Governor Of West Bengal: ‘অ্যাকশন’ শুরু রাজ্যপালের! মধ্যরাতে নবান্নে গেল রাজভবনের চিঠি

CV_Ananda_Bose

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য-রাজপাল সংঘাত তুঙ্গে। ঠিক এমন আবহে অ্যাকশন দেখার জন্য শনিবার সকালেই মধ্যরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করার কথা বলেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor Of West Bengal)। অবশেষে তিনি অ্যাকশন নিলেন। শনিবার এবং রবিবারের মধ্যবর্তী রাত বারোটার ঠিক কয়েক মিনিট আগে দুটি খামবন্দি চিঠি পাঠালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। যার একটি গেল কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এবং অপরটি নবান্নে। যদিও চিঠিতে কী লেখা রয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। রাজ্যপালের (Governor Of West Bengal) এই মুখ বন্ধ চিঠিকে ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যপালের জবাব

প্রসঙ্গত, উপাচার্য নিয়োগ বিতর্কের মাঝেই তৃণমূলপন্থী প্রাক্তন উপাচার্যদের একাংশকে  রাজভবনের সামনে অবস্থানেও দেখা গিয়েছে সুবোধ সরকারের নেতৃত্বে। শুক্রবার বিকালে ব্রাত্য বসুর মন্তব্যে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করে। সরাসরি রাজ্যপালকে (Governor Of West Bengal) মহম্মদ বিন তুঘলকের সঙ্গে তুলনা করেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রীর এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে শনিবার সকালেই রাজ্যপাল (Governor Of West Bengal) বলেন, ‘‘মধ্যরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।’’ এরপরেই চিঠি পাঠান রাজ্যপাল। মনে করা হচ্ছে চিঠির প্রাপ্তি স্বীকারের পরেই জানা যাবে ওই চিঠিতে ঠিক কী লেখা রয়েছে। চিঠির বিষয়বস্তু নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড়ও উঠতে পারে, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।

উপাচার্য নিয়োগ ঘিরে সংঘাত 

প্রসঙ্গত, রাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজ্যপাল (Governor Of West Bengal) নিজের মনোনীত ব্যক্তিদের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করেন। যেমন রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে বসানো হয়েছে কর্নাটক হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শুভ্র কমল মুখোপাধ্যায়কে, আবার মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক গৌতম মজুমদারকে উপাচার্য করে রাখা হয়েছে। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য নিয়োগ করা হয়েছে রথীন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করা হয় বুদ্ধদেব সাউকে। এ নিয়েই রাজভবনের (Governor Of West Bengal) সঙ্গে রাজ্যের সংঘাত চরমে ওঠে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরকে হুঁশিয়ারি দিতে শোনা যায়, উপাচার্যদের বেতন বন্ধ করার। মুখ্যমন্ত্রীর এই অর্থনৈতিক অবরোধের তত্ত্বে বিতর্ক দানা বাঁধে। কিন্তু সেসবে রাজ্যপাল কোনওরকম পাত্তা দেননি, কৃষ্ণনগরের কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করা অধ্যাপক কাজল দে’কে।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share