Tag: news in bengali

news in bengali

  • Hepatitis in India: হেপাটাইটিস আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থান ভারতের! টিকাকরণে ঘাটতিই কি বড় কারণ?

    Hepatitis in India: হেপাটাইটিস আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থান ভারতের! টিকাকরণে ঘাটতিই কি বড় কারণ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ক্রমশ বাড়ছে উদ্বেগ। সদ্যোজাত ও শিশুদের মধ্যে লিভারের রোগের দাপট বাড়ছে‌। বিশেষত দীর্ঘমেয়াদি এবং সংক্রামক লিভারের রোগের প্রকোপ বাড়ছে। তাই উদ্বেগ আরও বেশি। ওয়ার্ল্ড হেপাটাইটিস ডে-তে তাই চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সামাজিক সচেতনতার হার না বাড়ালে এবং স্বাস্থ্য সতর্ক না হলে আগামী দিনে আরও বড় বিপদ হতে পারে। তাঁরা আরেকটি মহামারির আশঙ্কা করছেন।
    ভারতে ক্রমশ বাড়ছে হেপাটাইটিস রোগের দাপট। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং একাধিক আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, হেপাটাইটিস আক্রান্তের নিরিখে ভারত বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। গত এক দশকে ভারতে হেপাটাইটিস বি এবং হেপাটাইটিস সি রোগের প্রকোপ বেড়েছে। উল্লেখযোগ্য হারে আক্রান্তের সংখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। হেপাটাইটিস এ এবং অন্যান্য হেপাটাইটিস সারিয়ে তোলা সহজ। কিন্তু হেপাটাইটিস বি এবং সি হলো দীর্ঘমেয়াদি রোগ। সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষমতা অনেক বেশি।

    মিলিয়েনিয়াম প্রজন্মের টিকাকরণে ঘাটতি বিপদ বাড়িয়েছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে হেপাটাইটিস বি এবং সি রোগে আক্রান্তের একটা বড় অংশ শিশু এবং সদ্যোজাত। অধিকাংশ আক্রান্ত তার মায়ের শরীর থেকে এই রোগে সংক্রামিত হয়েছেন। আবার অনেকের দীর্ঘদিন পরে রোগ চিহ্নিত হয়েছে। উপসর্গ বিশেষ না থাকায়, তাঁরা স্বাস্থ্য অবহেলা করেছেন। যার ফলে পরবর্তী কালে রোগ আরও জটিল আকার নিয়েছে।
    বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাকরণে ঘাটতি ভারতে হেপাটাইটিসের বোঝা বাড়াচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, কুড়ি-পঁচিশ বছর আগে ভারতে হেপাটাইটিসের টিকাকরণের হার একদম কম ছিল। এখন যাদের পঁচিশ -তিরিশ বছর বয়স, তাঁদের অনেকেই হেপাটাইটিস বি-র টিকাকরণ হয়নি। এখন গোটা দেশ জুড়ে শিশুদের জন্মের পরে হেপাটাইটিসের টিকা দেওয়া হয়। কিন্তু আগের প্রজন্মের অনেকের এই টিকা দেওয়া হয়নি। এর ফলে, তাদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। আর হেপাটাইটিস বি এবং সি-র মতো রোগ সহজেই মায়ের শরীর থেকে গর্ভস্থ শিশুর শরীরে সংক্রামিত হয়। তাই বর্তমানে ভারতে শিশুদের মধ্যে হেপাটাইটিসের দাপট দেখা দিচ্ছে।
    পাশপাশি প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকাকরণের হার এ দেশে এখনো উল্লেখযোগ্য ভাবে কম। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে প্রাপ্ত বয়স্কদের হেপাটাইটিস টিকাকরণের হার মাত্র ৩ শতাংশ। হেপাটাইটিসের প্রকোপ বাড়ার নেপথ্যে এটাও অন্যতম কারণ বলেই মনে করছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, টিকাকরণের হার না বাড়লে এই রোগের দাপট আটকানো কঠিন হয়ে যাবে।

    কীভাবে রোগ নির্ণয় হয়?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি উপসর্গ সম্পর্কে সজাগ থাকলেই রোগ নির্ণয় সহজ হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, লিভারে এই রোগ সংক্রামিত হলে, বমি ভাব, খিদে কমে যাওয়া, পেটের ডান দিকে ব্যথা হওয়া, ক্লান্তি ভাব দেখা দেবে। এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা করা উচিত নয়। বরং, চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। নির্দিষ্ট উপায়ে রক্ত পরীক্ষা করালে হেপাটাইটিস রোগ চিহ্নিত করা যায়। এর দ্রুত চিকিৎসাও করা যায়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, হেপাটাইটিস রোগ দীর্ঘমেয়াদি হলে লিভারের কার্যক্ষমতা সম্পূর্ণ চলে যেতে পারে। সিরোসিস হতে পারে। জীবন সংশয় ও দেখা দিতে পারে। তাই এই ধরনের রোগকে একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়।

    হেপাটাইটিস বি এবং সি নিয়ে কেন বাড়তি উদ্বেগ?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হেপাটাইটিস এ সাধারণত জলবাহিত রোগ। বর্ষার মরশুমে এই সংক্রামক রোগের দাপট বাড়ে। দূষিত জল থেকেই এই রোগ হয়। কিন্তু হেপাটাইটিস বি এবং সি আরও বেশি জটিল। এই রোগ একাধিক কারণে হতে পারে। মায়ের শরীর থেকে শিশুর শরীরে সংক্রামিত হওয়া ছাড়াও, এই রোগ রক্ত এবং যৌন সংস্পর্শ থেকেও ছড়াতে পারে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হেপাটাইটিস বি চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, এই রোগ কোনো উপসর্গ ছাড়াই দীর্ঘদিন আক্রান্তের শরীরে থাকতে পারে। যখন রোগ নির্ণয় হয়, তখন অনেক দেরি হয়ে যায়। ফলে চিকিৎসা আরও জটিল হয়ে যায়।

    হেপাটাইটিসের দাপট ঠেকাতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    ২৮ জুলাই ওয়ার্ল্ড হেপাটাইটিস ডে! এই উপলক্ষে দেশ জুড়ে একাধিক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি হেপাটাইটিসের মতো রোগ আটকানোর মূল হাতিয়ার বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ভারতে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ হেপাটাইটিস বি রোগে আক্রান্ত। প্রতি বছর এ দেশে ৫৫ লাখ মানুষ হেপাটাইটিস সি রোগে আক্রান্ত হন। ভারতে হেপাটাইটিসের দাপট ঠেকাতে মূল হাতিয়ার টিকাকরণ। এ দেশে হেপাটাইটিস বি এবং সি রোগের দাপট বেড়েছে। তাই লিভারের এই সংক্রামক রোগ ঠেকাতে টিকা করণ জরুরি। শিশুদের টিকা দেওয়ার পাশপাশি প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকাকরণে জোর দিতে হবে। তাঁদের পরামর্শ, প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকাকরণ না হলে হেপাটাইটিসের এই বোঝা ভারতে বাড়তে পারে। হেপাটাইটিস বি নিঃশব্দে মহামারির আকার নিতে পারে। তাছাড়া লিভার সুস্থ রাখতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাসে জোর দিতে হবে। আবার মদ্যপানের অভ্যাস ছাড়তে হবে। কারণ দেশ জুড়ে মদ্যপানে আসক্তি বাড়ছে। যা লিভারের একাধিক সংক্রমণের কারণ হয়ে উঠছে।

  • BJP: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রথম দিনই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, দাবি কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের

    BJP: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রথম দিনই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, দাবি কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিক্ষোভ (Student Protest) শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদে ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। অন্তত এমনই দাবি করলেন মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয় (BJP)। তাঁর বক্তব্য, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশেই তখন ইস্তফা দেননি প্রধান। পরে দল সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি পদত্যাগ করেন।

    কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের দাবি (BJP)

    শনিবার ইন্দোরে সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিজয়বর্গীয় বলেন, “ছাত্র আন্দোলন শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই ধর্মেন্দ্র প্রধান বিজেপি সভাপতিকে জানিয়েছিলেন, যদি দলের মনে হয় তাঁর ইস্তফা দেওয়া প্রয়োজন, তাহলে তিনি শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়তে প্রস্তুত।” বিজয়বর্গীয়র দাবি, সেই সময় বিজেপি সভাপতি প্রধানকে ইস্তফা দিতে বারণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এ বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে আর আলোচনা না করাই ভালো। মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রীর দাবি, পরে যখন দল সিদ্ধান্ত নেয় যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দেওয়া উচিত, তখন তিনি এক মুহূর্ত দেরি না করে পদত্যাগ করেন। ধর্মেন্দ্র প্রধানের প্রশংসা করে বিজয়বর্গীয় বলেন, তাঁর ওপর অর্পিত প্রতিটি দায়িত্ব তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন।

    “বিদেশি শক্তির” পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে

    একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ফলে সেই সব “বিদেশি শক্তির” পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে, যারা বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে ভারতে অস্থিরতা ছড়াতে চেয়েছিল। তাঁর কথায়, “ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা সেই বিদেশি শক্তির ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে, যারা হিংসা ছড়িয়ে ভারতকে অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল। তিনি যা করেছেন, তার জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই।” শনিবার নিট-ইউজি ২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে নৈতিক দায় স্বীকার করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপরই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম এবং (BJP) নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে টানা ৩৬ দিন ধরে চলা আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করে ককরোচ জনতা পার্টি। এই আন্দোলনে লক্ষাধিক মানুষ অংশ নিয়েছিল বলে দাবি উদ্যোক্তাদের।

    দায়িত্বে প্রহ্লাদ জোশী

    ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রবীণ বিজেপি নেতা প্রহ্লাদ জোশীকে। বর্তমানে তিনি ভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন এবং নব ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। শিক্ষামন্ত্রকের দায়িত্বের পাশাপাশি ওই মন্ত্রকগুলির দায়িত্বও তাঁর কাছেই থাকবে। নিট বিতর্কের পর পরীক্ষা ব্যবস্থায় একাধিক সংস্কার কার্যকর করার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই দায়িত্ব পেলেন জোশী। দায়িত্ব নিয়ে জোশী বলেন, “আমি কর্তব্যবোধ এবং বিনয়ের সঙ্গে এই দায়িত্ব নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। গত চার থেকে (Student Protest) পাঁচ বছরে ধর্মেন্দ্র প্রধান জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমি আমার সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করব (BJP)।”

     

  • Ayodhya Ram Mandir: রামমন্দিরে অনুদান তছরুপ-কাণ্ডের পর পবিত্রতা পুনঃস্থাপনে আয়োজিত ১০ দিনের প্রায়শ্চিত্তের আচার শেষ

    Ayodhya Ram Mandir: রামমন্দিরে অনুদান তছরুপ-কাণ্ডের পর পবিত্রতা পুনঃস্থাপনে আয়োজিত ১০ দিনের প্রায়শ্চিত্তের আচার শেষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার পূর্ণাহুতির মাধ্যমে শেষ হয়েছে অযোধ্যার রামমন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) অনুদান তছরুপ-কাণ্ডের জেরে শুরু হওয়া ১০ দিনের প্রায়শ্চিত্তের ধর্মীয় আচার। ১৫ জুলাই শুরু হওয়া এই আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল (Donation Theft) শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। মন্দিরের পবিত্রতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের শেষ দিনে মন্দিরে বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। ট্রাস্টের ট্রাস্টি মহন্ত দীনেন্দ্র দাস এবং কৃষ্ণ মোহন পূর্ণাহুতি দেন। পরে হয় ব্রাহ্মণ ভোজন। স্থানীয় ব্রাহ্মণদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল ভোজনের।

    ১০ দিনের ধর্মীয় আচার (Ayodhya Ram Mandir)

    মহন্ত দীনেন্দ্র দাস জানান, এই ১০ দিনের ধর্মীয় আচারে অযোধ্যার ৭০ জন বৈদিক আচার্য অংশ নিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, হোম, রুদ্রাভিষেক এবং রামার্চা পুজো হয়েছে। একই সঙ্গে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত পুরো সময়টা ধরে বিষ্ণুর সহস্রনাম পাঠ করেন। ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ স্বামী গোবিন্দ দেব গিরির নির্দেশে এই প্রায়শ্চিত্তের আচার সম্পন্ন হয়। ধর্মীয় প্রথা অনুযায়ী, মন্দিরে চুরি, অপবিত্রতা বা অনুরূপ কোনও ঘটনা ঘটলে তার পবিত্রতা পুনঃস্থাপনের জন্য এই ধরনের প্রায়শ্চিত্তের আচার পালনের বিধান রয়েছে। গত মাসে রামমন্দিরের অনুদানের অর্থ তছরুপের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। অনুদানের হিসাবপত্রে অসঙ্গতি ধরা পড়ার পর মন্দির কর্তৃপক্ষ পুলিশের দ্বারস্থ হন। পরে উত্তরপ্রদেশ সরকার এই ঘটনার তদন্তে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে।

    তদন্তকারীদের সন্দেহ

    বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রাথমিক ন’পাতার রিপোর্টে উঠে আসে, এটি বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়, নিরাপত্তা, নজরদারি এবং নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনায় একাধিক গুরুতর ত্রুটির সুযোগ নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে এই তছরুপ চলেছে। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, কয়েকজন কর্মী পোশাক ও জুতোর মধ্যে নগদ অর্থ লুকিয়ে বাইরে নিয়ে যেতেন। আবার তাঁদের সহকর্মীদের একাংশ এই কাজে সহযোগিতা করেছেন বা ঘটনাগুলি আড়াল করার চেষ্টা করেছেন বলেও তদন্তকারীদের সন্দেহ (Ayodhya Ram Mandir)। প্রতিবেদনে নগদ অনুদান গণনার প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। গণনাকক্ষে প্রবেশ বা বের হওয়ার সময় কর্মীদের যথাযথ তল্লাশি করা হত না। নির্ধারিত পোশাকবিধিও মানা হচ্ছিল না। এমনকি ব্যক্তিগত জিনিসপত্রও গণনাকক্ষে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি ছিল। এদিকে তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে। নগদ অনুদান গণনার সঙ্গে যুক্ত প্রায় ৩০ জন কর্মী এখন তদন্তকারীদের নজরে রয়েছেন। তাঁদের অতীত পরিচয় এবং আর্থিক লেনদেনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে (Donation Theft)।

    প্রায় পাঁচ দিন আগে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারের গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রতিবেদন জমা পড়ার পর নতুন করে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দেয়। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, নতুন বিশেষ তদন্তকারী দলের নেতৃত্বে একজন ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক থাকতে হবে। তাঁর মতে, এই তদন্ত এখন একটি নির্ণায়ক পর্যায়ে পৌঁছতে পারে (Ayodhya Ram Mandir)।

     

  • Hindus Under Attack: রাজস্থানে শিশু পাচারের অভিযোগ থেকে দিল্লি দাঙ্গা মামলার রায়, আইএস জঙ্গি নিয়োগ চক্রে চার্জশিট, আর কী?

    Hindus Under Attack: রাজস্থানে শিশু পাচারের অভিযোগ থেকে দিল্লি দাঙ্গা মামলার রায়, আইএস জঙ্গি নিয়োগ চক্রে চার্জশিট, আর কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের (Hindus Under Attack) ওপর হামলা। এক সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের বহু অঞ্চলে হিন্দুদের ওপর (Roundup Week) নির্যাতনের পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা ধীরে ধীরে গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশ হিন্দুদের ওপর হওয়া হামলার প্রকৃত ব্যাপ্তি ও গভীরতাকে উপেক্ষা করে এসেছে। এর পেছনে হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতমূলক মনোভাব কাজ করছে বলেও দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হিন্দুদের বিরুদ্ধে খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা, প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য-সহ নানা ধরনের নির্যাতনের অভিযোগ সামনে এসেছে। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দুদের অস্তিত্ব ও ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্রমশ আরও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। ১৯ জুলাই থেকে ২৫ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত সময়কালের ঘটনাবলির ভিত্তিতে তৈরি এই সাপ্তাহিক প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য, হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বলে অভিযোগ ওঠা অপরাধগুলির একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা এবং এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে বিশ্বের আরও বেশি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।

    ধর্মীয় উত্তেজনায় চাঞ্চল্য (Hindus Under Attack)

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, ধর্মীয় উত্তেজনা এবং প্রশাসনিক অভিযানের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজস্থানে আদিবাসী শিশুদের পাচারের অভিযোগ, ২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লি দাঙ্গায় গোয়েন্দা বিভাগের কর্মী অঙ্কিত শর্মা হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া, চেন্নাইয়ে হিন্দু মুন্নানির নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, বিহারে এক স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, আইএস জঙ্গি নিয়োগ চক্রে এনআইএর চার্জশিট, তামিলনাড়ুর এক মন্দিরের জমি নিয়ে বিতর্ক এবং মহারাষ্ট্রে খাদ্য সুরক্ষা আইনে একটি বেকারি বন্ধ করে দেওয়ার মতো ঘটনাগুলি সামনে এসেছে।

    শিশু পাচারের অভিযোগ

    বিনামূল্যে শিক্ষাদানের টোপ দিয়ে রাজস্থানের উদয়পুর জেলা থেকে তামিলনাড়ুতে পাচার করা হচ্ছিল সাত আদিবাসী শিশুকে। খবর পেয়ে উদ্ধার করা হয় তাদের। উদ্ধার হওয়া শিশুদের মধ্যে দুজন মেয়ে এবং পাঁচজন ছেলে। তাদের বয়স সাত থেকে বারো বছরের মধ্যে। গোয়া রেল পুলিশ শিশুদের উদ্ধার করে। অভিযোগ, রাজস্থান, গুজরাট এবং গোয়া হয়ে তামিলনাড়ু পর্যন্ত বিস্তৃত একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই পাচারের সঙ্গে জড়িত। অভিযোগ, ধর্মান্তরের উদ্দেশ্যে এই নেটওয়ার্ক কাজ করছিল (Hindus Under Attack)। এদিকে, ২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লির দাঙ্গায় গোয়েন্দা বিভাগের কর্মী অঙ্কিত শর্মা হত্যাকাণ্ডে আম আদমি পার্টির প্রাক্তন কাউন্সিলর (Roundup Week) তাহির হুসেন-সহ পাঁচজনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে দিল্লির একটি আদালত। এই মামলার রায়কে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    বাছুর জবাইয়ের অভিযোগ

    তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে হিন্দু মুন্নানির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শ্রী শিবাজি অভিযোগ করেন, বাছুর জবাইয়ের খবর পেয়ে তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান এবং ঘটনাস্থলে পুলিশকে নিয়ে যান। অভিযোগ, এরপর প্রায় ২০০ জন মুসলিম ধর্মাবলম্বী সেখানে জড়ো হয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। তাঁর গাড়ি কেড়ে নেওয়া হয়, দেওয়া হয় প্রাণনাশের হুমকি। পুলিশের উপস্থিতিতেই ঘটনাটি ঘটেছে বলেও অভিযোগ (Hindus Under Attack)। বিহারের ছাপরা শহরের একটি বেসরকারি স্কুলের অঙ্কের শিক্ষক ইনাম রাজার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এক হিন্দু ছাত্রীর পরিবারের তরফে এমন অভিযোগ পেয়ে ওই শিক্ষককে ভগবান বাজার থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। এই ঘটনায় দায়ের হয়েছে এফআইআর, চলছে তদন্তও। ঘটনার জেরে বেসরকারি ওই স্কুলটির ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

    এনআইএর চার্জশিট

    অন্যদিকে (Roundup Week), জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ পাঁচজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে। অভিযোগ, তারা আইএস জঙ্গি সংগঠনের সক্রিয় সদস্য। তারা বেঙ্গালুরুর যুবকদের চিহ্নিত করা, উগ্রপন্থায় প্রভাবিত করা এবং জঙ্গি সংগঠনে নিয়োগের ষড়যন্ত্রে জড়িত। তদন্তকারীদের দাবি, “ইকরা ক্যাম্প” নামে ব্যক্তিত্ব বিকাশ শিবির এবং নিয়মিত কোরআন পাঠ চক্রের আড়ালে মতাদর্শগত প্রভাব বিস্তার ও নিয়োগের কাজ চলত (Hindus Under Attack)। তামিলনাড়ুর বেদারণ্যমের বেদারণ্যেশ্বরের মন্দিরের হাজার হাজার একর জমি এবং অন্যান্য সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে দখল, বিতর্ক বা আইনি জটিলতায় আটকে রয়েছে বলে সরকারি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। করুর ইনাম জমি বিতর্কের মধ্যেই এই বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।

    বেকারি বন্ধ

    মহারাষ্ট্রের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ের মোশি এলাকার আকসা বেকারি বন্ধ করে দিয়েছে মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন। খাদ্য সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে ওই বেকারি পরিদর্শনের পর অবিলম্বে সেটি বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, গত পাঁচ বছর ধরে বেকারির আড়ালে সেখান থেকে চালানো হচ্ছিল একটি অবৈধ গোমাংস কষাইখানা। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই প্রশাসনের এই পদক্ষেপ বলে খবর (Hindus Under Attack)। বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অধিকাংশ ঘৃণাপ্রসূত অপরাধের পেছনে নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা এবং রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দুবিদ্বেষ কাজ করে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুবিদ্বেষ প্রকাশ্য হলেও, আপাতদৃষ্টিতে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির, যেমন ভারতের, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং জনপরিসরেও হিন্দুদের প্রতি এক ধরনের সূক্ষ্ম বিদ্বেষ বিদ্যমান। এই পরিবেশই হিন্দুবিদ্বেষ এবং হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাপ্রসূত অপরাধ সংঘটিত হওয়ার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করে বলে অভিযোগ।

    দ্বৈত মানদণ্ড কেন?

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই ধরনের সূক্ষ্ম ও দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না। তবে প্রচলিত আইন, নীতি এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন ঘটনার ধারা বিশ্লেষণ করলে তার উপস্থিতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলির সময় আতশবাজি বা পটকা ফাটানোর ওপর ধাপে ধাপে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনের দাবি, আপাতভাবে এই নিষেধাজ্ঞাকে পরিবেশ দূষণ রোধের পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর (Roundup Week) আরোপিত বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং সেই সিদ্ধান্তগুলির পক্ষে পর্যাপ্ত ও যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যার অভাব পর্যালোচনা করলে দ্বৈত মানদণ্ডের বিষয়টি জলের মতো স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Hindus Under Attack)।

     

  • Journalists Attack: ছাত্র সমাবেশে দুষ্কৃতীদের ভিড়! সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১১

    Journalists Attack: ছাত্র সমাবেশে দুষ্কৃতীদের ভিড়! সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় ছাত্র সমাবেশ চলাকালীন হিংসা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার (Journalists Attack) ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। গত ২৪ জুলাই হামলা হয় সাংবাদিকদের ওপর (Rally Violence)। শনিবার গ্রেফতারির খবর জানিয়েছেন পুলিশ কর্তারা। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) কুণাল আগরওয়াল জানান, যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা কেউই ছাত্র নন।

    সাংবাদিক পিটিয়ে গ্রেফতার ১১ (Journalists Attack)

    তিনি বলেন, “হিংসা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা কেউই ছাত্র নয়। তারা সকলেই গোলমাল সৃষ্টি করেছিল। ছাত্র সংগঠনের সমাবেশে উপস্থিত থেকে তারা ভাঙচুর ও হিংসাত্মক ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছিল।” গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— ইরফান খুরশেদ (৩০), আরশাদ আলি ওরফে সাজিদ (৫০), মহম্মদ মইনুদ্দিন (২৬), মহম্মদ আলমগীর ওরফে রাজু (৪৮), ইমরান আহমেদ ওরফে গোপী (১৯), খালিদ রেজা ওরফে রিঙ্কু (৪৭), জামির আহমেদ ওরফে মিনকু (৪২), মহসিন খান (৩০) এবং দীপক ভৌমিক ওরফে ভিকি (৩৮)। এছাড়াও গ্রেফতার করা হয়েছে জনৈক মহম্মদ আজাদ ও মহম্মদ আফরোজকে। পুলিশের দাবি, “মহম্মদ আজাদ ও মহম্মদ আফরোজ পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে অন্ডালের কাছে তাদের আটক করা হয়।”

    কী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

    এর আগে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কলকাতায় নিট আন্দোলনের সময় পুলিশকর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর “নৃশংস হামলা”র তীব্র নিন্দা করেন। কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে জখম হওয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় তিনি জানান, আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তাঁদের সর্বোত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন (Journalists Attack)। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ কলকাতায় দুষ্কৃতীদের হাতে পুলিশকর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। একাধিক আহত সাংবাদিক বর্তমানে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমি হাসপাতালে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে দেখা করেছি এবং শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছি। তাঁদের সর্বোত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছি। ঘটনায় জড়িত প্রত্যেক দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কলকাতা পুলিশের কমিশনারকে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।”

    উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে দিল্লির যন্তর মন্তরে চলা আন্দোলনের সমর্থনে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। অল ইন্ডিয়া ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের ব্যানারে আয়োজিত এক (Rally Violence) বিক্ষোভে কয়েকজন আন্দোলনকারীকে বোতল ছুড়তেও দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ (Journalists Attack)।

     

  • Amit Shah: শিক্ষার্থীদের স্বার্থে শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়েন ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ অমিত শাহ

    Amit Shah: শিক্ষার্থীদের স্বার্থে শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়েন ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। সেই কারণে তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি জানান, বিজেপির কাছে কোনও পদ নয়, দেশ, যুবসমাজ এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সর্বাগ্রে। এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে শাহ লেখেন, “ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের কাছে দেশ, আমাদের যুবসমাজ এবং শিক্ষার্থীরা যে কোনও পদের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আজ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা সেই আদর্শেরই প্রতিফলন।”

    ধর্মেন্দ্র প্রধানের ভূয়সী প্রশংসা (Amit Shah)

    তিনি আরও বলেন, “মোদি সরকার দেশের যুবসমাজের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়। আমি সম্পূর্ণ নিশ্চিত, এই পদক্ষেপ নিট পরীক্ষায় সফল সমস্ত পড়ুয়ার জন্য পূর্ণ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।” শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের কাজেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন শাহ। তাঁর কথায়, “জাতীয় শিক্ষানীতির কার্যকর বাস্তবায়ন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী বিদ্যালয়গুলির সম্প্রসারণ, ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারে ধর্মেন্দ্র প্রধান গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করেছেন। উন্নত ভারত গড়ার সংকল্প বাস্তবায়নে তাঁর মেয়াদ স্মরণীয় হয়ে থাকবে (Amit Shah)।”

    শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া

    এদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, তাঁর “মন ভারাক্রান্ত”। এক্সে করা পোস্টে তিনি লেখেন, “আজ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেওয়ায় আমার মন ভারাক্রান্ত। জনজীবনে অনেক সময় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কিন্তু দেশ গঠনে তাঁর অবদান বহু প্রজন্ম মনে রাখবে।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-এর মাধ্যমে তিনি এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেছেন, যা প্রাথমিক শিক্ষার ভিত শক্তিশালী করে, বহুমাত্রিক শিক্ষাকে উৎসাহ দেয় এবং বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতার উপযোগী দক্ষতায় দেশের যুবসমাজকে গড়ে তোলে। তাঁর লক্ষ্য শুধু শিক্ষা দেওয়া নয়, ভারতীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি করা।”

    ধর্মেন্দ্র প্রধানের বক্তব্য

    প্রসঙ্গত, ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে (Dharmendra Pradhan) এবং পরীক্ষায় অনিয়ম নিয়ে চলা আন্দোলনকে যাতে “দেশবিরোধী শক্তি” কাজে লাগাতে না পারে, সেই কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন (Amit Shah)।

     

  • Kargil Vijay Diwas: কার্গিল বিজয় দিবস, ভারতীয় সেনার বিজয়গাথা আজও জাতির প্রেরণা

    Kargil Vijay Diwas: কার্গিল বিজয় দিবস, ভারতীয় সেনার বিজয়গাথা আজও জাতির প্রেরণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৬ জুলাই। ফি বছর এই দিনটি পালিত হয় কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas) হিসেবে। এটি কেবল একটি সামরিক জয়ের (Indias Immortal Symbol) স্মরণ নয়, বরং দেশের সেই অমর বীরদের প্রতি জাতির শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা এবং অটল সংকল্পের প্রতীক, যাঁরা নিজেদের রক্ত দিয়ে ভারতের তেরঙ্গার সম্মান, মর্যাদা ও গৌরব রক্ষা করেছিলেন। এই দিনটি মনে করিয়ে দেয়, স্বাধীনতা একবার অর্জন করলেই তার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না, প্রতিটি প্রজন্মকে কর্তব্যবোধ, সাহস এবং আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়ে সেই স্বাধীনতা রক্ষা করতে হয়।

    কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas)

    কিছু বিজয় শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে অর্জিত হয় না, বরং জাতির আত্মায় অমর হয়ে থাকে। সেগুলি প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে, জাতীয় চরিত্র গঠনে অবদান রাখে এবং এই বিশ্বাস জাগিয়ে তোলে যে মাতৃভূমির সম্মান বিপন্ন হলে ভারতীয় সেনা হিমালয়ের মতোই অটল থেকে দেশের মর্যাদা রক্ষা করবে। কার্গিল বিজয় এমনই এক অমর গাথা। এটি শুধু দুর্গম পাহাড়চূড়া পুনর্দখলের ইতিহাস নয়, বরং ভারতের সেই অদম্য জাতীয় সংকল্পের প্রতীক, যা গোটা বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছিল—ভারত শান্তির পক্ষপাতী হলেও, সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং আত্মমর্যাদা রক্ষায় যে কোনও চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীরা কার্গিল, দ্রাস, বাটালিক এবং টোলোলিং এলাকার দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল অবৈধভাবে দখল করে ভারতের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৮ হাজার ফুট উচ্চতায় হিমাঙ্কের নীচে তাপমাত্রা, অক্সিজেনের ঘাটতি এবং শত্রুপক্ষের কৌশলগত সুবিধার মতো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও ভারতীয় সেনা অসাধারণ সাহস, ধৈর্য ও সামরিক কৌশলের পরিচয় দিয়েছিল।

    অপারেশন বিজয়

    ‘অপারেশন বিজয়ে’র মাধ্যমে ভারতীয় সেনারা একে একে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ শৃঙ্গে ফের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। এর মাধ্যমে তাঁরা প্রমাণ করেছিলেন, দেশের এক ইঞ্চি জমিও রক্ষার প্রশ্নে ভারতীয় সেনার সঙ্কল্প কখনও নড়চড় হবে না। কার্গিলের বরফঢাকা দুর্গম পাহাড়ে ভারতীয় জওয়ানরা অসীম সাহস, অতুলনীয় বীরত্ব এবং সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের মাধ্যমে পাকিস্তানের অনুপ্রবেশ ও সামরিক দুঃসাহসিকতার জবাব দিয়েছিলেন। এই বিজয় শুধু সামরিক সাফল্য নয়, বরং ভারতীয় সেনার দেশপ্রেম, বীরত্ব এবং আত্মবলিদানের এক অমর ইতিহাস। রাজস্থানের ভূমি বরাবরই বীরত্ব ও আত্মত্যাগের জন্য পরিচিত। মহারানা প্রতাপ, বীর দুর্গাদাস রাঠোর, পৃথ্বীরাজ চৌহান, পান্না ধাই, হাড়ি রানির মতো অসংখ্য বীর ব্যক্তিত্বের উত্তরাধিকার বহনকারী এই রাজ্য থেকে বহু সেনা কার্গিল যুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন। অসংখ্য পরিবার তাঁদের সন্তানদের দেশের প্রতিরক্ষার জন্য উৎসর্গ করেছে। তাঁদের আত্মত্যাগ সমগ্র রাজস্থানের গর্ব এবং প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।

    ‘কার্গিল শৌর্য বাতিকা’

    এই ভাবনা থেকেই রাজস্থান বিধানসভা প্রাঙ্গণে গড়ে তোলা হয়েছে ‘কার্গিল শৌর্য বাতিকা’ এবং ‘নক্ষত্র’ ও ভেষজ উদ্যান। এগুলি কেবল সৌন্দর্যায়নের প্রকল্প নয়, বরং গণতন্ত্র, দেশপ্রেম, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার প্রতীক। কার্গিল যুদ্ধের শহিদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত এই শৌর্য বাতিকায় শহিদ সেনাদের স্ত্রীদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখানে মোট ১,১০০টি চারা রোপণ করা হয়েছে, যাতে শহিদদের স্মৃতিকে পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তার সঙ্গে যুক্ত করা যায় (Kargil Vijay Diwas)। বিধানসভা কেবল আইন প্রণয়নের স্থান নয়, সমাজকে অনুপ্রাণিত করারও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান (Indias Immortal Symbol)। সেই কারণে কার্গিল শৌর্য বাতিকার মতো উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের কাছে দেশসেবা, আত্মত্যাগ এবং কর্তব্যবোধের বার্তা পৌঁছে দেয়। সংবিধান, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মহান ব্যক্তিত্ব এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে নেওয়া অন্যান্য উদ্যোগও বিধানসভা প্রাঙ্গণকে অনুপ্রেরণার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলছে। রাজস্থান বিধানসভা দেশের অল্প কয়েকটি বিধানসভার মধ্যে অন্যতম, যেখানে গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি দেশপ্রেম, পরিবেশ সচেতনতা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সমন্বিত চিত্র স্পষ্টভাবে দেখা যায় (Kargil Vijay Diwas)।

    আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা

    বর্তমানে ভারত আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা উৎপাদন, আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি এবং সীমান্ত পরিকাঠামো শক্তিশালী করার পথে এগিয়ে চলেছে। এই যাত্রাপথে কার্গিলের বীর শহিদদের আত্মত্যাগ আজও জাতিকে অনুপ্রাণিত করে। তাঁদের ত্যাগ মনে করিয়ে দেয়, দেশ গড়ার কাজ শুধু সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকা সেনার একার নয়। একজন শিক্ষক মূল্যবোধ শেখান, কৃষক খাদ্য উৎপাদন করেন, বিজ্ঞানী নতুন উদ্ভাবন করেন, চিকিৎসক মানুষের জীবন বাঁচান, সেনা সীমান্ত রক্ষা করেন এবং জনপ্রতিনিধি নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবা করেন—সব মিলিয়েই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে ওঠে (Kargil Vijay Diwas)। কার্গিল বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া, সংবিধানের আদর্শে অটল থাকা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করা, পরিবেশ সংরক্ষণকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তোলা এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা, সেবাভাব ও কর্তব্যনিষ্ঠার মূল্যবোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    “দেশ সবার আগে”

    কার্গিলের অমর বীরদের প্রদর্শিত বীরত্ব শুধু ভারতের ইতিহাসের একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় নয়, বরং দেশের ভবিষ্যতের জন্য এক চিরন্তন আলোকবর্তিকা। তাঁদের আত্মত্যাগ আমাদের শেখায়, স্বাধীনতা শুধু অর্জন করলেই হয় না, প্রতিটি প্রজন্মকে কর্তব্য, শৃঙ্খলা এবং দেশসেবার মাধ্যমে তা রক্ষা করতে হয়। কার্গিল বিজয় দিবসে “দেশ সবার আগে” এই আদর্শকে জীবনের মূলমন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করে একটি শক্তিশালী, সমৃদ্ধ, আত্মনির্ভর, উন্নত এবং গৌরবময় (Indias Immortal Symbol) ভারত গড়ার প্রত্যয়ই হবে কার্গিলের অমর শহিদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধাঞ্জলি (Kargil Vijay Diwas)।

     

  • JP Nadda: পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির, দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রের

    JP Nadda: পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির, দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার-সহ বিভিন্ন দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় সরকার তাদের দাবিগুলি নীতিগতভাবে বিবেচনা ও গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। শনিবার সংবিধান ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান (CJP), পরীক্ষা সংস্কার সংক্রান্ত সংগঠনের পাঁচ দফা দাবিপত্র সরকার গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখবে এবং প্রতিনিধিদের সঙ্গে আরও আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে।

    সরকার সহানুভূতিশীল (JP Nadda)

    নাড্ডা বলেন, “আপনারা যে পাঁচ দফা দাবিপত্র আমাকে দিয়েছেন, তা শিক্ষা পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার সংক্রান্ত। এই প্রস্তাবগুলি আমরা গভীরভাবে বিবেচনা করব এবং আপনাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে যতটা সম্ভব তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। সরকার আপনাদের সমস্ত দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাব দেখিয়েছে এবং সেগুলি গ্রহণ করেছে।” আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। নাড্ডা বলেন, “আন্দোলনকারীদের সংশ্লিষ্ট এফআইআরগুলির অনুলিপি দেওয়া হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।” ক্ষতিপূরণের দাবি প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির প্রতি সহানুভূতিশীল। প্রচলিত নিয়ম ও বিধি অনুযায়ী তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং যতটা সম্ভব সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”

    সরকারের আশ্বাস

    তিনি এও বলেন, “আজ দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আন্দোলন চলাকালীন দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়ে তারা লিখিতভাবে চার দফা প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি আরও দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে—কোনও প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং তাদের পাঁচ দফা দাবিপত্র বিবেচনা করা হবে। আমরা এফআইআরের অনুলিপি দেব এবং কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। ক্ষতিপূরণের বিষয়েও সরকার স্পষ্ট করেছে যে আমরা সহানুভূতিশীল এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদের সর্বোচ্চ সম্ভব ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে (JP Nadda)।” বৈঠক শেষে ককরোচ জনতা পার্টি জানিয়েছে, সরকারের আশ্বাসের ভিত্তিতে “সদিচ্ছার সঙ্গে” তারা যন্তর মন্তরে চলা টানা ৩৭ দিনের আন্দোলন প্রত্যাহার করছে। সংগঠনের প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, “ককরোচ জনতা পার্টি সদিচ্ছার সঙ্গে আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করছে। সরকারের সঙ্গে যে বিষয়গুলিতে ঐকমত্য হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সেগুলি কার্যকর হবে—এই বিশ্বাস থেকেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    মৃতদের পরিবারকেও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ

    সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার নিট পরীক্ষার্থীদের আত্মহত্যায় মৃতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহারেরও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সিজেপি সরকারকে পাঁচ দফা দাবিপত্র দিয়েছে। চার সপ্তাহ পর উভয় পক্ষের মধ্যে পরবর্তী দফার বৈঠক হবে বলেও জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে টানা বিক্ষোভের জেরে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। পরীক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং (CJP) সংস্কারের দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলন ক্রমশ জোরদার হওয়ার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। প্রধানের (JP Nadda) দাবি, ছাত্রদের স্বার্থে এবং চলমান আন্দোলনকে “দেশবিরোধী শক্তি” যেন কাজে লাগাতে না পারে, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

     

  • Elderly Man Confronts: যন্তর মন্তরে ‘আরশোলা’দের বিক্ষোভের তাল কেটে দিলেন প্রবীণ, সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়ার বদলে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রবীণ

    Elderly Man Confronts: যন্তর মন্তরে ‘আরশোলা’দের বিক্ষোভের তাল কেটে দিলেন প্রবীণ, সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়ার বদলে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রবীণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনার জেরে (CJP) ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে (Elderly Man Confronts)। বিক্ষোভ মঞ্চে সরকারবিরোধী বার্তা তুলে ধরতে এক প্রবীণ ব্যক্তিকে সামনে আনা হয়েছিল। তবে তিনি সরকার-বিরোধী কিছু না বলে, উল্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হওয়ায় পুরো পরিস্থিতি নেয় নাটকীয় মোড়। ঘটনায় সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এবং তাঁর সমর্থকরা অস্বস্তিতে পড়ে যান।

    ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে হাজির প্রবীণ (Elderly Man Confronts)

    জানা গিয়েছে, যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ চলাকালীন হুইলচেয়ারে করে এক প্রবীণ ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হন। তাঁকে দেখে বিক্ষোভকারীদের একাংশ মনে করেন, তিনি সম্ভবত সরকারের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখবেন। সেই প্রত্যাশা থেকেই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ নিজেই মঞ্চ থেকে নেমে এসে ওই প্রবীণকে স্বাগত জানান এবং তাঁকে বিক্ষোভকারীদের কাছে নিয়ে আসেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই প্রবীণ ব্যক্তিকে মঞ্চের সামনে আনার পর বিক্ষোভকারীদের একাংশ তাঁকে ঘিরে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে শুরু করেন। অভিযোগ, তাঁরা সরাসরি “মোদি চোর” বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন, এবং ওই প্রবীণ ব্যক্তিকেও সেই স্লোগানে গলা মেলাতে পীড়াপীড়ি করছিলেন।

    চুপ!

    ঘটনার মোড় ঘুরে যায় ঠিক সেই মুহূর্তেই। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সুর মেলানোর পরিবর্তে ওই প্রবীণ ব্যক্তি তাঁদের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি উপস্থিত বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “একদম চুপ করে থাকুন। প্রধানমন্ত্রী মোদি চোর নন।” তিনি (Elderly Man Confronts) আরও বলেন, “নরেন্দ্র মোদি তোমাদের বয়সের থেকেও বেশি সময় ধরে দেশের সেবা করে চলেছেন। তিনি বারো বছর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তারপর থেকে টানা দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি একজন সৎ মানুষ।” প্রবীণ ব্যক্তির এই মন্তব্যে বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত লোকজন হকচকিয়ে যান। মুহূর্তের মধ্যেই বিক্ষোভের পরিবেশ বদলে যায়। যাঁরা তাঁর কাছ থেকে সরকারবিরোধী বক্তব্য প্রত্যাশা করেছিলেন, তাঁদের সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায় বলেই খবর। শুধু প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায়ই থেমে থাকেননি তিনি। দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “ব্যবস্থার ভেতরে বসে থাকা কিছু মানুষের কারণেই নরেন্দ্র মোদির নাম খারাপ হচ্ছে। তোমরা এই ধরনের কথা বলে বোকামি করছ।” এই মন্তব্যের পর বিক্ষোভ মঞ্চে কিছু সময়ের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অভিজিৎ এবং তাঁর সমর্থকেরা কার্যত নীরব হয়ে যান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতেও দেখা যায়, প্রবীণ ব্যক্তির বক্তব্যের সময় উপস্থিত অনেকেই হাঁ করে তাঁর কথা শুনছেন।

    ভাইরাল ভিডিওয় ইউজারদের প্রতিক্রিয়া

    এমন ‘অপ্রীতিকর’ ঘটনার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইউজারদের একাংশের দাবি, ওই প্রবীণ ব্যক্তি নিজের মত স্বাধীনভাবে প্রকাশ করেছেন, এবং রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করেননি। আর একাংশের বক্তব্য, একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বা বিচ্ছিন্ন ঘটনার ভিত্তিতে গোটা বিক্ষোভ কর্মসূচি সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো উচিত নয়। প্রসঙ্গত, যন্তর মন্তর দীর্ঘদিন (Elderly Man Confronts) ধরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং নাগরিক আন্দোলনের অন্যতম প্রতিবাদস্থল হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সময়ে নানা দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় নয়া সংযোজন ককরোচ জনতা পার্টির কর্মসূচি পালনও। অবশ্য ভাইরাল হওয়া ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ওই প্রবীণ ব্যক্তির পরিচয়, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ভিডিও এবং ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াও মেলেনি।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে কোনও জনসমাবেশ বা বিক্ষোভে ঘটে যাওয়া এমন ঘটনাগুলি মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় এবং তা জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে (CJP) সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট না জেনে শুধুমাত্র ভাইরাল ভিডিওর ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকার পরামর্শও দিচ্ছেন তাঁরা।

     

  • Mohan Bhagwat: ‘আদেশ নয়, আলোচনাই পথ’, যুবসমাজকে বোঝার আহ্বান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: ‘আদেশ নয়, আলোচনাই পথ’, যুবসমাজকে বোঝার আহ্বান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ইস্যুকে কেন্দ্র করে ছাত্র আন্দোলনের আবহের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে নির্দেশ দিয়ে নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমে বোঝাতে হবে। তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রয়োজন বিশ্বাস, স্নেহ এবং নিয়মিত সংলাপ। ‘বিশ্ব মঙ্গল্য সভা’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোহন ভাগবত বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে ভুল পথে পরিচালিত বা দিশাহীন বলে মনে করার কোনও কারণ নেই। বরং তাঁরা প্রশ্ন করতে শিখেছে এবং সেই প্রশ্নের যুক্তিসঙ্গত উত্তর দেওয়া বড়দের দায়িত্ব। তিনি বলেন, “আমাদের সময় ছিল নির্দেশ মানার যুগ। কিন্তু এখনকার প্রজন্ম প্রশ্ন করে। তাই তাঁদের যুক্তি দিয়ে বোঝাতে হবে, সময় দিতে হবে, ভালোবাসা দিতে হবে এবং নিয়মিত কথা বলতে হবে।”

    আস্থা অর্জনের একমাত্র উপায় হল সংলাপ

    আরএসএস প্রধানের মতে, নতুন প্রজন্মের আস্থা অর্জনের একমাত্র উপায় হল সংলাপ। তাঁর কথায়, “নির্দেশ নয়, আলোচনা। আদেশ নয়, ঐকমত্য—এই পথেই এগোতে হবে।” যদিও মোহন ভাগবত তাঁর বক্তব্যে সরাসরি দিল্লির চলমান ছাত্র আন্দোলন বা ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের উল্লেখ করেননি, তবে রাজনৈতিক মহলে তাঁর এই মন্তব্যকে বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে ছাত্রদের বিক্ষোভ চলছে। ২০ জুলাই সংসদ ভবনের কাছাকাছি এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। এদিকে, আরএসএস প্রধানের নীরবতা নিয়ে শুক্রবার প্রশ্ন তোলেন প্রবীণ আইনজীবী তথা রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিব্বল। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, যন্তর মন্তরের ঘটনায় মোহন ভাগবতের নীরবতা তাঁর বক্তব্যের থেকেও বেশি অর্থবহ।

    আন্দোলনকারীদের দাবি কী?

    আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল, নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। তিনি শনিবার দুপুরেই ছাত্রদের ভবিষ্যত সুরক্ষার্থেই পদত্যাগ করেছেন। ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁস রুখতে কঠোর আইন আনার ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সরকার জানিয়েছে, পরীক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতি ও প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। সিজেপি-র নেতৃত্বাধীন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকারের আলোচনার মধ্য দিয়েই বেরিয়ে এসেছে সমাধান সূত্র। এই পরিস্থিতিতে মোহন ভাগবতের ‘আদেশ নয়, আলোচনা; নির্দেশ নয়, ঐকমত্য’ বার্তাকে বর্তমান ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও নৈতিক আহ্বান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

LinkedIn
Share