Texas Shooting: বন্দুকবাজের গুলিতে ফের রক্তাক্ত আমেরিকা, নিহত শিশু সহ ৫

gunman

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দুকবাজের গুলিতে (Texas Shooting) ফের রক্ত ঝরল আমেরিকায় (America)। এবার অকুস্থল টেক্সাসের ক্লিভল্যান্ড। বছর আটেকের এক শিশু সহ ৫ প্রতিবেশীকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ। গুলিবিদ্ধ হয়েছে আরও তিনজন। জানা গিয়েছে, যাঁদের গুলি করে খুন করা হয়েছে, তাঁরা সবাই দক্ষিণ আমেরিকার দেশ হন্ডুরাস থেকে টেক্সাসে এসেছিলেন। ফ্রান্সিসকো ওরোপেজ নামে ওই বন্দুকবাজের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

কী পরিস্থিতিতে বন্দুকবাজ গুলি চালাল (Texas Shooting)?

শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ বাড়ি লাগোয়া একটি ফাঁকা জায়গায় এআর-১৫ স্টাইলের একটি বন্দুক নিয়ে গুলি ছুড়ছিলেন বন্দুকবাজ। ওই সময় নিহতরা তাঁকে শব্দ করতে বারণ করেন। তাঁরা তাঁকে জানান, বাচ্চাকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করছেন তাঁরা। শব্দ করায় বাচ্চা ঘুমোচ্ছে না। সেই সময় বন্দুকবাজ বলেন, আমার বাড়ির সীমানায় আমি যা খুশি করব। অভিযোগ, এর পরেই বন্দুকবাজ তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শিশু সহ পাঁচজনের।

সান জাসিন্টো কাউন্টির (Texas Shooting) শেরিফ গ্রেগ ক্যাপারস সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, প্রতিবেশীরা ফান্সিসকোর বাড়ির সীমানার কাছে এসে তাকে বলেছিলেন, কিছু মনে করো না। আমাদের বাচ্চাকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করছি। তুমি এখন শব্দ করো না। সেই সময় ফ্রান্সিসকো বলে, আমার বাড়ির সীমানায় আমি যা খুশি করব। সে সময় সিসি টিভি ক্যামেরায় ফ্রান্সিসকোকে বন্দুক নিয়ে তেড়ে আসতে দেখা যায়। তিনি জানান, এর পরেই বছর চল্লিশের ওই বন্দুকবাজ এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। শেরিফ বলেন, গুলিবিদ্ধ হয়েও ওই মহিলারা বাচ্চাদের বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন।

আরও পড়ুুন: প্রতিবাদ পরিণত হিংসায়, মণিপুরে বন দফতরের অফিসে আগুন, নৈশ কারফিউ

বন্দুকবাজ যাঁদের খুন করেছে, তাঁদের প্রত্যেকের মাথায় গুলি করেছে। তিনি জানান, গুলি চালানোর সময় বাড়িটিতে ১০জন ছিলেন। মৃতেরা প্রত্যেকেই হন্ডুরাস থেকে টেক্সাসে এসেছিলেন। তিনি জানান, বন্দুকবাজ (Texas Shooting) এই শহরে এসেছিল মেক্সিকো থেকে। ঘটনার পরে পরেই কাউন্টি থেকে চম্পট দিয়েছে ওই দুষ্কৃতী।

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share