Tag: Madhyom

Madhyom

  • Abhishek Banerjee: মধ্যরাতেও ছাতার তলায়! জিজ্ঞাসাবাদে অসযোগিতা? ১৪ তারিখ ফের অভিষেককে তলব সিআইডির

    Abhishek Banerjee: মধ্যরাতেও ছাতার তলায়! জিজ্ঞাসাবাদে অসযোগিতা? ১৪ তারিখ ফের অভিষেককে তলব সিআইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে (Abhishek Banerjee) টানা সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদেও সন্তুষ্ট নন সিআইডি-র তদন্তকারীরা। সে কারণেই আগামী ১৪ তারিখ বেলা ১২টার সময় ফের তাঁকে তলব করেছে সিআইডি। এর আগে একাধিকবার নোটিস পেয়েও হাজিরা দেননি অভিষেক। হাইকোর্টের নির্দেশের পর বৃহস্পতিবার বিকেলে সিআইডি (CID) দফতরে হাজিরা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সূত্রের খবর, সই জাল-কাণ্ডে বিরোধী দলনেতা বাছাইয়ের রেজোলিউশন নিয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। একবার চায়ের বিরতি নিয়ে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। সিআইডি সূত্রে খবর, প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মাঝেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন অভিষেক।

    টানা সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ

    প্রবেশ করেছিলেন সন্ধ্যা ৫টা ৪৯ মিনিট নাগাদ, প্রস্থান প্রায় রাত সাড়ে ১১টা! এদিন নির্ধারিত সময়ের আগেই ভবানীভবনে পৌঁছন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিমানবন্দর থেকে প্রথমে কালীঘাটের বাড়িতে যান তিনি। এরপর সেখান থেকে সোজা সিআইডি সদর দফতর ভবানীভবনে পৌঁছন। হাইকোর্টের নির্দেশ এবং সিআইডি-র একাধিক তলবের পর অবশেষে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন তিনি। সই জালিয়াতি কাণ্ডে এর আগে তিন তিনবার অভিষেককে ডেকে পাঠিয়েছিল সিআইডি। হাজিরা দেননি অভিষেক। শেষে জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। হাইকোর্ট থেকে রক্ষাকবচ মিলতেই দিল্লি থেকে ফিরে সোজা বাড়ি ঘুরে ভবানীভবনে চলে যান অভিষেক। রাতে সেখান থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকরা তাঁকে গুচ্ছ গুচ্ছ প্রশ্ন করলেও কোনও প্রশ্নেরই উত্তর দিতে চাননি অভিষেক।

    কেন বারবার মেজাজ হারান অভিষেক?

    সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সিআইডি দফতরে প্রথমে ছয়-সাত জন অফিসার অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তারপর একসঙ্গে ১০ জন আধিকারিক প্রশ্নের ঝুলি নিয়ে হাজির হন তাঁর সামনে। ছিলেন সিআইডির এডিজি সুপ্রতিম সরকারও। জানা গিয়েছে, একাধিক কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে অভিষেককে। বৈঠকে না থাকার পরও বিধায়কদের সই কীভাবে চিঠিতে রইল? কে বা কারা সই করেছেন? কেন করেছেন? রেজোলিউশন কপি কোথায়? এ ছাড়াও একাধিক কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে তাঁকে। জানা যাচ্ছে, অধিকাংশ প্রশ্নের জবাবেই নাকি অভিষেক বলেছেন, জানি না। সূত্রের খবর, তদন্তকারী অফিসাররা তাঁকে বলেন, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিজের দায় কোনওভাবেই এড়াতে পারেন না তিনি। এ কথা শুনে নাকি মেজাজ হারান অভিষেক। স্পিকারের মতো সাংবিধানিক পদাধিকারীকে কোনও চিঠি দেওয়ার আগে ভালোভাবে জানা প্রয়োজন ছিল, এ কথা শুনেও মেজাজ হারিয়ে ফেলেন তিনি। তাঁর উত্তরে সন্তুষ্ট নন সিআইডি আধিকারিকরা। জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু অভিষেক কিছুই জানেন না এটা মানতে পারছেন না তদন্তকারীরা। আর যদি না-জানেন তাহলে বারবার এত মেজাজ হারান কেন অভিষেক? এই প্রশ্নও উঠছে।

    কী এই সই জাল কাণ্ড?

    বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর, গত ৬ মে বিধায়কদের নিয়ে কালীঘাটে তৃণমূলনেত্রী বৈঠক করেন। তাতে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Sovandeb Chattopadhyay) নাম প্রস্তাব করা হয়। ওইদিন যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা সকলে হাত তুলে শোভনদেবকে সমর্থন জানান। কিন্তু বিধানসভায় এই সংক্রান্ত যে প্রস্তাবনা জমা দিতে হয়, তা দেয়নি তৃণমূল। এরপর ১৩ ও ১৪ মে বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের শপথগ্রহণ হয়। শপথের পর নিয়ম মেনে সই করেন বিধায়করা। বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূলের কাছ থেকে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে প্রস্তাবপত্র চান বিধানসভার সচিব। তা জমা দিতে ১৯ মে ফের কালীঘাটে বৈঠক ডাকা হয় বিধায়কদের। ওইদিন কেউ ছিলেন, কেউ ছিলেন না। উপস্থিত সকলের সই নেওয়া হয় দলের তরফে। মিলিয়ে দেখা হয় ক’জন গরহাজির। পরে দলের প্রস্তাবিত বিরোধী দলনেতার নামে সমর্থন জানিয়ে ৭০ জনের সই করা একটি কাগজ জমা দেওয়া হয় বিধানসভায়। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, ওটাই বিরোধী দলনেতার প্রস্তাবনাপত্র। আর এখানেই গরমিল শুরু। দুই জায়গায় তৃণমূল বিধায়কদের সই না মেলায় সন্দেহ হয় সচিবের। জল গড়ায় থানায়। দায়ের করা হয় এফআইআর। তদন্তভার পেয়ে কাজ শুরু করে সিআইডি। একাধিক বিধায়ককে জেরা করা হয়। দলের ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কের অভিযোগের তির ছিল অভিষেকের দিকে। সেই কারণেই তাঁকে তলব করে সিআইডি।

    কেন ফের তলব অভিষেককে

    সূত্রের খবর, অভিষেকের দেওয়া জবাবে অসন্তুষ্ট সিআইডি-র তদন্তকারীরা। জবাবে অসঙ্গতি থাকাতেই ফের তাঁকে আরও একবার হাজিরা দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। যে রেজোলিউশন নিয়ে এত শোরগোল সেই রেজোলিউশনের কপি সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও তথ্য অভিষেক তদন্তকারীদের দিতে পারেননি। বারবার তাঁর কাছে এই নির্দিষ্ট বিষয়েই জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু প্রতি ক্ষেত্রেই তিনি ‘জানি না’, ‘তার পক্ষে বলা সম্ভব নয়’, ‘বলতে পারব না’, এই জাতীয় উত্তর দিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই এই জিজ্ঞাসাবাদে খুশি নিন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই কারণেই রবিবার ফের তলব করা হয়েছে তাঁকে। রেজোলিউশন সংক্রান্ত বেশ কিছু নথি নিয়ে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে।

    মধ্যরাতেও ছাতার তলায় মুখ ঢাকলেন

    রাত ১১টা ২৮ মিনিটে ভাবনীভবন থেকে বেরিয়ে সোজা কালীঘাটের রাস্তা ধরেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চলে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। সেখানে বেশ কয়েকজন বর্ষীয়ান নেতার উপস্থিতিতে হয় বৈঠক। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র, কুণাল ঘোষ। বারোটা বেজে দশ মিনিট নাগাদ দলনেত্রীর বাড়ি থেকে বের হন অভিষেক। তবে ছাতায় মুখ ঢেকে। তাঁকে দেখতে পাননি কেউ।

  • Brain Tumor: নীরব ঘাতক ব্রেন টিউমার! সময়মতো শনাক্ত না হলে কেন কঠিন হয়ে পড়ে চিকিৎসা?

    Brain Tumor: নীরব ঘাতক ব্রেন টিউমার! সময়মতো শনাক্ত না হলে কেন কঠিন হয়ে পড়ে চিকিৎসা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আগাম উপসর্গ দেখা দিলেও, অসচেতনতার জেরে অনেক সময়েই তাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। বিপদ বাড়লেও অসতর্কতা ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। মস্তিষ্কের টিউমার ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সঙ্কট। দেরিতে রোগ নির্ণয় এবং দেরিতে চিকিৎসা শুরু হওয়ার জেরে অনেক সময়েই প্রাণ সংশয় বাড়ছে। চিকিৎসার সাফল্য নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তবে ভারতের পাশপাশি বিশ্বের একাধিক দেশেই এই সমস্যা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। মস্তিষ্কের টিউমারের চিকিৎসায় প্রধান অন্তরায় হয়ে উঠেছে দেরিতে রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার দেরি। তাই চলতি বছরে ওয়ার্ল্ড ব্রেন টিউমার ডে-র মূল বার্তা, নিবিড় পর্যবেক্ষণেই কমবে বিপদ!

    কেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে বাড়তি গুরুত্ব?

    ওয়ার্ল্ড ব্রেন টিউমার ডে-তে বিশ্ব জুড়ে মস্তিষ্কের টিউমার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে নিবিড় পর্যবেক্ষণের উপরেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। জার্মান ব্রেন টিউমার অ্যাসোসিয়েশন-র এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি স্নায়ু ঘটিত সমস্যাকে অবহেলা করলে, পরবর্তী সময়ে ব্রেন টিউমারের ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তাই এ বছরে সেই দিকে গুরুত্ব দিয়েই বলা হচ্ছে, ব্রেন টিউমারের ঝুঁকি রুখতে নিবিড় পর্যবেক্ষণ জরুরি। অর্থাৎ, শিশু হোক বা মধ্য বয়সি, যেকোনো মানুষ যদি বারবার কোনো ধরনের স্নায়বিক সমস্যায় ভোগেন, তাহলে সেই উপসর্গকে অবহেলা করা চলবে না। বরং, তাঁর ঠিকমতো শারীরিক পরীক্ষা জরুরি। মস্তিষ্কের টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে আরও বেশি সচেতনতা জরুরি। সকলেই এই বিষয়ে অবগত হলে, রোগ নির্ণয় সহজ হবে।
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি সাধারণ সমস্যা, অনেক সময়েই অবহেলা করা হয়। যা পরবর্তীতে নানান জটিল অসুখের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, অনেকেই প্রবল মাথা যন্ত্রণার কাবু হন, আবার অনেকে বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন, খিঁচুনির মতো উপসর্গ ও দেখা দেয়‌। এই ধরনের সমস্যা বারবার হলে, তা কখনোই এড়িয়ে যাওয়া উচিৎ নয়। এগুলো মস্তিষ্কের টিউমারের লক্ষণ হতে পারে। আবার, চোখে ঠিকমতো দেখতে না পাওয়া, লক্ষ্য অস্পষ্ট হওয়া, স্মৃতিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিলে অর্থাৎ খুব সাধারণ তথ্য ও মনে রাখতে না পারার মতো সমস্যা দেখা দিলে, একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। বরং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের ভিতরে টিউমার হলে, তা খালি চোখে বোঝা যাবে না। কিন্তু শরীর নানান ভাবে তা জানান দেবে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানুষ সেই উপসর্গকে অবহেলা করেন। অসচেতনতার জেরে খিঁচুনি, জ্ঞান হারানো কিংবা স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সমস্যাকেও অন্যান্য সমস্যা ভেবে প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা করান না। যার ফলে রোগ নির্ণয় হয় না। তাই নিবিড় পর্যবেক্ষণ জরুরি।

    কাদের মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বেশি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের টিউমার একটি স্নায়বিক সমস্যার জেরে হয়। যেকোনো বয়সে, মহিলা কিংবা পুরুষ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। কিন্তু জিনগত একটা ইতিহাস মস্তিষ্কের টিউমারের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, পরিবারের কেউ মস্তিষ্কের টিউমারে আক্রান্ত হলে বংশানুক্রমিক ভাবে তা পরবর্তী প্রজন্মে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, টিউমারের সঙ্গে স্নায়বিক সমস্যার যোগাযোগ রয়েছে। স্নায়বিক সমস্যা কিন্তু অনেক সময়েই জিনগত হয়। তাছাড়া, বেশ কিছু বিরল স্নায়বিক রোগ রয়েছে, যেগুলো জিনগত সমস্যা। সেগুলোও মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তবে, জিনগত এই জটিলতার পাশপাশি অতিরিক্ত মাথায় উচ্চ মাত্রায় রেডিয়েশন থেরাপি টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। আধুনিক জীবনে বিভিন্ন রকম রেডিয়েশনের ঝুঁকি বাড়ছে। এগুলো কিন্তু মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। ধূমপান মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যারা প্রত্যক্ষ ধূমপান করেন, তাদের মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি যেমন বাড়ে, তেমনি, পরোক্ষভাবে এই ধূমপানের ধোঁয়ার মধ্যে থাকেন তাঁদের ও ঝুঁকি বেশি। অর্থাৎ, পরিবারের কেউ ধূমপান করলে, তার অন্যান্য সদস্যদেরও অনেক সময় সেই ধোঁয়া সহ্য করতে হয়। পরোক্ষভাবে হলেও এই ধোঁয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। তামাকের এই ধোঁয়া, স্নায়বিক সমস্যা তৈরি করে। তাই ধূমপান মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

    মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি কমাতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, রোগ সম্পর্কে সচেতনতাই রোগের ঝুঁকি কমাবে। রোগ নির্ণয় প্রাথমিক পর্বে হলে, তবেই চিকিৎসা ঠিকমতো করা যাবে। মস্তিষ্কের টিউমার চিকিৎসার মূল অন্তরায় হলো চিকিৎসার বিশেষ সুযোগ থাকে না। তাই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি। তবে মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি কমাতে সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম, বিশ্রাম নেওয়া, মানসিক চাপ এড়িয়ে চলা এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক এড়িয়ে চলা ও ক্ষতিকারক রশ্মি এড়িয়ে চললেছবি নানান শারীরিক বিপদ কমবে। ধূমপানের মতো অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি। এগুলো স্নায়ু সুস্থ রাখতে সাহায্য করে‌। ফলে মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকিও কমে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • POK: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভে গুলিবৃষ্টি পুলিশের, নিহত অন্তত ১৬, জখম ৩৭

    POK: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভে গুলিবৃষ্টি পুলিশের, নিহত অন্তত ১৬, জখম ৩৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (POK) রাওয়ালকোটের ইদগাহ ময়দানে বিক্ষোভকারীদের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গুলিবর্ষণের ঘটনায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছে। ৩৭ জন জখম হয়েছেন বলেও খবর। বৃহস্পতিবারের ওই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে (Open Fire)।

    শান্তিপূর্ণ জমায়েতে চলল গুলি (POK)

    জানা গিয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য যেমন আটা, চাল, বিদ্যুৎ ও মৌলিক নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভে অংশ নেন। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পাকিস্তানি সেনারা একে-৪৭ রাইফেল থেকে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাওয়ালকোটে ৬০ থেকে ৭০ হাজার মানুষ সমবেত হয়ে পাকিস্তানের নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। মঙ্গলবার নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন ৩০ জন। জখম হন প্রায় ২০০ জন। ন্যায়বিচারের দাবিতে সোচ্চার হন স্থানীয়রা। বিক্ষোভকারীদের স্লোগান, “এই সন্ত্রাসের পেছনে রয়েছে ইউনিফর্মধারীরাই”।

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য

    খাইগালা গ্রামেও স্থানীয় বাসিন্দারা বাজার বন্ধ রেখে মিছিল বের করেন। প্রতিবাদ জানান হিংসার। সংঘর্ষের পর বিভিন্ন এলাকায় শোনা যায় কান্নার রোল। আন্দোলনের নেতা তথা রাজনৈতিক কর্মী সর্দার আমান খান জানান, অধিকার আদায়ের সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া হবে, এবং পাকিস্তান তাদের অধিকারের দাবিদারদের ‘জঙ্গি’ বলে দেগে দিচ্ছে (POK)। সমাবেশে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) প্রতিনিধিরাও বক্তব্য রাখেন। তারা বিক্ষোভ দমনে কর্তৃপক্ষের ভূমিকার সমালোচনা করেন। নিহত ও আহতদের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও জানান তিনি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মানবাধিকার সংগঠনগুলির প্রতি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

    এদিকে, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে চলমান বিক্ষোভ দমনে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের কঠোর (Open Fire) পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে অভিযোগ করেছে, কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমন এবং মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে (POK)।

     

  • Mount Everest Expedition: কঠিন অভিযান! ৩০ বছর পর এভারেস্ট থেকে ফিরতে পারে ভারতীয় জওয়ানের দেহাবশেষ

    Mount Everest Expedition: কঠিন অভিযান! ৩০ বছর পর এভারেস্ট থেকে ফিরতে পারে ভারতীয় জওয়ানের দেহাবশেষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় তিন দশক আগে মাউন্ট এভারেস্টের ‘ডেথ জোন’-এ (Mount Everest Expedition) নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এক ভারতীয় জওয়ানের দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে আনতে ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ১৯৯৬ সালের ভয়াবহ এভারেস্ট বিপর্যয়ের সময় প্রাণ হারিয়েছিলেন ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (ITBP)-র ল্যান্স নায়েক দোরজি মরুপ। এবার তাঁর দেহাবশেষ উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে আইটিবিপি।

    অন্যতম কঠিন অভিযান

    পাহাড় আরোহন বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের ইতিহাসে অন্যতম কঠিন মৃতদেহ উদ্ধারের অভিযান হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই উচ্চতর পর্বতাঞ্চলে উদ্ধারকাজে দক্ষ সংস্থা নিয়োগের জন্য টেন্ডার জারি করেছে আইটিবিপি। সরকারি নথি অনুযায়ী, মরুপের দেহাবশেষ এভারেস্টের উত্তর ঢালে, তিব্বত-সংলগ্ন অংশে প্রায় ২৭,৭০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত বলে মনে করা হচ্ছে। এই অঞ্চলটি ‘ডেথ জোন’ নামে পরিচিত, যেখানে অক্সিজেনের মাত্রা এতটাই কম যে দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব। জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    ৩০ বছর ধরে হিমাঙ্কের নিচে দেহাবশেষ

    অভিযানের জন্য অন্তত ছয়জন অত্যন্ত দক্ষ নেপালি শেরপার প্রয়োজন হবে, যাঁদের অধিকাংশই এভারেস্টজয়ী এবং ৮,০০০ মিটারের ওপরে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ধারকাজের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। উদ্ধারকারী সংস্থাকে তিব্বতে চীনা প্রশাসনের অনুমতি সংগ্রহ, তিব্বত-নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে দেহাবশেষ পরিবহণ, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং প্রায় ৩০ বছর ধরে হিমাঙ্কের নিচে থাকা দেহাবশেষ সংরক্ষণের দায়িত্বও নিতে হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক রীতিনীতি মেনেই সম্পন্ন করতে হবে। ১৯৯৬ সালের ১০ মে এভারেস্টের উত্তর দিক দিয়ে শৃঙ্গ জয়ের চেষ্টা করছিলেন আইটিবিপি-র ছয় সদস্যের একটি দল। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে তিনজন ফিরে এলেও সুবেদার সেওয়াং সামানলা, ল্যান্স নায়েক দোরজি মরুপ এবং হেড কনস্টেবল সেওয়াং পালজোর এগিয়ে যান। পরে ভয়াবহ তুষারঝড়ে তাঁরা নিখোঁজ হয়ে যান এবং আর শিবিরে ফিরতে পারেননি।

    ‘ডেথ জোন’ থেকে মৃতদেহ উদ্ধার

    পরবর্তী সময়ে এভারেস্টের উত্তর-পূর্ব রিজের একটি গুহার কাছে পড়ে থাকা এক আরোহীর দেহ ‘গ্রিন বুটস’ নামে পরিচিতি পায়। মৃতদেহটির পায়ে থাকা সবুজ রঙের কফলাখ বুটের কারণেই এই নামকরণ। বহু বছর ধরে পর্বতারোহী মহলে বিতর্ক রয়েছে, ওই দেহটি আসলে সেওয়াং পালজোরের নাকি দোরজি মরুপের। তবে আইটিবিপি-র টেন্ডার নথিতে ‘গ্রিন বুটস’-এর উল্লেখ মরুপের নামের পাশেই থাকায় বাহিনীটি দেহটিকে মরুপের বলেই মনে করছে। উল্লেখ্য, ‘ডেথ জোন’ থেকে মৃতদেহ উদ্ধার বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পর্বতারোহী অভিযানের মধ্যে অন্যতম। উদ্ধারকারীদের তুষারধস, ঝড়, খাদে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা এবং অক্সিজেনের তীব্র অভাবের মতো বিপদের মুখোমুখি হতে হয়। এমন উচ্চতায় অল্প দূরত্বে একটি মৃতদেহ নামিয়ে আনতেও একাধিক শেরপার প্রয়োজন হয়। ফলে এই ঐতিহাসিক অভিযানের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে আগামী কয়েক মাসের আবহাওয়ার উপর।

  • PM Modi: ভারতে বিরাট অঙ্কের বিনিয়োগ করবে এয়ারট্রাঙ্ক, স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ভারতে বিরাট অঙ্কের বিনিয়োগ করবে এয়ারট্রাঙ্ক, স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো সম্প্রসারণে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল ব্ল্যাকস্টোন-সমর্থিত ডেটা সেন্টার সংস্থা এয়ারট্রাঙ্ক। এই ঘোষণাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মতে, এই বিনিয়োগ ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশকে ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এআইয়ের (AI) বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

    ডিজিটাল পরিকাঠামোর অগ্রগতি (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামোর অগ্রগতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এয়ারট্রাঙ্কের প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং ৫ গিগাওয়াট ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা দেশের ডিজিটাল পরিকাঠামোয় অন্যতম বৃহৎ প্রস্তাবিত বিনিয়োগ। তিনি এও লেখেন, এই ধরনের বিনিয়োগ ভারতের ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এআই খাতে বৈশ্বিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্থানীয় সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নয়ন এবং উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিরও সহায়ক হবে। তাঁর মতে, বিশ্বের ডিজিটাল অর্থনীতির ভবিষ্যৎ ক্রমশ ভারতের হাতেই গড়ে উঠছে।

    এয়ারট্রাঙ্কের বক্তব্য

    এয়ারট্রাঙ্ক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ কর্মসূচি ভারতের এআই এবং ক্লাউড পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশেও। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে এই বিনিয়োগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে, যা দেশকে বৈশ্বিক এআই ও ক্লাউড পরিকাঠামো বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্যে পরিণত করতে সাহায্য করবে।

    দীর্ঘমেয়াদি লগ্নি পরিকল্পনা

    চলতি বছরের এপ্রিল মাসে লুমিনা ক্লাউডইনফ্রা (Lumina CloudInfra) অধিগ্রহণের মাধ্যমে ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করে এয়ারট্রাঙ্ক। বর্তমানে মুম্বই, চেন্নাই এবং হায়দরাবাদে প্রায় ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডেটা সেন্টার উন্নয়ন প্রকল্প তাদের হাতে রয়েছে। এয়ারট্রাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান এক্সিকিউটিভ আধিকারিক রবিন খুদা জানান, কেন্দ্র ও বিভিন্ন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর ভারতকে ঘিরে তাদের দীর্ঘমেয়াদি লগ্নি পরিকল্পনা আরও সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “মূলধন সবসময় এমন জায়গায় যায় যেখানে উন্নয়নের অনুকূল পরিবেশ থাকে, আর ভারত সেই পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছে। সরকারের এআই-কেন্দ্রিক নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ এবং বিপুল নবায়নযোগ্য শক্তির প্রাপ্যতা আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে ভারতকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

    ডিজিটাল পরিকাঠামো প্রকল্প

    ভারত সফরকালে রবিন খুদা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি ছাড়াও মহারাষ্ট্র ও অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার, জলসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দ্রুত প্রকল্প অনুমোদনের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে আরও সমন্বয়ের মাধ্যমে বৃহৎ ডিজিটাল পরিকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ কীভাবে সহজ করা যায়, সেই বিষয়েও মতামত বিনিময় হয়েছে।

    রবিন খুদার বক্তব্য

    খুদা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল অর্থনীতির ভাবনা ভারতকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রযুক্তি বিনিয়োগের গন্তব্যে পরিণত করেছে।” তাঁর মতে, ভারতের পরিসর, প্রতিভা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেশটিকে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক এআই শক্তিকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম। সেই লক্ষ্য পূরণে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এয়ারট্রাঙ্ক সহযোগিতা করতে আগ্রহী। সংস্থার দাবি, বিশ্বজুড়ে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেসব দেশের শক্তিশালী ডিজিটাল পরিকাঠামো থাকবে, তারাই ভবিষ্যতে বেশি বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং উচ্চমূল্যের কর্মসংস্থান আকর্ষণ করতে পারবে।

     

  • Religious Conversion: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করলে ৫ লক্ষ টাকা! বিলাসপুরে ধর্মান্তকরণ চক্র, তদন্তের দাবিতে সরব ভিএইচপি

    Religious Conversion: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করলে ৫ লক্ষ টাকা! বিলাসপুরে ধর্মান্তকরণ চক্র, তদন্তের দাবিতে সরব ভিএইচপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের বিলাসপুর (Bilaspur) জেলার চাট্টিডিহ গ্রামে প্রলোভন দেখিয়ে গণ-ধর্মান্তকরণের (Religious Conversion) একটি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয় গ্রামবাসীদের দাবি, খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার জন্য তাঁদের পরিবার প্রতি নগদ ৫ লক্ষ টাকা, বিনামূল্যে পাকা বাড়ি এবং উন্নত চিকিৎসার টোপ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)-এর প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রশাসনের কাছে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

    দরিদ্র ও অনগ্রসর হিন্দু পরিবারগুলোকে টার্গেট (Religious Conversion)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই চাট্টিডিহ গ্রামের (Bilaspur) একটি বাড়িতে বহিরাগত কিছু ব্যক্তি যাতায়াত করছিল এবং সেখানে নিয়মিত প্রার্থনা সভার নামে গোপন বৈঠক চালানো হচ্ছিল। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এলাকার দরিদ্র ও অনগ্রসর হিন্দু পরিবারগুলোকে টার্গেট করে এই ধর্মান্তকরণ চক্র (Religious Conversion) চালানো হচ্ছিল। গতকালও ওই বাড়িতে একটি ধর্মান্তকরণ সভার আয়োজন করা হয়েছিল বলে খবর পান স্থানীয় হিন্দু যুবকরা। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদের জেলা ও ব্লক স্তরের পদাধিকারীরা গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতে চড়াও হন। ভিএইচপি নেতাদের দেখে ধর্মান্তকরণ চক্রের মূল পান্ডারা সেখান থেকে চম্পট দেয়। গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং জানান যে, তাঁদের দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে প্রলোভন দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল।

    বাইবেল বিলি করছিল

    ভিএইচপি-র স্থানীয় নেতা বলেন, “আমরা খবর পেয়েছিলাম যে চাট্টিডিহ গ্রামের (Bilaspur) একদল নিরীহ মানুষকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। আমরা এসে দেখি বহিরাগত কয়েকজন সেখানে প্রলোভনমূলক লিফলেট এবং বাইবেল বিলি করছিল।” এই ঘটনার পর বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে বিলাসপুর জেলা প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, এই ধর্মান্তকরণ চক্রের (Religious Conversion) পেছনে কোনও বড় আন্তর্জাতিক বা ভিন রাজ্যের অর্থায়ন রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে অবিলম্বে এফআইআর (FIR) দায়ের করে পুলিশি তদন্ত শুরু করা হোক। এলাকায় যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ প্রশাসন নজরদারি বাড়িয়েছে।

  • Bharuch Jama Masjid: ভরুচের জামা মসজিদের ভোঁয়রায় প্রাচীন হিন্দু ও জৈন মূর্তি! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আরও জোড়াল হচ্ছে হিন্দুপক্ষের দাবি

    Bharuch Jama Masjid: ভরুচের জামা মসজিদের ভোঁয়রায় প্রাচীন হিন্দু ও জৈন মূর্তি! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আরও জোড়াল হচ্ছে হিন্দুপক্ষের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের ভরুচের (Bharuch Jama Masjid) ঐতিহাসিক এবং বিতর্কিত জামা মসজিদের ভূগর্ভস্থ কক্ষে বা ভোঁয়রায় প্রাচীন হিন্দু ও জৈন দেবদেবীর মূর্তি (Ancient Hindu Jain Idols) থাকার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির পাশাপাশি ধর্মীয় মহলেও নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

    ইতিহাসকে কখনও মুছে ফেলা যায় না (Bharuch Jama Masjid)

    ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, মসজিদের মাটির তলার একটি গোপন কক্ষে ভগবান গণেশ, হনুমান এবং জৈন তীর্থঙ্কর মল্লিনাথের প্রাচীন ও খণ্ডিত মূর্তি রয়েছে। বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ওপিইন্ডিয়ার সঙ্গে আলাপকালে ভরুচের (Bharuch Jama Masjid)  বিশিষ্ট সন্ত স্বামী মুক্তানন্দ এই ভিডিওটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি দাবি করেন, “ভিডিওটি সম্পূর্ণ সত্য, এবং এটি হিন্দু সাধু-সন্তদের দীর্ঘদিনের দাবির পক্ষেই জোরালো প্রমাণ দেয়। ইতিহাসকে (Ancient Hindu Jain Idols) কখনও মুছে ফেলা যায় না এবং আজ সত্য সবার সামনে উন্মোচিত হয়েছে।” উল্লেখ্য, ভরুচের এই জামা মসজিদটি প্রাচীন হিন্দু ও জৈন মন্দির ভেঙে তৈরি করা হয়েছিল বলে দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন ও সাধু সমাজ। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই ওপিইন্ডিয়া এই দাবির সপক্ষে ঐতিহাসিক তথ্য-প্রমাণ ও নথি সহ একটি বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।

    নিয়ম বহির্ভূত সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ হোক

    স্বামী মুক্তানন্দের অভিযোগ, জামা মসজিদটি ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ASI)-এর সংরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভ হওয়া সত্ত্বেও সেখানে বেশ কিছু নিয়মের লঙ্ঘন করা হচ্ছিল। তাঁদের দাবি, পুরাতত্ত্ব বিভাগের নিয়ম মেনেই এই ঐতিহাসিক কাঠামোর (Bharuch Jama Masjid) রক্ষণাবেক্ষণ করা হোক এবং নিয়ম বহির্ভূত সমস্ত কাজকর্ম অবিলম্বে বন্ধ করা হোক। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্থানীয় প্রশাসন মসজিদ চত্বরে বেআইনিভাবে তৈরি করা একটি ‘অজু খানা’ (Wazu Khana) ভেঙে দিয়েছে এবং সমস্ত অবৈধ দখলদারিত্ব সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের প্রবেশ রুখতে ভূগর্ভস্থ ওই কক্ষে যাওয়ার একটি প্রবেশদ্বারও সিল করে দিয়েছে প্রশাসন। পুরাতত্ত্ব বিভাগ এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করলেও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা (Ancient Hindu Jain Idols) শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনও মন্তব্য করতে চায়নি প্রশাসনের তরফ থেকে।

  • Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি যদি অভিষেকের ওপরই নির্ভর করেন, তাহলে তাঁর সঙ্গেই থাকুন। আর যদি তাঁর থেকে দূরে সরে আসেন, তাহলে আমি আপনার পাশে আছি।” বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে এমনই বার্তা দিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata TMC Rebellion)। মমতার হাতে গড়া সাধের তৃণমূলে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকায় এমনিতেই শ্যাম রাখি না কূল দশা তৃণমূল সুপ্রিমোর।

    ‘ভাইপো কালচারে’র জের! (Mamata TMC Rebellion)

    এহেন আবহে কল্যাণের এই হুমকি বার্তায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তৃণমূলের মমতাপন্থী নেতারা। তৃণমূলে ‘ভাইপো কালচার’ শুরুর পর থেকেই বইতে শুরু করেছিল অশান্তির চোরাস্রোত। তবে সে সবকে কোনওদিনই পাত্তা দেননি (Kalyan Banerjee) দলনেত্রী। উল্টে সাপ এবং ব্যাঙ-দু’পক্ষকেই তাঁবে রাখতে একের পর এক ‘গেম’ খেলে গিয়েছেন তিনি। তবে তাতে যে বিশেষ কাজ হয়নি, তার প্রমাণ মিলল ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল গাড্ডায় পড়তেই। ভেঙে দু’খান হয়ে গেল কংগ্রেস ভাঙিয়ে তৃণমূল গড়ার ‘কারিগর’ মমতার দল।

    অভিষেককে নিশানা কল্যাণের

    এদিন কল্যাণ প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সই জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় তাঁর পরিবর্তে অন্য আইনজীবী নিয়োগ করাকে কেন্দ্র করে ‘ভাতিজা’র বিরুদ্ধে অসম্মান করার অভিযোগ তোলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। তিনি জানান, একজন সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে তাঁকে অপমান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আর তিনি যে অভিষেকের হয়ে কোনও মামলায় সওয়াল করবেন না, তাও জানিয়ে দেন এই তৃণমূল সাংসদ। অভিষেককে নিশানা করে কল্যাণ বলেন, “ওঁর অহংকারী মনোভাবের কারণেই দলের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। উনি কাউকেই সম্মান করতে জানেন না।” তিনি জানান, দলের প্রবীণ নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও, মমতা এখনও ফোন করেননি। তবে তিনি যে তৃণমূলের অন্যান্য সাংগঠনিক ও আইনি বিষয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন, তাও জানিয়ে দিয়েছেন এই আইনজীবী নেতা।

    ফাটল চওড়া হচ্ছে তৃণমূলে

    এদিকে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের ফাটল ক্রমেই চওড়া হচ্ছে। গত তিনদিনে পদত্যাগ করেছেন রাজ্যসভার তিন সাংসদ। বুধবার রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়েন প্রকাশ চিক বরাইক। ৮ জুন ইস্তফা দিয়েছিলেন সুখেন্দুশেখর রায়। আর ১০ জুন পদত্যাগ করেন সুস্মিতা দেব। প্রকাশ জানান, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মতামতকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরে তাঁকে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের বাসভবনে যেতে দেখা যায়, যা নিয়ে রাজনৈতিক জল্পনার পারদ আরও চড়েছে।এদিকে, তৃণমূলের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনও সংযুক্তির জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। যদিও বুধবার দিল্লিতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন (Mamata TMC Rebellion) অভিষেক। অন্যদিকে, বিদ্রোহী তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, তাঁদের সঙ্গে সমর্থন রয়েছে ৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন। বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, লোকসভায় ২০ জন সাংসদ পৃথক আসন বিন্যাসের দাবি জানিয়েছেন। এ থেকেই (Kalyan Banerjee) স্পষ্ট, তৃণমূলের ছত্রখান হওয়াটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

     

  • FIFA World Cup 2026: আজ শুরু ফুটবল বিশ্বকাপ, উদ্বোধনের আকর্ষণ শাকিরা! কখন-কোথায় দেখবেন মেসি-রোনাল্ডোদের?

    FIFA World Cup 2026: আজ শুরু ফুটবল বিশ্বকাপ, উদ্বোধনের আকর্ষণ শাকিরা! কখন-কোথায় দেখবেন মেসি-রোনাল্ডোদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বছর পর ফের উপস্থিত ফুটবলের মাহেন্দ্রক্ষণ। ২০২২ সালে কাতারে মেসির আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের পর ফের আজ, বৃহস্পতিবার শুরু হতে চলেছে ফিফা বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026)। এই বিশ্বকাপই শেষ বিশ্বকাপ হতে চলেছে অনেক তারকার, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম, লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, নেইমার জুনিয়র, লুকা মদ্রিচ প্রমুখ। ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ১২টায় প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি অন্যতম আয়োজক দেশ মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা (Mexico vs South Africa)। তার আগে রয়েছে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

    শাকিরার সুরে বিশ্বকাপের উদ্বোধন

    মেক্সিকো সিটিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ আন্তর্জাতিক পপস্টার শাকিরা (Shakira)। বিশ্বকাপ ফুটবল যেন কলম্বিয়ার তারকাকে ছাড়া অসম্পূর্ণ। বিশ্বকাপের থিম সং ‘দাই দাই’ গেয়েছেন শাকিরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেটাই পারফর্ম করবেন তিনি। তবে শাকিরা একা নন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের চমক বার্না বয় (Burna Boy), জে বালভিন (J Balvin), তাইলা মানা (Tyla, Maná), আলেজ়ান্দ্রো ফার্নান্দেজ় (Alejandro Fernández), বেলিন্দা (Belinda)। আয়োজক দেশ মেক্সিকোর সঙ্গীতের পাশাপাশি লাতিন পপ, রেগ্গায়েটন, অ্যাফ্রোবিটস, আমাপিয়ানো গাওয়া হবে। প্রথম ম্যাচের আগে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা ফিফা। ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ১০টায় শুরু হবে অনুষ্ঠান।

    তিনটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

     এ বারই প্রথম তিন দেশে তিনটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। তিনটি অনুষ্ঠানই দেখতে পাবেন ভারতের ফুটবলপ্রেমীরা। এই বিশ্বকাপের আয়োজক তিন দেশ অর্থাৎ মেক্সিকো, আমেরিকা ও কানাডাতেই হবে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। থাকবেন ভারতীয় অভিনেত্রী নোরা ফতেহীও।

    কোন কোন স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

    মেক্সিকো— এস্তাদিয়ো আজ়টেকা (মেক্সিকো সিটি) ১১ জুন ভারতীয় সময় রাত ১০.৩০ মিনিট থেকে হবে অনুষ্ঠান। তার পরেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

    কানাডা— বিএমও ফিল্ড (টরন্টো)  ১২ জুন ভারতীয় সময় রাত ১১টা থেকে শুরু অনুষ্ঠান। তার পর কানাডার মুখোমুখি বসনিয়া ও হারজেগোভিনা।

    আমেরিকা— সোফি স্টেডিয়াম (লস অ্যাঞ্জেলেস) ১৩ জুন ভারতীয় সময় ভোর ৫টা থেকে শুরু উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। তার পর আমেরিকার মুখোমুখি হবে পানামা।

    প্রথমবার খেলবে ৪৮টি দেশ

    এই বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলবে ৪৮টি দেশ। ১২টি গ্ৰুপে ভাগ করা হয়েছে এই দেশগুলিকে। প্রতি গ্ৰুপে রয়েছে ৪টি করে দল। প্রতি গ্রুপ থেকে প্রথম ২ দল যাবে রাউন্ড অফ ৩২-এ। সেই সঙ্গে যাবে সেরা আটটি তৃতীয় স্থানের দল। ২০১০ বিশ্বকাপেও দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকো। ১৬ বছর পর আবার মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই দেশ।

    ১৬টি ভেন্যুতে খেলা

    যেহেতু এই বিশ্বকাপের তিনটি আয়োজক দেশ, তাই তিনটি ম্যাসকট বানানো হয়েছে। ম্যাপল (কানাডা), জায়ু (মেক্সিকো) ও ক্লাচ (আমেরিকা)। এর মধ্যে ম্যাপল একটি গরু, জায়ু একটি জাগুয়ার ও ক্লাচ একটি ঈগল। বিশ্বকাপে তিন দেশ মিলিয়ে মোট ১৬টি ভেন্যুতে খেলা হবে। এর মধ্যে ১১টি মাঠ আমেরিকার, ৩টি মেক্সিকোর ও ২টি কানাডার।

    বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সমালোচনা

    বিশ্বকাপ আয়োজন করতে গিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে আমেরিকা। সেখানকার অভিবাসন নীতি বা ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ফিফা। বিশ্বকাপ শুরুর আগে সাংবাদিক বৈঠকে ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, আয়োজক দেশ নিরাপত্তা বা ভিসার ক্ষেত্রে কী নিয়ম করবে তা তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সেখানে ফিফার কিছু বলার নেই। ইনফান্তিনো বলেন, “আমার কথা বিশ্বাস করতে পারেন, বা না-ও করতে পারে। আমরা সব সমস্যার সমাধানের কথাই সব সময় ভেবেছি। কিন্তু আমরা তো বিশ্বের শাসক নই। আয়োজক দেশে নিরাপত্তা বা ভিসা নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবে সেটা তাদের বিষয়। আমরা ক্রীড়া সংস্থা। আমাদের কাজ খেলা ঠিক ভাবে হচ্ছে কিনা সেটা দেখা। বাকি বিষয়ে আমাদের হাত বাঁধা।”

    বলের নাম রাখা হয়েছে ত্রিয়োন্দা

    বিশ্বকাপ ২০২৬-এর বলের নাম রাখা হয়েছে ত্রিয়োন্দা। ২০২২ বিশ্বকাপের মতো এই বলেও থাকবে বিশেষ মাইক্রো চিপ। ১৪ গ্রাম ওজনের এই চিপের ক্ষমতা ৫০০ হার্ৎজ। প্রতি মুহূর্তে বলের পজিশন, গতিবেগ ও গতিপথ জানা যাবে এই চিপ থেকে, যা আরও সাহায্য করবে ফিফাকে। বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫ কোটি মার্কিন ডলার (ভারতীয় মূল্যে প্রায় ৪৭৭ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা)। রানার্স দল পাবে ৩ কোটি ৩০ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মূল্যে প্রায় ৩১৫ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা)। তৃতীয় স্থানের দল পাবে ২ কোটি ৯০ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মূল্যে প্রায় ২৭৭ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকা) ও চতুর্থ স্থানের দল পাবে ২ কোটি ৭০ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মূল্যে প্রায় ২৫৮ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা)।

    টিভিতে কোথায় লাইভ দেখবেন

    জি-৫ এই বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ব্রডকাস্টার। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি জি-৫-এর নতুন চালু হওয়া ইউনিট৮ স্পোর্টস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতে টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। প্রথম ম্যাচটি ডিডি স্পোর্টসে ফ্রি ডিশের মাধ্যমে বিনামূল্যে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। যদিও ডিডিতে শুধুমাত্র নির্বাচিত ম্যাচগুলিই দেখা যেতে পারে। পুরো টুর্নামেন্ট দেখতে হলে আপনাকে জি-৫-এর সাবস্ক্রিপশন নিতে হবে। টিভির জন্য কেবল অপারেটরকে বলতে হবে ইউনিট৮ চ্যানেলের কথা। ফিফা বিশ্বকাপের ম্যাচগুলির লাইভ স্ট্রিমিং জি-৫ অ্যাপ এবং ওয়েবসাইটে হবে, যার মাধ্যমে আপনি মোবাইল, ল্যাপটপ এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে টুর্নামেন্টটি দেখতে পারবেন।

  • Prakash Baraik: তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো, এবার রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা প্রকাশ চিক বরাইকের

    Prakash Baraik: তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো, এবার রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা প্রকাশ চিক বরাইকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের অন্দরে চলতে থাকা রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই রাজ্যসভার সদস্যপদে ইস্তফা দিলেন দলের প্রকাশ চিক বরাইক (Prakash Baraik)। বৃহস্পতিবার তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের রায়কে সম্মান জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রকাশ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যে মতামত দিয়েছেন, তা (BJP) মেনে নিয়েই আমি রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি।” প্রসঙ্গত, গত এক সপ্তাহে এটি তৃণমূলের তৃতীয় রাজ্যসভা সাংসদের পদত্যাগ। এর আগে ৮ জুন পদত্যাগ করেন সুখেন্দু শেখর রায়। তার ঠিক দুদিন পরে, ১০ জুন রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়েন সুস্মিতা দেব। এবার সেই তালিকায় উঠে গেল প্রকাশের নাম।

    বিজেপি সাংসদের বাড়িতে প্রকাশ (Prakash Baraik)

    এহেন পরিস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনাও উসকে দিয়েছেন প্রকাশ। এদিন ইস্তফাপত্র জমা দিয়ে প্রকাশ চলে যান বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের বাসভবনে। সেখানে তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে করা এক প্রশ্নের উত্তরে প্রকাশ বলেন, “সময়ই সব বলবে। এখনই কিছু বলতে চাই না। ভবিষ্যতে রাজনীতিতে কী করব, তা সময়ই ঠিক করবে।” তিনি জানান, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর কোনও ব্যক্তিগত ক্ষোভ নেই। তবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন বলেও ইঙ্গিত দেন প্রকাশ। ইস্তফার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের জনমত বিজেপির পক্ষেই ছিল। আমার নিজের এলাকায়ও তৃণমূল একটি আসনও জিততে পারেনি। উত্তরবঙ্গের ফলও আশানুরূপ হয়নি। সেই কারণেই আমি মনে করেছি, এই পদে আমার থাকা আর নৈতিকভাবে ঠিক নয়। তাই আমি সাংসদ পদ এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ—দুই থেকেই ইস্তফা দিয়েছি।”

    ক্রমেই চওড়া হচ্ছে তৃণমূলের ফাটল

    এদিকে, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হয়েছে বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন (Prakash Baraik), বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে কংগ্রেসের কোনও ধরনের সংযুক্তির প্রশ্নই নেই এবং গোটা বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ঋতব্রতের দাবি, তাঁদের শিবিরে এখন ৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে, যা আগের ৫৮ জনের তুলনায় বেশি। খুব শীঘ্রই তাঁরা স্পিকারের কাছে (Prakash Baraik) সমর্থনের চিঠি জমা দেবেন বলেও জানান তিনি।তৃণমূল কংগ্রেসে ধারাবাহিক পদত্যাগ ও বিদ্রোহী শিবিরের সক্রিয়তায় বঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি (BJP) নয়া মোড় নিতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

     

LinkedIn
Share