Nadia: ক্ষুদ্র শিশিতে দুর্গা এঁকে তাক লাগিয়েছেন নদিয়ার তুহিন, প্রশংসা কুড়িয়েছেন লণ্ডনের

Nadia_(5)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একজন শিল্পীর জীবনে হাজার ঝড় বৃষ্টি বয়ে গেলেও ইচ্ছে শক্তি একদিন পৌঁছে দেয় সাফল্যের দৌড়গোড়ায়। সংসারে অভাব অনটন পিছু না ছাড়লেও সবকিছু উপেক্ষা করেও হোমিওপ্যাথি ওষুধে ব্যবহারকারী ক্ষুদ্র কাঁচের শিশির ভেতরে দুর্গা প্রতিমা এঁকে এক অনন্য নজর গড়লেন নদিয়ার (Nadia) চাপড়ার বড় আন্দুলিয়া এলাকার অঙ্কন শিল্পী তুহিন মণ্ডল।

বাবার ইচ্ছেপূরণে হাতে তুলি ধরেছিলেন শিল্পী

শিল্পী তুহিনের বাবা আব্দুল মুজিব মণ্ডল একজন অঙ্কন শিল্পী ছিলেন, তাঁর ইচ্ছে ছিল সন্তান বড় হয়ে তার মত একজন শিল্পী হবে। বাবাকে দেখেই হাতে তুলি ধরেন তিনি। আর এই সংসার চালানোর ক্ষেত্রে অনেক ঝড় ঝাপট তার মাথার উপর দিয়ে গেছে, কিন্তু তিনি পিছুপা হননি। ২২ বছর ধরে তিনি এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। জানা গেছে, মাত্র কয়েক মাস আগে পেট দিয়ে রবীন্দ্রনাথের মূর্তি এঁকে নদিয়া (Nadia) থেকে সারা বিশ্বের দরবারে পৌঁছে গিয়েছিলেন তুহিন, লণ্ডনের একটি সংস্থা তাঁকে শংসাপত্র দিয়েছে। প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ধরে নতুন নতুন শিল্পভাবনাকে তুলির টানে ফুটিয়ে তোলেন তিনি। তবে, হোমিওপ্যাথির একটি ক্ষুদ্র শিশির ভেতরে এইভাবে যে দুর্গা প্রতিমা আঁকা যায় তা কখনও ভাবতে পারছেন না পাড়া প্রতিবেশীরা। স্ত্রী বলেন, প্রতিদিন রাত জেগে শিল্প কলার কাজ করেন স্বামী। তাঁর মতো একজন স্বামী পেয়ে আমি গর্বিত। ছোট মেয়ে লুসি মণ্ডল বলেন, বাবা আমার কাছে আদর্শ। বাবার হাতের কাজ দেখে আমরা হতবাক হয়ে যায়।

কী বললেন শিল্পী?

গর্বের সুরে তুহিন বলেন, আমার এই শিল্পকলার জন্য বিদেশ থেকে শংসাপত্র পাব তা ভাবতে পারিনি। একটা সময় আমার সাংসারিক অসচ্ছলতার কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম, কিন্তু, কাজের জন্য আমার এখন পরিচিত বেড়েছে। এখন নদিয়ার (Nadia) জেলার বিভিন্ন প্রান্তের অনেক পরিবারের কচিকাঁচারা আমার কাছে ছবি আঁকা শিখতে আসেন, যা এখন সংখ্যায় প্রায় ৫০০ রেও বেশি। তবে লণ্ডনের একটি সংস্থা শংসাপত্র দেওয়াই জীবনের সবথেকে মূল্যবান জিনিস লাভ করেছি। আগামীদিনে এই শিল্পকলার মধ্যে দিয়ে জীবনে আরও প্রতিষ্ঠিত হতে চান তিনি।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share