মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোপালে একাদশ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে চারটি গাড়িতে ধর্ষণের (Rape case) অভিযোগ উঠেছে। চাঁদাবাজি এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে জোর করার চেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনা ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ভূপালে (Bhopal)। অভিযুক্তরা মৌলবাদীদের সঙ্গে সম্পর্কিত। দুষ্কৃতীদের এই দৌরাত্ম্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।
গাড়ির ভেতরেই ছাত্রীকে ধর্ষণ (Bhopal)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শাহপুরা (Bhopal) এলাকার একটি নামী স্কুলে পড়া মেয়েটি এক বন্ধুর মাধ্যমে আওসাফ আলী খান নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হয়। তাদের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠার সুযোগ নিয়ে আওসাফ গাড়িতে করে খানুগাঁওয়ের একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। এরপর গাড়ির ভেতরেই মেয়েটিকে ধর্ষণ (Rape case) করা হয়।
ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দেওয়া হতো
ধর্ষণটি পরিকল্পিত ছিল। জানা গিয়েছে আওসাফের বন্ধু মাজ খান, যে আবার একটি জিমের মালিক, অন্ধকারে গাড়ির বাইরে লুকিয়ে ছিল এবং সে ঘটনার একটি ভিডিও করেছে বলে জানা গিয়েছে। এরপর ভিডিও নিয়ে ছাত্রীটিকে ব্ল্যাকমেইল করার কাজ চলছিল। সেই সঙ্গে এটাও বলে হুমকি দেওয়া হয়, যদি ১ লক্ষ টাকা না দেয়, তবে তারা এটি ভাইরাল করবে। এরপর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সেই নাবালিকা। পরে অবশ্য ৪০,০০০ টাকা দিতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু তার পরেও তাকে যৌন নির্যাতন এবং ব্ল্যাকমেইল করা হতে থেকে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং নামাজ পড়ার জন্য চাপ দেওয়া শুরু হয়। অবশেষে ছাত্রীটি (Rape case) তার পরিবারকে ঘটনাটি জানায় এবং হিন্দু সংগঠনগুলির সহায়তায় পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়।
পুলিশ (Bhopal) জানিয়েছে অভিযুক্তরা দুটি সেডান এবং একটি মাহিন্দ্রা থার সহ চারটি গাড়িতে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেছে। পুলিশ এখন গাড়িগুলিকে জব্দ করেছে। ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেফতার করেছে। মামলার তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্ত দলও গঠন করা হয়েছে।

Leave a Reply