Tag: Madhyom

Madhyom

  • Daily Horoscope 24 November 2025: নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 24 November 2025: নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে। সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ২) সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) ব্যবসায় ভালো লাভ হতে পারে।

    ২) নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মিথুন

    ১) উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির অনুগত থাকলে লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    ৩) বিরোধীদের থেকে সাবধান থাকুন।

     

     

    কর্কট

    ১) প্রতিযোগিতামূলক কাজে সাফল্যের যোগ।

    ২) কুচক্রে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    সিংহ

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কন্যা

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    তুলা

    ১) কোনও ধর্মীয় স্থানে দান করায় শান্তিলাভ।

    ২) কাজের জন্য বাড়ির কেউ বাইরে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    বৃশ্চিক

    ১) সুন্দর কথা বলায় সুনাম পেতে পারেন।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ রয়েছে।

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

    ধনু

     

     

    ১) পড়াশোনার ব্যাপারে ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য শান্তি পাবেন না।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা আসতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো।

    ২) কোনও মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে আরও বেশি।

  • Pakistan: ‘মিথ্যে দাবি করছে পাক সেনা’, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বড় মন্তব্য ফ্রান্সের

    Pakistan: ‘মিথ্যে দাবি করছে পাক সেনা’, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বড় মন্তব্য ফ্রান্সের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ফুটো হয়ে গেল পাকিস্তানের (Pakistan) প্রচারের বেলুন। ভারতের সামরিক বাহিনীর চেয়ে নিজেদের বাহিনীকে শ্রেষ্ঠ দেখানোর মরিয়া চেষ্টায়, পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ভুয়ো খবর ছড়াতে পিছপা হয়নি। তারা দাবি করেছিল, মে মাসের সংঘাতে (ভারতের তরফে চালানো অপারেশন সিঁদুরে) তাদের বিমান বাহিনী ভারতীয় বাহিনীর ওপর আধিপত্য দেখিয়েছে। কিন্তু ফরাসি নৌবাহিনী তাদের এই প্রতিবেদন মিথ্যে প্রমাণ করে দিয়েছে। যার জেরে ফের একবার বিশ্বের দরবারে চুনকালি পড়ল ইসলামাবাদের মুখে।

    ফরাসি নৌ-কমান্ডারকে ভুলভাবে উদ্ধৃত (Pakistan)

    বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে পাকিস্তানের জিও টিভির একটি প্রতিবেদন। সেখানে তারা ফরাসি নৌ-কমান্ডারকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করে দাবি করেছিল যে ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সময় ভারতীয় রাফালে যুদ্ধবিমান ভূপতিত হয়েছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ল্যান্ডিভিসিয়ু নৌবাহিনীর বিমানঘাঁটির কমান্ডার ক্যাপ্টেন ‘জ্যাক’ লনেকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছিল যে ওই পরিস্থিতি সামলানোর জন্য পাকিস্তানই নাকি কৃতিত্ব পাওয়ার যোগ্য। মিথ্যেয় ভরা সেই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল যে মন্তব্যটি করা হয়েছিল একটি আন্তর্জাতিক ইন্দো-প্যাসিফিক সম্মেলনে (French Navy)।

    মিথ্যে দাবি খণ্ডন

    কিন্তু এই দাবিগুলি সম্পূর্ণ তথ্য-অজ্ঞতার প্রমাণ হয়ে দাঁড়ায়। ফরাসি সামরিক বাহিনীর নৌ-শাখা ‘মারিন ন্যাশনালে’র পক্ষ থেকে দ্রুতই এসব মিথ্যে দাবি খণ্ডন করা হয় (Pakistan)। তারা স্ক্রিনশটটি শেয়ার করে একে ‘ফেকনিউজ’ বলে দাগিয়ে দিয়েছে। ফরাসি নৌবাহিনীর দাবি, “প্রবন্ধটিতে ব্যাপক ভ্রান্ত ও ভুল তথ্য রয়েছে।” তারা এও জানিয়েছে, ক্যাপ্টেন লোনে তাঁর নামে প্রকাশিত বিবৃতির জন্য কোনও ধরনের অনুমতি দেননি। ফরাসি নৌবাহিনী জানিয়েছে, “প্রবন্ধে যেমন দাবি করা হয়েছে, তার দায়িত্ব তেমন নয়। তাঁর দায়িত্ব সীমিত ফরাসি রাফাল মেরিন বিমানগুলি যে নৌবিমান ঘাঁটিতে অবস্থান করে, সেই জৈবিক নৌবিমান স্টেশনটির কমান্ড দেওয়ার মধ্যেই।”

    প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওকাণ্ডের জেরে পাকিস্তানে অপারেশন সিঁদুর ছিল ভারতের বৃহৎ সামরিক অভিযান। ওই অভিযানে, সীমান্ত ও নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে শতাধিক জঙ্গিকে খতম করা হয়। ভারতীয় সেনা জানায় (French Navy), এই অভিযান সফল ছিল। পাকিস্তানি কমান্ডাররা অপ্রত্যাশিত ক্ষতির মুখে পড়ে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়। ওই সময় বিমানযুদ্ধে পাকিস্তানের মোট ছ’টি বিমান বাহিনী ভূপতিত করেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় বিমানবাহিনী (Pakistan)।

  • Hindus Under Attack: হিন্দু ধর্মকে শেষ করার চেষ্টা! দেখে নিন দেশ-বিদেশের ছবিটা

    Hindus Under Attack: হিন্দু ধর্মকে শেষ করার চেষ্টা! দেখে নিন দেশ-বিদেশের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছেই। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ১৬ থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ এবং বিদেশে।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। শিবমোগ্গার মারনামি বাইল এলাকায় ঘটেছে ভয়ঙ্কর সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা। অভিযোগ, যেখানে হরিশকে ইসলামিক সম্প্রদায়ের কয়েকজন যুবক নৃশংসভাবে মারধর করে। জানা গিয়েছে, তিনি যখন রাতে কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন, তখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয় তুমি হিন্দু না মুসলিম? হরিশ যখন জানান তিনি হিন্দু, তখনই তাঁকে আক্রমণ করা হয়। এলাকায় থাকা সিসিটিভির ফুটেজে হামলার কিছু অংশ দেখা গিয়েছে। পরিবারের দাবি, হরিশকে শুধুমাত্র তাঁর ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে টার্গেট করা হয়েছিল। সেই কারণেই তাঁর ওপর হয়েছে নৃশংস হামলা। এদিকে, পুনে থেকেও একটি উদ্বেগজনক ঘটনার খবর সামনে এসেছে। সেখানকার একটি নামী কলেজের নাবালিকা ছাত্রী নিখোঁজ রয়েছে গত কয়েকদিন ধরে। অভিযোগ, ইয়রওয়াদার বছর সতেরোর এক ইসলামিক যুবক, মতিন শেখ তাকে অপহরণ করেছে। এফআইআরের নথি থেকে জানা গিয়েছে, কোরেগাঁও পার্ক থানায় নাবালিকা অপহরণের উপযুক্ত ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মেয়েটির পরিবারের দাবি, তাকে প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শেখের এক আত্মীয়ের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ওই নাবালিকার খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

    হিন্দু ছাত্রদের পৈতে খুলতে হল!

    কর্নাটকের মিয়্যারের মোরারজি দেশাই আবাসিক স্কুলে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। অভিযোগ, এক মুসলিম শিক্ষক হিন্দু ছাত্রদের পৈতে এবং হাতে থাকা পবিত্র সুতো খুলে ফেলতে বাধ্য করেছেন। ঘটনার প্রতিবাদে স্কুলে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। তার পরেই কালাবুরগির মাদারসা এস মাকন্দর নামের ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয় (Roundup Week)। উদ্বেগজনক একটি ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলায়। অভিযোগ, সেখানে এক কাশ্মীরি মুসলিম যুবক প্রেমের প্রলোভনে এক হিন্দু কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে। ভাট্টনি এলাকার ওই ছাত্রী বিকম দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্রী। পরীক্ষা দিতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়ে সে আর ফেরেনি।

    ধর্ষণের শিকার হিন্দু মহিলা

    এদিকে, মুম্ব্রার তথাকথিত (Hindus Under Attack) ‘নারিয়াল ওয়ালা ফকির’ ইমরান শেখের ঘটনাটি সমাজের বিবেককে নাড়া দেওয়া এক জঘন্য অপরাধ। ভুক্তভোগীর এফআইআর থেকে জানা গিয়েছে, এটি শুধু ধর্ষণের ঘটনা নয়, বরং এক সুচিন্তিত, মানসিকভাবে প্রভাবিত করার মতো, সাংস্কৃতিকভাবে লক্ষ্য করে পরিচালিত হামলা, যার শিকার একজন হিন্দু মহিলা। এটি কুসংস্কার, ভয় দেখানো ও প্রতারণার মাধ্যমে শিকারকে নিয়ন্ত্রণ করার এক আদর্শ উদাহরণ।

    বাংলাদেশের ছবি

    পড়শি বাংলাদেশের ছবিটাও কম ভয়ঙ্কর নয়। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অবিরাম হামলা চলেছে এবং এগুলি এমনভাবে পরিচালিত হচ্ছে যাতে দ্রুত এই ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশ থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, ধারাবাহিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দুই অবশিষ্ট থাকবে না (Roundup Week)। মন্দির ভাঙচুর, ভূমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ বা জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাসূচক বক্তব্য – এসবই হিন্দুদের ভয় দেখানো ও দেশছাড়া করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে (Hindus Under Attack)।

    হিন্দু কৃষকের পাকা ধানে আগুন

    এদিকে, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি এলাকা থেকে মিলেছে চাঞ্চল্যকর একটি খবর। অভিযোগ, সেখানে ইসলামপন্থীরা এক হিন্দু কৃষকের ধানখেতে আগুন লাগিয়ে দেয়। ফলে মরশুমের প্রায় পুরো ফসলই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, গভীর রাতে একদল উগ্রপন্থী মুসলমান গভীর রাতে ইচ্ছাকৃতভাবে খেতে আগুন লাগিয়ে দেয়। গ্রামবাসীরা আগুন দেখতে পেয়ে ছুটে গেলেও, আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে পুরো খেত। বর্তমানে ধান পাকার মুখে। সেই সময় পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হল (Roundup Week) ওই হিন্দু কৃষকের মাঠের ফসল। সংখ্যালঘু এই পরিবারটির এখন আয়ের আর কোনও সুযোগই নেই। অসহায় অবস্থায় কোনওক্রমে দিন কাটাচ্ছে তারা (Hindus Under Attack)।

  • G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগের প্রস্তাব মোদীর

    G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগের প্রস্তাব মোদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত জি২০ (G20 Summit) নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগ প্রস্তাব করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। এগুলির মধ্যে রয়েছে, গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি, আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভ, গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম, ড্রাগ–টেরর নেক্সাস মোকাবিলা উদ্যোগ, ওপেন স্যাটেলাইট ডেটা পার্টনারশিপ এবং ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সার্কুলারিটি ইনিশিয়েটিভ। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগগুলি সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নে সহায়তা করবে।” তিনি এও জানান, ভারতের সভ্যতাগত মূল্যবোধ ভবিষ্যতের পথ নির্দেশ করতে পারে।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (G20 Summit)

    জি২০ গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঐতিহ্যগত জ্ঞান যা সুদীর্ঘকাল ধরে টেকসই জীবনযাপনের পরীক্ষিত মডেল উপস্থাপন করে, তা নথিভুক্ত করা হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “ভারতের এই ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। এটি আমাদের সম্মিলিত জ্ঞানকে আরও সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল অর্জনের জন্য ভবিষ্যতে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।” তিন দিনের সফরে দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দিয়েছেন জি২০ (G20 Summit) শীর্ষ সম্মেলনে। সেখানেই তিনি বলেন, “আফ্রিকার উন্নয়ন বৈশ্বিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ভারত সব সময়ই আফ্রিকার পাশে থেকেছে। আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভে একটি ট্রেইন–দ্য–ট্রেইনার মডেল গ্রহণ করা হবে, যার লক্ষ্য আগামী দশকে আফ্রিকায় এক মিলিয়ন প্রশিক্ষিত ও শংসাপত্রপ্রাপ্ত ট্রেইনার তৈরি (PM Modi) করা।”

    যৌথ লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের যৌথ লক্ষ্য হল আগামী দশ বছরে আফ্রিকায় দশ লক্ষ প্রশিক্ষণ-প্রাপ্ত প্রশিক্ষক তৈরি করা। এই প্রশিক্ষকরাই পরে লাখ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দেবেন। এই উদ্যোগ একটি ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। এটি স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং আফ্রিকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করবে।”  জি২০ গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম গঠনেরও প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, এটি স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার সময় শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দিতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে আমরা এক সঙ্গে কাজ করলে আরও শক্তিশালী হই। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত জি২০ সদস্য দেশের প্রশিক্ষিত চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি দল গঠন করা, যারা যে কোনও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সঙ্কট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দ্রুত মোতায়েন হতে প্রস্তুত থাকবে।” মাদক পাচার রোধ এবং ফেন্টানিলের মতো বিপজ্জনক পদার্থের বিস্তার বন্ধ করতে ড্রাগ-টেরর নেক্সাস মোকাবিলায় একটি জি-২০ (G20 Summit) উদ্যোগ গঠনেরও পরামর্শ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    মোদির পরামর্শ

    তিনি বলেন, “এই উদ্যোগের আওতায় আমরা অর্থনীতি, শাসনব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিভিন্ন সরঞ্জামকে একত্র করতে পারি। তবেই মাদক-সন্ত্রাস অর্থনীতিকে দুর্বল করা সম্ভব।” জি২০ ওপেন স্যাটেলাইট ডেটা পার্টনারশিপের প্রস্তাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জি২০ মহাকাশ সংস্থাগুলির স্যাটেলাইট তথ্য উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য কৃষি, মৎস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো কাজের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত করা যেতে পারে।” তিনি ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সার্কুলারিটি ইনিশিয়েটিভ গঠনের প্রস্তাবও দেন, যা পুনর্ব্যবহার, আরবান মাইনিং, সেকেন্ড-লাইফ ব্যাটারি প্রকল্প এবং অন্যান্য উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করবে (PM Modi)। এই উদ্যোগের লক্ষ্যই হল সরবরাহ শৃঙ্খলা নিরাপত্তা শক্তিশালী করা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের পথ তৈরি করা (G20)।

  • G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগের প্রস্তাব মোদীর

    G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগের প্রস্তাব মোদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত জি২০ (G20 Summit) নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগ প্রস্তাব করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। এগুলির মধ্যে রয়েছে, গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি, আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভ, গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম, ড্রাগ–টেরর নেক্সাস মোকাবিলা উদ্যোগ, ওপেন স্যাটেলাইট ডেটা পার্টনারশিপ এবং ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সার্কুলারিটি ইনিশিয়েটিভ। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগগুলি সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নে সহায়তা করবে।” তিনি এও জানান, ভারতের সভ্যতাগত মূল্যবোধ ভবিষ্যতের পথ নির্দেশ করতে পারে।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (G20 Summit)

    জি২০ গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঐতিহ্যগত জ্ঞান যা সুদীর্ঘকাল ধরে টেকসই জীবনযাপনের পরীক্ষিত মডেল উপস্থাপন করে, তা নথিভুক্ত করা হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “ভারতের এই ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। এটি আমাদের সম্মিলিত জ্ঞানকে আরও সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল অর্জনের জন্য ভবিষ্যতে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।” তিন দিনের সফরে দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দিয়েছেন জি২০ (G20 Summit) শীর্ষ সম্মেলনে। সেখানেই তিনি বলেন, “আফ্রিকার উন্নয়ন বৈশ্বিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ভারত সব সময়ই আফ্রিকার পাশে থেকেছে। আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভে একটি ট্রেইন–দ্য–ট্রেইনার মডেল গ্রহণ করা হবে, যার লক্ষ্য আগামী দশকে আফ্রিকায় এক মিলিয়ন প্রশিক্ষিত ও শংসাপত্রপ্রাপ্ত ট্রেইনার তৈরি (PM Modi) করা।”

    যৌথ লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের যৌথ লক্ষ্য হল আগামী দশ বছরে আফ্রিকায় দশ লক্ষ প্রশিক্ষণ-প্রাপ্ত প্রশিক্ষক তৈরি করা। এই প্রশিক্ষকরাই পরে লাখ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দেবেন। এই উদ্যোগ একটি ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। এটি স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং আফ্রিকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করবে।”  জি২০ গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম গঠনেরও প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, এটি স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার সময় শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দিতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে আমরা এক সঙ্গে কাজ করলে আরও শক্তিশালী হই। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত জি২০ সদস্য দেশের প্রশিক্ষিত চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি দল গঠন করা, যারা যে কোনও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সঙ্কট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দ্রুত মোতায়েন হতে প্রস্তুত থাকবে।”

    মাদক পাচার রোধে জোর

    মাদক পাচার রোধ এবং ফেন্টানিলের মতো বিপজ্জনক পদার্থের বিস্তার বন্ধ করতে ড্রাগ-টেরর নেক্সাস মোকাবিলায় একটি জি-২০ (G20 Summit) উদ্যোগ গঠনেরও পরামর্শ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগের আওতায় আমরা অর্থনীতি, শাসনব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিভিন্ন সরঞ্জামকে একত্র করতে পারি। তবেই মাদক-সন্ত্রাস অর্থনীতিকে দুর্বল করা সম্ভব।” জি২০ ওপেন স্যাটেলাইট ডেটা পার্টনারশিপের প্রস্তাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জি২০ মহাকাশ সংস্থাগুলির স্যাটেলাইট তথ্য উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য কৃষি, মৎস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো কাজের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত করা যেতে পারে।” তিনি ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সার্কুলারিটি ইনিশিয়েটিভ গঠনের প্রস্তাবও দেন, যা পুনর্ব্যবহার, আরবান মাইনিং, সেকেন্ড-লাইফ ব্যাটারি প্রকল্প এবং অন্যান্য উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করবে (PM Modi)। এই উদ্যোগের লক্ষ্যই হল সরবরাহ শৃঙ্খলা নিরাপত্তা শক্তিশালী করা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের পথ তৈরি করা (G20)।

  • Daily Horoscope 23 November 2025: সুসংবাদ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 23 November 2025: সুসংবাদ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়িতে অতিথি আগমন হতে পারে।

    ২) পরিবারে ব্যস্ততা বাড়বে।

    ৩) ছোট বাচ্চারা হইহুল্লোড়ে ব্যস্ত থাকবেন।

    বৃষ

    ১) সন্ধ্যা নাগাদ বাবার পরামর্শে বিবাদের সমাধান হবে।

    ২) বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীরা নতুন কিছু করতে চাইবেন।

    মিথুন

    ১) ছাত্রছাত্রীরা নতুন কিছু শিখতে পারবেন।

    ২) অনাবশ্যক ব্যয় এড়িয়ে যেতে হবে।

    ৩) সুসংবাদ পাবেন।

    কর্কট

    ১) সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে।

    ২) মা-বাবার আশীর্বাদ পাবেন।

    ৩) ভাই-বোনকে কিছু পরামর্শ দিতে পারেন।

    সিংহ

    ১) রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে দিন কাটাবেন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে পরিবেশ আপনার অনুকূলে থাকবে।

    ৩) বিরোধী প্রবল হবে।

    কন্যা

    ১) অতীত সমস্যার সমাধান হবে।

    ২) শত্রুতা ও বিবাদের সমাধান হবে।

    ৩) পরিবারে শুভ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে পারে।

    তুলা

    ১) আত্মীয়দের কাছ থেকে সুসংবাদ পাবেন।

    ২) ব্যবসায়ীদের ধনলাভ হবে আজ।

    ৩) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) বহুদিন ধরে দেখা করতে চান এমন কোনও ব্যক্তির সঙ্গে আজ সাক্ষাৎ হতে পারে।

    ২) কাছের বা দূরের যাত্রা করতে পারেন।

    ৩) খাওয়া-দাওয়া নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ধনু

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে সুখ ও সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ২) আত্মবিশ্বাস চরমে থাকবে।

    ৩) সন্ধ্যা ও রাতে কোনও বিশেষ বিষয়ে আলোচনা করতে পারেন।

    মকর

    ১) আর্থিক লেনদেনে সতর্কতা অবলম্বন করুন।

    ২) ভাগ্যের সঙ্গ পাবেন না।

    ৩) কারও ওপর ভরসা করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি আইনি কাজের জন্য ফলদায়ী।

    ২) আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।

    ৩) ব্যবসায়ীরা নিজের কথা অন্যের সামনে রাখতে পারবেন।

    মীন

    ১) ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়বে।

    ২) পরিবারে পুজোর আয়োজন করতে পারেন।

    ৩) আজকের দিনটি আপনাদের জন্য ভালো।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।..

  • Mission Trishul: বিহারে এনডিএর বিপুল জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে আরএসএস!

    Mission Trishul: বিহারে এনডিএর বিপুল জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে আরএসএস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএর বিপুল জয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে আরএসএস (RSS)। নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছে বিজেপি, জেডিইউ, এলজেপি(আরভি) এবং অন্যান্য জোটসঙ্গীরা, সেখানে আরএসএস এবং বিজেপির বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, জটিল সামাজিক সমীকরণযুক্ত জেলাগুলিতে বিশেষভাবে সংঘের মাঠপর্যায়ের কাজ জোটকে বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছে (Mission Trishul)। তারা মূলত জোর দিয়েছে সুশাসন ও উন্নয়নের ওপর।

    স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন (Mission Trishul)

    সংবাদ মাধ্যমের খবর, আরএসএস বিহারের ৩৮টি জেলার প্রতিটিতে অন্তত ১০০ জন করে স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করেছিল, যারা তাদের সহযোগী সংগঠনের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করেছে। এর পাশাপাশি প্রায় ৫ হাজার এবিভিপি সদস্যকে পাঁচজনের ছোট দলগুলিতে ভাগ করে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে পাঠানো হয়েছিল। এই দলগুলি নীরবে কাজ করেছে। আরএসএসের এই চেষ্টা এনডিএর ভোটশেয়ার ২০২০ সালের নির্বাচনের তুলনায় অধিকাংশ আসনেই বাড়াতে সাহায্য করেছে। ২০২০ সালে এনডিএর কিছু শরিক, যেমন তৎকালীন অবিভক্ত লোক জনশক্তি পার্টি এবং জাতীয় লোক মোর্চা আলাদাভাবে নির্বাচন লড়েছিল। কিন্তু এবার সবাই একজোট হওয়ায় আরএসএস জোটের সব প্রার্থীকেই সমানভাবে সমর্থন করেছে।

    এনডিএর জয়জয়কার

    আরএসএস সূত্রে খবর, যে যে আসনে এনডিএর যেসব শরিক দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে সেগুলির ভোটশেয়ারে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। বিজেপির ৪২.৫৬ ভোট থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৮.৪৪ শতাংশ, জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর ভোট ৩২.৮৩ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৬.২ শতাংশ। এলজেপি(আরভি)-এর ভোট ১০.২৬ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৩.১৮ শতাংশ, হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (সেক্যুলার)-এর ভোট ৩২.২৮ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৮.৩৯ শতাংশ, এবং আরএলএমের ৪.৪১ ভোটের হার থেকে বেড়ে হয়েছে ৪১.০৯ শতাংশ (RSS)। এনডিএর সংখ্যাগরিষ্ঠতার গেরো পার করার আরও একটি কারণ হল মানুষের ভোট দেওয়ার ধরন বদলানো। আরএসএস কর্মীরা ভোটারদের (Mission Trishul) বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে কর্মক্ষমতা ও জাতীয় স্বার্থ—এই বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দিতে হবে, প্রচলিত জাতিভিত্তিক ভোটের বদলে। বস্তুত, এই প্রথার জন্য বিহার বহুদিন ধরে পরিচিত। স্বেচ্ছাসেবকদের অনেকেই সংঘের বিভিন্ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিহারে বাস করতেন। ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপি ছাত্ররা সময় বের করতে পারলেই যোগ দিতেন নানা কর্মসূচিতে। আরএসএসের এক পদাধিকারী জানান, তাদের বাড়ি–বাড়ি প্রচার ভোটারদের মনে করিয়ে দিয়েছে যে কেবলমাত্র জাতিভিত্তিক রাজনৈতিক পছন্দ বৃহত্তর সামাজিক স্বার্থকে দুর্বল করে।

    মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় নজরকাড়া ফল

    সবচেয়ে (RSS) নজরকাড়া ফল এসেছে সীমাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে। এটি এমন কিছু জেলার সমষ্টি যেখানে মুসলিম জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য। সমাজসেবা, কমিউনিটি কাজ এবং স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের মাধ্যমে গত দশকে আরএসএস এখানে ধীরে ধীরে তাদের পায়ের নীচের মাটি শক্তি করেছে। সংঘ কর্তাদের মতে, এই দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির কারণেই তারা এই অঞ্চলের ২৮–৩২টি আসনে জাতিভেদের বিশ্বাসের মূলে কুঠারাঘাত করে হিন্দু ভোট একত্রিত করতে পেরেছেন। ৩২টি আসনের মধ্যে যেখানে মুসলিম ভোটাররা সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেখানে এবারের নির্বাচনে এনডিএ জিতেছে ২১টি আসন। এর মধ্যে বিজেপি ১০টি, জেডিইউ ৮টি, এলজেপি (আরভি) ২টি এবং আরএলএম ১টি আসন জিতেছে। ২০২০ সালের তুলনায় এটি ভালো ফল। কারণ, সেবার এনডিএ এই আসনগুলির মধ্যে ১৮টিতে জিতেছিল (Mission Trishul)।

    সংখ্যালঘু মোর্চার অবদান

    বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চাও জুলাই থেকে একটি নীরব কিন্তু লক্ষ্যভিত্তিক প্রচার চালিয়েছে, বিশেষভাবে মুসলিম পরিবারগুলির ওপর গুরুত্ব দিয়ে। তারা কেন্দ্রের বিভিন্ন কল্যাণ প্রকল্প, যেমন উজ্জ্বলা ও আবাস যোজনার উদাহরণ তুলে ধরে জানিয়েছে, এসব প্রকল্প ধর্মনিরপেক্ষভাবে সবারই উপকার করেছে। সংখ্যালঘু মোর্চার প্রধান জামাল সিদ্দিকি বলেন, “অনেক মুসলিম পরিবার ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে, কারণ তারা স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চাইছিল।” তাঁর দাবি, নীতীশ কুমারের টেকসই সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নয়ন প্রচেষ্টা—এই দুটোই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

    মিশন ত্রিশূল

    পরম্পরাগত নির্বাচনী ব্যবস্থার পাশাপাশি, আরএসএস এ বছর ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মিশন ত্রিশূল নামে একটি বিশেষ প্রচারও করে। আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত নিজেও এতে যুক্ত ছিলেন। প্রশ্ন হল, মিশন ত্রিশূল কী (RSS)মিশন ত্রিশূল হল তিন ধাপের একটি কাঠামো, যার লক্ষ্য হল এনডিএর জয়ের সম্ভাবনাকে শক্তিশালী করা এবং গ্রামীণ অঞ্চলে বিরোধী মনোভাবের প্রভাব কমানো। মিশনের প্রথম ধাপে বুথ স্তরে ভোটার মানসিকতার বিস্তারিত মানচিত্র তৈরি করা হয়। আরএসএস স্বেচ্ছাসেবকরা গ্রাম ও ছোট শহরের মানুষদের সঙ্গে কথা বলেন, বেকারত্ব, রাস্তার অভাব, কল্যাণমূলক সুবিধা বিলম্বে পাওয়া, বা স্থানীয় নেতাদের প্রতি ক্ষোভ এসব বিভিন্ন অসন্তোষের কারণ জানতে।
    দ্বিতীয় ধাপটি হল যোগাযোগ কৌশল। যেসব এলাকায় অসন্তোষ পাওয়া গেল, সেখানে আরএসএস স্থানীয় সমস্যাগুলিকে বিজেপির বৃহত্তর জাতীয় প্রচারের সঙ্গে যুক্ত করতে কাজ করে, উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক পরিচয়, জাতীয়তাবাদ এবং স্থিতিশীলতা (Mission Trishul)।
    স্বেচ্ছাসেবকরা সরকারি প্রকল্প, কর্মসংস্থান প্রচেষ্টা, কৃষি সংস্কার, এবং সংরক্ষণ নীতি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এগুলিকে সুশাসন ও উন্নয়নের বড় গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে দেন (RSS)। মিশন ত্রিশূলের শেষ ধাপটি হল হিন্দু ভোটারদের একত্রিত করা। এবিভিপি, বাজরং দল, ভিএইচপি, মজদুর সংঘের মতো সংগঠনগুলি এই কাজে সাহায্য করে। তারা কোন বুথ বিজেপির শক্তিশালী, কোনটি দুর্বল – এগুলি চিহ্নিত করে এবং নিশ্চিত করে যে বিজেপি-সমর্থক ভোটাররা ভোটদানে সক্রিয় হয় (Mission Trishul)।

  • India Vs South Africa: লাঞ্চের আগে চা বিরতি! ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় টেস্টে কেন ঘটল এমন ঘটনা?

    India Vs South Africa: লাঞ্চের আগে চা বিরতি! ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় টেস্টে কেন ঘটল এমন ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাঞ্চের আগে চা বিরতি! অবাক লাগছে, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা (India Vs South Africa) দ্বিতীয় টেস্টে ঘটল এমন ঘটনা। ১৮৭৭ সাল থেকে টেস্ট ক্রিকেটের যে ছন্দ চলে আসছে, এ বার তা উল্টে গেল। এটি নিছক কোনও অদ্ভুত ফুটনোট নয়। টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৮ বছরের ইতিহাসে প্রথম বার, একটি নিয়মিত দিনের খেলায় বিরতির ক্রম পাল্টে গেল। সাধারণত ধারা থাকে— টস → লাঞ্চ → চা → স্টাম্পস। কিন্তু গুয়াহাটিতে এ বার হলো— টস → চা → লাঞ্চ → স্টাম্পস। গুয়াহাটির বরষাপাড়া স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের খেলার শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা ২৪৭/৬।

    কেন লাঞ্চের আগে চা

    উত্তর-পূর্ব ভারতের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেশের অন্য অংশের তুলনায় অনেক আগে হয়। গুয়াহাটি, প্রায় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমায় অবস্থিত, যেখানে সূর্য ওঠে এবং অস্ত যায় মুম্বই বা দিল্লির চেয়ে অনেক আগে। তবুও এই শহর অনুসরণ করে ভারতীয় সময় (IST), যা নির্ধারিত ৮২.৫° পূর্ব দ্রাঘিমায়। ফলে বিকেল ৪:৩০-এর মধ্যেই এখানে সন্ধ্যার আবহ তৈরি হয়— ৯০ ওভার শেষ করতে তখন বড় সমস্যা হয়। খেলার সময় বাঁচাতে, বিসিসিআই ও ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা সম্মত হয়েছে গুয়াহাটি টেস্ট সকাল ৯টায় শুরু করার বিষয়ে, যা সাধারণ ভারতীয় টেস্ট টাইমিংয়ের আধঘণ্টা আগে। দিনের কাঠামো হল, প্রথম সেশন: সকাল ৯টা – ১১টা, চা বিরতি: ১১টা – ১১:২০, দ্বিতীয় সেশন: ১১:২০ – ১:২০, লাঞ্চ বিরতি: ১:২০ – ২:০০, তৃতীয় সেশন: ২:০০ – ৪:০০ (সর্বোচ্চ ৪:৩০ পর্যন্ত বাড়ানো যাবে)।

    ব্যাটে-বলে লড়াই

    নেতৃত্বের ব্যাটন শুভমন গিলের হাত থেকে ঋষভ পন্থের হাতে গেলেও টস ভাগ্য বদলাল না। টস জিতে অজানা পিচে প্রথমে ব্যাটিং নিতে ভুল করেননি বাভুমা। ব্যাট করতে নেমে ঝুঁকিহীন থাকার চেষ্টা করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটারেরাও। দুই ওপেনার এডেন মার্করাম এবং রায়ান রিকলটন ধীরে শুরু করেন। প্রথম উইকেটের জুটিতে তাঁরা তোলেন ৮২ রান। ৩৮ রান করে বুমরার বলে আউট হন মার্করাম। তার আগে পর্যন্ত প্রায় নিখুঁত ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার। যদিও শুরুর দিকে মার্করামের দেওয়া সহজ ক্যাচ স্লিপে ফেলে দেন লোকেশ রাহুল। এ দিন অধিনায়ক হিসাবে বাভুমা ১০০০ টেস্ট রান পূর্ণ করলেন। বাভুমাকে (৪১) আউট করেন রবীন্দ্র জাদেজা। এদিন ভারতের সবচেয়ে সফল বোলার কুলদীপ ৪৮ রানে ৩ উইকেট নেন। ৩০ রানে ১ উইকেট জাদেজার। ৩৮ রানে ১ উইকেট বুমরার। দিনের শেষবেলায় ১টি উইকেট পান মহম্মদ সিরাজ।

  • Delhi Blast: দু’বছর ধরে হামলার ছক, বোমা তৈরিতে খরচ লক্ষাধিক! দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়ে জেরায় দাবি ধৃতের

    Delhi Blast: দু’বছর ধরে হামলার ছক, বোমা তৈরিতে খরচ লক্ষাধিক! দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়ে জেরায় দাবি ধৃতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণ (Delhi Blast) ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল ‘হোয়াইট কলার’ জঙ্গিগোষ্ঠীর। আর সেই ছক প্রথম তৈরি হয়েছিল ২০২৩ সালে। দীর্ঘ দু’বছর ধরে দিল্লিতে হামলার ছক করেছিল জইশের সঙ্গে যুক্ত জঙ্গিরা। বোমা তৈরিতে খরচ হয়েছিল লক্ষাধিক টাকা। আত্মঘাতী জঙ্গি উমর মহম্মদের সহযোগী ‘জেহাদি চিকিৎসক’ মুজাম্মিল শাকিলকে জেরা করে এমনই তথ্য উঠে এসেছে তদন্তকারীদের হাতে। এনআইএ-র সূত্র বলছে, গত দু’বছর ধরে ধীরে ধীরে বিস্ফোরকের মশলা জোগাড় করেছেন অভিযুক্তেরা।

    হামলার ছক দীর্ঘ দু’বছর ধরে

    জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লিতে (Delhi Blast) এই হামলার ছক দীর্ঘ দু’বছর ধরে করা হয়েছিল, তা স্বীকার করে নিয়েছে শাকিল। বোমা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় বিস্ফোরক, রিমোট এবং অন্যান্য সামগ্রীও এই সময়ের মধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল। গোটা এই কর্মকাণ্ডের দায়িত্বে ছিল শাকিল। মুজাম্মিলের দায়িত্ব ছিল ইউরিয়া এবং অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট জোগাড় করার। সূত্রের খবর, হরিয়ানার নুহ এবং গুরুগাঁও থেকে ৩ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ১৬ কুইন্টাল এনপিকে সার কিনেছিল শাকিল। অন্যান্য বিস্ফোরক দ্রব্যগুলি কেনা হয়েছিল নুহ থেকে। ফরিদাবাদের বাজার থেকে কেনা হয়েছিল ইলেকট্রিক যন্ত্রাংশ। অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট-সহ বোমা তৈরির রাসায়নিকগুলি সংরক্ষণের একটি ফ্রিজও কিনেছিল শাকিল। এগুলির সঙ্গে নির্দিষ্ট পরিমাণ অন্য সরঞ্জাম মিশিয়ে বিস্ফোরক তৈরি করা হয়।

    ২৬ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন জঙ্গিরা

    সূত্রের খবর, সেই সার থেকে ইউরিয়া তৈরির দায়িত্ব ছিল উমরের উপরে। যে চারটি মিলে সার পেষাই করে ইউরিয়া তৈরি করেছিলেন উমর, সেগুলিও চিহ্নিত করা হয়েছে বলে খবর। দিল্লি বিস্ফোরণে যে খরচ হয়েছিল, তা জুগিয়েছিলেন অভিযুক্তেরাই। এমনটাই বলছে এনআইএর সূত্র। সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর সদস্যেরা বিস্ফোরকের সরঞ্জাম কিনতে প্রায় ২৬ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন। সূত্র বলছে, সেই টাকা উমরের হাতে তুলে দেওয়া হয়। উমর নিজে দিয়েছিলেন ২ লক্ষ টাকা, এমনটাই জেনেছেন গোয়েন্দারা। সূত্রের দাবি, মুজাম্মিল দেন ৫ লক্ষ টাকা। গোষ্ঠীর অন্য সদস্য আদিল রাথের দেন আট লক্ষ টাকা। মুজফ্‌ফর রাথের দেন ৬ লক্ষ টাকা। লখনউয়ের শাহীন শাইদ দিয়েছিলেন ৫ লক্ষ টাকা। উমর বিস্ফোরণে আত্মঘাতী। বাকিরা এখন এনআইএ-র হেফাজতে।

    হ্যান্ডলারের নামও জানিয়েছেন মুজাম্মিল

    তদন্তকারীদের একটি সূত্রের দাবি, জেরায় মুজাম্মিল স্বীকার করেছেন, সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা দিয়ে একটি একে-৪৭ রাইফেল কিনেছিলেন তিনি। পরে আদিলের লকার থেকে তা উদ্ধার হয়। নিজের হ্যান্ডলারের নামও জানিয়েছেন মুজাম্মিল। তাঁর হ্যান্ডলারের নাম মনসুর। উমরের হ্যান্ডলারের নাম হাশিম। সূত্র বলছে, এই দুই হ্যান্ডলারই ইব্রাহিম নামে একজনের অধীনে কাজ করতেন। গোয়েন্দারা আরও জানতে পেরেছেন, শাকিল, আদিল, মুজফ্‌ফর ওকাসার নির্দেশে তুরস্কে গিয়েছিলেন। এই ওকাসা তেহরিক-এ-তালিবান পাকিস্তানের সদস্য। আফগানিস্তানে প্রবেশের পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। কিন্তু হ্যান্ডলারেরা সাহায্য করেননি বলে তা আর হয়ে ওঠেনি। উল্লেখ্য, দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে নেমে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) দেশজুড়ে একাধিক জায়গায় তল্লাশি ও ধরপাকড় শুরু করেছে। তদন্তে নেমে শ্রীনগর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একাধিক চিকিৎসককে গ্রেফতার করা হয়েছে। যারা বেশিরভাগই কাশ্মীরের।

LinkedIn
Share