Supreme Court: “অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি বরং বাংলায় আমরাই আতঙ্কিত”, সুপ্রিম কোর্টে ইডি

it-was-not-used-as-a-weapon-but-rather-the-ed-in-bengal-has-become-panicked-lawyer-tells-supreme-court

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপ্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। কোর্টকে বুধবার সাফ কথায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বলেছে,“ইডিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি বরং বাংলায় ইডিই আতঙ্কিত হয়েছে।” অপর দিকে ইডির পক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথার ইডিকে টার্গেট করে বলেন, “অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে ইডিকে।”

গত ৮ জানুয়ারি কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ওই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সেখানে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তে বাধা এবং নথি কেড়ে নিয়ে যান। এই ভাবে তদন্তকে প্রভাবিত করার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে ইডি।

শুনানির দিনেই ইডি হলফনামা জারি (Supreme Court)

সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এদিন বিচারপতি হিসেবে ছিলেন, প্রশান্ত কুমার মিশ্র, বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথন। ইডির পক্ষে প্রশ্ন তোলেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু। এর আগে মমতার আইনজীবী কপিল সিব্বলের অসুস্থতার জন্য শুনানি একবার স্থগিত রাখা হয়েছিল। এরপর আদালত ১৮ ফেব্রিয়ারি পরবর্তী শুনানি ঘোষণা হয়। এদিন সলিসেটার জেলারেল তুষার মেহতা আদালতকে জানান, ইডি শুনানির দিনেই ইডি হলফনামা জারি করে। এরপর ১৮ মার্চ পরবর্তী শুনানি ধার্য করা হয়েছে।

পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এর উপর স্থগিতাদেশ

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে মমতার (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ইডি জানিয়েছে, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতির তদন্তে বাধা সৃষ্টি করেছে। তাই মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যের ডিজিপি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ চাই।” যদিও কোর্টের তরফে ১৫ জানুয়ারি একটি নির্দেশনামায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এর উপর স্থগিতাদেশ দেয়। সেই সঙ্গে ৮ জানুয়ারি তল্লাশি অভিযান দিনের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ, ডিজিটাল রেকর্ড সংগ্রহ করতে বলা হয়।

দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত আইপ্যাক কর্তা

ওপরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) আইনজীবী আদালতে (Supreme Court) নিজেদের হালফ নামা দিয়ে জানায়, তৃণমূল কংগ্রেসের গোপন এবং মালিকানাধীন তথ্য উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে আরও দাবি করা হয়, গত ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে কলকাতার লাউডন স্ট্রিটে আই প্যাকের সহ প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাড়িতে এবং বিধাননগরে ভারতীয় কর্ম কমিটির আইপ্যাক দফতরে তল্লাশির সময় দলের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক তথ্য নেওয়া হচ্ছে বলে খবর পান। মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে তথ্য এবং ডিভাইসগুলিকে ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু তদন্তকারী অফিসাররা পাত্তা দেননি। এরপর বাধ্য হয়ে নিজের কিছু ডিভাইস নিয়ে চলে যান। এখানে যাকে অভিযুক্ত বলা হচ্ছে তিনি কোন মামলায় অভিযুক্ত নন ফলে দলের মালিকানাধীন তথ্যের উপর ইডির কোনও অধিকার নেই। ২০২৬ সালের আগে এই ভাবে ইডির এই অভিযান অত্যন্ত উদ্দেশ্য প্রণেদিত। এই অফিসে আইপ্যাকের দফতরে আসন্ন নির্বাচনের তালিকা এবং আরও নথি ছিল। এক প্রকার ইডির এই ভাবনা গোপন রাজনৈতিক তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্য নিয়ে তল্লাশি চালানো।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share