগে। এর ফলে তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়‌। তাই সে সমাজের অন্যান্যদের সঙ্গেও মিশতে পারে না।

    পরিবারই পৃথিবী, একাকিত্ব শিশুমনে তৈরি করে মানসিক অবসাদ

    একাকিত্ব একধরনের মানসিক অবসাদ তৈরি করে। শিশুর কাছে প্রাথমিক পর্বে, তার পরিবার তার পৃথিবী। পরিবারের কাছে পর্যাপ্ত যত্ন ও সময় না পেলে, তার মধ্যে অবসাদ তৈরি হবে। যার ফলে সে কোনও কাজ সময় মতো করতে চাইবে না। তার মধ্যে অনীহা তৈরি হবে। স্কুল যাওয়া ও পড়াশোনার প্রতিও অনাগ্রহ বাড়বে। এমনকি বন্ধু তৈরি করার ইচ্ছেও থাকবে না। যা একাকিত্বের সমস্যাকে আরও জটিল করবে। শিশুর একাকিত্ব একদিকে তার সামাজিক যোগাযোগ তৈরির ক্ষমতা নষ্ট করে (Social Isolation)। আবার শিশুকে জেদি করে তোলে। এমন মানসিক পরিস্থিতি তৈরি হয়, যাতে সে কোনোভাবেই অন্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছে হারিয়ে ফেলে। এর ফলে নিজের মতো থাকে। যেকোনও কাজ বললেই একধরনের অনীহা তৈরি হয়‌। জেদ তৈরি হয়।

    সন্তানের একাকিত্ব কাটিয়ে আচরণ ‘স্বাভাবিক’ রাখতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তানের একাকিত্ব কাটাতে এবং সামাজিক আচরণ স্বাভাবিক রাখতে দিনের অন্তত ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ করতেই হবে। তাঁদের পরামর্শ, সন্তানের সঙ্গে প্রতি দিন অন্তত ২০ মিনিট গল্প করতে হবে। সন্তানের বয়স অনুযায়ী সেই গল্প হবে। পাঁচ থেকে সাত বছরের শিশুর সঙ্গে বসে গল্পের বই পড়া, সারা দিন তার কেমন কাটলো সেই সম্পর্কে গল্প করা জরুরি। আবার বয়ঃসন্ধিকালে থাকা সন্তানের সঙ্গেও তার কেমন সময় কাটছে সে নিয়ে গল্প করা, বা তার পছন্দের গান শোনা, তার পছন্দের যে কোনও বিষয় নিয়ে গল্প করা জরুরি। এতে সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। একাকিত্ব গ্রাস করে না। তার মনের অবস্থা (Child Mental Health) সম্পর্কেও অভিভাবক বুঝতে পারে।

    অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের ফলে মস্তিষ্কে পড়ছে বাড়তি চাপ

    আধুনিক ব্যস্ত জীবনে সন্তানকে অনেকটা সময় দেওয়া কঠিন। কিন্তু তার বিকল্প কখনই স্ক্রিন টাইম নয়। এমনটাই মত মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, ছোটো থেকেই অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের ফলে মস্তিষ্কে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। খিটখিটে মেজাজ হচ্ছে। তাই স্ক্রিন টাইম নয়। বরং খেলাধুলা সঙ্গে যাতে সন্তান যুক্ত হয় সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, সন্তানের বয়স পাঁচ বছর হলেই যেকোনও ধরনের খেলার সঙ্গে যুক্ত করা জরুরি। এতে শারীরিক বিকাশের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হয়। একাকিত্ব (Loneliness in Children) গ্রাস করে না। মেলামেশার অভ্যাস তৈরি হয়। বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। জেদ, একঘেয়েমি দূর হয়।

    সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য গঠনে বাবা-মায়ের সজাগ থাকা জরুরি

    শিশুর গ্রুপ অ্যাক্টিভিটি জরুরি বলেই মত শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, একসঙ্গে অনেকে মিলে নাচ, গান বা নাটক করা। কিংবা যে কোনও ধরনের খেলাধুলা করলে শিশুর সামাজিক আচরণ স্বাভাবিক ও সংযত হয়। নানান জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ, সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য (Child Mental Health) ভালো রাখতে বাবা-মায়ের সজাগ থাকা জরুরি। শিশুর সুস্থ মানসিক গঠনের জন্য তাকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। তার কথা শুনতে হবে। তাহলেই অনেক সমস্যা কমবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 25 February 2026: ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 25 February 2026: ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আপনার কর্মদক্ষতার কারণে জীবিকার স্থানে শত্রু বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বদনাম থেকে সবাই খুব সতর্ক থাকুন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।

    ২) শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) সন্তানের ব্যবহারে আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ২) শরীরে কোথাও আঘাত লাগার আশঙ্কা রয়েছে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) ব্যবসা বা অন্য কোনও কাজে বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভালো সাহায্য পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) উচ্চশিক্ষার্থীদের সামনে ভালো যোগ রয়েছে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে আনন্দ লাভ।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।

    ২) কোনও অসৎ লোকের জন্য আপনার বদনাম হতে পারে।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বৃদ্ধি বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর পেতে পারেন।

    ২) কাউকে টাকা ধার দিলে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) সংসারে শান্তি বজায় থাকবে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) আপনার রূঢ় আচরণে বাড়িতে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ দেখা যাচ্ছে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Prahaar: ভারতের প্রথম সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী নীতি ‘প্রহার’ প্রকাশ কেন্দ্রের, নাশকতায় ‘জিরো টলারেন্সে’ জোর

    Prahaar: ভারতের প্রথম সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী নীতি ‘প্রহার’ প্রকাশ কেন্দ্রের, নাশকতায় ‘জিরো টলারেন্সে’ জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী নীতি ‘প্রহার’ (PRAHAAR) প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। এই নীতির মূল লক্ষ্য— সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় “জিরো টলারেন্স” (Zero Tolerance) অবস্থান বজায় রেখে ডিজিটাল যুগে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক প্রতিরোধ, সমন্বিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। নীতিটি এমন সময়ে প্রকাশ পেল, যখন একদিন আগেই ভারতীয় সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফের যৌথ অভিযানে কিশতওয়ার জেলায় তিন জঙ্গি খতম হয়। নিহতদের মধ্যে একজন কুখ্যাত লস্কর কমান্ডার সইফুল্লা বলে শনাক্ত হয়েছে।

    প্রহার (PRAHAAR) কী?

    ‘প্রহার’ (হিন্দিতে যার অর্থ আঘাত) নামে এই নীতিতে একটি বহুস্তরীয় কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য সন্ত্রাসবাদী, তাদের অর্থ জোগানদাতা ও সমর্থকদের অর্থ, অস্ত্র এবং নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ার সুযোগ বন্ধ করা। মন্ত্রক স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী কৌশল কয়েকটি মূল আদর্শের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিরোধ, দ্রুত প্রতিক্রিয়া, অভ্যন্তরীণ সক্ষমতার সমন্বয় ইত্যাদি।

    সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে ‘প্রহার’ (PRAHAAR)-এর পূর্ণ অর্থ হল:

    • P – প্রিভেনশন (Prevention) বা প্রতিরোধ: ভারতীয় নাগরিক ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আগাম সন্ত্রাসী হামলা ঠেকানো
    • R – রেসপন্স (Response) বা প্রতিক্রিয়া: হুমকির মাত্রা অনুযায়ী দ্রুত ও উপযুক্ত জবাব
    • A – অ্যাগ্রিগেশন (Aggregation) বা সমন্বয়: সমগ্র সরকারের সমন্বিত অংশগ্রহণে অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা একত্রিত করা
    • H – হিউম্যান রাইটস (Human Rights) বা মানবাধিকার ও আইনের শাসন: আইনসম্মত ও মানবাধিকারভিত্তিক প্রক্রিয়ায় সন্ত্রাস মোকাবিলা
    • A – অ্যাটেনুয়েশন (Attenuation) বা কারণ দুর্বল করা: উগ্রপন্থা ও মৌলবাদের উৎসগুলো কমিয়ে আনা
    • A – অ্যালাইনমেন্ট (Alignment) বা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য ও নেতৃত্ব
    • R – রিকভারি (Recovery) বা পুনরুদ্ধার: সমাজভিত্তিক অংশগ্রহণে স্থিতিস্থাপকতা ও পুনর্গঠন

    এই কাঠামো স্পষ্ট করে যে, নীতিটি শুধু নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান নয়, বরং প্রশাসনিক, সামাজিক ও কূটনৈতিক স্তরেও সমন্বিত উদ্যোগের কথা বলছে।

    সীমান্ত পারের “স্পনসরড টেররিজম”-এর উল্লেখ

    নীতিনথিতে বলা হয়েছে, ভারতের আশপাশের অঞ্চলে “ছিটেফোঁটা অস্থিরতার ইতিহাস” রয়েছে এবং কয়েকটি দেশ কখনও কখনও “রাষ্ট্রনীতির হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদ ব্যবহার করেছে।” এতে সীমান্তপারের “স্পনসরড টেররিজম”-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে জিহাদি সংগঠন ও তাদের সহযোগী নেটওয়ার্ক ভারতের নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। “ভারত সবসময় সন্ত্রাসবাদের শিকারদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে বিশ্বের কোথাও হিংসার কোনও যুক্তি থাকতে পারে না,” নথিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পুনরুল্লেখ করা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে মন্ত্রক জোর দিয়ে জানিয়েছে, “ভারত সন্ত্রাসবাদকে কোনও নির্দিষ্ট ধর্ম, জাতিসত্তা, জাতীয়তা বা সভ্যতার সঙ্গে যুক্ত করে না।” এটি নীতিগতভাবে ভারতের অবস্থানকে ধর্মনিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে।

    প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ: ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো অর্থনীতি

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নীতিনথিতে উল্লেখ করেছে যে, আধুনিক সন্ত্রাসবাদ এখন কেবল অস্ত্রনির্ভর নয়, বরং প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠেছে। আল কায়েদা (Al-Qaeda) ও ইসলামিক স্টেট (ISIS)-এর মতো সংগঠন বিদেশ থেকে পরিচালিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতের ভেতরে হামলার ষড়যন্ত্র করছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    নথিতে বলা হয়েছে—

    • ● ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাঞ্জাব ও জম্মু-কাশ্মীরে অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচার
    • ● সামাজিক মাধ্যম ও ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে প্রচার ও নিয়োগ
    • ● এনক্রিপশন, ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো ওয়ালেটের মাধ্যমে গোপন আর্থিক লেনদেন
    • ● এই প্রবণতা মোকাবিলায় সাইবার নজরদারি ও আর্থিক গোয়েন্দা ব্যবস্থার গুরুত্ব বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

    কেন ‘প্রহার’ গুরুত্বপূর্ণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘প্রহার’ নীতির গুরুত্ব তিনটি ক্ষেত্রে—

    • ● সমন্বিত পদ্ধতি: শুধুমাত্র সামরিক বা পুলিশি ব্যবস্থা নয়, গোটা সরকার ও সমাজভিত্তিক অংশগ্রহণের উপর জোর
    • ● ডিজিটাল হুমকি মোকাবিলা: এনক্রিপশন, ক্রিপ্টো ও সোশ্যাল মিডিয়াকে কেন্দ্র করে নতুন নিরাপত্তা কৌশল
    • ● আন্তর্জাতিক বার্তা: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থানকে আরও স্পষ্ট ও কূটনৈতিকভাবে জোরালো করা

    একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ

    ‘প্রহার’ নীতি ভারতের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গিকে একটি কাঠামোবদ্ধ রূপ দিয়েছে। সীমান্তপারের হুমকি, প্রযুক্তিনির্ভর জঙ্গি কার্যকলাপ এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক—এই তিনটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। নীতিটির বাস্তব প্রয়োগ ও বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয় কতটা কার্যকর হয়, সেটাই আগামী দিনে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কৌশলের সফলতা নির্ধারণ করবে।

LinkedIn
Share