Tag: Madhyom

Madhyom

  • T20 World Cup: টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তান না খেললে বিকল্প দল বাংলাদেশ! বিরাট চাল আইসিসির

    T20 World Cup: টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তান না খেললে বিকল্প দল বাংলাদেশ! বিরাট চাল আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ (T20 World Cup) থেকে আইসিসি ছাঁটাই করে দেওয়ার পর পাকিস্তানও জানিয়েছে, তারা খেলবে কি না ভেবে দেখবে। পিসিবির এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআই। কোনও কারণ ছাড়াই পাকিস্তান এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে এবং বাংলাদেশকে উস্কে দিয়েছে। এর ফলে ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের এমনটাই মনে করেন ভারতীয় বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা। ভারত থেকে বিশ্বকাপের ম্যাচ সরিয়ে দেওয়ার দাবি করেছিল বাংলাদেশ। আইসিসির বোর্ডের কোনও সদস্য সেই দাবিকে আমল দেয়নি। শ্রীলঙ্কাও তাদের গ্রুপে বাংলাদেশকে নিতে রাজি হয়নি। পাকিস্তান ছাড়া কাউকে পাশে না পেয়ে ক্রিকেটবিশ্বে কোণঠাসা বাংলাদেশ। এই পরিস্থিতিতে ‘নায়ক’ হওয়ার চেষ্টা করছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি। তিনি জানিয়েছেন, আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান দলের অংশগ্রহণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি।

    পাকিস্তানের পরিবর্তে বাংলাদেশ

    আইসিসি সূত্রে খবর, যদি পাকিস্তান বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, সে ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশকে তাদের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। আইসিসির এক কর্মকর্তা জানান, পাকিস্তান সরে গেলে বাংলাদেশকে গ্রুপ ‘এ’-তে অন্তর্ভুক্ত করে শ্রীলঙ্কায় সব ম্যাচ খেলার সুযোগ দেওয়া হতে পারে, যা ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আগের অনুরোধ। আইসিসি কর্মকর্তার মতে, এই ব্যবস্থায় বড় ধরনের লজিস্টিক জটিলতা তৈরি হবে না এবং একই সঙ্গে ভারতে খেলতে না চাওয়া নিয়ে বাংলাদেশের আগের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগকে সরাসরি মেনে নেওয়ার অভিযোগও এড়ানো যাবে।

    পাকিস্তানের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ রাজীব

    ভারতীয় বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান কোনও কারণ ছাড়াই হস্তক্ষেপ করছে। বাংলাদেশকে উস্কানি দিচ্ছে। সকলে জানে এক সময় বাংলাদেশের মানুষের উপর বর্বরতা চালিয়েছে পাকিস্তান। এখন আবার তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এটা সম্পূর্ণ ভুল। আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলুক। আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছিলাম। তা-ও ওরা নিজেদের সিদ্ধান্তেই অনড় থাকে। শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপের পুরো সূচি বদলে ফেলা অসম্ভব। সে কারণেই পরিবর্ত হিসাবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।’’ উল্লেখ্য, আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ে বাংলাদেশ ২-১৪ ব্যবধানে হেরে যায় বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর দাবি নিয়ে ভোটাভুটিতে। বাংলাদেশ নিজেদের ভোট ছাড়া শুধু পাকিস্তানের সমর্থন পেয়েছিল। আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ের আগে থেকেই অবশ্য টি২০ বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থেকেছে পাকিস্তান।

    পিসিবিকে দুষছেন হরভজন

    পিসিবিকে দুষেছেন হরভজন সিং। ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা করছিল। পাকিস্তান শ্রীলঙ্কায় খেলবে। আগে থেকেই এটা ঠিক ছিল। নতুন যে সমস্যাটা তৈরি হয়েছিল, তার সঙ্গে ওদের সম্পর্ক ছিল না। তা-ও কেন আগবাড়িয়ে হস্তক্ষেপ করছে? শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশই বিশ্বকাপ থেকে বাদ হয়ে গেল।’’ ভাজ্জি বাংলাদেশেরও সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘ভারতে খেলতে আসার আপত্তি নিয়ে ওরা আগে আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করতে পারত। তা না করে প্রথমে নিজেরাই ঘোষণা করে দিল। আলোচনার রাস্তা খোলা রেখে এগোনো উচিত ছিল। টি২০ বিশ্বকাপ ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়া হলে হয়তো ওদের তেমন সুযোগ থাকত না। কিন্তু এ বার ওরা দ্বিতীয় পর্বে পৌঁছোতে পারত। সুপার এইটে হয়তো একাধিক অঘটনও ঘটাতে পারত। শেষ পর্যন্ত যা হল সেটা আসলে বাংলাদেশেরই পরাজয়। অন্য কারও হার নয়।’’ হরভজনের মতে বাংলাদেশের ক্রিকেট কর্তাদের আরও পরিণত এবং ইতিবাচক ভূমিকা নেওয়া উচিত ছিল। প্রথমেই একতরফা ভাবে নিজেদের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দিয়ে সমস্যা সমাধানের রাস্তাই তাঁরা প্রায় বন্ধ করে দেন। পাকিস্তানের ইন্ধনে আখেরে ক্ষতি হল বাংলাদেশের ক্রিকেটেরই।

  • Republic Day 2026: ভারতকে কাছে পেতে দড়ি টানাটানি চিন-আমেরিকার! প্রজাতন্ত্র দিবসে শুভেচ্ছা ট্রাম্প-জিনপিংয়ের

    Republic Day 2026: ভারতকে কাছে পেতে দড়ি টানাটানি চিন-আমেরিকার! প্রজাতন্ত্র দিবসে শুভেচ্ছা ট্রাম্প-জিনপিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বসভায় ভারতের গুরুত্ব বুঝিয়ে দিল ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস ( Republic Day 2026)। ভারতকে কাছে পেতে দড়ি টানাটানি বিশ্বে শক্তিধর দুই দেশের। বেশ কিছু ক্ষেত্রে নীতিগত বিরোধ থাকা সত্ত্বেও ভারতকে পাশে চায় চিন ও আমেরিকা (India China US) উভয়েই। বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে বিরোধ এবং নীতিগত পার্থক্য নিয়ে দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপড়েন অব্যাহত রয়েছে। তবে প্রথা মেনে ভারতের সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারত এবং আমেরিকা— দু’দেশ ‘ঐতিহাসিক বন্ধনে’ আবদ্ধ বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে চিন এবং ভারত ভালো বন্ধু, ভালো প্রতিবেশী! সাধারণতন্ত্র দিবসে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বললেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

    ভারতের সঙ্গে ‘ঐতিহাসিক বন্ধন’

    বাণিজ্য বিরোধ, শুল্কনীতি ও কৌশলগত মতপার্থক্যের কারণে যুক্তরাষ্ট্র–ভারত সম্পর্ক যখন চাপের মুখে, ঠিক সেই সময়েই ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে নয়াদিল্লিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দুই দেশের মধ্যে ‘ঐতিহাসিক বন্ধন’-এর কথা তুলে ধরলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে প্রকাশিত এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের পক্ষ থেকে ভারত সরকার ও জনগণকে ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের প্রাচীনতম ও বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে এক ঐতিহাসিক বন্ধন রয়েছে।”

    কেন ভারতকে পাশে চায় আমেরিকা

    ভারতের পণ্যের উপর বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। ফলে মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ‘শাস্তিস্বরূপ’ ভারতের উপর শুল্ক চাপানোর পর থেকেই দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয়। অন্য দিকে, কয়েকমাস আগেই সাংহাই সম্মেলনে চিন ও রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সখ্যতা দেখেও তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেছিলেন ট্রাম্প। তবে, তারপরই নিজের দেশে বিরোধিতার মুখে পড়েন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আমেরিকার সেনেটেও ওঠে বিতর্কের ঝড়। ট্রাম্পের নির্বুদ্ধিতার জন্যই ভারতের মতো বন্ধুকে হারাতে চলেছে আমেরিকা, বলে দাবি করেন মার্কিন কূটনীতিকদের একাংশ। এরপরই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে ফের ভারতকে কাছে টানার চেষ্টা শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রজাতন্ত্র দিবসে ট্রাম্পের পাশাপাশি আমেরিকার বিদেশসচিব মার্কো রুবিও-ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দুই দেশের কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরেন রুবিও। তাঁর কথায়, ‘‘প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়বে।’’ তিনি জানান, আগামী বছরেও অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে ভারতের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা রয়েছে ওয়াশিংটনের। কোয়াডের মাধ্যমে বহুমাত্রিক অংশীদারত্ব—যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ক দুই দেশ এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য বাস্তব ফল দিচ্ছে, বলে মনে করেন রুবিও।

    কর্তব্য পথে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের মূল কুচকাওয়াজে কর্তব্য পথে উপস্থিত ছিলেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। প্রথমবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবস প্যারেডে অংশ নিয়ে তিনি একে ভারতের সংবিধান ও গণতান্ত্রিক চেতনার উদযাপন বলে অভিহিত করেন। গোর বলেন, “হ্যাপি রিপাবলিক ডে, ইন্ডিয়া! ভারতের সংবিধান ও গণতান্ত্রিক আত্মার এই উদযাপনে অংশ নিতে পেরে সম্মানিত।” তিনি আরও বলেন, “ভারতের আকাশে মার্কিন তৈরি বিমান উড়তে দেখা যুক্তরাষ্ট্র–ভারত কৌশলগত অংশীদারত্বের শক্তিশালী প্রতীক।”

    ভারত ‘ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার’

    প্রজাতান্ত্রিক দিবসে ভারতকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভারত ও চিনকে ‘ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি। চিনের রাষ্ট্রপতি আরও জানান, দুই দেশের সম্পর্ক উভয় দেশের মৌলিক স্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। নয়াদিল্লি-বেজিংয়ের সুসম্পর্ক উভয় দেশের সুস্থ ও স্থিতিশীল উন্নয়নে সহায়তা করবে। অন্য দিকে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য কাছাকাছি আসতে শুরু করেছে নয়াদিল্লি ও বেজিং। সীমান্ত সমস্যা দূর করতে এবং সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ দমনে দুই দেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখার কথাও জানিয়েছে।

    কাছাকাছি ভারত-চিন

    চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মতে, গত এক বছরে ভারত ও চিন দুই প্রতিবেশীর মধ্যে সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। চিন সব সময় বিশ্বাস করে ভাল বন্ধু এবং প্রতিবেশী হওয়া দুই দেশের জন্যই সঠিক পথ। সেই বিষয় উল্লেখ করতে গিয়ে জিনপিং আবার ‘ড্রাগন-হাতি’ যৌথ নাচের প্রসঙ্গ টেনেছেন। জিনপিং আশাবাদী, ভারত-চিন উভয় দেশই পারস্পরিক বোঝাপড়া, বিনিময়, সহযোগিতার পথ আরও সম্প্রসারণ করবে। সুস্থ এবং স্থিতিশীল সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে দু’দেশের মধ্যে উদ্বেগের বিষয়গুলি সমাধান করা হবে। এই বক্তব্যে সুর মিলিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত সু ফেইহং। তিনি বলেন, “চিন ও ভারতের জন্য ভাল প্রতিবেশী বন্ধু ও অংশীদার হওয়াই সঠিক পথ—যেখানে ড্রাগন ও হাতি একসঙ্গে নাচবে।” একই দিনে চিনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান।

    ভয় পাচ্ছে আমেরিকা!

    ১৯৬২-র যুদ্ধ এবং ১৯৬৭-র সীমান্ত সংঘর্ষের পর প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) তুলনামূলক শান্ত ছিল। ২০১৭ সাল থেকে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হতে শুরু করে। সে বছর ডোকলামে টানা ৭৩ দিন দু’দেশের বাহিনী পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিল। পরে কূটনৈতিক পথে সমস্যার সমাধান হয়। এর পর ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ানে সংঘর্ষ হয় ভারতীয় সেনার সঙ্গে চিনের বাহিনীর। তার পরে কূটনৈতিক এবং সামরিক স্তরে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ফিরেছে। ভারত এবং চিনের কূটনৈতিক শৈত্য অনেকটাই কেটে গিয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা শান্ত। পাশাপাশি কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু, সরাসরি বিমান পরিষেবা চালু, কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপন এবং ভিসা সুবিধা সম্প্রসারণের বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। সেই আবহে দু’দেশের মধ্যে সরাসরি উড়ান পরিষেবা চালু হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধের আবহে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে চিন। কড়া বার্তা দিয়েছে আমেরিকাকে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে জিনপিঙের মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    ভারত-এর গুরুত্ব

    আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে স্থিতিশীলতার জন্য ভারতের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। এমনটাই মনে করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সোমবার ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন বলেন, “সফল ভারতই পারে বিশ্বকে আরও স্থিতিশীল, উন্নত এবং নিরাপদ করে তুলতে।” এই আবহে কূটনৈতিক সম্পর্কের ওঠানামার মাঝেই প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা দুই প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রের। চিন ও আমেরিকার এই বার্তাই বুঝিয়ে দিচ্ছে আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের স্থান।

  • LR-AShM: হাইপারসনিক যুদ্ধের জন্য তৈরি! প্রজাতন্ত্র দিবসে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র প্রকাশ্যে এনে এই বার্তাই দিল ভারত

    LR-AShM: হাইপারসনিক যুদ্ধের জন্য তৈরি! প্রজাতন্ত্র দিবসে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র প্রকাশ্যে এনে এই বার্তাই দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে (Republic Day Parade 2026) প্রথম বারের মতো প্রকাশ্যে প্রদর্শিত হল ভারতের প্রথম লং-রেঞ্জ অ্যান্টি-শিপ মিসাইল (LR-AShM)। একটি মোবাইল লঞ্চারে মোতায়েন করা এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রদর্শন করা হয়। একটি ৬x৬ ট্রাকের ওপর নির্মিত ওই মোবাইল লঞ্চারকে কার্তব্য পথ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

    প্রজাতন্ত্র দিবসের শো-স্টপার…

    প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে শো-স্টপার বা অন্যতম আকর্ষণ ছিল এই দূরপাল্লার হাইপারসনিক জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। কারণ, এই প্রথম সরকারি স্তরে এই ক্ষেপণাস্ত্রের উপস্থিতিকে স্বীকৃতি দেওয়া হল। ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। এটি একটি দূরপাল্লার হাইপারসনিক গ্লাইড অস্ত্র, যা মূলত সমুদ্রভিত্তিক আঘাত হানার (maritime strike) জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রথমবার এই কর্মসূচির সরকারি স্তরে স্বীকৃতি মিলল। এতদিন প্রকল্পটি অনেকটাই গোপনীয়তার মধ্যে রাখা হয়েছিল। ভারতের হাইপারসনিক অস্ত্র (LR-AShM) কর্মসূচিতে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক তৈরি করেছে এই ক্ষেপণাস্ত্র।

    পাল্লা প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার

    প্রতিরক্ষা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই ব্যবস্থা সমুদ্রের গভীরে শত্রুপক্ষের যুদ্ধজাহাজ ও নৌসম্পদে আঘাত হানতে সক্ষম, যা বিতর্কিত সামুদ্রিক অঞ্চলে শত্রু নৌবহরের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করবে। ফলে, এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রসীমা নিয়ন্ত্রণ (sea-denial) সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে। বর্তমান সংস্করণের পাল্লা প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার বলে মনে করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে উন্নত সংস্করণে এই পাল্লা আরও বাড়ানো হতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্র হাইপারসনিক গতিতে, অর্থাৎ ম্যাক ৫-এর (শব্দের গতির ৫ গুণ) বেশি গতিতে উড়তে সক্ষম। ফলে শত্রুপক্ষের নৌবাহিনীর প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।

    ‘বুস্ট-গ্লাইড’ প্রযুক্তি

    প্রযুক্তিগত দিক থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র (LR-AShM) একটি দুই ধাপের সলিড প্রপালশন রকেট মোটর ব্যবস্থায় চালিত। প্রথম ধাপ ক্ষেপণাস্ত্রটিকে দ্রুত হাইপারসনিক গতিতে পৌঁছে দেয় এবং মাঝপথে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর দ্বিতীয় ধাপ সক্রিয় হয়ে গতিবেগ বজায় রাখে ও আরও বাড়ায়। দ্বিতীয় ধাপের জ্বালানি শেষ হওয়ার পর ক্ষেপণাস্ত্রটি একটি আনপাওয়ার্ড গ্লাইড পর্যায়ে প্রবেশ করে। এই পর্যায়ে এটি জটিল বায়ুমণ্ডলীয় কৌশল প্রদর্শন করতে করতে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুর দিকে এগিয়ে যায়। প্রচলিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় এই গ্লাইড যানটি উড়ানের মাঝপথে দিক পরিবর্তন করতে পারে, যার ফলে একে প্রতিহত করা অনেক বেশি কঠিন হয়ে ওঠে। এই গ্লাইড পর্যায়ই ক্ষেপণাস্ত্রটির অনিশ্চিত গতিপথ নিশ্চিত করে এবং শত্রু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে আটকানোর সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়। কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের মতে, ক্ষেপণাস্ত্রটি বিভিন্ন ধরনের অপারেশনাল পরিস্থিতিতে কাজ করার মতো করে পরিকল্পিত হয়েছে। এটি স্থির ও চলমান—উভয় ধরনের লক্ষ্যবস্তুকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ধ্বংস করতে সক্ষম। কুচকাওয়াজে (Republic Day Parade 2026) যে লঞ্চারটি প্রদর্শিত হয়, তা ছিল সড়কপথে চলাচলযোগ্য ক্যানিস্টারযুক্ত ব্যবস্থা। এতে বোঝা যাচ্ছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র মূলত উপকূল বা স্থল থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র। তবে, রণতরী থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য সংস্করণও তৈরি করা হচ্ছে বলে প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষেপণাস্ত্রের (LR-AShM) অন্তর্ভুক্তি ভারতের সামুদ্রিক যুদ্ধক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতের নৌযুদ্ধের ক্ষেত্রে দেশকে প্রযুক্তিগতভাবে আরও শক্ত অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করবে।

    প্রথম সম্পূর্ণ দেশীয় হাইপারসনিক অস্ত্র ব্যবস্থা

    লং-রেঞ্জ অ্যান্টি-শিপ মিসাইল (LR-AShM)-এর বিশেষত্ব শুধু এর গতিতে নয়, বরং এতে ব্যবহৃত দেশীয় প্রযুক্তিতেও। ক্ষেপণাস্ত্রটির অ্যাভিওনিক্স ও উন্নত সেন্সর প্যাকেজ সম্পূর্ণভাবে ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। ফলে এটি বিশ্বের প্রথম দিকের এমন হাইপারসনিক গ্লাইড অস্ত্রগুলোর অন্যতম, যেখানে ন্যাভিগেশন, গাইডেন্স ও টার্মিনাল নির্ভুলতার জন্য পুরোপুরি দেশীয় প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ওয়ারহেড বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি কোয়াজি-ব্যালিস্টিক পথে উড়ে হাইপারসনিক গতিতে চলাচল করে। এটি প্রাথমিক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ম্যাক ১০ গতিবেগ অর্জন করতে পারে এবং ধারাবাহিক বায়ুমণ্ডলীয় ‘স্কিপ’ বা লাফের মাধ্যমে গড়ে ম্যাক ৫ গতিতে অগ্রসর হয়। এই বিশেষ ফ্লাইট প্রোফাইলের ফলে ক্ষেপণাস্ত্রটি একই সঙ্গে উচ্চ গতি, অসাধারণ কৌশলগত চলাচল ক্ষমতা ও গোপনীয়তা বজায় রাখতে পারে, যার ফলে প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে এই ক্ষেপণাস্ত্রকে রোখা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

    নজর এড়িয়ে আঘাত হানার ক্ষমতা

    দূরপাল্লার হাইপারসনিক জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র (LR-AShM)-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এর দীর্ঘ সময় ধরে রেডারের নজর এড়িয়ে চলার ক্ষমতা। কম উচ্চতায় হাইপারসনিক গতিতে উড়ে যাওয়ায় এটি শত্রুপক্ষের স্থলভিত্তিক ও জাহাজভিত্তিক রেডার ব্যবস্থার চোখে ধরা পড়ে মূলত শেষ ধাপে। দেশীয়ভাবে তৈরি উন্নত সেন্সর ব্যবস্থার সাহায্যে ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রান্তিক পর্যায়ে চলমান লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে পারে। এই সক্ষমতা দ্রুত পরিবর্তনশীল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এর বিধ্বংসী ক্ষমতাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। উচ্চ গতি, নিম্ন উচ্চতায় উড়ান এবং চরম কৌশলগত গতিবিধির সমন্বয়ে ক্ষেপণাস্ত্রটিকে একটি অত্যন্ত মজবুত ও কার্যকর অস্ত্রব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে, যা ঘন প্রতিরক্ষা বলয় ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে সক্ষম।

    এলিট ক্লাবে ভারত…

    এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চিনের মতো হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ অস্ত্র (LR-AShM) সক্ষমতাসম্পন্ন দেশের তালিকায় ভারতের নাম যুক্ত হল। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে, বিশেষ করে ভারত মহাসাগরে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নৌ-প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকায় এই অস্ত্রের প্রকাশ্য প্রদর্শন কৌশলগতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তবে সরকার এখনও এই ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকরী মোতায়েনের সময়সূচি বা নির্দিষ্ট ব্যবহারের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।

  • Kolkata Air Pollution: ধূলিকণার সঙ্গে মিশছে বিষাক্ত গ্যাস! কেন কলকাতায় বায়ুদূষণ লাগামহীন?

    Kolkata Air Pollution: ধূলিকণার সঙ্গে মিশছে বিষাক্ত গ্যাস! কেন কলকাতায় বায়ুদূষণ লাগামহীন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নতুন বছরের প্রথম মাসেই বারবার কলকাতার বাতাস উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। রাজ্যের রাজধানীর বাতাসে যে হারে দূষণ বাড়ছে, তাতে স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। কলকাতার বাতাসে শুধুই ধূলিকণা নয়, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট। যা আরও বড় বিপদ তৈরি করতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। বারবার কেন কলকাতার বায়ুদূষণ লাগামহীন হয়ে উঠছে সে নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আর প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও। সাম্প্রতিক এক গবেষণা কলকাতার বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এনেছে। সংশ্লিষ্ট মহল জানাচ্ছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কড়া পদক্ষেপ না নিলে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে।

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য?

    সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংস্থা কলকাতা সহ দেশের বিভিন্ন বড় শহরের বায়ুদূষণ নিয়ে সমীক্ষা ও গবেষণা চালায়। সেই গবেষণাতেই কলকাতার বায়ুদূষণ নিয়ে মারাত্মক তথ্য উঠে‌ আসছে। দেখা গিয়েছে, এই শহরের বাতাসের গুণমান খারাপ হওয়ার নেপথ্যে শুধুই ধূলিকণা নেই। বরং রয়েছে বিষাক্ত গ্যাস। শীতের মরশুমে কলকাতার বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট বেড়েছে। আর তাই নতুন বছরের প্রথম মাসেই বারবার লাগামহীন বায়ুদূষণ জানান দিচ্ছে। কলকাতার বাতাসে অতিরিক্ত পরিমাণ নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মোনো অক্সাইড, গ্রাউন্ড লেভেল ওজোন, কার্বন ডাই অক্সাইডের মতো ক্ষতিকারক গ্যাসের উপস্থিতি রয়েছে। যা কলকাতার বায়ুদূষণ নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে। সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ জানাচ্ছেন, দেশের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের প্রধান কারণ হয় বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যাওয়া। কিন্তু কলকাতায় বায়ুদূষণের কারণ শুধুই ধূলিকণা নয়। বরং এই বিষাক্ত গ‌্যাসের দাপট। ফলে, জনস্বাস্থ্যে এর প্রভাব আরও গভীর ও ক্ষতিকারক।

    কেন কলকাতার বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট বেড়েছে?

    বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ জানাচ্ছেন, কলকাতার বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ অনিয়ন্ত্রিত ভাবে শহরের বিভিন্ন জায়গায় বর্জ্য পোড়ানো। চলতি শীতের মরশুমে তাপমাত্রার পারদ পতন অনেকখানি হয়েছিল। আর শীতের হাত থেকে রেহাই পেতে শহর জুড়ে একাধিক জায়গায় বর্জ্য জ্বালানো হয়েছে। এর ফলে বাতাসে নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মোনো অক্সাইড, গ্রাউন্ড লেভেল ওজোন গ্যাসের মতো বিষাক্ত গ্যাসের পরিমাণ বেড়েছে। এমনকি একটি বিষাক্ত গ‌্যাসের সঙ্গে আরেকটি গ্যাস মিশে আরও ক্ষতিকারক উপাদান তৈরি হয়েছে। ফলে কলকাতার বায়ুদূষণ লাগামহীন হয়ে উঠছে।

    কলকাতার বায়ুদূষণ কেন বাড়তি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দূষণের জেরে স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি হয়। কলকাতায় যে হারে বায়ুদূষণ বাড়ছে তা স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি করছে। বিশেষত শুধু ধূলিকণা নয়। বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের যে হারে উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তাতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। বাতাসের বিষাক্ত গ্যাস শ্বাসনালী, বক্ষঃনালী, ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াবে। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেবে। হাঁপানি, শ্বাসকষ্টের মতো রোগের দাপট বাড়বে। এমনকি ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকিও কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। এই পরিস্থিতির জেরে শিশুদের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি হবে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। খুব কম বয়স থেকেই শ্বাসকষ্ট, সিওপিডি-র মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। এমনকি নিউমোনিয়ার মতো রোগের দাপট ও বাড়বে। এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    প্রশাসনের ভূমিকা কেন প্রশ্নের মুখে?

    পরিবেশবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কলকাতার বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। শহর জুড়ে নির্মাণ কাজ চলে। বড় বড় বহুতল তৈরি হয়। কিন্তু অধিকাংশ জায়গায় সেই নির্মাণ কাজে কিছুই ঢাকা দেওয়া থাকে না। এমনকি পুরসভাও সে নিয়ে নজরদারি চালায় না।‌ ফলে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। যা বাতাসকে দূষিত করে। আবার যত্রতত্র বর্জ্য পোড়ানো নিয়েও পুর কর্তৃপক্ষের কড়া পদক্ষেপ নজরে পড়ে না।‌ দেশের বিভিন্ন বড় শহরের বর্জ্য পুনঃব্যবহারযোগ্য করার জন্য নানান প্রক্রিয়া চলে। কলকাতায় এখনো যত্রতত্র বর্জ্য পোড়ানোর ঘটনা জানান দিচ্ছে, এই শহরে রিসাইকেল প্রক্রিয়া একেবারেই ঠিকমতো চলে না। ফলে, শহর জুড়ে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট বাড়ছে। যা রাজ্যবাসীর বিপদের কারণ হতে পারে। সাধারণ মানুষকে বায়ুদূষণ নিয়ে সতর্ক করার পাশপাশি বায়ুদূষণ রুখতে প্রশাসনের সক্রিয়তা জরুরি। তবেই কলকাতার বাতাস ‘শুদ্ধ’ হয়ে উঠতে পারবে।

  • Bangladesh: “বাংলাদেশে অমুসলিমরা সাংসদ হতে পারবেন না”! ক্ষমতায় এলেই শরিয়া শাসনের অঙ্গীকার জামাত নেতার, ভিডিও ভাইরাল

    Bangladesh: “বাংলাদেশে অমুসলিমরা সাংসদ হতে পারবেন না”! ক্ষমতায় এলেই শরিয়া শাসনের অঙ্গীকার জামাত নেতার, ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বরগুনায় একটি নির্বাচনী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামির (Jamaat leader) এক নেতার মন্তব্যের ভিডিও (সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হওয়ার পর নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। জামাত নেতা আফজাল হোসেন তাঁর বক্তৃতায় বলেছেন, “দেশে কেবল মুসলমানদেরই সংসদ সদস্য হওয়া উচিত। বাংলাদেশ (Bangladesh) শরিয়া আইন অনুসারে পরিচালিত হওয়া উচিত।” এই মন্তব্যে এখন তোলপাড় পদ্মাপারের দেশ।

    আপনারা কি কুরআন ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা চান?

    গত ২২ জানুয়ারি বাংলাদেশের (Bangladesh) বরগুনার বামনা উপজেলার দৌয়াতলা স্কুল মাঠে হওয়া অনুষ্ঠানের সময় আফজাল হোসেনকে জামায়াতে ইসলামিতে যোগদানকারী একজন হিসেবে আয়োজকরা পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর জনতার উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময়, আফজাল হোসেন ধর্ম এবং রাজনীতি সম্পর্কে জোরালো বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “যে দেশে প্রায় ৮০% জনসংখ্যা মুসলিম, সেখানে এমন কোনও সংসদ সদস্য থাকা উচিত নয় যিনি ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধে যান। উপস্থিতি জনগণরাই বলুক আপনারা কি কুর’আন ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা চান নাকি অন্যান্য ব্যবস্থা চান। জামায়াতে ইসলামি কুর’আন দ্বারা পরিচালিত একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যই সব সময় কাজ করবে। দুর্নীতি, চুরি, সন্ত্রাসীর মতো অপরাধ বন্ধ করতে হবে। জামাত-সমর্থিত প্রার্থীরা ধর্ম, ন্যায়বিচার এবং আদর্শ বুঝেই কাজ করছে।” ভাষণের ভিডিওটি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ার পর, আফজাল হোসেনের প্রতিক্রিয়া জানতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে একাধিক সংবাদমাধ্যম। কিন্তু কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি।

    আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে

    বিতর্কের জবাবে, বরগুনা-২ (Bangladesh) আসনের জন্য জামায়াতে ইসলামির মনোনীত প্রার্থী ডঃ সুলতান আহমেদ বলেন, “আফজাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে দলের সদস্য ছিলেন না। তিনি তাঁকে স্থানীয় একজন প্রবীণ মানুষ হিসেবে উল্লেখ করেন। আফজাল হোসেন আবেগঘন বক্তব্য রেখেছেন এবং তাঁর কথার জন্য দল দায়ী নয় বলে হাত ঝেড়ে ফেলেন সুলতান আহমেদ। জামাত নেতারা (Jamaat leader) কেউই এ ধরনের বিবৃতি দেননি এবং স্পষ্ট করে বলেন, দলে যোগদান একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মাত্র, তবে  নির্বাচনী সমাবেশের সময় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটে না।”

    এদিকে, বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. পলাশ আহমেদ বলেন, কর্মকর্তাদের দ্বারা আমরা বিষয়টি জানতে পেরেছি। লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ‘বন্ধু’ হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আমেরিকা

    জামায়াতে ইসলামির (Jamaat leader) আন্তর্জাতিকভাবেও মনোযোগ আকর্ষণ করছে। ওয়াশিংটন পোস্টের একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানেই দেখা যায় মার্কিন কূটনীতিকরা বাংলাদেশের নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার আগ্রহ দেখিয়েছেন। একটি ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপ অনুসারে জানা গিয়েছে, একজন মার্কিন কূটনীতিককে বলতে শোনা গেছে, বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজনৈতিক ও সামাজিক দৃশ্যপটে পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা আমেরিকার স্বার্থে হবে। আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতি কোন স্রোতে বয় তাই এখন দেখার।

  • T20 World Cup: ‘পিএসএলে বিদেশি ক্রিকেটার নয়, এশিয়া কাপ থেকেও নিষেধাজ্ঞা’— পিসিবিকে কড়া বার্তা আইসিসির

    T20 World Cup: ‘পিএসএলে বিদেশি ক্রিকেটার নয়, এশিয়া কাপ থেকেও নিষেধাজ্ঞা’— পিসিবিকে কড়া বার্তা আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) পাকিস্তান খেলবে কি না, তা নিয়ে আগামী শুক্রবার বা সোমবার পাকিস্তান সিদ্ধান্ত নেবে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি এ কথা জানিয়েছেন। সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন নকভি। তাঁদের মধ্যে ৩০ মিনিট কথা হয়েছে। বিশ্বকাপ নিয়ে সমস্ত পরিস্থিতি পাক প্রধানমন্ত্রীকে ব্যাখ্যা করেছেন নকভি। তারপরই আরও সময় চায় পাকিস্তান। যদিও আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) একাধিক কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।

    ‘বয়কট বয়কট’ নাটকই সার!

    দীর্ঘ টালবাহানা, বিতর্ক, অজুহাতের পর আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে ছাঁটাই হয়েছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মাটিতে হতে চলা মেগা টুর্নামেন্টে লিটন দাসদের এবার আর দেখা যাবে না। তার পরিবর্ত হিসেবে খেলবে স্কটল্যান্ড। বাংলাদেশকে একাধিকবার নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুযোগ দিয়েছিল বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সাফ জানিয়ে দেয়, ভারতের মাটিতে তারা খেলতে নারাজ। ফলে আইসিসিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানায়, ‘হয় খেলো, নাহলে এসো’। আর তারপরই ঘোষণা হয়ে যায় স্কটল্যান্ডের নাম। এদিকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ‘বয়কট বয়কট’ নাটকই সার! পিঠ বাঁচাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণাও করে দিয়েছে পাকিস্তান। তবে পাক বোর্ডের প্রধান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, দল ঘোষণার অর্থ এই নয় যে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে রাজি পাকিস্তান। এনিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শাহবাজ শরিফের সরকার।

    প্রধানমন্ত্রীর নাম বিভ্রাট! কী লিখলেন নকভি

    সোমবারই পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন নকভি। বৈঠক শেষে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে জানান, অত্যন্ত ইতিবাচক কথাবার্তা হয়েছে। বৈঠক শেষে তিনি সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মিয়াঁ মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে একটি ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আইসিসির অবস্থান এবং গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁকে বিস্তারিত জানিয়েছি। তিনি বলেছেন, ‘আমরা সব বিকল্প খোলা রেখে সমাধান করব।’ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী শুক্রবার অথবা সোমবার নেওয়া হবে বলে ঠিক হয়েছে।’’ সঙ্গে শাহবাজের সঙ্গে বৈঠকের ছবিও দিয়েছেন নকভি, যিনি একই সঙ্গে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়কমন্ত্রীও। নকভির এক্স পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। প্রথমে তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে পাক প্রধানমন্ত্রীর নাম সম্ভবত ‘মিয়াঁ মুহাম্মদ নওয়াজ শরিফ’ লেখা হয়। পরে সংশোধন করে ‘মিয়াঁ মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ’ লেখেন তিনি।

    আইসিসির শাস্তির ভয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ!

    বিশ্বকাপ থেকে পুরোপুরি নাম প্রত্যাহার করবে না পাকিস্তান। আইসিসির শাস্তির ভয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানাতে পারে পিসিবি। শুধু ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করতে পারে তারা। ভারত ছাড়া বাকি সব দেশের বিরুদ্ধে খেলবে তারা। ভারতের বিরুদ্ধে নাকি গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করতে পারেন শাহিনরা। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় মুখোমুখি হওয়ার কথা দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর। কিন্তু সেই ম্যাচে না-ও নামতে পারে পাকিস্তান। যদিও তাতে আখেরে ক্ষতিই হবে তাদের। কারণ ভারতকে ওয়াকওভার দিলে বাবরদের সুপার ১২-তে ওঠা আরও কঠিন হয়ে উঠবে। ‘নাটকে’র এখানেই ইতি নয়। বাংলাদেশের প্রতি দরদ ঠিক কতখানি উথলে উঠছে, তা ম্যাচ জিতলেই বোঝাতে চায় পাকিস্তান। কীভাবে? টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রতিটি জয় বাদ পড়া বাংলাদেশকে উৎসর্গ করার পরিকল্পনা তাদের। এছাড়া কালো ব্যান্ড বেঁধে আইসিসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রদর্শন করতে পারে তারা।

    পাকিস্তানের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ আইসিসি

    পাকিস্তানের হুঁশিয়ারি ভাল ভাবে নেয়নি জয় শাহের আইসিসি। নকভিরা বিশ্বকাপ বয়কট করলে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে আইসিসি। আইসিসির সব সদস্য দেশই পাকিস্তানের অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপে ক্ষুব্ধ। কারণ মূল সমস্যার সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও যোগ নেই। প্রয়োজনে পাকিস্তানকে দীর্ঘ দিন সাসপেন্ড করে রাখার মতো কঠিন সিদ্ধান্তও নিতে পারে আইসিসি। পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, তাহলে আইসিসি একাধিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—পাকিস্তানকে এশিয়া কাপ থেকে নিষিদ্ধ করা। সব ধরনের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাতিল করা। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি ক্রিকেটারদের খেলার জন্য এনওসি না দেওয়া হতে পারে।

    পিসিবির ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআই

    বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে আইসিসি ছাঁটাই করে দেওয়ার পর পাকিস্তানও জানিয়েছে, তারা খেলবে কি না ভেবে দেখবে। পিসিবির এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআইও। ভারতীয় বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্ল বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান কোনও কারণ ছাড়াই হস্তক্ষেপ করছে। বাংলাদেশকে উস্কানি দিচ্ছে। সকলে জানে এক সময় বাংলাদেশের মানুষের উপর বর্বরতা চালিয়েছে পাকিস্তান। এখন আবার তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এটা সম্পূর্ণ ভুল। আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলুক। আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছিলাম। তা-ও ওরা নিজেদের সিদ্ধান্তেই অনড় থাকে। শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপের পুরো সূচি বদলে ফেলা অসম্ভব। সে কারণেই পরিবর্ত হিসাবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।’’ উল্লেখ্য, আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ে বাংলাদেশ ২-১৪ ব্যবধানে হেরে যায় বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর দাবি নিয়ে ভোটাভুটিতে। বাংলাদেশ নিজেদের ভোট ছাড়া শুধু পাকিস্তানের সমর্থন পেয়েছিল। আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ের আগে থেকেই অবশ্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থেকেছে পাকিস্তান।

     

     

     

     

  • Republic Day 2026: কেশবকুঞ্জে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে, দিলেন সংবিধান রক্ষা এবং সীমান্ত সুরক্ষার পাঠ

    Republic Day 2026: কেশবকুঞ্জে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে, দিলেন সংবিধান রক্ষা এবং সীমান্ত সুরক্ষার পাঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র (Republic Day 2026) দিবস উপলক্ষে কেশব কুঞ্জে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। এই প্রজাতন্ত্র দিবসে সংবিধান ও সীমান্ত সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। দেশ যত ২০৪৭ সালের দিকে এগিয়ে যাবে সকলকে একজোট হয়ে দেশ নির্মাণের জন্য অংশগ্রহণ করতে হবে। এই জন্য দেশবাসীকে কর্তব্য পালনের উপর জোর দেন সংঘের এই নেতা।

    ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবেলে নয়াদিল্লির ‘কেশব কুঞ্জ’-এ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পতাকা উত্তোলনের পর তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভাষণ দেন এবং দেশের সংবিধান ও নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দেন।

    সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা (Republic Day 2026)

    দত্তাত্রেয় হোসবালে (Dattatreya Hosabale) তাঁর ভাষণে ভারতের সংবিধানের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, “সংবিধান কেবল একটি আইনি নথি নয়, এটি ভারতের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তি। দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত সংবিধান প্রদত্ত নাগরিক কর্তব্যগুলির ঠিক ঠিক ভাবে পালন করা।”

    সীমান্ত নিরাপত্তা

    দেশের বর্তমান পরিস্থিতির (Republic Day 2026) কথা উল্লেখ করে তিনি (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “ভারতের সীমান্ত সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সীমান্ত পাহারা দেওয়া বীর জওয়ানদের অদম্য সাহসের প্রশংসা করেন তিনি। সীমান্ত সুরক্ষিত বলেই দেশের নাগরিক শান্তিতে ঘুমাতে পারেন। নির্বিঘ্নে সকল কাজ করতে পারেন। তাই দেশের সেনা বাহিনীর মনোবলকে সব সময় বাড়িয়ে রাখতে হবে।”

    একতা ও অখণ্ডতা

    দেশের একতা এবং অখণ্ডতা বিষয়ে জোর দিয়ে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “ভারতকে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে। সমাজের প্রতিটি স্তরে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রকৃত সংকল্প হওয়া উচিত। উঁচুনিচু, ধনী-গরিব, জাতপাত, অস্পৃশ্যতার মতো বিভাজনকারী নিয়মকে চিরতরে সমাজ থেকে বহিষ্কার করতে হবে। ধর্মস্থলে, সামাজিক স্থানে কোনও রকম প্রভেদ মানা চলবে না।”

    দেশপ্রেমের বার্তা

    কেশব কুঞ্জে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্বয়ংসেবকরা দেশাত্মবোধক গান ও কুচকাওয়াজের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করেন। হোসবলে (Dattatreya Hosabale) সকলকে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। দেশের উন্নতি এবং প্রগতিতে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে এক যোগে কাজ করে যেতে হবে। ব্যক্তি, পরিবার, দেশ, সমাজ এবং রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই এক সঙ্গে সম্ভব যখন পরস্পরের সৌজন্য এবং ভাতৃত্বকে বোঝা সম্ভব।

  • Republic Day 2026: ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট, ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো,  সাধারণতন্ত্র দিবসে ঝলমলে কর্তব্যপথ

    Republic Day 2026: ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট, ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো, সাধারণতন্ত্র দিবসে ঝলমলে কর্তব্যপথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লির কর্তব্য পথে (Kartvya Path) জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হল ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026)। এদিন সকালে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু জাতীয় পতাকা তেরঙ্গা উত্তোলন করেন। জাতীয় সঙ্গীতের তালে তালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণণ এবং উপস্থিত সমস্ত বিশিষ্ট ব্যক্তি জাতীয় পতাকাকে অভিবাদন জানান। এর মধ্য দিয়েই শুরু হয় ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐক্য, অগ্রগতি ও সামরিক শক্তির মহা প্রদর্শনী। চলতি বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি আন্তোনিও কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেইন।

    সব ক্ষেত্রে শক্তিশালী ভারতের বার্তা

    কর্তব্য পথে (Kartvya Path) অনুষ্ঠিত এবারের প্রজাতন্ত্র দিবস কুচকাওয়াজের থিম ছিল “বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর”। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, যার মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রজাতন্ত্র দিবস উদ্‌যাপনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান এবং তিন বাহিনীর প্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন। এ বছর একটি নতুন উদ্যোগ হিসেবে কর্তব্য রেখা বরাবর দর্শক গ্যালারিগুলির নামকরণ করা হয়েছে ভারতের বিভিন্ন নদীর নামে। বিমানচালনা, প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ বিজ্ঞানে আগ্রহী অগণিত তরুণ-তরুণীর কাছে এই মুহূর্ত এক শক্তিশালী বার্তা—আজকের সাহস আর শুধু স্থল, জল বা আকাশেই সীমাবদ্ধ নয়, তা পৌঁছে গেছে কক্ষপথেরও অনেক দূরে।

    “আত্মনির্ভর ভারত”-এর চেতনা

    গত বছরের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর এই প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবারের অনুষ্ঠানের গুরুত্ব ছিল বিশেষ। কুচকাওয়াজের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট। এতে রাফায়েল, সুখোই-৩০, পি-৮আই, সি-২৯৫, মিগ-২৯, অ্যাপাচি, এলইউএইচ, এএলএইচ এবং এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিভিন্ন ফর্মেশনে আকাশে শক্তি প্রদর্শন করে। ভারতীয় বিমান বাহিনীর ছয়টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান ঘণ্টায় প্রায় ৯০০ কিলোমিটার গতিতে একযোগে উড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে। পাশাপাশি একটি সি-১৩০ এবং দুটি সি-২৯৫ বিমানও আকাশে দেখা যায়। কুচকাওয়াজে প্রায় ২,৫০০ শিল্পী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন, যেখানে “বন্দে মাতরম” এবং “আত্মনির্ভর ভারত”-এর চেতনা তুলে ধরা হয়। প্রায় ১০,০০০ বিশেষ অতিথি এই কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্ভাবন, গবেষণা, স্টার্টআপ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও সরকারি প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা ব্যক্তিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

    নারী শক্তির প্রদর্শন

    প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2026) এ বছরের কুচকাওয়াজে প্রথমবারের মতো দেশীয় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শিত হয়, যা ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার এক নতুন দিক তুলে ধরে। পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েন ব্যাক্ট্রিয়ান উটও কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে। ভৈরব ব্যাটালিয়ন প্রথমবারের মতো তাদের সাহসিকতার প্রদর্শন করে, আর মহিলা অগ্নিবীররা বিমান বাহিনীর মার্চিং ব্যান্ডে অংশ নিয়ে বিশেষ নজর কাড়েন। ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর মহিলা সদস্যদের ট্যাবলোও ছিল অন্যতম আকর্ষণ। সহকারী কমান্ড্যান্ট নিশি শর্মা, অপূর্ব গৌতম হোরে, লক্ষিতা এবং হার্দিকের নেতৃত্বে এই ট্যাবলোতে নারী শক্তির দৃঢ় উপস্থিতি তুলে ধরা হয়।

  • Badrinath-Kedarnath: বদ্রীনাথ ও কেদারনাথ মন্দিরে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার পথে উত্তরাখণ্ড মন্দির কমিটি

    Badrinath-Kedarnath: বদ্রীনাথ ও কেদারনাথ মন্দিরে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার পথে উত্তরাখণ্ড মন্দির কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) বদ্রীনাথ-কেদারনাথ (Badrinath-Kedarnath) মন্দির কমিটি (BKTC) এক ঐতিহাসিক ও বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন থেকে বদ্রীনাথ এবং কেদারনাথ ধামে অহিন্দুদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    নিষেধাজ্ঞা জারি (Badrinath-Kedarnath)

    বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান অজেন্দ্র অজয় জানিয়েছেন, মন্দিরের পবিত্রতা এবং সনাতন ধর্মের ঐতিহ্য বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এখন থেকে শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাই মন্দিরের মূল চত্বরে প্রবেশ করতে পারবেন।

    পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক

    মন্দিরে (Badrinath-Kedarnath) প্রবেশের আগে ভক্তদের কড়া নিরাপত্তা ও তল্লাশির মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সন্দেহভাজনদের ক্ষেত্রে দর্শনার্থীদের আধার কার্ড বা অন্য কোনও বৈধ পরিচয়পত্র যাচাই করা হতে পারে।

    নিরাপত্তা জোরদার

    মন্দির কমিটি (Badrinath-Kedarnath) স্থানীয় প্রশাসনকে অনুরোধ করেছে যাতে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় অ-হিন্দুদের গতিবিধির ওপর নজর রাখা হয়। বিশেষ করে যারা মন্দির চত্বরে ব্যবসা বা অন্য কোনো কাজে যুক্ত, তাদেরও পরিচয় যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আগের বিতর্ক

    এর আগে কেদারনাথ ধামের (Badrinath-Kedarnath) দেওয়ালে মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং ভিডিও তৈরির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই এবার অ-হিন্দুদের প্রবেশাধিকার নিয়ে এই বড় পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

    উদ্দেশ্য

    মন্দির কমিটির (Badrinath-Kedarnath) মতে, চারধাম যাত্রার আধ্যাত্মিক পরিবেশ রক্ষা করা এবং হিন্দু তীর্থযাত্রীদের ভাবাবেগকে সম্মান জানানোই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।

    উত্তরাখণ্ড সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে ইতিমধ্যেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ধর্মীয় সংগঠনগুলি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও, একাংশ পর্যটন ও সর্বজনীন প্রবেশাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

  • PM Modi: প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজস্থানের স্বদেশি পাগড়িতে নজর কাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজস্থানের স্বদেশি পাগড়িতে নজর কাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত আজ ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ তার ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026) পালন করছে। আজকের দিনেই ভারতীয় সংবিধান কার্যকর হয়েছিল। এই উপলক্ষ্যে দিল্লির কর্তব্য পথে আয়োজিত কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর রাজস্থানী স্টাইলের রঙিন পাগড়ি সকলের নজর কেড়েছে। রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি এবং তিন বাহিনীর প্রধান উপস্থিত ছিলেন এদিনের অনুষ্ঠানে।

    প্রধানমন্ত্রী মোদীর পোশাক (PM Modi)

    ঐতিহ্য (Republic Day 2026) বজায় রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবার একটি লাল ও সোনালী-হলুদ রঙের মিশ্রণে তৈরি রাজস্থানী ‘লেহরিয়া’ ডিজাইনের পাগড়ি পরেন। তার সঙ্গে তিনি একটি গাঢ় নীল রঙের কুর্তা এবং হালকা নীল রঙের নেহরু জ্যাকেট পরেছিলেন।

    শ্রদ্ধা নিবেদন

    কুচকাওয়াজ শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী (Republic Day 2026) দিল্লির জাতীয় সমর স্মারকে (National War Memorial) গিয়ে আত্মোৎস্বর্গী বীর জওয়ানদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

    কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কর্তব্য পথে এই বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব দেন।

    বিশেষ অতিথি

    ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন।

    থিম

    এবারের কুচকাওয়াজের মূল থিম ছিল ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি। এছাড়া কুচকাওয়াজে ভারতের সামরিক শক্তি এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য প্রদর্শিত হয়েছে। বঙ্কিমের গানকে উল্লেখ করে বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থাও করা হয়।

    ট্যাবলো ও পারফরম্যান্স

    এদিন মোট ৩০টি ট্যাবলো ছিল অনুষ্ঠান জুড়ে। যার মধ্যে ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং ১৩টি মন্ত্রক কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। এছাড়া প্রায় ২,৫০০ শিল্পী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাঁদের প্রতিভা প্রদর্শন করেন।

    প্রতি বছরের মতো এবারও প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তাঁর পোশাকে ভারতের আঞ্চলিক সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছেন। তাঁর এই লাল-হলুদ রঙের পাগড়ি ভারতের ঐক্য ও বৈচিত্র্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি মুর্মু এবং বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতিতে কর্তব্য পথে ভারতের সামরিক সরঞ্জাম (Republic Day 2026) এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক চমৎকার প্রদর্শনী সম্পন্ন হয়েছে।

LinkedIn
Share