Anubrata Mondal: কথা বলতে চাইলেন কেষ্ট, নিজের জায়গায় বসে রইলেন মণীশ! কী হাল অনুব্রতর? 

anubrata_and_sukanya

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদা তিনি ছিলেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা। এখন বোলপুরের দেওয়ালে খুঁজে পাওয়া যাবে না তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের নাম। এবারের কালীপুজোও জেলেই কাটাতে হবে তাঁকে (Anubrata Mondal)। ফের ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অনুব্রত মণ্ডল, তাঁর কন্যা সুকন্যা মণ্ডল, সায়গল হোসেন-সহ তিহাড়ে থাকা গরু পাচারে-যুক্ত (Cow Smuggling Case) বাকি বন্দিদের। এমনই নির্দেশ দিল্লির রাউজ এভিনিউ কোর্টের। 

একা হচ্ছেন অনুব্রত?

এখন তিহাড় জেলে দিন কাটছে কেষ্টর। আগের থেকে বেশ খানিকটা ওজন ঝরেছে বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)। শরীরিক অবস্থা দর্শিয়ে মঙ্গলবার জামিন পেতে চেয়েছিলেন অনুব্রত। কিন্তু হয়নি। মঙ্গলবারও জামিন খারিজ হয়ে যায় তাঁর। এদিন কোর্ট রুমে একসময়ের তাঁর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারির সঙ্গে কথা বলতে চান অনুব্রত। কিন্তু নিজের জায়গা ছেড়ে উঠে এসে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করেন সদ্য জামিনপ্রাপ্ত মণীশ। ২০১৩–১৪ সাল থেকে বীরভূম তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন বোলপুরের বাসিন্দা মণীশ কোঠারি। তারপরই তাঁর সম্পত্তি বৃদ্ধি পায় বলে অভিযোগ। ইডি সূত্রে খবর, গরু পাচারের কালো টাকা সাদা করার পিছনে মণীশের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। কিন্তু এখন সে সব অতীত। অনুব্রতের থেকে দূরত্ব বাড়াতে সচেষ্ট একদা তাঁর ঘনিষ্ঠেরা। তৃণমূলের সাংগঠনিক পরিমণ্ডলে বীরভূম জেলায় অনুব্রত মণ্ডলের ছায়া ক্রমশ মিলিয়ে যাচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনীতির কারবারিরা।

আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয়-কন্যার সই করা বিজ্ঞপ্তি বদল! দুর্নীতির আঁচ থেকে দূরে থাকতে চাইছে শিক্ষা সংসদ?

পরবর্তী শুনানি চার সপ্তাহ পরে

সূত্রের খবর, আজও অনুব্রত (Anubrata Mondal) নিজের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলার সময় বারেবারে পায়ে ব্যথার কথা বলেন। এ দিন,আইনজীবীদের জানান, তাঁর পায়ের হাড় ক্ষয়ে যাচ্ছে। ডান দিকের পায়ে ব্যথা। যার জেরে পা ক্রমশ রোগা হয়ে যাচ্ছে। গত সেপ্টেম্বরেই অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবরক্ষক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট মনীশ কোঠারি জামিন পেতেই প্রশ্ন উঠছিল, তাহলে কেষ্টও শীঘ্রই জামিন পাবেন? কিন্তু তাঁর জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে সিবিআই। এই প্রসঙ্গে সিবিআই-এর আইনজীবী এস ভি রাজু আদালতে বলেন, ‘অনুব্রত প্রভাবশালী, জেল থেকে বাইরে এলে যা ইচ্ছে তাই করবেন, ক্ষতি হবে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে।’ মামলার পরবর্তী শুনানি চার সপ্তাহ পরে হবে বলে নির্দেশ দেন বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু এবং বেলা এম ত্রিবেদী।

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share