মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Rally in Krishnagar)। আজ, ২ মার্চ বাংলায় মোদির সফরের দ্বিতীয় দিন। সামনে লোকসভা নির্বাচন। শনিবার সেই লক্ষ্যেই কৃষ্ণনগরে সভা করবেন তিনি। তাঁর আগে একাধিক সরকারি প্রকল্পের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহর জুড়ে ট্র্যাফিক কন্ট্রোলও করা হয়েছে। শুক্রবার আরামবাগে জনসভা করেছেন মোদি। সেই মঞ্চ থেকে বাংলার শাসক দলকে নিশানা করেছেন তিনি। আজ কৃষ্ণনগরের জনসভায় সিএএ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কোনও বার্তা দেন কি না তার দিকেই নজর রয়েছে রাজনীতিকদের।
আরামবাগের পর এবার কৃষ্ণনগর!
আগামীকাল অর্থাৎ ২রা মার্চ ২০২৪ কৃষ্ণনগরে বিজয় সংকল্প জনসভাকে সম্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জী।
কৃষ্ণনগরবাসী আর কিছু সময়ের অপেক্ষা #ModirSatheBongobasi pic.twitter.com/sD8FMlecoy
— Locket Chatterjee (@me_locket) March 1, 2024
আজ মোদির কর্মসূচি
প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে যে সূচি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে রাজভবন থেকে সড়ক পথে বেরবে মোদির কনভয়। ৯টা ৪০ মিনিটে আরসিটিসি হেলিপ্যাড থেকে উড়বে মোদির কপ্টার। সকাল সাড়ে দশটায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছনোর কথা মোদির। সাড়ে দশটা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত সরকারি অনুষ্ঠান থেকে একাধিক সরকারি প্রকল্প উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সকাল ১১টা ৫ মিনিটে অনুষ্ঠান স্থল থেকে সড়ক পথে বেরিয়ে যাওয়ার কথা তাঁর। ১১টা ১০ মিনিটে এসে পৌঁছনোর কথা জনসভার স্থলে। সূচি অনুযায়ী সওয়া ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কৃষ্ণনগরে দলীয় সভা করার কথা মোদির। ১২টা ১০ মিনিটে কৃষ্ণনগর থেকে উড়বে মোদির কপ্টার। ১২টা ৫৫ মিনিটে পানাগড় থেকে মোদির বিমান উড়ে যাবে বিহারে।
তৃণমূলের অত্যাচারে ছিন্নভিন্ন গোটা রাজ্য, আর অন্যায় সহ্য করা নয়, মমতার কুশাসনের হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করুন।
২রা মার্চ কৃষ্ণনগরে @narendramodi জির বিশাল জনসভায় দলে দলে যোগ দিন। #ModirSatheBongobasi pic.twitter.com/urHlknQrRK
— BJP West Bengal (@BJP4Bengal) March 2, 2024
মতুয়াদের উদ্দেশে বার্তা
কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে মতুয়া ভোটের প্রভাব রয়েছে বেশ ভালো। মতুয়াদের দীর্ঘদিনের দাবি সিএএ। আজ কৃষ্ণনগর থেকে সিএএ নিয়ে কোনও বার্তা প্রধানমন্ত্রী দেন কি না, সেদিকে নজর রয়েছে বঙ্গবাসীর। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের হিন্দু সহ ৬টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ভারতীয় নাগরিকত্ব দিতেই আনা হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। ২০১৯ সালে এই আইনটি সংসদের অনুমোদন পেয়ে তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর দাবি করেছিলেন, শীঘ্রই সিএএ কার্যকর হবে। কেন্দ্রীয় স্বরষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের গলাতেও শোনা গিয়েছিল একই সুর। উল্লেখ্য, সিএএ কার্যকর হলে, তার সবথেকে বেশি প্রভাব পড়তে পারে বাংলাতেই। বাংলাদেশ লাগোয়া নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় এর প্রভাব আরও বেশি করে পড়তে পারে। বিগত ২০১৯ সালে নাগরিকত্ব ইস্যুতেই মতুয়া ভোটের সিংহভাগ বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছিল। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী কি বার্তা দেন তারই অপেক্ষায় মতুয়া সম্প্রদায়।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply