CAATSA Waiver to India: চিনকে রুখতে ভারতের পাশে! নয়া আইন পাশ মার্কিন সংসদে

ro

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার থেকে অস্ত্র কিনলেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে না ভারতকে ৷ এমনই সিদ্ধান্ত নিল আমেরিকার (USA) সংসদ। এর জন্য নিজেদের আইনে বিশেষ সংশোধনী আনল হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ (India and US strategic relationship)। মার্কিন পার্লামেন্টে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাংসদ রো খান্না আইন সংশোধনের প্রস্তাব এনেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “চিনা আগ্রাসনের মোকাবিলায় ভারতের পাশে দাঁড়ানো উচিত আমেরিকার। ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক আরও মজবুত করার লক্ষ্যে আমি কাজ করছি। চিনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতে ভারত যেন নিজেদের রক্ষা করতে পারে, সেই কথা মাথায় রাখা উচিত আমাদের।”

[tw]


[/tw]

রাশিয়া থেকে এস-৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম কিনেছে ভারত। কিন্তু আমেরিকার ক্যাটসা (CAATSA)আইন অনুসারে, যদি কোনও দেশ রাশিয়া থেকে নিরাপত্তা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র কেনে, তাহলে সেই দেশের উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হবে। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে চিনের আগ্রাসন ঠেকাতে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে ভারতকে (India)। সেই কথা মাথায় রেখেই আমেরিকার সংসদে আইন সংশোধন করে এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হল। এদিন ধ্বনিভোটে পাশ হয়েছে আইন সংশোধনের বিল। সায় দিয়েছেন বিরোধী দলের সাংসদরাও। খান্না জানিয়েছেন, “এই বিল পাশ করানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দলমত নির্বিশেষে সকলে এই বিলকে সমর্থন জানিয়েছেন দেখে আমি গর্বিত।” প্রসঙ্গত, ভারতীয় ককাসের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করছেন খান্না। ২০০৪ সালে তৈরি হয়েছিল ভারতীয় ককাস। সন্ত্রাসদমন, গণতন্ত্র সুরক্ষিত রাখা-সহ নানা বিষয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে নয়াদিল্লির দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতেই তৈরি হয়েছিল এই জোট।

আরও পড়ুন: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে আরও একধাপ এগোলেন ঋষি

২০১৮ সালে রাশিয়ার থেকে এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেম কিনতে ৫ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করে ভারত৷ সে সময়, শুধু আপত্তি নয় নিষেধাজ্ঞা জারির ভয়ও দেখিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন ৷ কিন্তু চুক্তি থেকে পিছিয়ে আসেনি ভারত ৷ এই এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেমটি যে কোনও দেশের প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিতে পারে ৷ এর থেকে বেশি দূরে আঘাত হানার ক্ষমতা অন্য কোনও মিসাইলের নেই ৷ এই মিসাইল ভারতের কাছে থাকলে সহজেই চিনকে রোখা যাবে। তাই চিনকে আটকাতে আর ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত নিল মার্কিন সংসদ এমনই অভিমত কূটনৈতিক মহলের।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share