Tag: wb

wb

  • Annapurna Bhandar: কবে পাবেন ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা? কী জানালেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী?

    Annapurna Bhandar: কবে পাবেন ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা? কী জানালেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ জুন থেকেই মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা। সোমবার নবান্নে বিজেপি-শাসিত সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকের পরেই ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ (Annapurna Bhandar) চালুর দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিল রাজ্য সরকার। এদিন থেকেই সরকারি বাসে চড়লে (WB Govt) মহিলাদের আর ভাড়া দিতে হবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারে’র প্রতিশ্রুতি পূরণ (Annapurna Bhandar)

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনী প্রচারে পশ্চিমবঙ্গে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পর্যন্ত বিজেপির হেভিওয়েট নেতারা বার বার মহিলাদের জন্য অন্নপূর্ণা ভান্ডারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নয়া সরকারের প্রথম কর্মদিবসেই একে একে সেই প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করা শুরু করলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। প্রশাসন সূত্রে খবর, লক্ষ্মীর ভান্ডার যাঁরা পেতেন, তাঁরাই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের আওতায় মাসে মাসে তিন হাজার টাকা পাবেন। আপাতত নতুন করে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের জন্য আবেদন করার প্রয়োজন নেই। পরবর্তী সময়ে যদি কোনও নথি কিংবা তথ্যের প্রয়োজন হয়, তা জানিয়ে দেওয়া হবে সরকারের তরফে।

    শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কে, কোন দফতর পেলেন

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গেই ব্রিগেড ময়দানে শপথ নিয়েছিলেন বাকি পাঁচ মন্ত্রীও। এদিন তাঁদের দফতর বণ্টন করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণিসম্পদ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দিলীপ ঘোষকে (Annapurna Bhandar)। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতর এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব (WB Govt)। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক সামলাবেন ক্রীড়া ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর। খাদ‍্য ও সরবরাহ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অশোক কীর্তনিয়াকে। আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ক্ষুদিরাম টুডুকে। বাকি সব দফতর আপাতত থাকবে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। বিজেপি-শাসিত বাংলার মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষে শুভেন্দু জানান, তাঁর মন্ত্রিসভা চলবে সুশাসন ও সুরক্ষার পথে। তিনি এও জানান, বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ যে পথে এগোচ্ছে, পশ্চিমবাংলায়ও সরকার সেই পথেই এগোবে (Annapurna Bhandar)।

     

  • CM Suvendu Adhikari: ‘নির্ভয়ে কাজ করুন’, বৈঠকে সচিবদের নির্দেশ নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    CM Suvendu Adhikari: ‘নির্ভয়ে কাজ করুন’, বৈঠকে সচিবদের নির্দেশ নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শপথ নিয়েছিলেন শনিবার, ব্রিগেড ময়দানে। সোমবার গেলেন নবান্নে। সেখানে গিয়ে রাজ্যের সচিবদের নির্ভয়ে কাজ করতে বললেন পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। জানিয়ে দেন, এবার থেকে তাঁকে খুশি করতে কোনও হোর্ডিং বা ফলকে ‘মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণা’ লিখতে হবে না (Govt Officers)।

    ‘মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণা’ (CM Suvendu Adhikari)

    তৃণমূল জমানায় রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থেকে কর্মসূচির হোর্ডিং, সর্বত্র ফলকে ‘মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণা’ শব্দটি লেখা থাকত। নবান্নে কাজে যোগ দিয়ে প্রথম দিনই সচিবদের এই বিষয়ে সতর্ক করে দেন শুভেন্দু। জানিয়ে দেন, পূর্বতন সরকার বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছিল। তাঁর সরকার সে রকম কিছু করবে না। এর পরেই সচিবদের নির্ভয়ে কাজ করার কথা জানান তিনি। বলেন, “সরকার তথ্য, নিয়মের ওপরে চলে। সরকারি সিদ্ধান্ত হয় সংবিধানের কতগুলি বিষয়ের ওপরে। এই সরকার ‘আমিত্বে’ বিশ্বাস করে না, ‘আমরা’-নীতিতে চলবে। সংবিধানকে গুরুত্ব দিয়েই আমরা কাজ করব। আমরা আশা করব, এই সরকারের কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচকরাও কোনও সমালোচনা করতে পারবেন না। এমন কোনও সুযোগ এই সরকার দেবে না, ভরসা রাখুন।”

    সরকারি অর্থের অপচয় রুখতে হবে

    সচিবদের (CM Suvendu Adhikari) সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সরকারি অর্থের অপচয় রুখতে হবে। অর্থের যাতে অপচয় না হয়, তা দেখতে হবে। যেখানে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে, সেখানে খরচ করতে হবে, বন্ধ করতে হবে অপ্রয়োজনীয় খরচ। রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের যে সব প্রকল্প এতদিন কার্যকর করা হয়নি, সেগুলি চালু করার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন নবান্নে আসার আগে শুভেন্দু গিয়েছিলেন সল্টলেকের বিজেপি দফতরে। সেখানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি। বৈঠকের পরে শমীকও বলেছিলেন, “সরকার সরকারের মতো চলবে। দল দলের মতো (Govt Officers)। এটি কোনও বিজেপি সরকার নয়। এটি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার (CM Suvendu Adhikari)।”

     

  • Suvendu Adhikari: ‘চালু থাকা সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না’, তবে কারা পাবেন না, স্পষ্ট করলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: ‘চালু থাকা সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না’, তবে কারা পাবেন না, স্পষ্ট করলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-সকালে বঙ্গবাসীকে বিরাট সুখবর দিলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী তথা ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সাফ জানিয়ে দিলেন, রাজ্যে যে সব সামাজিক প্রকল্প চালু রয়েছে, তা বন্ধ হচ্ছে না। এদিন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পরে একথা জানান (Existing Scheme) নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল সরকারের চালু করা প্রকল্পগুলির সুবিধা রাজ্যবাসী পাবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা ছড়াচ্ছিল রাজ্যে পালাবদলের পরেই।

    কী বললেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী? (Suvendu Adhikari)

    বঙ্গবাসীর সেই সংশয় দূর করে শুভেন্দু জানিয়ে দিলেন, রাজ্যবাসী আগে যে সব সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পেতেন, এখনও তা পাবেন। অবশ্য কারা পাবেন, তা-ও স্পষ্ট করে দিয়েছেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, মৃত বা ভারতীয় নন, এমন কেউ এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘চালু থাকা কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হচ্ছে না। আগে চালু থাকা সমস্ত প্রকল্পই থাকবে। প্রচারের সময়েও আমরা বলেছি। সেটা ৩০ বছর আগের হতে পারে বা ১০ বছর আগের হতে পারে— কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না।’’ তিনি বলেন, ‘‘পোর্টালগুলি আপডেট করব। মোদি সরকারের চালু করা ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে সুবিধা পাবেন সকলে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘সবটাই স্বচ্ছতার সঙ্গে হবে। অ-ভারতীয় বা মৃত কেউ এই সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।’’

    প্রকল্প বন্ধের ভয় দেখিয়েছিল তৃণমূল!

    সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে নবান্নের কুর্সি অটুট রাখতে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল বার বার দাবি করেছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’, ‘যুবসাথী’র মতো সব প্রকল্প বন্ধ করে দেবে (Suvendu Adhikari)। যদিও বিজেপিও প্রচার পর্বেই জানিয়ে দিয়েছিল, সেরকম হবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সঙ্কল্পপত্র প্রকাশ করে এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। মহিলাদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ প্রকল্পে প্রতি মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে তাঁদের অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা দেওয়া হবে। আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের মহিলারা অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন সময়ে ২১ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য এবং ৬টি পুষ্টিকর সরঞ্জাম পাবেন। অবিবাহিত ছাত্রীদের স্নাতক স্তরে ভর্তির আগে এককালীন ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তবে যাঁরা ভারতীয় নন, তাঁরা এই সুবিধা পাবেন না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নয়া মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় অনুপ্রবেশকারীরা।

    শুভেন্দু জানান (Existing Scheme), প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা, প্রধানমন্ত্রী কৃষক বিমা যোজনা, পিএম শ্রী, বিশ্বকর্মা, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, উজ্জ্বলা যোজনা-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যকে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সমস্ত আবেদন কেন্দ্রীয়মন্ত্রকে দ্রুত পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে ডিএমদের (Suvendu Adhikari)।

     

  • PM Modi: পুনর্নির্মিত সোমনাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তিতে গুজরাটে প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: পুনর্নির্মিত সোমনাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তিতে গুজরাটে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্নির্মিত সোমনাথ মন্দিরের প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার গুজরাটের প্রভাস পাটানে এক বিরাট (Kumbhabhishek) রোডশোয়ের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই মন্দিরটি ভারতের সভ্যতার স্থিতিশীলতা, আধ্যাত্মিক ধারাবাহিকতা এবং সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

    ‘সোমনাথ অমৃত মহোৎসব’ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ছিল ‘সোমনাথ অমৃত মহোৎসবে’র অংশ। স্বাধীনতার পর ১৯৫১ সালে ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ কর্তৃক পুনরুদ্ধার করা মন্দিরের উদ্বোধনের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল এই রোড-শোয়ের। অনুষ্ঠানটি এ বছরের শুরুতে পালিত ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্বে’র সঙ্গেও যুক্ত। ১০২৬ সালে গজনির মামুদ প্রথম আক্রমণের হাজার বছর স্মরণে পালিত হয়েছিল এই ‘পর্ব’। এদিন হাজার হাজার ভক্ত ও স্থানীয় বাসিন্দা হেলিপ্যাড থেকে মন্দির প্রাঙ্গনের নিকটবর্তী বীর হামিরজি সার্কেল পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার পথে হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে। গেরুয়া পতাকা নাড়িয়ে এবং স্লোগান দিতে দিতে মানুষ রাস্তার দু’পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়েছিলেন। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কনভয় ধীরে ধীরে অতিক্রম করে উপকূলীয় শহরটি।

    বর্ণময় উৎসব

    উৎসবকে আরও বর্ণময় করতে রোডশোয়ের বিভিন্ন অংশে লোকনৃত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের শিল্পীরা। ফলে অনুষ্ঠানটি আদতে পরিণত হয় ভারতের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য প্রদর্শনীতে (Kumbhabhishek)। রোডশোয়ের পর প্রধানমন্ত্রী সোমনাথ মন্দিরে যান, অংশগ্রহণ করেন একাধিক বিশেষ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে। প্রধানমন্ত্রী ‘বিশেষ মহাপূজা’, ‘কুম্ভাভিষেক’ এবং ‘ধ্বজারোহণ’ অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। আচার চলাকালীন হেলিকপ্টার থেকে মন্দিরের ওপর ফুলের পাপড়ি বৃষ্টি করা হয়, যা হিন্দুধর্মের অন্যতম পবিত্র জ্যোতির্লিঙ্গকে ঘিরে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের সৃষ্টি করে।

    একাধিকবার নিশানায় সোমনাথ মন্দির

    ভারতীয় সভ্যতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে রয়েছে গুজরাটের সোমনাথ মন্দির। একাধিকবার আক্রমণ ও ধ্বংসের পর বারবার পুনর্নির্মিত এই মন্দির দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু ধর্মবিশ্বাস ও ভারতের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। স্বাধীনতার পরে পুনর্নির্মাণের চেষ্টা, যা সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল এবং কেএম মুন্সির মতো নেতাদের ব্যাপক সমর্থন পেয়েছিল, হয়ে ওঠে ভারতের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের এক বৃহত্তর জাতীয় সংকল্পের প্রতীক। এদিন সদ্ভাবনা ময়দানে আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দেওয়া এবং ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি স্মারক ৭৫ টাকার মুদ্রা প্রকাশ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। ৮ মে জারি করা (Kumbhabhishek) এক সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মুদ্রার এক পাশে সোমনাথ মন্দিরের ছবি থাকবে, তার সঙ্গে লেখা থাকবে: “ভারতের অটল বিশ্বাস ও ভক্তির ১০০০ বছরের উদ্‌যাপন”, এর পাশাপাশি উল্লেখ থাকবে ২০২৬ সালও। এই মুদ্রা তৈরি করা হবে কলকাতার সরকারি টাঁকশালে।

    ‘সর্দার ধাম ভবন-৩’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ভাদোদরায় ‘সর্দার ধাম ভবন-৩’, যা ‘শ্রী দুষ্যন্ত ও দক্ষ প্যাটেল কমপ্লেক্স’ নামে পরিচিত, তার উদ্বোধনও করবেন। প্রায় ৪.৭৫ লাখ বর্গফুট এলাকায় ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কমপ্লেক্সে আবাসন কক্ষ, এনআরআই অতিথিশালা, ই-লাইব্রেরি, কেরিয়ার গাইডেন্স ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ১,০০০ আসনের অডিটোরিয়াম রয়েছে। দু’দিনের গুজরাট সফরের শুরুতে রবিবার রাতে মোদি জামনগরে পৌঁছন। হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানগুলিকে সামনে রেখে জামনগর, সোমনাথ ও ভাদোদরায় ব্যাপক প্রস্তুতি (PM Modi) ও স্বাগত কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে (Kumbhabhishek)।

     

  • WB Election Results 2026: পোস্টাল ব্যালটেও বাজিমাত বিজেপির, তৃণমূলকে দাঁড়িয়ে গোল দিয়েছেন পদ্ম-প্রার্থীরা

    WB Election Results 2026: পোস্টাল ব্যালটেও বাজিমাত বিজেপির, তৃণমূলকে দাঁড়িয়ে গোল দিয়েছেন পদ্ম-প্রার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস, বাম কিংবা তৃণমূল – কোনও জমানায়ই এতদিন তেমন গুরুত্ব পেত না পোস্টাল ব্যালট গণনার ফল (WB Election Results 2026)। বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের মতে, শাসক দল এতই ছাপ্পা ভোট দিত যে, পোস্টাল ব্যালট (Postal Ballots) গণনার আগেই শুরু হয়ে যেত অকাল ‘হোলি খেলা’, আবির মাখামাখি। বাংলায় পালাবদলের এই ক্রান্তিকালে অবশ্য পোস্টাল ব্যালটের ভোটাররাও হাত উপুড় করে ভোট দিয়েছেন ঘাসফুল নয়, পদ্মফুল প্রতীকে। তার জেরে বিজেপির বঙ্গ-বিজয় হয়েছে নিছক কেক-ওয়াক।

    ৮০ শতাংশই গিয়েছে তৃণমূলের বিপক্ষে (WB Election Results 2026)

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, পোস্টাল ব্যালটে মোট ভোটের ৮০ শতাংশই গিয়েছে তৃণমূলের বিপক্ষে। বেশিরভাগ আসনেই ধাক্কা খেয়েছে রাজ্যের শাসক দল। কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় সংবাদ মাধ্যমে বলেন, “কর্মচারীরা উজাড় করে পোস্টাল ব্যালটে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। এর মধ্যে কোনও কিন্তু নেই।” ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়ে টানা তিনবার ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে গোহারা হেরে যান স্বয়ং তৃণমূলেশ্বরী। বঙ্গে ২০৭টি আসন পেয়ে নবান্নের কুর্সিতে প্রথমবারের মতো বসেছে পদ্মশিবির। মোট ভোটের প্রায় ৪৬ শতাংশই পেয়েছে গেরুয়া শিবির। সেখানে তৃণমূলকে হুমড়ি খেয়ে পড়তে হয়েছে কমবেশি ৪১ শতাংশ ভোটের চৌকাঠ পার হতে গিয়ে।

    পোস্টাল ব্যালটেও ‘রামধাক্কা’

    নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, বদলের বাংলায় পোস্টাল ব্যালটেও ‘রামধাক্কা’ খেয়েছে তৃণমূল। সেখানেও স্পষ্ট প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার ছাপ। জানা গিয়েছে, পোস্টাল ব্যালটে মোট ভোটের ৮০ শতাংশই গিয়েছে তৃণমূলের বিপক্ষে। বেশিরভাগ আসনেই ধাক্কা খেয়েছে তারা। যদিও, ছাব্বিশের নির্বাচনের ভরকেন্দ্র ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রী তথা সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়েছিলেন ৯টি পোস্টাল ভোটে। প্রাক্তন পেয়েছেন ৪৬৩টি ভোট। নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৪৫৪টি। পরিসংখ্যান বলছে, যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছে ৯৭৫টি পোস্টাল ভোট। সেখানে তৃণমূল পেয়েছে ৬৯৬টি এবং সিপিএম পেয়েছে ৬২৫টি পোস্টাল ভোট।
    রাসবিহারী কেন্দ্রে অবশ্য পোস্টাল ব্যালটের একটা বড় অংশই পড়েছে পদ্ম-ঝুলিতে। বিজেপির স্বপন দাশগুপ্ত পেয়েছেন ৭২৫টি ভোট। আর তৃণমূলের দেবাশিস কুমার পেয়েছেন ৫৯২টি ভোট। বিধাননগরে তৃণমূলের প্রার্থী সুজিত বসু পোস্টাল ব্যালটে পেয়েছেন ৫৬৭টি ভোট। বিজেপির শারদ্বত মুখোপাধ্যায় পেয়েছেন ৭৯২টি ভোট (Postal Ballots)। এই তিন কেন্দ্রেই তৃণমূলকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গোল দিয়ে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা।

    বঞ্চনার অভিযোগ

    মলয় বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বারবার বলেছেন আমরা নির্দিষ্ট নিয়মমতো ডিএ দেব, বেতন কমিশন গঠন করব ৪৫ দিনের মধ্যে। তৃণমূল সরকার একটা বেতন কমিশন পেয়েছিল যদিও ৪ বছর পরে আমাদের দিয়েছে ডিএ ছাড়াই। এতটা বঞ্চনা সিপিএম সরকারও করেনি (WB Election Results 2026)।” কমিশনের পরিসংখ্যান থেকেই জানা গিয়েছে, শুধু সরকারি কর্মচারীরাই নন, পোস্টাল ব্যালটে রাজ্যে পালাবদল   চেয়েছেন প্রবীণ ভোটাররাও। নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ১ হাজার ৩৩২টি পোস্টাল ব্যালট ভোট। সেখানে তৃণমূলের পবিত্র কর পেয়েছেন মাত্রই ৮৯৯টি। কামারহাটিতে তৃণমূলের মদন মিত্র পেয়েছেন ৩২৪টি। বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছে ৫১০টি পোস্টাল ব্যালট ভোট। ব্যারাকপুরে বিজেপি প্রার্থী কৌস্তুভ বাগচী পেয়েছেন ৯০৭টি পোস্টাল ভোট। এই কেন্দ্রে তৃণমূলের রাজ চক্রবর্তীর ঝুলিতে গিয়েছে ৫৫১টি ভোট। পানিহাটিতে বিজেপির রত্না দেবনাথ পেয়েছেন ৬৯৮টি পোস্টাল ব্যালট ভোট। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের তীর্থঙ্কর ঘোষ পেয়েছেন ৩৬২টি (Postal Ballots)।

    চর্চায় যখন পোস্টাল ব্যালট 

    প্রসঙ্গত, কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেন সার্ভিস ভোটার, নির্বাচনী কাজে নিযুক্ত কর্মী প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষম ভোটার এবং অত্যাবশ্যক পরিষেবা-কর্মীরা। কিছু ক্ষেত্রে ‘হোম ভোটিং’ ব্যবস্থাও চালু রয়েছে। ভোট গণনার পর দেখা গিয়েছে, জেলার বহু বিধানসভা কেন্দ্রে পোস্টাল ব্যালটেও তৃণমূলকে মাত দিয়েছে বিজেপি। বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৮৭২টি ভোট। আর গেরুয়া ঝুলিতে গিয়েছে ১ হাজার ৭৮টি ভোট। সোনারপুর দক্ষিণে বিজেপির রূপা গঙ্গোপাধ্যায় পেয়েছেন ২ হাজার ২টি ভোট, সেখানে তৃণমূল পার্থী লাভলি মৈত্রকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে মাত্রই ৮৩৩টি ভোট পেয়ে (WB Election Results 2026)।
    কোচবিহারের দিনহাটা কেন্দ্রে তৃণমূলের উদয়ন গুহ পেয়েছেন ৯৭৭টি পোস্টাল ব্যালট ভোট, পদ্ম প্রার্থী অজয় রায় পেয়েছেন ১ হাজার ৪৬০টি। আসানসোল দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন ৭৭৩টি, তৃণমূলের তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপালে জুটেছে মাত্রই ৩৯৬টি ভোট। বহরমপুরে অধীর চৌধুরী পোস্টাল ব্যালটে পেয়েছেন ১ হাজার ১০২ ভোট। তৃণমূলের নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় পেয়েছেন ৪৭০টি। মুর্শিদাবাদের রেজিনগর কেন্দ্রে (Postal Ballots) নবগঠিত এজেইউপি সুপ্রিমো হুমায়ুন কবীর পেয়েছেন ২৭০টি পোস্টাল ব্যালট ভোট (WB Election Results 2026)। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপির বাপন ঘোষ। বাপন পেয়েছেন ৫৬৮টি পোস্টাল ব্যালট ভোট।

    কী বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পোস্টাল ব্যালটে যাঁরা পরিবর্তন চেয়ে ভোট দিয়েছেন বিজেপিকে, তাঁরা চেয়েছেন বঙ্গকে তৃণমূলশাসন-মুক্ত করতে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের গায়ে যেসব কলঙ্কের কালি লেগেছে, এবং নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতি হওয়া সত্ত্বেও তিনি যেভাবে ‘ও কিছু নয়’ জাতীয় মন্তব্য করে দায় এড়িয়ে (Postal Ballots) গিয়েছেন এবং সর্বোপরি তুষ্টিকরণ এবং খয়রাতির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি যেভাবে একপেশে হয়ে গিয়েছিলেন, তার সপাট জবাব (WB Election Results 2026)।

     

  • WBSSC 2016: বিজেপি জমানায় নতুন ‘সকাল’, ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ওএমআর শিট প্রকাশ এসএসসি-র

    WBSSC 2016: বিজেপি জমানায় নতুন ‘সকাল’, ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ওএমআর শিট প্রকাশ এসএসসি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ঝুলি থেকে বেরল বেড়াল! তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘নো হোয়্যার’ (মুখ্যমন্ত্রীর পদ খুইয়েছেন এবং বিধায়কও নির্বাচিত হননি) হতেই ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার (WBSSC 2016) ওএমআর শিট প্রকাশ করল এসএসসি। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আদালতের নির্দেশেই ওএমআর শিট প্রকাশ করা (BJP) হচ্ছে। এসএসসির নিজস্ব ওয়েবসাইটেই প্রকাশ করা হয়েছে রেজাল্ট। আন্দোলনকারীদের একাংশের দাবি, রাজ্যে পালাবদলের পরেই পদক্ষেপ করল এসএসসি।

    ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের ‘খেলা’ শুরু (WBSSC 2016)

    শনিবার বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ব্রিগেডে শপথ নিয়েছে বঙ্গের নয়া সরকার। অঙ্গ-কলিঙ্গের পর বিজেপির বঙ্গ বিজয় হওয়ায় প্রত্যাশিতভাবেই খুশি পদ্মশিবির। সেই কারণেই শনিবারের ব্রিগেডে আক্ষরিক অর্থেই বসেছিল চাঁদের হাট। সেই ‘হাটে’ই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু। তার পরেই বঙ্গের উন্নয়নে ঝাঁপিয়ে পড়ে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার। শপথগ্রহণ পর্ব শেষ হতেই এসএসসি প্রকাশ করে সিবিআইয়ের উদ্ধার করা সেই সব ওএমআর শিট। এসএসসির ‘যোগ্য’ এক চাকরিহারা বলেন, “তৃণমূল চেপে রেখেছিল বলে প্রকাশিত হয়নি। বিজেপি আসতেই প্রকাশিত হল। রি-প্যানেলিং হোক। যোগ্যরা চাকরি পাক।” এহেন (BJP) আবহে একাধিক দাবিতে ১৩ মে এসএসসি ভবনে ডেপুটেশন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন, যাঁরা অযোগ্য বলে চিহ্নিত নন, চাকরিহারাদের সেই অংশ।

    ওএমআর শিট প্রকাশ

    জানা গিয়েছে, নিয়োগ দু্নীতির তদন্তে নেমে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ থেকে সিবিআই যে হার্ডডিস্কটি উদ্ধার করেছিল, সেখানে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ওএমআর শিট মেলে। এসএসসি তাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সিবিআইয়ের কাছ থেকে পাওয়া ২০১৬ সালের নিয়োগ পরীক্ষার নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির প্রার্থীদের ওএমআরের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। আদালতের রায় এবং নির্দেশ মেনেই ছবিগুলি আপলোড করা হয়েছে (WBSSC 2016)। ২০১৬-র পরীক্ষায় গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি চাকরি প্রার্থীদের স্ক্যান করা ওএমআর শিটও আপলোড করা হবে শীঘ্রই।

    শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। আদালত জানিয়ে দেয়, ‘চাল থেকে কাঁকর বাছতে না পারায়’ বাতিল করা হয় ২৬ হাজার চাকরি। চাকরি ফেরানোর দাবিতে আন্দোলনে নেমে পুলিশের লাঠি থেকে লাথি খেয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষকরা। যাঁরা দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন, তাঁদেরও নতুন করে পরীক্ষায় বসতে হয়। যোগ্য-অযোগ্যদের আলাদা করতে (BJP), বারবার ওএমআর শিটের মিরর ইমেজ প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন চাকরিহারারা। তৃণমূল সরকারের আমলে তা প্রকাশ করা হয়নি। রাজ্যে পালাবদল হতেই প্রকাশ করা হল সেই ইমেজ (WBSSC 2016)।

     

  • Indo Bangladesh Border: বাংলাদেশে জামাতের উত্থানের প্রভাব পড়েছে বঙ্গের সীমান্তবর্তী বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে!

    Indo Bangladesh Border: বাংলাদেশে জামাতের উত্থানের প্রভাব পড়েছে বঙ্গের সীমান্তবর্তী বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ের দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তবর্তী শহর সান দিয়োগো এবং তিজুয়ানা এবং লরেডো ও ন্যুভো লরেডোয় ‘স্প্যাংলিশ’ (বা টেক্স-মেক্স স্প্যানিশ) নামে এক মিশ্র ভাষার বিকাশ ঘটেছিল। টেলিভিশন, অভিবাসন ও সীমান্তের দুই পাশের মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ প্রভাব ফেলেছিল এই ভাষার ওপর। এখন, হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে এবং কয়েক দশক পরে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তেও (Indo Bangladesh Border) সীমান্ত-পার প্রভাবের এক আলাদা গল্প দেখা যাচ্ছে। যদিও এটি খানিক আলাদা ধরনের। এখানে প্রতিক্রিয়াশীল প্রভাব কাজ করেছে এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল বলছে, ঘটনাপ্রবাহ অন্যভাবে ঘটেছে।

    অনুপ্রবেশ ও ধর্মীয় মেরুকরণ

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ইস্যু ছিল অনুপ্রবেশ ও ধর্মীয় মেরুকরণ। বিজেপির অভিযোগ, বাংলাদেশ থেকে আসা (Indo Bangladesh Border) অনুপ্রবেশকারীরা, যাদের অধিকাংশই মুসলিম, রাজ্যের জনসংখ্যাগত ভারসাম্য বদলে দিয়েছে। তাদের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুষ্টিকরণের রাজনীতির কারণে এই সমস্যা উপেক্ষা করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুক্রবার বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয় শুধু সংগঠনের বিস্তার বা মতাদর্শের স্বীকৃতি নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নও।” তিনি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গটিও তোলেন। বঙ্গবাসী যখন রাজ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক হচ্ছিলেন, তখন সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলিও তাঁরা লক্ষ্য করছিলেন। তাঁরা দেখেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে কীভাবে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে, মন্দির ভাঙচুর হয়েছে এবং ইসলামপন্থীরা ধর্মনিন্দার মিথ্যে অভিযোগ তুলে পিটিয়ে হত্যা করেছে নিরীহ মানুষকে।

    জামাতের জয়ের প্রভাব

    ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat Rise) পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত লাগোয়া একাধিক আসনে জয়ী হয়। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অন্তত ১৭টি আসনে জামাতের জয় পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত অঞ্চলে বিজেপির পক্ষে ভোট একত্রিত করতে সাহায্য করেছে বলে ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলে দেখা যায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজেপি অন্তত ২৬টি আসনে জয়ী হয়েছে। এই আসনগুলি বাংলাদেশের সেই ১৭টি জামাত-জয়ী আসন লাগোয়া। জামাত-ই-ইসলামির নেতা সফিকুর রহমানের দলকে নিষিদ্ধ করেছিল শেখ হাসিনার সরকার। যদিও মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের অগাস্টে ক্ষমতায় এসেই তুলে নেয় সেই নিষেধাজ্ঞা।

    জামাতের উত্থান

    ছাব্বিশের নির্বাচনে হাসিনার আওয়ামি লিগ নিষিদ্ধ থাকায় বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে জামাত (Jamaat Rise)। বিএনপি ২০৯টি আসনে জয় পেলেও, জামাত-নেতৃত্বাধীন ১১টি দলের জোট ৭৭টি কেন্দ্রে জয়ী হয়। জামাতের ইতিহাসে সেরা ফল এটি। এই ৭৭টি আসনের মধ্যে ১৭টি এসেছিল রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাট, নওগাঁ, মেহেরপুর, চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, যশোর ও সাতক্ষীরার মতো সীমান্তবর্তী জেলাগুলি (Indo Bangladesh Border) থেকে। রংপুর বিভাগে, যা ভারতের ‘চিকেনস নেক’ বা ‘শিলিগুড়ি করিডর’ লাগোয়া, জামাতের ব্যাপক উত্থান দেখা যায়। এই করিডর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিবাদ 

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার খবর পশ্চিমবঙ্গেও রাজনৈতিকভাবে বড় প্রভাব ফেলেছে। বিজেপি নেতা তথা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারবার রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছিলেন। তিনি পেট্রাপোল সীমান্তে গিয়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদ জানান এবং কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সামনেও বিক্ষোভ দেখান। একই সঙ্গে বিজেপি বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের বিষয়েও সোচ্চার হন (Jamaat Rise)। এই বিষয়গুলি পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের কাছেও গুরুত্ব পেতে থাকে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী (Indo Bangladesh Border) বিভিন্ন এলাকায় বিজেপি উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারের সীমান্তবর্তী একাধিক আসনে বিজেপি জয়ী হয়েছে ।

    জামাতের আসনগুলির উল্টোদিকে বিজেপির প্রাচীর!

    বাংলাদেশের জামাত-জয়ী (Jamaat Rise) আসনের উল্টো দিকে অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গের বাংলাদেশ-সীমান্তবর্তী আসনগুলিতে বিজেপির জয়কে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্যাটার্ন হিসেবে দেখা যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের ২৬টি আসনে বিজেপির জয় এসেছে মোট নয়টি জেলা থেকে, যেগুলির ঠিক ওপারেই বাংলাদেশে জামাতের জয়ী আসনগুলি অবস্থিত। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলায় কেমন ফল করেছে বিজেপি। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী দক্ষিণ দিক থেকে শুরু করলে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন সংলগ্ন (Indo Bangladesh Border) এলাকায় বিজেপি জিতেছে বাগদা (SC), বনগাঁ উত্তর (SC) এবং হিঙ্গলগঞ্জ (SC)-এর মতো আসন। এই কেন্দ্রগুলির ঠিক বিপরীতে রয়েছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা-১ থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসন, যেখানে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জামাত জয়ী হয়েছিল।

    মালদা-মুর্শিদাবাদ-দিনাজপুর

    এরপর কিছুটা উত্তরে মুসলিম-অধ্যুষিত মালদা জেলায় বিজেপি জিতেছে ইংলিশ বাজার এবং বৈষ্ণবনগর আসন, যেগুলির সীমান্তের ওপারেও রয়েছে জামাত-জয়ী বাংলাদেশি কেন্দ্র। আরও উত্তরে দক্ষিণ দিনাজপুরে বিজেপি দখল করেছে কুশমণ্ডি (SC), বালুরঘাট, তপন (ST), গঙ্গারামপুর (SC) এবং হবিবপুর (ST) আসন। এই কেন্দ্রগুলির (Indo Bangladesh Border)  ঠিক উল্টোদিকে রয়েছে জয়পুরহাট, নওগাঁ এবং মেহেরপুরের মতো বাংলাদেশি আসন, যেখানে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচনে জামাত জিতেছিল। উত্তর দিনাজপুর, যা আরেকটি মুসলিম-প্রধান জেলা, সেখানেও বিজেপি জিতেছে করণদিঘি, হেমতাবাদ (SC) এবং হরিপুর আসন। এই কেন্দ্রগুলির ওপারেই রয়েছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা এবং যশোরের জামাত-জয়ী (Jamaat Rise) আসনগুলি।

    শিলিগুড়ি করিডর ও ডুয়ার্স

    শিলিগুড়ি করিডরের দিকে এগোলে, বিজেপির শিলিগুড়ি এবং ফাঁসিদেওয়া (ST) আসনগুলি বাংলাদেশের নীলফামারী-১ আসনের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত। জলপাইগুড়ি জেলায় বিজেপি জিতেছে ময়নাগুড়ি এবং জলপাইগুড়ি (SC) আসন, যেগুলিও সরাসরি সীমান্ত লাগোয়া এবং বাংলাদেশের জামাত-জয়ী (Jamaat Rise) কেন্দ্রগুলির মুখোমুখি। সবশেষে ডুয়ার্স অঞ্চলের কোচবিহার জেলায় বিজেপি দখল করেছে সিতাই (SC), শীতলকুচি (SC) এবং মেখলিগঞ্জ (SC) আসন। এই কেন্দ্রগুলির ঠিক ওপারেই রয়েছে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলা, যেখানে জামাত ও তাদের মিত্ররা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে চারটি আসনে জয় পেয়েছিল।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যা ঘটেছে, তার প্রভাব পড়েছে এপারের ভোটে?

    যদিও হলফ করে বলা যায় না যে বাংলাদেশে জামাতের উত্থান (Jamaat Rise) সরাসরি পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিপুল সাফল্যের একটি কারণ, তবে প্রাপ্ত তথ্যে স্পষ্ট একটি সমান্তরাল প্রবণতা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় পরিস্থিতি, পরিচয় নিয়ে উদ্বেগ, সীমান্ত নিরাপত্তা (Indo Bangladesh Border) এবং অনুপ্রবেশের প্রশ্ন—এই সব কিছু মিলেই পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় ভোটারদের আচরণে প্রভাব ফেলেছে বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। এই পরিসংখ্যান দেখিয়েই রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত, পশ্চিমবঙ্গের ভোটাররা সম্ভবত বেআইনি অনুপ্রবেশ রোধ করার আশায় বিজেপির উপর আস্থা রেখেছেন, যা তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বাস্তবে প্রত্যক্ষ করেছেন। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির (Indo Bangladesh Border)  নির্বাচনী ফলাফল দুই দেশের জনবিন্যাস থেকে শুরু করে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিবর্তন, পরিচয়-সংক্রান্ত উদ্বেগ এবং অভিবাসন ও নিরাপত্তা ঘিরে তৈরি হওয়া নানা বয়ানের প্রভাবের ফল হতে পারে। এই সমস্ত উপাদানই পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের আচরণে প্রতিফলিত হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে, কারণ সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে যা ঘটতে দেখেছেন বাঙালিরা, তার প্রভাবও তাঁদের ভোটের সিদ্ধান্তে পড়েছে।

  • DMK: তামিলনাড়ুতে টিভিকে-কে সমর্থন কংগ্রেসের, সংসদে আসন বদলের দাবি ‘ইন্ডি’-শরিক ডিএমকের

    DMK: তামিলনাড়ুতে টিভিকে-কে সমর্থন কংগ্রেসের, সংসদে আসন বদলের দাবি ‘ইন্ডি’-শরিক ডিএমকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখে সংসদে ডিএমকে (DMK) সদস্যদের আলাদা বসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার অনুরোধ জানালেন ডিএমকে সাংসদ কানিমোঝি করুণানিধি। চিঠিতে (Lok Sabha Speaker Letter) তিনি জানিয়েছেন, তামিলনাড়ুর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে ডিএমকে-কংগ্রেস জোট। তাই ডিএমকে সাংসদদের আর কংগ্রেস সদস্যদের পাশে বসাটা যথাযথ নয়।

    কানিমোঝির চিঠি (DMK)

    কানিমোঝি লেখেন, “আমি সম্মানের সঙ্গে লোকসভায় ডিএমকের সাংসদদের বসার ব্যবস্থায় উপযুক্ত পরিবর্তনের অনুরোধ জানাচ্ছি। পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে আমাদের জোটের অবসানের প্রেক্ষিতে, আমাদের সদস্যদের বর্তমান আসনে তাদের পাশে বসাটা আর যথাযথ নয়…।” তাঁর অনুরোধ, “ডিএমকে সাংসদদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা করা হোক যাতে তাঁরা ঠিকঠাকভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।”

    তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ফল

    কানিমোঝির এহেন পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ফল।  ঘটনাটি রাজ্যের রাজনীতিতে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় কোনও দলই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয়ের নয়া দল টিভিকে (TVK) প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই ১০৮টি আসন জিতে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসে, যদিও সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১১৮টি আসন। শাসক ডিএমকে পেয়েছে ৫৯টি আসন, তাদের মিত্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠা কংগ্রেস পেয়েছে ৫টি আসন, এআইএডিএমকে পেয়েছে ৪৭টি আসন। একটি মাত্র আসনে জয়ী হয় বিজেপি।

    কংগ্রেসের ভোল বদল

    নির্বাচনের পর নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। ভোটের আগে কংগ্রেস ডিএমকের নেতৃত্বাধীন সেকুলার প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স (SPA)-এর অংশ ছিল। বিজয়ের দল জয় পেতেই ডিএমকের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিন্ন করে টিভিকে-কে সরকার গঠনে সমর্থন করে রাহুল গান্ধীর দল। এই আনুষ্ঠানিক সমর্থনের ভিত্তিতে টিভিকে রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানায়। যদিও টিভিকে-কংগ্রেস জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা পার হতে না পারায়, সেই প্রস্তাবও বাতিল করা হয়। ডিএমকে (DMK) নেতারা, যাঁর মধ্যে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনও রয়েছেন, কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ‘পিঠে ছুরি মারা’ এবং সুযোগসন্ধানী রাজনীতির অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, বহু বছর ধরে জাতীয় ও রাজ্য স্তরে জোটে থাকার পরেও কংগ্রেস বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

    ডিএমকে-কংগ্রেস জোটের ইতি!

    তামিলনাড়ুতে ডিএমকে-কংগ্রেস জোটের ইতিহাস ছয়ের দশকের শেষের দিক থেকে শুরু হয়। বহু নির্বাচন, ক্ষমতা ভাগাভাগি ও ‘ইন্ডি’ (INDI) জোটের মধ্যে দিয়েও সেই সম্পর্ক টিকে ছিল। ২০২৬ সালে আসন বণ্টন নিয়ে আগেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। তবে (Lok Sabha Speaker Letter) নির্বাচনের পর কংগ্রেসের এই ভোলবদলে রাহুল গান্ধীর দলের  সঙ্গে পাকাপাকিভাবে গাঁটছড়া ছিন্ন হয়ে গিয়েছে ডিএমকের। কংগ্রেস নেতারা এই সিদ্ধান্তকে ‘জনগণের রায়কে সম্মান জানানো’ এবং ‘ধর্মনিরপেক্ষ ফ্রন্ট গঠনে’র পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও ডিএমকের দাবি, “নিষ্ঠার জন্য বড় মূল্য চোকানোর পর এই আচরণ সম্পূর্ণ বিশ্বাসঘাতকতা (DMK)।”

     

  • PM Modi: শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারকে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, জানুন তাঁর অবদানের কথা

    PM Modi: শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারকে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, জানুন তাঁর অবদানের কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে মাতরমের ১৫০ বছরে পূরণ হল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন! পশ্চিমবঙ্গের কুর্সিতে বসল বিজেপি। আজ, শনিবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হল ব্রিগেডে। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ছিলেন আরও অনেকে। এই ভিড়েই ছিলেন শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারও। তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করলেন প্রণামও। নবতিপর মাখনলালের চোখেমুখে তখন স্পষ্ট আত্মতুষ্টির ছাপ (BJP History)।

    শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (PM Modi)

    ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। পরে এই সংগঠনই বিজেপি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এই শ্যামাপ্রসাদের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন মাখনলাল। ১৯৫২ সালে যখন শ্যামাপ্রসাদ কাশ্মীরে ভারতীয় ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা উত্তোলনের আন্দোলন করছিলেন, তখনও তাঁর সঙ্গে ছিলেন মাখনলাল। তার  জেরে গ্রেফতার হন তিনি। দেশাত্মবোধক গান গাওয়ায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই সময় দেশে রাজ করছে কংগ্রেস। আদালতে তোলা হয় মাখনলালকে। বিচারপতি তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলেন।

    মাখনলালের সাফ কথা 

    মাখনলাল সাফ জানিয়ে দেন, “ক্ষমা চাইব না, কারণ কোনও অপরাধ করিনি (PM Modi)।” বিচারপতি তাঁকে সেই গানটি গাইতে বলেন। মাখনলাল গানটি গেয়ে শোনান বিচারপতিকে। তারপরেই পুলিশকে বিচারপতির নির্দেশ, এঁকে ফার্স্ট ক্লাসের টিকিট কেটে দিন, সঙ্গে দিন ১০০ টাকাও। বঙ্গ বিজেপির সবচেয়ে প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে অন্যতম মাখনলাল। এই প্রথম বঙ্গে প্রতিষ্ঠিত হল বিজেপি শাসন। সেখানেই তাঁকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেন প্রধানমন্ত্রী।

    শ্যামাপ্রসাদের শেষ সময়ের সঙ্গী মাখনলাল

    মাখনলাল বিজেপি-অনুগত প্রাণ। শ্যামাপ্রসাদের জীবনের শেষের দিনগুলিতেও তাঁর সঙ্গে ছিলেন মাখনলাল। কাশ্মীরে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় শ্যামাপ্রসাদের। তাঁর শেষ সময়েও সঙ্গী ছিলেন এই মাখনলাল। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বিজেপির তৎকালীন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মাখনলালের শিলিগুড়ির বাসভবনে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে (BJP History) এ পর্যন্ত কীভাবে বিজেপিতে অবদান রেখেছেন মাখনলাল, এদিনের অনুষ্ঠানে তা স্মরণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (PM Modi)।

     

  • Brigade Rally: ‘জাতে’ তুলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, শনিবারের ব্রিগেডে দেদার বিকোল ঝালমুড়ি, দোসর কমলাভোগ

    Brigade Rally: ‘জাতে’ তুলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, শনিবারের ব্রিগেডে দেদার বিকোল ঝালমুড়ি, দোসর কমলাভোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গের গ্রামাঞ্চলে ঝালমুড়িই রোজকার ব্রেকফাস্ট। প্রচারে বেরিয়ে ঝাড়গ্রামে সেই ঝালমুড়ি খেয়েই বাঙালির এই অতি পরিচিত খাবারটিকে ‘জাতে’ তুলে (Brigade Rally) দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ, শনিবার ব্রিগেডে শপথ নিল বিজেপি সরকার (Jhalmuri)। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের ব্রিগেডে চাঁদের হাটে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। সেখানেও হটকেকের মতো বিকোল ঝালমুড়ি।

    হাতে হাতে ঘুরছে ঝালমুড়ির ঠোঙা (Brigade Rally)

    ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে তৈরি হয়েছে শপথ গ্রহণ মঞ্চ। সেখানে ঢোকার মুখে মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে ঝালমুড়ির ঠোঙা। ঝালমুড়ি খেয়ে রীতিমতো সেলিব্রেশন মুডে পদ্ম কর্মী-সমর্থকরা। এক বিজেপি সমর্থক বলেন, “প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন। এবার আমরাও খাচ্ছি।” তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন আরও একজন (Brigade Rally)। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, “ঝালমুড়ি খেয়ে খুব আনন্দ পাচ্ছি। ঝালে দিদি জ্বলুক। আমরা দিদির উদ্দেশ্যেও ঝালমুড়ি পাঠাতে চাই।” ঝালমুড়ির পাশাপাশি দেদার বিকোচ্ছে সীতাভোগ, মিহিদানাও। সব স্টলেই ভিড়। এসব খেতে খেতেই মাঝে মধ্যে ব্রিগেড কেঁপে উঠছে জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে।

    কমলা মিষ্টিতে রঙিন ব্রিগেড

    এদিন ব্রিগেডে সব মিলিয়ে কেবল ঝালমুড়ির স্টলই ছিল ২০টি। মাঠেও লাগাতার ঝালমুড়ি বিক্রি করে চলেছেন ভ্রাম্যমান বিক্রেতারা। ঝালমুড়ির পাশাপাশি স্টল ছিল কমলা রংয়ের বিভিন্ন মিষ্টিরও। ট্রে-তে থরে থরে সাজানো কমলা রসগোল্লা, কমলাভোগ, লাড্ডু, পদ্মছাপ সাদা সন্দেশ, শঙ্খ মিষ্টি ইত্যাদি। এদিন রবীন্দ্রজয়ন্তী। তাই সকাল থেকেই ময়দানে বেজেছে রবীন্দ্রসঙ্গীত। তারই পাশাপাশি দর্শকদের মুখে শোনা গিয়েছে জয় শ্রীরাম ধ্বনিও (Jhalmuri)। প্রসঙ্গত, এটি পশ্চিমবঙ্গের অষ্টদশ বিধানসভা। বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির পরিষদীয় দলনেতাও শুভেন্দুই। তাঁরই কাঁধে তুলে দেওয়া হল বাংলার শাসন ভার। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, ২৩টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী-সহ বিজেপির তাবড় নেতা-নেত্রীরা (Brigade Rally)।

     

LinkedIn
Share