মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Gram Panchayat Election) বোর্ড গঠন চলাকালীনও ফের খুনের ঘটনা ঘটল। উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থীকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত তৃণমূল কংগ্রেস নেতার নাম শেখ সাহেব আলি। হাড়োয়ার সামলার পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন শেখ সাহেব। দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে এই হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ভোরে অঞ্চল সভাপতির বাড়ি থেকে মোটরবাইকে করে বাড়ি ফিরছিলেন শেখ সাহেব আলি। সামলা বাজার এলাকায় ঢুকতেই বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁকে ঘিরে ধরে। তাঁকে টেনে নামানো হয় মোটরবাইক থেকে। তারপর মাটিতে ফেলে পর পর গুলি করা হয় তাঁকে। পালাবার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু, গুলি লাগতেই ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন সাহেব আলি। দুটি গুলি লাগে তাঁর মোটরবাইকেও। তাঁর চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেন হাড়োয়া থানায়। জানা গিয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েতে (Gram Panchayat Election) শনিবার প্রধান ও উপপ্রধান নির্বাচন ছিল। সেই পদে দাবিদার ছিলেন সাহেব আলি। কিন্তু, তিনি জয়ী হতে পারেননি। তারপর ভোরে বাড়ি ফেরার পথে সামলাবাজার এলাকায় তাঁকে লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের দাবি, অন্তত পাঁচ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, আট রাউন্ড গুলি চলে। সাহেবকে রীতিমতো ঘিরে ধরে গুলি করা হয়। আর তারপর চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় রাস্তায় তৃণমূল কংগ্রেস নেতার দেহ রেখে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। বসিরহাটের হাড়োয়া থানার খাসবালান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের সামলা এলাকায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হল? তার উত্তর খোঁজা হচ্ছে। তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই খুনের পিছনে রয়েছে রাজনীতিই। জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হচ্ছে তাঁর দলের লোকজনকে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply