মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ কোম্পানির পরে আসতে চলেছে আরও ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী। আগেই জানা গিয়েছিল মোট ৮২২ কোম্পানি বাহিনী ধাপে ধাপে আসেব। সেই মতো এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী অবিলম্বে বিভিন্ন জেলায় জেলায় যাবে। ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী কোথায় কত মোতায়েন হবে, তা নিয়েই একটা জটিলতা তৈরি হচ্ছিল। অমিত শাহের মন্ত্রক এনিয়ে কমিশনকে চিঠিও পাঠায়। জানা গিয়েছে, সোমবার বাহিনী মোতায়েন নিয়ে একটা প্রাথমিক তালিকা তৈরি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে দিয়েছে কমিশন। সেই তালিকা অনুযায়ী, আলিপুরদুয়ারের জন্য ৬ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ২৪ কোম্পানি, বীরভূমে ১৯ কোম্পানি, কোচবিহারে ১৪ কোম্পানি, কোচবিহারের ১৪ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৬ কোম্পানি, দার্জিলিংয়ে ৫ কোম্পানি, হুগলি ১২ কোম্পানি, হাওড়ায় ১০ কোম্পানি বাহিনী চাওয়া হয়েছে।
বাকি ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী কবে মিলবে?
পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Vote) ঘোষণার পর থেকেই যেন অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে বাংলা। শাসকদলের বিরুদ্ধে লাগাম ছাড়া সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে বিজেপি সমেত বিরোধী দলগুলি। ভোট ঘোষণার পর থেকে ঝরেছে ১০টি তাজা প্রাণ। মঙ্গলবারও দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়েছে দিনহাটা। এমতো অবস্থায় মালদায় বাহিনীকে ফুল ছুড়ে স্বাগত জানাতে দেখা গিয়েছে সাধারণ মানুষকে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজ্য প্রশাসনের ওপর ক্রমশই ভরসা হারচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের ধারণা, ‘‘কেন্দ্রীয় বাহিনীই মানুষকে ভোটাধিকার দিতে পারে।’’ সূত্রের খবর, বাহিনী ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নোডাল অফিসার বিএসএফের আইজি ও সিআরপিএফের ডেপুটি কম্যান্ড্যান্টের সঙ্গে কমিশন চার দফা বৈঠকও করে। বাকি ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী কবে মিলবে? বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সেটা বুধবার স্পষ্ট হতে পারে। ওই দিন বাহিনী সংক্রান্ত মামলার শুনানি রয়েছে।
কী বলছে বিজেপি?
বাহিনী ইস্যুতে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘বাহিনী বিষয়ে জটিলতা থাকল কী থাকল না তা নিয়ে সাধারণ মানুষ চিন্তিত নয়। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই শাসক দল নিজের কাজ দেখিয়েছে। ওদের লক্ষ্যই হল লুঠ করা। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভোট করা। এর জন্যই রাজ্য কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইছিল না। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বাকী ৪৯৫ কোম্পানি বাহিনী যদি কেন্দ্র দিয়েও দেয় তাহলে তা কি দ্রুত মোতায়েন সম্ভব?’’ একদফার ভোট নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। শমীকের কথায়, ‘‘একদিনে ভোট (Panchayat Vote) করিয়ে মানুষকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর ক্ষমতা এই নির্বাচন কমিশনের আছে? এগারো দিনে ৯ জন খুন হয়ে গেল। এই হচ্ছে এই রাজ্যের পরিস্থিতি।’’
আরও পড়ুন: আলিপুরদুয়ারে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগে বিজেপি, তৃণমূল ব্যস্ত কোন্দলেই
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply