মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার নিরিখে আবারও এক নম্বর স্থান দখল করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আন্তর্জাতিক সমীক্ষা সংস্থা ‘মর্নিং কনসাল্ট’ (Morning Consult)-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের তাবড় তাবড় রাষ্ট্রনেতাদের পিছনে ফেলে জনসমর্থনের নিরিখে শীর্ষস্থান (Most Popular Leader) ধরে রেখেছেন তিনি।
মোদির ক্ষেত্রে বিরোধিতার হার (PM Modi)
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক এই সংস্থাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানদের জনপ্রিয়তা নিয়ে নিয়মিত ট্র্যাকার পরিচালনা করে। তাদের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ৬৮ শতাংশ ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং’ নিয়ে তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মোদির ক্ষেত্রে বিরোধিতার হার (Disapproval Rating) অত্যন্ত কম, যা তাঁর প্রতি জনগণের আস্থার (Most Popular Leader) প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যান্য রাষ্ট্রনেতা
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সুইৎজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন (৬২ শতাংশ রেটিং)। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কিংবা ঋষি সুনাকের মতো নেতারা জনপ্রিয়তার দৌড়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন।
বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জি-২০ (G20) সম্মেলন পরবর্তী সময়ে ভারতের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক প্রভাব এবং দেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডই মোদির (PM Modi) এই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার (Most Popular Leader) মূল কারণ। ভারতের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
পূর্ববর্তী রেকর্ড
তবে এটা প্রথমবার নয়, এর আগেও একাধিকবার ‘মর্নিং কনসাল্ট’-এর সমীক্ষায় বিশ্বের জনপ্রিয়তম নেতার তকমা পেয়েছেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। অতিমারি পরবর্তী সময়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের শক্ত অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক সংকটে মোদীর গঠনমূলক ভূমিকা তাঁকে এই বিশেষ সম্মানের অধিকারী করেছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এই সাফল্যকে ‘নতুন ভারতের’ জয় হিসেবে দেখছেন। তাঁদের দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বই ভারতকে বিশ্বমঞ্চে (Most Popular Leader) এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
কোন বিশ্ব নেতার জনপ্রিয়তা কেমন?
নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ভারত- ৬৮%
গাই পারমেলিন (সুইৎজারল্যান্ড) – ৬২%
লি জে-মিউং (দক্ষিণ কোরিয়া) – ৬২%
আন্দ্রেজ বাবিস (চেক প্রজাতন্ত্র) – ৫৭%
হাভিয়ের মিলেই (আর্জেন্টিনা) – ৫৬%
সানায়ে তাকাইচি (জাপান) – ৫৬%
মার্ক কার্নি (কানাডা) – ৫৫%
ক্লডিয়া শেইনবাম (মেক্সিকো) – ৪৭%
বার্ট ডি ওয়েভার (বেলজিয়াম) – ৪২%
লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা (ব্রাজিল) – ৪২%
জর্জিয়া মেলোনি (ইতালি) – ৪০%
রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান (তুরস্ক) – ৪০%
ডোনাল্ড টাস্ক (পোল্যান্ড) – ৪০%
ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) – ৩৯%
উলফ ক্রিস্টারসন (সুইডেন) – ৩৮%
অ্যান্থনি অ্যালবানিজ (অস্ট্রেলিয়া) – ৩৭%
জোনাস গার স্টোর (নরওয়ে) – ৩৬%
পেদ্রো সানচেজ (স্পেন) – ৩৬%
সিরিল রামাফোসা (দক্ষিণ আফ্রিকা) – ৩৩%
ক্রিশ্চিয়ান স্টকার (অস্ট্রিয়া) – ৩৩%
রব জেটেন (নেদারল্যান্ডস) – ৩২%
কিয়ার স্টারমার (যুক্তরাজ্য) – ২৪%
ফ্রিডরিখ মের্জ (জার্মানি) – ২০%
এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ (ফ্রান্স) – ১৭%

Leave a Reply